উত্তর
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধরূপ- সৌজন্য।
• প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ:
- বাংলা ভাষায় কিছু প্রত্যয় (যেমন: ই, তা, ত্ব) মূলত বিশেষণকে বিশেষ্যে রূপান্তরিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু যদি এগুলো ইতিমধ্যেই বিশেষ্য হিসেবে থাকা শব্দের সঙ্গে যুক্ত করা হয়, তবে তা অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ হয়।
- নিয়ম:
- বিশেষণ + 'তা' → সঠিক, যেমন: 'গভীর' + 'তা' → গভীরতা;
- এখানে গভীর বিশেষণকে তা প্রত্যয়যোগে বিশেষ্যে রুপান্তর করা হয়েছে।
- বিশেষ্য + 'তা' → অশুদ্ধ, যেমন: 'রক্তিমতা'- এখানে 'তা' প্রত্যয়টি অতিরিক্ত।
- শুদ্ধ হবে 'রক্তিমা', কারণ 'রক্তিমা' নিজেই বিশেষ্য।
- “সৌজন্যতা” শব্দে ‘তা’ সংযোজন করা হয়েছে।
- বাংলায় ‘তা’ বা ‘ই’ প্রত্যয় মূলত বিশেষণকে বিশেষ্যে রূপান্তরিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু "সৌজন্য" ইতিমধ্যেই বিশেষ্য।
- তাই "সৌজন্যতা" শব্দটি ব্যাকরণগত ভুল।
-' সুজন’ থেকে ‘য’ প্রত্যয় যোগে গঠিত সৌজন্য শব্দের সাথে অতিরিক্ত ‘তা’ যোগ করা ব্যাকরণগতভাবে অপ্রয়োজনীয় এবং অশুদ্ধ।
- তাই সৌজন্যতার শুদ্ধরূপ হচ্ছে- সৌজন্য।
অন্যদিকে,
- "সৌজন্যপূর্ণ" শব্দটি বিশেষণ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি – ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।