বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

মোট প্রশ্ন২,৩০১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

PrepBank · পাতা / ২৩ · ৫০১৬০০ / ২,৩০১

৫০১.
নিচের কোনটিকে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশন বলা হয়?
  1. ক) WEF
  2. খ) IBRD
  3. গ) IFAD
  4. ঘ) AIIB
সঠিক উত্তর:
খ) IBRD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IBRD
ব্যাখ্যা
১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস শহরে অনুষ্ঠিত United Nations Monetary and Financial Conference ব্রেটন উডস সম্মেলন নামে পরিচিত।
এই সম্মেলনে বিশ্বের ৪৪টি দেশের ৭৩০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছিলো।

ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে The International Bank for Reconstruction and Development (IBRD) এবং The International Monetary Fund (IMF) জন্ম লাভ করে। তাই এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশন বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: WB ওয়েবসাইট)
৫০২.
মন্ট্রিল প্রটোকল কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

৫০৩.
পারদের ব্যবহার ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য চুক্তি -
  1. রটারডাম কনভেনশন
  2. মিনামাটা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. মেরিডা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
মিনামাটা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিনামাটা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

মিনামাটা কনভেনশন (Minamata Convention on Mercury):
- পারদের ব্যবহার ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি মিনামাটা কনভেনশন।
- চুক্তিটি মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে পারদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এই চুক্তির নামকরণ করা হয়েছে জাপানের মিনামাটা শহরের নামে, যেখানে ২০শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পারদ-দূষিত শিল্প বর্জ্য পানিতে মিশে হাজার হাজার মানুষ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা 'মিনামাটা রোগ' নামে পরিচিত। 

⇒ গৃহীত হয়: ১৯ জানুয়ারি ২০১৩ সালে (জেনেভা, সুইজারল্যান্ড)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ অক্টোবর, ২০১৩, কুমামোটো, জাপান।
- কার্যকর হয়: ১৬ আগস্ট, ২০১৭।
- সদস্য দেশ: ১৫২টি।

অন্যদিকে,
- বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- রটারডাম কনভেনশন বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- মেরিডা কনভেনশন: ২০০৩ সালে মেক্সিকোর মেরিডা শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

৫০৪.
নিচের কোনটি আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি নয়?
  1. NAFTA
  2. CENTO
  3. APTA
  4. CPTPP
সঠিক উত্তর:
CENTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CENTO
ব্যাখ্যা
CPTPP:
- CPTPP এর পূর্ণরূপ: The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans Pacific Partnership.
- এটি হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।

NAFTA:
- NAFTA এর পূর্ণরূপ: The North American Free Trade Agreement.
- এটি হলো উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।

APTA:
- APTA-এর পূর্ণরূপ: Asia Pacific Trade Agreement.
- এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্য চুক্তি।

অন্যদিকে,
CENTO:
- CENTO-এর পূর্ণরূপ: Central Treaty Organization.
- CENTO একটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা চুক্তি, যা বাগদাদ চুক্তি (Baghdad Pact) নামেও পরিচিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) U.S. Department of State (.gov).
৫০৫.
২০২৩ সালে কপ- ২৮ জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজক দেশ-
  1. বাহরাইন
  2. আরব-আমিরাত
  3. ভারত
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
আরব-আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব-আমিরাত
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন 
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
-  এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।
- কপ - ২৮ আরব - আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে -
- কপ - ২৯ আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হবে।
- কপ -১৬ মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- কপ - ১৮ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

 উৎস: UNFCCC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, https://unfccc.int/cop28.
৫০৬.
জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? 
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. তুরস্ক
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা 
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করবে তুরস্ক।
- তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- অস্ট্রেলিয়া চাইছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে অ্যাডিলেডে সম্মেলন আয়োজন করতে। 
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।
- সমঝোতা অনুযায়ী প্রাক-কপ একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপে হবে।
 - মূল সম্মেলন হবে তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে। সভাপতি থাকবেন ক্রিস বোয়েন (অষ্ট্রেলিয়া)। 
- ব্রাজিলে আয়োজিত কপ৩০-এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, বনিক বার্তা ও UNFCCC.

৫০৭.
কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহীত হয় কোথায়?
  1. ভিয়েনা
  2. মন্ট্রিল
  3. রোম
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রোটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
-  এর পুরো নাম: Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity.
- স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- গৃহীত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫০৮.
UNFCCC-এর পূর্ণ রূপ কী
  1. United Nations Forum on Clean Energy
  2. Universal Network for Carbon Conservation
  3. United Nations Foundation for Climate Control
  4. United Nations Framework Convention on Climate Change
সঠিক উত্তর:
United Nations Framework Convention on Climate Change
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Framework Convention on Climate Change
ব্যাখ্যা

UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় - যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৫০৯.
গ্রিনপিস কোন দেশের পরিবেশবাদী সংগঠন?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. পোল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস:
 - গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালে। 
- সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস। 

তথ্যসূত্র - Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫১০.
প্রথম পরিবেশ বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭৪ সালে
  3. গ) ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে জাতিসংঘের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয়।
- স্টকহোম সম্মেলনের  ফলাফল হিসেবে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) তৈরী হয়।
- স্টকহোম ঘোষণাপত্রে ২৬টি নীতি রয়েছে।
- অ্যাকশন প্ল্যানে তিনটি প্রধান বিভাগ ছিল -  গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রাম (ওয়াচ প্ল্যান),পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম,জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পাদিত মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা।
- এই বিভাগগুলিকে ১০৯টি সুপারিশে বিভক্ত করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫১১.
নিচের কোন সংস্থাটি প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে কাজ করে?
  1. ক) WWF
  2. খ) Greenpeace
  3. গ) WA
  4. ঘ) WMO
সঠিক উত্তর:
ক) WWF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) WWF
ব্যাখ্যা
• WWF:
- WWF (World Wide Fund for Nature) প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
- WWF ১৯৬১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো World Wildlife Fund।
- এটি বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছে।
- সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে WWF এর সদরদপ্তর অবস্থিত।

অন্যদিকে,

- Greenpeace - আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা।
- WA - Water Aid, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন এর কাজ করে।
- WMO - World Meteorological Organisation,আবহাওয়া সংক্রান্ত কাজ করে।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট এবং WWF ওয়েবসাইট।
৫১২.
রামসার কনভেনশন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ইথিওপিয়া
  2. ইরান
  3. ইরাক
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) হলো বিশ্বব্যাপী জৈবপরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
- এটি বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইরানের রামসারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- রামসার কনভেনশন ইরানের রামসারে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
৫১৩.
UNEP এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. প্যারিস
  2. নাইরোবি
  3. জেনেভা
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি
ব্যাখ্যা

• UNEP বা United Nations Environment Programme হলো জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা। এর সদর দপ্তর নাইরোবি, কেনিয়ায় অবস্থিত। UNEP ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব পরিবেশ দিবসও ৫ জুন পালিত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) নাইরোবি। 

UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি (UNEP).
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme. 
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP. 
- UNEP - সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

৫১৪.
Green Belt Movement (GBM) তাদের কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৭৭
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৮৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement)
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট - কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
• শুরুর সময় - ১৯৭৭ সাল
• শুরুর স্থান - নাইরোবি, কেনিয়া।
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই। তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র:- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
৫১৫.
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কোন দেশ থেকে?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) অস্ট্রিয়া
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।
(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
৫১৬.
কে সর্বপ্রথম Greenhouse Effect model প্রদান করেন?
  1. ক) Norman Borlaug
  2. খ) Svante Arrhenius
  3. গ) Erwin Schrödinger
  4. ঘ) Ernest Heikel
সঠিক উত্তর:
খ) Svante Arrhenius
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Svante Arrhenius
ব্যাখ্যা
Svante Arrhenius, in full Svante August Arrhenius, (born February 19, 1859, Vik, Sweden—died October 2, 1927, Stockholm), Swedish physicist and physical chemist known for his theory of electrolytic dissociation and his model of the greenhouse effect. In 1903 he was awarded the Nobel Prize for Chemistry. Source: Brittanica.com
৫১৭.
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল কোনটি?
  1. রাউটিং প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা  প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা  প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা  প্রটোকল
ব্যাখ্যা
 কার্টাগেনা  প্রটোকল:
- জৈব জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয় কানাডার মন্ট্রিল।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ২০০৪ সালে। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৭৩টি ।
- সর্বশেষ অনুমোদন কারী দেশ- সিয়েরা লিওন ( ১৫ জুন ২০২০)

এছাড়াও: 
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- ওজনস্তর ক্ষয়কারী বস্তু সামগ্রী উৎপাদন, বিপণন এবং ব্যবহার বন্ধ বিষয়ক প্রটোকল।
- কানাডার মন্ট্রিলে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষর ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।
- কার্যকর ০১ জানুয়ারি ১৯৮৯।

 কিয়োটো প্রটোকল:
 - বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ বিষয়ক প্রটোকল।
- জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- গৃহীত হয় ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭

উৎস: CBD.  UNFCCC. Britannica.
৫১৮.
নিচের কোন দেশে 'বাসেল কনভেনশন' গৃহীত হয়?
  1. জাপান
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. কানাডা
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
৫১৯.
’কার্টাগেনা প্রটোকল’ সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ- (জুন-২০২৫)
  1. মিশর
  2. সিয়েরা লিওন
  3. উগান্ডা
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
• Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity
- জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত: ২৯ জানুয়ারী, ২০০০ সাল।
- কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা: ১৭৩টি
- সর্বশেষ অনুমোদন: সিয়েরা লিওন (১৫ জুন ২০২০)

উৎস: UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।
৫২০.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৭
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৭৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ই জুন ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা। 

উৎস: Britannica
৫২১.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন কোনটি?
  1. রটারডাম কনভেনশন
  2. স্টকহোম কনভেনশন
  3. মিনামাতা কনভেনশন
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- গৃহীত হওয়ার স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ৫ মে, ১৯৯২ সালে।

→ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৫২২.
UNFCCC- এর প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. পরিবেশগত শিক্ষা প্রচার করা
  2. গ্রীনহাউস গ্যাস নিঃসরণের প্রভাব মূল্যায়ন করা
  3. পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন করা
  4. জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
UNFCCC:

- UNFCCC- এর পূর্ণরূপ- United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি  জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কনভেনশন।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক পদক্ষেপকে সমন্বিত করা।
- এটি ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়।
- এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
- UNFCCC এর অধীনে দেশগুলি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তাদের কাজের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলিকে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন তহবিল গঠন করে।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৫২৩.
'কিগালি সংশোধনী' নিচের কোন প্রটোকলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  2. নাগোয়া প্রোটোকলে
  3. কিয়োটো প্রোটোকল
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রোটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

কিগালি সংশোধনী:
- মন্ট্রিল প্রোটোকলের সর্বশেষ সংশোধনী হলো কিগালি সংশোধনী।
- কিগালি সংশোধনী হলো হাইড্রোফ্লরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার এবং উৎপাদন ধীরে ধীরে হ্রাস করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
 - ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর রুয়ান্ডার কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকলের ২৮তম সভায় শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস-হাইড্রোফ্লোরো কার্বনের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে জ কমিয়ে আনতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- সংশোধনীটি বাস্তবায়িত হলে স্তবায়িত হলে এই শতাব্দীর শেষে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রায় শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড কমানো সম্ভব হবে।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

৫২৪.
বাংলাদেশ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কোন সম্মেলনে প্রথম অংশ নেয়?
  1. ক) রাবাত সম্মেলন
  2. খ) আলজিয়ার্স সম্মেলন
  3. গ) লাহোর সম্মেলন
  4. ঘ) বান্দুং সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
খ) আলজিয়ার্স সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলজিয়ার্স সম্মেলন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে এবং সদস্যপদ লাভ করে।

ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।

(তথ্যসূত্র: ন্যাম আজারবাইজার ওয়েবসাইট)
৫২৫.
'বাসেল কনভেনশন’ চুক্তি কার্যকর হয় কত সালে? 
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

• বাসেল কনভেনশন: 
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্যান্য ধরনের বর্জ্যের এক দেশ থেকে অন্য দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে, স্থানান্তর ও ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সম্পূর্ণ নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal
- চুক্তি তারিখ: ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৫ মে ১৯৯২ সালে।
- স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড ।

• উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।
- এর ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি প্রতিশ্রুতিশীল অবস্থান গ্রহণ করে।

উৎস: Basel Convention ওয়েবসাইট।

৫২৬.
Climate Vulnerable Forum (CVF)  কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৭
  2. ২০০৮
  3. ২০০৯
  4. ২০১০
সঠিক উত্তর:
২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯
ব্যাখ্যা

CVF:
- CVF এর পূর্ণরূপ: Climate Vulnerable Forum. 
- এটি জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- CVF প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মালে, মালদ্বীপ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১১টি দেশ।
- বর্তমান সদস্য: ৭৪টি দেশ।
- উদ্যোক্তা: মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদ।
- CVF-V20 সচিবালয় ঘানার আক্রায় অবস্থিত।
- সংস্থাটির একটি আঞ্চলিক অফিস শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে একটি অফিস রয়েছে, যা ব্রেটন উডস ইনিশিয়েটিভের সাথে জড়িত।
- ২০০৯ সালের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত COP-15 সম্মেলনের আগে বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি দেশ মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে একত্রিত হয়ে CVF প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: CVF ওয়েবসাইট।

৫২৭.
IMO কোন ধরনের সংস্থা?
  1. সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা
  2. আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা
  3. বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা
  4. আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা
ব্যাখ্যা
IMO:
- International Maritime Organisation ( IMO ) হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- IMO প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহিত হয় যা ১৭ মার্চ ১৯৫৮ কার্যকর হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো Inter-governmental Maritime Consultative Organisation (IMCO) Sabse International Maritime Organisation নামকরণ করা হয় ।
- ১৯৫৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- IMO এর সদরদপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৬টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫২৮.
জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থা UNFCCC - এর সচিবালয়/সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) বন, জার্মানি
  3. গ) বুয়েন্স আয়ার্স, আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) জেনেভা, সুজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) বন, জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বন, জার্মানি
ব্যাখ্যা
The UNFCCC secretariat (UN Climate Change) was established in 1992 when countries adopted the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC). Since 1995, the secretariat is located in Bonn, Germany. Source: unfccc.int
৫২৯.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ১৯১টি
  2. ১৯২টি
  3. ১৯৩টি
  4. ১৯৪টি
সঠিক উত্তর:
১৯৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩টি
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- WMO বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা।
- (WMO) এর পূর্ণরূপ The World Meteorological Organization (WMO)।
- (WMO) প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৩মার্চ, ১৯৫০ সালে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বর্তমান সদস্য সংখ্যা মোট ১৯৩টি। (নভেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৩০.
'V-20' গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. কৃষি উন্নয়ন
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. ওজোন স্তর রক্ষা
  4. দারিদ্র বিমোচন
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
Vulnerable 20 :
- Vulnerable 20 (V20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এটি গঠিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP-এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।

উৎস: Vulnerable-20 ওয়েবসাইট।
৫৩১.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কার্যক্রম শুরু করে -
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট:
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
- শুরুর সময় ১৯৭৭ সাল।
- শুরুর স্থান নাইরোবি, কেনিয়া।
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই।
- তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
৫৩২.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. কিয়েটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে,
• কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- সেই সময় সুদান জাতিসংঘের সদস্য ছিলো না, তাই স্বাক্ষর করেনি।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। 
⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৫৩৩.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. কিয়েটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৫৩৪.
নিচের কোন চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি?
  1. ক) সিটিবিটি চুক্তি
  2. খ) এনপিটি চুক্তি
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
ব্যাখ্যা
- CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি। চু্ক্তিটি ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকরের জন্যে চুক্তির অ্যানেক্স-২ অংশে উল্লিখিত ৪৪টি দেশের প্রত্যেকটির অনুমোদন আবশ্যক।
- কিন্তু অ্যানেক্স-২ অংশের ৮টি দেশ এখনো চুক্তিটি অনুমোদন করেনি। দেশগুলো হলো:
- ভারত
- পাকিস্তান
- উত্তর কোরিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র
- চীন
- ইসরাইল
- মিশর
- ইরান।
এর ম্যধ্যে প্রথম তিনটি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেনি।
- বর্তমান পর্যন্ত ১৮৫টি দেশ CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০০ সালের ৮ মার্চ চুক্তিটি অনুমোদন করে।
অন্যদিকে,
- এনপিটি চুক্তি কার্যকর হয় : ৫ মার্চ ১৯৭০
- অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয় : ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০
- বাসেল কনভেনশন কার্যকর হয় : ৫ মে ১৯৯২।
(সূত্রঃ সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৫৩৫.
নাগোয়া প্রটোকল কোন কনভেনশনের অধীন গৃহীত?
  1. UNFCCC
  2. Ramsar Convention
  3. Convention on Biological Diversity (CBD)
  4. Basel Convention
সঠিক উত্তর:
Convention on Biological Diversity (CBD)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Convention on Biological Diversity (CBD)
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- এর পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রটোকল (ABS) হলো জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD)-এর অধীন একটি সম্পূরক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য জেনেটিক সম্পদে প্রবেশাধিকার এবং সেগুলোর ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুফলের ন্যায্য ও সমান বণ্টন নিশ্চিত করা।
- এটি গৃহীত হয় ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকরের তারিখ ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

৫৩৬.
 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করে-
  1. UNESCO
  2. UNDP
  3. UNEP
  4. UNICEF
সঠিক উত্তর:
UNEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNEP
ব্যাখ্যা

UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালের ৫ জুন।
- সদরদপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- UNEP এর প্রধানের পদবী: নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন।
- UNEP প্রতিষ্ঠার তারিখ ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
- পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পদক 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করে UNEP।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

৫৩৭.
বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত সংক্রান্ত ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে।
- এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture।
৫৩৮.
নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন 'গ্রিনপিস' প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬১
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস (Greenpeace)
• গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
• ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা (Amchitka) দ্বীপে আমেরিকার ভূগর্ভস্থ পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও লং-মার্চ পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
• বর্তমানে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রচারনা সহ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রচারনা ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ কর যাচ্ছে।
• ১৯৭১ সালে গ্রীণপিস নামে আত্মপ্রকাশের আগে এটি ১৯৬৯ সাল থেকে "Don't Make A Wave: It's Your Fault If Our Fault Goes" ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
• গ্রিনপিস পরিবেশ বিপর্যযের বিপক্ষে গবেষণা, সচেতনতা, প্রচারণা এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 

➧ এক নজরে গ্রিনপিস 
• প্রতিষ্ঠাকাল : ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান : ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
• সদস্য : ২৭টি দেশ ও আঞ্চলিক সংগঠন।
• সদরদপ্তর :  আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ড।
• ১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধবস্ত বাংলাদেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে এই সংস্থা কাজ করেছে । যুদ্ধোত্তর যোগাযোগ ব্যবস্থা পূনর্গঠনে এর ভূমিকা উল্লেখ্যযোগ্য।

তথ্যসূত্র: গ্রিনপিস এবং UNWTO ওয়েবসাইট।
৫৩৯.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ইয়াসির আরাফাত নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) অসলো চুক্তি
  2. খ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. গ) ওয়াই রিভার চুক্তি
  4. ঘ) সেভার্স চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ১৯৯৪ সালে ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে পিএলও এবং ইসরায়েলের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে পিএলও এবং ইসরায়েল পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়। (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট)
৫৪০.
মন্ট্রিল প্রটোকল কোন বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি?
  1. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
  2. বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
  3. জৈব নিরাপত্তা
  4. গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

⇒ মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি?

মন্ট্রিল প্রটোকল:

- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়
- এটি গৃহীত হয় ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সালে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৪১.
বিশ্বব্যাপী জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. প্যারিস কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
রামসার কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাপী জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি রামসার কনভেনশন নামে পরিচিত।

রামসার কনভেনশন (Convention on Wetlands):
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।
- উদ্দেশ্য: আর্দ্রভূমির অবক্ষয় রোধ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন (১৯৯২), টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৫৪২.
জাতিসংঘের কোন দুটি সংস্থা মিলে IPCC গঠন করে?
  1. UNEP ও WMO
  2. UNFCCC ও UNEP
  3. UNFCCC ও WMO
  4. UNEP ও ECOSOC
সঠিক উত্তর:
UNEP ও WMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNEP ও WMO
ব্যাখ্যা

• IPCC:
- পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৮৮ সাল।
- এটি জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সদস্য: ১৯৫টি।(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।

৫৪৩.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) মিথেন
  3. গ) জলীয়বাষ্প
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
যেসব গ্যাস ‍ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের গ্রিনহাউজ গ্যাস বলা হয়। বিভিন্ন গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও জলীয়বাষ্প প্রধান।
এছাড়া নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
এসকল গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৫৪৪.
IPCC কোন দুটি প্রতিষ্ঠান এর সহযোগিতায় গঠিত হয়েছিল?
  1. UNEP এবং WHO
  2. UNDP এবং WMO
  3. UNEP এবং WMO
  4. UN Environment এবং UNESCO
সঠিক উত্তর:
UNEP এবং WMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNEP এবং WMO
ব্যাখ্যা

• IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change):

- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত আন্তঃসরকারি প্যানেল (IPCC) হল জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞান মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের একটি সংস্থা।
- এটি বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এর সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- IPCC নিয়মিতভাবে "Assessment Reports" প্রকাশ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) দ্বারা তৈরি IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change।
- আইপিসিসির ১৯৫টি সদস্য দেশ রয়েছে। 

• মূল কাজ ও লক্ষ্য:
- বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন: জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস এবং প্রভাব নিয়ে গবেষণা।
- নীতিনির্ধারণ: বিশ্বব্যাপী নীতি ও পদক্ষেপ গ্রহণে তথ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদান।
- বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা: বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা করা।

 উৎস: IPCC Official Website

৫৪৫.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCC) -এর সদস্য কয়টি?
  1. ক) ১৯০
  2. খ) ১৮৫
  3. গ) ১৭৫
  4. ঘ) ১৯৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮
ব্যাখ্যা
- UNFCCC -এর পূর্ণরূপ (United Nations Framework Convention on Climate Change)।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCC)।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCC) -এর সদর দপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
- (UNFCC) এর মোট সদস্য সংখ্যা ১৯৮টি।

উৎস : (UNFCCC) ওয়েবসাইট।
৫৪৬.
জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা কোনটি?
  1. ক) IMO
  2. খ) UNIDO
  3. গ) WMO
  4. ঘ) IOM
সঠিক উত্তর:
গ) WMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WMO
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা হলো WMO (World Meteorological Organization)।
এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫০ সালের ২৩ শে মার্চ। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। এর সদরদপ্তর জেনেভোয় অবস্থিত। বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল পেত্তেরি তালাস।
WMO এবং UNEP যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্র: WMO ওয়েবসাইট)
৫৪৭.
‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) মেক্সিকো
  2. খ) কানাডা
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) মরক্কো
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
ব্যাখ্যা
২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে ‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ গৃহিত হয়।
‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ হলো জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর।
চুক্তিটিতে ১০৩টি দেশ স্বাক্ষর করলেও এটির অংশীদার ১৭৩টি দেশ।
বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি কার্যকর করে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৫৪৮.
'ব্লু ইকোনমি' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বনজ অর্থনীতি
  2. বেস্টিক অর্থনীতি
  3. সমুদ্র অর্থনীতি
  4. খনিজ অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
Blue economy:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। 
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি। 

Blue economy বা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ:
- মৎস্য আহরণ
- জাহাজ চলাচল ও জাহাজ ব্যবস্থাপনা, বন্দর এবং সামুদ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহায়ক
- পরিসেবা
- সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি
- খনিজ পদার্থ
- সামুদ্রিক নবায়নযোগ্য শক্তি
- সামুদ্রিক পণ্য
- সামুদ্রিক পর্যটন ও অবকাশ
- সামুদ্রিক স্থাপনা নির্মাণ
- সামুদ্রিক বাণিজ্য
- সামুদ্রিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
- শিক্ষা এবং গবেষণা

উৎস: United Nation ওয়েবসাইট।
৫৪৯.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন কোনটি?
  1. রোম চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. রটারডাম কনভেনশন
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৫৫০.
কপ-২৯ সম্মেলনে কোন দেশের উদ্যোগে 'জি জিরো' ফোরাম গঠিত হয়েছে?
  1. ফ্রান্স
  2. ভুটান
  3. পানামা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- কার্বন নিঃসরণ কমাতে গঠিত ফোরাম হচ্ছে 'জি জিরো'। 
- আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ সম্মেলনে ভুটানের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে 'জি জিরো' ফোরাম।
- চারটি ছোট কার্বন-নেতিবাচক দেশ এক হয়ে এই ফোরাম গঠন করে।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।

উল্লেখ্য,
- এই গোষ্ঠী গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
- এই ফোরামের দেশগুলো জলবায়ু সুরক্ষার যুদ্ধকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করতে যৌথ ঘোষণাও দিয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) UNFCCC.
ii) Carbon Pulse.
৫৫১.
রিও সম্মেলন-১৯৯২ এর মাধ্যমে শুরু হয়-
  1. অ্যাজেন্ডা ৩০
  2. অ্যাজেন্ডা ৩১
  3. অ্যাজেন্ডা ৪০
  4. অ্যাজেন্ডা ২১
সঠিক উত্তর:
অ্যাজেন্ডা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাজেন্ডা ২১
ব্যাখ্যা

• রিও সম্মেলন (১৯৯২):
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- এটি Earth Summit নামেও পরিচিত।
- স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২।
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।
- গুরুত্বপূর্ণ অর্জন: UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD), অ্যাজেন্ডা ২১ ।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।

৫৫২.
পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধের জন্যে কোন চুক্তিটি গৃহিত হয়?
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধ:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্যে দায়ী গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্দেশ্যে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে 'কিয়োটো প্রটোকল' গৃহিত হয়।
- এটির অংশীদার ১৯২টি দেশ ও সংস্থা। ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ২০১২ সালে এর মেয়াদ শেষ হলে দোহা এমেন্ডমেন্টের মাধ্যমে এর মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলেও এখনো কার্যকর হয়নি।

অন্যদিকে,
- মন্ট্রিয়াল প্রটোকল: ওজোনস্তরের ক্ষয়সাধনকারী পদার্থের নিঃসরণ হ্রাস।
- বাসেল কনভেনশন ক্ষতিকর বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ।
- অটোয়া চুক্তি: স্থলাইন নিষিদ্ধকরণ।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।
৫৫৩.
জলবায়ু পরিবর্তনে্র হুমকি তুলে ধরতে কোন দেশটি সমুদ্রের তলদেশে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) টুভালু
  4. ঘ) গোয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনের লক্ষ্যে সাগর জলের ছয় মিটার নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয় মালদ্বীপ সরকার। এই বৈঠকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা বিশ্বব্যাপী ক্ষতিকর কার্বন উদিগরণের বিরুদ্ধে এক ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন। রেফারেন্সঃ http://archive.prothom-alo.com/
৫৫৪.
'Earth Hour' কোন সংস্থা দ্বারা আয়োজিত হয়?
  1. UNEP
  2. IUCN
  3. WMO
  4. WWF
সঠিক উত্তর:
WWF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WWF
ব্যাখ্যা

Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচির আয়োজক সংস্থা WWF (World Wide Fund for Nature).
- এটি একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলন, যা পরিবেশ রক্ষার জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে। 

⇒ Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে মানুষ, সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিশ্বের প্রথম আর্থ আওয়ারে ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এক ঘন্টার জন্য তাদের বাতি নিভিয়ে রেখেছিলেন।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hour ওয়েবসাইট। 

৫৫৫.
IUCN এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. রোম, ইতালি
  4. ফ্রান্স, প্যারিস
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ: International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠা: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ফ্রান্স, ফন্টেনব্লিউ।
- এর সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- লক্ষ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ সংরক্ষণ।
- সদস্য দেশ সংখ্যা: ১৬০টির অধিক।
 
উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

৫৫৬.
ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ চুক্তি কোনটি?
  1. ক) Kyoto Protocol
  2. খ) Montreal Protocol
  3. গ) Nagoya Protocol
  4. ঘ) Cartagena Protocol
সঠিক উত্তর:
খ) Montreal Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Montreal Protocol
ব্যাখ্যা
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- এর পুরো নাম: Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কার্যকর হয়। বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৫৫৭.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশ কতটি?
  1. ১৬৩টি
  2. ১৬৪টি
  3. ১৬৫টি
  4. ১৬৬টি
সঠিক উত্তর:
১৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪টি
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা  WTO
- WTO (World Trade Organisation) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পূর্বসূরী সংস্থা - General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)।
- সদস্য সংখ্যা - ১৬৪টি দেশ।
- পর্যবেক্ষক - ২৫টি।
- সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- Ngozi Okonjo-Iweala বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সপ্তম মহাপরিচালক।
- তিনি প্রথম মহিলা এবং প্রথম আফ্রিকান হিসেবে মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে।
- তিনি ১ মার্চ ২০২১ সালে দায়িত্ব গ্রহন করেন।
- তার মেয়াদ ৩১ আগস্ট ২০২৫-এ শেষ হবে।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।
৫৫৮.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ১৫ জুন
  2. ৩ জুন
  3. ৫ জুন
  4. ২ জুন
সঠিক উত্তর:
৫ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জুন
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ জুন পালিত হয়।
- এটি ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতিসংঘ ঘোষণা করে।
- এই দিনটি পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিবস: 
- 'বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস' পালিত হয় ১৭ জুন।
- 'বিশ্ব ধরিত্রী দিবস' পালিত হয় ২২ এপ্রিল।
- 'বিশ্ব বাঘ দিবস' পালিত হয় ২৯ জুলাই।
- 'বিশ্ব পর্যটন দিবস' পালিত হয় ২৭ সেপ্টেম্বর।
- 'বিশ্ব পানি দিবস' পালিত হয় ২২ মার্চ।

সূত্র: প্রথম আলো। 

৫৫৯.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কি পরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করেছে?
  1. ৮০ বিলিয়ন ডলার
  2. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ১৫০ বিলিয়ন ডলার
  4. ২০০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
১০০ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলার মঞ্জুর করেছে।

Green Climate Fund:
- ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- মেক্সিকোর ক্যানকুনে অনুষ্ঠিত কপ-১৬ সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠন করা হয়।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর সদর দপ্তর: ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।
৫৬০.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ক) ৩৫০ কি.মি.
  2. খ) ৪৫০ কি.মি.
  3. গ) ৫৫০ কি.মি.
  4. ঘ) ৬৫০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী,
- একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল (৬৫০ কিমি)
- অর্থনৈতিক সীমারেখার দৈর্ঘ্য - ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: Britannica.
৫৬১.
মন্ট্রিল প্রটোকল মূলত কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. ওজোনস্তর সংরক্ষণ
  3. বন সংরক্ষণ
  4. পরিবেশ দূষণ
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৬২.
প্যারিস চুক্তির অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউজ গ্যাস কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩০%
  2. ৩৩%
  3. ৩৮%
  4. ৪৩%
সঠিক উত্তর:
৪৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩%
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায়, উন্নত দেশগুলো ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই অর্থ উন্নয়নশীল ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে ব্যয় করার কথা ছিল। ​
- তবে, কপ-২৯ সম্মেলনে (নভেম্বর, ২০২৪) এই প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৫৬৩.
গ্রিনপিস (Green Peace) কোন ধরনের সংস্থা?
  1. একটি আন্তর্জাতিক ব্যাংক
  2. জাতিসংঘের একটি অঙ্গসংস্থা
  3. আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা
  4. একটি বহুজাতিক কৃষি সংস্থা
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস নেদারল্যান্ড ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

৫৬৪.
'ওয়ারশ চুক্তি' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) রোমানিয়া
  3. গ) বসনিয়া
  4. ঘ) হাঙ্গেরি
সঠিক উত্তর:
ক) পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ওয়ার'শ চুক্তি সংক্ষেপে ওয়ারশ প্যাক্ট  হিসেবে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ও স্থান: ১৪ মে, ১৯৫৫, ওয়ারশো্, পোল্যান্ড
- চিফ অব কম্বাইন্ড স্টাফ: ভলাদিমির লোবোভ (প্রথম)।
- ধরন: সামরিক মৈত্রী।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই ১৯৯১

উৎস: Britannica.
৫৬৫.
বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  2. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. রোম, ইতালি
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৬৬.
‘যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে চুক্তি’- জেনেভা কনভেনশন এর কোন চুক্তির বিষয়বস্তু?
  1. ক) ১ম চুক্তি
  2. খ) ২য় চুক্তি
  3. গ) ৩য় চুক্তি
  4. ঘ) ৪র্থ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ চুক্তি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৫৬৭.
'UN Ocean Conference-2025' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. জার্মানি
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. স্পেন
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

UN Ocean Conference
- ২০২৫ সালের UN Ocean Conference (তৃতীয় সম্মেলন) ৯–১৩ জুন ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল Nice, France-এ।
- এই বছরের সম্মেলনটিতে ফ্রান্স ও কোস্টারিকা সহ-আয়োজক ছিল।
- প্রথম সম্মেলন হয়: ২০১৭ সালে নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে।

• UN Ocean Conference  এর মূল থিম ও লক্ষ্য:
- SDG ১৪: Life Below Water
- সামুদ্রিক দূষণ হ্রাস।
- অতিরিক্ত মাছ শিকার বন্ধ।
- সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার।
- সমুদ্রের ৩০% এলাকা ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষণ (৩০×৩০ লক্ষ্য)।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা।
- Deep-sea mining ও bottom trawling-এর মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: এস ডি জি ওয়েবসাইট।

৫৬৮.
কোনটি অনবায়নযোগ্য শক্তি নয়?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. বায়ু শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
বায়ু শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু শক্তি
ব্যাখ্যা

অনবায়নযোগ্য শক্তি:
- যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না এই ধরনের শক্তি সম্পদকে অনবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ (Non-renewable Energy Resources) বলা হয়। যেমন- 
- প্রাকৃতিক গ্যাস,
- কয়লা,
- খনিজ তেল এবং
- বিভাজনজাত পারমাণবিক শক্তি।

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

অন্যদিকে,
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- সৌরশক্তি,
- জলবিদ্যুৎ,
- বায়ু শক্তি,
- ভূতাপীয় শক্তি,
- সমুদ্রের ঢেউ ইত্যাদি।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫৬৯.
রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭১ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
• রামসার কনভেনশন:
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

• বাংলাদেশ ও রামসার সাইট:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট
৫৭০.
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৮২ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সমুদ্রবিষয়ক আইন বা United Nations Convention on the Law of the Sea ১৯৮২ সালে সমুদ্রবিষয়ক তৃতীয় জাতিসংঘ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির নাম। সম্মেলনটি ১৯৭৩ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত চলেছিল। এ আইনটি UNCLOS-III নামেও পরিচিত। মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়। আর ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলােপ সম্পর্কিত CEDAW কনভেনশন অনুমােদন করে।
৫৭১.
গ্রিনপিস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৬৯ সাল
  2. ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৭১ সাল
  4. ১৯৭২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সাল
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস (Greenpeace):
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭১ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, কানাডা।
- এটি পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ করার একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। 
- সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
 
উৎস: Greenpeace International
৫৭২.
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা 'FBI' কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯০৮ সালে
  2. ১৯০৬ সালে
  3. ১৯০৪ সালে
  4. ১৯০২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালে
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI এর পূর্ণরূপ হলো - Federal Bureau of Investigation.
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ও স্থান: ২৬ জুলাই, ১৯০৮, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল সংস্থা: United States Department of Justice.

উৎস : Interpol Website.
৫৭৩.
কার্টাগেনা প্রটোকল কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ক) ২০০১ সালে
  2. খ) ২০০৩ সালে
  3. গ) ২০০০ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
- কার্টাগেনা প্রটোকল হলো জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে গৃহিত হয়।
- কার্টাগেনা প্রটোকল ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে চুক্তিটির অংশীদার ১৭৩টি দেশ এবং স্বাক্ষরকারী ১০৩টি।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে কার্টাগেনা প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি অনুমোদন করে।

[সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট]
 
৫৭৪.
বর্তমানে বায়ুদূষনে বিশ্বের শীর্ষ শহর কোনটি?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) লিমা
  3. গ) নয়াদিল্লি
  4. ঘ) কানো
সঠিক উত্তর:
গ) নয়াদিল্লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুটি সংগঠন হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট ও ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভালুয়েশনের প্রকাশিত ‘এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড হেলথ ইন সিটিস’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে,
- বায়ুদূষনে বিশ্বের শীর্ষ শহর – দিল্লি।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা, তৃতীয় নাইজেরিয়ার কানো, চতুর্থ পেরুর রাজধানী লিমা। 
-  ঢাকার অবস্থান - পঞ্চম
 
উৎস: যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট 
৫৭৫.
প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইসরাইল
  3. কানাডা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল: 
- প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে কানাডা। 

- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা COP-3 এ গৃহীত হয়। 
- চুক্তিটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
৫৭৬.
কোন আন্তর্জাতিক চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. ন্যাটো
  3. G-7 সম্মেলন
  4. ASEAN
সঠিক উত্তর:
প্যারিস চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ২০১৫ সালে প্যারিস, ফ্রান্সে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি ৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে কার্যকর হয়।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রচেষ্টা চালানো।
- এই চুক্তিতে মোট ১৯৫টি দেশ অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৭৭.
‘জি-জিরো’ ফোরাম কোন সম্মেলনে গঠিত হয়েছে?
  1. COP-27
  2. COP-28
  3. COP-29
  4. COP-30
সঠিক উত্তর:
COP-29
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-29
ব্যাখ্যা

‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠিত হয়েছে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলনে (COP-29)।
- ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠনের উদ্যোক্তা হলো ভুটান।

⇒ এটি একটি নতুন জোট যা কার্বন-নেতিবাচক (carbon-negative) ও কার্বন-নিরপেক্ষ (carbon-neutral) দেশগুলোর নেতৃত্বে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও নেট-জিরো লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করে।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।

উল্লেখ্য,
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- এই চার দেশে যতটুকু কার্বন নিঃসরণ হয়, তা হয় দূষণমাত্রার চেয়ে কম নতুবা সেই দূষণ শুষে নেওয়ার মতো পরিবেশব্যবস্থা তারা তৈরি করতে পেরেছে। কাজেই এসব দেশ থেকে নিঃসরিত কার্বন উষ্ণায়নের কারণ হয় না।

উৎস: Carbon Pulse.

৫৭৮.
রামসার কনভেনশন এর উদ্দেশ্য কী?
  1. গ্রীন হাউজ নিঃসরণ রোধ
  2. পারমাণবিক যুদ্ধ রোধ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সাল।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সাল।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য: ১৭২টি দেশ।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website
৫৭৯.
রামসার কনভেনশনের প্রধান উদ্দেশ্য- 
  1. সমুদ্র সীমানা নির্ধারণ
  2. বন্যপ্রাণী শিকার নিয়ন্ত্রণ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. নদী দূষণ হ্রাস
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি,
- এটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
-  এই কনভেনশন ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৫৮০.
WWF -এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল?
  1. World Wide Fund for Nature
  2. World Wildlife Fund
  3. Wildlife Conservation Fund
  4. Global Nature Fund
সঠিক উত্তর:
World Wildlife Fund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Wildlife Fund
ব্যাখ্যা

WWF:
- এর পূর্ণরূপ: World Wide Fund for Nature.
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: World Wildlife Fund।
- ১৯৮৫ সালে নাম পরিবর্তন করে World Wide Fund for Nature রাখা হয়।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত। 
- WWF প্রায় ১০০টি দেশে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: WWF ওয়েবসাইট। 

৫৮১.
নিচের কোন দেশটিতে কার্বন নিঃসরণের তুলনায় কার্বন শোষণ ক্ষমতা অধিক?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ ভুটান।
দেশটির বার্ষিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ২০ লক্ষ টন এবং বিপরীতে কার্বন শোষণের ক্ষমতা ৬০ লক্ষ টন।
তাই ভুটানকে কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ বলা হয়। দেশটির মোট আয়তনের প্রায় ৭০ ভাগই বনভূমি।
(সূত্র: গ্রোবাল ভিশন ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
৫৮২.
COP 29-এ COP মানে কী?
  1. Conference of Paris
  2. Conference of the Protocol
  3. Conference of the Power
  4. Conference of the Parties
সঠিক উত্তর:
Conference of the Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conference of the Parties
ব্যাখ্যা
Cop Conference:
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল, তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো।

উল্লেখ্য,
- কপ- ৩০ (COP-30) ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৫৮৩.
কততম কপ সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়েছিলো?
  1. ক) কপ-১৮
  2. খ) কপ-২০
  3. গ) কপ-২১
  4. ঘ) কপ-২২
সঠিক উত্তর:
গ) কপ-২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কপ-২১
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (কপ-২১) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
- ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় এবং ৪ নভেম্বর ২০১৬ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে মোট ১৯৫টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। তবে চুক্তিটি অনুমোদন বা গ্রহণ করেছে ১৯১টি দেশ।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৫৮৪.
কোন সম্মেলনে 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়?
  1. কোপেনহেগেন সম্মেলন
  2. রোম সম্মেলন
  3. ভিয়েনা সম্মেলন
  4. কানকুন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন সম্মেলন
ব্যাখ্যা

গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রেক্ষাপট ও সম্মেলন:
⇒ কোপেনহেগেন সম্মেলন (COP-15), ২০০৯:
- এই সম্মেলনে উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু তহবিল নিয়ে বড় ধরনের আলোচনা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলো দাবী তোলে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী মূলত উন্নত দেশগুলো, তাই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।
- এরই প্রেক্ষিতে, "Copenhagen Accord"-এ Green Climate Fund (GCF) গঠনের প্রাথমিক ধারণা ও প্রস্তাব উঠে আসে।
- লক্ষ্য ছিল উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় অর্থায়ন করা।

⇒কানকুন সম্মেলন (COP-16), ২০১০:
- কোপেনহেগেনে তহবিলের ধারণা দেওয়ার পর, পরবর্তী বছর মেক্সিকোর কানকুনে এই তহবিল গঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এই সম্মেলনে GCF-এর কাঠামো, পরিচালনা এবং অর্থায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়।

তথ্যসূত্র - Green Climate Fund ওয়েবসাইট।

৫৮৫.
Greenpeace International কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

Greenpeace International:
- Greenpeace নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে: বব হান্টার, ডেভিড ম্যাকটেগার্ট, ডরোথি স্টোয়ি, আরভিং স্টোয়ি প্রমুখ।

⇒ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়।
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।

৫৮৬.
কোন চুক্তি ইউরোপে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্ভব ঘটায়?
  1. ক) আগসবার্গের চুক্তি
  2. খ) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  3. গ) বার্লিন চুক্তি
  4. ঘ) হিডেনবার্গ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ত্রিশবছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর ঘটে ক্লান্ত বিপর্যস্ত ইউরোপ ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়। 
এই চুক্তি ইউরোপে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্ভব ঘটায় এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতির গোড়াপত্তন ঘটায়। 
- পূর্বে ইউরোপীয় রাজন্যবর্গ পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের সঙ্গে মিলিত হবার আদর্শে বিশ্বাসী ছিল তবে এই যুদ্ধের ফলে সেই কাঠামো ভেঙ্গে যায় এবং শক্তিশালী রাজতন্ত্রের উদ্ভব ঘটিযে দ্রুত ইউরোপে রাজরা তাদের প্রভাব প্রতিষ্ঠার জন্য এক নতুন দ্বন্দ্ব শুরু করেন। 
- জার্মানি তথা ইউরোপে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের প্রভাব ছিলো ভয়াবহ। 
সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। 
 
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৮৭.
‘ই-৮’ পৃথিবীর কোন ধরণের ৮টি দেশকে নির্দেশ করে?
  1. শিল্পোন্নত ৮টি দেশ
  2. পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশ
  3. উন্নয়নশীল ৮টি দেশ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশ
ব্যাখ্যা
• ই- ৮ :
- ই-৮ হচ্ছে ৮টি পরিবেশ দুষণকারী দেশের সংস্থা।
- ই-৮ ভুক্ত দেশ সমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন জারি করে।
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ই-৮ অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশের মূল লক্ষ্য। 
- এই দেশগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী।
- ই - ৮ ভুক্ত দেশসমূহ হলো - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারত, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
৫৮৮.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া
  2. ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
  3. কানকুন, মেক্সিকো
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

Green Climate Fund: 
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করার জন্য গঠিত হয়েছে।
- এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
- এর মূল লক্ষ্য হলো পরিবেশবান্ধব প্রকল্প ও জলবায়ু সহনশীল উন্নয়নকে সহায়তা করা।
- এই তহবিলের জন্য বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

সূত্র: Green Climate Fund ওয়েবসাইট। 

৫৮৯.
পৃথিবীর মোট সঞ্চিত বরফের কত শতাংশ এন্টার্কটিকায় বিদ্যমান?
  1. ক) ৬০ শতাংশ
  2. খ) ৭৫ শতাংশ
  3. গ) ৯০ শতাংশ
  4. ঘ) ৯৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৯০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিকায় পৃথিবীর মোট সঞ্চিত বরফের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ বিদ্যমান।
এন্টার্কটিকায় বরফ আচ্ছাদনের পরিমাণ প্রায় ৫৩ লক্ষ বর্গমাইল এবং এর গড়ি গভীরতা প্রায় মাইল।
পৃথিবীর মোট স্বাদু পানির মজুদের প্রায় ৭০ ভাগ এন্টার্কটিকায় বিদ্যমান।
(সূত্রঃ ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন, ইউএসএ ওয়েবসাইট)
৫৯০.
নিচের কোন অঞ্চলটি রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃত?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  4. চলন বিল
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন: 
- রামসার কনভেনশন হলো বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
- ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইরানের রামসার শহরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ‘কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস’ নামক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- পরবর্তী সময়ে এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ মোট ১৫৮টি দেশ স্বাক্ষর করে। 
- বাংলাদেশ সই করে ১৯৯২ সালের ২০ এপ্রিল। 

- বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যে ভরপুর সুন্দরবন ১৯৯২ সালের ২১ মে রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- মিষ্টি জলের ধুধু সাগর সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর ২০০০ সালের ২০ জানুয়ারি রামসার অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

উৎস: রামসার সাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো (২২ এপ্রিল ২০১৮)।
৫৯১.
গ্রিনপিস কোন দেশের পরিবেশবাদী সংস্থা?
  1. সুইডেন
  2. নেদারল্যান্ড
  3. কানাডা 
  4. জার্মানি 
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস নেদারল্যান্ড ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি 'গ্রীনপিস' নামে রুপান্তরিত হয়।
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

৫৯২.
কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. COP-1
  2. COP-2
  3. COP-3
  4. COP-5
সঠিক উত্তর:
COP-3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-3
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় জলবায়ু সম্মেলন (COP-3) এ গৃহীত হয়।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে বাধ্য করা।
- পরবর্তীতে, ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- তবে কিয়োটো প্রটোকল থেকে প্রথম প্রত্যাহারকারী দেশ ছিল কানাডা।
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন প্রদান করে। 

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
৫৯৩.
কিয়োটো প্রোটোকল প্রথম গৃহীত হয়েছিল কোন দেশে?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রোটোকল:
- এটি একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তি প্রথম ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয়।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- এই চুক্তির মূল বিষয়: গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট

৫৯৪.
নিচের কোন দেশ প্রথম কার্বন কর চালু করে?
  1. সুইডেন
  2. ফিনল্যান্ড
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

◉ বিশ্বে প্রথম কার্বন কর চালু করে ফিনল্যান্ড, ১৯৯০ সালে। এর মাধ্যমে তারা পরিবেশ দূষণ কমাতে জ্বালানি ব্যবহারে কর আরোপের পথ দেখায়।

প্রথম কার্বন কর: 
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড ছিল প্রথম কার্বন কর চালুকারী দেশ।
- দূষণ কমাতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের উপর কর আরোপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের অনেক দেশ কার্বন কর চালু করে৷
- এর আওতায় কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা। 

৫৯৫.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) -এর সদস্য কয়টি?
  1. ১৯৬টি
  2. ১৯৭টি
  3. ১৯৮টি
  4. ১৯৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮টি
ব্যাখ্যা
UNFCC:
- UNFCCC -এর পূর্ণরূপ United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCC)।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালে।
- সদর দপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
- সদস্য সংখ্যা ১৯৮টি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
৫৯৬.
গ্রিনহাউজ ইফেক্টের জন্য বাংলাদেশে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
  1. ক) খরা দেখা দিবে
  2. খ) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাবে
  3. গ) নিম্নভূমি ডুবে যাবে
  4. ঘ) ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নভূমি ডুবে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নভূমি ডুবে যাবে
ব্যাখ্যা
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব ( Green House Effect ) বলা হয়। - গ্রিন হাউজ ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৯৭.
United Nations Conference on Environment and Development কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৯২ সালে
  3. গ) ২০০১ সালে
  4. ঘ) ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে United Nations Conference on Environment and Development অনুষ্ঠিত হয়।
এটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন’ নামে পরিচিত।
এতে ১১৭টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ মোট ১৭৮টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়।
এই সম্মেলন থেকে ‘এজেন্ডা-২১’; ‘UNFCCC’; ‘জীববৈচিত্র্য সনদ’ এবং পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত ‘রিও ঘোষণা’ গৃহিত হয়।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৫৯৮.
প্যারিস চুক্তি কার্যকর হয় কোন তারিখে?
  1. ১২ ডিসেম্বর ২০১৫
  2. ১ জানুয়ারি ২০১৫
  3. ৪ নভেম্বর ২০১৬
  4. ১ মার্চ ২০১৬
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ২০১৬
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- এর পূর্ণরূপ: Paris Agreement under the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC)।
- এই চুক্তি গৃহীত হয় ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে।
- চুক্তির স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- এই চুক্তি কার্যকরের তারিখ: ৪ নভেম্বর, ২০১৬। 
- অংশগ্রহণকারী মোট দেশ ১৯৫ দেশ।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য:
১. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ করা, এবং
২. ১.৫°C লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা করা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৯৯.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কোন সালে গৃহীত হয়েছিল?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
পূর্ণরূপ: Paris Agreement under the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC)।
গৃহীত হয়: ডিসেম্বর ২০১৫
স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স। 
কার্যকর তারিখ: ৪ নভেম্বর, ২০১৬। 
উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ করা, এবং ১.৫°C লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা করা।
অংশগ্রহণকারী দেশ: ১৯৫ দেশ।

উৎস: Britannica
৬০০.
'জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত চুক্তি' কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯২
  2. খ) ১৯৯৩
  3. গ) ১৯৮৮
  4. ঘ) ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত চুক্তি (Convention on Biological Diversity)
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও এর উপাদানসমূহ ব্যবহার করে টেকসই উন্নয়ন তরাণ্বিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে এই চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়।
▪ চুক্তি স্বাক্ষর:- ৫ জুন, ১৯৯২ সাল।
চুক্তি কার্যকর:- ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ সাল
▪ চুক্তির পক্ষসমূহ:- স্বাক্ষরকারী - ১৬৮টি এবং অনুমোদনকারী - ১৯৬টি।
▪ কনভেনশনটি ৫ জুন ১৯৯২ সালে United Nations Conference on Environment and Development (the Rio "Earth Summit") বা জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলনে (রিও "আর্থ সামিট") স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। এটি ৪ জুন ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ছিল, এই সময় পর্যন্ত ১৬৮টি দেশ স্বাক্ষর করেছিল। 
▪ ‘Conference of the Parties’ এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২৮ নভেম্বর - ৯ ডিসেম্বর  ১৯৯৪ সালে বাহামাসে।  

তথ্যসূত্র:- জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত চুক্তি ওয়েবসাইট।