পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
Exam 12 Topic: Part II f. The Tughlags; Muhammad b. Tughlaq’s ambitious projects and their results; Firuz Shah Tughlaq’s reforms and army organization; Sayyids and Lodis; the forces of disintegration; the causes of the fall of Sultanate and the rise of the Mughals; Sher Shah Sur and his agrarian policy; Society, learning, culture, history-writing and administration under the Sultanate of Delhi. Source: Class – 09, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কোথায় সমাধিস্থ হন?
  1. দৌলতাবাদে
  2. মালিকপুরে
  3. দিল্লিতে
  4. আগ্রায়
ব্যাখ্যা

⇒মুহম্মদ বিন তুঘলক সিন্ধুর তাঘির বিদ্রোহ দমনরত অবস্থায় ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ থাট্টায় অকস্মাৎ মৃত্যুবরণ করেন।
-পরবর্তীতে তাকে দিল্লিতে দাফন করা হয়।

.
মুহাম্মদ বিন তুঘলোকের সাথে ফিরোজ শাহ তুঘলোকের সম্পর্ক কি ছিল?
  1. ছেলে
  2. ভাগিনা
  3. ভাতিজা 
  4. চাচাতো ভাই
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক ছিলেন সুলতান গিয়াস উদ্দিন তুঘলকের ভ্রাতুষ্পুত্র এবং মুহম্মদ বিন তুঘলকের চাচাতো ভাই।
-মুহম্মদ বিন তুঘলক সিন্ধুর তাঘির বিদ্রোহ দমনরত অবস্থায় ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ থাট্টায় অকস্মাৎ মৃত্যুবরণ করলে আমির ও অভিজাতবর্গের অনুরোধে ফিরোজ ‘ফিরোজ শাহ তুঘলক’ উপাধি ধারণ করে সিংহাসন আরোহণ করেন। 

.
তৈমুর লং কোন সুলতানের সময় ভারতে আক্রমণ করে?
  1. মুহম্মদ বিন তুঘলক 
  2. ফিরোজ শাহ তুঘলক
  3. নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. খিজির খান
ব্যাখ্যা

⇒১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দে তৈমুর লঙের ভারত অভিযান পরিচালনা করেন।
- এসময় দিল্লিতে তুঘলক বংশ শাসন করছিল।
-তুঘলক বংশের শেষ শাসক নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ এসময় ক্ষমতায় ছিল।
-তৈমুর লঙের আক্রমনের মধ্যদিয়ে তুঘলক বংশের পতন ঘটে।

.
ফিরোজ শাহ তুঘলক দাসপ্রথা চালু করেন কেন?
  1. কৃষির উন্নয়নের জন্য 
  2. সাম্রাজ্যের উন্নয়নের জন্য 
  3. নিজের আনুগত্য বৃদ্ধির জন্য
  4. প্রশাসনিক কাজে সহায়তা
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক দাসপ্রথা পুন:প্রবর্তন করেন।
-এ জন্যই তিনি ক্রীতদাসের রক্ষণাবেক্ষণ ও ভরণ-পোষণের জন্য ‘দিওয়ান-ই-বন্দেগান’ বিভাগ সৃষ্টি করেন।
- তার দাসপ্রথা পুন:প্রবর্তনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রশাসনিক কাজে সহায়তা গ্রহন করা।

.
খলজি বংশের সর্বশেষ শাসক কে ছিলেন?
  1. আলাউদ্দিন খলজি 
  2. শিহাব উদ্দিন ওমর খলজি
  3. নাসির উদ্দিন খসরু
  4. কুতুবউদ্দিন মুবারক শাহ খলজি
ব্যাখ্যা

⇒খলজি বংশের সর্বশেষ শাসক ছিলেন নাসির উদ্দিন খসরু যার আসল নাম খসরু খান।
-খসরু খানকে পরাজিত ও নিহত করে গাজি মালিক 'গিয়াসউদ্দিন তুঘলক' উপাধি ধারণ করে ১৩২০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে উপবেশন করেন।

.
উন্মাদ সুলতান বলা হয় কাকে?
  1. আলাউদ্দিন খিলজি 
  2. গিয়াসউদ্দিন তুঘলক
  3. মুহাম্মদ বিন তুঘলক 
  4. ফিরোজ শাহ তুঘলক
ব্যাখ্যা

⇒অপরিনামদর্শী ও উচ্চভিলাষী ৫ টি পরিকল্পনার জন্য ঐতিহাসিকগণ মুহাম্মদ বিন তুঘলককে উন্মাদ শাসক বলে অভিহিত করেন।
-তার পাঁচটি পরিকল্পনাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

.
বাহলুল লোদীর পিতার নাম কি? 
  1. সালিক কালা 
  2. মালিক বাহরাম 
  3. মালিক খান 
  4. মালিক গফুর 
ব্যাখ্যা

⇒সৈয়দ বংশের সবর্শেষ  সুলতান আলাউদ্দিন আলম শাহ এবং প্রধান মন্ত্রী হামিদ খানের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দেখা দিলে সুলতানের আমন্ত্রণে বাহলুল লোদী দিল্লি দখল করে নেন। 
-বাহলুল লোদী ১৪৫১-১৪৮৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন। 
-বাহলুল লোদীর পিতার নাম ছিল মালিক বাহরাম ।

.
‘জৌনপুর’ নামক শহরের গোড়াপত্তন করেন কে?  
  1. গিয়াস উদ্দিন তুঘলক 
  2. মুহম্মদ বিন তুঘলক  
  3. ফিরোজ শাহ তুঘলক
  4. নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ শাহ 
ব্যাখ্যা

⇒১৩৫১ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ থাট্টায় অকস্মাৎ মৃত্যুবরণ করলে আমির ও অভিজাতবর্গের অনুরোধে ফিরোজ ‘ফিরোজ শাহ তুঘলক’ উপাধি ধারণ করে সিংহাসন আরোহণ করেন। 
-তিনি  ম্রাজ্যের উন্নয়ন ও জন কল্যানের জন্য বেশ কিছু সংস্কার সাধন করেন।
-তিনি ‘জৌনপুর’ নামক শহরের গোড়াপত্তন করেন।

.
গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের আসল নাম কি?
  1. মালিক শাহ
  2. গাজি মালিক
  3. মুবারক শাহ
  4. মালিক কাফুর
ব্যাখ্যা

⇒ তুঘলক বংশ ১৩২০-১৪১৩ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
-খসরু খানকে পরাজিত ও নিহত করে গাজি মালিক 'গিয়াসউদ্দিন তুঘলক' উপাধি ধারণ করে ১৩২০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে উপবেশন করেন।
-তার প্রতিষ্ঠিত এই বংশ পরবর্তীতে প্রায় ১০০ বছর শাসন করে।

১০.
সৈয়দ বংশের সবর্শেষ  সুলতান কে ছিলেন?
  1. আলাউদ্দিন আলম শাহ
  2. খিজির খান
  3. মুবারক শাহ
  4. মুহাম্মদ শাহ 
ব্যাখ্যা

⇒খিজির খান ১৪১৪ খ্রিস্টাব্দে দৌলত খানকে পরাজিত করে ভারতীয় উপমহাদেশে সৈয়দ বংশ প্রতিষ্ঠা করে দিল্লির সিংহাসনে উপবেশন করেন।
-সৈয়দ বংশের সবর্শেষ  সুলতান আলাউদ্দিন আলম শাহ এবং প্রধান মন্ত্রী হামিদ খানের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দেখা দিলে সুলতানের আমন্ত্রণে বাহলুল লোদী দিল্লি দখল করে নেন। 

১১.
কোন শাসকের মৃত্যুর পর দিল্লি সুলতানতের দুর্বলতা প্রকট হয়?
  1. ফিরোজ শাহ তুঘলক 
  2.  মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  3. আলাউদ্দিন খলজি
  4. ইলতুৎমিশ
ব্যাখ্যা

⇒১৩৫১ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ থাট্টায় অকস্মাৎ মৃত্যুবরণ করলে আমির ও অভিজাতবর্গের অনুরোধে ফিরোজ ‘ফিরোজ শাহ তুঘলক’ উপাধি ধারণ করে সিংহাসন আরোহণ করেন। 
-তিনি  সাম্রাজ্যের উন্নয়ন ও জন কল্যানের জন্য বেশ কিছু সংস্কার সাধন করেন।
-তিনিই ছিলেন দিল্লি সালতানাতের সর্বশেষ ক্ষমতাধর শাসক।
-তার মৃত্যের পর দিল্লি সালতানাতের দুর্বলতা প্রকট হয়।

১২.
জিজিয়া কর সর্বপ্রথম কঠোরভাবে কে আরোপ করেছিলেন?
  1. ইলতুতমিশ
  2. আলাউদ্দিন খলজি
  3. ফিরোজ শাহ তুঘলক
  4. সিকান্দার লোদী
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক ২৩ প্রকার কর রহিত করেন।
- এই ২৩ প্রকার করের বদলে তিনি (১) খারাজ (২) যাকাত, (৩) জিজিয়া ও (৪) খুমস কর ধার্য করেন।
-এর পর তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাবে জিজিয়া কর আরোপ করেছিলেন।

১৩.
চীনা পর্যটক মাহুয়ান কার শাসনামলে আগমন করেন?
  1. সিকান্দার শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ
ব্যাখ্যা

- মা হুয়ান একজন চীনা পরিব্রাজক।
- তার বাংলায় আগমনের সময় বাংলার শাসক ছিলেন গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ।
- মা হুয়ান পনের শতকের প্রথমার্ধে বাংলায় আসেন।
- ফা হিয়েন বাংলায় আগমনের সময় বাংলার শাসক ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৪.
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তরের উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা
  2. দাক্ষিণাত্যে শাসন সুদৃঢ় করা
  3. মুঘল আক্রমণ প্রতিরোধ করা
  4. অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা
ব্যাখ্যা

⇒মুহাম্মদ বিন তুঘলক ১৩২৬-২৭ খ্রি. দিল্লি হতে ৭০০ মাইল দূরে অবস্থিত দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তর করেন। 
-তিনি দেবগিরির নতুন নামকরণ করেন দৌলতাবাদ। 
-তার রাজধানী স্থানান্তরের উদ্দেশ্য ছিল দাক্ষিণাত্যে শাসন সুদৃঢ় করা।
-যদিও তার এই পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছিল।

১৫.
ইবনে বতুতা ভারতবর্ষে আগমন করেন কত সালে?
  1.  ১৩৩১ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৩৩২ খ্রিস্টাব্দে 
  3. ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

⇒মরক্কোবাসী মুসলিম পরিব্রাজক ইবনে বতুতা সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষে আগমন করেন। -তার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী ‘রিহালা-ই-ইবনে বতুতা’ নামক গ্রন্থে ’সুলতানি আমলে বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থার কথা উল্লেখ করেছন।

১৬.
ফিরোজ শাহ তুঘলকের আত্মজীবনীস্বরূপ গ্রন্থ কোনটি?
  1. তুঘলকনামা
  2. তারিখ-ই-ফিরোজশাহী
  3. ফুতুহাত-ই-ফিরোজশাহী
  4. সিরাত-ই-ফিরোজ
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক জ্ঞানী-গুণী ও পন্ডিত ব্যক্তিদের উদার পৃষ্ঠপোষকতা ছিলেন।  
-সুলতানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ’‘ফুতুহাত-ই-ফিরোজ শাহী’ রচনায় লেখকের প্রতি তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

১৭.
গাজী মালিক (গিয়াসউদ্দিন তুঘলক) কোথাকার শাসক ছিলেন? 
  1. দীপনপুরের শাসক
  2. দৌলতাবাদের শাসক
  3. দ্বারসমুদ্রের শাসক
  4. দীপালপুরের শাসক
ব্যাখ্যা

⇒১৩১৬ খ্রিস্টাব্দের ২ জানুয়ারি মালিক কাফুর আলাউদ্দিনের শিশুপুত্র শিহাবউদ্দিন ওমরকে দিল্লির মসনদে বসিয়ে অভিভাবক নিযুক্ত হন। 
-তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে আলাউদ্দিন খলজির তৃতীয় পুত্র ‘কুতুবউদ্দিন মুবারক শাহ’ সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
-খসরু খান মুবারক শাহকে হত্যা করলে শাসন শুরু করলে তার দুঃশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে দিল্লির অভিজাত আমির উমারাহগণ পাঞ্জাবের অন্তর্গত দীপালপুরের শাসক গাজী মালিককে দিল্লির মসনদ দখলের জন্য আহ্বান করেন। 

১৮.
সালতানতের আমলে প্রধান ভাষা কী ছিল?
  1. ফারসি
  2. আরবি
  3. তুর্কি
  4. সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

⇒১২০৬ সালে কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লি সানতানাতের গোড়া পত্তন করেন।
- পরবর্তীতে ৫ টি আলাদা আলাদা রাজবংশ ১৫২৬ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
-দীর্ঘ ৩২০ বছরের সালতানাতের শাসনের সময় প্রধান ভাষা ছিল ফারসি।

১৯.
ইবনে বতুতা কোন দেশের পর্যটক ছিলেন?
  1. চীন দেশীয় পর্যটক
  2. মরক্কোর পযর্টক
  3. ইতালীর পর্যটক
  4. ইংল্যান্ডের পযর্টক
ব্যাখ্যা

⇒মুসলিম পরিব্রাজক ইবনে বতুতা সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষে আগমন করেন।
-তার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী ‘রিহালা-ই-ইবনে বতুতা’ নামক গ্রন্থে ’সুলতানি আমলে বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থার কথা উল্লেখ করেছন।
-তিনি মরক্কোর অধিবাসি ছিলেন।

২০.
সালতানাতের আমলে সংগীতে নতুন ধারা আনেন কে?
  1. আবুল ফজল
  2. ফিরিশতা
  3. মিনহাজ ই সিরাজ
  4. আমির খসরু
ব্যাখ্যা

⇒ আলাউদ্দিন খলজি আমির খসরু (তোতা পাখী), শেখসাদি, নিজাম উদ্দিন আউলিয়া, ও রুকুনুদ্দিনের মত মনিষিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- এ সময় থেকেই আমির খসরু সংগীতে নতুন ধারার সুত্রপাত ঘটান।
- তাকে ভারতের তোতা পাখী বলা হয়।

২১.
ফিরোজ শাহ তুঘলকের পিতার নাম কি ছিল?
  1. গিয়াস উদ্দিন তুঘলক
  2. মুহম্মদ বিন তুঘলক  
  3. রজব   
  4. জাফর খান 
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক ছিলেন সুলতান গিয়াস উদ্দিন তুঘলকের ভ্রাতুষ্পুত্র।
- তার পিতার নাম ছিল রজব।
- ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ থাট্টায় অকস্মাৎ মৃত্যুবরণ করলে আমির ও অভিজাতবর্গের অনুরোধে ফিরোজ ‘ফিরোজ শাহ তুঘলক’ উপাধি ধারণ করে সিংহাসন আরোহণ করেন। 

২২.
দিল্লি সুলতানতের শেষ রাজবংশ কোনটি?
  1. তুঘলক
  2. সৈয়দ
  3. লোদী
  4. খলজি
ব্যাখ্যা

১২০৬ সালে কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লি সানতানাতের গোড়া পত্তন করেন।
- পরবর্তীতে ৫ টি আলাদা আলাদা রাজবংশ ১৫২৬ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
১) মামলুক বংশ ১২০৬-১২৯০খ্রি.
২) খলজি বংশ ১২৯০-১৩২০ খ্রি.
৩) তুঘলক বংশ ১৩২০-১৪১৪ খ্রি.
৪) সৈয়দ বংশ ১৪১৪-১৪৫১ খ্রি.
৫) লোদী বংশ ১৪৫১-১৫২৬ খ্রি.

২৩.
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত বছর শাসন করেন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৬ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক পুত্র জুনা খানকে‘উলুঘ খান’উপাধি প্রদান করে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।
-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে জুনা খান মুহম্মদ বিন তঘুলক উপাধি ধারণ করে  সিংহাসনে আরোহন করেন।
 -তিনি ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ বছর দিল্লির ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।

২৪.
দিল্লি সালতানাতের সর্বমোট রাজবংশ ছিল কয়টি? 
  1. চারটি
  2. পাঁচটি 
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
ব্যাখ্যা

১২০৬ সালে কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লি সানতানাতের গোড়া পত্তন করেন।
- পরবর্তীতে ৫ টি আলাদা আলাদা রাজবংশ ১৫২৬ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
১) মামলুক বংশ ১২০৬-১২৯০খ্রি.
২) খলজি বংশ ১২৯০-১৩২০ খ্রি.
৩) তুঘলক বংশ ১৩২০-১৪১৪ খ্রি.
৪) সৈয়দ বংশ ১৪১৪-১৪৫১ খ্রি.
৫) লোদী বংশ ১৪৫১-১৫২৬ খ্রি.

২৫.
সুলতানী আমলের দীর্ঘ স্থায়ী শাসক বংশ কোনটি?
  1. মামলুক
  2. খলজি
  3. তুঘলক
  4. লোদী
ব্যাখ্যা

⇒ দিল্লি সানতানাতে ৫ টি আলাদা আলাদা রাজবংশ ১৫২৬ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
১) মামলুক বংশ ১২০৬-১২৯০খ্রি.
২) খলজি বংশ ১২৯০-১৩২০ খ্রি.
৩) তুঘলক বংশ ১৩২০-১৪১৪ খ্রি.
৪) সৈয়দ বংশ ১৪১৪-১৪৫১ খ্রি.
৫) লোদী বংশ ১৪৫১-১৫২৬ খ্রি.
- এই ৫ টি রাজবংশের মধ্যে সবচেয়ে বেশিদিন শাসন করেন তুঘলক বংশ।
-যারা ১৩২০-১৪১৪ খ্রি.পর্যন্ত মোট  ৯৫ বছর শাসন করেন।

২৬.
বাহলুল লোদীকে ‘খান-ই-খানান’ উপাধি প্রদান করেন কে?   
  1. খিজির খান  
  2. মোবারক শাহ  
  3. আলাউদ্দিন আলম শাহ
  4. মুহম্মদ শাহ
ব্যাখ্যা

⇒বাহলুল লোদী ১৪৫১ খ্রিস্টাব্দের ১৯ এপ্রিল সৈয়দ বংশের অবসান ঘটিয়ে লোদী বংশের গোড়াপত্তন করেন। 
-তিনি ১৪৫১-১৪৮৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন। 
-মুহম্মদ শাহ  তাকে 'খান-ই-খানান’ উপাধি প্রদান করেন।

২৭.
তৈমুর লঙ ভারত অভিযান করেন কত সালে?
  1. ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৩৯৭ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দে 
  4. ১৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে 
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের সর্বশেষ ক্ষমতাধর শাসক।
-তিনি ১৩৮৮ সালে ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
-তার মৃত্যের পর দিল্লি সালতানাতের দুর্বলতা প্রকট হয়।
-এই সুযোগে মোঙ্গল নেতা হালাকু খান ১৩৯৮ সালে ভারত অভিযান করে দিল্লি দখল করেন।

২৮.
তুঘলক বংশের সর্বশেষ শাসক কে ছিলেন?
  1. গিয়াসউদ্দিন তুঘলক
  2. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  3. ফিরোজ শাহ তুঘলক
  4. নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা

⇒১৩২০ খ্রিস্টাব্দে গাজি মালিক খসরু খানকে পরাজিত ও নিহত করে গিয়াসউদ্দিন তুঘলক উপাধি ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে উপবেশন করেন।
- এ বংশের সর্বশেষ শাসক কে ছিলেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ।

২৯.
সৈয়দ বংশে মোট কতজন শাসক শাসন করেন?
  1. ০৩ জন
  2. ০৪ জন
  3. ০৫ জন
  4. ০৬ জন
ব্যাখ্যা

⇒খিজির খান ১৪১৪ খ্রিস্টাব্দে দৌলত খানকে পরাজিত করে ভারতীয় উপমহাদেশে সৈয়দ বংশ প্রতিষ্ঠা করে দিল্লির সিংহাসনে উপবেশন করেন।
-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান খিজির খান নিজেকে হজরত মুহাম্মদ (স.) এর বংশধর বলে দাবি করতেন। তাই ইতিহাসে তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশ সৈয়দ বংশ নামে পরিচিত।   
-খিজির খান, মুবারক শাহ, মুহাম্মদ শাহ এবং আলাউদ্দিন আলম শাহ ছিলেন সৈয়দ বংশের চারজন সুলতান ছিলেন। 

৩০.
জিয়াউদ্দিন বারানী কোন সুলতানের আমলে ঐতিহাসিক ছিলেন?
  1. ইলতুতমিশ
  2. আলাউদ্দিন খলজি
  3. মুহাম্মদ-বিন-তুঘলক
  4. ফিরোজ শাহ তুঘলক
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক জালাল উদ্দিন রুমি,জিয়াউদ্দিন বারানী,শামস-ই- সিরাজী আফিফ সহ জ্ঞানী-গুণী ও পন্ডিত ব্যক্তিদের উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।  
-সুলতানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ’‘ফুতুহাত-ই-ফিরোজ শাহী’ রচনায় লেখকের প্রতি তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- তার শাসনামলে জিয়াউদ্দিন বারানী' তারিক-ই-ফিরোজশাহী' নামক ইতিহাসের গ্রন্থটি রচনা করেন।

৩১.
ফিরোজ শাহ তুঘলক কোন শহর প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. আগ্রা
  2. ফিরোজাপুর
  3. পানিপথ
  4. হালদিঘাটি
ব্যাখ্যা

⇒ সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক নির্মাতা হিসেবেও ইতিহাসে প্রসিদ্ধি অজর্ন করেন।
-বাংলা অভিযানের সময় তিনি এলাকার নামকরণ করেন  আজাদপুর এবং পান্ডুয়া বিজয় করে  নামকরণ করেন ফিরোজাবাদ। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি নতুন শহর স্থাপন করেন যেগুলোর মধ্যে ফতেহাবাদ, হিসার, জৌনপুর, ফিরোজপুর পভ্রৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

৩২.
জুনা খান কোন সুলতানের আসল নাম?
  1. আলাউদ্দিন খলজির
  2. ফিরোজ শাহ তুঘলকের
  3. গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের
  4. মুহম্মদ বিন তঘুলকের
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক পুত্র জুনা খানকে‘উলুঘ খান’উপাধি প্রদান করে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।
-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে জুনা খান মুহম্মদ বিন তঘুলক উপাধি ধারণ করে সুলতান হয়ে ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ বছর দিল্লির ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।

৩৩.
ফিরোজ শাহ তুঘলোক কত প্রকার কর রহিত করেন?
  1. ২২ প্রকার
  2. ১৭ প্রকার
  3. ২৩ প্রকার
  4. ২৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফিরোজ শাহ তুঘলোক ২৩ প্রকার কর রহিত করেন।
-তিনি (১) খারাজ (২) যাকাত, (৩) জিজিয়া ও (৪) খুমস সহ মোট ০৪ ধরনের কর ধার্য করেন।

৩৪.
দিল্লি সুলতানতের পতনের অভ্যন্তরীণ কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ কোনটি?
  1. দৌলতাবাদ অভিযান
  2. উশর আদায়
  3. উত্তরাধিকারের লড়াই
  4. সাম্রাজ্যের প্রতি উদাসীনতা 
ব্যাখ্যা

দিল্লি সালতানাতের পতনের  বেশ কিছু কারণ রয়েছে:
*সুলতানদের সেচ্ছাতন্ত্র
*সুষ্ঠ উত্তরাধিকার নীতির অভাব
*প্রাদেশিক শাসনকর্তাদের স্বাধীনতার চেষ্টা
*অভিজাত শেণ্রীর দৌরাত্ম 
প্রভৃতি।
দিল্লি সুলতানতের পতনের অভ্যন্তরীণ কারণের মধ্যে ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে উত্তরাধিকারের লড়াই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

৩৫.
সৈয়দ বংশের লোকজন কার বংশধর বলে দাবী করত?
  1. আলী (রা.) এর
  2. ফাতেমা (রা.) এর
  3. মুহাম্মদ (স.) এর
  4. আবু বকর (রা.) এর
ব্যাখ্যা

⇒সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান খিজির খান নিজেকে হজরত মুহাম্মদ (স.) এর বংশধর বলে দাবি করতেন।
-তাই ইতিহাসে তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশ সৈয়দ বংশ নামে পরিচিত।   

৩৬.
মুহাম্মদ-বিন-তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তর পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার প্রধান কারণ কি?
  1. সামন্ত বিদ্রোহ
  2. অর্থের অভাব
  3. দূরত্ব ও জলবায়ুর বৈপরীত্য 
  4. সামরিক আক্রমণ
ব্যাখ্যা

⇒কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে ক্রমাগত মোঙ্গল আক্রমণের আশঙ্কা, দাক্ষিণাত্যের ধন-দৌলত, মুসলিম সভ্যতা ও সংস্কৃৃতির প্রসার এবং সর্বোপরি সাম্রাজ্যের মধ্যস্থেল অবস্থানের কারণে ১৩২৬-২৭ খ্রি. সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লি হতে ৭০০ মাইল দূরে অবস্থিত দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তর করেন।
-প্রায় ৮ বছর দৌলতাবাদে অবস্থানের পর দূরত্ব ও জলবায়ুর বৈপরীত্যের কারণে সুলতান সবাইকে নিয়ে পুনরায় দিল্লিতে প্রত্যাবর্তন করেন।
-ফলে সুলতানের রাজধানী স্থানান্তর পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পযর্বসিত হয়। 

৩৭.
'মসনদ-ই-আলা' কোন সুলতানের উপাধি ?
  1. খিজির খান
  2. মোবারক শাহ
  3. মুহম্মদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন আলম
ব্যাখ্যা

 ⇒খিজির খান ১৪১৪ খ্রিস্টাব্দে দৌলত খানকে পরাজিত করে সৈয়দ বংশের গোড়াপত্তন করেন।
-কোন ধরণের রাজকীয় উপাধি গহ্রণ না করে শুধুমাত্র ‘মসনদ-ই-আলা’  বা 'রায়ত-ই-আলা 'উপাধি গ্রহন করে সিংহাসনে বসেন। 

৩৮.
লোদী বংশ জাতীতে কি ছিল?
  1. তুর্কি
  2. ইলবারী
  3. চাঘতাই
  4. আফগান
ব্যাখ্যা

⇒দিল্লি সালতানাতের সবর্শেষ রাজবংশ ছিল লোদী বংশ।
-এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বাহলুল খান লোদী। 
-তিনি সহ তার বংশ জাতীতে আফগান ছিল।

৩৯.
সিকান্দার লোদী কীসের জন্য বিখ্যাত?
  1. কৃষি সংস্কার
  2. আগ্রা শহর প্রতিষ্ঠা
  3. ইতিহাস রচনা
  4. খাল খনন
ব্যাখ্যা

⇒লোদী বংশের দ্বিতীয় সুলতান সিকান্দার লোদী ছিলেন। তাঁর বাল্যনাম ছিল নিজাম খান।
- আমির উমারাহদের প্রাথমিক বিরোধিতা সত্ত্বেও  নিজাম খান ‘সিকান্দার শাহ লোদী’ উপাধি ধারণ করে  ১৪৮৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ জুলাই দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।  
-১৫০৪ খিস্ট্রাব্দে তিনি ইতিহাস প্রসিদ্ধ আগ্রা নগরীর গোড়াপত্তন করে সেখানে রাজধানী স্থানান্তর করেন। 

৪০.
লোদী বংশের শেষ শাসক কে ছিলেন
  1. খিজির খান
  2. সিকান্দার লোদী 
  3. বাহলুল লোদী
  4. ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা

⇒লোদী বংশের সর্বশেষ শাসক ছিলেন ইব্রাহিম লোদী (১৫১৭-১৫২৬খ্রি.)।
-তিনি কাবুলের শাসক জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবরের নিকট পানি পথের ১ম যুদ্ধে(১৫২৬) পরাজিত হয়।
- যার ফলে দিল্লি সালতানাতের অবসান ঘটে এবং মুঘল বংশের শাসন শুরু হয়।

৪১.
গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের মৃত্যুর কারণ কী ছিল?
  1. ষড়যন্ত্র
  2. অসুস্থতা
  3. যুদ্ধ
  4. দুর্ঘটনা
ব্যাখ্যা

⇒১৩২০ খ্রিস্টাব্দের ৮ সেপ্টেম্বর নাসিরউদ্দিন খসরু শাহকে পরাজিত ও নিহত করেন।
-গাজী মালিক সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক উপাধি ধারণ করে ভারতীয় উপমহাদেশে তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠা 
করেন।
-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে দিল্লির ছয় মাইল অদূের আফগানপুর নামকস্থানে তোরণ ধ্বংসের কারণে সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক মৃত্যুবরণ করেন।

৪২.
ফিরোজ শাহ তুঘলক কর কাদের জন্য হ্রাস করেন?
  1. কৃষকের জন্য 
  2. সেনাবাহিনীর জন্য
  3. আমত্যদের জন্য
  4. দাসদের জন্য 
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক ২৩ প্রকার কর রহিত করেন।
-তিনি (১) খারাজ (২) যাকাত, (৩) জিজিয়া ও (৪) খুমস সহ ৪ ধরনের কর ধার্য করেন।
-তার কর হ্রাসের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে কৃষকের উন্নয়ন করা।

৪৩.
দিল্লি সুলতানতের কোন রাজবংশকে সবচেয়ে দুর্বল বলা হয়?
  1. খলজি
  2. সৈয়দ
  3. লোদী
  4. তুঘলক
ব্যাখ্যা

⇒দিল্লি সানতানাতে ৫ টি আলাদা আলাদা রাজবংশ ১৫২৬ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
১) মামলুক বংশ ১২০৬-১২৯০খ্রি.
২) খলজি বংশ ১২৯০-১৩২০ খ্রি.
৩) তুঘলক বংশ ১৩২০-১৪১৪ খ্রি.
৪) সৈয়দ বংশ ১৪১৪-১৪৫১ খ্রি.
৫) লোদী বংশ ১৪৫১-১৫২৬ খ্রি.
-এ ৫টি রাজবংশের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে শাসন করেন সৈয়দ বংশ ১৪১৪-১৪৫১ খ্রি.। 
- এ বংশকে দিল্লি সুলতানতের সবচেয়ে দুর্বল রাজবংশ বলা হয়।