বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১৭ / ১৯ · ১,৬০১১,৭০০ / ১,৮৩৫

১,৬০১.
দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হবে - [মে, ২০২৫]
  1. ফেনী
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. দিনাজপুর
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
বগুড়া সিটি কর্পোরেশন:
- দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে নতুন সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে বগুড়া। 
- ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।
- স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার জন্য গণবিজ্ঞাপ্তি জারি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত ও আপত্তি নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি প্রাথমিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ২০২৫ মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া পৌরসভা এলাকার ২১ টি ওয়ার্ডের মৌজাসমূহকে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
১,৬০২.
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কয়টি?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি চারটি। যথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। 

- বাংলাদেশ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত রয়েছে। 
- রাষ্ট্রীয় মূলনীতি বাংলাদেশ সংবিধানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান এবং সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বাংলাদেশ রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি হলো : জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- এই মূলনীতির কথা এককভাবে ৮ম অনুচ্ছেদেও বর্ণিত হয়েছে। 

১. জাতীয়তাবাদ : একই ধরনের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বাঙালি জাতির মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য সৃষ্টি করেছে। তাই সংবিধানে বলা হয়েছে, একই ভাষা ও সংস্কৃতিতে আবদ্ধ বাঙালি জাতি যে ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে সেই ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

২. সমাজতন্ত্র : অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমতা আনার মাধ্যমে সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই হলো সমাজতন্ত্রের মূল্য লক্ষ্য। শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

৩. গণতন্ত্র : রাষ্ট্রের সব কাজে নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই হলো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূলনীতি। এর মাধ্যমে নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে; মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা হবে।

৪. ধর্মনিরপেক্ষতা : রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে এবং ধর্ম পালনে কেউ কাউকে বাধা প্রদান করবে না- এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লিখিত মূলনীতিগুলো রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে অনুসৃত হয়। প্রতিটি নাগরিকের উচিত এগুলো মেনে চলা। এ ছাড়া সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার পবিত্র দলিল। অতএব সংবিধান সম্মান করা ও তা মেলে চলা প্রতিটি নাগরিকের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য।

সূত্র- বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৬০৩.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা নির্বাচন হয় কত সালে? 
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

উপজেলা ব্যবস্থা:
-উপজেলা পরিষদ জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকার (১৯৮২-১৯৯০) কর্তৃক সংস্কার ও পুনর্গঠন কমিটির সুপারিশমালা থেকে উপজেলা পরিষদের ঐতিহাসিক পটভূমি রচিত।
- ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হওয়ার পর বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়।
- উপজেলা প্রশাসন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক নির্মাণ, এবং সরকারি অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- ইউএনও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক কার্যক্রম, এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে থাকেন।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ শাসন ব্যবস্থার ধরণ সংসদীয়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্র মর্যাদার অধিকারী: রাষ্ট্রপতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৬০৪.
অ্যাটর্নি-জেনারেল কতদিন পদে বহাল থাকবেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৪ বছর
  3. প্রধানমন্ত্রীর সন্তোষানুযায়ী
  4. রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অ্যাটর্নি-জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য এমন একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তিনি রাষ্ট্রপতির দেওয়া দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশের সকল আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন করার অধিকার রাখেন।
- অ্যাটর্নি-জেনারেল কতদিন পর্যন্ত এই পদে বহাল থাকবেন, তা কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদে বাঁধা নয়।
- সংবিধানের ভাষ্যমতে, তিনি “রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত” এই পদে বহাল থাকবেন।
- অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি যখন পর্যন্ত সন্তুষ্ট থাকবেন, তখন পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় দায়িত্ব পালন করবেন।
- এই পদটি মূলত নির্বাহী ক্ষমতার আওতাভুক্ত এবং এতে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি চাইলে যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন অথবা রাষ্ট্রপতি চাইলে তাঁকে অপসারণ করতেও পারেন।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,৬০৫.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগদান করায় কোন দেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ ত্যাগ করে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগদান করায় কমনওয়েলথের সদস্য পদ ত্যাগ করে পাকিস্তান।

বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ:

- কমনওয়েলথের মূল রাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ।
- বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ১৯৭১ সালে গ্রেট ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যমগুলো বিশেষত, বিবিসি, লন্ডন টাইমস, দ্য সান, গার্ডিয়ান, মিরর পত্রিকা স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালি জনগণের উপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন প্রচার করে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করেছিল।
- ব্রিটেনসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো ভারতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য ব্যাপক সাহায্য দিয়েছিল।
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো অকাতরে সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছে।

⇒ স্বাধীন দেশ হিসাবে কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে ১৯৭২ সালেই দ্রুত স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের অটোয়ায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদান করেন।
- বাংলাদেশের অস্থিতিশীল রাজনীতি ও সরকার- বিরাধীদলের দাঙ্গাপূর্ণ সম্পর্ক অবসানে বিভিন্ন সময় কমনওয়েলথ মহাসচিব মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
- এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে পাকিস্তান কমনওয়েলথ ত্যাগ করে ১৯৭২ সালে

এছাড়াও,
- কমনওয়েলথ ত্যাগকারী দেশ আয়ার‍্যান্ড (১৯৪৬ সালে) ও জিম্বাবুয়ে (৭ ডিসেম্বর ২০০৩)।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৬.
বাংলাদেশের কয়টি জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে? 
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ১টি
  4. ২টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের ৩টি জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

১,৬০৭.
জরুরি অবস্থায় কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা উপযোগী?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত
  3. একনায়কতন্ত্র
  4. রাজতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের মধ্যে পার্থক্য:
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের নীতির আলোকে বা শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের প্রকৃতি অনুসারে আধুনিক গণতান্ত্রিক সরকারসমূহকে দু'ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা- সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার। এই উভয় ধরনের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মধ্যে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যগুলো দেখা যায়।
১ । রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতার ক্ষেত্রে পার্থক্য: সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক বা নামসর্বস্ব শাসক এবং প্রকৃত শাসক এই দু'ধরনের শাসক দেখা যায়। কিন্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসনব্যবস্থার নিয়মতান্ত্রিক বা নামসর্বস্ব কোন শাসক প্রধানের পদ থাকে না। রাষ্ট্রপতিই একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান এবং শাসন বিভাগের প্রধান কর্তা। তিনি তত্ত্বগতভাবে এবং বাস্তবে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

২। দায়িত্বের ক্ষেত্রে : সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় প্রকৃত প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ হল মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিসভার সকল সদস্য প্রত্যক্ষভাবে আইনসভার কাছে এবং পরোক্ষভাবে জনসাধারণের কাছে দায়িত্বশীল থাকে। অপরপক্ষে, রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি প্রত্যক্ষভাবে জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হন। তিনি জনগণের কাছেই দায়িত্বশীল থাকেন।

৩। মন্ত্রিসভার ক্ষেত্রে: সংসদীয় আইনসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। অপরপক্ষে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকে। রাষ্ট্রপতিই এই মন্ত্রিসভার সদস্যদের মনোনীত ও নিযুক্ত করেন। মন্ত্রীরা রাষ্ট্রপতির কাছে দায়িত্বশীল। রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টির উপর তাদের কার্যকাল নির্ভরশীল।

৪। জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার স্বার্থে অনেক সময় আইনীভাবেই একক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থার মত দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না।

৫। নমনীয়তা: সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ও সংবিধান নমনীয়। প্রয়োজনমাফিক আইনগত কিংবা সাংবিধানিক পরিবর্তন এ ব্যবস্থাতে তুলনামূলক সহজ। পক্ষান্তরে, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের সংবিধান কিংবা সরকার পরিবর্তন করতে হলে এক বিশেষ জটিল পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়।

৬। আইনসভার সার্বভৌমত্ব: সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। আইনসভা অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করে সরকারকে অপসারণ করতে পারে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় আইনসভা নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী নয়।

৭। নির্বাচনগত পার্থক্য: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী প্রথমে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনে জয়ের পরে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

৮। আইনসভা ভেঙ্গে দেবার ক্ষেত্রে: সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারে প্রধানমন্ত্রী আইনসভা ভেঙ্গে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দান করতে পারেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিতে পারেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারে রাষ্ট্রপতি পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিতে পারেন না।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬০৮.
রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. সার্বভৌমত্ব
  2. সংবিধান
  3. সরকার
  4. জনসমষ্টি
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্র গঠনের উপাদান নয় সংবিধান। 

• রাষ্ট্র:
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি আদিম সমাজ থেকে হয়েছে, যখন মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো।
- সময়ের সঙ্গে সাথে সমাজে পরিবর্তন আসতে থাকে এবং একসময় রাষ্ট্রের সৃষ্টি ঘটে।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই, যারা নিজেদের জন্য একটি সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করে।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়, এবং প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।

• রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।
যথা:
(ক) জনসমষ্টি,
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
(গ) সরকার,
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।

সূত্র: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৯.
মন্ত্রণালয়ের শাখা বা সেকশন প্রধান কে?
  1. জেষ্ঠ সহকারী সচিব
  2. উপসচিব
  3. যুগ্ম-সচিব
  4. অতিরিক্ত সচিব
সঠিক উত্তর:
জেষ্ঠ সহকারী সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেষ্ঠ সহকারী সচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
• মন্ত্রী: মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
• সচিব: মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
• অতিরিক্ত সচিব: উপ-বিভাগের প্রধান।
• যুগ্ম-সচিব: উপ-বিভাগের প্রধান।
• উপসচিব: একাধিক শাখার প্রধান।
• সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব: শাখা বা সেকশন প্রধান।
• সহকারী সচিব: শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১,৬১০.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে?
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. পঞ্চদশ
  4. সপ্তদশ
সঠিক উত্তর:
সপ্তদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তদশ
ব্যাখ্যা
• সংরক্ষিত নারী আসন:
- জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি।
- জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ বাড়াতে ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ২০১১ সালে এটা বাড়িয়ে ৫০ করা হয়েছে। ওই ৫০ আসনই নতুন করে ২৫ বছর মেয়াদের জন্যও বহাল রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬১১.
প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. ডেপুটি স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৬১২.
জেলা পরিষদে চেয়ারম্যানসহ মোট সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৮ জন
  2. ১৯ জন
  3. ২০ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
জেলা পরিষদের ব্যবস্থা:
• সর্বোচ্চ স্তর:
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদ।

•সদস্য সংখ্যা:
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য, এবং ৫ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য সহ মোট ২১ জন সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।

• নির্বাচন:
- দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।

• নির্বাচন পদ্ধতি:
- জেলা পরিষদ নির্বাচন পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণি এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬১৩.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:

- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান। 
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৪.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (আগস্ট, ২০২৫)
  1. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  2. মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
  3. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  4. আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (আগস্ট, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৬১৫.
রাষ্ট্র সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে কিসের মাধ্যমে?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. আইন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্র সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে সরকারের মাধ্যমে।

সরকার:

- চারটি উপাদান নিয়ে রাষ্ট্র গঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হল সরকার।
- সরকার ব্যতীত রাষ্ট্র পরিচালনা করা অসম্ভব।
- সরকারকে রাষ্ট্রের মুখপাত্র বলা হয়।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রকাশিত হয়।
- সরকারের অঙ্গ তিনটি। যথা-
• আইন বিভাগ,
• শাসন বিভাগ ও
• বিচার বিভাগ।
- সরকার এ তিনটি বিভাগের মাধ্যমে তার সকল কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করে।
- শাসন বিভাগ সে আইন বাস্তবায়ন করে।
- বিচার বিভাগ বিচারিক কার্য-সম্পাদন ও সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬১৬.
পল্লী স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. পৌরসভা
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. গ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

পল্লী স্থানীয় সরকার:
- জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- ইউনিয়ন পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ এ তিনস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর।

শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার:
- সিটি কর্পোরেশন।
- পৌরসভা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৭.
ইউনিয়ন পরিষদ কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ৬টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
* ইউনিয়ন পরিষদ: 
- গড়ে ১০-১৫টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত
- ইউনিয়ন পরিষদের একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, প্রতি ওয়ার্ড থেকে একজন করে নির্বাচিত ৯ জন সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত তিনজন মহিলা সদস্যসহ মোট ১২ জন সদস্য রয়েছেন।
- বাংলাদেশের প্রতিটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্বের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। মহিলা সদস্যগণ প্রতি ৩ ওয়ার্ডে ১ জন-এই ভিত্তিতে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।
- ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- তবে মেয়াদ পূর্তির পূর্বেও দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্য যেকোনো সদস্যকে অপসারণ করা যায়। 

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৬১৮.
নিম্নস্তরের আদালতকে অপরাধের প্রকৃতি অনুসারে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৬ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
নিম্নস্তর আদালত:
- যে আদালতে নাগরিকদের অধিকার, অপরাধ, বিরোধ সংক্রান্ত মামলা সম্পন্ন হয় তাকে নিম্নস্তর আদালত বা অধঃস্তন আদালত বলে।
- নিম্নস্তরের আদালতকে অপরাধের প্রকৃতি অনুসারে দু'টি ভাগে ভাগ করা হয়।
- যথা: ফৌজদারি আদালত ও দেওয়ানি আদালত।
- জনগণের বিভিন্ন প্রকার অপরাধ সংক্রান্ত মামলার বিচার করা হয় ফৌজদারি আদালতে। 
- নাগরিকদের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলার বিচার করা হয় দেওয়ানি আদালতে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৯.
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেতে হলে তাকে -
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করতে হয়
  2. প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগ করতে হয়
  3. স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করতে হয়
  4. মন্ত্রিপরিষদের কাছে পদত্যাগ করতে হয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করতে হয়
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে মুক্তি:
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে পারেন এবং তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পায়। 

⇒ সংবিধানের ৫৭(ক) অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে যদি তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র প্রদান করেন।
- সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদের ১ উপধারায় আছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে যদি (ক) তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন অথবা (খ) তিনি সংসদ সদস্য না থাকেন।’ একই অনুচ্ছেদের ৩ উপধারায় আছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোনো কিছুই অযোগ্য করিবে না।’

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) The Daily Star Bangla.

১,৬২০.
কেন্দ্রিয় প্রশাসনের প্রধান কে?
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব/সিনিয়র সচিব
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• মন্ত্রণালয়:
→ কেন্দ্রিয় প্রশাসনের প্রধান কার্যালয় মন্ত্রণালয়। এর প্রধান হল মন্ত্রী।
→ জনগুরুত্বপূর্ণ এক বা একাধিক বিষয়ের কার্যক্রম একটি মন্ত্রণালয়ের উপর ন্যস্ত থাকে।
→ কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের কাজ ভাগ করা হয়। মন্ত্রণালয় বিভিন্ন বিষয়ে নীতি নির্ধারণ করে থাকে।
→ তাছাড়া মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট আইনের প্রযোজ্যতা, হালনাগাদকরণ ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। 
============
• বিভাগ:
 → মন্ত্রণালয়ের অধীনে এক বা একাধিক বিভাগ থাকে। যার প্রশাসনিক প্রধান হল সচিব/সিনিয়র সচিব। তিনি মন্ত্রণালয়ের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন।
→ এই দপ্তরে বা ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যেমন- সড়ক বিভাগ, তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ, জন নিরাপত্তা, সেবা বিভাগ ইত্যাদি।

• অধিদপ্তর:
 → বিভাগের অধীনে একাধিক অধিদপ্তর থাকে। অধিদপ্তরের প্রধান কাজ হল মাঠ প্রশাসনের সাথে সরাসরি যুক্ত থেকে তা সমন্বয় করা।
→ একজন অতিরিক্ত সচিব বা সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা এ দপ্তরের প্রধান। যেমন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, শ্রম অধিদপ্তর ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২১.
ওয়াকআউট কী?
  1. সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
  2. সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের বেইলআউট
  3. সাময়িক সময়ের জন্য চিপ হুইপের ওয়াকআউট
  4. সাময়িক সময়ের জন্য স্পিকারের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
সঠিক উত্তর:
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
ব্যাখ্যা
• ওয়াকআউট:
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে “ওয়াকআউট” বলে
- এটি সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসা। এ কারণে ওয়াকআউট হলো একটি বৈপরীত্যকারী সংসদ অধিবেশন।

- ওয়াকআউটের কারণ: সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারের কোনো সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করতে, কোনো সদস্যের অধিকার বিচারে পূর্বসুরে কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, বা স্পীকারের রুলিং বা আদেশে অসন্তোষ প্রকাশ করতে ওয়াকআউট করতে পারেন।
-  সংসদের বৈঠকে সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার হিসেবে স্বীকৃত এবং তাদের বিচারের একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৬২২.
বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের অধিকার সংরক্ষণে প্রণীত আইনের নাম কী?
  1. নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, ২০০০
  2. নারী ও শিশু নিপীড়ন আইন, ২০০০
  3. নারী ও শিশু আইন, ২০০০
  4. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০
ব্যাখ্যা

• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০:
- নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে এ আইন পাশ করা হয়।
- এ আইনের ধারা ৩৫ টি।
- পরিচিতি: এই আইন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ নামে অভিহিত হইবে।
- আইনের প্রাধান্য : আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে।

উৎস: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০।

১,৬২৩.
প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন উপদেষ্টা ছিলেন?
  1. পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. আইন, বিচার ও সংসদ এবং স্থানীয় সরকার
  3. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
  4. অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- ওই দিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

⇒ বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এর চারদিন পর সংবিধান অনুযায়ী ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তারা হলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ড: মুহাম্মদ ইউনুস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং পরিবেশ ও বন- এই তিনটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 

১,৬২৪.
পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৭
  2. খ) ১৯৮৬
  3. গ) ১৯৮৯
  4. ঘ) ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন এ ৩ টি জেলার জনগনের সার্বিক উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ তার শাসনামলে ১৯৮৯ সালে চতুর্থ জাতীয় সংসদে পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ গঠন করে একটি বিল পাস করে।
• ১৯৮৯ সালের ৬ মার্চ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে তা আইনে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৬২৫.
পররাষ্ট্রনীতির মূল উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. আন্তর্জাতিক পর্যটন বৃদ্ধি
  2. বৈদেশিক বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ
  3. রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণ
  4. অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্রনীতি:
- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কীয় সাংবিধনিক বিধান  বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নির্দেশনা রয়েছে।
- এই নির্দেশনাসমূহ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে। 

⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যসমূহ-
১. আত্মরক্ষা।
২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনে বৃদ্ধি করা।
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা।
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অধ্যায়, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৬২৬.
বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর নয় কোনটি?
  1. বিভাগীয় প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর নয় - ইউনিয়ন পরিষদ। 
→ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।


বাংলাদেশের "স্থানীয় প্রশাসন" একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত।

যথা:-
১। বিভাগীয় প্রশাসন,
২। জেলা প্রশাসন এবং
৩। উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়াও,
→ স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন। 

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৭.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  3. ১৯৭৩ সালের ১২ জানুয়ারি
  4. ১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

• আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান থেকে মুক্তি:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৯০ দিন ধরে আটক রাখে ০৮ ই জানুয়ারি আন্তর্জাতিক চাপে মুক্তি দেয় এবং  তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে যান।

• লন্ডন থেকে বাংলাদেশ:
- লন্ডন থেকে ভারতে আসার পর, শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে পৌঁছান।
- ঢাকায় ফেরার পরদিন (১১.১.৭২ তারিখ রাতে) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ‘অন্তবর্তীকালীন শাসনতন্ত্র আদেশ, ১৯৭২' জারি করেন।
- এই আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধান বিচারপতির কাছে প্রথমে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং পরে পদত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সরকার প্রধানের দায়িত্ব লাভ করেন।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৮.
বাংলাদেশে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা হয় কত তারিখে? 
  1. ১ জানুয়ারি ২০০৭
  2. ১৫ আগস্ট ২০০৭
  3. ১ নভেম্বর ২০০৭
  4. ২৬ মার্চ ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০০৭
ব্যাখ্যা

 • নির্বাহী বিভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 
- এর মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
- যদিও এই ধারাটি সংবিধানে অনেক আগে থেকেই অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু
 - বাস্তবে এটি কার্যকর করা হয় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর, মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৭ সালে পৃথক করা হলেও এতদিন বিচার বিভাগ কার্যত নির্বাহী বিভাগের অধীনে থেকে কাজ করত।
- জুলাই–আগস্ট ২০০৭ সালে অভ্যুত্থানের পর জনগণের মধ্যে স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতি আশাবাদ জন্মায়।
- এরপর প্রথমবারের মতো তরুণ বিচারকদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইয়ং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম’ তাদের ১২ দফা দাবি ঘোষণা করে। -
- যার মধ্যে প্রথম দফা ছিল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় গঠন।
- পরবর্তীতে, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে।
- এর ফলে আদালত নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো পায়।
- এই সচিবালয়ের নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধান বিচারপতির হাতে, এবং প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে একজন সচিব নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন।
- অধস্তন সব আদালতের বিচারকের নিয়োগ, পদায়ন ও বদলিও এই সচিবালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,৬২৯.
প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ লাভের জন্যে ন্যূনতম কত বছর বয়স্ক হতে হয়?
  1. ক) ২৫ বছর
  2. খ) ৩০ বছর
  3. গ) ৩৫ বছর
  4. ঘ) ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৬(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহে নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৫ বছর হতে হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ৩৫ বছর বয়স্ক হতে হয়।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী ও নির্বাচন কমিশন)
১,৬৩০.
বর্তমানে বাংলাদেশে কয় স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ্য করা যায়?
  1. দুই
  2. তিন 
  3. চার 
  4. পাঁচ 
সঠিক উত্তর:
তিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন 
ব্যাখ্যা

স্থানীয় সরকার:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।

⇒ বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।

​উল্লেখ্য,
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৩১.
পিতা-মাতার নাগরিকতা দ্বারা সন্তানের নাগরিকতা নির্ধারিত হওয়া কী ধরনের নাগরিকতা অর্জন পদ্ধতি?
  1. অনুমোদন সূত্র
  2. জন্মস্থান নীত
  3. বিবিধ নীতি
  4. জন্মনীতি
সঠিক উত্তর:
জন্মনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মনীতি
ব্যাখ্যা

 • জন্মনীতি:
- এ নীতি অনুযায়ী পিতা-মাতার নাগরিকতা দ্বারা সন্তানের নাগরিকতা নির্ধারিত হয়।
-  এ ক্ষেত্রে শিশু যে দেশে বা যেখানেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন, পিতা-মাতার নাগরিকতা দ্বারা সন্তানের নাগরিকতা নির্ধারিত হয়।
 যেমন-
- বাংলাদেশের কোনো এক দম্পতি যুক্তরাজ্যে গিয়ে একটি সন্তান জন্ম দান করলেন। এ নীতি অনুসারে ঐ সন্তান বাংলাদেশের নাগরিকতা লাভ করবে। কারণ তার পিতা-মাতা বাংলাদেশের নাগরিক।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৬৩২.
নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোন নীতি অনুসরণ করে?
  1. জন্মস্থান নীতি ও অনুমোদন সূত্র
  2. জন্মসূত্র ও অনুমোদন সূত্র
  3. জন্মস্থান নীতি
  4. জন্মনীতি
সঠিক উত্তর:
জন্মনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মনীতি
ব্যাখ্যা

• নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
নাগরিকতা অর্জনের দু'টি পদ্ধতি রয়েছে।
এগুলো হচ্ছে:
(ক) জন্মসূত্রে নাগরিক এবং (
খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক।

- যারা জন্মগতভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে জন্মসূত্রে নাগরিক বলে।
- আর যারা কতকগুলো শর্তপূরণ করে শর্ত আরোপকারী রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে অনুমোদনসূত্রে নাগরিক বলে।

• জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দু'টি নীতি মেনে চলা হয়- (ক) জন্মস্থান নীতি ও (খ) জন্মনীতি।
(ক) জন্মস্থান-নীতি:
- জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী শিশু যে রাষ্ট্রে ভূমিষ্ট হয় সে রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে।
- যদি কোন রাষ্ট্রের পতাকাবাহী জাহাজ, বিমান কিংবা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
যেমন- বাংলাদেশের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বা তাদের পতাকাবাহী বিমান বা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সন্তান কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে।
- অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি অনুসরণ করে।

(খ) জন্মনীতি:
- এই নীতি অনুযায়ী শিশু যেখানেই ভূমিষ্ট হোক না কেন, পিতা-মাতার নাগরিকতাই তার নাগরিকতা নির্ধারণ করবে। যেমন:
- জাপানের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করে তবে সেই সন্তান জাপানের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
- বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জাপান, ইতালী প্রভৃতি রাষ্ট্র জন্মনীতি মেনে চলে।

• অনুমোদনসূত্রে নাগরিকতা অর্জন:
যদি কোন ব্যক্তি অনুমোদনসূত্রে নাগরিক হতে চায় তবে তাকে নাগরিকতা অর্জনের জন্য নিম্নলিখিত এক বা একাধিক শর্ত পূরণ করতে হয়:
(১) অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের নাগরিককে বিয়ে করতে হয়,
(২) সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে হয়,
(৩) সরকারি চাকরি করতে হয়,
(৪) সম্পত্তি ক্রয় করতে হয়,
(৫) ভাষা জানতে হয়,
(৬) নির্দিষ্ট সময় বসবাস করতে হয়।
- অনুমোদনের শর্ত রাষ্ট্রভেদে আলাদা হতে পারে। 
- শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একজন বিদেশীকে অনুমোদনকারী রাষ্ট্রের নিকট আবেদন করতে হয় এবং আবেদন মঞ্জুর হলেই একজন বিদেশী অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের অনুমোদনসূত্রে নাগরিকে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৩.
বাংলাদেশে সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সচিব
  4. বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
সেগুলো হচ্ছে:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ:
- রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দান্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসনবিভাগ বলে।
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৬৩৪.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. জনসমষ্টি
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. সরকার
  4. আমলাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
আমলাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্র:
- আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো। সময়ের বিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়।
- প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

• রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।
যথা: 
(ক) জনসমষ্টি,
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
(গ) সরকার,
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৫.
স্থানীয় প্রশাসনের সর্বশেষ স্তর কোনটি?
  1. ইউনিয়ন
  2. উপজেলা
  3. জেলা
  4. বিভাগ
সঠিক উত্তর:
উপজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা
ব্যাখ্যা
উপজেলা প্রশাসনের গঠন: 
- স্থানীয় প্রশাসনের সর্বশেষ স্তর হল উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেন্দ্রীয় প্রশাসন কর্তৃক নিয়োজিত হয়ে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ যাবতীয় কাজে সহযোগিতা করে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৬৩৬.
বাংলাদেশ শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র কোনটি?
  1. সংসদ ভবন
  2. সচিবালয়
  3. বঙ্গভবন
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাতথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৬৩৭.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. সাহাবুদ্দিন আহমেদ
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  4. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।

⇒ বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ (২৫তম)। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ২০০৫ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
১,৬৩৮.
মন্ত্রিপরিষদের কমপক্ষে কত শতাংশ সদস্য জাতীয় সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হবেন?
  1. ক) ১০%
  2. খ) ৯৫%
  3. গ) ১০০%
  4. ঘ) ৯০%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯০%
ব্যাখ্যা
• সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সদস্য এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যাবে যাঁরা সংসদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য।
• এরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
• সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদের কমপক্ষে ৯০ শতাংশ সদস্য জাতীয় সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হবেন।
• প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ অনুযায়ী ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা’ পদেও নিয়োগ দিতে পারেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৬৩৯.
'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' বলা হয় কাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি 
  2. স্পিকার 
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের মধ্যমনি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি কেবল মন্ত্রীসভার প্রধান নন; তার উপরই নির্ভর করবে সংসদের মেয়াদ।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে কার্যত সংসদ ভেঙে যায়।
- প্রধানমন্ত্রীই অন্যান্য মন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা বিচার করে তিনি মন্ত্রীদের কার্যত পদত্যাগে বাধ্য করেন।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির তথা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একাধারে সরকার প্রধান, জাতীয় সংসদের নেতা এবং শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- তার নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হয়।
- তিনি দেশ পরিচালনায় মন্ত্রীপরিষদকে নেতৃত্ব দেন। 
- এছাড়াও মন্ত্রীসভার অধিবেশন আহ্বান, কার্যসূচী নির্ধারন, অধিবেশন সভা পরিচালনা, মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন, মন্ত্রীসভার কাজ তত্ত্বাবধান প্রভৃতি দায়িত্ব মূলত প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত।
- এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে 'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' (Keystone of the Cabinet arch) বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৪০.
একটি ইউনিয়ন কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৪১.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কতবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়?
  1. ৩ বার
  2. ৪ বার
  3. ৫ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৫ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

জরুরি অবস্থা:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থা জারির বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- এই বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যুদ্ধ, বহিঃআক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা threatened হলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। 

• বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জরুরি অবস্থা জারি হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর। শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে খাদ্য সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায় এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। 
- এরপর ১৯৮১ সালের ৩০ মে দ্বিতীয়বার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর। নিরাপত্তা সংকট ও সেনা-অস্থিরতা দমনের যুক্তিতে ঘোষিত এই জরুরি অবস্থায় বেশ কিছু মৌলিক অধিকার স্থগিত ছিল। 
- তৃতীয় ও চতুর্থ জরুরি অবস্থা জারি করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন দমনে এবং ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জারি হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের পঞ্চম ও সর্বশেষ জরুরি অবস্থা, যা টিকে ছিল প্রায় দুই বছর। রাজনৈতিক সহিংসতা ও অচলাবস্থার মধ্যে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। 

উৎস: i) BBC.
ii) The Daily Star Bangla.

১,৬৪২.
দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- জেলা পরিষদ নির্বাচন পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা পরিষদের সংখ্যা ৬১টি।

২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী:
- ২১ জন প্রতিনিধি নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য।
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে। এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে:
(২০০০ সনের ১৯ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৪ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা :-
‘‘(১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হইবে, যথা :-
(ক) একজন চেয়ারম্যান;
(খ) সংশ্লিষ্ট জেলার মোট উপজেলার সমসংখ্যক সদস্য;
(গ) দফা (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত সদস্য-সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (নিকটবর্তী পূর্ণ সংখ্যায়) নারী সদস্য:
তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যা ২(দুই) এর কম হইবে না; এবং
(ঘ) সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং ক্ষেত্রমত, সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের প্রতিনিধি পদাধিকারবলে সদস্য।’’।
---------------------------------
[এখন ২০০০ সালের 'জেলা পরিষদ আইন' কার্যকরী নয়। বই তে ভুল রয়েছে।]

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণি এবং জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২২।
১,৬৪৩.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. প্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:
- সংস্থাপন মন্ত্রণালয় হলো 'জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়' এর পূর্ব নাম।
- ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রূপকল্প:
- দক্ষ ও কার্যকর জনপ্রশাসন।

• অভিলক্ষ্য:
- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবামুখী, কল্যাণধর্মী ও দায়বদ্ধ জনপ্রশাসন গড়ে তোলা।

উৎস: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
১,৬৪৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো-
  1. বান্দরবান-১
  2. চট্টগ্রাম-১
  3. পঞ্চগড়-১
  4. যশোর-১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা- ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা- ৩০০টি।
- সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০তম আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।

১,৬৪৫.
বাংলাদেশের পারিবারিক আদালতের (এখতিয়ারভুক্ত নয়) আওতায় পড়ে না -
  1. ক) বিবাহ বিচ্ছেদ
  2. খ) নারী ও শিশু পাচার
  3. গ) দেন মোহর
  4. ঘ) দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
খ) নারী ও শিশু পাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নারী ও শিশু পাচার
ব্যাখ্যা



[লিংক]

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৪৬.
মন্ত্রনালয়ের একাধিক শাখার প্রধান -
  1. সচিব
  2. সহকারী সচিব
  3. যুগ্ম-সচিব
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
উপসচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী: মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব: মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব: উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব: উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব: একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব: শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব: শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১,৬৪৭.
কোন ধরনের শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকের স্বাধীনতা এবং অধিকার বিনষ্ট হওয়ার সুযোগ থাকে?
  1. সমাজতান্ত্রিক
  2. একনায়কতান্ত্রিক
  3. গণতান্ত্রিক
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
একনায়কতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একনায়কতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা

• একনায়কতন্ত্র শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকের স্বাধীনতা এবং অধিকার বিনষ্ট হওয়ার সুযোগ থাকে। 

- একনায়কতন্ত্র হচ্ছে একটি স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থা। 
- একনায়কতন্ত্র হল একটি অতি প্রাচীন রাষ্ট্রনৈতিক মতবাদ।
- তত্ত্বগতভাবে একনায়কতন্ত্র হল গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত শাসনব্যবস্থা।
- প্রাচীনকালে গ্রীস ও রোমের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মধ্যে একনায়কতান্ত্রিক শাসনের লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়।
- তবে একনায়কতন্ত্র সম্বন্ধে বর্তমান ধারণা ভিন্ন ধরনের।
- সাধারণত একনায়কতন্ত্রকে সামরিক, সাম্যবাদী এবং ফ্যাসিবাদী বা নাৎসীবাদী—মূলত এই তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়ে থাকে।

উৎস: গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্র অধ্যায়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৬৪৮.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের প্রধান কাজ কী?  
  1. আইন বাস্তবায়ন করা
  2. নতুন আইন প্রণয়ন করা
  3. সংবিধান সংশোধন করা
  4. বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত দেওয়া
সঠিক উত্তর:
আইন বাস্তবায়ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বাস্তবায়ন করা
ব্যাখ্যা

• নির্বাহী বিভাগ:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় আইনসভা, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ পৃথক ক্ষমতার কাঠামো হিসেবে কাজ করে।
• আইনসভা আইন প্রণয়ন করে,
• বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা দেয়,
•আর নির্বাহী বিভাগ আইন কার্যকর করে।

- নির্বাহী বিভাগের মূল দায়িত্ব হলো আইন বাস্তবায়ন করা।
- তারা আইন প্রণয়ন বা ব্যাখ্যার কাজ করে না—এগুলোর দায়িত্ব যথাক্রমে আইনসভা ও বিচার বিভাগের। 
- নির্বাহী বিভাগ মূলত প্রশাসন পরিচালনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের কার্যক্রম সচল রাখে।

• নির্বাহী বিভাগের প্রধান দায়িত্বসমূহ: 
- আইন বাস্তবায়ন: আইনসভায় পাস হওয়া আইন কার্যকর করে জনগণের জীবনে প্রয়োগ করা।
- রাষ্ট্র পরিচালনা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা মিলে দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- নীতি বাস্তবায়ন: সরকারের গৃহীত নীতি, নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।
- স্থিতিশীলতা রক্ষা: আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- নির্বাহী বিভাগের অধীন বিস্তৃত প্রশাসনিক কাঠামো দেশের সর্বত্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   

১,৬৪৯.
কোনটি শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা?
  1. পৌরসভা
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:

- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
- গ্রামের জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। 
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫০.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন হবে? 
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৭৫ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ ৯০ দিন হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার: 
- কমিশন আইনসভার মেয়াদ শেষ হবার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেয়া পর্যন্ত, একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করছে;
- এই সরকারের প্রধান 'প্রধান উপদেষ্টা' বলে অভিহিত হবেন।
- আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ (পনের) দিন পূর্বে অথবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে,
- পরবর্তী অন্যূন ১৫ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে।
- প্রধান উপদেষ্টা সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে কার্য পরিচালনা করবেন।
- অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন হবে,
- তবে যদি নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হয় তবে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণমাত্র এই সরকারের মেয়াদের অবসান ঘটবে।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন [লিঙ্ক]

১,৬৫১.
বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করা হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১ সেপ্টেম্বর, ২০০৭
  2. খ) ১ নভেম্বর, ২০০৭
  3. গ) ১ অক্টোবর, ২০০৭
  4. ঘ) ১ ডিসেম্বর ২০০৭
সঠিক উত্তর:
খ) ১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
১৯৯৪ সালে সাবেক জেলা জজ মাসদার হোসেন নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের জন্যে হাইকোর্টে রিট করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে এর চূড়ান্ত রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
এর ভিত্তিতেই ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয়। এ দিন সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকরের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।
তবে এ প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণতা লাভ করেনি। বর্তমানে অধস্তন আদালত সমূহে বিচারক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জুডিশিয়াল সার্ভিস কাউন্সিল দেখভাল করে থাকে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা)
১,৬৫২.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় কত তারিখ?
  1. ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  2. ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  3. ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  4. ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট
⇒  ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
⇒ তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দেশের ৩০০ আসনে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন এবং একই সাথে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এর উপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
⇒ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর সোমবার পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে।
⇒  রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত।
⇒ কমিশনের দায়ের করা আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত।
⇒  প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার। রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি বুধবার।
⇒  ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। 

উৎস: নির্বাচন কমিশন।

১,৬৫৩.
জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও-১
  2. বান্দরবান-১
  3. পঞ্চগড়-১
  4. কক্সবাজার-১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৫৪.
নিচের কোনজন মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না?
  1. ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী
  2. এএইচএম কামরুজ্জামান
  3. অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয়। এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

রাষ্ট্রপতি শাসিত মুজিবনগর সরকারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ছয়জন।
এরা হলেন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৬৫৫.
বাংলাদেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি? [ জুন,২০২৫]
  1. বরিশাল
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভাগ:
- বিভাগ: ৮টি,
- চট্টগ্রাম ,
- রাজশাহী,
- খুলনা,
- বরিশাল,
- সিলেট,
- ঢাকা,
- রংপুর,
- ময়মনসিংহ।

•ময়মনসিংহ বিভাগঃ

- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল।
- ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা এই ৪ জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৫৬.
‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের কোন পদের সমান?
  1. সহকারী সচিব
  2. জেষ্ঠ সহকারী সচিব
  3. যুগ্ম-সচিব
  4. উপ-সচিব
সঠিক উত্তর:
উপ-সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-সচিব
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামাের তৃতীয় স্তর।
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।
- ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের উপ-সচিব পদের সমান।
- একজন ডেপুটি কমিশনার এই প্রশাসন এককের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ। তাকে কেন্দ্র করেই জেলার সকল কার্যপ্রণালি চালিত হয়।
- জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
• প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ।
• আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ।
• রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ।
• উন্নয়নমূলক কাজ।
• সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ।
• স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ।
• বিচারিক কাজ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৭.
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় 'জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট' পদ প্রবর্তিত হয় কোন সালে?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

• নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর। 
- এই মামলাটি 'মাসদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' নামে পরিচিত। 
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাজদার হোসেন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায়ের মাধ্যমে।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে। 
- যা ২০০৯ সালে আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
(১) উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
(২) অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।

১,৬৫৮.
সর্বশেষে ঘোষিত শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) ভৈরব
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বশেষ ঘোষিত উপজেলা হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ। এটি বাংলাদেশের ৪৯২ তম উপজেলা। তাই সর্বশেষে ঘোষিত শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
উৎসঃ নিকার ওয়েবসাইট।
১,৬৫৯.
বাংলাদেশর প্রশাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র-
  1. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  2. কমিশনারের কার্যালয়
  3. জেলা পরিষদ
  4. সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন :
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। সংস্থাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৬৬০.
বাংলাদেশের প্রথম ফিফা কমিশনের অধীন কে ছিলেন?
  1. ড. আনিসুজ্জামান
  2. ড. মনিরুজ্জামান মিয়া
  3. ড. কুদরত-ই-খুদা
  4. ড. রঙ্গলাল সেন
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরত-ই-খুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরত-ই-খুদা
ব্যাখ্যা

• প্রশ্নটির ভাষাগত ত্রুটি রয়েছে।
- প্রশ্নটি হওয়ার কথা, 'বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের অধীন কে ছিলেন?'
- তাই আমরা 'শিক্ষা কমিশন' ধরে নিয়ে ড. কুদরাত-ই-খুদা উত্তরটি সঠিক হিসেবে নিলাম।

• কুদরত-ই-খুদা কমিশন:
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২)  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৬৬১.
স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) রাষ্ট্রপতি দেশে অনুপস্থিত থাকলে
  2. খ) রাষ্ট্রপতি অসুস্থ হলে
  3. গ) রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে
  4. ঘ) সবকয়টি কারণে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকয়টি কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকয়টি কারণে
ব্যাখ্যা
অনুপস্থিতি প্রভৃতির কালে রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালন

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১,৬৬২.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে 'সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল' গঠন করা হয়?
  1. ৩য় সংশোধনী
  2. ৪র্থ সংশোধনী
  3. ৫ম সংশোধনী
  4. ৬ষ্ঠ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৫ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫ম সংশোধনীতে 'সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল' গঠন করা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী:

- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সরাসরি সংবিধানের কোনো বিধান পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করা হয়নি।
- সামরিক শাসনামলে বিভিন্ন ফরমান ও আদেশবলে সংবিধানের যেসব পরিবর্তন করা হয়েছে, পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সেগুলোর বৈধতা দেওয়া হয়।
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান পঞ্চম সংশোধনী বিলটি উত্থাপন করেছিলেন।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত চারটি সামরিক ফরমান (ফার্স্ট মার্শাল ল প্রক্লেমেশন) জারি করা হয়েছিল। 
- বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:
- উত্থাপনকারী: এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
- ৭২-এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।
- তবে আপীল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরিয়ে নিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে রাখা হয়েছিল।
- এরপর ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর পর বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়।
- ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আদালত অবৈধ ঘোষণার পর সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনলেও তাতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
- এরপর ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়, যাতে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পায় সংসদ।

⇒ পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
- রায়ে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ উপ-অনুচ্ছেদ পুনবর্হাল করা হয়।
- ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরে এসেছে।
- এই কাউন্সিল গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুজন বিচারপতিকে নিয়ে।

⇒ ২০ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা বহাল রেখে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এই আদেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ করা যাবে।
- সংবিধানের এ-সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদ পুরোটাই পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।
- সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২ থেকে ৮ পর্যন্ত বিধান ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যম বাতিল করা হয়েছিল, এগুলো পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
১,৬৬৩.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগ কার নিকট জবাবদিহি করে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. কেন্দ্রীয় প্রশাসন
  3. বিচার বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের বিভাগ সমূহ: 
১. আইন বিভাগ,
২. বিচার বিভাগ,
৩. নির্বাহী বা শাসন বিভাগ।
- সাধারণত কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগ জবাবদিহি করে আইন বিভাগের নিকট।
- উল্লেখ্য যে,  রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
- তিনি আইন পরিষদের নিকট দায়ী নন।

অন্যদিকে,
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হল নামমাত্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হলেন শাসন বিভাগ তথা নির্বাহী বিভাগের প্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৬৪.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. আহসানুল করিম
  3. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. মঞ্জুরুল হক চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম)।

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।

• বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

উৎস: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

১,৬৬৫.
একনেকের চেয়ারম্যান বা সভাপতি কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) অর্থমন্ত্রী
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কাউন্সিল বা ECNEC-এর সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প সভাপতি অর্থমন্ত্রী।
অপরদিকে NEC-এর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং সহ-সভাপতি পরিকল্পনামন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণী।
১,৬৬৬.
অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি নিচের কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন
  2. বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার
  3. সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,৬৬৭.
বাংলাদেশ সরকারের কার্য বণ্টন ও পরিচালনার নিয়মাবলী (Rules of Business) কে জারি করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইন মন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সরকারের কার্য বণ্টন ও পরিচালনার নিয়মাবলী (Rules of Business) জারি করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৬৬৮.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি 'লুই কান' কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. কানাডা
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
- এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক লুই আই কান।
- তিনি মূলত আমেরিকার ফিলাডেলফিয়া আর পেনসিলভানিয়ায় স্থাপত্য চর্চা করে খ্যাতি অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন তার একটি বিখ্যাত কীর্তি।
- কান ১৯০১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯২৪ সালে তিনি পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করার পর পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়েছেন।
- ১৯২৮ সালে তিনি আগ্রহী হয়ে ওঠেন স্থাপত্যবিদ্যায়।
-১৯২৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ১৯৩২ সালে আরেক স্থপতি ডোমিনিক বারনিনজারের সঙ্গে আর্কিটেকচারাল রিসার্চ গ্রুপ গড়ে তোলেন।
-কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি আমেরিকান ইন্সটিটিউট অব আর্কিটেক্টস-এর স্বর্ণপদক লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৭ মার্চ তিনি নিউইয়র্কে মৃত্যুবরণ করেন।
- সংসদের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি। 

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর ও প্রথম আলো। 
১,৬৬৯.
মৌলিক অধিকার ___________মাধ্যমে রক্ষিত হয়।
  1. সংবিধানের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. বিচার বিভাগের
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সংবিধানের মাধ্যমে রক্ষিত হয়।
- এর ফলে সরকার এ সমস্ত অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- নাগরিকগণ তাদের অধিকার ভোগ করতে কোনো প্রকার সরকারি বাধার সম্মুখীন হয় না।
- তাই সংবিধান মৌলিক অধিকারের রক্ষক।

এছাড়াও,
- মানবাধিকারের উৎস ও রক্ষক জাতিসংঘ।
- মৌলিক অধিকারের উৎস রাষ্ট্রের সংবিধান এবং রক্ষক রাষ্ট্র ও সংবিধান।
- মানবাধিকার একটি আন্তর্জাতিক অধিকার।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 
১,৬৭০.
বর্তমান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে রয়েছেন কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. মো. তৌহিদ হোসেন
  3. এম সাখাওয়াত হোসেন
  4. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়:
- বর্তমান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জন্য একটি আধুনিক ও সুন্দর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে গঠিত হলেও বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

⇒ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সময়োপযোগী কর্ম-উদ্যোগ এবং বাস্তবানুগ ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছে।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সামরিক অসামরিক প্রতিষ্ঠান সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম, সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে তুলবে।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
১,৬৭১.
জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক করেন কে?
  1. বিভাগীয় কমিশনার
  2. জেলা পুলিশ সুপার 
  3. জেলা মেয়র
  4. স্থানীয় সংসদ সদস্য
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় কমিশনার
ব্যাখ্যা

বিভাগীয় প্রশাসন: 
- বাংলাদেশে আটটি বিভাগ আছে।
- প্রতিটি বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন বিভাগীয় কমিশনার।
- কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি তাঁর কাজের জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী থাকেন।
- বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক করেন।
- বিভাগের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করেন।
- ভূমি রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা করেন ও খাসজমির তদারক করেন।
- বিভাগের ক্রীড়া উন্নয়ন, শিল্পকলা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করেন।
- জনকল্যাণ ও সেবামূলক কাজ পরিচালনা করেন।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৪ পৃষ্ঠা।

১,৬৭২.
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা কার নিকট দায়ী থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সংসদ
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। 
- এই রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। 
- আমাদের দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।
 - এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার উপর ন্যস্ত।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,৬৭৩.
ছবিসহ ভোটার তালিকা ও আইডি কার্ড প্রথম ব্যবহৃত হয় কোন নির্বাচনে?
  1. ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  2. ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  3. ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  4. ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- নির্বাচন কমিশন ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করে।
- ৮ম জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ২৭ অক্টোবর ২০০৬ তারিখে।
- সে অনুযায়ী ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সর্বশেষ তারিখ ছিল ২২ জানুয়ারী ২০০৭।
- রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্গঠন করা হয় এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচন কমিশন ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও নির্বাচনের জন্য করণীয় সকল কর্মকাণ্ডকে সুবিন্যন্ত করে ১৫ জুলাই ২০০৭ তারিখে একটি রোড ম্যাপ প্রকাশ এবং ডিসেম্বর ২০০৮ সালের মধ্যে ৯ম জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
- পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশন ২০০৬ সালে প্রণীত ভোটার তালিকার গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় প্রথমেই ভোটার তালিকা আইন ও বিধিমালা সংশোধন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, স্থানীয় সরকারসহ দেশের সর্বমহলের সহযোগিতায় ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজে হাত দেয় এবং অক্টোবর ২০০৮ এর মধ্যে সারাদেশের ছবিসহ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে।
- প্রকাশিত ভোটার তালিকায় যথার্থতা নিরূপণের জন্য ছবিসহ ভোটার তালিকা দিয়ে বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনসহ ৯টি পৌরসভার নির্বাচন আগস্ট ২০০৮ এ সম্পন্ন করে, যা দেশবাসীসহ আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসিত হয়।
- ৩৮টি রাজনৈতিক দল ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। 

উল্লেখ্য,
- কমিশনের ঘোষিত রোড ম্যাপ অনুযায়ী অবশেষে ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে বহু প্রত্যাশিত ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
১,৬৭৪.
বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যশোর
ব্যাখ্যা
২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা ই-সেবাকেন্দ্র চালু হওয়ার পর তথ্য-প্রযুক্তিতে অগ্রগতির জন্য ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোর জেলাকে ‘বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা’ হিসেবে ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি ‘ন্যাশনাল ই-সার্ভিস সিস্টেম’-এর উদ্বোধন করেন।
সূত্রঃ প্রথম আলো
১,৬৭৫.
রাষ্ট্রের মুখ্য কার্যাবলির অন্তর্গত-
  1. বাল্যবিবাহ রোধ
  2. বাজেট প্রণয়ন
  3. মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র স্থাপন
  4. কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান
সঠিক উত্তর:
বাজেট প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেট প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি :
- অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রে বসবাসরত জনগণের অধিকার সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেগুলোকে অপরিহার্য বা মুখ্য কাজ বলা হয়। রাষ্ট্রের অপরিহার্য

• কাজগুলো নিম্নরূপ:
- দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা।
-  রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ও অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তোলা।
- জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবা প্রদান করা।
- আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
- অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
 - বাজেট প্রণয়ন,
- মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা,
- গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ,
- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে।

অন্যদিকে,
• রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি : 
- বাল্যবিবাহ রোধ।
- মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র স্থাপন।
- কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৬৭৬.
বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য কত দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

⇒ সরকারি বিল:
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়। 

⇒ বেসরকারি বিল:
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- সংসদের ৭২(১) বিধি অনুসারে মন্ত্রী ব্যতীত সকল সংসদ সদস্য সংসদে বেসরকারি বিল উত্থাপনের নোটিশ দিতে পারে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়। 

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ii) সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১,৬৭৭.
গভর্নমেন্ট হাউজের বর্তমান নাম কী?
  1. জাতীয় সংসদ ভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. যমুনা
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন - বঙ্গভবন।
- ঐতিহাসিক এই ভবনের যাত্রা শুরু হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯০৫ সাল।
- বঙ্গভবন এর পূর্ব নাম ছিল গভর্নমেন্ট হাউজ।
- ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই ভবনের নাম পরিবর্তন করে 'বঙ্গভবন' রাখা হয়।
- বঙ্গভবন বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এর ২টি বিভাগ রয়েছে। যথা -
• জন বিভাগ (Public Division),
• আপন বিভাগ (Personal Division)।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।

১,৬৭৮.
জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধনীসহ সর্বশেষ প্রকাশিত হয় কবে?
  1. ক) ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি
  2. খ) ২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি
  3. গ) ২০১০ সালের ১১ জানুয়ারি
  4. ঘ) ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের কার্যক্রম সম্পাদন ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত ও অনুমোদিত কার্যপ্রণালী বিধি কাঠামো।
- সংবিধানের ৭৫(১) (ক) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সংসদ কর্তৃক গঠিত কমিটির পেশকৃত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রণীত।
- কার্যপ্রণালী বিধি ১৯৭৪ সালের ২২ জুলাই সর্বপ্রথম গৃহীত হয়।
- কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধনীসহ সর্বশেষ প্রকাশিত হয় ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি।
- কার্যপ্রণালী বিধি ২৯ টি অংশে বিভক্ত। এতে রয়েছে ৩১৮ টি ধারা ও ৪ সিডিউল।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭৯.
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় আইন বিভাগের নিকট দায়ী নয় -
  1. ক) শাসন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) শাসন ও বিচার বিভাগ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় আইন বিভাগের নিকট দায়ী নয় - শাসন বিভাগ।

• রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার (Presidential form of Government):

- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার হল এমন এক সরকার ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রপতির হাতে রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
- তিনি তার কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকেন না। অর্থাৎ শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না।
- এ ধরনের সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রকৃত শাসক ও নির্বাহী প্রধান একই ব্যক্তি হন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রচলিত আছে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮০.
ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
ময়মনসিংহ বাংলাদেশের অষ্টম বিভাগ। ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা সংখ্যা চারটি। জেলাগুলো হলো- ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা ও শেরপুর।
উৎসঃ নিকার ওয়েবসাইট।
১,৬৮১.
জাতীয় ডাটা সেন্টার অবস্থিত?
  1. ক) টঙ্গী
  2. খ) মহাখালী
  3. গ) আগারগাও
  4. ঘ) কালিয়াকৈর
  5. ঙ) শেরে বাংলা নগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালিয়াকৈর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালিয়াকৈর
ব্যাখ্যা
২৯ নভেম্বর ২০১৯ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে উদ্বোধন করা হয় জাতীয় ডাটা সেন্টার। এটির ডাটা ধারণ ক্ষমতা ২০ লক্ষ গিগাবাইট বা ২ পেটাবাইট। তথ্য ধারণের দিক দিয়ে এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার। চীনা প্রতিষ্ঠান জেডটিএ এটি নির্মাণে সহায়তা করে। (সূত্রঃ দৈনিকে ইত্তেফাক)
১,৬৮২.
জাতীয় সংসদের বেসরকারি দিবস কোনটি?
  1. ক) মঙ্গলবার
  2. খ) বুধবার
  3. গ) বৃহস্পতিবার
  4. ঘ) শনিবার
সঠিক উত্তর:
গ) বৃহস্পতিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃহস্পতিবার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বেসরকারি দিবস হলো বৃহস্পতিবার।
সূত্রঃ parliament.gov.bd
১,৬৮৩.
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI) কত সালে প্রতিষ্ঠিত?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

 বিএসটিআই:
- BSTI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭ (The Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 37 of 1985) এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) কে একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও (Department of Agricultural Grading and Marking) বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।

⇒ বিএসটিআই-এর কাজ:
- পণ্য, সেবা ও প্রক্রিয়ার জাতীয় মান প্রণয়ন, তদানুযায়ী পণ্য পরীক্ষণ ও পণ্যের গুণগত মান সনদ (সার্টিফিকেশন) প্রদান এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।
- এছাড়া দেশব্যাপী ওজন ও পরিমাপের সকল ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং পরিমাপ যন্ত্রসমূহ ভেরিফিকেশন ও ক্যালিব্রেশনের দায়িত্বেও নিয়োজিত।

উৎস: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।

১,৬৮৪.
বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাসভবন-এর নাম কী?
  1. বঙ্গভবন
  2. গণভবন
  3. রাষ্ট্রপতি ভবন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাসভবন-এর নাম বঙ্গভবন।

বঙ্গভবন:

- ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- জাতির মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘বঙ্গভবন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে নবসৃষ্ট প্রদেশের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কার্যালয় ও বাসভবনের প্রয়োজনে বঙ্গভবনের যাত্রা।
- তখন এর নাম ছিল ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হলে নতুন ‘গভর্নর’-এর দপ্তর ও বাসস্থান নির্বাচিত হয় ব্রিটিশ আমলের গভর্নমেন্ট হাউজ।
- রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন।
- ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ ২টি। যথা:
i) জন বিভাগ,
ii) আপন বিভাগ।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের নেতৃত্বে এ বিভাগ দু’টি পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে,
- গণভবন হলো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।
১,৬৮৫.
সুপ্রীম কোর্ট কয় ভাগে বিভক্ত?
  1. ৩ ভাগ
  2. ২ ভাগ
  3. ৪ ভাগ
  4. কোন ভাগ নেই
সঠিক উত্তর:
২ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগ
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্ট: 
- সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রীমকোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত। যেমন:
(ক) আপীল বিভাগ ও
(খ) হাইকোর্ট বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি এবং উভয় বিভাগের আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক বিচারক সমন্বয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ আপীল বিভাগে আসন গ্রহণ করেন।
- অন্যান্য বিচারকগণ হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করেন।
- তাঁরা বিচারকার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে তত্ত্বগতভাবে স্বাধীন। রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিযুক্ত করেন।
- রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারকদেরও নিয়োগ করেন।
- রাজধানীতে সুপ্রীম কোর্টের স্থায়ী আসন থাকবে।
 -তবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে প্রধান বিচারপতি যে কোনো স্থানে সুপ্রীমকোর্টের অধিবেশন অনুষ্ঠান করতে পারবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ গঠিত হবে এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ এবং স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোন কারণে শূন্য হলে আপীল বিভাগের প্রবীনতম বিচারক অস্থায়ী ভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৬৮৬.
বাংলাদেশের বিচার কাঠামোর সর্বোচ্চ বিভাগ কোনটি?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের গঠন
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।
- এ আদালতের দু'টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ। 

হাইকোর্ট বিভাগ
- প্রাথমিক মামলা গ্রহণের সর্বোচ্চ আদালত হল হাইকোর্ট। 

হাইকোর্ট বিভাগের নিম্নলিখিত ক্ষমতা ও কার্যাবলি রয়েছেঃ
ক. বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে কোন সরকারি কর্মচারী বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারেন।
খ. প্রজাতন্ত্রের (সরকারের) কোন কর্মচারী বা কর্তৃপক্ষকে বেআইনী কাজ বন্ধ করতে অথবা করণীয় সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
গ. অধঃস্তন আদালতের কোন রায়ের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।
ঘ. কোন ব্যক্তির আবেদন সত্ত্বেও যদি হাইকোর্ট মনে করে উন্নয়ন কাজ বা জনস্বার্থ বাধাগ্রস্থ হবে তবে কোন আদেশ দান না করার ক্ষমতা হাইকোর্টের রয়েছে।
ঙ. অধস্তন আদালত পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আদেশ, নির্দেশ জারি করতে পারে হাইকোর্ট।

আপিল বিভাগ
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়। 

নিচে আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি আলোচনা করা হল-
১. হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির ও তাহা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
২. এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
৩. রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
৪. সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৭.
বিজিবি কোন মন্ত্রনালয়ের অধীন?
  1. ক) প্রতিরক্ষা
  2. খ) স্বরাষ্ট্র
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
খ) স্বরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন । তবে যুদ্ধকালীন সময়ে বিজিবি সেনাবাহিনীর অধীন হয়। এছাড়া কোস্টগার্ডও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন, যা যুদ্ধকালীন সময়ে নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হয়।
উৎসঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইট।
১,৬৮৮.
প্রশাসনিক দিক থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মর্যাদা কার সমতুল্য?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
  3. বিভাগীয় কাউন্সিলর
  4. প্রতিমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থ্যায় গুরুত্বপূর্ণ স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, অধিভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়র (যদি থাকে) ও তিনজন মহিলা সদস্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত।
- তাছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য এর পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের প্রধান কাজ হল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা পরিষদের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রশাসনিক দিক থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মর্যাদা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সমতুল্য।
- উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ অফিসার উপজেলা পরিষদের হস্তান্তরিত সদস্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,৬৮৯.
ন্যায়পালের উদ্ভব হয় কোন দেশে?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) নেদারল্যান্ড
  3. গ) আইসল্যান্ড
  4. ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা

ন্যায়পাল (Ombudsman) জবাবদিহিতামূলক পদ বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৮০৯ সালে সুইডেনে প্রথম প্রবর্তিত হয় এবং ক্রমান্বয়ে অন্যান্য দেশে এই ব্যবস্থা চালু হয়।
- সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।
- সরকারি আমলা ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী সরকারি এজেন্ট হিসেবে ন্যায়পাল থাকেন স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য ও অভিগম্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১,৬৯০.
পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?
  1. রাষ্ট্র
  2. নাগরিক
  3. জাতি
  4. নগর
সঠিক উত্তর:
নাগরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিক
ব্যাখ্যা

• নাগরিক:
- পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু নাগরিক।
- রাষ্ট্রে বা প্রাচীন অর্থে পৌরের অধিবাসীর বিষয়বস্তুই পৌরনীতি ও নাগরিকতা'র বিষয়বস্তু।

এর পরিধি হল-
১. নাগরিকতা সম্পর্কিত বিষয়
২. রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের আলোচনা
৩. নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা
৪. নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত
৫. আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯১.
কোন বাংলাদেশী নাগরিকের সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে না কোনটি?
  1. অপ্রকৃতিস্থ
  2. বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন
  3. ৬ মাসের জন্য সাজাপ্রাপ্ত
  4. দেউলিয়া
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের জন্য সাজাপ্রাপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের জন্য সাজাপ্রাপ্ত
ব্যাখ্যা
সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবে না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯২.
সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসের(BCS) ক্যাডার কয়টি?
  1. ক) ২৯টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ২৬টি
  4. ঘ) ২৩টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ গেজেটে ১৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত এস.আর.ও. নম্বর-৩৩৫-আইন/২০১৮ অনুযায়ীঃ
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডারকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়েছে।
বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি।

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে থেকেই সিভিল সার্ভিস প্রচলিত ছিল। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস গঠন করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময় বিসিএস ক্যাডার সংখ্যায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

তথ্যসূত্রঃ bpsc.gov.bd
১,৬৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ এবং ওয়ারেন্ট ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা:
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, `যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন। 

⇒ ব্রিটিশবিরোধী গণ-আন্দোলন থামাতেই ১৮৯৮ সালে ইংরেজরা সর্বপ্রথম এই আইন তৈরি করে। 
- পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ বা ওয়ারেন্ট ব্যতীত ৯ ধরনের ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। 
- ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার ক্ষমতাবলে ৯টি কারণে পুলিশ যে কাউকে বিনা পরোয়ানায় বা আদেশ ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।

⇒ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় যে ৯টি কারণে একজন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারেন। ক. আমলযোগ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ রয়েছে কিংবা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ রয়েছে। খ. আইনসংগত কারণ ব্যতীত যার নিকট ঘর ভাঙ্গার কোনো সরঞ্জাম রয়েছে এমন ব্যক্তি। গ. অত্র কার্যবিধি কিংবা সরকারের আদেশ দ্বারা যাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে। ঘ. চোরাইমাল যার কাছে পাওয়া যায়। ঙ. পুলিশ কর্মকর্তার কাজে বাধাদানকারী; হেফাজত হতে পলায়নকারী বা পলায়নের চেষ্টাকারী ব্যক্তি। চ. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী। ছ. দেশের ভিতর যে সব কাজ শাস্তিযোগ্য দেশের বাহিরে করা হয়েছে তেমন কাজ। জ. কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি যে অত্র কার্যবিধির ৫৬৫ (৩) উপধারা লঙ্ঘন করেছে। ঝ. গ্রেফতারের জন্য পুলিশের কাছ থেকে অনুরোধ পত্র আছে। এই ৯টি ক্ষেত্রে পুলিশকে বিপুল ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।

১,৬৯৪.
সামগ্রিকভাবে সরকারের কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা: 
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্বরূপ।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র তার কাজ করে।
- সরকারের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ রয়েছে।
- সাধারণভাবে সরকার বসতে আমরা বুঝি আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ।
- সামগ্রিকভাবে সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে, যথা: ১. নির্বাহী বা শাসনবিভাগ, ২. আইনবিভাগ ও ৩. বিচার বিভাগ। 
- প্রত্যেক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এ তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে।
- কেননা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজ হচ্ছে প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
- প্রশাসন পরিচালনা দুই ধরনের একটি কেন্দ্রীয় এবং অপরটি স্থানীয় শাসন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,৬৯৫.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিক অধিনায়কত্ব কার হাতে ন্যস্ত?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
  3. সেনা প্রধান
  4. রাষ্ট্রপতি 
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি :

• অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা:
⇒ সংসদ ভেঙ্গে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে কোনো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ অধ্যাদেশ সংসদ প্রণীত আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন।

• প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
⇒ রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

• ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা:
⇒  রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যে কোনো দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার। কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যে কোনো দন্ড তিনি মার্জনা করতে পারেন।

• অর্থসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কাজ: 
⇒ সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উথাপন করতে হলে তাতে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ সাগে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি সংযুক্ত তহবিল থেকে ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা করতে পারেন।

• প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষমতা: 
⇒ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তিনি বহিআক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৬৯৬.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল আদর্শ কোনটি?
  1. কূটনৈতিক দূরত্ব
  2. বাণিজ্যিক সম্পর্ক
  3. সামরিক জোটে অংশগ্রহণ
  4. ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
সঠিক উত্তর:
‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি: 
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়" নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- সংবিধানের ২৫ নং অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
- রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
- সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯৭.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) এএইচএম কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এছাড়া তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী। 

অপরদিকে, 
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।

মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামারুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১,৬৯৮.
সাংবিধানিক সংস্থা কোনটি?
  1. ক) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি কমিশন
  3. গ) বিচার বিভাগ
  4. ঘ) বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড
সঠিক উত্তর:
গ) বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক সংস্থা রয়েছে।

সাংবিধানিক সংস্থা:-  
- নির্বাহী বিভাগ
- আইনসভা। 
- বিচার বিভাগ 
-নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৯৯.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ কোন আইন দ্বারা রহিত করা হয়েছে?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (তদন্ত পরিচালনা) বিধিমালা, ২০২২'
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা- ২০২০
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩:
• ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ( ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন ) দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

উল্লেখ্য,
• ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ করার সিদ্ধান্ত হয়।
• ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয় - ২৮ আগস্ট, ২০২৩।
• বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
• এর আগে গত ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাসস (২৮ আগস্ট, ২০২৩)।
১,৭০০.
নিচের কোনটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি?
  1. NAPE
  2. NICAR
  3. NAEM
  4. NIPORT
সঠিক উত্তর:
NICAR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NICAR
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

NAPE:
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
- ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"।

NAEM:
- NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management. 
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।
- ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি -এ রূপান্তর করা হয়।

NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির আহবায়ক।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।