পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৪০
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪০ প্রশ্ন

.
কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনা কোনটি?
  1. গুলে বকাওলী
  2. সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল
  3. মক্তুল হোসেন
  4. হানিফা কয়রাপরী
ব্যাখ্যা
'মক্তুল হোসেন':
• মুহম্মদ খানের 'মুক্তল হোসেন' কারবালার কাহিনি বিষয়ক মর্সিয়া সাহিত্য। কারবালায় শহীদ ইমাম হোসেন ও অন্যান্য শহীদদের উদ্দেশে লিখিত শোকগাথা ও প্রশংসামূলক কবিতা মর্সিয়া সাহিত্য নামে অভিহিত হয়েছে।

• মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ মর্সিয়া কাব্য মক্তুল হোসেন। এ কাব্যের রচয়িতা চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার জোবরা গ্রামের অধিবাসী মুহম্মদ খান (১৫৮০-১৬২০ খ্রি.)। এ কাব্যটি ফারসি কাব্য মক্তুল হোসেন এর ভাবানুবাদ হলেও এতে কবির নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা ও কল্পনার প্রাধান্য আছে।

অন্যদিকে, 
• গুলে বকাওলী, সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল ও হানিফা কয়রাপরী রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কাব্য। 

-----------------
• 'জঙ্গনামা':

- জঙ্গনামা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য।
- ফারসি 'জঙ্গ' শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর 'জঙ্গনামা' শব্দের অর্থ যুদ্ধ বা তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। অর্থ্যাৎ 'জঙ্গনামা' কাব্যের বিষয় যুদ্ধ-বিগ্রহ।
- বিশেষত হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে।  বাংলা সাহিত্যে 'জঙ্গনামা' বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।

জঙ্গনামা শ্রেণির কাব্যধারার উল্লেখযোগ্য কবি ও কাব্যের নাম হলো:
• শেখ ফয়জুল্লাহ, (জয়নবের চৌতিশা),
• দৌলত উজির বাহরাম খান (জঙ্গনামা),
• মুহম্মদ খান (মক্তুল হোসেন),
• শেরবাজ (কাশিমের লড়াই ও ফাতিমার সুরতনামা),
• হেয়াত মামুদ (জারি-জঙ্গনামা),
• জাফর (শহীদ-ই-কারবালা ও সখিনার বিলাপ),
• হামিদ (সংগ্রাম হুসেন),
• ফকির গরিবুল্লাহ (জঙ্গনামা ও সোনাভান),
• মুহম্মদ হামিদুল্লাহ খান (গুলজার-ই-সাহাদৎ) এবং
• ওয়াহিদ আলী (বড় জঙ্গনামা)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম ।
.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত মহাকাব্য কোনটি?
  1. বৃত্রসংহার
  2. অশ্রুমালা
  3. মেঘনাদবধ কাব্য
  4. মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা
• "মহাশ্মশান" মহাকাব্য:
- কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'মহাশ্মশান' ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- কাব্যটি ধারাবাহিকভাবে মোহাম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত 'কোহিনূর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে কাব্যটি রচিত।
- কাব্যটি তিনটি খণ্ড রচিত। প্রথম খণ্ডে ২৯টি সর্গ, দ্বিতীয় খণ্ডে ২৪টি সর্গ, তৃতীয় খণ্ডে ৭টি সর্গ বিদ্যমান।

মহাকাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- ইব্রাহিম কার্দি,
- জোহরা বেগম, 
- হিরণ বালা,
- আতা খাঁ,
- রত্নজি,
- সুজাউদ্দৌলা,
- সেলিনা,
- আহমদ শাহ্ আব্দালী।

অন্যদিকে, 
• 'বৃত্রসংহার' হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত মহাকাব্য। মহাভারতের কাহিনি অবলম্বনে রচিত হয়েছে এ কাব্যটি এবং এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা।

• মাইকেল মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।

• আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদের গীতিকাব্য 'অশ্রুমালা' (১৮৯৫)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'ওঙ্কার' কোন লেখকের ও কোন পটভূমিতে রচিত উপন্যাস?
  1. তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের
  2. আখতারুজ্জমান ইলিয়াস-ভাষা আন্দোলনের
  3. আনোয়ার পাশা- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের
  4. আহমদ ছফা- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের
ব্যাখ্যা
• 'ওঙ্কার' উপন্যাস:
- আহমদ রচিত ছফা 'ওঙ্কার' উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত। আহমদ ছফা রচিত ওঙ্কার উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে।
- এই উপন্যাসের নায়ক, আবু নসরের বোবা মেয়েকে বিয়ে করে। আবু নসরের সঙ্গে আইয়ুব খানের সম্পর্ক থাকায় সে এক ধরনের ক্ষমতা লাভ করে। আর এই ঘটনার সূত্র ধরে উপন্যাসটির কাহিনি গতি লাভ করেছে।
- ওঙ্কার উপন্যাস অবলম্বনে 'বাঙলা' চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
"সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।"- মন্তব্যটি কোন উপন্যাসে উদ্ধৃত হয়েছে?
  1. দিবারাত্রির কাব্য
  2. পুতুল নাচের ইতিকথা
  3. ইতিকথার পরের কথা
  4. শহরবাসের ইতিকথা
ব্যাখ্যা
• "পুতুল নাচের ইতিকথা" উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পুতুল নাচের ইতিকথা'।
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস সম্পর্কে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন-"সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।"- এই উপন্যাসে সেই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োগ আছে।
- এই উপন্যাসে 'পুতুল' বলতে সেসকল মানুষকে বোঝানো হয়েছে যারা চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে দাড়াতে পারে না; পুতুলের মতো অন্যের অল্প ধাক্কাতেই চালিত হয়।
- 'শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?' উক্তিটি উপন্যাসে ডাক্তার শশী কুসুমকে উদ্দেশ্য করে বলে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো-
- শশী,
- কুসুম,
- গোপাল,
- সেনদিদি,
- যাদব পণ্ডিত ইত্যাদি।

-------------------
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো-
- জননী (প্রথম প্রকাশিত),
- চিহ্ন,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- সোনার চেয়ে দামি,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- ইতিকথার পরের কথা,
- আরোগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস।
.
'রঙিলা নায়ের মাঝি' জসীম উদ্‌দীন রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. প্রবন্ধ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. গানের সংকলন
ব্যাখ্যা
• 'রঙিলা নায়ের মাঝি'
- 'রঙিলা নায়ের মাঝি' সংকলনটির রচয়িতা জসীম উদ্‌দীন।
- এটি তাঁর রচিত একটি গানের সংকলন।
- সংকলনটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়। 

• 'রঙিলা নায়ের মাঝি' গানের সংকলনের অন্তর্ভুক্ত সংগীতগুলো হলো:
- আজ আমার মনে ত না মানেরে, 
- আমার বন্ধু বিনোদিয়ারে, 
- আরে ও রঙিলা নায়ের মাঝি, 
- উজান গাঙের নাইয়া, 
- ও আমার গহিন গাঙের নায়া, 
- ও তুই যারে আঘাত হানলিরে মনে,
- ও মোহন বাঁশী,
- নদীর নাই-কিনার নাইরে,
- নিশিতে যাইও ফুলবনে,
- বাঁশরী আমার হারায়ে গিয়েছে,
- সিন্দুরের বেসাতি।

--------------
• জসীম উদ্‌দীন রচিত কয়েকটি গানের সংকলন হলো:
- রঙিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর; 'রঙিলা নায়ের মাঝি' সংকলন এবং বাংলাপিডিয়া।
.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র রচনা নয় কোনটি?
  1. হঠাৎ আলোর ঝলকানি
  2. কাঁদো নদী কাঁদো
  3. জীবন থেকে নেয়া
  4. সুড়ঙ্গ
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচনা নয়- জীবন থেকে নেয়া। 
• 'জীবন থেকে নেয়া' জহির রায়হান পরিচালিত একটি বাংলা চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭০ সালের এপ্রিলে মুক্তি পায়।

-------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে তাঁর জন্ম।

- ফেনী হাইস্কুলে ছাত্র থাকাকালেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যচর্চার সূত্রপাত হয়। এ সময় তিনি হাতে লেখা পত্রিকা 'ভোরের আলো' সম্পাদনা করেন।

- তাঁর প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’  ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। ইংরেজি-বাংলা উভয় ভাষায় তাঁর দক্ষতা ছিল।

- তিনি 'কনটেম্পোরারি' নামে একটি ইংরেজি পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯৪৫-৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতার দৈনিক স্টেটস্ম্যান পত্রিকার সাব-এডিটর ছিলেন। এছাড়াও সওগাত, মোহাম্মদী, বুলবুল, পরিচয়, অরণি, পূর্বাশা প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হতো।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ।

• উপন্যাস:
- লালসালু, 
- চাঁদের অমাবস্যা, 
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা, 
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'ওসমান' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত কোন গ্রন্থের প্রধান চরিত্র?
  1. চিলেকোঠার সেপাই
  2. খোয়াবনামা
  3. দোজখের ওম
  4. খোয়ারি
ব্যাখ্যা
• 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাস:
- 'চিলেকোঠার সেপাই' বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই।
- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র ওসমান।
- কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান। এখানে ইতিবাচক রাজনীতির উপস্থাপনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অব্যবহিত পূর্বরূপটি অঙ্কিত হয়েছে।

--------------
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খোয়াবনামা।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
১৮৬০ সালে প্রকাশিত নাটক কোনটি?
  1. কমলে কামিনী
  2. নীলদর্পণ
  3. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  4. লীলাবতী
ব্যাখ্যা
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- 'নীলদর্পণ' দীনবন্ধু মিত্রের শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনা।

- সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু। নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।

- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।

- নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মধুসূদন দত্ত A Native ছদ্মনামে 'Nil Durpan, or The Indigo Planting Mirror' নামে অনুবাদ করেছিলেন।প্রকাশ করেছিলেন রেভারেন্ড জেমস লং। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে।

• নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- গোলক বসু,
- নবীন মাধব,
- রাইচরণ,
- তোরাপ,
- সাবিত্রী,
- সরলতা,
- ক্ষেত্রমণি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'কমলে কামিনী' (১৮৮৩) তাঁর শেষ রচনা। রোম্যান্টিক প্রণয়চিত্র হিসেবে এর গুরুত্ব।
• 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' (১৮৬৬) বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লিখিত একটি প্রহসন। নামের মাধ্যমেই এর পরিচয় প্রকাশমান।
• দীনবন্ধু মিত্রের 'লীলাবতী' (১৮৬৭) নাটকটি রচনা হিসেবে সার্থকতা লাভ করতে পারেনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কুক্কুরীপা চর্যাগীতির কয়টি গানের রচয়িতা?
  1. ৮টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• কুক্কুরীপা:
- কুক্কুরীপা চর্যাগীতির তিনটি গানের রচয়িতা। এদের মধ্যে একটি গান [৪৮ সংখ্যক পুথির লুপ্ত অংশ ছিল।

- তিনি উচ্চবংশীয় ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তাঁর চর্যার ভাষা সে ইঙ্গিত বহন করে। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'যোগভাবনাপ্রদেশ', 'স্রবপরিচ্ছদ'।

- কুক্কুরীপা তান্ত্রিক নাম কিংবা ছদ্মনাম। কুলীন বা উচ্চবংশীয় হলেও কাব্যমূর্তির কারণে বা তান্ত্রিকতার আকর্ষণে তিনি এ নাম ব্যবহার করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়। নামের সঙ্গে 'পা' যুক্ত থাকায় কেউ কেউ একে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাসূচক ছদ্মনাম বলে মনে করেন। তারানাথের মতে, সঙ্গে সবসময় একটি কুকুরী থাকত বলে তাঁর নামকরণ হয়েছে কুক্কুরীপা।

- কুক্কুরীপা বাংলার উত্তরখণ্ডের অধিবাসী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। অবশ্য হিন্দিভাষীরা তাঁকে কপিলাবস্তু বা বুদ্ধের জন্মস্থান নেপালের লোক বলেছেন।

- সংস্কৃত রচনা 'মহামায়াসাধন'-এর রচয়িতা হিসেবে কুকুরীপার নাম পাওয়া গেছে। এ থেকে অনুমিত হয়, তিনি মহামায়ার উপাসক ছিলেন। ড. শহীদুল্লাহ্ মতে, কুকুরীপা ৭৪০ থেকে ৮২০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে জীবিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, ৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে রাজা ধর্মপালের শাসনামলে কুক্কুরীপা তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিলেন।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, ড. মাহবুবুল হক।
১০.
'ত্রিবিক্রম বর্মণ' কোন কবির ছদ্মনাম?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন কবি ও ছান্দসিক। কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্য 'ছন্দের জাদুকর' বা 'ছন্দের রাজা' হিসেবে খ্যাত।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- তুলির লিখন,
- হোমশিখা,
- অভ্র-আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- তীর্থ রেণু,
- মণি মঞ্জুষা।

অন্যদিকে, 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনামে লিখেন। এগুলো হলো-
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
- নবীন কিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
- বাণী বিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি মধ্যমা ও
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

• 'বনফুল' ছদ্মনামে লিখতেন 'বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
কোনটি উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি?
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।
উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
'ভাগ্যবান' অর্থে ব্যবহৃত বাগ্‌ধারা কোনটি?
  1. নদের চাঁদ
  2. লগন চাঁদা
  3. সবেধন নীলমণি
  4. সুখের পায়রা
ব্যাখ্যা
• 'লগন চাঁদা' বাগ্‌ধারার অর্থ - ভাগ্যবান।

অন্যদিকে,
• "সুখের পায়রা" অর্থ- সুসময়ের বন্ধু
• “নদের চাঁদ" অর্থ - সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ।
• "সবেধন নীলমণি" অর্থ - একমাত্র সম্পদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৩.
'আমি' কোন পুরুষের উদাহরণ?
  1. প্রথম পুরুষ
  2. মধ্যম পুরুষ
  3. উত্তম পুরুষ
  4. নাম পুরুষ
ব্যাখ্যা
• প্রথম পুরুষ বা নাম পুরুষ:
যে সর্বনামের দ্বারা বক্তা বা শ্রোতা ছাড়া অন্য ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বোঝায়, তাকে প্রথম পুরুষ বা নাম পুরুষ বলে।
আমি ও তুমি এবং এদের দলভুক্ত অন্যান্য সর্বনাম ছাড়া যাবতীয় সর্বনাম পদ প্রথম পুরুষ বা নাম পুরুষ।
যেমন: সে, তাকে, তাঁর, তিনি ইত্যাদি।

• উত্তম পুরুষ:
স্বয়ং বক্তাই উত্তম পুরুষ। আমি, আমরা, আমাদের ইত্যাদি সর্বনাম শব্দ উত্তম পুরুষ।
যেমন: আমি।

• মধ্যম পুরুষ:
প্রত্যক্ষভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি বা শ্রোতাই মধ্যম পুরুষ। তুমি, তোমরা, তোমাদের, আপনি, আপনারা, আপনাদের ইত্যাদি সর্বনাম শব্দ মধ্যম পুরুষ।
যেমন: তুমি, আপনি, তুই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি, প্রমিত বাংলা, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
'অন্বয়' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনু + ময়
  2. অনু + অয়
  3. অন্ব + ময়
  4. অব + নয়
ব্যাখ্যা
• স্বরসন্ধির নিয়ম:
উ-কার বা উ-কারের পর ঊ-কার। ঊ-কার ছাড়া অন্য স্বর থাকলে উ বাউ স্থানে ব-ফলা হয়। ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে যুক্ত হয়।

সূত্র: উ + অ = ব্‌ + অ;
- মনু + অন্তর = মন্বন্তর। 

এই নিয়মের আরো কিছু সন্ধি বিচ্ছেদ:
• অনু + অয় = অন্বয়;
• পশু + আচার = পশ্বাচার;
• অনু + অয় = অন্বয়;
• তনু + ঈ = তন্বী;
• অনু + এষন = অন্বেষণ;
• সু + আগত = স্বাগত ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৫.
'বরবাদ' শব্দটি কোন উপসর্গ যোগে গঠিত?
  1. ফারসি
  2. সংস্কৃত
  3. আরবি
  4. বাংলা
ব্যাখ্যা
• বর্-ফারসি উপসর্গ যোগে 'বাইরে, মধ্যে' অর্থে গঠিত শব্দ-  বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ। 

--------------------
• বিদেশি উপসর্গ:

আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে। বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
• আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
• ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
• উর্দু উপসর্গ: হিন্দি উপসর্গ: হর।
• ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৬.
'সমীর' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. আলো
  2. সূর্য
  3. পানি
  4. বাতাস
ব্যাখ্যা
• সমীর (বিশেষ্য পদ),
অর্থ:
- বায়ু,
- বাতাস,
- পবন।

• 'বাতাস' এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ:
বায়ু, পবন, সমীর, সমীরণ, গন্ধবহ/গন্ধবাহ, অনিল, মারুত, বাত, বায়, আশুগ, পবমান, সদাগতি, নভঃশ্বাস, শব্দবহ, অগ্নিসখ, জগতায়ু, জগৎপ্রাণ, মাতরিশ্বা, জগদ্বল, ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১৭.
'পাওয়ার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. ঈর্ষী
  2. ঈপ্সা
  3. ঈপ্সিত
  4. ঈক্ষিত
ব্যাখ্যা
• 'পাওয়ার ইচ্ছা' এক কথায় প্রকাশ - ঈপ্সা।

অন্যদিকে, 
• 'ঈর্ষী' অর্থ - ঈর্ষাপরায়ণ।
• 'ঈপ্সিত' অর্থ - অভিলষিত, কাঙ্ক্ষিত।
• 'ঈক্ষিত' অর্থ - দেখা হয়েছে এমন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮.
'অনুতে যে তাপ' ব্যাসবাক্যটি কোন সমাস নির্দেশ করে?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. প্রাদি সমাস
  4. কর্মধারায় সমাস
ব্যাখ্যা
• প্রাদি সমাস:
প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যেও সমাস হয় তাকে বলে প্রাদি সমাস।
যেমন:
• প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন,
• প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি।

প্রাদি সমাসে-
• 'প্র'থাকলে 'প্রকৃষ্ট' হবে। যেমন: প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত।
• 'পরি' থাকলে 'চতুর্দিকে' হবে। যেমন: পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ।
• 'অনু' থাকলে 'পশ্চাত' হবে। যেমন: অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. বিরক্ত
  2. বিরত
  3. উদ্ধত
  4. ঔদ্ধত্য
ব্যাখ্যা
• 'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরত। 

অন্যদিকে, 
- 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ - বিনীত। 
- 'অনুরক্ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরক্ত। 
- 'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীত শব্দ - বিনয়। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
২০.
'পাঞ্জাবি' অর্থ অনুসারে কোন ধরনের শব্দ?
  1. মিশ্র শব্দ
  2. যৌগিক শব্দ
  3. রূঢ়ি শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দের অর্থ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত হলেও মূল অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।

ব্যুৎপত্তি বিশ্লেষণ করে যে শব্দের অর্থ বোঝা যায় না তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন- হস্তী শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: হস্ত + ইন (যার হাত আছে) কিন্তু শব্দটি হাতি নামক একটি বিশেষ প্রাণীকে বোঝাচ্ছে। 

এমনিভাবে, 
• কুশ + অল- (কুশ আহরণকরে যে) কুশল কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ নিপুণ বা ভালো। 
• বাঁশ + ই- বাঁশি (বাঁশ দিয়ে তৈরি সব বস্তুকে না বুঝিয়ে একটি বিশেষ বাদ্যযন্ত্রকে বোঝাচ্ছে)।
• পাঞ্জাবি- বিশেষ ধরণের জামা; অথচ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ পাঞ্জাবের লোক। 
• সন্দেশ - সংবাদ না বুঝিয়ে বিশেষ ধরনের। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
কোন বাঙালি কবি প্রথম গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্প প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।

-  ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সারদা দেবী।


- ১৯০১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'শান্তিনিকেতন বিদ্যালয়।' এ বিদ্যালয়ই পরবর্তীকালে 'বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়'-এ রূপলাভ করে।

- ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' (১৯১১) কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

- বাংলা কবিতাকে তিনিই প্রথম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রসারিত করেন। বাংলা ছোটগল্পকে তিনিই বাংলা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করেন। গীতিকার ও চিত্রশিল্পী হিসেবেও রবীন্দ্রনাথের অবদান অনন্যসাধারণ।

- বিবিসির বাংলা বিভাগ পরিচালিত জরিপে (২০০৪) সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় রবীন্দ্রনাথের স্থান ছিল দ্বিতীয়।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরি বাঙালি হিসেবে প্রথম গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্প প্রতিষ্ঠা করেন। এর জন্য তিনি পুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আমেরিকার আরবানায় ইলিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান কৃষি ও পশুপালন বিদ্যায় প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে।
 
তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হলো:
• কবিতা: মানসী, সোনারতরী, চিত্রা, গীতাঞ্জলি, বলাকা, শেষলেখা।

• উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, যোগাযোগ, শেষের কবিতা।

• নাটক: বিসর্জন, রাজা, অচলায়তন, ডাকঘর, রক্তকরবী।

• প্রবন্ধ: আধুনিক সাহিত্য, মানুষের ধর্ম, কালান্তর, সাহিত্যের স্বরূপ।

• আত্মজীবনী: জীবনস্মৃতি, ছেলেবেলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং মাধ্যমিক সাহিত্য পাঠ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
'আবদুল্লাহ' উপন্যাসে চিত্রিত হয়েছে-
  1. মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের স্বামী ভক্তি
  2. মুসলিম সমাজের নারী শিক্ষা
  3. গ্রামীণ মুসলিম সমাজের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
  4. গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি
ব্যাখ্যা
• 'আবদুল্লাহ' উপন্যাস:
- 'আবদুল্লাহ' কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি উপন্যাস। এটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো।
- ১৯৩৩ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

- কাজী ইমদাদুল হকের শেষ রচনা 'আবদুল্লাহ্' উপন্যাসের ৩০ পরিচ্ছেদ পর্যন্ত তিনি লিখতে পেরেছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যুর পরে আনোয়ারুল কাদীর বাকি ১১ পরিচ্ছেদ রচনা করেন মূল গ্রন্থকারের
খসড়া-অবলম্বনে। তবে আবদুল কাদির বলেছেন, তাঁদের দুজনের দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশেষ পার্থক্য ঘটেছে।

- উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ।

- আবদুল্লাহ্ (১৯৩৩) উপন্যাসে বাঙালি মুসলমান সমাজের যেসব সমস্যার প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে, পিরবাদ তার মধ্যে প্রথম।


উপন্যাসে চিত্রিত সমস্যসমূহ ও কাহিনি সংক্ষেপ-
• উপন্যাসের নায়ক আবদুল্লাহ্ আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, ধর্মপ্রাণ, কিন্তু কুসংস্কারবিরোধী। তার মতে, পির-মুরিদি ব্যবসাটা হিন্দুদের পুরুতগিরির অনুকরণ, ইসলামে তার স্থান নেই। কাসেম গোলদারের বাড়িতে নিজের পিতৃপুরুষের অলৌকিক ক্ষমতার গল্প শুনে তার মনে বিস্ময় জাগে: 'পুত্রের পীরত্বে পিতার হৃদয়ে এরূপ সাংঘাতিক হিংসার উদ্রেক আরোপ করিয়া ইহারা পীর-মাহাত্ম্যের কি অদ্ভুত আদর্শই মনে মনে গড়িয়া তুলিয়াছে!' পির হওয়ার সহজ পথ ত্যাগ করে আবদুল্লাহ্ চাকরি করে উপার্জন করতে প্রবৃত্ত হয়েছে।

• আশরাফ-আতরাফভেদ আরেক সামাজিক সমস্যা। সৈয়দ সাহেবের মাদ্রাসায় এদের পাঠদানের বৈষম্য দেখে আবদুল্লাহ্ বিস্মিত হয় এবং মৌলভী সাহেবকে তার কারণ জিজ্ঞাসা করে। মৌলভী সাহেব জানান, আতরাফের সন্তানেরা তো মিয়াদের সমান চলতে পারে না, তাই সৈয়দ সাহেব এই বিষম শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করেছেন।
আবদুল্লাহ্ যখন বলে, একেবারেই যদি তাদের পড়ানো না হয়, তাহলে কি আরো ভালো হয় না?, মৌলভী সাহেব তখন বলেন, গরিবেরা যখন শিখতে চায়, তখন তাদের একেবারে নিরাশ করলে খোদার কাছে কী জবাব দেবেন, তাছাড়া গোম্বারে এলেমদান করলে অনেক সওয়াব হয়, একথা কেতাবে আছে। এই সমস্যার চরম অভিব্যক্তি দেখা যায় মসজিদের ইমাম জোলা বলে যখন সৈয়দ সাহেব তাঁর পিছনে নামাজ পড়তে অস্বীকার করেন, তখন। এমনকী, সুফী সাহেব পর্যন্ত সৈয়দ সাহেবের এমন বংশাভিমান সম্পর্কে কোনো কথা বলেন না। এই অশিষ্টতার বিরুদ্ধে আবদুল্লাহ্ এক মূর্তিমান প্রতিবাদ-সে জোলা ইমামের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। বংশমর্যাদা-প্রসঙ্গে মীর সাহেবের কথায় আবদুল্লাহ্‌র মনোভাবই প্রতিধ্বনিত হয়েছে: 'কবরের ওপারের দিকে তাকাবার আমি কোন দরকার দেখি নে।'

• পর্দাপ্রথার শ্বাসরুদ্ধকর কড়াকড়ির বিরুদ্ধেও আবদুল্লাহ্ সাহস করে দাঁড়িয়েছে। পল্লীসমাজের পরনিন্দা-প্রবৃত্তি এবং খাতকের প্রতি মহাজনের অত্যাচারের চিত্র-উদ্‌ঘাটনে কাজী ইমদাদুল হক অকুণ্ঠ। হিন্দু-মুসলমান-বিরোধের পর্যালোচনাও তিনি করেছেন, সেখানে তিনি দায়ী করেছেন সম্প্রদায়কে নয়, ব্যক্তিকে। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'আবদুল্লাহ' উপন্যাস। 
২৩.
'জীবনক্ষুধা' উপন্যাসের রচয়িতা কে
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. আবদুল্লাহ আল মুতী
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
• 'জীবনক্ষুধা' উপন্যাসের রচয়িতা আবুল মনসুর আহমদ।
- উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। 

অন্যদিকে, 
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসে একদিকে মৃত্যু অন্যদিকে ক্ষুধার জ্বালা দেখানো হয়েছে।

-------------------
• আবুল মনসুর আহমদ:
- আবুল মনসুর আহমদ ছিলেন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও একজন সাহিত্যিক।
- তিনি ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে।
- তিনি দি মুসলমান পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন ১৯২৬ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত।
- আবুল মনসুর ১৯৩৮ সালের ডিসেম্বর মাসে দৈনিক কৃষক পত্রিকার সম্পাদক নিযুক্ত হন।
- আবুল মনসুর আহমদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রূপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

আবুল মনসুর আহমেদ রচিত গল্পগ্রন্থ:
- ফুড কনফারেন্স,
- আয়না,
- আসমানী পর্দা।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সত্য মিথ্যা,
- জীবনক্ষুধা,
- আবে হায়াত।

আত্মচরিত:
- আত্মকথা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪.
কোনটি রাজনৈতিক উপন্যাস?
  1. কুহেলিকা
  2. বিষবৃক্ষ
  3. নৌকাডুবি
  4. কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা
• 'কুহেলিকা' উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুহেলিকা' উপন্যাসটি ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় প্রকাশ আরম্ভ হয়।
- এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস। এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর।
এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, 'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'

এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হচ্ছে:
- কুহেলিকা,
- তাহমিনা,
- চিম্পা,
- ফিরদৌস বেগম।

অন্যদিকে,
• 'বিষবৃক্ষ' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
• 'নৌকাডুবি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর রচিত সামাজিক উপন্যাস- 'কৃষ্ণকান্তের উইল'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
কবি নজরুলের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে প্রধান সহায়ক পত্রিকাটি কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হতো?
  1. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  2. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
  3. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
  4. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা
• 'মোসলেম ভারত' পত্রিকা:
- কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে ১৩২৭বঙ্গাব্দের বৈশাখ (১৯২০) মাসে মাসিক 'মোসলেম ভারত' প্রকাশিত হয়।
- প্রথম বছর নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হলেও পরের বছর অনিয়মিতভাবে প্রকাশ হয়। সব মিলিয়ে মাত্র ১৭টি সংখ্যা বেরিয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথের বাণী পত্রিকাটির প্রতি সংখ্যার সূচনাতে মুদ্রিত হতো।
- 'মোসলেম ভারত' নজরুলের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে প্রধান সহায়ক হয়েছে। প্রতি সংখ্যায় নজরুলের একাধিক রচনা এখানে মুদ্রিত হয়।
- নজরুলের কামাল পাশা, মোহররম, শাত-ইল-আরব, বিদ্রোহী, বাঁধন হারা ইত্যাদি নানা ধরনের লেখা এই পত্রিকায় প্রকাশিত হত। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
মুনিদত্ত কোন ভাষায় চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন?
  1. হিন্দি
  2. সংস্কৃত
  3. বাংলা
  4. ব্রজবুলি
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম গ্রন্থ চর্যাপদ।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' শিরোনামে প্রকাশ করে।
- চর্যাপদে মোট পদ সংখ্যা সাড়ে ৪৬টি।
- এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- অপরদিকে, ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

চর্যাপদের পদসংখ্যা নিয়ে মতান্তর রয়েছে:
- চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন।

- সুকুমার সেন রচিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম 'চর্যাগীতি পদাবলী'। যদিও সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। টীকাকারের কাছে মূল চর্যার পুঁথিতে আরো অন্তত একটি বেশি চর্যা ছিল (১১ ও ১২ তম চর্যার মাঝখানে)। এই চর্যাটির ব্যাখ্যা না থাকায় লিপিকার উদ্ধৃত করেন নি, শুধু 'টীকা নাই' এই মন্তব্যটুকু করিয়াছেন। সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১ নং পদের ব্যাখ্যা করেন নি। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।

-  ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫ - ১৯৬৯) সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থে - 'Buddhist Mystic Songs' (১৯৬০) চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- ড. মাহবুবুল আলম।
২৭.
কোনটি ধ্বনি বিপর্যয় ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. নকশা > নশকা
  2. ধাইমা > দাইমা
  3. লাল > নাল
  4. ফাল্গুন > ফাগুন
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি বিপর্যয়:
উচ্চারণের সময় আগের ধ্বনি পরে গেলে ও পরের ধ্বনি আগে চলে আসলে ধ্বনি বিপর্যয় ঘটে।
যেমন:
- তলোয়ার > তরোয়াল,
- নকশা > নশকা,
- রিক্সা > রিস্কা,
- লাফ > ফাল। 

অন্যদিকে, 
----------------------
• ব্যঞ্জনবিকৃতি:
শব্দের মধ্যে কোন ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যদি নতুন কোন রূপ ধারণ করলে তাকে ব্যঞ্জনবিকৃতি বলে।
যেমন:
- কবাট > কপাট,
- ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
যেমন:
- শরীর > শরীল,
- লাল > নাল,
- লাঙ্গল > নাঙ্গল ইত্যাদি।

• অন্তর্হতি:
পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্তর্হতি বলে।
যেমন:
- ফাল্গুন > ফাগুন,
- ফলাহার > ফলার,
- আলাদিয়া > আলাদা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২৮.
'Supplement' এর বাংলা পরিভাষা-
  1. অভিযোগপত্র
  2. নিকাশপত্র
  3. ক্রোড়পত্র
  4. অংশপত্র
ব্যাখ্যা
• 'Supplement' এর বাংলা পরিভাষা- ক্রোড়পত্র।

অন্যদিকে, 
• Clearance - নিকাশপত্র। 
• Charge sheet - অভিযোগপত্র।  
• Deed of partition - অংশপত্র, বণ্টননামা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
২৯.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. স্বায়ত্বশাসন
  2. সতন্ত্র
  3. সান্তনা
  4. স্বাচ্ছন্দ্য
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান- স্বাচ্ছন্দ্য।
- বিশেষ্য পদ। 
- সংস্কৃত পদ। 
- প্রকৃতি-প্রত্যয়: স্বচ্ছন্দ + য। 

অর্থ:
- স্বচ্ছন্দতা।
- বাধাহীনতা।
- সুস্থতা।

অশুদ্ধ বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ হলো-
• স্বায়ত্বশাসন - স্বায়ত্তশাসন। 
• সতন্ত্র - স্বতন্ত্র। 
• সান্তনা- সান্ত্বনা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩০.
The play "Caesar and Cleopatra" is by-
  1. Arthur Miller
  2. William Congreve
  3. George Bernard Shaw
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা
• The play "Caesar and Cleopatra" is by George Bernard Shaw.

• Caesar and Cleopatra:
- "Caesar and Cleopatra" হলো আইরিশ নাট্যকার George Bernard Shaw-এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
- এই চার অঙ্কের নাটকটি G. B. Shaw ১৮৯৮ সালে লিখেছিলেন, যা ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং প্রথম মঞ্চস্থ হয় ১৯০৬ সালে।
- এই play টিকে G.B Shaw এর  first great play হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

• Summary:
- "Caesar and Cleopatra" নাটকে রোমান সম্রাট Julius Caesar ও মিশরের রানি Cleopatra-র সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক কৌশলকে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে Cleopatra-কে একজন কাঁচা, অভিজ্ঞতাহীন কিশোরী রানি হিসেবে দেখানো হয়, যাকে Caesar ধীরে ধীরে শাসন ও নেতৃত্বের শিক্ষা দেন।
- Caesar কোনো রোমান্টিক চরিত্রের চেয়ে বরং একজন জ্ঞানী, বিচক্ষণ এবং সহিষ্ণু নেতা হিসেবে চিত্রিত, যিনি যুদ্ধ নয়, ন্যায় ও সদিচ্ছার মাধ্যমে বিজয় চান।
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো: ক্ষমতার ব্যবহার, নৈতিকতা, নেতৃত্বের শিক্ষা এবং রাজনীতি।

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- He was famous for his 'drama of ideas'.

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Man and Superman (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc, etc.

• Note:
- 'Antony and Cleopatra' নামে William Shakespeare এর একটি play রয়েছে।

Source: Britannica.
৩১.
'William Butler Yeats' is the author of-
  1. Mending Wall
  2. Easter 1916
  3. Gerontion
  4. The Easter Wings
ব্যাখ্যা
• 'William Butler Yeats' is the author of "Easter 1916".

• Easter 1916:
- এই কবিতাটি 1916 সালের “Easter Rising” নামক ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত।
- এই কবিতাটি স্মরণ করে ইস্টার বিদ্রোহের শহীদদের, যা ১৯১৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডে সংঘটিত হয়েছিল।
- যেখানে আইরিশ বিদ্রোহীরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল স্বাধীনতার জন্য।
- যদিও এই বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল এবং অনেক নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, Yeats কবিতায় তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেছেন।
- কবিতাটি নায়কত্বের প্রকৃতি এবং দৈনন্দিন জীবনের সাথে তার অমিল বা সাংঘর্ষিকতা বিশ্লেষণ করে।

• William Butler Yeats (1865-1939):
- তিনি একজন আইরিশ কবি এবং নাট্যকার।
- তাঁকে Ireland এর National poet বলা হয়ে থাকে।
- বিংশ শতকে অনুষ্ঠিত হওয়া সাহিত্যে জগতে আইরিশ পুনর্জাগরণের অন্যতম পথিকৃত এই লেখক।
- তিনি তার রচিত সাহিত্যকর্মে symbolism এবং mysticism ব্যবহার করেছিলেন।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- Abbey Theatre হচ্ছে W. B. Yeats প্রতিষ্ঠাকৃত Irish National Theatre Society.
- মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

• Major Poems:
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- The Winding Stair and Other Poems,
- The Second Coming,
- Easter 1916,
- September 1919,
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan, etc.

• অন্যদিকে,
- 'Mending Wall' হলো Robert Frost -এর বিখ্যাত কবিতা।
- 'Gerontion' হলো T.S. Eliot -এর কবিতা।
- 'The Easter Wings' হলো George Herbert -এর কবিতা।

Source: Britannica.
৩২.
Who wrote 'A Passage to England'?
  1. Pablo Neruda
  2. Pandit Nehru
  3. Nirad C. Chaudhuri
  4. E. M. Forster
ব্যাখ্যা
• 'A Passage to England' was written by Nirad C. Chaudhuri.

• A Passage to England:
- 'A Passage to England' হচ্ছে নীরদ চন্দ্র চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণভিত্তিক রচনাপত্র। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে।
- নীরদ চন্দ্র চৌধুরীর ১৯৫৯ সালের ভ্রমণভিত্তিক রচনা 'A Passage to England' তাঁর ১৯৫৫ সালে গ্রেট ব্রিটেন সফরের উপর ভিত্তি করে লেখা।
- এই রচনায় তিনি ভাবনা ও বাস্তবতার, এবং ভারতীয় ও ব্রিটিশদের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যকার তফাত বিশ্লেষণ করেন।
- তিনি যুক্তি দেন যে, এই ভিন্নতাই দুই জাতির মধ্যে একটি মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি করে, যা পৃথিবীর দুই প্রান্তের দূরত্বের মতোই ব্যাপক।
- এই রচনাটি ই. এম. ফস্টারের ১৯২৪ সালের উপন্যাস A Passage to India-এর একটি মনোভাবগত বিপরীত বা "attitudinal antithesis".
- যেখানে ফস্টার উপনিবেশিক শাসনের ভিত্তিকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেন এবং ব্রিটিশ ও ভারতীয়দের মধ্যকার সাংস্কৃতিক বিভ্রান্তি ও ভুল বোঝাবুঝি তুলে ধরেন, সেখানে চৌধুরী ঔপনিবেশিক প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ সংস্কৃতির প্রতি একটি জটিল শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ করেন।
- চৌধুরীর দৃষ্টিভঙ্গি আত্মসমালোচনামূলক, বিশ্লেষণাত্মক এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রতি এক গভীর আকর্ষণের বহিঃপ্রকাশ, যেখানে তিনি ভারতে থাকা সত্ত্বেও ইউরোপীয় জ্ঞান ও শৃঙ্খলাকে মূল্য দেন।
- ফলে, A Passage to England শুধুমাত্র ভ্রমণের রচনাই নয়, বরং এটি উপনিবেশিক উত্তর-পর্বে ভারতীয় আত্মপরিচয়ের একটি চিত্রও তুলে ধরে।

• Nirad Chandra Chaudhuri (1897-1999):
- He was a Bengali author and scholar.
- তিনি বর্তমান বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে ১৮৯৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- চৌধুরী ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন এবং জীবনভর ব্রিটিশ সাংস্কৃতিক আদর্শে গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিলেন।
- ইংরেজি ভাষায় লেখালেখির মাধ্যমে ভারতীয় ও ইউরোপীয় সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করেছেন।
- তিনি পশ্চিমা সভ্যতার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধাবোধ এবং নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি তীব্র বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত।
- তিনি নিজেকে একজন "outsider-insider" হিসেবে উপস্থাপন করতেন - একজন ভারতীয়, যিনি ভারতীয় সমাজের ভিতরে থেকেও এর কঠোর সমালোচনা করেন।
- In addition to his autobiographies and his English-language essays, he wrote a number of works in Bengali.

• Notable works:
- A Passage to England,

- The Autobiography of an Unknown Indian,
- The Continent of Circe,
- Culture in the Vanity Bag,
- Thy Hand, Great Anarch,
- Three Horsemen of the New Apocalypse, etc.

Source: Britannica.
৩৩.
Which of the following is a work of William Shakespeare?
  1. As You Like It
  2. The Rape of Lucrece
  3. The Winter's Tale
  4. All of these
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - ঘ) All of these
- অর্থাৎ, As You Like It, The Winter's Tale, এবং The Rape of Lucrece এই তিনটিই হলো William Shakespeare-এর রচিত সাহিত্যকর্ম।

• As You Like It – A romantic comedy.
• The Rape of Lucrece – A narrative poem.
• The Winter's Tale – A tragicomedy (often considered one of Shakespeare's "late romances").

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• His Famous poems:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- A Lover's Complaint (Long narrative poem),
- The Rape of Lucrece (Long narrative poem),
- Venus and Adonis (Long narrative poem),
- The Phoenix and the Turtle,
- The Passionate Pilgrim, etc.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- The Winter's Tale (tragicomedy),
- A Midsummer Night's Dream, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৪.
'The Solitary Reaper' is a poem by the poet of-
  1. Kubla Khan
  2. Tintern Abbey
  3. Ode to a Nightingale
  4. Ozymandias
ব্যাখ্যা
• 'The Solitary Reaper' is a poem by the poet of 'Tintern Abbey'.
- এই দুইটি কবিতা লিখেছেন William Wordsworth.

• The Solitary Reaper: 

- এই কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৮০৭ সালে। 
- কবিতায় দেখা যায়, একটা তরুনী মেয়ে স্কটল্যান্ডের গ্রামীণ পরিবেশে এবং পাহাড়ি এলাকায় একাকী কাজে মগ্ন।
- কাজের পাশাপাশি সে করুণ দু:খের গান গুনগুনিয়ে গাইছে।
- The Solitary Reaper - বাংলা অর্থ একাকী শস্যচ্ছেদক(যে ফসল কাটে)।

• Tintern Abbey:
- "Lines Composed a Few Miles Above Tintern Abbey", যা সংক্ষেপে "Tintern Abbey", লিখেছেন William Wordsworth.
- এই কবিতাটি Lyrical Ballads গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 
- নদীর পাড়ে অবস্থিত একটা চার্চের ভগ্ন অবস্থার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে কবিতায়। কবির শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত স্থান এটি। প্রকৃতির সাথে নিবীড় সম্পর্কের বর্ণনা Wordsworth এর কবিতায় প্রায়ই দেখা যায়। এই কবিতাটিও তেমন।
- কবিতায় কবি টিনটার্ন অ্যাবের (Tintern Abbey) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করেন।

• William Wordsworth (1770–1850):
- তিনি Romantic Period -এর একজন English poet ছিলেন।
- তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই ভূমিকা পালন করেন।
- Wordsworth -এর জন্ম Northern England -এর Lake District এ হওয়ায় তাকে Lake Poet বলা হয়।
- He is called the Poet of Nature, the Poet of Childhood.
- তার কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি শৈশবকাল থেকেই প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেন।
- Wordsworth -এর লেখার শৈলী সহজ ও প্রাকৃতিক, যা সাধারণ মানুষের ভাষা এবং অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরে।

• Famous poems:
- Lyrical Ballads,
- The Daffodils,
- Lucy Poems,
- The Solitary Reaper,
- Tintern Abbey,
- The Excursion,
- Michael,
- Ode on Immortality, etc.
- 'The Borderers' is the only play written by William Wordsworth.

• অন্যদিকে,
- 'Kubla Khan' হলো Samuel Taylor Coleridge -এর কবিতা।
- 'Ode to a Nightingale' হলো John Keats -এর কবিতা।
- 'Ozymandias' হলো P. B. Shelley -এর কবিতা।

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
৩৫.
The composer of 'Ode to the West Wind' is-
  1. Samuel Taylor Coleridge
  2. John Keats
  3. Percy Bysshe Shelley
  4. Lord Byron
ব্যাখ্যা
• The composer of 'Ode to the West Wind' is Percy Bysshe Shelley.

• Ode to the West Wind:
- 'Ode to the West Wind' হলো P.B. Shelley রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- কবিতায় তিনি West Wind কে 'destroyer and preserver' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- ১৮২০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- Ode to the West Wind, was written in a single sitting on Oct. 25, 1819, at Cascine wood near Florence, Italy.
- এই কবিতাটি Shelley এর আবেগপ্রবণ ভাষা এবং প্রতীকী চিত্রকল্পের একটি প্রধান উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত।
- "If winter comes, can spring be far behind?" -এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন।
- এই লাইনটির সাথেই কবিতাটি শেষ হয়।

• P. B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ রোমান্টিক কবি, যিনি তাঁর বিপ্লবী ধারণা, কল্পনাপ্রসূত সঙ্গীতশৈলী এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য প্রবল সমর্থনের জন্য পরিচিত।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর নিরন্তর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গৌরবময় স্বর্ণযুগ নিয়ে আসা।

• His Famous Poems:
- To a Skylark,
- Ode to the West Wind,
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- The Cloud,
- Rosalind and Helen,
- The Revolt of Islam, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
৩৬.
"Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings" is stated by-
  1. Thomas Gray
  2. John Keats
  3. S. T. Coleridge
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• "Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings" is stated by William Wordsworth.
- এই উক্তিটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি William Wordsworth-এর “Preface to Lyrical Ballads”-এ পাওয়া যায়।

• Preface to Lyrical Ballads:
- 'Preface to Lyrical Ballads' is a literary work of the Romantic period.
- এটি মূলত হচ্ছে কয়েকটি Romantic কবিতার সংকলন অর্থাৎ, collectioc of poems.
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা 'Preface to Lyrical Ballads' এর মাধ্যমে এই যুগের সুচনা হয়। 
- Lyrical Ballads এ মোট ২৩ টি কবিতা রয়েছে। 
- তার মধ্যে ১৯ টি William Wordsworth ও ৪ টি S.T. Coleridge এর।

• William Wordsworth (1770–1850):
- তিনি Romantic Period -এর একজন English poet ছিলেন।
- তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই ভূমিকা পালন করেন।
- Wordsworth -এর জন্ম Northern England -এর Lake District এ হওয়ায় তাকে Lake Poet বলা হয়।
- He is called the Poet of Nature, the Poet of Childhood.
- তার কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি শৈশবকাল থেকেই প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেন।
- Wordsworth -এর লেখার শৈলী সহজ ও প্রাকৃতিক, যা সাধারণ মানুষের ভাষা এবং অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরে।

• His famous quotations:
- 'Poetry is the breath and the finer spirit of all knowledge',
- 'Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings: it takes its origin from emotion recollected in tranquillity.'
- 'Ten thousand saw at a glance Tossing their heads in sprightly lance',
- 'I wandered lonely as a cloud',
- 'Child is the father of man',
- 'Our birth is but a sleep and a forgetting',
- 'Nature never did betray the heart that loved her',
- 'Come forth into the light of things, let nature be your teacher'.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
৩৭.
George Orwell is the writer of-
  1. The Time Machine
  2. Nineteen Eighty-four
  3. A Doll's House
  4. A Christmas Carol
ব্যাখ্যা
• George Orwell is the writer of 'Nineteen Eighty-Four'.

• Nineteen Eighty-Four:
 - George Orwell রচিত উপন্যাসটি হচ্ছে 'Nineteen Eighty-Four' বা 1984.
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কাহিনী গড়ে উঠেছে Oceania নামক রাষ্ট্রে যেটি একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র।
- সরকার জনগণের ব্রেইনওয়াশ করে এবং বিন্দুমাত্র সমালোচনাও না করতে উৎসাহ দেয়।
- মুক্তচিন্তা এবং বাক স্বাধীনতা বলে কিছু ছিলো না সেই রাষ্ট্রে।
- সরকার দলের স্লোগান ছিল: “War is peace,” “Freedom is slavery,” and “Ignorance is strength.”
- কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম: Winston Smith যাকে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিহাস কিংবা বিকৃত ইতিহাস লেখার দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে সে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে - ব্রত হয় এবং এক পর্যায়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।
- এর আগে, সে Julia নামের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে। পাশাপাশি তারা গোপনে সরকার বিরোধী বিভিন্ন দলের সাথে যোগাযোগ রাখতে শুরু করে। যদিও তাদের অগোচরে তাদেরকে সরকারী নজরদারির মধ্যে রাখা হয়।
- এরপর Thought Criminal হিসেবে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।

• Important terms: Newspeak, Big Brother, Thought Police.

• George Orwell (1903-1950):
- তিনি একজন British novelist, essayist এবং critic.
- তার আসল নাম হলো Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণ করেন।
- Animal Farm এবং Nineteen Eighty-Four George Orwell দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।

• Famous Works:
• Novels:
- Animal Farm (1945 – a fairy story),
- Nineteen Eighty-Four,
- Burmese Days,
- A Clergyman’s Daughter,
- Coming up for Air, etc.

• Story/Essay:
- Shooting an Elephant,
- A Hanging.

• অন্যদিকে,
- 'The Time Machine' হলো H. G. Wells -এর প্রথম Novel.
- 'A Doll's House' হলো  Henrik Ibsen -এর play.
- 'A Christmas Carol' হলো Charles Dickens -এর short novel.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
৩৮.
The 'climax' of a plot is what happens-
  1. at the end
  2. at the height
  3. in the beginning
  4. in the confrontation
ব্যাখ্যা
• The 'climax' of a plot is what happens at the height.

• Climax:
- Climax is the highest point of tension in a narrative’s plot.
- It’s the most exciting moment.
- Often, the climax is also when the main problem of the story is faced and solved by the main character or protagonist. 
- The rising action leads up to the climax, and then (after the climax) follows the falling action.
- অর্থাৎ, এটি হচ্ছে কোন নাটকের বা গল্পের সর্বোচ্চ অবস্থা বা turning point যেখানে ঘটনার বৃদ্ধি শেষ হয় আর ঘটনার পতন শুরু হয়।
- সুতরাং, Climax happens at the height of a plot.

• For example:
- Antigone’s death is the climax of Oedipus.
- 'He smiles, he laughs, and he roars.' The climax is at the end of the sentence.

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৯.
'Rape Upon Rape' is a-
  1. Novel
  2. Short story
  3. Poem
  4. Play
ব্যাখ্যা
• 'Rape Upon Rape' is a play.

• Rape Upon Rape:
- In full, Rape upon Rape; Or, The Justice Caught in his own Trap, A Comedy.
- "Rape Upon Rape" হলো আঠারো শতকের ইংরেজি লেখক ও নাট্যকার Henry Fielding -এর রচিত একটি নাটক।
- নাটকের কাহিনী একটি ধর্ষণ মামলাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বিচার, নৈতিকতা, এবং সমাজে নারীদের ভূমিকা পরীক্ষা করা হয়।
- Henry Fielding হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে যৌন সহিংসতা এবং আইন ব্যবস্থার বৈপরীত্যকে তুলে ধরেন।
- নাটকটি যৌন রাজনীতি, সম্মতি, এবং সমাজের নারীর প্রতি নৈতিক দ্বিচারিতা নিয়ে আলোচনা করে।
- এটি একটি Rape মামলার মাধ্যমে মানব সম্পর্কের জটিলতাগুলি সমালোচনার মাধ্যমে প্রকাশ করে।

• Henry Fielding (1707-1754):
- Henry Fielding একজন ইংলিশ উপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন, যিনি Samuel Richardson -এর সঙ্গে ইংরেজি উপন্যাসের founder হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি মূলত কমেডি এবং সামাজিক সমালোচনা নিয়ে লেখা তার কাজের জন্য পরিচিত।
- Fielding ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- He is famous for the Picaresque Novel.
- তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.

• His famous plays:
- The Tragedy of Tragedies,
- Rape Upon Rape,
- The Temple Beau,
- The Miser,
- The Modern Husband, etc.

• Famous Novels of Henry Fielding:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
৪০.
The word 'Pen' can be used as-
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adjective
  4. Both A and B
ব্যাখ্যা
• The word 'Pen' can be used as both a Noun and a Verb.

• Pen (Noun)
- English Meaning: A long, thin object used for writing or drawing with ink: a fountain/ballpoint/felt-tip pen, etc.
- Bangla Meaning: কলম।

- Example: I bought a new pen yesterday. (গতকাল আমি একটা নতুন কলম কিনেছি।)

• Pen (Verb)
- English Meaning: to write something; write or compose.
- Bangla Meaning: লেখা বা রচনা করা।

- Example: She penned a beautiful poem. (সে একটা সুন্দর কবিতা লিখেছে।)

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪১.
Complete the sentence with the appropriate preposition:
The soldier died ____ his motherland.
  1. for
  2. off
  3. of
  4. from
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The soldier died for his motherland.
- Bangla Meaning: সৈনিকটি তার মাতৃভূমির জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন।

• die for:
- কোনো আদর্শ বা ভালো কারণে, দেশ বা মাতৃভূমির জন্য মৃত্যু হলে die for ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: The soldier died for his motherland.

• অন্যদিকে,
• die off:
- to die sequentially either singly or in numbers so that the total number is greatly diminished.
- একে একে মারা যাওয়া অর্থে die off ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: The sons of the widow died off.

• die of:
- অসুস্থতা, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রোগে মারা যাওয়া অর্থে die of ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: He died of illness.

• die from:
- সাধারণত কোনো ফলাফল; পরিণতি; প্রভাব এ মারা গেলে Die from (Effect) ব্যবহার হয়।
- মৃত্যুর কারণ বা প্রভাব বোঝাতে die from ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: He died from overeating.

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Cambridge Dictionary.
৪২.
What would be the right synonym for "Reverent"?
  1. Stubborn
  2. Devout
  3. Truculent
  4. Disloyal
ব্যাখ্যা
• The right synonym for "Reverent" is - খ) Devout

• Reverent (adjective)
- English Meaning: feeling or showing deep and solemn respect.
- Bangla Meaning: ভক্তিপূর্ণ; শ্রদ্ধাভাবাপন্ন; শ্রদ্ধান্বিত; শ্রদ্ধাশীল।

• Given options:
ক) Stubborn - অবাধ্য; দুর্দান্ত; জেদী; একগুয়ে।
খ) Devout - ধর্মপ্রাণ; আন্তরিকতাপূর্ণ; ভক্তিযুক্ত।
গ) Truculent - নিষ্ঠুর; বর্বর; হিংস্র।
ঘ) Disloyal - রাজদ্রোহী; অবিশ্বাসী।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যাচ্ছে, The synonym for "Reverent" is - খ) Devout

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৩.
I could have avoided the mistake if I ____ been more careful.
  1. have
  2. had
  3. might
  4. would
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: I could have avoided the mistake if I had been more careful.

- প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি third conditional sentence এর উদাহরণ।
- Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী,
- এই বাক্যের প্রথম অংশে- could have + Past Perfect (avoided) আছে।
- তাই If যুক্ত clause এ had + Verb এর past participle form হবে।

• Third conditional -এর structure:
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ Subject এর পরে would/could/might + have + V3 + extension হয়।
- If না থাকলে Condition part টি Had দ্বারা শুরু হতে পারে।

• Structure: If + Past Perfect (had +V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.
৪৪.
Identify the gender of 'Bridegroom':
  1. Neuter Gender
  2. Feminine Gender
  3. Common Gender
  4. Masculine Gender
ব্যাখ্যা
• The correct answer is: ঘ) Masculine Gender

• Bridegroom (noun)
- English Meaning: A man just married or about to be married.
- Bangla Meaning: বর; বিবাহের পাত্র।

- Bridegroom -এর feminine gender হলো- Bride (কনে; বিবাহের পাত্রী).

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৫.
Samiya took a determination to pass the exam.
Here, the underlined part is-
  1. Prepositional phrase
  2. Infinitive phrase
  3. Adjective phrase
  4. Verbal phrase
ব্যাখ্যা

• Samiya took a determination to pass the exam.
- Here, the underlined part is- খ) Infinitive phrase

• Explanation:
- প্রদত্ত বাক্যে 'to pass the exam' অংশটুকু  'to + Verb (base form) + Extension দিয়ে গঠিত Infinitive Phrase.
- এখানে 'to pass the exam' Phrase টি noun - 'determination' এর post-modifier হিসেবে noun টিকে modify করেছে।

• Infinitive Phrase:
- মূলত 'to + Verb (base form) + Extension দিয়ে গঠিত Phrase হলো Infinitive phrase.
- এটি সাধারণত Noun/Adjective/Adverb Phrase -কে modify করতে পারে।
- অর্থাৎ, এদের post-modifier রূপে ব্যবহৃত হয়।
- আবার, verb এর subject/object হিসেবে বসলে এটি noun এর কাজ করে, অর্থাৎ, তখন এটি noun phrase হয়।
- যেমন: To read a newspaper is a good habit.

৪৬.
Choose the antonym of ‘Serene’.
  1. Dark
  2. Halcyon
  3. Boisterous
  4. Genesis
ব্যাখ্যা
• The antonym of ‘Serene’ is - গ) Boisterous

• Serene (adjective, noun):
- English Meaning: calm, peaceful, and untroubled; tranquil; an expanse of clear sky or calm sea.
- Bangla Meaning: স্বচ্ছ ও শান্ত; স্থির; শান্তিপূর্ণ; প্রশান্ত; নির্মেঘ; নির্মল।

• Given options:
ক) Dark - অন্ধকার, মেঘাছন্ন, রহস্যময়; গাঢ় কালো।
খ) Halcyon - শান্ত বা শান্তিপূর্ণ।
গ) Boisterous - প্রচন্ড; প্রবল; হৈচৈইপূর্ণ।
ঘ) Genesis - সুত্রপাত; সৃষ্টি, উৎপত্তি, আদি।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The antonym of ‘Serene’ is - গ) Boisterous

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৭.
Identify the determiner in the following sentence:
Your book is on the table.
  1. Your
  2. on
  3. the
  4. Both A and C
ব্যাখ্যা
• In the sentence "Your book is on the table."
- The determiners are: Both "your and the".

- Your: A possessive determiner showing ownership.
- The: A definite article specifying a particular table.

• Determiner:
- যে সকল word - Noun -এর নির্দেশক, নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, পরিমাণ, সংখ্যা, মালিকানা, না-বাচকতা ইত্যাদি নির্দেশ করে, সেগুলোকে Determiner বলে।
- Determiner - এর প্রধান কাজ হলো Noun -কে determine করা।

• বিভিন্ন প্রকারের Determiner আছে, যেমন-
- Articles: A, An, The.
- Demonstrative: This, these, that, those.
- Possessive: My, your, his, her, etc.
- Interrogative: What, which, whose, etc.
- Quantifier: Some, any, many, much, more, less, few, fewer, little, a lot of, several, no, two, three, etc.
- General Ordinals: Last, next, other, the other, etc.

• অন্যদিকে,
- On is a preposition, not a determiner.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.
৪৮.
Identify the correct spelling:
  1. Legeslature
  2. Legislature
  3. Legisleture
  4. Lageslature
ব্যাখ্যা
• The correct spelling is - খ) Legislature

• Legislature (Noun)
- English Meaning: A body of persons having the power to legislate; the legislative body of a country or state.
- Bangla Meaning: আইনসভা; আইন প্রণয়নকারী পরিষদ।

• Ex. Sentence:
Our legislature passed a law requiring people to wear safety belts.
- Bangla Meaning: আমাদের আইনসভা একটি আইন পাস করেছে যেখানে জনগণকে নিরাপত্তা বেল্ট পরতে হবে।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৯.
Following the dinner, there will be a dance.
Here, 'Following' is-
  1. Adjective
  2. Conjunction
  3. Preposition
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
• Following the dinner, there will be a dance.
- Here, 'Following' is- গ) Preposition

- সাধারণত noun/pronoun বা noun phrase -এর পূর্বে preposition বসে।
- এখানে Following হচ্ছে Participial preposition যা ‍"after বা পরে" অর্থে 'the dinner' - noun phrase টির পূর্বে বসেছে।

• তাছাড়া,
- 'Following' শব্দটি adjective ও noun হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 

• Following (adjective): being next in order or time.
- যেমন: The following day, morning, etc.

• Following (noun): a group of followers, adherents, or partisans; what follows or comes next.
- যেমন: He attracted a worldwide following.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৫০.
Fill in the blank with the right form of the verb:
Tahmina reminded me ____ medicine.
  1. to take
  2. for taking
  3. take
  4. taking
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Tahmina reminded me to take medicine.
- Bangla meaning: তাহমিনা আমাকে ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিল।

• কিছু Verb আছে যেগুলোর পর যদি আরেকটি Verb ব্যবহার করতে হয়, তাহলে infinitive (to+verb) ব্যবহার করতে হয়।
- অর্থাৎ, Verb + object + infinitive (to+verb) বসে।
- এসব Verb এর পরে Verb+ing ব্যবহার হয় না।

• তেমন কতগুলো Verb হচ্ছে:
- advise,
- allow,
- remind,
- request,
- arrange,
- agree,
- want,
- induce,
- invite,
- oblige,
- decide,
- command,
- demand,
- require,
- manage,
- refuse,
- ask, etc.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৫১.
The term 'Lingua Franca' means-
  1. Main language
  2. The French language
  3. Mixed language
  4. The first language
ব্যাখ্যা
• The term 'Lingua Franca' means- গ) Mixed language

• Lingua Franca (noun) [Italian phrase]:
- English Meaning:
1. A common language consisting of Italian mixed with French, Spanish, Greek, and Arabic that was formerly spoken in Mediterranean ports.
2. A mixed or common language.

-Bengali Meaning:
- বহুভাষাভাষী অঞ্চলে যে সাধারণ ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ এটি একটি সাধারণ বা মিশ্র ভাষা।

• Example Sentences:
- English is used as a lingua franca among many airline pilots.
- The international business community sees English as a lingua franca.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৫২.
Select the noun from the following options:
  1. Pottery
  2. Judicial
  3. Genocidal
  4. Messy
ব্যাখ্যা
• ক) Pottery is a noun.

• Pottery (Noun)
- English Meaning: A place where clayware is made and fired; the manufacture of clayware.
- Bangla Meaning: মৃত্শিল্প বা মাটির পাত্র; মৃন্ময় পাত্র; কুম্ভকারশালা।

• Other options:
খ) Judicial (Adjective): (বিচারসংক্রান্ত).
গ) Genocidal (Adjective): (গণহত্যাসংক্রান্ত).
ঘ) Messy (Adjective): (নোংরা; মলিন; ময়লা; অপরিষ্কার).

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৩.
Domestic is to familial as Patriotic is to ____ .
  1. Untamed
  2. Nationalist
  3. Faithless
  4. Perfidious
ব্যাখ্যা
• Domestic is to familial as Patriotic is to Nationalist.

• Domestic (noun, adjective) - ঘরোয়া; পারিবারিক; গার্হস্থ্য।
- Familial (adjective) - পারিবারিক; সাংসারিক।

• Patriotic (adjective) -স্বদেশপ্রেমী; দেশপ্রেমমূলক।
- Nationalist (noun, adjective) - জাতীয়তাবাদী।

- অর্থাৎ, Domestic যেমন Familial হয়, তেমনি যারা Patriotic তারা Nationalist হয়।

• অন্যদিকে,
- Untamed - অশান্ত; অবশীভূত; পোষ মানেনি এমন।
- Faithless - অবিশ্বসী; প্রতারণাপূর্ণ।
- Perfidious - বিশ্বাসঘাতক; দুরাচারী।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৪.
Which of the following sentences is correct?
  1. His income is totally exempt on taxes.
  2. His income is totally exempt off taxes.
  3. His income is totally exempt from taxes.
  4. His income is totally exempt for taxes.
ব্যাখ্যা
• Correct sentence: His income is totally exempt from taxes.
- Bangla Meaning: তার আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত।

• Exempt someone/something from something
- English meaning: with special permission not to do or pay something.
- Bangla meaning: (বাধ্যবাধকতা ইত্যাদি থেকে) রেহাই বা অব্যাহতি দেওয়া; মুক্ত; ছাড় দেওয়া।

- অর্থাৎ, মুক্ত; রেহাই বা ছাড় দেওয়া অর্থে exempt এর সাথে from ব্যবহৃত হয়।

• More examples:
- Small businesses have been exempted from the tax increase.
- These companies are exempt from tax on profits in the first three years.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৫৫.
One-third of the employees ___ present in the office.
  1. has
  2. is
  3. was
  4. are
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: One-third of the employees are present in the office.
- Bangla meaning: এক-তৃতীয়াংশ কর্মচারী অফিসে উপস্থিত।

• Subject-verb agreement (Fraction/Percent) অনুসারে:
- Fraction বা ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে, ভগ্নাংশ দ্বারা সংখ্যা বোঝালে plural verb আর পরিমাণ বোঝালে singular verb হবে।
- সহজ ভাষায়, ভগ্নাংশের পরে noun - singular হলে verb - singular এবং noun - plural হলে verb - plural হয়।শ
- প্রদত্ত বাক্যে ভগ্নাংশের পরে noun টি যেহেতু plural (employees), তাই verb ও plural হবে।

• Structure: Fraction/Percent + of + plural noun/pronoun + plural verb.
- যেমন: One-third of the employees are present in the office.

• Structure: Fraction/Percent + of + singular noun/pronoun + singular verb
- যেমন: One third of the apple is rotten.
৫৬.
The correct passive form of: "You must complete the form."
  1. You should have completed the form.
  2. The form must been completed.
  3. The form must be completed.
  4. The form should be completed.
ব্যাখ্যা
• Active: You must complete the form.
• Passive: The form must be completed.

• May, might, can, could, must, ought to, going to, ইত্যাদি modal auxiliary যুক্ত Active Voice কে Passive Voice এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
- Active Voice এর object টি subject হিসেবে বসে।
- এর পরে be বসে।
- তার পরেই মূল verb এর Past Participle বসে।
- by বসে + Active এর subject টি object হিসাবে বসে।

• More examples:
- Active voice: You must shut these doors.
- Passive voice: These doors must be shut.
৫৭.
The Dhaka-Chittagong highway is one of the busiest highways in Bangladesh. (Make it comparative)
  1. Very few highways are busier than the Dhaka-Chittagong highway.
  2. The Dhaka-Chittagong highway is busier than all other highways in Bangladesh.
  3. The Dhaka-Chittagong highway is busier than other highways in Bangladesh.
  4. The Dhaka-Chittagong highway is busier than most other highways in Bangladesh.
ব্যাখ্যা
• Superlative: The Dhaka-Chittagong highway is one of the busiest highways in Bangladesh.
• Comparative: The Dhaka-Chittagong highway is busier than most other highways in Bangladesh.

• One of the যুক্ত Superlative Degree কে Comparative Degree করার নিয়ম:
- প্রথমে প্রদত্ত Sentence- এর Subject ও Verb বসে,
- One of the উঠে যায়,
- Superlative Degree -এর Comparative form বসে,
- than most other/than many other বসে,
- প্রদত্ত Sentence -এর বাকী অংশ বসে।

• Structure: Subject (S1) + Verb + Superlative Degree এর Comparative form + than most other + প্রদত্ত Sentence এর বাকী অংশ।

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৫৮.
কণিষ্ক নিচের কোনটি প্রবর্তন করেন?
  1. গুপ্তাব্দ
  2. শকাব্দ
  3. হর্ষাব্দ
  4. কণিষ্কাব্দ
ব্যাখ্যা
⇒ কণিষ্ক একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- কণিষ্কের প্রবর্তিত অব্দটি পশ্চিম ভারতের শক ক্ষত্রপরা দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহার করেন।
- কুষাণদের পতনের পরেও তাঁরা এই অব্দটির প্রচলন অব্যাহত রাখেন।
- শকদের দ্বারা দীর্ঘকাল ব্যবহৃত হওয়ার কারণেই এই অব্দের নাম হয় শকাব্দ। 

কণিষ্ক:
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮০
  2. অনুচ্ছেদ ৮১
  3. অনুচ্ছেদ ৮২
  4. অনুচ্ছেদ ৮৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৮০: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮১: অর্থবিল।
- অনুচ্ছেদ ৮২: আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ।
- অনুচ্ছেদ ৮৩: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৮৪: সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব।
- অনুচ্ছেদ ৮৫: সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ ৮৬: প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
- অনুচ্ছেদ ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৮৮: সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়।
- অনুচ্ছেদ ৮৯: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৯০: নির্দিষ্টকরণ আইন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৬০.
ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য কতজন?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত নারী সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে পাঞ্জাবি ও পাঠান বাদে বাংলাসহ অপরাপর জাতির চাকুরির জন্য শতকরা কতভাগ কোটা নির্ধারণ করা হয়?
  1. ৩%
  2. ৫%
  3. ৭%
  4. ১০%
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য:
- পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যের প্রকাশ ঘটে সামরিক বাহিনীতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে।
- সামরিক বাহিনীতে পশ্চিম পাকিস্তানিদের আধিপত্য ছিল।
- ক্ষমতার শীর্ষে ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সদস্যরা।
- তাদের এই বৈষম্যমূলক নীতি সামরিক বাহিনীতে নিয়োজিত বাঙালি সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- সেনাবাহিনীতে পাঞ্জাবি আধিপত্য নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে প্রাদেশিক কোটা নির্ধারণ করা হয়।
• পাঞ্জাবি - ৬০%।
• পাঠান - ৩৫%।
• পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য এলাকা ও পূর্ব পাকিস্তান - ৫%।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করা হয় কবে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।
- ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে সমুদ্র বন্দরটি চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৩.
'বিআর ৫' জাতের ধানের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
  2. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
  3. খরা সহিষ্ণু
  4. জিংক সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬৪.
অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি নিচের কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন
  2. বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার
  3. সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। (এপ্রিল, ২০২৫)
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

⇒ বেপজার উদ্দেশ্য:
• বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
• রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
• চাকরির সুযোগ তৈরি করা।
• দারিদ্র্য বিমোচন।
• প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।
৬৬.
চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স কোন আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন?
  1. ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  2. ফরায়েজি আন্দোলন
  3. নীল বিদ্রোহ
  4. তাহরিক ই মুহম্মদীয়া
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় কয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ১২.৬৯%
  2. ১৫.৮৭%
  3. ১৮.৩৪%
  4. ২১.৮৫%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি আয়:

• একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার: ১৫.৮৭%।

• একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ: জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার: ১১.২১%।

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যে তৃতীয় শীর্ষ দেশ: যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার: ১০.৫২%।

⇒ এশিয়া:
- রপ্তানি বাণিজ্যে এশিয়ার শীর্ষ দেশ: জাপান।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬৯.
বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. এনামুল হক মণি
  2. মেহেরাব হোসেন অপি
  3. জাবেদ ওমর বেলিম
  4. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৭০.
কোন জলবায়ু সম্মেলনে 'Loss and Damage Fund' চালুর প্রস্তাব গৃহীত হয়?
  1. COP-15
  2. COP-21
  3. COP-25
  4. COP-27
ব্যাখ্যা
Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালুর প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৭১.
জাতিসংঘের 'নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ সনদ' কোনটি?
  1. UN Women
  2. UNIFEM
  3. CEDAW
  4. CIRDAP
ব্যাখ্যা
CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women.
- জাতিসংঘের 'নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ সনদ' CEDAW।
- গৃহীত হয়: ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।

⇒ CEDAW সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। অনুচ্ছেদ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথা:
- প্রথম ভাগ (১-১৬): নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত,
- দ্বিতীয় ভাগ (১৭-২২): এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক,
- তৃতীয় ভাগ (২৩-৩০): প্রশাসনিক বিষয়।

অন্যদিকে,
- UNIFEM হলো United Nations Development Fund for Women। এটি ছিল জাতিসংঘের নারী উন্নয়ন তহবিল, যা বিশ্বের নারীদের ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করত।
- UN Women হলো The United Nations Entity for Gender Equality and the Empowerment of Women। লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য নিবেদিত জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- CIRDAP এর পূর্ণরূপ Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific. CIRDAP একটি আঞ্চলিক, আন্তঃসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত একটি সংস্থা।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৭২.
দক্ষিণ আমেরিকা থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ কে?
  1. পোপ বেনেডিক্ট XVI
  2. পোপ জন পল II
  3. পোপ ফ্রান্সিস
  4. পোপ লিও XIII
ব্যাখ্যা
পোপ ফ্রান্সিস:
- পোপ ফ্রান্সিসকে বলা হয় ক্যাথলিক চার্চের মহান সংস্কারক।
- তিনি দক্ষিণ আমেরিকা থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ। 
- আসল নাম: জর্জ মারিও বার্গোগলিও (Jorge Mario Bergoglio)।
- জন্ম: ১৭ ডিসেম্বর ১৯৩৬, বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা।
- ২০১৩ সালে পোপ ফ্রান্সিস পোপ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- তাঁর ধর্মীয় গোষ্ঠী: জেসুইট (Society of Jesus)। 

⇒ তিনি দরিদ্রদের অধিকার, অভিবাসী সমস্যা এবং পরিবেশ রক্ষা-এই তিনটি বিষয়ের উপর তিনি জোর দিয়ে থাকেন।
- তাঁর প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হলো "Laudato Si'" (২০১৫), যা জলবায়ু সংকট মোকাবেলা এবং পরিবেশ রক্ষার ওপর ভিত্তি করে লেখা।

উল্লেখ্য,
- তিনি ২১ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে মারা গিয়েছেন।

উৎস: Britannica.
৭৩.
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট কোন যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হন?
  1. ওয়াটারলু যুদ্ধ
  2. ট্রাফালগার যুদ্ধ
  3. ফরাসি যুদ্ধ
  4. আলেক্সান্দার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ট্রাফালগার যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হন।

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:

- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফ্রান্সের এক মহান সম্রাট এবং দিগ্বিজয়ী বীর।
- তিনি ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ইতালির কর্সিকা দ্বীপের অন্তর্গত আজাকসিও নামক শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮০৪ থেকে ১৮১৫ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন।
- তিনি ১৮১৫ সালে ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন।
- ১৮১২ সালের রাশিয়ান অভিযানের মাধ্যমে নেপোলিয়ন তার সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করেন, ৫,০০,০০০ এরও বেশি সৈন্যকে হারিয়ে। ১৮১৩ সালে লাইপজিগে পরাজিত হয়ে, তিনি ১৮১৪ সালে সিংহাসন ত্যাগ করেন এবং এলবাতে নির্বাসিত হন।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসিদের পরাজয়ের পর তিনি অবশেষে ব্রিটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
- এরপর তাকে ইউরোপ থেকে ৫০০০ মাইল দূরে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়েছিল, যেখানে তিনি ১৮২১ সালের ৫ মে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বসবাস করেছিলেন।

⇒ ১৮০৪ সালে নেপোলিয়ন প্রণয়ন করেন একটি দেওয়ানি আইনবিধি, যা “Napoleonic Code” নামে পরিচিত। এতে ব্যক্তি স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, আইনের সামনে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়। এই কোড বিশ্বব্যাপী বহু দেশের আইন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে।

• ট্রাফালগার যুদ্ধ:
- ট্রাফালগার যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেনের কেপ ট্রাফালগারের পশ্চিমে ক্যাডিজ এবং জিব্রাল্টার প্রণালীর মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির সাথে লড়াই করে অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন এই যুদ্ধে জয় লাভ করে এবং নেপোলিয়ন বোনাপার্ট পরাজিন হন। 

উৎস: Britannica.
৭৪.
Green Cross International কোন ধরণের সংস্থা?
  1. সামরিক
  2. পরিবেশবাদী
  3. অর্থনৈতিক
  4. মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
Green Cross International:
- Green Cross International একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কারযক্রম শুরু করে: ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৩।
- প্রতিষ্ঠাতা: প্রাক্তন সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমানে ৩০টি দেশে সদস্য সংস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ এটি ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে ১৯৯২ সালের আর্থ সামিটের মাধ্যমে শুরু করা কাজের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ৬ জুন, ১৯৯২ তারিখে, রিও সামিটে প্রতিনিধিরা গর্বাচেভকে GCI প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান।
- একই সময়ে সুইস ন্যাশনাল কাউন্সিলের এমপি রোল্যান্ড উইডারকেহর 'ওয়ার্ল্ড গ্রিন ক্রস' প্রতিষ্ঠা করেন।
- পরবর্তীতে দুইটি সংস্থা একীভূত হয়ে ১৯৯৩ সালে গ্রিন ক্রস ইন্টারন্যাশনাল নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে জাপানের কিয়োটোতে চালু হয়।

উৎস: Green Cross International ওয়েবসাইট।
৭৫.
UNESCO-এর সহযোগী সদস্য কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
UNESCO:
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- সংস্থাটি বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে।
- UNESCO প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়: ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যকর হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৪৬।
- সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- বর্তমান মহাপরিচালক: আদ্রে আজুলে (ফ্রান্স)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- সহযোগী সদস্য: ১২টি।

উল্লেখ্য,
⇒ UNESCO সংবিধানের দ্বিতীয় ও পঞ্চদশ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
- দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জাতিসংঘের যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভের অধিকার রাখে।
- পঞ্চদশ অনুচ্ছেদ: ইউনেস্কোর সহযোগী সদস্য (Associate Member) হওয়ার ব্যবস্থা এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত। এটি সাধারণত সেই অঞ্চলগুলোর জন্য প্রযোজ্য যেগুলো পূর্ণ রাষ্ট্র নয়, তবে স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে।

• জাতিসংঘের সদস্য নয়, এমন রাষ্ট্রগুলো নির্বাহী বোর্ডের সুপারিশে, সাধারণ সম্মেলনের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে ইউনেস্কোর সদস্য হতে পারে।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
৭৬.
'মোরাগ করিডোর' কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চল
  2. সিনাই উপদ্বীপ
  3. মিশর ও লেবানন সীমান্ত
  4. মিশরে
ব্যাখ্যা
‘মোরাগ’ করিডোর:
- মোরাগ করিডোর হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক রুট বা করিডোর, যা গাজা উপত্যকার দক্ষিণ অংশে, বিশেষ করে রাফাহ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত।
- এই করিডোরটি গাজা ও মিশরের সীমান্তবর্তী এলাকা।
- এটি রাফাহ সীমান্ত পারাপার (Rafah Border Crossing) নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ মোরাগ করিডোরটি ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কর্তৃক ঘোষিত হয়।
- এটি গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে খান ইউনিস ও রাফাহ শহরের মধ্যে একটি নিরাপত্তা করিডোর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এর উদ্দেশ্য হলো হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বিভক্ত করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

উল্লেখ্য,
- রাফা ও খান ইউনিসের মাঝে এক সময় মোরাগ নামে একটি ইহুদি বসতি ছিল বলে দাবি করা হয়। ওই নামে এই করিডোরকে নামকরণ করা হয়েছে।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) মিডল ইস্ট মনিটর.
৭৭.
Orbis International কোন দেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
Orbis International:
- Orbis International হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা।
- অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
- এটি বিশ্বব্যাপী অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং চক্ষু সেবা উন্নয়নে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডেরেক হডকি (DEREK HODKEY)।
- সদরদপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল উদ্দেশ্য: দৃষ্টিহীনতা প্রতিরোধ ও চোখের চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সেবা প্রদান করা।

উল্লেখ্য,
- অরবিস ইন্টারন্যাশনাল ১৯৮৫ সালে প্রথম বাংলাদেশে এসে চিকিৎসা ও সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: Orbis International ওয়েবসাইট।
৭৮.
'Agenda 2063' কোন সংস্থার সাথে সম্পর্কিত?
  1. বিমসটেক
  2. সার্ক
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. আফ্রিকান ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
আফ্রিকান ইউনিয়ন (African Union):
- আফ্রিকান ইউনিয়ন হলো আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, যার লক্ষ্য হলো আফ্রিকার ঐক্য, শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ জুলাই, ২০০২।
- পূর্বসূরি: Organisation of African Unity (OAU), গঠিত হয়েছিল ১৯৬৩ সালে।
- সদস্য সংখ্যা: ৫৫টি।
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: মরক্কো।
- বর্তমান চেয়ারপারসন: জোয়াও গনকালভেস লরেঙ্কো (অ্যাঙ্গোলার রাষ্ট্রপতি)।

⇒ এজেন্ডা ২০৬৩:
- এজেন্ডা ২০৬৩ হলো আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রণীত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।
- মূল প্রতিপাদ্য: “The Africa We Want”।
- ২০১৩ সালে আফ্রিকান ইউনিয়নের ৫০তম বার্ষিকীতে এজেন্ডাটি গৃহীত হয।
- এজেন্ডা ২০৬৩-এর ৭টি মূল লক্ষ্য রয়েছে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আফ্রিকার সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, যাতে ২০৬৩ সালের মধ্যে আফ্রিকা একটি উন্নত, স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধ মহাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

⇒ উল্লেখযোগ্য প্রকল্প (Flagship Projects):
- আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া (AfCFTA), আফ্রিকান হাই-স্পিড ট্রেন নেটওয়ার্ক, একক আফ্রিকান পাসপোর্ট, আফ্রিকান স্যাটেলাইট ও স্পেস প্রোগ্রাম, গ্রেট আফ্রিকান মিউজিয়াম, সাইবার নিরাপত্তা, এনসাইক্লোপিডিয়া আফ্রিকানা, একটি বার্ষিক আফ্রিকান অর্থনৈতিক ফোরাম প্রতিষ্ঠা, গ্র্যান্ড ইঙ্গা বাঁধ প্রকল্পের বাস্তবায়, প্যান-আফ্রিকান ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: African Union ওয়েবসাইট।
৭৯.
'An attack against one is an attack against all'- এই নীতিটি NATO-এর কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৮
  4. অনুচ্ছেদ ১০
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

⇒ NATO'র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

অন্যদিকে,
- NATO'র অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- NATO'র অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- NATO'র অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৮০.
নিচের কোন সভ্যতাটি পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক?
  1. গ্রিক সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।

উল্লেখ্য,
⇒ পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
‘দেশ ভালো হয়, যদি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো হয়’- উক্তিটি কে করেছেন?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. এপিজে আব্দুল কালাম
  3. বারাক ওবামা
  4. পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু
ব্যাখ্যা
‘দেশ ভাল হয় যদি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভাল হয়’- উক্তিটি করেছেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু:
- স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জওহরলাল নেহেরু।
- তিনি ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা এবং মহাত্মা গান্ধীর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী।
- নেহরু ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান নেতা।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করলে নেহরু স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত নেহেরু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি।

⇒ জওহরলাল নেহরুর জন্ম ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর, ব্রিটিশ ভারতের এলাহাবাদে এক কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ পরিবারে। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর সংযোগের কারণে ‘পণ্ডিত নেহরু’ নামেও পরিচিত ছিলেন। ভারতীয় শিশুরা জওহরলাল নেহরুকে চেনে ‘চাচা নেহরু’ হিসেবে। এ কারণে নেহরুর জন্মদিন ভারতে পালিত হয় শিশু দিবস হিসেবে।
- ১৯৬৪ সালের ২৭ মে তিনি পরলোক গমন করেন।

⇒ পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু বলেছিলেন, একটি দেশ ভালো হয়, যদি সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।
৮২.
'আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ বিরোধী দিবস' পালিত হয় -
  1. ২১ মার্চ
  2. ২৩ মার্চ
  3. ৪ এপ্রিল
  4. ৮ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ বিরোধী দিবস:
- আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ বিরোধী দিবস পালিত হয় ২১ মার্চ।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এই দিনটিকে ‘জাতিগত বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- এই দিবসটি পালনের মূল পরিপ্রেক্ষিত ছিল ১৯৬০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় জাতিগত বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ মিছিল। সেই মিছিলে পুলিশ গুলি করে ৬৯ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, আহত হন আরও ১৮০ জন। এই প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল ২১ মার্চ থেকে।
- একারণে ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২১ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক জাতিগত বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

⇒ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস:
- ২১ মার্চ: বিশ্ব বন দিবস, আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ বিরোধী দিবস।
- ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম দিবস।
- ৩ মে: বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস।
- ৩১ মে: বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।
- ৫ জুন: বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ৯ আগস্ট: আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস।
- ২৭ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব পর্যটন দিবস।
- ১৪ অক্টোবর: বিশ্ব মান দিবস।
- ২৪ অক্টোবর: জাতিসংঘ দিবস।
- ১৮ই ডিসেম্বর: আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৮৩.
নিম্নের কোনটি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা নয়?
  1. মোসাদ
  2. শিনবেত
  3. ওয়াগনার গ্রুপ
  4. আমান
ব্যাখ্যা
শিনবেত':
- 'শিনবেত' ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল সিকিউরিটি এজেন্সি (ISA) নামে পরিচিত।
- এটি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া। (২০২৪ সাল)
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

আমান:
- আমান ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা।
- আমান হলো ইসরাইলের মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি।
- এটি ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে ইহুদি নেতাদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য এই গোয়েন্দা সংস্থাটি তৈরি হয়।
- হিব্রু ভাষায় এই সংস্থাটিকে বলা হয় 'আগাফ হা-মোডিলিন'।

অন্যদিকে,
- ওয়াগনার গ্রুপ রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। ওয়াগনারের বিভিন্ন উপাদান নব্য-নাৎসিবাদ এবং উগ্র ডানপন্থী উগ্রবাদের সাথে যুক্ত। এটি ইউক্রেন এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

উৎস: i) The Guardian.
ii) Britannica.
৮৪.
জাতিসংঘ ঘোষিত Sustainable Development Goals (SDG) কত সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে?
  1. ২০২৬ সাল
  2. ২০২৮ সাল
  3. ২০৩০ সাল
  4. ২০৩৫ সাল
ব্যাখ্যা
Sustainable Development Goals (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে Sustainable Development Goals (SDG) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।

• Sustainable Development Goals (SDG)-এর ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. গুণগত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
৮৫.
নাইন-ইলেভেন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র কোন অভিযান পরিচালনা করে?
  1. অপারেশন ব্লু স্টার
  2. অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম
  3. অপারেশন ডেজার্ট ফক্স
  4. অপারেশন অডিসি ডন
ব্যাখ্যা
অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম (Operation Enduring Freedom):
- অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক অভিযান যা ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়।
- ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অপারেশনটি মূলত আল-কায়েদা ও তালেবানদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে পরিচালিত হয়।
- মূল লক্ষ্য: আল-কায়েদা ধ্বংস করা ও তালেবানদের ক্ষমতা থেকে সরানো।
- ফলাফল: ২০০১ সালের ডিসেম্বরে তালেবান সরকার পতন ঘটে ও আল-কায়েদা নেতারা আত্মগোপনে যায় (ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালে হত্যা করা হয়)।

⇒ নাইন-ইলেভেন:
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রে একইসাথে চারটি সন্ত্রাসী হামলা চালায় যা নাইন-ইলেভেন নামে পরিচিত।
- ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে, ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায়।
- আক্রমনে ২,৯৯৭ জন নিহত এবং ৬,০০০ এর অধিক মানুষ আহত হয়, এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক অবকাঠামো ও সম্পদ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে এই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

অন্যদিকে,
- অপারেশন অডিসি ডন লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।
- ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য ইরাকি লক্ষ্যবস্তুতে চার দিনের বোমা হামলা চালায়। যুদ্ধটি সংঘটিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট ও ইরাকের মধ্যে। জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের সাথে সহযোগিতা করতে সাদ্দাম হোসেনের ক্রমাগত অস্বীকৃতির প্রতিক্রিয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৯৮ সালে অপারেশন ডেজার্ট ফক্স পরিকল্পনা করেছিল।
- ১৯৮৪ সালের ১-৮ জুন ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে স্বর্ণমন্দির অভিযান যা 'অপারেশন ব্লু স্টার' নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৮৬.
CIH ভাইরাসে আক্রান্ত ফাইলগুলোতে সাধারণত কোন এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়?
  1. .exe
  2. .doc
  3. .txt
  4. .jpg
ব্যাখ্যা
⚪ CIH (যেটি চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত) একটি মারাত্মক কম্পিউটার ভাইরাস যা মূলত .exe ফাইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ধরণের ফাইল হচ্ছে এক্সিকিউটেবল ফাইল, যা কোনো প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। ভাইরাসটি এই ফাইলগুলোর ভেতরে নিজেকে লুকিয়ে রাখে এবং যখন ফাইলটি চালু করা হয়, তখন ভাইরাসটি সক্রিয় হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:

.doc: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফাইল।

.txt: সাধারণ টেক্সট ফাইল।

.jpg: ইমেজ ফাইল।

এই ফাইলগুলো সাধারণত এক্সিকিউটেবল না হওয়ায় ভাইরাস ছড়ানোর জন্য সরাসরি ব্যবহার হয় না, যদিও কিছু ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ডিজাইন করা ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে এসব ফাইলেও বিপদ থাকতে পারে।

⚪ কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

⚪ কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
FLOPS নিম্নের মধ্যে কোনটি পরিমাপ করে?
  1. CPU-গুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের হার
  2. একটি সিস্টেমের মেমোরি ক্ষমতা
  3. একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে যত গণনা করতে পারে
  4. একটি সুপারকম্পিউটারের বিদ্যুৎ খরচ
ব্যাখ্যা
⚪ FLOPS কী?

FLOPS হলো Floating Point Operations Per Second এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি পরিমাপের একক, যা বোঝায় একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।

⚪ Floating Point Operations কী?

ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন মানে হলো – দশমিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে করা হিসাব যেমন:

3.14 × 2.71

5.0 ÷ 1.25

- এই ধরণের হিসাবগুলো উচ্চ গণনাশক্তির প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), এবং 3D গ্রাফিক্সে।

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে?

- FLOPS মূলত একটি কম্পিউটার বা প্রসেসরের গণনাগতির দক্ষতা পরিমাপ করে। বিশেষত, এটি বলে দেয় - “একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।”

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে না? (অপশন আলোচনা):

- মেমোরি ক্যাপাসিটি – এটি RAM বা স্টোরেজ স্পেস বোঝায়, FLOPS নয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট – CPU বা অন্য যন্ত্রাংশের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান কেমন তা পরিমাপ করে Bandwidth বা Bus Speed।
- বিদ্যুৎ খরচ – এটি Power Consumption দিয়ে পরিমাপ হয়, FLOPS দিয়ে নয়।

উৎস: techtarget [লিংক]
৮৮.
সবচেয়ে বড় হেডিং নির্ধারণ করতে কোন HTML ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়?
  1. < h6 >
  2. < heading >
  3. < head >
  4. < h1 >
ব্যাখ্যা
⚪ HTML-এ <h1> থেকে <h6> পর্যন্ত মোট ছয়টি heading tag আছে।

<h1> হচ্ছে সবচেয়ে বড় heading,

আর <h6> সবচেয়ে ছোট।

⚪ অপশন আলোচনা:

<head>: ওয়েব পেজের মেটা তথ্য (যেমন title, CSS, JS) রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি কোনো heading নয়।

<heading>: এটি একটি ভুল বা অব্যবহৃত ট্যাগ — HTML-এ এমন কোনো ট্যাগ নেই।

<h6>: এটি সবচেয়ে ছোট heading tag।

⚪ HTML:
- 'HTML' এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।

- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

সূত্র: w3schools.com
৮৯.
গুগলের কোন বিভাগ জেমিনি উন্নয়ন করেছে?
  1. DeepMind
  2. Google Ads
  3. Google Maps
  4. Waymo
ব্যাখ্যা
⚪অপশন আলোচনা:

Google Ads: Google Ads একটি বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে। এটি AI বা মেশিন লার্নিং মডেল ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, এটি Gemini ডেভেলপ করার জন্য কোনো ভূমিকা পালন করেনি।

DeepMind: DeepMind হলো Google-এর একটি উন্নত গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করে। DeepMind AI প্রযুক্তির মধ্যে অনেক সেরা মডেল ডেভেলপ করেছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো Gemini। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং উন্নত AI মডেল তৈরি করার জন্য পরিচিত।

Google Maps: Google Maps একটি ডিজিটাল ম্যাপিং ও নেভিগেশন সেবা। এটি রাস্তা, অবস্থান, এবং ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও Google Maps-এ AI ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি Gemini বা কোনো মেশিন লার্নিং মডেল তৈরি করে না।

Waymo: Waymo হলো একটি স্বচালিত গাড়ি (autonomous vehicles) প্রযুক্তি ডেভেলপ করার প্রতিষ্ঠান। যদিও Waymo প্রযুক্তি অনেক উন্নত, তবে এটি Gemini বা অন্য কোনো AI মডেল তৈরি করার জন্য পরিচিত নয়।

- DeepMind হলো সেই বিভাগ, যা Gemini মডেলটি তৈরি করেছে, এবং এটি Google-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং গবেষণার শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান।

⚪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

⚪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।

৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।

৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
নিচের কোনটি MICR অক্ষর মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. থার্মাল কালি
  2. চুম্বকীয় কালি
  3. UV কালি
  4. স্ট্যান্ডার্ড কালি
ব্যাখ্যা
⚪ MICR (Magnetic Ink Character Recognition) অক্ষরগুলি বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয় যাতে তারা ম্যাগনেটিক স্ক্যানারের মাধ্যমে পড়া যায়। এই ধরনের অক্ষরগুলি মুদ্রণ করার জন্য ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ স্ট্যান্ডার্ড ইঙ্কের চেয়ে ভিন্ন। ম্যাগনেটিক ইঙ্কের সাহায্যে পণ্যের বা চেকের তথ্য স্ক্যান করা এবং সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯১.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (6DF)16 এর দশমিক মান কোনটি?
  1. (1759)10
  2. (1241)10
  3. (1972)10
  4. (1548)10
ব্যাখ্যা
⚪(6DF)16 কে দশমিকে রূপান্তর:
- কোনো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটকে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমকক্ষ দশমিক মান পাওয়া যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।

- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- তবে যদি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোনো অংক A, B, C, D, E ও F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে। 

⚪ এখানে,
(6DF)16
= 6 × 16+ 13 × 16+ 15 × 160
= 6 × 256 + 13 × 16 + 15 × 1
= 1536 + 208 + 15
= 1759

অর্থাৎ, (6DF)16 = (1759)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯২.
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে কোন ড্রাইভটি অধিক গতি এবং উপযুক্ত সামঞ্জস্য প্রদান করে?
  1. F Drive
  2. E Drive
  3. D Drive
  4. C Drive
ব্যাখ্যা
⚪ Windows OS সাধারণত ইনস্টল করার জন্য C ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি ডিফল্ট সিস্টেম ড্রাইভ এবং সিস্টেম ফাইলগুলোর জন্য অপটিমাইজড থাকে। অধিকাংশ কম্পিউটার বা ল্যাপটপে C ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনস্টল থাকে, যা উন্নত গতি এবং কম্প্যাটিবিলিটি নিশ্চিত করে।

⚪ অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।

- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: lenovo [লিংক]
৯৩.
কোন বাসটি মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে ডেটা পরিবহন করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. System Bus
  2. Address Bus
  3. Data Bus
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⚪ মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে ডেটা বাস (Data Bus) ব্যবহার করা হয় ডেটা আদান-প্রদানের জন্য। এই বাসটির মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসর এবং মেমোরি বা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus): এটি মেমোরির কোন স্থানে ডেটা যাবে বা আসবে, সেই ঠিকানা বহন করে।
- সিস্টেম বাস (System Bus): এটি ডেটা, অ্যাড্রেস ও কন্ট্রোল বাসের সমন্বয়।

⚪ মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

⚪ মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
কোন flip-flop কে 'Basic' flip-flop বলা হয়?
  1. T Flip-Flop
  2. D Flip-Flop
  3. SR Flip-Flop
  4. JK Flip-Flop
ব্যাখ্যা
⚪ SR (Set-Reset) ফ্লিপ-ফ্লপকে সবচেয়ে মৌলিক ফ্লিপ-ফ্লপ হিসেবে ধরা হয়, কারণ এটি থেকে অন্যান্য ফ্লিপ-ফ্লপগুলোর ডিজাইন উদ্ভূত হয়। এটি দুটি ইনপুট (S এবং R) এবং দুটি আউটপুট (Q এবং Q̅) নিয়ে গঠিত এবং এটি বাইনারি তথ্য ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

⚪ ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

⚪ ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৯৫.
Crosstab Query-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. শর্তের উপর ভিত্তি করে ডেটা ফিল্টার করা
  2. ডেটা সংক্ষিপ্ত করা এবং এটিকে একটি ম্যাট্রিক্স ফরম্যাটে প্রদর্শন করা
  3. একটি টেবিলের মান আপডেট করা
  4. রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⚪ ক্রসট্যাব কোয়েরি সাধারণত ডেটা সংক্ষেপ করতে এবং সেটিকে একটি সারণি (ম্যাট্রিক্স) আকারে উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এক্স এবং ওয়াই অ্যাক্সিসে ভিন্ন ভিন্ন মান দেখানো হয়।

⚪ কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

⚪ কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৬.
নিচের কোনটি ভুল IP address?
  1. 127.0.0.1
  2. 0.0.0.0
  3. 192.168.1.256
  4. 255.255.255.0
ব্যাখ্যা
⚪ অপশন আলোচনা:
255.255.255.0
→ এটি একটি বৈধ সাবনেট মাস্ক। তাই ঠিক IP।

127.0.0.1
→ এটি একটি লুপব্যাক অ্যাড্রেস, যা কম্পিউটারে নিজেকেই নির্দেশ করে। বৈধ IP।

192.168.1.256
→ এটি একটি ভুল IP ঠিকানা, কারণ প্রতিটি সেগমেন্ট (অক্টেট) সর্বোচ্চ হতে পারে 255। এখানে শেষ অংশে আছে 256, যা অনুমোদিত সীমার বাইরে। তাই ভুল IP ঠিকানা এটি।

0.0.0.0
→ এটি একটি বিশেষ IP ঠিকানা যা ডিফল্ট গেটওয়ে অথবা কোনও নির্দিষ্ট IP না থাকলে ব্যবহৃত হয়। এটি বৈধ, যদিও সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয় না।

সঠিক উত্তর: C. 192.168.1.256
কারণ এটি একটি ভুল IP ঠিকানা — IP ঠিকানার কোন অংশই 255 এর বেশি হতে পারে না।

⚪ আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
কোন ধরনের টপোলজি বিভিন্ন টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত?
  1. হাইব্রিড টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা
⚪ হাইব্রিড টপোলজি এমন একটি নেটওয়ার্ক গঠন যা একাধিক টপোলজির (যেমন স্টার, বাস, রিং ইত্যাদি) সমন্বয়ে গঠিত। এটি বিভিন্ন টপোলজির সুবিধা একত্রিত করে একটি নমনীয় ও দক্ষ নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

⚪ নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে। 

⚪ নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হচ্ছে- 
১। বাস টপোলজি (Bus Topology): 
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। 
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। 

- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। 
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। 
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। 

২। হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): 
- এ ধরনের টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ দেখা যায় তাই একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। 
- সব ধরনের সংগঠনে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। এ জন্য হাইব্রিড টপোলজি কয়েক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে তৈরি হয়। 

৩। স্টার টপোলজি (Star Topology): 
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে। কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ। 
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়। 

৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topolopy): 
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে। বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে। 
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
কোনটি ক্লাউড স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত সেবা নয়?
  1. Amazon S3
  2. iCloud
  3. OneDrive
  4. WeTransfer
ব্যাখ্যা
⚪ OneDrive, iCloud, এবং Amazon S3 - এগুলি সব ক্লাউড স্টোরেজ পরিষেবা, যেখানে আপনি ফাইল সংরক্ষণ এবং একাধিক ডিভাইসের মধ্যে শেয়ার করতে পারেন।
- তবে, WeTransfer একটি ফাইল শেয়ারিং পরিষেবা, যা মূলত বড় আকারের ফাইল অন্যদের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি ক্লাউড স্টোরেজ পরিষেবা নয়।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো:
- মেগা,
- ড্রপবক্স,
- ওয়ান ড্রাইভ,
- গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

⚪ সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৯৯.
IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে কোন প্রযুক্তি কাজ করে?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. WiMAX
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⚪ IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে Bluetooth প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে।

এটি কম শক্তি খরচে কম দূরত্বের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড মূলত ব্যক্তিগত এলাকা নেটওয়ার্ক (PAN) এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা ব্লুটুথের মতো প্রযুক্তির জন্য উপযুক্ত।

⚪ ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।

- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

⚪ এছাড়াও,
• Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
• Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০০.
নিম্নলিখিত বলগুলোর মধ্যে কোনটি সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল?
  1. তড়িৎ চৌম্বক বল
  2. মহাকর্ষ বল
  3. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. সবল নিউক্লীয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লীয় বল (Strong Nuclear Force): 
- এই সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশগুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) প্রধানত কাজ করে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মধ্যকার এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বলের মাধ্যমে তারা নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বলের কারণে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০১.
নিচের কোন কয়লাতে কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি? 
  1. লিগনাইট 
  2. পিট 
  3. অ্যানথ্রাসাইট 
  4. বিটুমিনাস 
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের একধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন। তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H2), সালফার (S), অক্সিজেন (O2) কিংবা নাইট্রোজেন (N2) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস আর খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা।
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে।
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে চাপা পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরও ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)।
- পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ।
- পরবর্তীসময়ে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়।

- কয়লা তিন রকমের হয়। 
যেমন- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট। 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো আর এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০২.
স্বাভাবিকভাবে একজন সুস্থ মানুষের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কত থাকে?
  1. ২.৫–৪.০ mmole/L
  2. ৩.৯–৫.৬ mmole/L
  3. ৮.০–১০.০ mmole/L
  4. ৫.৬–৭.৮ mmole/L
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ: 
- ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- এটি গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে। 
- প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- কারও ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না, যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৩.৯-৫.৬ mmole\L কিংবা (৭০-১০০ মি.গ্রা/ডেসি.লি.)। 
- ডায়াবেটিস হলে রক্তে এর পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়। 

- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। 
- ডায়াবেটিস হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। 
- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন- হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে। 
- ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে, এটি হৃৎপিণ্ডকে অচল করে দেয় এবং রোগী মারা যেতে পারে। 
- এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়। 
- ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তাদের করোনারি হৃদরোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি থাকে। 
- শর্করার মাত্রার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এমন ধরনের ডায়াবেটিসও আছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৩.
কোন লবণটি কাপড় কাচার সোডা নামে পরিচিত?
  1. সোডিয়াম কার্বোনেট 
  2. সোডিয়াম ক্লোরাইড 
  3. সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  4. সোডিয়াম গ্লুটামেট
ব্যাখ্যা
লবণের ব্যবহার: 
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), এই লবণ সাধরণ লবণ বা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত। 
- তরকারি ছাড়াও আরও অনেক খাবার যেমন- পাউরুটি, আচার, চানাচুর ইত্যাদিতে এই খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়। 
- খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য আরেকটি লবণ সোডিয়াম গ্লুটামেট ব্যবহার করা হয় যা 'টেস্টিং সল্ট' নামে পরিচিত। 
- কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) লবণ। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) লবণ। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে যে সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) ব্যবহার করা হয় তাও একটি লবণ। 
- আবার জীবাণুনাশক হিসেবে যে তুঁতে (CuSO4.5H2O) বা ফিটকিরি [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O] ব্যবহার করা হয় সেগুলোও লবণ। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর নামক একটি লবণ ব্যবহার করা হয়। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করে থাকি, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট (NH4)3PO4, পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ। এটি শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

শিল্পকারখানায় লবণ: 
- শিল্পকারখানায় নানা কাজে খাবার লবণ অপরিহার্য। 
যেমন- চামড়াশিল্পে চামড়ার ট্যানিং করতে, মাখন ও পনিরের শিল্পোৎপাদনে, কাপড় কাচার সোডা ও খাবার সোডা তৈরি করতে, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজে খাবার লবণ ব্যবহৃত হয়। 
- বেশ কিছু লবণ যেমন- তুঁতে (CuSO4), মারকিউরিক সালফেট (HgSO4), সিলভার সালফেট (Ag2SO4) শিল্পকারখানায় প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৪.
শ্বসন প্রক্রিয়ার হার কমানোর জন্য কোন উপাদানটির ঘনত্ব বাড়ানো উচিত?
  1. পানি
  2. উষ্ণতা
  3. অক্সিজেন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
শ্বসন (Respiration): 
- শ্বসন হলো শক্তি নির্গমনকারী কতিপয় জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার সমষ্টি। 
- শক্তি উৎপাদনকালে জটিল খাদ্যদ্রব্য সরল দ্রব্যে পরিণত হয়। 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ জটিল জৈবযৌগ (খাদ্যবস্তু) জারিত হয়, ফলে জৈবযৌগে সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তি বা রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে শ্বসন বলে। 
- শ্বসনের ফলে যে শক্তি নির্গত হয় তা জীবের বিভিন্ন শক্তি শোষণকারী কার্যকলাপে ব্যয় হয়। 

শ্বসনের প্রকারভেদ: 
- অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: (ক) সবাত শ্বসন (Aerobic respiration) এবং (খ) অবাত শ্বসন (Anaerobic respiration)। 
- যে শ্বসন ক্রিয়ার জন্য মুক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তাকে সবাত শ্বসন বলে এবং যে শ্বসন ক্রিয়ার জন্য মুক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় না অর্থাৎ অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সংঘটিত হয়, তাকে অবাত শ্বসন বলে। 
শ্বসন প্রক্রিয়ার প্রভাবকসমূহ: 
- নিম্নলিখিত বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ প্রভাবকসমূহ শ্বসন ক্রিয়ার ওপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে। 
যেমন- 
(ক) বাহ্যিক প্রভাবকসমূহ (External factors): 
১। তাপমাত্রা: 
- শ্বসন ক্রিয়া কতগুলো রাসায়নিক বিক্রিয়ার সমষ্টি, আর এ রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোর হার বিভিন্ন উৎসেচক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। 
- যেহেতু উৎসেচকসমূহের কার্যকারিতা তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল সেহেতু তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি শ্বসনের হারকেও নিয়ন্ত্রিত করে। 
- তাপমাত্রা 0° সে. থেকে 30° সে. পর্যন্ত বাড়ার সাথে সাথে শ্বসন হারও ক্রমাগত বাড়ে। 0° সে. তাপমাত্রায় শ্বসন হার খুবই কম থাকে। 
- সাধারণত 20°-35° C তাপমাত্রায় শ্বসন প্রক্রিয়া ভালোভাবে চলে। 
- 45°C এর ওপরের তাপমাত্রায় উৎসেচকসমূহের বিক্রিয়ার হার তথা শ্বসনের হার বেশ কমে যায়। 

২। অক্সিজেন: 
- পাইরুভিক অ্যাসিডের পূর্ণাঙ্গ জারণের জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। 
- সবাত শ্বসনে পাইরুভিক আসিড সম্পূর্ণ জারিত হয়ে CO2 ও H2O উৎপন্ন করে। 
- অতএব কেবল সবাত শ্বসনেই অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে। 

৩। পানি: 
- কতগুলো বিক্রিয়ায় পানির প্রয়োজন হয়, অতএব প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহও শ্বসন ত্রিয়াকে প্রভাবিত করে থাকে। 

৪। আলো: 
- শ্বসনকার্যে আলোর প্রয়োজন পড়ে না সত্যি কিন্তু দিনের বেলায় আলোর উপস্থিতিতে পত্ররন্ধ্র খোলা থাকায় O2 গ্রহণ ও CO2 ত্যাগ করা সহজ হয় বলে শ্বসন হার একটু বেড়ে যায়। 

৫। কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব: 
- বায়ুতে CO2 এর ঘনত্ব বেড়ে গেলে শ্বসন হার কিঞ্চিৎ কমে যায়। 

(খ) অভ্যন্তরীণ প্রভাবকসমূহ (Internal factors): 
১। জটিল খাদ্যদ্রব্য: 
- সরল খাদ্য গ্লুকোজ শ্বসন ক্রিয়ার প্রধান শ্বসনিক বস্তু। 
- বিভিন্ন বিক্রিয়ায় কোষস্থ জটিল খাদ্যই গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। 
- কাজেই জটিল খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ ও ধরন শ্বসন প্রক্রিয়ার হারকে নিয়ন্ত্রণ করে। 

২। উৎসেচক: 
- শ্বসন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় অসংখ্য উৎসেচক অংশগ্রহণ করে, তাদের উপস্থিতির ওপরই সম্পূর্ণ শ্বসন প্রক্রিয়াটি নির্ভরশীল। 

৩। কোষের বয়স: 
- যে কোষে প্রোটোপ্লাজম অধিক (অল্প বয়সের) সেসব কোষে শ্বসন হার অধিক হয়। 

৪। কোষস্থ অজৈব লবণ: 
- কোষে অজৈব লবণ অধিক পরিমাণে থাকলে শ্বসন হার বেড়ে যায়। 

৫। কোষ মধ্যস্থ পানি: 
- কোষে প্রয়োজনীয় পানির অভাব হলে শ্বসন হার কমে যায়। 

৬। মাটিতে অজৈব লবণ: 
- মাটিতে NaCl, KCI, CaCI ও MgCl এর দ্রবণের সরবরাহ বৃদ্ধি ঘটিয়ে শ্বসন হার বৃদ্ধি করা যায়। 

৭। অন্যান্য প্রভাবক: 
- আঘাতপ্রাপ্ত টিস্যুতে আঘাত নিরাময়ের জন্য কোষ বিভাজন দ্রুততর হয়, ফলে শ্বসন হার বেড়ে যায়। 
- হাত দিয়ে পাতা মৃদু ঘষে দিলে শ্বসন হার বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
১০৫.
একটি দোলক এক সেকেন্ডে যতবার পূর্ণ দোলন সম্পন্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. বিস্তার
  2. কৌণিক বিস্তার
  3. কম্পাঙ্ক
  4. দোলনকাল
ব্যাখ্যা
কম্পাঙ্ক: 
- কোনো কম্পমান বস্তু প্রতি সেকেন্ডে যতবার কম্পন বা দোলন বা পুনরাবৃত্তি ঘটায় তাকে কম্পাঙ্ক বলে। 
- কম্পাঙ্ককে ƒ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 


দোলনকাল বা পর্যায়কাল: 
- একবার পূর্ণ দোলন দিতে যে সময় লাগে তাকে দোলনকাল বলে। 
- দোলনকালকে T দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- চিত্রে C থেকে A হয়ে B তে পৌঁছিয়ে আবার B থেকে A হয়ে C তে পৌঁছাতে যে সময় লাগে তাকে পর্যায়কাল বা দোলনকাল বলে। 

দোলন তল: 
- সূতাসহ ববটি যে তলে দুলতে থাকে তাকে দোলন তল বলে। 
চিত্রে, OBAC যে তলে অবস্থিত সেটিই দোলন তল। 

কার্যকরী দৈর্ঘ্য: 
- আলম্ব বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে দোলকের কার্যকর দৈর্ঘ্য বলে। 
- r ব্যাসার্ধের গোলকাকৃতি ববের ভারকেন্দ্রটি ববের কেন্দ্রে অবস্থিত হয়; ফলে সুতোর দৈর্ঘ্য I হলে দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য, L = I + r  । 

বিস্তার: 
- সাম্যাবস্থান থেকে যেকোনো দিকে ববের সর্বাধিক সরণকে বিস্তার বলা হয়। 
প্রদত্ত চিত্রে, AB বা AC হল দোলকের বিস্তার। 
- বিস্তারকে সাধারণত x দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 

কৌণিক বিস্তার: 
- ববের সাম্যাবস্থান ও সর্বাধিক সরণের অবস্থান লম্বন বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে দোলকের কৌণিক বিস্তার বলা হয়। 
- কৌণিক বিস্তারকে সাধারণত θ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
এক্ষেত্রে চিত্র অনুসারে কৌণিক বিস্তার θ = ∠AOB = ∠AOC 
উল্লেখ্য, 
- সরল দোকের কৌণিক বিস্তার 4° এর কম হওয়া উচিত, যাতে CAB বৃত্তচাপটি প্রায় সরলরেখার আকার ধারণ করে। তাই AB বা AC কে পিন্ডের সর্বাধিক সরণ হিসেবে ধরা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৬.
নিচের কোন প্লাস্টিক পুড়ে যাওয়ার সময় হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস নির্গত করে?
  1. পলিইউরেথেন
  2. পিভিসি
  3. পলিস্টার
  4. ব্যকেলাইট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিক: 
- প্লাস্টিক শব্দের অর্থ হলো সহজেই ছাঁচযোগ্য। 
- নরম অবস্থায় প্লাস্টিক ইচ্ছামতো ছাঁচে ফেলে সেটা থেকে নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি বিশিষ্ট বস্তু সামগ্রী তৈরি করা যায়। 
যেমন- মগ, বালতি, জগ, মেলামাইনের থালা-বাসন, পিভিসি পাইপ, বাচ্চাদের খেলনা, গাড়ির সিটবেল্ট, এমনকি আসবাবপত্র সবকিছুই প্লাস্টিকের তৈরি। 
- এ সবই প্লাসটিক জাতীয় পলিমার থেকে তৈরি। 

প্লাস্টিকের ভৌত ধর্ম: 
- বেশির ভাগ প্লাস্টিকই পানিতে অদ্রবণীয় যা দ্রবীভূত হয় না। 
- প্লাস্টিকের বিদ্যুৎ এবং তাপ নিরোধক হিসেবে বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো গলিত অবস্থায় এদেরকে যেকোনো আকার দেওয়া যায়। 
- পলিথিন, পিভিসি পাইপ, পলিস্টার কাপড়, বাচ্চাদের খেলনা-এসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়। এভাবে যতবারই এদেরকে তাপ দেওয়া যায়, এরা নরম হয় ও ঠান্ডা করলে শক্ত হয়, এগুলোকে থার্মোপ্লাস্টিকস (Thermoplastics) বলে। 
- অন্যদিকে মেলামাইন, ব্যকেলাইট (যা ফ্রাইং প্যানের হাতলে এবং বৈদ্যুতিক সকেটে ব্যবহার করা হয়) এগুলো তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায়। এদেরকে একবারের বেশি ছাঁচে ফেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না। এই সকল প্লাস্টিককে থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস (Thermosetting Plastics) বলে। 

প্লাস্টিকের রাসায়নিক ধর্ম: 
- বেশির ভাগ প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তাই বাতাসের জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। 
- এমনকি পাতলা এসিড বা ক্ষারের সাথেও প্লাস্টিক বিক্রিয়া করে না, তবে শক্তিশালী ও ঘনমাত্রার এসিডে কিছু কিছু প্লাস্টিক দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- প্লাস্টিক সাধারণত দাহ্য হয় অর্থাৎ এদেরকে আগুন ধরালে পুড়তে থাকে এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 
- প্লাস্টিক পচনশীল নয়, দীর্ঘদিন মাটি বা পানিতে পড়ে থাকলেও এসব পচে না। 
- অবশ্য বর্তমানে বিজ্ঞানীরা পচনশীল প্লাস্টিক আবিষ্কার করেছেন, সেগুলো বিশেষ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- হাত-পা কেটে গেলে বা মেডিক্যাল অপারেশনে সেলাইয়ের কাজে যে সুতা ব্যবহৃত হয়, সেগুলো এক ধরনের পচনশীল প্লাস্টিক। 
- প্লাস্টিক পোড়ালে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি হয়। 
যেমন- পিভিসি পোড়ালে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl) নিঃসৃত হয়। আবার পলিইউরেথেন (Polyurethane) প্লাস্টিক (যা আসবাবপত্র, যেমন: চেয়ার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৭.
রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যানিমিয়া
  2. থ্যালাসেমিয়া
  3. পলিসাইথিমিয়া
  4. থ্রম্বোসাইটোসিস
ব্যাখ্যা
রক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থা: 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 
১. পলিসাইথিমিয়া: 
- হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এবং রক্তকোষের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যাধিক বৃদ্ধি পাওয়া। 

২. অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা: 
- হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩. লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কোষের সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কোষের সংখ্যা সেসবের চাইতেও অত্যধিক হারে বেড়ে যায়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 
- লিউকেমিয়ার বেশ কিছু ধরন রয়েছে যেগুলো অনেকাংশে নিরাময়যোগ্য। 

৪. লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কোষের সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যায়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫. থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- এ অবস্থায় অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালির রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস এবং গুরু মস্তিষ্কের রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬. পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে ত্বকের নিচে রক্তপাত হয়ে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এ অবস্থায় অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭. থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। 
- এ রোগটি মানুষের অটোজোমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা ঘটে। যখন মাতা ও পিতা উভয়ের অটোজোমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্রিত হয়ে এই রোগের প্রকাশ ঘটায়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। এ রোগের জন্য রোগীকে নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তস্বল্পতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৮.
বাংলাদেশে সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোনটি হয়েছিল কোন সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "Kyklos" থেকে, যার অর্থ হলো Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী। 
অর্থাৎ, নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে। 
- দক্ষিণ এশিয়াতে যা সাইক্লোন, আমেরিকাতে সেটা হ্যারিকেন (Hurricane) এবং দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন (Typhoon) নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং মাঝখানে ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান। 
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য সাইক্লোন বাংলাদেশে আঘাত এনেছে যার মধ্যে ১৯৬০, ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের সাইক্লোন ছিল প্রলয়ংকরী। তবে ১৯৭০ সালের সাইক্লোনটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ ও করণীয়: 
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে, তাই এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সহজসাধ্য নয়। 
- তবে যে দুটি কারণ মূলত সাইক্লোন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা হলো নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে। 
- সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে যখন জল কণায় পরিণত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ত তাপটি বাতাসে ছেড়ে দেয়। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয় এবং বাষ্পীভবন আরো বেড়ে যায়, ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে আশপাশের বাতাস সেখানে ছুটে আসে, যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে এবং সাইক্লোন সৃষ্টি করে। 
- এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের বেগ অনেক বেশি হয়। তবে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে, তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। 

- সাইক্লোন অত্যন্ত শক্তিশালী, একটি দুর্বল সাইক্লোনও শক্তিতে মেগাটন শক্তির কয়েক হাজার পারমাণবিক বোমার সমান। 
- তাছাড়া যেহেতু সাইক্লোন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই এটি প্রতিরোধ করা প্রায় অসাধ্য। 
- সম্প্রতি আমেরিকাতে ঝড়ের সময় সিলভার আয়োডাইড (AgI) নামক রাসায়নিক দ্রব্য বাতাসে ছড়িয়ে পানিকে শীতল করে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ কমানোর চেষ্টা করা হলেও নানা ধরনের সীমাবদ্ধতার কারণে এটি ঠিকভাবে কাজ করেনি। 
- এছাড়া সাগরে তেল বা অন্যান্য  রাসায়নিক দ্রব্য ছিটিয়ে বাষ্পীভবন কমিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার চিন্তাভাবনা করা হয়। তবে প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করা কখনোই বাস্তবভিত্তিক নয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রক্রিয়া জোরদার করে মানুষের প্রাণ বাঁচানোর এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 
- সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়ের আরেকটি মারাত্মক দিক হলো জলোচ্ছ্বাস। তাই ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় উঁচু করে মজবুত আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। 
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় নিচু এলাকায় বসবাস করা মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। 
- জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর জন্য উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ তৈরি করা যেতে পারে, সাথে সাথে সেখানে প্রচুর গাছপালা লাগিয়েও ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৯.
তড়িৎ প্রলেপন প্রক্রিয়ায় ধাতুর প্রলেপ কোথায় পড়ে? 
  1. অ্যানোডে 
  2. ক্যাথোডে 
  3. ব্যাটারিতে 
  4. ইলেকট্রোলাইটে 
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রলেপন (Electroplating): 
- তড়িৎ বিশ্লেষণ করে একটি ধাতুর ওপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে। 
- সাধারণত কোনো কম দামি ধাতু (যেমন- তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি) দিয়ে তৈরি জিনিসকে জলবায়ু থেকে রক্ষা করার জন্য কিংবা সুন্দর দেখানোর জন্য সেগুলোর ওপর সোনা, রুপা, নিকেল এরকম মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।
- যে ধাতব বস্তুটিকে প্রলেপ দিতে হবে, সেটি খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে একটি পাত্রে রাখতে হবে। এটি হবে ক্যাথোড ইলেকট্রোড।
- যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়।
- তড়িৎ দ্রব হিসেবে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে, তার কোনো একটি লবণের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
- ব্যাটারি বা পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করে অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোডে রাখা ধাতব বস্তুর ওপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে


উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১০.
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় বস্তুর যে তাপীয় ধর্ম স্থির থাকে, সেটি কী?
  1. এন্ট্রপি
  2. চাপ
  3. ওজন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
এন্ট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে। 
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। 
- অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে, ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এন্ট্রপি। 
- কোনো বস্তুর এন্ট্রপির মান আজো জানা সম্ভব হয়নি। তবে কোনো বস্তু যদি তাপ গ্রহণ বা বর্জন করে, তাহলে বস্তুর এন্ট্রপির পরিবর্তন হয়। 
- কোনো বস্তুর তাপমাত্রার সাপেক্ষে গৃহীত বা বর্জিত তাপ পরিবর্তনের হার দ্বারা এন্ট্রপির পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় বস্তুর যে তাপীয় ধর্ম স্থির থাকে, তাকে এন্ট্রপি বলে। 
অর্থাৎ, এন্ট্রপি হলো বস্তুর এমন একটি ভৌত ধর্ম যা রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় স্থির থাকে। এন্ট্রপিরকে s দ্বারা সূচিত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১১.
১ কিউবিক মিটার পানির ভর কত?
  1. ১০ কেজি
  2. ১০০ কেজি
  3. ১০০০ কেজি
  4. ১০০০০ কেজি
ব্যাখ্যা
গলনাঙ্ক: 
- পানি যখন কঠিন অবস্থায় থাকে তখন তা বরফ। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাঙ্ক। 
- বরফের গলনাঙ্ক ০° সেলসিয়াস। 

স্ফুটনাঙ্ক: 
- য়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে বলে স্ফুটনাঙ্ক। 
- পানির স্ফুটনাঙ্ক ৯৯.৯৮০ সেলসিয়াস যা ১০০° সেলসিয়াসের খুবই কাছাকাছি, তাই সাধারণভাবে পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০° সেলসিয়াস। 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীন আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি আর তা হচ্ছে ১ গ্রাম/সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
অর্থাৎ, ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১২.
খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকলে কোন খনিজের অভাব হয় না?
  1. সেলেনিয়াম
  2. দস্তা
  3. আয়রন
  4. ফসফরাস
ব্যাখ্যা
ফসফরাস (P): 
- দেহে পরিমাণের দিক থেকে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরই ফসফরাসের স্থান। 
- ফসফরাসও ক্যালসিয়ামের মতো হাড়ের একটি প্রধান উপাদান। 
- ফসফরাস হাড়, যকৃৎ এবং রক্তরসে সঞ্চিত থাকে। 
- নিউক্লিক এসিড, নিউক্লিয় প্রোটিন তৈরি এবং শর্করা বিপাকের দ্বারা শক্তি উৎপাদনে ফসফরাস প্রধান ভূমিকা রাখে। 
- ফসফরাসের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: দানা শস্য, শিম, বরবটি, মটরশুঁটি, বাদাম ইত্যাদি। 
- ফসফরাসের প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, কলিজা ইত্যাদি। 
- ক্যালসিয়ামের মতো হাড় এবং দাঁত গঠন করা ফসফরাসের প্রধান কাজ। 
- ফসফরাসের অভাবে রিকেটস, অস্থিক্ষরতা, দন্তক্ষয়- এইসব রোগ দেখা দেয়। 
- খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকলে ফসফরাসের অভাব হয় না। 

ক্যালসিয়াম (Ca): 

- এটি প্রাণীদের হাড় এবং দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্তে এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি লক্ষণীয়। 
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, পালংশাক, কচুশাক, লালশাক, কলমিশাক, বাঁধাকপি এবং ফল। 
- ক্যালসিয়ামের প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় এবং দাঁতের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৩.
তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল ২৭ হলে, তাদের গুণফল কত?
  1. ৬৫০
  2. ৭২০
  3. ৮৪০
  4. ৬৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল ২৭ হলে, তাদের গুণফল কত?

সমাধান:
ধরি, তিনটি ক্রমিক সংখ্যা,
x, x + ১, x + ২

প্রশ্নমতে,
⇒ x + (x + ১) + (x + ২) = ২৭
⇒ ৩x + ৩ = ২৭
⇒ ৩x = ২৭ - ৩
⇒ ৩x = ২৪
⇒ x = ২৪/৩
∴ x = ৮

∴ তিনটি ক্রমিক সংখ্যা হলো = ৮, ৯, ১০
∴ তিনটি সংখ্যার গুণফল = ৮ × ৯ × ১০ = ৭২০
১১৪.
যদি x + 2y = 10 এবং x/y = 3 হলে, x এর মান কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 9
  4. 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x + 2y = 10 এবং x/y = 3 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + 2y = 10 .......... (1)
এবং
x/y = 3
⇒ x = 3y .......... (2)

x এর মান (1) এ বসিয়ে পাই,
⇒ 3y + 2y = 10
⇒ 5y = 10
⇒ y = 10/5
∴ y = 2

y এর মান (2) এ বসিয়ে পাই,
∴ x = 3 × 2 = 6
১১৫.
ABCD সামান্তরিকের DC ভূমিকে E পর্যন্ত বাড়ানো হলো। যদি ∠BAD = ১০০° হয়, তাহলে ∠BCE = কত?
  1. ৮০°
  2. ১০০°
  3. ৯০°
  4. ৭৫°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ABCD সামান্তরিকের DC ভূমিকে E পর্যন্ত বাড়ানো হলো। যদি ∠BAD = ১০০° হয়, তাহলে ∠BCE = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
∠BAD = ১০০°
সামান্তরিক হতে পাই,
∠BAD = ∠BCD = ১০০°


এখন, চিত্র হতে পাই,
DC কে E পর্যন্ত বর্ধিত করায়, DCE একটি সরলরেখা, তাই ∠DCE = ১৮০°।
∴ ∠BCD + ∠BCE = ∠DCE
⇒ ১০০° + ∠BCE = ১৮০°
⇒ ∠BCE = ১৮০° - ১০০° = ৮০°
∴ ∠BCE = ৮০°
১১৬.
একটি ফলের ঝুড়িতে ১২ টি আম, ২১টি আপেল এবং ১৫ টি কমলা আছে। ঝুড়ি থেকে দৈবভাবে একটি ফল নেওয়া হলে ফলটি আপেল অথবা কমলা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১/৩
  2. ৩/৪
  3. ১/২
  4. ৩/৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ফলের ঝুড়িতে ১২ টি আম, ২১টি আপেল এবং ১৫ টি কমলা আছে। ঝুড়ি থেকে দৈবভাবে একটি ফল নেওয়া হলে ফলটি আপেল অথবা কমলা হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
ঝুড়িতে মোট ফল = ১২ + ২১ + ১৫ = ৪৮

 দৈবভাবে একটি ফল নেওয়া হলে ফলটি আপেল হওয়ার সম্ভাবনা = ২১/৪৮ = ৭/১৬
 দৈবভাবে একটি ফল নেওয়া হলে ফলটি কমলা হওয়ার সম্ভাবনা = ১৫/৪৮ = ৫/১৬

∴ দৈবভাবে একটি ফল নেওয়া হলে ফলটি আপেল অথবা কমলা হওয়ার সম্ভাবনা = (৭/১৬) + (৫/১৬)
= (৭ + ৫)/১৬
= ১২/১৬
= ৩/৪
১১৭.
দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু ১৫ এবং ল.সা.গু ৩০০। একটি সংখ্যা ৬০ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?
  1. ৬৮
  2. ৭৮
  3. ৫৬
  4. ৭৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু ১৫ এবং ল.সা.গু ৩০০। একটি সংখ্যা ৬০ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
দুইটি সংখ্যার গ, সা, গু ১৫, ল, সা, গু ৩০০ এবং একটি সংখ্যা ৬০

আমরা জানি, 
সংখ্যা দুইটির গুণফল = গ. সা. গু × ল. সা. গু
⇒ ৬০ × অপর সংখ্যা = ১৫ × ৩০০
⇒ অপর সংখ্যা = (১৫ × ৩০০)/৬০​ = ৭৫
∴ অপর সংখ্যা = ৭৫
১১৮.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ৮ মিটার এবং উহার অপর দুইটি বাহুর প্রতিটি ৫ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৪ বর্গ মিটার
  2. ৬ বর্গ মিটার
  3. ১২ বর্গ মিটার
  4. ১৮ বর্গ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ৮ মিটার এবং উহার অপর দুইটি বাহুর প্রতিটি ৫ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের,
ভূমি (b) = ৮ মিটার
সমান বাহু (a) = ৫ মিটার

আমরা জানি,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/৪) × √(৪a - b) বর্গ একক
= (৮/৪) × √{(৪ × ৫) - ৮}
= ২ × √(১০০ - ৬৪)
= ২ × √(৩৬)
= ২ × ৬
= ১২ বর্গ মিটার
১১৯.
একটি পুনর্মিলনীতে ১৫ জন বন্ধু পরস্পরের সাথে পুনর্মিলনীর শুরু এবং শেষে করমর্দন করে। তাহলে মোট কত বার করমর্দন সম্পন্ন হয়?
  1. ২১০
  2. ১৩২
  3. ১৮০
  4. ২৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পুনর্মিলনীতে ১৫ জন বন্ধু পরস্পরের সাথে পুনর্মিলনীর শুরু এবং শেষে করমর্দন করে। তাহলে মোট কত বার করমর্দন সম্পন্ন হয়?

সমাধান:
প্রতি বন্ধু প্রতিটি অন্য বন্ধুর সাথে করমর্দন করবে।
যেহেতু করমর্দন করতে ২ জন বন্ধুর প্রয়োজন, তাই করমর্দন হবে,
= ১৫C
= ১৫!/২!(১৫ - ২)!
= (১৫ × ১৪ × ১৩!​)/(২! × ১৩!)
= (১৫ × ১৪)/২
= ১০৫

যেহেতু, শুরু এবং শেষে করমর্দন করে, তাহলে মোট করমর্দনের সংখ্যা হবে = ১০৫ × ২ = ২১০ বার
১২০.
ডালের মূল্য ১৫% বেড়ে যাওয়ায় ২৩০০ টাকায় পূর্বে যত কেজি ডাল কেনা যেত, এখন তার চেয়ে ৫ কেজি ডাল কম কেনা যায়। ডালের বর্তমান দর কেজি প্রতি কত?
  1. ৯০ টাকা
  2. ৬০ টাকা
  3. ৬৯ টাকা
  4. ৪৯ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ডালের মূল্য ১৫% বেড়ে যাওয়ায় ২৩০০ টাকায় পূর্বে যত কেজি ডাল কেনা যেত, এখন তার চেয়ে ৫ কেজি ডাল কম কেনা যায়। ডালের বর্তমান দর কেজি প্রতি কত?

সমাধান:
১৫% বৃদ্ধিতে = ১০০ + ১৫ = ১১৫ টাকা

∴ পূর্বমূল্য ১০০ টাকা হলে বর্তমান মূল্য = ১১৫ টাকা
∴ পূর্বমূল্য ১ টাকা হলে বর্তমান মূল্য = ১১৫/১০০ টাকা
∴ পূর্বমূল্য ২৩০০ টাকা হলে বর্তমান মূল্য = (১১৫ × ২৩০০)/১০০ = ২৬৪৫ টাকা

∴ ৫ কেজি ডালের বর্তমান মূল্য = (২৬৪৫ - ২৩০০) = ৩৪৫ টাকা
∴ ১ কেজি ডালের বর্তমান মূল্য = ৩৪৫/৫ = ৬৯ টাকা
১২১.
a > b এবং c < 0 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ac < bc
  2. (a/c) > (b/c)
  3. ac > bc
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a > b এবং c < 0 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a > b
(1/a) < (1/b)
c/a < c/b
= ac < bc
১২২.
2log2​(x) = 8 হলে, x -এর মান কত?
  1. 16
  2. 4
  3. 8
  4. 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2log2​(x) = 8 হলে, x -এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
⇒ 2log2​(x) = 8
⇒ 2log2​(x) = 23
⇒ log2​(x) = 3
⇒ x = 23
∴ x = 8
১২৩.
5 + 8 + 11 + 14 + ........ ধারাটির প্রথম 20 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 670
  2. 520
  3. 810
  4. 900
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5 + 8 + 11 + 14 + ........ ধারাটির প্রথম 20 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
প্রদত্ত ধারাটি একটি সমান্তর ধারা।
প্রথম পদ, a = 5
সাধারণ অন্তর, d = 8 - 5 = 3

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদের সমষ্টি, Sn​ = (n​/2)[2a ​+ (n - 1)d]
∴ 20তম পদের সমষ্টি, S20 = (20/2)[10 + (20 - 1)3]
= 10(10 + 57)
= 10 × 67
= 670
১২৪.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল ১৬π বর্গ মিটার এবং পরিধি ৮π মিটার হলে, বৃত্তের ব্যাস কত?
  1. ১২ মিটার
  2. ৮ মিটার
  3. ৪ মিটার
  4. ৬ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল ১৬π বর্গ মিটার এবং পরিধি ৮π মিটার হলে, বৃত্তের ব্যাস কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল ১৬π বর্গ মিটার এবং পরিধি ৮π মিটার

আমরা জানি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr
বৃত্তের পরিধি = ২πr

প্রশ্নমতে,
⇒ ২πr = ৮π
⇒ ২r = ৮ 

∴ বৃত্তের ব্যাস ৮ মিটার।
১২৫.
A = {0, 2, 3, 7, 9} B = {1, 5, 6, 8, 11), С = {2, 5, 7, 8, 12, 14} হলে, (A ∩ B) ∪ (A ∩ C) এর মান কত?
  1. {2, 3, 5, 7, 9}
  2. {4, 7, 9}
  3. {0, 2, 4, 7}
  4. {2, 7}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {0, 2, 3, 7, 9} B = {1, 5, 6, 8, 11), С = {2, 5, 7, 8, 12, 14} হলে, (A ∩ B) ∪ (A ∩ C) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A = {0, 2, 3, 7, 9} B = {1, 5, 6, 8, 11), এবং С = {2, 5, 7, 8, 12, 14}
এখন,
A ∩ B = {0, 2, 3, 7, 9} ∩ {1, 5, 6, 8, 11) = ∅
A ∩ C = {0, 2, 3, 7, 9} ∩ {2, 5, 7, 8, 12, 14} = {2, 7}

∴ (A ∩ B) ∪ (A ∩ C) = ∅ ∪ {2, 7} = {2, 7}
১২৬.
পাঁচজন ব্যক্তি বাসে ভ্রমণ করছেন। তাঁরা হলেন A, B, C, D, E। A হলেন C এর মা, C আবার E এর স্ত্রী। D হলেন A এর ভাই এবং B হলেন A এর স্বামী। E এর সঙ্গে B এর সম্পর্ক কী?
  1. মামা
  2. শ্বশুর
  3. পিতা
  4. ভাই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পাঁচজন ব্যক্তি বাসে ভ্রমণ করছেন। তাঁরা হলেন A, B, C, D, E। A হলেন C এর মা, C আবার E এর স্ত্রী। D হলেন A এর ভাই এবং B হলেন A এর স্বামী। E এর সঙ্গে B এর সম্পর্ক কী?

সমাধান:
E ও C = স্বামী ও স্ত্রী
B ও A = স্বামী ও স্ত্রী
C এর মা = A
∴ E এর সঙ্গে B এর সম্পর্ক শ্বশুর।
১২৭.
১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ২৫ টি
  2. ৩২ টি
  3. ২২ টি
  4. ২৬ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি?

সমাধান:
১০০ সংখ্যাটিকে ৪ দ্বারা ভাগ করলে, ভাগফল = ২৫

আবার,
২০০ সংখ্যাটিকে ৪ দ্বারা ভাগ করলে, ভাগফল = ৫০

∴ ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = (৫০ - ২৫) + ১ = ২৬ টি
১২৮.
৩৫ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ১৫ মিনিট, ৫টা ৩০ মিনিট বাজতে আর কতক্ষণ সময় বাকি আছে?
  1. ২৫ মিনিট
  2. ৪০ মিনিট
  3. ৩৫ মিনিট
  4. ৪৫ মিনিট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩৫ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ১৫ মিনিট, ৫টা ৩০ মিনিট বাজতে আর কতক্ষণ সময় বাকি আছে?

সমাধান:
৩৫ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ১৫ মিনিট
∴ বর্তমান সময় = ০৪ : ১৫টা + ৩৫ মিনিট = ৪ : ৫০ টা

∴ ৫টা ৩০ মিনিট বাজতে সময় বাকি আছে = ০৫ : ৩০ টা - ০৪ : ৫০ টা = ৪০ মিনিট।
১২৯.
"Descendant" এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. শিক্ষক
  2. মহীয়ান
  3. কোষাধ্যক্ষ
  4.  বংশধর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "Descendant" এর বাংলা পরিভাষা কী?
 
সমাধান:
"Descendant" শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো "বংশধর", যা পূর্বপুরুষের উত্তরসূরি বা সন্তান বোঝায়

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ: 
→ 'Aeronaut' এর বাংলা পরিভাষা- বৈমানিক 
→ 'Aeronautics' এর বাংলা পরিভাষা- বিমানবিদ্যা 
→ 'Affirmation'এর বাংলা পরিভাষা- শপথগ্রহণ 
→ 'Ceramics এর বাংলা পরিভাষা- মৃৎশিল্প 
→ 'Dynamics' এর বাংলা পরিভাষা - গতিবিদ্যা।
→ 'Dynamism' এর বাংলা পরিভাষা - গতিশীলতা।
→ 'Dynamo' এর বাংলা পরিভাষা - বিদ্যুৎস্রষ্টা
→ 'Dynamometer' এর বাংলা পরিভাষা - শক্তিমাপক।
১৩০.
ফা-হিয়েন : চীন : : ইবনে বতুতা : ?
  1. তিউনিসিয়া
  2. ইরাক
  3. লিবিয়া
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ফা-হিয়েন : চীন : : ইবনে বতুতা : ?

সমাধান:
ফা-হিয়েন চীনা পরিব্রাজক এবং ইবনে বতুতা মরক্কোর পরিব্রাজক
১৩১.
Select the correctly spelt word-
  1. haterogeneous
  2. heterogeneous
  3. hatroganeous
  4. hetroganeous
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Select the correctly spelt word- 

সমাধান:
সঠিক শব্দটি হলো heterogeneous, যার অর্থ ভিন্নধর্মী বা বিভিন্ন প্রকৃতির।
১৩২.
প্রদত্ত ধারার ভুল সংখ্যাটি নির্ণয় করুন-
26, 63, 124, 217, 342, 511
  1. 342
  2. 63
  3. 124
  4. 217
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত ধারার ভুল সংখ্যাটি নির্ণয় করুন-
26, 63, 124, 217, 342, 511

সমাধান:
33 - 1 = 27 - 1 = 26
43 - 1 = 64 - 1 = 63
53 - 1 = 125 - 1 = 124
63 - 1 = 216 - 1 = 215
73 - 1 = 343 - 1 = 342
83 - 1 = 512 - 1 = 511

∴ ধারার ভুল সংখ্যাটি = 217
১৩৩.
'যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে' এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. অপসৃয়মাণ
  2. বক্ষ্যমাণ
  3. উপলভ্যমান
  4. নীয়মান
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে' এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
 
সমাধান:
যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে' এর এক কথায় প্রকাশ - অপসৃয়মাণ

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এক কথায় প্রকাশ:
'যা বহন করা হচ্ছে' এর এক কথায় প্রকাশ - নীয়মান
'যা বলা হচ্ছে' এর এক কথায় প্রকাশ - বক্ষ্যমাণ
যা উপলদ্ধি করা হচ্ছে' এর এক কথায় প্রকাশ - উপলভ্যমান
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না - দুরতিক্রম্য
যা নিবারণ করা কষ্টকর - দুর্নিবার
পাওয়ার ইচ্ছা - ঈপ্সা ।
১৩৪.
তেলপূর্ণ একটি ড্রামের ওজন ৩২ কেজি। যদি এর এক চতুর্থাংশ তেলপূর্ণ থাকে তাহলে এর ওজন হয় ১২.৫ কেজি। খালি ড্রামের ওজন কত কেজি?
  1. ৯ কেজি
  2. ৪ কেজি
  3. ৮ কেজি
  4. ৬ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তেলপূর্ণ একটি ড্রামের ওজন ৩২ কেজি। যদি এর এক চতুর্থাংশ তেলপূর্ণ থাকে তাহলে এর ওজন হয় ১২.৫ কেজি। খালি ড্রামের ওজন কত কেজি?

সমাধান:
ধরি 
পানির ওজন = x কেজি 
ড্রামের ওজন = y কেজি 

প্রশ্নমতে,
x + y = ৩২ ……......(i)
(x/৪) + y = ১২.৫ 
⇒ x + ৪y = ৫০ …….(ii)

(ii) - (i) ⇒
x + ৪y - x - y = ৫০ - ৩২
⇒ ৩y = ১৮
⇒ y = ৬ কেজি 

∴ খালি ড্রামের ওজন = ৬ কেজি
১৩৫.
ভূত্বকের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. সিলিকন
  2. আয়রন
  3. অক্সিজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

ভূত্বকের উপাদান: 
- অক্সিজেনের পরিমাণ – ৪৬.১%
- সিলিকনের পরিমাণ – ২৮.২%
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ – ৮.২%
- লোহার (আয়রন) পরিমাণ – ৫.৬%
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ – ৪.১%
- সোডিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- পটাসিয়ামের পরিমাণ – ২.০%
- টাইটানিয়ামের পরিমাণ – ০.৫%
- হাইড্রোজেনের পরিমাণ – ০.১%
- অন্যান্য উপাদান – ০.৫%
 
সূত্র: World Economic Forum ওয়েবসাইট।
১৩৬.
“নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত কোনটি?
  1. চলন বিল
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
টাংগুয়ার হাওর:
- “নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত হাওরটি হলো টাঙ্গুয়ার হাওর,
- এটি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

এছাড়াও, 
• চলন বিল:
- চলন বিল (Chalan Beel) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল এবং সমৃদ্ধতম জলাভূমিগুলির একটি।
- বিলটি সংলগ্ন তিনটি জেলা রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ-এর অংশবিশেষ জুড়ে অবস্থান করছে।

হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।

সূত্র: সুনামগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১৩৭.
নিচের কোনটি জৈবিক হ্যাজার্ডের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. ভূমিকম্প
  3. ডেঙ্গু
  4. বজ্রপাত
ব্যাখ্যা

- ডেঙ্গু জৈবিক হ্যাজার্ডের অন্তর্ভুক্ত। 

প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 

- প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট কারণে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ।
- দুর্যোগের ধরন ও দুর্যোগ সৃষ্টির কারণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে দুর্যোগঝুঁকির পরিবেশকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা-
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ,
- মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ এবং
- জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকিসমূহ হলো- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধ্বস, ভূমিকম্প এবং বজ্রপাত ।
- এছাড়াও বাংলাদেশে মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশের মধ্যে বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারের কারণে প্রায় চামড়া শিল্প, জাহাজভাঙ্গা শিল্প, রাসায়নিক শিল্পের দুঘর্টনা উল্লেখযোগ্য।
- মহামারি কোভিড-১৯ সহ বিগত বছরগুলোতে যেমন ২০১৭ সালের চিকুনগুনিয়া, ২০০৭ সালে ব্রার্ড ফ্লু, ২০০৪ সালের নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ জৈবিক হ্যাজার্ডের অন্তর্ভুক্ত।
- এছাড়াও ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্ল, নিপাহ ভাইরাস, জিকা ভাইরাস প্রভৃতিও জৈবিক হ্যাজার্ড এর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় আকস্মিক বন্যা সবচেয়ে বেশি ঘটে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. কুমিল্লায়
  3. ফেনী
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

বন্যা (Flood):
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে। - প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে।
- যথা:
১. মৌসুমী বন্যা,
২. আকস্মিক বন্যা,
৩. উপকূলীয় বন্যা,
৪. নগর বন্যা.

আকস্মিক বন্যা (Flash Flood):
- এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পর্যায়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।
- ২০০২, ২০০৪, ২০০৭, ২০০৯, এবং ২০১০ সালে আকস্মিক বন্যা উত্তর পূর্ব হাওড় অঞ্চলের শীতকালীন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৯.
'ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ-তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে' এটি কার অভিমত?
  1. গার্ডনার মারফি
  2. ইমানুয়েল কান্ট
  3. জোনাথান হেইট
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা
নৈতিকতা: 
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে। 
- সক্রেটিস বলেছেন, 'সৎ গুণই জ্ঞান' (Virtue is knowledge)। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিরা অন্যায় করতে পারেন না এবং ন্যায় বোধের উৎস হচ্ছে 'জ্ঞান' (knowledge) এবং অন্যায়বোধের উৎস হচ্ছে 'অজ্ঞতা' (ignorance)।
- নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ মানসিক বিষয়।
- এটি হলো মানবমনের উচ্চ গুণাবলি।
- নৈতিকতা বা নীতিবোধ একান্তভাবেই মানুষের হৃদয়-মন থেকে উৎসারিত।
- নৈতিকতা বা নীতিবোধের বিকাশ ঘটে মানুষের ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত বোধ বা অনুভূতি থেকে।

- জোনাথান হেইট (Jonathan Haidt) মনে করেন, 'ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ-তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে।'

- Cambridge International Dictionary of English-তে বলা হয়েছে যে, নৈতিকতা হলো 'ভালো-মন্দ আচরণ, স্বচ্ছতা, সততা ইত্যাদির সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি গুণ, যা প্রত্যেক ব্যক্তিই আইন কিংবা অন্য কোনো বিষয়ের থেকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করে থাকে।'

- নীতিবিদ ম্যুর বলেছেন, 'শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা।'
- নৈতিকতার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে Collins English Dictionary-তে বলা হয়েছে যে, 'Morality is concerned with on negating to human behaviour, esp. the distinction between good and bad and right and wrong behaviour,

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১৪০.
নীতিবিদ্যার আলোচনায় মানুষের কোন ধরনের আচরণ বিবেচনায় নেওয়া হয়?
  1. অনিচ্ছাকৃত ক্রিয়া
  2. দৈহিক ক্রিয়া 
  3. অনৈতিক ক্রিয়া
  4. ঐচ্ছিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
- "ঐচ্ছিক ক্রিয়া" নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।

নীতিবিদ্যা:
- নীতিবিদ্যায় মানুষের আচরণ বলতে মূলত মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া বা ইচ্ছাপ্রসূত কর্মকে বোঝানো হয়।
- এটি এমন এক ধরনের কর্ম যা মানুষ নিজ সিদ্ধান্ত ও চিন্তার ভিত্তিতে করে থাকে। নীতিবিদ্যার প্রধান কাজ হলো মানুষের এই ঐচ্ছিক আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা। 

- নীতিবিদ্যা শুধু ঐচ্ছিক ক্রিয়াকেই মূল্যায়নের যোগ্য বলে মনে করে। কারণ, ইচ্ছার অনুপস্থিতিতে কোনো কার্য নৈতিক বিচারে স্থান পায় না। তাই ঐচ্ছিক ক্রিয়ার স্বরূপ, এর ধাপসমূহ, ঐচ্ছিক ও অনৈচ্ছিক ক্রিয়ার পার্থক্য, ক্রিয়ার উৎস, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায়—এসবই নীতিবিদ্যার আওতাভুক্ত বিষয়।  

সূত্র: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।