বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ৪০১৫০০ / ১,৭৮৪

৪০১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ভারতে
  2. চীনে
  3. পাকিস্তানে
  4. জাপানে
সঠিক উত্তর:
জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানে
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪০২.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম কাগজকল স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম কাগজকল:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় প্রথম ‘কর্ণফুলী কাগজকল’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর স্থাপিত হয় খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও পাবনায় নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল।
- বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলে পঞ্চাশের অধিক কাগজকল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বসুন্ধরা পেপার মিল, সোনালি পেপার মিল, হাশেম পেপার ও পাল্প মিল, হোসেন পেপার মিল, পার্ল পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, সাদেক পেপার মিল ইত্যাদি। বেসরকারি বেশ কিছু কারখানায় প্রধানত আমদানি করা রাসায়নিক মণ্ড ব্যবহার করে উন্নত মানের কাগজ তৈরি করা হয়।
- আমাদের দেশে মূলত লেখার কাগজ, ছাপার কাগজ, নিউজপ্রিন্ট ও প্যাকেজিং জাতীয় কাগজ-এই চার ধরনের কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এর মধ্যে নিউজপ্রিন্ট সবচেয়ে সস্তা ও কম টেকসই।

উল্লেখ্য,
⇒ কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উৎস: i) বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
ii)  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
৪০৩.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মূল্য সংযোজন কর (VAT) প্রবর্তিত হয় কবে? 
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৮৬
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর বা VAT হলো একটি আধুনিক পরোক্ষ কর।
- এটি যেকোনো ব্যবসায়ের মাধ্যমে সৃষ্ট মূল্য সংযোজনের ওপর আরোপিত হয়।
- দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এই কর প্রযোজ্য।
- বিদেশী পণ্য আমদানি এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে VAT আরোপিত হয়।
- দেশীয় সেবা বা পরিষেবা উৎপাদন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
- করটি উৎপাদন থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে আদায় করা হলেও এর চূড়ান্ত দায়ভার পণ্য বা সেবার ভোক্তা বহন করে। 
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই।
- এই পরোক্ষ করটি সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের উৎস।

উৎস:
1. National Board of Revenue (NBR) Official Website;
2. বাংলাপিডিয়া।

৪০৪.
উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য কত হতে হয়?
  1. ক) ১৫ কোটি
  2. খ) ১০ কোটি
  3. গ) ৫ কোটি
  4. ঘ) ৫০ কোটি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫ কোটি
ব্যাখ্যা
 মাঝারি শিল্প
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়) সর্বনিম্ন ১৫ কোটি থেকে সর্বোচ্চ ৫০  কোটি বা ১২১ থেকে ৩০০ জন শ্রমিক থাকলে মাঝারি শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে
- সেবা খাতে,  জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়) ২ কোটি থেকে ৩০  কোটি টাকা  বা ৫১ থেকে ১২০ জন শ্রমিক থাকলে মাঝারি শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- যে কোন একটি মানদন্ডের ভিত্তিতে  মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হলেও অন্য মানদন্ডের ভিত্তিতে বৃহৎ  শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে ।
- সেক্ষেত্রে এ কর্মকান্ডটি  বৃহৎ​ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে।

অন্যদিকে -
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় ) ৫০  কোটির অধিক বা ৩০০ জনেরও বেশি শ্রমিক থাকলে বৃহৎ শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে,  জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় ) ৭৫ লক্ষ থেকে ১৫ কোটি বা ৩১ থেকে ১২০ জন শ্রমিক থাকলে ক্ষুদ্র শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় )  ১০ লক্ষ থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা বা ১৬ থেকে ৩০ জন শ্রমিক থাকলে মাইক্রো শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, শিল্পের শ্রেণীবিভাগ, khulna.gov.bd.
৪০৫.
২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) দশম
  2. খ) নবম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'The Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ মে, ২০২২ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত ‘"A war in a pandemic - Implications of the Ukraine crisis and COVID-19 on global governance of migration and remittance flows - Migration and Development Brief 36" শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে - বিশ্বের দরিদ্র ও মধ্য আয়ের দেশগুলো ২০২২ সালে মোট ৬৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স গ্রহণ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে,
⇒ ২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০ দেশ হলো-
• (প্রথম) ভারত - ৮৯ (বিলিয়ন USD)
• (দ্বিতীয়) মেক্সিকো - ৫৪ (বিলিয়ন USD)
• (তৃতীয়) চীন - ৫৩ (বিলিয়ন USD)
• (চতুর্থ) ফিলিপাইন -  ৩৭(বিলিয়ন USD)
• (পঞ্চম) মিশর - ৩২ (বিলিয়ন USD)
• (ষষ্ঠ) পাকিস্তান - ৩১(বিলিয়ন USD)
(সপ্তম) বাংলাদেশ - ২২ (বিলিয়ন USD)
• (অষ্টম) নাইজেরিয়া - ১৯ (বিলিয়ন USD)
• (নবম) ইউক্রেন - ১৮ (বিলিয়ন USD)
• (দশম) ভিয়েতনাম - ১৮ (বিলিয়ন USD)

উৎস: (বিশ্ব ব্যাংক ২০২২ সমীক্ষা রির্পোট)।
৪০৬.
রপ্তানি আয়ের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
- রপ্তানি/আমদানি/জিডিপি/বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে দক্ষিণ এশিয়ায়:
- শীর্ষ দেশ : ভারত
- দ্বিতীয় : বাংলাদেশ
- তৃতীয় : পাকিস্তান।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান : ২০২০)
৪০৭.
দেশের কৃষিতে এককভাবে কোন সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) জিপসাম
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) টিএসপি
  4. ঘ) ডিএপি
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান।
- এছাড়া অন্যান্য সারের মধ্যে টিএসপি ও ডিএপি উল্লেখযোগ্য।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ 
- কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট
৪০৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আমদানি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫। 

৪০৯.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার অবস্থিত-
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) নারায়ণগঞ্জে
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার। এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। 
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

উৎস: বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট।
৪১০.
আদমজী পাটকল কত সালে বন্ধ হয়ে যায়?
  1. ৩০ জুন, ২০০০
  2. ৩০ জুন, ২০০৫
  3. ৩০ জুন, ২০০২
  4. ৩০ জুন, ২০১১ 
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
ব্যাখ্যা

∗ আদমজী পাটকল:
• আদমজী পাটকল একসময় এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল ছিল।
• কিন্তু দীর্ঘদিনের লোকসান, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, শ্রমিক অসন্তোষ এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণে মিলটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে পড়ে। 
• জাতীয়করণের পর এর মুনাফা কমে যায়।
• দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শ্রমিকদের বারবার আন্দোলন উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে। 
• শেষ পর্যন্ত এসব সমস্যার কারণে সরকার ৩০ জুন ২০০২ সালে আদমজী পাটকল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য, 
• বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন -১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে ৭৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরে ৪টি মিল যুক্ত হয়ে ৮২-এ পৌঁছে।
• বিরাষ্ট্রীয়করণ ও হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন সময়ে মিল সংখ্যা কমতে কমতে বর্তমানে মোট মিল দাঁড়িয়েছে ৩১টি।
- বিজেএমসি’র লক্ষ্য:
• পাটখাতের উন্নয়ন,
• মিল আধুনিকায়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ,
• দক্ষ জনবল তৈরি এবং
• সম্পদের সঠিক ব্যবহার।
- চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে :
• বন্ধ মিল চালু করা,
• শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ,
• আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।

উৎস: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪১১.
বিসিআইসি তথ্য অনুযায়ী, দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  3. ছাতক সিমেন্ট
  4. শাহ সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- বিসিআইসির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ছাতক সিমেন্ট কারখানা দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এখানে ক্লিংকার ও সিমেন্ট উৎপাদন করা হয়। 

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সাল হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উল্লেখ্য,
- সিমেন্ট উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্লিংকার।
- চুনাপাথর ও মাটি থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়াম, সিলিকা, অ্যালুমিনা, আয়রন ইত্যাদিকে বিভিন্ন তাপমাত্রায় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ক্লিংকার প্রস্তুত করা হয়।

তথ্যসূত্র: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৪১২.
Which of the following minerals is found at Madhyapara in Dinajpur district?
  1. ক) Coal
  2. খ) White Clay
  3. গ) Lime Stone
  4. ঘ) Hard rock
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ঘ) Hard rock
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Hard rock
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম শিলা খনি হলো মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি।
- এটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যপাড়া এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) কর্তৃক ১৯৭৪ সালে গ্রানাইট পাথর আবিস্কৃত হয়।
- মধ্যপাড়া ভূগর্ভস্থ কঠিন শিলা প্রকল্পটি প্রায় ১.৪৪ বর্গ কিমি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। 
- ধ্যপাড়ার এইসব কঠিন শিলা মূলত নাইস, গ্রানোডায়োরাইট (granodiorite) এবং কোয়ার্টজ ডায়োরাইট (quartz diorite) সহযোগে সৃষ্ট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৪১৩.
নিম্নের কোনটি দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

এছাড়াও,
- স্বল্পমেয়াদি অগ্রাধিকার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী দুই বছরে পাঁচটি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা জানান বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান। এগুলো হলো চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড), শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল, জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল, মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ও জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড)।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৪১৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ১২.৬৯%
  2. ১৫.৮৭%
  3. ১৮.৩৪%
  4. ২১.৮৫%
সঠিক উত্তর:
১৫.৮৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫.৮৭%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি আয়:

• একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার: ১৫.৮৭%।

• একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ: জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার: ১১.২১%।

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যে তৃতীয় শীর্ষ দেশ: যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার: ১০.৫২%।

⇒ এশিয়া:
- রপ্তানি বাণিজ্যে এশিয়ার শীর্ষ দেশ: জাপান।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪১৫.
বর্তমানে দেশের চলমান স্থলবন্দর কয়টি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২৪টি
  2. ২২টি
  3. ১৮টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি চলমান স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং বাকি ৫টি সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বিএসবিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে।
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
- স্থলপথে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম সহজ ও অধিকতর উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থাটি।
- বিএসবিকের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ২৪টি স্থল শুল্ক স্টেশনকে ‘স্থলবন্দর’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- স্থলবন্দরসমূহ আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি ও সরকারি রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।
- একই সাথে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও সীমান্ত চোরাচালান হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি  ত্বরান্বিতকরণের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৪১৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাকের অবদান কত?
  1. ৩৭.১০%
  2. ৩৭.৯০%
  3. ৩৯.১০%
  4. ৩৯.৯০%
সঠিক উত্তর:
৩৭.১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.১০%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪১৭.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে নিম্নের কোন সূচকটি ব্যবহার করে?
  1. DSE CDSET Index
  2. DS30 Index
  3. DSE Broad Index
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- স্টক এক্সচেঞ্জ হলো একটি বাজার যেখানে স্টক এবং অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লেনদেন করা হয়।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে সূচক পদ্ধতি অবলম্বন করে।
- সাধারণ শেয়ার বাজারের গতি বা সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়। এগুলো হলো:
i) DSE Broad Index,
ii) DSEX Shariah Index,
iii) DS30 Index,
iv) DSE CDSET Index.

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।
৪১৮.
বাংলাদেশে প্রথম ’ইপিজেড’ কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. নীলফামারী
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা:
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ১৫ এপ্রিল ১৯৮১ তারিখে গঠন করা হয় এবং এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ব্যবস্থাপনা ও এগুলোর কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে। 
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
-  এছাড়া (মংলা, খুলনা), (উত্তরা, নীলফামারী), (ঈশ্বরদী, পাবনা,), কুমিল্লা, (কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম)ও (আদমজী, নারায়ণগঞ্জ,) আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৪১৯.
Where is Bangladesh Sugarcrop Research Institute located?
  1. Dhaka
  2. Gazipur
  3. Chattogram
  4. Rangpur
  5. Pabna
সঠিক উত্তর:
Pabna
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pabna
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪২০.
'Bangladesh Tea Board' organization under which ministry?
  1. Ministry of Finance
  2. Ministry of Agriculture
  3. Ministry Of Land
  4. Ministry of commerce
  5. Ministry of Food
সঠিক উত্তর:
Ministry of commerce
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ministry of commerce
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ:
- বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে।
- যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।
 
উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
৪২১.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  2. রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  3. এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
  4. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)।
- এটি ১৯৬২ সালে গভর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরি (GPL) নামে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রোডাকশন ইউনিট (PPU) রাখা হয়।
- ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ওষুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে এটি আধুনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি হাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিস, ইউনিসেফ, WHO, আইসিডিডিআরবি প্রভৃতি সংস্থায় মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহ করছে।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ওয়েবসাইট।

৪২২.
In Bangladesh, which country assists in Rooppur Nuclear Power Plant?
  1. ক) Russia
  2. খ) India
  3. গ) China
  4. ঘ) France
সঠিক উত্তর:
ক) Russia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Russia
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে ১৩ মে ২০০৯ তারিখে একটি ‘পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার’ বিষয়ক একটি ‘সমঝোতা স্বাক্ষর’, ২১ মে ২০১০  তারিখে ‘Framework Agreement’ স্বাক্ষর  এবং ০২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে  রূপপুরে প্রতিটি আনুমানিক ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা সম্পন্ন দু’ ইউনিট বিশিষ্ট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

Source: rooppurnpp.gov.bd
৪২৩.
বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. কানাডা
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের ‍দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার- জার্মানি।

- রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, পণ্যের আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৫-২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৪৪৬৭.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য যা উক্ত সময়ের মোট রপ্তানির ৮১.৬২%।
- বাংলাদেশ হতে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্য হলো ওভেন পোষাক ২৪৩৯.৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,

দেশ ভিত্তিক প্রধান প্রধান বাজার বিশ্লেষণঃ
→ ইইউ: ১০,৩২৫.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৩.০৩%)।
→ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৪,৪৬৭.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৮.৬২%)।
→ কানাডা: ৭৫৮.৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৬%)।
→ জাপান: ৭১২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.৯৭%)।
→ মোট চারটি বাজার থেকে রপ্তানি আয়: ১৬,২৬৩.৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৬৭.৭৮% মোট রপ্তানি আয়ের)।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৪২৪.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি কোন কাঠের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. সুন্দরী কাঠ
  2. গেওয়া কাঠ
  3. গরান কাঠ
  4. চাপালিশ কাঠ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৫.
নিম্নের কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. তাইওয়ান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:

- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪২৬.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  2. খ) সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
  3. গ) ঈশ্বরী, পাবনা
  4. ঘ) নশিপুর, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- অবস্থান - সিলেট হাইওয়ে সড়কের পাশে নরসিংদীর সাহেবপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত ।
- এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট
৪২৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়ের উৎস কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. চা 
  3. চিংড়ি 
  4. পাটজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুসারে, তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। 
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে মোট রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাকের হিস্যা ৮৩ শতাংশ। এই সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৩৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। 
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- ৩য় শীর্ষ রপ্তানি খাত কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি ৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
ii) প্রথম আলো। [link]

৪২৮.
Jamuna Rail Bridge features _______ pillars and _______ spans.
  1. 50, 49
  2. 49, 50
  3. 49, 48
  4. 50, 48
সঠিক উত্তর:
50, 49
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50, 49
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- যমুনা রেল সেতুতে ৫০টি পিলার এবং ৪৯টি স্প্যান রয়েছে।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা)।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪২৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. রুপালী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [মে, ২০২৫]
• বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অপরদিকে,
- রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক এগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
• ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।
• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪৩০.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিযোজিত?
  1. ক) BRRI
  2. খ) BADC
  3. গ) BCSIR
  4. ঘ) BINA
সঠিক উত্তর:
খ) BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) BADC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷ এটি বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে। BADC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যার প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ BADC ওয়েবসাইট)
৪৩১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
  2. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
  3. বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)
  4. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
ব্যাখ্যা
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি): 
- পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশের মেধাসম্পদ বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন ২০২২, পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন ১৯১১ এবং পেটেন্ট ও ডিজাইন বিধিমালা ১৯৩৩ মোতাবেক পেটেন্ট মঞ্জুর ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন নিবন্ধন করা হয়।
- ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ (ট্রেডমার্ক সংশোধনী আইন ২০১৫) ও ট্রেডমার্ক বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক ট্রেডমার্ক ও সার্ভিস মার্ক নিবন্ধন করা হয়।
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন ২০১৩ ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করা হয়।
- মেধাসম্পদের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় শতবর্ষী পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন, ১৯১১ এর পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি): 
- বিএবি জাতীয় মান অবকাঠামো (Quality Infrastructure) উন্নয়নের মাধ্যমে দেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন, ভোক্তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ তথা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে।
- বিএবি ২০১২ সালে প্রথম অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করে এবং ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশীয় ও বহুজাতিক মোট ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৪৩২.
'বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
এ্যাক্রেডিটেশন
- এ্যাক্রেডিটেশন হচ্ছে সাযুজ্য নিরূপনকারী প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের তৃতীয় পক্ষ দ্বারা প্রত্যয়ন করা।
- টেস্টিং এন্ড ক্যালিব্রেশন পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিকে সচরাচর এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করা হয়।
'বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড' শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি বোর্ড।

এছাড়াও
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ৪টি কর্পোরেশন, ৬টি অধিদপ্তর রয়েছে।
কর্পোরেশনগুলো হলো -
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশুন (বিসিআইসি)
• বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
• বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি)
• বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

অধিদপ্তরগুলো হলো -
• বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)
• বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
• বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বি আই এম)
• পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
• ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
• প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয় (বয়লার)।  

উৎস:- শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৪৩৩.
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় কাগজকল স্থাপিত হয়?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দবান
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কাগজকল হলো রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল।
- এটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল থেকে প্রাপ্ত বাঁশ ব্যবহৃত হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং BCIC ওয়েবসাইট)
৪৩৪.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে কত শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৫.৫৮ শতাংশ
  2. ৬.৫৮ শতাংশ
  3. ৭.৫৮ শতাংশ
  4. ৮.৫৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৮.৫৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৫৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয় প্রবৃদ্ধি:
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সম্প্রতি পণ্য রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
- এতে দেখা যায়, বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এই রপ্তানি তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।
- গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি হয়েছিল ৪ হাজার ৪৪৭কোটি ডলার।

উল্লেখ্য,
- সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের প্রত্যেক মাসেই পণ্য রপ্তানি বেড়েছে।
- তবে গত জুনে রপ্তানি কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ।
- ইপিবির তথ্যানুযায়ী, গত জুনে রপ্তানি হয়েছে ৩৩৪ কোটি ডলারের পণ্য।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৪৩৫.
চট্টগ্রাম বন্দর কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
  1. হালদা
  2. মেঘনা
  3. কর্ণফুলী
  4. সাঙ্গু
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম বন্দর:
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- দেশের অধিকাংশ পণ্য আমদানি ও রপ্তানি এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর পূর্বে পর্বত শ্রেণি থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট।
৪৩৬.
শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে রপ্তানি আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ ২য় সর্বোচ্চ আয় করে কোন খাত থেকে?  
  1. ক) তৈরি পোশাক
  2. খ) পাট ও পাটজাত পণ্য  
  3. গ) কৃষিজাত দ্রব্য
  4. ঘ) হিমায়িত চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
খ) পাট ও পাটজাত পণ্য  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট ও পাটজাত পণ্য  
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত  ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।   

• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
• রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%। 

• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত।  
৪৩৭.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
৪৩৮.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
চা বোর্ড:
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ১৯৫১ সালে প্রথম পাকিস্তান টি বোর্ড গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৬৮টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
৪৩৯.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে নিচের কোন দেশে জিএসপি সুবিধা পেয়ে আসছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- কানাডা
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে
- সুইজারল্যান্ড
- যুক্তরাজ্য।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
৪৪০.
আকিজ জুট মিলস কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. গোপালগঞ্জ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আকিজ জুট মিল:
- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক এস কে নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে।

উৎস: i) আকিজ জুট মিল ওয়েবসাইট। 
ii) The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৪১.
বাংলাদেশের একমাত্র অস্ত্র কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. সাভার
  3. চট্টগ্রাম
  4. কেরানীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্ধৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের একমাত্র মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি গাজীপুরে অবস্থিত।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪৪২.
বাংলাদেশে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরটি কোথায় গড়ে তোলা হবে?
  1. ক) কুতুবদিয়া
  2. খ) হাতিরদিয়া
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) সোনাদিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনাদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনাদিয়া
ব্যাখ্যা

দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০০৯ সালে। শুরুতে পরিকল্পনায় ছিল কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ। এরপর আসে পটুয়াখালীর পায়রা। সর্বশেষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো, সোনাদিয়া বা পায়রায় নয়, কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়ীতেই হবে গভীর সমুদ্রবন্দর।
- মাতারবাড়ি বন্দর হল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের, কক্সবাজার জেলার, মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর।
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে নির্মাণ করা হবে।

- স্বাধীনতার আগে থেকেই বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের সংখ্যা ছিল মাত্র দুইটি। চট্টগ্রাম এবং মংলা।
- বাংলাদেশের সব থেকে গভীরতম সমুদ্রবন্দর হচ্ছে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর।
- মহেশখালী দ্বীপের আয়তন প্রায় ১৪ বর্গকিলোমিটার। সেই সাথে মাতারবাড়ি চ্যানেলের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪.৫ কিমি।
- ভাটার সময় গভীরতা থাকে প্রায় ১৪ মিটার। আর জোয়ারের সময় প্রাকৃতিক ভাবেই গভীরতা হয় প্রায় ১৮.৫ মিটার।
- মাতারবাড়ি বন্দরের কাজ শেষ হলে এই দ্বীপে ২৪০০০ একরের বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশাল বিনিয়োগ আসবে।

তথ্যসূত্র: সময় টিভি অনলাইন নিউজ।
৪৪৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র -
  1. জার্মানি
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. মাল্টা
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৪৪.
২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের একক দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি কোন দেশে হয়? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• অঞ্চল হিসাবে রপ্তানি,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৪৪৫.
নিচের কোনটি উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত?
  1. পারমাণবিক শক্তি
  2. জাহাজ নির্মাণ শিল্প
  3. লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
  4. পর্যটন শিল্প
সঠিক উত্তর:
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে সাতটি শিল্পকে উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- কৃষি/খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিযন্ত্র প্রস্তুত শিল্প
- তৈরি পোশাক শিল্প
- আইসিটি/সফটওয়্যার শিল্প
- ঔষধ শিল্প
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্প
- লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
- পাট ও পাটজাত পণ্য শিল্প।
অন্যদিকে,
- পারমাণবিক শক্তি হলো সংরক্ষিত শিল্প।
- পর্যটন শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ শিল্প হলো অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)
৪৪৬.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট মিলে প্রধানত সুন্দরবনের কোন গাছ কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার হতো?
  1. ক) গোলপাতা
  2. খ) গেওয়া
  3. গ) চাপালিশ
  4. ঘ) গরান
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
ব্যাখ্যা
১৯৫৭ সালে স্থাপিত হয় - খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল।
- মিলটি খুলনা শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালে এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- আশেপাশের জেলাগুলোতে গেওয়া কাঠ এবং শ্রমিক সহজলভ্যতার সুবিধা থাকায় মিলটি ১৯৫৭ সালে ৮৮ দশমিক ৬৮ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

- ক্রমাগত লোকসান এবং মূলধনের ঘাটতির কারণে ২০০২ সালের ৩০ নভেম্বর মিলটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৪৭.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশ (PO-27) বলে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন গঠিত হয়।
- ০১.০৭.১৯৭৬ তারিখে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন একীভূত করে বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী বিএসএফআইসি শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে ১৫ টি চিনিকল, ১ টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা এবং ২ টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্পোরেশন এর কর্মকান্ড অব্যাহত আছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিদের্শক্রমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের লোকসান কমিয়ে আনার জন্য ২০২০-২০২১ আখ মাড়াই মৌসুম থেকে ১৫ টি চিনিকলের মধ্যে ০৯ টি চিনিকলে আখ মাড়াই অব্যাহত রয়েছে।
- মাড়াই স্থগিতকৃত ৬ টি চিনিকলের আধুনিকীকরণ করে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন।
৪৪৮.
সরকারি খাতে বাংলাদেশের পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ পর্যটন শিল্প
  2. বাংলাদেশ রেলওয়ে
  3. বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন
  4. বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------- 
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন-বিসিআইসি (Bangladesh Chemical Industries Corporation-BCIC):

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) সরকারি খাতে বাংলাদেশের পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।

বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ৮টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
চালু কারখানাগুলোর মধ্যে,
৪টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।

বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।

উৎস:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৪৪৯.
'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কোথায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. বাগেরহাট জেলা
  2. নরসিংদী জেলা
  3. কুড়িগ্রাম জেলা
  4. নীলফামারী জেলা
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম জেলা
ব্যাখ্যা
'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।

ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:

- 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৪৫০.
উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম সিমেন্ট প্ল্যান্ট কোনটি?
  1. ক্রাউন সিমেন্ট
  2. শাহ সিমেন্ট
  3. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  4. হোলসিম সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
শাহ সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ সিমেন্ট
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট শিল্প:
- সিমেন্ট শিল্পের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ)।
- বিএসএমএ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে উৎপাদন সক্ষমতার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে শাহ সিমেন্ট।
- এটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার টনের বেশি।

অন্যদিকে -
- দ্বিতীয় স্থানে আছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্ট। কোম্পানিটির দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- ১৯ হাজার মেট্রিক টনের বেশি দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ক্রাউন সিমেন্ট।

উৎস: ১৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
৪৫১.
BIDA- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Bangladesh International Development Authority
  2. খ) Bangladesh Investment Development Authority
  3. গ) Bangladesh Investment Development Access
  4. ঘ) Bangladesh Investment Developing Authority
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Investment Development Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Investment Development Authority
ব্যাখ্যা
• BIDA:
- BIDA (Bangladesh Investment Development Authority) বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।
৪৫২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. জার্মানিতে
  2. ফ্রান্সে
  3. জাপানে
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।

⇒ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৫৩.
দেশে বর্তমানে (২০২৪) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১৪০টি
  2. ১৪২টি
  3. ১৪৪টি
  4. ১৪৫টি
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি: 

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা - ১৪৫ টি। 
অবসরকৃত/মেয়াদ উত্তীর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা - ০৯(২০২৩-২০২৪ অর্থবছর) (এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত)। 
সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন (মে: ও:) - ১৬,৪৭৭ (৩০ এপ্রিল ২০২৪)। 
বিদ্যুৎ আমদানি (মে: ও:) - ২,৬৫৬। 
মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন (কি.ও.ঘন্টা) - ৬০২(ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ) (২০২২-২০২৩ অর্থবছর)। 
বিদ্যুৎ গ্রাহক সংখ্যা - ৪ কোটি ৭০ লক্ষ। 
সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ (কোটি টাকায়)  - ৩০,০৬৩.৬৬ (২০২৩-২০২৪ অর্থবছর)। 
বিতরণ সিস্টেম লস (%) - ৭.৬৫ (২০২২-২০২৩ অর্থবছর)। 

সূত্র: প্রথম আলো ও বিদ্যুৎ বিভাগের ওয়েবসাইট।
৪৫৪.
নিচের কোনটি 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. রূপচাঁদা
  3. পাট
  4. চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৪৫৫.
বিগত অর্থ বছরের তুলনায় বর্তমান অর্থবছরে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬.৫%
  2. খ) ৮.১৩%
  3. গ) ১৩.০২%
  4. ঘ) ১৫.৭৬%
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.০২%
ব্যাখ্যা

২০১৮ - ১৯ অর্থবছরে অর্থনীতির ৩টি বড় খাতের প্রবৃদ্ধির হার -
শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ১৩.০২%
সেবাখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫%
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৫১%
সার্বিকভাবে জিডিপিতে খাতগুলোর অবদান -
কৃষি খাতের অবদান- ১৩.৬০%
শিল্প খাতের অবদান- ৩৫.১৪%
সেবা খাতের অবদান- ৫১.২৬%
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৪৫৬.
'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর' অবস্থিত নয়-
  1. ক) সোনাগাজী
  2. খ) মিরসরাই
  3. গ) সীতাকুণ্ড
  4. ঘ) গজারিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) গজারিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গজারিয়া
ব্যাখ্যা

- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।

৪৫৭.
বিজিএমইএ কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪৫৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৭৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৬৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৬৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৮০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার 
সঠিক উত্তর:
৬৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- এর মধ্যে পণ্য থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার আর সেবা থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয় হবে ।
- ১২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবর রহমান  এ তথ্য জানিয়েছেন।
- চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি । 

এছাড়াও,
- পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাকের ওভেন খাত থেকে ২০.৭৯ বিলিয়ন ডলার।
-  নিট পোশাক থেকে ২৩.৭০ বিলিয়ন ডলার,
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার,
- পাট ও পাটপণ্য থেকে ৯০০ মিলিয়ন ডলার এবং কৃষিপণ্য থেকে ১.২১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। এবং বিজনেস স্টান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

৪৫৯.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিলমূল্যে জিডিপিতে কোন খাতে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) মৎসখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির বিভিন্ন খাতসূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৬.১২ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫.৬১ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.৪৫ শতাংশ
- মৎস্যখাত : ৫.৭৪ শতাংশ
- খনিজ ও খনন : ০.২৯ শতাংশ (সর্বনিম্ন)
- স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা : ৯.৯৪ শতাংশ (সর্বোচ্চ)।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪৬০.
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর কোনটি?
  1. ভোমরা
  2. তামাবিল
  3. সোনা মসজিদ
  4. ভুরুঙ্গামারী
সঠিক উত্তর:
তামাবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাবিল
ব্যাখ্যা
• তামাবিল স্থলবন্দর: 
- গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী বাজার।
- তামাবিল থেকে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

তথ্যসূত্র: গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট।
৪৬১.
‘লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানটি কোন শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত-
  1. ক) টেলিফোন শিল্প
  2. খ) ঔষধ শিল্প
  3. গ) সিমেন্ট শিল্প
  4. ঘ) চিনি শিল্প
সঠিক উত্তর:
গ) সিমেন্ট শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিমেন্ট শিল্প
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অবস্থিত সিমেন্ট শিল্পের বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত এই সিমেন্ট কারখানাটি। সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার উৎপাদন করে সেখান থেকে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের বেসরকারি সিমেন্ট কারখানাগুলোর মধ্যে লাফার্জই হচ্ছে একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা।
[সূত্রঃ lafargeholcim.com.bd এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৪৬২.
বাংলাদেশে জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স গঠন করা হয় কবে?
  1. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স:
- বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উন্নয়নে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে সেমিকন্ডাক্টর শীর্ষক ১৩ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে বাংলাদেশ সরকার।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 
- বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (বিডা) নেতৃত্বে এই ফোর্স গঠন করা হয়।
- নব গঠিত টাস্কফোর্সের কাজ হবে সেমিকন্ডাক্টর খাতে তাৎক্ষণিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করা, নীতি ও দক্ষতার ঘাটতি দূর করা এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণে অবকাঠামো ও প্রণোদনা কাঠামো প্রস্তাব করা।
- এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর চিপ ডিজাইন, টেস্টিং এবং অ্যাসেম্বলিং সক্ষমতাকে আরও এগিয়ে  নিবে বলে কর্তৃপক্ষ আশাবাদী।

তথ্যসূত্র: বাসস। [Link]
৪৬৩.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রথম এক হাজার টাকার নোট প্রচলন করে?
  1. ক) ২০০৫ সালে
  2. খ) ২০০৭ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ১০০০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে ৫০ টাকা,
- ১৯৭৭ সালে ৫০০ টাকা,
- ১৯৮০ সালে ২০ টাকা এবং
- ১৯৮৯ সালে ২ টাকার নোটের প্রচলন হয়।

৪৬৪.
২০২৫ সালে বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে? 
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. কাতার
  4. ওমান
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে সৌদি আরবে সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে বাংলাদেশ।
- প্রায় সাড়ে ৭ লাখ কর্মী পাঠায় বাংলাদেশ।

• বিএমইটি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ১১ লাখেরও বেশি মানুষ কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে গেছেন,
- যার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ সৌদি আরবকে বেছে নিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি নতুন কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- এই চুক্তির ফলে কর্মীদের সুরক্ষা, বেতন পরিশোধ, কল্যাণ এবং স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।
- এছাড়া সৌদি আরবের উচ্চাভিলাষী 'ভিশন ২০৩০' প্রকল্পের অধীনে নির্মাণ ও বড় বড় প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালে এই প্রকল্পের আওতায় আরও ৩ লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

উৎস: বিএমইটি ওয়েবসাইট। এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

৪৬৫.
চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) নবম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
FAO এর তথ্যানুসারে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম।
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে তৃতীয়।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে প্রথম।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
৪৬৬.
কোন জেলায় বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ঢাকা
  3. নীলফামারী
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড: 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং এখানেই দেশের প্রথম ইপিজেডের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইপিজেডগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং রপ্তানির জন্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

ইপিজেড:
- পূর্ণরূপ Export Processing Zone. 
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি,
- এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড,
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত। 

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
৪৬৭.
'বুড়িমারী স্থলবন্দর' কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. গোয়াইনঘাট
  2. পাটগ্রাম
  3. আখাউড়া
  4. দামুরহুদা
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম
ব্যাখ্যা
বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী সীমান্তে এ স্থল বন্দর অবস্থিত।
- ভারত, ভূটান এবং নেপালের সঙ্গে স্থলপথে মালামাল আমদানী ও রপ্তানির সুবিধার্থে বুড়িমারী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ বন্দরটি চালু করা হয় ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, ভূটান ও নেপাল হতে কয়লা, কাঠ, টিম্বার, পাথর, সিমেন্ট, চায়না ক্লে, বল ক্লে, কোয়ার্টজ, রাসায়নিক সার, কসমেটিক সামগ্রী, পশু খাদ্য, বিভিন্ন ধরণের ফলমূল, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, চাল, ডাল, গম, বিভিন্ন ধরণের বীজ, তামাক ডাটা প্রভৃতি মালামাল আমদানী করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা হয় ইলিশ মাছ, মেলামাইনের তৈরী বাসনপত্র এবং ঔষধ সহ কতিপয় মালামাল।

বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

সূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৪৬৮.
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস কোন দেশে তৈরি করা হয়েছে?
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. থাইল্যান্ড
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

এলিফ্যান্ট ওভারপাস:
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস বাংলাদেশের চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে নির্মিত।
- এটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের উপর তৈরি করা হয়েছে। 
- এলিফ্যান্ট ওভারপাস তৈরির মূল উদ্দেশ্য- হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী যাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
- ওভারপাসটি মাটির সেতুর আকারে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংবলিতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
- এতে হাতিদের পছন্দের গাছপালা রোপণ করা হয়েছে।
- ওভারপাসের নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচল করে। 
- চুনতি অভয়ারণ্যের ১০ কিলোমিটার অংশে নির্মিত এই ওভারপাস বন্য হাতির চলাচলের পথে রেললাইন সংলগ্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

উৎস:প্রথম আলো ও সময় নিউজ। 

৪৬৯.
চলতি অর্থবছরে গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৪,৫০,০০০ টাকা
  2. খ) ৪,২৫,০০০ টাকা
  3. গ) ৪,৬০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৪,৭৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪,৭৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা‌।
• নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ৬৫ বছরের উর্ধ্ব করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩। 
৪৭০.
নিচের কোনটি সংরক্ষিত শিল্প?
  1. ক) বৈদেশিক কর্মসংস্থান
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) নবায়নযোগ্য শক্তি
  4. ঘ) জাহাজ নির্মাণ শিল্প
সঠিক উত্তর:
খ) পারমাণবিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারমাণবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে চারটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- পারমাণবিক শক্তি
- অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক শিল্প
- সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল
- বনায়ন ও সংরক্ষিত বনভূমিতে যান্ত্রিক আহরণ।
অন্যদিকে,
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, জাহাজ নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তি হলো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)
৪৭১.
Which land port in Bangladesh handles the highest volume of trade? 
  1. Tamabil Land Port
  2. Benapole Land Port
  3. Burimari Land Port
  4. Akhaura Land Port
সঠিক উত্তর:
Benapole Land Port
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Benapole Land Port
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম বেনাপোলে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের সিংহভাগ এর মাধ্যমে সংঘটিত হয়। 
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

• বিভিন্ন স্থলবন্দর:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

৪৭২.
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) -এর অধীনে কয়টি সার কারখানা পরিচালিত হয়?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮টি
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতি ২৭ নম্বর অধ্যাদেশের ১৯৭৬ সনের ২৫ নম্বর সংশোধনী বলে ৩টি কর্পেোরেশন যথা- বাংলাদেশ সার, রসায়ন ও ভেষজ শিল্প কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কাগজ ও বোর্ড কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ট্যানারীজ কর্পোরেশন একীভূত করে ১লা জুলাই, ১৯৭৬ইং তারিখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিসিআইসি - এর অধীনে ১৩টি শিল্প কারখানা পরিচালিত হয় যার মধ্যে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
১. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোং লিমিটেড
২. চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড
৩. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
৪. আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
৫. ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ
৬. পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ
৭. ডিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ ও
৮. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ

Source: BCIC website.
৪৭৩.
'কেরু এন্ড কোং লিমিটেড' চিনিকল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নশিপুর
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) খালিশপুর
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
খ) দর্শনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দর্শনা
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং লিমিটেড।
- এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫ টি চিনিকল রয়েছে৷
- এর মধ্যে নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

উৎসঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৪৭৪.
সোনা মসজিদ স্থল বন্দরের সাথে ভারতের কোন জেলা সংযুক্ত?
  1. ক) নদিয়া
  2. খ) মুর্শিদাবাদ
  3. গ) মালদা
  4. ঘ) হুগলি
সঠিক উত্তর:
গ) মালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মালদা
ব্যাখ্যা
• সোনা মসজিদ স্থল বন্দর:
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দরটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপেজলার সোনা মসজিদ সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার ইংলিংশ থানার মহাদীপুর ইউনিয়ন অবস্থিত।
 -স্থলপথে আমদানি- রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ১২/০১/২০০২ খ্রি: তারিখে সোনা মসজিদ শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৪৭৫.
বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা -
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 

সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩,
• ঢাকা: ১৯৯৩,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮,
• কুমিল্লা: ২০০০,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬, 
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৪৭৬.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ক) ৭.৫০ শতাংশ
  2. খ) ৭.২৫ শতাংশ
  3. গ) ৮.২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৭.৭৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ক) ৭.৫০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭.৫০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার।
• ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট - ২০২২-২০২৩।
৪৭৭.
বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল -
  1. সিলেটের মালনীছড়া
  2. চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
  3. মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে
  4. চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
ব্যাখ্যা

চট্রগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে । 

বাংলাদেশের চা শিল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম বানিজ্যিক চা বাগান সিলেটের মালনীছড়া চা বাগান ।
- সিলেটের বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত এই চা বাগান ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । 
- ১৮৫৭ সালে প্রথম বানিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয় । 
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট  ১৬৮ টি চা বাগান আছে । 
- সর্বাধিক ৯২ টিচা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজারে ।
- এছাড়াও, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনিস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান । 
- বাংলাদেশে চা চাষ এবং বিক্রয় সংক্রান্ত আইন প্রনয়ণ, চা চাষ নিয়ন্ত্রণ এবং উৎসাহিত করার লক্ষ্যে চট্রগ্রামের নাসিরাবাদে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চা বোর্ড ।
- ১৯৫৭ সালে স্বায়ত্তশাসিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট , জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।

৪৭৮.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সর্ববৃহৎ সংগঠন কোনটি?
  1. BEZA
  2. BEPZA
  3. BGMEA
  4. BKMEA
সঠিক উত্তর:
BGMEA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BGMEA
ব্যাখ্যা
BGMEA:
- BGMEA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিজিএমইএ।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BGMEA বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করার জন্য ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে BGMEA-তে প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে।

⇒ বিজিএমইএ পরিচালিত হচ্ছে ৩৫ সদস্যের নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা।
- পরিচালনা পর্ষদ দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।
- বিজিএমইএ সদস্য কারখানাগুলির প্রায় ৪০% নিটওয়্যার এবং সোয়েটার প্রস্তুতকারক এবং বাকি ৬০% বোনা পোশাক প্রস্তুতকারক।
- বিজিএমইএ সদস্য কারখানাগুলি দেশের ১০০% বোনা পোশাক রপ্তানি এবং ৯৫% এরও বেশি সোয়েটার রপ্তানি করে, যেখানে হালকা নিটওয়্যার রপ্তানির প্রায় অর্ধেকই তাদের দ্বারা তৈরি করা হয়।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
৪৭৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নিচের কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করে?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৮০.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. ঔষুধ
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। 

৪৮১.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সুতা আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ভারত 
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত 
ব্যাখ্যা

সুতা আমদানি: 
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সুতা আমদানী করে ভারত থেকে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যানুযায়ী, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ হওয়ার আগের তিন মাসের চেয়ে পরের তিন মাসে ভারত থেকে সুতা আমদানি কমেছে ২ লাখ ৩০ হাজার কেজি।
- বিধিনিষেধ আরোপের পর মে ও জুন মাসে এসেছে গড়ে ৪ কোটি কেজি।
- জুলাই মাসে আবার সুতা আমদানি ৫ কোটি কেজি ছাড়িয়ে গেছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মতে  মূলত চারটি কারণে বাংলাদেশে সুতা আমদানি বেড়েছে।
- প্রথমত, গত বছর সরকার দেশি সুতার নগদ প্রণোদনা চার শতাংশ থেকে কমিয়ে এক দশমিক পাঁচ শতাংশ করেছে।
- ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রস্তুতির একটি অংশ ছিল এটি।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।[লিঙ্ক]

৪৮২.
নিচের কোনটি তফসিলিভুক্ত ব্যাংক নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. খ) কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. গ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. ঘ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
খ) কর্মসংস্থান ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্মসংস্থান ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- অ-তফসিল ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলো ৫টি। যথা:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।


বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি। যথা:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, 
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। 
 
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৪৮৩.
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের কোন প্রান্তে?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. উত্তর-দক্ষিণ
  4. পূর্ব-দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪৮৪.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. সিঙ্গাপুর
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি: 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- সময়: ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর।
- ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল। 
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে।
- জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল ১২৩ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৪৮৫.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
  2. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. শেল অয়েল কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
ব্যাখ্যা
₻ গ্যাসক্ষেত্র
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
৪৮৬.
ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান কত?
  1. ৬০তম
  2. ৭৮তম
  3. ৬৮তম
  4. ৫৮তম
সঠিক উত্তর:
৬৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮তম
ব্যাখ্যা

'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা:
- ২০২৪ সালে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা হিসাব করে 'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিং-বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদমাধ্যম লয়েডস লিস্ট।
- বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন অবস্থান এখন ৬৮তম।
- ২০২৪ সালে এই বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার একক কনটেইনার পরিবহন করেছে।
লয়েডস লিস্টের ক্রমতালিকা অনুযায়ী, গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম।

উল্লেখ্য,
- তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর।
- ২০২৪ সালে বন্দরটি দিয়ে ৫ কোটি ১৫ লাখ একক কনটেইনার পরিবহন হয়েছে।
- তালিকায় সবার শেষে, অর্থাৎ ১০০তম স্থানে রয়েছে চিলির সান অন্তোনিও বন্দর।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।লিঙ্ক]

৪৮৭.
বৈদেশিক বাণিজ্যে নিচের কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিদ্যমান?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সার্বিক বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি বিদ্যমান।
- গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য ভারসাম্যে ঘাটতি ছিলো ১৭.৮৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তবে কয়েকটি দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত রয়েছে।
এগুলোর মধ্যে:
- প্রথম : জার্মানি (৪.২৩ বি. ড.)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩.৭ বি. ড.)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (২.৯ বি. ড.)।
অন্যদিকে,
-- বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান চীনের সাথে। দ্বিতীয় সর্বাধিক ভারতের সাথে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৪৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম ট্যানারি স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. নারায়ণগঞ্জে
  2. ঢাকায়
  3. গাজীপুরে
  4. সাভারে
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জে
ব্যাখ্যা

ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- এ অঞ্চলে ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারীবাগ এলাকায় অনেক ট্যানারি গড়ে ওঠে।
- দেশ বিভাগের আগ পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সব কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC. 

৪৮৯.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান মাছ কোনটি?
  1. ক) চিংড়ি
  2. খ) রুই
  3. গ) ইলিশ
  4. ঘ) পাঙ্গাস
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে পরিমাণে সর্বাধিক হলো ইলিশ মাছ। ২০১৮-২০১৯ সময়ে ইলিশ মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ৫.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন যা দেশের মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২.১৫ ভাগ। ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৪৯০.
বর্তমানে বেজার অনুমোদনপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল কতটি?
  1. ক) ৫৫টি
  2. খ) ৬৮টি
  3. গ) ৭৭টি
  4. ঘ) ৮৮টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৮টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংখ্যা ৮৮টি। এর মধ্যে সরকারি ৫৯টি এবং বেসরকারি ২৯টি। সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলায় নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরী।
(সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট)
৪৯১.
বাংলাদেশের সাথে কতটি দেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গত ৬ ডিসেম্বর ২০২০ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটানের সাথে দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষর করেছে।
- এর ফলে বাংলাদেশের ১০০টি ও ভুটানের ৩৪টি পণ্য পরস্পরের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
৪৯২.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সার কারখানা কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
• সার শিল্প (Fertilizer Industry) :
- ১৯৬১ সালে বাংলাদেশে প্রথম সার কারখানা সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
- সার কারখানাগুলো হচ্ছে ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা,
- আশুগঞ্জ জিয়া সার কারখানা,
- পলাশ ইফরিয়া সার কারখানা,
- চট্টগ্রাম ট্রিপল সুপার ফসফেট সার কারখানা,
- চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা,
- যমুনা সার কারখানা ও ফেঞ্চুগঞ্জ ন্যাচারাল গ্যাস সার কারখানা।
-  সবকয়টি সার কারখানা থেকে ৫.৯১ লক্ষ টন সার উৎপাদিত হয়।

উৎস: এইচ এস সি  প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৩.
দেশে প্রথমবারের মতো লোহার খনি কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৯৪.
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন -
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) পাবনা
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন – ঢাকা বিভাগ - (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। 
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন - ফরিদপুর জেলা (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)।

অন্যদিকে,
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন - বগুড়া জেলা (১২,৩০,৫০১ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন - পাবনা জেলা (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১।
৪৯৫.
বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. ঢাকা
  3. গাজীপুর
  4. মুন্সীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।

৪৯৬.
বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. ধামরাই
  3. আশুলিয়া
  4. যাত্রাবাড়ি
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরায় অবস্থিত।
- ২০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে এ শিল্প নগরী।
- রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্পকে ২০১৭ সালে স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরের চামড়া শিল্প নগরীতে। 
- ১৯৫০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাজধানীর হাজারীবাগ ছিল ট্যানারি শিল্পের বৃহৎ ঠিকানা।
=  হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প সরাতে ২০০৩ সালে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প হাতে নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়। মোট ১২ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ১ হাজার ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় এ নগরী।

উৎস: বণিক বার্তা।

৪৯৭.
ধান চাষের জন্য তাপমাত্রা প্রয়োজন-
  1. ক) ১৬° থেকে ২৬° সেলসিয়াস
  2. খ) ৩০° থেকে ৪৫ ° সেলসিয়াস
  3. গ) ২৬° থেকে ৪৬° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
- ধান চাষের জন্য তাপমাত্রা প্রয়োজন  ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস।
- ধান চাষের জন্য ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি প্রবণ এলাকা ধানের ফলন ভালো হয়।
- নদী অববাহিকায় পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এ জন্য বাংলাদেশের সর্বত্র ধান জন্মে।
- বাংলাদেশের খাদ্য-শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান।
- এ দেশে আইশ, আমন, বোরো প্রভৃতি ধান চাষ হয়।

  উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৪৯৮.
বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর এর নাম কি?
  1. ক) ডাউকি
  2. খ) কৃষ্ণনগর
  3. গ) পেট্রোপোল
  4. ঘ) সুতারকান্দি
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোপোল
ব্যাখ্যা
• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের সর্ববৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এ স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশ পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁ থানার পেট্রাপোলে আইসিপি অবস্থিত।
- শূল্ক আইন ১৯৬৯ এর আওতায় ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশনের অধীনে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর ধারা মোতাবেক প্রঞ্জাপন নং-এস আর ও নং-৪৯৩/ডি/কাস/৭৯, তারিখ ০৬-০৭-১৯৭৯ এর  মাধ্যমে ওয়্যারহাউজিং স্টেশন ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের অক্টোবরে ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন বিলুপ্ত হওয়ার পর বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাট মন্ত্রণালয়ের বিলুপ্ত সেল এর উপর ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর ন্যাস্ত হয়।
- ২০০২ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশন কে স্থলবন্দর ঘোষণা করে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীন ন্যাস্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৪৯৯.
BCIC এর অধীনে পরিচালিত একমাত্র সিমেন্ট কারখানার নাম -
  1. ক) ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  2. খ) জয়পুরহাট সিমেন্ট কারখানা
  3. গ) লাফার্জ সিমেন্ট কারখানা
  4. ঘ) মংলা সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ক) ছাতক সিমেন্ট কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৫০০.
বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহরটি অবস্থিত?
  1. ডাউকি
  2. বজ্রপুর
  3. পেট্রাপোল
  4. করিমগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
ব্যাখ্যা
• তামাবিল স্থলবন্দর: 
- গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী শহরটি অবস্থিত।
- তামাবিল থেকে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

সূত্র: গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট।