পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৩
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৩ প্রশ্ন

.
মমতাজউদদীন আহমদ রচিত 'বিবাহ' নাটকের প্রেক্ষাপট কী?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. দেশভাগ
  4. মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
বিবাহ:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ।
- ১৯৬০ সালে মমতাজউদদীন আহমদের ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।

উল্লেখ্য,
- কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে পথিকৃৎ মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে।
- একে একে তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই চলচ্চিত্রে মতিন উদ্দিন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মমতাজউদদীন আহমদের।

উৎস: The Daily Star Bangla.
.
কোন ফসলকে 'সাদা সোনা' বলা হয়?
  1. চা
  2. পাট
  3. তুলা
  4. চিংড়ি
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ বাংলাদেশে মূলত সমভূমি জাতের এবং সীমিত আকারে পাহাড়ী জাতের তুলার চাষ হয়ে থাকে। প্রধানত যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ অঞ্চলের বন্যামুক্ত সমভূমিতে এবং বন্যামুক্ত চরাঞ্চলে তুলা চাষ হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে পাহাড়ি অঞ্চলের সমতল ভূমিতেও সমভূমির জাতের তুলা চাষ হচ্ছে। যেহেতু তুলা একটি খরা ও লবন সহনশীল ফসল, তাই কম বৃষ্টি প্রবণ রাজশাহী ও রংপুরের বরেন্দ্র অঞ্চলে এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ত ভূমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সমভূমি অঞ্চলে তুলাচাষ নির্ভরই আমাদের বস্ত্র শিল্প।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়। চিংড়ি 'সাদা সোনা' কিন্তু ফসল নয়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
.
দুর্নীতি দমন কমিশন-এর কমিশনারগণ কার সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. দুদক চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- দুদক দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।
- তবে নানা সীমাবদ্ধতা কারণে দুদক দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে না।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 

উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৫(১) ধারার বিধানমতে  জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।
.
সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে শ্রমিক সংখ্যা কত?
  1. ৩০০ জনের অধিক
  2. ২৫০ জনের অধিক
  3. ২০০ জনের অধিক
  4. ১৫০ জনের অধিক
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১৬-৫০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাইক্রো শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১৫ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

⇒ ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
.
এলাহাবাদ চুক্তি কার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রবার্ট ক্লাইভ ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. লর্ড ডালহৌসি ও বাহাদুর শাহ জাফর
  3. রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. রবার্ট ক্লাইভ ও মীর কাসিম
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে  রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

⇒ কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ৫১ নং
  2. ৫২ নং
  3. ৫৩ নং
  4. ৫৪ নং
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫১ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।
- অনুচ্ছেদ ৫১ (১) অনুযায়ী এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন কতে গিয়ে কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করে থাকলে তাঁকে কোন আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করবে না।
- অনুচ্ছেদ ৫১ (২) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না এবং তাঁর গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হতে পরোয়ানা জারী করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ: অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 
- ৫৪ নং অনুচ্ছেদ: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানের প্রতিষ্ঠিত চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর নাম কী?
  1. সিপিডি
  2. সুজন
  3. বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি
  4. বিকল্প উন্নয়ন সংস্থা
ব্যাখ্যা
CPD (সিপিডি):
- CPD-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর: ধানমন্ডি, ঢাকা।

⇒ সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

অন্যদিকে,
- সুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

উৎস: i) সিপিডি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪.২৮ কিলোমিটার
  2. ৪.৬ কিলোমিটার
  3. ৪.৮ কিলোমিটার
  4. ৫.২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা রেলসেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। 
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর সড়কসেতু চালু হয়। তারপর চালু হয় রেলসেতু।
- তবে ২০০৬ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। তখন থেকে সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করত।
- এ সমস্যার সমাধানে নতুন রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় কোথায় সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হয়?
  1. রাজশাহী
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে যা ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

⇒ সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।
- এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে মেনন গ্রুপ ছাত্র ইউনিয়নের অন্যতম নেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- ২৪ জানুয়ারি গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হলে ঢাকার পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- শহরের নিয়ন্ত্রণভার সেনাবাহিনীর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অনির্দিষ্ট কালের জন্য ঢাকায় সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হয়। 

⇒ ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হক বন্দি অবস্থায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে গুলিতে নিহত হন।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা নিহত হলে ক্রুদ্ধ ও ভাবাবেগে আপ্লুত হাজার হাজার ছাত্র জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে ঢাকার রাজপথে নেমে আসে।

উল্লেখ্য,
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।


উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন' পাস করে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ পাস করে।
- এ আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তাঁর মা-বাবার ভরণপোষণ দিতে হবে।
- কোনো মা-বাবার একাধিক সন্তান থাকলে সে ক্ষেত্রে সন্তানেরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তাঁদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করবেন।
- আর তা না করলে তাঁদের শাস্তি পেতে হবে।

⇒ পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩-এর ৫ ধারার (১) অনুযায়ী, কোনো প্রবীণ ব্যক্তি তাঁর সন্তানদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আনলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
- আইনে বলা হয়, কোনো সন্তানের স্ত্রী, ছেলেমেয়ে বা নিকটাত্মীয় যদি বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি সন্তানকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তাহলে তাদেরও একই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

উৎস: পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩।
১১.
বাংলাদেশের জাতীয় তহবিলের অভিভাবক কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
সরকারি তহবিল নিয়ন্ত্রণ:
- জাতীয় সংসদ জাতীয় তহবিলের অভিভাবক।
- সংসদের অনুমতি ও কর্তৃত্ব ব্যতীত কোনো প্রাকর কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাবে না (অনুচ্ছেদ: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপিত করবেন [অনুচ্ছেদ ৮৭ (১)]।
- বাজেট সংযুক্ত তহবিলের ওপর ধার্য ব্যয়সমূহ সংসদে আলোচিত হবে, কিন্তু এর ওপর ভোট গ্রহণ করা যাবে না [অনুচ্ছেদ ৮৯ (১১)]।

⇒ এরূপ ব্যয়গুলো হলো রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, মহা-হিসাব নিয়ন্ত্রক, কর্মকমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, এটর্নি জেনারেল, নির্বাচন কমিশনার ও কর্মচারীবৃন্দ, সরকারের আর্থিক ঋণ, সুদ, আদালত কর্তৃক আরোপিত ব্যয় ইত্যাদি।
- অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত ব্যয় মঞ্জুরি দাবির আকারে সংসদে উপস্থাপিত হবে এবং সংসদ এরূপ মঞ্জুরি দাবি অনুমোদন কিংবা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে বা এতে নির্ধারিত অর্থ হ্রাস করতে পারবে [অনুচ্ছেদ ৮৯ (২)]।
- কিন্তু রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত অর্থ ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বিল বা মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করা যায় না [অনুচ্ছেদ ৮৯ (৩)]।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলের বিষয়বস্তু বর্তমানে কার্যকর নেই?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. চতুর্থ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
• ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
• সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উল্লেখ্য,
⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়। যার নাম দেয়া হয় বাকশাল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৩.
বিবিএস-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৫৬ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭২৯ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬৬ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাবের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

⇒ চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে,
- বর্তমান মাথাপিছু জিডিপি ২,৬২৫ মার্কিন ডলার (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ২,৬৪৩ মার্কিন ডলার)।
- বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার)।

এছাড়াও, 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.২২% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮২%)।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৩০% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.২১%)।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৫১% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৬.৬৬%)।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৫.০৯% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮০%)।

অন্যদিকে,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় (সাময়িক) ছিল ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
১৪.
নিম্নের কোনটি সাংবিধানিক গণভোট ছিল?
  1. ১ম গণভোট
  2. ২য় গণভোট
  3. ৩য় গণভোট
  4. ৪র্থ গনভোট
ব্যাখ্যা
গণভোট (Referendum):
- আক্ষরিক অর্থে গণভোট বলতে জনগণের কাছে উপস্থাপিত করা (refer to the people)-কে বোঝায়।
- আইনসভার দ্বারা প্রণীত আইনকে ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার জন্য জনসাধারণের কাছে উপস্থাপিত করাকে বলে গণভোট (Referendum)।
- অর্থাৎ গণভোট হল এমন এক উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন একটি আইন চূড়ান্তভাবে গৃহীত হওয়ার আগে জনসাধারণের মতামত নেওয়া হয়।
- সংবিধানে গণভোট (Referendum) সংক্রান্ত কোনো অনুচ্ছেদ নেই।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশেও ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে মোট ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।
- ১৯৯১ সালে সাংবিধানিক গণভোট তথা দেশের ৩য় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ গণভোটের বিধান নিয়ে রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাদ দেওয়া হয়।
- এ ছাড়া জনমত বা জন- আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৮, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদ অসংশোধনযোগ্য ঘোষণা করা হয়, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোবিরোধী এবং অসংগতিপূর্ণ। তাই পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১-এর ৪৭ ধারার মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা গণভোটের বিধান পুনরুদ্ধার হলো।

উৎস: i) গণভোট আইন, ১৯৯১।
ii) Surendranath Evening College।
১৫.
‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে ৫টি।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

⇒ পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভযাত্রা:
- প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে মঙ্গলের আহ্বান আর শুচিতার কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয় যা মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত।
- মূলতঃ চারুকলা অনুষদের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় এই আয়োজন করা হলেও শহরের সকল স্তরের মানুষ এই আনন্দযাত্রায় স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে থাকেন।
- আশির দশকে বন্যা ও সামরিক শাসনের নাগপাশে বিপর্যস্থ জনপদে সৃষ্টিশীল ও গণমুখী প্রতিবাদ গড়ে তোলার মানসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উদ্যোগে ১৯৮৯ সালের পহেলা বৈশাখ মঙ্গল শোভাযাত্রা (wellbeing procession) আয়োজন করা হয়।
- এর পর থেকে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে বিগত বছরের সকল অমঙ্গল আর গ্লানিকে পিছনে ফেলে আগত বছরের সাফল্য কামনায় বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনায় এটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
- বাঙালি ঐতিহ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার অপরিসীম প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২০১৬ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র এগারোতম অধিবেশনে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাজাত্রা-কে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
১৬.
কত সালে ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবদুস সালামকে একুশে পদকে প্রদান করা হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।

উল্লেখ্য,
- সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক দেয়া শুরু হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
- ২০০০ সালে ভাষা শহীদ আবুল বরকত, ভাষা শহীদ আবদুল জব্বার, ভাষা শহীদ আবদুস সালাম, ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ, ভাষা শহীদ শফিউর রহমান এবং ভাষা সৈনিক গাজীউল হককে 'ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক' প্রদান করা হয়।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৭.
দেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র কোথায় উদ্বোধন করা হয়েছে?
  1. বরগুনা
  2. বাগেরহাট
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র:
- দেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র রাজশাহীতে উদ্বোধন করা হয়েছে।

⇒ বন বিভাগের পবা নার্সারির রেসকিউ সেন্টারে ঘড়িয়াল প্রজননকেন্দ্রটি করা হয়েছে।
- এটির অবস্থান জিয়া শিশুপার্ক রোডে।
- নতুন এই প্রজননকেন্দ্রে গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে নিয়ে আসা হয়েছে নতুন ঘড়িয়াল জুটিকে। 

⇒ ঘড়িয়াল মূলত লম্বা তুন্ডযুক্ত বিরল প্রজাতির শান্ত স্বভাবের উপকারী জলজ সরীসৃপ প্রাণী। তবে বাংলাদেশে ঘড়িয়াল এখন মহাবিপন্ন বন্য প্রাণী। ফলে এটিকে বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০২২-এর অন্তর্গত রক্ষিত প্রজাতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

⇒ ঘড়িয়াল মূলত লম্বা তুন্ডযুক্ত বিরল প্রজাতির শান্ত স্বভাবের উপকারী জলজ সরীসৃপ প্রাণী। তবে বাংলাদেশে ঘড়িয়াল এখন মহাবিপন্ন বন্য প্রাণী। ফলে এটিকে বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০২২-এর অন্তর্গত রক্ষিত প্রজাতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) প্রথম আলো।
১৮.
বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে?
  1. জাতীয় গ্রন্থাগার
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলা একাডেমি
  4. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালে এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রেরণা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উভয়ই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৯.
সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে যে জেলায় -
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- ৩০০টি আসন থেকে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচিত হয়। অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

অন্যদিকে -
- চট্টগ্রাম জেলায় সংসদীয় আসন ১৬টি।
- কুমিল্লা জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।
- ময়মনসিংহ জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২০.
চাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
চাল উৎপাদন:
- যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষি দপ্তরের ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে বিশ্বে ৫৩ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়েছে।
- চাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- ২০২৪–২৫ বিপণন বছরে বাংলাদেশে ৩ কোটি ৬৬ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয়েছে। বিশ্বে মোট উৎপাদিত চালের ৭ শতাংশ এ দেশে উৎপাদিত হয়েছে।

⇒ চাল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ:
১. চীন।
২. ভারত।
৩. বাংলাদেশ।
৪. ইন্দোনেশিয়া।
৫. ভিয়েতনাম।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.gov) ওয়েবসাইট।
২১.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
  2. কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
  3. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ নয়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। 

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- সাংবিধানিক পদগুলো হলো:
• রাষ্ট্রপতি,
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ,
• স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার,
• প্রধান বিচারপতি,
• সংসদ সদস্য,
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার,
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
• সরকারী কর্ম-কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য,
• অ্যাটর্নি জেনারেল (একমাত্র সাংবিধানিক পদের ব্যক্তি যাকে শপথ পড়তে হয় না। রাষ্ট্রপতির অঙ্গীকার তার শপথ),
• ন্যায়পাল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২.
'সাংগ্রাই পোয়ে' কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের উৎসব?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. তঞ্চঙ্গ্যারা
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি  ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে। বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর। রাখাইনদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি।
- তাদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত।

⇒ রাখাইদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।
- রাখাইন উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে।
- প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব 'সাংগ্রাই পোয়ে' বা 'জলকেলি উৎসব' উদযাপন করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয়।
- প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে ত্রিপুরা সম্প্রদায় ‘বৈসুক’, মারমারা ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা ‘বিজু’ উৎসব পালন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৩.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৬টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


⇒ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। ওই বছর ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছরও ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ২০০৯ সালে তৃতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছর ৪৭৫টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ২০১৪ সালে চতুর্থবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ছয় ধাপে এ নির্বাচন হবে। চার ধাপের তফসিল ঘোষিত হয়েছে।
- ২০১৯ সালে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট হয় পাঁচ ধাপে। সেবার পাঁচ ধাপ মিলিয়ে গড়ে ভোট পড়ে ৪১ শতাংশের বেশি।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
২৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২ নং
  2. ৪ নং
  3. ৮ নং
  4. ৯ নং
ব্যাখ্যা
ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড।
- তিনি ৬ ডিসেম্বর, ১৯১৭ সালে হল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২নং সেক্টরে কাজ করেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি ছিলেন একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক।
- ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ডাচ সেনাবাহিনীতে যুক্ত থেকে জার্মান নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭০ সালে বাংলাদেশে বাটা সু কোম্পানির ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত হন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ওডারল্যান্ড ২ নম্বর সেক্টরে গণবাহিনীর সদস্য হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি তার কূটনৈতিক ও সাংগঠনিক দক্ষতায় মুক্তিবাহিনীর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং তাদের বিভিন্ন তথ্য ও সরঞ্জাম সরবরাহ করেন।

⇒ স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ডকে তার অনন্য সাহস ও অবদানের জন্য বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করে।
- ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ৮৪ বছর বয়সে বীরপ্রতীক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) The Daily Star Bangla।
ii) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২৫.
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রোডলার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

পেট্রোডলার চুক্তি: 
- যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রোডলার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭৪ সালের ৮ জুন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডলারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি হয়।
- এর মাধ্যমে সৌদি আরব মার্কিন ডলারেই তেল বিক্রির প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ফলে বৈশ্বিক তেলবাজার ডলারনির্ভর হয়ে পড়ে।
- এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে ডলারের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও, 
- দুই দেশ অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে যৌথ কমিশন গঠন করে। যুক্তরাষ্ট্র সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা নেয়। সৌদি তেল বিক্রির অর্থ মার্কিন বন্ডে বিনিয়োগ করে। এতে মার্কিন অর্থনীতি স্থিতিশীলতা পায়। এই চুক্তির মাধ্যমে পেট্রোডলার ব্যবস্থা কার্যকর হয়।  

সূত্র: প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাক। 

২৬.
গোলান মালভূমি কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ইসরায়েল ও লেবানন
  2. ইসরায়েল ও জর্ডান
  3. সিরিয়া ও ইসরায়েল  
  4. সিরিয়া ও তুরস্ক 
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি: 
- গোলান মালভূমি ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি মূলত সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ হলেও ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল এটি দখল করে।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে ইসরায়েল একতরফাভাবে এই অঞ্চলকে নিজেদের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- তবে এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দেয়নি, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে এটি স্বীকৃতি দেয়।
- অঞ্চলটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দুই দেশই নিজেদের বলে দাবি করে।  

সূত্র:  ব্রিটানিকা। 

২৭.
Partnership for Global Infrastructure and Investment (PGII) উদ্যোগে কোন সংস্থা জড়িত?
  1. D-8
  2. G-77
  3. G-7
  4. G-20
ব্যাখ্যা
Group of 7:
- PGII প্রকল্পের সাথে জড়িত G-7.
-  চীনকে মোকাবিলায় বৈশ্বিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ অংশীদ্বারিত্ব (PGII) প্রকল্প গ্রহণ করে - G7.  
- এর পূর্নরূপ Partnership for Global Infrastructure and Investment.

উল্লেখ্য, 
- বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭ টি দেশের সরকার প্রধানের জোট।
- G-7 প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।
- G-7 এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ছয়টি দেশ - জার্মানি, ইতালি, জাপান, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি – জার্মানি, ইতালি, কানাডা, ফ্রান্স, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এশিয়ার একমাত্র সদস্য দেশ জাপান।

সূত্র: G-7 এর ওয়েবসাইট।
২৮.
পোপ ফ্রান্সিস কোন দেশে জন্ম গ্রহণ করেন?
  1. ইতালিতে
  2. আর্জেন্টিনায়
  3. ব্রাজিলে
  4. স্পেনে
ব্যাখ্যা

পোপ ফ্রান্সিস: 
- পোপ ফ্রান্সিস জন্মগ্রহণ করেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনায়। 
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর, বুয়েনস আইরেস শহরে।
- তাঁর আসল নাম হোর্হে মারিও বেরগোগলিও।
- তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার আর্চবিশপ হওয়ার আগে শিক্ষক এবং ধর্মতাত্ত্বিক।
 - পোপ ফ্রান্সিস ২৬৬তম পোপ। 
- তিনিই প্রথম পোপ হিসেবে ‘ফ্রান্সিস’ নামটি ব্যবহার করছেন। 

সূত্র: প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা। 

২৯.
মিশরের কোন প্রেসিডেন্ট ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. জামাল আবদেল নাসের
  2. আনোয়ার সাদাত
  3. হোসনি মোবারক
  4. আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি
ব্যাখ্যা
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী মিশরের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আনোয়ার সাদাত।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ক্যাম্প ডেভিডে ঐতিহাসিক ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- মিশর ও ইসরায়েলের মধ্যে এই চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন।
- চুক্তিতে মিশরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী মিনাচেম বেগিন।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয় এবং সেখানে মিশরের পূর্ণ অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জন্য মিশরকে ওআইসি (OIC) ও আরব লীগ থেকে বহিষ্কার হতে হয়েছিল। 

ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

- এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় আরবদেশ হিসেবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

সূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৩০.
'চাকা' আবিষ্কারের সাথে কোন সভ্যতার নাম জড়িত? 
  1. সিন্ধু সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. সুমেরীয় সভ্যতা
  4. রোমান সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- চাকা আবিষ্কারের সঙ্গে সুমেরীয় সভ্যতা ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

সুমেরীয় সভ্যতা: 
- চাকা আবিষ্কার প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের সুমেরীয় সভ্যতার নিদর্শন।
- এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে, বর্তমানে এটি ইরাকের অংশ।
- প্রায় ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সুমেরীয়দের হাতে চাকার প্রাথমিক ব্যবহার দেখা যায়।
- তারা প্রথমে পাথরের চাকা তৈরি করলেও পরে তা কাঠ ও ধাতুর মাধ্যমে উন্নত করে।
- এই আবিষ্কারের ফলে পরিবহন ও চাষাবাদ অনেক বেশি কার্যকর হয়।

এছাড়াও, 
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন। 
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগগুরাত' নামক ধর্মমন্দির।

সূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
নিচের কোন দেশটি NATO-এর সদস্য নয়? [এপ্রিল - ২০২৫]
  1. মন্টিনিগ্রো
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. নরওয়ে
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- সুইজারল্যান্ড NATO এর সদস্য নয়।

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই জোটটি মূলত উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি দেশ।
- NATO গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিরোধে।

উল্লেখ্য, 
- সংগঠনটির সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে NATO-এর মহাসচিব হলেন মার্ক রুট্টে।
- এই জোটে মুসলিম দেশ হিসেবে আলবেনিয়া ও তুরস্ক সদস্য রয়েছে।
- সুইডেন সর্বশেষ (৩২তম) দেশ হিসেবে NATO-তে যোগ দিয়েছে। 

ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

সূত্র: NATO ওয়েবসাইট।
৩২.
"বাস্তিল দুর্গ" কোন বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?
  1. অক্টোবর বিপ্লব
  2. অরেঞ্জ বিপ্লব
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. শিল্পবিপ্লব
ব্যাখ্যা

বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ফরাসি বিপ্লবের (French Revolution) সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসের জনগণ এই দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করে।
- এটি ছিল রাজতান্ত্রিক স্বৈরশাসন ও নিপীড়নের প্রতীক।
- দুর্গটিতে রাজবিরোধী নাগরিকদের আটক করে রাখা হতো।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।
- ফ্রান্সে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ শুরু হয় এবং অভিজাততন্ত্রের অবসান ঘটতে থাকে।
- ১৪ জুলাই ‘বাস্তিল দিবস’ হিসেবে ফ্রান্সে জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।

সূত্র: Britannica.

৩৩.
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ৫০টি
  2. ৫১টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫৩টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি, এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।  [এপ্রিল - ২০২৫] 
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।[এপ্রিল - ২০২৫] 
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

সূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৪.
"হুটু ও টুটসি" আদিবাসী কোন দেশে বাস করে?
  1. নাইজেরিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ইথিওপিয়া
  4. রুয়ান্ডা
ব্যাখ্যা

হুটু ও টুটসি আদিবাসী: 
- হুটু ও টুটসি আদিবাসীরা রুয়ান্ডা নামক দেশে বাস করে।
- রুয়ান্ডা পূর্ব-মধ্য আফ্রিকায় অবস্থিত একটি ছোট্ট স্থলবেষ্টিত (landlocked) দেশ।
- এই দেশে তিনটি প্রধান সামাজিক গোষ্ঠী রয়েছে: হুটু (প্রায় ৮৪%), টুটসি (প্রায় ১৫%), এবং টওয়া বা টোয়া (প্রায় ১%)।

এছাড়াও, 
 - হুটু ও টুটসি জনগোষ্ঠী ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ  দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে বেশি পরিচিত লাভ করে।
- হুটু বা আবাহুটু  জাতিগোষ্ঠী  আফ্রিকার গ্রেট লেক এলাকায় বসবাস করে এবং টুট্‌সি মধ্য আফ্রিকার রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডি তে বাস করে।
- রুয়ান্ডা গণহত্যা সংঘটিত হয় ১৯৯৪ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে।

সূত্র: ব্রাটিনিকা ও বিবিসি নিউজ।   

৩৫.
UNHCR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations High Commission for Refugees
  2. United Nations High Commissioner for Refugees
  3. United Nations Humanitarian and Crisis Response
  4. United Nations High Committee for Refugees
ব্যাখ্যা
• UNHCR:
- UNHCR এর পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees.
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় শরণার্থীদের সেবার প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘ এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- UNHCR শরণার্থী, রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি ও বাস্তুচ্যুত জনগণের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদানে কাজ করে থাকে।
- সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে দুটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। 
সূত্র: UNHCR ওয়েবসাইট।
৩৬.
নিম্নের কোন দেশ BIMSTEC-এর সদস্য নয়?
  1. থাইল্যান্ড
  2. পাকিস্তান
  3. নেপাল
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান BIMSTEC এর সদস্য দেশ নয়।

• BIMSTEC:

- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।

• এগুলো হলো:
→ শ্রীলঙ্কা,
→ থাইল্যান্ড,
→ মিয়ানমার,
→ বাংলাদেশ,
→ ভারত,
→ নেপাল ও
→ ভুটান।

সূত্র: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
৩৭.
ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির ইতিহাসে প্রথম নারী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কে?
  1. ক্রিস্টি কভেন্ট্রি
  2. বিলি জিন কিং
  3. লিন্ডা হফম্যান
  4. জেসিকা এনিস
ব্যাখ্যা
ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সভাপতি: 
- ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিস্টি কভেন্ট্রি।
- আইওসির ১৩১ বছরের ইতিহাসে এটাই একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
- তিনি ৯৭টি ভোটের মধ্যে ৪৯টি ভোট পেয়ে প্রথম রাউন্ডেই জয়লাভ করেন।
- নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি অর্ধেকের বেশি ভোট না পান, তবে দ্বিতীয় রাউন্ড হয়, কিন্তু কভেন্ট্রির ক্ষেত্রে তা প্রয়োজন হয়নি।
- ২৩ জুন ২০২৫, অলিম্পিক দিবসে তিনি বর্তমান সভাপতি টমাস বাখের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবেন।  

উল্লেখ্য, 
- মহিলা টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সভাপতি বিলি জিন কিং। 

সূত্র: প্রথম আলো।
৩৮.
ফাইভ আইস (Five Eyes) কী ধরনের জোট?
  1. পরিবেশ বিষয়ক জোট
  2. মানবাধিকার বিষয়ক জোট
  3. প্রযুক্তি উন্নয়ন জোট
  4. গোয়েন্দা জোট
ব্যাখ্যা
Five Eyes:
- ফাইভ আইস একটি গোয়েন্দা জোট, এটা FVEY নামেও পরিচিত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ড ৫টি দেশের একটি গোয়েন্দা জোট।
- জোটটি UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করছে।
- সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য তারা শেয়ার করে।
 
সূত্র: Five Eyes ওয়েবসাইট।
৩৯.
কমিউনিজম রোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন দেশে ‘ডমিনো থিয়োরি’ প্রয়োগ করেছিল?
  1. মালি, ঘানা ও লাইবেরিয়ায়
  2. চীন, উত্তর কোরিয়া ও মঙ্গোলিয়ায়
  3. ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে
  4. সোমালিয়া, সুদান, ও ইরিত্রিয়ায়
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কমিউনিজম রোধে বেশ কয়েকটি দেশে 'ডমিনো থিয়োরি' প্রয়োগ করেছিল।
- প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, বিশেষত ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।  

• ডমিনো তত্ত্ব:

- ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন। মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৪০.
WWF-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  4. বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

WWF: 
- WWF এর পূর্ণরূপ World Wide Fund for Nature.
- এটি হলো প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
- এটি ১৯৬১ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WWF বর্তমানে বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সংস্থাটির বৈশ্বিক সদরদপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে।
- WWF মূলত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, বন রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।

সূত্র: WWF ওয়েবসাইট। 

৪১.
কারগিল যুদ্ধ কোন দুটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. চীন-ভারত
  2. বাংলাদেশ-ভারত
  3. আফগানিস্তান-পাকিস্তান
  4. ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
কারগিল যুদ্ধ: 
- কারগিল যুদ্ধ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।
- ১৯৯৯ সালের মে মাসে পাকিস্তানি সেনারা লাইন অফ কন্ট্রোল (LoC) অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। 
- এতে যুদ্ধের সূচনা হয়। এই যুদ্ধ প্রায় তিন মাস স্থায়ী ছিল এবং ২৬ জুলাই ১৯৯৯ সালে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয় ঘোষণা করে। কারগিল যুদ্ধের কারণে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং এতে উভয় পক্ষের বহু সেনা হতাহত হয়। 

উল্লেখ্য, 
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকা কারগিল।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত। 

সূত্র: বিবিসি নিউজ ও ডয়েচে ভেলে।
৪২.
What does the term 'Diction' refer to in literature?
  1. The theme of a literary work
  2. Word choice and style of expression
  3. Poetic meter
  4. The structure of sentences in a literary work
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Word choice and style of expression.

• Diction:
- The selection of words in writing or speech.
- A particular writer chooses a particular type of words and phrases অর্থাৎ প্রতিটি লেখকের নিজস্ব বা বিশেষ শব্দচয়ন রয়েছে।
Example:
- John Milton তাঁর লেখায় bombastic, unusual, allusive এবং latinized শব্দের ব্যবহার করেছেন - কিন্তু George Orwell এর সাহিত্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তাঁর লেখায় simple, lucid এবং common শব্দের ব্যবহার বেশি। 
- সুতরাং, সাহিত্যিকদের সাহিত্য রচনার জন্য করা শব্দচয়নকে সেই সাহিত্যিকের diction বলা হয়।

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৪৩.
"Cowards die many times before their deaths;
The valiant never taste of death but once."
This is taken from William Shakespeare's play-
  1. Macbeth
  2. Julius Caesar
  3. Hamlet
  4. Measure for Measure
ব্যাখ্যা
⇒ "Cowards die many times before their deaths;
The valiant never taste of death but once."
This is taken from William Shakespeare's play- 'Julius Caesar'.

- বাংলায় অনুবাদ:
- "কাপুরুষেরা মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে;
আর সাহসীরা একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে।"

• Julius Caesar:
- তিনি Rome এর ruler ছিলেন।
- Caesar এর betrayer এর নাম হলো Brutus.
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লিখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- 'Julius Caesar' William Shakespeare এর একটি Historical Play এবং Tragedy.
- নাটকটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকে ঘিরে আবর্তিত হয় যা Julius Caesar, একজন রোমান রাষ্ট্রনায়ক এবং সামরিক জেনারেলকে হত্যার দিকে নিয়ে যায়।
- ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা সিজারের বন্ধু Brutus কে Caesar এর বিরুদ্ধে তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Caesar কে অত্যধিক ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে, Brutus এবং ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে March এর Ides এ হত্যা করে।
- Mark Antony ষড়যন্ত্রকারীদের রোম থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং একটি যুদ্ধে তাদের সাথে লড়াই করে।

• Important characters:
- Julius Caesar,
- Antonio,
- Cleopatra,
- Cassius,
- Octavia etc.

• এই tragedy এর কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে:
- "Cowards die many times before death
   The valiant never taste of death but once." 
- 'Veni, Vidi, Vici (I came, I saw, I conquered')
- 'Brutus, you too!'.

• William Shakespeare (1564-1616):
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- Shakespeare occupies a position unique in world literature.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon বলে তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• His famous Tragedies:
- Hamlet,
- Macbeth,
- Othello,
- King Lear,
- Julius Caesar,
- Romeo and Juliet,
- Antony and Cleopatra,
- Titus Andronicus,
- Timon of Athens, etc.

Source: Britannica.
৪৪.
The famous literary piece 'Fra Lippo Lippi' is written by -
  1. Alfred Lord Tennyson
  2. Robert Browning
  3. Matthew Arnold
  4. William Blake
ব্যাখ্যা
• Fra Lippo Lippi:
- এটি Robert Browning লিখিত একটি কবিতা।
- এটি তার one of finest dramatic monologues হিসেবে বিবেচিত।
- এটি blank verse এ রচিত।
- It allows Browning to write it in free expression of colloquial vigor.

• Robert Browning:
- তিনি Victorian যুগের একজন  major English poet.
- তিনি dramatic monologue and psychological portraiture এর জন্যে বিখ্যাত।
- His most noted work was The Ring and the Book, the story of a Roman murder trial in 12 books.

Notable Works:
Poems:
- My Last Duchess.
- The Pied Piper of Hamelin.
- Fra Lippo Lippi.
- Andrea del Sarto.

 Plays: 
- Browning's first play, Strafford (1837), closed after only five performances.

Source: Britannica.
৪৫.
The novel 'Moby Dick' is about -
  1. A giant squid
  2. A mysterious monster
  3. A whale
  4. A ghost ship
ব্যাখ্যা
The novel 'Moby Dick' is about - A whale.

• Moby Dick:
- Herman Melville রচিত একটি novel.
- The novel, 'Moby Dick' by Herman Melville depicts - the story of a whale.
- অর্থাৎ, Moby Dick' in the novel is A Giant Whale.
- উপন্যাসটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে একটি তিমি শিকারকে কেন্দ্র করে।
- একটি whaling vessel বা শিকারকারি জাহাজে করে গল্পের চরিত্রগুলো সমুদ্রের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা শুরু করে।
- এই জাহাজটি নাম হচ্ছে - 'Pequod'.
- Moby Dick নামক white gaint whale বা তিমিটিকে শিকারের কাহিনীর উপ্যাখান দেখা যায় পুরো কাহিনী জুড়ে, যার সমাপ্তি ঘটে বর্ণনাকারী Ismael ব্যাতীত সকলের মৃত্যুর মধ্যে দিয়েই।
- But the irony is - The white whale does not die in Moby Dick at the end!

• Herman Melville
- তিনি হচ্ছেন একজন American Novelist, short-story writer and poet.
- Moby Dick, a novel by Herman Melville, published in London in October 1851 as "The Whale" and a month later in New York City as Moby-Dick; or, The Whale.
- It is dedicated to Nathaniel Hawthorne.
- Moby Dick is generally regarded as Melville’s magnum opus and one of the greatest American novels.

• Famous novels of Herman Melville are:
- Moby Dick,
- White Jacket,
- Bartleby, the Scrivener.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica and Sparksnotes.
৪৬.
The play 'Arms and the Man' is set during which war?
  1. World War I
  2. American Civil War
  3. World War II
  4. Serbo-Bulgarian War
ব্যাখ্যা
"Arms and the Man" নাটকটি George Bernard Shaw রচিত একটি বিখ্যাত হাস্যরসাত্মক (satirical) নাটক।
এটি Serbo-Bulgarian War-এর পটভূমিতে রচিত হয়েছে।

• Arms and the Man
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
- এটি একটি রোমান্টিক কমেডি, যা যুদ্ধ, প্রেম এবং মানব স্বভাবের উপর satire করে।
- এই নাটকটি ১৮৯৪ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো- Bulgaria -এর Petkoff household.
- নাটকটি যুদ্ধ এবং প্রেমের বিষয় নিয়ে গড়ে উঠেছে। এতে মূলত যুদ্ধের গৌরব এবং বাস্তবতার মধ্যে একটি বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে একজন সৈনিক এবং একজন উচ্চশ্রেণীর মহিলা রয়েছেন, এবং তাদের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নাটকটিকে কৌতুকপূর্ণ এবং মজাদার করে তোলে।
- এটি George Bernard Shaw -এর রচনা ও নাট্যকর্মের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

• Main Characters of Arms and the Man:
- Captain Bluntschli,
- Raina Petkoff,
- Major Sergius Saranoff,
- Major Petkoff,
- Catherine Petkoff, etc.

• G. B. Shaw:
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw  'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

 • Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- Man and Superman (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
৪৭.
'Adela Quested' is a famous character from-
  1. 1984
  2. A Passage to India
  3. Wuthering Heights
  4. A Farewell to Arms
ব্যাখ্যা
• 'Adela Quested' is a famous character from "A Passage to India".

• A Passage to India:
- এটি E.M. Forster লিখিত একটি novel.
- এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ উপনিবেশিক ভারতে বসবাসরত ইংরেজ ও ভারতীয়দের মধ্যে সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বিভেদের জটিলতা নিয়ে লেখা হয়েছে।
- The tensions that arise when a visiting Englishwoman, Adela Quested, accuses a well-respected Indian man, Dr. Aziz, of having attacked her during an outing.

• Main characters:
- Dr. Aziz,
- Mrs. Moore,
- Adela Quested,
- Rony Hislop,
- Cyril Fielding, etc.

• E. M. Forster (1879-1970):
- তার পুরো নাম Edward Morgan Forster.
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- তিনি মূলত মানবিক সম্পর্ক, শ্রেণিবিভেদ ও সাংস্কৃতিক সংঘর্ষ নিয়ে লেখালেখি করেছেন।

• Notable works:
- A Room with a View,
- A Passage to India,
- Aspects of the Novel,
- Howards End,
- The Longest Journey,
- Marianne Thornton, etc.

• অন্যদিকে,
- '1984' হলো George Orwell এর লেখা উপন্যাস।
- 'Wuthering Heights' হলো Emily Bronte এর লেখা উপন্যাস।
- 'A Farewell to Arms' হলো Ernest Hemingway এর লেখা উপন্যাস।

Source: Britannica.
৪৮.
"Murder in the Cathedral", the famous literary creation, is based on which of the following individuals?
  1. King Henry II
  2. St. Thomas Becket
  3. Archbishop Langton
  4. Arthur Henry Hallam
ব্যাখ্যা
"Murder in the Cathedral" হলো T.S. Eliot রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা মূলত St. Thomas Becket-এর শহীদ হওয়া (martyrdom) নিয়ে লেখা হয়েছে।

• Murder in the Cathedral
- The play was performed at Canterbury Cathedral in 1935 and published the same year.
- দুইটি ভাগে বিভক্ত এটা মূলত: T.S Eliot রচিত একটি Poetic Drama (কাব্য নাটক).
- St. Thomas Becket -কে Canterbury Cathedral বা গীর্জাতে রাজা হেনরি কর্তৃক অন্যায় ভাবে নিহত করার ঘটনাটি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- এজন্য এই নাটকটিকে Miracle Play বা Saint’s Play ও বলা হয়ে থাকে।

• T. S. Eliot
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি ছিলেন একজন আমেরিকান-ইংরেজ কবি, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং সম্পাদক।
- He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best Works (poems):
- The Waste Land (1922)
- Four Quartets (1943).
- The Sacred Wood (Collection of Essays).

• His well-known plays:
- Murder in the Cathedral;
- The Cocktail Party;
- The Trail of a Judge etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
৪৯.
The character "Miranda" appears in Shakespeare's play-
  1. The Tamning of the Shrew
  2. The Merchant of Venice
  3. The Tempest
  4. A Midsummer Night’s Dream
ব্যাখ্যা
• The character "Miranda" appears in Shakespeare's play 'The Tempest'.

• The Tempest:
- এটি William Shakespeare -এর লিখিত একটি বিখ্যাত comedy.
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Foilo -এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- 'Tempest' শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.
- এটিকে তার swan song বা last work বলা হয়।

• Summary:
- এই কমেডিতে Duke Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda এর কথা বলা হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Propero কে supernatural powers এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
- নাটকের শুরুতেই দেখা যায় Prospero তার জাদু শক্তির ব্যবহার করে সমুদ্রে এক ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে নাটকের অন্য চরিত্র গুলো তার নির্বাসিত দ্বীপে এসে পৌঁছেছে।
- এই নাটকে শেক্সপিয়ার এই Miranda চরিত্রটিকে একটি weak, submissive character হিসেবে উপস্থাপন করেছেন যা সেই সময়ে এলিজাবেথান যুগের নারিদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে প্রতিফলিত করে।
- নাটকে Ferdinand চরিত্রটিকে Miranda এর প্রেমিক হিসেবে দেখানো হয়েছে, যারা প্রথম দেখাতেই একে অপরের প্রেমে পরে এবং অবশেষে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

• Main Characters:
- Prospero (Duke),
- Miranda (Heroine),
- Ariel (Supernatural creature - good character),
- Caliban (Supernatural creature - bad in character),
- Antony (Villain/ brother of Duke),
- Ferdinand (Hero),
- Gonzalo, etc.

• অন্যদিকে,
• Main Characters of The Tamning of the Shrew:
- Petruchio,
- Lucentio,
- Katherina (Kate) Minola,
- Hortensio,
- Bianca Minola,
- Biondello,
- Gremio,
- Baptista Minola,
- Curtis, etc.

• Main Characters of The Merchant of Venice:
- Shylock,
- Antonio,
- Bassanio,
- Portia,
- Nerissa, etc.

• Main Characters of A Midsummer Night’s Dream:
- Puck (Robin Goodfellow),
- Oberon,
- Titania,
- Hermia,
- Lysander, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৫০.
"It was the best of times, it was the worst of times." - This famous line is taken from -
  1. A Tale of Two Cities
  2. Heart of Darkness
  3. David Copperfield
  4. Pride and Prejudice
ব্যাখ্যা
"It was the best of times, it was the worst of times."
- এই বিখ্যাত লাইনটি Charles Dickens এর "A Tale of Two Cities" থেকে নেওয়া।

• A Tale of Two Cities:
- এটি Charles Dickens লিখিত একটি novel.
- এই Novel টিতে London and Paris city দুইটিকে ঘিরে কাহিনি গড়ে উঠেছে।
- ফরাসী বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্ট এই উপন্যাসটি।
- কাহিনির সূত্রপাতে দেখা যায় Lucie Manette একজন তরুণী যে বিস্ময়ে ফেটে পড়ে তার বাবা Doctor Alexandre Manette এর জীবিত থাকার কথা শুনে ।
- অত্যাচারি জমিদারের ষড়যন্ত্রে পড়ে নির্দোষ Doctor Manette জেল খাটতে বাধ্য হন।
- জেলে থাকা অবস্থায়ই তিনি মুচির কাজ শিখেন।
- তার মেয়ে Lucie বড় হবার পর বাবার কথা জানতে পেরে বাবাকে প্যারিস থেকে লন্ডনে নিয়ে আসেন।
- পথিমধ্যে তাদের সাথে পরিচয় হয় Charles Darnay এর সাথে। যে ফরাসী রাজপরিবারের সদস্য হলেও তার পরিবারের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল এবং প্রায়শ্চিত্ব করতে চেয়েছিল।
- এছাড়া পরবর্তীতে Sydney Carton নামক একজন পারিবারিক বন্ধু প্রেমে পড়ে Lucie Manette এর ।

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Sydne Carton,
- Lucie Manette,
- Charles Darnay,
- Dr. Alexandre Manette,
- Madame Defarge.

• উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি সমূহ -
- “It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of light, it was the season of darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair.” (First Line)

- "It is a far, far better thing that I do, than I have ever done; it is a far, far better rest I go to than I have ever known." (last Line)

• Charles Dickens:
- তিনি একজন British novelist.
- He is generally considered the greatest of the Victorian era.

• Best Works: (Novels)
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times,
- The Pickwick Papers.

Source: Live MCQ lecture and Britannica.com
৫১.
The word ‘Tremendous’ means-
  1. Terrific
  2. Infinitesimal
  3. Stubborn
  4. Shocking
ব্যাখ্যা
• The word ‘tremendous’ means- ক) Terrific

• Tremendous (adjective)
- English Meaning: very great in amount or level, or extremely good; extremely good or impressive; excellent.
- Bangla Meaning: প্রচন্ড; বিস্ময়কর; অসাধারণ; অত্যন্ত ভালো।

• Options:
ক) Terrific
- দারুন; প্রচণ্ড; ভয়ঙ্কর।
খ) Infinitesimal - অতিক্ষুদ্র; অপরিমেয় রূপে ক্ষুদ্র।
গ) Stubborn - অবাধ্য; দুর্দান্ত; জেদী; একগুয়ে।
ঘ) Shocking -  ঘৃণাজনক; বীভৎস; অত্যন্ত খারাপ।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The word ‘tremendous’ means- ক) Terrific

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫২.
Identify the singular number:
  1. Echos
  2. Data
  3. Machinery
  4. Oxen
ব্যাখ্যা
• The singular number is - গ) Machinery

• Machinery (noun)
- English Meaning: the components of a machine; a group of large machines or the parts of a machine that make it work.
- Bangla Meaning: যন্ত্রপাতি; কলকবজা ইত্যাদি।

- Machinery -এর plural form হলো- machineries.

• Other options:
- Echos/echoes (প্রতিধ্বনি): এর singular form হলো Echo.
- Data (উপাত্ত): এর singular form হলো Datum.
- Oxen: এর singular form হলো Ox (ষাঁড়).

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৩.
The correctly spelled word is-
  1. Bureacrat
  2. Commissioner
  3. Inaccssibelity
  4. Secreteriat
ব্যাখ্যা
• The correctly spelled word is- খ) Commissioner

• Commissioner (noun)
- English Meaning: An important official who has responsibility in a government department or another organization.
- Bangla Meaning: ভারপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ ব্যাক্তি; কমিশনের সদস্য।

• Ex. Sentence:
He is the commissioner in charge of the police force.
- Bangla Meaning: তিনি পুলিশ বাহিনীর দায়িত্বে থাকা কমিশনার।

• Other options:
ক) Bureacrat → Bureaucrat (আমলাতান্ত্রিক কর্মচারী).
গ) Inaccssibelity → Inaccessibility (দুর্লভতা; অগম্যতা).
ঘ) Secreteriat → Secretariat (সচিবালয়; কেরাণীবর্গ; সচিববর্গ).

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৪.
"Seismology" is the science of-
  1. Weather
  2. Meteors
  3. Earthquakes
  4. Atmosphere
ব্যাখ্যা
• "Seismology" is the science of- গ) Earthquakes

• Seismology (noun)
- English Meaning: a science that deals with earthquakes and with artificially produced vibrations of the earth.
- Bangla Meaning: ভূকম্পবিদ্যা; ভূকম্পতত্ত্ব।

• অন্যদিকে,
- Weather: A subset of atmospheric science (meteorology).
- Meteors: Studied by astronomy or meteoritics.
- Atmosphere: Studied by atmospheric science.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৫.
What is the synonym of 'Abolition'?
  1. Intrepidity
  2. Termination
  3. Retention
  4. Promotion
ব্যাখ্যা
• The synonym of 'Abolition' is - খ) Termination

• Abolition (Noun)
- English Meaning: The act of officially ending or stopping something.
- Bangla Meaning:  উচ্ছেদ ; বিলোপসাধন; বাতিল।

• Other options:
ক) Intrepidity - সাহসিকতা; নির্ভীকতা।
খ) Termination - সমাপ্তি; শেষ; অবসান।
গ) Retention - ধরে রাখা; বজায় রাখা; স্মৃতিশক্তি।
ঘ) Promotion - অগ্রগতি; পদোন্নতি।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The synonym of 'Abolition' is - খ) Termination

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৬.
Many theorists _____ their own ideas about dreams.
  1. came up in
  2. came up with
  3. came up to
  4. came up
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Many theorists came up with their own ideas about dreams.
- Bangla meaning: অনেক তাত্ত্বিক স্বপ্ন সম্পর্কে তাদের নিজস্ব ধারণা উপস্থাপন করেছেন।

• Come up with (something)
- English Meaning: To suggest or think of an idea or plan.
- Bangla Meaning: কোনো ধারণা বা পরিকল্পনা বের করা বা তৈরি করা বা চিন্তা করা।

• অন্যদিকে,
• Come up to something:
- To reach the usual or necessary standard (স্বাভাবিক বা প্রয়োজনীয় মান অর্জন করা).

• Come up (verb):
- To move towards someone; to happen, usually unexpectedly.
- সাধারণত অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটা; কারো কাছে আসা।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৭.
Transform the noun into an adjective: ‘Pride’.
  1. Proudy
  2. Prejudice
  3. Proud
  4. Pridefull
ব্যাখ্যা
• The adjective of ‘Pride’ is - গ) Proud

• Pride (noun, verb)
- English Meaning: the quality or state of being proud; consciousness of one's own dignity.
- Bangla Meaning: অহঙ্কার; গর্ব; আত্মাভিমান।

• Proud (adjective)
- English Meaning: feeling or showing pride; having proper self-respect.
- Bangla Meaning: গর্বিত; অহংকারী; উদ্ধত।

• Other forms:
- prideful (adjective)
- pridefully (adverb)
- pridefulness (noun)
- proudful (adjective)
- proudly (adverb)

• অন্যদিকে,
- Prejudice (কুসংস্কার): এটি আলাদা একটি noun.
- Proudy এবং Pridefull ভুল শব্দ।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৮.
If she studies hard, she’ll pass the exam, ____?
  1. won’t she
  2. will she
  3. doesn't she
  4. does she
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: If she studies hard, she’ll pass the exam, won’t she?

• Complex sentence -এর Tag question করার নিয়ম:
- Complex sentence -এ Clause marker (if, unless, that, etc.) থাকলে main clause -এর sub ও verb অনুযায়ী tag question হয়।
- কিন্তু Clause marker না থাকলে subordinate clause অনুসারে tag question হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে যেহেতু If আছে, তাই tag question টি main clause  (she’ll pass the exam) অনুযায়ী হবে।
- আবার, Statement positive হলে tag question টি negative হবে।
- আর statement negative হলে tag question টি positive হবে। 

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক tag question টি হবে- won’t she?
৫৯.
Choose the opposite word of 'Pugnacious'.
  1. Belligerent
  2. Fractious
  3. Repugnant
  4. Gracious
ব্যাখ্যা
• The opposite word of 'Pugnacious' is - ঘ) Gracious

• Pugnacious (adjective)
- English Meaning: having a quarrelsome or combative nature; eager or quick to argue, quarrel, or fight.
- Bangla Meaning: ঝগড়াটে; কলহপ্রিয়, যুদ্ধপ্রিয়।

• Options:
ক) Belligerent - যুদ্ধরত; বিবদমান।
খ) Fractious - ঝগড়াটে; খিট্খিটে; বদমেজাজি।
গ) Repugnant -  বিতৃষ্ণ; বিরক্ত; আপত্তিকর।
ঘ) Gracious - সহৃদয়; দয়াময়; করুণাময়; অনুগ্রহশীল।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে বোঝা যাচ্ছে যে, The opposite word of 'Pugnacious' is - ঘ) Gracious

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৬০.
Change the voice:
Let a famous leader lead our country.
  1. Let our country led by a famous leader.
  2. Let our country be led by a famous leader.
  3. Let our country to be led by a famous leader.
  4. Let our country being led by a famous leader.
ব্যাখ্যা
• Active: Let a famous leader lead our country.
• Passive: Let our country be led by a famous leader.

• Let + ব্যক্তিবাচক object যুক্ত Imperative sentence -এর Active voice কে passive voice করার নিয়ম:
- প্রথমে Let বসে।
- বস্তুবাচক Object বসে।
- be বসে।
- মূল verb এর past participle form বসে।
- by + ব্যক্তিবাচক object বসে।

• More examples:
- Active: Let him complete the work.
- Passive: Let the work be completed by him.
৬১.
The young often follow the old.
Here, the underlined word is-
  1. Common noun
  2. Proper noun
  3. Adjective
  4. Pronoun
ব্যাখ্যা
• The young often follow the old.
- Here, the underlined word is- ক) Common noun

• Plural Common noun
- কোনো noun একের অধিক হলেই তাকে plural common noun বলে।
- The + adjective কোনো বিশেষ শ্রেণির সকলকে বোঝায় বলে একে plural common noun বলে।
- যেমন: The young often follow the old. (তরুণরা প্রায়শই প্রবীণদের অনুসরণ করে).
- প্রদত্ত বাক্যে (the old) দ্বারা প্রবীণ; অভিজ্ঞ ব্যাক্তিদের বোঝানো হয়েছে।

- সুতরাং, underlined word টি মূলত plural common noun.
৬২.
Change the speech:
He said to me, "Why did you leave early?"
  1. He said to me that I had left early.
  2. He enquired of me whether I had left early.
  3. He enquired of me why I had left early.
  4. He asked me why I left early.
ব্যাখ্যা
• Direct speech: He said to me, "Why did you leave early?"
• Indirect Speech: He enquired of me why I had left early.

• WH-Question যুক্ত Direct speech -কে Indirect Speech -এ রূপান্তর নিয়ম:
- Reporting Verb হিসেবে tense অনুযায়ী ask/asked, enquire of/enquired of, want/wanted to know ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
- WH-word টি (যেমন: Why, how, what, where) অপরিবর্তিত থাকবে।
- Direct speech -এর Past Indefinite tense, Past Perfect tense -এ পরিবর্তিত হবে।
- Interrogative sentence টি Indirect speech - এ সবসময় assertive  sentence -এ পরিণত হবে।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক Indirect speech হলো- He enquired of me why I had left early.
৬৩.
Rajib walked fast lest he ____ miss the exam.
  1. would
  2. will
  3. may
  4. should
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Rajib walked fast lest he should miss the exam.
- Bangla Meaning: রাজীব দ্রুত হেঁটে গেল, পাছে সে পরীক্ষা মিস করে ফেলে এই ভয়ে।

• Lest যুক্ত Incomplete sentence কে complete করার নিয়ম:
- 'Lest' অর্থ 'পাছে (কোনো কিছু ঘটে) এই ভয়ে' [for fear that].
- 'Lest' negative অর্থ প্রদান করে। অর্থাৎ, এর পরে no, not বা never বসে না।
- 'Lest' -এর পরে subject থাকলে verb -এর পূর্বে should/might বসে।

• More examples:
- Walk fast lest you should miss the train.
- The old man walks slowly lest he should fall.

• সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- should.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৬৪.
In which of the following sentences is the word ‘near’ used as an adjective?
  1. We live near the school.
  2. She will do well in the near future.
  3. The sunset was drawing near.
  4. The train stopped near the station.
ব্যাখ্যা
• The correct sentence is -
খ) She will do well in the near future. (সে অদূর ভবিষ্যতে ভালো করবে।)

- 'near' শব্দটি বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- উল্লিখিত বাক্যে 'near' শব্দটি future - noun টিকে modify করছে, তাই এই বাক্যে এটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Near (adjective)
- English Meaning: located a short distance away.
- Bangla Meaning: নিকটবর্তী; সম্পর্কিত; স্থান বা কালের নিকটবর্তী।

• Other options:
ক) We live near the school. (Preposition)
- Noun/Noun Phrase (article + noun) এর পূর্বে Preposition বসে।

গ) The sunset was drawing near. (সূর্যাস্ত ঘনিয়ে আসছিল।)
- Near এখানে adverb, কারণ এটি drawing- verb কে modify করছে।

ঘ) The train stopped near the station. (Preposition)
- Noun/Noun Phrase (article + noun) এর পূর্বে Preposition বসে।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৬৫.
I feel like ____ (having) a nice cool glass of lemonade.
  1. had
  2. to have
  3. having
  4. would have
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: I feel like having a nice cool glass of lemonade.
- Bangla Meaning: আমার এক গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবত খেতে ইচ্ছে করছে।

• Feel like something/doing something
- To have a wish for something, or to want to do something, at a particular moment.
- অর্থাৎ, কোনো কিছু করতে ইচ্ছা করা (wish) বা করতে চাওয়া (want) অর্থে feel like ব্যবহৃত হয়।
- এবং 'feel like' এর পরে gerund (verb+ing) বসে।
- যেমন: I feel like having a nice cool glass of lemonade.

• More examples:
- I feel like going for a swim.
- I don't feel like going there today.

• Note: এখানে 'like' preposition হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

Source: Cambridge Dictionary.
৬৬.
যদি, √(3x) = 2√3 হয় তবে, x এর মান কত?
  1. √3
  2. √2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি, √(3x) = 2√3 হয় তবে, x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
√(3x) = 2√3
⇒ {√(3x)}2 = (2√3)2
⇒ 3x = 12
⇒ x = 12/3
∴ x = 4
৬৭.
a2 = 3a - 1 হলে, (a4 + 1)/a2 এর মান কত?
  1. 7
  2. 11
  3. 3
  4. 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a2 = 3a - 1 হলে, (a4 + 1)/a2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a2 = 3a - 1
⇒ a2 + 1 = 3a
⇒ a + 1/a = 3

প্রদত্ত রাশি = (a4 + 1)/a2
= a2 + 1/a2
= (a + 1/a)2 - 2. a. 1/a
= 32 - 2
= 9 - 2
= 7
৬৮.
নিচের কোন ভগ্নাংশটি ৩/৫ হতে ছোট?
  1. ৩৩/৫০
  2. ৮/১১
  3. ২/৩
  4. ১৩/২৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন ভগ্নাংশটি ৩/৫ হতে ছোট?

সমাধান:
৩/৫ = ০.৬০

এখানে,
৩৩/৫০ = ০.৬৬
৮/১১ = ০.৭৩
২/৩ = ০.৬৬৭
১৩/২৭ = ০.৪৮

এখানে, ২/৩ < ৮/১১
৬৯.
nC10 = nC5 হলে n এর মান কত?
  1. 15
  2. 12
  3. 10
  4. 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: nC10 = nC5 হলে n এর মান কত?

সমাধান:
nC10 = nC5
nC10 = nCn - 5
⇒ 10 = n - 5
∴ n = 15
৭০.
যদি log√(32)x = 6/5 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 1
  2. 0
  3. 8
  4. 16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি log√(32)x = 6/5 হয়, তবে x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
log√(32)x = 6/5
⇒ x = (√32)6/5
⇒ x = 25/2 × 6/5
⇒ x = 23
∴ x = 8
৭১.
a এর মান কত হলে, a - {a - (a + 1)} = 0 হবে?
  1. 0
  2. - 1
  3. 3
  4. - 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a এর মান কত হলে, a - {a - (a + 1)} = 0 হবে?

সমাধান:
a - {a - (a + 1)} = 0
⇒ a - {a - a - 1} = 0
⇒ a + 1 = 0
∴ a = - 1

অর্থাৎ a = - 1 হলে a - {a - (a + 1)} = 0 হবে।
৭২.
বার্ষিক সুদের হার ৫% থেকে হ্রাস পেয়ে ৪% হওয়ায় সুদ ৩২ টাকা কমে গেল। তার মূলধন কত ছিল?
  1. ১৮০০ টাকা
  2. ৩৬০০ টাকা
  3. ৩২০০ টাকা
  4. ১৬০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক সুদের হার ৫% থেকে হ্রাস পেয়ে ৪% হওয়ায় সুদ ৩২ টাকা কমে গেল। তার মূলধন কত ছিল?

সমাধান:
সুদের হার কমে = ৫ - ৪ = ১ টাকা বা ১%

এখন,
১ টাকা কমে যখন মূলধন = ১০০ টাকা
১ টাকা কমে যখন মূলধন = ১০০/১ টাকা
∴ ৩২ টাকা কমে যখন মূলধন = (১০০ × ৩২)/১ টাকা
= ৩২০০ টাকা
৭৩.
100 জন ছাত্রের মধ্যে 70 জন ইংরেজি, 50 জন ইংরেজি ও বাংলা উভয়ই এবং প্রত্যেকেই দুইটি বিষয়ের অন্তঃত একটি বিষয়ে পাশ করেছে। বাংলায় পাশ করেছে কত জন?
  1. 70 জন
  2. 75 জন
  3. 85 জন
  4. 80 জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 100 জন ছাত্রের মধ্যে 70 জন ইংরেজি, 50 জন ইংরেজি ও বাংলা উভয়ই এবং প্রত্যেকেই দুইটি বিষয়ের অন্তঃত একটি বিষয়ে পাশ করেছে। বাংলায় পাশ করেছে কত জন?

সমাধান:
ইংরেজি ও বাংলা উভয় বিষয়ে পাশ করেছে = 50 জন

শুধু ইংরেজিতে পাশ করেছে = (70 - 50) জন = 20 জন

∴ শুধু বাংলায় পাশ করেছে = {100 - (50 + 20)} জন
= (100 - 70) জন
= 30 জন

শুধু বাংলায় পাশ করেছে = 30 জন ।

∴ বাংলায় পাশ করেছে = (50 + 30) = 80 জন।
৭৪.
ABC ত্রিভুজে C কোণের পরিমাণ ৫০° এবং AB = AC। যদি E এবং F AB এবং AC এর মধ্যবিন্দু এবং EF || BC হয়, তাহলে ∠A + ∠AEF =?
  1. ১৩৮°
  2. ১৩০°
  3. ১১৫°
  4. ১১০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ABC ত্রিভুজে C কোণের পরিমাণ ৫০° এবং AB = AC। যদি E এবং F AB এবং AC এর মধ্যবিন্দু এবং EF || BC হয়, তাহলে ∠A + ∠AEF =?

সমাধান:

দেওয়া আছে,
∠C = ৫০° এবং AB = AC
∴ ∠C = ∠B = ৫০°

আবার, EF || BC এবং AC ছেদক
∠B = ∠AEF [অনুরূপ কোণ]
∴ ∠AEF = ৫০°

এখানে,
∠A + ∠B + ∠C = ১৮০°
⇒ ∠A + ৫০° + ৫০° = ৫০°
⇒ ∠A = ১৮০° – ১০০°
∴ ∠A = ৮০°

∴ ∠A + ∠AEF = ৮০° + ৫০° = ১৩০°
৭৫.
x2 + 2x - 15 কে x - 3 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত?
  1. 0
  2. 1
  3. 3
  4. 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + 2x - 15 কে x - 3 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত?

সমাধান:
এখানে,
x - 3 = 0
∴ x = 3

∴ f(3)  এর মানই হবে ভাগশেষ।

∴ f(x) = x2 + 2x - 15
∴ f(3) = 32 + 2 × 3 - 15
= 9 + 6 - 15
= 15 - 15
= 0
৭৬.
কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ৪১০ এবং ২৪৮ কে ভাগ করলে প্রতিক্ষেত্রে ৫ অবশিষ্ট থাকবে?
  1. ১৫
  2. ৩২
  3. ৮১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ৪১০ এবং ২৪৮ কে ভাগ করলে প্রতিক্ষেত্রে ৫ অবশিষ্ট থাকবে?

সমাধান:
বৃহত্তম সংখ্যাটি হবে (৪১০ - ৫) = ৪০৫ এবং (২৪৮ - ৫) = ২৪৩ এর গ.সা.গু এর সমান।

এখানে,
৪০৫ = ৩ × ৩ × ৩ × ৩ × ৫
২৪৩ = ৩ × ৩ × ৩ × ৩ × ৩

∴ ৪০৫ এবং ২৪৩ এর গ.সা.গু হলো = ৮১

∴ সংখ্যাটি হবে ৮১
৭৭.
কোনটি 'দহন' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
  1. পাবক
  2. বৈশ্বানর
  3. প্রদীপ্ত
  4. হুতাশন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি 'দহন' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?

সমাধান:
দহন শব্দের সমার্থক শব্দ অনল, আগুন, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, অগ্নি, বৈশ্বানর, সর্বভুক, সর্বশুচি।

প্রদীপ্ত এর অর্থ- জ্বলছে এমন, জ্বলন্ত, প্রজ্বলিত।
৭৮.
যদি ঢ × E = ৭০ হয়, তবে L × ঝ = ?
  1. ৯৮
  2. ১৩৫
  3. ১১৭
  4. ১০৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ঢ × E = ৭০ হয়, তবে L × ঝ = ?

সমাধান:


ঢ × E = ১৪ × ৫ = ৭০
L × ঝ = ১২ × ৯ = ১০৮
৭৯.
সকালে আমার বাসায় এক শিক্ষক দম্পতি এবং তাদের সঙ্গে এলেন দুই সহকর্মী, যাদের প্রত্যেকে তাঁদের স্ত্রী ও তিনজন করে সন্তান নিয়ে এসেছেন। তারা সবাই ড্রইংরুমে বসলেন। ড্রইংরুমে মোট কতজন মানুষ আছে?
  1. ৯ জন
  2. ১১ জন
  3. ১২ জন
  4. সঠিক উত্তর নেই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সকালে আমার বাসায় এক শিক্ষক দম্পতি এবং তাদের সঙ্গে এলেন দুই সহকর্মী, যাদের প্রত্যেকে তাঁদের স্ত্রী ও তিনজন করে সন্তান নিয়ে এসেছেন। তারা সবাই ড্রইংরুমে বসলেন। ড্রইংরুমে মোট কতজন মানুষ আছে?

সমাধান: 
শিক্ষক ও তাঁর স্ত্রী = মোট ২ জন

প্রতিটি সহকর্মীর পরিবারে আছেন = সহকর্মী + তাঁর স্ত্রী + তিনজন সন্তান
= ১ + ১ + ৩
= ৫ জন

∴ দুই সহকর্মীর পরিবার = ২× ৫ = ১০ জন

∴ ড্রইংরুমে মোট মানুষ আছে = (১০ + ২) = ১২ জন
৮০.
একটি কলেজে ২৫% শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে। অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬০% বাণিজ্য বিভাগে এবং বাকি ১৮০ জন মানবিক বিভাগে পড়ে। কলেজটিতে মোট কতজন শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে?
  1. ২০০ জন
  2. ১৮৬ জন
  3. ১৫০ জন
  4. ১২০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কলেজে ২৫% শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে। অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬০% বাণিজ্য বিভাগে এবং বাকি ১৮০ জন মানবিক বিভাগে পড়ে। কলেজটিতে মোট কতজন শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে?

সমাধান:
মনে করি,
কলেজে মোট শিক্ষার্থী আছে ”ক” জন।

বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে = ক এর ২৫% = ক/৪ জন
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = (১ - ক/৪) = ৩ক/৪ জন
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে, বাণিজ্য বিভাগে পড়ে = (৩ক/৪) এর ৬০%
= (৩ক/৪) × (৬০/১০০)
= ৯ক/২০

প্রশ্নমতে,
ক - (ক/৪) - (৯ক/২০) = ১৮০
⇒ (২০ক - ৫ক - ৯ক)/২০ = ১৮০
⇒ ৬ক/২০ = ১৮০
⇒ ৬ক = ১৮০ × ২০
⇒ ক = (১৮০ × ২০)/৬
∴ ক = ৬০০

∴ কলেজটিতে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সংখ্যা = ৬০০/৪ = ১৫০ জন
৮১.
যদি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১ম দিন সোমবার হয়, তবে ঐ মাসের শেষ দিন কী বার হবে?
  1. রবিবার
  2. বুধবার
  3. সোমবার
  4. শুক্রবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১ম দিন সোমবার হয়, তবে ঐ মাসের শেষ দিন কী বার হবে?

সমাধান:
২০২৫ সাল লিপ ইয়ার নয়,
কারণ ২০২৫ ÷ ৪ = ৫০৬.২৫ (পূর্ণসংখ্যা না)
তাই ফেব্রুয়ারিতে থাকবে ২৮ দিন।

১ম দিন = সোমবার
(১ + ৭) বা ৮ তম দিন= সোমবার
(৮ + ৭) বা ১৫ তম দিন= সোমবার
(১৫ + ৭) বা ২২ তম দিন= সোমবার
২৩ তম দিন = মঙ্গলবার
২৪ তম দিন = বুধবার
২৫ তম দিন = বৃহস্পতিবার
২৬ তম দিন = শুক্রবার
২৭ তম দিন = শনিবার
২৮ তম দিন = রবিবার
৮২.
যদি একটি ত্রিভুজের দুই বাহুর মান ৪ এবং ৬ হয়, তবে তৃতীয় বাহুর জন্য কোন মানটি প্রযোজ্য নয়?
  1. ১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি একটি ত্রিভুজের দুই বাহুর মান ৪ এবং ৬ হয়, তবে তৃতীয় বাহুর জন্য কোন মানটি প্রযোজ্য নয়?

সমাধান:
আমরা জানি,
ত্রিভুজের যে কোনো দুই বাহুর সমষ্টি তার তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর।

এখানে, ৪ + ৬ = ১০, যা ১১ অপেক্ষা বৃহত্তর নয়।
তাই, তৃতীয় বাহু ১১ সেমি দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট হতে পারে না।
৮৩.
নিচের কোনটি Generous এর সমার্থক শব্দ নয়?
  1. Benevolent
  2. Stingy
  3. Magnanimous
  4. Charitable
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি Generous এর সমার্থক শব্দ নয়?

সমাধান:
Generous – উদার, দানশীল, বড় মনের।

Benevolent – সদয়, দয়ালু 
Stingy – কৃপণ, দান না করতে চায় → বিপরীত
Charitable – দানশীল
Magnanimous – মহৎ হৃদয়সম্পন্ন

∴ Generous-এর সমার্থক শব্দ নয়: Stingy
৮৪.
নুসরাত শ্রেণীকক্ষে প্রথম সারিতে বসা। ডানদিক অথবা বামদিক থেকে গণনা করলে নুসরাতের অবস্থান ১১ তম। শ্রেণিকক্ষের প্রথম সারিতে মোট কতজন বসা আছে?
  1. ১৯ জন
  2. ২০ জন
  3. ২১ জন
  4. ২২ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নুসরাত শ্রেণীকক্ষে প্রথম সারিতে বসা। ডানদিক অথবা বামদিক থেকে গণনা করলে নুসরাতের অবস্থান ১১ তম। শ্রেণিকক্ষের প্রথম সারিতে মোট কতজন বসা আছে?

সমাধান:
নুসরাত ডানদিকে আছে = ১০ জন
নুসরাত বামদিকে আছে = ১০ জন
মোট = ১০ + ১ + ১০ = ২১ জন
৮৫.
রাফেজের গঠন উপাদান কী?
  1. প্রোটিন
  2. গ্লুকোজ
  3. সেলুলোজ
  4. অ্যামাইনো অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
রাফেজ বা আঁশ: 
- রাফেজ বা আঁশযুক্ত খাবার হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
- রাফেজ প্রধানত উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। 
- শস্যবীজ, ডাল, আলু, খোসাসমেত টাটকা ফল এবং শাকসবজি রাফেজের প্রধান উৎস। এগুলো ছাড়াও শুকনা ফল, জিরা, ধনে, মটরশুঁটি প্রভৃতিতে বেশ ভালো পরিমাণ রাফেজ পাওয়া যায়। এই খাবারগুলোর দীর্ঘ তন্তুময় অংশকে রাফেজ বলে। 
- রাফেজ মূলত সেলুলোজ দিয়ে তৈরি উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর। 
- রাফেজ দেহে কোনো পুষ্টি জোগায় না সত্যি কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য, হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তবে ঠিক কীভাবে এ রোগগুলো প্রতিরোধ করে তা এখন পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে জানা যায়নি। 
- রাফেজ সরাসরি খাদ্যনালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হতে পারে, এটি হজম হয় না। 

রাফেজভুক্ত খাবারের গুরুত্ব: 
১. এটি পরিপাকে সহায়তা করে। রাফেজ পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
২. শরীর থেকে অপাচ্য খাদ্য নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 
৩. এটি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে। 
৪. বারবার ক্ষুধার প্রবণতা কমাতে এটি কাজ করে। 
৫. রাফেজযুক্ত খাদ্য গ্রহণে পিত্তথলির রোগ, খাদ্যনালি ও মলাশয়ের ক্যান্সার, অর্শ, হৃদরোগ ও স্থূলতার ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করে। 
- এ কারণে প্রতিদিন ২০-৩০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত, শাকসবজি ও ফল থেকে এ পরিমাণ আঁশ পাওয়া সম্ভব। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৬.
pH-এর মান যত কম, তত বেশি- 
  1. ক্ষারীয় 
  2. এসিডিক 
  3. লবণাক্ত 
  4. নিরপেক্ষ 
ব্যাখ্যা
pH: 
- pH হলো এমন একটি রাশি, যেটি দ্বারা বোঝা যায় পানি বা অন্য কোনো জলীয় দ্রবণ এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ। 
- নিরপেক্ষ হলে pH হয় ৭, এসিডিক হলে ৭-এর কম, আর ক্ষারীয় হলে ৭-এর বেশি। 
- এসিডের পরিমাণ যত বাড়বে, pH-এর মান তত কমে। অন্যদিকে ক্ষারের পরিমাণ যত বাড়ে, pH-এর মানও তত বাড়ে। 
- নদ-নদী, খালবিল ইত্যাদির জন্য pH-এর মান খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত নদ-নদীর পানি ক্ষারীয় হয়। 
- গবেষণা করে দেখা গেছে, নদ-নদীর পানির pH যদি ৬-৮ এর মধ্যে থাকে, তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না। 
- তবে pH-এর মান যদি এর চাইতে কমে যায় বা বেড়ে যায়, তাহলে ঐ পানিতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী আর উদ্ভিদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। 
- মাছের ডিম, পোনা মাছ পানির pH খুব কম বা বেশি হলে বাঁচতে পারে না। 
- পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে, অর্থাৎ pH-এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭.
কোন লেন্সে আলো এক বিন্দুতে মিলিত হওয়ার পর আবার ছড়িয়ে পড়ে?
  1. উত্তল লেন্স
  2. অবতল লেন্স
  3. অপসারী লেন্স
  4. সমতল লেন্স
ব্যাখ্যা
লেন্স: 
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দিয়ে সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- অধিকাংশ লেন্স কাচের তৈরি হয়। তবে কোয়ার্টজ এবং প্লাস্টিক দিয়েও আজকাল লেন্স তৈরি হয় এবং এদের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। 
- লেন্স সাধারণত দুই ধরনের। 
যথা- 
(ক) উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex lens): 
- উত্তল বা অভিসারী লেন্সে আলো রশ্মি হচ্ছে অভিসারী অর্থাৎ এক বিন্দুতে মিলিত হয়। 
- উত্তল লেন্সের মাঝখানে মোটা ও প্রান্ত সরু, তাই এটিকে কখনো কখনো স্থূলমধ্য লেন্সও বলা হয়। 
- আলোকরশ্মি উত্তল লেন্সের উত্তল পৃষ্ঠে আপতিত হয়। 
- এই লেন্স সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে কোনো একটি বিন্দুতে মিলিত করে। এই বিন্দুটি হচ্ছে লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব। 
- উত্তল লেন্সে আলো এক বিন্দুতে মিলিত হওয়ার পর সেটি আবার ছড়িয়ে পড়ে। 

(খ) অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave lens): 
- অবতল বা অপসারী লেন্সে আলোকরশ্মি অপসারী অর্থাৎ পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। 
- অবতল লেন্সের মাঝখানে সরু ও প্রান্তের দিকটা মোটা। 
- এই লেন্সের অবতল পৃষ্ঠে সমান্তরাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে আলোকরশ্মি অপসারী হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। 
- যদি অপসারিত রশ্মিগুচ্ছ সোজা পিছনের দিকে বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে কল্পনা করে নিলে সেগুলো একটি বিন্দুতে মিলিত হচ্ছে বলে মনে হয়। এই বিন্দুটি হচ্ছে অবতল লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব। 

উল্লেখ্য, 
- অবতল বা অপসারী লেন্সে আলোকরশ্মি মিলিত না হয়ে ছড়িয়ে যায়, কল্পিতভাবে পেছনের দিকে এক বিন্দুতে মিলিত হতে দেখা যায়। 
- সমতল লেন্সে সাধারণত আলো কোনো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
রক্তরস শ্বসনের ফলে কোষে উৎপন্ন CO2 -কে নিচের কোন রূপে ফুসফুসে পরিবহণ করে?
  1. পানি রূপে
  2. গ্লুকোজ রূপে
  3. অক্সিজেন রূপে
  4. বাইকার্বনেট রূপে
ব্যাখ্যা
রক্তরস বা প্লাজমা: 
- রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে। 
- রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ। 
- অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন (যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন এবং O2, CO2, এবং N2, জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ)। 
- জৈব পদার্থগুলো হলো- 
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি। 
২. রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি। 
৩. প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথ্রম্বিন ইত্যাদি। 
৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি: অ্যান্টিটক্সিন, অ্যাগ্লুটিনিন ইত্যাদি। 
৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন। 
৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ। 

রক্তরসের কাজ: 
১. রক্তকোষসহ রক্তরসে দ্রবীভূত খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করা। 
২. টিস্যু থেকে বর্জ্য পদার্থ নির্গত করে, সেগুলো রেচনের জন্য বৃক্কে পরিবহণ করা। 
৩. রক্তরস শ্বসনের ফলে কোষের সৃষ্ট CO2 কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহণ করা। 
৪. রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো পরিবহণ করা। 
৫. হরমোন, এনজাইম, লিপিড প্রভৃতি দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করা। 
৬. রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৯.
জীবন্ত জীবাশ্ম উদ্ভিদের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. প্লাটিপাস
  2. ইকুইজিটাম
  3. স্ফোনোডন
  4. লিমুলাস
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ। 
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও গিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে, এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯০.
রাবার কোন পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়?
  1. পানি
  2. এসিড
  3. দুর্বল ক্ষার
  4. ওজোন
ব্যাখ্যা
রাবার: 
- পেনসিলের লেখা মোছার জন্য যে ইরেজার ব্যবহার কর, সেটি এক ধরনের রাবার। 
- সাইকেল, রিকশা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবারের তৈরি। 
- পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল এগুলোও রাবারের তৈরি সামগ্রী। 
- রাবার এবং রাবারজাত পণ্যসামগ্রী জীবনের অনেক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

রাবারের ভৌত ধর্ম: 
- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ। 
- রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবকে (যেমন-এসিটোন, মিথানল) অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন এগুলোতে সহজেই দ্রবণীয়। 
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। 
- বেশিরভাগ রাবারই তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়। 
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ এবং তাপ কুপরিবাহী, তবে আজকাল বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে তৈরি বিদ্যুৎ পরিবাহী রাবার আবিষ্কার করেছেন। 

রাবারের রাসায়নিক ধর্ম: 
- প্রায় প্রতিটি পদার্থ তাপ দিলে আয়তনে বাড়ে। কিন্তু রাবারের বেলায় ঠিক উল্টোটি ঘটে অর্থাৎ তাপ দিলে রাবারের আয়তন কমে যায়। 
- রাবারের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম হলো এটি বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন- দুর্বল ক্ষার, এসিড, পানি এগুলোর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না।যে কারণে কোনো কিছু রক্ষা করার জন্য প্রলেপ দেওয়ার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়, কারণ রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
- অক্সিজেন ছাড়াও আরও কিছু রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ করে ওজোন (O3) প্রাকৃতিক রাবারের সাথে বিক্রিয়া করে, যার কারণে রাবার ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯১.
একটি বস্তুর ভর ২০ কেজি। এর ওপর একটি বল প্রযুক্ত হওয়ায় এর ত্বরণ হলো ২ মি./সে । প্রযুক্ত বলের মান কত ছিল?
  1. ৬০ নিউটন
  2. ৪০ নিউটন
  3. ৭৫ নিউটন
  4. ৮০ নিউটন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বস্তুর ভর ২০ কেজি। এর ওপর একটি বল প্রযুক্ত হওয়ায় এর ত্বরণ হলো ২ মি./সে । প্রযুক্ত বলের মান কত ছিল? 

সমাধান: 
এখানে, 
বস্তর ভর, m = ২০ কেজি, 
ত্বরণ, a = ২ মি/সে
বল, F = ? 

আমরা জানি,
F = ma
= ২০ কেজি × ২ মি/সে
= ৪০ নিউটন 

সুতরাং, প্রযুক্ত বলের মান = ৪০ নিউটন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২.
নিচের কোন খনিজটি ধাতব দ্যুতি প্রদর্শন করে?
  1. কোয়ার্টজ
  2. ট্যালক
  3. অ্যারাগনাইট
  4. পাইরাইটস
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
- ধাতব খনিজ পদার্থের মাঝে অন্যতম হলো লোহা (Fe), তামা (Cu), সোনা (Au) কিংবা রূপা (Ag)। 
- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica) কিংবা খনিজ লবণ। 
- কয়লা, গ্যাস, পেট্রোল এগুলোও খনিজ পদার্থ, তবে এদেরকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 

খনিজ পদার্থের ভৌত ধর্ম: 
- খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত দানাদার বা কেলাসাকার হয়। 
- অনেক খনিজ পদার্থ আছে, যাদের রাসায়নিক সংযুক্তি একই কিন্তু তাদের কেলাস গঠন ভিন্ন যে কারণে তাদের ভৌত ধর্মও ভিন্ন। 
যেমন- গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড। 
- যদিও দুটি পদার্থই কার্বন দিয়ে গঠিত, কিন্তু গঠনের ভিন্নতার কারণে গ্রাফাইট (যা পেন্সিলে ব্যবহার করা হয়) নরম হয় কিন্তু ডায়মন্ড বা হীরা এখন পর্যন্ত জানা খনিজের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ। 
- খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত কঠিন হয় এবং একেকটি খনিজের কাঠিন্য একেক রকম। 
- বেশি কঠিন খনিজ খুব সহজেই কম কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে; কিন্তু কম কঠিন খনিজ বেশি কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে না। 
- কাঠিন্য অনুযায়ী সবচেয়ে নরম খনিজ হলো ট্যালক (Talc), যা দিয়ে ট্যালকাম পাউডার তৈরি হয় এবং সবচেয়ে কঠিন খনিজ হলো হীরা বা ডায়মন্ড। 
- খনিজ পদার্থের নির্দিষ্ট দ্যুতি থাকে। 
- ধাতব খনিজ যেমন- পাইরাইটস ধাতুর মতোই দ্যুতি প্রদর্শন করে অর্থাৎ অনেকটা ধাতুর মতোই চকচক করে। 
- খনিজ হীরা অধাতু এবং এটিকে দেখে সাধারণ কাচের মতো মনে হতে পারে কিন্তু এটি কাটার পর এর দ্যুতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 
- কিছু কিছু খনিজ পদার্থ আছে, যেগুলো খুব স্বচ্ছ এবং এর মধ্যে আলো প্রবেশ করতে পারে। 
যেমন-কোয়ার্টজ বা সিলিকা । 
- আবার কিছু কিছু খনিজ পদার্থ আছে, যার মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করলেও এর মধ্য দিয়ে কোনো বস্তু দেখা যায় না। 
যেমন- অ্যারাগনাইট। 
- অন্যদিকে এমন খনিজও আছে, যার মধ্য দিয়ে মোটেই আলো প্রবেশ করতে পারে না । 
যেমন- ক্যালসাইট (Calcite) বা চুনাপাথর। 

খনিজ পদার্থের রাসায়নিক ধর্ম: 
- খনিজ পদার্থের রাসায়নিক ধর্ম নির্ভর করে এতে বিদ্যমান উপাদানের উপর। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৩.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Adobe Reader
  2. Trend Micro
  3. Sophos
  4. Avira
ব্যাখ্যা
⚪Adobe Reader একটি পিডিএফ (PDF) ফাইল দেখার সফটওয়্যার, এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।

অন্যদিকে, Trend Micro, Sophos, এবং Avira সবই অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

⚪ এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

⚪ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

⚪ কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

⚪ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৯৪.
ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. Nitrogen
  2. Ethanol
  3. Freon
  4. Methane
ব্যাখ্যা
⚪ ক্রায়োসার্জারিতে মূলত নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অত্যন্ত ঠান্ডা (সামান্য তাপমাত্রায় -196°C) এবং এটি টিস্যু বা কোষ ধ্বংস করার জন্য কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়।

⚪ ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।

- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।

- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- পাইলস, চর্মরোগ, লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৫.
"Slide Rule" কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. Hybrid computer
  2. Quantum computer
  3. Digital computer
  4. Analog Computer
ব্যাখ্যা
⚪ Slide Rule হল একটি Analog Computer, যা গণনা (calculation) করার জন্য ব্যবহৃত হত মূলত ১৭শ শতক থেকে ২০শ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত।
এটি বৈদ্যুতিক নয়, বরং যান্ত্রিক একটি ডিভাইস।
এটি লগারিদমিক স্কেল ব্যবহার করে গুণ, ভাগ, বর্গমূল, সূচক ইত্যাদি হিসাব করতে পারে।
এটি ব্যবহার করা হতো বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও শিক্ষার্থীদের দ্বারা — বিশেষ করে ক্যালকুলেটরের আগমনের আগে।

⚪ অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

⚪ অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

⚪ স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
ডাটাবেজে একাধিক রেকর্ডকে একটি রেকর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াটি কী?
  1. Many to One
  2. Many to Many
  3. One to Many
  4. One to One
ব্যাখ্যা

⚪ ডাটাবেজ রিলেশন:

- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

⚪ রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

⚪ Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

⚪ One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

⚪ One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

⚪ Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
"End-To-End Communication" এবং "Error Handling" এর জন্য OSI Model এর কোন লেয়ার ব্যবহৃত হয়?
  1. Network Layer
  2. Transport Layer
  3. Data Link Layer
  4. Session Layer
ব্যাখ্যা
⚪ End-To-End Communication এবং Error Handling এর জন্য Transport Layer (OSI মডেলের চতুর্থ লেয়ার) ব্যবহৃত হয়।
- Transport Layer এর কাজ হলো ডেটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঠিকভাবে প্রেরণ করা এবং এতে Error Handling এবং Flow Control অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- এটি End-to-End Communication নিশ্চিত করে, যার মানে হল যে এটি প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করে।

⚪ অন্য লেয়ারগুলো:
- Network Layer (Layer 3): এটি মূলত রুটিং এবং ডেটা প্যাকেটের স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করে।
- Data Link Layer (Layer 2): এটি একাধিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং অ্যাড্রেসিং ব্যবস্থা (MAC Address) পরিচালনা করে।
- Session Layer (Layer 5): এটি সেশন এবং সংযোগের পরিচালনা করে, কিন্তু সরাসরি End-To-End Communication বা Error Handling এর জন্য নয়।

⚪ OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
1. Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
2. Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।

3. Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
4. Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।

5. Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
6. Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
7. Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

সূত্র: aws.amazon.com [লিংক]
৯৮.
স্টার টপোলজিতে কেন্দ্রীয় সংযোগ পয়েন্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. Switch
  2. Bridge
  3. Repeater
  4. Router
ব্যাখ্যা
স্টার টপোলজি (Star Topology)-তে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটির মাধ্যমেই সব ডেটা আদান-প্রদান হয়।
- এই কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে Switch সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কারণ:
- এটি ডেটা প্যাকেটগুলোকে গন্তব্য অনুযায়ী সঠিকভাবে ফরওয়ার্ড করে।
- এটি প্রতিটি ডিভাইসকে একটি আলাদা সংযোগ দেয়, ফলে নেটওয়ার্কের গতি ও নিরাপত্তা বাড়ে।

⚪ অপশন আলোচনা:

Bridge: দুটি নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু স্টার টপোলজির কেন্দ্রীয় পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

Repeater: সিগনাল বুস্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কেন্দ্রীয় সংযোগ পয়েন্ট নয়।

Router: বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রাউট করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু স্টার টপোলজির জন্য আদর্শ নয়।

⚪ স্টার টপোলজি:
- কোনো নেটওয়ার্কের সবগুলো কম্পিউটার যদি একটি কেন্দ্রীয় হাব (hub)/সুইচ (switch)-এর সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে সেটিকে বলে স্টার টপোলজি।
- এটি তুলনামূলকভাবে একটি সহজ টপোলজি। 
- কেউ যদি খুব তাড়াতাড়ি সহজে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চায়, তাহলে সে স্টার টপোলজি ব্যবহার করবে।
- এই টপোলজিতে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও বাকি নেটওয়ার্ক সচল থাকে।
- কিন্তু কোনোভাবে কেন্দ্রীয় হাব/সুইচ নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্কটিই অচল হয়ে পড়বে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯৯.
(5C)16 = (?)10
  1. 86
  2. 88
  3. 90
  4. 92
ব্যাখ্যা
⚪ হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(5C)16
= 12 × 160 + 5 × 161
= 12 × 1 + 5 × 16
= 12 + 80
= 92
সুতরাং, (5C)16 = (92)10

.................................
............................................
⚪ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):

এটি আমাদের দৈনন্দিন গাণিতিক কাজে ব্যবহৃত সাধারণ সংখ্যা পদ্ধতি। এটি Base-10 অর্থাৎ ১০টি অঙ্ক (০ থেকে ৯) ব্যবহার করে।

উদাহরণ:

345 মানে হচ্ছে

= 3 × 10² + 4 × 10¹ + 5 × 10⁰

= 300 + 40 + 5

= 345

⚪ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):

এটি Base-16 অর্থাৎ মোট ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করে:

০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F

যেখানে A = 10, B = 11, ..., F = 15

উদাহরণ:

2F মানে হচ্ছে

= 2 × 16¹ + 15 × 16⁰

= 32 + 15 = 47 (Decimal)

⚪ রূপান্তর (Conversion):

⚪ Hex → Decimal:

প্রতিটি অক্ষরকে তার দশমিক মানে রূপান্তর করো এবং base-16 অনুসারে গুন করো।

উদাহরণ: (3B)16 = 3 × 16 + 11 = 59 (Decimal)

⚪ Decimal → Hex:

দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করো। ভাগশেষকে নিচ থেকে উপরের দিকে সাজাও।

উদাহরণ: 9210

92 ÷ 16 = 5, বাকি 12 → 12 = C

ফলাফল: (5C)16

⚪ ব্যবহার:
-
Hexadecimal সাধারণত ব্যবহৃত হয় কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, মেমোরি অ্যাড্রেস, কালার কোডিং ইত্যাদিতে।
- Decimal ব্যবহার হয় আমাদের প্রতিদিনের সংখ্যার কাজে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০০.
নিচের কোনটি স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত?
  1. উত্তরের পাহাড়সমূহ
  2. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
  3. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ 
  4. ক ও গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোর উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ১০ মিটার।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১০১.
সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. সূর্যের উন্নতি
  2. ধ্রুবতারার উন্নতি
  3. সূর্যের অবনতি
  4. ধ্রুবতারার অবনতি
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি: 
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে।
- সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০° - (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ± বিষুবলম্ব)।

২। ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয়:
- ধ্রুবতারার উন্নতি জেনে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- এর সাহায্যে শুধু উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি ০° এবং উত্তর মেরুতে ঠিক মাথার উপর ধ্রুবতারার উন্নতি ৯০° হয়।
- সুতরাং উত্তর গোলার্ধে কোনো স্থানের অক্ষাংশ ধ্রুবতারার উন্নতির সমান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০২.
বাংলাদেশের কত ভাগ ভূমি নদীবিধৌত বিস্তীর্ণ সমভূমি?
  1. প্রায় ৯০ ভাগ
  2. প্রায় ৮০ ভাগ
  3. প্রায় ৬৫ ভাগ
  4. প্রায় ৭০ ভাগ
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি: 
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- সমতল ভূমির উপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে এখানে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়।
- বছরের পর বছর এভাবে বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। ।
- সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুবই উর্বর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৩.
কত সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হয়ে নতুন স্রোতধারার সৃষ্টি হয়?
  1. ১৬৮৭ সালে
  2. ১৭৮৭ সালে
  3. ১৭৭৭ সালে
  4. ১৭৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা:
- তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে।
- আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো।
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়।
- এই নতুন স্রোত ধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়।
- এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী বলে পরিচিত।
- যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী-বুড়িগঙ্গা।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের উপনদী। করতোয়া ও আত্রাই হলো যমুনার উপনদী।
- ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি.।
- এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি. যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতায় পড়ে না কোনটি?
  1. দুর্যোগ প্রতিরোধ
  2. দুর্যোগ প্রস্তুতি
  3. দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার
  4. দুর্যোগ সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management): 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি:
(ক) দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌঁছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৫.
"সামাজিক মূল্যবোধ হলো সে সব রীতিনীতির সমষ্টি, যা ব্যক্তি সমাজের নিকট হতে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট হতে লাভ করে" - কে বলেছেন?
  1. এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
  2. স্টুয়ার্ট সি. ডড
  3. এফ. ই. মেরিল
  4. এইচ. ডি. ষ্টেইন
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ: 
- যে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে, তাকেই আমরা সাধারণত মূল্যবোধ বলে থাকি।
- সমাজজীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ড যে সকল নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাদের সমষ্টিকে সামাজিক মূল্যবোধ বলে।
- বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানী বিভিন্নভাবে মূল্যবোধের বিশেষ করে সামাজিক মূল্যবোধের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- স্টুয়ার্ট সি. ডড (Stuart c. Dodd) বলেন, "সামাজিক মূল্যবোধ হলো সে সব রীতিনীতির সমষ্টি, যা ব্যক্তি সমাজের নিকট হতে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট হতে লাভ করে।"

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০৬.
বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের স্তম্ভ নয় কোনটি?
  1. দায়িত্বশীলতা
  2. স্বচ্ছতা
  3. সমতা 
  4. অংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল ‘Good Governance’ ।
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনোইতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।

সুশাসনের স্তম্ভ:
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের ৪টি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
- এ চারটি স্তম্ভ হচ্ছে –
i) দায়িত্বশীলতা
ii) স্বচ্ছতা
iii) আইনী কাঠামো
iv) অংশগ্রহণ

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
লর্ড ব্রাইস এর মতে আইন মান্য করার কারণ কোনটি?
  1. যৌক্তিকতার উপলব্ধি
  2. অপরের প্রতি শ্রদ্ধা
  3. নির্লিপ্ততা
  4. সবগুলো 
ব্যাখ্যা
আইন মান্য করার কারণ:
- আইনের শাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত হল আইন মান্য করা।
- প্রত্যেক আইনেই কিছু নির্দেশনা এবং তা অমান্য করলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকে।
- আইন মান্য করার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হল আইনের উপযোগিতা।

লর্ড ব্রাইস আইন মান্য করার কারণগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করেন:
১. যৌক্তিকতার উপলব্ধি
২. অপরের প্রতি শ্রদ্ধা
৩. নির্লিপ্ততা
৪. সহানুভূতি
৫. শাস্তির ভয়

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
আক্ষরিক অর্থে 'আমলাতন্ত্র' বলতে কোনটি বোঝায়?
  1. প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন
  2. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির শাসন
  3. স্থানীয় জনপ্রতিনিধির শাসন
  4. রাজনীতিবিদদের শাসন 
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র:
- আক্ষরিক অর্থে 'আমলাতন্ত্র' বলতে আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন বোঝায়।
- আমলাতন্ত্র হচ্ছে স্থায়ী, বেতনভুক্ত, দক্ষ ও পেশাদার কর্মচারীদের সংগঠন।
- আমলারা সুশৃঙ্খলভাবে পরস্পর সংযুক্ত এবং রাজনীতিনিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- আমলাতন্ত্রের আধুনিক আলোচনার অগ্রনায়ক প্রখ্যাত জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েবার।
- তিনি সর্বপ্রথম আমলাতন্ত্রকে একটি আইনগত ও যুক্তিসঙ্গত মডেল (Legal and rational model) হিসেবে উপস্থাপন করেন।
- ম্যাক্সওয়েবার ছিলেন আদর্শ আমলাতন্ত্রের (Ideal Bureaucracy) উদ্ভাবক।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০৯.
বিশ্বব্যাংক কোন রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে?
  1. শাসনপ্রক্রিয়া ও মানব উন্নয়ন
  2. সুশাসন ও মানব উন্নয়ন
  3. সুশাসন ও উন্নয়ন
  4. শাসনপ্রক্রিয়া ও উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
শাসনপ্রক্রিয়া ও উন্নয়ন (Governance and development):
- ১৯৯২ সালে বিশ্বব্যাংক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
- বিশ্বব্যাংক এই রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে।
- যে পদ্ধতিতে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদের উন্নয়নের ব্যবস্থাপনায় ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয় তাকে শাসন বলে অভিহিত করা হয়েছে।
- সুশাসন হলো সুষ্ঠু উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার সমার্থক।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১১০.
"মাসিক মোহাম্মদী" পত্রিকাটি প্রথম কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  3. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
  4. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক 
ব্যাখ্যা
• "মাসিক মোহাম্মদী" পত্রিকা:
- মোহাম্মদী একটি বাংলা মাসিক পত্রিকা। ১৯০৩ সালের আগস্ট মাসে মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।

- কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ১৯২৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়। পরে আবার দুই বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি ঢাকা থেকে পুনঃপ্রকাশিত হয় এবং ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এর প্রকাশনা অব্যাহত থাকে।

- আকরম খাঁর পরে মুজিবুর রহমান খাঁ ও বদরুল আনাম খাঁ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

- আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আখতারুল আলম, আ.ন.ম গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ প্রমুখ তরুণ সাংবাদিক-সাহিত্যিক এর সম্পাদনা-সহযোগীর দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১১.
কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক 'ডি. লিট' উপাধি লাভ করেন?
  1. ১৯২৩ সালে
  2. ১৯৩৬ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯8৮ সালে
ব্যাখ্যা
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা কথা-সাহিত্যের দুর্লভ জনপ্রিয়তার অধিকারী।
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯০৩ সালে ভাগ্যের সন্ধানে তিনি বার্মা যান এবং রেঙ্গুনে অ্যাকাউন্ট্যাট অফিসে কেরানি পদে চাকরি করেন। প্রবাস জীবনেই তার সাহিত্য সাধনা শুরু হয় এবং তিনি খ্যাতি লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭)  ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যজগতে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।
- তিনি ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'জগত্তারিণী পদক' এবং ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট উপাধি লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বড়দিদি,
- পরিণীতা,
- বিরাজ বৌ,
- পণ্ডিত মশাই,
- পল্লী সমাজ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- দত্তা,
- গৃহদাহ,
- বামুনের মেয়ে,
- দেনা পাওনা,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- বিপ্রদাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী,
- মামলার ফল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নারীর মূল্য,
- তরুণের বিদ্রোহ,
- স্বদেশ ও সাহিত্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা একাডেমি চরিতাবিধান এবং বাংলাপিডিয়া।
১১২.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটকের রচয়িতা কে?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. তারাচরণ শিকদার
  3. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
• 'ভদ্রার্জুন' নাটক:
- ১৮৫২ সালে তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' নামক মৌলিক নাটক প্রকাশিত হয়।
- 'ভদ্রার্জুন' ইংরেজি ও সংস্কৃতের যুক্ত আদর্শে রচিত প্রথম মৌলিক মধুরান্তিক বাংলা নাটক।
- 'ভদ্রার্জুন' নাটকের কাহিনি অর্জুন কর্তৃক সুভদ্রাহরণ। মহাভারত থেকে কাহিনি সংগ্রহ করা হলেও বাঙালি সমাজের বাস্তব পরিবেশ এতে অঙ্কিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
• গিরিশচন্দ্র ঘোষ ১৮৭২ সালে  প্রথম বাংলা পেশাদার নাট্য কোম্পানি ন্যাশানাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন।

•  মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক 'কৃষ্ণকুমারী', প্রথম সার্থক নাটক 'শর্মিষ্ঠা' এবং 'পদ্মাবতী'- নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম কমেটি ধাচের নাটক। এতে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করা হয়।

• দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয়। নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
১১৩.
মঙ্গলযুগের শেষ বড় কবি বলা হয় কাকে?
  1. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. রামনিধি গুপ্ত
  4. দ্বিজ বংশীদাস
ব্যাখ্যা
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের/মঙ্গলযুগের শেষ বড় কবি বা নাগরিক কবিও বলা হয়।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য রচনা করেন। ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের ৩টি খণ্ড ছিল।
- এ কাব্যের জন্য মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন।
- ভারতচন্দ্রের প্রথম কাব্য ছিল 'বিমিশ্র দেবতা' সত্যনারায়ণের সম্মানে রচিত একটি পাঁচালি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৪.
বৌদ্ধ সহজিয়াগণ কর্তৃক রচিত গ্রন্থ-
  1. মঙ্গলকাব্য
  2. শূন্যপুরাণ
  3. চর্যাপদ
  4. সেক শুভোদয়া
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে। চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ (ধর্ম চর্চা)।

- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। অপরদিকে ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
- ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।
- বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।
- ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
- বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

অন্যদিকে, 
• অন্ধকার যুগের সাহিত্য 'শূন্যপুরাণ' এর রচয়িতা রামাই পণ্ডিত।
• 'সেক শুভোদয়া' এর রচয়িতা হলেন হলায়ুধ মিশ্র।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১৫.
'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।'- বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি কার রচনা?
  1. সুকুমার রায়
  2. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
  3. ফররুখ আহমদ
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
•  'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।'- বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি মদনমোহন তর্কালঙ্কার রচিত 'আমার পণ' কবিতার অন্তর্ভুক্ত। 

---------------------
• মদনমোহন তর্কালঙ্কার:

- মদনমোহন তর্কালঙ্কার কবি, সমাজসেবক। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার বিল্বগ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পারিবারিক উপাধি 'চট্টোপাধ্যায়' হলেও প্রাপ্ত উপাধি 'তর্কালঙ্কার' হিসেবেই তিনি সুপরিচিত।
- মদনমোহন বিদ্যাসাগরের সহযোগিতায় 'সংস্কৃত-যন্ত্র' (১৮৪৭) নামে একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখান থেকে ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যটি সর্বপ্রথম গ্রন্থাকারে মুদ্রিত হয়।
- কবি-প্রতিভার জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনি 'কাব্যরত্নাকর' এবং পাণ্ডিত্যের জন্য 'তর্কালঙ্কার' উপাধি লাভ করেন।
- ১৮৫৮ সালের ৯ মার্চ কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর মৌলিক কাব্যগ্রন্থ:
- রসতরঙ্গিণী,
- বাসবদত্তা।

--------------------
তাঁর রচিত কবিতা সংক্ষেপ-
আমার পণ
মদনমোহন তর্কালঙ্কার

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে।

ভাইবোন সকলেরে যেন ভালোবাসি,
এক সাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশি।
ভালো ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা,
পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা।

সুখী যেন নাহি হই আর কারও দুখে,
মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে।
সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি,
কিছুতে কাহারে যেন নাহি দিই ফাঁকি।
ঝগড়া না করি যেন কভু কারও সনে,
সকালে উঠিয়া আমি বলি মনে মনে।

উৎস: আমার পণ- কবিতা এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৬.
নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে গল্পের সংকলন?
  1. একরাত্রি
  2. মণিহারা
  3. তিন সঙ্গী
  4. ল্যাবরেটরী
ব্যাখ্যা
• "তিন সঙ্গী" গল্পসংকলন:
- রবীন্দ্রনাথের শেষজীবনে লেখা তিনটি গল্প প্রকাশ পায় 'তিনসঙ্গী' (১৯৪০) নামের গ্রন্থে।
- রবীন্দ্রনাথের তিন সঙ্গী গল্পসংকলনে তিনটি গল্প আছে।

এই সংকলনের গল্পগুলো হলো:
- রবিবার,
- শেষকথা ও
- ল্যাবরেটরি।

অন্যদিকে,
 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উল্লেখযোগ্য কিছু ছোটগল্প-
নষ্টনীড়, শাস্তি, একরাত্রি, মধ্যবর্তিনী, দৃষ্টিদান, ল্যাবরেটরি, সমাপ্তি, পোস্টমাস্টার, হৈমন্তী, ছুটি ইত্যাদি।

------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর ছোটগল্পসমূহ:

- বাংলা ছোট গল্পের জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১১৯ টি ছোট গল্প রচনা করেন। তার রচিত প্রথম ছোট গল্প 'ভিখারিনী'।
- 'ভারতী' পত্রিকায় ১৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় রবীন্দ্রনাথের ভিখারিনী গল্পটি। এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে মাত্র ষোলো বছর বয়েসেই রবীন্দ্রনাথ ছোট গল্পকার হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৫টি গল্পগ্রন্থ রয়েছে। এগুলো হলো:
- গল্পগুচ্ছ,
- লিপিকা,
- সে,
- তিন সঙ্গী,
- গল্পসল্প।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প:
- দেনাপাওনা,
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা,
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ,
- অনধিকার প্রবেশ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত চারটি অতিপ্রাকৃতিক গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীতে,
- মণিহারা,
- কঙ্কাল।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প:
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; "তিন সঙ্গী" গল্পসংকলন এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৭.
জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. কবি 
  2. কবিতার কথা 
  3. কবি কাহিনী 
  4. বেলা অবেলা কালবেলা 
ব্যাখ্যা
• 'কবিতার কথা' হচ্ছে জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ।
- এই প্রবন্ধে তাঁর একটি বিখ্যাত উক্তি- 'সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।'

অন্যদিকে,
• 'কবি' উপন্যাস:
'কবি' উপন্যাসটি রচনা করেছেন- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে 'জীবন এত ছোট ক্যানে' সংলাপটি ক্লাসিক মর্যাদা পেয়েছে।

• জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ 'বেলা অবেলা কালবেলা' (১৯৬১)। এটি কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
• কবি-কাহিনী হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৮.
'ওসমান' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. আনন্দমঠ
  3. চন্দ্রশেখর
  4. দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যা
• 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস:
- "দুর্গেশনন্দিনী" বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসও।

- ১৮৬৫ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়।

- ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে উড়িষ্যার অধিকারকে কেন্দ্র করে মোঘল ও পাঠানের সংঘর্ষের পটভূমিতে এই উপন্যাস রচিত হয়। তবে এটিকে সম্পূর্ণরূপে ঐতিহাসিক উপন্যাস মনে করা হয় না।
- কোনো কোনো সমালোচক এই উপন্যাসে ওয়াল্টার স্কটের আইভানহো উপন্যাসের ছায়া লক্ষ্য করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় এই উপন্যাসের তেরোটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র: তিলোত্তমা।

উপন্যাসের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- বীরেন্দ্র সিংহ,
- ওসমান,
- জগৎসিংহ,
- তিলোত্তমা,
- আয়েশা,
- বিমলা প্রমুখ।

অন্যদিকে, 
• 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ, হীরা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
• 'আনন্দমঠ' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: মহেন্দ্র এবং কল্যাণী।  
• 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: শৈবালিনী, প্রতাপ, মির কাসিম, দলনি বেগম প্রমুখ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর; 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৯.
সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. সাত সাগরের মাঝি
  2. রাত্রিশেষ
  3. ঘুম নেই
  4. ছায়া হরিণ
ব্যাখ্যা
• 'ঘুম নেই' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা- সুকান্ত ভট্টাচার্য।

অন্যদিকে, 
• ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ: সাত সাগরের মাঝি। 
• আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ- রাত্রিশেষ, ছায়া হরিণ।

-----------------
• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- 'কিশোর কবি' সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত গ্রন্থগুলো হলো:
- পূর্বাভাস,
- হরতাল,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর.
১২০.
জসীম উদ্‌দীনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাখালী
  2. নক্সী কাঁথার মাঠ
  3. বালুচর
  4. ধানখেত
ব্যাখ্যা
• 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'। কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

----------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ।
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।
- জসীম উদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজজীবনে 'কবর' কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২১.
মুক্তিযুদ্ধনির্ভর রচনা কোনটি?
  1. নূরলদীনের সারা জীবন
  2. জোছনা ও জননীর গল্প
  3. সূর্য দীঘল বাড়ি
  4. যাপিত জীবন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস 'জোছনা ও জননীর গল্প'।
- উপন্যাসটির প্রথম সংস্করণ একুশে বই মেলাতে ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়।

• হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কিছু জনপ্রিয় উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া
- অনিল বাগচির একদিন।

-----------------
অন্যদিকে, 
• সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য 'নূরলদীনের সারা জীবন'। রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নুরুলদীনের সামন্তবাদ বিরোধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
• আবু ইসহাকের 'সূর্য দীঘল বাড়ি' উপন্যাসটি বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশ বিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
• সেলিনা হোসেন রচিত 'যাপিত জীবন' উপন্যাসের পটভূমি ভাষা আন্দোলন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২২.
মধ্যযুগের কবি বিদ্যাপতির উপাধি ছিল-
  1. কবিরাজ
  2. কবিকঙ্কণ
  3. কবিকণ্ঠহার
  4. কবীন্দ্র
ব্যাখ্যা
• বিদ্যাপতি:
- বিদ্যাপতি বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার। বিদ্যাপতি ছিলেন পঞ্চদশ শতকের একজন কবি।
- মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন বিদ্যাপতি। কবির রচনায় মোহিত ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহ। এ জন্য সে বিদ্যাপতিকে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।

- তিনি 'মৈথিল কোকিল' ও 'অভিনব জয়দেব' নামে খ্যাত। 'মৈথিল কোকিল' বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।

-কোকিল যেমন সুললিত সুমধুর গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে, মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতিও মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়।

- তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।
- তিনি অপভ্রংশ ভাষায় 'কীর্তিলতা' নামে ঐতিহাসিক কাব্য লিখেছিলেন।

তাঁর অন্যান্য উপাধি ছিল:
নব কবিশেখর, কবিরঞ্জন, কবিকণ্ঠহার, পণ্ডিত ঠাকুর, সদুপাধ্যায় ও রাজপণ্ডিত।

অন্যদিকে, 
- রাজা রঘুনাথ রায় মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে 'কবিকঙ্কণ' উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শ্রীজীব গোস্বামী গোবিন্দদাসকে 'কবিরাজ' উপাধি দেন। জীব গোস্বামী গোবিন্দদাসকে 'কবীন্দ্র' উপাধিও প্রদান করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১২৩.
"পাচক" কোন ধরনের শব্দ?
  1. মৌলিক শব্দ
  2. যৌগিক শব্দ
  3. রূঢ়ি শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
অর্থের দিক থেকে বিচার করলে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. যৌগিক,
২. রূঢ়ি এবং
৩. যোগরূঢ়।

• যৌগিক শব্দ:
যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, সেই শব্দগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন- পাঠক শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় - √ পঠ্ + অক = পাঠক (পাঠ করে যে)। 
এমনিভাবে,
√ পড়ু + উয়া = পড়ুয়া (যে পড়ে); √ গৈ + অক = গায়ক (গান করে যে); √ পচ্ + অক = পাচক (রান্না করে যে)।

[প্রত্যেকটি উদাহরণে দেখা যাচ্ছে শব্দগুলোর অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয় অনুযায়ীই হয়েছে। অর্থাৎ শব্দগুলোর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তাই এগুলো যৌগিক শব্দ।]
এমনি- বাবুয়ানা, মধুর, নিন্দুক, মিতালি, মালগাড়ি, লেখক, দাতা, সবই যৌগিক শব্দের উদাহরণ।


---------------------
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দের অর্থ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত হলেও মূল অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
ব্যুৎপত্তি বিশ্লেষণ করে যে শব্দের অর্থ বোঝা যায় না তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন- হস্তী শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: হস্ত + ইন (যার হাত আছে) কিন্তু শব্দটি হাতি নামক একটি বিশেষ প্রাণীকে বোঝাচ্ছে।

এমনিভাবে,
কুশ + অল - (কুশ আহরণকরে যে) কুশল কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ নিপুণ বা ভালো।
বাঁশ + ই - বাঁশি (বাঁশ দিয়ে তৈরি সব বস্তুকে না বুঝিয়ে একটি বিশেষ বাদ্যযন্ত্রকে বোঝাচ্ছে)।
পাঞ্জাবি - বিশেষ ধরণের জামা; অথচ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ পাঞ্জাবের লোক।
সন্দেশ - সংবাদ না বুঝিয়ে বিশেষ ধরনের

• যোগরূঢ় শব্দ:
যে সব শব্দের মুখ্য বা ব্যবহারিক অর্থ এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন নয়, কিন্তু অর্থটি সংকুচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের শব্দগুলো সমাসবদ্ধ হয়।
অন্যভাবে বলা যায়, যে সমাসবদ্ধ পদসমূহ সমস্যমান পদগুলোর অর্থ প্রকাশ না করে ভিন্ন অর্থকে প্রকাশ করে সে শব্দসমূহকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন- সরোজ = সরোবরে জন্মে যা, সরোজ শব্দের অর্থ তাহলে সরোবরে জন্মানো সব জিনিসকে বোঝানো উচিত ছিল। কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ পদ্ম।

ঠিক তেমনি,
জলদ - জল দেয় যে (কিন্তু কেবল মেঘ অর্থে ব্যবহৃত হয়)।
সুহৃদ - সুন্দর হৃদয় যার (ব্যবহারিক অর্থ বন্ধু)।
রাজপুত - রাজার পুত্র (রাজপুত্র না বুঝিয়ে বিশেষ জাতিকে বুঝিয়েছে)।
মহাযাত্রা - মহা সমারোহে যে যাত্রা (কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ মৃত্যু)।

ঠিক এমনি- পঙ্কজ, জলধি, অসুখ, পরিবার ইত্যাদি যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২৪.
'ইতিপূর্বে' শব্দটি কোন উপসর্গ যোগে গঠিত?
  1. বাংলা
  2. তৎসম
  3. ফারসি
  4. আরবি
ব্যাখ্যা
• বাংলা উপসর্গ:
বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

'ইতি' উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ:
•  এ বা এর অর্থ- ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে। 
•  পুরনো অর্থে- ইতিকথা, ইতিহাস।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।
১২৫.
'জানানি' শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ জান্ + ওনি
  2. √ জানা্‌  + নি
  3. √ জান্ + উনি
  4. √ জান্ + আনি
ব্যাখ্যা
•  আনি-প্রত্যয় কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ: বিশেষ্য গঠনে প্রযুক্ত হয়।
যেমন:
- √ জান্ + আনি = জানানি,
- √ শুন্ + আনি = শুনানি,
- √ উড় + আনি = উড়ানি,
- √ উড় + উনি = উড়ুনি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১২৬.
'বড়াই' কোন পদ?
  1. ক্রিয়া
  2. বিশেষণ
  3. বিশেষ্য
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ভাববাচক বিশেষ্য (Verbal Noun):
যে বিশেষ্য পদে কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয়, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। যথা- যাওয়ার ভাব বা কাজ = গমন।

তদ্রুপ- ভোজন, শয়ন, দর্শন, দেখা, শোনা প্রভৃতি।

আবার ধাতুর বা প্রাতিপদিকের পর 'আই' প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়।
যেমন:
- √ চড়ু + আই = চড়াই,
- বড় + আই = বড়াই ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১২৭.
'ক্ষ্ম' যুক্তবর্ণের শুদ্ধ গঠন কোনটি?
  1. ক + ষ + ল
  2. ক + ম + ষ
  3. ক + ষ+ ন
  4. ক + ষ + ম
ব্যাখ্যা
• ক্ষ্ম = ক+ষ+ম;
যুক্তবর্ণটি দ্বারা গঠিত শব্দ- লক্ষ্মী, লক্ষ্মণ। 

তিন বর্ণ দিয়ে গঠিত কিছু যুক্তবর্ণ-
• ক্ষ্য = ক+ ষ + য
যুক্তবর্ণটি দ্বারা গঠিত শব্দ- লক্ষ্য। 

• ক্ষ্ণ = ক+ষ+ ন
যুক্তবর্ণটি দ্বারা গঠিত শব্দ- তীক্ষ্ণ। 

• ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ
যুক্তবর্ণটি দ্বারা গঠিত শব্দ- আকাঙ্ক্ষা। 

• ক্র = ত + র + উ।
যুক্তবর্ণটি দ্বারা গঠিত শব্দ- ত্রুটি, ত্রুটিত, ত্রুটিবিচ্যুতি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২৮.
'দুর্জন > দুরুজন' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অন্তর্হতি
  2. বিপ্রকর্ষ
  3. সমীভবন
  4. অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা
• মধ্যস্বরাগম/স্বরভক্তি/বিপ্রকর্ষ:
শব্দের মাঝখানে নতুন করে অথবা সংযুক্ত বর্ণের ঠিক মাঝখানে স্বরধ্বনি আসবে।

• অ ধ্বনির আগমন:
যত্ন > যতন, শক্তি > শকতি, লগ্ন লগন, রত্ন > রতন, নির্জন > নিরজন, ভক্তি > ভকতি, প্রাণ > পরান, বর্ষিল > বরষিল, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ। 

• ই ধ্বনির আগমন:
প্রীতি > পিরিতি, ক্লিপ> কিলিপ, ফ্লিম > ফিলিম, ত্রিশ > তিরিশ, স্নান > সিনান। 

• উ ধ্বনির আগমন:
ভ্রু > ভুরু, দুর্জন > দুরুজন, শুক্রবার > শুকুরবার, মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক। 

• এ ধ্বনির আগমন:
গ্রাস > গেরাস, গ্রাম > গেরাম, স্রেফ > ধেয়ান, প্রায় > পেরায়, ঘ্রাণ > সেরেফ, ধ্যান > ঘেরান, ব্ল‍্যাক > বেল্যাক। 

• ও ধ্বনির আগমন:
শ্লোক > শোলোক, কুর্ক > কোরোক। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
স্বভাবতই 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. ভণ্ড
  2. প্রণয়
  3. বাণিজ্য
  4. ঋণ
ব্যাখ্যা
ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম:
১. সাধারণভাবে তৎসম শব্দে ঋ, র, ষ-এর পর 'ণ' হয়। যেমন: বর্ণ, পূর্ণ, উষ্ণ, ঋণ, তৃণ, ঘৃণা, রণ, স্মরণ, বর্ণ, বর্ণনা ইত্যাদি।

২. প্র, পরি, পরা, নির- এই চার উপসর্গের পরে 'ণ' হয়। যেমন: প্রণয়, পরিণতি, পরাহ্ণ, নির্ণয় ইত্যাদি।

৩. উত্তর, পর, পার, চান্দ্র, নার, রাম এই ছয় শব্দের পরে 'আয়ন' যোগ হলে 'ণ' হয়। যেমন: উত্তর + আয়ন = উত্তরায়ণ, পর + আয়ন = পরায়ণ, রাম + আয়ন = রামায়ণ ইত্যাদি।

৪. ট-বর্গের ট, ঠ, ড, ঢ- এই চার বর্ণের সঙ্গে যুক্তবর্ণ হিসেবে 'ণ' হয়। যেমন: কণ্টক, ঘণ্টা, দণ্ড, ভণ্ড, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: অতৎসম হলে ন হবে। যেমন: গুন্ডা, ঝান্ডা, ঠান্ডা, ডান্ডি, লণ্ঠন।]

৫. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়। যেমন: লবণ, পণ্য, বাণিজ্য ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৩০.
নিত্য স্ত্রী-বাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. সজনী
  2. অরক্ষণীয়া
  3. রজকিনী
  4. কলঙ্কিনী
ব্যাখ্যা
• নিত্য স্ত্রী-বাচক শব্দ নয়- রজকিনী। 
- 'রজক' পরুষবাচক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ- রজকী, রজকিনী। 

• নিত্য স্ত্রী-বাচক কয়েকটি শব্দ হলো:
সতিন, ডাইনি, বাইজি, শাঁখচুন্নি, শাঁখিনী, সৎমা, এয়ো, দাই, অর্ধাঙ্গিনী, কুলাটা, কলঙ্কিনী, অন্তঃসত্ত্বা, সপত্নী, অসূর্যস্পশ্যা, অরক্ষণীয়া, সধবা, রূপসী, সজনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩১.
"কৃশানু" এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. সূর্য 
  2. রশ্মি 
  3. বৃক্ষ 
  4. অগ্নি
ব্যাখ্যা
• কৃশানু,
- বিশেষ্য পদ। 
- সংস্কৃত শব্দ। 

অর্থ:
- আগুন,
- অনল। 

• 'অগ্নি' এর সমার্থক শব্দ:
অনল, বহ্নি, হুতাশন, পাবক, বৈশ্বানর, আগুন, দহন, সর্বভুক, শিখা, হোমাগ্নি, কৃশানু, সর্বশুচি, বিভাবসু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১৩২.
'প্রতিকার করার ইচ্ছা' এক কথায় কী বলে?
  1. প্রতিকর্ষা
  2. অনুচিকীর্ষা
  3. অপচিকীর্ষা
  4. প্রতিচিকীর্ষা
ব্যাখ্যা
• 'প্রতিকার করার ইচ্ছা' এক কথায় বলে - প্রতিচিকীর্ষা। 

অন্যদিকে, 
• অনুকরণ করার ইচ্ছা - অনুচিকীর্ষা। 
• অপকার করার ইচ্ছা - অপচিকীর্ষা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩৩.
'আমড়াগাছি করা' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. নিজেরই ক্ষতি করা 
  2. অযথা প্রশংসা করা
  3. পরের অনুরোধে কষ্ট পাওয়া
  4. ছটফটে ভাব
ব্যাখ্যা
• 'আমড়াগাছি করা' বাগ্‌ধারার অর্থ - অযথা প্রশংসা করা।

অন্যদিকে, 
• 'আকাশে থুথু ফেলা' অর্থ - নিজেরই ক্ষতি করা। 
• 'অনুরোধে ঢেঁকি গেলা' অর্থ - পরের অনুরোধে কষ্ট পাওয়া। 
• 'আতারি কাতারি ' অর্থ - ছটফটে ভাব। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।