বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৬০১৭০০ / ১,৮৩৫

৬০১.
জাতীয় সংসদের 'ট্রেজারি বেঞ্চ' কার আসন হিসেবে নির্ধারিত?
  1. স্পীকারের আসন
  2. হুইপের আসন
  3. সরকারি দলের মন্ত্রীর আসন
  4. বিরোধী দলের নেতার আসন
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলের মন্ত্রীর আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলের মন্ত্রীর আসন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- এককক্ষ বিশিষ্ট এ আইনসভার সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত।
- অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- জাতীয় সংসদের প্রধান হলেন স্পিকার।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।

⇒ জাতীয় সংসদের প্রতীক শাপলা ফুল।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক দুপাশে ধানের শীষবেষ্টিত শাপলার দুপাশে দুটি করে চারটি তারকা এবং প্রতীকের অপরের দিকে 'বাংলাদেশ' ও নিচের দিকে 'জাতীয় সংসদ' লেখা।

উল্লেখ্য,
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬০২.
'জাতীয় শ্রমনীতি' কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০২ সালে 
  2. ২০০৮ সালে 
  3. ২০১২ সালে 
  4. ২০১৩ সালে 
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১২ সালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করে।

এ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল:

- শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী আইন ও নীতি প্রণয়ন।
- নারী শ্রমিক ও শিশুশ্রম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান।
- পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (Occupational Safety and Health) নিশ্চিত করা।
- শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা।
- এর আগে বাংলাদেশে শ্রম সংক্রান্ত নানা আইন থাকলেও একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় শ্রমনীতি ছিল না। ফলে ২০১২ সালের এই নীতি শ্রমক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২।

৬০৩.
রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে কী বলা হয়?
  1. উপ- অধ্যাদেশ
  2. অধ্যাদেশ বিল
  3. আইন
  4. অধ্যাদেশ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা
অধ্যাদেশ -
- রাষ্ট্রপতির জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে। অধ্যাদেশে কোন নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ না থাকলে রাষ্ট্রপতি যে তারিখে স্বাক্ষর করেন তখন থেকে অধ্যাদেশ কার্যকর হয়।
- রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ,প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬০৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ কতদিন বিরতি থাকে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।

জাতীয় সংসদ:

- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।
- প্রতিবছর সংসদের অন্যূন দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬০৫.
জাতীয় সংসদের মন্ত্রীদের উত্থাপিত বিলকে কী বলে?
  1. রাজস্ব বিল
  2. বেসরকারি বিল
  3. সরকারি বিল
  4. উন্নয়ন বিল
সঠিক উত্তর:
সরকারি বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি বিল
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
• বিল দুই প্রকার:
- যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬০৬.
অধিদপ্তর এর প্রধান কে?
  1. সচিব
  2. মহাপরিচালক
  3. পরিচালক
  4. চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
অধিদপ্তর:
- মন্ত্রণালয়ের অধীন এক বা একাধিক ইউনিটকে অধিদপ্তর বলে।
- যার প্রধান মহাপরিচালক বা Director General. 
- যিনি অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন। 

পরিদপ্তর:
- অধিদপ্তরের অধিনস্ত এক বা একাধিক প্রশাসনিক ইউনিটকে পরিদপ্তর বলে।
- যার প্রধান হলেন পরিচালক।
- যিনি যুগ্ম সচিব বা উপ-সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন। 

কর্পোরেশন:
- যে অফিসের প্রধানের পরবর্তী চেয়ারম্যান অর্থাৎ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি সেই অফিসকে বলা হয় কর্পোরেশন।
- কর্পোরেশনগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬০৭.
”বাংলাদেশ চা বোর্ড” কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত?
  1. পরিকল্পনা
  2. শিল্প
  3. বাণিজ্য
  4. কৃষি
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত।  

চা বোর্ড এর ইতিহাস: 

- বাংলাদেশ চা বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ এর অধীনে ১৯৫১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান টি বোর্ড গঠন করা হয়।
- ১৯৫৯ সালের ০৮ আগস্ট পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ বাতিল করে টি বোর্ড পরিচালনার লক্ষ্যে চা অধ্যাদেশ ১৯৫৯ জারী করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশ-১৯৫৯ বাতিল করে চা অধ্যাদেশ -১৯৭৭ জারী করা হয় এবং এ অধ্যাদেশের অধীনে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ০১ আগস্ট ২০১৬ তারিখে এক গেজেটের মাধ্যমে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ রহিত করে সরকার চা আইন,২০১৬ জারী করেন।
- চা আইন, ২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ চা বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের আওতাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান হলো:
১। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) এবং
২। প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট (PDU)

এছাড়াও, 
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১০টি দপ্তর/সংস্থা রয়েছে। [ডিসেম্বর- ২০২৫]
- এ দপ্তর/সংস্থা সমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রশাসন অনুবিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ ছাড়াও বিসিএস (ট্রেড) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সকল কার্যাদি এ অনুবিভাগের মাধ্যমে হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ নিম্নরূপ:
১) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, 
২) বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন, 
৩) যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর, 
৪) বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট, 
৫) বাংলাদেশ চা বোর্ড, 
৬) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, 
৭) আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস, 
৮) রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো, 
৯) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
১০) বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল। 

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 

৬০৮.
সংবিধান অনুসারে ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
৬০৯.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কতজন নারী উপদেষ্টা রয়েছে?
  1. ২ জন 
  2. ৩ জন 
  3. ৪ জন 
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন। এরা হলেন: ফরিদা আখতার, নূরজাহান বেগম, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শারমীন এস মুরশিদ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৬১০.
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি কে?
  1. প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  2. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
  3. আব্দুল মুমিন চৌধুরী
  4. ড. বদিউল আলম মজুমদার
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

 জাতীয় ঐকমত্য কমিশন:
- ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ছয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।
- কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

⇒ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস।
- কমিশন নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের কার্যক্রমসহ, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপের সুপারিশ করবে।
- এই কমিশনের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। 

৬১১.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬১২.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে
  2. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক
  3. জনগনের সরাসরি ভোটে
  4. প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- এই সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

⇒ প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ অংশে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এখন পর্যন্ত কতজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ দেন?
  1. ক) ১ জন
  2. খ) ২ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ৪ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ জন
ব্যাখ্যা

- ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম ভাষণ দেন।
- ১৮ জুন ১৯৭৪ সালে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ভাষণ দেন।
উল্লেখ্য,
২০১৩ সালে ভারতের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জী বাংলাদেশ সফরকালে জাতীয় সংসদে ভাষণ দেওয়ার কথা থাকলে শেষ পর্যন্ত তা বাতিল হয়।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও বিবিসি বাংলা প্রতিবেদন।

৬১৪.
NCTB এর পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?
  1. National Cricketers Training Board
  2. National Curriculum and Text Book Board
  3. National Curriculum and Training Board
  4. National Communication and Training Board
সঠিক উত্তর:
National Curriculum and Text Book Board
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Curriculum and Text Book Board
ব্যাখ্যা
 NCTB:
- NCTB এর পূর্ণরূপ হলো - National Curriculum and Textbook Board।
- ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড কর্তৃক ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন এবং সেই সাথে একটি নবজাত রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রয়োজনীয় জ্ঞাতব্য বিষয় আধুনিক ধ্যান-ধারণার আলোকে পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশ করা হয়।

- ১৯৭৮-৭৯ সালে টেক্সটবুক বোর্ড নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং ১৯৮৩ সালের মধ্যে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত পাঠ্যপুস্তকের স্থলে মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণের কাজ সম্পন্ন করে।
- ১৯৮৩ সালে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)”  মাধ্যমে স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্রকে একীভূতকরণের  মাধ্যমে বর্তমান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।

- সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন ২০১১ অনুযায়ী বোর্ডের কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও  যুগপোযোগী করার  জন্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মহান জাতীয় সংসদে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)”  সংশোধন ও রহিতক্রমে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮’ বিলটি পাশ হয়।

- বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত চেয়ারম্যান।
- বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ৪ টি উইং যথাক্রমে শিক্ষাক্রম, প্রাথমিক শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক ও অর্থ যা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ৪ জন সদস্য দ্বারা পরিচালিত হয়।
- তাছাড়া একজন সচিব বোর্ডের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ও বোর্ডের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ওয়েবসাইট।
৬১৫.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল আদর্শ কী?
  1. বাণিজ্যিক সম্পর্ক
  2. সামরিক জোটে অংশগ্রহণ
  3. ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
  4. কূটনৈতিক দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি: 
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়" নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- সংবিধানের ২৫ নং অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
- রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
- সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের একটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান?
  1. বিশ্ববিদ্যালয়
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. পৌরসভা
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়। 
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। 

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ.পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।

• বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- 
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ, 
- জেলা পরিষদ, 
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬১৭.
জুলাই গণঅভুত্থান অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৩০ নং অধ্যাদেশ) অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের প্রজ্ঞাপন নং ৪৮.০০.০০০০.০০১.৩৮. ০০৪.২০২৫.১৯২ দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণ-অভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশে প্রণীত হয়েছে এ অধ্যাদেশ।
- এই অধ্যাদেশের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা ও এর কার্যাবলীসহ নানাবিধ বিষয় অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।
- এই অধিদপ্তর গণঅভ্যুত্থানে আজীবন শহিদ পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের পুনর্বাসন করবে।
- অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকায়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৬১৮.
কোনো বিল অর্থবিল কিনা তাতে কার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পিকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ান্ত মত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬১৯.
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলে কে সম্মতি দান করলে বিলটি আইনে পরিণত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পীকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ামত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হবে।
- সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬২০.
জেলা পরিষদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
জেলা পরিষদ:
- রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে ১৯৮৬ সালে জেলা পরিষদ গঠনের জন্য সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশাসনিক পূর্ণগঠন কমিটিকে জেলা পরিষদের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- ১৯৮৮ সালের স্থানীয় সরকার (জেলা পরিষদ) আইন পাশ হয়।
- ১৯৮৮ আইনে ৩ টি পার্বত্য জেলা বাদে অবশিষ্ট ৬১ টি জেলায় জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০০০ সনের ৬ই জুলাই জেলা পরিষদ সংক্রান্ত আইন রহিত করে সংশোধনসহ জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ পাশ করা হয়।
- এ আইনে নিম্নরূপ সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হবে।
- যথা:
(ক) একজন চেয়ারম্যান
(খ) পনের জন সদস্য
(গ) সংগঠিত আসনের পাঁচজন মহিলা সদস্য।
- পরিষদের মেয়াদ-ধারা ৬১ এর বিধান সাপেক্ষে, পরিষদের মেয়াদ এটির প্রথম সভার তারিখ হতে পাঁচ বছর হবে। 
- তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচিত নতুন পরিষদ এর প্রথম সভায় মিলিত না হওয়া পর্যন্ত পরিষদ কাজ চালিয়ে যাবে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬২১.
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. বিভাগ নেই
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়:
- জাতির মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালের ০১ সেপ্টেম্বর পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে নবসৃষ্ট প্রদেশের প্রধান শাসনকর্তা তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কার্যালয় ও বাসভবনের প্রয়োজনে বঙ্গভবনের যাত্রা।
- তখন এর নাম ছিল ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন।
- ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ ২টি।
- যথা:
i) জন বিভাগ,
ii) আপন বিভাগ।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের নেতৃত্বে এ বিভাগ দু’টি পরিচালিত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।
৬২২.
নিচের কোন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের অধীনে নিষ্পত্তি হয় না? 
  1. দেনমোহর বাস্তবায়ন 
  2. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার
  3. অভিভাবকত্ব
  4. সম্পত্তি বিক্রয় বিরোধ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রয় বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রয় বিরোধ
ব্যাখ্যা

- সম্পত্তি বিক্রয় বিরোধ  পারিবারিক আদালতের অধীনে নিষ্পত্তি হয় না।
- যদি সম্পত্তি বন্টন বা শেয়ার সংক্রান্ত বিরোধ হয়, তাহলে এটি দেওয়ানি প্রকৃতির এবং দেওয়ানি আদালতে (Civil Court) মামলা করতে হয়, যা পারিবারিক আদালতের আওতার বাইরে।

• পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে। এগুলি হচ্ছে:
- বিবাহ বিচ্ছেদ,
- দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার,
- মোহরানা,
- ভরণপোষণ ও
- অভিভাবকত্ব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬২৩.
পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
৬২৪.
বর্তমান সময়ে নিচের কোনটির ভূমিকাকে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়?
  1. ক) সুশীল সমাজ
  2. খ) সংবাদ মাধ্যম
  3. গ) আইন শৃঙ্খলা বাহিনী
  4. ঘ) জনপ্রতিনিধির
সঠিক উত্তর:
ক) সুশীল সমাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুশীল সমাজ
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যা চিহ্নিত করা ও তা সমাধানের পথ খোজার চেষ্টা করেন, তাই এর ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড বই।
৬২৫.
স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক স্তর -
  1. ক) সিটি কর্পোরেশন
  2. খ) জেলা প্রশাসন
  3. গ) বিভাগীয় প্রশাসন
  4. ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হলো - 

শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার
পৌরসভা এবং
সিটি কর্পোরেশন।

গ্রামভিত্তিক স্থানীয় সরকার
ইউনিয়ন পরিষদ,
উপজেলা পরিষদ এবং
জেলা পরিষদ।

(বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রাথমিক বা সর্বনিম্ন স্তর বা তৃণমূল পর্যায়ে স্ব-শাসন প্রতিষ্ঠা করে ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।)

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ
বান্দরবন পাহাড়ী জেলা পরিষদ
রাঙামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ


তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬২৬.
সর্বনিম্ন কত বছর বয়সে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায়?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান মতে- 
- বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর, 
- বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর, 
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬২৭.
বাংলাদেশে কতটি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে? (জুন-২০২৫)
  1. ১১টি
  2. ১২টি
  3. ৯টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
• সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের কয়েকটি প্রধান শহরকে কেন্দ্র করে সিটি কর্পোরেশনগুলো গড়ে উঠেছে।
- বাংলাদেশের মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

• এগুলো হলো:
- ঢাকায় দুটি (ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ),
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন,
- খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
- সিলেট সিটি কর্পোরেশন,
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন,
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন,
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন,
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
 - ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬২৮.
বাংলাদেশে মোট উপজেলা সংখ্যা কত?
  1. ৪৯২ টি
  2. ৪৯৪ টি
  3. ৪৯৩ টি
  4. ৪৯৫ টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫ টি
ব্যাখ্যা
• উপজেলা পরিষদ :
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ।
-  উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়।
- মোট উপজেলা - ৪৯৫ টি।

- কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি।
- এ সক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচসন এবং উক্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাশ হয়।
- এ আইন 'উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬২৯.
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর বিভাগ পৃথক হয় কত তারিখে? 
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ১ ডিসেম্বর, ২০০৭
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৮
  4. ১ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা

- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর বিভাগ পৃথক হয় - ১ নভেম্বর ২০০৭।

বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- ১৯৯৪ সালে সাবেক জেলা জজ মাসদার হোসেন পৃথকীকরণের জন্যে হাইকোর্টে রিট করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে এর চূড়ান্ত রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর ভিত্তিতেই ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয়।
- এ দিন সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকরের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তবে এ প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণতা লাভ করেনি।
বর্তমানে অধস্তন আদালত সমূহে বিচারক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জুডিশিয়াল সার্ভিস কাউন্সিল দেখভাল করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা।

৬৩০.
ফৌজধারী কার্যবিধি বা Criminal Procedure কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৮৫০
  2. খ) ১৮৬০
  3. গ) ১৮৮২
  4. ঘ) ১৮৯৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
ফৌজধারী কার্যবিধি বা Criminal Procedure
- এটি ১৮৯৮ সালে প্রণীত হয়। 
- কার্যকর করা হয়--১লা জুলাই ১৮৯৮ সালে
- আইনের প্রকৃতি-পদ্ধতিগত
- মােট ধারা ---৫৬৫ টি
- মােট তফসিল-৫টি
- সর্বশেষ সংশােধনী-২০১২ সালে

অপরদিকে,
 
- ১৮৬০ সালে ভারতীয় দণ্ডবিধি প্রণীত হয়। দেশ স্বাধীনের পর এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি। এটি বর্তমানে প্রচলিত প্রধান এবং প্রাচীনতম আইন সংকলন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
৬৩১.
নিচের কোন জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রাম জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের গঠন:
- বাংলাদেশে মোট ৬৪টি জেলার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলার (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি) উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের দেখভাল ও সমন্বয় সাধন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৯৮ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনানুসারে, ১৯৯৯ সালের ২৭শে মে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার পুরো এলাকার স্থানীয় শাসনের কাজকর্ম তদারকি করার জন্য এই বিশেষ ধরনের আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ৬ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য, ১ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য সমন্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।
- চেয়ারম্যান হবেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে।
- তিন পার্বত্য জেলার চেয়ারম্যানগণ পদাধিকার বলে এর সদস্য হবেন এবং তাদের ভোটাধিকার থাকবে।
- আঞ্চলিক পরিষদে সরকারের যুগাসচিব পদমর্যাদার একজন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন।
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে ৫ বছর।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ওয়েবসাইট।
৬৩২.
রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৪৫ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১০০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৩৩.
বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী সর্ব প্রথম কে অবস্থান করেন? 
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান উপদেষ্টা
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী:

রাষ্ট্রপতি (President of the Republic) এর অবস্থান সর্ব প্রথম।

উল্লেখ্য,
২. প্রধানমন্ত্রী
৩. সংসদের স্পিকার
৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা
৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা;সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ(আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

এছাড়াও,
ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৬৩৪.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা কে?  ‍[জানুয়ারি,২০২৬]
  1. আদিলুর রহমান খান
  2. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. আহসান এইচ মনসুর
  4. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের  অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

• অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা:

- অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
• ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
• ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
• আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
-  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় 
• মোঃ তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
• মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: 
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

৬৩৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বা আইনসভার নেতা কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পীকার
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
সংসদ নেতা: 
- সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন। 
- সংসদ নেতা ও সংসদ উপনেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

অপরদিকে, 

- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৬৩৬.
পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. ইস্কান্দার মীর্জা
  2. চৌধুরী খালেকুজ্জামান
  3. সোহরাওয়ার্দী
  4. এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
চৌধুরী খালেকুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌধুরী খালেকুজ্জামান
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৯ ও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০ - এ এসেছিল, এটি আমাদের প্রণয়ণকৃত প্রশ্ন নয়।]

পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর ছিলেন - ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন (১৫ আগস্ট ১৯৪৭ - ৫ এপ্রিল ১৯৫০)।

অপশনে ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন নেই। আর অপশনে যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে চৌধুরী খালেকুজ্জামান প্রথম। সে অনুসারে উত্তর হিসেবে চৌধুরী খালেকুজ্জামান নেয়া হয়েছে।

• চৌধুরী খালেকুজ্জামান - ৪ এপ্রিল, ১৯৫৩ থেকে ৩০ মে, ১৯৫৪ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
• ইস্কান্দার আলী মীর্জা - ৩০ মে, ১৯৫৪ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
• এ. কে. ফজলুল হক - ৯ মার্চ, ১৯৫৬ থেকে ৩১ মার্চ, ১৯৫৮ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।

• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কখনও পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন না। তিনি ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ওয়ার্ড স্টেটম্যান ওয়েবসাইট।
৬৩৭.
নিচের কোনটি নাগরিকের আইনগত কর্তব্য?
  1. ভোট দান করা
  2. শিক্ষার প্রসার ঘটানো
  3. দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো
  4. মানুষের সেবা করা
সঠিক উত্তর:
ভোট দান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোট দান করা
ব্যাখ্যা

নাগরিকত্ব ও কর্তব্য:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মূলত ও প্রধাণত জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়।
- নাগরিকের যেমন আছে রাষ্টপ্রদত্ত আধিকার, তেমনি আছে রাষ্ট্র নির্ধারিত কর্তব্য।
- রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্য দুই ধরণের। যথা -
১. নৈতিক,
২. আইনগত কর্তব্য।

→ আইনগত কর্তব্য:
• ভোট দান করা, 
• নিয়মিত কর প্রদান,
• আইন মেনে চলা,
• সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ।

→ নৈতিক কর্তব্য:
• মানুষের সেবা করা,
• দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো,
• শিক্ষার প্রসার ঘটানো,
• পরিবেশ পরিষ্কার রাখা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩৮.
বাংলাদেশ সরকারের কোন সাংবিধানিক সংস্থাটি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বাংলাদেশ কর্ম কমিশন
  2. বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
  3. ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয় ৮ এপ্রিল ১৯৭২।
- এই কমিশন মূলত বিভিন্ন সরকারি পদ ও চাকরি নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা। 
- ৮ এপ্রিল সিভিল সার্ভিস দিবস হিসাবে পালিত হয়।
- বর্তমানে মোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি সাধারণ ও ১২টি পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

অন্যদিকে,
- রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি গঠন করেছে সরকার।
- ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সাংবিধানিক সংস্থা নয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৬৩৯.
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন কে? (জানুয়ারি, ২০২৬) 
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
  3. জুবায়ের রহমান চৌধুরী 
  4. সালাহ উদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী 
ব্যাখ্যা

• ২৬তম প্রধান বিচারপতি: 
- বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। 
- ২৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। 
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি তাকে এই নিয়োগ দেন। শপথ গ্রহণের দিন থেকেই তার এই নিয়োগ কার্যকর হবে।
- শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
 - পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

৬৪০.
সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের কততম প্রধান বিচারপতি?
  1. ২৪ তম
  2. ২৫ তম
  3. ২৬ তম
  4. ২৭ তম
সঠিক উত্তর:
২৫ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ তম
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:
- বর্তমানে (আগস্ট, ২০২৪) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
- তিনি বাংলাদেশের ২৫ তম প্রধান বিচারপতি।
- সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন।
- সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে এএলবি(অনার্স) উত্তীর্ণ হন। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমএ পাস করার পর যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্‌ট ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল এন্ড ডিপ্লোমেসি থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৮৪ সালে জেলা জজ আদালত, ১৯৮৬ সালে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০২ সালে সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।
- তিনি 'গ্লোবাল জুডিশিয়াল ইনস্টিটিউট অন এনভাইরনমেন্ট, ব্রাজিল' এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ১০ আগস্ট, ২০২৪।
৬৪১.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
সঠিক উত্তর:
কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও শাসনসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 
- সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৬৪২.
জাতীয় সংসদের কার্যাবলী নয় কোনটি?
  1. নির্বাচন পরিচালনা করা
  2. আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি
  3. সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন
  4. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন পরিচালনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা
⇒ নির্বাচন পরিচালনা করা জাতীয় সংসদের কার্যাবলী নয়।

জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রধান নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সংবিধান প্রণীত নীতি অনুযায়ী সংঘটিত হয়। আইন প্রণয়ন হলো জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

⇒ আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

⇒ সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

⇒ শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

⇒ অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৩.
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয় কবে?
  1. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ০১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।
- গুম একটি চলমান অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যাদেশে।
- অধ্যাদেশে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- এই অধ্যাদেশের অধীনে অপরাধ জামিন ও আপস অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
- এ ছাড়া গুমের আদেশ বা অনুমতি দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও সমান সাজার বিধান রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫।

৬৪৪.
কত সালে খাদ্য মন্ত্রণালয় স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ইতিহাস:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ১৯৪৩ সালে অবিভক্ত বাংলায় সৃষ্ট ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ মোকাবেলার লক্ষ্যে ও খাদ্য সামগ্রী সরবরাহের জন্য ব্রিটিশ ভারতে বেঙ্গল সিভিল সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।
​- এ ডিপার্টমেন্ট প্রধান প্রধান শহরে বিধিবদ্ধ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতঃ দ্রুত উক্ত রেশনিং ব্যবস্থা সম্প্রসারিত করে।
- ​ভারতবর্ষ বিভক্তির পর ১৯৫৫ সালে সিভিল সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট বিলুপ্ত করা হলে এর বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
​- পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১৯৫৬ সালে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিভিল সাপ্লাই অবয়বে খাদ্য বিভাগ চালু করা হয়।
- ​বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে এ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে খাদ্য বিভাগ ইত্যাদি নামে পরিচালিত হতে থাকে। 
​- সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ খ্রিঃ তারিখের ০৪.৪২৩.০২২.০২.০১.০০২. ২০১২.৯৬ নং পত্র সংখ্যা দ্বারা খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠিত করে (১) খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং (২) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় নামে ২টি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হলে খাদ্য মন্ত্রণালয় স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 

​উৎস: খাদ্য মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬৪৫.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সুপ্রিমকোর্ট
  3. আইনসভা
  4. হাইকোর্ট
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
----------------------------------------------
• বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সংসদ যেকোনো নতুন আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
- কোনো নতুন আইন পাশ করতে হলে খসড়া বিলের আকারে তা সংসদে পেশ করা হয়। সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে বিলটি গৃহীত হওয়ারপর এবং বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর তা' আইনে পরিণত হয়।

• জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করে।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। মুলতুবি

• জাতীয় সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না।
- সংসদ প্রতিবছর জাতীয় বাজেট পাস করে।
- অর্থমন্ত্রী বাজেটের খসড়া সংসদে উপস্থাপন করেন। সংসদ সদস্যগণ দীর্ঘ বিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ তা পাশ করেন।

•  জাতীয় সংসদের বিচারসংক্রান্ত ক্ষমতা রয়েছে। কোনো সংসদ সদস্য অসংসদীয় আচরণ করলে স্পিকার তাঁকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- তাছাড়া সংবিধান লঙ্ঘন করলে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে।

•  সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়।
• জাতীয় সংসদের সদস্যগণ সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের বিভিন্ন কমিটির সদস্যদের নির্বাচিত করেন।
- সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণও সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- এ ছাড়া সংসদ সদস্যগণ দেশের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৬৪৬.
সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উত্থাপন করতে হলে কার সুপারিশ প্রয়োজন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি :

• অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা:
⇒ সংসদ ভেঙ্গে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে কোনো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ অধ্যাদেশ সংসদ প্রণীত আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন।

• প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
⇒ রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

• ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা:
⇒  রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যে কোনো দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার। কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যে কোনো দন্ড তিনি মার্জনা করতে পারেন।

• অর্থসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কাজ: 
⇒ সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উথাপন করতে হলে তাতে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ সাগে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি সংযুক্ত তহবিল থেকে ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা করতে পারেন।

• প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষমতা: 
⇒ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তিনি বহিআক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬৪৭.
নিচের কোনটি বিচার বিভাগের কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শাসন সংক্রান্ত কাজ
  2. আইন সংক্রান্ত কাজ
  3. সংবিধান প্রণয়ন
  4. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
- উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
- অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

•বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৮.
নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অনুপস্থিতিতে বাধাগ্রস্থ হয় -
  1. ক) ন্যায়পরায়ণতা
  2. খ) আইনের শাসন
  3. গ) জবাবদিহিতা
  4. ঘ) সুশাসন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুশাসন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুশাসন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অনুপস্থিতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্থ হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন-প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
৬৪৯.
কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালিত হয়?
  1. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  4. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• স্পারসো (SPARRSO):
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organisation
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার দ্বারা নিজস্ব সক্ষমতা উন্নীতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালীকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র: স্পারসো ওয়েবসাইট। 

৬৫০.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার কত শতাংশ ছিল?
  1. ৪০.৮
  2. ৪০.৯
  3. ৪১.৬
  4. ৪১.৮
সঠিক উত্তর:
৪১.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১.৮
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিলো ৪১.৮ শতাংশ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে।
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২২৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ।
- ক্ষমতাসীনদের পর সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা:
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
৬৫১.
দেশের প্রস্তাবিত নবম প্রশাসনিক বিভাগ-
  1. ক) বৃহত্তর টাঙ্গাইল
  2. খ) বৃহত্তর নোয়াখালী
  3. গ) বৃহত্তর কুমিল্লা
  4. ঘ) বৃহত্তর ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃহত্তর ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃহত্তর ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলকে নিয়ে পদ্মা নামে দেশের নবম বিভাগ ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন। ২১ অক্টোবর ২০১৯ প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এর ১১৬ তম সভায় ফরিদপুরকে শর্তসাপেক্ষে সিটি কর্পোরেশন করার অনুমতি দেওয়া হয়। ফরিদপুর পদ্মা নামে নতুন বিভাগ হিসেবে ঘোষণার পরই সিটি কর্পোরেশন হিসেনে উন্নীত হবে। (সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক)
৬৫২.
সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত-
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

• বিচারবিভাগের গঠন
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

• ন্যায়বিচার করা: 
⇒ বিচারবিভাগের প্রধান কাজ প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং আইন অমান্যকারীর বিচার করা। এক্ষেত্রে বিচারকগণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে আইন অনুযায়ী ন্যায়নীতির ভিত্তিতে বিচারকার্য সম্পন্ন করেন। বিচার বিভাগ সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। দেওয়ানি, ফৌজদারি প্রভৃতি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে বিচারবিভাগ অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে।

• আইন তৈরি: 
⇒ সাধারণত আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগের দায়িত্ব বিচারবিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে। এছাড়া বিচারকগণ নতুন আইন সংযোজন করে থাকেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার করতে গিয়ে উপযুক্ত আইন খুঁজে পাওয়া না গেলে বিচারকগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিচারের রায় প্রদান করেন যা আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।

• মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ:
⇒  জনগণের মৌলিক অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। এ অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব বহুলাংশে আদালতের ওপরই ন্যস্ত হয়।

• আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগ: 
⇒ বিচারবিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কাজ আইনের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা এবং সেই ব্যাখ্যা অনুযায়ী আইন প্রয়োগ করা। আইন বলতে সাধারণত সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন, শাসনতান্ত্রিক আদেশ বা অর্ডার এবং বিভিন্ন প্রথাগত আইনকে বোঝানো হয়।

• সংবিধান রক্ষা করা: 
⇒ সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে বিচারবিভাগ কাজ করে। বিচারবিভাগ সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেয়। 

উৎস: ,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-৯ম-১০ম শ্রেণি।

৬৫৩.
Which of the following is the highest authority for approving the economic policies and development plans in Bangladesh?
  1. Planning Commission
  2. Ministry of Finance
  3. Minstry of Law
  4. ECNEC
  5. None
সঠিক উত্তর:
ECNEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ECNEC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন। 
- নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।
 
উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৬৫৪.
কোনো ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার জন্য নিচের কোন যোগ্যতার প্রয়োজন?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  2. অধস্তন আদালতের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  4. কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল: 
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উত্থাপিত যেকোনো রেফারেন্সের ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব মত প্রকাশ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৫৫.
বর্তমানে দেশে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী কত জন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৪ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
• টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ হয় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
                             
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নতুন সরকারে টেকনোক্র্যাট কোটায় রয়েছেন দুজন মন্ত্রী।
- তারা হলেন স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও ডা. সামন্ত লাল সেন। 

উৎস: প্রথম আলো।
৬৫৬.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ___________ সংস্থা।
  1. কর্পোরেট
  2. সাংবিধানিক
  3. আধাস্বায়ত্তশাসিত
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন:
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে ১৯৭২ সালের মে মাসে প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন নামে দুটি আলাদা কমিশন গঠিত হয়।
- সরকার ১৯৭৭ সালের নভেম্বর মাসে দুটি কমিশনের স্থলে একটি কমিশন স্থাপন করার লক্ষ্যে আরেকটি অধ্যাদেশ জারি করে।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- বর্তমানে মো. সোহরাব হোসাইন এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত আছেন।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৬৫৭.
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের বয়সসীমা সর্বোচ্চ কত?
  1. ৫৯ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ৬৫ বছর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‌ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের যোগ্যতা:

- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে সুপারিশ করিবার ক্ষেত্রে তাহার নিম্নরূপ যোগ্যতা থাকিতে হবে, যথা -
- তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিক খতে হবে।
- তাঁর বয়স ন্যূনতম ৫০ (পঞ্চাশ) বৎসর হতে হবে।
- কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা-সরকারি, বেসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত পদে বা পেশায় তাঁহার অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৫৮.
পৌরসভা কয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৫
  3. গ) ২১
  4. ঘ) ২৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫
ব্যাখ্যা
শহর এলাকায় স্থানীয় শাসনের সর্বনিম্ন স্তর - পৌরসভা। পৌরসভা একজন মেয়র, কয়েকজন কাউন্সিলর ও কয়েকজন মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে গঠিত। একটি পূর্ণাঙ্গ পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড থাকে। সেই হিসাবে - একজন মেয়র, ১৮ জন কাউন্সিলর, ও ৬ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর (প্রতি ৩ ওয়ার্ডের জন্য একজন মহিলা কাউন্সিলর) মোট ২৫ জন সদস্য নিয়ে পৌরসভা গঠিত। সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (২য়) বোর্ড বই।
৬৫৯.
কতজন প্রতিনিধি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়?
  1. ক) ৯ জন
  2. খ) ১২ জন
  3. গ) ১৩ জন
  4. ঘ) ১৫ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ জন
ব্যাখ্যা
• ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- চেয়ারম্যান - ১ জন,
- নির্বাচিত সদস্য - ৯ জন এবং
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য - ৩ জন

উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬৬০.
সুনাগরিকের গুণ নয় কোনটি?
  1. বিবেক
  2. বুদ্ধি
  3. বিচক্ষণতা
  4. আত্মসংযম
সঠিক উত্তর:
বিচক্ষণতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচক্ষণতা
ব্যাখ্যা

• সুনাগরিক:
- রাষ্ট্রের সব নাগরিক সুনাগরিক নয়।
-  আমাদের মধ্যে যে বুদ্ধিমান, যে সকল সমস্যা অতি সহজে সমাধান করে, যার বিবেক আছে সে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে, আর যে আত্মসংযমী সে বৃহত্তর স্বার্থেনিজের ক্ষুদ্র স্বার্থত্যাগ করতে পারে।
- এসব গুণসম্পন্ন নাগরিকদের বলা হয় সুনাগরিক।
- সুনাগরিকের প্রধানত তিনটি গুণ রয়েছে।
যথা-
১। বুদ্ধি,
২। বিবেক
৩। আত্মসংযম

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬৬১.
বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের উদ্বোধন করেন?
  1. আব্দুস সাত্তার
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. উপরের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার। 

জাতীয় সংসদ:
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।
- এই ভবনটি শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত এবং এর নকশা করেছেন বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই কান।
- তবে লুই আই কানের মৃত্যুর পর, হেনরি এম প্যামব্যাম ও মাজহারুল ইসলাম এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
- এটি বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র।

সূত্র - জাতীয় সংসদ ভবনের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া ।

৬৬২.
স্থানীয় প্রশাসনকে কয় স্তরে ভাগ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
স্থানীয় প্রশাসন:
- সরকারের প্রবর্তিত নীতিসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পর্যায়ে নিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি কর্তৃক এলাকাভিত্তিক শাসন ব্যবস্থাকে স্থানীয় প্রশাসন বলে।
- স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃপক্ষ সরকারের নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীনে দায়িত্ব পালন করে।
- স্থানীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ঠ যারা, তারা সকলেই সরকারী কর্মচারী।
- স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের নীতি ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হয়।
- নাগরিকের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের দায়-দায়িত্বপালনের জন্য এবং স্থানীয় প্রশাসনিক কাজ যুগোপযোগি করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে তিন স্তরে ভাগ করা হয়েছে। এগুলি হল-
• বিভাগ।
• জেলা।
• উপজেলা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬৬৩.
সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম কোথায় গৃহীত হয়?
  1. আইনসভায়
  2. সুপ্রিমকোর্টে
  3. সচিবালয়ে
  4. সরকারি কর্মকমিশনে
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়ে
ব্যাখ্যা

• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাতথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবংনির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন।
- মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে।
- তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন। মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন।
-  সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬৬৪.
ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ক) ০৪ বছর
  2. খ) ০৫ বছর
  3. গ) ০৩ বছর
  4. ঘ) ০২ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ০৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০৫ বছর
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
- এর মেয়াদকাল পাঁচবছর।

ইউনিয়ন পরিষদ মোট ১৩জন নির্বাচিত প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত। এরা হলেন:
-  ১ জন চেয়ারম্যান।
- ৯ জন সাধারণ সদস্য।
- ৩ জন সংরক্ষিত নির্বাচিত নারী সদস্য।

এছাড়াও,  ইউনিয়ন পরিষদে একজন সরকারি বেতনভুক্ত সচিব থাকেন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী
৬৬৫.
বেসরকারি বিল কে উত্থাপন করতে পারে?
  1. মন্ত্রী
  2. সাধারণ সংসদ সদস্য
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সাধারণ সংসদ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ সংসদ সদস্য
ব্যাখ্যা
- বেসরকারি বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয়।

বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৬৬৬.
বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো কয়টি স্তরে বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের "স্থানীয় প্রশাসন" একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত।

যথা:-
১। বিভাগীয় প্রশাসন, 
২। জেলা প্রশাসন এবং
৩। উপজেলা প্রশাসন। 

এছাড়াও,
→ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।
→ স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন ৷ 

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬৭.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত? 
  1. আইন বিভাগ   
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ আছে। 

- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৬৬৮.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল -
  1. জজ কোর্ট
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬৯.
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৬৭০.
কাস্টিং ভোট প্রদান করে কে?
  1. সংসদ নেতা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. চীফ হুইফ
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
সংসদ নিয়ম, কোরাম ইত্যাদি (অনুচ্ছেদ ৭৫):
১. সংবিধানের আওতায়:
(ক) সংসদের কার্যপ্রণালী সংসদ নিজেই প্রণীত নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হবে। যদি নিয়ম তৈরি না হয়, তাহলে তা রাষ্ট্রপতির প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
(খ) সংসদে যে কোনো সিদ্ধান্ত সংসদ সদস্যদের উপস্থিত এবং ভোটদানকারী সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
সভাপতির (স্পিকার) ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে না, তবে ভোট সমান হলে তিনি ফল নির্ধারণে একটি ভোট (কাস্টিং ভোট) দিতে পারবেন।

- কাস্টিং ভোট: কোনো বিষয়ে ভোটের সংখ্যা সমান হলে, সভার সভাপতির দ্বারা প্রদত্ত একটি সিদ্ধান্তমূলক ভোট, যা বিষয়টির নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে। (Cambridge Dictionary)
- জাতীয় সংসদের সভাপতি: স্পিকার ।
- কাস্টিং ভোট প্রদান করে: স্পিকার । 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৭১.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ”বিকল্প নীতি উত্থাপন” করে কে?
  1. বিরোধী দল
  2. সুশীল সমাজ
  3. সরকারি দল
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা :
- গঠনমূলক সমালোচনা: 
- অধিকার বাস্তবায়ন: 
- গণতন্ত্র রক্ষা: 
- বিকল্প নীতি উত্থাপন,
- সমস্যা চিহ্নিত করা: 
- জনমত গঠন
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- পারস্পরিক সম্পর্ক
- রাজনৈতিক সংযোগ সাধন;
 - রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ;
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;

উৎস : উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬৭২.
গ্রাম অঞ্চলে স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হল-
• জেলা পরিষদ।
• উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ।

ইউনিয়ন পরিষদ:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তর ইউনিয়ন পরিষদ।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- ইউনিয়ন পরিষদ ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে যাদের ৯ জন সাধারণ আসনের সদস্য ও ৩ জন সংরক্ষিত আসনের সদস্য হবেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৩.
ফ্লাউড কমিশন কিসের সাথে সম্পর্কৃত?
  1. ক) দুই বাংলার সীমানা নির্ধারণ
  2. খ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ
  3. গ) শরনার্থী পুনর্বাসন
  4. ঘ) শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার
সঠিক উত্তর:
খ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
১৯৩৮ সালে তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক ভূমি রাজস্ব সংস্কারের জন্যে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউড এর নেতৃত্ব একটি কমিশন গঠন করেন। কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে। এই রিপোর্টের সুপারিশের আলোকেই ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হয় যার মাধ্যমে ১৯৫১ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা উচ্ছেদ হয়। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৬৭৪.
সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোন বিলে কে সম্মতি দান করলে বিলটি আইনে পরিণত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদ: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি অনুসারে, সংসদ কর্তৃক প্রেরিত বিলে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন অথবা সংসদের বিবেচনার জন্য পাঠাবেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উল্লেখ্য,
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলে সম্মতির জন্য তাঁর নিকট প্রেরণ করা হয়।
- ১৫ দিনের মধ্যে তিনি ঐ বিলে সম্মতি দিয়ে থাকেন।
- ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে এ বিলে তাঁর সম্মতি রয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়।
- রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তা পুনর্বিবেচনা করবে; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের ৭ দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৭৫.
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর স্লোগান কী?
  1. আকাশে শান্তির পায়রা
  2. আকাশে শান্তির ডানা
  3. বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত
  4. বাংলার আকাশে সদা জাগ্রত
সঠিক উত্তর:
বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত
ব্যাখ্যা

- ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শ্লোগান।

• বাংলাদেশ বিমান বাহিনী: 

- ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে গঠিত হলেও বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
- দেশের আকাশসীমা রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কিলো ফ্লাইট গঠনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।
- ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শ্লোগান।
- বর্তমান বিমান বাহিনীর প্রধান Hasan Mahmood Khan.

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

৬৭৬.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৭.
বিচার বিভাগের কাজ কোনটি?
  1. বিচার সংক্রান্ত কাজ
  2. সংবিধান সংরক্ষণ
  3. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭৮.
ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত নারী সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৯.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে কবে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়?
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ৩ নভেম্বর, ২০০৭
  3. ১১ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১৩ নভেম্বর, ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে ১ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়।

বিচার বিভাগ:

- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৬৮০.
জাতীয় অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
আইনসভা বা জাতীয় সংসদের অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- জাতীয় সংসদ সরকারের অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 
- সংসদের আইন বা উহার কর্তৃত্ব ব্যতীত কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যায় না (অনু: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত উক্ত বাজেট কার্যকর হবে না (অনু: ৮৭)।
- সকল সরকারি অর্থের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ সংসদের আইন দ্বারা করা হবে (অনু: ৮৫)। 
সুতরাং, জাতীয় সংসদ হচ্ছে জাতীয় অর্থের অভিভাবক ও নিয়ন্ত্রণকারী।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশ সংবিধান।
৬৮১.
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রীর নাম কি?
  1. ফারুক খান
  2. দিলীপ বড়ুয়া
  3. সৈয়দ আবুল হোসেন
  4. দীপু মনি
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী:
- শিক্ষামন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অসীন দলের প্রধান কর্তৃক মনোনীত ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সেই মনোনয়ন গৃহীত হলে 'শিক্ষামন্ত্রী' হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
- ৭ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে তারিখ থেকে তিনি এই পদে রয়েছেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৮২.
'গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৯
  2. খ) ২০০৭
  3. গ) ২০০৪
  4. ঘ) ২০০৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৬
ব্যাখ্যা
গ্রাম আদালত আইন: 'গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় ৯ মে, ২০০৬ সালে। 

- দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠনকল্পে প্রণীত আইন।
- যেহেতু দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬৮৩.
সংসদীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় "আস্থা ভোট" বলতে নিম্নের কোনটি বোঝায়?
  1. জনগণের প্রতি আস্থা যাচাই
  2. রাষ্ট্রপতির প্রতি আস্থা যাচাই
  3. বিরোধীদলের সমর্থন যাচাই
  4. সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই
সঠিক উত্তর:
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই
ব্যাখ্যা

সংসদীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় "আস্থা ভোট" বলতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই বোঝায়। 

আস্থা ভোট:
- সংসদীয় ব্যবস্থায় "আস্থা ভোট" (Vote of Confidence) বলতে বোঝায় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা সরকারের প্রতি তাদের আস্থা আছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য একটি প্রস্তাবের ওপর ভোট দিয়ে থাকেন।
- যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন, তাহলে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকে; কিন্তু যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে সরকারকে পদত্যাগ করতে হয়।

⇒ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা (এমপি) নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। তাতে বলা আছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করেন বা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো। 

৬৮৪.
সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে কত শতাংশ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়?
  1. ২ শতাংশ
  2. ১০ শতাংশ
  3. ১৩ শতাংশ
  4. ১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৮৫.
একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে-
  1. রাঙামাটি 
  2. ঝিনাইদহ
  3. মেহেরপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
-  জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- মহিলাদের জন্যে সংরক্ষিত আসন - ৫০টি। (পরোক্ষভোটে নির্বাচিত)
- জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।

৬৮৬.
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. বিভাগীয় পরিষদ
  3. সচিবালয়
  4. উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
- জেলা পরিষদ হচ্ছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর।
- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলার জনগণ দ্বারা সরাসরি নির্বাচনের বিধান রাখা হয়।
- জেলা পরিষদের সভাপতি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পান এবং জেলা প্রশাসককে তার অধীনে প্রধান নির্বাহী করা হয়।
- সংসদ সদস্য এই পরিষদে পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮৭.
প্রধানমন্ত্রী কোন বিধি অনুযায়ী "প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা" নিয়োগ করেন?
  1. রুলস অব বিজনেস
  2. রুলস অব প্রসিডিউর
  3. রুলস অব পার্লামেন্ট
  4. রুলস অব কমার্স
সঠিক উত্তর:
রুলস অব বিজনেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুলস অব বিজনেস
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী 'প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা' পদেও নিয়োগ দিতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন এবং
- এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।
- জাতীয় সংসদের নেতা ও মন্ত্রিপরিষদের প্রধান হিসেবে আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সর্বাধিক।

এছাড়াও, 
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিষয়ক, আইন বিষয়ক, নিয়োগ সংক্রান্ত, বাজেট সংক্রান্ত বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।
- সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের কমপক্ষে ৯০ শতাংশ সদস্য জাতীয় সংসদ সদস্যের মধ্য থেকে থেকে নিয়োগ প্রদান করবেন।
- এছাড়া বাইরে থেকে ১০ শতাংশ সদস্য তিনি মন্ত্রিসভায় যোগ করতে পারবেন (টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী)।

সূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ডেইলি স্টার।
৬৮৮.
বাংলাদেশে প্রধান বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা- 
  1. সুপ্রীম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেটিং অভিজ্ঞতা থাকা 
  2. বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকা 
  3. উপরের কোনটিই নয়
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা

সুপ্রীম কোর্ট: 
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন। প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রীমকোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- সুপ্রীম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৭ পৃষ্ঠা।

৬৮৯.
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য কে পাঠ করান?
  1. স্পিকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

♦ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
• রাষ্ট্রপতি।
• সংসদ সদস্যবৃন্দ।

♦ রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• প্রধানমন্ত্রী।
• প্রধান বিচারপতি।
• মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
• স্পিকার।
• ডেপুটি স্পিকার।

♦ প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
• পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
• মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

♦ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
• রাষ্ট্রপতি।
• সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

৬৯০.
দুর্নীতি দমন কমিশন-এর কমিশনারগণ কার সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. দুদক চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- দুদক দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।
- তবে নানা সীমাবদ্ধতা কারণে দুদক দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে না।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 

উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৫(১) ধারার বিধানমতে  জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।
৬৯১.
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ মোট কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৮ জন
  2. খ) ২১ জন
  3. গ) ২৫ জন
  4. ঘ) ৩৪ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ জন
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভিন্ন কাঠামোর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।
- এই ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ। এর অধীনে রয়েছে তিনটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ মোট ২৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
এরা হলেন:
- ১ জন চেয়ারম্যান (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী)
- ১২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সদস্য
- ৬ জন বাঙালি সদস্য
- ২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মহিলা
- ১ জন বাঙালি মহিলা সদস্য এবং
- তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
- এই পরিষদের মেয়াদকাল পাঁচ বছর।
- আঞ্চলিক পরিষদের সদস্যরা পার্বত্য জেলা পরিষদসমূহের সদস্যদের দ্বারা পরোক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।
- পার্বত্য জেলা পরিষদসমূহের মোট সদস্য ৩৪ জন।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬৯২.
র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (RAB) পরিবর্তিত নতুন নাম—
  1. সিকিউরিটি রেসপন্স ফোর্স (SRF)
  2. সিকিউরিটি ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)
  3. স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)
  4. স্পেশাল ইন্টারভেনশন ব্যাটালিয়ন (SIB)
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)
ব্যাখ্যা

• র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম 'স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স' (এসআইএফ) রাখা হচ্ছে।

• র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব):
- র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ফোর্স।
- ২০০৪ সালের ২৬ শে মার্চ র‌্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এলিট ফোর্স র‍্যাবের আত্মপ্রকাশ ঘটে। 
- জঙ্গি দমন, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকমু্ক্ত সমাজ গড়তে র‌্যাব সর্বদা সোচ্চার।
- র‌্যাব বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, কোষ্ট গার্ড ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত।

⇒ ২০০৩ সালের ১২ জুলাই বিদ্যমান আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন সংশোধনের মাধ্যমে র‌্যাব গঠন করা হয়।
- সংশোধনী আইনটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (সংশোধনী) আইন ২০০৩ নামে পরিচিত।
- আর্মড পুলিশ বাহিনীর সংশোধনী আইনের (আইন ৩৭, ২০০৩) শৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে র‌্যাব গঠন করা হয়।

⇒ মূলত দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমন এবং আইনশৃঙ্খলার মানোন্নয়নে গঠন করা হয়েছিল র‍্যাব।
- আত্মপ্রকাশের পর র‍্যাবের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআইয়ে র‍্যাবের বেশ কয়েক জন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
iii) প্রথম আলো।

৬৯৩.
নিচের কোন পদটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক পদ নয়।

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

⇒ সাংবিধানিক পদ:
• রাষ্ট্রপতি
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ
• ডিপুটি স্পিকার
• প্রধান বিচারপতি
• সংসদ সদস্য
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

উৎস - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৯৪.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম কখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম ১৯৯৬ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম ১৯৯৬ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

উল্লেখ্য,
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৯৫.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে দুটি বিভাগ কোনগুলো? 
  1. হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ
  2. আপিল ও বিচার বিভাগ
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি
  4. নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে — হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এই আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯৬.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন রাষ্ট্রের কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন? 
  1. বিচার বিভাগ
  2. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 

৬৯৭.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ কার নিকট দায়বদ্ধ থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. জাতীয় সংসদের কাছে
  3. প্রধান বিচারপতির কাছে
  4. কারো নিকট নয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের কাছে
ব্যাখ্যা

মন্ত্রিপরিষদ:
- শাসন বিভাগের কেন্দ্রে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ (Cabinet)।
- প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদের কেন্দ্রবিন্দু।
- তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করে।
- সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- তিনি তাঁর কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- তিনি সংসদের নিকট দায়বদ্ধ। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯৮.
ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হয় -
  1. সচিব
  2. সদস্য
  3. উপ-চেয়ারম্যান
  4. পরিদর্শক
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯৯.
রাষ্ট্রপতি বিদেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগে কার পরামর্শ নিয়ে থাকেন?
  1. ব্যাক্তিগত সচিব
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. স্বাধীন
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
⇒ সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন। তিনি যেকোনো মন্ত্রীকে তার পদ থেকে অপসারণের পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত দিনে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংসদে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒ সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

⇒ পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭০০.
জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা কে ছিলেন?
  1. শাহ আজিজুর রহমান
  2. আসাদুজ্জামান খান
  3. কমরেড মণি সিংহ
  4. আবুল হাশিম
সঠিক উত্তর:
আসাদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা (দ্বিতীয় সংসদে) ছিলেন আসাদুজ্জামান খান।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধীদলীয় নেতা পদটি একজন পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদার সমান।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- বাংলাদেশের প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন না।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ খালেদা খানম।
- তিনি ১৯৯৬ সালে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য।
- জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় নারী হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।