বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা / ৩৪ · ৫০১৬০০ / ৩,৩৩৯

৫০১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত পূর্ব ইউরোপের অর্থনৈতিক জোট -
  1. ক) NAM
  2. খ) CENTO
  3. গ) COMECON
  4. ঘ) SEATO
সঠিক উত্তর:
গ) COMECON
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) COMECON
ব্যাখ্যা
COMECON: 
- COMECON এর পূর্ণরূপ: Council for Mutual Economic Assistance.
- প্রতিষ্ঠা : ৫ জানুয়ারি, ১৯৪৯ সালে।
- উদ্যোক্তা: জোসেফ স্টালিন, রাশিয়া।
- উদ্দেশ্য: যুদ্ধবিধ্বস্ত পূর্ব ইউরোপের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা।
- সদরদপ্তর:  মস্কো, রাশিয়া।
- সদস্য: ১০টি (সোভিয়েত রাশিয়া, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, চেকোস্লোভাকিয়া, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি, রোমানিয়া ও মঙ্গোলিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম)।
- বিলুপ্ত: ২৮ জুন, ১৯৯১ সালে।

অন্যদিকে -
- জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন বা নন অ্যালায়েন্ড মুভমেন্ট বা ন্যাম (NAM)) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

- মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন এবং ওই অঞ্চলে সোভিয়েত রাশিয়ার প্রভাব প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৫ সালে আমেরিকার নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট গড়ে তোলে। এই জোটের সদস্য ছিল আমেরিকা, ব্রিটেন, ইরাক, ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্থান। এই জোট MEDO (MIDDLE EAST DEFENCE ORGANISATION) বা 'বাগদাদ চুক্তি' নামে পরিচিত। ১৯৫৮ সালে ইরাক এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলে এটির নাম বদল করে রাখা হয় CENTO (CENTRAL TREATY ORGANISATION)।

- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (South- East Asia Treaty Organization) বা সিয়াটো (SEATO), দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর এলাকার দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত চুক্তি সংস্থা। ট্রুম্যান ডকট্রিন তথা সোভিয়েত বলয়ের প্রভাব থেকে প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা অনুযায়ী এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.
৫০২.
ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতা করেন কে? 
  1. বিল ক্লিনটন
  2. রোনাল্ড রিগান
  3. রিচার্ড নিক্সন 
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ 
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

উৎস: OSCE ও Britannica.

৫০৩.
‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’কোন দেশের নির্মিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. তুরস্ক
  3. ইসরায়েল
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

‘টমাহক' ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র:
- টমাহক হলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি অত্যন্ত দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র।

• টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দীর্ঘ পাল্লার ক্রুজ মিসাইল, যা যুদ্ধজাহাজ বা সাবমেরিন থেকে ছোড়া হয়।
- নৌবাহিনীর ব্যবহৃত এ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপৃষ্ঠে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে। নিচু উচ্চতায় ওড়ে বলে এটি রাডারে ধরা পড়ে না। এতে আছে উন্নত জিপিএস ও নেভিগেশন ব্যবস্থা, ফলে ত্রুটির সীমা মাত্র ১০ মিটার।
- টমাহক প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে। এরপর সিরিয়াসহ একাধিক অভিযানে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- এ ক্ষেপণাস্ত্র দেড় হাজার থেকে আড়াই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে আঘাত হানতে পারে।
- প্রতিটি টমাহকের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ ফুট, ওজন তিন হাজার পাউন্ডের বেশি এবং দাম প্রায় ২০ লাখ ডলার। এতে এক হাজার পাউন্ড ওজনের বিস্ফোরক বসানো থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

৫০৪.
NATO- এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) জার্মানী
  4. ঘ) তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ক) বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty Organization (NATO)-এর সদর দপ্তর‌ বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। যা ১৯৬৭ সালে ফ্রান্সের প্যারিস এর প্রথম সদরদপ্তর থেকে স্থানান্তর করা হয়।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৫০৫.
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সি (IAEA) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৫ সালে
  2. খ) ১৯৫৬ সালে
  3. গ) ১৯৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৮সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৭ সালে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সি (IAEA) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর ভিয়েনায় অবস্থিত।
- ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সি (IAEA)।

সূত্র: IAEA. এবং নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট।
৫০৬.
নাইন-ইলেভেনের পরবর্তী ধ্বংসস্তূপ কী নামে বিখ্যাত?
  1. গ্রাউন্ড-জিরো
  2. গ্রাউন্ড-ওয়ান
  3. গ্রাউন্ড-ইলাভেন
  4. জিরো-গ্রাভিটি
সঠিক উত্তর:
গ্রাউন্ড-জিরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাউন্ড-জিরো
ব্যাখ্যা
নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।
- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে তৎকালীন আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে।
- হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে।
- ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায়।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
- ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- এই হামলার পর মার্কি মার্কিন যুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫০৭.
বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী কততম দেশ?
  1. ৫৪ তম
  2. ৫৭ তম
  3. ৫৯ তম
  4. ৬১ তম
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ ১২৯ তম স্বাক্ষরকারী দেশ।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৫০৮.
NAFTA কোন অঞ্চলের বাণিজ্যিক চুক্তি?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• নাফটা:
- NAFTA এর পূর্ণরূপ North American Free Trade Agreemnet.
- নাফটা উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ মেক্সিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এবং কানাডার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি  মুক্ত বাণিজ্যিক চুক্তি। 
- এর সদস্য দেশ তিনটি।
- চুক্তিটি ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়।
- ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর ২০২০ সালে নাফটা চুক্তি সংশোধনের মধ্য দিয়ে অন্য আরও একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা USMCA নামে পরিচিত।

উৎস: NAFTA ওয়েবসাইট।
৫০৯.
The exchange of commodities between two countries is referred as
  1. ক) Bilateral trade
  2. খ) Volume of trade
  3. গ) Balance of trade
  4. ঘ) Multilateral trade
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
ব্যাখ্যা
 দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য:
- দ্বিপাক্ষিকতা বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বলতে দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা বোঝায়।
- একপাক্ষিকতা বা বহুপাক্ষিকতা যেখানে যথাক্রমে এক দেশ কিংবা বহুদেশ নিয়ে কাজ করে, দ্বিপাক্ষিকতা সেখানে দুটি দেশ নিয়ে কাজ করে।

উৎস: সময় নিউজ এবং যুগান্তর।
৫১০.
নিম্নের কোনটি পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. TPNW
  4. NATO
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapon.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।

অন্যদিকে,
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৫১১.
২৭ মার্চ, ২০২১ সালে কোন দুটি দেশ ২৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ক) ইরান ও চীন
  2. খ) পাকিস্তান ও চীন
  3. গ) বাংলাদেশ ও চীন
  4. ঘ) রাশিয়া ও চীন
সঠিক উত্তর:
ক) ইরান ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইরান ও চীন
ব্যাখ্যা
২৭ মার্চ, ২০২১ সালে ইরান ও চীন  ২৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 

 
৫১২.
F-16 যুদ্ধ বিমান কোন দেশের তৈরি?
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• F-16 Fighting Falcon
- ধরন: এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট সুপারসনিক মাল্টিরোল ফাইটার জেট।
- উৎপাদক: আমেরিকার General Dynamics (পরে Lockheed Martin)।
- প্রথম উড়ান: ১৯৭৪ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রে পরিষেবা শুরু: ১৯৭৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীতে (USAF)।
- রপ্তানি ও ব্যবহারকারী দেশ: ন্যাটোসহ ২৫টিরও বেশি দেশ, যেমন বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, ইসরায়েল, তুরস্ক, মিশর, দক্ষিণ কোরিয়া ইত্যাদি।

উৎস: Encyclopaedia Britannica.

৫১৩.
ISIS -এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Islamic Struggle for Islamic State
  2. খ) International Struggle for Islamic State
  3. গ) International Struggle for Islamic Salvation
  4. ঘ) Islamic State in Iraq and Syria
সঠিক উত্তর:
ঘ) Islamic State in Iraq and Syria
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Islamic State in Iraq and Syria
ব্যাখ্যা
Islamic State in Iraq and Syria (ISIS)

- ইরাক ও সিরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকারী একটি উগ্র সুন্নী মতবাদীভিত্তিক গোষ্ঠী।
- এছাড়াও তারা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল, মিশরের সিনাই উপদ্বীপ এবং মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় রয়েছে।
- খিলাফত ঘোষণার পর তারা বিশ্বব্যপী মুসলিমদের উপর ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামরিক কর্তৃত্ব দাবি করে।
- তাদের ঘোষিত খিলাফত ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।
- এসব কাজের মধ্যে রয়েছে বিনাবিচারে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ হত্যা, শিরশ্ছেদ ও আগুনে পুড়িয়ে প্রতিপক্ষ ও বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যা দৃশ্যের ভিডিও প্রকাশ, প্রাচীন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন ধ্বংস ইত্যাদি।
- এরা ইসলামের নামে বিভিন্ন আধিপত্যবাদি মানবতা বিরোধী কাজ শুরু করলে সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম এর গ্রান্ড মুফতি এদেরকে ইসলামের প্রধান শত্রু হিসাবে ঘোষণা করেন।
- অপর নাম:
→ Islamic State (IS)
→ Islamic State of Iraq and the Levant (ISIL)


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৫১৪.
উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপনে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. লিসবন চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. আমস্টারডাম চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপনে ব্রিটিশ ও আইরিশ সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল বেলফাস্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। শুক্রবারে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এই চুক্তি গুডফ্রাইডে চুক্তি নামেও পরিচিত।
- এই চুক্তির মাধ্যমে উত্তর আয়ারল্যান্ডে ইউনিয়নিস্ট ও ন্যাশনালিস্টদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে সরকার গঠনের বিধান গৃহিত হয়।
অন্যদিকে,
- লিসবন চুক্তি (২০০৭ সাল) হলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সংস্কার বিষয়ক চুক্তি।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের লক্ষ্যে ডেটন চুক্তি (১৯৯৫ সালে) স্বাক্ষরিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ উত্তর আয়ারল্যান্ড অ্যাসেম্বলি ওয়েবসাইট)
৫১৫.
আটলান্টিক সনদ কোন সংস্থা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করে?
  1. জাতিপুঞ্জ
  2. ন্যাটো
  3. জাতিসংঘ
  4. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক চার্টার বা সনদ: 
- আটলান্টিক চার্টার (Atlantic Charter) হলো একটি যৌথ ঘোষণা, যা ১৪ আগস্ট ১৯৪১ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে প্লাসেনশিয়া উপসাগরে চার দিনের আলোচনা শেষে এটি ঘোষণা করা হয়।
- এই চার্টার বিশ্ব শান্তি, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থার জন্য গণতন্ত্র, মুক্ত বাণিজ্য ও মানবাধিকারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- মিত্রশক্তির যুদ্ধের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত হয়।
- আটলান্টিক চার্টার বা সনদ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করে।
- আটলান্টিক চার্টার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মুক্ত বিশ্ব গঠনের একটি নীতিগত ঘোষণা ছিল, যা ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করে।

উৎস: Britannica.
৫১৬.
কোন সংকট সমাধানের জন্যে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কোরিয়া সংকট
  2. বসনিয়া সংকট
  3. কাতার সংকট
  4. ফিলিস্তিন সংকট
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া সংকট
ব্যাখ্যা

ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
স্বাক্ষরিত: ২১শে নভেম্বর, ১৯৯৫।
স্থান: রাইট-প্যাটারসন বিমান ঘাঁটি, ওহাইও, ডেটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
স্বাক্ষরকারী: বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়া।
​প্রক্রিয়াটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন: মার্কিন শান্তি আলোচক রিচার্ড হলব্রুক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।

উদ্দেশ্য:
- বসনিয়ায় চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটান।
​- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় শান্তির জন্য একটি সাধারণ কাঠামো তৈরি করা।

​উৎস: Britannica.

৫১৭.
‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তি’তে মোট স্বাক্ষরকারী দেশ/সংস্থার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৯০টি
  2. খ) ১৯৩টি
  3. গ) ১৯৫টি
  4. ঘ) ১৯৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ/সংস্থার সংখ্যা ১৯৫টি।
তবে এটির অংশীদার ১৯০টি দেশ/সংস্থা। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত কপ-২১ সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয়।
গত ৪ নভেম্বর ২০২০ যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চু্ক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেড়িয়ে গেলেও ২০ জানুয়ারি ২০২১ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসন পুনরায় চুক্তিতে ফিরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৫১৮.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM Treaty) বাতিল হয় কবে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৫১৯.
International Police Association (IPA) - এর সদরদপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
গ) ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
International Police Association (IPA), ১৯৫০ সালে ব্রিটিশ সার্জেন্ট আর্থার ট্রুপ কর্তৃক গঠিত হয়। এটি পুলিশে কর্মরত ব্যাক্তিদের কল্যাণের জন্য গঠিত। বর্তমানে ১০০টি দেশের প্রায় ৩,৬০,০০০ সদস্য রয়েছে সংগঠনটির। এর সদরদপ্তর নটিংহ্যামশায়ার, যুক্তরাজ্যে অবস্থিত।
IPA website
৫২০.
Europol-এর সদরদপ্তর নিম্নের কোন শহরে অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. রোম
  3. হেগ
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
হেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগ
ব্যাখ্যা
Europol:
- Europol-এর পূর্ণরূপ: The European Union Agency for Law Enforcement Cooperation.
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পুলিশ সংস্থার নাম Europol।
- সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৯৯ ।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- প্রথম পরিচালক: জার্গেন স্টরবেক।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
- নির্বাহী পরিচালক: ক্যাথরিন ডি বোলেীরা

⇒ ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ তারিখে ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে Europol-এর সৃষ্টি হয়। 

উৎস: Europol ওয়েবসাইট।
৫২১.
'নেভাদার এরিয়া-৫১' কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
'নেভাদার এরিয়া-৫১'
- বিশ্বের গোপন ও কৌতূহলোদ্দীপক স্থান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার এরিয়া-৫১।
- এর মধ্যে রয়েছে ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে কার্যকলাপ ও উন্নত সামরিক প্রযুক্তি পরীক্ষার মতো নানা বিষয়।
- তবে এটি মার্কিন বিমানবাহিনীর কার্যকলাপ চালানোর জন্য অত্যন্ত গোপনীয় স্থান হওয়ায় এখানে জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
- এরিয়া ৫১ মূলত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি। যার আয়তন ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে এবং লাস ভেগাস থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম রেকেল গ্রামের কাছে অবস্থিত।
- এরিয়া ৫১ নামের এই সামরিক ঘাঁটি এতটাই গোপনীয় যে, ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর অস্তিত্ব অবধি স্বীকার করেনি।
- রাশিয়া এরিয়া ৫১ নিয়ে প্রশ্ন তুললে ২০১৩ সালের আগস্টে প্রথমবার আমেরিকার সরকার স্বীকার করে নেয় যে, এরিয়া ৫১ এর অস্তিত্ব।

সূত্র- বিবিসি পত্রিকা (লিংক)।
৫২২.
নিচের কোনটি ইরান ও ছয় জাতির মধ্যে পরমাণু সমঝোতা চুক্তির অংশীদার দেশ নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. ব্রিটেন
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে ইরানের সাথে ছয়টি বিশ্বশক্তির Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) নামে পরমাণু সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি। চুক্তির অংশীদার দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- ব্রিটেন
- ফ্রান্স
- রাশিয়া
- চীন
- জার্মানি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
এই চুক্তির ফলে ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর ইরানের উপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৫২৩.
কিয়োটো প্রোটোকলের বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. নিরস্ত্রীকরণ
  2. পরিবেশ
  3. কৃষি
  4. জৈব নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
ব্যাখ্যা
কিয়েটো প্রোটোকল:

- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত চুক্তি।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে চুক্তিটি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫২৪.
অসলো চুক্তিতে ফিলিস্তিনের পক্ষ হয়ে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আইজাক রবিন
  2. আল ফিলাসতিনিয়াহ
  3. ইয়াসির আরাফাত
  4. মাহমুদ আব্বাস
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।

উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৫২৫.
পারস্য উপসাগর থেকে জালানী তেলের প্রবাহ রক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের '_______ ডকট্রিন' অনুসরণ করে?
  1. মনরো
  2. ট্রুম্যান
  3. বুশ
  4. কার্টার
সঠিক উত্তর:
কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টার
ব্যাখ্যা

● মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগর থেকে জ্বালানি তেলের প্রবাহ রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্টার ডকট্রিন (Carter Doctrine) অনুসরণ করে।

কার্টার মতবাদ (Carter Doctrine):
- কার্টার ডকট্রিন হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার কর্তৃক ঘোষিত একটি পররাষ্ট্রনীতি।
- ১৯৮০ সালের ২৩ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার কার্টার ডকট্রিন ঘোষণা করেন।
- কার্টার ডকট্রিন অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে।
- পারস্য উপসাগর থেকে জ্বালানি তেলের নিরাপদ প্রবাহ রক্ষা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কার্টার ডকট্রিন অনুসরণ করে।

• ১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের পর, এই ডকট্রিনের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে সোভিয়েত সম্প্রসারণবাদকে রুখে দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়। 
- এই নীতি ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা আলোচনা (SALT- II) পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
- এই ডকট্রিনের ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র Rapid Deployment Joint Task Force গঠন করে। 

অন্যদিকে,
- মনরো ডকট্রিন: মনরো ডকট্রিন হলো ১৮২৩ সালের ২রা ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক ঘোষিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি। এর মূল কথা হলো, আমেরিকা মহাদেশের কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের বিষয়ে ইউরোপের কোনো দেশ হস্তক্ষেপ বা উপনিবেশ স্থাপন করলে তা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিরুদ্ধে “আক্রমণাত্মক কাজ” হিসেবে গণ্য হবে। এর মাধ্যমে আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপের প্রভাব বিস্তার রোধ করে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছিল। 

- ট্রুম্যান ডকট্রিন: ট্রুম্যান ডকট্রিন হলো ১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ঘোষিত একটি পররাষ্ট্রনীতি। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বব্যাপী সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সাম্যবাদের (Communism) বিস্তার রোধ করা। 

- বুশ ডকট্রিন: বুশ ডকট্রিন হলো ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ কর্তৃক প্রবর্তিত একটি বৈদেশিক নীতি, যা আত্মরক্ষার্থে সম্ভাব্য শত্রুর বিরুদ্ধে আগাম সামরিক হামলা এবং একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেয়। এই নীতি অনুযায়ী, সন্ত্রাসীদের আশ্রয়দাতা রাষ্ট্রগুলোও সমান শত্রু হিসেবে গণ্য হয় এবং বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রয়োজনে শাসন পরিবর্তন করা হয়। 

উৎস: i) Britannica.
ii) Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।

৫২৬.
’আমান’ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. ভারত
  2. ইসরায়েল
  3. মিশর
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (M16).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

উৎস: - Britannica.com and WorldAtlas.com.

৫২৭.
'হামাস' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ফিলিস্তিন
  2. লিবিয়া
  3. সিরিয়া
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সামরিক শাখার নাম ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড (Izz ad-Din al-Qassam Brigades)।
- এর নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ নেতা ইজ্জাদিন আল-কাসাম-এর নামে।
- এই শাখাটি হামাসের সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে, যেমন রকেট হামলা, অপহরণ, এবং অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫২৮.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয়বস্তু: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ২০০২ সাল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।

৫২৯.
অসলো চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ফিলিস্তিনি সংগঠনের নাম কী?
  1. পিএলও
  2. পিআইজে
  3. ফাতাহ
  4. ফোর্স-১৭
সঠিক উত্তর:
পিএলও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিএলও
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ফিলিস্তিনি সংগঠনের নাম পিএলও।

পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
৫৩০.
'হেগ চুক্তি' সংশোধন করে স্বাক্ষরিত হয় -
  1. প্রথম জেনেভা কনভেনশন
  2. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন
  3. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
  4. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৫৩১.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) এর স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. রাশিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৫৩২.
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন সমূহ অভিহিত হয়-
  1. আটটি রেডক্রস কনভেনশন
  2. চারটি রেডক্রস কনভেনশন
  3. পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন
  4. সাতটি রেডক্রস কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
চারটি রেডক্রস কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি রেডক্রস কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৫৩৩.
কোন প্রস্তাবটি 'ডাম্বারটন ওকস' সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠন
  2. নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
  3. সাধারণ পরিষদ গঠন
  4. ভেটো ক্ষমতা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
ব্যাখ্যা
• ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন:
- ২১ আগস্ট, ১৯৪৪ - ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন ওকস ভবনে জাতিসংঘ গঠনের এ যাবৎকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা “Dumbarton Oaks Conference” নামে পরিচিত।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, চীন সহ মিত্রবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অনেক দেশ উপস্থিত ছিলো।

- এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়, এগুলো হলো-
• জাতিসংঘের গঠনের রূপরেখা, লক্ষ্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ,
• নিরাপত্তা পরিষদ গঠন এবং ৫টি স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র নির্ধারণ।

- ইয়াল্টা সম্মেলন সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের “ভেটো ক্ষমতা” (Veto Power) নির্ধারিত হয়।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৫৩৪.
হেলসিঙ্কি বিধি (Helsinki Rules) কী সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক নদী আইন
  2. নিরাপত্তা ও সহযোগিতা
  3. অর্থনৈতিক সহযোগিতা
  4. বাণিজ্যিক আইন
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক নদী আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক নদী আইন
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers): 
- আন্তর্জাতিক নদীর জলের ব্যবহার সংক্রান্ত হেলসিঙ্কি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers) হল একটি আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা যা জাতীয় সীমানা অতিক্রমকারী নদী এবং তাদের সংযুক্ত ভূগর্ভস্থ জল কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে তা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- এটি ১৯৬৬ সালে ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে আন্তর্জাতিক আইন সমিতি (ILA) দ্বারা গৃহীত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (১ আগস্ট, ১৯৭৫) ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রথম সম্মেলন (CSCE; বর্তমানে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা নামে পরিচিত) এর সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত একটি প্রধান কূটনৈতিক চুক্তি ।

উৎস: IWRM ACTION HUB ওয়েবসাইট।
৫৩৫.
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় করা হয় কবে?
  1. ক) ১ আগস্ট, ২০১৫
  2. খ) ১ জুলাই, ২০২০
  3. গ) ৩১ জুলাই, ২০১৫
  4. ঘ) ৩০ জুন, ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১ জুলাই, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১ জুলাই, ২০১৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থিত মোট ছিটমহলের সংখ্যা ছিলো ১৬২ টি।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি

৫৩৬.
ন্যাটোর কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা সমগ্র জোটের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয় কোন আর্টিকেলের অধীনে?
  1. আর্টিকেল ৪
  2. আর্টিকেল ৫
  3. আর্টিকেল ৭
  4. আর্টিকেল ৮
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল ৫
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

• ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। 
- NATO র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৫৩৭.
OPCW -এর প্রধান লক্ষ্য কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. বৈশ্বিক তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ
  3. রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
  4. জৈব অস্ত্র উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
ব্যাখ্যা

Organization for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৭ সালে।
- এর সদর দপ্তর দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত।
- OPCW -এর প্রধান লক্ষ্য রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।
- এর সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৩টি।
- দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া OPCW চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- ইসরাইল OPCW চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে।
- ১৯৯৭ সালে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

৫৩৮.
কোন মুসলিম দেশটি ন্যাটো সামরিক জোটের সদস্য?
  1. আলজেরিয়া
  2. সৌদি আরব
  3. পাকিস্তান
  4. আলবেনিয়া
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
→ মুসলিম সদস্য রাষ্ট্র: আলবেনিয়া (২০০৯) ও তুরস্ক (১৯৫২)।

• NATO:

- North Atlantic Treaty Organisation
→ পরিচিতি: 
- NATO হলো একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- গঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর:
- লক্ষ্য: পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

→ প্রতিষ্ঠার ভিত্ত :

- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি দেশ;
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম;
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।

• সদস্যতা ও সম্প্রসারণ:

- Open Door Policy (অনুচ্ছেদ - ১০);
- "ন্যাটোর সদস্যপদ যেকোনো ইউরোপীয় দেশের জন্য উন্মুক্ত, যদি তারা সংগঠনের নীতিমালা ও নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করে।"
- সর্বশেষ (৩২তম) সদস্য: সুইডেন;
- মুসলিম সদস্য রাষ্ট্র: আলবেনিয়া ও তুরস্ক

• ভৌগোলিক পরিধি:
- ইউরোপ মূল অপারেশন এলাকা;
-  ইউরোপের বাইরের প্রথম মিশন: আফগানিস্তান (২০০৩)।
• সদস্যপদের পূর্বশর্ত:
- দেশটি ইউরোপের হতে হবে
- নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সামরিক মান পূরণ করতে হবে

 উৎস: NATO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৫৩৯.
'ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স' জোটটি কোন চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে?
  1. ANZUS চুক্তি
  2. SALT চুক্তি
  3. START চুক্তি
  4. UKUSA চুক্তি
সঠিক উত্তর:
UKUSA চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UKUSA চুক্তি
ব্যাখ্যা
UKUSA চুক্তি:
- ১৯৪৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি সমবায় গোয়েন্দা চুক্তি গঠন করে যা BRUSA চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই গোপন চুক্তিটি পরবর্তীতে UKUSA চুক্তি হিসাবে আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
- এই চুক্তিটি ফাইভ আই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তি স্থাপন করে।

⇒ Five Eyes:
- ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স, যা FVEY নামেও পরিচিত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের একটি গোয়েন্দা জোট।
- জোটটি UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
- তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে একসাথে কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করছে।
- সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য তারা শেয়ার করে।

উৎস: Five Eyes ওয়েবসাইট।
৫৪০.
ন্যাটোর ১০ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সম্মিলিত প্রতিরক্ষা
  2. শান্তিপূর্ণ সমাধান
  3. অতিরিক্ত পক্ষসমূহ
  4. জোটের সদস্যতা ত্যাগ
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত পক্ষসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত পক্ষসমূহ
ব্যাখ্যা

NATO:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৫৪১.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন-
  1. বিল ক্লিনটন
  2. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. জিমি কার্টার
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- উজবেকিস্তান এর রাজধানী তাসখন্দে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত স্থানটির নাম অনুসারে  চুক্তির নামকরণ হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্সি কোসিগিন।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ: লালবাহাদুর শাস্ত্রী এবং আয়ুব খান।
- এ চুক্তি ১৯৬৫ সালে ভারত -পাকিস্তান যুদ্ধ অবসান ঘটে। 

উল্লেখ্য,
- বিল ক্লিনটন ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতা করেন।
- জিমি কার্টার ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মধ্যস্থতাকারী।

উৎস: Britannica.
৫৪২.
বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. কলকাতা
  4. দিল্লী
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
কূটনৈতিক মিশন:
- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
- নয়াদিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডন বিশ্বের এই ৫টি বড় শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কূটনীতিকরা দেশের পক্ষে বিদেশি জনমত গঠনে কাজ করেছিলেন।
- একাত্তরের ওই সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে কূটনীতিকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলা হয়।
- ওই সময়ে কলকাতার উপ হাইকমিশনার মো. হোসেন আলী এবং তৃতীয় সচিব আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে কলকাতার পাকিস্তান হাইকমিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং হাইকমিশনটিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন।
 
উল্লেখ্য,
- বিদেশের মাটিতে এভাবেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তেলন করা হয়।
- এরপর ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় তৃতীয় সচিব কাজী নজরুল ইসলাম, সহকারি প্রেন এটাচে মাকসুদ আলী এবং প্রথম সচিব রফিকুল ইসলাম চৌধুরী পাকিস্তানের চাকড়ি প্রত্যাহার করে বাংলাদেশের পক্ষে যোগ দেন।
 
উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৫৪৩.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মিশরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি
  2. হোসনি মোবারক
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. গামাল আব্দুল নাসের
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেগিনের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ক্যাম্প ডেভিড যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত একটি অবকাশ যাপন কেন্দ্র।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের পর মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়, এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম। 
৫৪৪.
ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন হামাসের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ইয়াহিয়া সিনওয়ার
  2. হাসান নাসরুল্লাহ
  3. শেখ আহমেদ ইয়াসিন
  4. ইসমাইল হানিয়া 
সঠিক উত্তর:
শেখ আহমেদ ইয়াসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ আহমেদ ইয়াসিন
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ আহমেদ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।

উল্লেখ্য,
- ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমেদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- দের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।
- ২০০৬ সালে গাজার সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে হামাস।
- ২০০৭ সালে গোটা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ পায় দলটি।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.
iii) CIA World Factbook.

৫৪৫.
ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন 'হামাস' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস একটি ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন। 
- এটি ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শেখ ইয়াসিন।

উল্লেখ্য, 
- হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনো অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৫৪৬.
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দী কে ছিলেন?
  1. জো বাইডেন
  2. কমলা হ্যারিস
  3. হিলারী ক্লিনটন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমলা হ্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলা হ্যারিস
ব্যাখ্যা

• ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস কে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

এছাড়াও,
- ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ ইংরেজি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে আলোচিত - সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ধারা যায়।
- বিভিন্ন বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিশংসিত হয়েছিলেন।
- অবশ্য তার আগে আরো দুইজন প্রেসিডেন্ট হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিসংশিত হয়েছিলেন।
- তারা হচ্ছেন অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটন।

উৎস: Britannica.

৫৪৭.
নিচের কোনটি আলাদা-
  1. USMCA
  2. IPCC
  3. SAFTA
  4. LAFTA
সঠিক উত্তর:
IPCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IPCC
ব্যাখ্যা
USMCA, LAFTA, SAFTA এই তিনটি আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং IPCC জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা।

USMCA:

- এর পূর্ণরূপ: United States–Mexico–Canada Agreement।
- চুক্তির ধরন: তিনটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পরিবেশ, শ্রমিক অধিকার এবং ডিজিটাল বাণিজ্য সংক্রান্ত নিয়মাবলি নির্ধারণ করে।
- কার্যকর: ১ জুলাই ২০২০।
- USMCA এর মাধ্যমে NAFTA চুক্তি অচল হয়ে যায়।

LAFTA:
- এর পূর্ণরূপ Latin American Free Trade Association.
- কার্যকর- ১৯৬০ সালে।
- সদস্য সংখ্যা- ১৩টি।

SAFTA:
- এর পূর্ণরূপ- South Asian Free Trade Area.
- কার্যকর: ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৫।
- সদস্য: ৮টি (আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান, এবং শ্রীলঙ্কা)।
 উদ্দেশ্য:   দক্ষিণ এশিয়ায় শুল্ক ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং একে অপরের বাজারে আরও প্রবেশাধিকার প্রদান করা।

উৎস: USA, SARRC, ওয়েবসাইট।
৫৪৮.
কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রোম কনভেনশন
  2. খ) ভিয়েনা কনভেনশন
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) স্টকহোম কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১ (Vienna Convention):

ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১ এর পূর্ণনাম - Vienna Convention on Diplomatic Relations
এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হয়।

• চুক্তি স্বাক্ষর - ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল।
• চুক্তি কার্যকর - ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪ সাল।
• চুক্তির পক্ষ - ১৯২টি দেশ অনুমোদন করেছে।

(চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ২২টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল।)
ভিয়েনা কনভেনশনের ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।


উৎসঃ হিস্টরি.কম
৫৪৯.
'NPT' চুক্তির বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত
  2. জীবাণু অস্ত্র সংক্রান্ত
  3. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  4. রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জুলাই, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৫৫০.
কত সালে হিজবুল্লাহ গঠন করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:

- এটি লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর, লেবাননের শিয়া ধর্মগুরুদের একটি দল লেবানন থেকে ইসরাইলকে তাড়ানো এবং সেখানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৫১.
Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা

Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) চুক্তি:
- Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) হলো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- এর মূল লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিরস্ত্রীকরণ উৎসাহিত করা

উল্লেখ্য,
-  ১ জানুয়ারি, ১৯৬৭ সালের আগে যে ৫টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন) পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে এই চুক্তির মাধ্যমে তাদেরকে পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দেশগুলো এ ধরনের অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করতে সম্মত হয়েছে।
- কিন্তু NPT-এর ৬ নং অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

এছাড়াও,
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল এবং উত্তর কোরিয়া (২০০৩ সালে প্রত্যাহার করে) এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।

৫৫২.
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. তাকিউদ্দীন আন-নাবহানী
  2. হাফিজ সাঈদ
  3. শায়েখ আব্দুর রহমান
  4. আবু বকর আল বাগদাদি
সঠিক উত্তর:
হাফিজ সাঈদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফিজ সাঈদ
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: Britannica.
৫৫৩.
FSB-এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল? 
  1. KGB
  2. CIA
  3. SIS
  4. MSS
সঠিক উত্তর:
KGB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
KGB
ব্যাখ্যা

• FSB (Federal Security Service):
- রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (FSB)।
- FSB এর পূর্ণরুপ: Federal Security Service.
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল KGB.
- রাশিয়ান রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন এই পরিষেবাটির নাম পরিবর্তন করে FSB রাখেন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: মস্কো, রাশিয়া।

অন্যদিকে, 
- CIA হলো Central Intelligence Agency (CIA)। এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন একটি বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- SIS হলো Secret Intelligence Service (SIS)। এটি ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- MSS হলো Ministry of State Security। এটি চীনের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৫৫৪.
‘গডস আর্মি’ কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. লেবানন
  3. ফিলিপাইন
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি হল কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের একটি বিচ্ছিন্ন দল।
- সংগঠনটির নেতৃত্ব দেয় যমজ ভাই জনি এবং লুথার হটু।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।

অন্যদিকে -
- শ্রীলঙ্কার গেরিলা সংগঠন LTTE.
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।
- ফিলিপাইনের গেরিলা সংগঠন MNLF.

উৎস: Federation of American Scientists.
৫৫৫.
ইন্টারপোলের রেড নোটিস কী?
  1. সন্ত্রাসবিরোধী নীতি
  2. আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সতর্কতা
  3. আর্থিক লেনদেনের নোটিশ
  4. আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।
- বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি হয়েছে। ইন্টারপোলের নিজস্বভাবে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার ক্ষমতা নেই। তবে ইন্টারপোল একটি আন্তর্জাতিক নোটিস ব্যবস্থার সমন্বয় করে। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পুলিশ একে অন্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি একটি সদস্য দেশ এজন্য করে থাকে যে সে চায় অন্য দেশগুলো তাকে একজন অপরাধীর অবস্থান খুঁজে পেতে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করুক।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট। [link]
৫৫৬.
নিম্নের কোন দেশ 'NPT' চুক্তি প্রত্যাহার করেছে?
  1. ভারত
  2. ইসরায়েল
  3. ফ্রান্স
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।
৫৫৭.
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আইসিজেতে মামলা দায়ের করে -
  1. গাম্বিয়া
  2. সেনেগাল
  3. সৌদি আরব
  4. কুয়েত
সঠিক উত্তর:
গাম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
▪ রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত বা (আইসিজে)'তে মামলা দায়ের করে।
▪ আদালত ২৩ জানুয়ারি ২০২০ মিয়ানমারের প্রতি চার দফা অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করে।
▪ এতে গণহত্যা বন্ধ, গণহত্যার ষড়যন্ত্র বা উস্কানি বন্ধ, গণহত্যার আলামত সংরক্ষণ এবং চার মাসের মধ্যে আদেশ পালনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানোর কথা বলা হয়।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৫৫৮.
START-2 agreement was signed between which two countries?
  1. ক) Russia - Japan
  2. খ) United States - Russia
  3. গ) United States - China
  4. ঘ) United States - France
সঠিক উত্তর:
খ) United States - Russia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) United States - Russia
ব্যাখ্যা
স্টার্ট ২ চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়- ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ- রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য- দুরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ১০ বছরের মধ্যে দু-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৫৫৯.
'NPT' চুক্তি কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭০ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালে।

'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
         ii) UNODA ওয়েবসাইট।
৫৬০.
ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র- (মে-২০২৫)
  1. ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. এস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
 NATO :
- NATO এর পূর্ণরুপ হলো - North Atlantic Treaty Organization । 
-উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো নামক সামরিক জোটটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। 
• বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে। ( মে - ২০২৫)
• ন্যাটোর প্রধান সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
• ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র - সুইডেন। (মে-২০২৫)

উৎস: NATO web.site এবং Britannica.
৫৬১.
সিয়াটো জোটের সদস্য ছিল -
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮টি
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধত্তোর সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ব্লকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে ১৯৫৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সিয়াটো (SEATO-Southeast Asian Treaty Organization) নামে সামরিক জোট গড়ে উঠে।

এই জোটের সদস্য ছিল ৮টি দেশ
এগুলো হলো:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- গ্রেট ব্রিটেন
- ফ্রান্স
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন এবং
- পাকিস্তান।

- সিয়াটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো ব্যাংককে। পাকিস্তান ১৯৭৩ সালে সিয়োটো জোট ত্যাগ করে। ১৯৭৭ সালে সিয়োটো জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
৫৬২.
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1.  তাজিকিস্তান
  2. উজবেকিস্তান
  3. কিরগিজস্তান
  4. তুর্কমেনিস্তান
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬।
- স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ: ভারত ও পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরের স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত ইউনিয়ন (Soviet Union)।
- উদ্দেশ্য: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (১৯৬৫) শেষ করা ও শান্তি স্থাপন।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৫৬৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে শান্তিচুক্তি সাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  2. খ) ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  3. গ) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  4. ঘ) ০৫ মার্চ ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানকল্পে ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান গোষ্ঠী ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। কাতারের রাজধানী দোহায় এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এতে আমেরিকার পক্ষে আফগান বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত জালমি খলিলজাদ এবং তালেবানের পক্ষে মোল্লা আব্দুল গানি স্বাক্ষর করেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী ১৪ মাসে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তার সকল সৈন্য প্রত্যাহার করবে। (সূত্রঃ সিএনএন)
৫৬৪.
ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয় কার উদ্যোগে? 
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. জার্মান
  3. চেকোস্লোভাকিয়া
  4. আলবেনিয়া
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট হল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক চুক্তি জোট যা ১৪ মে ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপীয় কয়েকটি দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- এই জোটের উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৬৫.
'গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা' নীতি কবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৯৮৩
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৮৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৫
ব্যাখ্যা
-  ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- মিখাইল গর্ভাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম ও একমাত্র প্রেসিডেন্ট। 
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা।     

উৎস: হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৫৬৬.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) কোথায় গৃহীত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন ডিসি
  3. জেনেভা
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons (TPNW) বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW)  যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের উপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা ব্যবহারের হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- এই চুক্তি জাতীয় ভূখণ্ডে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন এবং নিষিদ্ধ কার্যকলাপ পরিচালনায় যেকোনো রাষ্ট্রকে সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করে।
- রাষ্ট্রপক্ষগুলি TPNW এর অধীনে ব্যক্তিদের দ্বারা বা তাদের এখতিয়ার বা নিয়ন্ত্রণাধীন ভূখণ্ডে গৃহীত যেকোনো কার্যকলাপ প্রতিরোধ এবং দমন করতে বাধ্য থাকবে। 
- গৃহীত হয়: নিউইয়র্কে। 
- গ্রহণের তারিখ: ৭ জুলাই ২০১৭ সাল। 
- স্বাক্ষরিত হয়: নিউইয়র্কে। 
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সাল। 
- কার্যকর: ২২ জানুয়ারী ২০২১ সাল। 
- স্বাক্ষরকারী: ৯৪টি। 
- পক্ষ: ৭৩টি।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
৫৬৭.
NPT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Nuclear Power Treaty
  2. Nuclear Non-Proliferation Treaty
  3. Nuclear Peace Treaty
  4. Nuclear Prevention Treaty
সঠিক উত্তর:
Nuclear Non-Proliferation Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nuclear Non-Proliferation Treaty
ব্যাখ্যা

'NPT':
​- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
​- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ চুক্তি।
​- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
​- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
​- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
​- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

​উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

৫৬৮.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কয়টি? 
  1. ৯টি 
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি 
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।             
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয় :  হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে:  আঙ্কারা, তুরস্ক।  

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

৫৬৯.
সম্প্রতি কোন দেশের সাথে বেলারুশের সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. চীন
  2. ব্রাজিল
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
• চীন-বেলারুশ সামরিক চুক্তি:
- বেলারুশ সফরে গিয়েছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেখানেই দুই দেশের মধ্যে  সামরিক  চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- বেলারুশের প্রধান আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠক এই চুক্তি করেন  চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফু।
- বেলারুশের প্রতিরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই  চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পরম মিত্রদেশ বেলারুশ ও চীন। 
- বেলারুশ প্রতিরক্ষার বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে চীন ও রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
- এই দুই বন্ধুদেশই বেলারুশের সবসময় পাশে থাকে।

উৎস: মানবজমিন ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৫৭০.
Joint Expeditionary Force মূলত কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করে?
  1. দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগর
  2. মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল 
  3. পূর্ব আফ্রিকা
  4. উত্তর ইউরোপ ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর ইউরোপ ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর ইউরোপ ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

Joint Expeditionary Force:
- Joint Expeditionary Force হলো যুক্তরাজ্য-নেতৃত্বাধীন একটি উত্তর ইউরোপীয় সামরিক জোট।
- এই জোট সংকট মোকাবিলায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম। 
- গঠিত হয়: ২০১৪ সালে।
- সদস্য দেশ: ১০টি।
- সদস্য দেশসমূহ: যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে এবং সুইডেন।
- উদ্দেশ্য: উত্তর ইউরোপ এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়া জানানো।
- কার্যকারিতা: জেইএফ-এর নিজস্ব বাহিনী আছে যা প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত মোতায়েন করা যায়। প্রয়োজনে এটি NATO, UN বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনেও কাজ করতে পারে।

উল্লেখ্য, 
- ৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জেইএফ-এ ‘বর্ধিত অংশীদারিত্ব’ মর্যাদা পেয়েছে ইউক্রেন।

উৎস: Joint Expeditionary Force ওয়েবসাইট। [link]

৫৭১.
কোন শহরে ন্যাটোর সদর দপ্তর অবস্থিত?
  1. রোম
  2. ব্রাসেলস
  3. লন্ডন
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
ব্রাসেলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাসেলস
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ন্যাটোতে বর্তমানে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে, এবং এটি প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোর মহাপরিচালক হলেন মার্ক রুটে। [জানুয়ারি - ২০২৫] 
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুটি মুসলিম দেশ হল তুরস্ক এবং আলবেনিয়া। তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে। সর্বশেষ, ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করেছে।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৫৭২.
Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৭ সাল
  2. ১৯৮৫ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯১ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সাল
ব্যাখ্যা
• Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• OPCW (Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons) :
- এটি রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর সদর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডস হেগ শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি।
- এটি ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায়।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া ।
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

সূত্র: OPCW ওয়েবসাইট।
৫৭৩.
আটলান্টিক সনদ কখন স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪০ সালের ১৪ আগস্ট
  2. ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি
  3. ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
  4. ১৯৪৩ সালের ১৪ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা

• আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- পরবর্তীকালে জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে (১ জানুয়ারী, ১৯৪২) রেফারেন্সের মাধ্যমে আটলান্টিক সনদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৫৭৪.
Who builds the Leopard-2 tank?
  1. ক) Russia
  2. খ) Spain
  3. গ) German
  4. ঘ) Ukraine
সঠিক উত্তর:
গ) German
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) German
ব্যাখ্যা
লেপার্ড–২ ট্যাংক
- লেপার্ড- ২ ট্যাংক হলো বিশ্বের অন্যতম প্রথম সারির যুদ্ধট্যাংক।
- এটি মিউনিখ-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা সংস্থা Krauss-Maffei Wegmann (KMW) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এবং পোল্যান্ড, স্পেন, গ্রীস, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক এবং সুইজারল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এবং কানাডা এবং অন্যান্যরা ব্যবহার করে।
- জার্মানির সেনাবাহিনী এবং অনেক ইউরোপীয় দেশের সামরিক বাহিনী এ ট্যাংক ব্যবহার করে।
- ইউরোপীয় নয়- এমন দেশগুলোর মধ্যে কানাডা ও ইন্দোনেশিয়া এই ট্যাংক ব্যবহার করে।
- আফগানিস্তান, কসোভো ও সিরিয়ার সংঘাতে ডিজেল ইঞ্জিনচালিত এ যুদ্ধট্যাংকের ব্যবহার দেখেছে বিশ্ববাসী।
- এ ট্যাংকের নানা বৈশিষ্ট্য আছে।
- ডিজাইনও বিভিন্ন রকম হয়।
- এ ট্যাংকে নাইটভিশন ইকুইপমেন্ট এবং একটি লেজার রেঞ্জ ফাইন্ডার আছে, এর সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব মাপা যায়।
- লেজার রেঞ্জ ফাইন্ডার রুক্ষ ভূখণ্ড বা রুক্ষ ভূমির ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় চলমান লক্ষ্যের ওপর ভালোভাবে নজরদারি করতে সাহায্য করে।


উৎস: What makes the Leopard 2 so powerful compared to other.
Euronews
https://www.euronews.com.
৫৭৫.
সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT) অনুমোদনকারী সর্বশেষ দেশ কোনটি?
  1. টুভ্যালু
  2. গাম্বিয়া
  3. ডমিনিকা
  4. কিউবা
সঠিক উত্তর:
টুভ্যালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুভ্যালু
ব্যাখ্যা
সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- CTBT এর পূর্ণরূপ Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হল সামরিক- বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ ।
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়।

- বর্তমানে চুক্তিটি স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৫ ও অনুমোদনকারী দেশ - ১৭২টি।
- সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ: কিউবা (৪ ফেব্রুয়ারি,২০২১), ১৮৫-তম। কিউবা একই দিন ১৬৯-তম দেশ হিসেবে চুক্তি অনুমোদন করে।
- সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ: টুভ্যালু (৩১ মার্চ, ২০২২), ১৭২-তম।
- টুভ্যালু ১৮৪তম দেশ হিসেবে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

- ২৪ মার্চ ২০২২ সালে CTBT অনুমোদন করে গাম্বিয়া।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে CTBT অনুমোদন করে ডমিনিকা।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪-তম দেশ হিসেবে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ১৯৯৬ সালে।

তথ্যসূত্র:- CTBTO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৭৬.
গোলান মালভূমি কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ইসরায়েল ও লেবানন
  2. ইসরায়েল ও জর্ডান
  3. সিরিয়া ও ইসরায়েল  
  4. সিরিয়া ও তুরস্ক 
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া ও ইসরায়েল  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া ও ইসরায়েল  
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি: 
- গোলান মালভূমি ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি মূলত সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ হলেও ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল এটি দখল করে।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে ইসরায়েল একতরফাভাবে এই অঞ্চলকে নিজেদের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- তবে এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দেয়নি, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে এটি স্বীকৃতি দেয়।
- অঞ্চলটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দুই দেশই নিজেদের বলে দাবি করে।  

সূত্র:  ব্রিটানিকা। 

৫৭৭.
কোন জোটের নেতৃবৃন্দ IPMDA প্রনয়ন করে?
  1. ক) CENTO
  2. খ) NATO
  3. গ) Quad
  4. ঘ) ANZUS
সঠিক উত্তর:
গ) Quad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Quad
ব্যাখ্যা
- IPMDA'র পূর্ণরূপ - Indo-Pacific Partnership for Maritime Domain Awareness.
- কোয়াড জোটের নেতৃবৃন্দ IPMDA প্রনয়ন করে। 
- কোয়াড্রাল্যাটেরাল সিকিউিরিটি ডায়ালগ যা সংক্ষেপে কোয়াড নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৫৭৮.
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে সংঘাত হয়েছিল কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
  2. স্পেন ও ফ্রান্স
  3. ব্রাজিল ও চিলি
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- এর অপর নাম ইসলাস মালভিনাস।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ–শাসিত দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৪৮০ কিমি দূরে।
- রাজধানী হল স্ট্যানলি।

উল্লেখ্য,
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৮২ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.

৫৭৯.
'International Association of Police Academies' (INTERPA) এর ১১তম সম্মেলন প্রতিপাদ্য কি ছিল ?
  1. ক) Digitalization of Policing
  2. খ) The police are on the side of the people
  3. গ) Digital Security 
  4. ঘ) Civilian democratic
সঠিক উত্তর:
ক) Digitalization of Policing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Digitalization of Policing
ব্যাখ্যা
• ১২-১৪ সেপ্টেম্বর 'International Association of Police Academies' (INTERPA) এর ১১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় –ঢাকা, বাংলাদেশ।
• এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ও কাতার INTERPA এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। প্রতিপাদ্য ছিল – Digitalization of Policing.
• INTERPA বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি নিয়ে গঠিত।
• এর সদস্য সংখ্যা – ৫৯টি দেশের ৭৬টি পুলিশ প্রশিক্ষণএকাডেমি।
• সদরদপ্তর - আঙ্কারা, তুরস্ক।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২।
৫৮০.
চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু হয়-
  1. ক) ১৯৯৭ সালে
  2. খ) ১৯৯৯ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৮৪২ সালে। এই চুক্তির মাধ্যমে বৃটিশরা চীন থেকে হংকং দ্বীপ লাভ করে। আর চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু হয় ১৯৯৭ সালে এবং এই নীতি চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত। উৎসঃ চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
৫৮১.
ABM Treaty অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems
  2. Treaty on Anti- Ballistic Limitation of Missile Systems
  3. Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Systems
  4. Anti- Ballistic Missile Systems Treaty on the Limitation
সঠিক উত্তর:
Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems
ব্যাখ্যা
♦ ABM:
- এর পূর্ণরূপ Anti-Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- ABM চুক্তি অনুযায়ী একটি দেশ সর্বোচ্চ ১০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল রাখতে পারবে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় মস্কো, রাশিয়ায়।
- এই চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ১৩ জুন, ২০০২ সালে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com.
৫৮২.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫১ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট যা একটি পাল্টা ওজন তৈরি করতে চেয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
- শীতল যুদ্ধের সমাপ্তির পর , ন্যাটোকে একটি "সহযোগী-নিরাপত্তা" সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
- এর ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেনস স্টলেনবার্গ।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৫৮৩.
হামাস কোন দেশ ভিত্তিক গেরিলা সংগঠন?
  1. সিরিয়া
  2. লিবিয়া
  3. ফিলিস্তিন
  4. বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৮৪.
‘সুপারকো’ (SUPARCO) কোন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. ইরান
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
 মহাকাশ সংস্থা:
- পাকিস্তানের মহাকাশ সংস্থা সুপারকো।
- ৩১ জুলাই ২০২৫ মিত্র দেশ চীনের সিচুয়ানের শিচ্যাং স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার (এক্সএসএলসি) থেকে মহাকাশে বিশেষ ধরনের রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে।
- এতে যৌথভাবে সহযোগিতা করেছে চীনের ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ও মাইক্রোসেট।
- কৃষি ও পরিবেশগত বিষয় বিশ্লেষণে এই স্যাটেলাইট সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা।
 
উৎস: SUPARCO.
৫৮৫.
কোন দেশ 'এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড হেলথ ইন সিটিস' প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
⇒ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুটি সংগঠন হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট ও ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভালুয়েশনের প্রকাশিত “এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড হেলথ ইন সিটিস' শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে-
⇒ বায়ুদূষনে বিশ্বের শীর্ষ শহর - দিল্লি।
⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা।
⇒ তৃতীয় নাইজেরিয়ার কানো।
⇒ চতুর্থ পেরুর রাজধানী লিমা।
⇒ ঢাকার অবস্থান - পঞ্চম।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২২।
৫৮৬.
বাংলাদেশ সদস্য নয় :
  1. ILO
  2. SAARC
  3. NATO
  4. BIMSTEC
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ন্যাটোর সদস্য নয়।

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

অন্যদিকে -
• ILO:
- ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

• SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বাংলাদেশ SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

• BIMSTEC:
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
- সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান মহাসচিব: ইন্দ্রমণি পান্ডে।
- বাংলাদেশ BIMSTEC এব প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
৫৮৭.
Sunshine Policy- এর সাথে কোন দুটি দেশ জড়িত? 
  1. চীন, রাশিয়া
  2. উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
  3. জাপান, থাইল্যান্ড
  4. তাইওয়ান, হংকং
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত দুই দেশ হলো উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে।
- এটি ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত।

⇒ Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

⇒ Sunshine Policy তিনটি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল। যথা:
• উত্তরের কোনো সশস্ত্র উস্কানি বরদাস্ত করা হবে না।
• দক্ষিণ কোনোভাবেই উত্তরকে শুষে নেওয়ার চেষ্টা করবে না।
• দক্ষিণ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা চায়।

উৎস: Britannica. 
৫৮৮.
AMAN কোন দেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. সৌদি আরব
  2. ইরান
  3. মিশর
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
• AMAN:
- ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF)-এর গোয়েন্দা শাখা।
- এটি 1950 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইসরায়েলের সামরিক পরিকল্পনা ও কৌশলগত গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ইসরায়েলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো মোসাদ এবং শিনবেত।

উৎস: আইডিএফ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা। 
৫৮৯.
CTBT চুক্তি সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ কোনটি?
  1. শ্রীলংকা
  2. মিশর
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
সোমালিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
CTBT চুক্তি:

- CTBT এর পূর্ণরূপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধের একটি বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবক্রমে জাতিসংঘের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের অনুমোদন - ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্তের তারিখ - ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - জাতিসংঘের সদর দপ্তর, নিউইয়র্ক।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৭টি।
- চুক্তির বিষয় -নিরস্ত্রীকরণ।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে অনুমোদন চুক্তি স্বাক্ষর করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ।
- সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ - সোমালিয়া।
- সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ - শ্রীলংকা।

তথ্যসূত্র - সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। (লিংক)
৫৯০.
হামাস একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে কত সালে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- এর পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৮৭ সাল।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ আহমাদ ইয়াসিন।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৯১.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির ফলে যে ঘটনাটি ঘটে?
  1. ক) জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়
  2. খ) জাতিপুঞ্জ গঠণ
  3. গ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
▪ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা মহাযুদ্ধের সমাপ্তির লক্ষ্যে ১৯১৯ সালে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
▪ যুদ্ধে বিজয়ী মিত্রপক্ষের সাথে জার্মানির এই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির আত্মসমর্পণের পর ১৯১৯ সালে প্যারিস শান্তি সম্মেলনের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
▪ মিত্রপক্ষের তৎকালীন ৪টি দেশের নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত, তারা হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ
- ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো
▪ উক্ত চারজন ভার্সাই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন। যদিও চুক্তির শর্ত নিয়ে উড্রো উইলসনের সাথে অন্যান্য নেতাদের মতবিরোধ ছিল। দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির দুইটি অংশ রয়েছে। যথা:
▪ চুক্তির প্রথম দফায় “Covenant of the League of Nations” স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিপুঞ্জ গঠনের সনদ। এর ফলে জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এতে জার্মানি স্বাক্ষর করে নি।
▪ চুক্তির দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী মিত্রপক্ষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সকল দায়দায়িত্ব ও অনৈতিক কিছু শর্ত জার্মানির উপর চাপিয়ে দিয়ে তা স্বাক্ষরিত হয়। এতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং মিত্রপক্ষের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ প্রদানে জার্মানিকে বাধ্য করে।
 ▪ উল্লেখ্য, ভার্সাই চুক্তিতে জার্মানির সাথে একতরফাভাবে অতিরিক্ত বৈষম্যমূলক আচরনের প্রেক্ষিতে চুক্তিটি মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদিত হয় নি। আর তাই যুক্তরাষ্ট্র জাতিপুঞ্জে যোগ দেয় নি। ১৯২৬ সালে জার্মানি জাতিপুঞ্জের সদস্য হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।    
৫৯২.
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা-এনএসএ’র সাবেক পরামর্শক এডওয়ার্ড স্নোডেনকে কোন দেশ নাগরিকত্ব প্রদান করে?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) ভেনিজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
ক) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
▪ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা-এনএসএ’র সাবেক পরামর্শক এডওয়ার্ড স্নোডেনকে রাশিয়ার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।
▪ এনএসএ’র কম্পিউটার গোয়েন্দা বৃত্তি সংক্রান্ত পরামর্শক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন এডওয়ার্ড স্নোডেন।
▪ এনএসএ’র নজরদারি সংক্রান্ত একের পর এক গোপন নথি ফাঁস করে আলোচনায় আসেন তিনি।
▪ যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার এড়াতে ২০১৩ সালে রাশিয়ায় আশ্রয় নেন স্নোডেন। ৯ বছর ধরে সেখানেই আছেন তিনি।
▪ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করতে কয়েক বছর ধরে রাশিয়ার কাছ থেকে স্নোডেনকে ফেরত চাইছে যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর ২০২২ এবং যুগান্তর।
৫৯৩.
বার্লিন প্রাচীর নির্মিত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৫৯ সালে
  2. খ) ১৯৬০ সালে
  3. গ) ১৯৬১ সালে
  4. ঘ) ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর (১৯৬১-১৯৮৯):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
-  স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন  ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানে যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।
- অবশেষে ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি একত্রিত হয়।

উৎস: Britannica.
৫৯৪.
সাফটা চুক্তি কার্যকর হয় –
  1. ক) ১ জানুয়ারী ২০০৬
  2. খ) ১ জুলাই ২০০৬
  3. গ) ১ অক্টোবর ২০০৬
  4. ঘ) ১ ডিসেম্বর ২০০৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১ জানুয়ারী ২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ জানুয়ারী ২০০৬
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশিয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা সাফটা ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারী সাক্ষরিত হয়। এটি কার্যকর হয় ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারী। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে শুল্কহার শূন্যে নামিয়ে আনা। সার্কভুক্ত আটটি দেশ এতে স্বাক্ষর করে। (সূত্রঃ সার্ক সচিবালয় ওয়েবসাইট)
৫৯৫.
সানশাইন পলিসি কোন দেশের সাথে জড়িত?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
•সানশাইন পলিসি: 
- "সানশাইন নীতি” হল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কূটনৈতিক নীতি।
- এই ভিত্তির সাথে লক্ষ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
- দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা কিম দে-জুং এই ব্যাখ্যা প্রবর্তন করেন।
-  ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত  এ নীতি কার্যকর ছিল।
-  সানশাইন পলিসি বাস্তবায়নে ফলে, কিম দা-জুংকে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.
৫৯৬.
বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন -
  1. ক) ভ্লাদিমির লেনিন
  2. খ) স্ট্যালিন
  3. গ) কার্ল মার্কস
  4. ঘ) আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
সঠিক উত্তর:
ক) ভ্লাদিমির লেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভ্লাদিমির লেনিন
ব্যাখ্যা
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

অন্যদিকে,
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
৫৯৭.
ইরানি আল কুদস ফোর্সের বর্তমান প্রধান কে? (২০২৪)
  1. ইসমাঈল হানিয়া
  2. কাশেম সুলাইমানি
  3. খালেদ মেশাল
  4. ইসমাঈল কানি
সঠিক উত্তর:
ইসমাঈল কানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসমাঈল কানি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইরানের কুদস ফোর্স
- কুদস বাহিনী ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোরের অংশ।
- ইরানের হয়ে বাহিনীটি হিজবুল্লাহসহ তেহরানপন্থী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে সমন্বয় করে।
- ২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় কুদস ফোর্সের তৎকালীন প্রধান কাশেম সোলাইমানি নিহত হন।
- তিনি নিহত হওয়ার পর ইসমাঈল কানিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গাডর্স কোরের বৈদেশিক সামরিক গোয়েন্দা শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান করে তেহরান।
- ৬৭ বছর বয়সী কানি উত্তর-পূর্ব ইরানের একটি রক্ষণশীল শিয়া মুসলিম ধর্মীয় শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বিপ্লবী গার্ডের হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন তিনি।

সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট। 
৫৯৮.
'ওয়ারশ প্যাক্ট' কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়-
  1. পোল্যান্ডে
  2. জার্মানি
  3. বেলারুশে
  4. আলজেরিয়ায়
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ডে
ব্যাখ্যা
• ওয়ারশ প্যাক্ট(Warsaw Pact):
- Warsaw Pact  এর পুর্ণনাম Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- এটি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: ওয়ারশ প্যাক্টের লক্ষ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো, সোভিয়েত প্রভাব ধরে রাখা এবং পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- স্বাক্ষরকাল: ১৪মে, ১৯৫৫।
- সদস্য সংখ্যা: ৮টি;
- সোভিয়েত ইউনিয়ন,
- আলবেনিয়া,
- বুলগেরিয়া,
- চেকোস্লাভিয়া,
- পূর্ব জার্মানি,
- হাঙেরি,
- পোল্যান্ড ও
- রোমানিয়া।
- স্নায়ুযুদ্ধ শেষে সমাজতান্ত্রিক শাসন দুর্বল হয়ে গেলে ওয়ারশ প্যাক্ট অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জুলাই ১৯৯১ সালে 'ওয়ারশ প্যাক্ট' বিলুপ্ত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৫৯৯.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটির বিষয়বস্তু ‘যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত বিধানাবলি  নির্দেশ করে?
  1. দ্বিতীয় চুক্তি
  2. তৃতীয় চুক্তি
  3. চতুর্থ চুক্তি
  4. প্রথম চুক্তি
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় চুক্তি
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention): 
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি। 

• স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
→ প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

→ দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
- ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

→ তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
– জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত

→ চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও রেডক্রস।

৬০০.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিবছর কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) জানুয়ারি
  2. খ) ফেব্রুয়ারি
  3. গ) সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
খ) ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ৫৮তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২২ সালের ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
(তথ্যসূত্র: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট)