বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৪০১৫০০ / ১,৮৩৫

৪০১.
জাতীয় সংসদের ২নং আসনটি বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের ১নং ও ২নং আসন দুটি পঞ্চগড় জেলায়।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) সংসদীয় আসন সংখ্যা ১ করে।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নম্বর আসনটি বান্দরবানের।
- ২৯৪-২৯৭ নং আসনগুলো কক্সবাজার জেলায়।
- সংরক্ষিত নারী আসন - ৫০ টি।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৪০২.
ঢাকা বিভাগে জেলা কয়টি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৩টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভাগ সংখ্যা আটটি। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩টি জেলা আছে।
জেলা গুলো হলো - ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ি, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরিয়তপুর ও টাঙ্গাইল।
২০১৫ সালে ময়মনসিংহ বিভাগ হওয়ার আগে ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা ছিল - ১৭টি।
উৎসঃ নিকার ওয়েবসাইট।
৪০৩.
জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' প্রদান করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. চিফ হুইপ
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৪০৪.
সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন কার উপর ন্যস্ত?
  1. আইনসভা
  2. হাইকোর্ট
  3. আইনমন্ত্রনালয়
  4. সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

• সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা:
- সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪০৫.
কে জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন?
  1. সেনাপ্রধান
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• রাষ্ট্রীয় কাজের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রী:
- রাষ্ট্রীয় সকল কাজের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী করে থাকেন।
- তিনি যেহেতু প্রশাসনের কেন্দ্রে অবস্থান করেন তাই সকল মন্ত্রণালয়, দন্তর ও অধিদপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধনে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

• জাতির মুখপাত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।
- বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন।

• দলের নেতা:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা।
- সংসদ ও সংসদের বাইরে দলের নীতি নির্ধারণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।
- দলীয় নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভূমিকা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিরোধী দলের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪০৬.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হয়?
  1. প্রত্যক্ষ নির্বাচন
  2. প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুসারে
  3. পরোক্ষ নির্বাচন
  4. আদালতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
নির্বাচনের প্রকারভেদ: 

•  নির্বাচন দুই প্রকার।
যেমন-
প্রত্যক্ষ নির্বাচন
ও পরোক্ষ নির্বাচন।

• প্রত্যক্ষ নির্বাচন:
- যে নির্বাচনে জনগণ সরাসরি ভোট দিয়ে প্রতিনিধি বাছাই করে তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলা হয়।
যেমন-
বাংলাদেশের সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন:
- জনগণ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন।
এই জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে যখন রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচন করেন, তখন তাকে বলা হয় পরোক্ষ নির্বাচন।
যেমন-
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪০৭.
সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে কে?
  1. রাষ্ট্রপ্রধান
  2. পরিকল্পনামন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আমলাগণ 
সঠিক উত্তর:
আমলাগণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলাগণ 
ব্যাখ্যা
• সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়ন:
- সরকার যে সকল নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে থাকে আমলাতন্ত্র।
- আমলারা সরকারের আদেশ-নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে।
- আমলাদের দ্বারা সরকারি নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়নের উপর সরকারের সাফল্য ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৮.
রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে পারেন?
  1. স্পীকার
  2. হুইপ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ: 

• রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
• রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন। রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বা সম্মতি দান করেছেন বলে গণ্য হলে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
• রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৪০৯.
বিচার বিভাগের কাজ নয়- 
  1. সংবিধান প্রণয়ন
  2. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
  3. আইনের ব্যাখ্যা করা 
  4. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

•বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কতজন সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে?
  1. ক) ৩ জন
  2. খ) ৪ জন
  3. গ) ৫ জন
  4. ঘ) ৬ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ নম্বর ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন। ১১৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, 'এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বৎসর কাল হইবে'।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৪১১.
প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে -
  1. বিভাগীয় প্রশাসন
  2. সচিবালয়
  3. জেলা প্রশাসন
  4. উপজেলা প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রিয় প্রশাসন:
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনের অতিগুরুত্বপূর্ণ কাঠামোর নাম সচিবালয়।
- প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ।
- সচিবালয় মন্ত্রীকে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ ও পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রণালয়ের কাজকে এগিয়ে নিয়ে থাকে।
- এছাড়া মন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ, সংসদে তা উত্থাপন ও বক্তব্য প্রস্তুত করতে সহযোগিতা প্রদানসহ নানাবিধ প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- সচিবালয় মন্ত্রণালয় চালনার অন্যতম প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেব কাজ করে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১২.
According to which article of the constitution Bangladesh Election Commission is formed?
  1. 116
  2. 118
  3. 117
  4. 119
সঠিক উত্তর:
118
উত্তর
সঠিক উত্তর:
118
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৪১৩.
বাংলাদেশে প্রথম সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০
  2. ১৯৭২
  3. ১৯৯১
  4. ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় নির্বাহী প্রধান পদের পরিবর্তন হয়েছে।
- মুজিবনগর সরকারের সময় সরকার প্রধান ছিল রাষ্ট্রপতি।
- স্বাধীনতা অর্জনের পরেই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন
- পরবর্তীতে সামরিক শাসকগণ আবার রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু করেন।
- কিন্তু অবশেষে ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়।
- এ ব্যবস্থায় সরকারের কেন্দ্রবিন্দু হলেন প্রধানমন্ত্রী।
উৎস: এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৪.
একনেক (ECNEC) -এর বিকল্প সভাপতি কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৪১৫.
বাংলাদেশের শাসনবিভাগের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা কার নামে গৃহীত হয়?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) সংসদ
  4. ঘ) স্পীকারের
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫৫(৪) অনুচ্ছেদ - “সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।” রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করে থাকেন।
৪১৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
  2. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
  4. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

সরকার ব্যবস্থা 
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান। তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বর্তমানে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা নেই।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি।

৪১৭.
সংসদে যে সকল আইন প্রণয়ন করা হয় সে অনুযায়ী নীতিনির্ধারণ ও সরকারের শাসনকাজ পরিচালিত হয় কোথায় থেকে?
  1. সুপ্রিমকোর্ট
  2. বাংলাদেশ সচিবালয়
  3. আইনসভা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সচিবালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- ভবন ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
- জাতীয় সংসদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করেন এবং অন্যান্য নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়:
- সংসদে যে সকল আইন প্রণয়ন করা হয় সে অনুযায়ী নীতিনির্ধারণ ও সরকারের শাসনকাজ পরিচালিত হয় সচিবালয় থেকে।

সুপ্রিমকোর্ট:
- এটি বাংলাদেশের বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ স্তর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪১৮.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন?
  1. ৩৩ জন
  2. ৩৫ জন
  3. ৩৭ জন
  4. ৩৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ জন
ব্যাখ্যা
» দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে দলটি।
-টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
- মোট মন্ত্রিসভার সদস্য ৩৭ জন।
- প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এবার মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

উৎস: ১১ জানুয়ারি, ২০২৪, কালের কণ্ঠ
৪১৯.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রী পরিষদ
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  4. পার্লামেন্ট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২০.
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক কতজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৫ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের ১ নং দফানুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীতে এটি সংযোজিত হয়। এর পূর্বে নির্বাচন কমিশনারের সংখ্যা নির্দিষ্ট ছিলো না। (সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৪২১.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

৪২২.
বিরোধী দলীয় নেতার অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় কোন জাতীয় সংসদে?
  1. ক) প্রথম জাতীয় সংসদে
  2. খ) ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে
  3. গ) সপ্তম জাতীয় সংসদে
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন না।
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা (দ্বিতীয় সংসদে) ছিলেন আসাদুজ্জামান খান।
- সংসদীয় ব্যবস্থায়  বিরোধীদলীয় নেতা পদটি একজন পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদার সমান।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
৪২৩.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. এম. মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. আতাউর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী  সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৪২৪.
Who is the Minister in charge of Ministry of Science and Technology?
  1. Matior Rahman
  2. Yeafesh Osman
  3. Anisul Huq
  4. Zunaid Ahmed Palak
সঠিক উত্তর:
Yeafesh Osman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yeafesh Osman
ব্যাখ্যা
মাননীয় মন্ত্রিগণ:
- প্রধানমন্ত্রী: শেখ হাসিনা,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়: জনাব ওবায়দুল কাদের,
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী: জনাব আ, ক, ম, মোজাম্মেল হক
- অর্থ মন্ত্রণালয়: জনাব আবুল হাসান মাহমুদ আলী,
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব আনিসুল হক,
- শিল্প মন্ত্রণালয়: জনাব নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, 
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব আসাদুজ্জামান খান,
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, 
- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: জনাব মুহাম্মদ ফারুক খান, 
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব মোহাম্মদ হাছান মাহ্‌মুদ,
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডা: দীপু মনি, 
- খাদ্য মন্ত্রণালয়: জনাব সাধন চন্দ্র মজুমদার, 
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: জনাব আব্দুস সালাম, 
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ ফরিদুল হক খান, 
- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: জনাব র,আ,ম, উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী,
- ভূমি মন্ত্রণালয়: জনাব নারায়ন চন্দ্র চন্দ,
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: জনাব জাহাঙ্গীর কবির নানক, 
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুর রহমান,
- কৃষি মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুস শহীদ,
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: স্থপতি ইয়াফেস ওসমান,
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডাঃ সামন্ত লাল সেন,
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: জনাব ফরহাদ হোসেন,
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: জনাব নাজমুল হাসান,
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়: জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী।
 
উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৪২৫.
সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৪২৬.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. জেলা প্রশাসন
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. জেলা পরিষদ
  4. উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
• জেলা প্রশাসন: 
- জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন।
- তাঁকে কেন্দ্র করে জেলার সকল সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।
-------------------------------------------------------------
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

•বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা
- ,সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪২৭.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কতবার নির্বাচন হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্ব প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৩ বার।
- যথা: ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২৮.
ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন -
  1. চেয়ারম্যান
  2. সদস্য
  3. সংরক্ষিত মহিলা সদস্য
  4. উপরের সকলে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠনঃ
- চেয়ারম্যান - ১ জন,
- নির্বাচিত সদস্য - ৯ জন এবং
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য - ৩ জন
- অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪২৯.
সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ৩২ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩৩ বছর
  4. ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং
- সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
- তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর

সূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৩০.
মন্ত্রনালয়ের উপ-বিভাগের প্রধান কে?
  1. সচিব
  2. অতিরিক্ত সচিব
  3. উপসচিব
  4. সহকারী সচিব
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

৪৩১.
সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে যে জেলায় -
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- ৩০০টি আসন থেকে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচিত হয়। অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

অন্যদিকে -
- চট্টগ্রাম জেলায় সংসদীয় আসন ১৬টি।
- কুমিল্লা জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।
- ময়মনসিংহ জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৩২.
২০২৬ সালের গণভোটে ব্যবহৃত ব্যালটের রঙ কী হবে? 
  1. সাদা
  2. গোলাপি
  3. হলুদ
  4. নীল 
সঠিক উত্তর:
গোলাপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপি
ব্যাখ্যা

• গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
 - জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বিবিসি।  

৪৩৩.
জাতীয় সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. স্পীকার
  2. ডেপুটি স্পীকার
  3. চিফ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৩৪.
বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় কতজন নারী সদস্য রয়েছে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভা:
- বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় ৩ জন নারী সদস্য রয়েছে।

• বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জনের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছে।
- তাদের মধ্যে মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
- ফরিদপুর-২ আসনের এমপি শামা ওবায়েদ পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। 
- নাটোর–১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনের এমপি ফারজানা শারমিন পুতুলকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

উৎস: প্রথম আলো। 

৪৩৫.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় -
  1. ক) ২০০০ সনের ২৩ অক্টোবর
  2. খ) ২০০১ সনের ২৪ অক্টোবর
  3. গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
  4. ঘ) ২০০১ সনের ২৫ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচিতি
২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়;
• সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়;
• মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়;
• পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪৩৬.
জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ক) ৩ বছর
  2. খ) ৪ বছর
  3. গ) ৫ বছর
  4. ঘ) ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়। বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে। রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪৩৭.
কার পরামর্শে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভেঙ্গে দেন?
  1. ক) চিফ হুইপ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ঘোষণা করা, ভেঙ্গে দেওয়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ প্রদান করবেন
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সাথে মন্ত্রিসভার সংযোগ রক্ষা করবেন।
- মন্ত্রিসভার বক্তব্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত করা এবং প্রয়োজনবোধে সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করার দায়িত্ব তাঁর ওপরই অর্পিত।
- বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর রাষ্ট্রপ্রধান। 
- রাষ্ট্রপতির দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ডাদেশ স্থগিত, হ্রাস বা দণ্ডিতকে ক্ষমা করার অধিকার রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪৩৮.
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা-
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. স্পিকারের
  4. জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
• আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে — জাতীয় সংসদের।

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে:
"জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে।

• তবে শর্ত থাকে যে,
সংসদের আইন দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৩৯.
দলীয় প্রতীকে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৪
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৮
  4. ঘ) ২০১৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
• ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং ২০২১ সালে দশম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । 
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন চালু হয় ১৯৯৭ সাল থেকে । 
• দলীয় প্রতীক নিয়ে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬
• একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত ।

তথ্যসূত্র:- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া ।
৪৪০.
সর্বপ্রথম ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৯০
  2. খ) ১৮৮৫
  3. গ) ১৮৯৯
  4. ঘ) ১৯০৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৮৫
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ। 
- ১৮৮৫ সালে বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গভর্ণমেন্ট এ্যাক্টের মাধ্যমেই সর্বপ্রথম ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়
-  উক্ত আইন বলে ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত স্থানীয় সরকারকে তখন ইউনিয়ন কমিটি বলা হত। 
- তবে এরও পূর্বে ১৮৭০ সালে প্রণীত ‘গ্রাম চৌকিদারী আইন' আইনের মাধ্যমেই মূলতঃ ইউনিয়ন পরিষদের ভিত্তি রচিত হয়। 
- ১৯১৯ সালে প্রণীত ‘বঙ্গীয় পল্লী স্বায়ত্বশাসন' আইনের মাধ্যমে চৌকিদারী পঞ্চায়েত ও ‘ইউনিয়ন কমিটি'র কাজ একত্রিত করে ইউনিয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
- পরবর্তীতে পাকিস্তান সৃষ্টির পর ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র আদেশের মাধ্যমে পূর্ববর্তী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সংশোধন করা হয় এবং চার স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয় যার সর্বনিম্নস্তর ছিল ইউনিয়ন কাউন্সিল। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালে এক সরকারি আদেশ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিল বিলুপ্ত করে ‘ইউনিয়ন পঞ্চায়েত' গঠনের বিধান করা হয়। 
- এর পরের বছরই ইউনিয়ন পঞ্চায়েতগুলোকে আবার ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়। 
- ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে অন্যান্য স্থানীয় সরকারসমূহের সাথে ইউনিয়ন পরিষদের সংগঠন ও কার্যাবলির ক্ষেত্রেও কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়। 
- পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের গঠন প্রণালী নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়। 
- ১৯৯৩ সালে তৎকালীন সরকার জাতীয় সংসদে ২০৯ নং আইন হিসেবে ১৯৮৩ সালে অধ্যাদেশ সংশোধন করে একটি আইন প্রণয়ন করে এবং এর ফলে ইউনিয়ন পরিষদের গঠন ও কার্যক্রম ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পরিবর্তন আসার পর ১৯৯৭ সালে জাতীয়  সংসদ আরও একটি আইন প্ৰণয়ন করা হয় যার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়।
 
উৎস: সমাজকল্যাণ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৪১.
রাষ্ট্র একটি -
  1. ক) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  2. খ) সামাজিক প্রতিষ্ঠান
  3. গ) অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  4. ঘ) জাতীয় প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ক) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।

- পৃথিবীর সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল বলেছেন, 'কতিপয় গ্রাম ও পরিবারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংগঠনই রাষ্ট্র'।
- অধ্যাপক গার্নারের সংঙ্গায় রাষ্ট্রের প্রকৃত রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর | নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত, স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।

রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয় উপাদান গুলি হল নিম্নরূপ:-
১) জনসমষ্টি; রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো জনসমষ্টি। কারণ জনসমষ্টি ছাড়া রাষ্ট্রের কোন অস্তিত্ব থাকে না। তবে জনসমষ্টি কত হতে হবে তা নির্দিষ্ট করে কোথাও বলা হয়নি। চীন ও ভারতের মতো বহু জনসমষ্টি ব্রিটিশ রাষ্ট্রের অস্তিত্ব যেমন লক্ষ্য করা যায় তেমনি ভাটিকান সিটির মতো অল্প সংখ্যা বিশিষ্ট রাষ্ট্রেরও উল্লেখ পাওয়া যায়।

২) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড : রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হলো নির্দিষ্ট ভূখন্ড। ভৌগলিক সীমারেখা দ্বারা আবদ্ধ একটি অঞ্চল কে নির্দিষ্ট ভূখন্ড বলা হয়। | নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছাড়া একটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য ইহুদিদের যতদিন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছিলনা, ততদিন পর্যন্ত তারা নিজেদের রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারেনি। ভূখন্ড বলতে জল, স্থল ও আকাশ তিনটি সীমাকেই একত্রে বোঝায়।

৩) সরকার: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান  হলো সরকার। সরকার হল রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক। কারণ সরকার ছাড়া কোনো রাষ্ট্র তার নির্দিষ্ট | লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনা। আবার মানব শরীরকে যেমন মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে তেমনি রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। সরকার বলতে বোঝায় শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে। সরকারের বিভিন্ন রূপ হতে পারে। যথা-
ক) গণতান্ত্রিক সরকার,
খ) প্রজাতান্ত্রিক সরকার,
গ)সমাজতান্ত্রিক সরকার।

৪) সার্বভৌমিকতা: সরকারকে যদি রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে উল্লেখ করা হয় তাহলে সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের প্রাণ। সার্বভৌমিকতা বলতে রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা কে বোঝায়। এই সার্বভৌমিকতার নির্দেশে-ই হলো আইন। যাকে আমরা অমান্য | করতে পারবোনা। সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম অসীম অবিভাজ্য ও অহস্তান্তরযোগ্য ক্ষমতা।

সূত্র- রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪২.
বর্তমানে একনেকের বিকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করবেন কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী
  2. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 
  3. খলিলুর রহমান
  4. মো. সাখাওয়াত হোসেন
সঠিক উত্তর:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 
ব্যাখ্যা

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পুনর্গঠন:
• একনেকের চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
• বিকল্প চেয়ারম্যান: স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
• সদস্যরা:
- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী : আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী : সালাহউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র মন্ত্রী : খলিলুর রহমান।
- বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
- আইন মন্ত্রী : আসাদুজ্জামান।
- স্বাস্থ্যমন্ত্রী : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
- সড়ক পরিবহন, সেতু, রেল, নৌপথ মন্ত্রী : শেখ রবিউল ।
- সংশ্লিষ্ট এজেন্ডাভুক্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরাও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৪৪৩.
সংবিধানের রক্ষক ও অভিভাবক বলা হয় কাকে?
  1. আইন বিভাগকে
  2. বিচার বিভাগকে
  3. রাষ্ট্রপ্রধানকে
  4. শাসন বিভাগকে 
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগকে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা:
 → বিচার বিভাগের অন্যতম কাজ হল সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়া।
 → এজন্য সংবিধানের রক্ষক ও অভিভাবক বলা হয় বিচার বিভাগকে।
 → সংবিধান রক্ষার মাধ্যমে জনগণের অধিকার নিশ্চিত হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮ নভেম্বর, ২০০৩
  2. ২১ নভেম্বর, ২০০৩
  3. ২৩ নভেম্বর, ২০০৩
  4. ২১ নভেম্বর, ২০০৪
  5. ২৩ নভেম্বর, ২০০৪
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ২০০৪
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- ২১ নভেম্বর, ২০০৪ তারিখে বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- রুপকল্প: সমাজের সর্বস্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা। 
-  লক্ষ্য: অব্যাহতভাবে দুর্নীতির দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ সাধন করা।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৪৪৫.
উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান কতজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ১ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
• উপজেলা পরিষদ:
- উপজেলা পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় মোট ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে।

• ইতিহাস ও আইনগত ভিত্তি:
- উপজেলা ব্যবস্থা প্রথম চালু হয়: ১৯৮২ সালে
- স্থায়িত্ব না পাওয়ায় পরবর্তীতে এটি বিলুপ্ত হয়।
- পুনরায় প্রবর্তনের জন্য: উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯ পাশ হয় (তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০০৯)

• উপজেলা পরিষদের গঠন:
- আইন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নিম্নোক্ত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়:
- চেয়ারম্যান – সরাসরি নির্বাচিত
- ২ জন ভাইস চেয়ারম্যান – একজন পুরুষ ও একজন নারী, সরাসরি নির্বাচিত।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকল চেয়ারম্যান
- পৌরসভার মেয়র (যদি উপজেলা এলাকায় পৌরসভা থাকে)
- সংরক্ষিত নারী সদস্যগণ – ইউনিয়ন ও পৌরসভার নারী প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে নির্বাচিত

- নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন:
- ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- সংশ্লিষ্ট নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ নিজেদের মধ্য থেকে এসব আসনে নির্বাচন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৪৬.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় হুইপের সংখ্যা কত জন?
  1. ৩জন
  2. ৪জন
  3. ৫জন
  4. ৬জন
সঠিক উত্তর:
৫জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫জন
ব্যাখ্যা
₻ সরকার দলীয় হুইপ 
- ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ পাঁচজন সংসদ সদস্যকে জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে মাদারীপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরীকে নিযুক্ত করেছেন। 
- আলাদা প্রজ্ঞাপনে পাঁচজনকে হুইপ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- নড়াইল–২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি ছাড়া অন্য হুইপরা হলেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম, জয়পুরহাট-২ আসনের আবু সাঈদ আল মাহমুদ (স্বপন), নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মো. নজরুল ইসলাম (বাবু) ও কক্সবাজার-৩ আসনের সাইমুম সরওয়ার (কমল)। 

সূত্র: প্রথম আলো,  প্রতিবেদন ,২৩ জানুয়ারি ২০২৪।  
৪৪৭.
‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি নয় কোনটি?
  1. স্মার্ট প্রযুক্তি
  2. স্মার্ট সরকার
  3. স্মার্ট অর্থনীতি
  4. স্মার্ট নাগরিক
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ এ রূপান্তরের রূপকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
- প্রতি বছর ১২ ডিসেম্বর পালন করা হয় ‘স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস’।
- মূলত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার ভিত্তি চারটি। এগুলো হচ্ছে—
১। স্মার্ট নাগরিক
২। স্মার্ট অর্থনীতি
৩। স্মার্ট সরকার ও
৪। স্মার্ট সমাজ।
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি নয় - স্মার্ট প্রযুক্তি।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।
৪৪৮.
According to the constitution of Bangladesh what is the minimum age to become the president?
  1. ক) 25
  2. খ) 30
  3. গ) 35
  4. ঘ) 40
সঠিক উত্তর:
গ) 35
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 35
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-৪৮: রাষ্ট্রপতি
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।

(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 

(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৪৯.
শাসন বিভাগকে পরামর্শ প্রদান করা কোন বিভাগের কাজ?
  1. ক) বিচার বিভাগ
  2. খ) নির্বাহী বিভাগ
  3. গ) আইন বিভাগ
  4. ঘ) সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
ক) বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগের কাজঃ
১. ন্যায়বিচার করা
২. আইন তৈরি
৩. মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ
৪. আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগ
৫. সংবিধান রক্ষা করা
৬. শাসন বিভাগকে পরামর্শ প্রদান
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

৪৫০.
”আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভ” নাগরিকের কী ধরনের অধিকার?
  1. নৈতিক অধিকার
  2. অর্থনৈতিক অধিকার
  3. রাজনৈতিক অধিকার
  4. সামাজিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
ব্যাখ্যা

• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
যেমন-
- জীবন রক্ষার,
- স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের,
- পরিবার গঠনের,
- শিক্ষার,
- আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের,
- সম্পত্তি লাভের;
- ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

• রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার,
- নির্বাচিত হওয়া।
- রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ।

• অর্থনৈতিক অধিকার:
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
যেমন-
- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার,
- ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার,
- অবকাশ লাভের অধিকার,
- শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪৫১.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক দলের ভূমিকার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকার গঠন
  2. রাজনৈতিক শিক্ষাদান
  3. সামাজিক শিষ্টাচার শিক্ষাদান
  4. সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক শিষ্টাচার শিক্ষাদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক শিষ্টাচার শিক্ষাদান
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের ভূমিকার অন্তর্ভুক্ত নয়- সামাজিক শিষ্টাচার শিক্ষাদান।

• রাজনৈতিক দলের ভূমিকা :
- সরকার গঠন
- নেতৃত্ব তৈরি,
- জনমত গঠন,
- রাজনৈতিক শিক্ষাদান,
- গঠনমূলক বিরোধিতা,
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪৫২.
বাংলাদেশে বর্তমানে কত স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে? [সেপ্টম্বর,২০২৫]
  1. চার স্তরবিশিষ্ট
  2. তিন স্তরবিশিষ্ট
  3. দুই স্তরবিশিষ্ট
  4. পাঁচ স্তরবিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
তিন স্তরবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তরবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

স্থানীয় সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ করা যায়। 

- যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ।
- এছাড়া শহরগুলোতে পৌরসভা, বড় শহরে সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি) স্থানীয় জেলা পরিষদ রয়েছে।
- উল্লিখিত তিন স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকেই নিচের দিকে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট বলে মনে করা হয়ে থাকে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হচ্ছে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- শহর এলাকায় রয়েছে পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৮০ পৃষ্ঠা।

৪৫৩.
বাংলাদেশ রাইফেলস এর বর্তমান নাম কি?
  1. ক) বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড
  2. খ) বাংলাদেশ গার্ড
  3. গ) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
  4. ঘ) গার্ড অফ বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) এর বর্তমান নাম বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিডিআর বিদ্রোহের পর ২০১১ সালের ২৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ রাইফেলস এর নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ নামকরণ করা হয়। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে বিডিআর ১৯৭২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছে। উৎস: বিজিবি ওয়েবসাইট
৪৫৪.
জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
  1. রংপুর-১
  2. পঞ্চগড়-১
  3. দিনাজপুর-১
  4. ঠাকুরগাঁও-১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৫৫.
বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের নাম কী? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. বঙ্গভবন
  2. গণভবন
  3. উত্তরাভবন
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা
ব্যাখ্যা
প্রধান উপদেষ্টা:
- বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবনের নাম যমুনা।
- রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- এটি ঢাকার রমনা থানার মিন্টো রোডে অবস্থিত।
- পূর্বে এটি বাংলাদেশে সফরে আসা বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য সরকারি অতিথি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ মানুষ ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনে।
- এর ফলে এই দুই জায়গায় আপাতত অফিস করা বা বসবাস করার মতো পরিবেশ নেই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla।
৪৫৬.
মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কার সুপারিশ গ্রহণ করেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনমন্ত্রী
  4. কারোর নয়
সঠিক উত্তর:
কারোর নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারোর নয়
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা : 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।

• রাষ্ট্রপতির কার্যাবলি -
-  সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রবানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
-  রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি কারো সুপারিশ গ্রহণ করেন না।
-  রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেন। 

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ৪৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া ৯৫ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়োগদান করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি এবং সংবিধান।
৪৫৭.
বর্তমানে দেশে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৯৪টি
  2. ৪৯৩টি
  3. ৪৯৬টি
  4. ৪৯৫টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
উপজেলা:
 - বাংলাদেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- গত ২৬ জুলাই ২০২১ অনুষ্ঠিত নিকারের ১১৭তম সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এগুলো হলো:
- ৪৯৫তম : ডাসার, (মাদারীপুর)
- ৪৯৪তম : মধ্যনগর, (সুনামগঞ্জ)
- ৪৯৩তম : ঈদগাঁও (কক্সবাজার)।
- গত ১০ আগস্ট ২০২১ নতুন উপজেলাগুলোর গেজেট প্রকাশ করা হয়।

এছাড়াও,
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- বিভাগ রয়েছে ৮টি।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪৫৮.
দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. সচিব
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাপ্রধান
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা:
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান।
- তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে আসছে।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রর পদমর্যাদা অনেক উপরে।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ। তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তাঁর শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪৫৯.
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?
  1. প্লেটো
  2. এরিস্টটল
  3. নিকোলো মেকিয়াভেলি
  4. জন স্টুয়ার্ট মিল
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা

 রাষ্ট্রবিজ্ঞান:
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান মূলত রাষ্ট্রের ভিত্তি ও সরকারের মূলনীতি নিয়ে আলোচনা করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি গতিশীল সমাজ বিজ্ঞান।
- রাষ্ট্রের কার্যক্রম, রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রীয় সংগঠনের সুসংবদ্ধ অধ্যয়নকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকারের মূলনীতি ও রাষ্ট্রের মূলভিত্তি নিয়ে আলোচনা করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আধুনিক ধারণাগুলো রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞানে উন্নীত করেছে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্টীয় সংগঠন, শাসনব্যবস্থা, রাষ্ট্রের উদ্ভব ও বিকাশ, আন্ত:রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
- প্লেটোর ন্যায় এরিস্টটল নীতিশাস্ত্র ও রাষ্ট্রনীতির মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন।
- এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 
- এরিস্টটল বিশ্বাস করতেন, একমাত্র রাষ্ট্রের মাধ্যমেই মানুষ সর্বোৎকৃষ্ট নৈতিক জীবন যাপন করতে সক্ষম।
- 'দি পলিটিক্স' গ্রন্থে তাঁর রাষ্ট্রচিন্তার মূল বক্তব্য প্রকাশ পেয়েছে।

অন্যদিকে,
- আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হিসেবে ইতালীয় দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে বিবেচনা করা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ক) ১২৭
  2. খ) ১৩৭
  3. গ) ১৩৮
  4. ঘ) ১১৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। অনুচ্ছেদ-১৩৭ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' পদের নিয়োগ দেয়া হয় এবং ১১৮নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৬১.
সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে ’রাষ্ট্রপতির অভিশংসন’ সংক্রান্ত বিষয়বলি উল্লেখিত?
  1. ৫১নং
  2. ৫২নং
  3. ৫০নং
  4. ৫৩নং
সঠিক উত্তর:
৫২নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২নং
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ: 

- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
• রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন। রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বা সম্মতি দান করেছেন বলে গণ্য হলে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
• রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।
- সংবিধানের ৫২নং অনুচ্ছেদে ’রাষ্ট্রপতির অভিশংসন’ সংক্রান্ত বিষয়বলি উল্লেখিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

৪৬২.
দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) হিসেবে নিয়োগ পান -
  1. জাকারিয়া ফয়সাল
  2. এ এন এম হামিদুল্লাহ্‌
  3. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  4. বদিউল আলম মজুমদার
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপিত হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

• নতুন কমিশনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকছেন:
- সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তহমিদা আহমদ
- অবসরারপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: বিডিনিউজ২৪ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।

৪৬৩.
বাংলাদেশে সার্বভৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা হিসেবে কোনটি বিবেচিত?
  1. ক) রাষ্ট্রপতির দপ্তর
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর
  3. গ) সুপ্রিম কোর্ট
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। বাংলাদেশ সংবিধানে এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়। সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে,


“ 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন-প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের ওপর ন্যস্ত হবে।”


জাতীয় সংসদই সার্বভৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে থাকে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের আলোকেই একটি দেশের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়। কিন্তু ইহার ক্ষমতা শুধু আইন প্রণয়নের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৬৪.
কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪৬৫.
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। বর্তমানে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নাম পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন হয়েছে। সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪৬৬.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা প্রায় -
  1. ১২ কোটি ৯০ লাখ
  2. ১২ কোটি ৭৭ লাখ
  3. ১২ কোটি ৮০ লাখ
  4. ১২ কোটি ৫০ লাখ
সঠিক উত্তর:
১২ কোটি ৭৭ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ কোটি ৭৭ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যার তথ্য প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ভোটার।

- মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন।
- নারী ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ জন।
- এছাড়া, হিজড়া ভোটার রয়েছে ১ হাজার ১২০ জন।

- ৩০০ আসনে মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে; ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন।
- আর সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।

উৎস: বাসস ও নির্বাচন কমিশন।

৪৬৭.
অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে কোন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি?
  1. সুপ্রিম কোর্ট বার
  2. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
  3. আইন কমিশন
  4. বিচার বিভাগীয় পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়।
- পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন।
- তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

৪৬৮.
স্থানীয় সরকার এমেন্ডমেন্ট বিল অনুসারে কোন সিটি কর্পোরেশন বিলুপ্ত করা হয়?
  1. ঢাকা সিটি কর্পোরেশন
  2. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  3. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  4. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার পূর্ববর্তী ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। এ আইন অনুযায়ী ৪ ডিসেম্বর ২০১১ থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুইটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যাত্রা শুরু করে।

ঢাকা সিটির ইতিহাস 
৪০০ বছর আগের ‘বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলির’ আটপৌরে ঢাকা এখন মেগাসিটি। পরিণত হয়েছে বিশ্বের সপ্তম জনবহুল মহানগরীতে। ১৬১০ সালে মোঘল সুবেদার ইসলাম খাঁর হাত ধরে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকার যাত্রা শুরুর পর সুদীর্ঘ পথপরিক্রমায় ঢাকাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সোনারগাঁও, বিক্রমপুরসহ বাংলা অঞ্চলের অনেক নগরীরই পতন হয়েছে, কিন্তু সগৌরবে টিকে আছে ঢাকা। 
- ১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভা (মিউনিসিপ্যালিটি) প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৮৮৫ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রায় বাহাদুর আনন্দ চন্দ্র রায়। 
- ১৯৭৭ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত। 
- ১৯৯০ সালে  ঢাকা সিটি করপোরেশনে প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত সিটি কর্পোরেশণের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৯৪ সালে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন  মোহাম্মদ হানিফ । 

তথ্যসূত্র - ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ।
৪৬৯.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিল-
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
(তার অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিলো - প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী)
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়ত
৪৭০.
বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. বিচারপতি জাহেদ রহমান চৌধুরী
  3. বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

২৬তম প্রধান বিচারপতি:
- দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের উত্তরসূরি হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি হয়।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধান বিচারপতির শপথ বাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ১১ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। 
- সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় গত ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ তিনি  অবসরে যান।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৪৭১.
ছায়ামন্ত্রীসভা (Shadow Cabinet) কারা গঠন করে?
  1. ক) সরকারী দল
  2. খ) বিরোধী দল
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) জনগণ
সঠিক উত্তর:
খ) বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
ছায়া মন্ত্রিসভা ওয়েস্টমিন্সটার সরকার পদ্ধতির (যুক্তরাজ্য) একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এখানে সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতার নেতৃত্বে বিরোধী দল থেকে একদল জ্যৈষ্ঠ সদস্য একটা মন্ত্রিসভা গঠন করেন যেটা সরকারের মন্ত্রিসভার বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এখানে, প্রতিটি সরকারী মন্ত্রীদের বিপরীতে একজন ছায়া মন্ত্রিসভার সদস্য থাকেন যিনি সরকারী মন্ত্রীর কাজকে বিশ্লেষণ করেন এবং প্রয়োজনে বিকল্প পথ তুলে ধরেন। অধিকাংশ দেশে ছায়া মন্ত্রিসভার সদস্যকে ছায়া মন্ত্রী বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এখনো এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠে নি।
৪৭২.
সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
যে যাকে  শপথ বাক্য পাঠ করান
১। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক : প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি।
২। স্পিকার কর্তৃক : রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্য।
৩। প্রধান বিচারপতি কর্তৃক : সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
৪। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক : সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
৫। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী কর্তৃক : সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যগণ ।
৬। বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক : পৌর মেয়র এবং কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান।
৭। জেলা প্রশাসক কর্তৃক : ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ।
৮। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্তৃক : ইউনিয়নের নির্বাচিত সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যগণ।  

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও স্থানীয় সরকারের ওয়েবসাইট।
৪৭৩.
জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) সংসদ উপনেতা
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
খ) স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের সভাপতি হলেন স্পিকার। তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। সংসদ অধিবেশনে তিনি সভাপতিত্ব করেন।
তবে সংসদ নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেনী)
৪৭৪.
কোনটি স্থানীয় সরকার নয়?
  1. পৌরসভা
  2. পল্লী বিদ্যুৎ
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
পল্লী বিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পল্লী বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
• 'পল্লী বিদ্যুৎ' - স্থানীয় সরকার নয়। 

• সরকার ব্যবস্থা:

- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

• পল্লী স্থানীয় সরকার:
- জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- ইউনিয়ন পরিষদ।
- জেলা পরিষদ এ তিনস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর।

• শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার:
- সিটি কর্পোরেশন।
- পৌরসভা। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৫.
'বাংলাদেশে গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় কবে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

• গ্রাম আদালত আইন:
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার সহজলভ্য করা এবং আদালতের চাপ কমানো।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে গ্রাম আদালত গঠিত হয়, যা ইউনিয়নের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় কার্যকর।
- আদালত গঠিত হয় চেয়ারম্যান (সভাপতি), প্রতিপক্ষের মনোনীত ২ জন সদস্য, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত সদস্য দিয়ে।
- বিচারযোগ্য মামলায় দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা।
- আদালতের রায় সংখ্যাগরিষ্ঠতায় (৩ বা ২ ভোটে) গৃহীত হয় এবং আপিলের সুযোগ রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট বা সহকারী জজ আদালতে।
- আইনটি গ্রামীণ ন্যায়বিচারকে শক্তিশালী করে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র: গ্রাম আদালত আইন।

৪৭৬.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল কোনটি?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জজ কোর্ট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৭.
সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদ ’সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা’ সম্পর্কিত?
  1. ৯৭
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯৪
সঠিক উত্তর:
৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদ ’সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা’ সম্পর্কিত

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৯৫- ’বিচারক-নিয়োগ’ সম্পর্কিত
অনুচ্ছেদ ৯৬- ’বিচারকদের পদের মেয়াদ’ সম্পর্কিত
অনুচ্ছেদ ৯৭- ’অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি’ নিয়োগ সম্পর্কিত

• সুপ্রিম কোর্ট :
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়। রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি এবং সংবিধান।

৪৭৮.
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয় সর্বোচ্চ কয়জনকে নিয়ে?
  1. ৪ জন 
  2. ৫ জন 
  3. ১০ জন
  4. সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়।
সঠিক উত্তর:
৫ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমন: ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৪৭৯.
বাংলাদেশের প্রথম সরকারের নাম কী?
  1. ক) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
  2. খ) মহাজোট সরকার
  3. গ) মুজিবনগর সরকার
  4. ঘ) চারদলী সরকার
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর সরকার
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪৮০.
ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি কী?
  1. ক) Executive Committee of the National Economic Council
  2. খ) Executive Council of National Economic Committee
  3. গ) Economic Council of National Executive Committee
  4. ঘ) Executive Committee the Nation Economic Council
সঠিক উত্তর:
ক) Executive Committee of the National Economic Council
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Executive Committee of the National Economic Council
ব্যাখ্যা
ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.

• ECNEC:
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৪৮১.
জাতীয় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. চীফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা: স্পীকার।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন: স্পীকার।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৮২.
একজন বাংলাদেশি নাগরিক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হতে চাইলে কত বছর বিচার বিভাগীয় পদে চাকরি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এই আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।

উল্লেখ্য, 
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

এছাড়াও, 
- কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে কাজ করেন অথবা বিচার বিভাগীয় কোনো পদে ১০ বছর চাকরি করেন, তবে তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৩.
পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধানের চেয়ার অলংকিত করেন না?
  1. ক) রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি
  2. খ) সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর
  3. গ) সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক
  4. ঘ) এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান
সঠিক উত্তর:
ক) রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেগুলো নিম্নরুপ:-
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক,
- সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর 
- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ,
- স্কাউট
- এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান।

পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
- ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
- জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
- রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
৪৮৪.
অধ্যাদেশ জারি করতে পারে কোন বিভাগ?
  1. বিচার বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

• সুতরাং অধ্যাদেশ জারি করতে পারে শাসন বিভাগ। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৫.
বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন-
  1. ক) আতাউর রহমান
  2. খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. গ) শাহ আব্দুল হামিদ
  4. ঘ) আবদুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
গ) শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পীকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী।

উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪৮৬.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কোনটি?  
  1. NICAR
  2. NIRPOT 
  3. ECNEC 
  4. NBR 
সঠিক উত্তর:
NICAR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NICAR
ব্যাখ্যা

• NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো নিকার।
- ১৯৮২ সালের প্রশাসনিক পুনর্গঠন/সংস্কার কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গঠিত একটি স্থায়ী কমিটি।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়।

অন্যদিকে, 
- NIRPOT হলো জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষন ইনস্টিটিউট। 
- ECNEC হলো  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি
- NBR হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। 

 তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৪৮৭.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি।
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা।
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
iii) বাংলাপিডিয়া। 

৪৮৮.
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব কোনটি?
  1. উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে দ্বৈত প্রশাসনিক কর্তৃত্ব
  2. সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতিকেন্দ্রীভূত
  3. পৌরসভা পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অভাব
  4. দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতিকেন্দ্রীভূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতিকেন্দ্রীভূত
ব্যাখ্যা

♦ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য ২ স্তর বিশিষ্ট।
- পল্লীর জন্য ৩ স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

→ বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতিকেন্দ্রীভূত।

♦ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার দুর্বলতা:
- সংবিধানের ৫৯নং ও ৬০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্থানীয় সরকারকে কর আরোপ, তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- কিন্তু বাস্তবে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর (ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা) নিজস্ব রাজস্বের পরিমাণ খুব সীমিত।
- বেশিরভাগ উন্নয়ন বাজেট কেন্দ্র থেকে আসে এবং মন্ত্রণালয়, আমলাতন্ত্র ও এমপিদের নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- এতে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, ফলে দায়বদ্ধতা ও কার্যকারিতা কমে যায়।
- এই অতিকেন্দ্রীকরণ সরাসরি সাংবিধানিক লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক।
- দুর্নীতি, দ্বৈত কর্তৃত্ব, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এর থেকেই উদ্ভূত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮৯.
বাংলাদেশে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব কোন সংস্থার ওপর নির্ধারিত?
  1. আইনসভা
  2. হাইকোর্ট
  3. আইন মন্ত্রণালয় 
  4. সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি। 

৪৯০.
বাংলাদেশের মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের নিয়োগ দান করেন -
  1. ক) জাতীয় সংসদ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

১২৭ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠিত সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১২৭(১) অনুযায়ী বাংলাদেশে একজন মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক( অত:পর ''মহা হিসাব নিরীক্ষক'' নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন

১২৮ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্বের বর্ণনা করা হয়েছে।
১২৯ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ পাঁচ বছর বা তাহার ৬৫বছর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে ঝগড়া ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকিবেন।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

৪৯১.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কত? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ৫০টি
  2. ৬০টি
  3. ৪৫টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
সংরক্ষিত সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০টি।

উল্লেখ্য,
- সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নির্বাচিত হন জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে বিজয়ী হয়ে সাংসদ হিসেবে শপথ গ্রহণ করা প্রতিনিধিদের ভোটের মাধ্যমে।
- অর্থাৎ পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যগণ নির্বাচিত হন।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৯২.
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কী?
  1. গ্রামীণ পর্যায়ের জন্য আইন প্রণয়ন করা
  2. গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
  3.  কর আদায় প্রক্রিয়াকে সুসংহত করা
  4. দুর্নীতি কমিয়ে আনা
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা:
- গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক।
- বর্তমান রাষ্ট্রগুলোর আয়তন ও জনসংখ্যা উভয়ই বেশি।
- অন্যদিকে রাষ্ট্রগুলো কল্যাণমূলক ভাবধারার দিকে ধাবিত হচ্ছে।যার ফলে সরকার জনগণের দোর গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 
- গ্রামীণ এই উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে সম্পন্ন করা কঠিন।আর তাই বাংলাদেশের সমগ্র প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্যে গঠন করা হয়েছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।যার দ্বারা তৃণমূল পর্যায়ের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- অর্থাৎ শাসন ও সেবা প্রদান দু কারণেই সরকারকে তৃণমূলে হচ্ছে।
নিম্নরূপ কারণে স্থানীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম-
(ক) গ্রামীণ এলাকার প্রতি সরকারের দৃষ্টিদান: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গঠনের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রামীন জনগণের অবস্থা উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিদান। যেমন- স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপন, কৃষির উন্নয়নে সেচ ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদি।

(খ) দ্রুত ও সহজ বিচার ব্যবস্থা: বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের দারপ্রান্তে পৌঁছে দেবার জন্যে উপজেলা পর্যায়ে ফৌজদারী কোর্ট স্থাপন করা, ছোট খাট অপরাধের বিচারের জন্যে সালিশীর ব্যবস্থা করা যাতে গ্রামীণ জনগণ সহজেই আইনের আশ্রয় গ্রহণ করতে পারে। বর্তমানে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

(গ) গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন: সামাজিক সমস্যা নিরসনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের পথ সুগম করে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা পল্লী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন, সরকারি অফিসের শাখা সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ স্থাপন ও তদারকি করে থাকে। শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে। সচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চা এবং সকল কার্যক্রমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতে সাহায্য করে। জনগণের সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গঠন করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ন্যায়পাল সম্পর্কিত?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৭
  2. অনুচ্ছেদ ৭৭
  3. অনুচ্ছেদ ৮৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল:
৭৭। (১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।

ন্যায়পাল পদের মূল উদ্দেশ্য:
- সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের সমতা, সততা ও স্বচ্ছতা বিধান এবং
- সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসনের যে কোনো ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের গতিবিধির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।

• Ombudsman শব্দের বাংলা ন্যায়পাল করা হয়েছে।
• ন্যায়পাল এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের ক্ষমতার রাশ টেনে ধরা সম্ভব হয় অর্থাৎ তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৯৪.
ICSC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) The Intergovernmental Civil Service Commission
  2. খ) The International Civil Service Commission
  3. গ) The Indian Cabinet Service Commission
  4. ঘ) The International Civil Service Congress
সঠিক উত্তর:
খ) The International Civil Service Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) The International Civil Service Commission
ব্যাখ্যা
ICSC এর পূর্ণরূপ হলো The Internatioanl Civil Service Commission.
এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৭৪ সালে গঠিত একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ সিভিল সার্ভিস ফোরাম।
এটির সদরদপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
(সূত্র: ICSC ওয়েবসাইট)
৪৯৫.
বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা কে ঘোষণা করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিসভা
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জরুরি অবস্থা (Emergency):
- বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) ঘোষণা সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যা সাধারণত দেশের নিরাপত্তা বা স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি পরিস্থিতিতে নেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা, যুদ্ধ বা বাহ্যিক আক্রমণ, বা অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা (যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত) সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- তবে এরূপ ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।
- জরুরি অবস্থার সময়কালে রাষ্ট্রপতি কিছু সাংবিধানিক অধিকার স্থগিত করতে পারেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৯৬.
রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কোন বাহিনীর উপর ন্যস্ত?
  1. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স 
  3. বাংলাদেশ পুলিশ 
  4. বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স 
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স বাহিনীর ওপর ন্যস্ত?

• স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)।
- রাষ্ট্রের উচ্চপদে আসীন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কাজে জড়িত ব্যক্তিদের সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়।
- বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১ অনুযায়ী, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিধান করা এসএসএফের দায়িত্ব।
- তার নিরাপত্তাজনিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং দৈহিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এসএসএফ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। [লিঙ্ক]

৪৯৭.
বাংলাদেশকে মোট কতটি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৩৫০টি
  2. ৩১০টি
  3. ৩০০টি
  4. ২৫০টি
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন ।
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। 
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- তবে মহিলা সদস্যগণ ইচ্ছা করলে ৩০০ আসনের যে কোনোটিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেও নির্বাচিত হতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৫ পৃষ্ঠা।

৪৯৮.
সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নাম কী?
  1. ক) ফ্রিডম পার্টি
  2. খ) প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি
  3. গ) জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি
  4. ঘ) তৃণমূল বিএনপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃণমূল বিএনপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃণমূল বিএনপি
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশনে  নিবন্ধিত দলের ইতিহাস:
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে ৪০ টি দলের  নিবন্ধন রয়েছে।
- ২০০৮ সালে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- দেশের প্রথম নিবন্ধিত দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। ২০০৮ সালের ২০ অক্টোবর নিবন্ধন পায় দলটি। দলটির নির্বাচনী প্রতীক ‘ছাতা’।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত এ রাজনৈতিক দলের প্রতীক ‘নৌকা’।
- সর্বশেষ  নিবন্ধিত দল হচ্ছে তৃণমূল বিএনপি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে  নিবন্ধিত হয়। দলটি প্রতীক হিসেবে পাচ্ছে ‘সোনালি আঁশ’।
-  ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয় -  ২০০৯ সালে
-  ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয় - ২০১৮ সালে
- জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়- ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর
- প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি-পিডিপিনিবন্ধন বাতিল হয় -  ২০২০ সালে
- জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার নিবন্ধন বাতিল করে - ২০২১ সালে

উৎস: নির্বাচন কমিশন ও  দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৯৯.
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে নারী সদস্য সংখ্যা কত জন? [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা: 
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা সহ বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা ২৩ জন। [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
- বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ৪ জন নারী উপদেষ্টা রয়েছেন। 

তাদের নাম হল:
→ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, 
→ মিজ নূরজাহান বেগম, 
→ মিজ ফরিদা আখতার, 
→ মিজ শারমীন এস মুরশিদ। 

সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৫০০.
নিচের কোন বিষয়টি সংসদ সদস্য হবার অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. বয়স নূন্যতম ১৮ বছর
  2. বিদেশী নাগরিকত্ব
  3. নূন্যতম ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।