বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা / ৩৪ · ১০০ / ৩,৩৩৯

.
FSB পূর্বে কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. KGB
  2. TGF
  3. KFS
  4. KML
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে রাশিয়ার উদ্বেগের প্রধান কারণ কী?
  1.  রাশিয়ার বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করে
  2. সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য ক্ষতিকর
  3. নিরাপত্তা হুমকি এবং প্রভাব বলয় হারানোর ভয়
  4. রাশিয়ায় বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস
ব্যাখ্যা

ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে রাশিয়ার উদ্বেগের প্রধান কারণসমূহ:
- নিরাপত্তা ঝুঁকি: রাশিয়ার সীমান্তে ন্যাটোর সামরিক অবকাঠামো এবং বাহিনী মোতায়েনকে মস্কো তাদের কৌশলগত গভীরতা (Strategic Depth) এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখে।
- প্রভাববলয় রক্ষা: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে পশ্চিমা প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়াকে রাশিয়া তাদের নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবের ওপর বড় আঘাত মনে করে।
- প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন: রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, নব্বইয়ের দশকের শুরুতে পশ্চিমারা ন্যাটো সম্প্রসারণ না করার যে মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তার লঙ্ঘন।
- ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: পূর্ব ইউরোপে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রাশিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করে।

উৎস:
i)সমকাল পত্রিকা Link
ii)The Eastern Perspective: Russia Towards NATO Enlargement. A Case Study of 1999 and 2004 NATO Enlargements

.
Who is the current head of NATO? (December, 2024)
  1. Giovanni Antonio
  2. Christopher Wray
  3. Lloyd Austin
  4. Mark Rutte
  5. Jens Stoltenberg
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য সুইডেন। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর বর্তমান প্রধান মার্ক রুট্টে। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
Chemical Weapons Convention (CWC)- কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৩
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন (রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বা CWC), 
- একটি প্রস্তাবনা, 24টি অনুচ্ছেদ এবং 3টি পরিশিষ্ট নিয়ে গঠিত - 
- ১৯৯৩ সালের ১৩ জানুয়ারী প্যারিসে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- প্রথম দুই দিনের মধ্যে ১৩০টি দেশ কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।
- কার্যকর হয় ১৯৯৭ সাল থেকে।
- ১৯৩টি রাষ্ট্র রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।

Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল:২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সদস্য দেশ: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- OPCW নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৩ সালে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

.
বার্লিন প্রাচীর কারা তৈরি করেছিল?
  1. পূর্ব জার্মানি
  2. পশ্চিম জার্মানি
  3. দুই জার্মানি একত্রে
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর (১৯৬১-১৯৮৯):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
-  স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন  ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানে যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।
- অবশেষে ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি একত্রিত হয়।
 
উৎস: Britannica.
.
‘টমাহক' ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের তৈরি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

‘টমাহক' ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র:
- টমাহক হলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি অত্যন্ত দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র।
- এটি ভূমি এবং সমুদ্র উভয় জায়গা থেকেই ছোড়া যায়।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
- টমাহকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি রাশিয়ার মতো ব্যাপক শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পারে।
- এটি প্রায় ২০ ফুট লম্বা এবং এর ওজন ১ হাজার ৫১০ কেজি।
- বিমানের মতো এতেও দুটি পাখা থাকে। তবে এটি একটি নন-নিউক্লিয়ার (পারমাণবিক নয়) ক্ষেপণাস্ত্র।
- এই উচ্চ সক্ষমতার কারণে যেকোনো দেশ বা

উৎস: Britannica.

.
‘ইএলএন (ELN)’ কোন দেশভিত্তিক গেরিলা গোষ্ঠী?
  1. পেরু
  2. নাইজেরিয়া
  3. মেক্সিকো
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
ইএলএন (ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি):
- ইএলএন কলম্বিয়ার সবচেয়ে পুরনো সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী। 

- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ায় জাতীয় মুক্তি বাহিনী "গৃহযুদ্ধ" শুরু করার পর থেকে কলম্বিয়ায় ২০০,০০০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
- ফ্যাবিও ভাস্কেজ কাস্তানো নামে একজন উদারপন্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এই দলটি একটি মার্কসবাদী সংগঠন হিসেবে গঠিত হয়েছিল।
- এটি কলম্বিয়ার সরকার এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের নামে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে।।
- এই দলটি নিজেদেরকে দরিদ্রদের সমর্থক হিসেবে দেখে এবং কলম্বিয়ায় বিদেশী প্রভাবের অবসান ঘটাতেও চায়।
- তবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী লড়াই, অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি,
- ইএলএন গেরিলারা বর্তমানে ভেনেজুয়েলা সীমান্তের কাছে একটি বিশাল ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে।
- যেখানে লড়াইয়ের ফলে প্রায় ৫৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

উৎস: encyclopedia.com [Link]
.
ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় কবে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৮ অক্টোবর
  2. ৯ অক্টোবর
  3. ১০ অক্টোবর
  4. ১১ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

• হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি: 
- গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
- ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ১০ অক্টোবর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
- তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
- যুদ্ধবিরতি এবং হামাসের কাছে থাকা জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি এই চুক্তির আওতায় প্রথম ধাপে ইসরায়েলও শত শত ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।
- গাজার কিছু অংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার শুরু এবং গাজায় প্রতিদিন ত্রাণ সামগ্রীবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে দেওয়ারও কথা রয়েছে।
- গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে নজর রাখতে বহুজাতিক সেনা মোতায়েন করা হবে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
- তবে তারা গাজায় প্রবেশ করবে না।
- যুদ্ধবিরতি এবং অন্যান্য লঙ্ঘন হচ্ছে কি না সেই বিষয়ে নজর রাখবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

.
জার্মানের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখার নাম কি?
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. সনোরা লাইন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. ওডারনিস লাইন
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
১০.
নিচের কোন দুটি দেশে 'ভূমধ্যসাগরের জলসীমা' নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে?
  1. গ্রিস ও জর্ডান
  2. তুরস্ক ও লেবানন
  3. গ্রিস ও তুরস্ক
  4. ইরান ও আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
বিরোধপূর্ণ অঞ্চল:
- ভূমধ্যসাগরে জলসীমা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে।
- তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের ২০০ কিলোমিটারের সীমান্ত আছে।
- ভূমধ্যসাগরে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন নিয়েও দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিরোধ চলে।
- তুরস্ক ও গ্রিস দুটি দেশই ন্যাটোর সদস্য। কিন্তু পূর্ব ভূমধ্যসাগর এলাকা থেকে জ্বালানি আহরণের প্রতিযোগিতায় তারা হয়ে উঠেছে পরস্পরের প্রতিপক্ষ।

অন্যদিকে,
- ইরানের পূর্বনাম ছিল পারস্য।
- ইরান ও আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
১১.
জেনেভা কনভেনশন এর বিষয়বস্তু কী?
  1. শরনার্থীদের প্রতি আচরণ
  2. মানবাধিকার বিষয়ক বিধি
  3. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ
  4. শিশু অধিকার সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
১২.
FBI কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৯০৮ সালে
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যা
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (মে, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩.
কোন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের আনুষ্ঠানিক নাম ‘আনসারুল্লাহ‘ ?
  1. ক) হুথি বিদ্রোহীদের
  2. খ) গডস আর্মি
  3. গ) ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) হিজবুল্লাহ
ব্যাখ্যা
হুথি বিদ্রোহী:
- হুথি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়। তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ইয়েমেনে ৯৯.৫ শতাংশ মুসলমান, যার মধ্য ৭০ শতাংশ সুন্নী ও ৩০ শতাংশ শিয়া। এই ৩০ শতাংশ শিয়ারাই মুলত হুথি সম্প্রদায়। এই হুথিদেরকে ইরানের শিয়া সরকার ও লেবাননের হিজবুল্লার সহযোগী সংগঠন বলে মনে করা হয়।

উৎস: The Daily Star
১৪.
'NATO' কতটি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ৩৫টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ২০টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩০টি। 
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হওয়ার সময় এই জোটের ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।
- ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত আরো পাঁচটি  রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে: বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, সুইডেন এবং ইউক্রেন। কসোভোও ন্যাটোতে যোগ দিতে চায়। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট 
১৫.
কেরেম-শালম ক্রসিং (Kerem Shalom Border Crossing) কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজা - ইসরায়েল
  2. গাজা - পশ্চিম তীর
  3. গাজা - মিশর
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
কেরেম-শালম ক্রসিং:
- কেরেম-শালম ক্রসিং গাজার সাথে ইসরায়েল ও মিশরের সীমান্ত নির্দেশ করে।
- এই সীমান্তটি ইসরায়েল বা মিশর থেকে গাজা উপত্যকায় পণ্য বহনকারী গাড়ির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- গাজা উপত্যকার ভেতর থেকে হামাসের রকেট হামলার পর ইসরায়েল গাজায় কেরাম শালোম ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছিল।
- ইসরায়েল বলেছে, এই হামলায় তাদের সৈন্য নিহত এবং আহত হয়েছে।
- হামাসের রকেট হামলায় সেনা নিহত হওয়ায় এটি বন্ধ করার চার দিন পর তা ফের খুলে দেওয়া হলো।

উৎস: BBC.
১৬.
OPCW-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. হেগ, নেদারল্যান্ডস 
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4.  ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

• OPCW:
- পূর্ণরূপ: Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons
- প্রকৃতি: রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৯৯৭ সালের ২৯ এপ্রিল
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৩টি দেশ (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- পুরস্কার: ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত
- বর্তমান মহাপরিচালক: ফার্নান্দো আরিয়াস (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র: OPCW ওয়েবসাইট।

১৭.
হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত কারা?
  1. সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স
  2. কিউবার গেরিলা বাহিনী 
  3. ইয়েমেনের জঙ্গি গোষ্ঠী
  4. লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী
ব্যাখ্যা

হোয়াইট হেলমেট (White Helmets):
- হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত হলো সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স। 
- এরা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বোমা হামলা ও ধ্বংসলীলার শিকার সাধারণ মানুষজনকে উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং জরুরি পরিষেবা প্রদান করে, আর তাদের সাদা হেলমেট থেকেই এই নামকরণ হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই গোষ্ঠীর লক্ষ্য "সকল পক্ষের বোমা হামলা ও যুদ্ধ বন্ধ করা এবং সিরিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা"।
- যখন সিরিয়ার কোথাও বোমা হামলা হচ্ছে সবার আগে সেখানে ছুটে যাচ্ছে 'হোয়াইট হেলমেট'।
- তারা সিরিয়ার ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবনবাজি রেখে মানুষকে উদ্ধার করছে বিশেষ করে শিশুদের।
- হোয়াইট হেলমেটস গ্রুপ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫৪,০০০ জীবন বাঁচিয়েছে।
- হোয়াইট হেলমেটদের লক্ষ্য হলো "সর্বনিম্ন সময়ের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক জীবন বাঁচানো এবং মানুষের আরও আঘাত এবং সম্পত্তির ক্ষতি কমানো।"

উৎস: i) White Helmets ওয়েবসাইট।
ii) History.com

১৮.
ভারত ও নেপালের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল নয় কোনটি?
  1. গিলগিট
  2. লিপুলেখ
  3. লিমপিয়াধুরা
  4. কালাপানি
ব্যাখ্যা
• ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ:
- ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে ১,৬৯০ কিলোমিটার বা ১,০৫০ মাইল।
- বর্তমানে যেসব স্থান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে সেগুলো হলো কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ ও সুস্তা।
- ২ নভেম্বর ২০১৯ সালে ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে।
- উক্ত মানচিত্রে বিতর্কিত ভূমি কালাপানি, লিমপিয়াধুরা ও লিপুলেখ ভারতীয় সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।

⇒ বিঃদ্রঃ গিলগিট পাকিস্তানের অঞ্চল। 

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা। 
১৯.
‘CENTCOM ’ কী?
  1. মার্কিন সামরিক বাহিনী
  2. রুশ সামরিক বাহিনী
  3. বৃটিশ সামরিক বাহিনী
  4. ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী
ব্যাখ্যা
মার্কিন সামরিক বাহিনী (সেন্টকম)
- ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড হল ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ডিপার্টমেন্টের এগারোটি ইউনিফাইড কমব্যাট্যান্ট কমান্ডের একটি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেন্টকম মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
-  প্রতিষ্ঠার পর থেকে, CENTCOM মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরাকের মধ্যে দুটি দ্বন্দ্ব-অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম (১৯৯১) এবং অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম (২০০৩-১১)-এবং ২০০১ সালে শুরু হওয়া আফগানিস্তান যুদ্ধ সহ বেশ কয়েকটি অপারেশনের জন্য দায়ী ।
- সম্প্রতি,(২০২৪ সালে) ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে একযোগে বিমান হামলা চালিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সামরিক বাহিনী (সেন্টকম)।

সূত্র- ব্রিটানিকা।
২০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. লুজান চুক্তি
  3. সেভার্স চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
লুজান চুক্তির ফলে-
- বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
- অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।
- এছাড়া আরাে কতিপয় বিধি নিষেধ আরােপিত হয়।

আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com
২১.
অত্যাধুনিক ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের তৈরি?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

 • ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র:
- টমাহক ক্রুজ মিসাইল (Tomahawk Cruise Missile) হলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি দীর্ঘপাল্লার সাবসনিক (Subsonic) ক্ষেপণাস্ত্র, যা স্থলভাগ বা সামুদ্রিক লক্ষ্যবস্তুতে খুবই নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
- এটি মূলত Raytheon Technologies নামক মার্কিন কোম্পানি তৈরি করে।
- সাধারণত আমেরিকার নৌবাহিনী এবং সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপ করা হয়।
- পাল্লা প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ২০২৫ সালের জুন মাসে 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' অভিযানে মার্কিন সাবমেরিন থেকে টোমাহক মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়, যা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানে।
- গত ৫ অক্টোবর, ২০২৫ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, দূর পাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর অনুরোধ করেছেন জেলেনস্কি।
- এগুলো ব্যবহার করে রাজধানী মস্কোসহ রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালাতে চায় কিয়েভ।

তথ্যসূত্র: RTX ওয়েবসাইট এবং সিএনএন।

২২.
'ইন্টারপোল গ্লোবাল কমপ্লেক্স ফর ইনোভেশন' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল :
- ইন্টারপোল হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- International Criminal Police Organization হলো ইন্টারপোল এর পূর্ণরূপ।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালে। 
- বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- ২০১৫ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে অবস্থিত, ইন্টারপোল গ্লোবাল কমপ্লেক্স ফর ইনোভেশন হল সাইবার অপরাধ, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইন্টারপোলের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। 
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- ইন্টারপোলের বর্তমান সভাপতি হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আহমেদ নাসের আল-রাইসি।
- মিঃ আল-রাইসি ২০২১ সালের নভেম্বরে ইস্তাম্বুলে ৮৯তম সাধারণ পরিষদে নির্বাচিত হন।
- ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। [ব্যাখ্যা আপডেট - ডিসেম্বর, ২০২৫]

উৎস: ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৩.
শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করে বিরোধ ছিল কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. ইরান-ইরাক
  2. ইসরায়েল-ইরান
  3. লেবানন-ইসরায়েল
  4. সিরিয়া-মিশর
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক ইরান বিরোধ রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের
১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

উৎস: Britannica.
২৪.
CIA এর প্রধান কার্যালয় কোন শহরে অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ভার্জিনিয়া
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা

• CIA:
- সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা CIA হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও গোপন অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ল্যাংলিতে।
- CIA বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: CIA ওয়েবসাইট।

২৫.
গ্যালাপের বৈশ্বিক আইনশৃঙ্খলা সূচক অনুসারে সর্বনিম্ন  দেশ কোনটি?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) সিঙ্গাপুর
  3. গ) নেপাল 
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্যালাপের বৈশ্বিক আইনশৃঙ্খলা সূচক-২০২২

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনমত জরিপ প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ বৈশ্বিক
 আইনশৃঙ্খলা সূচক-২০২২ প্রকাশ করেছে।

সূচক অনুসারে,
• শীর্ষ দেশ - সিঙ্গাপুর
•সর্বনিম্ন দেশ- আফগানিস্তান। 
•বাংলাদেশের স্কোর - ৭৯ তম।

উৎস: লাইভ MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ডিসেম্বর, ২০২২
২৬.
কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিভিন্ন দেশের 'ভ্যাকসিন কূটনীতি' (Vaccine Diplomacy) কোন ধরনের ক্ষমতার প্রয়োগ?
  1. হার্ড পাওয়ার  
  2. সফট পাওয়ার 
  3. শার্প পাওয়ার 
  4. স্ট্রাকচারাল পাওয়ার  
ব্যাখ্যা

- ভ্যাকসিন কূটনীতির মাধ্যমে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো অন্য দেশকে ভ্যাকসিন সহায়তা দিয়ে তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চেয়েছে, এটি সফট পাওয়ারের একটি আধুনিক উদাহরণ।

সফট পাওয়ার (Soft Power): 
- কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিভিন্ন দেশের ‘ভ্যাকসিন কূটনীতি’ মূলত সফট পাওয়ার (Soft Power) এর একটি উদাহরণ।
- সফট পাওয়ার হলো অন্যকে জবরদস্তি বা চাপ প্রয়োগ না করে, আকর্ষণ এবং বিশ্বাসের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা।
- ভ্যাকসিন সরবরাহ বা স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের রাজনৈতিক এবং নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি আস্থা তৈরি করে। 
- এটি সরাসরি সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের পরিবর্তে আকর্ষণ ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, চীন ও ভারত মহাদেশের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে, এটি তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে উন্নত করেছে। সফট পাওয়ার দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করে। 

এছাড়াও, 
হার্ড পাওয়ার (Hard Power):
- হার্ড পাওয়ার হলো জবরদস্তি, সামরিক হুমকি বা অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে অন্যকে বাধ্য করা। 

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। 

২৭.
নিম্নের কোন অঞ্চলের প্রভাব শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact) গঠিত হয়েছিল?
  1. পূর্ব ইউরোপ 
  2. পশ্চিম ইউরোপ 
  3. উত্তর আমেরিকা 
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

২৮.
নিচের কোনটি ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ?
  1. আলজেরিয়া
  2. আজারবাইজান
  3. আলবেনিয়া
  4. আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।
তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২৯.
তাসখন্দ চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৬৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৭ সালের ৩০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি-১৯৬৬:
- পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ- ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য: কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

উৎস: Britannica.
৩০.
IRA কোন দেশের সশ্বস্ত্র সংগঠন?
  1. পেরু
  2. কোস্টারিকা
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA):
- 'Irish Republican Army' (IRA) যাকে 'Provisional Irish Republican Army' ও বলা হয়। 
- IRA (The Irish Republican Army) হলো আয়ারল্যান্ডের সশ্বস্ত্র সংগঠন।
- IRA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে।
- ২০০৫ সালে সংগঠনটি অস্ত্র ত্যাগ করে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানের অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।
- আইআরএর উদ্দেশ্য ছিল আয়ারল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসনকে অকার্যকর করার জন্য সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার করা এবং একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করা।

অন্যদিকে,
- শাইনিং পাথ পেরুর সশ্বস্ত্র সংগঠন হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩১.
ULFA-এর সাথে ভারত সরকারের দ্বন্দ্ব কোন অঞ্চলে প্রধানত কেন্দ্রীভূত ছিল?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. আসাম
  3. মণিপুর
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- 'ULFA-এর সাথে ভারত সরকারের দ্বন্দ্ব আসাম অঞ্চলে প্রধানত কেন্দ্রীভূত ছিল

উলফা (ULFA):

- এর পূর্ণরূপ: United Liberation Front of Assam ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।

উৎস - South Asia Terrorism Portal.

৩২.
কত সালে আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার করা হয়?
  1. ক) ১৯৮৮ সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
In February 1989, the last Soviet soldier left Afghanistan, where civil war continued until the Taliban’s seizure of power in the late 1990s.
Source: history.com
৩৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। 
 
উৎস: প্রথম আলো 
৩৪.
শাখালিন দ্বীপ নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. রাশিয়া-ইউক্রেন
  2. রাশিয়া-জাপান
  3. জাপান-চীন
  4. জাপান-উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ: 
- অবস্থান: রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে; ওখোৎস্ক সাগরের পশ্চিমে এবং জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের উত্তরে অবস্থিত।
- শাখালিন দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ  চলছে।
- আয়তন: প্রায় ৭৬,৪০০ বর্গকিলোমিটার ।
- দ্বীপটি পাহাড়ি; পূর্ব ও পশ্চিমে দুটি পর্বতমালা রয়েছে, যার মধ্যে পূর্ব শাখালিন পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট লোপাতিন (১,৬০৯ মিটার) ।
- প্রধান জলসীমা: ওখোৎস্ক সাগর, তাতার প্রণালী (Tatar Strait), এবং লা পেরুজ প্রণালী (La Pérouse Strait) ।
- রুশ ও জাপানি আগমন: ১৮৫৫ সালে রাশিয়া ও জাপান দ্বীপটির যৌথ নিয়ন্ত্রণে সম্মত হয়।
- ১৮৭৫ সালে রাশিয়া কুরিল দ্বীপপুঞ্জের বিনিময়ে শাখালিনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করে ।
- রুশ-জাপান যুদ্ধ ও বিভাজন: ১৯০৫ সালের পোর্টসমাউথ চুক্তির মাধ্যমে দ্বীপটির ৫০তম সমান্তরাল রেখার দক্ষিণাংশ জাপানের অধীনে যায়,
- যা "কারাফুটো" (Karafuto) নামে পরিচিত করে ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৫.
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (SAFTA) কোন সংস্থার আওতায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. BIMSTEC
  2. WTO
  3. SAARC
  4. ASEAN
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA):
- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA) হলো দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (SAARC) একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ১৯৯৩ সালের SAARC অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (SAPTA) স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০০৬ সালে কার্যকর হয়।
- SAFTA-র সদস্য রাষ্ট্রসমূহ: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। 
- ২০১১ সালে LDC তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও মালদ্বীপকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে।
- SAFTA দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
৩৬.
নিচের কোন দেশটি Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA)-ভুক্ত নয়? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. পাকিস্তান
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা

• Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA)-ভুক্ত নয়- পাকিস্তান।

• Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA ).

- APTA হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের একটি অগ্রাধিকারমূলক আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ১৯৭৫ সালে ব্যাংকক এগ্রিমেন্ট নামে স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০০৫ সালে এটি সংশোধন করে এর নামকরণ করা হয় Asia Pacific Trade Agreement.

• APTA ভুক্ত দেশগুলো হলো:
- বাংলাদেশ, 
- চীন, 
-ভারত, 
- লাওস, 
- মঙ্গোলিয়া, 
- কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, 
- শ্রীলঙ্কা। 

উৎস: ESCAP Website.

৩৭.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ -
  1. চীন ও আফগানিস্তান
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও ভারত
  4. পাকিস্তান ও চীন
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
৩৮.
স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শেখ হাসান নাসরুল্লাহ
  2. শেখ আহমেদ ইয়াসিন
  3. আল মুজাহিদিন
  4. আহমেদ আবদি গোদানে
ব্যাখ্যা
• হামাস:
→ হামাস ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
শেখ আহমেদ ইয়াসিন ১৯৮৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
→ হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি ২০১৭ সাল থেকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০২১ সালে ইসমাইল হানিয়া দ্বিতীয়বারের মতো পুনঃনির্বাচিত হন।
→ হামাস ২০০৬ সাল থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
→ হামাসের সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৯১ সালে ইজ্জ আল দ্বীন আল কাসেম বিগ্রেড গঠিত হয়। 
→ হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা রিপোর্ট।
৩৯.
নকশালবাড়ি আন্দোলন একটি-
  1. ক) সাংস্কৃতিক আন্দোলন
  2. খ) বামপন্থী আন্দোলন
  3. গ) পরিবেশবাদী আন্দোলন
  4. ঘ) অহিংস আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- নকশালবাড়ি আন্দোলন হলো ভারতের একটি বামপন্থী মাওবাদী আন্দোলন।
- ১৯৬৭ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রাম থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এই আন্দোলন অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।
- নকশালবাড়ি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ।
- এদের লক্ষ্য ছিলো ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করা।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
৪০.
মোসাদ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

মোসাদ
- মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- মশাদের প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদর দপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- মোসাদ কাজ:
• তথ্য সংগ্রহ, 
• গোপন অভিযান ও 
• সন্ত্রাসবাদ দমন।

- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- ইসরায়েলের অন্য গোয়েন্দা সংস্থা সমূহ: Shin Bet (Shabak), Aman.

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

৪১.
NATO-এর ISAF মিশন কোন দেশে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. সিরিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. ইরাক
  4. লিবিয়া
ব্যাখ্যা
NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি।[জুন- ২০২৫] 
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।[জুন- ২০২৫] 
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।

উল্লেখ্য, 
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- ২০০১ সালে আফগান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর নেতৃত্বে গঠিত হয় - International Security Assistance Force (ISAF)।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৪২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ কোনটি?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, যখন জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে।
- আর শেষ হয় ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে।
- এই আক্রমণের পর ফ্রান্স ও ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়নকে নিষ্ক্রিয় রাখতে অনাক্রমণ চুক্তি করে, আর পোল্যান্ডকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।
- ২য় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির মধ্যে ছিল: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- আর মিত্রশক্তির মধ্যে ছিল: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৪৩.
HTS কোন দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী?
  1. সিরিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. ইরান
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
HTS:
- HTS-এর পূর্ণরূপ: Hay'at Tahrir al-Sham।
- হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) একটি ইসলামিক সশস্ত্র গোষ্ঠী যা সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিম অংশে, বিশেষ করে ইদলিব প্রদেশে সক্রিয়।
- প্রতিষ্ঠা: ২০১৭ সালে আহরার আল-শাম এবং অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সাথে মিলে হায়াত তাহরির আল-শাম গঠন করা হয়।

⇒ এর গঠন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কথিত আইএস গ্রুপের নেতা আবু বকর আল বাগদাদী।
- এটি মূলত আল-কায়েদার সিরিয়ান শাখা আল-নুসরা ফ্রন্টের উত্তরসূরি।
- এটি আগে আল-কায়েদার সিরিয়ান শাখা ছিল।
- ২০১৬ সালে এই গোষ্ঠীর নেতা আবু মোহাম্মেদ আল জাওলানি আল-কায়েদার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে স্বাধীনভাবে কাজ শুরু করে।
- এর নামই রাখা হয় হায়াত তাহরির আল -শাম এবং পরে এর সাথে আরও কিছু ছোট গোষ্ঠী যোগ হয়।

⇒ এর মূল লক্ষ্য ছিল সিরিয়ার সরকার ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
- জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র এবং তুরস্কসহ অনেক দেশে এইচটিএস সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত।
- তাদের বিদ্রোহে ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালে সিরিয়াস গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- টানা গৃহযুদ্ধের কারণে কার্যত ধসে গেছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা।
- এইচটিএস গোষ্ঠীটিই প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ও প্রাণঘাতী ছিলো।
- কয়েক বছর ধরে ইদলিব ছিলো যুদ্ধক্ষেত্র, কারণ সরকারি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছিলো।
- ২০২০ সালে রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। আর তুরস্ক বিদ্রোহীদের সমর্থন যুগিয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৪৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির উপর ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. লন্ডন চুক্তি
  4. পটসডাম চুক্তি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর যে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছিল, তা মূলত স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তি (Treaty of Versailles)-এর মাধ্যমে হয়েছিল। এই চুক্তিটি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং মিত্র দেশগুলোর ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করে। 
- ফলাফল: যুদ্ধের কারণে মিত্র দেশগুলোর যে ক্ষতি হয়েছিল, তার জন্য জার্মানিকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়। 

⇒ চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত, তারা হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ
- ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো
• যদিও চুক্তির শর্ত নিয়ে উড্রো উইলসনের সাথে অন্যান্য নেতাদের মতবিরোধ ছিল। 

⇒ দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির দুইটি অংশ রয়েছে। যথা:
▪ চুক্তির প্রথম দফায় “Covenant of the League of Nations” স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিপুঞ্জ গঠনের সনদ। এর ফলে জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এতে জার্মানি স্বাক্ষর করে নি।
▪ চুক্তির দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী মিত্রপক্ষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সকল দায়দায়িত্ব ও অনৈতিক কিছু শর্ত জার্মানির উপর চাপিয়ে দিয়ে তা স্বাক্ষরিত হয়। এতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং মিত্রপক্ষের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ প্রদানে জার্মানিকে বাধ্য করে।

উল্লেখ্য, 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ। যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
 
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৪৫.
শিশু অধিকার বিষয়ক মানবাধিকার চুক্তি কোনটি?
  1. ক) CWC
  2. খ) UDHR
  3. গ) CRC
  4. ঘ) Vienna treaty
ব্যাখ্যা

শিশু অধিকার বিষয়ক মানবাধিকার চুক্তি CRC (Convention on the Rights of the Child).
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ৩০ নভেম্বর ১৯৮৯ সালে ।
- এই সনদের প্রটোকল তিনটি।
- প্রত্যেক শিশুর অধিকার আছে তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।

সূত্র: www.unicef.org

৪৬.
হিজবুল্লাহ কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট?
  1. ইয়েমেন
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ একটি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন।
- এটি লেবাননের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্ৰ গোষ্ঠী।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ১১৯০ সাল পর্যন্ত চলা লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডস ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- সংগঠনটি মূলত ইসলামিক জাতীয়তাবাদ, ইহুদিবাদ বিরোধী ও পশ্চিমা সংস্কৃতি বিরোধী।
- মূলত ইরানের উদ্যোগেই হিজবুল্লাহ সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল।

⇒ হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করছে।
- হিজবুল্লাহ লেবাননে একটি শক্তিশালী গ্যারিলা গ্রুপের জন্ম দিয়েছে।
- এজন্য হিজবুল্লাহকে বলা হয় 'রাষ্ট্রের ভেতরে আলাদা রাষ্ট্র'।

⇒ এর তৃতীয় মহাসচিব: শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে শেখ হাসান নসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
- সম্প্রতি ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

⇒ তাদের নিজস্ব রেডিও ও টিভি চ্যানেল রয়েছে।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

উৎস: Britannica.
৪৭.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক জোট-
  1. ক) ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. খ) ওইসিডি
  3. গ) বেনেলাক্স
  4. ঘ) ন্যাটো
ব্যাখ্যা
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
এর উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।
North Atlantic Treaty Organization- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে। এটিও একটি সামরিক জোট।
বেনেলাক্স ও ওইসিডি হচ্ছে অর্থনৈতিক জোট।
সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
৪৮.
CPTPP-তে সর্বশেষ কোন দেশ যোগদান করে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাজ্য
  3. মেক্সিকো
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
CPTPP:
- CPTPP এর পূর্ণরূপ: The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans Pacific Partnership.
- এটি হলো এশিয়া-প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ২০১৮ সালের ৮ মার্চ এটি চিলির সান্টিয়াগো শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- কানাডা, পেরু, মেক্সিকো, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনাম এতে স্বাক্ষর করে।
- ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ ছয়টি দেশ অনুমোদনের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়।
- সর্বশেষ যোগদান করে যুক্তরাজ্য।
- ১৬ জুলাই, ২০২৩ তারিখে যুক্তরাজ্য এতে যোগদান করে। 

উৎস: Department of Foreign Affairs and Trade.
৪৯.
সিমলা চুক্তিতে পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন কে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. আসিফ আলী জারদারি
  3. জুলফিকার আলী ভুট্রো
  4. বেনজির ভুট্রো
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: UN Peacemaker.
৫০.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭০ সাল
  2. ১৬৮ সাল
  3. ১৯৭২ সাল
  4. ১৯৭১ সাল
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT):

• চুক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার তিনটি প্রধান লক্ষ্য:
• পারমাণবিক অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা
• পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
• পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া
• এনপিটি হলো পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলির নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে একমাত্র বাধ্যতামূলক বহুপাক্ষিক চুক্তি।


• চুক্তির ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা:
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল
- অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারণ: ১১ মে ১৯৯৫
- সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা: ১৯১টি রাষ্ট্র (এর মধ্যে ৫টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী)
- এটি যেকোনো অস্ত্র সীমাবদ্ধতা বা নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির চেয়ে বেশি রাষ্ট্র দ্বারা অনুমোদিত।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট লিংক
৫১.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. ইংল্যান্ড
  3. পোল্যান্ড
  4. নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা-নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
 
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

উৎস: Worldatlas.com ও ব্রিটানিকা.কম.
৫২.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৩টি
  4. ঘ) ১৫টি
ব্যাখ্যা
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে। - উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিত ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল - ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য - ৩১ টি (সর্বশেষ সদস্য - ফিনল্যান্ড)।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
(নোট: প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল - লন্ডনে। পরবর্তীতে ১৯৫২ সালে প্যারিসে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৬৭ সালে শেষ বারের মতো ব্রাসেলসে স্থানান্তর হয়)।

তথ্যসূত্র:- ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৫৩.
জ্যামাইকার রাজধানীর নাম কী?
  1. পোর্ট অব প্রিন্স
  2. কিংস্টন
  3. সানা
  4. স্যানজোসে
ব্যাখ্যা
রাজধানী:

- মিয়ানমারের রাজধানী নাইপিদো।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোর।
- জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টন।
- হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্স।
- কোস্টারিকার রাজধানী স্যানজোসে।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি।
- ইয়েমেনের রাজধানী সানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৪.
Warsaw Pact কী ধরনের চুক্তি?
  1. ক) অর্থনৈতিক সহযোগিতা
  2. খ) সামরিক জোট
  3. গ) বাণিজ্যিক ব্লক
  4. ঘ) জলবায়ু সংকট
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact (Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়। এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো হলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৫৫.
FSB কোন সংস্থার উত্তরসূরি?
  1. CIA 
  2. KGB
  3. MI6
  4. Mossad
ব্যাখ্যা

ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (FSB):
- FSB রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৯৪ সালে সোভিয়েত আমলের কেজিবি (KGB) এর উত্তরসূরি সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- FSB এর প্রধান কার্যালয় মস্কোর লুবিয়ানকা স্কয়ারে, যেখানে আগে কেজিবি সদর দপ্তর ছিল।
- রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রপতি ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসের কার্যকলাপ তত্ত্বাবধান করেন।
- FSB রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা অভ্যন্তরীণ সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

• কর্মক্ষেত্র ও দায়িত্ব:
- কাউন্টারইন্টেলিজেন্স: অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা কার্যক্রম ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম: সন্ত্রাস মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা পালন।
- সামরিক নজরদারি: সামরিক বাহিনীর উপর নজরদারি পরিচালনা। -

উৎস: Britannica.

৫৬.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. পাকিস্তান ও ভারত
  2. ভুটান ও ভারত
  3. পাকিস্তান ও চীন
  4. ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
'কালাপানি' ভারত ও নেপালের মধ্যকার অমীমাংসিত ভূখণ্ড।

কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও BBC।
৫৭.
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে কোনটি গড়ে উঠেছিলো?
  1. ক) সিয়াটো
  2. খ) সেন্টু
  3. গ) ওয়ারশ প্যাক্ট
  4. ঘ) আনজুস
ব্যাখ্যা
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্ব ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয়।
এর সদস্য দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- চেকোশ্লোভাকিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড ও
- রোমানিয়া।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে এই জোটের বিলুপ্তি ঘটে।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৫৮.
সম্প্রতি বহুল আলোচিত 'ডুরান্ড লাইন' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. ১৮৬৩ সালে
  2. ১৮৯৩ সালে
  3. ১৮৩৭ সালে
  4. ১৮৬৭ সালে
ব্যাখ্যা

• ডুরান্ড লাইন:
- ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন ভারতের উত্তর-পশ্চিম অংশে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ মজবুত করার জন্য আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রায় ২৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- ডুরান্ড লাইনের নামকরণ করা হয়েছিল ব্রিটিশ-শাসিত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার হেনরি মর্টিমার ডুরান্ডের নামের অনুকরণে।
- ডুরান্ড লাইনের পশ্চিম প্রান্তটি ইরান সীমান্তের সঙ্গে গিয়ে মেশে এবং পূর্ব প্রান্তটি চীন সীমান্তের সঙ্গে মিলিত হয়।
- এর একদিকে আফগানিস্তানের ১২টি প্রদেশ রয়েছে এবং অন্যদিকে পাকিস্তান খাইবার পাখতুনখোয়া, বালুচিস্তান এবং গিলগিত-বালতিস্তান।

উৎস: বিবিসি।

৫৯.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত কোন দেশটি ন্যাটোর সদস্য?
  1. ইউক্রেন
  2. জর্জিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. বেলারুশ
ব্যাখ্যা
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত তিনটি দেশ ন্যাটার জোটের সদস্য।
দেশগুলো হলো:
- এস্তোনিয়া
- লাটভিয়া
- লিথুয়ানিয়া।
-ইউক্রেন, জর্জিয়া ও বেলারুশ ন্যাটো জোটের সদস্য নয়।
(তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট)
৬০.
মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত আবু মাহাদী আল মুহানদিস কোন সংগঠনের নেতা ছিলেন?
  1. ক) হাশদ আল শাব্বি
  2. খ) আল শাবাব
  3. গ) ইজ্জাদিন আল কাশেম
  4. ঘ) ওয়াইপিজে
ব্যাখ্যা
৩ জানুয়ারী ২০২০ ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্স বা হাশদ আল শাব্বি এর ডেপুটি কমান্ডার আবু মাহাদী আল মুহানদিস। একই হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাশেম সুলাইমানি নিহত হন। হাশদ আল শাব্বি ইরাকের শিয়া মিলিশিয়া সংগঠনগুলোর জোট। এটি ২০১৪ সালে ইরাকে ইসলামিক স্টেটের উত্থানকালে গঠিত হয়। ২০১৮ সালে ইরাক সরকার হাশদ আল শাব্বি বা পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সকে ইরাকে প্যারামিলিটারি বাহিনী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। এ বাহিনীর আকার প্রায় ১৫০০০০ সদস্য বিশিষ্ট। (সূত্রঃ আনাদুলু এজেন্সি)
৬১.
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশনের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভায়
  2. ওয়াশিংটনে
  3. ভিয়েনায়
  4. ব্রাসেলসে
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

⇒ IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- মোহাম্মদ এল বারাদি মিশরের নাগরিক।
- তিনি ১৯৯৭ - ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
৬২.
কালাপানি অঞ্চলটি কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমানা?
  1. ভারত - পাকিস্তান
  2. পাকিস্তান - নেপাল
  3. নেপাল - ভুটান
  4. নেপাল - ভারত
ব্যাখ্যা
কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল যা উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।

উৎস: বিবিসি নিউজ।
৬৩.
ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে বাফার স্টেট -
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) পোল্যান্ড
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) স্পেন
ব্যাখ্যা
বাফার স্টেট: 
- দুটি বৃহৎ অথচ বিপরীতমনা রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত কোন ক্ষুদ্র রাষ্ট্র, যা সংঘর্ষে জড়িয়ে যেতে রাষ্ট্র দুটোকে নিবৃত্ত করে তাকে বাফার স্টেট বলে।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৬৪.
'Inter-Services Intelligence' কোন দেশের গোয়েন্দাসংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• Inter-Services Intelligence (ISI) পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা।
- Federal Investigation Agency (FIA) পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা।

• অন্যান্য কিছু দেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নাম:
- National Security Intelligence (NSI) - বাংলাদেশ। 
- Criminal Investigation Department (CID)- বাংলাদেশ। 
- Research and Analysis Wing (RAW)- ভারত। 
- Central Bureau of Investigation (CBI) -ভারত
- Federal Security Service (FSB)- রাশিয়া। 
- Secret Intelligence Service (SIS)- যুক্তরাজ্য।
- Military Intelligence, Section 6 (MI6) -যুক্তরাজ্য।
- MOSSAD - ইসরাইল।
- Central Intelligence Agency (CIA)- যুক্তরাষ্ট্র। 
- Federal Bureau of Investigation (FBI)- যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৫.
TI এর দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) - ২০১৯ এ শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
TI এর দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) - ২০১৯ এ ১৮০টি দেশের মধ্যে শীর্ষদেশ ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। ১০০ এর মধ্যে দেশদুটোর স্কোর ৮৭। তালিকায় তৃতীয় স্থানে ফিনল্যান্ড (স্কোর-৮৬)। সর্বনিম্ন দেশ সোমালিয়া (স্কোর-৯)। বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম (স্কোর-২৬)। (সূত্রঃ TI ওয়েবসাইট)
৬৬.
NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ক) সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো
  2. খ) গণতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো
  3. গ) উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা
  4. ঘ) সন্ত্রাসী আগ্রাসন প্রতিহত
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (NATO)
• NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
• NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিত ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা
• NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি। NATO র বর্তমান সদস্য ৩০ টি।
• NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি (তুরস্ক ও আলবেনিয়া)।
• NATO র বর্তমান সদরদপ্তর ব্রাসেলস (নোট: প্রাথমিকভাবে এর সদরদপ্তর লন্ডনে অবস্থিত ছিল, ১৯৫২ সালে প্যারিসে স্থানান্তরিত হয় এবং ১৯৬৭ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়)। 

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৬৭.
কোন দেশগুলো 'গোল্ডেন  ক্রিসেন্টের' অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম
  2. খ) আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তান
  3. গ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস
  4. ঘ) ভারত, নেপাল, ভুটান
ব্যাখ্যা
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট পশ্চিম, মধ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিস্তৃত অবৈধ আফিম বৃদ্ধির মূল ক্ষেত্র।
- এটি আফগানিস্তান, ইরান এবং পাকিস্তানের পর্বতমালা জুড়ে গোল্ডেন ক্রিসেন্ট রয়েছে।
- মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস সীমান্তে মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চলকে ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল’ বলা হয়।

উৎস: worldatlas.
৬৮.
নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. বারাক ওবামা
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  3. জর্জ ডব্লিউ বুশ
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট (New START):
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ - প্রাথমিক মেয়াদ - ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- চুক্তি অনুসারে দুই পক্ষ পারমাণবিক টর্পেডো ৫০০ - ১০০০ এবং ডেলিভারী বাহন ৮০০ এর মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে একমত হয়। ৮০০ বাহনের মধ্যে এক সাথে ৭০০ এর বেশি মোতায়ন করা যাবে না।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৬৯.
দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে কোন দেশের সামরিক ঘাটি রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
দিয়েগো গার্সিয়া:
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ।
- পর্তুগীজরা এ দ্বীপ আবিষ্কার করে এবং তারাই এ দ্বীপের নামকরণ করে।
- ১৭৯০ সালে ফরাসিরা এখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করে।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানিক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্যারিস ট্রিটি অনুযায়ী ফ্রান্স এ দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করে।
- দেশটি যুক্তরাজ্যের অধীনে একটি দেশ।
- দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এক সময় মরিশাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রনে হলেও দ্বীপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লিজ দেয়া হয়েছে।
- এর মেয়াদ ২০৩৬ সাল পর্যন্ত।
- এখানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটি সামরিক ঘাটি।
- চীন ও ভারতের মধ্যে ভারত মহাসহাগর ও বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক আধিপত্য লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে এ দ্বীপ।
- ২০১৯ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘের ইন্টারন্যশনাল কোর্ট অব জাস্টিস রায় দেয় ব্রিটেনকে অবশ্যই দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
- তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে লিখিত বিবৃতিতে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র বা ব্রিটেন কারোর তরফ থেকেই সেখানে সামরিক ঘাটি ব্যবহার বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই।

উৎস: Britannica.
৭০.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ বর্তমানে কোন দেশের নিয়ন্ত্রণাধীন রয়েছে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. রাশিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের মোট আয়তন ১০,৫০৩.২ বর্গ কি. মি.।
- দ্বীপপুঞ্জটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন।

 সূত্র: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ও বিবিসি বাংলা। 
৭১.
UNODA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Organization for Defence Assistance
  2. United Nations Organization for Disarmament Affairs
  3. United Nations Office for Disarmament Affairs
  4. United Nations Office on Defence and Arms
ব্যাখ্যা

UNODA:
- পূর্ণরূপ: United Nations Office for Disarmament Affairs
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৮ (পূর্বে Department for Disarmament Affairs)
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- মূল লক্ষ্য: অস্ত্র হ্রাস, অস্ত্র বিস্তার রোধ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- সম্পর্কিত চুক্তি: NPT, CTBT, Chemical Weapons Convention, Arms Trade Treaty

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

৭২.
'গোলান মালভূমি' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. জর্ডান
  3. মিশর
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

• গোলান মালভূমি:
- সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি দখল করে। 
- ইসরাইল-সিরিয়া সীমান্ত রেখা পার্পল লাইন নামে পরিচিত।
- গোলান মালভূমি পশ্চিমে জর্ডান নদীর উপত্যকা সংলগ্ন একটি পাহাড়ি এলাকা।
- ঐতিহাসিকভাবে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে এটি ইসরায়েলের সামরিক দখলে আসে।
- ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল এই অঞ্চলের অংশ একতরফাভাবে সংযুক্ত করে। তবে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়।

উৎস: Britannica.

৭৩.
দিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

দিয়েগো গার্সিয়া ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (BIOT) একটি দ্বীপ, এটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

​দিয়েগো গার্সিয়া:
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ।
- পর্তুগীজরা এ দ্বীপ আবিষ্কার করে এবং তারাই এ দ্বীপের নামকরণ করে।
- ১৭৯০ সালে ফরাসিরা এখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করে।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানিক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্যারিস ট্রিটি অনুযায়ী ফ্রান্স এ দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করে।
- দেশটি যুক্তরাজ্যের অধীনে একটি দেশ।
- দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এক সময় মরিশাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল ।

গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:
প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়েগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

সূত্র: Britannica.

৭৪.
নিচের কোন দেশগুলো অকাস চুক্তির অংশীদার?
  1. ক) জাপান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা প্রদান করা হয়।

অকাস চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা। এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন নির্মাণে প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৭৫.
কোন গেরিলা সংগঠনের সাথে শান্তিচুক্তির কারণে জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. M-19
  2. ফার্ক
  3. টুপাক আমারু
  4. শাইনিং পাথ
ব্যাখ্যা
জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস:
- জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন 'ফার্ক'-এর সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- তিনি বামপন্থি ফার্ক বিদ্রোহীদের সঙ্গে ৫২ বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসানের প্রচেষ্টা চালানোর জন্য ২০১৬ দালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন।

⇒ ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।

উৎস: Britannica.
৭৬.
আমান কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার নাম?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
আমান:
- মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে 'আমান' অনেক পুরনো সংস্থা।
- আমান ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম।
- ১৯৫০ সালে ইহুদি নেতাদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য এই গোয়েন্দা সংস্থাটি তৈরি হয়।
- হিব্রু ভাষায় এই সংস্থাটিকে বলা হয় 'আগাফ হা- মোডিলিন'।
- ইতিহাস বিখ্যাত দুর্ধর্ষ গুপ্তচর নারী সিলভিয়া ছিলেন এই গোয়েন্দা সংস্থার অন্যতম সদস্য।
- আমান ব্যতীত ইসরায়েলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো মোসাদ এবং শিনবেত।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪।
৭৭.
ইয়েমেনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট কোন গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে?
  1. ক) তানজিম আল জিহাদ
  2. খ) হুথি আনসারুল্লাহ
  3. গ) হিজবুল্লাহ
  4. ঘ) ইসলামিক স্টেট
ব্যাখ্যা
- ইয়েমেনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট শিয়া মতাবলম্বী হুথি আনসারুল্লাহ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।
- আরব বসন্তের পর ২০১৪ সালে সৌদি আরব সমর্থিত ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদির সাথে হুথিদের বিরোধের ফলে হুথিরা ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়।
- এর ফলে মনসুর হাদির সমর্থনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যা বর্তমানে গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।
- ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ বিদ্রোহীগোষ্ঠী ইরানের সমর্থনপুষ্ট। হুথিরা ইরান সরকারের নিকট থেকে সকল ধরনের সহায়তা পেয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্রঃ মিডল ইস্ট মনিটর)
৭৮.
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ৪ জুলাই, ১৯৪৯
  2. খ) ১৫ নভেম্বর, ১৯৪৮
  3. গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৯ আগট, ১৯৪৩
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (North Atlantic Treaty Organization-NATO)

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
- গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল: সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৭৯.
আরব বসন্তের সূচনা হয়েছিল কত সালে?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১১
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১২
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত (Arab Spring)
▪ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, সেগুলোকে একত্রে আরব বসন্ত বলে।
▪ আরব বসন্তের শুরু হয়েছিল আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়। এই কারনে তিউনিশিয়াকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
▪ পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম ২০১১ সালে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘটিত গণআন্দোলনকে “আরব বসন্ত” (Arab Spring) আখ্যা দেয়।
▪ ২০১৩ সালের দিকে এসে আরব বসন্তের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
▪ আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন, মরক্কো, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি পরিবর্তন ঘটেছে। এখনো এই তথাকথিত আরব বসন্তের জেরে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি. কম। 
৮০.
তেলকে প্রথমবারের মতো কার্যকরভাবে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় কোন সালে?
  1. ১৯৬৭
  2. ১৯৭১ 
  3. ১৯৭৩ 
  4. ১৯৮০ 
ব্যাখ্যা

• তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

• তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

তথ্যসূত্র: i) World Atlas.
ii) BBC.

৮১.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM) বাতিল করা হয় কত সালে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

৮২.
‘ডেল্টা ফোর্স’ কোন দেশের বিশেষ সামরিক বাহিনী? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত 
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

• ডেল্টা ফোর্স: 
- ডেল্টা ফোর্স যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি অত্যন্ত গোপন ও শক্তিশালী বিশেষ অভিযান ইউনিট।
- সদর দপ্তর: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে বেকউইথ এবং কর্নেল থমাস হেনরি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডেল্টা ফোর্স গঠনের ধারণাটি আসে কর্নেল চার্লস বেকউইথের কাছ থেকে।
- তিনি ছিলেন একজন গ্রিন বেরেট (একটি বিশেষায়িত ফোর্স) এর সদস্য এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক।
- এটি Combat Applications Group (CAG), Army Compartmented Elements (ACE), Task Force Green এবং সংক্ষেপে “the Unit” নামেও পরিচিত, পাশাপাশি বিভিন্ন গোপন কভার নামও রয়েছে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।

• দায়িত্ব: 
- এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে এ ইউনিটকে সবচেয়ে জটিল, গোপন ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, 
- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে নিজেদের বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো। (Link1) (Link2)

৮৩.
Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুযায়ী পারমাণবিক শক্তিধর হিসেবে স্বীকৃত রাষ্ট্র কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুযায়ী পারমাণবিক শক্তিধর হিসেবে স্বীকৃত রাষ্ট্র মোট ৫টি। এগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন। 

উল্লেখ্য,
- Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) হলো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- এর মূল লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিরস্ত্রীকরণ উৎসাহিত করা

উল্লেখ্য,
- আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি। চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
-  ১ জানুয়ারি, ১৯৬৭ সালের আগে যে ৫টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন) পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে এই চুক্তির মাধ্যমে তাদেরকে পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দেশগুলো এ ধরনের অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করতে সম্মত হয়েছে।
- কিন্তু NPT-এর ৬ নং অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- এছাড়াও ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি কিন্তু এরা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিতি।

উৎস: i) Stockholm International Peace Research Institute ওয়েবসাইট।
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৮৪.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন একটি উন্মুক্ত ফোরাম।
- এখানে নানা দেশের প্রতিনিধিরা নানা বিষয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা করেন।
- এখানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও এ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাণিজ্য ও অর্থনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
- আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।

উল্লেখ্য,
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৪ সালে ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
৮৫.
মোসাদের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. ড্যানি ইয়াতম
  2. রেউভেন শিলোয়াহ
  3. ইয়োসি কোহেন
  4. ডেভিড বেনগুরিয়ন
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৮৬.
TRIPS চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ভিসামুক্ত এশিয়া গঠন
  2. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব
  3. পারমাণবিক পদার্থের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
  4. সংক্রামক রোগের কারিগরি জ্ঞান বিনিময়
ব্যাখ্যা
TRIPS (Trade-Related Aspects of Intellectual Property Rights) হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) গৃহীত বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।

১৯৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল মরক্কো মারাক্কাশে এটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
তবে উন্নয়নশীল ও এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যে TRIPS চুক্তি কার্যকরের সময়সীমা ২০৩৪ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট)
৮৭.
মরো ন্যাশনাল লিবারেশান ফ্রন্ট প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ক) হাশিম সালামাত
  2. খ) ইবরাহিম মুরাদ
  3. গ) নূর মিসৌরী
  4. ঘ) শেখ হাসানুল বান্না
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে মুসলমান অধ্যুষিত ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের স্বাধীনতার দাবীতে নূর মিসৌরী এর নেতৃত্বে মরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (MNLF) গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে MNLF থেকে বের হয়ে হাশিম সালামাত মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্ট (MILF) গঠন করে। ১৯৯৬ সালে নূর মিসৌরী ফিলিপাইন সরকারের সাথে শান্তি চুক্তি সম্পাদন করার ফলে মিন্দানাও এর চারটি অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু MILF এর বিরোধিতা করে লড়াই চালু রাখে। ২০১৪ সালে সরকারের সাথে MILF এর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ফলে ২০১৯ সালে মিন্দানাও দ্বীপে বাংসামরো নামে নতুন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে করে মিন্দানাও দ্বীপে দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে চলা লড়াইয়ের অবসান হয়। (সূত্রঃ দৈনিক নয়াদিগন্ত)
৮৮.
ভ্যাটিকান সিটি প্রতিষ্ঠিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. লিসবন চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. লাতেরান চুক্তি
ব্যাখ্যা

• লাতেরান চুক্তির অধীনে ভ্যাটিকান সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• লাতেরান চুক্তি:
- ১৯২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লাতেরান চুক্তি সই হয়।
- এই চুক্তির মধ্য দিয়ে পৃথক দেশ হিসেবে যাত্রা করে ভ্যাটিকান সিটি।

• ভ্যাটিকান সিটি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ০.৪৯ বর্গকিলোমিটার।
- ভ্যাটিকান সিটির নিজস্ব কূটনৈতিক মিশন, সংবাদপত্র, পোস্ট অফিস, রেডিও স্টেশন,ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ১০০ সুইস গার্ডের সেনাবাহিনী এবং প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে।
- ভ্যাটিকান সিটির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ১৯২৯ সালের লেটারান চুক্তিতে স্বীকৃত হয়েছিল।

​​অন্যদিকে, 
-  লিসবন চুক্তি – ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি।
- প্যারিস চুক্তি – ২০১৫ সালের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য গ্লোবাল চুক্তি।
- ভার্সাই চুক্তি – ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির আত্মসমর্পণের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার চুক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮৯.
স্থল মাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষর হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• অটোয়া কনভেনশন/ মাইন ব্যান ট্রিটি:
- ইংরেজী নাম: "Ottawa Convention" or "Mine Ban Treaty"
- উদ্দেশ্য: স্থলমাইন ব্যবহার, মজুত, উৎপাদন ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা এবং বিদ্যমান মাইন ধ্বংস করা।
- স্বাক্ষর উন্মুক্ত হয়: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ ( অটোয়া, কানাডা)
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০
- অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ড মাইন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণের জন্য কূটনৈতিক সম্মেলনে ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে অসলোতে চুক্তি সম্পন্ন হয়।
- ধারা ১৫ অনুযায়ী, চুক্তিটি ৩-৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭ তারিখে কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
- নভেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ১৬৪টি দেশ চুক্তির পক্ষভুক্ত (যা বিশ্বের ৮০% এরও বেশি রাষ্ট্র)।
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ শুধু স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু অনুসমর্থন করেনি।
- যেসব বড় শক্তি যোগ দেয়নি: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: Arms Control Association ; United Nations Treaty Collection Link Link 2

৯০.
Recently, which US-Russia agreement was suspended?
  1. ক) SORT
  2. খ) New START
  3. গ) START-2
  4. ঘ) 123 agreement
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নিউ স্টার্ট চুক্তি কার্যকর হয় ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষর করেছিলেন দুই দেশের সে সময়ের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ। 
- চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল। 
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালায় তাহলে রাশিয়ারও পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হওয়া দরকার।

অন্যদিকে -
- ১২৩ চুক্তি: ভারত-মার্কিন পারমাণবিক চুক্তি নামেও পরিচিত। এই চুক্তির অধীনে, আমেরিকা ভারতের সাথে সম্পূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় সম্মত হয়। ২০০৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্টার্ট- ২: ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে চুক্তি স্বক্ষরিত হয়।রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র হ্রাসকরন এর উদ্দেশ্যে রাশিয়া, মস্কোতে স্বাক্ষর করে। এর ফলে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র স্ব স্ব পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র দুই- তৃতীয়াংশ ধ্বংষ করতে একমত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার পারমাণবিক ওয়্যারহেডের সংখ্যা ১৭০০-২২০০ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য ২০০২ সালের ২৪ মে রাশিয়ার মস্কোতে SORT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, প্রথম আলো।
৯১.
“Stasi” কোন দেশের গোপন পুলিশি সংস্থা?
  1. ক) কিউবা
  2. খ) ইরান
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
“Stasi”, official name Ministerium für Staatsicherheit (German: “Ministry for State Security''), secret police agency of the German Democratic Republic (East Germany). The Stasi was one of the most hated and feared institutions of the East German communist government. The Stasi developed out of the internal security and police apparatus established in the Soviet zone of occupation in Germany after World War II.
Source: britannica.com
৯২.
তাসখন্দ চুক্তি কোন দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. আফগানিস্তান ও ইরান
  4. ভারত ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- পক্ষসমূহ- ভারত - পাকিস্তান।

- স্বাক্ষরকারী - ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য- কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

উৎস: ব্রিটানিকা

৯৩.
মুখবরাত কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
গোয়েন্দা সংস্থা: 
- মিশর- মুখবরাত। 
- ইসরায়েল -মোসাদ,আমান।
- জাপান - নাইচো।
- ইরান- ভিভাক।
- সৌদি আরব- এস পি এ( SPA)।
- চীন- এম এস এস(MSS)।
- পাকিস্তান - আইএসআই( ISI)।
- যুক্তরাষ্ট্র- সিআইএ, ফেয়ারফ্যাক্স, এনএসএ(NSA), এফবিআই( FBI)।
- যুক্তরাজ্য- এসআইএস( SIS), এম আই৬, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড, ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিস।
- ফ্রান্স- ডিজিএসআই।
- ভারত - RAW,CBI.

উৎস: ব্রিটানিকা 
৯৪.
বি-২ স্পিরিট (B-2 Spirit) কী?
  1. যাত্রীবাহী বিমান
  2. হেলিকপ্টার
  3. বোমারু বিমান
  4. মিসাইল
ব্যাখ্যা

বি-২ স্পিরিট (B-2 Spirit) এক ধরনের বোমারু বিমান।

• বি-২ স্পিরিট (B-2 Spirit) বিমানের :
- পূর্ণ নাম: Northrop Grumman B-2 Spirit
- প্রথম উড্ডয়ন: ১৭ জুলাই ১৯৮৯
- সেবা গ্রহণ: ১৯৯৩ সালে মার্কিন বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত
- ধরন: স্টিলথ স্ট্র্যাটেজিক বোম্বার (Stealth strategic bomber)
- নির্মাতা: Northrop Grumman
- নির্মানকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান ব্যবহার: গভীর শত্রু অঞ্চলে প্রবেশ করে নিখুঁত বোমা হামলা
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: "Flying wing" ডিজাইন ও রাডার-চালিত অদৃশ্যতা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৫.
মিশরের কোন প্রেসিডেন্ট ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. জামাল আবদেল নাসের
  2. আনোয়ার সাদাত
  3. হোসনি মোবারক
  4. আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি
ব্যাখ্যা
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী মিশরের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আনোয়ার সাদাত।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ক্যাম্প ডেভিডে ঐতিহাসিক ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- মিশর ও ইসরায়েলের মধ্যে এই চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন।
- চুক্তিতে মিশরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী মিনাচেম বেগিন।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয় এবং সেখানে মিশরের পূর্ণ অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জন্য মিশরকে ওআইসি (OIC) ও আরব লীগ থেকে বহিষ্কার হতে হয়েছিল। 

ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

- এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় আরবদেশ হিসেবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

সূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৯৬.
জাপানের গেরিলা সংগঠন কোনটি?
  1. ক) গডস আর্মি
  2. খ) রেড আর্মি
  3. গ) কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি
  4. ঘ) ইউপিডিএফ
ব্যাখ্যা
জাপানের কমিউনিস্ট উগ্রপন্থী সংগঠন হলো রেড আর্মি। এর প্রতিষ্ঠাতা ফুসেকা শিজেনবো নামে একজন নারী। ১৯৭১ সালে লেবাননে তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠন বিশ্বব্যাপী অনেকগুলো আলোচিত অপারেশন পরিচালনা করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের ঢাকায় জাপানের বিমান ছিনতাই করে নিয়ে আসা। ২০০০ সালে ফুসেকা জাপানে গ্রেফতার হলে রেড আর্মি এর কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়ে। ২০০১ সালে ফুসেকা রেড আর্মি বিপুল্ত ঘোষণা করেন।(সূত্রঃ গার্ডিয়ান)
৯৭.
ন্যাটোভুক্ত অ-ইউরোপীয় দেশ কয়টি? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO): 

- পরিচয়: সামরিক জোট।
- পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization।
- উদ্যোক্তা: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।  
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। 
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪ সাল)।      [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
→ এদের মধ্যে ৩০ টি দেশ ইউরোপের। 
→ বাকি ২টি দেশ উত্তর আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা)।
→ অর্থাৎ, ন্যাটোভুক্ত  অ-ইউরোপীয় দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
- তুরস্কের একটি ছোট অংশ (পূর্ব থ্রেস বা ইস্তাম্বুলের ইউরোপীয় অংশ) ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত, যা বসফরাস প্রণালীর পশ্চিমে।
- তুরস্ককে ইউরোপীয় হিসেবে গণ্য করা হয় NATO-এর অফিসিয়াল শ্রেণিবিভাগে।
- তুরস্ককে সরাসরি ইউরোপীয় সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, এবং Article 10-এর উল্লেখ রয়েছে যে সদস্যপদ "European State"-এর জন্য উন্মুক্ত।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে যোগদান করে।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর ১৪ তম মহাসচিব মহাসচিব মার্ক রুট। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:  হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৬:  আঙ্কারা, তুরস্ক।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট। (Link) 

৯৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কত সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়?
  1. ১৯৪১ সাল
  2. ১৯৪৪ সাল
  3. ১৯৩৯ সাল
  4. ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:

- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

উৎস: Britannica & History.com

৯৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি হয় -
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৬ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে, ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।

উৎস:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
১০০.
'ডেটন শান্তিচুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
'ডেটন শান্তিচুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৫ সালে।

ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান। 

উৎস: i) OSCE.org.
        ii) Britannica.