বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা / ১৯ · ১০০ / ১,৮৩৫

.
নির্বাচন কমিশনাররা সাধারণত কত বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন: 
- সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব কর্তব্য এবং ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনার লইয়া বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে।
- নির্বাচন কমিশনের গঠন কেমন হবে তার নির্দিষ্ট কোন আইন নেই।
- এ বিষয়টি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ারাধীন।
- রাষ্ট্রপতি সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলাপ আলোচনা করে সার্চ কমিটি গঠন করেন।
- এ সার্চ কমিটি নির্বাচন কমিশনের জন্য যোগ্য সদস্য নির্বাচিত করে।
- রাষ্ট্রপতি তাদের মধ্য থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করেন।
- তাঁরা সাধারণত ৫ বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। (১১৮ এর ৩ নং অনুচ্ছেদ)
- নির্বাচন কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে লিখিত স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কী হিসেবে অভিহিত করেন?
  1. ক) লবি গোষ্ঠী
  2. খ) স্বার্থকামী গোষ্ঠী
  3. গ) স্বেচ্ছামূলক গোষ্ঠী
  4. ঘ) বেসরকারি গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের ‘স্বার্থকামী গোষ্ঠী’ হিসেবে অভিহিত করেন।
অন্যদিকে,
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী)
.
বাংলাদেশ সরকারের বিভাগ কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৫ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
সেগুলো হচ্ছে:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
.
রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে পদত্যাগ করতে চাইলে কার নিকট তা জানাতে হবে?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) চিপ হুইপ
  4. ঘ) মন্ত্রী পরিষদ সচিব
ব্যাখ্যা
• মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
• কিন্তু মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপাসরণ জনিত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তা পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদে বলা আছে যে, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে ৫ বছর মেয়াদে স্বপদে আসীন থাকবেন এবং
• মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও পরবর্তী রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বপদে বহাল থাকবেন।
• কিন্তু রাষ্ট্রপতি দুটি মেয়াদের অধিককাল এই পদে থাকতে পারবেন না, তা ধারাবাহিক হোক বা নাই হোক।
• রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে সংসদের স্পিকার বরাবর লিখিতভাবে তা জানাতে হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সম্প্রতি [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫], ‘পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা শিথিলকরণ’ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে-
  1. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
'পুলিশ ভেরিফিকেশন শিথিলকরণ' পরিপত্র:
- ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ‘পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা শিথিলকরণ’ পরিপত্র জারি করা হয়।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ কর্তৃক এই পরিপত্র জারি করা হয়।
- এতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের (এনআইডি) ভিত্তিতে আবেদনকারীকে পাসপোর্ট দেবে সরকার।
- পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পাসপোর্টের নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাইকৃত জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্যের ভিত্তিতে আবেদনকারীকে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
- পাসপোর্ট পুনঃ ইস্যুর ক্ষেত্রে বিদ্যমান পাসপোর্টের সঙ্গে মৌলিক তথ্যের পরিবর্তন হলে জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদত্ত তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।

উল্লেখ্য,
- পরিপত্র জারির আগে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধান বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- আবেদনকারীর ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি যথাসময়ে পাসপোর্টপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তথ্যসূত্র- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [Link]
.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৫টি
  2. ২০টি
  3. ২৫টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় নির্বাচন:

- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
.
রাষ্ট্রের দলীয় ব্যবস্থাকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. পাঁচটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের বিভিন্নরূপ:

- রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা প্রকার।
- রাষ্ট্রের দলীয় ব্যবস্থাকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।

যথা :
• একদলীয় ব্যবস্থা :
- যখন রাষ্ট্রে একটিমাত্র দল থাকে তখন তাকে একদলীয় ব্যবস্থা বলা হয়।
- একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একটিমাত্র দল থাকে।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না।

• দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা :
- দেশে মাত্র দু'টি দল থাকলে তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে।
- একটি দল সরকার গঠন করে এবং অন্যদল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে।
- তবে প্রকৃতিগতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ও বৃটেনে দ্বি-দল ব্যবস্থাই প্রচলিত আছে।

• বহু-দলীয় ব্যবস্থা :
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুটির বেশি দল, রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লাড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, তখন তাকে 'বহুদলীয় ব্যবস্থা' বলে।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত ক্যাডেট কলেজ কয়টি?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে। এগুলো হলো: 
- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ,
- মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,
- রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ,
- বরিশাল ক্যাডেট কলেজ,
- পাবনা ক্যাডেট কলেজ,
- সিলেট ক্যাডেট কলেজ,
- রংপুর ক্যাডেট কলেজ,
- কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ,
- ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
এগুলোর মধ্যে প্রথম নয়টি ছেলেদের, পরের তিনটি মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।
.
১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে?
  1. ক) মুসলিম লীগ
  2. খ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  3. গ) পিপলস পার্টি
  4. ঘ) আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জাতীয় পরিষদের ৩১৩ টি আসনের ১৬৭ আসন এবং পরিষদের ৩১০টি আসনের ২৯৮ আসনে জয় লাভ করে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (মার্চ, ২০২৬)
  1. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. রকিবুল হোসেন
  3. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  4. কে এম নূরুল হুদা
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১১.
পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

⇒ রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

⇒ প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

⇒ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১২.
রাষ্ট্রের ইচ্ছার প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করে-
  1. ক) জনগণ
  2. খ) রাজনৈতিক দল
  3. গ) সরকার
  4. ঘ) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন রাষ্ট্র চিন্তাবিদগণ বিভিন্ন সময়ে সরকারের সংজ্ঞা দিয়েছেন। অধ্যাপক লাস্কি বলেছেন, “সরকার হলাে রাষ্ট্রের মুখপাত্র। সরকার হলাে একটি যন্ত্রবিশেষ। যার মাধ্যমে রাষ্ট্র তার কার্যাবলি সুসম্পন্ন করে
থাকে।”
সরকারের মাধ্যমেই রাষ্ট্র তার ইচ্ছাসমূহের বাস্তবায়ন ঘটায়। কেউ কেউ সরকারকে রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে থাকেন। সরকারই রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি।
উৎসঃ পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৩.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদে মোট আসন ছিল-
  1. ক) ৩৪৫ টি
  2. খ) ৩৩০ টি
  3. গ) ৩১৫ টি
  4. ঘ) ৩১০ টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৩ সালে অর্থাৎ প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ১৫টি।
- তখন সংসদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১৫টি।
- ১৯৭৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৩০ টি।
- তখন মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩৩০ টি।
- পরবর্তীতে ২০০১ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৪৫ টি।
- সর্বশেষ ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৫০ টি।
- ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩৫০টি।

উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

১৪.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান ‍কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. নিজে পাঠ করেন
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৬.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. ডেপুটি স্পিকার
  5. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১৭.
সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করতে পরামর্শ দিয়ে থাকে -
  1. নির্বাচন কমিশন
  2. বল আদায়কারী গোষ্ঠী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী -
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রচারকার্য পরিচালনার একটি সংগঠিত মাধ্যম।
- কোনো বিশিষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য কাজ করে এমন গোষ্ঠীকে বলা হয় চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
- সুশীল সমাজ কাজ করে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে। চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার।

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বিভিন্ন কাজ:
● সরকারের ত্রটি-বিচ্যুতি দূরীকরণ,
● সরকারের উপদেষ্টা,
● রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংরক্ষণ ও পরিবর্তন,
● আইন ও নীতির উৎস।
● স্বার্থের সংহতি সাধন,
● জনসংযোগ,
● তথ্য প্রদান,
● রাজনৈতিক প্রচার,
● সামাজিকীকরণ,

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় পত্র,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব কার?
  1. বিচার বিভাগের
  2. শাসন বিভাগের
  3. আইন বিভাগের
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মত বিচার বিভাগও আধুনিক সরকার ব্যবস্থার অপরিহার্য অঙ্গ।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হচ্ছে বিচার বিভাগ।
- সরকারের যে বিভাগ প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল বিচারকার্য সম্পন্ন করে তাকে বিচার বিভাগ বলে।
- বিচার বিভাগ হল সরকারের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যা জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করে এবং এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার রিট জারি করে।
- বিচার বিভাগ রাষ্ট্র ও সরকারের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয় কোনটিকে?
  1. আইনসভা
  2. বিচার বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. নির্বাচকমন্ডলী
ব্যাখ্যা
• আইন বিভাগ:
→ আইনসভা সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।
→ বস্তুত: সংবিধান প্রণয়ন কিংবা আইন প্রণয়নের মত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বলতে গেলে আইন সভা থেকেই একটি রাষ্ট্রের কার্যক্রম সূচনা হয়।
→ জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্য হন। যার জন্য আইনসভাকে গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয়।
→ গণতন্ত্রের সাফল্য এবং বিকাশে আইনসভার ভূমিকা অসামান্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
সুপ্রিম কোর্ট কত ভাগে বিভক্ত?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court):
- বাংলাদেশে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয়।
- জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
- প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্ধারিত সংখ্যক বিচারপতি নিয়ে গঠিত।

• সুপ্রিম কোর্ট দুইটি বিভাগে বিভক্ত:
- হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)।
- আপীল বিভাগ (Appellate Division)।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ধারা ৯৪ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
'অবকাশ লাভের অধিকার' কী ধরনের অধিকার?
  1. সামাজিক অধিকার
  2. রাজনৈতিক অধিকার
  3. অর্থনৈতিক অধিকার
  4. নৈতিক অধিকার
ব্যাখ্যা
• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
যেমন-
- জীবন রক্ষার,
- স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের,
- পরিবার গঠনের,
- শিক্ষার,
- আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের,
- সম্পত্তি লাভের;
- ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

•. রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং সকল প্রকার অভাব-অভিযোগ আবেদনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়াকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

অর্থনৈতিক অধিকার:
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
যেমন-
- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার,
- ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার,
- অবকাশ লাভের অধিকার,
- শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২২.
'Rules of Business' প্রণয়ন করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

→ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

২৩.
অধিদপ্তরের প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. সচিব
  2. পরিচালক
  3. মহাপরিচালক
  4. যুগ্ম সচিব
ব্যাখ্যা
অধিদপ্তর

⇒ সাধারণত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এক বা একাধিক দপ্তরকে অধিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন মহাপরিচালক।
⇒ যিনি অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।
⇒ অন্যদিকে অধিদপ্তরের অধীনস্ত এক বা একাধিক দপ্তরকে পরিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন পরিচালক।
⇒ যিনি একজন যুগ্ম সচিব বা উপসচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।

সূত্র : পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্ৰেণী।
২৪.
দেশে সাংবিধানিক সংস্কারের জন্য অন্তবর্তী সরকারের কয়টি কমিশন গঠন করা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

সংস্কার কমিশন: 

- রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- বিশিষ্ট নাগরিকদের এসব কমিটির প্রধান করা হয়েছে। 
- জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা জানান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন - ড. বদিউল আলম মজুমদার;
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন - সফর রাজ হোসেন;
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন - বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান;
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন - ড. ইফতেখারুজ্জামান;
• জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন - আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী;
• সংবিধান সংস্কার কমিশন - অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

[সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই কমিশনের প্রধান হিসেবে তার পরিবর্তে আলী রীয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।]  

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৫.
মন্ত্রণালয়ের সচিবের পরেই কার স্থান?
  1. ক) উপসচিব
  2. খ) অতিরিক্ত সচিব
  3. গ) যুগ্ন সচিব
  4. ঘ) সহকারী সচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পরেই সচিবের স্থান। আর সচিবের পরে অতিরিক্ত সচিবের স্থান। অতিরিক্ত সচিবের পরেই যুগ্ন সচিবের স্থান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৬.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি-
  1. স্বাধীন
  2. সংবিধান মেনে চলতে হয়
  3. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয়
  4. আইনমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয়
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ:

-  রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
- রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগের দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির।
- তিন বাহিনীর (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) প্রধানদের তিনিই নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতিত রাষ্ট্রপতি তাঁর সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি স্বাধীন।

- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
-  সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থ বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না।
- কোনো কারণে সংসদ কোনো ক্ষেত্রে অর্থ মঞ্জুর করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি ৬০দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
২৭.
একাদশ জাতীয় সংসদে কয়টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ২৫টি
  3. ৩০টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
একাদশ জাতীয় সংসদ
 - একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২২ অক্টোবর, ২০২৩।
- এটি একাদশ জাতীয় সংসদের ২৫তম এবং চলতি বছরের পঞ্চম অধিবেশন।
- একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি।
- একাদশ জাতীয় সংসদে ২৫টি অধিবেশনে মোট কার্যদিবস ছিল ২৭২ দিন।
- বিল পাস হয়েছে ১৬৫টি।
- একাদশ সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য মোট প্রশ্ন পাওয়া যায় ১ হাজার ৩৩৬টি।
- এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জবাব দিয়েছেন ৫৬৬টি প্রশ্নের।
- অন্য মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্ন পাওয়া যায় ৩০ হাজার ৬৪১টি। এর মধ্যে মন্ত্রীরা জবাব দিয়েছেন ১৭ হাজার ৭৬২টি প্রশ্নের।
- শেষ অধিবেশনে বিল পাসের রেকর্ড
- গত ২২ অক্টোবর একাদশ সংসদের ২৫তম অধিবেশন শুরু  হয়েছিল। 
- মোট ৯ কার্যদিবসের অধিবেশন হলেও প্রথম দিনের বৈঠক মুলতবি করা হয়েছিল। সে হিসাবে এই অধিবেশনের মাত্র ৮ দিনে ২৫টি বিল পাস হয়।
- এর আগে গত দশম সংসদের শেষ অধিবেশনে ১৯টি বিল পাস হয়েছিল। সংসদ অধিবেশনের সংখ্যার দিক থেকেও চলতি সংসদ রেকর্ড করেছে।
- গত ৪ বছর ৯ মাসে একাদশ সংসদের ২৫টি অধিবেশন হয়েছে।
- এর আগে সপ্তম, অষ্টম ও দশম সংসদে সর্বোচ্চ ২৩টি করে অধিবেশন হয়েছিল।
- এ ছাড়া নবম সংসদ ১৯টি ও পঞ্চম সংসদ ২২টি অধিবেশন হয়। ষষ্ঠ সংসদ শেষ হয় মাত্র একটি অধিবেশনের মধ্য দিয়ে।
- সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত অধিবেশনের রেকর্ডও হয়েছে এই সংসদে।
- করোনা মহামারির সময় এক দিনে মাত্র দেড় ঘণ্টার বৈঠকের মাধ্যমে সংসদের একটি বৈঠক শেষ হয়।
- ২০২০ সালের ১৮ এপ্রিল চলতি সংসদের সপ্তম অধিবেশন শুরুর পর তা দেড় ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
- করোনাকালে বেশ কয়েকটি অধিবেশন হয়েছিল বিশেষ ব্যবস্থায়। 

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট। 
২৮.
বর্তমানে খুলনা বিভাগে জেলা কয়টি?
  1. ক) ১৩টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্তমানে খুলনা বিভাগে জেলা সংখ্যা ১০টি, ঢাকা বিভাগে ১৩টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১টি, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে ৮টি করে, বরিশাল বিভাগে ৬টি, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে জেলার সংখ্যা ৪টি করে।
উৎসঃ নিকার ওয়েবসাইট।
২৯.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়?
  1. ৯৪ (১) নং
  2. ৯৫ (১) নং
  3. ৯৬ (১) নং
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়।

সুপ্রিম কোর্ট:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- সংবিধানের ৯৬ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
         iii) ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।
৩০.
বাংলাদেশে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ কোন সালে পাস হয়? 
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০:
- নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে এ আইন পাশ করা হয়।
- এ আইনের ধারা ৩৫ টি।
- পরিচিতি: এই আইন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ নামে অভিহিত হইবে।
- আইনের প্রাধান্য : আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৩১.
জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. ডেপুটি স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- স্পিকার সংসদ অধিবেশনের কাজকর্ম পরিচালনা করেন।
- তিনি সভার নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।
- কোনো সদস্য নিয়মবহির্ভূত আচরণ করলে তাকে সভাধ্যক্ষবরখাস্ত করতে পারেন।
- তিনি অনাস্থা প্রস্তাব, মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব ও নিয়মানুযায়ী দৃষ্টি-আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তি সহ বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি দেন।
- অধিবেশনে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে তাও স্পিকার স্থির করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। 

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
৩২.
বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় মোট কয়টি স্তর রয়েছে?
  1. ২ স্তর 
  2. ৩ স্তর
  3. ৪ স্তর
  4. ৫ স্তর
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।

⇒ বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।

উলেখ্য, 
• শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

তথ্যসূত্র: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৩.
কোন সালে বাংলাদেশের নারীরা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনে প্রথম সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন?
  1. ক) ১৯৯৫ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নারীদের সংরক্ষিত তিনটি আসনে প্রথম সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এর আগে প্রথম ১৯৭৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদে দুজন মনোনীত নারী সদস্য নিয়োগের বিধান করা হয় যা ১৯৮৩ সালে তিনজনে উন্নীত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩৪.
বিরোধী দলের কাজ নয় কোনটি?
  1. অধিকার বাস্তবায়ন
  2. গণতন্ত্র রক্ষা
  3. গঠনমূলক সমালোচনা
  4. বাজেটের অনুমোদন দেয়া
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।
• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।
• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে,
- বাজেটের অনুমোদন দেয়া বিরোধী দলের কাজ নয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
- এটি রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে ১৫ মিলিয়ন ডলারের অনুমিত ব্যয় ধরে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- সমস্ত সুবিধাদিসহ ৩২ মিলিয়ন ডলারের পরিবর্তিত ব্যয়ে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
- কমপ্লেক্সটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে মূল সংসদ ভবন, সংসদ সদস্য, মিনিস্টার ও সেক্রেটারিদের হোস্টেল, অথিতি ভবন ও কমিউনিটি বিল্ডিং।
- মাটির উপরে কাঠামোটির উচ্চতা ৪৯.৬৮ মিটার।
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত। এর মধ্য আটটি ৩৩.৫৩ মিটার এবং কেন্দ্রীয় অষ্টভুজাকার ব্লকটি ৪৭.২৪ মিটার উঁচু।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৬.
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ বাতিল করে কোন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  2. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৫
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০২৫
  4. কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ বাতিল করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।

⇒ এতে আগের আইনের ৯টি ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে।
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩৪ বাদ পড়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ধারাগুলোয় নিষ্পন্নাধীন কোনো মামলা বা অন্যান্য কার্যধারা ও তদন্ত বাতিল হবে এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। এ ছাড়া এসব ধারায় আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল হবে।
- বাদ পড়া ধারাগুলোয় ছিল—মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড; পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ; আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শন, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ; অনুমতি ব্যতীত পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার ইত্যাদির দণ্ড; মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, প্রচার ইত্যাদি।

উৎস: i) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫। 
ii) প্রথম আলো।
৩৭.
মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক কেন্দ্রস্থল-
  1. ক) মন্ত্রণালয়
  2. খ) বিভাগ
  3. গ) সচিবালয়
  4. ঘ) পিএমও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোতে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়। সচিবালয় বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রশাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র। সচিবালয় সরকারের কর্মসূচি, নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করে থাকে। প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ। সচিবালয় হচ্ছে সকল ক্ষমতা আধার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩৮.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট কার কাছে জমা দিতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. প্রধানমন্ত্রীর কাছে
  3. জাতীয় সংসদের কাছে
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- ব্রিটিশ শাসনের ঐতিহ্যবাহী অধিকাংশ দেশে ‘সিভিল’ বা ‘পাবলিক’ সার্ভিস কমিশন গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ প্রদান এবং চাকুরি সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে সকল সিদ্ধান্ত যাতে মেধা ও সমদর্শিতার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিতকরণ।
- বাংলাদেশে এই সংস্থা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নামে অভিহিত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে (৯ম ভাগের ২য়) কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়।

উল্লেখ্য, সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৩৯.
পৌরসভার সদস্যগণের পদবি কী?
  1. ক) মেম্বার
  2. খ) কমিশনার
  3. গ) কাউন্সিলর
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
পৌরসভা
পৌরসভা হচ্ছে শহরের জনগণের স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।

পৌরসভার গঠন 

- একজন মেয়র, কয়েকজন কাউন্সিলর ও কয়েকজন মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে পৌরসভা হয়।
- মেয়র ও কাউন্সিলরগণ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
- তিনটি ওয়ার্ড হতে সংরক্ষিত আসনে একজন মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
- একটি পূর্ণাঙ্গ পৌরসভায় সাধারণত ১৮টি ওয়ার্ড থাকে।
- সে হিসাবে পৌরসভার মোট সদস্যসংখ্যা হলো: একজন মেয়র, আঠারো জন কাউন্সিলর, ছয়জন মহিলা কাউন্সিলরসহ মোট পঁচিশ জন।
- পৌরসভার নির্বাচিত প্রধানের পদবি 'মেয়র'।
- পৌরসভায় নির্বাচিত সদস্যকে 'কাউন্সিলর' বলা হয়।
- পৌরসভার নির্বাচন হয় প্রত্যক্ষ ভোটে।
- পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরদের কার্যকালের মেয়াদ ৫ বছর।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৪০.
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নয় -
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পীকার
  3. গ) প্রতিমন্ত্রী
  4. ঘ) উপমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নয় - স্পীকার। তিনি হচ্ছেন সংসদের নীরপেক্ষতার প্রতীক।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ সংবিধান ৫৫। (১)অনুযায়ী,
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।

- বাংলাদেশ সংবিধান  ৫৬। (১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন।

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 

(৩) তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
৪১.
জাতীয় সংসদ ভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ
  2. তেজগাঁও
  3. শের-এ-বাংলা নগরে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবনের বর্তমান ভবন ২৮ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে।
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই ইসাডোর কান বা সংক্ষেপে লুই আই. কান একজন বিখ্যাত মার্কিন স্থপতি যিনি এস্তোনীয় ইহুদী বংশোদ্ভূত।
- জাতীয় সংসদ ভবন নয় তলা উচ্চতা বিশিষ্ট এবং প্রায় ২১৫ একর জমির উপর নির্মিত।
- জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শের-এ-বাংলা নগরে অবস্থিত। 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
- এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ ভবনের ওয়েবসাইট।
৪২.
ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত নারী সদস্যের সংখ্যা কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ: 
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে এক জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ন'জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিন জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) রয়েছে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
-  ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৩.
বাংলাদেশে কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণীত হয়?
  1. ২০০২ সালে 
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

৪৪.
বাংলাদেশে প্রথম ই-পারিবারিক আদালত চালু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

• ই-পারিবারিক আদালত:
- চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে।
- বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজীকরণে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন এ ব্যবস্থায় বিচারপ্রার্থীরা ঘরে বসেই মামলা সম্পর্কিত সব তথ্য জানতে পারবেন, আবেদন করতে পারবেন, এমনকি সাক্ষ্যও দিতে পারবেন।এতে সময়, ভোগান্তি ও খরচ—সবই কমবে।

- আদালত সূত্র জানায়, ই-পারিবারিক আদালতে পাঁচ ধরনের বিষয়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে— বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত।

- আদালতের নিজস্ব ওয়েবসাইটে থাকবে মামলার রেজিস্ট্রেশন, আইনজীবী নির্বাচন, নথি আপলোড, অনলাইন হাজিরা ও অগ্রগতি দেখার সুবিধা। ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের পরিচয়ও নিশ্চিত করা হবে।

উৎস: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ প্রতিদিন।

৪৫.
নিম্নের কোনটি সরকারি আইনগত সহায়তার হেল্পলাইন নম্বর  হিসেবে পরিচিত?
  1. ১৬৪২০
  2. ৩৩৩
  3. ১০৯৮
  4. ১৬৪৩০
ব্যাখ্যা

- কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিগত সরকারের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে আইনি সহায়তার দিতে হেল্পলাইন চালু করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যাবে

বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার।
- ১০৯: নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নম্বর।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

সূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৪৬.
অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম কতজন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩০ জন
  2. ৪৫ জন
  3. ৬০ জন
  4. ১৫১ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৭.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সেনাপ্রধান
  3. প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি :

• অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা:
⇒ সংসদ ভেঙ্গে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে কোনো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ অধ্যাদেশ সংসদ প্রণীত আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন।

• প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
⇒ রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

• ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা:
⇒  রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যে কোনো দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার। কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যে কোনো দন্ড তিনি মার্জনা করতে পারেন।

• অর্থসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কাজ: 
⇒ সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উথাপন করতে হলে তাতে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ সাগে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি সংযুক্ত তহবিল থেকে ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা করতে পারেন।

• প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষমতা: 
⇒ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তিনি বহিআক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪৮.
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন কত সালে প্রণীত?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন:
- বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- আইনটি ২০০৬ সালের ৩ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এ আইনের মাধ্যমে জন্ম, মৃত্যু, নাগরিক পরিচয় ও বয়সের প্রমাণপত্র আইনগতভাবে সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়।
- এটি নাগরিক অধিকার, সেবা গ্রহণ, উত্তরাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উলেখ্য,
- ২০১০ থেকে অনলাইনে জন্মসনদ দেওয়া শুরু হয়। ২০১৬ সালে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন প্রকল্পটির তৃতীয় পর্যায় শেষ হয়। সরকার ওই বছরের ১ জুলাই থেকে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যক্রম রাজস্ব খাতে নিয়ে আসে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- জনসচেতনতা বাড়াতে ২০১৮ সালের অক্টোবরে সরকার ৬ অক্টোবরকে ‘জাতীয় জন্মনিবন্ধন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো। 

৪৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের অংশ নয়?
  1. রাজনৈতিক বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:

সেগুলো হচ্ছে:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৫০.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নামে বিভক্ত করা হয়েছে কত সালে?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানীতে পরিণত হয়।
- ১৯৭৭ সালে "পৌরসভা অধ্যাদেশ, ১৯৭৭" প্রবর্তনের মাধ্যমে শহর এলাকা ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত হয় এবং ওয়ার্ড কমিশনারদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওয়ার্ড কমিশনাররা তাদের সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতেন।
- ১৯৭৮ সালে, ঢাকা পৌরসভা কর্পোরেশনের মর্যাদা লাভ করে এবং বিদ্যমান চেয়ারম্যান কর্পোরেশনের মেয়র হন।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে সামরিক আইন জারির মাধ্যমে পৌর কর্পোরেশন বাতিল করা হয়।
- ১৯৮৩ সালে ঢাকা পৌর কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ প্রবর্তনের মাধ্যমে কর্পোরেশনটি আইনসম্মত হয়।
- ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত সরকার কর্তৃক প্রশাসক/মেয়র নিযুক্ত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে, ঢাকা পৌর কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন রাখা হয় এবং ১০টি জোনে বিভক্ত করা হয়।
- স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯, (সংশোধন-২০১১) অনুসারে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) নামে বিভক্ত করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
  2. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  3. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
  4. রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান। তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৫২.
বাংলাদেশের আইনসভার কার্যকাল কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
 - জাতীয় সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৫৩.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. সরকার
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. জনসমষ্টি
  4. সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা
⇒ সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের উপাদান নয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট ভূখন্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
“প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে” - কোন অনুচ্ছেদে বর্ণীত হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ২১
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ২৮(২)
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ২৯
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ১৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ২৯ঃ সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা --
“(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সমপ্রদায়গত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সমপ্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,
(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে, রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।”
৫৫.
সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগ 'রিট' (Writ) জারি করতে পারে?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  4. বর্নিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

- সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ  'রিট' (Writ) জারি করতে পারে।

- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্ট তা বলবত করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যাচলোনাকে কার্যকর করতে পারে, যা হাইকোর্ট বিভাগের 'রিট এখতিয়ার' নামে পরিচিত।

রিট (Writ) জারি:

- রিট শব্দটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত আদেশ।
- রিট হল এমন এক আদেশ যার মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হত বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে।
- সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিকার প্রাপ্তির জন্য যে পিটিশন দায়ের করে, তা রিট পিটিশন নামে পরিচিত।
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্ট তা বলবত করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যাচলোনাকে কার্যকর করতে পারে, যা হাইকোর্ট বিভাগের 'রিট এখতিয়ার' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ  খান।

৫৬.
মুজিবনগর সরকারের 'স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ' মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
এখানে, অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে বলতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে বুঝানো হয়েছে।

- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকার:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
(তার অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিলো - প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী)
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৫৭.
ঢাকা মহানগরীতে থানার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩০ টি
  2. খ) ৪০ টি
  3. গ) ৪৫ টি
  4. ঘ) ৫০ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ঢাকা মহানগরীর থানার (মেট্রোপলিটন) সংখ্যা ৫০ টি। উৎস: নিকার ওয়েবসাইট
৫৮.
বাংলাদেশে অ্যাটর্নি জেনারেলকে কে নিয়োগ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
  5. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৫৯.
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ কবে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ৮ মার্চ ২০২৫
  2. ১২ মার্চ, ২০২৫
  3. ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ২৮ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৩০ নং অধ্যাদেশ) অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের প্রজ্ঞাপন নং ৪৮.০০.০০০০.০০১.৩৮. ০০৪.২০২৫.১৯২ দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণ-অভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশে প্রণীত হয়েছে এ অধ্যাদেশ।
- এই অধ্যাদেশের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা ও এর কার্যাবলীসহ নানাবিধ বিষয় অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।
- এই অধিদপ্তর গণঅভ্যুত্থানে আজীবন শহিদ পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের পুনর্বাসন করবে।
- অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকায়।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, নিহতদের পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন এবং গণঅভ্যুত্থানের আদর্শকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জুলাই অধিদপ্তর করার উদ্দেশ্য তুলে ধরে সরকার। তাতে বলা হয়, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণ, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার এবং আহত ছাত্র-জনতার পুনর্বাসনসহ গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ও চেতনাকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করাই হবে এই অধিদপ্তরের উদ্দেশ্য।”

উৎস: i) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ। [link]
ii) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৬০.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই বেশি পরিচিত। 
- অনেকে একে প্রবাসী সরকার বলেন। 
- তবে এ সরকারকে বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার বলাই শ্রেয়। 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল (১৯৭১) নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করে কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায়। 
- নতুন সরকার বৈদ্যনাথতলার নাম পাল্টে রাখেন মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে ছিল।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব, 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬১.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সর্বনিম্ন স্তর- 
  1. উপজেলা পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. পৌরসভা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার:
- বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল-জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- এবং সবচেয়ে নিম্ন স্তর  ইউনিয়ন পরিষদ।
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এসএসসি প্রোগ্রাম, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট' প্রদান করে -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ সদস্য
  3. চিফ হুইপ
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয় তখন স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অর্থাৎ কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- স্পিকারের এই ভোটকে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হল 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৬৩.
জাতীয় সংসদের কাজ কোনটি ?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ
  3. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রক্ষমাতর অধিাকরী।
- এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখপাত্র।
- সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য স্বীকৃত।
- আইনসভা সার্বভৌম।
- আইনসভার নিকট শাসন বিভাগ দায়ী না থাকলে তাকে সংসদীয় সরকার বলা যায় না।
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলীর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
• জাতীয় সংসদের কার্যাবলি:
১. আইন প্রণয়ন;
২. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ;
৩. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ;
৪. বিচার বিভাগ সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৫. নির্বাচনী কার্য;
৬. সংবিধান সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, ‍ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৬৪.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের মতে উচ্চ কক্ষে মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবে কতজন সদস্য?
  1. ১০৫ জন
  2. ১০০ জন
  3. ৩০০ জন
  4. ৩৫০ জন
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- উচ্চকক্ষ মোট ১০৫ (একশো পাঁচ) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে;
- এর মধ্যে ১০০ জন সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবেন।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation-PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের মনোনয়ের জন্য সর্বোচ্চ ১০০ (একশো) জন প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে।
- এই ১০০ (একশো) জন প্রার্থীর মধ্যে কমপক্ষে ৫ জন আইন দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য ও রাজনৈতিক দলের সদস্য নন) প্রার্থী মনোনীত করবেন।
- কোনো রাজনৈতিক দলকে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্বের যোগ্য হতে হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের অন্তত ১% নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও,
- উচ্চকক্ষের স্পিকার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
- উচ্চকক্ষের একজন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন যিনি সরকার দলীয় সদস্য ব্যতিত উচ্চকক্ষের অন্য সকল সদস্যের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 

৬৫.
জাতীয় সংসদে ‘ট্রেজারি বেঞ্চ’ বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. সংসদ-কক্ষের সামনের সারির আসন
  2. সংসদ-কক্ষের মাঝামাঝি আসন
  3. সংসদে স্পিকারের আসন
  4. সংসদ-কক্ষের শেষ সারির আসন
ব্যাখ্যা
ট্রেজারি বেঞ্চ
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৬.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা দেয়ার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- মহিলা আসন সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ: ৫ বছর।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৭.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. মোহাম্মদ সাঈদ খোকন
  4. সাদেক হোসেন খোকা
ব্যাখ্যা

- প্রথম জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান হিসেবে জনাব মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন। 
- ২০০২ সালে জনাব সাদেক হোসেন খোকা এমপি নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত মেয়র হন।
- ২০১৫ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র পদে নির্বাচনে জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন। 

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আর্কাইভ।
৬৮.
কোন ক্ষেত্রে স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করেন?
  1. সরকারের প্রস্তাব পাশ করানো
  2. যখন কোনো সদস্য অনুপস্থিত থাকে
  3. সংসদীয় অচলাবস্থা দূর করা
  4. শুধুমাত্র বাজেট পাসের সময়
ব্যাখ্যা

→ সংসদীয় অচলাবস্থা দূর করতে স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করেন।

কাস্টিং ভোট:

- জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৬৯.
PPP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Public-Private Partnership
  2. Private-Public Policy
  3. Personal Purchasing Power
  4. Public Policy Program
ব্যাখ্যা

• PPP-এর পূর্ণরূপ- Public-Private Partnership.

⇒ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (Public-Private Partnership বা PPP) হলো এমন একটি মডেল, যেখানে সরকার এবং বেসরকারি খাত একসঙ্গে কাজ করে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- এটি প্রাথমিকভাবে অবকাঠামো, সেবা প্রদান, এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুনত্ব আনার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭০.
সংসদের অধিবেশন পরিচালনার জন্য ন্যূনতম কতজন সদস্য উপস্থিত থাকতে হয়?
  1. ৯০ জন
  2. ৭০ জন
  3. ৫০ জন
  4. ৬০ জন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভা:

- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- তবে মহিলা সদস্যগণ ইচ্ছা করলে ৩০০ আসনের যে কোনোটিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেও নির্বাচিত হতে পারেন।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।
- এর পূর্বেও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদের একটি অধিবেশন সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
- মোট সদস্য সংখ্যার মধ্যে কমপক্ষে ৬০ জন উপস্থিত থাকলে কোরাম হয় এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায়।
- প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সংসদের নেতা
- আসনসংখ্যার দিক দিয়ে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দলের প্রধান সংসদে বিরোধী দলের নেতাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭১.
বাংলাদেশের ৪র্থ গণভোটে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা-
  1. ৭ কোটি ১৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
  2. ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
  3. ৮ কোটি ১৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
  4. ৮ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট:
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে - ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি যাচাইয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই ভোটের ফলাফল গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথম গেজেটের হিসাব অনুযায়ী 'হ্যাঁ' ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন, 'না' ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন।
- 'হ্যাঁ' এবং 'না' ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন।এর মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ জন।বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ জন। 

- সংশোধিত গেজেটের হিসাব অনুযায়ী গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ জন, 'না' ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জন।
- 'হ্যাঁ' এবং 'না' ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন।
- এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন।

উৎস: বণিক বার্তা।

৭২.
In Bangladesh, who acts as the administrative head of any ministry?
  1. Minister
  2. Secretary
  3. Director General
  4. Rector
  5. None of these
ব্যাখ্যা
সচিব:
- সচিব হচ্ছেন মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান।
- তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসন পরিচালনা, শৃঙ্খলা বিধান এবং এর ওপর অর্পিত কার্যাবলি যথাযথভাবে সম্পাদনের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- তিনি মন্ত্রণালয়/বিভাগ, অধিদপ্তর ও অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে বিধিবিধানসমূহ যথাযথভাবে অনুসৃত হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের দায়িত্বও পালন করেন।
- মন্ত্রণালয়ের/বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে অবহিত করার দায়িত্বও সচিবের।
- একজন সচিব সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও অধীনস্থ দপ্তরসহ মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাপর সংস্থার জন্য বরাদ্দকৃত তহবিল ঐসময়ে প্রচলিত বিধি/আইন অনুসারে ব্যয় করা হচ্ছে কিনা তাও তাকে নিশ্চিত করতে হয়।

উল্লেখ্য,
- মন্ত্রণালয়/বিভাগ সচিবালয়ের কার্য নির্বাহের জন্য বাংলাদেশ সচিবালয়ের অংশ হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে গঠিত প্রশাসনিক ইউনিট।
- ১৯৯৬ সালের কার্যবিধিতে সুনির্দিষ্ট সরকারি কার্য সম্পাদনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও সরকার কর্তৃক ঘোষিত কোন স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিটকে বিভাগ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
- বিভাগ বা কতিপয় বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত মন্ত্রককে মন্ত্রণালয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
- সরকারের কার্যাবলি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে বণ্টন করা হয়।
- সরকারি কার্যবণ্টনের দায়িত্ব কেবিনেট বিভাগের ওপর ন্যস্ত।
- প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অধীনে রয়েছে অধিদপ্তর, অধীনস্থ দপ্তর এবং কতিপয় আধা সরকারি সংস্থা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৩.
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

• উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো,(Bureau of Non-Formal Education-BNFE)
- ২০০৫ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিলুপ্ত হয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো গঠন করা হয়।
- সবার জন্য শিক্ষা-র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক লক্ষ্য পূরণের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। - এ শিক্ষানীতির সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্যাবলির মধ্যে রয়েছে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সাব-সেক্টর তৈরি, শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিতকরণ এবং চাহিদামূলক, অর্থ উপার্জনোপযোগী ও  যথার্থ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি অংশীদারি এবং সহযোগিতাপূর্ণ কর্মপদ্ধতি তৈরি করা।
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালের মধ্যে দেশে শতভাগ সাক্ষরতা অর্জনের লক্ষ্য ঘোষণা করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো বেশ কয়েকটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৪.
‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয় -
  1. ক) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালকে
  2. খ) ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টকে
  3. গ) সুপ্রিমকোর্টকে
  4. ঘ) জজ কোর্টকে
ব্যাখ্যা
‘কোর্ট অব রেকর্ড’:
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশের সুপ্রিমকোর্ট একটি কোর্ট অব রেকর্ড বা লেখ্য আদালত।
- অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের যাবতীয় কর্ম ও বৈচারিক কার্যধারা স্থায়ীভাবে নথিবদ্ধ ও রক্ষিত হয়।
- আদালত অবমাননার জন্যে এই আদালত শাস্তি প্রদান করতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৫.
‘আসামীর হাজতবাস কারাদন্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দেয়ার সাম্প্রতিক নির্দেশটি দিয়েছেন?
  1. ক) আপীল বিভাগ
  2. খ) অ্যাটর্নী জেনারেল
  3. গ) হাইকোর্ট বিভাগ
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- আসামির হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 
- আপিল বিভাগ বলেছে, হাজতবাসের মেয়াদকাল কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ যাবে। হাজতকালীন ও কারাদণ্ড ভোগের সময় যোগ করে যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর (১ নভেম্বর, ২০২১)।
৭৬.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল কেমন সমালোচনা করে?
  1. আক্রমণাত্মক
  2. গঠনমূলক
  3. স্বাভাবিক
  4. হিংসাত্মক
ব্যাখ্যা
• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা :
- গঠনমূলক সমালোচনা: 
- অধিকার বাস্তবায়ন: 
- গণতন্ত্র রক্ষা: 
- বিকল্প নীতি উত্থাপন,
- সমস্যা চিহ্নিত করা: 
- জনমত গঠন
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- পারস্পরিক সম্পর্ক
- রাজনৈতিক সংযোগ সাধন;
 - রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ;
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে কয়টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?[নভেম্বর, 2025]
  1. ১১টি
  2. ১২টি
  3. ১৩টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ০৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
- সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালে।
- অর্থাৎ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: জাতীয় সংসদ ভবনের ওয়েবসাইট।

৭৮.
জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো - 
  1. পঞ্চগড় - ১
  2. রাঙ্গামাটি - ১ 
  3. বান্দরবান - ১ 
  4. খাগড়াছড়ি - ১ 
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদ:
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।

- সংসদের মোট আসন - ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি।
- ৩০০ নং আসন - বান্দরবান।
- ১ টি করে আসন রয়েছে তিনটি জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি)।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৭৯.
পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?
  1. রাষ্ট্র
  2. নাগরিক
  3. জাতি
  4. নগর
ব্যাখ্যা
- পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু নাগরিক।
- রাষ্ট্রে বা প্রাচীন অর্থে পৌরের অধিবাসীর বিষয়বস্তুই পৌরনীতি ও নাগরিকতা'র বিষয়বস্তু।

এর পরিধি হল-
১. নাগরিকতা সম্পর্কিত বিষয়
২. রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের আলোচনা
৩. নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা
৪. নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত
৫. আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
পদাধিকার বলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান-
  1. ক) জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ
  2. খ) প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)
  3. গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
-  ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
-  জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
-  রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
-  বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ।
৮১.
বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হলেন-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাপ্রধান
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

 • প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা:
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান
- তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে আসছে।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রর পদমর্যাদা অনেক উপরে।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ। তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তাঁর শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮২.
বাংলাদেশে একটি ইউনিয়ন কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩.
মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. আইনমন্ত্রী
  3. সচিব
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
সচিবালয়:
- সচিব হলেন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান।
- তিনি এর প্রশাসন, নিয়ম-শৃঙ্খলা ও ন্যস্ত যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেন।
- সচিব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও অধীনস্থ অফিসসমূহে কার্যবিধি অনুযায়ী কার্যাদি সম্পন্ন হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে তদারকি করেন এবং এ সকল বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
- এছাড়া সচিব সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরসমূহের মধ্যে বরাদ্দকৃত অর্থ বাজেট ও প্রচলিত হিসাববিধি অনুযায়ী ব্যয় হওয়ার বিষয়টিও তদারক করে।
- সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যাদি সম্পাদনের তাগিদে প্রয়োজনীয় উপাত্ত, তথ্য ও উদাহরণ সংগ্রহ, পরীক্ষা, বিশ্লেষণ ও সমন্বয়ের দায়িত্বও পালন করেন সংশ্লিষ্ট সচিব।
- সর্বোপরি, একজন সচিব অধীনস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে অর্পিত ক্ষমতা বন্টন এবং মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কার্যসম্পাদনের ধরণ সম্পর্কিত সুস্পষ্ট ও স্থায়ী আদেশও প্রদান করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
৮৪.
সরকারি বিল কারা উত্থাপন করে?
  1. সাধারণ সংসদ সদস্য
  2. বিরোধী দলের নেতা
  3. স্পিকার
  4. মন্ত্রীরা
ব্যাখ্যা
→ সরকারি বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয়।

বিল:

- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৮৫.
The National Parliament Building of Bangladesh was inaugurated -
  1. ক) 15 January, 1984
  2. খ) 28 January, 1982
  3. গ) 15 February, 1984
  4. ঘ) 28 January, 1984
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদ ভবন  রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনটির স্থপতি আমেরিকার  লুই আই কান।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ২১৫ একর জমির উপর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনটির নির্মাণ করা হয়।
- ১৯৮২ সালের প্রথম দিকে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয় এবং একই বছর ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৮৬.
নিচের কোনটি সরকার কাঠামোর অংশ নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ পুলিশ
  2. খ) আপিল বিভাগ
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। সিভিল সোসাইটি হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
এই গোষ্ঠী সরকারি কাঠামোর বাহিরে অবস্থান করে সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি গ্রহণ, পরিচালনা ও নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ, আপিল বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সরকার কাঠামোর অংশ।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক)
৮৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ কে?
  1. ক) সাগুফতা ইয়াসমিন
  2. খ) খালেদা খানম
  3. গ) শিরিন শারমিন চৌধুরী
  4. ঘ) মাহবুব আরা বেগম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ খালেদা খানম। তিনি ১৯৯৬ সালে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য। জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় নারী হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। ২০০৯ সালে সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম নারী হুইপ। আর জাতীয় সংসদের তৃতীয় নারী হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি। তিনি ২০১৯ সালে সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় নারী হুইপ।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৮৮.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো-
  1. বিকেন্দ্রীভূত
  2. ফেডারেল
  3. রাজতান্ত্রিক
  4. কেন্দ্রীভূত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে প্রশাসনিক কাঠামো মূলত কেন্দ্রীভূত।

- অধিকাংশ ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণের প্রচেষ্টা হলেও কার্যত কেন্দ্রীয় সরকারের সম্প্রসারিত অঙ্গ হিসেবেই পরিচালিত হয়।
- এর ফলে স্থানীয় সরকারের স্বতন্ত্রতা ও কার্যক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ে।

• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুইটি স্তর রয়েছে।এগুলো হলো-
ক) কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো এবং
খ) মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো।
এই কাঠামোর প্রশাসনিক ইউনিটগুলো হচ্ছে
- বিভাগ
- জেলা
- উপজেলা
- ইউনিয়ন পরিষদ
- সিটি কর্পোরেশন
- পৌরসভা।

এছাড়াও,
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো (সচিবালয়) যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/অধিদপ্তর নিয়ে গঠিত।
- সচিবালয় হলো প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং সমস্ত সরকারি কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।
- সংবিধানের ৫৫ (৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত Rules of Business এর নিয়ম অনুসারে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের কার্যাদি নির্ধারণ করা হয়।
- এছাড়াও সচিবালয়ের নির্দেশাবলী (Secretariate Instructions) নামে আলাদা একটি ডকুমেন্টও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলি নির্ধারণ করে থাকে।
- সচিব একটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হন এবং তিনিই এর শৃঙ্খলা রক্ষায় সচেষ্ট থাকেন।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশের মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো (স্থানীয় সরকার):
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দ্বিতীয় স্তর হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রধান দু'টি ক্ষেত্র হচ্ছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন।
- জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয় এবং নেতৃত্বে রয়েছে বিভাগীয় প্রশাসন।
- এটি মূলত প্রশাসন বা আমলাতন্ত্রের বিন্যাস।
- অন্যদিকে সরকারের কাঠামোগত বিন্যাসে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে স্থানীয় সরকার।
- স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ।
- রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিতকরণ এবং কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে স্থানীয় সরকার ও মাঠ প্রশাসনের যুগপৎ এবং সমন্বিত কর্মসূচির বিকল্প নেই।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিংক]

৮৯.
বাংলাদেশের বর্তমান ও ২৬তম প্রধান বিচারপতি কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. সৈয়দ রেফাত উদ্দিনি আহমদ
  2. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  3. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান 
  4. জনাব মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা 
ব্যাখ্যা

প্রধান বিচারপতি: 
- বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে  বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধান বিচারপতির শপথ বাক্য পাঠ করান।
- ২৫ তম  প্রধান বিচারপতি ছিলেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের ।
- সংবিধান অনুযায়ী, ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় ২৭ ডিসেম্বর অবসরে হয়েছেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

উল্লেখ্য, 
- জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
- ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান।
- ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। [লিঙ্ক]

৯০.
বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক বিরোধের বিচার প্রক্রিয়া কতদিনের দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে?   
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন 
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬:
- দীর্ঘদিনের বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাদেশটি জারি করেন।
- ২ জানুয়ারি, ২০২৫ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রেখে প্রণীত এই আইনি কাঠামো দেশের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসা সূচকে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- এই অধ্যাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ‘সুইট ম্যানেজমেন্ট’ বা মামলা ব্যবস্থাপনা শুনানি।
 - বিবাদী জবাব দাখিল করার পর প্রথম শুনানির দিনই আদালত বিচার্য বিষয়গুলো নির্ধারণ করবেন এবং কত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ হবে, তার একটি রূপরেখা তৈরি করবেন।
 - চূড়ান্ত শুনানি শুরু হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Lawyers Club Bangladesh

৯১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে?
  1. একনায়কতান্ত্রিক
  2. সংসদীয়
  3. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  4. রাষ্ট্রপতিশাসিত
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। 
- এই রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। 
- বর্তমানে দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগের শীর্ষ শাসক (Chief Executive) হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

৯২.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর কোনটি?
  1. ক) জাতীয় জাদুঘর
  2. খ) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
  3. গ) মহাস্থানগড় জাদুঘর
  4. ঘ) ময়নামতি জাদুঘর
ব্যাখ্যা
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুঘর।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্নস্থল আবিষ্কারের লক্ষ্যে শরৎকুমার ১৯১০ সালের এপ্রিলে দেওপাড়া, পালপাড়া, মালঞ্চ, জগপুর, ইটাহার, চবিবশনগর, মান্দইল, কুমারপুর, খেতুর ও বিজয়নগর পরিদর্শন করেন।
- তাঁরা মান্দইল থেকে চন্ডীর কয়েকটি প্রমাণসাইজ মূর্তিসহ প্রায় ৩২টি ভাস্কর্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।
- ১৯১১ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে সংগৃহীত সকল দুষ্প্রাপ্য ও অনন্য নমুনা কলকাতার ভারতীয় জাতীয় জাদুঘর দাবি করলে বরেন্দ্র জাদুঘরের অস্তিত্ব বিপন্ন   হওয়ার উপক্রম হয়। 
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী জেলা প্রশাসন জাদুঘরটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট অর্পণ করার ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকারের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়।
- হস্তান্তর পত্র যথারীতি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৬৪ সালের ১০ অক্টোবর এটি আইন সম্মত উপায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।
- বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর পরিচালনার সকল আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে পাথর ও ধাতুনির্মিত ভাস্কর্য, খোদিত লিপি, মুদ্রা, মৃৎপাত্র ও পোড়ামাটির ফলক, অস্ত্রশস্ত্র, আরবি ও ফারসি দলিলপত্র, চিত্র, বইপত্র ও সাময়িকী এবং সংস্কৃত ও বাংলা পান্ডুলিপিসমূহ।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
৯৩.
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়ের প্রধান-
  1. সিনিয়র সচিব
  2. সচিব
  3. মন্ত্রী
  4. কমিশনার
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন :
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। সংস্থাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৯৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে যুক্ত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. মন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
 - যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়।
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯৫.
মন্ত্রিপরিষদে কত শতাংশের বেশি টেকনোক্রেট মন্ত্রী রাখা যায় না?
  1. ৫%
  2. ৮%
  3. ১০% 
  4. ১৫% 
ব্যাখ্যা

- ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

মন্ত্রিপরিষদ: 

- সরকার পরিচালনার জন্য দেশে একটি মন্ত্রিপরিষদ আছে।
- প্রধানমন্ত্রী এর নেতা।
- তিনি যেরূপ সংখ্যক প্রয়োজন মনে করেন, সেরূপ সংখ্যক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।
- মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রীগণ সাধারণত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করেন।
- মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাজের সুবিধার্থে মন্ত্রিসভার যেকোনো মন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তন কিংবা অপসারণ করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬০ পৃষ্ঠা।

৯৬.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল- 
  1. ৩ বছর
  2. ৩.৫ বছর
  3. ৪.৫ বছর 
  4. ২.৫ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল ২.৫ বছর।
- এ সংসদ ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
- দ্বিতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল ২ বছর ১১ মাস।
- এ সংসদ কার্যকর ছিল ১৯৭৯ সালের ২ এপ্রিল থেকে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত।
- তৃতীয় সংসদের মেয়াদকাল ১ বছর ৫ মাস, ১৯৮৬ সালের ১০ জুলাই থেকে ১৯৮৭ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- চতুর্থ সংসদের মেয়াদকাল ২ বছর ৭ মাস, ১৯৮৮ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- পঞ্চম সংসদের মেয়াদকাল ছিল ৪ বছর ৮ মাস, ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল থেকে ১৯৯৫ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যমত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৭.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক কে?
  1. অ্যাটর্নি জেনাররেল
  2. আইনমন্ত্রী
  3. আইন উপদেষ্টা
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• অ্যাটর্নি জেনাররেল:
-  তিনি হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
-  অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।( জুন-২০২৫)

উৎস: প্রথম আলো।
৯৮.
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. মহাপরিচালক
  3. পরিচালক
  4. সচিব
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নির্বাহী চেয়ারম্যান।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি তিনজন কমিশনারের মধ্যে হতে একজনকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করে থাকেন।
- ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- অধ্যাদেশে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা এবং কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯৯.
শেখ হাসিনা কতবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. তিনবার
  2. চারবার
  3. পাঁচবার
  4. ছয়বার
ব্যাখ্যা
•শেখ হাসিনা:
- তিনি ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ৬ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফিরে আসেন।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করে।
- শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক পঞ্চমবার এবং টানা চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- একইসঙ্গে তিনি ২৫জন মন্ত্রী, ১১জন প্রতিমন্ত্রী সহ ৩৬ সদস্যের নতুন মন্ত্রীসভা গঠন করেছেন।

উৎস- LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)।
১০০.
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে?
  1. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. আইন মন্ত্রণালয় 
  4. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর: 
- বাংলাদেশের নাগরিকদের বিদেশে যাতায়াতে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে একটি পরিদপ্তর হিসেবে জোনাল কার্যালয়, ঢাকা এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা নিয়ে বর্তমান ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অধীনে রয়েছে।
- স্বাধীনতাত্তোর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে পূর্ণাঙ্গ রুপে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকায় অবস্হিত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়সহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা অফিস সমন্বয়ে কার্যালয়ের সংখ্যা হয় ৬ (ছয়) টি।
-  ১৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস স্হাপিত হলে অফিসের সংখ্যা হয় ৩৪ (চৌত্রিশ) টি।
- এছাড়া ৬টি ভিসা সেল ও ৯টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সৃজিত হয়।
- ২০১১ সালে আরো ৩৩ (তেত্রিশ) টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সৃজিত হয়।
- বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলায় পাসপোর্ট অফিস স্হাপনের কাজ শেষ হয়েছে।
- এছাড়া বিশ্বের ৭৩টি বাংলাদেশী মিশনে এমআরপি ও এমআরভি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।