পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৫৮
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৮ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি শুদ্ধ? 
  1. সৌজন্যতা 
  2. রক্তিমতা 
  3. সৌজন্য  
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

শুদ্ধরূপ- সৌজন্য। 

প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ:
- বাংলা ভাষায় কিছু প্রত্যয় (যেমন: ই, তা, ত্ব) মূলত বিশেষণকে বিশেষ্যে রূপান্তরিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু যদি এগুলো ইতিমধ্যেই বিশেষ্য হিসেবে থাকা শব্দের সঙ্গে যুক্ত করা হয়, তবে তা অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ হয়।
- নিয়ম:
- বিশেষণ + 'তা' → সঠিক, যেমন: 'গভীর' + 'তা' → গভীরতা;
- এখানে গভীর বিশেষণকে তা প্রত্যয়যোগে বিশেষ্যে রুপান্তর করা হয়েছে। 
- বিশেষ্য + 'তা' → অশুদ্ধ, যেমন: 'রক্তিমতা'- এখানে 'তা' প্রত্যয়টি অতিরিক্ত।
- শুদ্ধ হবে 'রক্তিমা', কারণ 'রক্তিমা' নিজেই বিশেষ্য।

- “সৌজন্যতা” শব্দে ‘তা’ সংযোজন করা হয়েছে। 
- বাংলায় ‘তা’ বা ‘ই’ প্রত্যয় মূলত বিশেষণকে বিশেষ্যে রূপান্তরিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু "সৌজন্য" ইতিমধ্যেই বিশেষ্য। 
- তাই "সৌজন্যতা" শব্দটি ব্যাকরণগত ভুল।
-' সুজন’ থেকে ‘য’ প্রত্যয় যোগে গঠিত সৌজন্য শব্দের সাথে অতিরিক্ত ‘তা’ যোগ করা ব্যাকরণগতভাবে অপ্রয়োজনীয় এবং অশুদ্ধ।
- তাই সৌজন্যতার শুদ্ধরূপ হচ্ছে- সৌজন্য। 

অন্যদিকে, 
- "সৌজন্যপূর্ণ" শব্দটি বিশেষণ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি – ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

.
‘ঊনপঞ্চাশ বায়ু’ বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি? 
  1. মন্থর 
  2. তাণ্ডব
  3. পাগলামি
  4. ঝড় 
ব্যাখ্যা

• “ঊনপঞ্চাশ বায়ু” একটি প্রচলিত বাংলা বাগ্‌ধারা।
- এটি মানুষের অতি অদ্ভুত বা অযৌক্তিক আচরণ অর্থাৎ পাগলামি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি কখনো হাস্যকর বা ব্যঙ্গাত্মক অর্থেও ব্যবহার করা হয়। 

→ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
- কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার),
- খুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন),
- গাঁ ঢেকে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা),
- ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা),
- চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা),
- ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু),
- জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সংকট),
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা),
- টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি),
- ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য),
- ডাকের সুন্দরী (খুব সুন্দরী),
- ঢিমে তেতালা (মন্থর),
- তালকানা (বেতাল হওয়া),
- থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা),
- দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা),
- ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাধার),
- ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ),
- পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা),
- ফুলবাবু (বিলাসী),
- বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন),
- ভিজে বিড়াল (কপটাচারী),
- মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ),
- যক্ষের ধন (কৃপণের ধন),
- রাহুর দশা (দুঃসময়),
- ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য),
- শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান),
- সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়),
- হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

.
“Clemency” এর বাংলা পরিভাষা কোনটি? 
  1. কঠোর শাস্তি 
  2. অনুকম্পা
  3. ন্যায়বিচার 
  4. কম্পন 
ব্যাখ্যা

“Clemency” মানে হলো কাউকে শাস্তি থেকে মুক্তি দেওয়া বা দয়া দেখানো।
- “Clemency” এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে- অনুকম্পা বা ক্ষমাশীলতা।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা-
- Notification : প্রজ্ঞাপন;
- Clemency : অনুকম্পা;
- Null and Void : বাতিল;
- Custom : প্রথা;
- Excise Duty : আবগারি শুল্ক;
- Obligatory - বাধ্যতামূলক;
- Quarterly : ত্রৈমাসিক;
- Anatomy : শরীরবিদ্যা;
- Gratuity : আনুতোষিক;
- Polycentric : বহুকেন্দ্রিক;
- Referendum : গণভোট;
- Forgery : জালিয়াতি;
- Lease : ইজারা;
- Phonology - ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান;
- Aboriginal - আদিবাসী;
- Civil Society - সুশীল সমাজ;
- Postage - ডাকমাশুল;
- Cease fire - অস্ত্র - সংবরণ;
- Treasurer - কোষাধ্যক্ষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
“ত্বরার সঙ্গে বর্তমান”-এর এক কথায় প্রকাশিত রূপ কোনটি? 
  1. পন্নগ 
  2. সত্বর
  3. তুরগ 
  4. তাদৃশ 
ব্যাখ্যা

“ত্বরা” মানে দ্রুততা এবং “বর্তমান” মানে এই মুহূর্তে।
- একত্র করলে এটি সত্বর অর্থাৎ তৎক্ষণাৎ বা অবিলম্বে বোঝায়।
-------------------
অন্যদিকে,
- পায়ে হেঁটে যে গমন করে না = পন্নগ।
- ত্বরায় গমন করে যে = তুরগ,
- তোমার মত = ত্বাদৃশ,

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কোথায় প্রকাশ:
জানা উচিত = জ্ঞেয়
ত্বরার সঙ্গে বর্তমান = সত্বর,
তরল অথচ গাঢ় = সান্দ্র,
তোপের ধ্বনি = গুড়ুম,
তস্করের কাজ  =তাস্কর্য,
তার মত = তাদৃশ,
তনুর ভাব = তনিমা,
থেমে থেমে চলার যে ভঙ্গি = ঠমক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
‘প্রনাম’ শব্দটি কী কারণে অশুদ্ধ?
  1. বাহুল্যজনিত
  2. প্রত্যয়জনিত
  3. ণত্ব বিধি লঙ্ঘন
  4. সন্ধিজনিত 
ব্যাখ্যা

ণত্ব বিধি লঙ্ঘন করেছে বিধায় ‘প্রনাম’ শব্দটি অশুদ্ধ।

• ণত্ব বিধান:
- ণত্ব বিধান বাংলা ভাষায় মূর্ধন্য ‘ণ’-এর সঠিক প্রয়োগের নিয়মাবলি নির্দেশ করে।
- ণত্ব বিধান বাংলা ব্যাকরণের সেই নিয়ম যা নির্দেশ করে যে কখন তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দে দন্ত্য ‘ন’ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে।
- মূলত এটি তৎসম শব্দের জন্য প্রযোজ্য, কারণ দেশি বা তদ্ভব শব্দে ‘ণ’ ব্যবহার হয় না।
- নিয়ম অনুযায়ী, যদি ঋ, র, ষ বর্ণের পরে দন্ত্য ‘ন’ থাকে, তবে তা ‘ণ’ হয়, যেমন: ঋণ, বর্ণ, ঘৃণা। 
- এছাড়া, ঋ, র, ষ এর পরে যদি স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ বা অনুস্বার থাকে, তবুও ‘ণ’ হয়, যেমন: কৃপণ, নির্বাণ, গ্রহণ।

- প্র, পরা, পরি, নি এই চারটি উপসর্গের পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য “ণ” হবে।
- যেমন: প্রণাম, প্রমাণ, পরায়ণ, পরিণতি ইত্যাদি।
- ‘প্রনাম’ শব্দে ‘প্র + নাম’ সংযুক্ত হয়েছে।
- এখানে দন্ত্য ‘ন’ থাকা সত্ত্বেও ‘ণ’ ব্যবহার করা হয়নি।
- তাই ‘প্রনাম’ অশুদ্ধ;
- ‘প্রনাম’ এর শুদ্ধ রূপ হলো- প্রণাম।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি – ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

.
ক্ষীয়মান শব্দের বিপরীত অর্থ কোনটি?
  1. স্থির
  2. বর্ধমান
  3. অনিয়মিত
  4. হ্রাসমান
ব্যাখ্যা

বিপরীত শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ:
- যে শব্দের বা একটি শব্দের সম্পূর্ন বিপরীত অর্থ প্রকাশ পেলে তাকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে।
- ক্ষীয়মান মানে হ্রাস পাচ্ছে বা কমতে থাকা।
- তাই এর বিপরীত অর্থ হচ্ছে বর্ধমান, অর্থাৎ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- ক্ষীয়মান=বর্ধমান।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
- কৃত্রিম=অকৃত্রিম, স্বাভাবিক;
- আকস্মিক=চিরন্তন;
- চঞ্চল=স্থির, অবিচল, নিশ্চল;
- অলস=পরিশ্রমী;
- অসীম=সসীম;
- মায়া=নির্মমতা;
- অনুরাগ=বিরাগ;
- বিষাদ=আনন্দ, হর্ষ;
- ভূত=ভবিষ্যত;
- প্রাচীন=নবীন, নব্য, অর্বাচীন;
- বিনীত=উদ্ধত, দুর্বিনীত;
- ধ্বনি=প্রতিধ্বনি;
- অনুগ্রহ=নিগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কোন যতিচিহ্নটি বাক্যের মধ্যে ভাব বা তথ্য আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. উদ্ধৃতিচিহ্ন
  2. দাঁড়ি
  3. বিস্ময়চিহ্ন
  4. কমা
ব্যাখ্যা

কমা হচ্ছে অভ্যন্তরযতি।
- কমা বাক্যের মধ্যে তথ্য বা ভাব আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়।

• যতিচিহ্ন:
- যতিচিহ্ন হলো লেখায় বিভিন্ন অর্থ বা ছন্দ, ভাব ও প্রয়োগ নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত বিশেষ চিহ্ন।
- বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুযায়ী, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্নগুলো তিনটি ভাগে বিভক্ত:
১. অন্ত্যযতি:
- এগুলো বাক্যের শেষ বা শেষের কাছাকাছি ব্যবহৃত হয়।
- এতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে: দাঁড়ি (।), দুই দাঁড়ি (।।), প্রশ্নচিহ্ন (?), এবং বিস্ময়চিহ্ন (!)।

২. অভ্যন্তরযতি:
- এগুলো বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত হয় ভাব, ছন্দ বা তথ্য আলাদা করার জন্য।
- এতে কমা (,), সেমিকোলন (;), হাইফেন (-), ড্যাশ (_), কোলন (:), কোলন-ড্যাশ (:-), এবং বিন্দু (.) অন্তর্ভুক্ত।

৩. অন্যান্য যতি:
- এগুলো বিশেষ অর্থ বা লেখার বৈচিত্র্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে ঊর্ধ্বকমা ('), ত্রিবিন্দু (...), উদ্ধৃতিচিহ্ন ('.../"..."), বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})), এবং বিকল্পচিহ্ন (/) অন্তর্ভুক্ত।
- এই ভাগবিন্যাসের মাধ্যমে লেখায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও তাদের কার্যকারিতা সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।

.
'স্বর্ণালী' শব্দটি কেন অশুদ্ধ?  
  1. রীতিসিদ্ধ কারণে 
  2. বাহুল্যজনিত কারণে 
  3. সন্ধিজনিত কারণে
  4. সমাসসাধিত কারণে 
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ-অশুদ্ধ: 
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী, ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধারণত বিশেষণ পদ হয়।
- এই প্রত্যয় কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য বোঝায়। 
- এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি উদাহরণ। 
- ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে সর্বদা ই-কার বসে, ঈ-কার নয়। 
- তাই 'স্বর্ণালী' শব্দটি অশুদ্ধ।
- অতিরিক্ত ‘ঈ’ যোগ করার কারণে 'স্বর্ণালী' শব্দটি অপ্রয়োজনীয় বা বাহুল্যজনিত কারণে অশুদ্ধ হয়েছে। 
- আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের কিছু উদাহরণ- 
- সোনালি, রূপালি, মায়ালি, স্বর্ণালি, মিতালি, বর্ণালি, খেয়ালি, হেঁয়ালি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
উপমার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে কোন বাক্যে?
  1. আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো। 
  2. এক মাঘে শীত যায় না। 
  3. বিরাট গরু ছাগলের হাট।  
  4. এখানে হাতের সুন্দর লেখা শেখানো হয়। 
ব্যাখ্যা

উপমার ভুল প্রয়োগ: 
- উপমার ভুল প্রয়োগ ঘটে যখন তুলনা অপ্রাসঙ্গিক, বেমানান বা অযৌক্তিক হয়।
- উপমার ভুল প্রয়োগ বাক্যের স্বাভাবিকতা নষ্ট করে।
- উপমার ভুল প্রয়োগে অর্থ বোঝায় অসুবিধার সৃষ্টি হয়।

আমার হৃদয়-মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো। বাক্যটি সঠিক নয় (উপমার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে)। কেননা বীজ বপন করা হয় খেতে, মন্দিরে নয়।
সঠিক বাক্যটি হবে আমার হৃদয় ক্ষেত্রে আশার বীজ উপ্ত হলো।

অন্যদিকে, 

• “এখানে হাতের সুন্দর লেখা শেখানো হয়" এই বাক্যে পদক্রম ঠিক নেই। 
- কারণ, হাতের সুন্দর লেখা বলে কিছু হয়না, কিন্তু সুন্দর হাতের লেখা হতে পারে। এখানে ‘সুন্দর’ শব্দটি হাতের লেখার গুণমান বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করছে। অর্থাৎ, এটি কোনো বস্তু বা নাম নয়, বরং একটি বিশেষণ, যা লেখার রূপ বা মানের বর্ণনা দিচ্ছে।
সঠিক প্রয়োগ হবে যখন বলা হবে- 'এখানে সুন্দর হাতের লেখা শেখানো হয়'।

• বিরাট গরু ছাগলের হাট-
এখানে, "বিরাট" শব্দটি "হাট" কে বিশেষিত করছে, "গরু-ছাগল" কে নয়। অর্থাৎ, শিরোনামটির প্রকৃত অর্থ হলো— "বিরাট (বৃহৎ) গরু-ছাগলের হাট"। গঠনগতভাবে, "গরু-ছাগলের" একটি সম্বন্ধ পদ যা হাটের ধরন বোঝাচ্ছে (গরু-ছাগলের জন্য নির্দিষ্ট হাট)।
সঠিক পদক্রম: বিরাট (বিশেষণ) + গরু-ছাগলের (সম্বন্ধ পদ) + হাট (বিশেষ্য)।

• বাগ্‌ধারার প্রয়োগে শুদ্ধবাক্য: 
- এক মাঘে শীত যায়না।
- এই বাগ্‌ধারাটির অর্থ হচ্ছে- বিপদ বা প্রতিকূল অবস্থা সব সময় এক রকম থাকেনা। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১০.
'অশ্ব এবং অশ্ম' এর অর্থ যথাক্রমে - 
  1. ঘোড়া-পাথর
  2. বাসস্থান-পাথর
  3. ঘোড়-বাসস্থান
  4. পাথর-ঘোড়া
ব্যাখ্যা

- অশ্ব – ঘোড়া;
- অশ্ম – পাথর।

সমোচ্চারিত ভিন্ন শব্দ:
- সমোচ্চারিত ভিন্ন শব্দ হলো এমন শব্দ, যেগুলোর উচ্চারণ এক বা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন।
- বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এদের বানানও ভিন্ন হয়।
- সাধারণভাবে কানে শুনে এদের পার্থক্য বোঝা যায় না।
- তবে বাক্যে ব্যবহৃত হলে প্রসঙ্গ অনুযায়ী পার্থক্য স্পষ্ট হয়।

• কিছু সমোচ্চারিত ভিন্ন শব্দের উদাহরণ:
- অণু – ক্ষুদ্রতম অংশ;
- অনু – পশ্চাৎ।

- অন্ত – শেষ;
- অন্তঃ – ভিতর।

- অন্ন – ভাত;
- অন্য – অপর।

- অন্যান্য – অপরাপর;
- অনন্য – একক।

- অপত্য – সন্তান;
- অপথ্য – যা পথ্য নয়। 

- অবিহিত – অন্যায়;
- অভিহিত – কথিত।

- অর্ঘ – দাম;
- অর্ঘ্য – পূজার উপকরণ।

- আঁশ – তন্তু;
- আঁষ – আমিষ।

- আদা – মসলাবিশেষ;
- আধা – অর্ধেক।

- আবরণ – আচ্ছাদন;
- আভরণ – অলংকার। 

- আভাস – ইঙ্গিত;
- আবাস – বাসস্থান
 
- আশা – আকাঙ্ক্ষা;
- আসা – আগমন।

- ইস্ত্রি – ধোপার যন্ত্র;
- স্ত্রী – পত্নী।

- ওষধি – একবার ফল দেওয়া গাছ;
- ঔষধি – ভেষজ উদ্ভিদ।

- কটি – কোমর;
- কোটি – শত লক্ষ।

- কমল – পদ্ম;
- কোমল – নরম

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১১.
বাংলা ভ্রমণসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ‘পালামৌ’ কার রচনা?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

- ‘পালামৌ’ সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা। 

‘পালামৌ’:
- 'পালামৌ’ সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনী।
- ‘পালামৌ’ ১২৮৭ থেকে ১২৮৯ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- পালামৌ বিহারের একটি স্থান।
- বিহারে অবস্থানকালে নিজের ভ্রমণ-অভিজ্ঞতা অবলম্বনে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই ভ্রমণকাহিনি রচনা করেন।
- এই রচনাতেই তিনি অমর বাক্য সৃষ্টি করেন - “বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।”
-------------------------------
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
-  সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৪–১৮৮৯) ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক ও পণ্ডিত।
- তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে।
- তিনি একজন স্বশিক্ষিত মানুষ ছিলেন।
- নিজের উদ্যোগে অধ্যয়নের মাধ্যমে ইংরেজি সাহিত্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস ও আইন বিষয়ে তিনি বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করেন
- সাহিত্যক্ষেত্রে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
• যাত্রা সমালোচনা,
• কণ্ঠমালা,
• রামেশ্বরের অদৃষ্ট,
• মাধবীলতা,
• দামিনী, প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২.
শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম কী ছিল?
  1. শওকত আলী
  2. শেখ আজিজুর রহমান
  3. আজিজ হক 
  4. শওকত মিয়াঁ
ব্যাখ্যা

• শওকত ওসমান:
- শওকত ওসমান ছিলেন এক বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।  
- তিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর আসল নাম ছিল শেখ আজিজুর রহমান।
- নাটক, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রসাত্মক লেখা থেকে শুরু করে শিশু-কিশোর সাহিত্যে পর্যন্ত তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। 

• তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো হলো:
- জননী;
- ক্রীতদাসের হাসি।

• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:   
- জাহান্নম হইতে বিদায়;
- দুই সৈনিক;
- নেকড়ে অরণ্য;
- জলাঙ্গী।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক:
- আমলার মামলা;
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা;
- তস্কর লস্কর;
- কাঁকর মণি।

• শওকত ওসমান এর বিখ্যাত গল্প হল: জন্ম যদি তব বঙ্গে;
• আর তাঁর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস : আর্তনাদ।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১৩.
কোন বাঙালি সাহিত্যিককে 'নাট্যাচার্য' উপাধি দেওয়া হয়েছে? 
  1. সেলিম আল দীন
  2. মামুনুর রশিদ
  3. মমতাজ উদ্দিন 
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা

সেলিম আল দীনকে নাট্যাচার্য  উপাধি দেওয়া হয়েছে।

• সেলিম আল দীন:
-  সেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট ফেনি জেলার সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা আধুনিক নাট্যকারদের মধ্যে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
- তাকে নাট্যাচার্য  উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিলো। 
- সেলিম আল দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস এবং অসংখ্য নাটক।

• তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো:
- একটি মারমা রূপকথা,
- গঙ্গাবতী,
- জন্ডিস, বিবিধ বেলুন,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- শকুন্তলা,
- কিত্তনখোলা,
- কেরামতমঙ্গল,
- প্রাচ্য,
- হরগজ,
- বনপাংশুল,
- স্বর্ণবোয়াল,
- পুত্র, ইত্যাদি।  

অন্যদিকে, 
• মামুনুর রশিদ একজন নাট্যকার।
- তাঁর বিখ্যাত নাট্যগ্রন্থ: নোঙর, ওরা কদমআলী, গিনিপিগ।

• মমতাজ উদ্দিনের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক- বিবাহ।

• আব্দুল্লাহ আল মামুন একজন নাট্যকার।
- তাঁর নাটক হচ্ছে: 
- মেরাজ ফকিরের মা;
- এখনও দুঃসময়;
- এখনও কৃতদাস;
- সুবচন নির্বাসনে।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া। 

১৪.
‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ সেলিনা হোসেন এর কী ধরনের গ্রন্থ?
  1. প্রহসন
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. কাব্যগ্রন্থ 
ব্যাখ্যা

‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ সেলিনা হোসেন এর রচিত উপন্যাস।
---------------------
• 'পোকামাকড়ের ঘরবসতি’:

- সেলিনা হোসেনের ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ উপন্যাসে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদী ও চরের জেলে জনগোষ্ঠীর কঠিন জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- এখানে তাদের দারিদ্র্য, স্বপ্নভঙ্গ, জমি দখল ও শোষণের বিরুদ্ধে টিকে থাকার সংগ্রাম ফুটে ওঠে।
- মালেক নামের এক সাহসী যুবক এই নিপীড়িত মানুষদের নেতৃত্ব দিয়ে নতুন জীবনের আশার কথা বলে।
- এখানে ‘পোকামাকড়’ উপমার মাধ্যমে তুচ্ছ ও অবহেলিত জীবন থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়েছে।
-------------------------------
সেলিনা হোসেন:
- সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও গবেষক।
- সেলিনা হোসেন ১৪ জুন, ১৯৪৭ সালে রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে। 
- তার রচনায় ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, নারী ও সমাজের জীবনচিত্র উঠে এসেছে।
- তিনি বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

• সেলিনা হোসেনের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’,
- ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’,
- ‘যাপিত জীবন’,
- ‘নীল ময়ূরের যৌবন’,
- ‘জ্যোস্নায় সূর্যজ্বালা’,
- ‘পদশব্দ’,
- ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ (তিন খণ্ড),
- ‘ক্ষরণ’,
- ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

১৫.
'মখদুম মৃধা' সৈয়দ শামসুল হকের কোন গ্রন্থের চরিত্র?  
  1. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. নুরলদীনের সারাজীবন
  3. নিষিদ্ধ লোবান
  4. জলেশ্বরীর গল্পগুলো
ব্যাখ্যা

• 'মখদুম মৃধা' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এর অন্তর্গত চরিত্র। 
-----------------------
“পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়”:
- সৈয়দ শামসুল হকের “পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক। 
- নাটকটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ের গ্রামীণ সমাজ ও মানুষের জীবনসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের দ্বারা গ্রামীণ মানুষের ওপর চালানো নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যা এবং সেই সময়কার প্রতিরোধের চেতনা নাটকটিতে প্রতিফলিত হয়েছে। 
- নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র- রাজাকার মখদুম মৃধা- পাকিস্তানি দালালির পরিণতি এবং মানবিক সংকটের জ্বলন্ত প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচিত হয়।
----------------------------
সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রতিভাবান কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকার।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তার বহুমুখী অবদানের জন্য তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে সম্মানিত করা হয়।
- তাঁর প্রধান রচনা :
• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - নিষিদ্ধ লোবান।
• তাঁর সবচেয়ে বিতর্কিত উপন্যাস - খেলারাম খেলদে দে।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- নুরলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীতের শেষ বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে,
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা, 
- পরানের গহীন ভিতর,
- বেজান শহরের জন্য কোরাস,
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে,
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৬.
সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘শবনম’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট কী ছিল?
  1. স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন
  2. ১৯৪০-এর দশকের রাজনৈতিকভাবে অস্থির পাকিস্তান
  3. ব্রিটিশ ভারতের শহুরে জীবন
  4. ১৯২০-এর দশকের রাজনৈতিকভাবে অস্থির আফগানিস্তান 
ব্যাখ্যা

সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘শবনম’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ছিল- ১৯২০-এর দশকের রাজনৈতিকভাবে অস্থির আফগানিস্তানের চিত্র।
---------------------------
• ‘শবনম’:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘শবনম’ উপন্যাসের পটভূমি হিসেবে কাজ করছে- ১৯২০-এর দশকে যখন আফগানিস্তান রাজনৈতিক উত্তেজনা, পরিবর্তন ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলো। 
- গল্পে একজন বাঙালি শিক্ষক মজনুন আফগানিস্তানে শিক্ষকতা করতে যান।
- সেখানে তার পরিচয় হয় আফগান রাজ পরিবারের বুদ্ধিমতী তরুণী শবনম-এর সঙ্গে।
- উপন্যাসে মজনুন এবং শবনমের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক দেখানো হয়েছে, যা সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত বাধা পেরিয়ে গড়ে ওঠে।
- তবে এই প্রেম অসমাপ্ত থেকে যায়।
- গল্পের পটভূমি মূলত সামনে এগিয়ে গিয়েছিলো: 
• আফগান সমাজের পরিবর্তন;
- এবং রাজা আমানুল্লাহ খানের ক্ষমতাচ্যুতির মতো ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- উপন্যাসটি প্রেম, বিচ্ছেদ এবং সেই সময়কার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির এক করুণ আখ্যান হিসেবে আবর্তিত হয়েছে।
--------------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও প্রখ্যাত সাহিত্যিক।
- তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ সালে শ্রীহট্ট (বর্তমান সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
- যদিও পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম ছিল ‘সত্যপীর’।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে আছে:
• ভ্রমণকাহিনী:
- দেশে-বিদেশে;
- জলে-ডাঙায়।

 • তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য;
- শবনম।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র;
- ময়ূরকণ্ঠী।

• তাঁর ছোটগল্প সংকলন:
- চাচা-কাহিনী;
- টুনি মেম।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৭.
‘শ্রীকান্ত আচার্য’ ছদ্মনামটি কার?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

- ‘শ্রীকান্ত আচার্য’ ছদ্মনামটি- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান হলো পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রাম।
- তিনি ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনামগুলির মধ্যে প্রধান হল অনিলা দেবী।
- এছাড়াও, তিনি অমুরুপা দেবী, অপরাজিতা দেবী, শ্রী চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকান্ত আচার্য, শ্রী কান্ডশর্মা, সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় এবং পশুরাম ইত্যাদি নামেও লেখালেখি করতেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপাধি হলো অপরাজেয় কথাশিল্পী।
- বাংলা সাহিত্যে তাঁর অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার জন্য তাঁকে 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' বলা হয়।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক 'ডিলিট' উপাধি লাভ করেন।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের  বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- 'শ্রীকান্ত',
- 'দেবদাস',
- 'গৃহদাহ',
- 'চরিত্রহীন',
- 'দত্তা',
- 'পরিণীতা',
- 'পল্লীসমাজ',
- 'বড়দিদি',
- 'পথের দাবী, ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি পরিচিত ছদ্মনাম হলো কমলাকান্ত।
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'পালামৌ’ বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনী।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সবচেয়ে পরিচিত ছদ্মনাম ছিল- ভানুসিংহ ঠাকুর।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

১৮.
শওকত আলীর ‘যাত্রা’ উপন্যাসে কোন সময়ের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে? 
  1. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত
  2. ১৯৭১ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী থেকে ১৬ ডিসেম্বর 
  3. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ
  4. স্বাধীনতা পরবর্তী সময়
ব্যাখ্যা

- শওকত আলীর ‘যাত্রা’ উপন্যাসে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়ের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

• যাত্রা:
- শওকত আলীর ‘যাত্রা’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট।
- গল্পে ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আকস্মিক আক্রমণের কারণে সাধারণ নগরবাসী প্রাণভয়ে পলায়ন করে। 
- পাকিস্তানি সেনাদের হঠাৎ আক্রমণে শহরের সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপদ আশ্রয় পাবেন তা না জেনেই প্রাণভয়ে ছুটতে থাকে। 
- উপন্যাসটি ডায়রির আকারে লেখা হয়েছে।
- এখানে মার্চের শেষ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়ের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে।
- গল্পে নগরীর ধ্বংসলীলা, মানুষের দুঃখ-কষ্ট এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বেঁচে থাকার সংগ্রাম ফুটে উঠেছে।
- একই সঙ্গে দেখানো হয়েছে যে সাধারণ মানুষ কিভাবে প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠে।
---------------------------------
শওকত আলী:
- শওকত আলী (১৯৩৬-২০১৮) একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিক্ষক।
- তিনি মূলত মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি এবং মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট নিয়ে লিখেছেন।
- শওকত আলী বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস:
• যাত্রা;
• ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’;
• ‘অপেক্ষা’।

- শওকত আলীর বিখ্যাত ত্রয়ী উপন্যাস হলো:
• দক্ষিণায়নের দিন (১৯৮৫): ত্রয়ীর প্রথম কাহিনী, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লেখা।
• কুলায় কালস্রোত (১৯৮৬): দ্বিতীয় কাহিনী, ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
• পূর্বরাত্রি পূর্বদিন (১৯৮৬): শেষ কাহিনী, গল্পের সমাপ্তি।

উৎস:
যাত্রা উপন্যাস;
বাংলাপিডিয়া।

১৯.
শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি? 
  1. প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
  2. রৌদ্র করোটিতে
  3. অদ্ভুত আঁধার এক
  4. বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যা

শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে।
--------------------
শামসুর রহমান:
-  শামসুর রহমান  (১৯২৯-২০০৬) ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে। 
- শামসুর রহমান বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয়ার্ধের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি “মজলুম আদিব” ছদ্মনামে লিখতেন।
- তিনি দৈনিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

• শামসুর রহমানের অসংখ্য কাব্যগ্রন্থ রয়েছে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো:
• প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (প্রথম কাব্যগ্রন্থ);
• রৌদ্র করোটিতে;
• বিধ্বস্ত নীলিমা;
• বন্দী শিবির থেকে;
• নিজ বাসভূমে;
• বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়;
• এবং উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ। 

• এছাড়া তাঁর শিশুতোষ গ্রন্থ-
- এলাটিং বেলাটিং;
- ধান ভানলে কুঁড়ো দেব। 

• তাঁর উপন্যাস:
- অদ্ভুত আঁধার এক;
- অক্টোপাস,
- এলো সে অবেলায়,
- নিয়ত মন্তাজ।

উৎস: 
কবিতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
বাংলাপিডিয়া।

২০.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসে কোন নদীর উল্লেখ রয়েছে?
  1. পদ্মা
  2. বাঁকাল
  3. করতোয়া
  4. মধুমতী
ব্যাখ্যা

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটিতে বাঁকাল নদীর কথা উল্লেখ আছে। 
---------------------
• ‘কাঁদো নদী কাঁদো’:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হলো মৃতপ্রায় বাঁকাল নদী এবং নদীর তীরবর্তী ছোট শহর কুমুড়ডাঙ্গার জীবন।
- এখানে ছোট হাকিম মুহাম্মদ মুস্তফার জীবন ও তার অন্তর্জীবনের জটিলতা চেতনাপ্রবাহ রীতিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- উপন্যাসে নদীর পলি জমে নাব্যতা হারানো এবং স্টিমারঘাট সরিয়ে যাওয়ার ফলে মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন ও দুর্ভোগ দেখানো হয়েছে।
- মুস্তফার মনোজগৎ, তার অবচেতন মনের দ্বন্দ্ব ও সংকট তবারক ভুঁইয়া নামক স্টিমারযাত্রীর বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছে।
- এতে চরিত্রদের অন্তর্মনের ভাবনা এবং জীবনের অস্তিত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নের মাধ্যমে গল্পের প্রবাহ সৃষ্টি করা হয়েছে।
----------------------------------
সৈয়দ  ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ  ওয়ালীউল্লাহ  ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তিনি ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত ছোট গল্প:
• নয়নচারা;
• একটি তুলসি গাছের কাহিনী।

- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস:
• চাঁদের অমাবস্যা (মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস);
• কাঁদো নদী কাঁদো;
• লালসালু (সামাজিক উপন্যাস)।

- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক:
• বহিপীর;
• তরঙ্গভঙ্গ;
• সুরঙ্গ;
• উজানে মৃত্যু।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

২১.
Select the correct spelling-
  1. Sureptitious
  2. Sureeptitious
  3. Surreeptitious
  4. Surreptitious
ব্যাখ্যা

Correct answer: Surreptitious.

Surreptitious (adjective)
- English meaning: done, made, or acquired by stealth: clandestine.
- Bangla meaning: গুপ্তভাবে কৃত; চোরাগোপ্তা।

Example sentence:
1. They held surreptitious meetings to plan the surprise party.
2. Their surreptitious affair was the talk of the office.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
What is the meaning of the word "Terrestrial"?
  1. Related to astrology.
  2. Relating to the earth.
  3. Relating to or suggesting heaven.
  4. Related to genetic diversity.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Relating to the earth.

• Terrestrial (adjective + noun)
- English Meaning: of or relating to the earth or its inhabitants.
- Bangla Meaning: পৃথিবীসম্পর্কিত; পৃথিবীতে বসবাসকারী।
 
Example Sentence:
1. Many people seek religion to escape their terrestrial concerns.
2. Scientists are studying how terrestrial ecosystems respond to climate change.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৩.
The synonym of the word "Rendezvous" is -
  1. Empirical 
  2. Observed
  3. Hangout
  4. Conjectural
ব্যাখ্যা

Correct answer: Hangout.

• Rendezvous (noun)
- English meaning: a place appointed for assembling or meeting.
- Bangla meaning:  যে স্থানে লোকে প্রায়ই মিলিত হয়; মিলনস্থল।

• Hangout (noun)
- English meaning: a favorite place for spending time, also: a place frequented for entertainment or for socializing.
- Bangla meaning: প্রিয় জায়গা বা আড্ডার স্থান।

Other options:
ক) Empirical
- English Meaning: Based on what is experienced or seen rather than on theory.
- Bangla Meaning: বাস্তব অভিজ্ঞতা, যিনি তত্ত্বের চেয়ে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপর নির্ভরশীল, প্রায়োগিক।

খ) Observed
- English meaning: to inspect or take note of as an augury, omen, or presage.
- Bangla meaning: নিরীক্ষিত।

ঘ) Conjectural 
- English meaning: as in speculative existing only as an assumption or speculation
- Bangla meaning: অনুমানমূলক।


Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৪.
Choose the antonym of the word "Tyrannical"-
  1. Perpetual 
  2. Lawful
  3. Transitory
  4. Obsolete
ব্যাখ্যা

Correct answer: Lawful.

Tyrannical (adjective)
- English meaning: being or characteristic of a tyrant or tyranny: despotic.
- Bangla meaning: অত্যাচারী, নৃশংস।

Lawful (adjective)
- English meaning: being in harmony with the law.
- Bangla meaning: বিধিসম্মত; আইনানুগ; ন্যায্য; উপযুক্ত।

Other options:
ক) Perpetual (Adjective)
- English Meaning: Continuing forever: everlasting.
- Bangla Meaning: অনন্ত; অন্তহীন; চিরস্থায়ী; শাশ্বত; বিরতিহীন।

গ) Transitory
- English meaning: being or characteristic of a tyrant or tyranny: despotic.
- Bangla meaning: স্বল্পকালস্থায়ী।

ঘ) Obsolete
- English meaning: no longer in use or no longer useful
- Bangla meaning: অপ্রচলিত, সেকেলে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৫.
A rolling stone gathers no moss. (make it complex)
  1. A stone that is rolling gathered no moss.
  2. A stone that is rolling gather no moss.
  3. A stone rolling gathers no moss.
  4. A stone that is rolling gathers no moss.
ব্যাখ্যা

Correct answer: A stone that is rolling gathers no moss.

• Adjective + noun যুক্ত Simple Sentence কে Complex করার নিয়ম:
- প্রথমে প্রদত্ত article বসে।
- Adjective এর পরের noun টি বসে।
- Relative pronoun who/which/that বসে।
- Tense অনুযায়ী verb বসে +
- Adjective টি বসে +
- প্রদত্ত noun এর পর থেকে শেষ অংশ বসে।

Other options:

ক) A stone that is rolling gathered no moss.
- ভুল কারণ, এখানে Tense পরিবর্তন করা হয়েছে। মূল বাক্যে Present Tense এ ছিল, কিন্তু এখানে Past Tense ব্যবহার করা হয়েছে।

খ) A stone that is rolling gather no moss.
- ভুল কারণ, Subject "A stone" হল Third Person Singular Subject, তাই verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়া উচিত (gathers), শুধু gather হবে না।

গ) A stone rolling gathers no moss.
- ভুল, কারণ এটি একটি Complex Sentence এর পরিবর্তে Simple Sentence এ পরিবর্তন করা হয়েছে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৬.
Iron is one of the most useful metals. (make it comparative)
  1. Iron is the most useful metal.
  2. Iron is more useful than most other metals.
  3. Iron is more useful than any other metal.
  4. Iron is most useful than most other metals.
ব্যাখ্যা

Superlative Degree: Iron is one of the most useful metals.
Comparative Degree: Iron is more useful than many other metals.

• One of the যুক্ত Superlative Degree কে Comparative Degree তে রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রদত্ত Sentence এর sub এবং verb বসে।
- One of the উঠে যায়।
- Superlative Degree এর Comparative form বসে।
- than most other বসে।
- প্রদত্ত sentence এর বাকী অংশ বসে।

Other options:
ক) Iron is the most useful metal.
- ভুল কারণ, এটি Superlative Degree এর বাক্য। 

গ) Iron is more useful than any other metal.
-ভুল কারণ, One of the যুক্ত Superlative Degree কে Comparative Degree তে রূপান্তরের ক্ষেত্রে Superlative Degree এর Comparative form+ than most other বসে।

ঘ) Iron is most useful than most other metals.
- ভুল কারণ, ভুল কারণ, One of the যুক্ত Superlative Degree কে Comparative Degree তে রূপান্তরের ক্ষেত্রে Superlative Degree এর Comparative form বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৭.
The manager decided to hold a meeting. (make it passive)
  1. The manager decided that a meeting should held. 
  2. The manager decided that a meeting should be held. 
  3. The manager decided that a meeting should have held. 
  4. The manager decided that a meeting should be hold. 
ব্যাখ্যা

Active: The manager decided to hold a meeting.
Passive: The manager decided that a meeting should be held. 

• Agree/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decide/ demand + infinitive object যুক্ত Sentence কে Active voice কে Passive voice করার নিয়ম: 
- প্রদত্ত Active voice এর Subject ও Verb বসবে।
- that বসে।
- Infinitive এর পরের Object বসবে।
- should be বসে।
- Infinitive এর পরের verb এর past participle বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৮.
Seeing the police, the thief ran away. (make it Compound)
  1. The thief saw the police but ran away.
  2. The thief saw the police and ran away.
  3. The thief saw the police and yet ran away.
  4. The thief saw the police when he ran away.
ব্যাখ্যা

Simple Sentence: Seeing the police, the thief ran away.
Compound Sentence: The thief saw the police and ran away.
-প্রদত্ত বাক্যটি একটি Simple Sentence। এটিকে Compound Sentence-এ রূপান্তর করতে হলে, দুটি স্বাধীন clause-কে একটি coordinating conjunction দিয়ে যুক্ত করতে হবে। 

• Present Participle যুক্ত Simple Sentence থেকে Compound Sentence:
- যদি Simple sentence-এ Present Participle Phrase (Verb + ing) ব্যবহার করে কারণ (Reason) বোঝানো হয়, তাহলে Compound sentence-এ রূপান্তর করার সময়-
- Present Participle Phrase (Verb + ing)-কে Independent Clause-এ রূপান্তর করতে হবে।
- দুটি Independent Clause যুক্ত করতে and  ব্যবহার করতে হবে।
- অর্থাৎ যদি Simple Sentence-এ কোনো ব্যক্তির কাজ করার কারণ এবং তার ফলাফল উল্লেখ থাকে, তবে Compound Sentence-এ প্রথমে কারণ উল্লেখ করা হয় এবং তারপর ফলাফল-কে conjunction "and" দিয়ে যুক্ত করা হয়।

Other options:

ক) The thief saw the police but ran away.
- ভুল কারণ, এটি একটি Compound Sentence, কিন্তু 'but' ব্যবহার করায় অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়। 'But' সাধারণত বৈপরীত্য বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।

গ) The thief saw the police and yet ran away.
- ভুল কারণ, Present Participle যুক্ত Simple Sentence থেকে Compound Sentence রূপান্তর করতে দুটি Independent Clause যুক্ত করতে and  ব্যবহার করতে হবে।

ঘ) The thief saw the police when he ran away.
- এটি একটি Complex Sentence, Compound Sentence নয়।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৯.
Very few poets were as great as Kazi Nazrul Islam. (make it Superlative)
  1. Kazi Nazrul Islam was one of the greatest poets.
  2. Kazi Nazrul Islam was the greatest poet.
  3. Kazi Nazrul Islam was greater than most other poets.
  4. Kazi Nazrul Islam was one of the most greatest poets.
ব্যাখ্যা

Positive: Very few poets were as great as Kazi Nazrul Islam.
Superlative: Kazi Nazrul Islam was one of the greatest poets.

• Very few যুক্ত Positive Degree কে Superlative Degree তে রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রদত্ত Sentence টির শেষের Subject প্রথমে বসে।
- তারপর Subject অনুসারে verb বসে।
- তারপর one of the বসে।
- Positive Degree এর Superlative form বসে।
- Very few এরপর থেকে verb এর পূর্ব পর্যন্ত অংশ বসে।

Other options:
খ) Kazi Nazrul Islam was the greatest poet.
- ভুল কারণ, Very few যুক্ত Positive Degree কে Superlative Degree তে রূপান্তরের সময় one of the এর পর Positive Degree এর Superlative form বসে।

গ) Kazi Nazrul Islam was greater than most other poets.
- ভুল কারণ, বাক্যটি Comparative Degree তে রূপান্তরর করা হয়েছে।

ঘ) Kazi Nazrul Islam was one of the most greatest poets.
- এখানে "Largest" নিজেই "Superlative form" এ রয়েছে। এর পূর্বে 'most' যুক্ত করার প্রয়োজন নেই।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩০.
The committee nominated her president. (make it passive)
  1. She is nominated president by the committee.
  2. Her president was nominated by the committee.
  3. Her president is nominated by the committee.
  4. She was nominated president by the committee.
ব্যাখ্যা

Active: The committee nominated her president.
Passive: She was nominated president by the committee.
- উক্ত Active Voice এর বাক্যটি একটি  Factitive object যুক্ত বাক্য। 

• কিছু Transitive Verb এর একটি সরাসরি কর্ম থাকা সত্ত্বেও বাক্যটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। Select, elect, nominate, make, call, name ইত্যাদি transitive verb গুলোর object থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণরূপে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। পরিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার জন্য অতিরিক্ত object আনতে হয়। এইরূপ অতিরিক্ত object কে Factitive object বলে।

• Factitive object/complementary object যুক্ত active voice কে passive voice এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
- প্রদত্ত Pronominal object-টি(me, us, you, them, him, her) / নামবাচক object টি Subject +
- tense ও person অনুযায়ী auxiliary verb বসে +
- মূল verb এর past participle বসে +
- Factitive object টি বসে +
- by বসে +
- Subject টির objective form বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩১.
IPCC গঠিত হয় কোন দুটি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে?
  1. UNDP ও WHO
  2. UNEP ও WMO
  3. UNESCO ও FAO
  4. IMF ও World Bank
ব্যাখ্যা

IPCC:
- IPCC -এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে।
- এটি জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল।
- IPCC গঠিত জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর যৌথ উদ্যোগে।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট। 

৩২.
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২৫ -এ শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২৫:
- প্রকাশকারী সংস্থা: Reporters Without Borders (RSF).
- প্রথম প্রকাশ: ২০০২ সাল। 
- মূল উদ্দেশ্য: দেশভিত্তিক গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অবস্থা মূল্যায়ন।
- মোট দেশ: ১৮০টি
- শীর্ষ দেশ (র‍্যাঙ্ক-১): নরওয়ে
- সর্বনিম্ন দেশ (র‍্যাঙ্ক-১৮০): ইরিত্রিয়া
- বাংলাদেশের অবস্থান: ১৪৯তম

• শীর্ষ ৫ দেশ:
- নরওয়ে।
- এস্তোনিয়া।
- নেদারল্যান্ডস।
- সুইডেন।
- ফিনল্যান্ড।

উৎস: Reporters Without Borders (RSF) ওয়েবসাইট।

৩৩.
‘কার্বন ক্রেডিট’ ধারণা দেয় কোন প্রটোকল বা চুক্তি?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  3. রামসার কনভেনশন
  4. কিয়োটো প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol):
- UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)-এর অধীন একটি প্রোটোকল।
- এটি একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- এর মূল উদ্দেশ্য গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস।
- ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রোটোকল।
- এই চুক্তি উন্নত দেশসমূহকে আইনগতভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমাতে বাধ্য করে।
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট

৩৪.
নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে?
  1. কর ফাঁকি
  2. মানবাধিকার লঙ্ঘন
  3. মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান
  4. দুর্নীতি
ব্যাখ্যা

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী আটক ২০২৬:
- ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করেছে।
- মাদুরোকে আটক করার এই অভিযানে মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স ইউনিট অংশ নেয়। এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষায়িত ইউনিট।
- জানুয়ারির ৫ তারিখে ম্যানহাটান ফেডারেল আদালতে তাদের বিরুদ্ধেই মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান সম্পর্কিত অভিযোগের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- বর্তমানে তারা ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন।
- মার্কিন এই অভিযান ও আটককে নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ, আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং কিছু দেশে প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো ও ইত্তেফাক।

৩৫.
IUCN এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. রোম, ইতালি
  4. ফ্রান্স, প্যারিস
ব্যাখ্যা

IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ: International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠা: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ফ্রান্স, ফন্টেনব্লিউ।
- এর সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- লক্ষ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ সংরক্ষণ।
- সদস্য দেশ সংখ্যা: ১৬০টির অধিক।
 
উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

৩৬.
Global Liveability Index 2025 প্রকাশকারী সংস্থা কোনটি?
  1. UNESCO
  2. World Bank
  3. The Economist Intelligence Unit
  4. UNDP
ব্যাখ্যা

Global Liveability Index 2025:
- প্রকাশকারী সংস্থা: The Economist Intelligence Unit (EIU).
- প্রকাশের তারিখ: ১৬ জুন, ২০২৫।
- শহরের সংখ্যা: ১৭৩টি।
- তালিকায় বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়।

• পাঁচটি প্রধান মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। এই মানদণ্ডগুলো হলো- 
- স্থিতিশীলতা, 
- স্বাস্থ্যসেবা, 
- সংস্কৃতি ও পরিবেশ, 
- শিক্ষা এবং 
- অবকাঠামো।

শীর্ষ দেশ:
• কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
• ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
• জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
• মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
• জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অবস্থান (ঢাকা: ১৭১তম) অর্থাৎ বিশ্বের তৃতীয় সর্বনিম্ন বাসযোগ্য শহর। 
- সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর: দামাস্কাস, সিরিয়া -তালিকার সবচেয়ে নিচে অবস্থান।

উৎস: EIU ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৭.
গ্রিনপিস (Greenpeace) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৫
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৮০
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস (Greenpeace):
- এটি মূলত নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- গ্রিনপিস এর প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭১।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, কানাডা। 
- প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য: আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদ। 
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
- কর্মপদ্ধতি: শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, সচেতনতা বৃদ্ধি, গবেষণা ও সাংবাদিকতা।
- স্লোগান: "Because the Earth needs us"

উৎস: গ্রিনপিস ওয়েবসাইট।

৩৮.
২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ তেল উত্তোলনকারী দেশ কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. রাশিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা

বিশ্বের শীর্ষ তেল উত্তোলনকারী দেশ-২০২৫:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ তেল উত্তোলনকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র (USA)।
- দৈনিক উত্তোলন: প্রায় ২ কোটি ১২ লাখ ব্যারেল।
- বিশ্ব উত্তোলনের প্রায় ২২%।
- তেল ভোক্তা দেশ হিসাবেও ১ নম্বরে।
- দৈনিক চাহিদা: প্রায় ২ কোটি ব্যারেল, বিশ্ব চাহিদার প্রায় ২০%।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী এবং ওপেকভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সৌদি আরব।
- তৃতীয় শীর্ষ দেশ: রাশিয়া। দৈনিক উত্তোলন: প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ ব্যারেল।

উৎস: U.S. Energy Information Administration (EIA), ERA.

৩৯.
WMO কোন সংস্থার বিশেষায়িত সংস্থা?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. জাতিসংঘ
  3. আফ্রিকান ইউনিয়ন
  4. ন্যাটো
ব্যাখ্যা

WMO:
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৫০
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৩টি (১৮৭টি দেশ ও ৬টি অঞ্চল)।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ওয়েবসাইট।

৪০.
UNFCCC -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Forum on Climate Change
  2. United Nations Fund for Climate Control
  3. Universal Network for Forest Conservation
  4. United Nations Framework Convention on Climate Change
ব্যাখ্যা

UNFCCC: 
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ- United Nations Framework Convention on Climate Change.
- উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা।
- এটি গৃহীত হয় ১৯৯২ সালের ৯ মে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালে। 
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- এটি কার্যকর হয় ২১ মার্চ ১৯৯৪ সালে ।
- এর সদর দপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
- বর্তমানে UNFCCC এর মোট সদস্য সংখ্যা ১৯৮টি। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। 

৪১.
সংসদে বেসরকারি বিল কে উত্থাপন করেন?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সংসদ সদস্য
  4. মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।

• বিল মূলত দুই প্রকার। 
১) সরকারি বিল:
- উত্থাপনকারী: মন্ত্রীরা।
- নোটিশের সময়: ৭ দিন।
- বৈশিষ্ট্য: সরকার কর্তৃক প্রস্তাবিত গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে ব্যবহৃত হয়।

২) বেসরকারি বিল:
- উত্থাপনকারী: সাধারণ সংসদ সদস্য (মন্ত্রী ব্যতীত)।
- নোটিশের সময়: ১৫ দিন।
- বৈশিষ্ট্য: ব্যক্তিগত সংসদ সদস্যদের উদ্যোগে উত্থাপিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।

৪২.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’ এর পরিচালক কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. ফাখরুল আরেফিন খান
  4. মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্র: ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’ (Jean Kay 1971)।
- এর পরিচালক: ফাখরুল আরেফিন খান।
- ঘটনার পটভূমি: ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- মূল চরিত্র: ফ্রান্সের এক তরুণ জঁ ক্যা (Jean Kay)
- এটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
- ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ফ্রান্সের এক তরুণ, জঁ ক্যা, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (PIA) একটি বিমান ছিনতাই করেন।
- তার একমাত্র দাবি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০ টন ওষুধ পাঠানো।
- এই সাহসিকতা ও মানবিকতার প্রতীক জঁ ক্যা-কে কেন্দ্র করেই ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো।

৪৩.
সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ বিভাগ কোনটি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. জেলা আদালত
ব্যাখ্যা

সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- প্রধান বিচারপতি এই আদালতের প্রধান।
- বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং উভয় বিভাগের অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগে বিভক্ত: হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে কাজ করে। 


• সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে। 
- হাইকোর্ট বিভাগ ও
- আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ব্রাজিল
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. আর্জেন্টিনা
  4. চিলি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশ  ভারত (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি (১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- বাংলাদেশকে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ- ভেনিজুয়েলা (২ মে, ১৯৭২)।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো। 

৪৫.
অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে কোন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি?
  1. সুপ্রিম কোর্ট বার
  2. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
  3. আইন কমিশন
  4. বিচার বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়।
- পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন।
- তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

৪৬.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ:
- প্রশাসনিক সংস্কার ও পুনর্গঠন কমিটির (সিএআরআর) সুপারিশমালা থেকে উপজেলা পরিষদের ঐতিহাসিক পটভূমি রচিত।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর হলো উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- উপজেলা পরিষদে একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, অধিভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়র (যদি থাকে) এবং তিনজন মহিলা সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকেন।
- এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের মূল দায়িত্ব হলো ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা, যাতে করে স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪৭.
ইউনেস্কো কত সালে বাউল সংগীতকে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” ঘোষণা করে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৮
  4. ২০১০
ব্যাখ্যা

বাউল সংগীত:
- বাউল সংগীত বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক ও দর্শনভিত্তিক লোকসংগীত।
- বাউল একটি ধর্মীয় ও দার্শনিক লোক-সম্প্রদায়।
- বাউলরা ধর্মতত্ত্ব, মানবতাবাদ, জীবনবোধ ও আদর্শ গানের ভাষায় মৌখিক ধারায় প্রকাশ করেন।
- এই মৌখিক ধারার গানই বাউল সংগীত নামে পরিচিত।
- বাউল গানের প্রধান স্রষ্টা ও সাধক: লালন শাহ।
- বাংলাদেশের বাউল গানের কেন্দ্রভূমি: কুষ্টিয়া।
- ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বাউল সংগীতকে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” ঘোষণা করে।
- ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর Intergovernmental Committee-এর তৃতীয় অধিবেশনে বাউল সংগীতকে “Intangible Cultural Heritage of Humanity” হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

৪৮.
স্পিকারের আসনের কোন দিকে ট্রেজারি বেঞ্চ অবস্থিত?
  1. বাম দিকে
  2. ডান দিকে
  3. পেছনে
  4. মাঝখানে
ব্যাখ্যা

ট্রেজারি বেঞ্চ: 
- ট্রেজারি বেঞ্চ বলা হয় সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- ট্রেজারি বেঞ্চ থাকে স্পীকারের আসনের ডানদিকে।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।

উল্লেখ্য, 
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪৯.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি কে?
  1. ড . কামাল হোসেন
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস
  4. বি এ সিদ্দিকি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি: হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
- তিনি নির্বাচিত হন ১৯৮৬ সালে (৪১তম অধিবেশন)।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র।
- সদস্যপদ লাভ করে: ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪।
- বাংলাদেশের প্রথম সদস্যপদ আবেদনে (১৯৭২) চীন ভেটো দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উ থান্ট।
-  বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে সর্বপ্রথম ইরাক-ইরান (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণ করে।
- মোট ২বার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৯-৮০ ও ২০০০-০১ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫০.
প্রেরক ও প্রাপক কম্পিউটারে যথাক্রমে কোন দুটি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়?
  1. ডিক্রিপ্ট → এনক্রিপ্ট
  2. এনক্রিপ্ট → ডিক্রিপ্ট
  3. কপি → পেস্ট
  4. সংরক্ষণ → মুছে ফেলা
ব্যাখ্যা

 প্রেরক কম্পিউটার ডাটাকে প্রথমে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে পাঠায় এবং প্রাপক কম্পিউটার ডাটা ব্যবহারের আগে সেটিকে ডিক্রিপ্ট (Decrypt) করে।

• ডাটা এনক্রিপশন (Data Encryption):
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উৎস (প্রেরক) থেকে গন্তব্যে (প্রাপক) প্রেরণের পূর্বে ডাটাকে যে বিশেষ পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়, তাকে ডাটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- এর ফলে প্রেরিত ডাটা কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সহজে ব্যবহার করতে পারে না।
 
• এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশনের প্রক্রিয়া:
- প্রেরক কম্পিউটার ডাটাকে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে একটি মাধ্যমের (Transmission Medium) মাধ্যমে পাঠায়।
- প্রাপক কম্পিউটার ডাটাটি ব্যবহারের পূর্বে সেটিকে ডিক্রিপ্ট (Decrypt) করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপশনের নিয়ম এবং প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপশনের নিয়ম নির্ধারিত থাকে।
- এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• ডাটা এনক্রিপশনের জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ড হলো—
১. সিজার কোড (Caesar Code),
২. ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (DES – Data Encryption Standard)।
 
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল উপাদানসমূহ:
- প্লেইন টেক্সট (Plain Text):
- যে ডাটা সাধারণভাবে পড়া ও বোঝা যায়।
- সাইফার টেক্সট (Cipher Text):
- মূল বার্তাকে এনক্রিপ্ট করার পর যে দুর্বোধ্য টেক্সট পাওয়া যায়।
- এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (Encryption Algorithm):
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত গাণিতিক সূত্র বা নিয়মাবলি।

- কী (Key):
- একটি গোপন কোড, যা ডাটা এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এই কী-এর সাহায্যে সাইফার টেক্সটকে পুনরায় প্লেইন টেক্সটে রূপান্তর করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
কোন ক্লাউড সেবায় নেটওয়ার্ক, CPU ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়?
  1. Infrastructure-as-a-Service
  2. Platform-as-a-Service
  3. Software-as-a-Service
  4. Storage-as-a-Service
ব্যাখ্যা

• Infrastructure-as-a-Service: মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন CPU, নেটওয়ার্ক ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়।
- Platform-as-a-Service: অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- Software-as-a-Service: প্রস্তুত সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করার সুবিধা দেয়।
- Storage-as-a-Service: মূলত ডেটা সংরক্ষণের সুবিধা প্রদান করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং(Cloud Computing):
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন—হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করার প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজস্ব কম্পিউটার বা সার্ভার ছাড়াই ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- ২০০৬ সালে বিশ্বখ্যাত Amazon Web Services(AWS) বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে।
 
• সেবার ধরন অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ:

• Infrastructure-as-a-Service(IaaS):
- এই সেবায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি ও ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon Elastic Compute Cloud(EC2).

• Platform-as-a-Service(PaaS):
- এই সেবায় ব্যবহারকারীকে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন না দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য একটি প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- ব্যবহারকারী সেই প্ল্যাটফর্মের উপর অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ, টেস্ট ও ডিপ্লয় করতে পারে।
- উদাহরণ: Google App Engine.

• Software-as-a-Service(SaaS):
- এই সেবায় ব্যবহারকারীরা ক্লাউডে চলমান প্রস্তুত সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করতে পারে।
- সফটওয়্যার ইনস্টল বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
- উদাহরণ: Google Workspace.
 
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) Microsoft-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫২.
Meta Platforms, Inc. পূর্বে কোন নামে পরিচিত ছিল?
  1. Meta Networks
  2. Facebook, Inc.
  3. Instagram, Inc.
  4. Oculus, Inc.
ব্যাখ্যা

• ২০২১ সালে Facebook, Inc. কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে Meta Platforms, Inc. রাখা হয়।

• মেটা(Meta):
- Meta Platforms, Inc. হলো একটি আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি, যা মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদান করে।
- ২০২১ সালে Facebook, Inc. কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে Meta Platforms, Inc. রাখা হয়।
- “Meta” নামটি এসেছে Metaverse ধারণা থেকে, যা ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল বিশ্বের সমন্বিত ভবিষ্যৎ নির্দেশ করে।
- Meta–এর প্রতিষ্ঠাতা ও CEO হলেন Mark Zuckerberg।
 
• Meta–এর প্রধান প্ল্যাটফর্ম ও সেবা:
- Facebook – সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
- Instagram – ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
- WhatsApp – মেসেজিং ও ভয়েস কল সেবা।
- Messenger – ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সেবা।
- Oculus – ভার্চুয়াল রিয়েলিটি(VR) প্রযুক্তি।
 
• Meta ও Metaverse:
- Meta মূলত Metaverse উন্নয়নে কাজ করছে।
- Metaverse হলো একটি ভার্চুয়াল থ্রিডি ডিজিটাল পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়ালি কাজ, যোগাযোগ ও বিনোদন করতে পারে।
- Meta ভার্চুয়াল রিয়েলিটি(VR) ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি(AR) প্রযুক্তির মাধ্যমে Metaverse বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

উৎস: Meta, Facebook & Britannica [Link]

৫৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কোন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. ডেটাবেজ তত্ত্ব
  2. কম্পাইলার তত্ত্ব
  3. নেটওয়ার্ক তত্ত্ব
  4. সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• Simulation Theory: কৃত্রিম পরিবেশ ও বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা সৃষ্টির ভিত্তি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি(Virtual Reality):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবসম্মত ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি বাস্তব নয়, বরং বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব বলে মনে হয়।
- ত্রিমাত্রিক চিত্র ব্যবহারের ফলে বাস্তবে করা কঠিন বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ ভার্চুয়াল পরিবেশে সহজে সম্পন্ন করা সম্ভব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে(HMD),
- ডেটা গ্লাভস,
- বিশেষ বডি স্যুট।
- এসব উপাদানের মাধ্যমে ব্যবহারকারী শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধুলা ও বিনোদনে।

• অন্যান্য অপশন:
- Database Theory: ডেটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত।
- Compiler Theory: প্রোগ্রাম অনুবাদ ও কম্পাইলিংয়ের সাথে সম্পর্কিত।
- Network Theory: নেটওয়ার্ক যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদানের তত্ত্ব।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪.
C প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম কোন প্রতিষ্ঠানে তৈরি হয়?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Bell Laboratories
  4. Google
ব্যাখ্যা

• Bell Laboratories: এখানেই Dennis Ritchie ১৯৭০ সালে C ভাষা তৈরি করেন।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা(C Programming Language):

- ১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের Bell Laboratories–এ ডেনিস রিচি(Dennis Ritchie) প্রথম C প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie–কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক(Father of C Programming Language) বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে C ভাষার প্রয়োগ করেন।
- C ভাষার উৎপত্তি হয়েছে BCPL নামক প্রোগ্রামিং ভাষা থেকে।
- BCPL থেকে B ভাষার উদ্ভব হয় এবং B ভাষার উন্নত সংস্করণ হিসেবেই C ভাষার সৃষ্টি।
- প্রাথমিকভাবে C ভাষা Unix অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সরবরাহ করা হতো।
- পরবর্তীতে C ভাষার ব্যবহার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও কাজে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়।
- বহুমুখী ব্যবহার, দক্ষতা ও কার্যকারিতার কারণে C প্রোগ্রামিং ভাষা আজও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৫.
ব্লুটুথ কোন ধরনের প্রযুক্তি?
  1. অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি
  2. স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
  3. স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রযুক্তি
  4. দীর্ঘ দূরত্বের তারযুক্ত প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি: কাছাকাছি ডিভাইসের মধ্যে রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়, যেমন—মোবাইল ও ব্লুটুথ ইয়ারবাড সংযোগ।

• ব্লুটুথ(Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বে ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক(PAN) তৈরি হয়, যেখানে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ(Harald Bluetooth)–এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তির নাম Bluetooth রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে ব্লুটুথ প্রযুক্তি মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস ও ঘরোয়া বিনোদনমূলক ডিভাইসে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি অবস্থিত দুই বা ততোধিক ডিভাইসের মধ্যে রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডাটা স্থানান্তর করে।
- কোনো লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
- সাধারণত ১০–১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড কমিউনিকেশনের মতো দেয়াল বা অন্যান্য বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।
- একটি পিকোনেট(Piconet)–এ একটি মাস্টার ডিভাইস সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভ ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- দীর্ঘ দূরত্বের তারযুক্ত প্রযুক্তি: কেবল বা ফাইবারের মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়, যেমন—ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড কেবল।
- স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রযুক্তি: কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে দূরপাল্লার যোগাযোগ সম্পন্ন করা হয়, যেমন—ডিশ টিভি সেবা।
- অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি: আলোক সংকেতের মাধ্যমে উচ্চগতিতে ডাটা পরিবহন করা হয়, যেমন—ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট সংযোগ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
Wi-Fi প্রযুক্তির মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন-
  1. টিম বার্নার্স-লি
  2. ভিন্ট সার্ফ
  3. ডেনিস রিচি 
  4. ভিক্টর ভিক হেরেস
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi প্রযুক্তির মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন- ভিক্টর ভিক হেরেস।

• ওয়াই-ফাই(Wi-Fi):
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity।
- Wi-Fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন(Wireless) নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে।
- Wi-Fi সাধারণত 2.4 GHz থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
- Wi-Fi হলো Wi-Fi Alliance–এর একটি ট্রেডমার্ক, যা IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণকারী পণ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ভিক্টর ভিক হেরেস(Vic Hayes)–কে Wi-Fi–এর জনক(Father of Wi-Fi) বলা হয়।
- Wi-Fi ডাটা ট্রান্সমিশনে সাধারণত হাফ ডুপ্লেক্স(Half Duplex) মোড ব্যবহৃত হয়।
- Wi-Fi–এর কভারেজ সাধারণত—
- ঘরের ভেতরে প্রায় ৩৩ মিটার,
- ঘরের বাইরে প্রায় ১০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
 
• IEEE স্ট্যান্ডার্ড:
- Wi-Fi: IEEE 802.11,
- WiMAX: IEEE 802.16,
- Bluetooth: IEEE 802.15.

• অন্যান্য অপশন:
- টিম বার্নার্স-লি: World Wide Web–এর জনক।
- ডেনিস রিচি: C প্রোগ্রামিং ভাষার জনক।
- ভিন্ট সার্ফ: ইন্টারনেট প্রোটোকলের জনক।
 
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩) Intel.

৫৭.
প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কী?
  1. ASIMO
  2. Sophia
  3. Unimate
  4. Atlas
ব্যাখ্যা

• Unimate: প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট, কারখানায় স্বয়ংক্রিয় কাজের জন্য ব্যবহৃত।

• রোবটিক্স(Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কার্যপদ্ধতি ও প্রয়োগক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার(Joseph Frederick Engelberger)–কে রোবটিক্সের জনক(Father of Robotics) বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্ট বা গতি সৃষ্টির জন্য রোবটিক্সে অ্যাকচুয়েটর(Actuator) ব্যবহার করা হয়।

• রোবট ও রোবটিক্স শব্দের উৎপত্তি:
- Robotics শব্দটি এসেছে Robot শব্দ থেকে।
- Robot শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক(Karel Čapek)–এর একটি নাটকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ “Robota” থেকে, যার অর্থ হলো শ্রমিক(Labourer)।
 
• প্রথম রোবট ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট:
- আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল(George Charles Devol) প্রথম রোবট তৈরি করেন।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল “Unimate”।
- Unimate রোবট প্রকল্পের উদ্যোক্তা ছিলেন জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার, যিনি শিল্পক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার জনপ্রিয় করেন।

• অন্যান্য অপশন:
- ASIMO: হিউম্যানয়েড রোবট, যা মানুষের মতো বিভিন্ন কাজ করতে পারে।
- Sophia: সামাজিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক রোবট।
- Atlas: উন্নত গবেষণামূলক হিউম্যানয়েড রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৫৮.
উচ্চ স্তরের ভাষা সাধারণত কিসের সাথে সাদৃশ্য রেখে তৈরি করা হয়?
  1. মানুষের ভাষা
  2. বৈদ্যুতিক সংকেত
  3. হার্ডওয়্যার নকশা
  4. মেশিন কোড
ব্যাখ্যা

• উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।

• উচ্চ স্তরের ভাষা(High Level Language):
- উচ্চ স্তরের ভাষা সংকেত বা সাংকেতিক কোডনির্ভর নয়।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য, অর্থাৎ এটি মেশিন-স্বাধীন।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার তুলনায় প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও কম শ্রমসাধ্য।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার দ্বারা মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে হয়।
- অনুবাদের পর কম্পিউটার প্রোগ্রামটি নির্বিঘ্নে বুঝতে ও চালাতে পারে।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার উদাহরণ:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG.
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এক ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন তুলনামূলকভাবে সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় বিপুল সংখ্যক লাইব্রেরি ফাংশন বিদ্যমান।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।