উত্তর
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী।
Unlisted · ২৬ এপ্রিল, ২০২০ · ১০০ প্রশ্ন
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কালঃ
কমা- ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
সেমিকোলন- ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ- এক সেকেন্ড।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
কোলন- এক সেকেন্ড।
ড্যাস- এক সেকেন্ড।
কোলন ড্যাস- এক সেকেন্ড।
হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।
একক উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন)- থামার প্রয়োজন নেই।
ধাতু দ্যোতক চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
প্রত্যেকটি ভাষার শব্দ ভান্ডারে ঐতিহ্যসূত্রে বা উত্তরাধিকারসূত্রে পরিবর্তিত বা অপরিবর্তিতভাবে কিছু প্রাচীন শব্দ থেকেই যায়।
এর সঙ্গে থাকে প্রাচীন বা চলমান সময়ের ধার করা শব্দ। পাশাপাশি ধর্মপ্রচার, রাজ্যজয়, সাংস্কৃতিক বা ব্যবহারিক সূত্রে বিভিন্ন ভাষার শব্দের আদান-প্রদানও চলতে থাকে।
উৎসগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
যথাঃ
১. সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ
২. প্রাকৃত বা তৎভব শব্দ
৩. বাংলা বা দেশি শব্দ ও
৪. বিদেশি বা বিভিন্ন ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খন্ড)।
মাধ্যমিক ব্যাকরণ বইয়ের নতুন সংস্করনেও (২০২১) ৪ শ্রেণীর কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এখানে "অর্ধ-তৎসম" শ্রেণিটিকে রাখা হয় নি।
অন্যদিকে,
মাধ্যমিক ব্যাকরণ পুরাতন সংস্করণ ও হায়াৎ মামুদের ভাষা শিক্ষা বই অনুসারে,
উৎসগত দিক থেকে শব্দ ৫ প্রকার।
যথা-
১. তৎসম শব্দ,
২. অর্ধতৎসম শব্দ,
৩. তদ্ভব শব্দ,
৪. দেশি শব্দ ও
৫. বিদেশি শব্দ।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমাদের সিদ্ধান্তঃ
১. যেহেতু ভাষা ও ব্যাকরণের জন্য বাংলা একাডেমীর তথ্য সবচেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য, তার উপর মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণের নতুন সংস্করনে একই ধরণের তথ্য দেওয়া আছে, তাই আমরা ৪ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হচ্ছে। এখন থেকে ৪ প্রকারকেই সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে।
২. যদি প্রশ্নের অপশনে ৪ প্রকার না থাকে, সেক্ষেত্রে ৫ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে।
সঠিক উত্তর দুইটা। তাই, বাতিল করা হল।
আম, খাস, লা, গর, বাজে, খয়ের ইত্যাদি হলো আরবি উপসর্গ।
কার, নিম, ফি, বদ, বে, কম, দর ইত্যাদি হলো ফারসি উপসর্গ।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।
অধিবর্ষ বের করার নিয়মঃ
শর্ত-১ঃ সালটি যদি ৪ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হয় এবং ১০০ দিয়ে না হয় তাহলে অধিবর্ষ। যেমন, ২০১৬, ২০২০ এবং ২০২৪ ।
অথবা, শর্ত-২ঃ সালটি যদি ৪, ১০০ এবং ৪০০ সবগুলো দিয়েই নিঃশেষে বিভাজ্য হয় তাহলে অধিবর্ষ। যেমন, ১৬০০, ২০০০ এবং ২৪০০।
শর্ত-২ মানতে না পারায় কিছু সাল অধিবর্ষ নয়। যেমন- ১৭০০, ১৮০০, ১৯০০, ২১০০, ২২০০, ২৩০০ ইত্যাদি।
আমরা ছোটবেলা থেকেই জানি, শুধু ৪ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হলেই কোন সাল অধিবর্ষ হয়। আসলে শুধু ৪ নয়, অধিবর্ষের সাথে ১০০ এবং ৪০০ সংখ্যাগুলোও জড়িত।
এখন আমরা এর “Behind the scene” জানবোঃ
আমরা সবাই জানি ৩৬৫ দিনে এক বছর ধরা হলেও, আরো ৫ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট ১২ সেকেন্ড অবশিষ্ট থেকে যায়। এই অতিরিক্ত সময় যোগ হয়ে হয়ে ৪ বছর পর পর ফেব্রুয়ারি মাসের সাথে এক দিন যোগ হয়ে ২৯ দিন হয়।
এই ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট ১২ সেকেন্ডকে যদি দশমিকে প্রকাশ করি তা হয় ৩৬৫.২৪২৫ দিন।
অর্থাৎ, ৩৬৫.২৪২৫ = ৩৬৫ + (১/৪) – (১/১০০) + (১/৪০০) ।
তাই দেখা গেছে যে, চার বছর পর পর লিপ-ইয়ার ধরলে প্রতি চারশ বছরে ৩ দিন (প্রায় ৭২ ঘন্টা) সময় বেশি ধরা হয়ে যায়। এই সমস্যার সমাধানের জন্য যেসব বছর ১০০ দ্বারা বিভাজ্য, কিন্তু ৪০০ দ্বারা নয় তাদের লিপ-ইয়ার বা অধিবর্ষের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়।
উৎসঃ নাসা, মাইক্রোসফট, ব্রিটানিকা ইত্যাদি।
উত্তরণ, বর্ণালী ও শুভ্র উন্নত জাতের ভুট্টার নাম।
সফল ও অগ্রণী উন্নত জাতের সরিষার নাম।
পদ্মা, মধুবালা উন্নত জাতের তরমুজের নাম।
যমুনা একটি উন্নত জাতের মরিচের নাম।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।