পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩: পার্ট-১) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. পার্ট-২) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ - বাংলাদেশের অর্থনীতি: ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC পৌরনীতি বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
বর্তমানে তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা?
  1. ৩,৫০.০০০ টাকা
  2. ৪,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লক্ষ টাকা।
• তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
ব্যাংক নোট কোনটি?
  1. ১ টাকা
  2. ২ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. ১০ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের নোট:
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
অন্যদিকে - 
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং - ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস:
i) বাংলাদেশ ব্যাংক।
ii) অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর  ছিলেন কে?
  1. এ. এন. হামিদুল্লাহ
  2. ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন
  3. আব্দুর রউফ তালুকদার
  4. ড. ফখরুদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
-বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর  ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির স্কিম কোনটি?
  1. দেশী স্কিম
  2. সুগতি স্কিম
  3. অগ্রগতি স্কিম
  4. সমতা স্কিম
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন পেনশন:
- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
• প্রবাস স্কিম,
• প্রগতি স্কিম,
• সুরক্ষা ও
• সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
-  সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র – ডেইলী স্টার।
.
বাংলাদেশের ভূমিকে কয়টি এগ্রো- ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪৩টি
ব্যাখ্যা
₻ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো- ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
• সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
• বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা
- খরিফ ফসল: বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় - এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল:  শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের - শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ। 
.
মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খুলনা
  3. চট্রগ্রাম
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ও জেলা:
• বিভাগ
১. চট্টগ্রাম (৮১০২৮৩ মেট্রিক টন)
২. খুলনা (৭৫৬২২৫মেট্রিক টন)
৩. রাজশাহী (৫৩৩৬১৩মেট্রিক টন)
•জেলা
১. ময়মনসিংহ  (৩,৩৩,৮৭৭ মেট্রিক টন)
২. কুমিল্লা  (৩,০৩,৭১৩ মেট্রিক টন)
৩. যশোর  (২,৩৫,৬৬৫মেট্রিক টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
.
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কয়টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ১৯টি
  2. ৩টি
  3. ৬টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
• জিডিপিতে খাত
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
• কৃষিখাত
• শিল্পখাত
• সেবাখাত।

- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুসারে বর্তমানে দেশে কয়টি বিসিক শিল্পনগরী রয়েছে?
  1. ৭৫টি
  2. ৭৯টি
  3. ৮০টি
  4. ৮৫টি
ব্যাখ্যা
বিসিক শিল্পনগরী নিয়ে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য: 
- মোট শিল্পনগরীর সংখ্যা: ৮০টি।
- উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিট: ৪৭৬৯টি (ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ পর্যন্ত)। 
- ৮০টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২২ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প-কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৩,২৫৯.৭৭ কোটি টাকা।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলোতে মোট ৭৬,৪১০.১৬ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৪৬,২২৯.৩৭ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

দেশের জিডিপিতে শিল্পখাত:
- শিল্প খাত (বৃহৎ): ৩৭.৫৬%,
• খনিজ ও খনন: ১.৭৫%,
• ম্যানুফ্যাকচারিং: ২৪.৯৫%,
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: ১.২১%,
• পানি সরবরাহ: ০.১০%,
• নির্মাণ: ৯.৫৫%।                

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
 
.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কত টাকা?
  1. ২০,৫৮২কোটি টাকা
  2. ২৭,৫৮২কোটি টাকা
  3. ২৫,৫৩৩কোটি টাকা
  4. ১৭,৫৩৩কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের তথ্যঃ 
• বাজেটে মোট পরিচালন ব্যয় (সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বিভাগের খরচ, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দেনা পরিশোধ ব্যতীত) ধরা হয়েছে- ৪,৮৪,২০৩ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে – ২,৭৭,৫৮২ কোটি।
• উল্লেখ্য, উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৭৭,৫৮২ + ৪,৮৪,২০৩ = ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা)।
• পরিচালন ব্যয় থেকে সবচেয়ে বেশি ২০.৫% খরচ হয় ভুর্তুকি ও প্রণোদনা (মোট – ৯৯,২২৭ কোটি টাকা)।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯.৫% খরচ হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুদ প্রদানের মাধ্যমে (৯৪,৩৭৬ কোটি টাকা)।
• কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ – ১৭,৫৩৩ কোটি টাকা।
• জনপ্রশাসন খাতে ভর্তুকি ও প্রণোদনা – ৬০,০৮৭ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় পরিচালন খরচ বেশি হলে এই ধরণের বাজেটকে 'অনুন্নয়ন বাজেট' নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস-  ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট।
১০.
দেশে মোট বৈদেশিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৯টি
  3. ৬টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- দেশে মোট তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬১টি।
- বাংলাদেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৬টি।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি।
- বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক  ৪৩টি।
- বৈদেশিক ব্যাংক ৯টি।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩। 
১১.
আবুল হাসান মাহমুদ আলী দেশের কততম অর্থমন্ত্রী?
  1. ১৩তম
  2. ১৫তম
  3. ১৭তম
  4. ১৮তম
ব্যাখ্যা
• আবুল হাসান মাহমুদ আলী 
- বাংলাদেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী হলেন দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
- আবুল হাসান মাহমুদ আলী দশম জাতীয় সংসদের সদস্য এবং ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।
- এর আগে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ আসনে বিজয়ী হন আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

উৎস: প্রথম আলো।  
১২.
দেশে আউশ ধান রোপনের সময় কখন?
  1. মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  2. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  3. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  4. এপ্রিল – মে
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়:মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়: মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
- আমন ধান রোপনের সময়:জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়: ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান রোপনের সময়: মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময়: এপ্রিল – মে। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
১৩.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ এর স্লোগান কী?
  1. উন্নয়নের রোল মডেল ও বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ
  2. উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা
  3. উন্নয়নের অভিযাত্রা পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ
  4. উন্নয়নের অভিযাত্রায় ভিশন ২০৪১
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৩-২৪:
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩,
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩,
-  স্লোগান: উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- মাথাপিছু আয়: ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেট (অনুন্নয়ন বাজেট): ৪,৩৬,২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় পরিচালন খরচ বেশি হলে এই ধরণের বাজেটকে 'অনুন্নয়ন বাজেট' নামে অভিহিত করা হয়।
- জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ মূলত একটি অনুন্নয়ন বাজেট।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪। 
১৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি?
  1. প্রায় ১৭.৪৫ শতাংশ
  2. প্রায় ১৬.৪৫ শতাংশ
  3. প্রায় ১৮.৪৫ শতাংশ
  4. প্রায় ১৯.৪৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বন সংরক্ষণ:
- বন অধিদপ্তরে ২০১৮-১৯ এর তথ্যানুসারে সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৫,৭৫,১৯৬ হেক্টর (গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে),
- যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৭.৪৫ শতাংশ।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় - ১৮,৮০,৪৯৪ হেক্টর,
- যা দেশের আয়তনের প্রায় ১২.৭৪ শতাংশ।
- দেশে বনসহ বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২২.৩৭ শতাংশ।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, মোট রপ্তানি আয় কত?
  1. ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন ডলার
  2. ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার
  3. ২,৬৫৭ মার্কিন ডলার
  4. ৩৪,৯৬৬ মিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৪,৯৬৬ মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.০৩%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.২৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) ৭৬.৪%।
- দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী বর্তমানে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় কয়টি রোগ প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হচ্ছে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই):
- বর্তমানে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় ১০টি রোগ প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। 
- টিকা গুলি হচ্ছে: ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, পোলিও, যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, 
- হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, হাম ও রুবেলা।
• বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার - ৯৭.২ শতাংশ।
• ইপিআই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ফলে ২০১৪ সালে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে 'পোলিওমুক্ত দেশ' হিসেবে ঘোষণা করে এবং এ অবস্থান বজায় রয়েছে। 
- স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কক্সবাজারের উখিয়া এবং 
- টেকনাফ উপজেলায় আশ্রিত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের 
- (Forcibly Displaced Myanmar Nationals-FDMN) মধ্যে ডিপথেরিয়া ও হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করেছে।
• হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন-২০২০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ৯ মাস থেকে ১০ বছরের নীচের ৩.৬৬ কোটি শিশুকে ১ ডোজ এমআর টিকা প্রদানের মাধ্যমে উদ্দিষ্ট টিকাদান লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হয়েছে এবং 
- আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ দেশ থেকে হাম-রুবেলা রোগ দূরীকরণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

উৎস- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৭.
আনারস সব চেয়ে বেশি উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. টাঙ্গাইল
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাঙ্গামাটি
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• আনারস
- মোট উৎপাদন ২,০৬,১৬৪.৫১ মে.টন বা, ৩৩,৫৮১.৮৭ একর। 
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন
• প্রথম: ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৫৬৭.২ মে.টন)
• দ্বিতীয় – চট্টগ্রাম বিভাগ (৮৯,০৫০.২ মে.টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন
• প্রথম: টাঙ্গাইল জেলা (১,২৯,৬৪০.৬ মে.টন)
• দ্বিতীয় রাঙ্গামাটি জেলা (২৪,৮৪৪ মে.টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
১৮.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ?
  1. ৪.৬%
  2. ৪.৮%
  3. ৬.৬%
  4. ৬.৪%
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

• ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
-প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%। 

উৎস- পরিকল্পনা বিভাগ।  
১৯.
দুর্নীতির ক্ষতিকর দিক কোনটি?
  1. জনগণের দরিদ্রতা বৃদ্ধি
  2. জনগণের দুর্ভোগ বৃদ্ধি
  3. জাতীয় উন্নয়নের অন্তরায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি:
- ব্যক্তিস্বার্থ অর্জন বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই দুর্নীতি।
- যখন কোনো প্ৰতিষ্ঠান বা ব্যক্তি স্বীয় অবস্থানের সক্রিয় অপব্যবহারের মাধ্যমে নিয়মবহির্ভূতভাবে লাভবান হয় বা ব্যক্তিস্বার্থ অর্জন করে। 
- এর ফলে অন্যের ক্ষতি সাধিত হয় তখনই দুর্নীতি সংঘটিত হয়। 
 
দুর্নীতির ক্ষতিকর দিকসমূহ নিম্নরূপ:
ক. জনগণের দুর্ভোগ বৃদ্ধি,
খ. জাতীয় উন্নয়নের অন্তরায়, এবং
গ. জনগণের দরিদ্রতা বৃদ্ধি।  

উৎস: যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট এবং ti-bangladesh.org [link]
২০.
কোনটি সুশাসনের উপাদান নয়?
  1. স্বচ্ছতা
  2. স্বজনপ্রীতি
  3. জবাবদিহিতা
  4. ন্যায়পরায়ণতা
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
- সুশাসন হলো উত্তমরূপে শাসন বা কার্যকরি শাসন।
- সুশাসনের ক্ষেত্রে শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ, সরকারের জবাবদিহিতা ও কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা আবশ্যকীয় উপাদান।

অন্যদিকে,
- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি প্রভৃতি সুশাসনকে ব্যাহত করে।
- সুশাসনের উপাদান নয় - স্বজনপ্রীতি

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র, মো. মোজাম্মেল হক।
২১.
“শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক -উক্তিটি করেছেন-
  1. অ্যারিস্টটল
  2. রিচার্ড ক্রসম্যান
  3. ম্যাকিয়াভেলি
  4. প্লেটো
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত উক্তি:
- মানুষের আচার-আচরণের, ভালো-মন্দ আলোচনা হল নীতিশাস্ত্র।
- সর্বজন স্বীকৃত নৈতিক আদর্শই রাষ্ট্রীয় সংগঠনের আইনে পরিণত হয়।
- কেননা কোনো রাষ্ট্রীয় আইন জনগণের নৈতিক মানদণ্ডের বিরোধী হলে তার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের আশঙ্কা থাকে।
- প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বলেছেন, “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”

অন্যদিকে,
- ম্যাকিয়াভেলির মতে , "শাসক হবে সিংহের মতো সাহসী, শৃগালের মতো ধূর্ত।"
- রিচার্ড ক্রসম্যান মতে , 'অনিয়ন্ত্রিত আমলাতন্ত্র গণতন্ত্রের জন্য হুমকি স্বরূপ'।

উৎস:  ব্রিটানিকা এবং পৌরনীতি,এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক সাম্যের উদাহরণ?
  1. উৎপাদন ও বণ্টনের ক্ষেত্রে বৈষম্য হ্রাস
  2. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  3. ন্যায্য মজুরির নিশ্চয়তা
  4. সার্বজনীন ভোটাধিকার
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক সাম্যের উদাহরণ হচ্ছে - সার্বজনীন ভোটাধিকার।

• রাজনৈতিক সাম্য (Political Equality):
- রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগের বেলায় সমান সুযোগ থাকাকেই রাজনৈতিক সাম্য বলে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ, স্ত্রী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিষ্ক নাগরিক যখন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বা সাধারণ ভোটদাতা হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে তখনই কোনো দেশে রাজনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 

২৩.
সাম্যের অর্থ কী?
  1. সমান সুযোগ-সুবিধা
  2. শ্রেণি বিশেষের অধিকার প্রতিষ্ঠা
  3. অপর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা
  4. বিশেষ সুযোগ-সুবিধার উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
সাম্য:
- সাম্যের অর্থ  - সমান সুযোগ-সুবিধা।
- সাম্যের অর্থ সমান। সাধারণ অর্থ্য সাম্য বলতে বোঝায় সব মানুষ সমান।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নীতিগতভাবে স্বীকার করা হয় যে, সকল মানুষ সমান। কিন্তু বাস্তবে দেখায়া যায়, সব মানুষ এক সমান নয়। শারীরিক ও মানসিক গঠন এবং ক্ষমতা ও যোগ্যতার দকে থেকে একজনের সাথে অন্যজনের পার্থক্য রেয়েছে। এজ্যই রাষ্ট্রের কাছ থেকে সকলেই সমান ব্যবহার দাবি করতে পারে না। 
- বার্কার-এর মতে, সম্য কথাটির অর্থ সুযোগ-সুবিধা বা অধিকার বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার পার্থক্য সৃষ্টি না করা।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৪.
গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ কোনটি?
  1. সামাজিক ন্যায়বিচার
  2. পরিবার
  3. সামাজিক নৈতিকতা
  4. মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ:
- সামাজি ন্যায়বিচারের অর্থ ধর্ম-বর্ণ, স্ত্রী-পুরুষ, ধনী-নির্ধনের সকলের প্রতি বিচারের মানদন্ড এক ও অভিন্ন।
- আইনের চোখে সবাই সমান। সমাজে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষিত হবে।
- গনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি সামাজিক ন্যায়বিচার।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২৫.
আইন মানুষের কোন ধরনের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. অভ্যন্তরীণ
  2. পারিবারিক
  3. বাহ্যিক
  4. সামাজিক
ব্যাখ্যা
আইন:
- আইন শব্দটি ফার্সি শব্দ।
- সাংবিধানিক আইন বা বিধি-বিধানে সরকার পরিচালিত হয়।
-‘যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই আইন’- উক্তিটি করেন - এরিস্টটল।
- অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস - ৬ টি।
- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
২৬.
রাজনৈতিক স্বাধীনতার পরিপূর্ণতার জন্যে প্রয়োজন?
  1. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  2. আইনগত স্বাধীনতা
  3. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা
  4. সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা:
- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে হলো যোগ্যতা ও সামর্থ্য অনুযায়ী জীবিকা নির্বাহের স্বাচ্ছন্দ্য ব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন অভাব ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি।
- রাজনৈতিক, সামাজিক, আইনগত, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার পরিপূর্ণ বিকাশের জন্যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা আবশ্যক।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
২৭.
কোন ধরনের শিক্ষা সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে-
  1. কর্মমুখী শিক্ষা
  2. প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা
  3. মূল্যবোধ শিক্ষা
  4. ধর্মীয় শিক্ষা
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ:
- সামাজিক অবক্ষয় হলো মূল্যবোধের অনুপস্থিতি।
- সামাজিক অবক্ষয় রোধ করতে মূল্যবোধ শিক্ষা, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন, সহনশীলতা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস:  নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।