বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নির্বাহী বিভাগ

মোট প্রশ্ন১১৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নির্বাহী বিভাগ

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১১৯

.
সম্প্রতি [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫], ‘পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা শিথিলকরণ’ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে-
  1. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
'পুলিশ ভেরিফিকেশন শিথিলকরণ' পরিপত্র:
- ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ‘পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা শিথিলকরণ’ পরিপত্র জারি করা হয়।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ কর্তৃক এই পরিপত্র জারি করা হয়।
- এতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের (এনআইডি) ভিত্তিতে আবেদনকারীকে পাসপোর্ট দেবে সরকার।
- পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পাসপোর্টের নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাইকৃত জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্যের ভিত্তিতে আবেদনকারীকে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
- পাসপোর্ট পুনঃ ইস্যুর ক্ষেত্রে বিদ্যমান পাসপোর্টের সঙ্গে মৌলিক তথ্যের পরিবর্তন হলে জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদত্ত তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।

উল্লেখ্য,
- পরিপত্র জারির আগে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধান বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- আবেদনকারীর ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি যথাসময়ে পাসপোর্টপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তথ্যসূত্র- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [Link]
.
জাতীয় সংসদের কাজ কোনটি ?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ
  3. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রক্ষমাতর অধিাকরী।
- এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখপাত্র।
- সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য স্বীকৃত।
- আইনসভা সার্বভৌম।
- আইনসভার নিকট শাসন বিভাগ দায়ী না থাকলে তাকে সংসদীয় সরকার বলা যায় না।
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলীর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
• জাতীয় সংসদের কার্যাবলি:
১. আইন প্রণয়ন;
২. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ;
৩. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ;
৪. বিচার বিভাগ সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৫. নির্বাচনী কার্য;
৬. সংবিধান সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, ‍ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. মোহাম্মদ সাঈদ খোকন
  4. সাদেক হোসেন খোকা
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হানিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যা

- প্রথম জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান হিসেবে জনাব মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন। 
- ২০০২ সালে জনাব সাদেক হোসেন খোকা এমপি নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত মেয়র হন।
- ২০১৫ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র পদে নির্বাচনে জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন। 

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আর্কাইভ।
.
মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. আইনমন্ত্রী
  3. সচিব
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
সচিবালয়:
- সচিব হলেন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান।
- তিনি এর প্রশাসন, নিয়ম-শৃঙ্খলা ও ন্যস্ত যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেন।
- সচিব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও অধীনস্থ অফিসসমূহে কার্যবিধি অনুযায়ী কার্যাদি সম্পন্ন হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে তদারকি করেন এবং এ সকল বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
- এছাড়া সচিব সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরসমূহের মধ্যে বরাদ্দকৃত অর্থ বাজেট ও প্রচলিত হিসাববিধি অনুযায়ী ব্যয় হওয়ার বিষয়টিও তদারক করে।
- সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যাদি সম্পাদনের তাগিদে প্রয়োজনীয় উপাত্ত, তথ্য ও উদাহরণ সংগ্রহ, পরীক্ষা, বিশ্লেষণ ও সমন্বয়ের দায়িত্বও পালন করেন সংশ্লিষ্ট সচিব।
- সর্বোপরি, একজন সচিব অধীনস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে অর্পিত ক্ষমতা বন্টন এবং মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কার্যসম্পাদনের ধরণ সম্পর্কিত সুস্পষ্ট ও স্থায়ী আদেশও প্রদান করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
.
বর্তমান বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কত স্তর বিশিষ্ট?  
  1. দুই স্তর
  2. তিন স্তর
  3. চার স্তর
  4. পাঁচ স্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশে বর্তমানে 'তিন স্তরবিশিষ্ট' স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ করা যায়। 
- যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। 
- এছাড়া শহরগুলোতে পৌরসভা, বড় শহরে সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি) স্থানীয় জেলা পরিষদ রয়েছে। 
- উল্লিখিত তিন স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকেই নিচের দিকে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট বলে মনে করা হয়ে থাকে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হচ্ছে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ। 
- শহর এলাকায় রয়েছে পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

.
সংসদ প্রণীত আইন অনুমোদন করেন কে?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
- সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।
- তাঁর পরামর্শের আলোকে দেশের রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরী প্রদান করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শাসন বিভাগের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও তদারক করে কোনটি?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. বিচার বিভাগ
  3. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

• শাসন বিভাগ:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত হয় জাতীয় সংসদ দ্বারা।

» জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলিকে বিস্তৃত করা হয়েছে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত। 
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। 

» শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি:
- তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে।
- তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।
- বাংলাদেশের আইন সভা সার্বভৌম হওয়ার দরুণ আইন বিভাগের এ ধরনের ভূমিকা রাখার কথা থাকলেও, ভারসাম্যপূর্ণ শাসন ও প্রশাসনের তাগিদে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের হস্তক্ষেপ মুক্ত থাকে।
- তবে আইন সভা কর্তৃক প্রণীত সাংবিধানিক আইন নির্বাহী বা শাসন বিভাগ মেনে চলতে বাধ্য থাকে। আইন সভা কর্তৃক প্রণীত আইন অমান্য করার অর্থ হল সংবিধানকে অগ্রাহ্য করা।

উল্লেখ্য,
- সরকারের সর্ববৃহৎ বিভাগ হল শাসন বিভাগ যাকে নির্বাহী বিভাগও বলা হয়।
- শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও আইনের আলোকে রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 
- জনগণকে সেবা প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকে শাসন বিভাগ। 
- শাসন বিভাগের দুটি অংশ থাকে। 
(১) রাজনৈতিক অংশ ও
(২) অরাজনৈতিক অংশ। 

রাজনৈতিক অংশ:
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ শাসন বিভাগের রাজনৈতিক অংশ।
রাজনৈতিক অংশ অস্থায়ী।
তাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।
 
অরাজনৈতিক অংশ:
- আমলাগণ শাসন বিভাগের অরাজনৈতিক অংশ, স্থায়ী ও বেতনভূক্ত। 
- শাসন বিভাগের ক্ষমতা বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত থাকে। যা কেন্দ্রিয় ও মাঠ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত।
- কেন্দ্রে থাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। মাঠ প্রশাসনে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সরকারি দায়িত্ব পালন করে। 
শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন, প্রতিরক্ষা, অর্থ সংক্রান্ত কাজ থেকে শুরু কওে সরকারের প্রয়োজনীয় সকল কাজই করে থাকে।
- রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী শাসন বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- সরকারের সফলতা ও স্থায়িত্ব শাসন বিভাগের দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

তথ্যসূত্র: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. মোঃ তৌহিদ হোসেন
  2. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  3. চৌধুরী রফিকুল আবরার
  4. আলী ইমাম মজুমদার
সঠিক উত্তর:
চৌধুরী রফিকুল আবরার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌধুরী রফিকুল আবরার
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা: 
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা সহ বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা ২৩ জন।
- অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী।
- ৫ মার্চ বঙ্গভবনে সি আর আবরারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
- বর্তমানে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শুধু পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

তথ্যসূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। [Link]
১০.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত বছর?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে-
- বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর,
- বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১.
সরকারের সকল কার্যাদি কার নামে সম্পাদিত হয়?
  1. আইন সভা
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ায় সরকারের সকল কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও তিনি অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ প্রদান করেন।
- এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে তিনি প্রধান বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি পরিচালনার জন্য প্রণীত Rules of Business কার দ্বারা অনুমোদিত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি। 
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা। 
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
iii) বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার এখতিয়ার কার রয়েছে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আইনমন্ত্রী
  3. এটর্নি জেনারেল
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ :

• নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ।
- শীর্ষ কর্মকর্তা (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগ।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত)।

• সংসদ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং ভেঙে দেওয়া (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে)।
- সংসদে ভাষণ ও বাণী প্রদান।
- সংসদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলে সম্মতি দিয়ে আইন কার্যকর করা।
- সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি।

• আর্থিক ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া অর্থ বিল উত্থাপন করা যাবে না।
- সংসদ অর্থ মঞ্জুর করতে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের জন্য তহবিল থেকে অর্থ অনুমোদন।

• বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা:
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ।
- আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা।

• জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- যুদ্ধ, বিদেশি আগ্রাসন বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা (প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে)।

• অন্যান্য দায়িত্ব:
- জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব।
- খেতাব, পদক ও সম্মাননা প্রদান।
- নাগরিকদের বিদেশি উপাধি গ্রহণে অনুমতি প্রদান।
- রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও দলিল সম্পাদন।
- বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করানো।

• জবাবদিহিতা:
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৪.
বর্তমানে সরকার কয়টি মন্ত্রণালয়ের অধীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে? [মে, ২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ২২টি
  3. ২৬টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ ২৭ ধরনের ভাতা দেওয়া হয়।
- এসব কর্মসূচিকেই প্রকৃত অর্থে সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- বর্তমানে ২৬টি মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৪০টি কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

উল্লেখ্য,
- চলতি অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ৬০ লাখ। তাদের মাথাপিছু মাসিক ভাতা ৬০০ টাকা।
- বিধবা ভাতা পান প্রায় ২৮ লাখ এবং মাথাপিছু ভাতা ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা পান ৩২ লাখ এবং মাথাপিছু ভাতা ৮৫০ টাকা।
- অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিশেষ ভাতা পান ৬০ হাজার। তাদের মাথাপিছু মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা।
- সাধারণত তিন মাস পরপর উপকারভোগীদের টাকা দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
১৫.
বাংলাদেশের বর্তমান স্থানীয় সরকার কাঠামো কতটি স্তরে বিভক্ত?
  1. দুই স্তর
  2. তিন স্তর
  3. চার স্তর
  4. পাঁচ স্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশে বর্তমানে 'তিন স্তরবিশিষ্ট' স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ করা যায়। 
- যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। 
- এছাড়া শহরগুলোতে পৌরসভা, বড় শহরে সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি) স্থানীয় জেলা পরিষদ রয়েছে। 
- উল্লিখিত তিন স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকেই নিচের দিকে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট বলে মনে করা হয়ে থাকে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হচ্ছে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ। 
- শহর এলাকায় রয়েছে পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৮০ পৃষ্ঠা।

১৬.
সংসদীয় ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?
  1. আইনসভা
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
- সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সবার উর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মেয়াদ কত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- অধ্যাদেশে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা এবং কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কমিশনে অন্তত একজন নারী কমিশনার এবং অন্তত একজন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ কমিশনার থাকতে হবে।
- অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রতি ছয় মাস অন্তর দুদককে তাদের কার্যক্রমের প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
- পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতাও দুদককে দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫।

১৮.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  2. রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে
  3. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
  4. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান।
- তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

এছাড়াও,
- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
১৯.
বর্তমানে দেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম-  [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন
  2. কায়সার আহমেদ
  3. মোঃ আসাদুজ্জামান
  4. মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
ব্যাখ্যা

- দেশে বর্তমানে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়ি্ত্ব্য কেউ নেই।
- বর্তমানে দেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম- জনাব মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ,

- যিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন;
- কারণ মো. আসাদুজ্জামান পদত্যাগ করার পর তিনি এই পদে এসেছেন। 
- বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত: মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
- পদবি: অ্যাটর্নি জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
- পূর্ববর্তী: মো. আসাদুজ্জামান (৮ আগস্ট ২০২৪ – ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫) 

অ্যাটর্নি জেনারেল:

- অনুচ্ছেদ- ৬৪ (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- (২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- তিনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- ১৬ তম অ্যাটর্নি জেনারেলজনাব আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
- ১৭ তম অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

২০.
নিম্নের কোনটির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণে বাধ্য নয়?
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  2. সংসদ অধিবেশন আহ্বান
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  4. সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 
- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

⇒ সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে।
-  সংবিধানের ৭২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন এবং এই দফার অধীন তাঁহর দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২১.
সচিবদের পদমর্যাদা অনুযায়ী সবার নিচে অবস্থান কার? 
  1. অতিরিক্ত সচিব
  2. সচিব
  3. সহকারী সচিব
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
সহকারী সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী সচিব
ব্যাখ্যা

সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো: 
- মন্ত্রী
    ↓
- সচিব
    ↓
- অতিরিক্ত সচিব
    ↓
- যুগ্ম সচিব
    ↓
- উপসচিব
    ↓
- সিনিয়র সহকারী সচিব
    ↓
- সহকারী সচিব
    ↓
- প্রশাসনিক কর্মকর্তা

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৩পৃষ্ঠা।

২২.
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর চালু হতে যাচ্ছে কোন শহরে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর:
- স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে একটি কনস্যুলার দপ্তর পরিচালনা করতে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- গত মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার দপ্তর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রস্তাবিত আঞ্চলিক দপ্তরটিতে বিদেশে কর্মরত ও বিদেশগামী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব কনস্যুলার সেবা দেওয়া হবে।
- পাশাপাশি দপ্তরটি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফর, প্রতিনিধিদলের সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাগরিকদের কনস্যুলার সেবা দিতে আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।
- এসব অফিস কনস্যুলার সেবা দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের কাজও করে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

২৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে কত স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে? [সেপ্টম্বর,২০২৫]
  1. চার স্তরবিশিষ্ট
  2. তিন স্তরবিশিষ্ট
  3. দুই স্তরবিশিষ্ট
  4. পাঁচ স্তরবিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
তিন স্তরবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তরবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

স্থানীয় সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ করা যায়। 

- যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ।
- এছাড়া শহরগুলোতে পৌরসভা, বড় শহরে সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি) স্থানীয় জেলা পরিষদ রয়েছে।
- উল্লিখিত তিন স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকেই নিচের দিকে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট বলে মনে করা হয়ে থাকে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হচ্ছে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- শহর এলাকায় রয়েছে পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৮০ পৃষ্ঠা।

২৪.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি।
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা।
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
iii) বাংলাপিডিয়া। 

২৫.
বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা কে ঘোষণা করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিসভা
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জরুরি অবস্থা (Emergency):
- বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) ঘোষণা সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যা সাধারণত দেশের নিরাপত্তা বা স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি পরিস্থিতিতে নেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা, যুদ্ধ বা বাহ্যিক আক্রমণ, বা অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা (যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত) সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- তবে এরূপ ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।
- জরুরি অবস্থার সময়কালে রাষ্ট্রপতি কিছু সাংবিধানিক অধিকার স্থগিত করতে পারেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬.
বাংলাদেশকে মোট কতটি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৩৫০টি
  2. ৩১০টি
  3. ৩০০টি
  4. ২৫০টি
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন ।
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। 
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- তবে মহিলা সদস্যগণ ইচ্ছা করলে ৩০০ আসনের যে কোনোটিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেও নির্বাচিত হতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৫ পৃষ্ঠা।

২৭.
শাসন বিভাগ কার নিকট দায়ী থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা:
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।
- জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়।
- সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা হল বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অন্যান্য কর্মকতারা তাঁদের ওপর অর্পিত কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করছেন কিনা সে ব্যাপারে সংসদ বা আইন সভায় অবহিত করা।
- মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত কার্যক্রম যদি জনগণের প্রতিকূলে যায়, সেক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ জাতীয় সংসদ করে থাকে। 

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
'আইন প্রণয়ন' কোন বিভাগের দায়িত্ব?
  1. আইন বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা

আইন  বিভাগের কার্যাবলী:
-  আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ;
- সংবিধান রচনা ও সংশোধন;
- প্রশাসনিক কাজ;
- শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ;
- বিচার সংক্রান্ত কাজ;
- অর্থ সংক্রান্ত কাজ;
- নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ;
- জনমত গঠন;
-  অনুসন্ধানমূলক কাজ;

অন্যদিকে,
বিচার বিভাগের বিভিন্ন কাজ:
- আইনের ব্যাখ্যা প্রদান;
- শাসন সংক্রান্ত;
- পরামর্শ দান;
- তদন্ত কার্য;
- ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা;
-  নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ;




- সহজ কথায় আইন বিভাগ সরকারের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে, শাসন বিভাগ সেই আইন বাস্তবায়ন করে এবং বিচার বিভাগ প্রণীত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল বিচারকার্য সম্পন্ন ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করে।

উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]

২৯.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. সরকার
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. জনসমষ্টি
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের উপাদান:
- জাতীয়তাবাদ রাষ্ট্রের উপাদান নয়।
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন ১২টি। যথা: 
১. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন 
২. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন 
৩. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন 
8. খুলনা সিটি কর্পোরেশন 
৫. রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন 
৬. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন 
৭. সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সবচেয়ে ছোট)
৮. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন 
৯. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
১০. রংপুর সিটি কর্পোরেশন 
১১. 16 গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (সবচেয়ে বড়) 
১২. ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন 

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাস:
১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি'র সৃষ্টি হয় এবং ঢাকার তৎকালীন ম্যাজিষ্ট্রেট মিঃ স্কিনার পদাধিকার বলে ঢাকার চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
১৮৮৫ সালে সর্বপ্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান হন আনন্দ চন্দ্র রায়।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর হতে সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিই চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৭৭ সালের পৌরসভা অধ্যাদেশ জারি হবার পর হতেই চেয়ারম্যানের সাথে সাথে ওয়ার্ড কমিশানার নির্বাচিত হবার পদ্ধতি চালু হয়।
ঐ অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৮ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে পরিবর্তিত হয়।

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ।
৩১.
জাতীয় সংসদের মন্ত্রীদের উত্থাপিত বিলকে কী বলে?
  1. রাজস্ব বিল
  2. বেসরকারি বিল
  3. সরকারি বিল
  4. উন্নয়ন বিল
সঠিক উত্তর:
সরকারি বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি বিল
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
• বিল দুই প্রকার:
- যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩২.
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. বিভাগ নেই
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়:
- জাতির মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালের ০১ সেপ্টেম্বর পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে নবসৃষ্ট প্রদেশের প্রধান শাসনকর্তা তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কার্যালয় ও বাসভবনের প্রয়োজনে বঙ্গভবনের যাত্রা।
- তখন এর নাম ছিল ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন।
- ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ ২টি।
- যথা:
i) জন বিভাগ,
ii) আপন বিভাগ।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের নেতৃত্বে এ বিভাগ দু’টি পরিচালিত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।
৩৩.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা কে?  ‍[জানুয়ারি,২০২৬]
  1. আদিলুর রহমান খান
  2. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. আহসান এইচ মনসুর
  4. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের  অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

• অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা:

- অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
• ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
• ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
• আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
-  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় 
• মোঃ তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
• মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: 
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

৩৪.
বাংলাদেশ সরকারের কোন সাংবিধানিক সংস্থাটি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বাংলাদেশ কর্ম কমিশন
  2. বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
  3. ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয় ৮ এপ্রিল ১৯৭২।
- এই কমিশন মূলত বিভিন্ন সরকারি পদ ও চাকরি নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা। 
- ৮ এপ্রিল সিভিল সার্ভিস দিবস হিসাবে পালিত হয়।
- বর্তমানে মোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি সাধারণ ও ১২টি পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

অন্যদিকে,
- রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি গঠন করেছে সরকার।
- ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সাংবিধানিক সংস্থা নয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৩৫.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
সঠিক উত্তর:
কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও শাসনসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 
- সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৩৬.
কোনো ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার জন্য নিচের কোন যোগ্যতার প্রয়োজন?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  2. অধস্তন আদালতের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  4. কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল: 
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উত্থাপিত যেকোনো রেফারেন্সের ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব মত প্রকাশ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৭.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত? 
  1. আইন বিভাগ   
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ আছে। 

- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৩৮.
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৩৯.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে কবে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়?
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ৩ নভেম্বর, ২০০৭
  3. ১১ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১৩ নভেম্বর, ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে ১ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়।

বিচার বিভাগ:

- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৪০.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন রাষ্ট্রের কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন? 
  1. বিচার বিভাগ
  2. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 

৪১.
কোনো আদালতের নিকট জবাবদিহি করেন না কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. সাংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের জন্য করো কাছে দায়ী নন।
- তিনি কোন আদালতের নিকটও জবাবদিহি করেন না।
- কিন্তু রাষ্ট্রপতিকে সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে অভিশংসিত করা যায়।
- সংবিধান লংঘন কিংবা গুরুতর অসদাচরণের কারণে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তাঁকে অভিযুক্ত করা যায়।
- পদত্যাগ করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি স্পীকারের নিকট স্বীয় পদত্যাগ পত্র পেশ করতে পারেন।
- ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা দায়ের করা চলে না, এ ছাড়া তাঁকে গ্রেফতারও করা যায় না।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
ইসির চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১২ কোটি ২৬ লাখ
  2. ১২ কোটি ৫৬ লাখ
  3. ১২ কোটি ৬৬ লাখ
  4. ১২ কোটি ৭৬ লাখ
সঠিক উত্তর:
১২ কোটি ৭৬ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ কোটি ৭৬ লাখ
ব্যাখ্যা

ভোটার সংখ্যা:
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- দেশে বর্তমানে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটার রয়েছেন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩৪ জন।
- ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পুরুষ ভোটার বৃদ্ধির হার ২.২৯ শতাংশ, আর নারী ভোটার বৃদ্ধির হার ৪.১৬ শতাংশ।
- নতুন প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় যারা ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন, তারা অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৪৩.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তর- 
  1. সচিবালয়
  2. মাঠ প্রশাসন
  3. মন্ত্রণালয় 
  4. অধিদপ্তর 
সঠিক উত্তর:
মাঠ প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাঠ প্রশাসন
ব্যাখ্যা

প্রশাসনিক কাঠামো: 
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো এর দুটি প্রধান স্তর আছে।
- প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬২ পৃষ্ঠা।

৪৪.
উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. বিভাগীয় কমিশনার
  2. জেলা প্রশাসক
  3. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
  4. উপজেলা চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

উপজেলা প্রশাসন:
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

• স্থানীয় প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান:-
- উপজেলা প্রশাসন -UNO বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- বিভাগীয় প্রশাসন - Divisional Commissioner বা বিভাগীয় কমিশনার
- জেলা প্রশাসন - Deputy Commissioner বা ডিসি বা জেলা প্রশাসক।

• একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার দায়দায়িত্ব বর্তায় জেলা প্রশাসনের হাতে।
- একজন ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪৫.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে? [জুন,২০২৫]
  1. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. আদিলুর রহমান খান
  4. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা:
- অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
• ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
• আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
-  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় 
• মোঃ তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
• মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: 
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
৪৬.
স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ স্তর- 
  1. জেলা পরিষদ 
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. থানা পরিষদ
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ স্তর- ইউনিয়ন পরিষদ।

• স্থানীয় সরকার:

- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

উলেখ্য,
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৭.
বাংলাদেশ কয়টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল এ বিভিক্ত?
  1. ৮টি
  2. ৬টি
  3. ১২টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচিতি:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- এই দেশের ভূখণ্ডগত বিস্তৃতি ১৪৭, ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার, যা গ্রীসের চাইতে সামান্য বড়। 
- বাংলাদেশ ৮টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল সমন্বয়ে গঠিত, যা বিভাগ নামে পরিচিত। এগুলো হলো বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ।
- এসকল বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৪টি জেলা এবং এই ৬৪টি জেলাকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৪৯৫টি উপজেলায়।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি ও মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত - ৫১৩৮ কিমি।
- উপকূলীয় সীমানা - ৭১১ কিমি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সাথে সীমান্তদৈর্ঘ্য - ৪১৫৬ কিমি।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
-  মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৮.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রী
  4. সচিব
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ।
২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। 

অনুচ্ছেদ-৫৫: মন্ত্রিসভা: 
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
৪৯.
সম্প্রতি, কোন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’ কার্যক্রম চালু করেছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. ভূমি মন্ত্রণালয়
  3. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম:
- বিভিন্ন সনদ সত্যায়ন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর, সহজ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’ কার্যক্রম চালু করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে বিদেশ গমনেচ্ছু বাংলাদেশি নাগরিকদের সুবিধার্থে এই সেবা চালু করা হয়।
- অ্যাপোস্টিল কনভেশন, ১৯৬১ এর পক্ষভুক্ত দেশ বাংলাদেশ এবং এর নিয়ম মেনে অনলাইনে এ সত্যায়ন করা হবে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাবলিক ডকুমেন্টের সত্যায়নের সনদ হিসেবে 'ই-অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট' প্রদান করবে।

উল্লেখ্য,
- এই সেবার ফলে ঢাকাস্থ বিদেশি দূতাবাস এবং বিদেশে গমনের পর সেই দেশে অবস্থিত অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তাদের ডকুমেন্টসমূহ আর সত্যায়ন করতে হবে না।
- এছাড়া অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট এ বিদ্যমান QR Code স্ক্যান করে বিশ্বের যে কোনো স্থান হতে সত্যায়নকৃত কাগজপত্রের উৎপত্তির সঠিকতা যাচাই করা যাবে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
৫০.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে ন্যস্ত থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনসভা
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বণ্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. সেনা প্রধান
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে কবে?
  1. ২৭ মে ১৯৯৭
  2. ২৭ মে ১৯৯৮
  3. ১৭ মে ১৯৯৯
  4. ২৭ মে ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
২৭ মে ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ মে ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন-১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ১২ নং আইন) অনুসারে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ২৭ মে ১৯৯৯ ইং তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।

কর্মপরিধি:
(ক) পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ উহাদের আওতাধীন এবং উহাদের উপর অর্পিত বিষয়াদি সার্বিক তত্বাবধান ও সমন্বয়:
(খ) পৌরসভাসহ স্থানীয় পরিষদসমুহ তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(গ) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর কার্যাবলীর সার্বিক তত্ত্বাবধান;
(ঘ) পার্বত্য জেলার সাধারন প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(ঙ) উপজাতীয় রীতিনীতি, প্রথা ইত্যাদি এবং সামাজিক বিচার সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান;
(চ) জাতীয় শিল্পনীতির সহিত সংগতি রাখিয়া পার্বত্য জেলাসমুহে ভারী শিল্প স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান;
(ছ) দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা এবং এনজিও কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন;

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
৫৩.
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কে নিয়োগ দেন?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।

⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন কবে?
  1. ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২২ নভেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২০ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা:
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিতে রায় দেন।
- আপিল বিভাগ বলছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- আর চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়া হয়।
- ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন তৎকালীন আপিল বিভাগ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

৫৫.
থানা পরিষদকে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয় কবে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সাল
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সাল
ব্যাখ্যা
- স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত থানা পরিষদকে ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়। 

উপজেলা পরিষদ:

- বাংলাদেশের তিন স্তর বিশিষ্ট গ্রামীন স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে থানা পরিষদ নামক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়।
- উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- উপজেলা পরিষদ সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের মানুষের শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
- ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে সামরিক শাসন আমলে গঠিত উপজেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
- নানান পরিবর্তনের পরে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ আইনটি পাশ হয় এবং স্থানীয় সরকারের এই স্তরটি চালু হয়।
- দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে উপজেলা পরিষদে প্রধানত দুই ধরনের প্রতিনিধি দেখা যায়। যথা: নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিনিধি।
- নির্বাচিত প্রতিনিধির একাংশ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত।
- অন্যরা পরোক্ষভাবে অর্থাৎ একটি উপজেলা পরিষদের আওতাধীন সকল ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের মধ্য থেকে নিজেদের দ্বারা নির্বাচিত এক- তৃতীয়াংশ নারী সদস্য।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
ভূমি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান উপদেষ্টা কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. নাহিদ ইসলাম
  2. এ এফ হাসান আরিফ
  3. আলী ইমাম মজুমদার
  4. মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আলী ইমাম মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলী ইমাম মজুমদার
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে এ এফ হাসান আরিফকে নিয়োগ করা হয়।
- গত ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে এ এফ হাসান আরিফ মারা যায়।
- রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, উপদেষ্টার পদ শূন্য হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা প্রধান উপদেষ্টার অধীনে চলে যায়।
- পরবর্তীতে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১৬ আগস্ট, ২৭ আগস্ট এবং ১০ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের অনুবৃত্তিক্রমে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৫৭.
শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান প্রধানমন্ত্রী।

⇒  শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
দেশের সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

 - সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।

গণভোট:

- বাংলাদেশে ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট।
- এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।

• প্রথম গণভোট:
- প্রশাসনিক গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে।
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন কার্যের বৈধতা দান।
- ফলাফল ৯৮.৮০% 'হ্যাঁ' ভোট।

• দ্বিতীয় গণভোট: 
- প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
- ফলাফল ৯৪.১৪% হ্যাঁ ভোট।

• তৃতীয় গণভোট:
- সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
- এটি সর্বশেষ গনভোট।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।
- ফলাফল ৮৪.৩৮% হ্যাঁ ভোট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র,  এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা কার উপর ন্যস্ত?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ
  4. সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
- সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়। তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।
- বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত।
- তিনি বহিরাক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬০.
জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কে? 
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার 
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রপতি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্থল, জল ও আকাশ পথে আক্রমণের ক্ষেত্রে তিনি তা প্রতিরক্ষার জন্য এই সকল বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
- সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসমূহকে সম্মানসূচক পদক বা খেতাব প্রদান করে থাকেন।
- তাঁর অনুমতি ব্যতিত দেশের কোন নাগরিক বিদেশী কোন খেতাব বা সম্মান গ্রহণ করতে পারেন না।
- এ সকল ক্ষমতার বাইরে তিনি রাষ্ট্রদূত প্রেরণ ও গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতির ওপর বর্তানো কাজের অংশ হিসেবে তিনি সকল জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের দায়িত্বপূর্ব শপথ বাক্য পাঠ করান।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
গভর্নমেন্ট হাউজ এর নাম বর্তমান নাম কি?
  1. গণভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. জাতীয় সংসদ ভবন
  4. বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন - বঙ্গভবন।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর এ ঐতিহাসিক এই ভবনের যাত্রা শুরু হয়।
- তখন এর নাম ছিল গভর্নমেন্ট হাউজ।
- ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই ভবনের নাম পরিবর্তন করে 'বঙ্গভবন' রাখা হয়।

- বঙ্গভবন বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এর ২টি বিভাগ রয়েছে। যথা -
১. জন বিভাগ (Public Division),
২. আপন বিভাগ (Personal Division)।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।
৬২.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কত বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
- সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর।
- উল্লেখ্য, দুই মেয়াদের অধিক কেউ রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬৩.
কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় ২০১২ সালে।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশে মানি লন্ডারিং ঠেকাতে ২০০২ সালে প্রথম মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন করা হয়।
- পরে কয়েক দফা এই আইনের সংশোধন করা হয়।
- মানি লন্ডারিং আইন অনুযায়ী, অর্থ বা সম্পত্তি পাচারের অর্থ হচ্ছে দেশের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করে দেশের বাইরে অর্থ বা সম্পদ পাঠানো কিংবা রক্ষণ করা।
- আবার দেশের বাইরে এমন অর্থ বা সম্পত্তি, যাতে বাংলাদেশের স্বার্থ রয়েছে, কিন্তু তা আনা হয়নি, তা–ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ।
- আবার বিদেশ থেকে প্রকৃত পাওনা দেশে না আনা কিংবা বিদেশে প্রকৃত দেনার অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা এই আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ মানিলণ্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি আইন যা ২০০২ সালের ৭ নং আইন হিসাবে চিহ্নিত এবং ৭ই এপ্রিল, ২০০২ তারিখে আইন হিসাবে প্রচারিত। আইনটি ৩০শে এপ্রিল ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়। এ আইনটি “মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন” দ্বারা ২০০৩ সালে সংশোধন করা হয়। পরে, ২০১২ সালে এই আইনটি রহিত করা হয়।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬৪.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন? 
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি 
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি। 
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা। 
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: 
i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
iii) বাংলাপিডিয়া। 

৬৫.
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করা হয় কবে?  
  1. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  2. ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  3. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৬ 
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
ব্যাখ্যা

• সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন: 
- বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করা হয়। 
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। 
- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। 
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয়ের উদ্বোধন করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।  


উল্লেখ্য, 
- সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালত ও ট্রাইবুনালের ওপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে পালনের জন্য একটি আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও ইত্তেফাক।

৬৬.
'অ্যাটর্নি জেনারেল' রাষ্ট্রের কোন বিভাগের কর্মকর্তা?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. প্রশাসনিক বিভাগ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ আছে।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৬৭.
বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক কে?
  1. হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
  2. জেনারেল জিয়াউর রহমান
  3. সাত্তার খান
  4. মোহাম্মদ উল্ল্যা
সঠিক উত্তর:
হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ।

উপজেলা ব্যবস্থা:
- উপজেলা পরিষদ  জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকার (১৯৮২-১৯৯০) কর্তৃক সংস্কার ও পুনর্গঠন কমিটির সুপারিশমালা থেকে উপজেলা পরিষদের ঐতিহাসিক পটভূমি রচিত।
- ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হওয়ার পর বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়।
- উপজেলা প্রশাসন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক নির্মাণ, এবং সরকারি অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- ইউএনও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক কার্যক্রম, এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ শাসন ব্যবস্থার ধরণ সংসদীয়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্র মর্যাদার অধিকারী: রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত?
  1. প্রশাসনিক বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ আছে। 

- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।

- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৬৯.
নিচের কোনটি নির্বাহী বিভাগের অংশ নয়?
  1. মন্ত্রিপরিষদ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

’প্রধান বিচারপতি’, বিচার বিভাগের অংশ।
---------------------------------
বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
• নির্বাহী বিভাগ: – 
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।
• আইন বিভাগ: – 
- আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের দায়িত্বে। সাধারণত জাতীয় সংসদই এ কাজ করে।
• বিচার বিভাগ: – 
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে; সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭০.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন বিভাগের অধীনে কাজ করেন?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. সংসদীয় বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাহী বিভাগের অধীনে কাজ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৭১.
কত সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:

- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।।
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মন্ত্রণালয়ের অধীন।

এই মন্ত্রণালয়ের কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের সঠিক তালিকা তৈরি ও হালনাগাদ,সম্মানী ভাতা দেওয়া;
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক দলিল প্রকাশ ও সংরক্ষণ;
- যুদ্ধাহত ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের চিকিৎসা, রেশনসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান;
- মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন;
- মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যুদ্ধক্ষেত্র, বধ্যভূমি ও গণকবর চিহ্নিত করে সংরক্ষণ;
- মুক্তিযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য দেশি-বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৭২.
‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন’ কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৬
  4. ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২০০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫
ব্যাখ্যা

• ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

- বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

৭৩.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক কে?
  1. সেনাবাহিনী প্রধান
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি ।

সর্বাধিনায়কতা:

অনুচ্ছেদ ৬১। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে

রাষ্ট্রপতি:
- শাসন বিভাগের কার্যক্রম মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পন্ন হয়।
- সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু থাকায় রাষ্ট্রপতি প্রকৃত অর্থে নামমাত্র শাসক।
- রাষ্ট্রের প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা সরকার প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত থাকে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের দ্বারা।
- এই সংসদই যে কোন বড় ধরনের ব্যর্থতার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতি মূলতঃ অলঙ্কারিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

উৎস: i) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশের কার নিকট তাদের পরিচয়পত্র পেশ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. পররাষ্ট্রমন্ত্রী 
  4. প্রধান বিচারপতি 
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ :

• নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ।
- শীর্ষ কর্মকর্তা (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগ।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত)।

• সংসদ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং ভেঙে দেওয়া (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে)।
- সংসদে ভাষণ ও বাণী প্রদান।
- সংসদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলে সম্মতি দিয়ে আইন কার্যকর করা।
- সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি।

• বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা:
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ।
- আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা।

• জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- যুদ্ধ, বিদেশি আগ্রাসন বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা (প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে)।

• অন্যান্য দায়িত্ব:
- জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব।
- খেতাব, পদক ও সম্মাননা প্রদান।
- নাগরিকদের বিদেশি উপাধি গ্রহণে অনুমতি প্রদান।
- রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও দলিল সম্পাদন।
- বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করানো।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি। 

৭৫.
নিচের কোনটি গ্রামভিত্তিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্তর্গত?
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. গ্রাম পরিষদ
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও গ্রাম অঞ্চলের জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬.
বাংলাদেশ শাসনব্যবস্থার 'স্নায়ুকেন্দ্র' হিসাবে বিবেচিত কোনটি?
  1. সংসদ ভবন 
  2. সচিবালয় 
  3. বঙ্গভবন 
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয় 
ব্যাখ্যা

• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাতথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।

অন্যদিকে, 
• সংসদ ভবন - এটি জাতীয় সংসদের (পার্লামেন্ট) প্রধান ভবন। এখানে আইন প্রণয়ন, সংসদ অধিবেশন, ও বিতর্ক হয়।
• বঙ্গভবন - এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। এখানে রাষ্ট্রপ্রধানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম, বিদেশি অতিথি আপ্যায়ন, ক্ষমা প্রদান ইত্যাদি হয়ে থাকে।
• গণভবন - এটি ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন ছিল। বর্তনামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭৭.
"বাংলাদেশের শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত" হয় কোনটি দ্বারা?
  1. বিচার বিভাগ
  2. পুলিশ বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত হয় জাতীয় সংসদ দ্বারা।

⇒ জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলিকে বিস্তৃত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। 

• শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি:
- তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়। বাংলাদেশের আইন সভা সার্বভৌম হওয়ার দরুণ আইন বিভাগের এ ধরনের ভূমিকা রাখার কথা থাকলেও, ভারসাম্যপূর্ণ শাসন ও প্রশাসনের তাগিদে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের হস্তক্ষেপ মুক্ত থাকে। তবে আইন সভা কর্তৃক প্রণীত সাংবিধানিক আইন নির্বাহী বা শাসন বিভাগ মেনে চলতে বাধ্য থাকে। আইন সভা কর্তৃক প্রণীত আইন অমান্য করার অর্থ হল সংবিধানকে অগ্রাহ্য করা।

উল্লেখ্য,
⇒ সরকারের সর্ববৃহৎ বিভাগ হল শাসন বিভাগ যাকে নির্বাহী বিভাগও বলা হয়। শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও আইনের আলোকে রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। জনগণকে সেবা প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকে শাসন বিভাগ। শাসন বিভাগের দুটি অংশ থাকে। একটি রাজনৈতিক অংশ ও অন্যটি অরাজনৈতিক অংশ। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ শাসন বিভাগের রাজনৈতিক অংশ। রাজনৈতিক অংশ অস্থায়ী। তাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। আমলাগণ শাসন বিভাগের অরাজনৈতিক অংশ, স্থায়ী ও বেতনভূক্ত। শাসন বিভাগের ক্ষমতা বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত থাকে। যা কেন্দ্রিয় ও মাঠ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত। কেন্দ্রে থাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। মাঠ প্রশাসনে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সরকারি দায়িত্ব পালন করে। শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন, প্রতিরক্ষা, অর্থ সংক্রান্ত কাজ থেকে শুরু কওে সরকারের প্রয়োজনীয় সকল কাজই করে থাকে। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী শাসন বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সরকারের সফলতা ও স্থায়িত্ব শাসন বিভাগের দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের স্তর নয় কোনটি?
  1. বিভাগীয় পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বিভাগীয় পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের স্তর নয়। 

স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।
- বর্তমানে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। 

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
স্থানীয় সরকার বিভাগ

শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
বিশেষ স্থানীয় সরকার বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।
৭৯.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর ২০০৭ সালে মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল।
- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা ও বাংলাপিডিয়া।
৮০.
সংসদের নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. চিপ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানই প্রধানমন্ত্রী। 
- সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতা ও প্রধানমন্ত্রী পদের যোগ্যতা একই।
- ২৫ বছর বয়স্ক যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক সংসদ সদস্য থাকা সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পেতে পারেন।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি বা রাষ্ট্রপ্রধান সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ নেতা।
- সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভেঙ্গে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন।
- তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণীত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত জন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
- ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন চালু হয় ১৯৯৭ সাল থেকে।
- এর আগে ১৯৭৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদে দুজন মনোনীত নারী সদস্য নিয়োগের বিধান করা হয় যা ১৯৮৩ সালে তিনজনে উন্নীত করা হয়৷
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সর্বনিম্ন ইউনিট।
- মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত ।
- ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং ২০২১ সালে দশম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

সূত্র :- স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৮২.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নেতা কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা:
​​- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান। 
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। 
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন। 
​- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
​​- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।

​উল্লেখ্য,
​​- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনি সংসদের সাফল্যজনক সুষ্ঠু পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। 
​- বিরোধী দলের আস্থা অর্জন ও সহযোগিতা পেতে তিনি নেতৃত্বদান করেন।
​- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৮৩.
বাংলাদেশের ১৩তম প্রস্তাবিত সিটি কর্পোরেশন কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ফেনী
  2. বগুড়া
  3. যশোর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।
- বাংলাদেশের মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- এগুলো হলো: ঢাকায় দুটি (ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ), চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
- বাংলাদেশে ১৩তম সিটি করপোরেশন হতে যাচ্ছে বগুড়া। [জুলাই, ২০২৫]
- ১০ এপ্রিল, ২০২৫ বগুড়া পৌরসভা এলাকার ২১ টি ওয়ার্ডের মৌজাসমূহকে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বগুড়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ১৮৭৬ সালে বগুড়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮১ সালে এই পৌরসভা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পায়।
- ২০০০ সালে এর আয়তন ছিল ১৪ দশমিক ৭৬ বর্গ কিলোমিটার।
- ২০০৪ সালে বর্ধিত করে ৬৯ দশমিক ৫৬ বর্গকিলোমিটার করা হয়।
- ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভায় জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৮৪.
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর কোথায় চালু করা হবে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. চট্টগ্রাম
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর:
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে একটি কনস্যুলার দপ্তর পরিচালনা করতে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- জুলাই মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার দপ্তর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রস্তাবিত আঞ্চলিক দপ্তরটিতে বিদেশে কর্মরত ও বিদেশগামী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব কনস্যুলার সেবা দেওয়া হবে।
- পাশাপাশি দপ্তরটি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফর, প্রতিনিধিদলের সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাগরিকদের কনস্যুলার সেবা দিতে আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।
- এসব অফিস কনস্যুলার সেবা দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের কাজও করে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৮৫.
জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৫ জন
  2. ১৬ জন
  3. ২০ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
- জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা মোট ২১ জন।

জেলা পরিষদ:

জেলা পরিষদ আইন,২০০০ এ পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে ০১ (এক) জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের ০৫ (পাঁচ) জন মহিলা সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত 
- ১জন চেয়ারম্যান, ১৫জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য 
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে।
- এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

উৎস: সরকারি পোর্টাল ও জেলা পরিষদের ওয়েবসাইটসমূহ।
৮৬.
ইউনিয়ন পরিষদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত?  
  1. ৯ জন 
  2. ১২ জন 
  3. ১৩ জন 
  4. ১৫ জন 
সঠিক উত্তর:
১৩ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জন 
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হল-
• জেলা পরিষদ।
• উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ।

• ইউনিয়ন পরিষদ:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তর ইউনিয়ন পরিষদ।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- ইউনিয়ন পরিষদ ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্যসহ মোট ১৩ জন নিয়ে গঠিত হবে যাদের ৯ জন সাধারণ আসনের সদস্য ও ৩ জন সংরক্ষিত আসনের সদস্য হবেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৭.
সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- সংবিধানের ১৪২ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা তার অংশবিশেষে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে;
- বা অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হবার বা সংকটের সম্মুখিন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর প্রয়োজন।
- জরুরি অবস্থার মৌলিক অধিকারের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
বিভাগীয় প্রশাসনের মূল নিয়ন্ত্রক কে?
  1. কমিশনার
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার
  4. বিভাগীয় চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশনার
ব্যাখ্যা
বিভাগীয় কমিশনার:
- বিভাগীয় কমিশনার বিভাগীয় প্রশাসনের মূল নিয়ন্ত্রক।
- কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলী বিভাগীয় পর্যায়ের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার তত্ত্বাবধান করেন।

সাধারণ দায়িত্ব:
১। প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি:
২। বদলি, পদায়ন সংক্রান্ত:
৩। পরিদর্শন সংক্রান্ত:
৪। মাসিক সভা সংক্রান্ত:
৫। প্রটোকল সংক্রান্ত:
৬। আপিল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত:
৭। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত:
৮। প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত:
৯। ক্রীড়া সংক্রান্ত:
১০। অভিযোগ তদন্ত বিষয়ক:
১১। ত্রাণ ও দুর্যোগ সংক্রান্ত:
১২। শিক্ষা সংক্রান্ত:
১৩। গোপনীয় অনুবেদন সংক্রান্ত:
১৪। বিভাগীয় নির্বাচনী বোর্ড সংক্রান্ত:

উল্লেখ্য:
- ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) উপজেলা প্রশাসনের প্রধান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৯.
কাকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করতে হয়?
  1. টেকনোক্রেট মন্ত্রীকে
  2. স্পীকারকে
  3. প্রধানমন্ত্রীকে
  4. রাষ্ট্রপতিকে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।
- রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- সংবিধানের অধীনে অভিশংসন এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে। (অনুচ্ছেদ-৫২)
- রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন। কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
  2. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  3. সফর রাজ হোসেন
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন:
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আট সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
- পরে কমিশনের সদস্যসংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়।
- এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
- জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা করে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।
 
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিশনের নাম ও প্রধান কমিশনার -
• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন- ড. বদিউল আলম মজুমদার; 
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন- সফর রাজ হোসেন; 
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন- বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান; 
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন- ড. ইফতেখারুজ্জামান; 
• সংবিধান সংস্কার কমিশন- অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

তথ্যসূত্র: বিবিসি প্রতিবেদন।
৯১.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৪ সালের ১৯ নভেম্বর
  2. ১৯৯৬ সালের ১৯ আগস্ট
  3. ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর
  4. ১৯৯৭ সালের ১৯ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করা হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর। 
- এই মামলাটি করেন তৎকালীন সাব জজ মাজদার হোসেন । 
- এই মামলাটি মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ নামে পরিচিত। 
- মামলাটির বিচারক ছিলেন বিচারপতি মোস্তফা কামাল । 
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে (২০০৯ সালে আইনে পরিণত)। 


সূত্র-Ministry of Finance Vs. Md. Masdar Hossain and others case.
৯২.
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন কাজ এককভাবে করতে পারেন?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. অডিটর জেনারেল নিয়োগ
  4. পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এককভাবে করতে পারেন।

রাষ্ট্রপতি:

- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ অংশে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৩.
নীতি নির্ধারণ পরিচালনা করে সরকারের কোন বিভাগ ?
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
নীতিনির্ধারণ ও সরকারের নির্বাহী বিভাগ:
নীতিনির্ধারণ বলতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিভিন্ন আইন, বিধি এবং কার্যক্রমের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের কৌশল বোঝায়। এটি রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে এবং ন্যায়নীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহার্য অংশ।

নির্বাহী বিভাগ:
- সরকারের নির্বাহী বিভাগ হলো সেই শাখা, যা দেশের আইনসমূহ কার্যকর করার দায়িত্ব পালন করে।
- তারা নীতিনির্ধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং নীতিগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে।

নির্বাহী বিভাগের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা:
- রাষ্ট্রের সাধারণ প্রয়োজন ও লক্ষ্য বুঝে পরিকল্পনা করা।
- মন্ত্রিসভার অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো নীতির খসড়া তৈরি করে।
- মন্ত্রিসভা এবং প্রয়োজনে সংসদ এই নীতিগুলোর পর্যালোচনা ও অনুমোদন করে।
- প্রশাসনিক সংস্থা, বিভাগ, এবং মন্ত্রণালয়গুলো প্রণীত নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে।
- বাস্তবায়িত নীতির কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।
৯৪.
স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ মনসুর আলী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - শেখ মুজিবুর রহমান।
- সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন।
- সংসদ নেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
- বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

সূত্র:- সংসদ সচিবালয় ও আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন।
৯৫.
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform বা প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়। 
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির আহবায়ক।
- বর্তমান আহ্বায়ক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

উৎস: i) NICAR ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

৯৬.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স কত হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৪ নং অনুচ্ছেদ)
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।।
৯৭.
কত সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
পুলিশ প্রশাসন ও নারী
১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীতে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।
- সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগের মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হয়।
- ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে মহিলা পুলিশ নিয়োগ শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ষষ্ঠ বিসিএস এর মাধ্যমে ক্যাডার সার্ভিসে ফাতেমা বেগম প্রথম নারী সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে প্রথম পুলিশ সুপার হিসেবে মুন্সিগঞ্জ জেলায় পদায়ন পান রওশন আরা বেগম। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা কী ধরনের?
  1. গণতান্ত্রিক
  2. রাজতান্ত্রিক
  3. সমাজতান্ত্রিক
  4. একনায়কতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা গণতান্ত্রিক।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা:
- গণতন্ত্র হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে নীতিনির্ধারণে বা প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সকল সদস্য বা নাগরিকের সমান অধিকার থাকে।
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সদস্য বা নাগরিকদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ থাকে।
- নাগরিক বা সদস্যদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ আইন প্রস্তাবনা, তৈরী এবং প্রণয়নের কাজ করে থাকেন।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- 
১. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র;
২. পরোক্ষ গণতন্ত্র।

- প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে নাগরিকগণ রাষ্ট্রীয় কার্যাবলীতে সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে।
- পরোক্ষ গণতন্ত্রে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি অংশগ্রহণ না করে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৯৯.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় মোট কতটি প্রধান স্তর রয়েছে?
  1. একটি
  2. দুটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা

• প্রশাসনিক কাঠামো: 
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায়  দুটি প্রধান স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)। 
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন। 
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন। 
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন। 
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১০০.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো কয় স্তর বিশিষ্ট?
  1. ১ স্তর
  2. ২ স্তর
  3. ৩ স্তর
  4. ৪ স্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুইটি স্তর রয়েছে।এগুলো হলো-
ক) কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো এবং
খ) মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো।
এই কাঠামোর প্রশাসনিক ইউনিটগুলো হচ্ছে
- বিভাগ
- জেলা
- উপজেলা
- ইউনিয়ন পরিষদ
- সিটি কর্পোরেশন 
- পৌরসভা।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো (সচিবালয়) যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/অধিদপ্তর নিয়ে গঠিত।
- সচিবালয় হলো প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং সমস্ত সরকারি কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।
- সংবিধানের ৫৫ (৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত Rules of Business এর নিয়ম অনুসারে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের কার্যাদি নির্ধারণ করা হয়।
- এছাড়াও সচিবালয়ের নির্দেশাবলী (Secretariate Instructions) নামে আলাদা একটি ডকুমেন্টও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলি নির্ধারণ করে থাকে।
- সচিব একটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হন এবং তিনিই এর শৃঙ্খলা রক্ষায় সচেষ্ট থাকেন।


বাংলাদেশের মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো (স্থানীয় সরকার):
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দ্বিতীয় স্তর হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রধান দু'টি ক্ষেত্র হচ্ছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন।
- জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয় এবং নেতৃত্বে রয়েছে বিভাগীয় প্রশাসন।
- এটি মূলত প্রশাসন বা আমলাতন্ত্রের বিন্যাস।
- অন্যদিকে সরকারের কাঠামোগত বিন্যাসে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে স্থানীয় সরকার।
- স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ। 

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিতকরণ এবং কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে স্থানীয় সরকার ও মাঠ প্রশাসনের যুগপৎ এবং সমন্বিত কর্মসূচির বিকল্প নেই।


উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।