পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
Exam - 2 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-2 Topic ➝ Section 154-265L • Information to the police and their powers to investigate • The jurisdiction of the criminal courts in inquiries and trials • Complaints to magistrates • The commencement of proceedings before magistrates • The charge • The trial of cases by magistrates • The trial of warrant-cases by magistrates • Summary trials • Trials before courts of session
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী, যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয় এবং অপরাধটির শাস্তি ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য না হয়, তবে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা কার?
  1. পুলিশের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. দায়রা আদালতের
  4. ক ও খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ম্যাজিস্ট্রেট।

ধারা ১৬৭- যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা যায় না:
(১) যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে রাখা হয় এবং দেখা যায় যে, ধারা ৬১-তে নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব নয়, তবে এবং যদি অভিযোগ বা তথ্যকে সত্য বলে মনে করার যৌক্তিক কারণ থাকে, তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার (যিনি সাব-ইন্সপেক্টরের নিচে নন) অবিলম্বে ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন এবং একই সঙ্গে অভিযুক্তকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করবেন।

(২) যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযুক্তকে হাজির করা হলো (তিনি মামলা বিচার করার এখতিয়ার রাখুন বা না-ই রাখুন) তিনি প্রয়োজনে অভিযুক্তকে পুলিশ বা বিচারিক হেফাজতে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন। যদি তিনি মামলা বিচার করার এখতিয়ার না রাখেন এবং মনে করেন অতিরিক্ত আটক দরকার নেই, তবে অভিযুক্তকে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন।

তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যদি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হন), তাঁরা পুলিশ হেফাজতের আদেশ দিতে পারবেন না।

কোনো অবস্থাতেই পুলিশ হেফাজত সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি দেওয়া যাবে না। ১৫ দিনের পর আটক দরকার হলে তা শুধু বিচারিক হেফাজতে হতে হবে।

বিচারিক হেফাজত বলতে বোঝানো হয়েছে—ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশে অভিযুক্তকে জেল বা অন্য কোনো পুলিশবহির্ভূত হেফাজতে রাখা।

(২ক) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেন, তবে তিনি অভিযুক্তকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার দ্বারা পরীক্ষা করার নির্দেশ দিতে পারেন। পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষ হলে অভিযুক্তকে অবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।

যদি শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বা অভিযুক্ত অভিযোগ করে যে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে, তবে আবারও সরকারি ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। যদি ডাক্তারি রিপোর্টে নির্যাতনের প্রমাণ মেলে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

(৩) পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটকে কারণ লিখে উল্লেখ করতে হবে।

(৪) যদি কোনো সাধারণ ম্যাজিস্ট্রেট (প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া) পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেন, তবে তাঁকে তাঁর আদেশের কপি ও কারণ প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠাতে হবে।

(৪ক) যদি প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিজে এই আদেশ দেন, তবে তাঁকে তাঁর আদেশের কপি ও কারণ প্রধান মহানগর দায়রা জজ বা দায়রা জজকে পাঠাতে হবে।

(৫) যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয়—
ক) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

খ) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হয়, তবে দায়রা আদালত জামিন দিতে পারে।

জামিন না দিলে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতকে এর লিখিত কারণ উল্লেখ করতে হবে। যদি মামলায় সরকারের অনুমোদন (Sanction) প্রয়োজন হয়, তবে অনুমোদন পেতে যে সময় লাগবে তা ১২০ দিনের মধ্যে গণনা করা হবে না।

৮) এই জামিন সংক্রান্ত বিধান (উপ-ধারা ৫) দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৪০০ ও ৪০১ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ২৫০: মিথ্যা, অমূলক বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা পুলিশ/ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দায়ের হয় এবং মামলায় অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট খালাস বা অব্যাহতি দেন, এবং তাঁর মত হয় যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল—
তাহলে, অভিযোগকারী (বা তথ্যদাতা) উপস্থিত থাকলে, ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সাথে সাথে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি অভিযুক্তকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না।
যদি অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকেন, তবে তাঁকে হাজির করার জন্য সমন জারি করা হবে।

(২) অভিযোগকারী যদি কারণ দর্শান, ম্যাজিস্ট্রেট তা বিবেচনা করবেন।
যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল, তবে তিনি লিখিত কারণ উল্লেখ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন।

ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা হতে পারবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে পারবেন।

(২ক) যদি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান না করা হয়, তবে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের সাধারণ কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।

(২খ) এ ধরনের কারাদণ্ড হলে দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা প্রয়োগ হবে।

(২গ) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া মানে এই নয় যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা অন্য কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন।
তবে, পরবর্তীতে একই বিষয়ে কোনো দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের সময়, এখানে প্রদত্ত টাকার পরিমাণ বিবেচনা করা হবে।

(৩) যদি দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কারও বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, অথবা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, তবে অভিযোগকারী সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

(৪) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা আসামিকে প্রদান করা যাবে না।
যেসব ক্ষেত্রে আপিল করার সুযোগ নেই, সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের টাকা এক মাস পর প্রদান করা যাবে।

(৫) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আরও আদেশ দিতে পারেন যে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করতে হবে।

.
ধারা ১৭৩খ অনুযায়ী, অভিযোগ পাওয়ার তারিখ থেকে _________ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অভিযোগ পাওয়ার তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

(২) যৌক্তিক কারণে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হলে—তদন্ত কর্মকর্তা কেস ডায়েরিতে দেরির কারণ লিখবেন, নির্দিষ্ট কারণ ও অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করবেন, এবং সেই আবেদনটির একটি কপি তদন্তের তদারককারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন বিবেচনা করে যৌক্তিক মনে করলে তদন্ত সম্পন্নের জন্য অতিরিক্ত সময় অনুমোদন করতে পারবেন।
তদন্ত কর্মকর্তাকে অবশ্যই সেই বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।

(৪) যদি বর্ধিত সময়েও তদন্ত শেষ না হয়, তবে তদন্ত কর্মকর্তা—দেরির কারণ লিখিতভাবে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন, এবং সেই কপিটি তাঁর উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছেও পাঠাবেন।

(৫) ম্যাজিস্ট্রেট ব্যাখ্যা বিবেচনা করার পর (বা ব্যাখ্যা না দিলে)—
(a) অন্য কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারবেন;
(b) বিলম্বকে তদন্ত কর্মকর্তার অযোগ্যতা বা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করতে পারবেন,
এবং তা কর্মকর্তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (ACR) নোট আকারে লিপিবদ্ধ করবেন,
এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলবেন।

(৬) তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের পর, আদালত যদি মনে করে যে কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত না করে সাক্ষী হিসেবে রাখা ন্যায়ের স্বার্থে উপযুক্ত, তবে আদালত আদেশ দিয়ে সেই ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে গণ্য করতে পারবেন।

(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা—
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।

.
অভিযোগের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায়, নির্ধারিত তারিখে অভিযোগকারী উপস্থিত না হলে কী হবে?
  1. অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হবে
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হবে
  3. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হবে
  4. অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৭: অভিযোগকারীর অনুপস্থিতি:
যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হয় এবং যে দিনে অভিযুক্তের হাজিরা দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বা তার পরবর্তী যে কোনো মুলতবি তারিখে অভিযোগকারী আদালতে উপস্থিত না হন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (acquit) দেবেন।

তবে, যদি কোনো কারণে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে শুনানিটি অন্য আরেকটি তারিখে মুলতবি করা উচিত, তিনি তা করতে পারবেন।

শর্ত (Proviso):
যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মচারী হন এবং তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতি মামলার জন্য আবশ্যক না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অনুপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন।

.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের সর্বোচ্চ কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 

Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.

.
আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ মৌখিকভাবে দেয়া হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী তা কার নির্দেশে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত যে কেউর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
- Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারার অধীনে কোন ধরনের মামলার নথি লিপিবদ্ধ করার বিধান রয়েছে?
  1. আপিলযোগ্য
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. জামিনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-২৬৩: আপিল অযোগ্য মামলার নথি-

আপিল অযোগ্য মামলার সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ (Record) ও চার্জ গঠনের প্রয়োজন নেই। তবে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হবে-
ক) ক্রমিক সংখ্যা, অপরাধ সংঘটনের তারিখ, এজাহার বা নালিশের তারিখ, ফরিয়াদীর (যদি থাকে) নাম: ও ঠিকানা, নালিশী অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে);
খ) আসামীর নাম, পিতার নাম, ঠিকানা;
গ) আসামীর বক্তব্য এবং তার জবানবন্দি (যদি থাকে), অভিমত এবং দন্ডের ক্ষেত্রে তার কারণ সমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
ঘ) শান্তি অথবা অন্য চূড়ান্ত আদেশ এবং কার্যক্রম শেষ হওয়ার তারিখ।

.
চুরিকৃত সম্পদের মূল্য সর্বোচ্চ________ টাকা হলে, উক্ত মামলা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করা যাবে।
  1.  ১০ হাজার
  2. ৫০ হাজার
  3. ১ লাখ
  4. ৫ লাখ
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৬০: সংক্ষিপ্ত শুনানিতে বিচার করার ক্ষমতা:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন বেঞ্চ কিছু অপরাধ সংক্ষিপ্ত (summary) শুনানিতে বিচার করতে পারবেন।
 
সংক্ষিপ্ত শুনানিতে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহ:
- মৃত্যুদণ্ড, জেল বা দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড নয় এমন অপরাধ।
- ওজন ও মাপ সম্পর্কিত অপরাধ (দণ্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারা)।
- আঘাত প্রদান (ধারা ৩২৩)।
- চুরি (ধারা ৩৭৯, ৩৮০, ৩৮১) যেখানে সম্পদের মূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি নয়।
- অবৈধ দখল/দুর্ব্যবহার (ধারা ৪০৩) যেখানে সম্পদের মূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি নয়।
- চুরি করা সম্পদ গ্রহণ বা রাখা (ধারা ৪১১), মূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি নয়।
- চুরি করা সম্পদ লুকানো বা নষ্ট/বিক্রি করতে সহায়তা (ধারা ৪১৪), মূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি নয়।
- দূষণ বা ক্ষতি/বিরূপ কার্য (ধারা ৪২৬, ৪২৭)।
- অবৈধ প্রবেশ এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ (ধারা ৪৪৭, ৪৪৮, ৪৫১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬, ৪৫৭)।
- শান্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে গালাগালি বা উসকানি, এবং ভয়ভীতি সৃষ্টির অপরাধ (ধারা ৫০৪, ৫০৬, ৫০৯, ৫১০)।
- নির্বাচনে ঘুষ গ্রহণ বা ব্যক্তি প্রতিস্থাপন (personation) (ধারা ১৭১E, ১৭১F)।

- উপরের কোনো অপরাধের উসকানি বা সহায়তা।
- উপরের কোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যদি তা অপরাধ হয়।
- গবাদি পশু অনধিকার প্রবেশ (Cattle-trespass Act, 1871 ধারা ২০)।

শর্ত: যেসব ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ৩৩ক অনুযায়ী বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেই মামলাগুলি সংক্ষিপ্ত শুনানিতে বিচারযোগ্য নয়।

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারায় কে প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারে? 
  1. পুলিশ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ফরিয়াদী
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৮ – অভিযোগ প্রত্যাহার (Withdrawal of Complaint):
যদি কোনো ফরিয়াদী যে কোনো সময় মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটকে সন্তুষ্ট করে যে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে অভিযোগ প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন, এবং সেই অনুযায়ী অভিযুক্তকে খালাস (Acquit) দিতে হবে।

[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.]

১০.
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটরের ভূমিকা কী?
  1. অভিযুক্তের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
  2. বিচারকের সহায়ক হিসেবে কাজ করা
  3. অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
  4. পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া সহজ করা
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ক অনুসারে,
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

265A- Trial to be conducted by Public Prosecutor:
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

১১.
ধারা ২৬৪ক অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচার (summary trial)-এ কোনটি এক সেশনে করা যেতে পারে?
  1. চার্জ গঠন
  2. সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
  3. রায় ঘোষণা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ধারা ২৬৪ক – সংক্ষিপ্ত বিচার: বিশেষ প্রক্রিয়া (Special Procedure for Summary Trials)
সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত মামলায়, আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে এবং যদি তা সম্ভব হয়, তখন নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে:
- অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ প্রবর্তন (Framing of charges);
- সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ (Recording of evidence);
- অভিযুক্তের পরীক্ষা (Examination of the accused);
- রায় ঘোষণা (Pronouncement of judgment).

১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে হবে কোন ধারার নিয়মে?
  1. ধারা ৩৬১
  2. ধারা ৩৬২
  3. ধারা ৩৬৪
  4. ধারা ৩৭২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৪
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ১৬৪ - জবানবন্দী ও স্বীকারোক্তি গ্রহণের ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যিনি পুলিশ কর্মকর্তা নন) – তিনি তদন্ত চলাকালীন বা তদন্ত শেষ হওয়ার পরে কিন্তু বিচার শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন।

(২) জবানবন্দী গ্রহণ করার সময়, সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য যেসব পদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তার মধ্য থেকে যে পদ্ধতিটি মামলার প্রেক্ষিতে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে, সে অনুযায়ী জবানবন্দী রেকর্ড করা হবে। স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে হবে এবং অভিযুক্তকে স্বাক্ষর করতে হবে ধারা ৩৬৪-এ যে নিয়ম বলা আছে তার ভিত্তিতে। এরপর সেই জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি তদন্ত বা বিচার করবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

(৩) কোনো স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আগে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবশ্যই ব্যক্তিটিকে বুঝিয়ে বলতে হবে—
- সে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নয়,
- যদি সে স্বীকারোক্তি দেয়, তবে সেটি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
- এবং, ম্যাজিস্ট্রেট কেবল তখনই স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন, যখন তিনি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নিশ্চিত হবেন যে স্বীকারোক্তিটি স্বেচ্ছায় (জোরপূর্বক নয়) প্রদান করা হয়েছে।
- যখন স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হবে, তখন ম্যাজিস্ট্রেটকে নথির নিচে একটি লিখিত স্মারক রাখতে হবে যে স্বীকারোক্তিটি তার বিশ্বাস অনুযায়ী স্বেচ্ছায় করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
যে ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবেন, তার মামলাটির উপর বিচারিক এখতিয়ার (jurisdiction) থাকা আবশ্যক নয়।

১৩.
সুরতহাল তদন্তের আগে পুলিশ কাকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করবে?
  1. জেলা জজ
  2. নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৪ – আত্মহত্যা ইত্যাদি সংক্রান্ত পুলিশী তদন্ত ও রিপোর্ট:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, যখন খবর পান যে কোন ব্যক্তি—
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অন্য কেউ, কোনো প্রাণী, যন্ত্র বা দুর্ঘটনার কারণে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কেউ অপরাধ করেছে—

তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবিলম্বে তথ্য জানাতে হবে, যিনি সুরতহাল (inquest) পরিচালনার ক্ষমতা রাখেন।

সরকারের বিধি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ না থাকলে পুলিশ কর্মকর্তাকে:
- মৃত ব্যক্তির দেহের স্থানে যেতে হবে,
- স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করতে হবে,
- দেহে থাকা জখম, অস্থিভঙ্গ, থেতলে যাওয়া বা অন্যান্য চিহ্নের বর্ণনা দিতে হবে,

এই চিহ্নগুলি কোন উপায়, অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে তা উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে রিপোর্ট প্রণয়ন করতে হবে। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report)।

১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ক ধারা অনুযায়ী, 'shown arrest' অনুমোদনের জন্য কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে
  2. অভিযুক্তকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে
  3. ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করতে হবে
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬৭ক : shown arrest ও আটক সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব:
(১) কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি চান যে, কোনো ব্যক্তি যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় আটক আছেন, তাঁকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হোক, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এমন প্রার্থনা অনুমোদন করবেন না, যদি না—
- ওই আটক ব্যক্তিকে তাঁর সামনে হাজির করা হয়,
- ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করা হয়,
- অভিযুক্তকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনে যৌক্তিক ভিত্তি পাওয়া যায়।

(২) যদি পুলিশ রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেপ্তার শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইনের অধীনে কাউকে আটক রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কাউকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর অনুমতি দেবেন না।

(৩) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো কর্মকর্তা, যিনি আইনগত ক্ষমতার বলে কাউকে আটক রাখার অধিকারী, তিনি বেআইনিভাবে কাজ করেছেন, তবে তিনি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

১৫.
লিখিত নালিশ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নালিশ বাতিল করবেন
  2. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
  3. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  4. নালিশ গ্রহণ করবেন এবং তদন্ত শুরু করবেন
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১[Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case]- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

(Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case)-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.

১৬.
'A' একজন ব্যক্তিকে 'X' আদালতের এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে আহত করে এবং উক্ত ব্যক্তি 'Z' এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে মারা যান। এক্ষেত্রে A-এর মামলাটি কোন আদালতে বিচার করা যাবে?
  1. শুধু X  আদালতে
  2. শুধু Z আদালতে
  3. যে আদালতে A চায়
  4. X বা Z যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
X বা Z যেকোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X বা Z যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৯ – অপরাধের স্থানে বা ফলাফলের স্থানে বিচারযোগ্যতা:
যদি কেউ কোনো অপরাধ সংঘটিত করার কারণে অভিযুক্ত হয়, এবং সেই অপরাধের ফলে কোনো পরিণতি (consequence) ঘটে, তাহলে সেই অপরাধ যে কোনো আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে বা যে আদালতের সীমার মধ্যে তার ফলাফল ঘটেছে, সেই আদালতে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'A' একজন ব্যক্তিকে 'X' আদালতের এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে আহত করে এবং উক্ত ব্যক্তি 'Z' এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে মারা যান। এক্ষেত্রে A-এর মামলাটি X বা Z আদালতে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

১৭.
আমলঅযোগ্য মামলার সংবাদ প্রদানকারীকে কী নির্দেশ দেয়া হয়?
  1. সাক্ষ্য দেয়ার
  2. আদালতের অনুমতি নিয়ে আসার
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
  4. কোনো নির্দেশ দেওয়া হয় না
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

১৮.
ধারা ১৭২(২) অনুযায়ী, পুলিশ ডায়েরী কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি প্রমাণ হিসেবে
  2. অভিযুক্তকে সাজা দিতে
  3. বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
  4. অভিযোগকারীর মামলা প্রতিষ্ঠিত করতে
সঠিক উত্তর:
বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
ব্যাখ্যা

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
(১) প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তা, যে কোনো তদন্ত পরিচালনা করছেন, প্রতিদিন তার তদন্তের অগ্রগতি একটি ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:
- কখন তথ্য বা খবর পৌঁছেছে;
- কখন তিনি তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন;
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন;
- তদন্তের মাধ্যমে কোন কোন ঘটনা বা পরিস্থিতি তিনি শনাক্ত করেছেন তার বিবরণ;

(২) যে কোনো ফৌজদারী আদালত তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার জন্য পুলিশ ডায়েরী চাইতে পারে। ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে নয়, শুধুমাত্র মামলার তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখতে পারবে না, শুধুমাত্র আদালতের উল্লেখের কারণে নয়।
তবে, যদি পুলিশ কর্মকর্তা নিজে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ডায়েরী ব্যবহার করেন, বা আদালত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যকে বিপরীত করতে ডায়েরী ব্যবহার করেন, তাহলে Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৬১ বা ১৪৫ প্রযোজ্য হবে।

১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুযায়ী অভিযোগে অপরাধ বর্ণনার জন্য ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কীভাবে গ্রহণ করা হবে?
  1. প্রচলিত অর্থে
  2. অভিধানগত অর্থে
  3. আদালতের ইচ্ছা অনুযায়ী
  4. যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.

২০.
ধারা ১৯৬ অনুযায়ী, কোন ধরনের অপরাধের জন্য সরকার বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী অভিযোগ আমলে নেওয়া যায়?
  1. দ্বিগামিতা
  2. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  3. ব্যভিচার
  4. হত্যা মামলা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রদ্রোহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রদ্রোহিতা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।

২১.
যদি 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা, কিন্তু পরে দেখা যায় সে চোরাইমাল গ্রহণ করেছে, তাহলে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী 'ক' কে-
  1. শুধু চুরির অভিযোগে দণ্ডিত করা হবে
  2. উভয় অপরাধের দণ্ড দেওয়া হবে
  3. চোরাইমাল গ্রহণের অভিযোগে চার্জ ছাড়া দণ্ডিত করা যাবে
  4. কোনো দণ্ড দেওয়া যাবে না
সঠিক উত্তর:
চোরাইমাল গ্রহণের অভিযোগে চার্জ ছাড়া দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরাইমাল গ্রহণের অভিযোগে চার্জ ছাড়া দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে। ধারা ২৩৭ এ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য- প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো, তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।

Section 237: When a person is charged with one offence, he can be convicted of another-
If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it.

Illustration-
A is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of criminal breach of trust or of receiving stolen goods (as the case may be) though he was not charged with such offence.

২২.
কোন পর্যায়ে তদন্তকারী ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধু তদন্তকালীন সময়
  2. কেবল চার্জ গঠনের সময়
  3. কেবল রায় ঘোষণার সময়
  4. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 

(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
২৩.
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে, অনুসন্ধান বা বিচারের স্থান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে?
  1. ধারা ১৮০
  2. ধারা ১৮১
  3. ধারা ১৮২
  4. ধারা ১৮৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮২ – অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত বা একাধিক স্থানে হওয়া / অপরাধ চলমান বা বিভিন্ন কাজ নিয়ে গঠিত হলে বিচারস্থল:

যখন নির্দিষ্ট নয় যে কোন স্থানীয় এলাকায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যখন কোনো অপরাধ আংশিকভাবে এক স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যখন কোনো অপরাধ চলমান এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় ক্রমাগত সংঘটিত হচ্ছে, অথবা যখন অপরাধটি বিভিন্ন স্থানীয় এলাকায় করা কতিপয় কাজের সমষ্টি নিয়ে গঠিত, তাহলে সেই ধরনের অপরাধ যে কোনো একটিতে এখতিয়ার থাকা আদালতে অনুসন্ধান বা বিচার করা যেতে পারে।

Section 182: Place of inquiry or trial where scene of offence is uncertain or not in one district only or where offence is continuing or consists of several acts-
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or where it consists of several acts done in different local areas, it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.

২৪.
ধারা ২৪০ অনুযায়ী, অবশিষ্ট অভিযোগ কে প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. আসামি
  2. রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
  3. অভিযোগকারী
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪০ — একাধিক অভিযোগের মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে দণ্ডিত হলে অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার:
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ একত্রে আনা হয় এবং সেই অভিযোগগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত (Conviction) করা হয়, তখন—
- অভিযোগকারী (Complainant) অথবা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (Prosecutor) আদালতের সম্মতিতে অবশিষ্ট অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারবেন, অথবা
- আদালত নিজ উদ্যোগে ঐ অবশিষ্ট অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার স্থগিত রাখতে পারে।

ফলাফল:
ঐ অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার করলে সেটি সংশ্লিষ্ট অভিযোগে খালাস (Acquittal) বলে গণ্য হবে। তবে, যদি পূর্বের দণ্ডাদেশ (Conviction) বাতিল হয়, তাহলে আদালত (দণ্ডাদেশ বাতিলকারী উচ্চ আদালতের নির্দেশ সাপেক্ষে) পূর্বে প্রত্যাহার করা অভিযোগ বা অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার পুনরায় চালিয়ে যেতে পারবে।

২৫.
ধারা ১৯১ অনুযায়ী, মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে কে?
  1. পুলিশ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অভিযুক্ত
  4. অভিযোগকারী
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা

ধারা ১৯১ – অভিযুক্তের আবেদন অনুযায়ী মামলা স্থানান্তর:
যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আগের ধারা (১) এর উপধারা (ক) অনুযায়ী কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করেন, তখন সাক্ষ্য গ্রহণের আগে অভিযুক্তকে জানানো হবে যে, সে চাইলে মামলাটি অন্য আদালতে বিচার করাতে পারবে। যদি অভিযুক্ত (অথবা একাধিক অভিযুক্ত থাকলে তাদের কেউ) এই ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচার করানোতে আপত্তি জানায়, তবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা না চলিয়ে মামলাটি সেশন আদালতে পাঠানো বা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তখন আদালত কী করবে?
  1. অভিযুক্তকে শাস্তি দেবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেবে
  4. চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
- দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

২৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান অনুযায়ী, কাকে আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. ক বা খ কে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

- ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

- অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।