খৎনা শব্দে ৎ এর ব্যবহার সঠিক নয়।
শুদ্ধ বানান: খতনা।
• ৎ এর সঠিক ব্যবহার:
• শব্দের শেষাংশে যদি কৃৎ/চিৎ/জিৎ/বিৎ (বিদ) অথবা অৎ/বৎ/সাৎ থাকে তাহলে খন্ড-ত (ৎ) ব্যবহৃত হবে।
যেমন: পথিকৃৎ, সুকৃৎ, কিঞ্চিৎ, ক্বচিৎ, অভিজিৎ, বিশ্বজিৎ, সত্যজিৎ, জগৎ, মহৎ, পুত্রবৎ, যাবৎ, দণ্ডবৎ, ধূলিসাৎ ইত্যাদি।
• শব্দের শেষেও হবেই এমন আরো কিছু শব্দ:
অকস্মাৎ, অর্থাৎ, ঈষৎ, কদাচিৎ, কিঞ্চিৎ, কিয়ৎ, ক্বচিৎ, ক্ষুৎ, যকৃৎ, ছুঁৎ, জগৎ, তড়িৎ, তৎ, তাবৎ, দৈবাৎ, নচেৎ, নস্যাৎ, পথিকৃৎ, পরভৃৎ, পশ্চাৎ, বৃহৎ, ভবিষ্যৎ, মরুৎ, মহৎ, যকৃৎ, যৎ, যাবৎ, যুগপৎ, শরৎ, সৎ, সংবিৎ, সাক্ষাৎ, হঠাৎ, হরিৎ ইত্যাদি।
• শব্দের মধ্যাংশে ৎ আছে এমন কিছু শব্দ:
অকিঞ্চিৎকর, অনুসন্ধিৎসা, উৎপাত, উৎস, উৎসব, উৎসাহ, ঔৎসুক্য, কুৎসা, কুৎসিত, গণৎকার, চমৎকার, চিকিৎসা, চিৎকার, তৎপর, তাৎক্ষণিক, তাৎপর্য, ফুৎকার, বৎস, বৎসর, বীভৎস, ভৎসনা, মৎস্য, মৃৎপাত্র, সৎকার, সাক্ষাৎকার, হৃৎপিণ্ড।
শব্দের প্রথমে উৎ-উপসর্গ যোগ করে তৈরি-হওয়া কিছু শব্দ আছে যেগুলোতে সন্ধির ফলে দ বাদ পড়ে যায়, সে উৎকট, উৎকণ্ঠা, উৎকর্ষ, উৎকলিত, উৎকীর্ণ, উৎকোচ, উৎক্ষিপ্ত, উৎখাত, উৎপত্তি, স্থানে ৎ চলে আসে। যেমন: উৎপাত, উৎপীড়ন, উৎসব, উৎসারণ, উৎসাহ, উৎসুক, ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।