ব্যাখ্যা
উদাহরণ - খোদা মুখ তুলে চাইলে অবশ্যই ব্যবসায় লাভ হবে।
এমনিভাবে,
মুখ রাখা - সম্মান রক্ষা করা।
মুখ ধরা - মুখের স্বাদ নষ্ট হওয়া।
মুখ বদলানো - স্বাদ বদলানো।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২ / ৩ · ১০১–২০০ / ২৭৭
দুটি শব্দের উচ্চারন এক বা প্রায় এক কিন্তু অর্থ আলাদা , তাদের শব্দজোড় বলে।
যেমন কাঁক - পাখি বিশেষ কিন্তু ,কাঁখ - কাখাল
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি।‘নদীটি উত্তরমুখে প্রবাহিত'-
এখানে “মুখ” মোহনা (নদীর মুখ) বা দিক নির্দেশ করে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
সঠিক উত্তর: গ) উদ্দেশ্য, উদ্দেশে।
পূর্ণ বাক্য:
"তার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা অর্জন, তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা করল।"
ব্যাখ্যা:
তার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা অর্জন;
- এখানে “উদ্দেশ্য” একটি বিশেষ্য (noun)।
অর্থ: লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, goal/purpose। “ছিল” ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষ্য বসে।
তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা করল।
- এখানে “উদ্দেশে” একটি অব্যয়।
অর্থ: - এর উদ্দেশ্যে, - এর লক্ষ্যে। “যাত্রা করল” ক্রিয়ার সঙ্গে গতি/উদ্দেশ্য বোঝাতে “উদ্দেশে” বসে।
সুতরাং, যথার্থ শব্দদ্বয়: উদ্দেশ্য (বিশেষ্য) + উদ্দেশে (অব্যয়)।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
আর /আর্/ (অব্য.):
১. এবং, ও (তুমি আর আমি)।
২. এরপর (আমি আর ওখানে যাচ্ছি না)।
৩. অথবা (মারো আর কাটো ও যাবে না)।
৪. তদুপরি (আর কষ্ট দিয়ে কী লাভ)।
৫. এখন (সেই দিন কি আর আছে)।
6. কাজেই (সেখানে আর যাওয়ার প্রশ্ন ওঠে না)।
৭. আক্ষেপ অবসাদ হতাশা ক্রোধ বিস্ময় বিরক্তি প্রভৃতিবোধক শব্দ (ওর কথা আর বোলো না)।
আর /আর্/ (বিণ.):
১. দ্বিতীয় (এই বিষয়ে ওঁর চেয়ে ভালো শিক্ষক আর নেই)।
২. বিগত (আর বছরে ভালো ফলন হয়েছিল)।
৩. আগামী (আর বুধবারে আমিও যাব)।
৪. অপর , অন্য (আর কেউ জানে না)।
৫. অধিক, এর বেশি (এরপর আর কী বলব)।
৬. অভিন্ন (উনিশ আর বিশ)।
আর /আর্/ (ক্রিবিণ.):
১. ভবিষ্যতে (আর এমন কাজ করো না)।
২. যুগপৎ (দেখি আর অবাক হই)।
৩. পরপর (আমি কেবল যাব আর আসব)।
৪. পক্ষান্তরে (ও খেটে মরছে আর তোমরা বসে আছ)।
৫. অব্যবহিত পরেই (তুমিও গেলে আর বৃষ্টিও থামলো)।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• কথা শব্দটি দিয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করা যায়।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
"ওকে দুই কথা শুনিয়ে দিয়েছি।" - এখানে 'কথা' শব্দটি দিয়ে - "কটুবাক্য" নির্দেশ করে।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অন্ত শব্দের অর্থ: মৃত্যু।
অন্যদিকে,
• 'অন্তঃ' শব্দের অর্থ: ভেতরে মধ্যে অন্তরে চিত্তে প্রভৃতি অর্থে অন্য শব্দের পূর্বে যুক্ত হয় এমন শব্দ (অন্তঃপুর)।
• 'অন্ত্য' শব্দের অর্থ: ১) চরম; অন্তিম।
• অন্তিম শব্দের অর্থ: ১) শেষ (অন্তিম যাত্রা)। ২) মৃত্যুকালীন (অন্তিম ইচ্ছা)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'খড়-খর' শব্দজোড়টির অর্থ- তৃণ-তীব্র।
'খড়' অর্থ - তৃণ।
'খর' অর্থ - তীব্র।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দজোড় হলো-
খদ্দর - কাপড়।
খদ্দের - গ্রাহক।
খরা - রৌদ্র।
ক্ষরা - ক্ষরণ।
খুর - পশুর পায়ের অংশ।
ক্ষুর - কামানোর অস্ত্র।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
মাথা খাও (বিশেষ্য) - নারীসুলভ দিব্যি; শপথবিশেষ।
সোর্সঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
• 'ধ্বনি' অর্থ - শব্দ।
• 'ধনি' অর্থ - সুন্দরী, যুবতী।
• 'ধনী' অর্থ - ধনবান।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দজোড় হলো-
'ধাতৃ' অর্থ - বিধাতা।
'ধাত্রী' অর্থ - ধাই।
'ধারি' অর্থ - মাটির ঘরের অপ্রশস্ত বারান্দা।
'ধারী' অর্থ - ধারণকারী।
'ধাপ' অর্থ - সিঁড়ির পৈঠা।
'দাপ' অর্থ - দাপট, দর্প।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে- ভাষ - ভাষা শব্দজোড়টি।
ভাষ - ভাষা শব্দজোড়টির অর্থ - কথা।
অন্যদিকে,
'ভজন' অর্থ - প্রার্থনা।
'ভোজন' অর্থ - আহার।
'ভাষ' অর্থ- কথা।
'ভাস' অর্থ - দীপ্তি।
'ভাষা' অর্থ- কথা।
'ভাসা' অর্থ- ভেসে থাকা।
'মতি' অর্থ - বুদ্ধি।
'মোতি' অর্থ- মুক্তা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ’পদ্ম’ শব্দের অর্থ-
- কমল,
- অম্বুজ,
- অরবিন্দ,
- রাজীব,
- শতদল,
- উৎপল,
অন্যদিকে,
- ’কড়ি' শব্দের অর্থ- শামুকজাতীয় সামুদ্রিক জীবের খোল। ২ কপর্দক, অর্থ, ধন।
- ’সতেজ’ শব্দের অর্থ- তেজি, বলবান।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'অন্ত' শব্দের অর্থ - মৃত্যু।
• 'অন্ত্য' শব্দের অর্থ - শেষ।
• 'অন্তঃ' শব্দের অর্থ - মধ্যে।
এরূপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দজোড় হলো-
অবধ্য - বধের অযোগ্য।
অবদ্য - অকথ্য, নিন্দনীয়।
অশন - আহার।
অসন - ক্ষেপণ।
অসুর - দৈত্য।
অশূর - যে বীর নয়।
অন্যোন্য - পরস্পর।
অন্যান্য - অপরাপর।
অন্যপুষ্ট - কোকিল।
অন্নপুষ্ট - ভোজনপুষ্ট।
অবিরাম - অনবরত।
অভিরাম - সুন্দর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
• 'কুট' অর্থ- পর্বত, দুর্গ।
• 'কূট' অর্থ- কপট, কুটিল।
এরূপ কিছু শব্দজোড় হলো-
কাঁচা -অপরিপত্ত্ব।
কাচা -পরিষ্কার করা, ধোওয়া।
কাঁটা - কণ্টক।
কাটা -কর্তন করা।
কটি -কোমর।
কোটি- শত লক্ষ।
কৃত - যা করা হয়েছে।
ক্রীত -যা ক্রয় করা হয়েছে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• সঠিক উত্তর - খ) বিদ্যারম্ভ।
--------------------
'হাত' শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগ-
• হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল): এ টাকা কটিই ছিল আমার হাতের পাঁচ।
• হাতে হাতে (অবিলম্বে): হাতে হাতে এ কাজের ফল পাবেন।
• হাতে খড়ি (বিদ্যারম্ভ): এ মাসেই খোকার হাতে খড়ি হবে।
• হাতে কলমে (স্বহস্তে, কার্যকর ভাবে): হাতে-কলমে শিক্ষা কেতাবি শিক্ষার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী।
• বিশেষ্য শব্দের প্রয়োগভেদে অর্থের পার্থক্য হয়। বাক্য ভেদে 'হাত' শব্দটি বিভিন্ন অর্থ প্রয়োগ করে।
যেমন:
• হাত আসা (দক্ষতা অর্থে)- কাজ করতে করতেই কাজে হাত আসবে।
• হাত গুটান (কার্যে বিরতি অর্থে)-হাত গুটিয়ে বসে আছ কেন?
• হাত করা (আয়ত্তে আনা অর্থে)- সাহেবকে হাত করতে পারলেই কাজ হবে।
• হাত ছাড়া (হস্তচ্যুত অর্থে)- টাকাগুলো হাত ছাড়া করো না।
• হাত থাকা (প্রভাব অর্থে)- এ ব্যাপারে আমার কোনো হাত নেই।
দ্রষ্টব্য: বাগ্ধারা গঠনে বিভিন্ন পদের ব্যবহারকে রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
কিছু সমোচ্চারিত শব্দ:
• ‘কুজন’ শব্দের অর্থ - খারাপ লোক।
• ‘কূজন’ শব্দের অর্থ - পাখির ডাক।
এরূপ কয়েকটি শব্দজোড় হলো:
• ‘জ্যেষ্ঠ’ শব্দের অর্থ - বড়ো।
• ‘জ্যৈষ্ঠ’ শব্দের অর্থ - বাংলা দ্বিতয়ি মাস।
• ‘ডোল’ শব্দের অর্থ - ধান রাখার পাত্র।
• ‘ঢোল’ শব্দের অর্থ - বাদ্যযন্ত্র।
• ‘নিতি’ শব্দের অর্থ - রোজ।
• ‘নীতি’ শব্দের অর্থ - নিয়ম।
• ‘পক্ষ’ শব্দের অর্থ - পাখা।
• ‘পক্ষ্ম’ শব্দের অর্থ - চোখের পাতার লোম।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ‘অংস’ শব্দের অর্থ-
- স্কন্ধ,
- কাঁধ।
অন্যদিকে,
’পাণি’ শব্দের অর্থ- হাত।
চোখ শব্দের অর্থ- নজর, দৃষ্টি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
কর্মফল (বিশেষ্য):
- কৃতকর্মের পাপ বা পুণ্য; জীবনের সকল কর্মের পরিণাম।
- 'কর্মফল এড়ানো যায় না' বাক্যে -
- 'কর্ম' শব্দটি দ্বারা কৃতকর্ম বা দুষ্কর্মের পরিণাম অর্থ প্রকাশ করছে।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
- ''দাঁড়ি-মুখে সারি-গান –লা-শরিক আল্লাহ!'' -চরণটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'খেয়া পারের তরণী' কবিতার অংশ।
- দাঁড়ি, দাঁড়ী (বিশেষ্য) - নৌকার দাঁড় টানে যে; নৌকা-বাহক; মাল্লা।
- তাই বলা যায়, 'দাঁড়ি মুখ' বলতে বুঝানো হয়েছে- মাঝিদের মুখে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
• 'মোড়ক' শব্দের অর্থ - আচ্ছাদন।
• 'মড়ক' শব্দের অর্থ - মহামারী।
অন্যদিকে,
মুখ - বদন।
মুক - বোবা।
মুখপত্র - ভূমিকা।
মুখপাত্র - প্রতিনিধি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান, অনুসারে,
শব্দজোড় সমার্থক নয়: দীপ - দ্যুতি।
’দীপ’ শব্দের অর্থ: প্রদীপ।
’ দ্যুতি’ শব্দের অর্থ: আলো, কিরণ, জ্যোতি দীপ্তি।
অন্যদিকে,
’তোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ: গোছা, স্তবক (ফুলের তোড়া)।
’আবৃত’ শব্দের সমার্থক শব্দ: আচ্ছাদিত।
’খরা’ শব্দের সমার্থক শব্দ: অনাবৃষ্টি। রৌদ্র।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
সঠিক উত্তর- গ) অর্থ সংকোচ।
-------------
অর্থসংকোচ:
অর্থসংকোচের ফলে একটি শব্দের পূর্ববর্তী অর্থের ব্যাপ্তি কমে। যেমন এক সময়ে 'মৃগ' শব্দের দ্বারা সকল পশুকে বোঝানো হতো । এর উদাহরণ পাওয়া যায়-
'মৃগয়া', 'মৃগরাজ' প্রভৃতি শব্দের অর্থে । শব্দ দুটির অর্থ যথাক্রমে পশুশিকার ও পশুদের রাজা ৷ কিন্তু অর্থ সংকোচনের ফলে 'মৃগ'র অর্থ দাড়িয়েছে কেবল হরিণ।
আবার,
এক সময়ে 'অন্ন' বলতে বোঝানো হতো যে-কোনো খাদ্য (মিষ্টান্ন, পলান্ন) ৷ কিন্তু এখন 'অন্ন' বলতে বোঝানো হয় ভাত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• 'আদি' শব্দের অর্থ - মূল।
• 'আধি' শব্দের অর্থ - মনঃকষ্ট।
• 'আঁধি' শব্দের অর্থ - প্রবল ঝড়।
এরূপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দজোড় হলো-
আশা - ভরসা।
আসা - আগমন।
আপন - নিজ।
আপন - দোকান।
আবাস - বাসস্থান।
আভাস - ইঙ্গিত।
আভাষ - আলাপ, ভূমিকা।
আহুতি - হোম।
আহূতি - আহ্বান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
• 'কূট' অর্থ-
১)কুটিল; বক্স
২) জটিল (কূটপ্রশ্ন)।
৩) কপট; মিথ্যা
৪) শঠ (কূটচরিত্র)।
• 'কুট' অর্থ -
১) কেল্লা, দুর্গ, গড়।
২) পর্বত; পর্বতশৃঙ্গ।
৩) বৃক্ষ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
‘পাণি’ শব্দের অর্থ-
- হাত (বীণাপাণি)।
অন্যদিকে,
আপণ- দোকান।
চামড়া -ত্বক।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বিদুর' শব্দের অর্থ - ধীর, জ্ঞানী।
• 'বিদূর' শব্দের অর্থ - দূরবর্তী।
• 'বিধুর' শব্দের অর্থ - কাতর।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দজোড় হলো-
বিরচিত - প্রণীত।
বীরোচিত - বীরের উপযুক্ত।
বিস্তর - প্রচুর।
বিস্তার - ব্যাপ্তি।
ভাষণ - উক্তি।
ভাসন - দীপ্তি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'শরণ' শব্দের অর্থ - আশ্রয়।
অন্যদিকে,
------------------
'স্মরণ' শব্দের অর্থ - মনে করা।
'সরণ' শব্দের অর্থ - গমন।
'স্বরণ' শব্দটি অশুদ্ধ।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দজোড় হলো-
'সূর' শব্দের অর্থ- সূর্য।
'সুর' শব্দের অর্থ- দেবতা, গানের সুর।
'শূর' শব্দের অর্থ- বীর।
'স্বর্গ' শব্দের অর্থ- দেবতার বাসযান।
'সর্গ' শব্দের অর্থ- অধ্যায়।
'সার্থ' শব্দের অর্থ- অর্থযুক্ত।
'স্বার্থ' শব্দের অর্থ- নিজ প্রয়োজন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।