বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা / ৩৪ · ৭০১৮০০ / ৩,৩৩৯

৭০১.
সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে কোন অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ক্যারিবীয় সাগর অঞ্চল
  2. দক্ষিণ মহাসাগরীয় অঞ্চল
  3. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল
  4. ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক্যারিবীয় সাগর অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারিবীয় সাগর অঞ্চল
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা উত্তেজনা:

- ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক পাচারকারী নৌযানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের জেরে ক্রমাগত আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে। 
-মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলায় বেশকিছু মানুষ নিহতের ঘটনাও ঘটেছে।- গত মাসের শুরু থেকে মার্কিন বাহিনী বেশ কয়েকটি মাদকবাহী নৌযানে হামলা চালায়, এর বেশিরভাগ হামলাই হয়েছে ক্যারিবীয় সাগরে।

- ইতোমধ্যে ২৭ অক্টোবর, ২০২৫ (সোমবার) ভেনেজুয়েলা উপকূলের কাছে ক্যারিবীয় দ্বীপদেশ ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ। 
- ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকার মধ্যে সেখানে এই যুদ্ধজাহাজ উপস্থিত হল।
- আল-জাজিরা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ইউএসএস গ্রেভলি যুদ্ধজাহাজ রোববার মেরিন সেনাসেদস্যদের নিয়ে ত্রিনিদাদের রাজধানী পোর্ট অব স্পেন-এ পৌঁছেছে।
- আগস্ট মাসে, ওয়াশিংটন মাদকবিরোধী অভিযানের জন্য আটটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ, ১০টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের একটি বহর এই অঞ্চলে মোতায়েন করেছিল। 
- ১৯৮৯ সালে পানামা আক্রমণের পর থেকে এই অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি।

তথ্যসূত্র: বিডি নিউজ ও বাসস। (Link)

৭০২.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৭০৩.
মোসাদ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ইয়েহুদা ওয়াইমান
  2. ডেভিড ফার্গুসন
  3. রবার্ট জিয়ুস
  4. ডেভিড বেনগুরিয়ন
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া। (২০২৪ সাল)
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৭০৪.
ভারতের অভিজাত সন্ত্রাস দমনকারী বাহিনী- 
  1. MARCOS
  2. COBRA
  3. Black Cat
  4. Para SF
সঠিক উত্তর:
Black Cat
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Black Cat
ব্যাখ্যা

• ব্ল্যাক ক্যাট: 
- ভারতের সবচেয়ে অভিজাত সন্ত্রাস দমনকারী বাহিনী হলো ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)।
- এদের সাধারণত “ব্ল্যাক ক্যাট” নামে ডাকা হয় তাদের বিশেষ কালো পোশাকের কারণে।
- ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোরা হলো ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ।
- NSG হলো ভারতের একটি ফেডারেল অ্যান্টি-টেররিস্ট ইউনিট, যা সরাসরি ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- ১৯৮৪ সালে সংগঠনটি গঠিত হয়।
- এই কমান্ডো বাহিনী মূলত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে :
• সন্ত্রাস দমন,
• জিম্মি উদ্ধার,
• হাইজ্যাকিং ও বিশেষ অপারেশন,
• গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (VVIP) নিরাপত্তা প্রদান, এবং
• দেশের কোনো উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হলে NSG-ই প্রথম মোতায়েন হয়।
- NSG-এর মূলমন্ত্র হলো “সর্বত্র সর্বোত্তম সুরক্ষা”।

উৎস: National Security Guard Website.

৭০৫.
তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে কোন দুই দেশের যুদ্ধের সমাধান হয়?
  1. ক) পাকিস্তান -ভারত
  2. খ) আরব-ইসরাইল
  3. গ) ইরাক-ইরান
  4. ঘ) ইরাক-কুয়েত
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তান -ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তান -ভারত
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান -ভারত যুদ্ধ: 
চার বার সংঘটিত হয়। ১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৯৯।
- ১৯৬৫ সালে কাশ্মীরকেন্দ্রিক এই দুই দেশের যুদ্ধের সমাধান হয় তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই দুই দেশের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭২ সালে।

 এছাড়াও,
আরব-ইসরাইল যুদ্ধের মাধ্যমে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শাত- ইল-আরব জল্ধারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয় ইরাক-ইরান যুদ্ধ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭০৬.
FARC সংগঠনটি কোন দেশে সক্রিয় ছিল?
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. কিউবা
  3. কলম্বিয়া
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

FARC:
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। 

উল্লেখ্য, 
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সানতোস ফার্ক গেরিলাদের সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফার্ক গ্যারিলাদের একটি শান্তি এলাকায় রাখা হয়েছে, যাতে করে তাদেরকে পুনর্বাসন করা যায়।

উৎস: Britannica.

৭০৭.
নিম্নের কোন দুই রাষ্ট্রপ্রধান 'New START চুক্তি'তে স্বাক্ষর করেছেন?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিন
  2. বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
  3. জো বাইডেন এবং সের্গেই লাভরভ
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।

⇒ মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.

৭০৮.
বর্তমানে NATO-র মহাসচিব কে?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. মার্ক রুটে 
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প 
  3. ভলোদিমির জেলেনস্কি
  4. জেনস স্টল্টেনবার্গ 
সঠিক উত্তর:
মার্ক রুটে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্ক রুটে 
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO): 
- ন্যাটো (NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো : North Atlantic Treaty Organization.
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতি অনুসারে যৌথভাবে তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই ন্যাটোর প্রধান কাজ।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশের সংখ্যা ৩২টি এবং
- ২০২৫ সালের ২৪–২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে প্রথমবারের মতো ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১ অক্টোবর ২০২৪ থেকে দায়িত্ব গ্রহন করেছেন।

উৎস: Britannica ও NATO Official Website.

৭০৯.
নিচের কোন চুক্তিটি 'Good Friday Agreement' নামে পরিচিত?
  1. উই রিভার চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭১০.
১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. জওহরলাল নেহেরু
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. গুলজারিলাল নন্দা
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি: 
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- চুক্তিটি ২ জুলাই ১৯৭২ সালে ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিমলা শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান করা।

এছাড়াও,
- যুদ্ধবন্দীদের বিনিময় ও কাশ্মীরের লাইন অব কন্ট্রোল পুনঃনির্ধারণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।  
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
৭১১.
CWC চুক্তি কোন ধরনের অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি?
  1. রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  2. জীবাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  3. পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  4. ল্যান্ডমাইন নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
- রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (Chemical Weapons Convention - CWC) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা যুদ্ধের সময় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে এবং এসব অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, সংগ্রহ, মজুদ বা স্থানান্তর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- চুক্তিটি ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে এটি সব রাষ্ট্রের জন্য স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- চুক্তির বাস্তবায়নে রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) কাজ করে।
- CWC একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি, যা বিশ্বকে রাসায়নিক অস্ত্রের হুমকি থেকে সুরক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

উৎস: Britannica.
৭১২.
’Five Eyes’ জোটের মূল চুক্তির নাম কী?
  1. NATO Treaty
  2. Five Nations Accord
  3. UKUSA Agreement
  4. Warsaw Pact 
সঠিক উত্তর:
UKUSA Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UKUSA Agreement
ব্যাখ্যা

• Five Eyes (FVEY): 
- আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি/সহযোগিতা।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড।
 - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৬-এ “UKUSA Agreement” থেকে শুরু,
- আধুনিক Five Eyes আকারে বিকাশ পায় ১৯৫০-এর দশকেঅ
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কঠোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করে। 
 • প্রধান সংস্থা সমূহ: NSA (USA), GCHQ (UK), CSE (Canada), ASD (Australia), GCSB (New Zealand).

• মূল কার্যক্রম: 
- সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) আদান-প্রদান।
- আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা।
- সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি শেয়ারিং।
- বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও তথ্য বিনিময় ।

উৎস: Encyclopaedia Britannica – Five Eyes. 

৭১৩.
QUAD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Quadrilateral Security Dialogue
  2. Quadrilateral Security Download
  3. Quadrilateral Security Development
  4. Quadrilateral Security Description
সঠিক উত্তর:
Quadrilateral Security Dialogue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quadrilateral Security Dialogue
ব্যাখ্যা
কোয়াড (QUAD):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- এর অর্থ হলো ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ’।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- কোয়াডের সদস্য দেশ মোট চারটি।
- যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।
- ২০০৭ সালে এ চারটি দেশ নিয়ে QUAD গঠিত হয়।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।
- কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অগ্ৰযাত্রা প্রতিহত করা।

উৎস: The Guardian।
৭১৪.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত 'পরেশ বড়ুয়া' ভারতের কোন অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সাথে যুক্ত?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) আসাম
  3. গ) নাগাল্যান্ড
  4. ঘ) মণিপুর
সঠিক উত্তর:
খ) আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আসাম
ব্যাখ্যা
ULFA (আসাম, ভারত)

- পূর্ণনাম: United Liberation Front of Assam
- আসামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন।
- ভারত ফেডারেশন থেকে আসামের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- প্রতিষ্ঠা: ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯।
- প্রতিষ্ঠাতা: পরেশ বড়ুয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, অনুপ চেটিয়া প্রমুখ।
- মহাসচিব: অনুপ চেটিয়া।
- ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ২০১১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা না করার জন্য ভারত সরকার, আসাম সরকার ও উলফার মধ্যে একটি ত্রিমুখী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪ সালে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ ১৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয় বাংলাদেশের আদালত। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
৭১৫.
বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ কোন দেশের মদদপুষ্ট?
  1. ইরান
  2. ইসরায়েল
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল:
- দক্ষিণ ইয়েমেনের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি)।
- বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মদদপুষ্ট। 
- এটি ২০১৭ সালের ১১ মে গঠিত হয়।
- তাদের ঘোষিত লক্ষ্য ১৯৬৭–১৯৯০ সময়কালের মতো ‘দক্ষিণ রাষ্ট্র’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লায় ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বোমা হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
- সৌদি আরবের দাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর জন্য অস্ত্রের একটি চালান পাঠানো হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই হামলা চালানো হয়েছে।
- ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ইয়েমেনের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাঝে তেলের কোটা ও এর উপর প্রভাব বিস্তার নিয়ে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বন্দ্বই বর্তমান উত্তেজনার মূল উৎস।
- আমিরাত দক্ষিণ ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এসটিসি-কে সমর্থন করছে। এই গোষ্ঠী বিগত মাসে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার থেকে দক্ষিণ ইয়েমেনের কিছু অংশ দখল করেছে।

উৎস: Al Jazeera.

৭১৬.
START-2 কী? 
  1. টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল
  2. বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  3. কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  4. এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
START চুক্তি:
- START এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- চুক্তি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু: কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস।
- START-1 স্বাক্ষরিত হয়: ৩১ শে জুলাই ১৯৯১।
- START-2 স্বাক্ষরিত হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৭১৭.
কোন জলপথ নিয়ে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধ ছিল?
  1. শাত-ইল-আরব
  2. অ্যাডেন উপসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. ওমান উপসাগর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা

- শাত-ইল-আরব এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ ছিল।

• শাত-ইল-আরব:

- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩
- জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস:  হিস্টরি কম এবং ব্রিটানিকা।

৭১৮.
কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে?
  1. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  2. সেভার্স চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা
ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে বিগ ফোর হিসেবে খ্যাত। তারা হলেন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ, ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো।

⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

উৎস: History.com
৭১৯.
'ডেটন শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরকারী পক্ষ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- 'ডেটন শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরকারী পক্ষ ৩টি।
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৭২০.
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে 'তাসখন্দ চুক্তি' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৬৩ সালে 
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৭২১.
NATO- এর বর্তমান মহাসচিব কে? (আগস্ট-২০২৫)
  1. রাশিদ অলিমিভ
  2. মার্ক রুট
  3. জাৰ্গেন স্টর্ক
  4. ফিলিপ্পো গ্রান্ডি
সঠিক উত্তর:
মার্ক রুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্ক রুট
ব্যাখ্যা

The North Atlantic Treaty Organization ( NATO) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট 
- ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র- ৩২ টি।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার ১৪তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মার্ক রুট।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

৭২২.
THAAD কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম?
  1. ব্যালিস্টিক মিসাইল
  2. ক্রুজ মিসাইল
  3. এন্টি-শিপ মিসাইল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ব্যালিস্টিক মিসাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যালিস্টিক মিসাইল
ব্যাখ্যা
THAAD:
- ‘THAAD’ এর পূর্ণরুপ: Terminal High Altitude Area Defense।
- ‘থাড’ হলো একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যা স্বল্প, মাঝারি এবং মধ্যবর্তী-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম।
- এটিই একমাত্র মার্কিন সিস্টেম যা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরের লক্ষ্যবস্তুকে বাধা দিতে সক্ষম।
- THAAD ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।
- এর নির্মাতা লকহিড মার্টিন কোম্পনি।
- এটি প্রাথমিক ভাবে ২০১২ সালের এপ্রিলে মোতায়েন করা হয়।

⇒ ‘থাড’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এটিতে কোনো বিস্ফোরক ওয়ারহেড নেই। এর পরিবর্তে, এটি গতিশক্তি ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করে। অর্থাৎ এটি কোনো ওয়ারহেড বিস্ফোরণ না ঘটিয়েই নিজস্ব শক্তি দিয়ে আগত ক্ষেপণাস্ত্রকে আঘাত করে।

⇒ ‘থাড’ প্রধান চারটি উপাদান:
- ইন্টারসেপ্টর: কার্যকরী বল প্রয়োগ করে তার দিকে আগত ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করে।
- লঞ্চ ভেইকেল: মোবাইল ট্রাক যা ইন্টারসেপ্টর বহন করে এবং উৎক্ষেপণ করে।
- রাডার: ৮৭০ থেকে ৩ হাজার কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি শনাক্ত করে।
- ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম: উৎক্ষেপিত ও টার্গেট করা ইন্টারসেপ্টরগুলো সমন্বয় করে।

উল্লেখ্য,
- ব্যালিস্টিক মিসাইল: এই মিসাইলগুলি সাধারণত বায়ুমণ্ডলের বাইরে উড্ডয়ন করে এবং এরপর আবার বায়ুমণ্ডলে ফিরে এসে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে।
- ক্রুজ মিসাইল: ক্রুজ মিসাইলগুলি স্থল বা জল থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে এবং তারা একটানা নিম্ন উচ্চতায় উড্ডয়ন করে, প্রায় একটি বিমান যেমন গতি নিয়ে লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যায়।
- এন্টি-শিপ মিসাইল: এই মিসাইলগুলি জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলে আক্রমণ করতে সক্ষম। এটি সমুদ্রের উপরে বা তার নিচে চলতে পারে।

উৎস: i) Lockheed Martin ওয়েবসাইট।
ii) CRS Reports (.gov) ওয়েবসাইট। 
৭২৩.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তির কোন ধারাটিকে ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয়?
  1. ৪র্থ ধারা
  2. ৫ম ধারা
  3. ৬ষ্ঠ ধারা
  4. ৭ম ধারা
সঠিক উত্তর:
৫ম ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম ধারা
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৭২৪.
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. বার্লিন শান্তি চুক্তি
  3. টোকিও শান্তি চুক্তি
  4. প্যারিস শান্তি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সম্পাদিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি,
- এটি ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে সম্মত হয় এবং উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়।
- ১৯৭৫ সালে উত্তর ভিয়েতনাম দক্ষিণ ভিয়েতনামকে নিজেদের সঙ্গে একীভূত করে।
- ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান প্যারিস শান্তি চুক্তির মাধ্যমে ঘটে। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
৭২৫.
ওয়াগনার গ্রুপ কী?
  1. ক) লবিস্ট ফার্ম
  2. খ) ভাড়টে সৈন্যদল
  3. গ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা
  4. ঘ) অর্থনীতিবিদদের সংগঠন
সঠিক উত্তর:
খ) ভাড়টে সৈন্যদল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাড়টে সৈন্যদল
ব্যাখ্যা
ওয়াগনার গ্রুপ হলো রাশিয়ার একটি ভাড়াটে সৈন্য দল। এই দলটি বর্তমান ইউক্রেনে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করছে।

- ওয়াগনার গ্রুপে বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজার ভাড়াতে সৈন্য রয়েছে। এসব সৈন্যের বেশিরভাগই কারাবন্দি বা কয়েদি ছিলো। ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্যে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
- ইউক্রেন যুদ্ধের পূর্বে ওয়াগনার গ্রুপে ৫ হাজারের মতো সেনা ছিলো যারা ছিলো মূলত রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যবৃন্দ।
- ২০২২ সালে ওয়াগনার গ্রুপ কোম্পানি হিসেবে রাশিয়ায় নিবন্ধিত হয়। এটির সদরদপ্তর পিটার্সবার্গে অবস্থিত।

- ২০১৪ সালে রাশিয়া কর্তৃক ক্রিমিয়া দখলের সময় ওয়াগনার গ্রুপ প্রথম অপারেশন পরিচালনা করে। পরবর্তীতে সিরিয়া ও আফ্রিকায়ও এই বাহিনী যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৭২৬.
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল 'ক্রিমিয়া' একটি-
  1. দ্বীপ
  2. উপদ্বীপ
  3. মরুভূমি
  4. মালভূমি
সঠিক উত্তর:
উপদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ক্রিমিয়া একটি উপদ্বীপ, যা কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত।
- এটি নিয়ে ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- রাশিয়া "ক্রিমিয়া উপদ্বীপ" দখল করে রাশিয়ার অংশ করে নেয় ২০১৪ সালে।
- ক্রিমিয়ার ৬০ ভাগ অধিবাসী রাশিয়ান জাতিগোষ্ঠীর।
- কৃষ্ণসাগর কিংবা ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাশিয়ার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেবাস্তাপুল বন্দর যা ক্রিমিয়ায় অবস্থিত।
- এতে রাশিয়া সেখানে একটি গণভোট আয়োজন করে যেখানে অধিকাংশ রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়ার পক্ষে মত দেয়।

উৎস:- হিস্টোরি ডটকম এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড পত্রিকা রিপোর্ট।
৭২৭.
ইন্টারপোলের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. মালদ্বীপ
  2. পালাউ
  3. লিকটেনস্টাইন
  4. বাহামা
সঠিক উত্তর:
পালাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালাউ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর  সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিয়ঁ শহরে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা এবং অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করে।
- সংস্থাটি ১৯২৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল পুলিশ কমিশন (International Criminal Police Commission) নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- ১৯৫৬ সাল থেকে ইন্টারপোল নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি দেশ।
- এর মধ্যে সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো পালাউ (Palau), যা ২৮ নভেম্বর, ২০২৩-এ ১৯৬তম সদস্যপদ লাভ করে। 
- সংস্থাটি বিশ্বের বৃহত্তম পুলিশ সংস্থা হিসেবে পরিচিত এবং
- আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ, তথ্য বিনিময় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনে সক্রিয়।

উৎস: Britannica.

৭২৮.
সর্বশেষ ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির কত শতাংশ ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ৩%
  2. ৩.৫%
  3. ৫.৫%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের হেগ ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে বার্ষিক জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

২০২৫ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
- উল্লেখ্য, এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

⇒ সামরিক সহযোগিতার জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

এছাড়াও,
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৭২৯.
'হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ' কোন দেশ ভিত্তিক গেরিলা সংগঠন?
  1. লেবানন
  2. ইরান
  3. ফিলিস্তিন
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল। 
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৩০.
রামসার কনভেনশন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) রাশিয়ায়
  2. খ) ভারতে
  3. গ) ইরাকে
  4. ঘ) ইরানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরানে
ব্যাখ্যা
• রামসার কনভেনশন ইরানে অনুষ্ঠিত হয়। 

ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ ও রামসার: বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে৷
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও - টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট। 
৭৩১.
RAW প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কোন বছর?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
RAW:
- RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- এটি ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: সামন্ত গোয়েল।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।

⇒ প্রাথমিক কাজ:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- ১৯৬২ সালের যুদ্ধে চীনের নিকট ভারতের পরাজয়ের দুর্বলতার অনুসন্ধানে ভারত সরকার একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

উৎস: Britannica.
৭৩২.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) -এ স্বাক্ষরিত দেশ কতটি? (ফেব্রুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৯৩টি
  2. ১৯০টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯১টি
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
ব্যাখ্যা

 পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) :
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- ১৯৯৫ সালের ১১ মে চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়। 
- পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধের লক্ষ্য অর্জন এবং রাষ্ট্রপক্ষগুলির মধ্যে আস্থা তৈরির ব্যবস্থা হিসেবে, চুক্তিটি  আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা  (IAEA) এর দায়িত্বে একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৭৩৩.
‘পিংপং ডিপ্লোম্যাসি’ কোন দুটি দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন ও জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
ব্যাখ্যা

পিংপং ডিপ্লোম্যাসি’ বা পিংপং কূটনীতি মূলত যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন-এর মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট।

Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপলোমেসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

⇒ পিংপং ডিপ্লোম্যাসির প্রভাব:
​- ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল চীনের উপর ২০ বছর ধরে থাকা ভ্রমণ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
​- ১৯৭১ সালের অক্টোবরে ভোটের মাধ্যমে জাতিসংঘে বৈধ পদ লাভ করে চীন। পাশাপাশি তারা খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সক্ষম হয়।
​- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর সমাপ্ত হয় ‘সাংহাই কম্যুনিক’ এর মাধ্যমে। 
​- ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে পিপলস রিপাবলিক অব চায়নাকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: Britannica.

৭৩৪.
ক্যাম্প ডেভিড (Camp David) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কারা?
  1. ক) গামাল আব্দেল নাসের ও ইথজ্যাক বেঞ্জবি
  2. খ) আনোয়ার সাদাত ও ইথজ্যাক নেভন
  3. গ) ইথজ্যাক নেভন ও গামাল আব্দেল নাসের
  4. ঘ) মিনাচেম বেগিন ও আনোয়ার সাদাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিনাচেম বেগিন ও আনোয়ার সাদাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিনাচেম বেগিন ও আনোয়ার সাদাত
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ‍যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট - আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী - মিনাচেম বেগিন
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে এবং সেখানে মিশরের অধিকার পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

- এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় আরবদেশ হিসেবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম
৭৩৫.
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ -
  1. ফকল্যান্ড দ্বীপ ও সেনকাকু দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
  3. শাখালিন দ্বীপ ও ফকল্যান্ড দ্বীপ
  4. কুড়িল দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
ব্যাখ্যা
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
- রাশিয়া বর্তমানে দ্বীপপুঞ্জ দখল করেছে, কিন্তু জাপান তাদের জাপানি এলাকা হিসেবে দাবি করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপগুলির উপর দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করেছিল।

অন্যদিকে -
- ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ফকল্যান্ড দ্বীপ।
- চীন, জাপান ও তাইওয়ানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ: সেনকাকু দ্বীপ।

উৎস: Britannica.
৭৩৬.
Anti Ballistic Missile Treaty কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. রাশিয়া ও ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

ABM Treaty:
- ABM-এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty।
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে ১৯৭২ সালে।
- কার্যকর হয় ৩ অক্টোবর ১৯৭২ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ১৩ জুন ২০০২ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ৬ মাস পরে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৩ ডিসেম্বর ২০০১-এ চুক্তি থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৭৩৭.
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. আমান
  2. মুখবরাত
  3. সাভাক
  4. মোসাদ
সঠিক উত্তর:
সাভাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভাক
ব্যাখ্যা

সাভাক:
- পূর্ণরূপ- SAVAK (Organization of National Security and Information)।
- অর্গানাইজেশন অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ওরফে সাভাক ছিল ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা। 
- ১৯৫৭ সালে সিআইএ আর মোসাদের আদলে এটি গড়ে তোলা হয়। 
- ইরানের সবথেকে ভয়ংকর সংগঠন ছিল এই সাভাক।
- সাভাকের অত্যাচার আর জিজ্ঞাসাবাদের পদ্ধতি ছিল ভয়ংকর।
- সাভাক তেহরানের কুখ্যাত এভরিন কারাগারসহ দেশজুড়ে অনেকগুলো নিজস্ব কারাগার পরিচালনা করতো।
- ১৯৭৯ সালে সাভাক বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, 
- ইরানের বর্তমান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম - MOIS
- ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ (Mossad), আমান (Aman)।
- মুখবরাত মিশরের গোয়েন্দা সংস্থার নাম।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৭৩৮.
কোন দুই নেতা ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. গামাল আবদেল নাসের ও গোল্ডা মেয়ার
  2. আনোয়ার সাদাত ও মেনাচেম বেগিন
  3. ইয়াসির আরাফাত ও ইয়িতজাক রবিন
  4. হোসনি মুবারক ও শিমন পেরেজ
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত ও মেনাচেম বেগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত ও মেনাচেম বেগিন
ব্যাখ্যা

◉ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন। এই চুক্তি ১৯৭৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত হয়।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাথে প্রথম শান্তিচুক্তি করে।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে সম্মত হয় এবং মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- এর ফলে ১৯৭৯ সালে দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে, এই চুক্তির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং অনেক আরব দেশ এর বিরোধিতা করে।
 
সূত্র - History.com ও ব্রিটানিকা। 

৭৩৯.
নিচের কোন দেশ NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

• NPT চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty):
- চুক্তির পূর্ণ নাম: Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT).
- বাংলায়: পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

• চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ (nuclear disarmament) নিশ্চিত করা।
- খসড়া গৃহীত: ১ জুলাই ১৯৬৮।
- কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর ও অনুমোদন করে: ৩১ আগস্ট, ১৯৭৯
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA (International Atomic Energy Agency).
- বর্তমানে প্রায় ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল – চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি
- উত্তর কোরিয়া – ২০০৩ সালে NPT থেকে বেরিয়ে যায়।

• চুক্তির মেয়াদ:
- প্রথমে এটি ২৫ বছরের জন্য কার্যকর ছিল।
- পরে, ১৯৯৫ সালে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৭৪০.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ফারাক্কা পানি চুক্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- এর অবস্থান বাংলাদেশ থেকে ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।
৭৪১.
ভার্সাই সন্ধি অনুযায়ী কোন বন্দরকে মুক্ত বা আন্তর্জাতিক বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ডানজিগ
  2. খ) আকাবা
  3. গ) ওডেসা
  4. ঘ) কায়রো
সঠিক উত্তর:
ক) ডানজিগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডানজিগ
ব্যাখ্যা
- ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ভার্সাই প্যারিসের অদূরে অবস্থিত। সন্ধির খসড়া জার্মান প্রতিনিধিবর্গকে দেখানো হয় ও মন্তব্য করতে খসড়ার বিভিন্ন শর্ত তাঁরা আপত্তি জানান, কিন্ত সেগুলো গ্রাহ্য হয়নি। 
- একতরফা ভাবে ইউরোপের আঞ্চলিক পুনর্গঠন, সাময়িক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শর্তাবলী জার্মানির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়।
- ভার্সাই সন্ধির শর্ত অনুসারে জার্মানি ফ্রান্সকে আলসাস-লোরেন, বেলজিয়ামকে মরেসনেট, ইউপেন, মালমেডি, লিথুয়ানিকে মেমেল, পোল্যান্ডকে পোজেন ও পশ্চিম প্রুশিয়ার অংশ বিশেষ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। 
- ডানজিগ উন্মুক্ত বন্দর হিসেবে ঘোষিত হয়। 
- উপনিবেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অর্জিত বিশেষ অধিকারগুলো জার্মানিকে প্রত্যার্পন করতে বলা হয়। 
- উত্তর সাইলেশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার অধিবাসীগণ গণভোটের মাধ্যমে স্থির করবে তারা পোল্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্তির পক্ষপাতি কিনা। 
- জার্মানির শিল্প ও খনিজ প্রধান সার (Saar) অঞ্চলে ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সের কর্তৃত্ব স্থাপিত হয় ।
 
উৎস: এসএসএইচএল, আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস - ২; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৪২.
বোকো হারাম কোন দেশের উগ্রপন্থী সংগঠন? 
  1. ইয়েমেন 
  2. নাইজেরিয়া
  3. সুদান
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

• বোকো হারাম:
- বোকো হারাম নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন।
- বোকো হারাম অর্থ- পশ্চিমা শিক্ষা পাপ। 
- তারা আল-কায়েদার মতোই পশ্চিমা শিক্ষা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে 'জিহাদ' ঘোষণা করেছে সশস্ত্র আক্রমণের মধ্য দিয়ে।
- সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যের কিছু গোষ্ঠী বোকো হারামের তহবিল সংগ্রহ করে থাকে।
- কানাম্মায় দলটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- প্রদেশের রাজধানী মাইদুগুরির নিকটবর্তী শহর দাম্বোয়ায় বোকো হারাম প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বোকো হারামের নামের অর্থ পশ্চিমা শিক্ষা নিষিদ্ধ। 
- পশ্চিমা শিক্ষা-দীক্ষার বিরুদ্ধে তারা বরাবরই আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলে।
- মানুষের তৈরি আইন ও আধুনিক বিজ্ঞানকে সংগঠনটি অস্বীকার করে।
- তাদের ভাষায়, পশ্চিমা শিক্ষা মুসলমানদের দুর্নীতিগ্রস্ত করে তোলে।
- বোকো হারামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো-শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠিত করা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও কালের কন্ঠ।

৭৪৩.
বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তি-
  1. ডেটন চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  4. প্যারিস শান্তি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ডেটন চুক্তি:
• ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
• মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
• এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৪৪.
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধ হয়?
  1. ফ্রান্স ও জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য ও পর্তুগাল
  4. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড দ্বীপ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি মালভিনাস নামেও পরিচিত। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধের স্থান ছিল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ।
- যুদ্ধের যুক্তরাজ্য বিজয়ী হয় এবং ফকল্যান্ডসহ কিছু দ্বীপে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দখলে নিলে ব্রিটেন যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৪ জুন আর্জেন্টিনা পরাজিত হলে দ্বীপপুঞ্জে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

সূত্র: Britannica.
৭৪৫.
রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন (CWC) কোন দেশ অনুমোদন করেনি? 
  1. মিশর 
  2. কানাডা
  3. জাপান
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
মিশর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর 
ব্যাখ্যা

• CWC চুক্তি:
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC চুক্তি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনটি ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেনি: মিশর, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

•  চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার, উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুত ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন সুবিধাসমূহ ধ্বংস করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের অস্তিত্ব সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা।
- শান্তিপূর্ণ রাসায়নিক প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও Chemical Weapons Convention ওয়েবসাইট। (Link)

৭৪৬.
ইউনিট ৮২০০ কী?
  1. কোড
  2. গুপ্তচর সংস্থা
  3. অপারেশন সংকেত
  4. সায়েন্স ফিকশন
সঠিক উত্তর:
গুপ্তচর সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্তচর সংস্থা
ব্যাখ্যা
• ইউনিট ৮২০০ :
- ইউনিট ৮২০০-কে ইসরায়েলি গোয়েন্দা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয় এবং এই ইউনিটের মাধ্যমেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইলেকট্রনিক মাধ্যমে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা করে।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মতে, এটি তাদের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোয়েন্দা ইউনিট।
- ইউনিট ৮২০০-তে ১০ হাজারের বেশি লোক কাজ করে এবং এখানে যারা কাজ করে তারা এলিট এবং শিক্ষিত বাহিনী থেকে বাছাই করা।
- এই ইউনিটে কাজ করা সদস্যদের সংখ্যা মোসাদ ও শিন বেটের সদস্যদের থেকেও বেশি।
-  গোয়েন্দাগিরির জন্য ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্র বানানোর দায়িত্বও ইউনিট ৮২০০-এর।
-  ২০১০ সালে ইরানে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর সাইবার হামলায় ইউনিট ৮২০০ জড়িত ছিল।

উল্লেখ্য,
ইসরায়েলের আরো গোয়েন্দা ইউনিট গুলো হল:
• মোসাদ:
- মোসাদ গঠিত হয় ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় বছর পর, ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে।
- তাদের কাজ ছিল ইসরায়েলকে বাইরের হুমকি থেকে রক্ষা করা।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্ব নিরাপদ রাখা।

• শাবাক বা শিন বেট:
- শাবাক বা শিন বেট গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- এই গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব হলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- শিন বেট দাবি করে, তারা পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আসা হুমকির বিরুদ্ধে 'অদৃশ্য ঢাল' হিসেবে কাজ করে।

• আমান: 
- আমান হলো ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাধারণ সদর দপ্তরের অধীনে কাজ করে।
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সামরিক কমান্ডকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা।
- ইসরায়েলে গোয়েন্দা সংস্থার ইতিহাস ইসরায়েলের অস্তিত্বের চেয়েও পুরনো।

উৎস: বিবিসি লিংক
৭৪৭.
কুখ্যাত ইনসেইন কারাগার অবস্থিত -
  1. ক) ইরাক
  2. খ) বাগদাদ
  3. গ) আফগানিস্তান
  4. ঘ) মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
ঘ) মায়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মায়ানমার
ব্যাখ্যা
ইনসেইন কারাগার:
- এটি নির্মাণ করে: ব্রিটিশরা (১৮৭১ সালে)।
- এটি মায়ানমারের সবচেয়ে বড় এবং কুখ্যাত কারাগার।
- এখানে রাজনৈতিক বন্দিদের আটকিয়ে রেখে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।
- এর ধারণ ক্ষমতা প্রায় পাচঁ হাজার।
- এর অবস্থান ইয়াঙ্গুন (রেঙ্গুন), মায়ানমার।

উৎস: The New York Times.
৭৪৮.
নিচের কোন চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি?
  1. ক) সিটিবিটি চুক্তি
  2. খ) এনপিটি চুক্তি
  3. গ) অটোয়া চুক্তি
  4. ঘ) বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• CTBT - এর পূর্ণরূপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty। এটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধের একটি বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি। অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবক্রমে জাতিসংঘের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
• জাতিসংঘের অনুমোদন - ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
• স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্তের তারিখ - ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
• স্বাক্ষরের স্থান - জাতিসংঘের সদরদপ্তর, নিউইয়র্ক।
• স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৬টি।
• অনুমোদনকারী দেশ - ১৭৬টি।
• চুক্তির বিষয় -নিরস্ত্রীকরণ।
• চুক্তির অবস্থা - এখনো কার্যকর হয় নি। 
• সিটিবিটি চুক্তির সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ - ডমিনিকা (২৫ মে, ২০২২)।
• সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ - Sao Tome and Principe (২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২)।
• বাংলাদেশ ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর এবং ৮ মার্চ, ২০০০ সালে চুক্তিটি অনুমোদন করে।

অন্যদিকে,
• এনপিটি চুক্তি কার্যকর হয় : ৫ মার্চ ১৯৭০
• অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয় : ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০
• বাসেল কনভেনশন কার্যকর হয় : ৫ মে ১৯৯২।

তথ্যসূত্র: সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৪৯.
সম্প্রতি সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যকার 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি' কত তারিখে স্বাক্ষরিত হয়? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ০৩ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ১২ অক্টোবর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি':
- পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
- পাকিস্তান ও সৌদি আরবের নেতারা এই চুক্তিকে 'ঐতিহাসিক' বলে অভিহিত করছেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বুধবার) সন্ধ্যায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

৭৫০.
লিসবন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? 
  1. ইউরো মুদ্রা চালু করা
  2. ভিসামুক্ত চলাচল নিশ্চিত করা
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন সংস্কার করা
  4. ন্যাটো সম্প্রসারণ করা
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন সংস্কার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন সংস্কার করা
ব্যাখ্যা

লিসবন চুক্তি:
​- স্বাক্ষরের তারিখ: ১৩ ডিসেম্বর, ২০০৭।
​- স্বাক্ষরের স্থান: লিসবন, পর্তুগাল।
​- কার্যকর: ১ ডিসেম্বর, ২০০৯।
​- বিষয়বস্তু: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সংস্কার।

​​মূল উদ্দেশ্য:
​- পূর্বের চুক্তিগুলোর জটিলতা কমিয়ে প্রশাসনিক কাঠামোকে সহজ করা।
​- সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুততর এবং কার্যকর করা।
​- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈদেশিক নীতিকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করা।

তথ্যসূত্র: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।

৭৫১.
বাংলাদেশ ও ভারত সম্প্রতি কোন চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দেয়?
  1. ক) সীমান্ত শান্তি চুক্তি
  2. খ) তিস্তা চুক্তি
  3. গ) ছিটমহল চুক্তি
  4. ঘ) CEPA বা সেপা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) CEPA বা সেপা চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) CEPA বা সেপা চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি ৬ সেপ্টেম্বর দিল্লীতে সংবাদ সম্মেলন করে দুই দেশের মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা সেপা স্বাক্ষরের ঘোষণা দেন। 
• দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সেবা এবং বিনিয়োগসহ নানা খাতে অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য হওয়া চুক্তিকে ‘Comprehensive Economic Partnership Agreement’ বা সংক্ষেপে CEPA বলা হচ্ছে।
• সেপাকে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট হিসেবেও ধরা যায়। তবে সেপার ব্যাপ্তি সাধারণ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির থেকে অনেক বেশি। পণ্যের মুক্ত বাণিজ্যের পাশাপাশি, শুল্ক সহযোগিতা এবং মেধাস্বত্ব অধিকারের মতো বিষয়গুলোও সেপার আওতায় পড়ে।  

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।
৭৫২.
বাংলাদেশ -ভারত ছিটমহল চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
  1. ক) ১ জুলাই, ২০১৫
  2. খ) ২ আগস্ট, ২০১৫
  3. গ) ১ আগস্ট, ২০১৫
  4. ঘ) ১ সেপ্টেম্বর , ২০১৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১ আগস্ট, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১ আগস্ট, ২০১৫
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে অমিমাংসিত সীমানা নিষ্পত্তিতে স্থল সীমান্ত চুক্তি সাক্ষরিত হয় যা মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত। বাংলাদেশ এই চুক্তি ১৯৭৪ সালে অনুমোদন করে ভারতকে বেড়ুবাড়ী হস্তান্তর করলেও ভারতীয় পার্লামেন্টের দুইকক্ষে এই চুক্তি ২০১৫ সালের ৬ মে ও ৭ মে পাশ হয়। ফলশ্রুতিতে এই চুক্তি ২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়। এই চুক্তির ফলে উভয় দেশের মধ্যে অবস্থিত ছিটমহলগুলো সংশ্লিষ্ট দেশে অন্তর্ভুক্ত হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার
৭৫৩.
বেলফাস্ট চুক্তির অপর নাম কী?
  1. ক) First Peace of Thorn Agreement
  2. খ) The Eternal Peace Agreement
  3. গ) Good Friday Agreement
  4. ঘ) The Fifty-Year Peace Agreement
সঠিক উত্তর:
গ) Good Friday Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Good Friday Agreement
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি (Belfast Agreement):
উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়।
উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। “বেলফাস্ট চুক্তি”র অপর নাম - Good Friday Agreement
চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
চুক্তি কার্যকরের তারিখ - ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

উৎসঃ History.com 
৭৫৪.
জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্দানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবিন ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?
  1. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ২৫ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে ২৬ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে জর্দানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবিন ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।

উৎস: Britannica.
৭৫৫.
'North Atlantic Treaty'- এর ৫নং অনুচ্ছেদে এ কী বলা হয়েছে?
  1. ধর্মীয় সহিষ্ণুতা প্রতিষ্ঠা
  2. সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
  3. যৌথ নিরাপত্তা
  4. অর্থনৈতিক সহযোগিতা
সঠিক উত্তর:
যৌথ নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌথ নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত প্রভাব ও সমাজতন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি সামরিক বা নিরাপত্তা জোট গঠন করা হয় যা North Atlantic Treaty Organization বা ন্যাটো নামে পরিচিত।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ১২টি দেশের মধ্যে NATO চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি Washington Treaty নামেও পরিচিত।
- NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো 'আর্টিকেল - ৫'।

• অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা:
➝ অনুচ্ছেদ- ৫ এ বলা হয়েছে -
যদি জোটভুক্ত কোন সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে এই জোটের সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে আসবে।

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।
৭৫৬.
ABM ট্রিটি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ- ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল- ২০০২ সাল।

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

৭৫৭.
Green Climate Fund এর প্রধান কার্যালয় কোন শহরে অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. বন
  3. ইনচেন
  4. লুক্সেমবার্গ
সঠিক উত্তর:
ইনচেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনচেন
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC এর উদ্যোগে ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে Green Climate Fund গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচেন শহরে অবস্থিত।
- এই ফান্ড থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান করা হয়।
- এছাড়া উন্নয়নশীল বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশের জন্যেও GCF ফান্ড থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়।
- উন্নত দেশসমূহ এ ফান্ডে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে।

সূত্র: Green Climate Fund ওয়েবসাইট। 
৭৫৮.
ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে কী বলা হয়?
  1. ক) ৯ নং ডাউনিং স্ট্রিট
  2. খ) ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট
  3. গ) বাকিংহাম প্যালেস
  4. ঘ) হোয়াইট  হল
সঠিক উত্তর:
ঘ) হোয়াইট  হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হোয়াইট  হল
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয় 'হোয়াইট  হল'।
- যুক্তরাজ্যের রানীর বাসভবন হচ্ছে বাকিংহাম প্যালেস/উইন্ডসর ক্যাসেল।
- ৯ নং ডাউনিং স্ট্রিট: বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর কার্যালয়।
- ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে 'Chancellor of Ex-chequer' বলা হয়।
- ১১ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়।
- ১২ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস।

তথ্যসূত্র:- যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।
৭৫৯.
১৯৪৯ সালের যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ বিষয়ে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' কী নামে অভিহিত?
  1. ক) জাতিসংঘ কনভেনশন
  2. খ) ইউএনএইচসিআর কনভেনশন
  3. গ) জেনেভা কনভেনশন
  4. ঘ) ইউএনএইচআরসি কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention):
১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)
স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে-
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের “হেগ চুক্তি সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com।
৭৬০.
আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযুক্ত করেছে -
  1. মাকাসার প্রণালী
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
ব্যাখ্যা
প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী ভারত মহাসাগর (আন্দামান সাগর) কে প্রশান্ত মহাসাগর (দক্ষিণ চীন সাগর) এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ এবং ফানেল আকৃতির, যার প্রস্থ দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) যা উত্তর দিকে বিস্তৃত হয়েছে প্রায় ১৫৫ মাইল (২৫০ কিমি) সুমাত্রার কাছে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী: ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- মাকাসার প্রণালী: জাভা (ইন্দো) ও সেলিবিস (ইন্দো.) সাগরকে যুক্ত করেছে।
- সুন্দা প্রণালী: ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
 
উৎস : World Atlas & Britannica. [link]
৭৬১.
ABM Treaty was signed between which two countries?
  1. Germany and France
  2. United States and Soviet Union
  3. France and United States
  4. Soviet Union and Germany
সঠিক উত্তর:
United States and Soviet Union
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United States and Soviet Union
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:

- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ- ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয় দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৭৬২.
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) চুক্তির সদস্য দেশ ছিলো -
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৭টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি;

যেমন: 
→ সোভিয়েত ইউনিয়ন,
→ আলবেনিয়া,
→ বুলগেরিয়া,
→ চেকোস্লাভিয়া,
→ পূর্ব জার্মানি,
→ হাঙেরি,
→ পোল্যান্ড ও
→ রোমানিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৬৩.
বসনিয়া যুদ্ধ অবসানে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. ডেটন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা

বসনিয়া যুদ্ধ:
- বসনিয়া যুদ্ধ ছিল সাবেক যুগোস্লাভিয়ার ভাঙনের প্রেক্ষাপটে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় সংঘটিত এক ভয়াবহ জাতিগত ও গৃহযুদ্ধ।
- সংঘটনের সময়কাল: ১৯৯২-১৯৯৫ সাল।
- ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা স্বাধীনতা ঘোষণা করলে, বসনীয় সার্বরা তা প্রতিরোধ করতে চেয়েছিল এবং একটি পৃথক সার্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুদ্ধ শুরু করে, যা মূলত মুসলিম নিধনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত ছিল।
- এই যুদ্ধে সার্বদের জাতিগত নিধনযজ্ঞে প্রায় ১ লক্ষ মানুষ নিহত এবং ২০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।
- ন্যাটো (NATO) বসনিয়ান সার্ব বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায় এবং যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহায্য করে।
- ১৯৯৫ সালে ডেটন চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে দুটি ফেডারেশনে ভাগ করা হয়।

• ডেটন চুক্তি:
- চুক্তির প্রাথমিক স্বাক্ষর: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: ডেটন, ওহাইও, যুক্তরাষ্ট্র)।
- চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স)।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

অন্যদিকে,
- ১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত প্যারিস শান্তি চুক্তি ভিয়েতনাম যুদ্ধ অবসান হয়।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিনের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি যার উদ্দেশ্য মিশর ও ইসরায়েলের মধ্যে দশকের পর দশক ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- অসলো চুক্তি হলো ১৯৯৩ সালে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (PLO) মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীর ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পায় এবং ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.

৭৬৪.
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলনরত ইসলামিস্ট গ্রুপ ‘হামাস’ কবে থেকে গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে?
  1. ক) ২০০৫ সাল
  2. খ) ২০০৬ সাল
  3. গ) ২০০৭ সাল
  4. ঘ) ২০০৯ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৬ সাল
ব্যাখ্যা
- হামাস ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- শেখ আহমেদ ইয়াসিন ১৯৮৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি ২০১৭ সাল থেকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০২১ সালে ইসমাইল হানিয়া দ্বিতীয়বারের মতো পুনঃনির্বাচিত হন।
- হামাস ২০০৬ সাল থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
- হামাসের সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৯১ সালে ইজ্জ আল দ্বীন আল কাসেম বিগ্রেড গঠিত হয়। এই বিগ্রেডের বর্তমান প্রধান হলেন মোহাম্মদ দায়েফ।
- গাজা উপত্যকায় হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইয়াহিয়া সিনাওয়ার।
- হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা রিপোর্ট।
৭৬৫.
ANZUS গঠনের লক্ষ্যে কোথায় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
  3. ক্যানভেরা, অস্ট্রেলিয়া
  4. সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ANZUS:
-চুক্তি  স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান:  সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি একটি সামরিক জোট। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি নিউজিল্যান্ড একটি পরমাণু বিরোধী নীতি চালু করেছিল, যার একটি বিধান ছিল মার্কিন নৌবাহিনীসহ নিউজিল্যান্ডের বন্দরগুলোতে পারমাণবিক অস্ত্রবাহী জাহাজ নিষিদ্ধ করা।
- এর প্রতিক্রিয়া হিসাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৬ সালে নিউজিল্যান্ডের সাথে তার চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে এবং দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক হ্রাস করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৬৬.
পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT) অনুমোদনকারী দেশ কতটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৭০টি 
  2. ১৭৮টি 
  3. ১৮০টি 
  4. ১৯২টি 
সঠিক উত্তর:
১৭৮টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮টি 
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT): 
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ,
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

৭৬৭.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৭৬৮.
আফ্রিকা মহাদেশের কোন রাষ্ট্রে চীন প্রথম সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে?
  1. ক) নিরক্ষীয় গিনি
  2. খ) রুয়ান্ডা
  3. গ) বেনিন
  4. ঘ) জিবুতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকা মহাদেশের জিবুততে চীন প্রথম সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে।
- প্রথমবারের মতো চীন সামরিক ঘাঁটি গড়তে যাচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগরে। 
- মধ্য আফ্রিকার দেশ ইকোয়েটোরিয়াল গিনিতে এই সামরিক ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা করা হবে।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে জিবুতির পর দ্বিতীয় সামরিক ঘাটি।
- এদিকে চীন যদি ইকোয়েটোরিয়াল গিনিতে এই সামরিক ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা করে তাহলে চীনা যুদ্ধজাহাজ পুনঃঅস্ত্র গ্রহণ করতে সক্ষম হবে এবং সে সমস্ত অস্ত্র মার্কিন পূর্ব উপকূলের ঠিক বিপরীতে মোতায়েন হবে।

 উৎস: সময় নিউজ এবং প্রথম আলো
৭৬৯.
‘ওয়েটাঙ্গি চুক্তি’ (Treaty of Waitangi) কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. রাখাইন
  2. মাওরি
  3. হুনজা
  4. মুন্ডা
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা
ওয়েটাঙ্গি চুক্তি:  
- ওয়েটাঙ্গি চুক্তি ১৮৪০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রেট ব্রিটেন এবং মাওরি উপজাতিদের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য ছিল মাওরিদের অধিকার রক্ষা করা এবং নিউজিল্যান্ডের ব্রিটিশ অধিভুক্তির ভিত্তি স্থাপন করা।
- চুক্তিটি ব্রিটিশ সার্বভৌমত্ব, মাওরি সম্পত্তির সুরক্ষা, এবং ব্রিটিশ প্রজাদের সমান অধিকার নিশ্চিত করে।
- তবে জমি ক্রয় সংক্রান্ত ত্রুটি এবং ঔপনিবেশিক সরকারের সীমাবদ্ধতার কারণে এটি অসন্তোষ ও সংঘর্ষের কারণ হয়।
- ওয়েটাঙ্গি চুক্তির স্মরণে, ৬ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৭০.
Which of the following countries has successfully test-launched its first hypersonic aircraft?
  1. ক) India
  2. খ) China
  3. গ) Russia
  4. ঘ) United States
সঠিক উত্তর:
খ) China
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) China
ব্যাখ্যা
• চীন:
- চীন তার প্রথম অত্যাধুনিক হাইপারসনিক বিমানের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে যা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে এবং বর্তমান প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র-বিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পারে ।
- বেইজিং-এ অবস্থিত এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কর্পোরেশনের অংশ, দ্য চায়না একাডেমি অফ অ্যারোস্পেস অ্যারোডাইনামিকস (CAAA) আগস্ট, 2018-এ ''স্টারি স্কাই-2'' বিমানের প্রথম পরীক্ষা চালায়।
- হাইপারসনিক যানবাহনগুলি কেবল উচ্চ-গতির নয়, তারা শব্দের কমপক্ষে পাঁচগুণ গতিতে ভ্রমণ করে।
- এটি প্রায় 30 মিনিটের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে দ্রুত ভ্রমণ করার জন্য যথেষ্ট।

সূত্র: সিএনএন এবং ইকোনমিকটাইমস
৭৭১.
নিচের কোন দেশটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ভারত
  3. জার্মানি
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়।

• পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র:
- চীন: ১৯৬৪ সালে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে।
- বর্তমানে একটি স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র।
- ভারত: ১৯৭৪ সালে "Smiling Buddha" নামে প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষণ করে।
- পাকিস্তান : ১৯৯৮ সালে সফলভাবে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষণ করে।

অপরদিকে,
- জার্মানির পারমাণবিক অবস্থান:
- জার্মানি NPT (Non-Proliferation Treaty)-এর সদস্য।
- তাদের নিরাপত্তা নির্ভর করে NATO ও মার্কিন পরমাণু নিরাপত্তার উপর।
‍- জার্মান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র কিছু পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করলেও সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।

উৎস: Britannica এবং ডেইলি স্টার।[লিঙ্ক]

৭৭২.
ফকল্যান্ড যুদ্ধে জয়লাভ করে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) আর্জেন্টিনা
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ (Falklands War)
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২ এপ্রিল, ১৯৮২ - ১৪ জুন, ১৯৮২ সাল পর্যন্ত।
▪ পক্ষসমূহ: যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা। 
▪ যুদ্ধ সংঘটনের স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডুইচ দ্বীপ।  
ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
▪ ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার তৎকালীন সামরিক সরকার দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডুইচ দ্বীপে আক্রমণ করে দখল করে নেয়। ব্রিটিশ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার আর্জেন্টিনার উপর সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।    
▪ সকল নৌযুদ্ধে হেরে আর্জেন্টিনা ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে আত্মসমর্পনে সম্মত হয়। এর ফলে ঐসকল দ্বীপে আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ১৯৮৩ সালে আর্জেন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।    

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৭৭৩.
কোন ঘটনার মাধ্যমে মলোটভ–রিবেনট্রপ চুক্তি কার্যত বাতিল হয়ে যায়?
  1. অপারেশন বারবারোসা
  2. পার্ল হারবার আক্রমণ
  3. নরম্যান্ডি অভিযান
  4. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বারবারোসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বারবারোসা
ব্যাখ্যা

মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি (১৯৩৯) ছিল নাৎসি জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অ-আক্রমণ চুক্তি। এটি কার্যত বাতিল হয় ১৯৪১ সালের ২২ জুন জার্মানির 'অপারেশন বারবারোসা' দ্বারা সোভিয়েত ভূখণ্ড আক্রমণের মাধ্যমে। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল না হলেও এই আক্রমণ এর অস্তিত্ব শেষ করে। 

'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি:
- মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তিটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অ-আগ্রাসন চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৩ আগস্ট ১৯৩৯।
- স্বাক্ষরকারী: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ ও সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ।
- স্থান: মস্কো, ক্রেমলিন। 
- মেয়াদ: ১০ বছর (তবে ১৯৪১ সালেই ভেঙে যায়)। 

• এই চুক্তিতে দেশ দুটি অঙ্গীকার করে তারা একে অপরকে আক্রমণ করবে না।
- এই চুক্তির মাধ্যমে পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং রোমানিয়াকে জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের জন্য ভাগ করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির এক সপ্তাহের মধ্যেই ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ তারিখে জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। 
- এর কিছুদিন পরে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ তারিখে সোভিয়েত ইউনিয়নও পূর্ব দিক থেকে পোল্যান্ড আক্রমণ করে।
- ১৯৩৯–১৯৪০ সালের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন বাল্টিক রাষ্ট্র (এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া) ও বেসারাবিয়া দখল করে।
- ২২ জুন, ১৯৪১ তারিখে জার্মানির নাৎসি হিটলার সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের মাধ্যমে অপারেশন বারবারোসা শুরু করে, ফলে 'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি কার্যত বাতিল হয়ে যায়।

অন্যদিকে,
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।
- পার্ল হারবার আক্রমণ ছিল ইতিহাসের একটি অপ্রত্যাশিত সামরিক অভিযান যা জাপান কর্তৃক ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌ-ঘাঁটিতে আক্রমণ পরিচালিত হয়। উল্লেখ্য, মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তির সাথে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।
- নরম্যান্ডি অভিযান (D-Day) ৬ জুন, ১৯৪৪ সালে শুরু হয়েছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতিহাসের বৃহত্তম উভচর বা সমুদ্র-বাহিত আক্রমণ ছিল। অপারেশন ওভারলর্ড নামে পরিচিত এই অভিযানের মাধ্যমে মিত্রবাহিনী জার্মান-অধিকৃত ফ্রান্সে অবতরণ করে এবং পশ্চিম ইউরোপে নাৎসি শাসন দূর করতে একটি প্রধান ফ্রন্ট তৈরি করে। এই সফল অভিযানটি ইউরোপে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং জার্মানির পরাজয় ত্বরান্বিত করে। উল্লেখ্য, মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি ততদিনে অনেক আগেই ভেঙে গিয়েছিল।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৭৭৪.
পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে কোন দুইটি দেশের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
ব্যাখ্যা

Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে। ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর। সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

উৎস: Britannica.

৭৭৫.
হিযবুত তাহ্‌রীর কে গড়ে তোলেন?
  1. ক) উসামা বিন লাদেন
  2. খ) তাকিউদ্দিন
  3. গ) শায়েখ আব্দুর রহমান
  4. ঘ) খমিনি
সঠিক উত্তর:
খ) তাকিউদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাকিউদ্দিন
ব্যাখ্যা
হিযবুত তাহরীর:

- হিযবুত তাহ্‌রীর পশ্চিমাদের ইরাক আক্রমণের সূত্র ধরে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালায়।
- জেরুজালেমের বিচারক তাকিউদ্দিন আল-নাবানি ১৯৫৩ সালে হিযবুত তাহ্‌রীর গড়ে তোলেন।
- হিযবুত তাহ্‌রীর আরবি শব্দ, যার অর্থ মুক্তির দল।
- বর্তমানে ৪০টি দেশে এ সংগঠনের তৎপরতা রয়েছে।
- ২০০৯ সালে হিযবুত তাহরীরকে বাংলাদেশ সরকার নিষিদ্ধ ঘোষনা করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে যে হামলা হয়েছিল, সেই হামলার আত্মঘাতী সদস্যদের প্রধানসহ তিনজন ছিলেন হিযবুত তাহ্‌রীরের কর্মী।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪।
৭৭৬.
The Army Tactical Missile System ক্ষেপণাস্ত্রটি কোন দেশের তৈরি?
  1. রাশিয়া
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র:
- ATACMS-এর পূর্ণরূপ: The Army Tactical Missile System.
- Army Tactical Missile System (ATACMS) ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।
- লকহিড মার্টিন কোম্পানি এটি তৈরি করেছে।

⇒ এটি মার্কিন সেনাবাহিনী এবং তার মিত্রদের দ্বারা ব্যবহার করা হয়।
- ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের মূল উদ্দেশ্য হল দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ, বিশেষ করে প্রতিপক্ষের স্থলভিত্তিক লক্ষ্যবস্তু, যেমন সেনা ঘাঁটি, সরবরাহ লাইন এবং রাডার সিস্টেম আক্রমণ করা।
- এটি লোকেটেড সিস্টেম (Lance missile system) এর বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি উচ্চতর স্বতন্ত্রতায় বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার (১৮৬ মাইল) পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি একাধিক ধরনের যুদ্ধাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।

⇒ এই ক্ষেপণাস্ত্রে দুটি ভিন্ন ধরনের ওয়ারহেডও বহন করানো যেতে পারে।
- প্রথমটি হলো শত শত ছোট বোমা ভরা একটি ক্লাস্টার ওয়ারহেড এবং দ্বিতীয়টি হলো একক ওয়ারহেড যা ২২৫ কেজি ওজনের শক্তিশালী বিস্ফোরক ভরা বোমা, যা বৃহত্তর কাঠামো ধ্বংস করতে ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রথম এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪ প্রথমবারের মতো ইউক্রেইনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরবরাহ করা দূর পাল্লার এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এটি বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক বড় নীতিগত পরিবর্তন।
- ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কয়েক মাস ধরে এটিএসিএমএস নামক এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন, যাতে কিয়েভ তার নিজ সীমান্তের বাইরে হামলা করতে পারে।

উৎস: BBC.
৭৭৭.
রাফাল যুদ্ধবিমান কোন দেশের তৈরি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
রাফাল যুদ্ধবিমান:
- রাফাল যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের তৈরি।

⇒ রাফাল যুদ্ধবিমানগুলো তৈরি করেছে ফরাসি মহাকাশ সংস্থা ডাসোঁ এভিয়েশন।
- এটি আধুনিক ও বিধ্বংসী ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান।
- এই যুদ্ধবিমানটি ১ দশমিক ৮ মাক গতি অর্জন করতে পারে (ঘণ্টায় প্রায় ২ হাজার ২২৩ কিমি) এবং এর কমব্যাট রেঞ্জ ১ হাজার ৮৫০ কিমি।
- প্রধান ব্যবহার: এয়ার সুপারিওরিটি, আকাশ প্রতিরক্ষা, নিকটবর্তী আক্রমণ, দূরপাল্লার আক্রমণ, গোয়েন্দাগিরি, নৌযান বিধ্বংসী আক্রমণ, পারমাণবিক প্রতিরক্ষা।

উল্লেখ্য,
- ভারতের বিমানবাহিনীর বহরে সবচেয়ে বড় সংযোজন ফ্রান্স থেকে আনা রাফাল যুদ্ধবিমান।
- সম্প্রতি, ৭ মে ২০২৫ ভারত রাফাল যুদ্ধবিমান দিয়ে পাকিস্তানে হামলা করে।
- ২০২৫ সালে ভারত ২৬টি রাফাল এম (নৌবাহিনীর জন্য) কেনার জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে, যার ফলে ভারতের জন্য প্রতিটি বিমানের গড় দাম প্রায় ২৮৮ মিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে । এর আগে ভারত ৩৬টি 'রাফাল' যুদ্ধবিমান অর্ডার দিয়েছিল বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দাসো অ্যাভিয়াসিওঁ (দাসো এভিয়েশন)।

উৎস: i) Dassault Aviation.
ii) The Business Standard.
৭৭৮.
কোথায় ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. মিশরে
  4. ইসরাইলে
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ১৯৭৮ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- চুক্তিটি “মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য কাঠামো” নামে পরিচিত ছিল।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৭৯.
কোন দেশের মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া। 
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৮০.
Camp David চুক্তির ফলে ইসরাইলের সাথে কোন দুটি আরব রাষ্ট্র পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
  1. জর্ডান ও মিশর
  2. কুয়েত ও বাহরাইন
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন
  4. মিশর ও মরক্কো
সঠিক উত্তর:
জর্ডান ও মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান ও মিশর
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।

উৎস: i) Middle East Forum.
ii) Britannica.
৭৮১.
নারীর প্রতি সকল রকম বৈষম্য নির্মূল কনভেনশন (UN Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women) স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of Discrimination against Women.
- নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা CEDAW।
- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে CEDAW কনভেনশন গ্রহণ করে।
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- CEDAW সনদে পরিচ্ছদ আছ: -৬ টি, ধারা আছে: ৩০ টি।
- CEDAW কমিটিতে সারা বিশ্ব থেকে নারী অধিকার সংক্রান্ত ২৩ জন বিশেষজ্ঞ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।

এছাড়াও,
- কনভেনশনের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষসমূহের প্রতি নারীর মৌলিক মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা; নারী পাচার ও পতিতাবৃত্তিতে নারীর শোষণ রোধ নিশ্চিত করা; রাজনৈতিক ও লোকজীবনে নারীর প্রতি বৈষম্যের অবসান; জাতীয়তা অর্জন, পরিবর্তন বা বহাল রাখার সমান অধিকার নিশ্চিত করা; শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক ও সমাজ জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্যের অবসান ঘটানোর জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
- অন্যান্য ধারায় গ্রামীণ নারীর সমস্যা, আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং বিবাহ ও পারিবারিক জীবনে নারীর প্রতি বৈষম্যের অবসান সংক্রান্ত বিষয়গুলো রয়েছে।
- কনভেনশনে নারীর নিজ নিজ দেশে রাজনৈতিক ও লোকজীবনে অংশগ্রহণ এবং সরকারের সকল পর্যায়ে সকল কাজ করার অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৭৮২.
‘ফাইভ আইস’ কী ধরনের জোট?
  1. ক) চীনের আগ্রাসন মোকাবেলা
  2. খ) গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়
  3. গ) জলবায়ু পরিবর্তন
  4. ঘ) ভ্যাকসিন বন্টন
সঠিক উত্তর:
খ) গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়
ব্যাখ্যা
‘ফাইভ আইস’ হলো গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বিষয়ক পাঁচ দেশের একটি জোট।
জোভুটক্ত দেশগুলো হলো:
যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাজ্য
অস্ট্রেলিয়া
কানাডা
নিউজিল্যান্ড।
স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে এটি কমিউনিজমের বিস্তার রোধে কাজ করে।
সম্প্রতি এই জোটের পক্ষ থেকে হংকংয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
(সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৭৮৩.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৩
  2. খ) ১৯৪৭
  3. গ) ১৯৪৯
  4. ঘ) ১৯৫৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে সাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি যার মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়।
• এতে প্রথমে ১২ টি দেশ স্বাক্ষর করে।
এগুলো হলোঃ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- ব্রিটেন, ইতালি,
- ফ্রান্স,
- কানাডা,
- নরওয়ে,
- বেলজিয়াম,
- নেদারল্যান্ড,
- ডেনমার্ক,
- লুক্সেমবার্গ,
- পর্তুগাল,
- আইসল্যান্ড।

 • বর্তমানে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা ৩০ টি।

(সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
৭৮৪.
'ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ' নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- যুক্তরাজ্যের একটি স্বশাসিত ওভারসিজ (overseas) অঞ্চল যা দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এর রাজধানী এবং প্রধান শহর হল স্ট্যানলি, যা ইস্ট ফকল্যান্ডে অবস্থিত;
- দক্ষিণ আমেরিকায় এই দ্বীপগুলো সাধারণভাবে "ইসলাস মালভিনাস" (Islas Malvinas) নামে পরিচিত,
- কারণ ১৭৬৪ সালে ফরাসি বসতিবাসীরা এই দ্বীপগুলোর নাম রেখেছিল মালোইনেস বা মালোভিনেস,
- তাদের মাতৃবন্দর সেন্ট-মালো, ফ্রান্সের নামানুসারে।
- দ্বীপগুলোর মোট আয়তন ৪,৭০০ বর্গমাইল (১২,২০০ বর্গকিমি)
- ফকল্যান্ড আইল্যান্ডসের মূল দুটি দ্বীপ, ইস্ট ফকল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ফকল্যান্ডের উত্তরাংশে পাহাড়ের পর্বতশ্রেণী রয়েছে,
- এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মাঝে বিরোধ রয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ২ এপ্রিল আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ফকল্যান্ড আক্রমণ করে।
- এরই প্রেক্ষিতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১০ সপ্তাহ পর স্ট্যানলিতে ব্রিটিশ সৈন্যদের কাছে আর্জেন্টাইন বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- ব্রিটিশ সৈন্যরা জোরপূর্বক দ্বীপগুলো পুনরায় দখল করে নেয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৭৮৫.
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২
  2. ১ নভেম্বর, ১৯৯২
  3. ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩
  4. ১ নভেম্বর, ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২
ব্যাখ্যা
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি।
- স্বাক্ষরিত হয়: নেদারল্যান্ডের ম্যাসট্রিক্ট শহরে।
- চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষর করে ১২টি ইউরোপীয় দেশ।
- উদ্দেশ্য অভিন্ন ইউরো মুদ্রা প্রচলন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতা।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান কমিউনিটির স্থলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- যার কারণে চুক্তিটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুক্তি নামে পরিচিত।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির ফলে ইউরো মুদ্রার চালুর পথ সুগম হয়।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৭৮৬.
হামাস গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণে নেয় কত সালে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

• হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।
- গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ নেয়: ২০০৭ সালে।

⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়।
- কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- তাদের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে প্যালেস্টাইনের সাধারণ নির্বাচনে হামাস ফাতাহকে হারিয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফাতাহ হেরে যাওয়ার পর এবং হামাস যোদ্ধারা গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়। ওই সংঘাতের ফলে ফিলিস্তিনের যৌথ সরকারের বিলুপ্তি ঘটে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে শাসনভার ভাগ হয়ে যায়। ফিলিস্তিনের দুই অংশ- পশ্চিম তীর ফাতাহ আর গাজা হামাসের শাসনে চলে যায়।
- ১০ জুন, ২০০৭ থেকে গাজায় হামাস এবং ফাতাহের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। তিন দিনের তীব্র সংঘর্ষের পর হামাস গাজা নিয়ন্ত্রণ নেয়।

তথ্যসূত্র:
i) Al Jazeera.
ii) Britannica.

৭৮৭.
যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রো ডলার চুক্তি সাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1.  ১৯৭২ সালে
  2.  ১৯৭৪ সালে
  3.  ১৯৭৩ সালে
  4.  ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
 ১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রো ডলার চুক্তি ১৯৭৪ সালের ৮ জুন স্বাক্ষরিত।
- ৮০ বছর মেয়াদি এ চুক্তি ৯ জুন ২০২৬ সালে শেষ হয়।
- এ চুক্তি স্বাক্ষরের পর একটি দুটি যৌথ কমিশন গঠন করা হয়—একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে, অপরটি সৌদি আরবের সামরিক চাহিদার ভিত্তিতে। 
-  ১৯৭৩ সালে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একমাত্র ডলারেই তেল বিক্রি করতে সম্মত হয়, যা ১৯৭৫ সালের মধ্যে অন্যান্য ওপেক দেশও মেনে নেয়। ফলে বৈশ্বিক তেল আমদানি রপ্তানি হয়ে পড়ে পেট্রোডলারনির্ভর।

উৎস: বিবিসি।

৭৮৮.
FARC গেরিলারা কোন দেশে সক্রিয় ছিলো?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
FARC:
- FARC (Revolutionary Armed Forces of Colombia) হলো কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর টিমোশেনকো বা রদ্রিগো লনোডানোর নেতৃত্ব ফার্ক গেরিলারা কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে অস্ত্র ত্যাগ করে।
- এই শান্তি চুক্তির জন্যে কলম্বিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে শান্তিতে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড
৭৮৯.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. অটোয়া
  2. মন্ট্রিল
  3. লন্ডন
  4. নিউ ইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
অটোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোয়া
ব্যাখ্যা

স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।

- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৭৯০.
M-19 কোন দেশ ভিত্তিক গেরিলা সংগঠন?
  1. রাশিয়া
  2. নিকারাগুয়া
  3. পেরু
  4. কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

• এম-১৯ (M-19) গেরিলা দল:
- এম-১৯ ছিল কলম্বিয়ার একটি নগরমুখী মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন।
- এটি ১৯৭৩-৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ভিন্নমতাবলম্বী আনাপো সদস্য, অসন্তুষ্ট কমিউনিস্ট ও FARC গেরিলাদের মাধ্যমে। 
- ​দলটির নাম নেওয়া হয় ১৯৭০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ থেকে।
- অন্য গেরিলা গোষ্ঠীর মতো আন্তর্জাতিক মডেল অনুকরণ না করে এম-১৯ কলম্বিয়ার নিজস্ব ইতিহাসভিত্তিক সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ গ্রহণ করে।
-​ তারা দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় আসে—যেমন সিমন বলিভারের তরবারি চুরি, ১৯৭৮ সালে বোগোটা অস্ত্রাগারে সুড়ঙ্গ খনন করে অস্ত্র লুণ্ঠন, ও ১৯৮০ সালে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসে অতিথি অপহরণ।
- পরে আলোচনার মাধ্যমে ১৯৯০ সালের মার্চে এম-১৯ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং এপ্রিলে তারা বৈধ রাজনৈতিক দল আলিয়াঞ্জা ডেমোক্র্যাটিকা এম-১৯-এ রূপান্তরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৯১.
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) কোন দেশের প্রধান সামরিক বাহিনী?
  1. ইরাক 
  2. ইরান 
  3. পাকিস্তান
  4. লেবানন 
সঠিক উত্তর:
ইরান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান 
ব্যাখ্যা

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস:
- The Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) ইরানের প্রধান সামরিক বাহিনী।

⇒  ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা, যার রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেশটির ভেতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- গার্ডস বাহিনী বিশেষত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য,
- ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল হোসেইন সালামি ইসরাইলের চালানো বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
- হোসেইন সালামি ২০১৯ সাল থেকে বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইরানের পরমাণু ও সামরিক কৌশল নির্ধারণে ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
- তার নেতৃত্বেই ইরান আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে একাধিক সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে এসেছে, বিশেষত ইরাক, সিরিয়া ও লেবাননে।

উৎস: i) Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৭৯২.
'সাভাক' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরান
  2. ইসরায়েল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
৭৯৩.
কোন চুক্তিটি বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধকল্পে স্বাক্ষরিত হয় হয়?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
  3. প্রথম ভার্সাই চুক্তি
  4. কিয়োটো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো চুক্তি
ব্যাখ্যা
• কিয়োটো চুক্তি:
- বিশ্বের উষ্ণতা রোধকল্পে জাপানের কিয়োটোতে (১৯৯৭) একটি চুক্তি হয়েছিল।
- তাতে বলা হয়েছিল, শিল্পোন্নত দেশগুলো সামগ্রিকভাবে বায়ুমণ্ডলে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ১৯৯০ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ২ ভাগ হারে হ্রাস করবে।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- কিন্তু বুশ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
- ফলে কিয়োটো চুক্তি অকার্যকর হয়ে যায়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৭৯৪.
TPNW-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Treaty on the Protection of Nuclear Weapons
  2. Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons
  3. Treaty on the Promotion of Nuclear Weapons
  4. Treaty on the Prevention of Nuclear War
সঠিক উত্তর:
Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons
ব্যাখ্যা

TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তিতে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।

⇒ পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- চুক্তির পক্ষে ভোট দেয়: ১২২টি দেশ।
- চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয়: ১টি দেশ (নেদারল্যান্ডস)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৪টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।

৭৯৫.
নিচের কোন চুক্তিটি 'চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন' এর মধ্যে ছিল?
  1. যুদ্ধ-বন্দিদের আবাসন সুরক্ষা সংক্রান্ত
  2. যুদ্ধকালীন বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
  3. যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত
  4. যুদ্ধকালীন সময়ে নিহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধকালীন বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধকালীন বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন-১৯৪৯ (Geneva Convention):
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে:
১. যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের জীবনের নিরাপত্তা এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২. সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত অসুস্থ সৈন্যদের জীবনের নিরাপত্তা এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের অবস্থার সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা এবং চিকিৎসা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
৪. যুদ্ধকালীন বেসামরিক জনগণকে রক্ষার জন্য এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৯৬.
বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা কোথায় হয়েছিল?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউ মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র
  3. হিরোশিমা, জাপান 
  4. নাগাসাকি, জাপান 
সঠিক উত্তর:
নিউ মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউ মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমা:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
- তিনি প্রকৌশলী ও পদার্থবিদদের নিয়ে এমন একটি বোমা তৈরি করেন, যা ‘গ্যাজেট’ নামে পরিচিত ছিল।
- প্রথম পারমাণবিক বোমাটি তৈরির ক্ষেত্রে মূল উপাদান ছিল সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম-২৩৫, তা পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল। এর নকশাটি পরিচিত ছিল ‘গান ডিজাইন’ নামে। 

⇒ ১৬ই জুলাই, ১৯৪৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের ইয়োর্নাদা দেল মুয়ের্তো মরুভূমিতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালানো হয়েছিল।
- এর সাংকেতিক নাম ছিল ট্রিনিটি।

⇒ জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: BBC.

৭৯৭.
'Extradition Treaty' কী?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি
  2. সামরিক সহযোগিত চুক্তি
  3. অপরাধী প্রত্যাবর্তন চুক্তি
  4. সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অপরাধী প্রত্যাবর্তন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী প্রত্যাবর্তন চুক্তি
ব্যাখ্যা
Extradition Treaty (প্রত্যর্পণ চুক্তি):
- প্রত্যর্পণ চুক্তি হলো দুটি বা একাধিক দেশের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি, যার মাধ্যমে এক দেশ (অনুরোধকারী দেশ) অপর দেশে (অনুরোধ প্রাপ্ত দেশ) অবস্থানরত একটি অপরাধী বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানায়।
- এই চুক্তি আন্তর্জাতিক আইন এবং ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে করা হয়।
- সাধারণত গুরুতর অপরাধ (যেমন হত্যা, সন্ত্রাসবাদ, মাদক চোরাচালান, অর্থনৈতিক অপরাধ) এই চুক্তির আওতায় আসে।
- প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া কার্যকর করতে চুক্তির দুই পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন।
- চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যর্পণ কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ:
- প্রত্যর্পণের জন্য অপরাধটি উভয় দেশে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।
- রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে করা অপরাধ বা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- যদি অনুরোধকারী দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকে, তবে সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৯৮.
মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কোনটি?
  1. ক) ICBM
  2. খ) ABM
  3. গ) NTBT
  4. ঘ) INF
সঠিক উত্তর:
ঘ) INF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) INF
ব্যাখ্যা
Intermediate-Range Nuclear Force (INF) হচ্ছে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র।
Anti-Ballistic Missile (ABM) হচ্ছে বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।
Inter-Continental Ballistic Missile (ICBM) হচ্ছে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র।
৭৯৯.
ঘোষিত পারমানবিক শক্তিধর দেশ কয়টি?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা

১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম পারমানবিক শক্তিধর দেশের পরিচয় পায় বিশ্ব । এরপর একে একে
রাশিয়া - ১৯৪৯ সালে,
যুক্তরাজ্য – ১৯৫২ সালে,
ফ্রান্স – ১৯৬০ সালে,
চীন – ১৯৬৪ সালে,
ভারত – ১৯৭৪ সালে,
পাকিস্তান - ১৯৯৮ সালে এবং
উত্তর কোরিয়া – ২০০৬ সালে পারমানবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়।
তবে, অনেকেই ইসরাইলকেও পারমানবিক শক্তিধর দেশ দেশ হিসেবে মনে করে।
উৎসঃ স্ব-স্ব দেশের ওয়েবসাইট।

৮০০.
হামাস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হরকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল। 
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com