১.
প্রমিত বাংলা ভাষা বলতে বোঝায়-
ব্যাখ্যা
• প্রমিত রূপ: কোনো ভাষার সর্বজনীন স্বীকৃত রূপ হলো সেই ভাষার মান্য বা প্রমিত রূপ।
অন্যদিকে,
চলিত ভাষা: যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান থাকে এবং যে ভাষা সহজবোধ্য, সাবলীল, স্বচ্ছন্দ ও কৃত্রিমতাবর্জিত তাকে চলিত ভাষা বলে। চলিত ভাষা শিক্ষিত ভদ্রসমাজের মৌখিক ও লেখ্যভাষা। উদাহরণ: তারা কাজ করছে।
সাধুভাষা: যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকে এবং যা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী তাকে সাধুভাষা বলে। সাধুভাষা সর্বজনীন লেখ্য ভাষা। যেমন: তাহারা কাজ করিতেছে।
আঞ্চলিক ভাষা: বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ তাদের নিজেদের মধ্যে যে বাংলা ভাষায় কথা বলে, তাকেই আঞ্চলিক কথ্য রীতি বা আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা বলে।
সুতরাং প্রমিত ভাষা দিয়ে মূলত চলিত ভাষাকেই নির্দেশ করা হয়ে থাকে। তাই সঠিক উত্তর অপশন ক।
উৎস: প্রমিত বাংলা বানান, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম-দশম শ্রেণি।
অন্যদিকে,
চলিত ভাষা: যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান থাকে এবং যে ভাষা সহজবোধ্য, সাবলীল, স্বচ্ছন্দ ও কৃত্রিমতাবর্জিত তাকে চলিত ভাষা বলে। চলিত ভাষা শিক্ষিত ভদ্রসমাজের মৌখিক ও লেখ্যভাষা। উদাহরণ: তারা কাজ করছে।
সাধুভাষা: যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকে এবং যা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী তাকে সাধুভাষা বলে। সাধুভাষা সর্বজনীন লেখ্য ভাষা। যেমন: তাহারা কাজ করিতেছে।
আঞ্চলিক ভাষা: বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ তাদের নিজেদের মধ্যে যে বাংলা ভাষায় কথা বলে, তাকেই আঞ্চলিক কথ্য রীতি বা আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা বলে।
সুতরাং প্রমিত ভাষা দিয়ে মূলত চলিত ভাষাকেই নির্দেশ করা হয়ে থাকে। তাই সঠিক উত্তর অপশন ক।
উৎস: প্রমিত বাংলা বানান, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম-দশম শ্রেণি।