যে অধিকার একান্তভাবেই মানুষের, প্রথমত, তাকেই মানবাধিকার বলে।
পশুপাখির প্রাণ আছে তাই তারা প্রাণী, মানুষের প্রাণ আছে, তাই মানুষও প্রাণী। প্রাণীর এই দুই শ্রেণীর মধ্যে নিশ্চয়ই তফাৎ আছে। পশুপাখি যা’ পারে না মানুষ তা' পারে। মানুষের এই বিশেষ ক্ষমতাই তার বিশেষ অধিকার । মানুষ চিন্তা করতে পারে, উদ্ভাবন করতে পারে। চিন্তা ও উদ্ভাবনের এই ক্ষমতা মানুষকে পশুপাখি থেকে পৃথক করেছে। এই শক্তি বা ক্ষমতা নিয়েই মানুষ জন্মেছে।
এ শক্তির ব্যবহারের অধিকারই মানবাধিকার।
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা গৃহীত হয়।
এতে সর্বমোট ৩০টি ধারা আছে।
এই চুক্তি স্বাক্ষরের পরেই ১০ ডিসেম্বরকে মানবাধিকার দিবস ঘোষণা করা হয়।
চুক্তিটি প্রস্তুত করেন নোবেল বিজয়ী ওরেন ক্যাসিন।
- মানবাধিকার হচ্ছে সকল মানুষের অধিকার।
- মানবাধিকারের ধারণার মধ্যে আছে সকল মানুষের সমানঅংশ।
- বিশেষ মর্যাদার কারণে মানবাধিকারের ঘোষণা মানুষের মধ্যে পার্থক্য করে না।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় বর্ণিত অধিকারসমূহ হচ্ছে এমন যেগুলো আদায়যোগ্য।
- মানবাধিকার হচ্ছে সার্বজনীন, চিরন্তন।
উৎস: সিভিক এডুকেশন- ১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।