বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

মোট প্রশ্ন২,৩০১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

PrepBank · পাতা / ২৩ · ১০০ / ২,৩০১

.
বার্ড লাইফ ইন্টারন্যাশনাল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯২২ সালে
  2. খ) ১৯২৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
বার্ড লাইফ ইন্টারন্যাশনাল
- বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল, বেসরকারী সংস্থাগুলির বিশ্বব্যাপী জোট যা পাখি এবং তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণের প্রচার করে। 
- এটি লন্ডনে ১৯২২ সালে ২০ জুন পক্ষীবিদ এবং সংরক্ষণবিদ টি. গিলবার্ট পিয়ারসন কর্তৃক আন্তর্জাতিক কমিটি ফর বার্ড প্রোটেকশন নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯২৮ সালে এই গোষ্ঠীটির নামকরণ করা হয় ইন্টারন্যাশনাল কমিটি ফর বার্ড প্রিজারভেশন।
- ১৯৬০ সালে এর নাম হয় ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল ফর বার্ড প্রিজারভেশন।
- ১৯৯৩ সালে নামকরণ হয় বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল।
- তারা ১১৫ টিরও বেশি জাতীয় অংশীদারের একটি বিশ্বব্যাপী পরিবার যা সমস্ত মহাদেশ, ল্যান্ডস্কেপ এবং সমুদ্রের দৃশ্য কভার করে।
- এর সদর দপ্তর- কেমব্রিজ, যুক্তরাজ্য।
- বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনালের পাখির প্রজাতির বিলুপ্তি রোধ করা, পাখিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা এবং রক্ষা করা, প্রধান পাখির আবাসস্থল বজায় রাখা এবং পুনরুদ্ধার করা এবং বিশ্বব্যাপী সংরক্ষণবাদীদের ক্ষমতায়ন করাইয় কাজ করে।

উৎস: BirdLife International - Protecting Birds Globally, birdlife.org, Encyclopedia Britannica.
.
কারখানার কোলাহলের শব্দের তীব্রতা কত?
  1. ক) ৬০ ডেসিবেল
  2. খ) ৭০ ডেসিবেল
  3. গ) ৮০ ডেসিবেল
  4. ঘ) ১২০ ডেসিবেল
ব্যাখ্যা
শব্দের তীব্রতা
- শব্দের তীব্রতা বলতে শব্দতরঙ্গ যে দিকে সঞ্চারিত হচ্ছে, তার সাথে লম্বভাবে প্রতি একক সময়ে প্রতি একক ক্ষেত্রফল এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শক্তির পরিমাণকে বোঝায়।
- কারখানার কোলাহলের শব্দের তীব্রতা : ৮০ ডেসিবেল।
অন্যদিকে-
- স্বাভাবিক কথাবার্তার শব্দের তীব্রতা: ৬০ ডেসিবেল।
- হাটবাজারের শব্দের তীব্রতা: ৭০ ডেসিবেল।
- মাইকে ব্যান্ড সংগীতের শব্দের তীব্রতা: ১২০ ডেসিবেল।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'UNEP' - এর প্রধানের পদবী -
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. মহাসচিব
  3. প্রশাসক
  4. মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা

UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP).
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- UNEP - সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- UNEP এর প্রধানের পদবী- নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক- ইনগার অ্যান্ডারসেন। (অক্টোবর, ২০২৫)
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP.

তথ্যসূত্র - UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
Where was the last conference on climate change, 'COP 21' held?
  1. Paris
  2. Tokyo
  3. Sao Paola
  4. Doha
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮:
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে।
- স্থান: আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- সর্বশেষ সম্মেলন কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে শারম আল শেখ, মিশর।
- কপ-২৭ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গরিব দেশগুলোকে ক্ষতিপুরণ দিতে ঐতিহাসিক 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য কোন দেশটি পাহাড়ের চূড়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) ভানুয়াতু
  3. গ) বলিভিয়া
  4. ঘ) নেপাল
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে নেপালের প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার ও অন্য ২২ জন মন্ত্রী সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭ হাজার ১৯২ ফুট ওপরে কালাপাথর শৃঙ্গে বৈঠকে বসেন৷ প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার বলেছিলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার ক্ষতিকারক প্রভাব যেসব দেশের উপর পড়ছে তার মধ্যে নেপাল অন্যতম৷ হিমালয়ের বরফ বিপদজনক মাত্রায় গলছে৷
.
রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জলাভূমির টেকসই ব্যবহার ও সংরক্ষণ
  2. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
  3. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা
  4. বনভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

রামসার কনভেনশন (Convention on Wetlands):
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।
- উদ্দেশ্য: আর্দ্রভূমির অবক্ষয় রোধ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।

⇒ ১৯৯৭ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস হিসেবে IUCN, UNESCO-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশে পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে। বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন (১৯৯২), টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

.
স্টকহোম ঘোষণাপত্রে কতটি নীতি অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ২৮টি
  2. ২২টি
  3. ২৬টি
  4. ২৪টি
ব্যাখ্যা
• পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানব পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন।
- অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কয়েকটি নীতি গ্রহণ করে, যার মধ্যে রয়েছে স্টকহোম ঘোষণাপত্র এবং মানব পরিবেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা এবং বেশ কয়েকটি প্রস্তাব।

- স্টকহোম ঘোষণাপত্র, যার মধ্যে ২৬টি নীতি ছিল, আন্তর্জাতিক উদ্বেগের শীর্ষে পরিবেশগত বিষয়গুলিকে স্থান দেয়।
- এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বায়ু, জল এবং মহাসাগরের দূষণ এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের কল্যাণের মধ্যে যোগসূত্র নিয়ে শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে একটি সংলাপের সূচনা করে। 

- কর্মপরিকল্পনাটিতে  তিনটি প্রধান বিভাগ ছিল:
ক) বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত মূল্যায়ন কর্মসূচি (পর্যবেক্ষণ পরিকল্পনা);
খ) পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম;
(গ) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচালিত মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা। 

- স্টকহোম-১৯৭২ সম্মেলনের অন্যতম প্রধান ফলাফল ছিল জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তৈরি করা।

উৎস: United Nations website.
.
Global Methane Pledge অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে মিথেন নিঃসরণ কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ২০%
  2. ২৫%
  3. ৩০%
  4. ৩৩%
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল মিথেন প্লেজ 'Global Methane Pledge':
- গ্লোবাল মিথেন প্লেজ হলো একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ। 
- এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ  কমানো।
- এটি ২০২১ সালে গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলন COP-26-এ চালু করা হয়।
- উদ্যোক্তা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের মানুষের কারণে উৎপন্ন মিথেন নিঃসরণকে ২০২০ সালের তুলনায় অন্তত ৩০% কমানো। এর ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি কমপক্ষে ০.২ °C কমানো সম্ভব হবে।
- মিথেন গ্যাসের তাপ ধারণ ক্ষমতা কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় প্রায় ৮০ গুণ বেশি, তাই অল্প সময়ের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের গতি কমাতে মিথেন নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত কার্যকর।

⇒ গ্লোবাল মিথেন প্লেজ মূলত তিনটি খাতে মিথেন নিঃসরণ কমানোর ওপর জোর দেয়। এগুলো হলো:
- জ্বালানি খাত (তেল, গ্যাস ও কয়লা উত্তোলন ও পরিবহন),
- কৃষি খাত (পশুপালন ও ধান চাষ),
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাত (ল্যান্ডফিল ও পয়ঃবর্জ্য)।

উৎস: Global Methane Pledge ওয়েবসাইট।

.
পরিবেশের জন্য 'রেড ডাটা বুক' (Red Data Book)  প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. IUCN
  2. UNDP
  3. FAO
  4. WWF
ব্যাখ্যা

- পরিবেশের জন্য 'রেড ডাটা বুক' (Red Data Book) প্রকাশকারী সংস্থা IUCN.
- 'রেড ডাটা বুক' (Red Data Book) বিশ্বের হুমকিপূর্ণ, বিপন্ন এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিগুলোর (প্রাণী, উদ্ভিদ, ফাঙ্গাস) তালিকা, স্থিতি এবং সংরক্ষণের সুপারিশ রয়েছে।

• IUCN: 
- IUCN এর পূর্ণরূপ হলো:
- International Union for Conservation of Nature.
- প্রকৃতি সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- IUCN হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন,
- যা প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে।
- এটি 1948 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• IUCN এর প্রধান কাজ:
- প্রকৃতি সংরক্ষণে গবেষণা ও পরামর্শ দেওয়া,
- বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা তৈরি করা,
- বিভিন্ন দেশের সরকারকে পরিবেশবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করা,
- জলবায়ু পরিবর্তন, বন রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করা।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

১০.
কোন সম্মেলনে Green Climate Fund গঠিত হয়?
  1. ডারবান সম্মেলন
  2. কোপেনহেগেন সম্মেলন
  3. কানকুন সম্মেলন
  4. বাকু সম্মেলন
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: কপ-১৬।
- সদর দপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- No. of projects: ২৫৩টি।

⇒ ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে ১৫তম কপ সমেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রস্তাব রাখা হয় এবং ২০১০ সালে কানকুনে ১৬তম কপ সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।
১১.
কোন দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির -
  1. ১৫ শতাংশ
  2. ২০ শতাংশ
  3. ২৫ শতাংশ
  4. ৩০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বনভূমি:
- যে সকল স্থানে বিভিন্ন প্রকারের প্রচুর পরিমানে গাছপালা দেখা যায় তাকে বন ভূমি বলা হয়ে থাকে।
- এক সময় পৃথিবীর স্থল ভাগের প্রায় ৪০ ভাগ বনভূমি দ্বারা আবৃত ছিল।
- কিন্তু মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বনভূমি থেকে গাছপালা কেটে ফেলে বর্তমানে তা প্রায় ২৪ ভাগে এসে দাড়িয়েছে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের তাপ, মাটি, আলো, জলবায়ু প্রভৃতির কারণে বনভূমির তারতম্য হয়ে থাকে।
- দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি অপরিহার্য।
- একটি দেশের জন্য অন্তত ২৫% বনভূমির প্রয়োজন।
 
তথ্যসূত্র - বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
১৯৮৫ সালের ভিয়েনা কনভেনশনের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ক্ষতিকর দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
  2. ওজোনস্তর রক্ষা
  3. বৈশ্বিক সহযোগিতা
  4. মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৮৫: 
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer. 
- ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৮৫ সালে গৃহীত হয় ভিয়েনায়। 
- এটি কার্যকর হয় ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
১৩.
COP-29 কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. গ্লাসগো
  2. জেনেভা
  3. বাকু
  4. শারম আল শেখ
ব্যাখ্যা
COP:
– COP এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties.
– জলবায়ুর পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের রূপরেখা।
– COP সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন UNFCCC এর দেশগুলো।
– COP-28 অনুষ্ঠিত হয় ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এ ।
– সর্বশেষ COP-29 অনুষ্ঠিত হয় আজারবাইজানের বাকু তে ১১ নভেম্বর - ২২ নভেম্বর, ২০২৪ । 
- পরবর্তী COP-30 অনুষ্ঠিত হবে বেলেম, ব্রাজিল(১০-২১ নভেম্বর, ২০২৫ সাল) ।

উৎস: UNFCCC website.
gov.br
১৪.
ওজোনস্তর বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকলের সর্বপ্রথম সংশোধনী নিচের কোনটি?
  1. লন্ডন সংশোধনী
  2. কিগালি সংশোধনী
  3. কোপেনহেগেন সংশোধনী
  4. বেইজিং সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালে কার্যকর হয়।
- এই প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল বায়মণ্ডলের ওজোন স্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর পুরো নাম- Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer।
- বাংলাদেশ এটি অনুমােদন করে- ১৯৯০ সালে।

Amendments:
The London Amendment (1990)
The Copenhagen Amendment (1992)
The Montreal Amendment (1997)
The Beijing Amendment (1999)
The Kigali Amendment (2016)
Source: https://ozone.unep.org/
১৫.
জাতিসংঘের কোন জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে ’loss and damage fund’গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়?
  1. COP-21
  2. COP-20
  3. COP-27
  4. COP-15
ব্যাখ্যা
Loss and Damage Fund.
- ২০২২ সালের ৬ থেকে ২০ নভেম্বর, মিশরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের ২৭তম  সম্মেলন (COP27)।
- সম্মেলনের শেষ দিন, ২০ নভেম্বর, একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একটি "ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতি তহবিল" (Loss and Damage Fund) গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
-  এটি  জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৬.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ এর আয়োজন করবে কোন দেশ?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. সৌদি আরব
  3. ইয়েমেন
  4. কাতার
ব্যাখ্যা
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪:
- প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ৫ই জুন পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- এ বছরের স্লোগান: "Our land. Our future. We are #GenerationRestoration."
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৪ এর প্রতিপাদ্য Land restoration, desertification & drought resilience যার ভাবানুবাদ করা হয়েছে ‘করবো ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা’ ।
- দক্ষিণ কোরিয়া বা কোরিয়া প্রজাতন্ত্র প্লাস্টিক দূষণের অবসানের লক্ষ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ এর আয়োজন করবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
WorldEnvironmentDay ওয়েবসাইট।
UNEP.
১৭.
কোন দেশের উদ্যোগে ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠিত হয়েছে?
  1. ভুটান
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জার্মানি
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- ভুটানের উদ্যোগে ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠিত হয়েছে।

⇒ গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা ও প্রকোপ কমাতে পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর যখন হিমশিম অবস্থা, ঠিক সেই সময় ভুটানের নেতৃত্বে চার কার্বন নিরপেক্ষ দেশ নতুন এক গোষ্ঠী তৈরি করল।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- এই চার দেশে যতটুকু কার্বন নিঃসরণ হয়, তা হয় দূষণমাত্রার চেয়ে কম নতুবা সেই দূষণ শুষে নেওয়ার মতো পরিবেশব্যবস্থা তারা তৈরি করতে পেরেছে। কাজেই এসব দেশ থেকে নিঃসরিত কার্বন উষ্ণায়নের কারণ হয় না।

উল্লেখ্য,
- আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯।
- এ সম্মেলনে ভুটানের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে 'জি জিরো' ফোরাম।

উৎস: Carbon Pulse.
১৮.
নাগোয়া প্রটোকলটি কোন বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত?
  1. জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  2. বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস
  3. গ্রীন হাউস গ্যাস হ্রাস
  4. সমুদ্র ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
• নাগোয়া প্রটোকল: 
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।

→ মূল উদ্দেশ্য:

- জীববৈচিত্র্য ব্যবহারের ফলে অর্জিত সুবিধার ন্যায্য ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা।
- বিশেষভাবে জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি।
- বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান।
- জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশন (Convention on Biological Diversity - CBD) এর আওতায় গৃহীত
সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় নাগোয়া, জাপান।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৯ অক্টোবর, ২০১০।
- কার্যকর : ১২ অক্টোবর, ২০১৪।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: The Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট। [Link]
১৯.
V-20 কী ধরনের জোট?
  1. মুক্ত বাণিজ্য
  2. পরমাণু অস্ত্র বিরোধী
  3. জলবায়ু পরিবর্তন
  4. দারিদ্র্য নিরসন
ব্যাখ্যা
- The Vulnerable Twenty (V-20) জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোট।
- ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর পেরুর রাজধানী লিমায় The Climate Vulnerable Forum জোটের অর্থ মন্ত্রীদের বৈঠকে V-20 জোট গঠিত হয়।
- এই জোটের বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যা ৪৮টি।
- বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ মেয়াদে এই জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।
(তথ্যসূত্র: V-20 ওয়েবসাইট)
২০.
বৈশ্বিক মোট কার্বন নিঃসরণে সবচেয়ে বড় অংশীদার কোন দেশ? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- বৈশ্বিক মোট কার্বন নিঃসরণে শীর্ষ দেশ চীন।

• কার্বন নিসরণে শীর্ষ ৪ টি দেশ - ২০২৫:

১। চীন → ৩৩.৯৮%
২। যুক্তরাষ্ট্র → ১২%
৩। ভারত → ৭.৫৭%
৪। রাশিয়া → ৫.৩%

তথ্যসূত্র: World Population Review ওয়েবসাইট। (Link)

২১.
কপ- ২১ এ অংশগ্রহণকারী একমাত্র সংস্থা কোনটি?
  1. ক) গ্রিনপিস
  2. খ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  3. গ) UNEP
  4. ঘ) World watch
ব্যাখ্যা

কপ-২১ এ অংশগ্রহণকারী একমাত্র সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ।
- COP হল Conference of Parties.
- ফ্রান্সের প্যারিসে ৩০শে নভেম্বর থেকে ১২ই ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত ২০১৫ সালের জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, কপ ২১ বা সিএমপি ১১ অনুষ্ঠিত হয় ।
- সম্মেলনটি প্যারিস চুক্তি , জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস সম্পর্কিত একটি বৈশ্বিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করে, যার পাঠ্যক্রম উপস্থিত ১৯৬ টি দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে করা হয়েছিল।

সূত্র: Britannica.com

২২.
বাংলাদেশের বর্তমান সভাপতির পূর্বে কোন দেশ CVF- এর সভাপতি ছিল? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. মার্শাল আইল্যান্ড
  2. মালদ্বীপ
  3. গ্রানাডা
  4. বাহাম
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

বাংলাদেশের CVF- এর সভাপতির পূর্বে মার্শাল আইল্যান্ড  CVF- এর সভাপতি ছিল।

CVF:
- CVF-এর পূর্ণরূপ: Climate Vulnerable Forum.
- এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত এবং ক্ষতিগ্রস্থ দেশসমূহের একটি সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৯ সালে।
- সদস্য: ৭০টি।
- বর্তমান সভাপতি: ঘানা।

উৎস: Climate Vulnerable Forum ওয়েবসাইট।
২৩.
’গ্রিনপিস’ কোন দেশের পরিবেশবাদী সংস্থা?
  1. সুইডেন
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. কেনিয়া 
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস নেদারল্যান্ড ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

২৪.
When Bangladesh ratified the 'Kyoto Protocol'?
  1. ক) 16 February, 2005
  2. খ) 22 October, 2001
  3. গ) 12 November, 1998
  4. ঘ) 2 August, 1990
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রোটোকল
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনকে (যা গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে রাষ্ট্রপক্ষকে প্রতিশ্রুতি দেয়) প্রসারিত করেছিল। 
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি।
- কিয়োটো প্রোটোকলের লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি হ্রাস করা।
- শিল্পোন্নত দেশগুলির দ্বারা তাদের নির্গমনের সংখ্যা হ্রাস করা কিয়োটো প্রোটোকলের অত্যাবশ্যক উদ্দেশ্য ছিল।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম সাক্ষরিত হয় ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল অনুমোদন করে ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর।

অন্যদিকে -
- যুক্তরাষ্ট্র কিয়েট প্রটোকল স্বাক্ষর করে ১২ নভেম্বর, ১৯৯৮ সালে।


উৎস: Kyoto Protocol, UNFCCC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
https://unfccc.int/kyoto_protocol
২৫.
নাগোয়া প্রোটোকল কিসের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. জলাভূমি রক্ষা
  2. জীব বৈচিত্র্য
  3. পারমানবিক চুক্তি
  4. বানিজ্য চুক্তি
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর: ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের  সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট। 

২৬.
জলাভূমি সংরক্ষণ বিষয়ক রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় কোথায়? 
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ইরান
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. জাপান 
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন:
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

তথ্যসূত্র: Ramsar Convention Official Website। 

২৭.
Global Climate Risk Index-2020 এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
জার্মানিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জার্মানওয়াচ ২০১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮ থেকে ২০১৮ সালের ডাটা পর্যালোচনা করে Global Climate Risk Index-2020 প্রকাশ করে৷ এই রিপোর্টে জলবায়ু ঝুঁকিতে শীর্ষ দেশ হিসেবে স্থান পায় - পুয়ের্টোরিকো।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে যথাক্রমে - মিয়ানমার ও হাইতি। বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম নম্বরে।
তবে সাইক্লোন ও বন্যার ক্যাটাগরিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ।
(সূত্রঃ জার্মানওয়াচ)
২৮.
বিশ্বব্যাপী নিচের কোন অর্থনৈতিক খাত থেকে সবচাইতে বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গত হয়?
  1. পরিবহন
  2. বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
  3. ভবন নির্মাণ
  4. শিল্প
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর।
- যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের 'গ্রিনহাউজ গ্যাস' বলা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে রয়েছে: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, জলীয়বাষ্প, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজোন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাস প্রভৃতি।
- বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন খাত থেকে সবচাইতে বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গত হয়।
- এই খাতটি প্রধানত ফসিল জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ এবং তাপ উৎপাদন করে, যা বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) এবং অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে।

তথ্যসূত্র - U.S. Environmental Protection Agency (.gov) & Britannica.com
২৯.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ৫ জুন
  2. খ) ১১ জুলাই
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৬ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
• UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP)
- UNEP-এর পূর্ণরুপ- United Nations Environment Programme 
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে - UNEP
- সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।

- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-  ৫ জুন।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি।
- UNEP পরিবেশগত মাইলফলকের  ৫০ তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে- ২০২২ সালে।
-জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (UNEP) নির্বাহী পরিচালক- ইঙ্গার অ্যান্ডারসন।

তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (UNEP)
৩০.
কত সালে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
স্টকহোম সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিবেশগত সমস্যার ওপর বিশ্বজনীন আলোচনা শুরু করে।
- স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশের সম্মেলন, ৫-১৬ জুন, ১৯৭২ সাল। 
- জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্মেলন (UNCED), রিও ডি জেনিরো, ৩-১৪ জুন, ১৯৯২ সাল।

উৎস: UN Environment Programme (UNEP)
United Nations
৩১.
কার্টাগেনা প্রটোকল মূলত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. জৈব নিরাপত্তা
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

- জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক হচ্ছে কার্টাগেনা প্রটোকল। 

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে খসড়া অনুমোদন হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

সূত্র: UNTC ওয়েবসাইট।

৩২.
‘গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট’ এর প্রবর্তক কে?
  1. ক) ‌নরম্যান বোরলগ
  2. খ) আল গোর
  3. গ) ওয়াঙ্গিরি মাথাই
  4. ঘ) তাওয়াক্কুল কারমান
ব্যাখ্যা
- ‘গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট’ হলো একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন। কেনিয়ার পরিবেশ আন্দোলন কর্মী ওয়াঙ্গিরি মাথাই এটি প্রবর্তন করেন।
- তার উদ্যোগে ১৯৭৭ সালে ‘গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট’ যাত্রা শুরু করে।
- পরিবেশ রক্ষায় অবদানের জন্যে ওয়াঙ্গিরি মাথাই ২০০৪ সালে প্রথম আফ্রিকান নারী হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
(সূত্র: নোবেল পুরস্কার এবং গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
৩৩.
গ্রিনপিস (Greenpeace) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস (Greenpeace):
- গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ করে।
- এটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকালীন স্থান ছিল ভ্যাঙ্কুভার, কানাডা।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস-এ অবস্থিত।
- গ্রিনপিস পৃথিবীর পরিবেশগত সমস্যা সমাধান এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালায়।

উৎস: Greenpeace International
৩৪.
কপ-৩০ এর আয়োজক দেশ কোনটি?
  1. কাতার
  2. আজারবাইজান
  3. ব্রাজিল
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP): 
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।
- সময়কাল:
১০ নভেম্বর, ২০২৫ - ২১ নভেম্বর, ২০২৫।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।
- সর্বশেষ COP-29 অনুষ্ঠিত হয় আজারবাইজানের বাকু তে ১১ নভেম্বর - ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ।
- কপ-২৯ (COP29) জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে দরিদ্র দেশগুলোকে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিতে রাজি হয়েছে উন্নত দেশগুলো।

উৎস: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৫.
গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনাল কোন বিষয় নিয়ে কাজ করে?
  1. মানবাধিকার
  2. দুর্নীতি রোধ
  3. পরিবেশ রক্ষা
  4. নারী অধিকার
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনাল একটি পরিবেশবাদী সংস্থা।
১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরিক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।

এটির উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছেন:
- বব হান্টার
- ডেভিড ম্যাকটেগার্ট
- ডরোথি স্টোয়ি
- আরভিং স্টোয়ি প্রমুখ।
Greenpeace International এর বর্তমানে ২৭টি স্বাধীন জাতীয় ও আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। এটির সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম শহরে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: Greenpeace International ওয়েবসাইট)
৩৬.
“প্যারিস রুল বুক” কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) ফ্রেঞ্চ বিপ্লব
  2. খ) ফ্রান্সের প্রাচীন রাষ্ট্রব্যবস্থা
  3. গ) জলবায়ু
  4. ঘ) ব্রিটিশ শাসনের মূলনীতি
ব্যাখ্যা
কপ- ২৩ সম্মেলনে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৮০ পৃষ্ঠার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে প্যারিস রুলবুক নামে খ্যাত।
উৎসঃ UNFCCC - এর ওয়েবসাইট।
৩৭.
The International Union for Conservation of Nature (IUCN) -এর কাজ কী?
  1. ক) মানবাধিকার সংরক্ষণ
  2. খ) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
  3. গ) পানি সম্পদ সংরক্ষণ
  4. ঘ) নারী অধিকার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণ বাদী সংস্থা (IUCN)।
- (IUCN) -এর পূর্ণরূপ (The International Union for Conservation of Nature)।
- The International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে অবস্থিত।
-  বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের কাজ করে থাকে 'বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণ বাদী সংস্থা' (IUCN)।

উৎস : (IUCN) ওয়েবসাইট।
৩৮.
IUCN-এর 'রেড লিস্ট' কীসের জন্য প্রযোজ্য?
  1. বিপন্ন প্রজাতির তালিকা
  2. জলবায়ু ঝুঁকি
  3. সুরক্ষিত এলাকা ও জাতীয় উদ্যান
  4. নাগরিক বাস্তুসংস্থান এবং সুরক্ষিত অঞ্চল
ব্যাখ্যা

IUCN-এর রেড লিস্ট:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী সংস্থা IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- IUCN-এর 'রেড লিস্ট' মূলত বিশ্বজুড়ে প্রাণী, উদ্ভিদ, এবং ছত্রাক প্রজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি এবং তাদের সংরক্ষণের অবস্থা মূল্যায়নের জন্য প্রযোজ্য।
- IUCN-এর Red List of Threatened Species প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ অবস্থা মূল্যায়ন এবং কোন প্রজাতি বিপন্ন, সংকটাপন্ন বা বিলুপ্তির পথে তা শনাক্ত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তালিকা।

• IUCN-এর Red List of Threatened Species এ প্রজাতিগুলিকে ৯টি প্রধান ক্যাটাগরিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
- Extinct (EX): বিলুপ্ত - এই প্রজাতি পৃথিবীতে আর নেই।
- Extinct in the Wild (EW): বন্যপ্রাণীতে বিলুপ্ত - এই প্রজাতির আর কোনো প্রাকৃতিক বাসস্থান নেই, তবে তারা চিড়িয়াখানায় বা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জীবিত থাকতে পারে।
- Critically Endangered (CR): অত্যন্ত বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব বিপদের সম্মুখীন এবং খুব শীঘ্রই এটি বিলুপ্ত হতে পারে।
- Endangered (EN): বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন, তবে এখনো বিলুপ্তি থেকে কিছুটা দূরে।
- Near Threatened (NT): প্রায় বিপন্ন - এই প্রজাতি বর্তমানে বিপন্ন না হলেও ভবিষ্যতে বিপন্ন হতে পারে।
- Vulnerable (VU): সংবেদনশীল - এই প্রজাতি বিপন্ন হতে পারে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন না হয়।
- Least Concern (LC): কম উদ্বেগজনক - এই প্রজাতি বিস্তৃত এবং সংরক্ষণগত ঝুঁকি নেই।
- Data Deficient (DD): তথ্য অপর্যাপ্ত - এই প্রজাতির জন্য যথেষ্ট তথ্য নেই যা দ্বারা এর সংরক্ষণ অবস্থা নির্ধারণ করা সম্ভব।
- Not Evaluated (NE): মূল্যায়ন হয়নি - এই প্রজাতির এখনও Red List এ মূল্যায়ন করা হয়নি।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

৩৯.
IMO-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  4. রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা

- IMO-এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের টেমস নদীর তীরে অবস্থিত।

IMO: 
- পূর্ণরূপ: International Maritime Organization।
- আনুষ্ঠানিক সূচনা: ১৯৪৮sসালের জেনেভা সম্মেলনে।
- এই সংস্থা কার্যকরী হয়: ১৭ই মার্চ, ১৯৫৮ সালে।
- ১৯৫৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

সূত্র: IMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪০.
কার্টাগেনা প্রটোকল কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ২০০০ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০০২ সাল
  4. ২০০৩ সাল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity
- জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত: ২৯ জানুয়ারী, ২০০০ সাল।
- কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ১০৩টি।

উৎস: UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।
৪১.
SPARRSO কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
(তথ্যসূত্রঃ SPARSO ওয়েবসাইট)
৪২.
Convention on Wetlands -
  1. ক) Nagoya Protocol
  2. খ) Stockholm Convention
  3. গ) Bali conference
  4. ঘ) Ramsar Convention
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) হলো বিশ্বব্যাপী জৈবপরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
- ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইরানের রামসারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এটি বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- ১৭১টি দেশ স্বাক্ষর করে। 
- ২,৪৭১টি স্থান আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ মে রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এছাড়া হাকালুকি হাওরকে রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়াস চলছে।

উৎস: UNESCO এর ওয়েবসাইট।
৪৩.
United Nations Environment Programme (UNEP) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

◉ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ৫ জুন। এর সূচনা হয়েছিল স্টকহোম কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট থেকে, যা বিশ্বে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন।

UNEP:
- UNEP-এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালের ৫ জুন। 
- সদরদপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- UNEP এর প্রধানের পদবী: নির্বাহী পরিচালক। 
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ধরে ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

৪৪.
"ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম" কোন প্রোটোকলের অংশ?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  3. কিয়োটো প্রোটোকল
  4. রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- কিয়োটো প্রোটোকলটি ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়।
- এটি ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে, কিয়োটো প্রোটোকলের ১৯২টি পক্ষ রয়েছে।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।
- চ্যালেঞ্জ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি অনুমোদন করেনি এবং চীন বাধ্যতামূলক লক্ষ্য থেকে অব্যাহতি পেয়েছে।
- দ্য অভিযোজন তহবিল কিয়োটো প্রোটোকলের পক্ষভুক্ত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অভিযোজন প্রকল্প এবং কর্মসূচির অর্থায়নের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রথম প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, তহবিলটি মূলত সিডিএম প্রকল্প কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ দিয়ে অর্থায়ন করা হয়েছিল।
- ২০১২ সালে দোহায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, আন্তর্জাতিক নির্গমন বাণিজ্য এবং যৌথ বাস্তবায়নও অভিযোজন তহবিলকে আয়ের ২ শতাংশ অংশ প্রদান করবে।

উৎস: UNFCCC.

৪৫.
প্রথম বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোথায়?
  1. কিয়োটো
  2. প্যারিস
  3. রিও ডি জেনেইরো
  4. স্টকহোম
ব্যাখ্যা
 প্রথম বিশ্ব ধরিত্রি সম্মেলন:
- পূর্ণ নাম: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED)
- অন্যান্য নাম: Rio Earth Summit, Rio Conference.
- স্থান: রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল।
- সময়: ১৯৯২ সাল।

• আয়োজনের উদ্দেশ্য: 
- পরিবেশ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণ।
- উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে সমন্বয় সাধন।
- টেকসই উন্নয়ন (Sustainable Development) বিষয়ক পদক্ষেপ গ্রহণ।

উৎস: Britannica.
৪৬.
২০২৫ সালের UN Ocean Conference অনুষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
ব্যাখ্যা

⇒ ২০২৫ সালের UN Ocean Conference (তৃতীয় সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সে।
- সময়কাল: ৯-১৩ জুন ২০২৫।
- সহ-আয়োজক ছিল কোস্টারিকা।
- প্রথম সম্মেলন হয়: ২০১৭ সালে নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে।

⇒ UN Ocean Conference এর মূল থিম ও লক্ষ্য:
- SDG ১৪: Life Below Water
- সামুদ্রিক দূষণ হ্রাস।
- অতিরিক্ত মাছ শিকার বন্ধ।
- সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার।
- সমুদ্রের ৩০% এলাকা ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষণ (৩০×৩০ লক্ষ্য)।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা।
- Deep-sea mining ও bottom trawling-এর মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

তথ্যসূত্র - এস ডি জি ওয়েবসাইট।

৪৭.
বাংলাদেশ কবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কার্যকর করেছে?
  1. ক) ১২ ডিসেম্বর ২০১৫
  2. খ) ২৪ জানুয়ারি ২০১৬
  3. গ) ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  4. ঘ) ২২ এপ্রিল ২০১৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল পারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষর এবং ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ চুক্তিটি কার্যকর করেছে।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।

[উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট]
৪৮.
'মন্ট্রিল প্রটোকল' এর বিষয়বস্তু কী?
  1. গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
  2. জৈব নিরাপত্তা
  3. ওজোনস্তর সংরক্ষণ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৪৯.
বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচি কোনটি?
  1. ক) গ্লোবাল আর্মস রিডাকশন
  2. খ) গ্লোবাল ৩০
  3. গ) আধুনিক নিরস্ত্রীকরণ কর্মসূচি
  4. ঘ) গ্লোবাল জিরো
ব্যাখ্যা
'গ্লোবাল জিরো' হলো ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচি। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৫০.
Green New Deal for Europe-এর আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০৩০ সালের মধ্যে কত শতাংশ কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৫০%
  4. ৫৫%
ব্যাখ্যা

Green New Deal for Europe:
- দ্য গ্রিন নিউ ডিল ফর ইউরোপ (The Green New Deal for Europe) হলো একটি উদ্যোগ যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং সাসটেইনেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে।
- এটি বিশেষভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০১৯ সালের কপ-২৫ (COP-25) সম্মেলনে আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এর লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে শূন্যে নামানো।
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোপ একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ২০৫০ সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত গাছ লাগানো হবে।

তথ্যসূত্র - গ্রিন ইউরোপীয়ান ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয়ান কমিশন।

৫১.
'রামসার কনভেনশন' এর বিষয়বস্তু কী?
  1. জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা
  2. ওজন স্তর সুরক্ষা
  3. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন রোধ
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমন রোধ
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশনের পূর্ণনাম - The Ramsar Convention on Wetlands.
- এটি জলাভূমি ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- চুক্তিটি ইরানের রামসারে স্বাক্ষরিত ও অনুমোদিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সাল। 
- চুক্তি অনুমোদনের স্থান - রামসার, ইরান।
- চুক্তি কার্যকর - ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সাল।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
৫২.
নাগোয়া প্রটোকল (Nagoya Protocol) প্রধানত কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  2. ওজোন স্তর রক্ষা
  3. গ্রিনহাউস গ্যাস নিয়ন্ত্রণ
  4. জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

- নাগোয়া প্রটোকল (Nagoya Protocol) প্রধানত জৈব বৈচিত্র্য ও জেনেটিক সম্পদের সুবিধা বন্টন সাথে সম্পর্কিত।

নাগোয়া প্রটোকল:

- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।

• এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্‌ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে
জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

৫৩.
European Environment Agency-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. রোম, ইতালি 
  3. সুইডেন, স্টকহোম
  4. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (European Environment Agency):
- কাজ: ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য দিয়ে সহায়তা করা।
- গঠন: ১৯৯৪ সাল।
- সদর দপ্তর: কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
- সদস্য: ৩২টি।
- সহযোগী দেশ: ৬টি।

উৎস: European Environment Agency ওয়েবসাইট।

৫৪.
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (ইইএ)- সদর দপ্তর কোথায়?
  1. লিসবন, পর্তুগাল
  2. বন, জার্মানি
  3. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  4. গ্ল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা:
- European Environment Agency.
- এটি গঠন হয় ১৯৯৪ সালে।
- এর সদরদপ্তর - কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- সদস্য দেশ -৩২ টি।
- সহযোগী দেশ - ০৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা ওয়েবসাইট।

৫৫.
কিয়োটো প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় কত সালে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই সম্মেলনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ ১৯২টি দেশের মধ্যে কানাডা, দক্ষিণ সুদান ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
-  কিয়োটো চুক্তির ভিত্তিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১২ সালের মধ্যে ৫.২ শতাংশ কমানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের ৫৫ শতাংশ উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।
- প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোফ্লোরোকার্বন, পারফ্লোরোকার্বন ও সালফার।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৫৬.
'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কারটি কে প্রদান করে?
  1. UNESCO
  2. UNEP
  3. UNDP
  4. WHO
ব্যাখ্যা

UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি UNEP.
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- UNEP-এর প্রধানের পদবী নির্বাহী পরিচালক। 

উল্লেখ্য,
- UNEP-এর প্রতিষ্ঠার দিন ৫ জুন প্রতি বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে UNEP বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিবেশবিষয়ক পুরস্কার 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' প্রদান করে।

অন্যদিকে: 
UNESCO - এর পূর্ণরুপ-United Nations Educational Scientific and Cultural Organization. এটি হচ্ছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
- UNDP জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা। জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম এটি।
-  WHO: World Health Organization. 

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।

৫৭.
COP‑29 সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. তেহরান, ইরান
  2. গ্লাসগো, যুক্তরাজ্য
  3. তিবলিসি, জর্জিয়া
  4. বাকু, আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

• COP‑29 জলবায়ু সম্মেলন ২০২৪ সালে ১১-২২ নভেম্বর আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়, সভাপতিত্ব করেন মুখতার বাবায়েভ। COP বা Conferences of the Parties হলো জাতিসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত সম্মেলন, যা ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়। প্রথম COP-1 অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে বার্লিনে। UNFCCC-এর সব সদস্য দেশ এতে অংশ নেয়। COP-30 ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

• কপ সম্মেলন:
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম কপ-১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরে ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং ইউএনবি।

৫৮.
জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল (IPCC) গঠিত হয় কোন দুটি সংগঠনের সমন্বয়ে?
  1. ক) WFN এবং WWF
  2. খ) UNDP এবং UNEP
  3. গ) WMO এবং UNEP
  4. ঘ) WMO এবং UNDP
ব্যাখ্যা
- IPCC -এর পূর্ণরূপ (Intergovernmental Panel on Climate Change)।
- IPCC জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল।
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP) এর সম্মিলিত উদ্যোগে IPCC গঠিত হয়। 
- Intergovernmental Panel on Climate Change গঠিত হয়  ১৯৮৮ সালে। 
- IPCC ২০০৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

 উতস : IPCC ওয়েবসাইট।
৫৯.
“রিও সম্মেলন” অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৮
  2. খ) ১৯৯২
  3. গ) ১৯৯৪
  4. ঘ) ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন/ধরিত্রী সম্মেলন:
১৯৮৮ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে ধরিত্রী সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।
- সম্মেলনটির পূর্ণনাম - United Nations Conference on Environment and Development।
- এটিকে “ধরিত্রী সম্মেলন” (Earth Summit) ও বলা হয়।
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন, ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে এটি “রিও সম্মেলন” (Rio Conference) নামে পরিচিত হয়।

ধরিত্রী সম্মেলনে গৃহীত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে -
- “টেকসই উন্নয়ন কমিশন” (Commission on Sustainable Development) গঠিত হয়।
- রিও ঘোষণা (Rio Declaration) - পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ে রিও ঘোষণা হচ্ছে - রাষ্ট্রসমূহের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কিত কয়েকটি নীতিমালা। এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে - polluter pays principle।
- এজেন্ডা - ২১ (Agenda - 21) - এই সম্মেলনে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক পরিকল্পনাকে এজেন্ডা - ২১ বলা হয়।
- বন নীতির দলিল - বিশ্বব্যাপী বন রক্ষার জন্য কয়েকটির নীতির লিখিত দলিল প্রণয়ন।
- ধরিত্রী সম্মেলনে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) ও Convention on Biological Diversity গৃহীত ও স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৬০.
’ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' এই আন্দোলন কোন দেশের স্কুল শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সূত্রপাত ঘটে? 
  1. কানাডা 
  2. সুইডেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ক আন্দোলন।
- স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুল বর্জন করে জলবায়ু বিষয়ক বিক্ষোভে অংশ নেয়।
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- আন্দোলনটি সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

৬১.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯১৩ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৯০৭ সালে
ব্যাখ্যা
Internationa Cricket Council:
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) The Internationa Cricket Council.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৫ জুন, ১৯০৯ সালে।
- ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল।
- ICC -এর সদর দপ্তর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অবস্থিত।
- The Internationa Cricket Council -এর মোট সদস্য ১০৬টি, এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সদস্য - ১২টি  এবং সহযোগী সদস্য ৯৪টি।

উৎস: ICC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬২.
ওজন স্তরের সর্বোচ্চ ক্ষতি করে কোন গ্যাস?
  1. হাইড্রোজেন সালফাইড
  2. সিএফসি
  3. ব্রোমিন
  4. কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা
ওজোন স্তর ধ্বংসের সহায়ক:
- রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল থেকে CFC (ক্লোরো ফ্লরো কার্বন) গ্যাস নির্গত হয়।
- এই সিএফসি গ্যাস বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান সহায়ক।
- CFC-এর ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ওজোন স্তরে ছিদ্র দেখা দিয়েছে। 
- ওজোন স্তরে ছিদ্রের সৃষ্টি হলে সূর্য থেকে ক্ষতিকর অতিবেগুনীরশ্মি পৃথিবীতে চলে আসবে, যা ত্বক ক্যান্সারসহ অন্যান্য মারাত্নক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টিকারী প্রধান গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইড; কার্বন ডাই-অক্সাইড এ প্রভাবের জন্য শতকরা ৫০ ভাগ দায়ী।
- অন্যান্য গ্রীন হাউজ গ্যাস এর প্রভাব যেমন: মিথেন- ১৮%, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সি. এফ সি)- ১৪%, নাইট্রাস অক্সাইড ৬% এবং অন্যান্য কারণে ১৩%।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৩.
নিচের কোনটি নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্যের অবসান সম্পর্কিত সনদ?
  1. CEDAW 
  2. UNFPA
  3. ICERD
  4. UNIFEM
ব্যাখ্যা
• নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও):
- ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গ্রহণ ও
জারী করে।
- ১৯৮১ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর থেকে এ সনদ কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে সিডও সনদ সাক্ষর ও অনুমোদন করেন।
- বাংলাদেশ সাক্ষরের সময় সনদের অনুঃ ২ ও ১৩ (ক) ও অনুঃ ১৬ (১) (গ) (চ) সংরক্ষণ রেখেছিল।
- পরবর্তীতে ২ এবং ১৬ (১) (গ) সংরক্ষিত রেখে বাকী অনুচ্ছেদগুলো থেকে সংরক্ষণ তুলে নেয়া হয়।
- এই সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে ৩-১৬ পর্যন্ত মোট ১৪টি নারীর অধিকার
সংক্রান্ত এবং বাকীগুলো এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব সংক্রান্ত। 

উৎস: CEDAW South Asia। [লিঙ্ক]
৬৪.
'গ্রিনপিস' কী ধরনের সংস্থা?
  1. মানবাধিকার সংস্থা
  2. রাজনৈতিক সংস্থা
  3. পরিবেশবাদী সংস্থা
  4. অর্থনৈতিক সংস্থা
ব্যাখ্যা
• গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস ১৯৭১ সালে ব্রিটিশ কলাম্বিয়াতে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে মার্কিন পরমাণু পরীক্ষার বিরোধিতা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- গ্রিনপিস একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা।
- এটির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত।
- গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনাল ২৫টি স্বাধীন জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র: গ্রিনপিস ওয়েবসাইট।
৬৫.
'Environmental Performance Index-2022' অনুসারে সর্বনিম্ন দেশ -
  1. ক) ভারত
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) লুক্সেমবার্গ
  4. ঘ) লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা
• Environmental Performance Index:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত Environmental Performance Index-2022 রিপোর্টে মোট ১৮০টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- রিপোর্টে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ডেনমার্ক,
- দ্বিতীয় : যুক্তরাজ্য,
- তৃতীয় : ফিনল্যান্ড।
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১৭৭ তম।
- সর্বনিম্ন দেশ (১৮০তম): ভারত

উৎস: Environmental Performance Index-2022.[link]
৬৬.
'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
২৬ মে ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি 'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitations Talk-2 চুক্তি। আর Strategic Arms Reduction Treaty-1 এবং 2 চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৬৭.
কোন দুটি সংস্থার সমন্বয়ে IPCC গঠিত হয়?
  1. UNEP ও WHO
  2. UNESCO ও WMO
  3. UNDP ও FAO
  4. UNEP ও WMO
ব্যাখ্যা
IPCC:
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP) এর সম্মিলিত উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC গঠিত হয়।
- IPCC এর পূর্ণরূপ হলো- The Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এই সংস্থা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে থাকে। 
- IPCC এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৫টি। [জুন- ২০২৫] 

উল্লেখ্য, 
- IPCC ২০০৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। 

সূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।
৬৮.
নিচের কোনটি উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল?
  1. ক) Climate Vulnerable Forum
  2. খ) Fund for Wild Nature
  3. গ) Vulnerable - 20
  4. ঘ) E-8
ব্যাখ্যা
Fund for Wild Nature
• ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার হলো উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল। বনায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা জন্য এই সংস্থা কাজ করে থাকে।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮৩ সাল। 
• সদরদপ্তর - সিবাস্টোপোল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে,
• বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো নিয়ে গঠিত বৈশ্বিক অংশীদারিত্বমূলক সংগঠন হচ্ছে - Climate Vulnerable Forum। এর সদস্য দেশসমূহ জলবায়ুর পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় আলোচনার মাধ্যমে পন্থা বের করার ফোরাম হিসাবে কাজ করে সংস্থাটি।
• V-20 বা Vulnerable - 20 হচ্ছে - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি ফোরাম।
• বিশ্বের ৮টি দেশ যারা ৭০ শতাংশের বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরনের জন্য দায়ী, তাদের একত্রে ই-৮ (E-8) ভুক্ত দেশ বলে।

তথ্যসূত্র: ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার ওয়েবসাইট।
৬৯.
নিচের কোন আপদটি (hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ?
  1. ক) সড়ক দুর্ঘটনা
  2. খ) তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
  3. গ) ক্যান্সার
  4. ঘ) বায়ু দূষণ
ব্যাখ্যা
বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায় বায়ুদূষণের কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বে প্রতিবছর মোট মৃতের সংখ্যার ৮ জনের ১ জন মারা যায় বায়ুদূষণের ফলে। এছাড়া বায়ুদূষণের ফলে মানুষের মাথাপিছু গড় আয়ুষ্কাল ২.৯ বছর হ্রাস পাচ্ছে। ল্যানসেট সাময়িকী’র তথ্যমতে বায়ুদূষণের পর পানি দূষণ দ্বিতীয় সর্বাধিক মানুষের মৃত্যু কারণ।
(সূত্রঃ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও ল্যানসেট সাময়িকী)
৭০.
আন্তর্জাতিক জলাভূমি দিবস-
  1. ক) ২ জানুয়ারি
  2. খ) ২ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২ নভেম্বর
  4. ঘ) ২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক জলাভূমি দিবস ২ ফেব্রুয়ারি।
৭১.
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা -----
  1. ক) লিও টলস্টয়
  2. খ) ডেভিড রিকার্ডো
  3. গ) কার্ল মার্কস
  4. ঘ) জেন অস্টিন
ব্যাখ্যা
Leo Tolstoy:
- Russian author, a master of realistic fiction, and one of the world’s greatest novelists. 
- Tolstoy is best known for his two longest works, War and Peace (1865–69) and Anna Karenina (1875–77), which are commonly regarded as among the finest novels ever written. 

Source: Britannica
৭২.
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে 
  2. ১৯৮৮ সালে 
  3. ১৯৯২ সালে 
  4. ১৯৯৬ সালে 
ব্যাখ্যা

• প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit):
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ৩ - ১৪ জুন ১৯৯২ ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে পরিবেশ ও উন্নয়বিষয়ক প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই বিশ্বব্যাপী সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়েছিল।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়, যা পরবর্তীতে কিয়েটো প্রোটোকল (Kyoto-Protocol) নামে পরিচিত হয়।
- রিও ডি জেনিরোতে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ ও উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য ২৭ টি নীতিমালা অনুমোদিত হয়।
- এই সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে- 'Polluter pays principle'.
- অন্যদিকে, বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলন বা দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়। 
 
উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৭৩.
কিয়োটো প্রোটোকলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  2. বনাঞ্চল সংরক্ষণ
  3. গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস
  4. মহাসাগর দূষণ নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol):
- এটি একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা পরিবেশ সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে গৃহীত।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনহাউজ গ্যাস (Greenhouse Gas) নিঃসরণ হ্রাস করা।
- এই প্রোটোকল ‘কার্বন ক্রেডিট’ (Carbon Credit) ধারণা প্রবর্তন করে।
- এর দ্বারা দেশগুলিকে নির্দিষ্ট হারে কার্বন নিঃসরণ কমাতে উৎসাহিত করে।
- প্রথম গৃহীত: ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭, কিয়োটো, জাপান।
- কার্যকর: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৭৪.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. নাইট্রাস অক্সাইড
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন: 
- নাইট্রোজেন গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।

• বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়।এগুলো হলো 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন,
- মিথেন,
- ওজোন, 
- জলীয়বাষ্প প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ: 
- জীবাশ্ম জ্বালানির (কয়লা, তেল, গ্যাস) অতিরিক্ত ব্যবহার।
- শিল্প বিপ্লব পরবর্তী শিল্পায়ন।
- কল-কারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া।
- নগরায়ন ও অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ।
- বন উজাড় ও বনভূমি ধ্বংস।
- অতিরিক্ত খনিজ সম্পদ আহরণ।
- আধুনিক প্রযুক্তির অতিনির্ভরতা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
গ্রিনপিস কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস: পরিবেশ রক্ষায় বৈশ্বিক সংগঠন: 
- গ্রিনপিস একটি স্বাধীন ও বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন, যা পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী কাজ করে।
- এটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে অবস্থিত।
- গ্রিনপিসের মূল লক্ষ্য হল পৃথিবীকে জীবনের বৈচিত্র্য ধারণ করার মতো সক্ষম রাখা এবং একটি সবুজ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। 
- গ্রিনপিস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদ হিসেবে।
- এরপর থেকে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ রক্ষায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

গ্রিনপিসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পৃথিবীকে জীবনের বৈচিত্র্য ধারণ করার মতো সক্ষম রাখা।
- একটি সবুজ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন, যেখানে প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষিত থাকবে এবং খাদ্য উৎপাদন পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
- সিস্টেমিক পরিবর্তন আনা এবং বড় বড় পরিবেশগত সমস্যার মোকাবিলা করা।

গ্রিনপিসের কর্মপদ্ধতি:
- গ্রিনপিস অহিংস কর্মসূচি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে পরিবেশগত সমস্যার সমাধান করে।
- তাদের প্রধান কর্মক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে:
- প্লাস্টিক দূষণ কমাতে কাজ করা।
- নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে উৎসাহিত করা।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি।
- বন ও মহাসাগর রক্ষায় কার্যক্রম। 

তথ্যসূত্র: - Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৭৬.
প্যারিস চুক্তির ১.৫ ডিগ্রি লক্ষ্য পূরণের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কত শতাংশ হ্রাস করতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৩৩%
  3. ৪৩%
  4. ৫৫%
ব্যাখ্যা
প্যারিস চুক্তির ১.৫ ডিগ্রি লক্ষ্য পূরণের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৪৩% হ্রাস করা প্রয়োজন।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:

- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট। [link]
ii) UNTC ওয়েবসাইট।
৭৭.
টেকসই উন্নয়ন অভিষ্টের কত নং লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত?
  1. ক) ১০নং
  2. খ) ৪নং
  3. গ) ১১নং
  4. ঘ) ১৩নং
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন অভিষ্টের ১৩নং লক্ষ্যটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেল সম্পর্কিত। এসডিজির লক্ষ্যসমূহ হলো: (১) দারিদ্র্য নির্মূল, (২) ক্ষুধামুক্তি, (৩) সুস্বাস্থ্য, (৪) মানসম্মত শিক্ষা, (৫) লিঙ্গ সমতা, (৬) বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, (৭) সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, (৮) উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, (৯) শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, (১০) বৈষম্য হ্রাস, (১১) টেকসই শহর ও জনগণ, (১২) পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, (১৩) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ, (১৪) সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, (১৫) স্থলভাগের জীবন, (১৬) শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং (১৭) অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব। ২০১২ সালের ২০-২২ জুন রিও ডি জেনেরি শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলসের উপর ভিত্তি করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ২০৩০ সালের জন্যে ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় ।(সূত্রঃ SDG ওয়েবসাইট)
৭৮.
"ফ্রাইডে ফর ফিউচার" কোন ধরনের আন্দোলন?
  1. নারী অধিকার
  2. শ্রমিক অধিকার
  3. পরিবেশ রক্ষা
  4. মানবাধিকার
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডে ফর ফিউচার: 
- "ফ্রাইডে ফর ফিউচার" একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন।
- এটা মূলত জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি নৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী।
- এই আন্দোলনের সূচনা ২০১৮ সালে সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ নামক ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী করেছিলেন।

উল্লেখ্য, 
- গ্রেটা থুনবার্গ স্কুল বর্জন করে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন, যা পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।এই আন্দোলনে মূলত স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করা। "ফ্রাইডে ফর ফিউচার" আন্দোলন জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় একটি বৈশ্বিক মুভমেন্ট হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও প্রত্রিকা রিপোর্ট। 

৭৯.
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍মুভমেন্টের সূচনা করেন কে?
  1. ক) ওয়াঙ্গিরি মাথাই
  2. খ) গ্রেটা থুনবার্গ
  3. গ) পল মিলগ্রম
  4. ঘ) সেবাস্তিয়ান জর্জ
ব্যাখ্যা
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍মুভমেন্ট হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
২০১৮ সালের আগস্টে সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ এই আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।
(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
৮০.
জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৯) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লিমা , পেরু
  2. সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
  3. বাকু, আজারবাইজান
  4. বেলেম সিটি, ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
COP- জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন :
- UNFCCC কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর COP সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
- COP-1 অনুষ্টিত হয় জার্মানির বার্লিনে।
- আজারবাইজানের রাজধানী বাকু-তে ১১ নভেম্বর হতে ২৪ নভেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ২৯তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন(কপ-২৯) অনুষ্ঠিত হয়।
- COP-30 কোথায়  অনুষ্ঠিত হবে- বেলেম সিটি, ব্রাজিল ২০২৫ সালে।
- COP-15 তথা কোপেনহেগেন সম্মেলনে গ্রিন ফান্ড গঠনের অঙ্গিকার করা হয়।
- COP-21 সম্মেলন কে বলা হয়- জলবাযু সংক্রান্ত প্রথম সর্বজনীন চুক্তি।

উৎস: UNFCCC, পরিবেশ অধিদপ্তর।
৮১.
কার্টাগেনা প্রটোকল কার্যকর হয় কবে?
  1. ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
  2. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
  3. ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
  4. ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি গৃহীত - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল।
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।
৮২.
UNFCCC-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. মাদ্রিদ, স্পেন
  4. বন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ২১ মার্চ ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

৮৩.
IPCC রিপোর্ট কোন বিষয়ে ধারণা দেয়?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর প্রভাব
  2. পরিবেশবাদী সংগঠনগুলির জন্য রাজনৈতিক লবিং
  3. মহাকাশ অনুসন্ধান মিশন
  4. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
IPCC: 
- IPCC -এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change. 
- IPCC জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল।
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- WMO এবং UNEP এর সম্মিলিত নাম IPCC গঠিত হয়।
- Intergovernmental Panel on Climate Change গঠিত হয়  ১৯৮৮ সালে।
- IPCC ২০০৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- আইপিসিসি রিপোর্টগুলি জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর প্রভাবগুলির উপর বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন হিসাবে কাজ করে।

সূত্র: IPCC ওয়েবসাইট। 
৮৪.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থা কোনটি?
  1. SANDEE
  2. UNOCC
  3. IPCC
  4. IUCN
ব্যাখ্যা
• IPCC:
→ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থা - IPCC.
→ এর পূর্ণরুপ - The Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC).
→ WMO এবং UNEP এর সমন্বয়ে IPCC গঠিত হয়।
→ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৮৮ সালে।
→ সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
→ সদস্য সংখ্যা - ১৯৫ টি।
→ নোবেল পুরস্কার লাভ করে - ২০০৭ সালে।

তথ্যসূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।
৮৫.
ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত 'বাসেল কনভেনশন' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. বেলজিয়াম
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
• বাসেল কনভেনশন (Basel Convention)
- বাসেল কনভেনশনের পূর্ণনাম - Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal। অর্থ্যাৎ, এটি ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- UNEP - এর সহায়তায় সুইজারল্যান্ডের বাসেলে পরিবেশ বিষয়ক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন: ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সাল
- চুক্তি কার্যকর: ৫ মে, ১৯৯২ সাল
 
উৎস: বাসেল কনভেনশন ও UNEP ওয়েবসাইট।
৮৬.
সর্বশেষ জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয় দফা দাবি উত্থাপন করেন?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৪
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
গত ২ নভেম্বর, ২০২১ স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে ২৬তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনের মূল অধিবেশনের ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের সামনে চার দফা দাবি তুলে ধরেন।
চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে :
১. প্রধান কার্বন নিঃসরণকারীদের অবশ্যই উচ্চাভিলাষী জাতীয় পরিকল্পনা (এনডিসি) দাখিল এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
২. উন্নত দেশগুলোকে অভিযোজন এবং প্রশমন অর্ধেক-অর্ধেক ভিত্তিতে ১০০ বিলিয়ন ডলার সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে।
৩. উন্নত দেশগুলোকে স্বল্প খরচে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি সরবরাহ করতে হবে। 
৪. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা ও খরার মতো দুর্যোগের কারণে বাস্তুচ্যুত জলবায়ু অভিবাসীদের দায়িত্ব নেওয়াসহ জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে ক্ষতি ও ধ্বংস মোকাবিলা করতে হবে।

উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট 
৮৭.
প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য কোন সংস্থা 'Red List' প্রকাশ করে?
  1. IPCC
  2. WWF
  3. IUCN
  4. UNEP
ব্যাখ্যা
IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
- এটি বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি বিশ্বের ১৭০টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
- প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য 'রেড লিস্ট' প্রকাশ করে IUCN।

• Red List of Threatened Species:
- IUCN এর Red List of Threatened Species প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ অবস্থা মূল্যায়ন এবং কোন প্রজাতি বিপন্ন, সংকটাপন্ন বা বিলুপ্তির পথে তা শনাক্ত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তালিকা।

⇒ IUCN এর Red List of Threatened Species এ প্রজাতিগুলিকে ৯টি প্রধান ক্যাটাগরিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
- Extinct (EX): বিলুপ্ত - এই প্রজাতি পৃথিবীতে আর নেই।
- Extinct in the Wild (EW): বন্যপ্রাণীতে বিলুপ্ত - এই প্রজাতির আর কোনো প্রাকৃতিক বাসস্থান নেই, তবে তারা চিড়িয়াখানায় বা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জীবিত থাকতে পারে।
- Critically Endangered (CR): অত্যন্ত বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব বিপদের সম্মুখীন এবং খুব শীঘ্রই এটি বিলুপ্ত হতে পারে।
- Endangered (EN): বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন, তবে এখনো বিলুপ্তি থেকে কিছুটা দূরে।
- Near Threatened (NT): প্রায় বিপন্ন - এই প্রজাতি বর্তমানে বিপন্ন না হলেও ভবিষ্যতে বিপন্ন হতে পারে।
- Vulnerable (VU): সংবেদনশীল - এই প্রজাতি বিপন্ন হতে পারে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন না হয়।
- Least Concern (LC): কম উদ্বেগজনক - এই প্রজাতি বিস্তৃত এবং সংরক্ষণগত ঝুঁকি নেই।
- Data Deficient (DD): তথ্য অপর্যাপ্ত - এই প্রজাতির জন্য যথেষ্ট তথ্য নেই যা দ্বারা এর সংরক্ষণ অবস্থা নির্ধারণ করা সম্ভব।
- Not Evaluated (NE): মূল্যায়ন হয়নি - এই প্রজাতির এখনও Red List এ মূল্যায়ন করা হয়নি।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।
৮৮.
’ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' (Fridays For Future) পরিবেশ আন্দোলন শুরু হয়েছিল কত সালে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা

- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' (Fridays For Future) পরিবেশ আন্দোলনটি ২০১৮ সালে।
- সুইডিশ স্কুলছাত্রী গ্রেটা থুনবার্গ (Greta Thunberg) এর নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল।
-  সুইডেনের পার্লামেন্টের বাইরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেছিল।

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:

- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ক আন্দোলন।
- স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুল বর্জন করে জলবায়ু বিষয়ক বিক্ষোভে অংশ নেয়।
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- আন্দোলনটি সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

৮৯.
জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ চুক্তি (UNCCD)-এর মূল লক্ষ কী?
  1. টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা
  2. বনায়ন সৃষ্টি
  3. জলাশয় রক্ষা
  4. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ চুক্তি (UNCCD):

- জাতিসংঘের কনভেনশন টু কমব্যাট ডেজার্টিফিকেশন (UNCCD) 1994 সালে গৃহীত হয়।
- এটি মরুকরণ, খরা এবং ভূমি অবক্ষয়ের সমস্যা সমাধানে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা।
- ১৯৯৪ সালে গৃহীত।
- ১৯৯৬ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৭টি পক্ষ (১৯৬টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।

উৎস: UNCCD.
৯০.
United Nations Environment Programme (UNEP) এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. ক) কেপটাউন
  2. খ) জেনেভা
  3. গ) ভিয়েনা
  4. ঘ) নাইরোবি
ব্যাখ্যা
• United Nations Environment Programme (UNEP) জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালে।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন United Nations Conference on the Environment এর প্রেক্ষিতে UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবি শহরে অবস্থিত।
- এর নির্বাহী পরিচালক ইনগার এন্ডারসেন।
- সদস্য দেশ ১৯৩টি।
- UNEP-এর লক্ষ্য হল নেতৃত্ব প্রদান করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাথে আপস না করে দেশ ও জনগণকে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে অনুপ্রেরণা, তথ্য প্রদান এবং সক্ষম করে পরিবেশের যত্নে অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করা।

তথ্যসূত্র: UNEP এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯১.
“The Kigali Amendment” কোন চুক্তির অংশ? 
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস কনভেনশন
  4. রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা

• কিগালি সংশোধনী (Kigali Amendment):
- ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ সালে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- এটি ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারিতে কার্যকর হয়।
- সংশোধনী অনুসারে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক হাইড্রোফ্লোরো কার্বন (HFCs) - জাতীয় গ্যাসের ব্যবহার ৮০ শতাংশ কমিয়ে আনার ব্যাপারে ঐক্যমত হয়।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:

- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল, কানাডায় স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালে কার্যকর হয়।
- বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- এই চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে ওজোন স্তরের ক্ষতি রোধে ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs) এবং অন্যান্য ওজোন ধ্বংসকারী পদার্থের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি সবচেয়ে সফল আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ওজোন স্তরের পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
 
তথ্যসূত্র: UNEP website & Britannica.com

৯২.
পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী বারোটি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যকে বলা হয় -
  1. ক) Dirty Dozen
  2. খ) Baker's Dozen
  3. গ) Polluted Dozen
  4. ঘ) Dime Dozen
ব্যাখ্যা
ডার্টি ডজন (Dirty Dozen):
- পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী পৃথিবীর বারোটি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের সাধারণ দলগত নাম।
- এ ১২টি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে- 

• আটটি কীটনাশক:
- অলড্রিন (aldrin),
- ডায়েলড্রিন (dieldrin),
- ক্লোরডেন (chlordane),
- এনড্রিন (endrin),
- হেপ্টাক্লোর (heptachlor),
- ডিডিটি (DDT),
- মিরেক্স (mirex) এবং
- টক্সাফিন (toxaphene)।

 • দুটি শিল্পজাত রাসায়নিক দ্রব্য:
- পিসিবি (PCBs) এবং
- হেক্সাক্লোরোবেনজিন (hexachlorobenzene)। এবং

• অন্য দুটি ডাইওক্সিন (dioxin) ও ফিউরান (furan)।

• কল-কারখানায় উৎপন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত।
- খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে এ মারাত্মক বিষগুলি সারা পৃথিবীর প্রায় সব পরিবেশের সব ধরনের জীবজন্তুর ওপর তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটায়।
- এখন জানা গেছে মানুষের ক্ষেত্রেও এসব বিষাক্ত পদার্থ ত্রুটিপূর্ণ শিশুর জন্ম, ক্যান্সার উৎপাদন এবং ভ্রূণ বিকাশের নানাবিধ সমস্যার সঙ্গে জড়িত।
৯৩.
'V-20' জোট কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) দারিদ্র্য দূরীকরণ
  2. খ) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  3. গ) শুল্কমুক্ত বাণিজ্য
  4. ঘ) বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
- 'V-20' (Vulnerable-20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শীর্ষ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি ফোরাম।
- ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এই জোটটি গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ মেয়াদে Vulnerable-20 জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।
(সূত্রঃ Vulnerable-20 ওয়েবসাইট)
৯৪.
International Campaign to Abolish Nuclear Weapons কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
ICAN:
- 'ICAN' এর পূর্ণরূপ: International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
- এটি একটি পরিবেশবাদী সংস্থা‌।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: এপ্রিল, ২০০৭ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- ICAN হল এক শতাধিক দেশের বেসরকারী সংস্থাগুলির একটি জোট যা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের জাতিসংঘের চুক্তি মেনে চলা এবং বাস্তবায়নে কাজ করে।
- ICAN মূলত ৬৫০ টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত।
- বর্তমানে ১১০ টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

⇒ সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।

উৎস: ICAN এর ওয়েবসাইট।
৯৫.
সানশাইন পলিসির প্রবক্তা-
  1. ক) কিম জং উন
  2. খ) মুন জায়ে ইন
  3. গ) কিম দায়ে জং
  4. ঘ) দায়ে হুন জং
ব্যাখ্যা

- উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক নীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি হলো সানশাইন পলিসি।
- ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং প্রথম এ নীতি ঘোষণা করেন।
- ২০০০ সালে এ নীতি বাস্তবায়নের কারণে কিম দায়ে জং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সানশাইন পলিসি টিকে ছিল।
- তবে ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের প্রচেষ্টায় দুই কোরিয়ার শীর্ষ দুই নেতার মধ্যে কয়েক দফা সম্মেলনের মাধ্যমে এ নীতি পুনঃ জাগ্রত করার চেষ্টা চলছে।

উৎসঃ বিবিসি বাংলা নিউজ।

৯৬.
’রামসার চুক্তি’ নিচের কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ডেনমার্ক
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
→ ইরানের রামসার শহরে রামসার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• রামসার কনভেনশন:

- রামসার কনভেনশন  জলাভূমি ও জলাশয় সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক চুক্তি।

→ উদ্দেশ্য:
- জলাভূমি ও জলাশয় সংরক্ষণ।
- জলাভূমির জীববৈচিত্র্য রক্ষা।
- জলাভূমির স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখা।
- গৃহীত হয়: ১৯৭১ সালে, রামসার, ইরান।
- কার্যকর হয়: ১৯৭৫ সালে।
- বাংলাদেশের অংশগ্রহণ: ১৯৯২ সালে।
- চুক্তিকারী দেশ: ১৭১টি।

• বাংলাদেশের রামসার সাইট:
- সুন্দরবন (১৯৯২),
- টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

উৎস: রামসার কনভেনসন। 
৯৭.
Global Environmental Facility - এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. খ) প্যারিস, ফ্রান্স
  3. গ) ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
Global Environmental Facility
- গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (GEF) হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত তহবিল যা জীববৈচিত্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক জল, ভূমির অবক্ষয়, ক্রমাগত জৈব দূষণকারী (POPs), পারদ, টেকসই বন ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা, এবং সম্পর্কিত প্রকল্পগুলির জন্য অনুদান এবং মিশ্রিত অর্থ প্রদান করে। 
- এটি একটি অ্যাসেম্বলি, কাউন্সিল, সেক্রেটারিয়েট, ১৮টি সংস্থা, একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উপদেষ্টা প্যানেল। 
- জিইএফ বিভিন্ন পরিবেশগত সম্মেলনগুলির জন্য একটি আর্থিক ব্যবস্থা হিসাবে কাজ করে।
- জিইএফ অ্যাসেম্বলি ১৮৫টি সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত।
- কার্লোস ম্যানুয়েল রদ্রিগেজ ২০২০ সালের জুন মাসে গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটির চেয়ারপারসন হিসেবে নির্বাচিত হন।
- এর সদরদপ্তর- ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: Global Environment Facility এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৮.
কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর হয় -
  1. কার্টাগেনা, কলম্বিয়া
  2. মিনস্ক, বেলারুশ
  3. মন্ট্রিল, কানাডা
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:

• পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
• এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
• এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
• অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে, তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
• গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
• স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
• কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
• চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
• অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
৯৯.
'Convention on Biological Diversity' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রিও ডি জেনেরিও
  2. স্টকহোম 
  3. বার্লিন
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা

• Convention on Biological Diversity (CBD):
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তি
- স্বাক্ষরের স্থান ও সাল: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৫ জুন ১৯৯২, রিও এর “Earth Summit” বা United Nations Conference on Environment and Development (UNCED)-এর সময়।
• মূল লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য (biodiversity) সংরক্ষণ।
- জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবহার (sustainable use) নিশ্চিত করা।
- জৈব সম্পদ এবং বনায়ন/প্রাকৃতিক সম্পদের সুবিধা ও লাভের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা।

উৎস: CBD ওয়েবসাইট।

১০০.
এসডিজি'র কতটি অভীষ্ট সরাসরি পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (২০১৬-২০৩০) এর অন্যান্য অভীষ্টের ন্যায় পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত অভীষ্টগুলো বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। এসডিজি'র ১৭ টি অভীষ্টের মধ্যে ৩ টি অভীষ্ট সরাসরি পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত। এসডিজি'র ১৩ অভীষ্টে 'জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি কার্যক্রম গ্রহণ', ১৪ অভীষ্টে 'টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার, ও এসডিজি'র ১৫ অভীষ্ট হচ্ছে 'স্থলজ বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সুরক্ষা প্রদান এবং টেকসই ব্যবহারের পৃষ্ঠপোষণ, মরুকরণ প্রক্রিয়া মোকাবেলা, ভূমির অবক্ষয় রোধ ও ভূমি সৃষ্টি প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবন এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস প্রতিরোধ। উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।