Soil Horizon হলো মাটির প্রোফাইল বা উল্লম্ব কেটে দেখা স্তরভিত্তিক গঠন। মাটি গঠনের ফলে ধীরে ধীরে বিভিন্ন স্তরে আলাদা বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়। প্রত্যেকটি স্তরে জৈব পদার্থ, খনিজ, আর্দ্রতা ও গঠন আলাদা থাকে।এই স্তরগুলো মিলিয়ে Soil Profile তৈরি হয়।
Soil Horizons এবং তাদের বৈশিষ্ট্য
১. O-Horizon (Organic Layer)
· বৈশিষ্ট্য: সম্পূর্ণ জৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত। যেমন – মৃত গাছপালা, পাতা, শিকড়, জীবজন্তুর দেহাবশেষ ইত্যাদি।
· গুরুত্ব: এটি সবচেয়ে উর্বর স্তর।
· রঙ: কালো বা গাঢ় বাদামী।
· ডাকনাম: Humus layer।
২. A-Horizon (Topsoil)
· বৈশিষ্ট্য: খনিজ + জৈব পদার্থের মিশ্রণ।
· গাছপালা এখান থেকে খাবার ও পানি পায়।
· প্রক্রিয়া: এখানে সবচেয়ে বেশি Leaching (খনিজ দ্রবীভূত হয়ে নিচে চলে যাওয়া) ঘটে।
· গুরুত্ব: কৃষিকাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
· রঙ: বাদামী বা কালচে।
৩. E-Horizon (Eluviation Layer) [সব মাটিতে থাকে না]
· বৈশিষ্ট্য: খনিজ, কাদামাটি, জৈব পদার্থ ধুয়ে নেমে যায়।
· প্রক্রিয়া: Eluviation (washing out) প্রধান।
· রঙ: হালকা বা ছাই রঙের।
৪. B-Horizon (Subsoil)
· বৈশিষ্ট্য: এখানে উপরের স্তর থেকে খনিজ জমা হয়। যেমন – কাদামাটি, লৌহ, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ইত্যাদি।
· প্রক্রিয়া: Illuviation (Accumulation) ঘটে।
· ডাকনাম: Subsoil বা Zone of Accumulation।
· রঙ: লালচে, বাদামী বা হলদে।
· উর্বরতা: Topsoil-এর তুলনায় কম, তবে খনিজে সমৃদ্ধ।
৫. C-Horizon (Parent Material)
· বৈশিষ্ট্য: আংশিক ভাঙা শিলা, খনিজ কণা।
· গাছের শিকড় খুব কমই এই স্তরে পৌঁছায়।
· মাটি তৈরির প্রাথমিক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
৬. R-Horizon (Bedrock)
· বৈশিষ্ট্য: অবিভক্ত কঠিন শিলা।
· এখান থেকেই ধীরে ধীরে weathering-এর মাধ্যমে মাটি গঠিত হয়।
· উদ্ভিদের শিকড় সাধারণত এখানে পৌঁছাতে পারে না।