বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ২৭ / ৩৪ · ২,৬০১২,৭০০ / ৩,৩৩৯

২,৬০১.
কত তম জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করে?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. প্রথম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে জেনেভা কনভেনশন এবং ১৯৮০ সালে প্রটোকল ১ ও ২ অনুসমর্থন করে।

⇒ জেনেভা কনভেনশনসমূহ:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

তথ্যসূত্র: Britannica.com & History.com
২,৬০২.
ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রবার্ট জিয়ুস
  2. গেব্রিয়াল জেসুস
  3. ডেভিড বেনগুরিয়ন
  4. ডেভিড ফার্গুসন
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ ইসরায়েলের একটি গোয়েন্দা সংস্থা।
- ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে মোসাদ গঠিত হয়।
- তৎকালীন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেনগুরিয়ন এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সদর দপ্তর তেলআবিবে অবস্থিত।
- মোসাদকে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা বিবেচনা করা হয়। এটি বহির্বিশ্বে জুয়িশ কমিউনিটির স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।

উল্লেখ্য:
- মোসাদ ব্যতীত ইসরাইলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো আমান এবং শিনবেত।

তথ্যসূত্র - মোসাদ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৬০৩.
জেনেভা কনভেনশনের আওতায় কতটি চুক্তি ও প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
  2. ৩টি চুক্তি ও ৪টি প্রটোকল
  3. ৩টি চুক্তি ও ২টি প্রটোকল
  4. ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
২,৬০৪.
ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. যুগোস্লাভিয়া
  2. তুরস্ক
  3. আলজেরিয়া
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

উল্লেখ্য,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।


উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২,৬০৫.
’’Outer space Treaty’’ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
Outer space Treaty:
- মানবজাতি মহাকাশে কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না সেটাই লেখা আছে ‘আউটার স্পেস’ চুক্তিতে।
- মহাকাশের সব কিছুর জন্যই এ নীতিমালা প্রযোজ্য।
- ১৯৬৭ সালে ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ নামে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি কার্যকর হয় ১০ অক্টোবর, ১৯৬৭ সালে।
- এ চুক্তি অনুযায়ী, কোনো দেশ চাঁদ বা মহাশূন্যের কোনো বস্তুর মালিকানা দাবি করতে পারবে না।
- পৃথিবীর বাইরের সব সম্পত্তির মালিক গোটা মানবজাতি।
- ১১০টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- ৮৯টি দেশ এ চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি।

উৎস: Arms Control Association.
২,৬০৬.
‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র কোন বিমান দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়?
  1. B-2 Spirit
  2. F-35 Lightning II
  3. B-52 Stratofortress
  4. F-22 Raptor
সঠিক উত্তর:
B-2 Spirit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-2 Spirit
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করে।

অপারেশন মিডনাইট হ্যামার (Operation Midnight Hammer):

- ২২ জুন, ২০২৫ তারিখে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে অভিযান পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, শনিবার (রবিবার তেহরানের সময় ০২:৪০-০৩:০৫) ২২:৪০ GMT থেকে ২৩:০৫ GMT এর মধ্যে তাদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল।
- অর্থাৎ ইরানের স্থানীয় সময় রবিবার ২২ জুন, ২০২৫ রাত ০২:৪০ থেকে ০৩:০৫ সময়ে এই হামলা চালানো হয়েছিল।
⇒ প্রায় ২৫ মিনিট দীর্ঘ এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ১২৫টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি থেকে উড্ডয়নের প্রায় ৩৭ ঘণ্টা উড়ে অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে অংশ নেয় সাতটি স্টেলথ বি-২ বোমারু বিমান (B-2 Spirit)।
- এই বিমানগুলো ইরানের ৩টি পরমাণু স্থাপনা ফর্দো, ইস্ফাহান এবং নাতাঞ্জ লক্ষ্য করে ১৪টি বাংকার বাস্টার বোমা ছোড়ে।
- প্রতিটি বি-২ বোমারু বিমান দুটি করে বাংকার বিধ্বংসী বোমা বহনে সক্ষম। প্রতিটি বোমার ওজন ৩০ হাজার পাউন্ড।
- এ ছাড়া এই অভিযানে অংশ নেয় জ্বালানি ভরার ট্যাংকার ও নজরদারি বিমান।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার হেগসেথ বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি নির্মূল করাই ছিল এই মিশনের লক্ষ্য।

উৎস: i) CSIS.
ii) CNN পত্রিকা।

২,৬০৭.
সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে বাংলাদেশ কবে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২,৬০৮.
বাংলাদেশে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ করা হয় -
  1. ক) ২০১৪ সালে
  2. খ) ২০০৭ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
- মুসলমান উম্মাহর মধ্যে ইসলামি খিলাফত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালে হিযবুত তাহরীর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশে ২০০১ সাল হতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দলটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে (২২ শে অক্টোবর) বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক "জননিরাপত্তার স্বার্থে" -এ কারণ দেখিয়ে এ দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।
২,৬০৯.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. জওহরলাল নেহেরু
  2. বল্লভভাই প্যাটেল
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী: ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য: কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

⇒ এই চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে ১৯৬৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তত্ত্ববধানে উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতির জন্য একমত হয়।

উৎস: Britannica.
২,৬১০.
নীল নদের পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব কোন দুই দেশের?
  1. মিশর ও ইথিওপিয়া
  2. সোমালিয়া ও মিশর
  3. কেনিয়া ও তানজানিয়া 
  4. লিবিয়া ও উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

⇒ নীল নদের পানি নিয়ে মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- মিশরের পানি সরবরাহের প্রধান উৎস। কিন্তু ইথিওপিয়া নদের উত্স অঞ্চলে বাঁধ নির্মাণ করছে, যা মিশরের পানি প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে উভয় দেশের মধ্যে একটি রাজনৈতিক সংঘাত এবং আলোচনা চলছে।

নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com

২,৬১১.
পেন্টাগন বিল্ডিং কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ক্যালিফোর্নিয়া
  3. ভার্জিনিয়া
  4. নিউজার্সি
সঠিক উত্তর:
ভার্জিনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্জিনিয়া
ব্যাখ্যা
পেন্টাগন:
- পেন্টাগন মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে অবস্থিত।
- আমেরিকান সামরিক শক্তির প্রতীক, কংক্রিট এবং ইস্পাত ভবন বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। 
- এর আকৃতি পঞ্চভুজাকৃতির বলে এর নাম পেন্টাগন করা হয়েছে।
- বর্তমানে এটি বিশ্বের ২য় বৃহত্তম অফিস ভবন।
- বিশাল ৬.২৪ মিলিয়ন বর্গ ফুট কংক্রিটের কাঠামোটি ৩৪ একর জুড়ে অফিস বিল্ডিং। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (1939-1945) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশের প্রাক্কালে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ বিভাগের জন্য নির্মিত হয়েছিল।
- সদর দপ্তরটি মাত্র সতেরো মাসের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল।
- পরবর্তী বছরগুলিতে পেন্টাগন শীতল যুদ্ধ এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধ (1961-1975) থেকে ইরাক এবং আফগানিস্তানের যুদ্ধ পর্যন্ত আরও অনেক সমালোচনামূলক সিদ্ধান্তের জন্য সেটিং করেছে। 
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর, নাইন/ইলেভেন হামলায় সন্ত্রাসীরা পেন্টাগনে একটি হাইজ্যাক করা যাত্রীবাহী জেট উড়েছিল, ১৮৪ জনকে হত্যা করেছিল এবং ভবনটিকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।
- এটি আমেরিকান সামরিক শক্তির প্রতীক হিসাবে কাজ করতে এসেছে।
 
উৎস: Britannica.
২,৬১২.
'হেবরন চুক্তি' কোন দুটি দেশের মধ্যকার চুক্তি?
  1. ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. মিশর ও ফিলিস্তিন
  3. ইসরাইল ও সৌদি আরব
  4. ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• হেবরন চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ জানুয়ারি, ১৯৯৭ সালে।
- এ চুক্তিতে ফিলিস্তিনি চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের অধিকাংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একমত হন।
- এই চুক্তি ছিল ইসরাইলি-প্যালেস্টিনিয়ান অটোনমি চুক্তির অংশ।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি অনুযায়ী, হেবরনের দুটি প্রধান অংশের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাগাভাগি করা হয়। হেবরনের একটি অংশ (খোলার) ফিলিস্তিনের নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছিল, এবং অন্য অংশ (ইহুদিবাদী বসতি) ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: The Washington Institute।

২,৬১৩.
The North Atlantic Treaty Organization (NATO) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪১ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৪৪ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা

• The North Atlantic Treaty Organization (NATO):
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- সর্বশেষ ন্যাটোর সদস্য - সুইডেন ( ২০২৪)।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব -সাবেক ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট। (১ অক্টোবর ২০২৪ তিনি দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন)

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

২,৬১৪.
জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ কী?
  1. যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি
  2. নারী অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ
  3. যু্দ্ধে অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার সংক্রান্ত বিধি
  4. মানবজাতির প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা ও সমতা রক্ষার আচরণ বিধি
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ হলো যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
২,৬১৫.
নিচের কোনটি 'কূটনৈতিক অধিকার' সম্পর্কিত কনভেনশন?
  1. ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৮৫
  2. বাসেল কনভেনশন, ১৯৮৯
  3. ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১
  4. রামসার কনভেনশন, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১:
- এর পূর্ণনাম - Vienna Convention on Diplomatic Relations।
- এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হয়।
⤇ চুক্তি স্বাক্ষর - ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল।
⤇ চুক্তি কার্যকর - ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪ সাল।
⤇ চুক্তির পক্ষ - ১৯২টি দেশ অনুমোদন করেছে।
(চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ২২টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল।)
⤇ ভিয়েনা কনভেনশনের ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

অন্যদিকে,
• বাসেল কনভেনশন:
- বিষাক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন সংক্রান্ত কনভেনশন বাসেল কনভেনশন।
- কনভেনশনটি ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১৯৯২ সালে এটি কার্যকর হয়।

• রামসার কনভেনশন:
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের রামসার শহরে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

• ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৮৫ 
- এটি জাতিসংঘের ‘ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ’ বিষয়ক চুক্তি।
- জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তি অনুমোদন/গৃহীত :  ২২ মার্চ, ১৯৮৫ সাল।
- চুক্তি কার্যকর : ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান : ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
২,৬১৬.
উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোট কবে গঠিত হয়?
  1. ১ জানুয়ারি ১৯৪৮
  2. ৪ জানুয়ারি ১৯৪৯
  3. ১ এপ্রিল ১৯৪৯
  4. ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
NATO (North Atlantic Treaty Organization) প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।

- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। সর্বশেষ সদস্য উত্তর মেসিডোনিয়া (২৭ মার্চ ২০২০)।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- আলবেনিয়া ও তুরস্ক ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

(তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট)
২,৬১৭.
গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের অফিসিয়াল নাম কোনটি?
  1. Central Intelligence Agency of Israel
  2. Israeli National Security Service
  3. Institute for Intelligence and Special Operations
  4. Central Institute for Coordination and Security
সঠিক উত্তর:
Institute for Intelligence and Special Operations
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Institute for Intelligence and Special Operations
ব্যাখ্যা

⇒ Mossad:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- Mossad এর অফিসিয়াল নাম: The Institute for Intelligence and Special Operations.
- এর প্রধান কাজ হলো-
• তথ্য সংগ্রহ করা,
• গোপন অভিযান পরিচালনা এবং
• সন্ত্রাসবাদ দমন করা ৷
- এটি সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করে।
- আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোসাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার উপর নজরদারি করে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ইসরায়েল আরও কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা Shin Bet (Shabak), Aman.

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

২,৬১৮.
নকশালবাড়ি আন্দোলনের সাথে কার নাম জড়িত?
  1. নুরুল দ্বীন
  2. চারু মজুমদার
  3. জুম্মা খান
  4. পরেশ বড়ুয়া
সঠিক উত্তর:
চারু মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারু মজুমদার
ব্যাখ্যা
- নকশালবাড়ি আন্দোলন হলো ভারতের একটি মাওবাদী আন্দোলন। ১৯৬৭ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রাম থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- নকশালবাডি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- নকশালবাড়ি আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত বিহার, উড়িষ্যাসহ বেশ কিছু রাজ্যে বিস্তৃতি লাভ করেছিলো। তবে বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।
- এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিলো ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করা।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
২,৬১৯.
'আমান' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরান
  2. পাকিস্তান
  3. রাশিয়া
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
২,৬২০.
পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. ক) চীন ও জাপান
  2. খ) স্পেন ও মরক্কো
  3. গ) রাশিয়া ও জাপান
  4. ঘ) ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
খ) স্পেন ও মরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পেন ও মরক্কো
ব্যাখ্যা
পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
▪ চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
▪ রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
▪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
▪ স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
২,৬২১.
NPT চুক্তিটি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ সংরক্ষণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  4. মানবাধিকার সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
NPT চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ Non-Proliferation of Nuclear Weapons,
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধের লক্ষ্যে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তির তিনটি প্রধান স্তম্ভ হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ (Non-Proliferation), নিরস্ত্রীকরণ (Disarmament), এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার (Peaceful Use of Nuclear Energy)।
- ১ জুলাই, ১৯৬৮ সালে NPT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ৫ মার্চ, ১৯৭০ সালে এটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। 

উৎস: Nuclear Threat Initiative Website.
২,৬২২.
'উইঘুর' হলো-
  1. চীনের একটি খাবারের নাম
  2. চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম
  3. চীনের একটি শহরের নাম
  4. চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
সঠিক উত্তর:
চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
ব্যাখ্যা
• 'উইঘুর' হলো- চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম। 

---------------------------- 
• 'জিনজিয়াং ও উইঘুর':
- চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশের নাম “জিনজিয়াং”।
- জিনজিয়াং এর রাজধানী হলো উরুমকি।
- উইঘুর এবং হানা সম্প্রদায়ের বসবাস হলো জিনজিয়াং প্রদেশে।
- ১৯৪৯ সালের পূর্বে এই জিনজিয়াং স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল এবং তার নাম ছিল পূর্ব তুর্কিস্থান।
- ১৯৪৯ সালে স্বাধীনতা হারানোর পর থেকে চীনা কমিউনিস্ট সরকার দ্বারা নির্মমভাবে নির্যাতিত হচ্ছে এখানকার মুসলিমরা।
- বলা যায় রোহিঙ্গাদের পরে সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী হলো উইঘুর। 
- পুনঃশিক্ষা কার্যক্রমের নামে ১২ লক্ষ উইঘুর মুসলিমকে প্রকাণ্ড বন্দিশিবিরে আটকে রেখেছে চীন।
- তাই জিনজিয়াং পৃথিবীর বৃহত্তম কারাগার নামে পরিচিত।  

তথ্যসূত্র: Amnesty International, Human Rights Watch, ব্রিটানিকা, কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন ওয়েবসাইট ও ইন্টারনেট। 
২,৬২৩.
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করেছে সেটি হল-
  1. NAFTA
  2. SAPTA
  3. GATT
  4. TICFA
সঠিক উত্তর:
TICFA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TICFA
ব্যাখ্যা

⇔টিকফা চুক্তি:
- টিকফা চুক্তির পূর্ণরূপ: TICFA - Trade and Investment Cooperation Framework Agreement.
- টিকফা চুক্তি হলো বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা চুক্তি।
- এটি ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং
- টিকফা চুক্তি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ককে শক্তিশালী করার জন্য একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তি পূর্বে ‘টিফা’ (TIFA - Trade and Investment Framework Agreement) নামে পরিচিত ছিল। 
- টিকফা চুক্তির অধীনে উভয় দেশ নিয়মিত ‘কাউন্সিল বৈঠক’ আয়োজিত করে, যেখানে বাণিজ্য, শ্রম, মেধা সম্পদ এবং অন্যান্য সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- টিকফা চুক্তির সমালোচনা প্রধানত কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে : স্বচ্ছতার অভাব, শ্রম সংস্কারের চাপ, যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক নির্ভরতা, সার্বভৌমত্বে প্রভাব, দ্বিপাক্ষিক সুবিধার সীমিততা, এবং গ্যাস রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব।

উৎস:
BBC Website;
প্রথম আলো;
U.S Embassy in Bangladesh.

২,৬২৪.
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা RAW প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• RAW:
→ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW.
→ এর পূর্ণরুপ- Research and Analysis Wing (RAW)।
→ এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
→ RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
→ প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২,৬২৫.
সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের মধ্যে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) বিমান চলাচল চুক্তি
  2. খ) তৈরি পোশাক রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ঘ) মোটরযান আমদানি সংক্রান্ত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) বিমান চলাচল চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিমান চলাচল চুক্তি
ব্যাখ্যা
• গত  ১৫ অক্টোবর ব্রুনাই দারুসসালামের সুলতান হাজী হাসানাল বলকিয়াহ মুইজ্জাদ্দীন ওয়াদ্দৌলাহ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসেন।
• বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের মধ্যে একটি চুক্তি ও তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এগুলো হচ্ছে -
- বিমান চলাচল চুক্তি,
- বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক,
- নাবিকদের সনদ স্বীকৃতি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক এবং
- দুদেশের মধ্যে গ্যাস ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
২,৬২৬.
"শাত-ইল-আরব" কে কেন্দ্র করে কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে? 
  1. ইরান এবং সৌদি আরব
  2. ইরাক এবং কুয়েত
  3. ইরান এবং ইরাক
  4. সিরিয়া এবং মিশর
সঠিক উত্তর:
ইরান এবং ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান এবং ইরাক
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- শাত-ইল-আরব একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- এই জলপথের অধিকার নিয়ে ইরাক এবং ইরানের মধ্যে দীর্ঘকালীন বিরোধ রয়েছে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের মালিকানা ইরাক ও ইরানের মধ্যে মূলত ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত যুদ্ধের কারণ ছিল।
- এর আগে, ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তিতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন। চুক্তির পাঁচ বছর পর, ১৯৮০ সালে ইরাক এবং ইরান আবারও শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ শুরু করে। বর্তমানে, শাত-ইল-আরব জলপথটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস: Britannica.
২,৬২৭.
‘কারফিউ’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফরাসি
  2. আরবি
  3. ইতালি
  4. পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
ফরাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি
ব্যাখ্যা
কারফিউ বা সান্ধ্য আইন
- কারফিউ বা সান্ধ্য আইন এমন এক ধরনের আইন যেখানে কোনাে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিশেষ ধরনের কর্মকাণ্ডকে নিষিদ্ধ করা হয়। সান্ধ্য আইন এর আক্ষরিক অর্থ সন্ধ্যার সময় বা সন্ধ্যার পরে চলাচলের নিয়ম-কানুন।
- ইংরেজি এই শব্দটি (curfew) এসেছে ফরাসি ভাষার শব্দ couvre-feu (ক্যুভর-ফ্যু) হতে, যার অর্থ অগ্নিনির্বাপণ। মধ্যযুগে ইংরেজি শব্দ ভাণ্ডারে curfeu হিসেবে আত্তীকরণ হয় এবং আধুনিক যুগে সেটির বানান হয় curfew।
- উইলিয়াম দি কনকরারের মতে, এই শব্দটির প্রকৃত অর্থ হলো, ‘কাঠের বাড়ি-ঘরে জ্বালানো আগ্নিশিখা এবং আগুনের প্রদীপ থেকে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধের জন্য রাত ৮টার ঘণ্টা বাজার মধ্যেই সব আগ্নিশিখা ও আগুনের প্রদীপ নিভিয়ে ফেলার নিয়ম’।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই কারফিউ বা সান্ধ্য আইন রয়েছে। বাংলাদেশে বিশেষ ক্ষমতা আইন; ১৯৭৪ সালে ২৪ ধারা অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনার সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদেশ জারির মাধ্যমে নির্দেশ করতে পারেন যেকোনো বিশেষ লিখিত অনুমতি ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারবে না। এই আইন লঙ্ঘন করলে ১ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে।

সূত্র- বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।  
২,৬২৮.
লুজান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ক) ২০২৩ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০২৫ সালে
  4. ঘ) ২০২৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
• লুজান চুক্তি:
- ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- লুজান চুক্তি স্বাক্ষরের সময়  চুক্তির কোনো মেয়াদের উল্লেখ ছিল না। তবে যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির কার্যকারিতার মেয়াদ ধরা হয় ১০০ বছর।
- আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।

- লুজান চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তদানীন্তন মিত্রশক্তি- ব্রিটেন, ফ্রান্স, গ্রিস, ইতালি, জাপান, রোমানিয়া ও যুগোশ্লোভিয়া এবং তৎকালীন অটোমান সাম্রাজ্যের।
- অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসমেত ইনোনু।
- এই চুক্তির ফলে তুরস্কের নতুন প্রজাতন্ত্রের সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়।
- তুরস্কের নতুন সীমানা চিহ্নিত ও স্বীকৃত হয়।
- তবে একই সাথে এর মাধ্যমে খিলাফত বিলুপ্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে মোস্তফা কামালের অধীনে তুর্কি প্রজাতন্ত্রকে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com এবং নয়া দিগন্ত পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৬২৯.
নিচের কোনটি সামরিক জোট নয়?
  1. Warsaw Pact
  2. INTERPOL
  3. ANZUS
  4. NATO
সঠিক উত্তর:
INTERPOL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
INTERPOL
ব্যাখ্যা
• INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ সাল।

অন্যদিকে: 
• NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization. 
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- এটি সামরিক জোট। 

• ANZUS:
-চুক্তি  স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- এটি সামরিক জোট। 

• Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- এটি সামরিক জোট। 
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২,৬৩০.
নিম্নের কোন দেশটি সামরিক জোট 'Joint Expeditionary Force'-এর সদস্য নয়? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ডেনমার্ক
  3. যুক্তরাজ্য
  4. লিথুয়ানিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র সামরিক জোট 'Joint Expeditionary Force'-এর সদস্য নয়। 

Joint Expeditionary Force:

- Joint Expeditionary Force হলো যুক্তরাজ্য-নেতৃত্বাধীন একটি উত্তর ইউরোপীয় সামরিক জোট।
- এই জোট সংকট মোকাবিলায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম। 
- গঠিত হয়: ২০১৪ সালে।
- সদস্য দেশ: ১০টি।
- সদস্য দেশসমূহ: যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে এবং সুইডেন।
উদ্দেশ্য: উত্তর ইউরোপ এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়া জানানো।
কার্যকারিতা: জেইএফ-এর নিজস্ব বাহিনী আছে যা প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত মোতায়েন করা যায়। প্রয়োজনে এটি NATO, UN বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনেও কাজ করতে পারে।

উল্লেখ্য, 
- ৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জেইএফ-এ ‘বর্ধিত অংশীদারিত্ব’ মর্যাদা পেয়েছে ইউক্রেন।

উৎস: Joint Expeditionary Force ওয়েবসাইট।

২,৬৩১.
CSTO কী ধরনের জোট?
  1. অর্থনৈতিক
  2. নিরাপত্তা সহযোগিতা
  3. রাজনৈতিক
  4. পারমাণবিক অস্ত্র বিরোধী
সঠিক উত্তর:
নিরাপত্তা সহযোগিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরাপত্তা সহযোগিতা
ব্যাখ্যা
The Collective Security Treaty Organization (CSTO) হলো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ৬টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি।

এটি প্রথমে ১৯৯২ সালের ১৫ মে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৪ সালের ২০ এপ্রিল কার্যকর হয়। ১৯৯৭ সালে পাঁচবছর মেয়াদী চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হলে তিনটি দেশ (আজারবাইজান, উজবেকিস্তান ও জর্জিয়া) এটি থেকে বেরিয়ে যায় এবং অন্য ছয়টি দেশ চুক্তিটি নবায়ন করে।

পরবর্তীতে ২০০২ সালের ৭ অক্টোবর ৬টি দেশ The Collective Security Treaty Organization নামে চুক্তিটিকে সংস্থায় রূপান্তরিত করে।
চুক্তিটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬টি।
দেশগুলো হলো:
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- আর্মেনিয়া
- কিরগিজস্তান
- কাজাকিস্তান ও
- তাজিকিস্তান।
এটির সদরদপ্তর অবস্থিত মস্কোতে। এই চুক্তির অংশ হিসেবে রাশিয়া সম্প্রতি কাজাকিস্তানে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেনা পাঠিয়েছে।

(তথ্যসূত্র: CSTO ওয়েবসাইট)
২,৬৩২.
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (জুন, ২০২৫)
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (জুন, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (জুন, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (জুন, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (জুন, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৬৩৩.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) বাতিল হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।
২,৬৩৪.
যুদ্ধ সম্পর্কিত আচরণ বিষয়ক প্রথম জেনেভা কনভেনশন গৃহীত হয় কখন?
  1. ক) ১৮৬৪ সালে
  2. খ) ১৮৯২ সালে
  3. গ) ১৯০৬ সালে
  4. ঘ) ১৯২৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
২,৬৩৫.
ফার্ক কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ফিলিপাইন
  2. কলম্বিয়া
  3. বলিভিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
FARC বা ফার্ক:
- FARC (Fuerzas Armadas Revolucionarias de Colombia) হলো কলম্বিয়ার একটি মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন। 
- এটি ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির (PCC) সামরিক শাখা হিসেবে গঠিত হয়।
- এটি কলম্বিয়ার বৃহত্তম বিদ্রোহী গোষ্ঠী, যার প্রায় ১০,০০০ সশস্ত্র যোদ্ধা ও হাজারো সমর্থক রয়েছে।
- দারিদ্র্য বিমোচন ও সম্পদের পুনর্বণ্টনকে সমর্থন করে।
- বহুজাতিক কোম্পানি ও বিদেশি সরকার, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে।
- FARC দীর্ঘদিন ধরে কলম্বিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

উৎস: Britannica.
২,৬৩৬.
দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বলা হয়-
  1. উপনিবেশ রাষ্ট্র
  2. বাফার রাষ্ট্র 
  3. নিরপেক্ষ রাষ্ট্র
  4. জিরোসাম রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
বাফার রাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাফার রাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

বাফার রাষ্ট্র:
- দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বাফার স্টেট বলা হয়।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।
- বৈশ্বিক রাজনীতি ও কুটনীতিতে দুই বা ততােধিক বিবাদমান শক্তি বা দেশসমূহের মধ্যে সংঘর্ষ ও সংঘাত এড়ানাের জন্য দুইরাষ্ট্র বা শক্তির মাঝখানে যে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র সৃষ্টি করা হয় বা বজায় রাখা হয় এবং যা অস্তিত্বশীল, সে রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়।

⇒ বেলজিয়াম (জার্মানি-ফ্রান্সের মাঝে), নেপাল ও ভুটান (ভারত-চীন), লেবানন (ইসরায়েল এবং সিরিয়ার মধ্যে) এবং মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার স্টেটের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
- মঙ্গোলিয়া ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করেছিল।
- এটি বর্তমানে রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করে। 

উৎস: WorldAtlas.

২,৬৩৭.
'ব্লু লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা?
  1. ক) মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) লেবানন ও ইসরাইল
  3. গ) সিরিয়া ও ইসরাইল
  4. ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) লেবানন ও ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লেবানন ও ইসরাইল
ব্যাখ্যা
'ব্লু লাইন' লেবানন ও ইসরাইল এর সীমান্তবর্তী রেখা। এছাড়া, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখার নাম সনোরা লাইন ; সিরিয়া ও ইসরাইল এর সীমান্তরেখা গ্রিন লাইন ; ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখা হচ্ছে লাইন অব কন্ট্রোল।
২,৬৩৮.
’মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র’ এর ধারা কয়টি?
  1. ৫১ টি
  2. ৪৭ টি
  3. ৩০ টি
  4. ৬১ টি
সঠিক উত্তর:
৩০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ টি
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে।
- এই ঘোষণাপত্রে মোট ৩০টি ধারা রয়েছে।
- এই ঘোষণাপত্রে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ প্রভৃতি নির্বিশেষে সকলের জন্যে কতগুলো অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।

 উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৬৩৯.
প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন কোন রাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. কানাডা
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. আয়ারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি:
- ১৭৮৩ সালের প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- আমেরিকান রাজনীতিবিদ বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, জন অ্যাডামস এবং জন জে গ্রেট ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় জর্জের প্রতিনিধিদের সাথে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন।
- প্যারিস চুক্তিতে, ব্রিটিশ ক্রাউন আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয় এবং মিসিসিপি নদীর পূর্ব দিকের বেশিরভাগ অঞ্চল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হস্তান্তর করে, নতুন জাতির আকার দ্বিগুণ করে এবং পশ্চিম দিকে সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত করে।
- প্যারিসের হোটেল ডি'ইয়র্কে ফ্র্যাঙ্কলিন, অ্যাডামস এবং জে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত হয়।
- ১৪ জানুয়ারী, ১৭৮৪ সালে কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

• প্যারিস চুক্তির মূল শর্তাবলী:
- গ্রেট ব্রিটেন অবশেষে তার প্রাক্তন উপনিবেশগুলিকে নতুন এবং স্বাধীন জাতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়: যুক্তরাষ্ট্র।
- মার্কিন সীমান্ত নির্ধারণ করে, গ্রেট ব্রিটেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল প্রদান করে।
- আমেরিকান নৌকাগুলির জন্য গ্র্যান্ড ব্যাংকস এবং ব্রিটিশ-কানাডিয়ান উপকূলরেখার অন্যান্য জলসীমায় মাছ ধরার অধিকার সুরক্ষিত করা হয়েছে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেন উভয়ের নাগরিকদের জন্য মিসিসিপি নদীকে নৌযানের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়।
- ব্রিটিশ ঋণদাতাদের কাছে আমেরিকান ঋণের সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।
- যুদ্ধের সময় গ্রেট ব্রিটেনের প্রতি অনুগত থাকা আমেরিকান নাগরিকদের সাথে ন্যায্য আচরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

উৎস: হিস্টরি.কম (লিঙ্ক)।

২,৬৪০.
ন্যাটো জোটের বর্তমান সদস্য সংখ্যা কতটি?[ফেব্রুয়ারি,২০২৫]
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty Organization:
- NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।
- ন্যাটো জোটের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,৬৪১.
ইতিহাস বিখ্যাত দুর্ধর্ষ গুপ্তচর নারী সিলভিয়া কোন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য ছিলেন?
  1. আমান
  2. আইএসআই
  3. এমএসএস
  4. সিআইএ
সঠিক উত্তর:
আমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমান
ব্যাখ্যা
আমান:
- আমান ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা।
- আমান হলো ইসরাইলের মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি।
- এটি ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়।
- হিব্রু ভাষায় এই সংস্থাটিকে বলা হয় 'আগাফ হা-মোডিলিন'।

উল্লেখ্য,
- ইতিহাস বিখ্যাত দুর্ধর্ষ গুপ্তচর নারী সিলভিয়া ছিলেন আমান গোয়েন্দা সংস্থার অন্যতম সদস্য।
- প্রায় ২০ বছর ধরে ফিলিস্তিনি সংগঠন ব্ল্যাক সেপ্টেম্বরের সদস্যদের খুঁজে বের করে হত্যা করার যে অপারেশন ছিল, তা পরিচালনা করেছিলেন এই গুপ্তচর।

অন্যদিকে -
- পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা হচ্ছে আইএসআই। ১৯৪৮ সালে গঠিত হয় এই সংস্থাটি।
- এমএসএস চীনের গোয়েন্দা সংস্থা গওজিয়া অ্যাংকেন বু অথবা মিনিস্ট্রি অব স্টেট সিকিউরিটি। এটি বিশ্বজুড়ে এমএসএস (MSS) নামে পরিচিত।
- সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এবং অন্যতম তুখোর গোয়েন্দা সংস্থা যা সিআইএ (CIA) নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন একটি বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। 

উৎস: Britannica.
২,৬৪২.
নিচের কোন দেশ QUAD এর সদস্য রাষ্ট্র নয়?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• উত্তর কোরিয়া QUAD এর সদস্য নয়।

• QUAD:

- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- এর অর্থ হলো ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ’। 
- কোয়াডের সদস্য দেশ মোট চারটি।
- যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।
- ২০০৭ সালে এ চারটি দেশ নিয়ে QUAD গঠিত হয়।
- QUAD মূলত এই চারটি দেশের মধ্যে একটি কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব।
- যা অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধশালী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উৎস: অস্ট্রেলিয়ান সরকারি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৬৪৩.
২০২৫ সালের সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো জিডিপির কত শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে সম্মত হয়েছে?
  1. ২%
  2. ৩%
  3. ৪%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:
- নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।
- দুই দিনব্যাপী (২৪ ও ২৫ জুন ২০২৫) শীর্ষ সম্মেলনে ৩২টি সদস্য দেশের নেতা ও সহযোগী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
- এই সম্মেলনের ব্যয় প্রায় ১৮ কোটি ৩৪ লাখ ইউরো।
- ন্যাটোর ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল সম্মেলন এটি।
- এবারের সম্মেলনে মূল আলোচ্য বিষয় ন্যাটোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত।
- উক্ত সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত ৩২টি দেশ তাদের জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে সম্মত হয়েছে।

• ন্যাটো (NATO):
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর: লন্ডন।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট। (জুলাই, ২০২৫)
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২ টি। (জুলাই, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: সুইডেন।

সূত্র: NATO ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
২,৬৪৪.
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা -
  1. শেখ আহমদ ইয়াসিন
  2. ইয়াসির আরাফাত
  3. মাহমুদ আব্বাস
  4. হাসান আল-বান্না
সঠিক উত্তর:
শেখ আহমদ ইয়াসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ আহমদ ইয়াসিন
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস হলো ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন,
- এটা ১৯৮৭ সালে শেখ আহমেদ ইয়াসিন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৬ সাল থেকে হামাস ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- এর সামরিক শাখার নাম আল-কাসাম ব্রিগেড,
- এটা ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো একে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।

সূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা, প্রথম আলো।
২,৬৪৫.
জাতিসংঘ সনদ কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ২২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ২৬ জুন
  3. গ) ১৫ অক্টোবর
  4. ঘ) ২৪ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬ জুন
ব্যাখ্যা
১৯৪৫ সালের ২৬ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়। এই দিন ৫০ টি দেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে। ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৫ অক্টোবর সনদে স্বাক্ষর করে। যেহেতু জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার আগেই পোল্যান্ড এতে স্বাক্ষর করে, তাই পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়। ২৪ অক্টোবর প্রতিবছর জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা আর্কিভাল্ড ম্যাকলিশ। (সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২,৬৪৬.
'ডেল্টা ফোর্স' কোন দেশের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট?
  1. রাশিয়া 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

ডেল্টা ফোর্স:
- ডেল্টা ফোর্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট।
- এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অভিজাত বাহিনী।
- এটিকে কমব্যাট অ্যাপ্লিকেশন গ্রুপ (CAG), আর্মি কম্পার্টমেন্টেড এলিমেন্টস (ACE), টাস্ক ফোর্স গ্রিন এবং সহজভাবে 'ইউনিট' নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। 
- প্রতিস্থিত হয়: ১৯৭৭ সালে। 
- ঘাঁটি: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা। 
- এ ইউনিট সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে অপারেশনে অংশ নেয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের Joint Special Operations Command (JSOC)-এর সরাসরি অধীনে কাজ করে।

 ⇒ এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, চড়া মূল্যের লক্ষ্যবস্তু আটক, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- ডেল্টা ফোর্সে রয়েছে মোট ৮টি অপারেশনাল স্কোয়াড্রন। প্রতিটি স্কোয়াড্রন নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ ও অল্প সময়ের নোটিশে আক্রমণ বা উদ্ধার অভিযানে যেতে সক্ষম। 
- ডেল্টা ফোর্স–সম্পর্কিত প্রায় সব তথ্যই সর্বোচ্চ মাত্রায় গোপন রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে  বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 
 
এছাড়াও, 
 - ১৯৯৩ সালে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুর লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উড়োজাহাজ গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। কয়েকজন মার্কিন সেনা আটকা পড়েন। তাঁদের উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে ডেল্টা ফোর্স অংশ নিয়েছিল। 
- লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এতেও অংশ নিয়েছিল ডেল্টা ফোর্স।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

২,৬৪৭.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মহাকাশ-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা -
  1. গোল্ডেন ডোম 
  2. আয়রন ডোম 
  3. এস-৫০০
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ডোম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ডোম 
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ডোম:
- গোল্ডেন ডোম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মহাকাশ-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

⇒ এই ব্যবস্থার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখা, বিশেষত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি থেকে।
- হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুত চলে, তার আঘাত প্রতিরোধ করতে গোল্ডেন ডোম তৈরি করা হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার আকাশ ও ভূখণ্ডকে এমন শক্তিশালী সুরক্ষা দেবে, যা বর্তমানে কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করতে সক্ষম নয়।
- এটি মহাকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে, ইনফ্রারেড লেজারের মাধ্যমে সেগুলোকে ধ্বংস করবে।
- গোল্ডেন ডোমের লেজার প্রযুক্তির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এটি আয়রন ডোমের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী হবে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সংস্থা ৪৪টি ভূমিভিত্তিক প্রতিরোধব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে থাকে।
- সেগুলো আলাস্কা ও ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত। এগুলো শুধু সীমিত হামলা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

অন্যদিকে,
- আয়রন ডোম হলো ইসরায়েলের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- S-500 হলো রাশিয়ার তৈরি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, যা উচ্চগতির, উচ্চ-উচ্চতা লক্ষ্য ধ্বংস করতে সক্ষম।

উৎস: i) Lockheed Martin.
ii) প্রথম আলো।

২,৬৪৮.
'A mind unfettered in deliberation' এটি কোন সংস্থার মূলমন্ত্র? 
  1. NATO
  2. WTO
  3. WHO
  4. UNHCR
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (আগস্ট , ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ ৩২তম সদস্য পদ লাভ করে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".
- ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

অন্যদিকে,
- WHO এর মূলমন্ত্র - Health for All.
- World Trade Organization (WTO) এর মূলমন্ত্র - “Trade for peace and prosperity”

উৎস:- ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৬৪৯.
CIA এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Chief Intelligence Agency
  2. Central Intelligence Agency
  3. Core Investigative Agency
  4. Central Information Agency
সঠিক উত্তর:
Central Intelligence Agency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Central Intelligence Agency
ব্যাখ্যা
CIA:
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA এর পূর্ণরূপ হল Central Intelligence Agency.
- সদর দপ্তর: ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে।
- বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস। (মে, ২০২৫)
- CIA বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় বহুমাত্রিক তৎপরতায় নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - CIA ওয়েবসাইট।
২,৬৫০.
Federal Bureau of Investigation এর বর্তমান পরিচালক কে? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. স্কট অল্ডেন
  2. গ্যারি অলড্রিচ
  3. ব্রায়ান ড্রিসকল
  4. জেমস ই আমোস
সঠিক উত্তর:
ব্রায়ান ড্রিসকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রায়ান ড্রিসকল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

FBI:
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- গোয়েন্দা সংস্থাটি ১৯০৮ সালের ২৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির পেনসিলভানিয়া এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- সংস্থাটির বর্তমান পরিচালক ব্রায়ান ড্রিসকল। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৬৫১.
Which of the following treaties was for the purpose of banning nuclear explosions?
  1. NATO
  2. СТВТ
  3. NPT
  4. SALT
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
СТВТ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
СТВТ
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২,৬৫২.
'Shin Bet' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. রাশিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- যুক্তরাজ্য: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
২,৬৫৩.
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম কনফারেন্স কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. বান্দুং
  2. বেলগ্রেড
  3. আলজিয়ার্স
  4. কারাকাস
সঠিক উত্তর:
বেলগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলগ্রেড
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা। 
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়। 
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২০টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
 
উল্লেখ্য,
- ন্যামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সেই সময়কার পাঁচ বিশ্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব:
১. ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট- আখমেদ সোয়েকার্নো।
২. ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।
৩. যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়োসিপ ব্রোজ টিটো।
৪. মিসরের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট গামাল আবদুল নাসের।
৫. ঘানার প্রেসিডেন্ট ড. কোয়ামো ন্ক্রুমা।
 
উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
 
উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
২,৬৫৪.
FRONTEX কী?
  1. রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা
  2. EU- এর গোয়েন্দা সংস্থা
  3. যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
  4. EU- এর সীমান্ত বাহিনী
সঠিক উত্তর:
EU- এর সীমান্ত বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
EU- এর সীমান্ত বাহিনী
ব্যাখ্যা
FRONTEX হচ্ছে  - EU-এর সীমান্ত বাহিনী।

European Union: 
- European Union (EU) প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৫৮ সালে।
- এর সদর দপ্তর - বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা - ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক - রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়নের ইউরোপিয় মুদ্রা প্রচলন শুরু  হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়ভুক্ত দেশ - ২৭ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ -ক্রোয়েশিয়া।
- ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশসমূহের সীমান্ত বাহিনীর নাম - FRONTEX।

উৎস: EU-এর ওয়েবসাইট।
২,৬৫৫.
সম্প্রতি অস্ত্র পরিত্যাগ ও সংগঠন বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয় কোন সশস্ত্র সংগঠন? [জুন, ২০২৫]
  1. কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি
  2. বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি
  3. দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি
ব্যাখ্যা
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (PKK): 
- সম্প্রতি অস্ত্র পরিত্যাগ ও সংগঠন বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয় কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (PKK)। 

- PKK (কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি) হল একটি সশস্ত্র কুর্দি জাতীয়তাবাদী সংগঠন।
- এটি ১৯৭০-এর দশকের শেষদিকে আবদুল্লাহ “আপো” ওজালান প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল: একটি স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
- পরবর্তী লক্ষ্য বদলায়: সংগঠনটি পরে স্বাধীনতার দাবির বদলে কুর্দিদের জন্য স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে জোর দেয়।
- কুর্দি জনগোষ্ঠী কয়েক শতাব্দী ধরে বসবাস করছে: পূর্ব তুরস্ক, উত্তর ইরাক, পশ্চিম ইরান, উত্তর সিরিয়ার কিছু অংশ, আর্মেনিয়ার সীমিত অঞ্চল। 
- যদিও কুর্দিদের একটি নিজস্ব দেশ গঠনের ইচ্ছা দীর্ঘদিনের, তারা কখনও একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠন করতে পারেনি।

সাম্প্রতিক ঘটনা:
- মার্চ ২০২৫: PKK যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়।
- মে ২০২৫: তারা অস্ত্র পরিত্যাগ ও সংগঠন বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয়।

উৎস: Britannica.
২,৬৫৬.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ডেটন চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী ছিলেন?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জিমি কার্টার
  3. বিল ক্লিনটন
  4. জন এফ কেনেডি
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica. 
২,৬৫৭.
New START চুক্তি কবে স্থগিত করা হয়?
  1. ২০২০ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.
২,৬৫৮.
মোসাদের পূর্ণ নাম কী?
  1. Military Intelligence and Security Agency
  2. Central Bureau of Investigation
  3. Foreign Intelligence Service
  4. Institute for Intelligence and Special Operations
সঠিক উত্তর:
Institute for Intelligence and Special Operations
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Institute for Intelligence and Special Operations
ব্যাখ্যা

মোসাদ:
- ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর পূর্ণনাম: Institute for Intelligence and Special Operations.

উল্লেখ্য,
- মোসাদ বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান পরিচালক (Director): ডেভিড বার্নিয়া (David Barnea)।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।
- প্রথম পরিচালক: রুভেন শিলোয়াহ (Reuven Shiloah)।

⇒ মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

⇒ ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিখ্যাত অপারেশনগুলো হচ্ছে -
- ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ (Operation Wrath of God),
- ১৯৯০ সালের অপারেশন জেরাল্ড বুল কিলিং,
- ১৯৯২ সালের আতেফ বেইসো হত্যাকাণ্ড,
- ১৯৬০ সালে আর্জেন্টিনায় আইখম্যান হান্ট, ১৯৬৫ সালে হেবাররত চুকারস হত্যা,
- ১৯৬৩-৬৬ সালের অপারেশন ডায়মন্ড,
- ২০১০ সালের মোহাম্মদ আল মাবহু হত্যাকাণ্ড।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

২,৬৫৯.
CTBT চুক্তি এখনো স্বাক্ষর করে নি কোন দেশ? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT): 
- CTBT একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে—স্থল, জল, বা ভূগর্ভস্থ যেকোনো স্থানে।
- এটি সামরিক বা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হওয়া বিস্ফোরণ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।
- ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়। 
- ১৮৭টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং ১৭৮টি দেশ তা অনুমোদন করেছে।
- তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ৪৪টি নির্দিষ্ট পারমাণবিক প্রযুক্তি-ধারী দেশের স্বাক্ষর ও অনুমোদন প্রয়োজন।
- এখনো ৯টি Annex 2 দেশ (চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, এবং যুক্তরাষ্ট্র) এই চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- এর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া এখনো স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
২,৬৬০.
মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বিশ্বের কোন দেশটি সহায়তা করছে?
  1. ক) চীন
  2. খ) জাপান
  3. গ) কোরিয়া
  4. ঘ) কানাডা
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
ব্যাখ্যা
কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে ১২ শ’মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রকল্প। সূত্রঃ একুশে টিভি।
২,৬৬১.
হুতি আন্দোলন কবে শুরু হয়েছিল?
  1. ১৯৬০-এর দশকে
  2. ১৯৭০-এর দশকে
  3. ১৯৮০-এর দশকে
  4. ১৯৯০-এর দশকে
সঠিক উত্তর:
১৯৯০-এর দশকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০-এর দশকে
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:
- হুতি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- উত্তর ইয়েমেনের শাদা শহরে হুতি বিদ্রোহের জন্ম। জাইদি শিয়া বাহিনী থেকে এর উৎপত্তি। তাদের নেতা নির্বাচন করা হতো হুতি উপজাতি থেকে।
- হুতি একটি শিয়া ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- ১৯৯০ এর দশকে এই গোষ্ঠীটির উত্থান।
- তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি।
- হুতিরা আনসারুল্লাহ নামে পরিচিত।
- হুতিরা ২০১৪ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

⇒ হুতি আন্দোলন:
- ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি শিয়া ইসলামের জাইদি ধারার অনুসরণে ধর্মীয় পুনর্জাগরণমূলক আন্দোলন শুরু করেন।
- জাইদিরা কয়েক শতাব্দী ধরে ইয়েমেন শাসন করলেও ১৯৬২ সালে গৃহযুদ্ধের পর সুন্নিরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- এরপর তারা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
- সুন্নি মৌলবাদ মোকাবিলা বিশেষ করে সৌদি আরবের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া ওয়াহাবি মতবাদ মোকাবিলায় আল-হুতি আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- সেই আন্দোলনই ক্রমে সশস্ত্র রূপ নেয়।

উৎস: Britannica.
২,৬৬২.
আফগানিস্তান এর গেরিলা সংগঠন কোনটি?
  1. ক) ISIS
  2. খ) JKLF
  3. গ) নর্দান অ্যালায়েন্স
  4. ঘ) অরেঞ্জ অর্ডার
সঠিক উত্তর:
গ) নর্দান অ্যালায়েন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নর্দান অ্যালায়েন্স
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের গেরিলা সংগঠন: 

- আবু সায়াফ (ফিলিপাইন)
- আল শাবাব (সোমালিয়া)
- ISIS (ইরাক ও সিরিয়া
- ইউনিটা (অ্যাঙ্গোলা)
- হিজবুল্লাহ (লেবানন)
- বোকো হারাম (নাইজেরিয়া)
- ইনোসিস (সাইপ্রাস)
- কন্ট্রা (নিকারাগুয়া)
- ব্ল্যাক ডিসেম্বর, আল আয়েদা, লস্কর-ই-তৈয়বা (পাকিস্তান)
- আরসা, আরাকান আর্মি (মিয়ানমার)
- নর্দান অ্যালায়েন্স (আফগানিস্তান)
- JKLF (জাম্বু-কাশ্মীর)
- ব্লাক প্যান্থার (যুক্তরাষ্ট্র)

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৬৬৩.
জঙ্গি সংগঠন 'লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা' প্রধানত কোন দেশে তৎপর?
  1. ভারত
  2. আফগানিস্তান
  3. সিরিয়া
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত । 
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানি চরমপন্থি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার শাখা হিসেবে পরিচিত 'দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট'কে (টিআরএফ) 'বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন' ঘোষণা করেছে।
- ২০১৯ সালে গঠিত টিআরএফ'কে লস্কর-ই-তৈয়বার ‘ছদ্মবেশী ও প্রতিনিধি সংগঠন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন রুবিও। দিল্লিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টালের ভাষ্য, টিআরএফ লস্কর-ই-তৈয়বার একটি শাখা। 
- প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাশ্মীর রেজিস্ট্যান্স’ নামেও পরিচিত ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ পেহেলগামে হামলার দায় প্রথমে স্বীকার করে। তবে কয়েক দিন বাদে এই দায় অস্বীকার করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC. 

২,৬৬৪.
নিচের কোনটি ফাইভ আইস জোটের সদস্য রাষ্ট্র নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. কানাডা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------
⇒ ফাইভ আইস জোট:
- ইন্টারন্যাশনাল ইনটেলিজেন্সের একটি গোষ্ঠী রয়েছে যা ফাইভ আইজ নামে পরিচিত।
- ফাইভ আইস জোটের সদস্য রাষ্ট্র হলো অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র।
- উল্লিখিত প্রশ্নে 'ফ্রান্স' ফাইভ আইস জোটের সদস্য রাষ্ট্র নয়।
- গোটা বিশ্বে ঘটে চলা নানা রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, সামরিক ও চরবৃত্তির ওপর এই দেশগুলো একসঙ্গে নজর রাখে।
- জোটটি UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
- তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে একসাথে কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করছে।
- সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য তারা শেয়ার করে।

উল্লেখ্য, 
UKUSA চুক্তি:
- ১৯৪৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি সমবায় গোয়েন্দা চুক্তি গঠন করে যা BRUSA চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই গোপন চুক্তিটি পরবর্তীতে UKUSA চুক্তি হিসাবে আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
- এই চুক্তিটি ফাইভ আই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৬৬৫.
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. মিশর
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
• ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRGC) 
 - ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শাখা, ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী থেকে স্বাধীন ।
- ইরানের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনি ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে ডিক্রির মাধ্যমে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) প্রতিষ্ঠা করেন।
- এবং ইরানের বিপ্লবের (১৯৭৮-৭৯) পরে গঠিত ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে রক্ষা করার দায়িত্ব দেন।
- ইরান-ইরাক যুদ্ধে IRGC-এর অংশগ্রহণ (১৯৮০-৮৮) এর ভূমিকা এবং শক্তি উভয়েরই বিস্তৃতি ঘটায়।
- এটিকে ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীতে পরিণত করে, যার নিজস্ব সেনাবাহিনী , নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী এবং পরবর্তীতে তার নিজস্ব গোয়েন্দা শাখা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৬৬৬.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তি স্বাক্ষরও করেছেন কিন্তু অনুমোদন দেননি?
  1. মিশর
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা

• CTBTO: 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর
- স্বাক্ষরের স্থান: নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।
- CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র: CTBTO ওয়েবসাইট। (Link)

২,৬৬৭.
সম্প্রতি, ঘোষিত আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সনদে কোন দুটি দেশ সই করতে অস্বীকৃতি জানায়? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. চীন ও ভারত
  2. ফ্রান্স ও জাপান
  3. রাশিয়া ও ব্রাজিল
  4. যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সনদ:
- ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ প্যারিসের গ্রঁ পেলেইয়ে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন।
- বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং বিজ্ঞানীরা অংশগ্রহণ করছেন।
- দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলা প্রযুক্তি শিল্পে আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়। 
- সামিটে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র গ্রহণ করা হয়।
- ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, এআই উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ, নৈতিক, নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং বিশ্বস্ত হওয়ার বিষয়ে অগ্রাধিকার এবং এআইকে টেকসই করার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ফ্রান্স, ভারত ও চীনসহ ৬০টি দেশ সনদে স্বাক্ষর করেছে।
- তবে, এআই সনদে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ঘোষণার সব অংশের সঙ্গে একমত হতে পারেনি যুক্তরাজ্য। তাই তারা শুধু জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ উদ্যোগগুলোতে স্বাক্ষর করবে।
- অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এর মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ প্রযুক্তির বিকাশকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২,৬৬৮.
’ট্রিটি অব ভার্সাই’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল কোন যুদ্ধের পর?
  1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  2. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  3. ঠাণ্ডা যুদ্ধ
  4. ক্রিমিয়ান যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• ট্রিটি অব ভার্সাই (Treaty of Versailles):
- ট্রিটি অব ভার্সাই ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে (১৯১৪–১৯১৮) মিত্রশক্তি (Allied Powers) এবং জার্মানির মধ্যে সম্পাদিত এক গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- এই চুক্তি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং তাকে কড়া শর্তে বাধ্য করে যুদ্ধক্ষতিপূরণ দিতে।
- তারিখ: ২৮ জুন, ১৯১৯।
- স্থান: ভার্সাই প্রাসাদ, ফ্রান্স।

• প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশ:
- মিত্রশক্তি (Allied Powers).
- যুক্তরাষ্ট্র (President Woodrow Wilson).
- যুক্তরাজ্য (PM David Lloyd George).
- ফ্রান্স (PM Georges Clemenceau).
- ইতালি (PM Vittorio Orlando).

• পরাজিত পক্ষ:
- জার্মানি – যার প্রতিনিধিরা অনেক শর্ত মানতে বাধ্য হয়।
• প্রধান শর্তাবলি:
- চুক্তির Article 231 (War Guilt Clause)-এ জার্মানিকে যুদ্ধ শুরু ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ দায় স্বীকার করতে হয়।
- যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ (Reparations):
- জার্মানিকে ১৩২ বিলিয়ন গোল্ড মার্কস (প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্য) পরিশোধে বাধ্য করা হয়।
- জার্মান সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ১ লক্ষ সৈন্য রাখার অনুমতি পায়।
- নৌবাহিনী সীমিত, বিমানবাহিনী নিষিদ্ধ, এবং ট্যাঙ্ক ও সাবমেরিন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- League of Nations গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বিশ্বে ভবিষ্যৎ যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।

• নেতিবাচক:
- জার্মানির ওপর আরোপিত কঠোর শর্তাবলি অসন্তোষ ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার সৃষ্টি করে।
- এই অসন্তোষ পরবর্তীতে হিটলারের উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (1939–1945) পথ প্রশস্ত করে।

উৎস:  Britannica.com: Treaty of Versailles.
২,৬৬৯.
গডস আর্মি কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ভিয়েতনাম
  2. মিয়ানমার
  3. লাওস
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের গেরিলা সংগঠন:
- গডস আর্মি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যের একটি গেরিলা সংগঠন,
- এটি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের দ্বারা পরিচালিত।
- এই সংগঠনটি কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (KNU) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গঠিত হয়েছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন লুথার এবং জনি নামের দুই কিশোর।

বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশের গোয়েন্দা সংস্থা: 
- FBI (ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- MI-6 (সিক্রেট ইনটেলিজেন্স সার্ভিস) হলো যুক্তরাজ্যের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- RAW (রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং) হলো ভারতের প্রধান বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা।
- FSS (ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস) হলো রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। 
- MOSSAD হলো ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।
২,৬৭০.
'ডেল্টা ফোর্স' কত সালে প্রতিষ্ঠালাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

• ডেল্টা ফোর্স: 
- ডেল্টা ফোর্স যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি অত্যন্ত গোপন ও শক্তিশালী বিশেষ অভিযান ইউনিট।
- সদর দপ্তর: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে বেকউইথ এবং কর্নেল থমাস হেনরি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডেল্টা ফোর্স গঠনের ধারণাটি আসে কর্নেল চার্লস বেকউইথের কাছ থেকে।
- তিনি ছিলেন একজন গ্রিন বেরেট (একটি বিশেষায়িত ফোর্স) এর সদস্য এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক।
- এটি Combat Applications Group (CAG), Army Compartmented Elements (ACE), Task Force Green এবং সংক্ষেপে “the Unit” নামেও পরিচিত, পাশাপাশি বিভিন্ন গোপন কভার নামও রয়েছে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।

• দায়িত্ব: 
- এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে এ ইউনিটকে সবচেয়ে জটিল, গোপন ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, 
- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে নিজেদের বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

২,৬৭১.
ইতিহাসে দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন অবস্থা কী নামে পরিচিত?
  1. ক) শান্তি চুক্তি (Peace Pact)
  2. খ) স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War)
  3. গ) দাঁতাত (Detente)
  4. ঘ) শ্বেতপত্র (White Paper)
সঠিক উত্তর:
গ) দাঁতাত (Detente)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দাঁতাত (Detente)
ব্যাখ্যা
দাঁতাত (Detente) বা উত্তেজনা প্রশমন
• ষাটের দশকের শুরুতে দুই পরাশক্তির মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অত্যন্ত বেশি মাত্রায় প্রসারিত হয়েছিল।
• বিশেষ করে ১৯৬১ সালের এপ্রিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিউবার সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রবিরোধী অভিযানে সহায়তা প্রদান, একই বছর পূর্ব জার্মানিতে সোভিয়েত সমর্থনে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনকে বিভক্তকারী প্রাচীর (Berlin Wall) নির্মাণ, ১৯৬২ সালে সংঘটিত কিউবান মিসাইল সংকট (Cuban Missile Crisis)-এই উত্তেজনা বৃদ্ধির পশ্চাতে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
• কিউবান মিসাইল সংকট ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও উত্তেজনাপূর্ণ অধ্যায়। এ সংকটকে কেন্দ্র করে উভয় পরাশক্তির মধ্যে নতুন সম্পর্কের উদ্ভব হয়। তারা বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে যুক্ত করতে ও উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন করতে সম্মত হয়।
• মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন যোগাযোগ (Hotline) প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসে উভয় পরাশক্তির মধ্যে এ উত্তেজনা প্রশমন অবস্থাকে দাঁতাত (Detente) বলা হয়। 

তথ্যসূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২,৬৭২.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট নিষিদ্ধকরণ
  2. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট।

২,৬৭৩.
নিচের কোনটি 'জইশ-ই-মোহাম্মদ' এর সাথে সম্পর্কিত?
  1. গেরিলা সংগঠন
  2. রাজনৈতিক সংগঠন
  3. সামাজিক সংগঠন
  4. অর্থনৈতিক সংগঠন
সঠিক উত্তর:
গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
জইশ-ই-মোহাম্মদ:
- জইশ-ই-মোহাম্মদ হলো পাকিস্তানভিত্তিক কাশ্মীরী গেরিলা সংগঠন হিসেবে পরিচিত। মাওলানা মাসুদ আজহার ১৯৯৯ সালে জইশ-ই-মোহাম্মদ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০২ সালে পাকিস্তান সরকার জইশ-ই-মোহাম্মদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও সংগঠনটি এখনও তৎপর রয়েছে।
- ২০০১ সালে ভারতের সংসদ ভবনে হামলা, ২০১৬ সালে পাঠানকোট বিমানঘাটিতে হামলা এবং ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় ভারতীয় সেনাবহরে হামলার জন্যে ভারত সরকারজইশ-ই-মোহাম্মদকে দায়ী করে আসছে।  জাতিসংঘ ২০১৯ সালের ১ মে মাওলানা মাসুদ আজহারকে গ্লোবাল টেরোরিস্ট হিসেবে ঘোষণা করে।

সূত্র:- বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও South Asia Terrorism Portal।
২,৬৭৪.
হামাস প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
- হামাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৭ সালে।
- এই সংগঠনটি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ হিসেবে শেখ আহমেদ ইয়াসিন প্রতিষ্ঠা করেন।

হামাস:
- হামাস হলো ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন,
- এটা ১৯৮৭ সালে শেখ আহমেদ ইয়াসিন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৬ সাল থেকে হামাস ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এর সামরিক শাখার নাম আল-কাসাম ব্রিগেড,
- এটা ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো একে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।

সূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা, প্রথম আলো।
২,৬৭৫.
নিচের কোনটি জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ?
  1. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. গ্রেট বেরিয়ার রিফ
  3. শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
  4. দিয়াগো গার্সিয়া
সঠিক উত্তর:
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ শাখালিন।
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জটি বর্তমানে রাশিয়ার দখলে রয়েছে এবং এতে রাশিয়ার নৌঘাঁটি রয়েছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ আরেকটি দ্বীপ হচ্ছে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা।
২,৬৭৬.
কোন দুটি মুসলিম দেশ NATO-র সদস্য? [আগস্ট - ২০২৫] 
  1. তুরস্ক ও মিশর
  2. আলবেনিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
  3. তুরস্ক ও আলবেনিয়া
  4. পাকিস্তান ও তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক ও আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক ও আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা

- তুরস্ক ১৯৫২ সাল থেকে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সাল থেকে NATO-র সদস্য।

ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [আগস্ট - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[আগস্ট - ২০২৫]

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।

২,৬৭৭.
কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার NEW START এর মেয়াদ কত সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. গ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে New START (The New Strategic Arms Reduction Treaty) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১০ বছর মেয়াদী চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি।
- এটির মেয়াদ ২০২১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হলে পুনরায় মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়।

(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
২,৬৭৮.
সর্বশেষ UNEP প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে শব্দ দূষণে শীর্ষ শহর কোনটি?
  1. ক) করাচি
  2. খ) ম্যানিলা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) নয়াদিল্লি
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক শব্দদূষণ:
২৭ মার্চ ২০২২ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ৬১টি শহরকে অন্তর্ভুক্ত করে “Frontiers 2022 : Noise, Blazes and Mismatches!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ১৯৯৯ সালের গাইডলাইন অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় শব্দের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা ৫৫ ডেসিবল এবং বাণিজ্যিক এলাকায় ৭০ ডেসিবল নির্ধারিত ছিল। ২০১৮ সালের হালনাগাদকৃত গাইডলাইনে সড়কে শব্দের তীব্রতা ৫৩ ডেসিবলের মধ্যে সীমিত রাখার সুপারিশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুসারে –
সবচেয়ে কম শব্দদূষণ হয় অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, শব্দের তীব্রতা - ২০ ডেসিবল; দ্বিতীয় স্পেনের বার্সেলোনা - ২২ ডেসিবল।
সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ হয় ঢাকায় (১১৯ ডেসিবেল)। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
২,৬৭৯.
'ফেয়ার ফ্যাক্স' কী?
  1. গোয়েন্দা সংস্থা
  2. মানবাধিকার সংস্থা
  3. পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা
  4. বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাখ্যা

• ফেয়ার ফ্যাক্স (Fairfax):
- ফেয়ার ফ্যাক্স যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা:
• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৬৮০.
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় একত্রিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলে মিত্রশক্তি জার্মানিকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।
- এতে পশ্চিম জার্মানি মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে এবং পূর্ব জার্মানি সােভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- এই বিভাজনের অংশ হিসেবে ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল নির্মিত হয়।
- তবে সােভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ১৯৮৯ সালের ১ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ আনুষ্ঠানিকভাবে দুই জার্মানি পুনরায় একত্র হয়।
উৎসঃ history.com
২,৬৮১.
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের শাটল ডিপ্লোমেসি কোন যুদ্ধের পর শুরু হয়?
  1. ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধ
  2. ১৯৭৩ সালের ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
  3. ১৯৮২ সালের লেবানন যুদ্ধ
  4. ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালের ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালের ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- Yom Kippur War নামে পরিচিত চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- মিসর ও সিরিয়া নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ লড়াই সংঘটিত হয়।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরে ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোট অতর্কিত হামলা করে।
- মিসর ও সিরিয়া সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- এ অঞ্চলগুলো ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল দখল করে নেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- ইয়োম কিপুরের যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী হয়।

⇒ Shuttle Diplomacy:

- 'শাটল ডিপ্লোমেসি' (Shuttle Diplomacy) হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল, যেখানে তৃতীয় পক্ষের একজন মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা পাঠায় এবং তাদের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- 'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য "শাটল কূটনীতি" নামক কূটনৈতিক কৌশলে নিযুক্ত হন।
- এটি ছিল একটি প্রক্রিয়া যেখানে কিসিঞ্জার ইসরায়েল, মিশর, সিরিয়া এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বার্তা পৌঁছানোর জন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করতেন।
- তার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে, কিসিঞ্জার প্রথম মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তিতে সহায়তা করেন এবং মে ১৯৭৪ সালে সিরিয়া-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তি সম্পন্ন করেন।
- তার "শাটল কূটনীতি" ১৯৭৫ সালে দ্বিতীয় মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তির মাধ্যমে সফল হয়।
- এই কূটনীতি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিশেষ করে ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করে।

উৎস: Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।
২,৬৮২.
বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে -
  1. ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  2. ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  3. ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  4. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত:
- বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ডিপ্লোম্যাটিক ও সার্ভিস/অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিগণের ক্ষেত্রে ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে কাজাখস্তানের স্থায়ী মিশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং কাজাখস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুরাত নার্তলেউর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর নিজ নিজ দেশের পক্ষে উভয় মন্ত্রী এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- বৈঠকে বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
-  উভয় মন্ত্রী বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের ডিপ্লোম্যাটিক ও সার্ভিস/অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী নাগরিকদের ভ্রমণ সহজ করতে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদারের ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

উৎস: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ। [link]
২,৬৮৩.
বিশ্বের কতটি দেশের নিকট পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন রয়েছে?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. আটটি
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমান বিশ্বের ছয়টি দেশের নিকট পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন রয়েছে।
দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র (৬৮টি)
- রাশিয়া (২৯টি)
- চীন (১২টি)
- যুক্তরাজ্য (১১টি)
- ফ্রান্স (৮টি) এবং
- ভারত (১টি)।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা)
২,৬৮৪.
'অ - আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘর্ষের শিকারদের সুরক্ষা' জেনেভা কনেভেনশনের কোন প্রটোকলে আছে?
  1. ১নং প্রটোকল
  2. ২নং প্রটোকল
  3. ৩নং প্রটোকল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২নং প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং প্রটোকল
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• প্রটোকলসমূহ:

• প্রটোকল -১(১৯৭৭):
-  আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।

• প্রটোকল - ২(১৯৭৭):
-  অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।

• প্রটোকল -৩(২০০৫):
- অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস:ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস। [Link]
২,৬৮৫.
চীনের 'দ্বৈত অর্থনীতির' ধারণা প্রধানত কোন বাস্তবতার নিরীখে গৃহীত?
  1. ক) বাজার অর্থনীতিকে গ্রহণযোগ্য করা
  2. খ) মতাদর্শগত ধারণার সমন্বয় সাধন
  3. গ) হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
  4. ঘ) তাইওয়ানকে চীনের অন্তর্ভুক্তকরণ
সঠিক উত্তর:
গ) হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
ব্যাখ্যা
- চীনের ‘এক দেশ দুই নীতি’ পলিসির আওতায় ‘হংকং’ ও ‘ম্যাকাও’ - কে নিজেদের অধিভুক্ত করে।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটিশদের কাছ থেকে হংকং এবং ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগালের কাছ থেকে ম্যাকাও - কে ৫০ বছরের জন্য নিজেদের অধিভুক্ত করে।
- হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখার উদ্দেশ্যেই মূলত এই “এক দেশ দুই নীতি” ধারণা প্রবর্তন করা হয়।
উল্লেখ্য, এশিয়ায় ম্যাকাও উপনিবেশবাদের কবল থেকে মুক্ত হওয়া সর্বশেষ অঞ্চল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৬৮৬.
FBI কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৬৮৭.
'SAVAK' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. রাশিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB)।
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI)।
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA)।
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB)।
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6)।
- ইসরায়েল: MOSSAD।
- ইরান: SAVAK।

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
২,৬৮৮.
ভারত পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে 
  3. ১৯৬৬ সালে 
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে 
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি: 
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

২,৬৮৯.
ইউরোপোল - কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯৫
  2. খ) ১৯৯৭
  3. গ) ১৯৯৩
  4. ঘ) ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
On 1 July 2019, Europol turned 20! Exactly 20 years earlier on 1 July 1999, Jürgen Storbeck, the former Director of the Europol Drugs Unit (EDU), was appointed as Europol’s first Director. It’s not only Europol that has changed, law enforcement in the EU has also changed significantly in the past two decades.
Europol website.
২,৬৯০.
নিম্নের কোন সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য সারা বিশ্বে গােয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে?
  1. CIA
  2. CBI
  3. FBI
  4. FSB
সঠিক উত্তর:
CIA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CIA
ব্যাখ্যা
- CIA এর পূর্ণরূপ Central Intelligence Agency।
- CIA মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বৈদেশিক বিষয়ক গােয়েন্দা সংস্থা।
- সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য সারা বিশ্বে গােয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এই উদ্দেশ্যে সংস্থাটি - তথ্য সংগ্রহ, তথ্য | প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণ, অন্য দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ, গােপন মিশন পরিচালনা ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত National Security Act of 1947 - অনুসারে, ২৬ জুলাই, ১৯৪৭ সালে CIA প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- CIA এর সদরদপ্তর - ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- সংস্থাটির প্রধানের পদবী – ডিরেক্টর/পরিচালক।
২,৬৯১.
NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৪ আগষ্ট ১৯৪৭
  2. ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
  3. ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭
  4. ৪ মে ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল ১৯৪৯
ব্যাখ্যা

ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ন্যাটোর মূলনীতি হলো- ‘ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় জোটের এক বা একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণকে জোটের সকল সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২,৬৯২.
নিচের কোনটি মার্কিন বাহিনীর তালেবান বিরোধী অভিযান? 
  1. অপারেশন ডেজার্ট ফক্স
  2. অপারেশন সি এঞ্জেল 
  3. অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
ব্যাখ্যা
অপারেশন অ্যানাকোন্ডা:  

• আফগান যুদ্ধে মার্কিনদের অন্যতম সফল সামরিক অভিযান। 
• পরিচালিত হয়: ২ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ, ২০০২। 
• অবস্থানঃ শাহীকোট উপত্যকা, পাকতিয়া, আফগানিস্তান।
• অপারেশন পরিচালনা করে দুটি পৃথক দল- ‘টিএফ হ্যামার’ এবং ‘টিএফ এনভিল’
• ফলাফল: মার্কিন বাহিনী জয়লাভ করে। 
• মার্কিন ১৫ জন নিহত হয় এবং তালেবান আর আল কায়েদার প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ জন নিহত হয়।  

উৎস: বিবিসি নিউজ এবং An official website of the United States government. 
২,৬৯৩.
বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৪ দফা উপস্থাপন করেছিলেন কে?
  1. ক) ফ্রাংক্‌লিন ডি. রুজভেল্ট
  2. খ) উড্রো উইলসন
  3. গ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. ঘ) জন এফ কেনেডি
সঠিক উত্তর:
খ) উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
 উইলসনের ১৪ দফা:
- উড্রো উইলসন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৯১৩ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত।
- তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তার ১৪ দফা উপস্থাপন করেছিলেন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি কংগ্রেসে তার দাবিসমূহ উপস্থাপন করেন।

• তার ১৪ দফা প্রস্তাবে ছিল :
১. আলোচনার মাধ্যমে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর;
২. সমুদ্রপথে অবাধ যাতায়াত,
৩. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সব বাধা অপসারণ,
৪. যুদ্ধ উপকরণ ও যুদ্ধাস্ত্রের পরিমাণ হ্রাস করা,
৫. উপনিবেশগুলোর জনগণের স্বার্থানুসারে উপনিবেশ সম্পর্কিত দাবির বিচার ও কণ্টন করা; ৬. অধিকৃত রুশ অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার;
৭. বেলজিয়াম থেকে সকল সৈন্য প্রত্যাহার ও বেলজিয়ামের সার্বভৌমত্ব পুনঃস্থাপন;
৮. অধিকৃত ফরাসি এলাকা থেকে সকল বৈদেশিক সৈন্য প্রত্যাহার, আলসাস ও লোরেন এলাকায় ফরাসি অধিকার প্রতিষ্ঠা,
৯. পরিচিত জাতীয় সীমারেখা অনুসারে ইতালির সীমানা পুনর্বিন্যাস;
১০. অস্ট্রীয় হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের জনসাধারণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দান;
১১. রুমানিয়া, সার্বিয়া ও মন্‌টেনেগ্রো থেকে সেনা অপসারণ, সার্বিয়াকে সামুদ্রিক যোগসূত্র স্থাপনে সুবিধাদান ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ;
১২. তুরস্কের অধীনস্থ সকল জাতিগোষ্ঠীর স্বায়ত্তশাসন দান;
১৩. পোলিশ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে স্বাতন্ত্র্য পোল্যান্ড রাষ্ট্র গঠন;
১৪. ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সকল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও রাজ্যসীমার নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি বিশ্বসংস্থা গঠন। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২,৬৯৪.
কোন দেশ Warsaw Pact কে নেতৃত্ব দিয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. পোল্যান্ড
  4. বুলগেরিয়া
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ প্যাক্ট বা Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি,

উল্লেখ্য,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫৫ সালের ১৪ মে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে।
- প্রাথমিকভাবে এই জোটে আটটি দেশ সদস্য ছিল: সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া।
- জোটটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং পূর্ব ইউরোপে সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তবে স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ইউরোপজুড়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনের পতন ও গণতন্ত্রের উত্থানের ফলে ওয়ারশ প্যাক্ট ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- অবশেষে, আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২,৬৯৫.
থাড (THAAD) কী?
  1. ক) মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  2. খ) গোয়েন্দা সংস্থা
  3. গ) সন্ত্রাসী সংস্থা
  4. ঘ) পরিবেশ সংস্থা
সঠিক উত্তর:
ক) মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
থাড (THAAD):
-
থাড বা Terminal High Altitude Area Defense (THAAD) হচ্ছে এক ধরনের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী সংস্থা লকহিড মার্টিন থাড মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে।
- শত্রু কোনো দেশ থেকে যদি কোনো মিসাইল নিক্ষেপিত হয়, থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এটি ব্যবহার করে এবং ইতোমধ্যে আরব আমিরাত, তুরষ্ক ও দক্ষিণ কোরিয়াতে তা মোতায়েন করা হয়েছে।
- থাড মিসাইল-এর ব্যাপ্তি ১২৫ মাইল।
- থাড মিসাইল ব্যাটারী এক সাথে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে এবং শত্রু মিসাইল টার্গেটে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- প্রতিটি থাড মিসাইল ব্যাটারীর মূল্য ৮০০ মিলিয়ন ডলার।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান। 
২,৬৯৬.
ন্যাটোর বর্তমান সদর দপ্তর-
  1. ক) রোম
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) নিউইয়র্ক
  4. ঘ) ব্রাসেলস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাসেলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাসেলস
ব্যাখ্যা
NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিত ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩০ টি ।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি (তুরস্ক ও আলবেনিয়া)।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর- ব্রাসেলস
- মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg 

তথ্যসূত্র:- ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,৬৯৭.
‘জে–৩৬’কোন প্রজন্মের তৈরি যুদ্ধ বিমান?
  1. পঞ্চম প্রজন্মের
  2. তৃতীয় প্রজন্মের
  3. ষষ্ঠ প্রজন্মের
  4. চতুর্থ প্রজন্মের
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ প্রজন্মের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ প্রজন্মের
ব্যাখ্যা

 জে-৩৬ যুদ্ধবিমান:
- চীনের নতুন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-৩৬।
- স্টেলথ প্রযুক্তি রয়েছে, যা রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম।
- বি-২১ রাইডার বোমারু বিমানের মতো দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য তৈরি।
- বিমানটির ৪৫ হাজার কেজি পর্যন্ত ভার বহন করতে সক্ষম।
- আকাশ, মাটি, এবং বিমানবাহী রণতরির শত্রু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারে।
- রাডার প্রযুক্তি অত্যাধুনিক, যা স্টেলথ যুদ্ধবিমানগুলোকে শনাক্ত করতে পারে।
- ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সহ জে-৩৬ একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করবে।
- চীনের বিমানবাহিনীর শক্তি বাড়াতে এই বিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

​উৎস: প্রথম আলো।

২,৬৯৮.
ACSA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Acquisition and Cross-Supply Agreement.
  2. খ) Acquisition and Cross-Sector Agreement.
  3. গ) Acquisition and Cross-Servicing Agreement.
  4. ঘ) Acquisition and Cross-Sharing Agreement.
সঠিক উত্তর:
গ) Acquisition and Cross-Servicing Agreement.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Acquisition and Cross-Servicing Agreement.
ব্যাখ্যা
ACSA এর পূর্ণরূপ - Acquisition and Cross-Servicing Agreement.
আকসা চুক্তির অধীনে মার্কিন বাহিনী খাদ্য, জ্বালানি, গোলাবারুদ ও সরঞ্জামাদি বিনিময় হয়ে থাকে। 
এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত ন্যাটো কিংবা তার কোয়ালিশন পার্টনারদের সঙ্গে করে থাকে। এই চুক্তি কোনো দেশের সামরিক অভিযান পরিচালনার কোনো অঙ্গীকার নয়। তৃতীয় দেশের মধ্যেও আকসা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য অনেক দেশের সঙ্গে আকসা করেছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
২,৬৯৯.
কোন রাষ্ট্রটি বিরােধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) ফিলিপাইন
  3. গ) ভিয়েতনাম
  4. ঘ) কম্বােডিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্বােডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্বােডিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত স্প্রাটলি দ্বীপুঞ্জ ও এর জলসীমা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই  প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে চীনের বিরোধ সংঘটিত হয়ে আসছে।
- চীনের পাশাপাশি মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান ও ফিলিপাইন - এই দ্বীপ ও দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমা দাবি করে আসছে।
- অপশনে উল্লিখিত কম্বোডিয়া বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৭০০.
আফ্রিদি উপজাতি কোন দেশে বাস করে?
  1. আফগানিস্তান
  2. পাকিস্তান
  3. উজবেকিস্তান
  4. তাজিকিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
উপজাতি 
- আফ্রিদি পাকিস্তান অঞ্চলের বসবাসকারী উপজাতি।
- আফ্রিদি এবং ভারতের মুঘল রাজবংশের সৈন্যদের মধ্যে ১৬ এবং ১৭ শতকে প্রায়শই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- আফ্রিদিদের সাথে ব্রিটিশদের মুখোমুখি প্রথম অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধের (১৮৩৯-৪২) সময় শুরু হয়েছিল, বিশেষত যখন জেনারেল জর্জ পোলক কাবুলে যাত্রা করার সময় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।
- ১৮৯৩ সালে খাইবার অঞ্চলের আফ্রিদিরা ডুরান্ড লাইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণে আসে, যা আফগানিস্তান এবং ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে উপজাতীয় অঞ্চলকে বিভক্ত করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]