১.
কোন বছর সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী এক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, যিনি মানবিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রের জন্য নিরলস কাজ করে গেছেন।
সংক্ষিপ্ত জীবনী:
জন্ম: ৮ সেপ্টেম্বর ১৮৯২, মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ।
শিক্ষা: বিলেত থেকে বার-এট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে দেশে ফিরে আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
মৃত্যু: ১৯৬৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
রাজনৈতিক জীবন:
• ১৯২১ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হন।
• হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তিতে (১৯২৩) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
• ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে সহায়তা করেন।
• ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিশেষ অবদান:
• পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিবেদিত প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
• রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ এবং মেধার গুণগত মান বজায় রাখতে আপোস করেননি।
• বাংলাদেশে তাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ নামে আখ্যায়িত করা হয় এবং তার দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের জন্য তিনি একনিষ্ঠ সাধক হিসেবে স্মরণীয়।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দেশপ্রেম, গণতন্ত্র এবং মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরকাল বিরাজমান থাকবেন।
উৎস:
- সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম ও পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সংক্ষিপ্ত জীবনী:
জন্ম: ৮ সেপ্টেম্বর ১৮৯২, মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ।
শিক্ষা: বিলেত থেকে বার-এট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে দেশে ফিরে আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
মৃত্যু: ১৯৬৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
রাজনৈতিক জীবন:
• ১৯২১ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হন।
• হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তিতে (১৯২৩) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
• ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে সহায়তা করেন।
• ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিশেষ অবদান:
• পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিবেদিত প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
• রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ এবং মেধার গুণগত মান বজায় রাখতে আপোস করেননি।
• বাংলাদেশে তাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ নামে আখ্যায়িত করা হয় এবং তার দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের জন্য তিনি একনিষ্ঠ সাধক হিসেবে স্মরণীয়।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দেশপ্রেম, গণতন্ত্র এবং মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরকাল বিরাজমান থাকবেন।
উৎস:
- সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম ও পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।