বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ২৫ / ৩৪ · ২,৪০১২,৫০০ / ৩,৩৩৯

২,৪০১.
ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (PLO) কবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (PLO): 
- সম্পূর্ণ নাম: Palestine Liberation Organization (PLO)
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সাল। 
- প্রধান উদ্দেশ্য: ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
- প্রাথমিক কার্যক্রম: বিভিন্ন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে একত্রিত করা
- ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের পর PLO বিশ্বমঞ্চে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৬০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত সংগঠনটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে।
- ১৯৯০-এর দশকে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় যুক্ত হয় এবং অসলো চুক্তি (১৯৯৩) স্বাক্ষরিত হয়।
- বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
- জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
- PLO ফিলিস্তিনি জনগণের জাতীয় আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে একাধিক প্রতিরোধ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিয়েছে।

উৎস: Britannica.
২,৪০২.
 ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১ এর প্রধান উদ্দেশ্য কী
  1. কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা 
  2. যুদ্ধবিরতি চুক্তি গঠন
  3. সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
  4.  বাণিজ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা 
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৪০৩.
নিচের কোনটি QUAD এর পূর্ণরূপ?
  1. Quadrilateral Regional Cooperation
  2. Quadrilateral Defense Establishment
  3. Quadrilateral Regional Organization
  4. Quadrilateral Security Dialogue
সঠিক উত্তর:
Quadrilateral Security Dialogue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quadrilateral Security Dialogue
ব্যাখ্যা
• কোয়াড (Quad):
- Quadrilateral Security Dialogue যা সংক্ষেপে কোয়াড।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও কোয়াড দীর্ঘকাল নিষ্ক্রিয় ছিল।
- ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের মাধ্যমে এই জোট পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
২,৪০৪.
সম্প্রতি, আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ আগস্ট, ২০২৫
  2. ৫ আগস্ট, ২০২৫

  3. ৮ আগস্ট, ২০২৫
  4. ১০ আগস্ট, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ৮ আগস্ট, ২০২৫ হোয়াইট হাউসে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এক ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছে। 
​- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
 
উল্লেখ্য,
​- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
​- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
​- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
​- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

​তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন।

২,৪০৫.
ইন্টারপোল এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদরদপ্তর কোথায়?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. প্যারিস, ফ্রান্স
  3. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোলের পূর্ণরূপ হলো International Criminal Police Organization.
- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ সালে ইন্টারপোল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থাটির বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- তবে প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উল্লেখ্য, 
- ইন্টারপোল পরিচালিত হয় ‘জেনারেল অ্যাসেম্বলি’ নামক কমিটির মাধ্যমে। ইন্টারপোলের প্রকাশিত পত্রিকার নাম হলো International Criminal Police Review. বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে। বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি, সর্বশেষ সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছে পালাউ। [জানুয়ারি - ২০২৫] 

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
২,৪০৬.
ইসরায়েল কবে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থাকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৯৯১
  2. ১৯৯২
  3. ১৯৯৩
  4. ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি
- ফিলিস্তিনে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে অসলো চুক্তি নামে একটি চুক্তিতে পৌছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- ১৯৯৩ সালের এই অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা ও ইসরায়েল পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া সেই আলোচনা পূর্নতা পায় ওয়াশিংটন ডিসি'র হোয়াইট হাউজে।
- The Palestine Liberation Organization (PLO) প্রধান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের পক্ষে সই করেন। 
- ওই চুক্তিতে বোঝাপড়া হয়েছিল, ফিলিস্তিনিরা স্বশাসনের আংশিক অধিকার পাবে এবং ইসরায়েল পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে।
- বদলে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের বৈধতা স্বীকার করে নেবে পিএলও। 
- অসলো চুক্তির ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে মিশরের তাবায় অসলো ২ চুক্তি অনুমোদিত  হয়। 

সূত্র - ব্রিটানিকা।
২,৪০৭.
পাকিস্তানে পারমাণবিক বোমার জনক কে?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. মুহাম্মদ আল্লামা ইকবাল
  4. আব্দুল কাদির খান
সঠিক উত্তর:
আব্দুল কাদির খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল কাদির খান
ব্যাখ্যা
₻ ড. আব্দুল কাদির খান
- পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতিষ্ঠাতা ড. আব্দুল কাদির খানের জন্ম ১৯৩৬ সালের পহেলা এপ্রিল।
- ভারতের ভোপালে জীবনের শেষ কয়েকটি বছর প্রায় গৃহবন্দি অবস্থায় কাটাতে হয় তাকে৷
- দেশকে পারমাণবিক বোমা তৈরিতে সক্ষম করে ‘চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী' প্রতিবেশী ভারতের সমকক্ষ করায় পাকিস্তানে ব্যাপক প্রশংসিত।
- ড.আব্দুল কাদির খানের বিরুদ্ধে ইরান, লিবিয়া এবং উত্তর কোরিয়ায় পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রযুক্তি পাচারের অভিযোগ ওঠে৷
- ২০০৪ সালে অভিযোগ স্বীকারও করেন তিনি৷
- পাকিস্তানের সাবেক সেনাশাসক পারভেজ মুশাররফ তাকে ক্ষমা করলেও পাঁচ বছর গৃহবন্দি থাকতে হয় আব্দুল কাদির খানকে৷
- পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রযুক্তি পাচারের প্রসঙ্গে ২০০৮ সালে এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. আব্দুল কাদির খান বলেছিলেন, ‘‘পাকিস্তানকে ‘নিউক্লিয়ার নেশন' বানিয়ে প্রথমবার রক্ষা করেছিলাম আমি, আর তারপর দেশকে আবার বাঁচিয়েছিলাম স্বীকারোক্তি দিয়ে এবং সব দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে৷’’

উৎস: ডয়চে ভেলের সংবাদ।
২,৪০৮.
কয়টি দেশ নিয়ে সামরিক জোট 'ন্যাটো' গঠিত হয়েছিল?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।  

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,৪০৯.
হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. সাভাক
  2. ব্ল্যাক ক্যাট
  3. গেস্টাপো
  4. সোয়াট
সঠিক উত্তর:
গেস্টাপো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেস্টাপো
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- ১৮৯৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাড্লফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।

⇒ এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- এডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে

উল্লেখ্য,
- তাঁর আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- 'অপছন্দের চেয়ে ঘৃণার স্থায়িত্ব বেশি' -উক্তিটি এডলফ হিটলার-এর।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন হিটলার।

⇒ হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সাভাক: ইরানের শাহের গোপন বাহিনী।
- ব্ল্যাক ক্যাট: ভারতের কমান্ডো বাহিনী।
- সোয়াট: বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট।

উৎস: Britannica.
২,৪১০.
'অসলো চুক্তি' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. নরওয়ে
  2. ফ্রান্স
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৪১১.
নাগাসাকি নগরীতে বিস্ফোরিত পারমাণবিক বােমার নাম কী ছিল?
  1. ক) Little Boy
  2. খ) Fat Man
  3. গ) Agni
  4. ঘ) Tomahawk
সঠিক উত্তর:
খ) Fat Man
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Fat Man
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয় এবং নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান
৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানে পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
২,৪১২.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে 'যৌথ নিরাপত্তা'র কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৮
  4. অনুচ্ছেদ ১০
  5. অনুচ্ছেদ ১১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উল্লেখ্য,
⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,৪১৩.
‘উলফা‘ ভারতের কোন রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) রাজস্থান
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) আসাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আসাম
ব্যাখ্যা
উলফা:
- ULFA (United Liberation Front of Assam) বা উলফা ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উলফার নেতা।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত।
- ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র:- South Asia Terrorism Portal.
২,৪১৪.
OSCE এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Organisation for Systematic Co-Operation in Europe
  2. Organisation for Strategic and Co-Operation in Europe
  3. Organisation for Security and Co-Operation in Europe
  4. Organisation for Strategic and co-existence in Europe
সঠিক উত্তর:
Organisation for Security and Co-Operation in Europe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Organisation for Security and Co-Operation in Europe
ব্যাখ্যা

• OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট। 

২,৪১৫.
সিয়াচেন হিমবাহ কোন দুটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও চীন 
  2. চীন ও পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবাহ:
- সিয়াচেন হিমবাহ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। 
- সিয়াচেন হিমবাহ অ-মেরু অঞ্চলের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম হিমবাহ।
- এটি হিমালয়ের কারাকোরাম পর্বতমালার অন্তর্গত এবং বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলে অবস্থিত।
- হিমবাহটি ইন্দিরা কর্নেল থেকে শুরু হয়ে প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ৭৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত, যা চীন-ভারত সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শুরু করে প্রায় ৫,৭৫৩ মিটার থেকে নেমে এসে ৩,৬২০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সিয়াচেন হিমবাহ উত্তরে একটি বিশাল নিষ্কাশন বিভাজন দ্বারা ঘেরা, যা ভারতীয় উপমহাদেশ ও কারাকোরাম অঞ্চলের ইউরেশীয় প্লেটকে পৃথক করে।
- ভারত এই সমগ্র হিমবাহ অঞ্চলকে কেন্দ্রশাসিত লাদাখ অঞ্চলের অংশ হিসেবে পরিচালনা করে।
- তবে পাকিস্তানও এই অঞ্চলটির দাবি করে এবং হিমবাহের পশ্চিমাংশে তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
- এই হিমবাহ কেবল ভৌগোলিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল।

উৎস: World Atlas.
২,৪১৬.
আবু সায়েফ গেরিলা গোষ্ঠী কোন দেশে তৎপর?
  1. ইরাক
  2. ফিলিপাইন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
আবু সায়েফ:
- 'আবু সায়েফ ফিলিপাইনের একটি গেরিলা গোষ্ঠী।
- ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবদুর রাজ্জাক জানজালানি এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- এটি দক্ষিণ ফিলিপাইনে প্রতিষ্ঠিত বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের জঙ্গি গোষ্ঠী থেকে গঠিত হয়েছিল।
- স্বাধীনতাকামী আবু সায়েফ গ্রুপ ফিলিপাইনের মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে।
- তারা দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: Britannica.
২,৪১৭.
INTERPOL-এর প্রধান কার্যাবলী কী?
  1. আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযান পরিচালনা 
  2. সদস্য দেশগুলির মধ্যে পুলিশের  সহযোগিতা 
  3. অর্থনৈতিক সাহায্য প্রদান 
  4. রাজনৈতিক নির্বাচন তত্ত্বাবধান
সঠিক উত্তর:
সদস্য দেশগুলির মধ্যে পুলিশের  সহযোগিতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদস্য দেশগুলির মধ্যে পুলিশের  সহযোগিতা 
ব্যাখ্যা

• ইন্টারপোল (Interpol):
- এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- ইন্টারপোলের প্রধান কাজগুলো হলো আন্তঃসীমান্ত পুলিশ সহযোগিতা সহজ করা, তথ্য আদান-প্রদান করা, এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধে সহায়তা করা;
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি। [ডিসেম্বর, ২০২৫]
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

২,৪১৮.
ANZUS এর সদস্য সংখ্যা কত ?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৬ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ টি
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS এর সদস্য সংখ্যা ৩
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এই জোটের সদস্য দেশ: Australia, New Zealand ও United States.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।

উৎস: ANZUS-এর ওয়েবসাইট।
২,৪১৯.
বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম সীমান্ত কোনটি ?
  1. ক) ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
  2. খ) ভারত - পাকিস্তান সীমান্ত
  3. গ) পাকিস্তান - চীন সীমান্ত
  4. ঘ) মিয়ানমার - থাইল্যান্ড সীমান্ত
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

বাংলাদেশ-ভারত মোট সীমানা ৪১৫৬ কি.মি।
source: dlrs.gov.bd
২,৪২০.
ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে কোনটি ঘটে?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন
  2. অবাধ চলাচল
  3. যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ
  4. ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি গঠন
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন
ব্যাখ্যা
ম্যাসট্রিচট চুক্তি (Treaty of Maastricht on European Union): 
- 'ইউরোপীয় ইউনিয়ন' আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়, যা ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি রাজনৈতিক মাত্রা পায় এবং "একত্রিত ইউরোপ গঠনের" নতুন যুগের সূচনা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
- কার্যকর: ১ নভেম্বর ১৯৯৩
- ম্যাসট্রিচট চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) জন্ম দেয়।
- এটি তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা "পিলার"-এ গঠিত:
i) ইউরোপীয় কমিউনিটি (EC)
ii) বিদেশ ও নিরাপত্তা নীতি (CFSP)
iii) ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতা (JHA)

১ম স্তম্ভ: ইউরোপীয় কমিউনিটি: 
অন্তর্ভুক্ত সংগঠন: ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (EEC), ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত কমিউনিটি (ECSC), ইউরেটম (Euratom)। 

 লক্ষ্য:
- অর্থনৈতিক একীকরণ ও একক মুদ্রা (ইউরো) প্রবর্তনের ভিত্তি স্থাপন
- ৬টি নতুন নীতিমালার জন্য আইনি ভিত্তি তৈরি
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি
- ইউরোপীয় নাগরিকত্ব চালু

২য় স্তম্ভ: পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি (CFSP): 
 উদ্দেশ্য:
- ইউরোপীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতা রক্ষা
- শান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বজায় রাখা
- গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রসার

 ৩য় স্তম্ভ: ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা (JHA): 
 লক্ষ্য:
- সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ
- সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন
- অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বিচার ব্যবস্থায় সহযোগিতা
- ইউরোপোল (Europol) প্রতিষ্ঠা
- আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে সমন্বয়

ইউরো (Euro) চালুর ৩ ধাপ:
- মূলধন চলাচলের মুক্তিকরণ (১৯৯০)
- অর্থনৈতিক নীতির সমন্বয় (১৯৯৪)
- একক মুদ্রা ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা (১৯৯৯)

উৎস: European Union
২,৪২১.
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা কোন অঞ্চলের জঙ্গি সংগঠন?
  1. বেলুচিস্তান
  2. খোরাসান
  3. আরাকান
  4. কাশ্মির
সঠিক উত্তর:
কাশ্মির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মির
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত । 
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: Britannica.
২,৪২২.
CTBT কী উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল তৈরি
  2. সর্বজনীন মানবাধিকার
  3. পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

 CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

২,৪২৩.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ 'CTBT' চুক্তিটি গ্রহণ করে কবে?
  1. ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  2. ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  3. ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  4. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
• CTBT:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক এবং বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- চুক্তিটি ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং এতে মোট ১৮৭টি দেশ স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization) নামে একটি সংস্থা গঠিত হয়, এর সদরদপ্তর ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া তে অবস্থিত। 
 
সূত্র: Arms Control Association ও CTBTO ওয়েবসাইট।
২,৪২৪.
সম্প্রতি, ইরান এবং রাশিয়া কত বছর মেয়াদি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
ইরান-রাশিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে রাশিয়া-ইরান ২০ বছর মেয়াদি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় আগামী ২০ বছর প্রতিরক্ষা, সামরিক মহড়া, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, যুদ্ধজাহাজ তৈরিসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে পারস্পারিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে দুই দেশ।
- এই চুক্তির ফলে শুধু নিরাপত্তা খাতই নয়, বরং অর্থনীতি ও বাণিজ্যখাতেও দুই দেশের সহযোগিতামূলক তৎপরতা অনেক বৃদ্ধি পাবে।
-কারণ, এই কৌশলগত চুক্তির একটি শর্ত হলো এখন থেকে উভয় দেশের যাবতীয় অর্থনৈতিক আদান-প্রদান দুই দেশের নিজ নিজ মুদ্রায় হবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।
২,৪২৫.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৫
  3. ১৯৭৭
  4. ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য: ইরাক ও ইরান সীমান্ত বিরোধ সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠা।

• চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
- শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান)।
- সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।

উল্লেখ্য,
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২,৪২৬.
'Strategic Arms Limitation Talks -1' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
  2. রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে
  4. জাপান ও চীনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• SALT বা Strategic Arms Limitation Talks বা আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে ১৯৬৯ সালে।
- আলোচনা ও স্বাক্ষরিত হয় - যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- SALT I চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২৬ মে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত ব্যালিস্টিক মিসাইল লাঞ্চার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা “ফ্রিজ করা হয়।
- যাতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে না পারে।
- আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
২,৪২৭.
নিম্নের কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. ক) SALT
  2. খ) NPT
  3. গ) NATO
  4. ঘ) CTBT
সঠিক উত্তর:
গ) NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NATO
ব্যাখ্যা
CTBT = Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
SALT = Strategic Arms Limitation Talk
NPT = Non-Proliferation of Nuclear Weapons Treaty
সবগুলোই নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র সীমিতকরণের সাথে সম্পর্কিত।

অন্যদিকে, 
NATO হলো একটি সামরিক জোট।
NATO এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization।

উৎসঃ Brittanica.com

২,৪২৮.
'আন্তর্জাতিক কর চুক্তি' কাঠামো কোন সংস্থার সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. ক) WTO
  2. খ) OECD
  3. গ) UNCTAD
  4. ঘ) UNIDO
সঠিক উত্তর:
খ) OECD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) OECD
ব্যাখ্যা
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রস্তাবে বিশ্বব্যাপী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের উপর ন্যূনতম হারে কর আরোপের বিষয়ে ১৩১ টি দেশ 'আন্তর্জাতিক কর চুক্তি' কাঠামো গ্রহণে  সম্মত হয়। 
- অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OECD) এর সম্মেলনে  'আন্তর্জাতিক কর চুক্তি' ঘোষিত হয় ১ জুলাই ২০২১ সালে।

উৎস: OECD Website
২,৪২৯.
RAW কোন ধরনের সংস্থা?
  1. গেরিলা সংগঠন
  2. গোয়েন্দা সংস্থা
  3. জোটনিরপেক্ষ সংস্থা
  4. পরিবেশবাদী সংগঠন
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাখ্যা
RAW:
- পূর্ণ রূপ: Research and Analysis Wing (RAW).
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৮ সালে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূল কাজ: ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার্থে বিদেশি গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং সন্ত্রাসবিরোধী ও কৌশলগত গোয়েন্দা সংগ্রহ।
- RAW ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার অধীনে পরিচালিত হয়।
- এটি ভারতের প্রতিরক্ষা এবং কূটনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা।

উৎস: Times of India
Britannica.
২,৪৩০.
Which is the other name of 'Belfast Agreement'?
  1. Friday Agreement
  2. Black Friday Agreement
  3. Super Friday Agreement
  4. Good Friday Agreement
  5. All of the above
সঠিক উত্তর:
Good Friday Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Good Friday Agreement
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর:- ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর:- ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান:- বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ:- ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৪৩১.
JKLF কী?
  1. শ্রীলংকান গেরিলা সংগঠন
  2. মিয়ানমারভিত্তিক গেরিলা সংগঠন
  3. কাশ্মিরভিত্তিক গেরিলা সংগঠন
  4. শিখ ধর্মাবলম্বীদের উগ্রপন্থি সংগঠন
সঠিক উত্তর:
কাশ্মিরভিত্তিক গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মিরভিত্তিক গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
• JKLF:
- পূর্ণরূপ: Jammu-Kashmir Liberation Front।
- কাশ্মীর উপত্যকায় সবচেয়ে বৃহৎ স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠাতা: আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট।
- এটি ১৯৭৭ সালে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: library of Congress Website.
২,৪৩২.
নিচের কোনটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. CWC
  4. ABM
সঠিক উত্তর:
CWC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CWC
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি: CWC.
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
২,৪৩৩.
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে কতটি চুক্তি ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ৩টি চুক্তি ও ২ টি প্রটোকল
  2. ৪ টি চুক্তি ও ৩ টি প্রটোকল
  3. ২ টি চুক্তি ও ৪ টি প্রটোকল
  4. ৩ টি চুক্তি ও ৪ টি প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
৪ টি চুক্তি ও ৩ টি প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি চুক্তি ও ৩ টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।
⇒ প্রটোকলসমূহ:

• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

২,৪৩৪.
কোন দেশ পারমাণবিক শক্তির অধিকারী নয়?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. অস্ট্রিয়া
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে বর্তমানে স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ৮ টি।
দেশগুলো হলো -
যুক্তরাষ্ট্র,
রাশিয়া,
যুক্তরাজ্য,
ফ্রান্স,
চীন,
ভারত,
পাকিস্তান
ও উত্তর কোরিয়া।

উৎস: Britannica এবং ডেইলি স্টার লিংক।
২,৪৩৫.
United States Bill of Rights -এর প্রণেতা কে?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন 
  3. অ্যালেকজান্ডার হ্যামিল্ট
  4. জেমস ম্যাডিসন
সঠিক উত্তর:
জেমস ম্যাডিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস ম্যাডিসন
ব্যাখ্যা

United States Bill of Rights:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.

২,৪৩৬.
পোল্যান্ড কততম সদস্য দেশ হিসেবে জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে?
  1. ৪৯তম
  2. ৫০তম
  3. ৫১তম
  4. ৫২তম
সঠিক উত্তর:
৫১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ: 
- জাতিসংঘের নামকরণ করেন মার্কিন ৩২ তম  প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ গঠনে প্রস্তাবকারী দেশ ৪টি ।
- যথা:  ১.সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ২. চীন, ৩.যুক্তরাষ্ট্র,  ৪. যুক্তরাজ্য ।
- জাতিসংঘের নামকরণ করা হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৪২।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়  ১৯৪৫ সালে ।
- জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬জুন,১৯৪৫ সালে।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকরী হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
-  জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয় ২৪ অক্টোবর।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৫১ টি।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক ।
- জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড ।
- জাতিসংঘের বতমান সদস্য দেশ  ১৯৩ টি ।
- জাতিসংঘের মূল  সনদ স্বাক্ষরকারী দেশ ৫১ টি।( যদিও পোল্যান্ড পরে ৫১তম দেশ হিসেবে স্বাক্ষর করে ) ।
- জাতিসংঘের মূল সনদ রচয়িতা Archibald Macliesh.
-  জাতিসংঘের সদর দপ্তরের জমিদাতা জন ডি. রকফেলার ।
- জাতিসংঘ কার্যকরী ভাষা ২টি । (ইংরেজি ও ফরাসী )।
- জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৬ টি । (ইংরেজি, ফরাসী, রুশ, আরবি, চীনা, ও স্প্যানিশ ) ।
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি (নরওয়ে) (১৯৪৬-১৯৫২)।
- জাতিসংঘের একমাত্র মুসলমান মহাসচিব কফি আনান (ঘানা) (৭ম)।
- জাতিসংঘের প্রথম এশীয়  মহাসচিব উ-থান্ট ( মিয়ানমার ) ।
- জাতিসংঘের আয়ের মূল উৎস সদস্য দেশসমূহের চাঁদা।
- জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় জাপানের টোকিওতে ।
- জাতিসংঘ শান্তি  বিশ্ববিদ্যালয় কোস্টারিকায় ।
- জাতিসংঘের মূল ভবনের স্থাপতি ওয়ালেস কে.হ্যারিসন (  যুক্তরাজ্য ) ।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ৬ টি ।
- জাতিসংঘের পতাকায় জলপাই গাছের প্রতীক দেখা যায়। 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রথম গঠিত ১৯৪৮ সালে ।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের শিরোস্ত্রাণের রঙ নীল ।
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন ১৯৮২ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল । 
- ১৯৬৫ সালের পূর্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১ টি। 
- জাতিসংঘের মহাসচিব এর মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর ইস্ট নদীর তীরে অবস্থিত?
- জাতিসংঘের জনক বলা হয় উড্রো উইলশনকে ।
- জাতিসংঘের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা মহাসচিব।
- জাতিসংঘের সচিবালয়ের প্রধান মহাসচিব।
-  আয়তনে জাতিসংঘের ছোট দেশ মোনাকো । (১.৯৫ বর্গ কি.মি.)।
- জনসংখ্যায় জাতিসংঘের ছোট দেশ টরুভ্যালু।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তরটি ১৭ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ?
- জাতিসংঘে দেয় বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ নিজস্ব বাজেটের ০.০১% অংশ।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তরের স্থপতি ডব্লিউ হ্যারিসন।
-  বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে সদস্য পদ লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়।  

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৪৩৭.
মোসাদ-এর বর্তমান প্রধান কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ডেভিড বার্নিয়া
  2. মকবুল ভাট
  3. আমানুল্লাহ খান
  4. ডেভিড বেনগুরিয়ন
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বার্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বার্নিয়া
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া। (২০২৪ সাল)
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ মোসাদ তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমনে কাজ করে।
- এর পরিচালক সরাসরি এবং শুধু প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।

অন্যদিকে -
- JKLF-এর প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
২,৪৩৮.
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (NATO) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
খ) বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (NATO) প্রধানত একটি সামরিক জোট।
-১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
-ন্যাটো সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
-বর্তমান সদস্য ৩০টি দেশ।
উৎসঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,৪৩৯.
‘পিস অব প্যারিস’ চুক্তিটি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৭৭২ সাল
  2. ১৭৭৯ সাল
  3. ১৭৮৩ সাল
  4. ১৭৮৪ সাল
সঠিক উত্তর:
১৭৮৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৩ সাল
ব্যাখ্যা
‘পিস অব প্যারিস’:
- ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ৪টি চুক্তি একত্রে স্বাক্ষরিত হয় যা পিস অব প্যারিস নামে পরিচিত। 
- এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও ব্রিটেন স্বাক্ষর করে।
- এ চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি দেয় এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

এছাড়াও, 
প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
স্বাক্ষরের স্থান; প্যারিস, ফ্রান্স।
পক্ষসমূহ: ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং The U.S. National Archives and Records Administration.  
২,৪৪০.
'FSB' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৪৪১.
'কালাপানি' কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ এলাকা? 
  1. ভারত ও ভুটান
  2. ভারত ও নেপাল
  3. ভারত ও চীন
  4. ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা

• কালাপানি:
- কালাপানি হলো ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি সীমান্ত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

⇒ নেপাল দাবি করে যে কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নেপালের অংশ, যেহেতু সেখান দিয়ে মাহাকালী নদীর উৎস বইছে।
- ভারত বলে এটি তাদের ভূখণ্ড এবং দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় প্রশাসনের অধীনে।

উল্লেখ্য,
- ১৮১৫ সালের সুগৌলি চুক্তি (Sugauli Treaty) অনুযায়ী ব্রিটিশরা নেপাল থেকে কিছু ভূখণ্ড নিয়েছিল।
- নেপাল দাবি করে ১৮১৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে চুক্তি অনুযায়ী কালি নদীর পূর্বাঞ্চল তাদের, কিন্তু ভারত সবসময় কালি নদীর উৎস এবং তার নদীর প্রবাহ বদলে যাওয়াসহ এই অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার নিয়ে নানা প্রমাণ হাজির করেছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।  
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম। নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত। যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।

তথ্যসূত্র:
i) BBC.
ii) Institute Of Peace & Conflict Studies.

২,৪৪২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকি শহরে নিক্ষিপ্ত পারমাণবিক বোমাটির নাম কী ছিলো?
  1. ক) লিটলবয়
  2. খ) আর্লিবার্ড
  3. গ) ফ্যাটম্যান
  4. ঘ) ট্রিনিটি
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যাটম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যাটম্যান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয় এবং নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানে পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।
(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
২,৪৪৩.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির জন্য নিচের কে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. গামাল আবদেল নাসের
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. ইয়াসির আরাফাত
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
ব্যাখ্যা

- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট অবকাশ কেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এই চুক্তি।
- চুক্তিটির বিষয়বস্তু ছিল মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

২,৪৪৪.
Outer Space Treaty চুক্তি অনুযায়ী, পৃথিবীর বাইরের সব সম্পত্তির মালিক কে?
  1. নাসা
  2. জাতিসংঘ
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সমগ্র মানবজাতি
সঠিক উত্তর:
সমগ্র মানবজাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমগ্র মানবজাতি
ব্যাখ্যা
Outer space Treaty:
- মানবজাতি মহাকাশে কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না সেটাই লেখা আছে ‘আউটার স্পেস’ চুক্তিতে।
- মহাকাশের সব কিছুর জন্যই এ নীতিমালা প্রযোজ্য।
- ১৯৬৭ সালে ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ নামে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি কার্যকর হয় ১০ অক্টোবর, ১৯৬৭ সালে।
- ১১০টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- ৮৯টি দেশ এ চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি।

⇒ এ চুক্তি অনুযায়ী, কোনো দেশ চাঁদ বা মহাশূন্যের কোনো বস্তুর মালিকানা দাবি করতে পারবে না।
- পৃথিবীর বাইরের সব সম্পত্তির মালিক গোটা মানবজাতি।

উৎস: Arms Control Association.
২,৪৪৫.
'ওয়ারশ প্যাক্ট' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ প্যাক্ট বা Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫৫ সালের ১৪ মে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে।
- প্রাথমিকভাবে এই জোটে আটটি দেশ সদস্য ছিল: সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া।
- জোটটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং পূর্ব ইউরোপে সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তবে স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ইউরোপজুড়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনের পতন ও গণতন্ত্রের উত্থানের ফলে ওয়ারশ প্যাক্ট ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- অবশেষে, আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৪৪৬.
১৯৪৮ সালে স্বাক্ষরিত ব্রাসেলস চুক্তিতে নিম্নের কোন দেশ স্বাক্ষর করেনি?
  1. ফ্রান্স
  2. বেলজিয়াম
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
ব্রাসেলস চুক্তি:
- এটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত আত্মরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৫টি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ।

⇒ এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।
- 'ব্রাসেলস ট্রিটি অর্গানাইজেশন' বা 'ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন' নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- অকার্যকর হয়: ২০১৭ সালে।

⇒ জার্মানি ব্রাসেলস চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: I) CVCE eu ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
২,৪৪৭.
‘START’ চুক্তিটি কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. বাণিজ্য উন্নয়ন
  2. অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  3. সামরিক মহড়া
  4. টেকসই উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট চুক্তি: 
- নিউ স্টার্ট (New START) চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- এটি স্বাক্ষর করেন সে সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশ সর্বোচ্চ ১,৫৫০টি কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে।
- দুই দেশের পরিদর্শকরা চুক্তির শর্ত মানা হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করবে।
- এটি ২০১১ সালে কার্যকর হয় এবং ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আরও ৫ বছর মেয়াদ বাড়ান।
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা দেন যে, রাশিয়া নিউ স্টার্ট চুক্তি স্থগিত করছে। 
- এই চুক্তি স্থগিতের ফলে বিশ্বের পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ বিশ্বের ৯০% পারমাণবিক অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার হাতে।

উৎস: Britannica.
প্রথম আলো (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)
২,৪৪৮.
NATO-এর Open Door Policy কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. Article 4
  2. Article 5
  3. Article 10
  4. Article 12
সঠিক উত্তর:
Article 10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 10
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।

• অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- ন্যাটো চুক্তির ৫ নং অনুচ্ছেদ বা Article - 5 কে এই চুক্তির heart বলা হয়।

ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte.  [এপ্রিল - ২০২৫] 

উল্লেখ্য, 
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি। [এপ্রিল - ২০২৫] 

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,৪৪৯.
NATO-এর বর্তমান মহাসচিব কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. জুর্গেন স্টক
  2. অ্যাগনেস ক্যালামার্ড
  3. ফিলিপ্পে গ্রান্ডি
  4. মার্ক রুট
সঠিক উত্তর:
মার্ক রুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্ক রুট
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী।
- জুন, ২০২৪-এ তিনি ন্যাটোর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
- অক্টোবরের ১, ২০২৪ তারিখ থেকে দায়িত্ব নেবেন তিনি।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,৪৫০.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা পত্র কত তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৪৬ সালের ১০ ডিসেম্বর
  2. ১৯৪৭ সালের ১০ ডিসেম্বর
  3. ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর 
  4. ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর 
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- এদিন ঘোষিত মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, 'অধিকারের প্রশ্নে মানুষ স্বাধীন ও সমান হয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং সবসময় সেভাবেই থাকতে চায় (Men are born and always continue free and equal in respect to their rights).
- জাতিসংঘের ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, মানবাধিকার ভোগের বেলায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব যে ধরনের নাগরিকই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক মতামত ও পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, সে যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে কোনো তারতম্য বা পার্থক্য করা হবে না।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

২,৪৫১.
নিচের কোন দুইটি দেশের মধ্যে 'ABM Treaty' স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. চীন ও ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
২,৪৫২.
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে ইসরাইলের আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ২৫ জুলাই ২০২০
  2. খ) ০৫ আগস্ট ২০২০
  3. গ) ১৫ সেপ্টম্বর ২০২০
  4. ঘ) ২১ নভেম্বর ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ সেপ্টম্বর ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ সেপ্টম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে ইসরাইলের সম্পাদিত শান্তি চুক্তি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ওয়াইট হাউজে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এর মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় আরব দেশ এবং বাহরাইন চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
২,৪৫৩.
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum) স্বাক্ষরিত হয় কোন দুটি পক্ষের মধ্যে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  2. আরব দেশ সমূহ ও ইসরায়েল
  3. আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য
  4. ইসরায়েল ও PLO
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও PLO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও PLO
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum)
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেঙ্গে গিয়ে অচলাবস্থা সৃষ্ঠি হলে ১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ২৩ অক্টোবর, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- পক্ষসমূহ - PLO ও ইসরায়েল

উৎস: ব্রিটানিকা
২,৪৫৪.
জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ কূটনৈতিকদের বলা- 
  1. অ্যাম্বাসেডর
  2. হাইকমিশনার
  3. রিপ্রেজেন্টেটিভ 
  4. ক্যাবিনেট 
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্বাসেডর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্বাসেডর
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রদূত:
→ এক রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য দেশে প্রেরিত সর্বোচ্চ শ্রেণীর কূটনৈতিক।
• হাইকমিশনার:
কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র সমূহের সর্বোচ্চ শ্রেণির কূটনীতিক।
• অ্যাম্বাসেডর:
→ জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ব্যক্তিকে অ্যাম্বাসেডর বলে।
• চার্জ দ্য অ্যাফেয়ারস:
- রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত অস্থায়ী প্রধান।
• Persona-non-grata:
- কোন কূটনীতিক ব্যক্তিকে কোন কারণ দর্শনো ছাড়াই অবাঞ্জিত ঘোষণা করা।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

২,৪৫৫.
ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কয়টি?
  1. ১২টি
  2. ১৮টি
  3. ২৪টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (মে, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (মে, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (মে, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (মে, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৪৫৬.
কোন বিপ্লবের সাথে 'বাস্তিল দূর্গ' সম্পর্কিত?
  1. ক) ভেলভেট বিপ্লব
  2. খ) রুশ বিপ্লব
  3. গ) বলশেভিক বিপ্লব
  4. ঘ) ফরাসি বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব
▪ ১৭৮৯ সালে পৃথিবী কাঁপানো ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
▪ এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
▪ ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে। বাস্তিল দূর্গ ছিলো একটি রাজকীয় কারাগার।
▪ ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুইস - এর পতন ঘটে।
▪ ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব (Liberty, Equality, Fraternity)।
▪ নেপোলিয়ান বোনাপার্টকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
২,৪৫৭.
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. ক) DIA
  2. খ) FIA
  3. গ) CBI
  4. ঘ) SIS
সঠিক উত্তর:
ঘ) SIS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) SIS
ব্যাখ্যা
SIS (Secret Intelligence Service):
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (SIS) হলো যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গুপ্তচর বিভাগের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। 
- যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি বা জিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে থেকে নির্দিষ্ট নির্দেশনার মাধ্যমে কাজ করে সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস।
- এটি সরকারকে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক মঙ্গল প্রচার ও রক্ষা করার জন্য একটি বিশ্বব্যাপী গোপন ক্ষমতা প্রদান করে। 
- SIS ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের সাথে কাজ করে।

অন্যদিকে -
- DIA যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- FIA পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা।
- CBI ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: Secret Intelligence Service.
২,৪৫৮.
শ্রীলংকার 'হাম্বানটোটা' বন্দরটি কোন দেশ ৯৯ বছরের জন্য লিজ নিয়েছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
শ্রীলংকার দক্ষিণ কলম্বোতে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দর টি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় শ্রীলংকা সরকার। এটি মাগামপুরা মাহিন্দা রাজাপাকসে পোর্ট নামেও পরিচিত। কলম্বো বন্দরের পরে এ বন্দরটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।
২,৪৫৯.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি ও অটোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি
  2. খ) সেভার্স চুক্তি
  3. গ) ভিয়েনা চুক্তি
  4. ঘ) লন্ডন প্যাক্ট
সঠিক উত্তর:
খ) সেভার্স চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেভার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির জয় লাভের পর অটোমান সাম্রাজ্যের সাথে প্রথমে তাদের সেভার্স চুক্তি সম্পাদিত হয়।
- ১৯২০ সালের ১০ আগস্ট ফ্রান্সের সেভার্সে সম্পাদিত সেভার্স চুক্তির ফলে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার অটোমানভুক্ত এলাকার নিয়ন্ত্রণ মিত্রশক্তির নিকট ছেড়ে দিতে হয়।
- এছাড়া পশ্চিম আনাতোলিয়া ও দার্দানেলিস প্রণালিও গ্রিকদের নিকট ছেড়ে দিতে হয়।
- কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
- এতে করে ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়, যার দ্বারা বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
- আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
২,৪৬০.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কেপটাউন
  2. পেন্টাগন
  3. কলম্বিয়া
  4. নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
পেন্টাগন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেন্টাগন
ব্যাখ্যা
- পেন্টাগন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর।
- অবস্থান: আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন, ডিসি-র নিকটবর্তী।
- ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: পেন্টাগন একটি পাঁচকোণা আকৃতির ভবন, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- নির্মাণকাল: ১৯৪১–১৯৪৩।
- স্থপতি: জর্জ এডউইন বার্গস্ট্রম।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে ও একটি ফেডারেল জেলা (ওয়াশিংটন, ডি.সি.)।
- যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নের সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।

উৎস: Britannica.
২,৪৬১.
হিজবুল্লাহর টেলিভিশন চ্যানেল কোনটি?
  1. আল বাহার
  2. আল মানার
  3. আল নাসের
  4. আল ফিদা
সঠিক উত্তর:
আল মানার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল মানার
ব্যাখ্যা
• হিজবুল্লাহ 
- লেবাননভিত্তিক গেরিলা সংগঠন। 
- প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৮৫ সালে।
- সদর দপ্তর: বৈরুত,লেবানন। 
- প্রধান: শেখ হাসান নাসরুল্লাহ। 
- হিজবুল্লাহ অর্থ আল্লাহর দল।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়া থেকে আর্থিক ও রাজনৈতিক সমর্থন গ্রহণ করে। 
-হিজবুল্লাহর টেলিভিশন চ্যানেল হলো : আল মানার। 
- লেবাননে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বাহিনীর ওপর বিভিন্ন সময়ে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ।
- ২০০০ সালে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় ইসরায়েল। এর কৃতিত্ব নেয় হিজবুল্লাহ।
- ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ধারণা,
হিজবুল্লাহর কাছে ১ লাখ ৩০ হাজার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৪৬২.
জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্দানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবিন ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
  2. খ) ২৫ জুলাই, ১৯৯৪
  3. গ) ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ঘ) ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল। তাই এর বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই।
তবুও উত্তরটা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর - ২৬ জুলাই, ১৯৯৪।
২,৪৬৩.
Track-II ডিপ্লমেসি বলতে কী বোঝায়? 
  1. সরকারি পর্যায়ে কূটনৈতিক আলোচনা
  2. বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ
  3. গোপন সামরিক চুক্তি
  4. বাণিজ্যিক আলোচনার মাধ্যমে কূটনীতি
সঠিক উত্তর:
বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ
ব্যাখ্যা

Track-II diplomacy হলো বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ। 

• Track-II diplomacy:
- Track-II diplomacy হলো এমন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যেখানে সরকারি প্রতিনিধিদের পরিবর্তে বেসরকারি ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক, এবং সিভিল সোসাইটি অংশ নেন।
লক্ষ্য হলো সংঘাত নিরসন, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
এটি Track-I diplomacy (সরকারি পর্যায়ের আলোচনা)-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

উৎস: Stanford University Press. 

২,৪৬৪.
নিচের কোন দেশে 'ইদলিব' শহর অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা
দেশ:
 - ইদলিব উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার একটি শহর এবং প্রাদেশিক রাজধানী।
- এটি আলেপ্পো এবং লাতাকিয়ার মাঝপথে একটি উর্বর অববাহিকায় অবস্থিত।

এছাড়াও,
- ইদলিব একটি গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল কেন্দ্র এবং সিরিয়ার উন্নত কৃষি জেলার একটি বাজার।
- প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে তুলা, জলপাই, ডুমুর, আঙ্গুর, টমেটো, তিল এবং বাদাম।
- স্থানীয় শিল্পের মধ্যে রয়েছে স্পিনিং এবং অলিভ অয়েল প্রেসিং।
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময়, শহরটির গুরুত্ব বেড়ে যায় যখন পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ২০১৮ সালে সিরিয়ার বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর শক্তিশালী  ঘাঁটিতে পরিণত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪৬৫.
শাইনিং পাথ সংগঠনটি কোন দেশে সক্রিয় ছিল?
  1. আর্জেন্টিনা
  2. চিলি
  3. কলম্বিয়া
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরু
ব্যাখ্যা

শাইনিং পাথ (Shining Path):
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সস্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনিং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।
- টুপাক আমারু পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠাতার গ্রেপ্তার: ১৯৯২ সালে লিমায় গ্রেপ্তার হন আবিমায়েল গুজমান।
• কিছু সদস্য এখন মাদক পাচার ও অপরাধচক্রে যুক্ত।
• পেরু সরকার তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৪৬৬.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বসনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিলো?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. তাসখন্দ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (১৯৯৩) : ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান
- তাসখন্দ চুক্তি (১৯৬৬) : ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ
- ক্যাম্প ডেভিট চুক্তি (১৯৭৮) : ইসরাইল-মিশর শান্তি স্থাপন।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২,৪৬৭.
ফ্রান্স কত সালে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা:

• ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৫৪ সালে পারমাণবিক বোমা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রথম ফ্রান্সের মন্ত্রিসভা পর্যায়ে উত্থাপিত হয়েছিল।
• ফ্রান্স ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ সালে প্রথম সাহারা মরুভূমিতে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে।
• ১০৫মিটার (৩৪৪ফুট) টাওয়ার থেকে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
• NPT এর অধীনে স্বীকৃত পাঁচটি পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্রের মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম।
• ফ্রান্সের পারমাণবিক বোমা তৈরিতে প্রধান ব্যক্তিরা হলেন পিয়েরে গুইলাউমাট, জেনারেল চার্লস আইলেরেট এবং ইয়েভেস রোকার্ড।
• ফ্রান্স ১৯৬৬ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগরে ১৯৪ টি পরীক্ষা পরিচালনা করেছে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪৬৮.
NATO stands for-
  1. North Atlantic Treaty Organization
  2. North Alliance Treaty Organization
  3. North Atlantic Target Organization
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
North Atlantic Treaty Organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
North Atlantic Treaty Organization
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং আরও ৮টি ইউরোপীয় দেশসহ ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একে অপরকে রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।  
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৩২টি। 
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,৪৬৯.
তাসখন্দ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ৫ আগস্ট, ১৯৬৫
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫
  3. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

তাসখন্দ চুক্তি:
- তাসখন্দ চুক্তি হলো ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় (উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দে) স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী: ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য: কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে ১৯৬৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তত্ত্ববধানে উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতির জন্য একমত হয়।

উৎস: Britannica.

২,৪৭০.
পাঁচ দশক ধরে চলা লড়াই বন্ধে কোন গেরিলা সংগঠন সরকারের সাথে শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে?
  1. ক) তামিল টাইগার
  2. খ) হামাস
  3. গ) গডস আর্মি
  4. ঘ) ফার্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্ক
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে চলা লড়াই বন্ধে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে। এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে। শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়। ম্যানুয়েল মারুলেন্দা ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা। কলম্বিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভূমি সমস্যা সহ বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথম এ লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে। এক্ষেত্রে কিউবার বিপ্লব ফার্ক গেরিলাদের অনুপ্রেরণা যোগায়। এ শান্তি চুক্তিতে ফার্কের পক্ষে টিমোশেনকো বা রদ্রিগো লনোডানো স্বাক্ষর করেন। (সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
২,৪৭১.
'আবু সায়াফ' কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন হিসেবে পরিচিত?
  1. ফিলিপাইন
  2. সোমালিয়া
  3. আফগানিস্তান
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
'আবু সায়াফ':

• 'আবু সায়াফ' ফিলিপাইনের একটি জঙ্গি সংগঠন।
• অবস্থান: ফিলিপাইনের দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপগুলোর একটি বাসিলান দ্বীপে।
• এটি ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবদুর রাজ্জাক জানজালানি কর্তৃক প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
• এটি দক্ষিণ ফিলিপাইনে প্রতিষ্ঠিত বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের জঙ্গি গোষ্ঠী থেকে গঠিত হয়েছিল।
• ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীনতাকামী আবু সায়েফ গ্রুপ ফিলিপাইনের মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে।
• তারা দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
• এরা ২০০০ এবং ২০০১ সালে হাই-প্রোফাইল অপহরণ সহ ফিলিপাইনে সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

- উল্লেখ্য, 
• 'আল শাবাব' সোমালিয়ার জঙ্গি সংগঠন।
• 'বোকো হারাম' নাইজেরিয়ার এবং 'তালেবান' আফগানিস্তানের সংগঠন।  

উৎস: ব্রিটানিকা ও জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
২,৪৭২.
কোন দুটি দেশ সম্প্রতি ন্যাটোতে (NATO) যোগদান করেছে, যা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন রূপ প্রদান করেছে? 
  1. অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ড
  2. ইউক্রেন এবং জর্জিয়া
  3. সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড 
  4. মলদোভা এবং বেলারুশ
সঠিক উত্তর:
সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড 
ব্যাখ্যা

●  সম্প্রতি এবং সর্বশেষ ফিনল্যান্ড (৪ এপ্রিল, ২০২৩) এবং সুইডেন (৭ মার্চ, ২০২৪) আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে (NATO) যোগদান করেছে, যা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন রূপ প্রদান করেছে।

ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- ন্যাটোর  প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি (বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন)।

⇒ NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা।

• ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় 'অনুচ্ছেদ ৫'-কে।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।

• ইউরোপের বাইরে NATO'র প্রথম সামরিক অভিযান আফগানিস্তানে ছিল।
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট। [link]

২,৪৭৩.
বিশ্বে প্রথম কোন দেশে নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• নারী ভোটাধিকার পাওয়া প্রথম দেশ:
- নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে নারীরা ভোট দেয়।
- বিশ্বের প্রথম দেশ, যেখানে নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পায়।
- তবে, তারা প্রার্থী হওয়ার (elected) সুযোগ পায় বহু বছর পরে– ১৯১৯ সালে।
অন্যদিকে,
- অস্ট্রেলিয়া ১৯০২ সালে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার পায়।
তবে, আদিবাসী নারীদের সেই সময় অধিকার দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পায় ১৯২০ সালে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২,৪৭৪.
তাসখন্দ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চির বৈরি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রি ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তাসখন্দ সম্মেলনে বিবদমান এই দুই রাষ্ট্রকে পূর্বের চুক্তিগুলোর বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর তরফ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি।
- পরবর্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রি রহস্যজনকভাবে তাসখন্দে মৃত্যুবরণ করলে এটি ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব হিসেবেও উপমহাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৪৭৫.
NPT চুক্তির মূল বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  3. সামরিক সহযোগিতা চুক্তি
  4. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
২,৪৭৬.
প্রথম ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৭৩
  2. খ) ১৭৮৩
  3. গ) ১৮৮৩
  4. ঘ) ১৯৬৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৮৩
ব্যাখ্যা
প্রথম ভার্সাই চুক্তি
• প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের দিনেই ফ্রান্সের ভার্সাইতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা প্রথম ভার্সাই চুক্তি নামে পরিচিত।
• এটি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
• চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
• চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ভার্সাই, ফ্রান্স।
• চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
• চুক্তির ফলাফল - ব্রিটিশ সাম্রাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার স্বীকৃতি প্রদান করে এবং কানাডার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।  
২,৪৭৭.
ইন্টারপোলের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লিঁও, ফ্রান্স
  2. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
লিঁও, ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিঁও, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল:
-এর পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization.
- এটি ১৯২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ভিয়েনা, অস্ট্রিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বর্তমানে ১৯৬টি দেশের সদস্য নিয়ে গঠিত।[জুলাই - ২০২৫]
- এর অফিসিয়াল ভাষা হল ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।

উল্লেখ্য, 
- ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পালাউ এই সংস্থায় যোগ দিয়েছে। [জুলাই - ২০২৫]

সূত্র: Interpol ওয়েবসাইট।
২,৪৭৮.
নিচের কোনটি রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়?
  1. Avangard
  2. S- 400
  3. 9k720
  4. THAAD
সঠিক উত্তর:
THAAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
THAAD
ব্যাখ্যা
→ রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়:  THAAD।
-
রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, Avangard, S- 400, 9k720।

• থাড (THAAD):

- টার্মিনাল হাই অলটিচিউড এরিয়া ডিফেন্স।
- একটি অত্যাধুনিক ভূমি-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- যা যুক্তরাষ্ট্রের লকহিড মার্টিন দ্বারা উন্নত এবং নির্মিত।
- এটি মূলত শত্রু দেশের ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রযুক্তি: থাড একটি "হিট-টু-কিল" (hit-to-kill) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- এটি কোনো বিস্ফোরক ওয়ারহেড ছাড়াই সরাসরি শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে সংঘর্ষ করে ধ্বংস করে।
- রেঞ্জ ও উচ্চতা: থাডের ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ রেঞ্জ প্রায় ২০০ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- রাডার সিস্টেম: থাডের রাডার সিস্টেম AN/TPY-2.
- যা একটি এক্স-ব্যান্ড সক্রিয় ইলেকট্রনিকালি স্ক্যানড অ্যারে রাডার।
- এটি শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ট্র্যাক করতে - সক্ষম এবং ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে। 
- মোবাইলিটি: থাড একটি মোবাইল সিস্টেম, যা দ্রুত স্থানে স্থানে স্থানান্তরিত করা যায়। 

উৎস: Army Technology [Link]
২,৪৭৯.
খেমারুজরা কোন দেশে ক্ষমতাসীন ছিলো?
  1. তাইওয়ান
  2. কম্বোডিয়া
  3. অ্যাঙ্গোলা
  4. বলিভিয়া
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা
- খেমারুজ হলো কম্বোডিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা। খেমারুজদের নেতা ছিলেন পলপট।
- পলপটের নেতৃত্বে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত চার বছরের খেমারুজ শাসনে কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন কারণে মারা যায় যা ‘কম্বোডিয়ান গণহত্যা’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭৯ সালে পলপট ও খেমারুজ শাসনের পতন ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
২,৪৮০.
উই রিভার চুক্তির মধ্যস্থতায় ছিলেন -
  1. জেমস গারফিল্ড
  2. জন এফ কেনেডি
  3. বিল ক্লিন্টন
  4. জেমস বিউকানান
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
- উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে।
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৪৮১.
WMD-তে কোন ধরনের অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত?
  1. Nuclear Weapon
  2. Chemical Weapon
  3. Biological Weapon
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ হলো Weapons of Mass Destruction।
- WMD বলতে বোঝায় গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল WMD থাকার আশঙ্কায়।
- ‘WMD’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৩৭ সালে, বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংস ক্ষমতা বর্ণনা করতে।
- Weapons of Mass Destruction-এ অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো: Nuclear Weapon, Chemical Weapon, Biological Weapon।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৪৮২.
ন্যাটোর বিপরীতে কোন পদক্ষেপ গৃহীত হয়?
  1. ক) Warsaw Pact
  2. খ) ANZUS
  3. গ) AUKUS
  4. ঘ) QUAD
সঠিক উত্তর:
ক) Warsaw Pact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Warsaw Pact
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact

- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- স্বাক্ষর: ১৪মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- এটি পশ্চিমা ধনতান্ত্রিক দেশগুলোর স্বাক্ষরিত ন্যাটো চুক্তির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক কয়েকটি রাষ্ট্রের পাল্টা পদক্ষেপ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার সাথে সাথে এই চুক্তিও অকার্যকর হয় এবং ১৯৯১ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরকারী দেশের নেতারা চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগে এক বৈঠকে শেষবারের মত অংশ নিয়ে এর বিলুপ্তি ঘোষণা করে।


তথ্যসূত্র:  সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২,৪৮৩.
ANZUS কোন ধরনের জোট?
  1. সামরিক
  2. বাণিজ্যিক
  3. সাংস্কৃতিক 
  4. পরিবেশগত
সঠিক উত্তর:
সামরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক
ব্যাখ্যা

• ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- ANZUS এর সদস্য সংখ্যা ৩টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- এই জোটের সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র: ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

২,৪৮৪.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের পানি চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. দার্জিলিং
  2. কোলকাতা
  3. নয়াদিল্লি
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

⇒ ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
২,৪৮৫.
লস্কর-ই-তৈয়বা কত সালে জম্মু ও কাশ্মীরে তার প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈয়বা:

- এটি ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী।
- ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিকে পাকিস্তানে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
- দাওয়া-ওয়াল-ইরশাদ, সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত একটি ইসলামী সংগঠন।
- এটি শেষ পর্যন্ত সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।
- লস্কর-ই-তৈয়বা প্রাথমিকভাবে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে, পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে কাজ করত।
- লস্কর-ই-তৈয়বা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে তার প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।
- ২১ শতকের প্রথম দশকের মধ্যে এই দলটি ভারতে আরও বহুদূরে তাদের প্রসার ঘটিয়েছিল।
- জম্মু ও কাশ্মীর ভারত, একটি বৃহত্তর হিন্দু দেশ এবং পাকিস্তান, একটি বৃহত্তর মুসলিম দেশ উভয়ই দাবি করেছিল এবং এই বিরোধটি জম্মু ও কাশ্মীরের মধ্যে অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্ম দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৪৮৬.
'শাইনিং পাথ’ গেরিলা সংগঠনটি কোন দেশের? 
  1. কলম্বিয়া 
  2. পেরু
  3. ফিলিপাইন
  4. জাপান 
সঠিক উত্তর:
পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরু
ব্যাখ্যা

• শাইনিং পাথ:
- পেরুর The Communist party of Peru শাইনিং পাথ নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে পেরুর একটি গেরিলা গোষ্ঠী।
- ১৯৬০-এর দশকে শাইনিং পাথ গেরিলা গোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- শাইনিং পাথ ল্যাটিন আমেরিকার দেশ পেরুর একটি মার্কসবাদী ও লেনিনবাদী গেরিলা গোষ্ঠী।
- এই গেরিলা গোষ্ঠীটির মূল আদর্শ হচ্ছে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা করা।
- মার্কসবাদ ও লেনিনবাদ তাদের আদর্শ।
- এই গেরিলা গোষ্ঠীটি একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তা হল প্রলেতারিয়েতদের একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের ভাষায় 'নতুন গণতন্ত্র' প্রতিষ্ঠা করা।
- পেরুতে এ মার্কসবাদী আন্দোলন শুরু হয় ষাট-এর দশকে।
- শাইনিং পাথ গেরিলা গোষ্ঠীর প্রতীক হচ্ছে লাল।
- এই গেরিলা গোষ্ঠীর সাথে নেপালের Communist Party of Nepal (Maoist) আদর্শগত মিল রয়েছে।

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান। 

২,৪৮৭.
Sunshine Policy প্রধানত কয়টি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল?
  1. ২টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
Sunshine Policy প্রধানত ৩টি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল।

Sunshine Policy:

- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত দুই দেশ হলো উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে।
- এটি ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত।

⇒ Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- দক্ষিণ কোরিয়ায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং উত্তর কোরিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টার জন্য কিম ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

⇒ Sunshine Policy প্রধানত তিনটি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল। যথা:
• উত্তরের কোনো সশস্ত্র উস্কানি বরদাস্ত করা হবে না।
• দক্ষিণ কোনোভাবেই উত্তরকে শুষে নেওয়ার চেষ্টা করবে না।
• দক্ষিণ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা চায়।

উৎস: i) koreanstudiescu.com
ii) Britannica.
২,৪৮৮.
হামাস কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. সিরিয়া
  2. ফিলিস্তিন
  3. মিশর
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সামরিক শাখার নাম ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড (Izz ad-Din al-Qassam Brigades)।
- এর নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ নেতা ইজ্জাদিন আল-কাসাম-এর নামে।
- এই শাখাটি হামাসের সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে, যেমন রকেট হামলা, অপহরণ, এবং অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,৪৮৯.
Which of the following is the intelligence agency of India?
  1. Central Intelligence Agency
  2. Central Bureau of Investigation
  3. Defense Intelligence Agency
  4. National Intelligence Bureau
  5. Secret Intelligence Service
সঠিক উত্তর:
Central Bureau of Investigation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Central Bureau of Investigation
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
• যুক্তরাষ্ট্র:
- Central Intelligence Agency (CIA),
- Defense Intelligence Agency (DIA),
- Fairfax,
- Federal Bureau of Investigation (FBI).

• বাংলাদেশ:
- National Security Intelligence (NSI),
- Criminal Investigation Department (CID),
- Detective Branch (DB).

• ভারত:
- Research and Analysis Wing (RAW),
- Central Bureau of Investigation (CBI).

• পাকিস্তান:
- Inter-Services Intelligence (ISI),
- Federal Investigation Agency (FIA).

• রাশিয়া:
- Federal Security Service (FSB).

• শ্রীলংকা:
- National Intelligence Bureau (NIB).

• যুক্তরাজ্য:
- M16/ Secret Intelligence Service (SIS).
- Military Intelligence, Section 6 (MI6).

• ইসরায়েল:
- MOSSAD.

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২,৪৯০.
Arms Trade Treaty (ATT)-এর মূল উদ্যোক্তা কে?
  1. অস্কার অ্যারিয়াস
  2. মেনাচেম বেগিন
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
অস্কার অ্যারিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্কার অ্যারিয়াস
ব্যাখ্যা

Arms Trade Treaty (ATT)  চুক্তি:
- এটি প্রচলিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- এর প্রস্তাবক জাতিসংঘ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৩ (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- চুক্তিটি অনুমোদনকারী দেশ: ১১৬টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন করেনি: ২৬টি।
- উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।

⇒ নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias) ATT ধারণার মূল প্রবক্তা ছিলেন।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অক্সফাম ATT এর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
- ATT ২০১৩ সালে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট। [link]
ii) Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।

২,৪৯১.
নিচের কোনটি AUKUS ভুক্ত দেশ?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জাপান
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
AUKUS:

- অকাস হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিরক্ষার কৌশলগত জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে।
- সদস্য দেশ ৩ টি।
- উদ্দেশ্য ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- অকাস চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য - অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।
- বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানোই প্রধান লক্ষ্য। 



উৎস: U.S. DepartmentofDefense এবং বিবিসি নিউজ।
২,৪৯২.
SALT-2 চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. মস্কো, রাশিয়া
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
SALT-2:

- Strategic Arms Limitations Talks/Treaty (SALT) II এটি কৌশলগত অস্র সীমিতকরণ চুক্তি ২ নামে পরিচিত। 
- স্বাক্ষর: ১৮ জুন, ১৯৭৯,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- আলোচনা: ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯, 
- শর্ত: চুক্তিতে নতুন ক্ষেপনাস্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ ,
- স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের জিমি কার্টার এবং সোভিয়েত নেতা লিউনিদ ব্রেজনেভ। 

অপরদিকে,
- ২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।
- ABM চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো।


উৎস: ব্রিটিনিকা এবং US department of state. 
২,৪৯৩.
রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে কোন চুক্তি?
  1. CTBT চুক্তি
  2. CWC চুক্তি
  3. NPT চুক্তি
  4. START II চুক্তি
সঠিক উত্তর:
CWC চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CWC চুক্তি
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সাল। 
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সাল। 
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- সদস্য দেশগুলো রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার থেকে বিরত থাকবে।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠা।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ OPCW তদন্ত করে।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উল্লেখ্য,
- CTBT হল একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যা সকল পরিবেশে বেসামরিক ও সামরিক উভয় উদ্দেশ্যে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বিস্ফোরণ এবং অন্য যেকোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে।
- NPT চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্রের প্রসার রোধের উদ্দেশ্যে একটি চুক্তিপত্র।
- START II (স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের হ্রাস এবং সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
২,৪৯৪.
ভারতের পক্ষে সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. রাজীব গান্ধী
  4. জওহরলাল নেহরু
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি: 
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- চুক্তিটি ২ জুলাই ১৯৭২ সালে ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিমলা শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান করা।

এছাড়াও,
- যুদ্ধবন্দীদের বিনিময় ও কাশ্মীরের লাইন অব কন্ট্রোল পুনঃনির্ধারণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।  
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।

২,৪৯৫.
আলজিয়ার্স চুক্তিতে ইরানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. আয়াতুল্লাহ খোমেনি
  2. শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী
  3. মোহসেন রেজায়ী
  4. রুহুল্লাহ খোমেনী
সঠিক উত্তর:
শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এই চুক্তি। 
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
২,৪৯৬.
২০২৫ সালে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স কোথায় আয়োজিত হবে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ব্রাজিল
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স (MSC):
- মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স (MSC) আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নীতির ওপর বিতর্ক এবং আলোচনার জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফোরাম।
- এটি কূটনৈতিক উদ্যোগের জন্য একটি কেন্দ্র যেখানে বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন এটি "ইন্টারন্যাশনাল ওয়েহর্কুন্ডে-বেগেনুং" নামে পরিচিত ছিল।
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের চেয়ারম্যান, জার্মান কূটনীতিক ক্রিস্টোফ হিউসজেন।
- বার্ষিক এই সম্মেলনটি আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে(২০২৫) জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
- MSC আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য একটি বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যা আস্থা বৃদ্ধি এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য সংলাপের ওপর জোর দেয়।

উৎস: MSC ওয়েবসাইট।
The Financial Express (Jan 22, 2025)। 
২,৪৯৭.
জার্মানির মিউনিখ শহরে ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আসরে ইসরায়েলের ১১ খেলোয়াড়কে অপহরণের সাথে কোন গেরিলা সংগঠন জড়িত?
  1. ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  2. ফার্ক
  3. হামাস
  4. হিজবুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
Black September:
- ফিলিস্তিন ও জর্ডানের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হয়।
- ফিলিস্তিন ও জর্ডানের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ ইতিহাসে আইলুল আল-আসওয়াদ বা ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামে পরিচিত।
- ১০ দিনের এই যুদ্ধে পিএলও এর বহু নেতাকর্মী নিহত হয় এবং জর্ডান থেকে বহু ফিলিস্তিনিদেকে উচ্ছেদ করা হয়।
- এর প্রতিবাদস্বরূপ ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামক গেরিলা সংগঠনটির উদ্ভব হয়।

এছাড়াও,
- জার্মানির মিউনিখ শহরে ১৯৭২ সালে বসেছিল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর।
-  ১৯৭২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর অলিম্পিক ভিলেজে প্রবেশ করেন কয়েকজন ‘সন্ত্রাসী’।
- অপহরণ করা হয় ইসরায়েলের খেলোয়াড়দেরকে।
- অপহরণকারী ব্যক্তিরা নিজেদের ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগঠন ব্ল্যাক সেপ্টেম্বরের সদস্য দাবি বলে করেন।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৪৯৮.
কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. স্প্রাটলি
  2. পেরেজিল
  3. সেনকাকু
  4. ফকল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু
ব্যাখ্যা

সেনকাকু:
- সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
- এই বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ এবং চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭২ সালে ‘ওকিনাওয়া রিভার্সন এগ্রিমেন্ট’-এর মাধ্যমে দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক অধিকার জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চীন এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর জাপানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি।
- তবে ১৯৭০-এর দশকে দ্বীপপুঞ্জের তেল সম্পদ আবিষ্কারের সম্ভাবনা দেখা দিলে চীন এটির মালিকানা দাবি করতে শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে চীন এই দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৮ সাল থেকে চীন নিয়মিত জাপানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ:
​- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ : যুক্তরাজ্য – আর্জেন্টিনা।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।
- পেরেজিল দ্বীপ : মরক্কো – স্পেন।
- আবু মুসা দ্বীপ : ইরান – সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ : চীন– তাইওয়ান – ফিলিপাইন - মালয়েশিয়া – ভিয়েতনাম।
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা নিউজ।

২,৪৯৯.
'TPNW' একটি-
  1. পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
  2. পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  3. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা রোধ চুক্তি
  4. রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW): 
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।

২,৫০০.
হুতি বিদ্রোহীরা কোন দেশের রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত?
  1. সিরিয়া
  2. ইয়েমেন
  3. লেবানন
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

হুতি বিদ্রোহী:
- হুতি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- উত্তর ইয়েমেনের শাদা শহরে হুতি বিদ্রোহের জন্ম।
- জাইদি শিয়া বাহিনী থেকে এর উৎপত্তি।
- তাদের নেতা নির্বাচন করা হতো হুতি উপজাতি থেকে।
- হুতিরা আনসারুল্লাহ নামে পরিচিত।
- হুতি একটি শিয়া ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- ১৯৯০ এর দশকে এই গোষ্ঠীটির উত্থান।
- তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি।
- হুথিরা ২০১৪ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

⇒ হুতি বিদ্রোহীরা মূলত ইরান-সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী।
 - তারা গাজার হামাস ও লেবাননের হিজবুল্লাহর মতোই ইসরায়েলবিরোধী 'এক্সিস অব রেসিস্টেন্স' বা 'প্রতিরোধ অক্ষের' অংশ।
- ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহে জাহাজগুলোয় হামলা চালায় এই গোষ্ঠী।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.