উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - তৈলবীজ।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১ / ৩ · ১–১০০ / ২০৯
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।
অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
জিডিপি:
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- জাতীয় মহাসড়ক: ৪২৯৪ কিলোমিটার।
- আঞ্চলিক মহাসড়ক: ৫০৪০ কিলোমিটার।
- রেলপথ: ৩২৫৪ কিলোমিটার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- রপ্তানি আয়: ৪০,৮৭৫ মিলিয়ন ডলার।
- সাক্ষরতার হার: ৭৭.৯%।
- জিডিপি'র (উৎপাদন মূল্য) প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।
অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা (Economic Review):
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা হলো একটি সরকারি বার্ষিক প্রতিবেদন যেখানে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, প্রবৃদ্ধি, উৎপাদন, বিভিন্ন খাতের বিশ্লেষণ, বাজেট বাস্তবায়ন, রাজস্ব আয়, সরকারি ব্যয় ইত্যাদি বিশদভাবে তুলে ধরা হয়। এটি অর্থবছরের আগে প্রকাশিত হয়।
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ প্রতি বছর অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশ করে।
- এ সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের গৃহীত অর্থনৈতিক নীতি ও কৌশলসহ দেশের অর্থনীতির খাতওয়ারি উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা প্রদান করা।
অর্থনৈতিক সমীক্ষার উদ্দেশ্য:
- দেশের গত এক বছরের অর্থনৈতিক অবস্থা মূল্যায়ন করা;
- বাজেট প্রণয়নে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ;
- খাতভিত্তিক উন্নয়ন ও সমস্যাসমূহ বিশ্লেষণ;
- ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ভিত্তি তৈরি করা।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
উল্লেখ্য,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP) = ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি = ২,৬৭১ মার্কিন ডলার বা ৩,২১,২৫৪ টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP)= ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার = ৩.৯৭%।
• চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) = ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।
উৎস: অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫।
→ বাংলাদেশে রপ্তানী আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক।
♦ রপ্তানি আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৩.৮১% বা ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.৬৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.৫৮%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
♦ উল্লেখ্য:
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৭৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৯২%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.৩১%)।
♦ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।
● এশিয়া:
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
- বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।
যে সেক্টরে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি:
- বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি কৃষি সেক্টরে নিয়োজিত।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%,
- শিল্প: ১৭.৩৭%,
- সেবা: ৩৭.৯৬%।
এছাড়াও,
• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
উত্তর: গ. (সেবা খাত – ৪.৫১%)
• খাতভিত্তিক সারসংক্ষেপ (অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৫):
১. সেবা খাত:
জিডিপিতে অবদান: ৫১.৬২%;
প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ৩৭.৯৬%।
২. শিল্প খাত:
জিডিপিতে অবদান: ৩৭.৪৪%;
প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ১৭.৩৭%।
৩. কৃষি খাত:
জিডিপিতে অবদান: ১০.৯৪%;
প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ৪৪.৬৭%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে:
• শ্রমশক্তি ও কর্মসংস্থান (শ্রমশক্তি জরিপ, ২০২৪ মোতাবেক)
মোট শ্রমশক্তি (১৫ বছর+) (মিলিয়ন) = ৭১.৭১%
পুরুষ = ৪৮.০২%
মহিলা = ২৩.৬৯%
মোট শ্রমশক্তির শতকরা হার হিসেবে (২০২৪)
• কৃষি = ৪৪,৬৭%
• শিল্প = ১৭.৩৭%
• সেবা= ৩৭.৯৬%
• বেকারত্বের শতকরা হার = ৩.৬৬%
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- জাতীয় মহাসড়ক: ৪২৯৪ কিলোমিটার।
- আঞ্চলিক মহাসড়ক: ৫০৪০ কিলোমিটার।
- রেলপথ: ৩২৫৪ কিলোমিটার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫, বিবিএস।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
উল্লেখ্য,
→ সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।
• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।
• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
অন্যদিকে,
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
» অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- কৃষি: ১.৭৯%.
- শিল্প: ৪.৩৪%.
- সেবা: ৪.৫১%.
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫
→ সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
- বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সর্বাধিক।
অর্থনীতি/জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান :
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।
→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
উল্লেখ্য,
→ সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে বৃহৎ খাত- ৩টি।
• জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাতের ৩টি বৃহৎ খাতে অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা,
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত
- ও সেবাখাত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপিতে) অর্থনীতির খাতসমূহের সেবা খাতের অবদান সর্বাধিক।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে,
⇒ বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%,
- শিল্প: ১৭.৩৭%,
- সেবা: ৩৭.৯৬%।
⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।
⇒ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- জাতীয় মহাসড়ক: ৪২৯৪ কিলোমিটার।
- আঞ্চলিক মহাসড়ক: ৫০৪০ কিলোমিটার।
- রেলপথ: ৩২৫৪ কিলোমিটার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫, বিবিএস।
আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ৩,৪৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,৬২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ১,০৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ৬৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৪,৫১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ৩,৬১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,৭১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,৫৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৮৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।
উল্লেখ্য,
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত – শিল্পখাত;
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় খাত কৃষি।
খাত ভিত্তিক জিডিপি:
⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।
- কৃষি: ১০.৯৪%।
⇒ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- সেবা: ৪.৫১%,
- শিল্প: ৪.৩৪%,
- কৃষি: ১.৭৯%।
⇒ বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%,
- সেবা: ৩৭.৯৬%।
- শিল্প: ১৭.৩৭%,
এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়- তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।
প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তৈলবীজ।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা: ২০২৫
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি। (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)
» ১৯টি খাত:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।
উল্লেখ্য,
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল ১৫ টি।
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।