উত্তর
ব্যাখ্যা
- ৫ জুন : বিশ্ব পরিবেশ দিবস
- ২৮ জুলাই : বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস
- ১০ ডিসেম্বর : বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৬ / ৭৬ · ৩,৫০১–৩,৬০০ / ৭,৫৯৯
- ICSID আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধের মীমাংসা করে।
ICSID:
- ICSID এর পূর্ণরূপ International Centre for Settlement of Investment Disputes.
- এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ১৯৬৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
সূত্র: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
NDB-
- NDB এর পূর্ণরূপ New Development Bank.
- BRICS দেশগুলি দ্বারা ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত, নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক হল একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাঙ্ক যার লক্ষ্য BRICS এবং অন্যান্য EMDCs-এর অবকাঠামো এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য সংস্থান সংগ্রহ করা।
NDB এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫টি। এগুলো হলো - ব্রাজিল, ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- নতুন সদস্য বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- উরুগুয়ে প্রসপেক্টিভ সদস্য |
- NDB এর প্রেসিডেন্ট সবসময় প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলো থেকে নির্বাচিত হবে।
উৎস - NDB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
Universal Postal Union সংক্ষেপে UPU বা বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয় ৯ অক্টোবর, ১৮৭৪ সালে। শুরুতে এর নাম ছিলো General Postal Union.
- ১ জুলাই ১৯৪৮ এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯২টি।
- - বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে UPU এর সদস্যপদ লাভ করে।
এছাড়া,
- ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ILO । অপরদিকে ১৮৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ITU এবং ১৮৮৯ সালে IPU।
উৎস: UPU ওয়েবসাইট।
• FAO (Food and Agriculture Organization):
- পূর্ণ নাম: Food and Agriculture Organization
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)।
- প্রতিষ্ঠার সম্মেলন: কুইবেক সিটি, কানাডা।
- অংশগ্রহণকারী দেশ (প্রতিষ্ঠার সময়): ৪২টি
- প্রাথমিক সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, D.C., যুক্তরাষ্ট্র
- বর্তমান সদর দপ্তর: রোম, ইতালি (১৯৫১ সালে স্থানান্তরিত)
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৯৪টি সদস্য রাষ্ট্র + ১টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) + ২টি সহযোগী সদস্য
- লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: ক্ষুধা, অপুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দূর করা।
- টেকসই কৃষি, মৎস্য, বন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা।
তথ্যসূত্র: FAO ওয়েবসাইট।
লীগ অফ নেশনস বা জাতিপুঞ্জ :
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ হয়।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- ৪১টি।
- জাতিপুঞ্জের সদর দপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ সালে।
- এর সমস্ত সম্পদ জাতিসংঘের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং নতুন জাতিসংঘ সচিবালয়কে এর গ্রন্থাগার এবং আর্কাইভের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রদান করা হয়।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ICC:
- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- ICC বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: দ্য হেগ নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ১২৫টি [সর্বশেষ: ইউক্রেন]।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)।
- প্রেসিডেন্সির সদস্যরা অবিলম্বে তিন বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন।
⇒ অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী, ICC-তে চার ধরনের অপরাধের বিচার করা যায়:
- জেনোসাইড,
- মানবতাবিরোধী অপরাধ,
- যুদ্ধাপরাধ,
- আগ্রাসনের অপরাধ।
⇒ ১৯৯৮ সালে রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইসিসি।
- ১৯৯৮ সালের ১৫ জুন - ১৭ জুলাই ইতালির রোমে বিশ্বের ১২০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কূটনীতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২০-৭ ভোটের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত সংবিধি বা রোম সংবিধি গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক রাষ্ট্র কর্তৃক সংবিধিটি অনুমোদিত হওয়ায় ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কার্যকারিতা লাভ করে।
- রোম সংবিধিতে মোট ১৩টি অধ্যায় এবং ১২৮টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- স্থায়ী সদস্যের পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
• স্থায়ী সদস্য:
- চীন,
- ফ্রান্স,
- রাশিয়া,
- যুক্তরাজ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১টি। (৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী)
- ১৯৬৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গৃহিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের A/RES/1991(XVIII) রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৬টি থেকে ১০টিতে উন্নীত করা হয়।
- এটি কার্যকর হয় ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট।
- ফলে ১৯৬৬ সাল থেকে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দাড়ায় ১৫টিতে।
- গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পাঁচটি স্থায়ী পরিষদের ভোটসহ মোট ৯টি ভোটের প্রয়োজন হয়।
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
- ১ জানুয়ারি ২০১৭ সাল থেকে জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আন্তোনিও গুতেরেস।
- তিনি পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- জাতিসংঘ সচিবালয়ের প্রধান মহাসচিব (সেক্রেটারি জেনারেল)।
- তিনি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে।
- মহাসচিব নিযুক্ত সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNHCR- United Nations High Commissioner for Refugees)।
- ফিলিস্তিন বাদে বাকি সকল দেশের শরনার্থী নিয়ে UNHCR কাজ করে থাকে।
- ফিলিস্তিনের জন্য জাতিসংঘের শরনার্থী সংস্থা - The United Nations Relief and Works Agency for Palestine Refugees in the Near East (UNRWA)।
- সংস্থাটি ২ বার নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- প্রথমবার ১৯৫৪ সালে এবং দ্বিতীয় বার ১৯৮১ সালে।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার ওয়েবসাইট।
UNIDO:
- UNIDO-এর পূর্ণরূপ- United Nations Industrial Development Organization.
- জাতিসংঘের শিল্পোন্নয়ন সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৩টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গের্ড মুলার।
- UNIDO জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ২১ জুন, ১৯৮৫ সালে।
উৎস: UNIDO ওয়েবসাইট।
ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB):
- এর পূর্ণরূপ: Islamic Development Bank.
- সৌদি আরবের জেদ্দায় ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলন হয়;
- তখন IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- কার্যক্রম শুরু: ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর।
- প্রধান কার্যালয়: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বিনা সুদে ঋণ প্রদান করে।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ তার কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: Dr. Muhammad Al Jasser।
- আইডিবির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭ টি দেশ। [মার্চ ,২০২৬]
• কার্যাবলী:
- আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করা।
- অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির ক্ষেত্রে।
উল্লেখ্য,
- ওআইসি সদস্যভূক্ত দেশ সমূহ IsDB সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ১২ আগস্ট যুক্ত হয়।
উৎস: IDB ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা:
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি। এগুলো হলো:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।
- এদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদকে সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না।
- ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ রাশিয়া।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগুলো দুই বছরের জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
- IFC বেসরকারি খাতে সরাসরি বিনিয়োগ এবং ব্যবসা উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
World Bank:
- প্রতিষ্ঠা: ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ (ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে)।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
- প্রধান উদ্দেশ্য: দারিদ্র্য হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান।
- সদস্য সংখ্যা: ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র (আগস্ট, ২০২৫)
• World Bank Group পাঁচটি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত:
- IBRD (International Bank for Reconstruction and Development): মধ্যম-আয়ের দেশে ঋণ প্রদান।
- IDA: নিম্ন-আয়ের দেশে স্বল্প সুদে ঋণ এবং অনুদান।
- IFC: বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ।
- MIGA: বিনিয়োগের ঝুঁকি বীমা।
- ICSID: বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি।
- এর মধ্যে শুধুমাত্র IFC বেসরকারি খাতে সরাসরি বিনিয়োগ এবং ব্যবসা উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন:
- World Development Report: বৈশ্বিক উন্নয়ন বিষয়ে বার্ষিক বিশ্লেষণ।
- Doing Business Index: ব্যবসায়িক পরিবেশের সহজতা পরিমাপ।
উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
- বিশ্বব্যাংকের জুন ২০২৫-এর "Global Economic Prospects" প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২.৩% হবে।
- যা পূর্ববর্তী পূর্বাভাসের তুলনায় প্রায় অর্ধেক শতাংশ কম।
- এই প্রবৃদ্ধি ২০০৮ সালের পর সবচেয়ে ধীর গতির প্রবৃদ্ধি হতে পারে।
- যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা এবং অস্থিতিশীল নীতি পরিবেশের কারণে হয়েছে।
তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট। (লিংক)
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ নাউরু; ১২ এপ্রিল, ২০১৬ সাল।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।
উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারকারী দেশ কিউবা।
- ১৪ নভেম্বর ১৯৬০ দেশটি বিশ্বব্যাংকের সদস্য পদ প্রত্যাহার করে নেয়।
উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- এর সদরদপ্তর ইতালির রোমে অবস্থিত।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।
⇒ এগুলো হলো:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).
তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার।
⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।
⇒ SAARC-এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- তিনি ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৯ সালের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সার্কের প্রথম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়াও, Q. A. M. A. Rahim সার্কের ৭ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ থেকে ২য় মহাসচিব।
⇒ প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৪ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
- এশিয়া মহাদেশে থেকে জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন উথান্ট ও বান কি মুন।
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাকালে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫১টি, তবে বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১৯৩টি হয়েছে।
- জাতিসংঘের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
জাতিসংঘের মহাসচিবগন:
→ ট্রিইগভে লাই (নরওয়ে),
→ দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন),
→ উ থান্ট (মিয়ানমার),
→ কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (অস্ট্রিয়া),
→ জাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (পেরু),
→ ড. বুট্রোস ঘালি (মিশর),
→ কফি আনান (ঘানা),
→ বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া),
→ অ্যান্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)।
সূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
• UNODC:
- UNODC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Office on Drugs and Crime.
- UNODC হলো জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা।
- এর প্রধান মিশন হলো বিশ্বকে মাদক, সংগঠিত অপরাধ, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদ থেকে নিরাপদ করা।
- UNODC প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৭ সালে।
- সদর দপ্তর: অস্টিয়ার ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (ইউএনডিসিপি) এবং জাতিসংঘ অপরাধ দমন ও বিচার বিভাগ এর সমন্বয়ে এই সংস্থাটি গঠিত হয়।
তথ্যসূত্র: UNODC ওয়েবসাইট।
Save the children:
- সেভ দ্য চিলড্রেন (Save the children) একটি আর্ন্তজাতিক বেসরকারী সংস্থা।
- এটি যুক্তরাজ্যের শিশুবিষয়ক প্রতিষ্ঠান।
- সেভ দ্য চিলড্রেন বিশ্বের শীর্ষ শিশুবিষয়ক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯১৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ব্রিটিশ সমাজকর্মী এগল্যান্টাইন জেব।
- সদরদপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- প্রাথমিক উদ্দেশ্য: যুদ্ধপ্রবণ ইউরোপে ক্ষুধার্ত শিশুদের সহায়তা করা
- বর্তমান অবস্থান: বিশ্বের বৃহত্তম স্বাধীন শিশু অধিকার সংস্থা হিসেবে ১১০টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম চালায়।
⇒ একটি সুস্থ, নিরাপদ, পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশে শিশুদের বেড়ে ওঠা, সকল প্রকার দুর্যোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করা এবং শিশুর সার্বিক উন্নয়নে বিনিয়োগ এর উদ্দেশ্যে কাজ করে।
উৎস: Save the children ওয়েবসাইট।
IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যক্রম শুরু করে: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ গঠন করা হয়।
- এই সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রাসংক্রান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা ও বিনিময় ব্যবস্থা সুবিন্যস্ত ও সহজতর করে।
- ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রতিষ্ঠাকালে ২৯টি দেশ চুক্তিতে উপনীত হয়েছিল।
- এর ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।
উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
- G-7 এর পূর্ণরূপ- Group of Seven।
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি। তবে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।
- জি-৭ এর ৪৭তম সম্মেলন হয় ২০২১ সালে UK তে,
- ৪৮তম সম্মেলন হবে ২০২২ সালে জার্মানিতে,
- ৪৯তম সম্মেলন হবে ২০২৩ সালে জাপানে,
- ৫০তম হবে ২০২৪ সালে ইতালিতে।
উৎসঃ বিবিসি ও ব্রিটানিকা।
- World Economic Forum (WEF) প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৭১ সালে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (WEF):
- পূর্ণ নাম: World Economic Forum (WEF)
- প্রতিষ্ঠিত হয় : ১৯৭১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: প্রফেসর ক্লাউস শওয়াব (Klaus Schwab).
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- ধরণ: অলাভজনক আন্তর্জাতিক সংস্থা (Non-profit International Organization).
- উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন,
- ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে সরকার,
- বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের মধ্যে আলোচনা ও অংশীদারিত্ব তৈরি করা।
বিশেষ আয়োজন:
উল্লেখ্য,
- WEF-এর সবচেয়ে পরিচিত বার্ষিক আয়োজন হলো “দাভোস সম্মেলন (Davos Summit)”,
- যা সুইজারল্যান্ডের দাভোস শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: WEF ওয়েবসাইট।
Permanent Court of Arbitration (PCA):
- Permanent Court of Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশি আদালত একটি আন্তঃসরকারী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৮৯৯।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- স্বাক্ষরকারী: ১২৭টি।
- বর্তমান মহাসচিব: ড. হাব. মার্সিন চেপেলাক।
⇒ আদালতের সদস্যরা ছয় বছরের মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হন।
- কাজ: রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি করা।
উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।
ফ্রেন্ডস অফ দ্য আর্থ ইন্টারন্যাশনাল:
- ফ্রেন্ডস অফ দ্য আর্থ ইন্টারন্যাশনাল (এফওইআই) ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ফ্রান্স , সুইডেন , যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ৭০টি দেশে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে।
- এটি বিশ্ব উষ্ণায়নের বিরুদ্ধেো, জেনেটিকালি পরিবর্তিত ফসলের বিরোধিতা করা এবং বন উজাড়ের বিরুদ্ধে কাজ করে।
উৎস: friends-of-the-earth website.[link]
আন্তর্জাতিক নারী দিবস:
- ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর কাজের স্বীকৃতি প্রদান, নারী-পুরুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ, নারীর সাফল্য উদযাপন ও নারীদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতি বছর দিনটি পালিত হয় বিশ্বজুড়ে।
- ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের গ্লোবাল প্রতিপাদ্য: Give To Gain.
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ২০২৬ সালের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো: "Rights. Justice, Action, For All Women and Girls" অর্থাৎ "আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার"।
• ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় নারী দিবস’ পালিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। এই সম্মেলনে জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির উইমেন্স অফিসের নেতা ক্লারা জেটকিন একটি বার্ষিক ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ চালুর ধারণা উপস্থাপন করেন।
- কোপেনহেগেন সম্মেলনের সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় ১৯১১ সালের ১৯ মার্চ ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ পালিত হয়। জার্মানিতে ১৯১৪ সালের ৮ মার্চ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়।
- জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালকে ‘আন্তর্জাতিক নারী বর্ষ’ ঘোষণা করে। একই বছর বিশ্ব সংস্থাটি প্রথমবারের মতো ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করে।
- দুই বছর পর ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। এই স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক রূপ পায়।
- জাতিসংঘ প্রথমবার এই দিবসের একটা প্রতিপাদ্য ঠিক করে ১৯৯৬ সালে।
উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) International Women's Day ওয়েবসাইট।
COMESA:
- COMESA-এর পূর্ণরূপ: Common Market for Eastern and Southern Africa.
- এটি পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশের বাণিজ্যিক ব্লক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৪।
- সদস্য সংখ্যা: ২১টি।
- সদরদপ্তর: লুসাকা, জাম্বিয়া।
উৎস: COMESA ওয়েবসাইট।
লন্ডন ঘোষণা:
- জাতিসংঘ গঠনের প্রথম পদক্ষেপ লন্ডন ঘোষণা বা সেইন্ট জেমস প্যালেস ঘোষণা।
- ১২ জুন ১৯৪১ সাল।
- জার্মান-ব্রিটেনকে আক্রমণ করার পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপের ৯টি প্রবাসী সরকার পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য লন্ডনের জেমস প্রাসাদে যে ঘোষণা দেয় তাই লন্ডন ঘোষণা।
- এটি জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ।
⇒ ১৯৪১ সালের ১২ জুন লন্ডনে আশ্রয় গ্রহণকারী ইউরোপীয় নয়টি দেশসহ মোট ১৪টি দেশের সরকার প্রধান ও প্রতিনিধিরা লন্ডনের সেইন্ট জেমস্ প্যালেসে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসে।
- বৈঠকে অংশ নেওয়া ১৪টি দেশ হলো গ্রেট ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নির্বাসিত ৯টি দেশ: বেলজিয়াম, চেকোস্লোভাকিয়া, গ্রিস, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস্, নরওয়ে, পোল্যান্ড, যুগোস্লাভিয়া ও ফ্রান্স।
- এই বৈঠকে ১৪টি দেশের সরকার প্রধান ও প্রতিনিধিরা একটি যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।
- এই ঘোষণাপত্রটি ‘সেইন্ট জেমস্ প্যালেস ঘোষণা’ বা ‘লন্ডন ঘোষণা’ নামে ইতিহাসে পরিচিত হয়ে আছে।
- ঘোষণার মূল কথা ছিলো - "To work together, with other free peoples, both in war and in peace".
⇒ এই বৈঠকে ৩টি প্রস্তাব পাশ হয়। যথা -
- জার্মানি ও ইতালির বিরুদ্ধে যুদ্ধে দেশগুলোর পারস্পারিক সহযোগীতা,
- অক্ষ শক্তিকে পরাজিত করে মিত্রশক্তির দেশগুলো একক কোনো চুক্তি করবে না।
- মিত্র দেশগুলোর সমন্বয়ে বিশ্ব শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা।
উলেখ্য,
- কমনওয়েলথ গঠনের প্রথম পদক্ষেপ ও লন্ডন ঘোষণা।
উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) History.com
• The European Free Trade Association (EFTA) :
- ১৯৬০ সালের ৪ জানুয়ারী স্টকহোমে একটি কনভেনশন স্বাক্ষরের মাধ্যমে EFTA প্রতিষ্ঠা করে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য - অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, নরওয়ে, পর্তুগাল, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য।
- তবে বর্তমান সদস্য সংখ্যা চারটি। (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
এগুলো হলো:
- আইসল্যান্ড।
- লিচেনস্টাইন।
- নরওয়ে।
- সুইজারল্যান্ড।
- EFTA প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং এর সাতটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য প্রচারের জন্য।
অন্যদিকে,
EFTA-এর সদস্য রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়- ইতালি।
উৎস: EFTA.
• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- - ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি- জনাব এস এ করিম (১৮ সেপ্টেম্বর-১৯৭৪)।
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি- সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী ।
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১ম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি- ইসমাত জাহান।
উৎস: জাতিসংঘের ওয়েব সাইট এবং প্রথম আলো।
- জাতিসংঘের ইতিহাসে দুইজন মহাসচিব নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছেন।
- দগ হামারশোল্ড (১৯৬১) এবং কফি আনান (২০০১)।
- হামারশোল্ড মরণোত্তর এই পুরস্কার পান, যিনি কর্মকালীন মৃত্যুবরণকারী একমাত্র মহাসচিব ছিলেন।
- কফি আনান এবং জাতিসংঘ সংস্থাটি যৌথভাবে ২০০১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
• দগ হামারশোল্ড:
- তিনি ছিলেন জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব।
- ১৯৬১ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, কিন্তু এই পুরস্কার গ্রহণের আগেই তিনি মারা যান।
- তিনি কর্মজীবনের সময় মারা যাওয়া একমাত্র মহাসচিব ছিলেন।
• কফি আনান:
- তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন।
- ২০০১ সালে তিনি এবং জাতিসংঘ সংস্থাটি যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১২৯ তম দেশ হিসেবে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬ সালে ও অনুমোদন করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ।
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) বা সমন্বিত পারমাণবিক অস্ত্র পরিক্ষা রোধ চুক্তি গৃহিত হয়।
- একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ: কমোরোস (১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১), ১৭০তম।
তথ্যসূত্র - CTBTO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF):
- গঠনের সিদ্ধান্ত - ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference.
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪৪টি দেশ।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯১টি দেশ।
উৎস: IMF ওয়েবসাইট।