⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এই ধারার অধীনে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নয়) মতে এই ধারার অধীনে অগ্রসর হওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়—সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয়বস্তু বর্ণনা করে এবং তা ধারা ১৩৪-এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত থাকতে অথবা কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে না রাখতে নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করেন যে তাঁর নির্দেশে আইনের দ্বারা নিযুক্ত কোনো ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা জনশান্তির বিঘ্ন, কিংবা দাঙ্গা বা মারামারি প্রতিরোধের সম্ভাবনা আছে অথবা প্রতিরোধে সহায়তা করবে।
(২) জরুরি পরিস্থিতিতে অথবা যার ওপর আদেশ দেওয়া হচ্ছে, তার ওপর সময়মতো নোটিশ জারি করার সুযোগ না থাকলে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।
(৩) এই ধারার আদেশ কোনো ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোনো বিশেষ স্থানে ঘনঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতিও নির্দেশিত হতে পারবে।
(৪) যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ধারানুসারে তাঁর নিজের বা তাঁর অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা তাঁর পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
(৫) এরূপ কোনো আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্রই ব্যক্তিগতভাবে বা কৌঁসুলীর মাধ্যমে তাঁর নিকট হাজির হওয়ার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেবেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন, তাহলে তিনি তা করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন।
(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা থাকা অবস্থায় সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোনো আদেশ দুই মাসের বেশি বলবৎ থাকবে না।
(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।