ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী:
- বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (BGB): বাংলাদেশ।
- বিএসএফ (BSF): ভারত,
- রেঞ্জার্স: পাকিস্তান,
- ইউনাইটেড স্টেট বর্ডার পোর্টাল: যুক্তরাষ্ট্র,
উৎস: ব্রিটানিকা।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৪ / ৩৪ · ১,৩০১–১,৪০০ / ৩,৩৩৯
• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations.
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
অটোয়া চুক্তি:
- এর আরেক নাম স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention)।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।
⇒ অটোয়া চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোকে চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৪ বছরের মধ্যে তাদের মজুদকৃত স্থলমাইন ধ্বংস করতে হবে এবং ১০ বছরের মধ্যে মাটির খনি ধ্বংস করতে হবে।
- ধ্বংসের বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য দেশগুলি ১০ বছর পর্যন্ত নবায়নযোগ্য সম্প্রসারণের অনুরোধ করতে পারে।
উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং রাশিয়াসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন উৎপাদক এবং ব্যবহারকারী দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে। চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
শেনজেন অঞ্চল (Schengen Area):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- সর্বশেষ শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। [১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে]
উৎস: European Union ওয়েবসাইট। [Link]
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
ASIO:
- Australian Security Intelligence Organisation (ASIO) - অস্ট্রেলীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা।
- ASIO অস্ট্রেলিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ানদের তাদের নিরাপত্তার হুমকি থেকে রক্ষা করে।
- অস্ট্রেলিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন অ্যাক্ট 1979 (ASIO অ্যাক্ট) এর ধারা 17-এ তাদের কার্যাবলী নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে -
- Australian Secret Intelligence Service (ASIS) - অস্ট্রেলীয় গোপন গোয়েন্দা পরিষেবা।
- Defence Intelligence Organisation (DIO) - প্রতিরোধ গোয়েন্দা সংস্থা।
উৎস: Australian Security Intelligence Organisation, asio.gov.au.
ইরান-ইরাক যুদ্ধের অন্যতম প্রধান বিরোধ ছিল শাত-ইল-আরব জলপথ নিয়ে।
ইরান-ইরাক যুদ্ধ:
- ইরাক-ইরান যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল।
- ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন "শাত-ইল-আরব” জলপথের নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের তেল সমৃদ্ধ সীমান্তবর্তী অঞ্চল “কোহেস্তান" (Khuzestan) দখলের জন্য ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ সালে ইরান আক্রমণ করেন।
- দীর্ঘ ৮ বছর যুদ্ধ চলার পর ১৯৮৮ সালের ২০ জুলাই জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ।
- ১৯৮৮ সালের ২০ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।
⇒ শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
উৎস: Britannica.
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।
তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- ৬২তম 'মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন- ২০২৫' সালের ১৩ - ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
উৎস: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট।
• থাড (Terminal High Altitude Area Defense):
- যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, যেটি স্বল্প ও মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে পারে।
- এছাড়া, মধ্য ও দূরপাল্লার মাঝামাঝি (ইন্টারমিডিয়েট) শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসেরও সক্ষমতা রয়েছে এটির।
- এটি ‘হিট টু কিল’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রকে শুধু গতিশক্তি ব্যবহার করে ধ্বংস করা হয়।
• যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ‘সি-১৭’ ও ‘সি-৫’ উড়োজাহাজের মাধ্যমে দ্রুত কোনো স্থানে মোতায়েন করা যায় থাড।
• এতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক রাডার। রয়েছে শত্রুপক্ষের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট বা যুদ্ধবিমান ধ্বংসের জন্য শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র। সম্প্রতি,মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলকে ক্ষেপণাস্ত্রবিরোধী ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
• আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়ার তৈরি এস-৫০০ প্রমিথিউস। এটি মূলত আজকের যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য নয়; বরং ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
• এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হওয়া রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাগুলোর একটি। এটি ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে থাকা যুদ্ধবিমান, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে আঘাত করতে সক্ষম।
• আয়রন ডোম ইসরায়েল একটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা, CNN report।
• ব্ল্যাক হ্যান্ড:
- ব্ল্যাক হ্যান্ড ছিল সার্বিয়ার একটি গোপন সংগঠন।
- এরা সার্বিয়ার বাইরে থাকা সার্বদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করত এবং হ্যাবসবার্গ বা অটোমান শাসকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করত।
- ১৯১৪ সালে অস্ট্রিয়ান আর্চডিউক ফ্রানজ ফার্দিনান্দের হত্যার পরিকল্পনায় এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরু ঘটায়।
- ব্ল্যাক হ্যান্ড ১৯১১ সালে তৈরি হয় এবং কর্নেল দ্রাগুতিন দিমিত্রিজেভিক নেতৃত্বে পরিচালিত হতো।
- এর সদস্যরা মূলত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা এবং কিছু সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন।
- সার্বিয়ার ভিতরে তারা সেনাবাহিনী এবং সরকারের ওপর এত প্রভাব বিস্তার করেছিল যে, সরকারের ক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারত।
- ১৯১৭ সালে প্রিন্স আলেকজান্ডার ব্ল্যাক হ্যান্ডের নেতাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠান।
- দ্রাগুতিন দিমিত্রিজেভিক এবং আরও দুইজনকে ফাঁসি দেওয়া হয় এবং ২০০-এর বেশি সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
• দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিরোধ:
- চীন, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই- এদের দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগর একটি প্রধান সমুদ্র পথ।
- জাতিসংঘের বাণিজ্য এবং উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আংকটাডের অনুমান, বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ২১ শতাংশ ২০১৬ সালে এই সমুদ্র পথে পরিবহন করা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩.৩৭ ট্রিলিয়ন ডলার।
- এছাড়া এখানে মৎস্য সম্পদও আছে প্রচুর।
- পুরো অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ এই সাগরে মাছ ধরে জীবন চালায়।
- বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মাছ ধরা জাহাজ ও নৌকা চলে এখানে।
⇒ চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।
⇒ দক্ষিণ চীন সাগরের সবচেয়ে বড় অংশটি দাবি করে চীন।
- তথাকথিত নাইন-ড্যাশ লাইনের মাধ্যমে চীন তাদের এই সীমানা চিহ্নিত করে রেখেছে।
- মোট নয়টি ড্যাশ চিহ্ন দিয়ে এই নাইন-ড্যাশ লাইনটি তৈরি।
- এটি চীনের সবচেয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হাইনান থেকে শত শত মাইল দক্ষিণ এবং পূর্বদিক পর্যন্ত বিস্তৃত।
অন্যদিকে,
- জাপান বিরােধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
সমুদ্রসীমা:
- 'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে, প্রতিটি উপকূলীয় দেশ উপকূল থেকে 200 নটিক্যাল মাইল (370 কিলোমিটার) বিস্তৃত একটি একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
অন্যদিকে,
- টেরিটোরিয়াল বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য - ১২ নটিক্যাল মাইল
- মহীসোপানের দৈর্ঘ্য - ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
⇒ ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
উল্লেখ্য,
- এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে "জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট ফর পিস ইন বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভিনা" নামে পরিচিত, - ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ডেটনের কাছে রাইট-প্যাটারসন বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে সম্পন্ন হয়।
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি বসনিয়া যুদ্ধ (১৯৯২–১৯৯৫), যা প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়ার অংশ ছিল, তার অবসান ঘটায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এর প্রধান কাজ হলো- তথ্য সংগ্রহ করা, গোপন অভিযান পরিচালনা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন করা।
- মোসাদ (Mossad) এর পূর্ণরূপ: The Institute for Intelligence and Special Operations.
- এটি সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করে।
- আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোসাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার উপর নজরদারি করে এবং
- বিশেষ কার্যক্রম হিসেবে সিরিয়া, ইরান ও ইথিওপিয়ার মতো দেশ থেকে ইহুদি শরণার্থীদের গোপনে ইসরায়েলে নিয়ে আসার কাজ সম্পন্ন করেছে।
উৎস: Britannica.
বোকো হারাম:
- বোকো হারাম নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন।
- নাইজেরিয়ার বোরনো প্রদেশের রাজধানী মাইদুগুরির নিকটবর্তী শহর দাম্বোয়ায় বোকো হারাম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কানাম্মায় দলটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- তারা আল-কায়েদার মতোই পশ্চিমা শিক্ষা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে 'জিহাদ' ঘোষণা করেছে সশস্ত্র আক্রমণের মধ্য দিয়ে।
উল্লেখ্য,
- বোকো হারামের নামের অর্থ পশ্চিমা শিক্ষা নিষিদ্ধ।
- পশ্চিমা শিক্ষা-দীক্ষার বিরুদ্ধে তারা বরাবরই আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলে।
- মানুষের তৈরি আইন ও আধুনিক বিজ্ঞানকে সংগঠনটি অস্বীকার করে।
- তাদের ভাষায়, পশ্চিমা শিক্ষা মুসলমানদের দুর্নীতিগ্রস্ত করে তোলে।
- বোকো হারামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো-শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠিত করা।
উৎস: Britannica.
• Five Eyes (FVEY):
- আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি/সহযোগিতা।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৬-এ “UKUSA Agreement” থেকে শুরু,
- আধুনিক Five Eyes আকারে বিকাশ পায় ১৯৫০-এর দশকে।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কঠোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করে।
• প্রধান সংস্থা সমূহ: NSA (USA), GCHQ (UK), CSE (Canada), ASD (Australia), GCSB (New Zealand).
• মূল কার্যক্রম:
- সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) আদান-প্রদান।
- আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা।
- সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি শেয়ারিং।
- বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও তথ্য বিনিময় ।
উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।
কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির নাম ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ (এসএমডিএ)।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোতে ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিরক্ষায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানকে বিভিন্নভাবে অর্থসহায়তা দেবে সৌদি আরব। বিনিময়ে প্রয়োজনীয় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা।
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
⇒ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• Southern Transitional Council (STC):
- এটি ইয়েমেনের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনৈতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: মে, ২০১৭।
- নেতৃত্ব: আইদারুস আল-যুবাইদী
- এটি একটি সংখ্যালঘু দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- লক্ষ্য: সাবেক পিপল'স ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলগুলোকে স্বাধীন দেশে পরিণত করা।
উল্লেখ্য,
- ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে।
- গৃহযুদ্ধের শুরুতে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা দ্রুতগতিতে রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের উত্তরের বেশির ভাগ অংশের দখল নেয়।
- তখন সৌদি আরব, আমিরাতসহ আরব দেশগুলোর একটি জোট ইয়েমেন সরকারকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করে।
- ২০২২ সালের পর দক্ষিণ ইয়েমেনের বৃহৎ অংশ আমিরাত-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) দখলে চলে গেছে।
- এসটিসি ইয়েমেনের তেলসমৃদ্ধ হাজরামাউত প্রদেশও দখল করেছে।
তথ্যসূত্র:
i) German Institute for Global and Area Studies. (Link1)
ii) Armed Conflict Location & Event Data. (Link2)
iii) প্রথম আলো ও বিবিসি। (Link3)
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM):
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM)-এর প্রতিষ্ঠার সরাসরি পূর্বসূরি হিসেবে ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলন বা এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলনকে গণ্য করা হয়।
- ইন্দোনেশিয়ার বান্দুংয়ে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ঔপনিবেশিকতা বিরোধী এবং জোট নিরপেক্ষতার ভিত্তি হিসেবে ১০টি মূলনীতি গৃহীত হয়েছিল যা ১৯৬১ সালে ন্যাম (NAM) প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের অংশগ্রহণে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর অংশ হিসেবে ভারতের জওহরলাল নেহেরু, ইন্দোনেশিয়া ড. আহমেদ সুকর্ণ, মিশরের গামাল আবদেল নাসের প্রমুখ নেতৃত্ববৃন্দের উদ্যোগে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
• NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা: যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটো, ঘানার রাষ্ট্রপতি কোয়ামে নক্রমা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ।
উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
পিং পং ডিপ্লোম্যাসি প্রভাবে ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন চীন সফর করেন।
Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।
⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে। ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর। সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।
⇒ পিংপং ডিপ্লোম্যাসির প্রভাব:
- ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল চীনের উপর ২০ বছর ধরে থাকা ভ্রমণ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- ১৯৭১ সালের অক্টোবরে ভোটের মাধ্যমে জাতিসংঘে বৈধ পদ লাভ করে চীন। পাশাপাশি তারা খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সক্ষম হয়।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর সমাপ্ত হয় ‘সাংহাই কম্যুনিক’ এর মাধ্যমে।
- ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে পিপলস রিপাবলিক অব চায়নাকে স্বীকৃতি দেয়।
উৎস: Britannica.
• Southern Transitional Council (STC):
- এটি ইয়েমেনের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনৈতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: মে, ২০১৭।
- নেতৃত্ব: আইদারুস আল-যুবাইদী
- এটি একটি সংখ্যালঘু দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- লক্ষ্য: সাবেক পিপল'স ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলগুলোকে স্বাধীন দেশে পরিণত করা।
উল্লেখ্য,
- ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে।
- গৃহযুদ্ধের শুরুতে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা দ্রুতগতিতে রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের উত্তরের বেশির ভাগ অংশের দখল নেয়।
- তখন সৌদি আরব, আমিরাতসহ আরব দেশগুলোর একটি জোট ইয়েমেন সরকারকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করে।
- ২০২২ সালের পর দক্ষিণ ইয়েমেনের বৃহৎ অংশ আমিরাত-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) দখলে চলে গেছে।
- STC ইয়েমেনের তেলসমৃদ্ধ হাজরামাউত প্রদেশও দখল করেছে।
তথ্যসূত্র:
i) German Institute for Global and Area Studies.
ii) Armed Conflict Location & Event Data.
iii) প্রথম আলো ও বিবিসি।
শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়।
শাটল ডিপ্লোম্যাসি (Shuttle Diplomacy):
- শাটল ডিপ্লোম্যাসি হলো একটি বিশেষ কূটনৈতিক কৌশল যেখানে একজন নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী বিবাদমান দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা ছাড়াই যোগাযোগ রক্ষা করে।
- তিনি এক পক্ষের কাছে গিয়ে তাদের মতামত, প্রস্তাব বা অভিযোগ শোনেন, তারপর অন্য পক্ষের কাছে গিয়ে সেগুলো পৌঁছে দেন এবং প্রস্তাব নিয়ে আবার ফিরে আসেন। এভাবে বারবার যাতায়াত (শাটলের মতো) করে আলোচনা এগিয়ে নেয়া হয়।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
⇒ শাটল ডিপ্লোম্যাসি সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ:
- ১৯৭৩ সালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হন হেনরি কিসিঞ্জার।
- ‘শাটল ডিপ্লোম্যাসি’ নামে পরিচিত এই কূটনৈতিক প্রয়াসে কিসিঞ্জার তৃতীয় ব্যাক্তি হিসেবে আরব দেশগুলোর মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসন সম্পর্কিত আলোচনায় সহায়তা করেন।
- ১৯৭৩ সালের ইয়োম কিপুর যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষে বারবার যাতায়াত করতেন।
- তিনি মিশর, ইজরায়েল, সিরিয়া ইত্যাদি আরবদেশে অনেকবার এরকম ‘শাটল মিশন’ পরিচালনা করেন।
- এই কৌশলের ফলে যে বড় চুক্তির পথ প্রশস্ত হয় তা হলো ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords)।
- কিসিঞ্জারের শাটল ডিপ্লোমেসি মিশর-ইসরায়েলের মধ্যে ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি করে যা পরে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিডে পূর্ণ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হয়।
উল্লেখ্য,
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (Oslo Accords): ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তি। নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। এটি শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।
উৎস: i) Britannica.
ii) Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (অক্টোবর, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (অক্টোবর, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
- FARC বা রেভোলিউশনারি আর্মড ফোর্সেস অফ কলম্বিয়া ছিল দেশটির প্রধান বামপন্থী গেরিলা গোষ্ঠী।
ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।
সূত্র: Britannica.
- ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম নিকোলাস মাদুরো।
• নিকোলাস মাদুরো
- পূর্ণ নাম: নিকোলাস মাদুরো মোরোস
- জন্ম: ২৩ নভেম্বর ১৯৬২ খ্রি.
- জন্মস্থান: কারাকাস, ভেনেজুয়েলা
- পেশা: রাজনীতিবিদ ও শ্রমিক নেতা
- বর্তমান পদ: ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি
» রাজনৈতিক জীবন
- ১৯৯৯ সালে জাতীয় গণপরিষদের সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ।
- পরে জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১২ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন।
- ২০১৩ সালের মার্চে হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হন।
- ২০১৩ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিশেষ নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পুনর্নির্বাচিত হন।
» বিতর্ক ও সমালোচনা
- তার শাসনকাল জুড়ে কর্তৃত্ববাদ, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, ও বিতর্কিত নির্বাচনের অভিযোগ উঠেছে।
- মাদুরোর নেতৃত্বে ভেনেজুয়েলা রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক পতন, এবং মানবিক সংকটে পতিত হয়েছে।
» আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট
- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ও বিরোধিতা সত্ত্বেও মাদুরো ক্ষমতায় টিকে আছেন।
- তিনি হুগো শ্যাভেজের আদর্শ, চাভিসমো-এর দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
- নিকোলাস মাদুরো শ্যাভেজের রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন,
- যদিও তার শাসনকাল ব্যাপক বিতর্কিত ও অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে পরিচিত জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯।
- এই কনভেনশনে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই কনভেনশন টি সম্পূর্ণ যুদ্ধকালীন আচরণ সম্পর্কিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতায় মর্মাহত হয়ে ১৯৪৯ সালের চারটি জেনেভা কনভেনশনে দুনিয়ার রাষ্ট্রগুলো -এ মর্মে ঐকমত্য পোষণ করে যে যারা কোনোভাবে বৈরিতায় সম্পৃক্ত নয়, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে—আহত ও অসুস্থ সেনা, যুদ্ধবন্দী ও বেসামরিক মানুষ।
উৎস: Britannica.com
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।
- গাজা উপত্যকা দখল: ২০০৭ সালে।
⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- তাদের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।
উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে প্যালেস্টাইনের সাধারণ নির্বাচনে হামাস ফাতাহকে হারিয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফাতাহ হেরে যাওয়ার পর এবং হামাস যোদ্ধারা গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়। ওই সংঘাতের ফলে ফিলিস্তিনের যৌথ সরকারের বিলুপ্তি ঘটে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে শাসনভার ভাগ হয়ে যায়। ফিলিস্তিনের দুই অংশ- পশ্চিম তীর ফাতাহ আর গাজা হামাসের শাসনে চলে যায়।
- ১০ জুন, ২০০৭ থেকে গাজায় হামাস এবং ফাতাহের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। তিন দিনের তীব্র সংঘর্ষের পর হামাস গাজা নিয়ন্ত্রণ নেয়।
উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.
- NATO-এর ৩২টি সদস্য দেশের মধ্যে ২টি দেশ ইউরোপের বাইরে অবস্থিত। এগুলো হলো — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
NATO:
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট,
- এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাকালে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ, বর্তমানে সদস্য বেড়ে ৩২টিতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য,
- ন্যাটোতে মুসলিম দেশ হিসেবে তুরস্ক ও আলবেনিয়া সদস্যপদ লাভ করেছে।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য হয়।
- সংগঠনের সর্বশেষ সদস্য সুইডেন, এটি ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছে।
- বর্তমানে ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুট্টে।
সূত্র: ন্যাটোর ওয়েবসাইট।
• নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও বিবিসি বাংলা।