উত্তর
ব্যাখ্যা
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরাইল আইনসভা।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২১ / ৫১ · ২,০০১–২,১০০ / ৫,০৮০
• এশিয়া মহাদেশ:
- এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম এবং সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় মহাদেশ।
- এটি ইউরেশিয়ার পূর্বে চার-পঞ্চমাংশ দখল করে আছে।
- এ মহাদেশের ভূপৃষ্ঠে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন বিন্দু রয়েছে।
- এটি দীর্ঘতম উপকূলরেখা বিশিষ্ট।
- এশিয়ার উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর , পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর , দক্ষিণে ভারত মহাসাগর , দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে ইউরোপ অবস্থিত।
- এশিয়া মহাদেশের সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র হলো পূর্ব তিমুর (East Timor)।
- দেশটি আগে ইন্দোনেশিয়ার অধীনে ছিল এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পর ২০ মে ২০০২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে।
উল্লেখ্য,
• এশিয়া মহাদেশে:
- আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ: চীন
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় দেশ: ভারত
- আয়তন ও জনসংখ্যায় - উভয় দিক থেকেই সবচেয়ে ছোট দেশ: মালদ্বীপ
- এশিয়া মহাদেশে মোট স্বাধীন দেশ: ৪৮টি
- সবচেয়ে বড় দ্বীপরাষ্ট্র: ইন্দোনেশিয়া।
উৎস:
1. Britannica.
2. National Geographic Society – Asia Resource.
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে;
• এস্তোনিয়া,
• লাতভিয়া এবং
• লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।
তথ্যসূত্র - Britannica.com & WorldAtlas.com
আলজেরিয়া:
- আলজেরিয়া আয়তনে আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ এবং বিশ্বের দশম বৃহত্তম দেশ।
- আয়তন: ২,৩৮১,৭৪১ বর্গ কিমি।
- রাজধানী: আলজিয়ার্স।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), তামাজিট (জাতীয়), ফরাসি।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি; প্রধানত সুন্নি)।
- মুদ্রা: আলজেরিয়ান দিনার।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
মালাক্কা প্রণালী:
- এটি ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রা এবং মালয় উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) ও উত্তরে ১৫৫ মাইল (২৪৯ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী শিপিং চ্যানেলগুলির মধ্যে একটি।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
- Interpol এর পূর্ণরূপ হলো International Criminal Police Organisations।
- এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এটির সদরদপ্তর ছিলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- প্রথমে ১৬টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
উৎসঃ ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
• গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।
অপরদিকে,
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
ভুটান:
- দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ ভুটান।
- থিম্পু ভুটানের রাজধানী।
- ২০০৮ সালে বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়।
- বজ্রপাতের দেশ বলা হয় ভুটানকে।
• বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম:
- ক্যাঙ্গারুর দেশ- অস্ট্রেলিয়া।
- পিরামিড ও নীলনদের দেশ- মিশর।
- নিষিদ্ধ দেশ- তিব্বত।
- ম্যাপল পাতা ও লিলি ফুলের দেশ- কানাডা।
- সোনালি আঁশের দেশ- বাংলাদেশ।
- বজ্রপাতের দেশ- ভুটান।
- ভূমিকম্পের দেশ- জাপান।
- ভাটির দেশ- বাংলাদেশ।
- মরুভূমির দেশ- আফ্রিকা।
- মুক্তার দেশ- কিউবা।
- শ্বেতহস্তীর দেশ- থাইল্যান্ড।
- হাজার হ্রদের বা দ্বীপের দেশ- ফিনল্যান্ড।
- সাত পাহাড়ের দেশ- রোম, ইতালি।
- সূর্য উদয়ের দেশ- জাপান।
- নিশীথ সূর্যের দেশ- নরওয়ে।
- ল্যান্ড অব মার্বেল- ইতালি।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন- নিউজিল্যান্ড।
- অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ- আফ্রিকা।
- সকালবেলার প্রশান্তি- কোরিয়া।
- হর্ন অফ আফ্রিকা- ইথিওপিয়া।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।
পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমা:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
⇒ ১৬ই জুলাই ১৯৪৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের ইয়োর্নাদা দেল মুয়ের্তো মরুভূমিতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালানো হয়েছিল।
- এর সাংকেতিক নাম ছিল ট্রিনিটি।
⇒ জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।
উৎস: BBC.
Great Leap Forward:
- ১৯৫৮ সালে চীনে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু করার প্রাক-মুহূর্তে গণচীনের জনক মাও সেতুং একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেন।
- এই নীতি 'গ্রেড লিপ ফরোয়ার্ড' নামে পরিচিত।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল চীনকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে দ্রুত শিল্পায়িত ও আধুনিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করা।
- মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন যে দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে চীন যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো কাশিওয়াজাকি–কারিওয়া নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট জাপানে অবস্থিত।
- কেন্দ্রটির নির্মাণ শুরু হয় ১৯৮০-এর দশকে।
- ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে একে একে সব রিঅ্যাক্টর চালু করা হয়।
- এখানে মোট ৭টি রিঅ্যাক্টর রয়েছে।
- ২০১১ সালের ভয়াবহ সুনামি এবং ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ঘটনার পর কেন্দ্রটির সব রিঅ্যাক্টর বন্ধ হয়ে যায়।
উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি,জাপান সরকার কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট
গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল (Golden Quadrilateral):
- ‘গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল’ হলো ভারতের সড়ক নেটওয়ার্ক।
- এটি ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) দ্বারা নির্মিত ও পরিচালিত একটি বিশাল হাইওয়ে প্রকল্প।
- এটি প্রধানত দেশের চারটি প্রধান মহানগরীকে যুক্ত করে। এগুলো হলো: দিল্লি (উত্তর), মুম্বাই (পশ্চিম), চেন্নাই (দক্ষিণ) ও কলকাতা (পূর্ব)।
- এই চারটি শহর মিলে একটি চতুর্ভুজ আকার গঠন করে, তাই নাম 'গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল'।
- ২০০১ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে এই প্রকল্পটি শুরু হয়।
- এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৫,৮৪৬ কিলোমিটার।
- এটি ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য, যাতায়াত ও শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম হাইওয়ে নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত।
উৎস: i) GOV.UK ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
ডারিয়েন গ্যাপ:
- উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে সংযুক্তকারী একটি ভৌগোলিক অঞ্চল হল ডারিয়েন গ্যাপ (Darién Gap)।
- ডারিয়েন গ্যাপ মধ্য আমেরিকার দেশ পানামার দক্ষিণাংশের ডারিয়েন প্রদেশ থেকে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার উত্তরাংশের চকো ডিপার্টমেন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ভূপ্রকৃতিগত দিক থেকে, পর্বতশ্রেণী (সেরানিয়া ডেল বাউদো ও সেরানিয়া ডেল ডারিয়েন), নদী (এট্রাটো ও টুইরা), বদ্বীপ (এট্রাটো বদ্বীপ), বৃষ্টিঅরণ্য, জলাভূমির সমাহারে ডারিয়েন গ্যাপ এক অতি দুর্গম অঞ্চল।
- ডারিয়েন গ্যাপ হলো উত্তর কলম্বিয়া এবং দক্ষিণ পানামা জুড়ে ঘন জঙ্গলের একটি প্রসারিত।
উল্লেখ্য,
- মূলত প্রাকৃতিক দুর্গমতার কারণেই, প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে ডারিয়েন গ্যাপে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
- উত্তরে পানামার যাভিজা থেকে দক্ষিণে কলম্বিয়ার টার্বো পর্যন্ত প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে গড়ে তোলা যায়নি।
- তাই এই অঞ্চলটি ডারিয়েন গ্যাপ নামে পরিচিত।
- ডারিয়েন গ্যাপে কোন পাকা রাস্তা না থাকা সত্ত্বেও এটি বিশ্বব্যাপী মানব অভিবাসনের একটি প্রধান রুট হয়ে উঠেছে ।
- ডারিয়েন গ্যাপ এম্বেরা-উউনান এবং গুনা আদিবাসীদের আবাসস্থল।
⇒ দক্ষিণ আমেরিকা থেকে উত্তর আমেরিকায় যাওয়ার সময় লোকেরা যে পথটি নেয় তা অপরাধী সংগঠন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- রুটটি চাঁদাবাজি, অপহরণ এবং ব্যাপক যৌন নিপীড়নেরও প্রবণ ।
- জঙ্গলের মতো জলাভূমির চরম প্রকৃতিও এই অঞ্চলে চলাচলকে বিপজ্জনক করে তোলে।
উৎস: Britannica.
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র অ্যাভানগার্ড রাশিয়ার তৈরি। এটি দুই মেগাটনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে সক্ষম।
উৎসঃ বিবিসি
বেলারুশ:
- বেলারুশ পূর্ব ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।
- রাজধানী: মিনস্ক।
- ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভের আগে পর্যন্ত এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত।
- বেলারুশ পূর্বে "বেলোরাশিয়া" বা "হোয়াইট রাশিয়া" নামে পরিচিত ছিল।
- যদিও বেলারুশীয়রা একটি স্বতন্ত্র জাতিগত পরিচয় ও ভাষা নিয়ে গঠিত, তারা ইতিহাসে খুব কমই একক রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ঐক্য উপভোগ করেছে, যার ব্যতিক্রম ছিল ১৯১৮ সালের একটি স্বল্পকালীন সময়।
- বেলারুশের সোভিয়েত অতীতের প্রভাব আজও স্পষ্ট, যা প্রকাশ পায় কমিউনিস্ট রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় উপস্থিতি এবং দেশের কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থায়।
- দেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জনগণ বাস করে রাজধানী মিনস্কে একটি বিস্তৃত আধুনিক নগর, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসের পর পুনর্নির্মাণ করা হয়।
উৎস: Britannica.
• বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে ।
- এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া মহাদেশের অংশ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মধ্যে অবস্থিত।
• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
• বাব এল-মান্দেব প্রণালী (Bab el-Mandeb Strait):
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- বাব এল-মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী।
• বসফরাস প্রণালী:
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
উৎস: Britannica.
- আলবেনিয়া দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যা পশ্চিম বলকান উপদ্বীপে, বিশেষ করে ওট্রান্টো প্রণালীর তীরে অবস্থিত।
- আলবেনিয়ার রাজধানী হলো তিরানা।
- শহরটি ইসম নদীর তীরে অবস্থিত, অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূল থেকে ১৭ মাইল (২৭ কিমি) পূর্বে।
- তিরানা ১৭ শতকের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শহরটি ১৯২০ সালে আলবেনিয়ার রাজধানী হয়।
- আলবেনিয়াতে, সরকারী ভাষা হল আলবেনীয় ।
অন্যদিকে,
ডুরেস্ – আলবেনিয়ার একটি প্রধান বন্দর নগরী, রাজধানী নয়।
ভ্লোরা – আলবেনিয়ার দক্ষিণ উপকূলীয় শহর, ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
শকোডা– আলবেনিয়ার উত্তর-পশ্চিমের একটি প্রাচীন শহর।
উৎস: ব্রিটানিকা।
- ২৩ জুন, ১৯১৭ সালে ইউক্রেন গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা দেয়।
- ১৯১৮ সালে ইউক্রেনে বলশেভিক সাম্যবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা চার সদস্যের অন্যতম প্রজাতন্ত্র হিসেবে ইউক্রেন আত্মপ্রকাশ করে।
- ২৪ আগস্ট, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৬ মার্চ, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কৃষ্ণ সাগরের উত্তর উপকূলের ছোট দ্বীপ ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটে ক্রিমিয়ার জনগণ রাশিয়ার সাথে একীভূত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।
- ১৭ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার পার্লামেন্ট নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৮ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া।
- ২১ মার্চ, ২০১৪ সালে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বল্পায়ু রাষ্ট্র ক্রিমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়।
• আকাবা:
- জর্ডানের সমুদ্র বন্দর হলো আকাবা।
- আকাবা বন্দর কন্টেইনার পরিবণের জন্য লাল সাগরের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বন্দর।
- এটি জর্ডানের বাজারের প্রাথমিক প্রবেশ দ্বার।
- এই অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে চলমান পণ্য সরবরাহের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট।
অন্যদিকে -
- আকিয়াব মিয়ানমারের একটি সমুদ্রবন্দর।
- হাইফা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত: ইসরায়েল।
- ইরাকের সমুদ্র বন্দর: বসরা।
উৎস: Britannica.
পারস্য উপসাগর এর উপকূলবর্তী দেশসমূহ বাহারাইন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
পতুর্গালের রাজধানীর নাম লিসবন এবং মুদ্রার নাম ইউরো। অন্যদিকে, স্পেনের রাজধানীর নাম মাদ্রিদ এবং মুদ্রার নাম ইউরো।
পোলান্ডের রাজধানীর নাম ওয়ারশ এবং মুদ্রার নাম জলোটি। লিউ হচ্ছে রুমানিয়ার মুদ্রার নাম।
সূত্র: worldatlas.com
- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার শহরে অবস্থিত।
- স্কোয়ারের নাম ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধে লর্ড নেলসনের নৌবিজয়ের স্মরণে রাখা হয়েছে।
- এটি সম্ভবত লন্ডনের সবচেয়ে বিখ্যাত স্কোয়ার।
- স্কোয়ারটি সর্বদা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং এতে কোনো বাগান নেই।
- সাতটি প্রধান সড়ক স্কোয়ারের চারপাশে সংযুক্ত, যেখানে অটোমোবাইল চলাচল করে।
- স্কোয়ারের কেন্দ্রে আছে নেলসনের স্তম্ভ (১৮৩৯–৪৩)।
- স্তম্ভের উচ্চতা: ১৮৫ ফুট (৫৬ মিটার)।
- স্তম্ভের উপরে আছে লর্ড নেলসনের ১৭ ফুট (৫ মিটার) উঁচু মূর্তি, যা ইএইচ বেইলি তৈরি করেছেন।
- স্তম্ভের চারটি কোণে আছে চারটি ব্রোঞ্জ সিংহ, যা স্যার এডউইন ল্যান্ডসিয়ার তৈরি এবং ব্যারন মারোচেটি দ্বারা ঢালাই করা।
- ট্রাফালগার স্কোয়ার ১৮২০ থেকে ১৮৪০-এর দশকের মধ্যে প্রাক্তন কিংস মিউজের স্থানে নির্মিত হয়।
- স্কোয়ারের পার্শ্বে অবস্থিত ন্যাশনাল গ্যালারি এবং সেন্ট মার্টিন-ইন-দ্য-ফিল্ডস গির্জা।
- চ্যারিং ক্রস মোড় দক্ষিণে সংলগ্ন, এবং সেখান থেকে স্ট্র্যান্ড অ্যাভিনিউ পূর্ব দিকে শহরের দিকে চলে যায়, পরে ফ্লিট স্ট্রিটে পরিণত হয়।
- ট্রাফালগার স্কোয়ারে ফুটপাত শিল্পীরা প্রায়শই শিল্প প্রদর্শন করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী যুক্তরাজ্যকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ১৮ থেকে ২৫ মাইল (৩০ থেকে ৪০ কিমি) প্রশস্ত।
- এর গভীরতা ১২০ থেকে ১৮০ ফুট (৩৫ থেকে ৫৫ মিটার) পর্যন্ত।
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
লোম্বক প্রণালি:
- লোম্বক প্রণালি (Lombok Strait) ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি বালি দ্বীপ এবং লোম্বক দ্বীপের মাঝে অবস্থিত একটি জলপ্রণালি, যা জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযোগ করে।
- এর উত্তরে জাভা সাগর ও দক্ষিণে ভারত মহাসাগর।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার লেসার সুন্দা দ্বীপপুঞ্জের অংশ।
⇒ ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
উৎস: Britannica.
স্ক্যান্ডিনেভিয়া ও নর্ডিক দেশসমূহ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো উত্তর ইউরোপের একটি অঞ্চল, প্রধানত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- ফিনল্যান্ডকে কিছু বিশেষজ্ঞ ভূতাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক কারণে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন।
- আইসল্যান্ড ও ফারো দ্বীপপুঞ্জকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ভাষাগত কারণে, কারণ তারা নরওয়ে ও সুইডেনের নর্থ জার্মানিক ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত ভাষায় কথা বলে।
- “নর্ডিক” শব্দটি কখনো কখনো “স্ক্যান্ডিনেভিয়া” এর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো উত্তর ইউরোপের একটি উপদ্বীপীয় অঞ্চল, যা নর্ডিক দেশগুলোর ভৌগোলিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।
- তবে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়াকে আরও নির্দিষ্ট করে সংজ্ঞায়িত করা হয় এবং এটি মূলত নরওয়ে, সুইডেন, এবং ডেনমার্ককে বোঝায়।
- নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্কের সাথে এই অন্যান্য অঞ্চলগুলোকে যুক্ত করলে পুরো গ্রুপকে “নর্ডিক দেশসমূহ” বলা হয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
The Tiger of Bicycle:
- 'The Tiger of Bicycle' বলা হয় ভিয়েতনামকে।
অন্যদিকে,
- Country of copper: জাম্বিয়া।
- Sugar Bowl of the World: কিউবা।
- Land of proteas: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- Land of palms: ব্রাজিল।
- land of Fertile fields: আলজেরিয়া।
উৎস: Britannica.
হর্ন অফ আফ্রিকা:
- আফ্রিকার হর্ন বলতে পূর্ব আফ্রিকার অঞ্চল বোঝানো হয়।
- আফ্রিকার মানচিত্র লক্ষ্য করলে দেখা যায় এর উত্তর-পূর্ব অংশ আরব সাগরে শিং এর মত বর্ধিত হয়েছে।
- এর অংশগুলো হলো জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া এবং সোমালিয়া দেশগুলির আবাসস্থল।
- হর্ন অফ আফ্রিকা অঞ্চলের একটি অংশ সোমালি উপদ্বীপ নামেও পরিচিত।
- হর্নে ইথিওপিয়ান মালভূমির উচ্চভূমি, ওগাডেন মরুভূমি এবং ইরিথ্রিয়ান, এবং সোমালিয়ান উপকূলের মতো বিভিন্ন অঞ্চল রয়েছে এবং এটি আমহারা, টাইগ্রে, ওরোমো এবং সোমালি জনগণের আবাসস্থল।
- এর উপকূল লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর দ্বারা ঘেরা।
- এটি দীর্ঘদিন ধরে আরব উপদ্বীপ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছে।
তথ্যসূত্র - ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন আমেরিকার ৫৯তম নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডিন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
৩রা নভেম্বর ২০২০ এর নির্বাচনে জিতে জো বাইডেন আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হন। তিনি ২০ জানুয়ারি ২০২১ এ শপথের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
উৎসঃ LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার-ডিসেম্বর, ২০২০।
ব্রাজিল:
- দাপ্তরিক নাম: ফেডারেটিভ রিপাবলিক অব ব্রাজিল।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
- দক্ষিণ আমেরিকার ও পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দেশ।
- ভাষা: পর্তুগিজ (একমাত্র প্রধান পর্তুগিজভাষী দেশ দক্ষিণ আমেরিকায়)।
- মুদ্রা: ব্রাজিলিয়ান রিয়াল (Brazilian Real, BRL)।
- ধর্ম: প্রধানত খ্রিস্টান (বিশেষ করে রোমান ক্যাথলিক)।
- ১৮২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ব্রাজিল পর্তুগাল কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- প্রিন্স পেড্রো স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন; ব্রাজিল সাম্রাজ্যের প্রথম শাসক।
- প্রতি বছর ৭ই সেপ্টেম্বর ব্রাজিল স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে।
- শাসনব্যবস্থা: ফেডারেল রিপাবলিক; রাষ্ট্রপতি শাসিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব ও মধ্যভাগে অবস্থিত।
- ব্রাজিল ১০টি দেশের সাথেই সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে (ব্যতিক্রম: চিলি ও ইকুয়েডর)।
- উত্তর: ভেনিজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
'East London:
- অবস্থান: ইস্ট লন্ডন দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে অবস্থিত একটি বন্দর নগরী।
- এটি বাফেলো নদীর মোহনায়, ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা: ১৮৩৬ সালে ব্রিটিশরা বাফেলো নদীর মোহনায় অবতরণ করে;
- এবং স্থানটিকে "পোর্ট রেক্স" নামে অভিহিত করে।
- ১৮৪৬ সালে সপ্তম কেপ ফ্রন্টিয়ার যুদ্ধের সময় এটি একটি সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে, ১৮৪৭ সালে এখানে ফোর্ট গ্ল্যামারগান নির্মিত হয় এবং স্থানটি কেপ কলোনির অংশ হিসেবে "ইস্ট লন্ডন" নামে পরিচিতি পায়।
- ১৮৭৩ সালে এটি একটি শহর এবং ১৯১৪ সালে একটি নগরীতে উন্নীত হয়।
উৎস: Britannica.
- জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল রাশিয়ার।
- গত ২৯ নভেম্বর, ২০২১ তারিখে সফলভাবে জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায় রাশিয়া।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগ ও উনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশরা বর্তমান মালয়েশিয়া অঞ্চলে উপনিবেশ এবং আশ্রিত রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। একে বলা হতো ব্রিটিশ মালয়।
১৯৪২ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জাপান ধীরে ধীরে মালয়েশিয়া দখল করতে থাকে।
১৯৪৮ সালে মালয় উপদ্বীপে অবস্থিত ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চলগুলোর সমন্বয়ে মালয় ফেডারেশন গঠিত হয় যা ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
সিঙ্গাপুরের ব্রিটিশ উপনিবেশ ও পূর্ব মালয়েশিয়ান রাজ্য ১৯৬৩ সালে ফেডারেশনে যুক্ত হয়, আর তখনই মালয়েশিয়া স্বতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।
সিলিকন ভ্যালি:
- ‘সিলিকন ভ্যালি’ তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের জন্য বিখ্যাত।
• সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি ও হাই-টেক শিল্পের কেন্দ্রস্থল।
- সিলিকন ভ্যালি মূলত উন্নত প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, এবং বিশ্বখ্যাত সব টেক জায়েন্ট (যেমন: অ্যাপল, গুগল, মেটা) প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রস্থল হিসেবে বিখ্যাত।
- এটি মূলত সিলিকন-ভিত্তিক সেমিকন্ডাক্টর, মাইক্রোপ্রসেসর ও কম্পিউটার প্রযুক্তি শিল্পের জন্য পরিচিত, যা বর্তমানে সফটওয়্যার, ইন্টারনেট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষণায় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছে।
- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় সরাসরি সিলিকন ভ্যালি থেকে।
উল্লেখ্য,
- ১৯৩৯ সালে আমেস রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবাসভূমি হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সাংবাদিক ডন হফলার তিন পর্বের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘সিলিকন ভ্যালি ইউএসএ’।
- পরবর্তী সময়ে এই নামেই পরিচিত হয় বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির স্বর্গ হিসেবে।
উৎস: Britannica.
জিব্রাল্টার প্রণালী:
- এটি পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের সাইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এর প্রস্থ অবস্থানভেদে ১৩ থেকে ৩৯ কিলোমিটার হতে পারে।
- প্রণালীর মধ্যে দিয়ে একটি ৮ কিলোমিটার প্রশস্ত ও ৩০০ মিটার গভীর চ্যানেল চলে গেছে।
অন্যদিকে,
- বসফরাস প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও ইউরোপকে আর সংযুক্ত করেছে মরমর সাগর ও কৃষ্ণ সাগর।
- বেরিং প্রণালী সংযুক্ত করেছে বেরিং সাগর ও উত্তর সাগর আর পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে।
- পক প্রণালী সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগর আর পৃথক করেছে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।
নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র,
- মাওরি ভাষায় একে 'আওতিয়ারোয়া' (Aotearoa) বলা হয়,
- এর অর্থ "দীর্ঘ সাদা মেঘের দেশ"।
- রাজধানী: ওয়েলিংটন (Wellington).
- বৃহত্তম শহর: অকল্যান্ড (Auckland)।
- সরকার পদ্ধতি: সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- মুদ্রা: নিউজিল্যান্ড ডলার (NZD)।
- রাষ্ট্রপ্রধান: ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস (গভর্নর জেনারেলের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন)।
- নারীর ভোটাধিকার: ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
এছাড়াও,
- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী 'মাওরি' সংস্কৃতি দেশটির পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। 'হাকা' (Haka) নাচ বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- কিউই (Kiwi): কিউই পাখি দেশটির জাতীয় প্রতীক এবং নিউজিল্যান্ডের মানুষকে আদর করে 'কিউই' বলা হয়।
- রাগবি দেশটির প্রধান খেলা।
উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ।
গণতন্ত্রের সূচনা:
- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও কালের কণ্ঠ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮।
ডমিনো তত্ত্ব:
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- ডমিনো তত্ত্বের মূল উদ্দেশ্য ছিল কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।
⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।
উৎস: History.com