PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত
আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত
PrepBank · পাতা ২৪ / ২৪ · ২,৩০১–২,৩৯৯ / ২,৪০৪
ব্যাখ্যা
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) Event Horizon.
• কৃষ্ণ গহ্বর:
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে বলা হয় ইভেন্ট হরিজন।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব Einstein's Theory of Relativity:
- চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
- আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।
আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
ক. আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
খ. আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা-
১. প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
২. দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
- তার ভর শক্তির সম্পর্ক সূত্রটি হলো
E = mc2
যেখানে,
E = শক্তি,
m = ভর,
c = আলাের বেগ।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেন (Nitrogen) : নাইট্রোজেন বায়ুমন্ডলে নিস্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে অবস্থান করে। এটি ধ্রুব (Constant) গ্যাস যা অপরিবর্তনীয়।
বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন অক্সিজেনের দ্রাবক হিসেবে কাজ করে। এর দ্বারা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়া পরিবর্তিত এবং যৌগ গঠিত হয়, যা খাদ্য উৎপাদন ও অঙ্গজ গঠনে উদ্ভিদজগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া জীবজগতের প্রোটিন জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করে। নাইট্রোজেন সরাসরি কোনো প্রাণি কিংবা উদ্ভিদকে বাঁচিয়ে রাখে না। তবে নাইট্রোজেন ছাড়া কোনো প্রাণি কিংবা উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
ব্যাখ্যা
- সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী যখন একই সরলরেখায় আসে এবং চাঁদ মাঝখানে থাকে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর কিছু অংশে পড়ে এবং সেই অংশ থেকে সূর্যকে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে দেখা যায় না।
অমাবস্যা:
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে তখন চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা।
পূর্ণিমা:
- যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে তখনই পূর্ণিমা হয়।
চন্দ্ৰগ্ৰহণ:
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।
সূর্যগ্রহণ:
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ।
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে।
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।
উৎস: বিবিসি বাংলা, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১ [লিঙ্ক]।
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা:
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার (Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or Low Tide) বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।
- জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগ:
- জোয়ার-ভাটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১. মুখ্য জোয়ার (Primary Tide):
- প্রধানত চন্দ্রের আকর্ষণেই জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়। চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে সর্বদা ঘুরছে। আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। ফলে চারদিক হতে পানি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বা Primary Tide বলে।
২. গৌণ জোয়ার (Secondary Tide):
- পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকে পৃথিবীকে চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তির প্রভাব অপেক্ষাকৃত কম। আবার পানির নিম্নের কঠিন স্থলভাগ যা পৃথিবীর সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ। ফলে তার ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ কেন্দ্র স্থলের আকর্ষণেরই সমান এবং বিপরীত দিকের জলরাশি অপেক্ষা স্থলভাগ চন্দ্রের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়। এই সময় চন্দ্রের বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক হতে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চন্দ্রের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বা Secondary Tide বলে।
৩. ভরা কটাল (Spring Tide):
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে এবং উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ প্রবল হয় এবং পানি বেশি ফুলে ওঠে। এই ধরনের জোয়ারকে ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে। অপরদিকে পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর একদিকে সূর্য এবং অন্যদিকে চন্দ্র একই সমান্তরালে অবস্থান করে এবং চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে মুখ্য জোয়ার হয়, সেখানেই সূর্যের আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়। আবার চন্দ্রের বিপরীত দিকে যেখানে তার আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়। অর্থাৎ পূর্ণিমা তিথিতে উভয় বিপরীত স্থানেই জোয়ারের বেগ সর্বাধিক হয়। একেও ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে।
৪. মরা কটাল (Neap Tide):
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না। এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল (Neap Tide) বলে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- গ্যালাক্সির অংশ বিশেষ ছায়াপথ নামে পরিচিত।
- সুদুর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বপ্নালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয় ।
- আমাদের সৌরজগত মিল্কিওয়ে (Milkyway) গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত।
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- আলোর গতি - ৩০০০০০ Kms-1.
- সুতরাং আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে সময় লাগবে:
- আমরা জানি, সময় = দূরত্ব ÷ বেগ
∴ ৩,৮৪,৪০০ ÷ ৩০০০০০ = ১.২৮ সেকেন্ড।
- আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে ১.২৮ সেকেন্ড বা প্রায় ১.৩ সেকেন্ড সময় লাগবে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি ও নাসা ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না। অর্থাৎ Ep এর মান শূন্য হয়।
এক্ষেত্রে পরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড এর মধ্যে আংশিক উপরিলেপন ঘটে , কাজেই যোজন ইলেকট্রন খুব সহজেই পরিবহন ইলেকট্রনে পরিণত হতে পারে। এই উপরিলেপনের জন্য, পরিবাহীর দুই প্রান্ডে খুব সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।
পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার ফলে এদের রোধ খুব কম হয় অর্থাৎ তড়িৎ পরিবাহিতা বেশি হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ওয়ার্মহোল হল তাত্ত্বিকভাবে মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি স্থানের বা স্থান-কালের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য তৈরি একটি টানেল স্বরূপ। এটির মাধ্যমে মহাবিশ্বের একটি স্থান থেকে অন্য একটি স্থানে কম সময়ের মাঝেই ভ্রমণ করা যায়। কেননা এটি প্রায় কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষের পার্থক্যে থাকা মহাবিশ্বের দুটি বিন্দুকে মাত্র কয়েক মিটারের একটি টানেলের মাধ্যমে সংযুক্ত করে দিতে পারে!
ব্যাখ্যা
- কয়লায় কার্বন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, গন্ধক, ফসফরাস, অ্যামোনিয়া, বেঞ্জিন এবং জলীয় ও বায়বীয় পদার্থ আছে।
- কার্বোনাইজেশনের মাত্রা অনুযায়ী লিগলাইট ও অ্যানথ্রাসাইট জাতীয় কয়লা তৈরি হয়।
- অ্যান্থ্রাসাইট সর্বাধিক ভালো মানের কয়লা।
- বাংলাদেশে প্রধানত তিন ধরনের কয়লা পাওয়া যায় যথা- বিটুমিনাস, লিগনাইট ও পিট।
- কয়লা সাধারণত মাটির নিচে ৩ মিটার থেকে ১৮০০ মিটার গভীর পর্যন্ত অবস্থান করে।
উৎস : পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- প্লেগ (Plague) Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়াঘটিত মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয় তাই ব্যাপক প্রাণসংহারকারী বা অনিস্টকর কোন পরিস্তিতি বর্ণনায় ‘প্লেগ’ শব্দের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- প্লেগ অতি প্রাচীনকালীন এক ব্যাধি, প্রায় ৩০০০ বছর পূর্বে এর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে।
- ইতিহাস সূত্রে জানা যায় মধ্য যুগে বহু রাজ্য এ রোগ দ্বারা ধ্বংসাত্মক পরিণতির শিকার হয়েছে।
- Y. pestis একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া যা ইঁদুরের ফ্লি Xenopsylla chaeopis নামক পতঙ্গের অন্ত্রে বাস করে।
- ফ্লি ইঁদুর ও ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর বহিঃপরজীবী এবং পোষকের ত্বকে দংশনের মাধ্যমে এর অন্ত্র থেকে ব্যাকটেরিয়াকে পোষকের দেহে চালান করে।
- ফ্লি ইঁদুর থেকে ইঁদুরে, কখনও কখনও ইঁদুর থেকে মানুষে প্লেগ জীবাণু স্থানান্তরের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে এবং রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করে। একজন নিউমোনিক প্লেগে সংক্রমিত মানুষ অন্য মানুষে রোগ ছড়ায় এবং এভাবে প্লেগ মহামারীর আকার পায়।
সূত্র: National Library of Medicine [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
During the explosion and a few seconds after, the effects of neutrons and gamma rays, which are long range, is very intensive. Gamma radiation prevails for powerful bombs. Neutrons dominate the small bombs and neutron bombs.
Source:radioactivity.eu.com
ব্যাখ্যা
- ভূমিকম্প হচ্ছে টের পেলে বা খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে ফাঁকা ও উন্মুক্ত স্থানে আশ্রয় নিন।
- উঁচু ভবনে থাকলে এবং বের হতে না পারলে জানালা বা দেয়ালের পাশে অবস্থান না নিয়ে শক্ত কোনো বীম, টেবিলের নিচে অবস্থান নিন।
- হতবিহ্বল না হয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।
- বহুতল ভবনে একই জায়গায় অনেক মানুষ একসঙ্গে না থেকে ভাগ হয়ে আশ্রয় নিন।
- আপনার মুঠোফোনে ফায়ার সাভির্স এবং দরকারি মোবাইল নম্বরগুলো আগাম সতর্কতা হিসেবে আগেই রেখে দিন। বিপদের সময় আপনার কাজে লাগবে।
- দ্রুত নামার জন্য ভবন থেকে লাফিয়ে পড়বেন না।
- ভূমিকম্পের সময় সম্ভব হলে মাথার ওপর শক্তকরে বালিশ অথবা অন্য কোনো শক্ত বস্তু [কাঠবোর্ড, নরম কাপড় চোপড়ের কুণ্ডলি] ধরে রাখুন।
- গ্যাস এবং বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে দূরে অবস্থান নিন।
- উচু ভবন থেকে দ্রুত নামার জন্য লিফট ব্যবহার করবেন না।
- ভূমিকম্পের সময় গাড়িতে থাকলে গাড়ি খোলা জায়গায় থামিয়ে গাড়িতেই থাকুন।
- একবার ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যাকে আফটার শক’ বলে। নিজেকে বিপদমুক্ত ভাবতে অন্তত একঘণ্টা সময় নিন।
Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
∴ ১৮০ ডিগ্রি = ১৮০ × ৪ = ৭২০ মিনিট
= ১২ ঘন্টা।
- কোন স্থান থেকে পূর্বে গেলে সময় বাড়বে আর পশ্চিমে গেলে সময় কমবে।
- কোন স্থানে সময় যখন রবিবার সকাল ৬টা তখন -
∴ ১৮০ ডিগ্রি পূর্বে সময় হবে রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা এবং ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিমে সময় হবে শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
p-n-p or n-p-n ট্রানজিস্টরে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক, মাঝেরটিকে পীঠ এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক বলা হয়। ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব।
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়।
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল।
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ।
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়-
(১) নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়।
(২) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় উত্তপ্ত গলিত পদার্থ ভূ-অভ্যন্তরের গভীর তলদেশ থেকে (প্রায় ২০০ কি.মি.) ভূ-ত্বকের অভ্যন্তরেই জমাটবদ্ধ হয় যা ম্যাগমা নামে পরিচিত।
• এই ম্যাগমা যখন ভূ-ত্বকের গভীর থেকে ফাঁটল বরাবর সজোরে ভূ-পৃষ্ঠে উঠে এসে প্রবাহিত হয় তখন তাকে লাভা বলে।
• শিলার বুনট এই ম্যাগমা বা লাভার বৈশিষ্ট্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। শিলার বুনট বলতে এর গঠনকারী খনিজ উপাদানের আকার, আকৃতি, বিন্যাস বুঝায়।
• আগ্নেয় শিলায় প্রধানত ৫ ধরনের বুনট দেখা যায়।
তথ্যসূত্র:- ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
এমআরআই:
- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে।
- এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায়।
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি।
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না।
- শরীরের যে অংশের এমআরআই স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে।
-এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে।
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়।
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- এটিতে শনির মতো একটি বলয় রয়েছে।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ ২৭টি।
- এগুলো হলো: অ্যামব্রিয়েল, অ্যারিয়েল, ওফেলিয়া, ওবেরন, কর্ডেলিয়া, কিউপিড, ক্যালিবান, ক্রেসিডা, জুলিয়েট, টাইটানিয়া, ট্রিকুলো, ডেসডিমোনা, প্যাদ্রিতা, পুক, পোর্শিয়া, প্রোসপেরা, ফ্রান্সিসকো, ফার্ডিনান্দ, বিয়াঙ্কা, বেলিন্দা, মার্গারেট, মিরান্ডা, ম্যাব, রোসালিন্ড, সাইকোরাক্স, সেটেবস, স্টেফানো।
উৎস:
i)ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) NASA ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়।
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়।
মডারেটর (Moderator):
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো -
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং
২। গ্রাফাইট।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি গ্রহে কৃত্রিম উপগ্রহ গ্যালিলিও অবতরণ করে- ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে। এর মিশন শেষ হয় ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা, নাসা
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Blackhole)
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Blackhole)। বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Light year বা আলোক বর্ষ হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক, যা দিয়ে জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কিত দূরত্ব মাপা হয়।
- এক বছরে আলো যতদূর যায়, তা ই আলোক বর্ষ।
- এক আলোক বর্ষ = ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার বা ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল।
তথ্যসূত্র - NASA ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ব্যাখ্যা
টেরেস্ট্রিয়াল গ্রহ বা পার্থিব গ্রহ:
বুধ, শুক্র, পৃথিবী এবং মঙ্গল এই চারটি গ্রহকে পার্থিব গ্রহ বলা হয় কারণ তাদের পৃথিবীর টেরা ফার্মের মতো একটি কম্প্যাক্ট, পাথুরে পৃষ্ঠ রয়েছে।
পার্থিব গ্রহগুলি হচ্ছে সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে কাছের চারটি গ্রহ।
এই গ্রহগুলোর কোনোটিরই রিং নেই।
জোভিয়ান গ্রহ:
বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে জোভিয়ান (বৃহস্পতির মতো) গ্রহ হিসাবে পরিচিত, কারণ তারা পৃথিবীর তুলনায় বিশাল, এবং তাদের বৃহস্পতির মতো বায়বীয় প্রকৃতি রয়েছে।
জোভিয়ান গ্রহগুলিকে "গ্যাস জায়ান্টস" হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ তারা বেশিরভাগই গ্যাস দিয়ে তৈরি, যদিও তাদের ছোট শক্ত কোর রয়েছে।
উৎস: নাসা ওয়েবসাইট [লিংক]
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো:
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D₂O) এবং
২। গ্রাফাইট।
- পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয় গ্রাফাইট।
- পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৪৭৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন।
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে।
- তিনি ২৪ মে, ১৫৪৩ সালে ইতালির রোমে মৃত্যুবরণ করেন।
অন্যদিকে,
- পরবর্তীতে জোহান কেপলার গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত।
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে। ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।
- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের ন্যায় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় দুটি অবস্থিত।
- বায়ু নিম্নগামী বলে এই অঞ্চলে অনুভূমিক বায়ুপ্রবাহ অনুভব করা যায় না।
- প্রাচীনকালে যখন আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজযোগে ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করা হতো, তখন এ অঞ্চলে পৌঁছলে বায়ুপ্রবাহের অভাবে পালচালিত জাহাজের গতি মন্থর বা প্রায় নিশ্চল হয়ে পড়ত।
- এ অবস্থায় নাবিকগণ খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে অনেক সময় তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিত।
- এজন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse latitude) বলে।
- নিরক্ষীয় শান্তবলয় এর অপর নাম ডোলড্রাম।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
ব্যাখ্যা
- এটি একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (BS-1) এর উৎক্ষেপণ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা, স্থল স্টেশন থেকে উপগ্রহকে নিয়ন্ত্রণ করা, বিপনন ও বিক্রয় সেবা ইত্যাদির জন্য BSCL কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BCSCL)।
- ১৬ আগস্ট ২০২০ কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BSCL) করা হয়।
ব্যাখ্যা
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাং বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির 'শুরু' বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়।
- বিগ ব্যাং সিদ্ধান্ত অনুসারে, মহাবিশ্বের উৎপত্তি ঘটেছে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে।
- এই সিদ্ধান্তে বলা হয় যে, মহাবিশ্ব একটি একটি সুপারনোভা বা মহাস্থির বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে গ্রহাণুগুলি আরম্ভিক অবস্থায় ছিল।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• GPS (Global Positioning System) হলো এমন একটি উপগ্রহভিত্তিক ন্যাভিগেশন ব্যবস্থা, যা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ব্যবহারকারীর অবস্থান (Location), বেগ (Velocity) ও সময় (Time) নির্ণয় করে।
- এটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ (U.S. Department of Defense) দ্বারা তৈরি ও নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যবস্থা।
• GPS কীভাবে কাজ করে:
- পৃথিবীর চারপাশে ২৪টি উপগ্রহ (Satellite) নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে।
- প্রতিটি স্যাটেলাইট থেকে নির্দিষ্ট সময় ও অবস্থানের রেডিও সিগন্যাল (Radio Signal) পাঠানো হয়।
- পৃথিবীতে থাকা GPS রিসিভার (যেমন মোবাইল, গাড়ির ন্যাভিগেশন ডিভাইস ইত্যাদি) অন্তত চারটি স্যাটেলাইটের সিগন্যাল গ্রহণ করে।
- এই সিগন্যালের সময়ের পার্থক্য বিশ্লেষণ করে রিসিভার তার অবস্থান, উচ্চতা ও সময় নির্ণয় করে। এ প্রক্রিয়াকে বলে Trilateration।
• GPS-এর মূল উপাদান:
- Space Segment: কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটগুলো (২৪ বা তার বেশি)।
- Control Segment: পৃথিবীতে থাকা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, যা স্যাটেলাইটগুলোর সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করে।
- User Segment: ব্যবহারকারীর ডিভাইস বা GPS রিসিভার।
• ব্যবহার:
- মোবাইল ও গাড়ির ন্যাভিগেশন সিস্টেমে অবস্থান নির্ধারণে।
- জাহাজ, বিমান ও সামরিক বাহিনীতে দিকনির্দেশে।
- ভূগোল, কৃষি, সার্ভে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার অভিযানে।
তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই।
- ব্রিটানিকা [লিংক]
ব্যাখ্যা
- ক্লডিয়াস টলেমি ছিলেন একজন গ্রিকো-মিশরীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ।
- তিনি রোমান শাসিত মিশরের ইজিপ্টাস প্রদেশে বসবাস করতেন এবং আলেকজান্দ্রিয়ার কাছাকাছি একটি মানমন্দিরে কাজ করতেন।
তাঁর অবদান:
১. টলেমি মহাবিশ্বের একটি মডেল তৈরি করেন, যেখানে পৃথিবীকে কেন্দ্রস্থলে রেখে ধারাবাহিকভাবে চাঁদ, বুধ, শুক্র, সূর্য, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শনিকে অবস্থান করানো হয়েছে।
২. তিনি চতুর্ভুজ সম্পর্কিত একটি উপপাদ্য প্রণয়ন করেন, যা জ্যামিতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
৩. এই উপপাদ্যটি ত্রিকোণমিতিক ছক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: বিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরণ দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- সঠিকভাবে কোনো ঋতুতেই আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ পাচ্ছি না।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনেরই নেতিবাচক প্রভাব।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদি জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।
বনাঞ্চল:
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা বেড়ে গেলে বনভূমির উপরও প্রভাব পড়বে।
- গবেষণায় দেখা গেছে যে, সমুদ্রের পানির উচ্চতা যদি ৪৫ সেন্টিমিটার বাড়ে, তাহলে একমাত্র ম্যানগ্রোভ বনের ৭৫% পানির নিচে তলিয়ে যাবে।
- আর যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় পুরো সুন্দরবন ও এর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখোমুখি হবে।
- এছাড়া অধিক হারে বন-জঙ্গল ধ্বংস করার ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাবে।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি:
- বেশিরভাগ GCR আসে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি থেকে। কিছু আসে সূর্য থেকে (সৌর মহাজাগতিক রশ্মি)। সর্বোচ্চ শক্তিসম্পন্ন কণাগুলি সম্ভবত মিল্কিওয়ের বাইরের উৎস থেকে আসে।
- প্রাথমিক মহাজাগতিক রশ্মি সরাসরি পৃথিবীর পৃষ্ঠে দেখা যায় না। প্রাথমিক কণা পর্যবেক্ষণ করতে উচ্চ-উচ্চতার বেলুন বা মহাকাশযান ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি। এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
ব্যাখ্যা
- ফার্মিওন কণা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে।
- ফার্মিওন কণাসমূহের প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিকণা আছে।
- ফার্মিওন কণা আবার দুইরকমের হয়ে থাকে।
যথা-
- Quark- এই ধরনের কণা পদার্থ গঠনের অন্যতম মৌলিক কণা। সকল বস্তু প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত।
- Lepton- ছয় প্রকারের লেপটন কণিকা রয়েছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইলেকট্রন।
সূত্র- ৪২১ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী সৌরজগতে অভিগত গোলক আকৃতির মাঝারি একটি গ্রহ।
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যম একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে ।
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষবরেখা নামে অভিহিত।
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখাটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- ভূ-গোলকে ১৮১ টি অক্ষাংশ রেখা আছে।
- নিরক্ষরেখার (০°) উত্তর ও দক্ষিণে এই অক্ষরেখা সমূহের আকার ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে একেবারে বিন্দুতে পরিণত হয়।
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- এনজিওগ্রাফি হলো এমন একটি প্রতিবিম্ব তৈরির পরীক্ষা যেখানে শরীরের রক্তনালিকাসমূহ দেখার জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়।
- এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তবাহী শিরা বা ধমনীগুলো সরু, ব্লক ও প্রসারিত হয়েছে কী না তা নির্ণয় করা যায়।
- রক্তনালিতে ব্লক এবং রক্তনালি সরু এবং অপ্রসস্থ হলে শরীরে রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত হয়।
- এনজিওগ্রাম করার সময় চিকিৎসক রোগীর দেহে একটি তরল পদার্থ একটি সরু ও নমনীয় নলের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দেন।
- তরল পদার্থটিকে 'ডাই' এবং নলটিকে ক্যাথেটার বলে।
- এই ডাই ব্যবহারের ফলে রক্তবাহী নালিকাগুলো এক্সরের সাহায্যে দৃশ্যমান হয়।
- এই ডাই পরে কিডনী এবং মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
- একটি নির্দিষ্ট প্রবেশ বিন্দুর মধ্য দিয়ে ক্যাথেটারটিকে নির্দিষ্ট ধমনী বা শিরার মধ্যে প্রবেশ করানো হয়।
- প্রবেশ বিন্দুটি শরীরের যে কোনো স্থানের রক্তনালিতে হতে পারে।
- ব্যবহৃত ডাইটিকে কখনো কখনো বৈসাদৃশ্য বা Contrast হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণত যে সকল কারণে চিকিৎসকগণ এনজিওগ্রাম করার পরামর্শ দেন, এগুলো হলো -
ক. হৃৎপিণ্ডের বাহিরে ধমনীতে ব্লকেজ হলে,
খ. ধমনী প্রসারিত হলে,
গ. কিডনির ধমনীর অবস্থা বুঝার জন্য,
ঘ. শিরার যে কোনো সমস্যা হলে।
- কখনো কখনো চিকিসকগণ এনজিওগ্রাম করার সময় একই সময়ে সার্জারী ছাড়াই রক্তনালির ব্লকের চিকিৎসা করে থাকেন।
- যে কৌশলে বা প্রক্রিয়ায় এনজিওগ্রাম করার সময় ধমনীর ব্লক মুক্ত করা হয়, তাকে এনজিওপ্লাষ্টি বলে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদালয়।
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭% মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরে সংরক্ষিত থাকে, যা লবণাক্ত পানি।
• বারিমণ্ডলের ধারণা (Concept of Hydrosphere):
- ‘Hydrosphere’ শব্দটি গ্রিক শব্দ Hydro (পানি) ও Sphere (মণ্ডল) থেকে উদ্ভূত।
- পৃথিবীতে বিদ্যমান সকল প্রকার পানির সমষ্টিকে বারিমণ্ডল বলা হয়।
- পৃথিবীর পানি বিভিন্ন অবস্থায় বিদ্যমান—কঠিন (বরফ), তরল (পানি) ও গ্যাসীয় (জলীয় বাষ্প)।
- বায়ুমণ্ডলে পানি জলীয় বাষ্প হিসেবে থাকে, ভূ-পৃষ্ঠে ও ভূ-গর্ভে পানি তরল ও কঠিন অবস্থায় বিদ্যমান।
- পৃথিবীর সকল জলাশয়ের অবস্থানগত বিস্তৃতিকেই বারিমণ্ডল বলা হয়।
- পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭% রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরে)।
- অবশিষ্ট প্রায় ৩% পানি নদী, হ্রদ, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ পানি, মাটি ও বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান।
- পৃথিবীর পানি মূলত দুই প্রকার—লবণাক্ত পানি ও মিঠা পানি।
- মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের পানি লবণাক্ত, আর নদী, হ্রদ, হিমবাহ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস।
উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব থেকেই টেকটনিক প্লেট ধারণাটির জন্ম হয়।
- ওয়েগেনারের মতে, বহুকাল আগে পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল (প্যানজিয়া), কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- এই তত্ত্বটিকে বলা হয় মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব।
ব্যাখ্যা
- মহাজগতিক রশ্মির অন্যনাম কসমিক রে (Cosmic rays)।
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- এগুলো মূলত প্রোটন, হেলিয়াম নিউক্লিয়াস এবং অন্যান্য ভারী উপাদানের আয়নযুক্ত কণা নিয়ে গঠিত।
- অস্ট্রিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস (Victor Hess) প্রথম মহাজাগতিক রশ্মির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন।
- ১৯১২ সালে, তিনি বেলুনে বসে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরিবর্তন হয় কি না তা পরীক্ষা করছিলেন।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ব. এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলা হয়।
- এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়।
- প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে।
- কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে।
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব দ্বারা ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ ব্যাখ্যা করা যায়।
- একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে।
- ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয় ।
- তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।
- বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত।
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে।
- আজকাল বাংলাদেশেও ভূমিকম্প সংঘটিত হচ্ছে।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত স্বীয় বিচ্ছিন্নকারী প্রক্রিয়া।
- ১৮৯৬ খিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হেনরী বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তিনি লক্ষ্য করেন যে, ইউরেনিয়াম এবং তাদের যৌগ হতে আপনা আপনি এক প্রকার রহস্যজনক কণা এবং রশ্মি নির্গত হতে থাকে।
- এর পরে পিয়েরে কুরী এবং তাঁর স্ত্রী মাদাম কুরী থোরিয়ামের মধ্যে একই গুণ আবিষ্কার করেন।
- ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে তিনি এটি আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার একক বেকরেল।
- তাছাড়া, কুরি এবং রাদারফোর্ড ও তেজষ্ক্রিয়তার ২ টি একক।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই, (শাহাজাহান তপন)।
ব্যাখ্যা
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক পূর্বদিকে ওঠে এবং ঠিক পশ্চিমদিকে অস্ত যায়।
- বছরে মাত্র এই দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ শে মার্চ দিনটিকে উত্তর গোলার্ধে মহাবিষুব বলে।
- ২৩ শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বলে জলবিষুব।
⇒ ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
এগুলোকে কেপলারের সুত্র বলে।
ব্যাখ্যা
• অ্যানিমোমিটার - বায়ু প্রবাহের গতিবেগ নির্ণয়ের যন্ত্র।
• ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
• সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র।
• ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং উচ্চ-মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান।
ব্যাখ্যা
- মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে।
- এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই।
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়।
- এই তাপেই উত্তপ্ত হয়।
- এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না।
- এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
- আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি এবং নাসা।
ব্যাখ্যা
• গ্যালিলিও গ্যালিলিকে 'আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
• গ্যালিলিও গ্যালিলি একটি প্রতিসরণকারী টেলিস্কোপ আবিষ্ককার করেন।
• আইনস্টাইন গ্যালিলিও গ্যালিলিকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবে অভিহিত করেন।
• জন্ম: ১৫ই ফেব্রুয়ারী, ১৫৬৪ সালে ইতালির পিসাতে।
• তার পিতা ছিলেন ভিনসেঞ্জো গ্যালিলি, একজন দক্ষ ফ্লোরেনটাইন গণিতবিদ এবং সঙ্গীতজ্ঞ।
• গ্যালিলিও ১৫৮১ থেকে ১৫৮৫ সাল পর্যন্ত পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন বিভাগে অধ্যয়ন করেছিলেন কিন্তু কোনো ডিগ্রি ছাড়াই ফ্লোরেন্সে গণিতের শিক্ষকে ফিরে আসেন।
• তিনি ১৫৮৯ সালে পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যান তারপর জ্যামিতি, বলবিদ্যা এবং জ্যোতির্বিদ্যা শেখানোর জন্য ১৫৯২ সালে পাড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান।
উৎস: New Mexico Museum of Space History Website.
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
(ক) স্ফটিকাকার
(খ) অস্তরীভূত,
(গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর,
(ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং
(ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।
রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।
পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।
উৎস: নবম দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য বই।
ব্যাখ্যা
• পরিবেশে বাস্তুসংস্থানের উপাদান মূলত দুটি।
যথা-
ক. সজীব উপাদান এবং
খ. জড় উপাদান।
ক. সজীব উপাদান:
- সজীব সম্প্রদায় হলো বাস্তুসংস্থানের জীব উপাদান। সজীব উপাদান আবার তিন প্রকার।
যথা-
১. উৎপাদক:
- সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড, খনিজ লবণ প্রভৃতি জীব উপাদান গ্রহণ করে সৌরশক্তির মাধ্যমে নিজেদের শর্করা জাতীয় খাদ্য নিজেরা তৈরি করে। এ সবুজ উদ্ভিদই উৎপাদক।
২. খাদক:
- ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক কর্তৃক তৈরি খাদ্যের উপর নির্ভরশীল জীবগোষ্ঠিকে বলে খাদক। খাদক তিন প্রকার।
যথা- প্রথম স্তরের খাদক, দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং তৃতীয় স্তরের খাদক।
৩. বিয়োজক:
- ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক ও খাদকের মৃতদেহ মাটিতে মিশে ব্যাকটেরিয়া, ক্ষুদ্র পোকামাকড় ইত্যাদির দ্বারা বিয়োজক স্তর গড়ে উঠে। পরিশেষে উৎপাদক জীবগোষ্ঠি পুনরায় বিয়োজক স্তর হতে খাদ্য গ্রহণ করে দেহে পুষ্টি জোগায়।
খ. জড় উপাদান:
- পরিবেশের সকল অজৈব ও জৈব উপাদান হলো বাস্তুসংস্থানের জড় উপাদান।
- জড় উপাদান আবার তিন প্রকার।
যথা-
১. অজৈব উপাদান: মাটি, পানি, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, খনিজ লবণ ইত্যাদি হচ্ছে বাস্তুসংস্থানের অজৈব উপাদান।
২. জৈব উপাদান: উদ্ভিদ ও প্রাণির মৃতদেহ হতে তৈরি হিউমাস ও ইউরিয়া হলো মাটির জৈব উপাদান।
৩. ভৌত উপাদান: আবহাওয়া, জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ বাস্তুসংস্থানের ভৌত উপাদান।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Blackhole)
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Blackhole)। বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- অন্যদিকে, পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties.
It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials.
উৎস: ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
- অর্থাৎ, পৃথিবীতে একজন লোকের ভর ৭০ কেজি হলে চাঁদে তার ভর হবে ৭০ কেজি।
- কিন্তু স্থানভেদে কোনো বস্তুর ওজনের তারতম্য হতে পারে।
আমরা জানি,
ওজন= ভর x অভিকর্ষজ ত্বরণ
পৃথিবীতে গড় অভিকর্ষজ ত্বরণ ধরা হয় ৯.৮ মি/সেকেন্ড২।
তাহলে পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে তার ভর হবে ১ কেজি।
সুতরাং চাঁদেও সেই বস্তুর ভর হবে ১ কেজি।
কিন্তু চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
তাই চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ১.৬৩ নিউটন।
উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
ব্যাখ্যা
- রিখটার স্কেলের মাধ্যমে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়।
- এই স্কেলের সাহায্যে ০-১০ মাত্রার তীব্রতা পরিমাপ করা যায়।
- ১৯৩৫ সালে মার্কিন ভূকম্প ও পদার্থবিদ চার্লস এবং রিখটার ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের এই স্কেল আবিস্কার করেন।
- তাঁর নামানুসারে এই স্কেলের নামকরণ করা হয়েছে রিখটার স্কেল।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- ওজোনস্তর (O₃) আমাদের বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত, যা ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে আমাদের রক্ষা করে।
- কিছু নির্দিষ্ট গ্যাস ওজোনস্তর ধ্বংস করতে পারে, যার মধ্যে ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs) অন্যতম।
- CFCs-এর প্রধান উপাদান ক্লোরিন।
- ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) যৌগগুলোর মধ্যে ক্লোরিন থাকে, যা যখন স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে UV রশ্মির কারণে ভেঙে যায়, তখন ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়।
- মুক্ত Cl (ক্লোরিন পরমাণু) ওজোনের (O₃) সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনস্তর ক্ষয় করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে।
• ভূ-অভ্যন্তরস্থ শিলারাশিতে সঞ্চিত শক্তির আকস্মিক অবমুক্তির কারণে সৃষ্ট এই স্পন্দনের মাত্রা মৃদু কম্পন থেকে প্রচন্ড ঘূর্ণনের মধ্যে হতে পারে। তাই ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।
• ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।
• ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল।
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।
- স্ট্রাটোমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে।
- এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়।
- স্ট্রাটোমণ্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মণ্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত।
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে।
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬০ সেলসিয়াস) অনেক বেশি।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি ট্রপিক অব ক্যান্সার নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।
মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে কোনো বস্তুই আলোর গতির সমান বা অধিক গতিবেগ নিয়ে চলতে পারে না।
আলোর গতি শূন্যমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি এবং তা প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
- এক্সপেরিমেন্টাল অ্যাডভান্সড সুপারকন্ডাক্টিং টোকামাক (ইএএসটি) নামের চুল্লি তৈরি করেছে চীন, যা কৃত্রিম সূর্য নামে পরিচিত।
- এ ধরনের গবেষণাগারকে কৃত্রিম সূর্য বলার কারণ সেখানে মূল সূর্যের নিউক্লীয় ফিউশনের প্রক্রিয়া অনুকরণ করা হয়।
- অর্থাৎ সূর্যের শক্তি উৎপন্নের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। এমন বিক্রিয়ায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় হাইড্রোজেন ও ডিউটেরিয়াম গ্যাস।
- এই চুল্লিতে সম্প্রতি ১ হাজার ৬৬ সেকেন্ডের জন্য প্লাজমার একটি অবিচ্ছিন্ন লুপ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
- নতুন এই রেকর্ডকে পারমাণবিক ফিউশন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এতে নিউক্লিয়ার ফিউশন বা কেন্দ্রকীয় সংযোজন প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব বিপুল শক্তি উৎপন্ন করা সম্ভব হবে।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১০০০ গুণ বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- এটি নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে মাত্র সময় নেয় ১০ ঘন্টা।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৯৫টি।
⇒ বৃহস্পতির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।
উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
ব্যাখ্যা
- ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি সবচেয়ে বেশি নিরক্ষীয় অঞ্চলে (১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার)।
- ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি সবচেয়ে কম মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার। মেরু অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
ব্যাখ্যা
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।
- চুনাপাথর,
- কয়লা,
- নুড়িপাথর,
- বেলেপাথর,
- পলিপাথর,
- কর্দমপাথর,
- চক,
- কোকিনা,
- লবণ,
- জিপসাম,
- ডায়াটম,
- ডোলোমাইট ইত্যাদি।
• কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- গ্রাফাইট (কয়লার রূপান্তরিত রূপ),
- মার্বেল (চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ),
- নিস (গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ) ইত্যাদি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রাখে নিম্নচাপ। যখন কোনো অঞ্চলে বাতাসের চাপ অন্যান্য এলাকাগুলোর চেয়ে কম থাকে, তখন আশেপাশের উচ্চচাপযুক্ত বাতাস সেই অঞ্চলের দিকে চলে আসে। এই বাতাসের প্রবাহ ঘূর্ণায়মানভাবে আবর্তিত হয়ে শক্তিশালী বাতাস ও মেঘ তৈরি করে, যা সাইক্লোনের রূপ নেয়। সাধারণত উষ্ণ সমুদ্রের উপরে বাতাসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং বাতাসের ঘূর্ণন বৃদ্ধি পায়। তাই, সাইক্লোনের মূল কারণ হলো নিম্নচাপ এবং তার সঙ্গে যুক্ত বাতাসের ঘূর্ণন।
সাইক্লোন:
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
এসিড বৃষ্টি:
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া।
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে।
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন: NO, NO2) ।
এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব:
- বর্তমানে রিপোর্টে প্রকাশিত ভারতের 'মথুরা অয়েল রিফাইনারি' থেকে নির্গত SO2 বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিড বৃষ্টি ঘটাচ্ছে। এ এসিড বৃষ্টি থেকে 'তাজমহল'-এর মার্বেল পাথর আক্রান্ত হচ্ছে। এসিড বৃষ্টিতে বিভিন্ন ধাতুর তৈরি ব্রিজ ও অট্টালিকার ক্ষতি হয়।
- এসিড বৃষ্টির ফলে জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ আক্রান্ত হয়। কম pH এর পানিতে মাছের ডিম হ্যাচিং (hatching) বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। অধিক অম্লত্বের কারণে জলাশয়ে সমগ্র বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে জলাশয় বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে।
- এসিড বৃষ্টির প্রভাবে বৃষ্টি অরণ্য (rain forest)- এর বিশেষ ক্ষতি হতে পারে। বীজের অঙ্কুরোদ্গম এসিড বৃষ্টিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়।
- মাটির উপাদান ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, জিংক ধাতুর ফসফরাস যৌগ এসিড বৃষ্টি ধুয়ে নিয়ে মাটিকে অনুর্বর করে দেয়।
এসিড বৃষ্টির প্রতিকার:
- এসিড বৃষ্টি হওয়ার পরে পুকুর ও হ্রদের পানিতে এবং কৃষি জমিতে চুন বা লাইম অথবা চুনাপাথর গুঁড়া ছিটানো দরকার। তখন অতিরিক্ত এসিড ক্যালসিয়াম লবণে পরিণত হয়। এরূপ লাইমিং কাজে অর্থ ব্যয় খুব বেশি।
- দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো ট্রপোস্ফিয়ারকে SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা।
- এজন্য শিল্পক্ষেত্রে FGD প্ল্যান্ট ও মোটর-কারে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার ব্যবহার করে NOx গ্যাসকে বিজারিত করে N2 গ্যাসে পরিণত করা।
অন্যদিকে,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়।
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) দূর্বল কার্বনিক এসিড (H2CO3) তৈরি করে যা এসিড বৃষ্টি তৈরি করতে পারে না।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
ব্যাখ্যা
- এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
- বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু৷
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
⇒ ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাঁটা হয়।
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।
• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস: ০.০২ শতাংশ
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত।
- ঘূর্ণিঝড় ভারত মহাসাগরের উপকূলে সাইক্লোন, চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই, অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হারিকেন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশে প্রতিবছর মার্চ ও নভেম্বর মাসে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয়।
- ২৯ শে এপ্রিল ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২৫ কি.মি/ঘণ্টা এবং জলোচ্ছাসের উচ্চতা ছিল ৬.০-৭.৬ মিটার (আবহাওয়া অধিদপ্তর ২০০৯)।
- এছাড়াও ১৯ মে ১৯৯৭, ১৫ নভেম্বর ২০০৭ সালের সিডর এবং ২৫ মে ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলা নামে পরিচিত।
উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।
তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- মরা কটালে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- চন্দ্র পৃথিবীর নিকটে থাকায় তার কার্যকর শক্তি সূর্য অপেক্ষা বেশি হয়।
- চন্দ্রের আকর্ষণে যে জোয়ার হয়, সূর্যের আকর্ষণে তা খুব বেশি স্ফীত হতে পারে না। ফলে মরাকটাল হয়।
- অষ্টমী তিথিতে এরকম ঘটনা পরিলক্ষিত করা যায়।
- ভরা কটালে বা তেজ কটালে পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- তাই পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণকে সহায়তা করে সূর্য।
- পূর্ণিমা বা অমাবস্যা তিথিতে এরকম ঘটনা দেখা যায়। এই দুই সময়ে তাই জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে।
- প্রতিমাসে দুইবার ভরা কটাল এবং দুইবার মরা কটাল হয়ে থাকে।
সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
ব্যাখ্যা
ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ। এটি কণা এবং তরঙ্গ উভয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
ধূমকেতু (Comet):
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক।
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে।
যেমন: মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)।
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে।
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ।
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে।
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭ শতাংশ জলরাশি সমুদ্রে (মহাসাগর) অবস্থিত, যা একে পৃথিবীর বৃহত্তম পানির উৎসে পরিণত করেছে। তবে সমুদ্রের পানি লবণাক্ত হওয়ায় এটি সরাসরি পানযোগ্য নয়।
পানির উৎস ও গুরুত্ব:
- পৃথিবীপৃষ্ঠের শতকরা ৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি।
- মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য, তাই পানির অপর নাম হচ্ছে জীবন।
- পানির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে সাগর, মহাসাগর বা সমুদ্র।
- পৃথিবীতে যত পানি আছে, তার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগেরই উৎস হচ্ছে সমুদ্র।
- সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে এজন্য সমুদ্রের পানিকে লোনা পানিও (Marine water) বলে।
- লবণের কারণে সমুদ্রের পানি পানের অনুপযোগী, এমনকি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অন্য কাজেও সমুদ্রের পানি ব্যবহার করা যায় না।
- পানির আরেকটি বড় উৎস হলো হিমবাহ তুষার স্রোত, যেখানে পানি মূলত বরফ আকারে থাকে, এই উৎসে প্রায় শতকরা ২ ভাগের মতো পানি আছে।
- পৃথিবীতে ব্যবহারের উপযোগী পানি মাত্র শতকরা ১ ভাগ।
- ব্যবহার উপযোগী মিঠা পানির উৎস হলো নদ-নদী, খাল-বিল, হ্রদ, পুকুর কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলের দুটি প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%)।
- এছাড়াও বায়ুতে-
কার্বন ডাই-অক্সাইড (০.০৩)
ওজোন (০.০০০১)
জলীয়বাষ্প (০.৪১)
ধূলিকণা ও কনিক্স (০.০১)
অন্যান্য গ্যাস (যেমন- নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড)- ০.০১৯৯
প্রভৃতি গ্যাস বিদ্যমান।
উৎস:- ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি।
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]
দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়:-(সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা;
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা।
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]
তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
▪ অপরদিকে গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালে গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা প্রায় ৮৩% থেকে ৮৯% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
▪ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বছরের বিভিন্ন সময়ে বায়ুপ্রবাহের বৈচিত্র্যতা লক্ষ্য করা যায়। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে অধিকাংশ বায়ু অপেক্ষাকৃত শান্ত থাকে। এ বেগ সাধারণত মার্চ থেকে আগস্ট মাসে বৃদ্ধি পায়।
▪ গ্রীষ্মকালের বৃষ্টির সাথে প্রবাহিত হওয়া ঝড়ো হাওয়া বাতাসের গড় বেগকে প্রভাবিত করে।
▪ বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।
তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- আমাদের দৈনন্দিন কাজে ডিসি (DC) সরবরাহের অসংখ্য প্রয়োগ রয়েছে।
- বিশেষ করে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা বর্তনী পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন একমুখী প্রবাহ বা ডিসি প্রবাহ (Direct Current) প্রয়োজন হয়।
- ব্যাটারি বা শুষ্ক কোষ হলো ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস।
- কিন্তু এদের ভোল্টেজ বেশ কম এবং এগুলো প্রায়ই পরিবর্তন করতে হয় বলে বেশ ব্যয়বহুল।
- ব্যাটারি দ্বারা আমাদের সব প্রয়োজন মিটানো সম্বব নয়।
- তাই আমাদের প্রয়োজন, বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইনের দিক পরিবর্তী তথা এসি ভোল্টেজকে একমুখী তথা ডিসি ভোল্টেজ রূপান্তরিত করা।
- যে প্রক্রিয়ায় এই রূপান্তরের কাজটি সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
- শ্বেত বামন (White dwarf) এক ধরনের ছোট তারা।
- কোন ক্ষুদ্রাকার তারকার জ্বালানি ফুরিয়ে অনুজ্জ্বল সাদা রঙের তারকায় পরিণত হলে তাকে শ্বেত বামন (White dwarf) বলা হয়।
- যদি কোনো নক্ষত্রের মোট ভর সূর্যের ১.৪ গুণের সমান বা তার চেয়ে কম হয়, তাহলে ওই নক্ষত্র শ্বেত বামন (white dwarf) তারায় পরিণতি হয়।
উল্লেখ্য,
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
• ব্যারােমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
অন্যদিকে,
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- এ রশ্মিকে চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত করলে তা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এদেরকে যথাক্রমে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বলা হয়।
- এদের মধ্যে আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জযুক্ত, বিটা রশ্মি ঋনাত্মক চার্জযুক্ত এবং গামা রশ্মি হচ্ছে চার্জবিহীন বা চার্জনিরপেক্ষ।
গামা রশ্মি (γ-রশ্মি):
প্রকৃতি:
- গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ।
- α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে।
- এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়।
ছেদন ক্ষমতা:
- গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি।
- রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে।
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই।
- বিটা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 1000 গুণ বেশি।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা:
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে।
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- সুপার আর্থ গ্রহ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৪০ ভাগ বড় আয়তনে।
- ‘সুপার’ আর্থের আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৬.২ আলোকবর্ষ দূরে।
- নাসা ২০২১ সালে এই গ্রহটির সন্ধান পায়।
- পৃথিবীতে এক বছর যেমন ৩৬৫ দিনে হয়, এই গ্রহটিতে কিন্তু হয় মাত্র আড়াই দিনে।
- GJ-740 গ্রহটি সুপার আর্থ নামে পরিচিত।
সূত্র- NPR Website [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে।
- সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।
- সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে।
- মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট গতিতে, নির্দিষ্ট দূরত্বে, একই সমতলে একইদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূনর্ণরত সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধুমকেতু ও উল্কাপিন্ডের সমন্বয়ে সৌরজগত গঠিত হয়েছে।
মঙ্গল গ্রহ:
- মঙ্গলগ্রহ হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ।
- বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- মঙ্গল গ্রহটিকে ‘লালগ্রহ’ নামে অভিহিত করা হয়।
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ২২.৮ কিলোমিটার।
- এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৬৮৭ দিন সময় লাগে।
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুইটি।
যথা- ফোবোস ও ডিমোস।
অন্যদিকে,
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ,
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ,
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
সমুদ্রবায়ু:
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপ যুক্ত হয়। ফলে এ সময় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়, একে সমুদ্রবায়ু বলে।
- সমুদ্রবায়ু সকাল ১০টা থেকে প্রবাহিত হতে থাকে।
- বিকালে অর্থাৎ অপরাহ্নে সমুদ্রবায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়।
- আবার রাত ৩টায় স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
পারস্পারিক আবেশ:
- পাশাপাশি স্থাপিত দুটি কুন্ডলীর মধ্যে একটিতে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রার পরিবর্তনের ফলে অপর কুন্ডলীতে যে তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয় তাকে পারস্পারিক আবেশ বলে।
- জেনারেট, মোটর ও ট্রান্সফরমারে পারস্পারিক আবেশ ব্যবহৃত হয়।
ট্রান্সফরমার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।
- ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার।
যথা-
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।
- ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার হয়।
- ট্রান্সফরমারের গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার হয়।
উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপ করার জন্য যে একক ধরা হয় তাকে বলা হয় বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা হলো যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি, তাদের নিউক্লিয়াস দ্রুত গতির নিউটন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদন সম্পূর্ণ বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনা।
- ফরাসি বিজ্ঞানী অঁতোয়ান অঁরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় এমন একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করে ফেলেন যা সারা বিশ্বের বিজ্ঞান জগতে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- তিনি দেখতে পান যে, ইউরেনিয়াম ধাতুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত বিশেষ ভেদন শক্তি সম্পন্ন রশ্মি বা বিকিরণ নির্গত হয়।
- তার নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকারেল রশ্মি।
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলে।
উৎস: Britannica.com