বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১৭ / ১৮ · ১,৬০১১,৭০০ / ১,৭৮৪

১,৬০১.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।

 উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৩ সালে রেশম বোর্ড, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং সিল্ক ফাউন্ডেশন কে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৬০২.
দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাইবান্ধা 
  2. পাবনা 
  3. নীলফামারী
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা

উত্তরা ইপিজেড:
- উত্তরা ইপিজেড দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড।
- এটি নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুলাই, ১৯৯৯।
- উদ্বোধন হয়: জুলাই, ২০০১।
- মোট আয়তন ২১৩.৬৬ একর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬০৩.
নিম্নের কোনটি বেসরকারি ইপিজেড?
  1. কর্ণফুলী ইপিজেড
  2. আদমজী ইপিজেড
  3. কোরিয়ান ইপিজেড
  4. ভুটানিজ ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
কোরিয়ান ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরিয়ান ইপিজেড
ব্যাখ্যা
কোরিয়ান ইপিজেড:
- দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড কোরিয়ান ইপিজেড।
- এটি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত।
- কোরিয়ান ইপিজেড-এর প্রতিষ্ঠাতা কিয়াক সুং।
- চট্টগ্রামে কোরিয়ান ইপিজেড এর কার্যক্রম ১৯৯৫ সালে শুরু হয়।
- প্রথমে দুই দেশের সরকার উদ্যোগ নিলেও কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ শিল্পাঞ্চলটি গড়ে তোলে বেসরকারিভাবে।
- ইয়াংওয়ান করপোরেশন পরিচালিত কেইপিজেডে বর্তমানে ৪৮টি শিল্পে ৩৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
- এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশের জন্য নির্ধারিত।
- ফলে এটিকে বড় পরিবেশবান্ধব ইপিজেড বলা হয়।

অন্যদিকে,
- কর্ণফুলী ইপিজেড ও আদমজী ইপিজেড সরকারি ইপিজেড ও ভুটানিজ ইপিজেড বলতে দেশে কোন ইপিজেড নেই।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বেজা ওয়েবসাইট।
১,৬০৪.
পায়রা সমুদ্র বন্দর বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পটুয়াখালী
  2. খুলনা 
  3. ভোলা 
  4. বাগেরহাট 
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- পায়রা বন্দর বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬, সমুদ্র বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ৷
- এটি আমদানী ও রপ্তানীর জন্য একটি সরকারী রুট।
- ৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৩ পাস হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬০৫.
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাকের কারখানার নাম কী?
  1. দেশ গার্মেন্টস
  2. নাসির গার্মেন্টস
  3. সিটি গার্মেন্টস
  4. এভারেস্ট গার্মেন্টস
সঠিক উত্তর:
দেশ গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের গোড়াপত্তন:
- বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক নুরুল কাদের।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় প্রায় ৯ একর জমির ওপর ‘দেশ গার্মেন্টস’ গড়ে তুলেছিলেন নুরুল কাদের। 
- এটিই দেশের প্রথম তৈরি পোশাকের কারখানা।
- ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা পথ ঘুরে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার দাইয়ু করপোরেশনের সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন দেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানির কারখানা দেশ গার্মেন্টস। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পদযাত্রার সূচনা করেন দুই উদ্যোক্তা—রিয়াজ উদ্দিন ও এম নুরুল কাদের। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিনস রপ্তানির নেপথ্য কারিগর ছিলেন চট্টগ্রামের উদ্যোক্তা এম নাসির উদ্দিন।
- শিল্প হিসেবে তৈরি পোশাকের বিকাশের অন্যতম বড় চালক ধরা হয় আনিসুর রহমান সিনহাকে। ১৯৮৪ সালে যাত্রা করে তার প্রতিষ্ঠিত কারখানা ওপেক্স।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) বণিক বার্তা।

১,৬০৬.
যমুনা সার কারখানা কী উৎপাদন করে?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. ইউরিয়া ও টিএসপি
  4. টিএসপি ও এসএসপি
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

• যমুনা সার কারখানা: 
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
- পূর্বানুমতি নিয়ে পর্যটকদের সার উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখার সুযোগ রয়েছে।
- যমুনা সার কারখানা দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। 
- ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে এ কারখানায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয় এবং ১ জুলাই, ১৯৯২ থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬০৭.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. হস্তশিল্প
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. নীট পোশাক
  4. কৃষিজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
নীট পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট পোশাক
ব্যাখ্যা

নীট পোশাক:
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য  নীট পোশাক
- এখাতে  2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 21,159.08 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 43.82%।

• ওভেন পোশাক:

 - ওভেন পোষাক খাতে 2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 18,187.89 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 37.67%।

• হোম টেক্সটাইল : 
- হোম টেক্সটাইল খাতে 2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 871.57 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 1.81%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে 2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 1,145.07 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 2.37%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,৬০৮.
বিলোনিয়া স্থলবন্দর কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. কক্সবাজার 
  2. ফেনী
  3. বান্দরবান 
  4. লালমনিরহাট  
সঠিক উত্তর:
ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী
ব্যাখ্যা
বিলোনিয়া স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের বাণিজ্যনগরী হিসাবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম একটি জেলা ফেনী।
- এ জেলার অন্তর্গত পরশুরাম উপজেলার উত্তর সীমান্তে রয়েছে বাংলাদেশের ১১তম স্থলবন্দর বিলোনিয়া স্থলবন্দর।
- এটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং যুগান্তর।
১,৬০৯.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. মালয়েশিয়া
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাপানে রপ্তানি করে ১৩০৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৬১০.
ট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম বন্দর:
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- দেশের অধিকাংশ পণ্য আমদানি ও রপ্তানি এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর পূর্বে পর্বত শ্রেণি থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।

তথ্যসুত্র - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট।
১,৬১১.
ভাষা আন্দোলনে ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম ভাষা শহীদ কে ছিলেন?
  1. আবদুস সালাম
  2. রফিকউদ্দিন আহমদ
  3. আবুল বরকত
  4. শফিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

• প্রথম ভাষা শহীদ:
- একুশের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ। 
- তিনি ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
- তাঁর বাবার নাম আবদুল লতিফ এবং মায়ের নাম রাফিজা খানম। 
- রফিক উদ্দিনের জন্ম ১৯২৬ সালে, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায়। 
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি শহীদ হন। 
- ঘটনার সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যারাকে আশ্রয় নেন। 
- ওই সময় পুলিশের গুলিতে তাঁর মাথার খুলি উড়ে যায়।
- মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনই মারা যান তিনি।
- ম্যাজিস্ট্রেট ওবায়দুল্লাহর উপস্থিতিতে তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান আজিমপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আবদুল গফুর।
- আত্মীয়স্বজনকে না জানিয়ে গোপনে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। 
- ভাষা শহীদ রফিক ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো। 

১,৬১২.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. পাবনা
  3. ঈশ্বরদী
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত।
- রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করেছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করেছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করছে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম- ২৩৫।

উৎস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১,৬১৩.
চীন ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে গঠিত সারকারখানা কোনটি?
  1. ক) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী
  2. খ) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
  3. গ) টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
  4. ঘ) চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ক) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী
ব্যাখ্যা

পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরীঃ
পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ - কারখানাটি বন্ধুত্বের চিহ্ন স্বরূপ চায়না-বাংলাদেশের একটি যৌথ উদ্যোগ স্থাপিত যা ১৯৮৫ সালে শীতলক্ষা নদীর তীরে পলাশ, নরসিংদী জেলায় স্থাপিত হয়।
এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৯৫,০০০ মেট্রিক টন।
Source: BCIC website.

১,৬১৪.
বাংলাদেশে কবে প্রথম জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণীত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় ঔষধনীতি:
- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণীত হয় ১৯৮২ সালে।

⇒ ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ কর্তৃক বিপুলভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়।
- এ ঔষধনীতির ফলে বাংলাদেশের ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় ও মান উন্নত হয়, ওষুধের দামের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। আমদানি নির্ভরতা কমে দেশ ওষুধের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হতে শুরু করে, ঔষধ সেক্টরে বিদেশি আধিপত্য কমে আসে, দেশীয় ঔষধ কোম্পানিসমূহ আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বৃহদাকার কারখানা স্থাপন করতে থাকে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ঔষধ সেক্টরের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয় এবং এক সময়কার ঔষধ আমদানিকারী দেশটি ঔষধ রপ্তানিকারী দেশে পরিণত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

⇒ জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

⇒ জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্যসমূহ:
১। জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ঔষধ সহজে ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং সুষ্ঠু পরিবেশন ব্যবস্থা (Dispensing) নিশ্চিত করা।
৩। স্থানীয় সকল পদ্ধতির ঔষধ প্রস্তুতকারী শিল্পসমূহকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে মানসম্পন্ন ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়।
৪। দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৫। ঔষধের কার্যকর নজরদারী (Surveillance) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।

১,৬১৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় গন্ধকের খনি রয়েছে?
  1. দিনাজপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. কক্সবাজার
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বিভিন্ন খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে, এর মধ্যে অন্যতম হলো গন্ধক (সালফার)। কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে এই খনিজের খনি অবস্থিত। 

গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে অবস্থিত। 
- গন্ধক বা সালফারকে সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
- এই খনিতে পাওয়া গ্রানাইট দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: ভুগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৬১৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করেছে?
  1. সৌদি আরব
  2. কাতার
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি:
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যমতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মোট ১০ লাখ ১৬ হাজার ৬৪ মানুষ বিদেশে গেছে। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ তিন হাজার ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করেছে।

⇒ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সৌদি আরবে সর্বোচ্চ সংখ্যক সাত লাখ ৩৯ হাজার ৫৭১ জন মানুষ কাজের সন্ধানে গেছে।
- এরপর কাতারে ৮২ হাজার ৩৩৮ জন, কুয়েতে ৩২ হাজার ৯৯৫ জন, সিঙ্গাপুর ৬২ হাজার ৯৮৬ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৭ হাজার ৭২৯ জন, জর্ডানে ১২ হাজার ৯৪৫ জন এবং মালদ্বীপে ১২ হাজার ৪৫৩ জন।

⇒ সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি যাওয়া সৌদি আরব থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে ৪২ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২৮ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এরপর মালয়েশিয়া থেকে ২৬ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার, ওমান থেকে ১৩ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, কুয়েত থেকে ১৩ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং কাতার থেকে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ২০ হাজার ডলার এসেছে।

উৎস: জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১,৬১৭.
হালদা নদীর প্রধান উপনদী কোনটি?
  1. কর্ণফুলী
  2. কাপ্তাই
  3. মহানন্দা
  4. ধুরুং
সঠিক উত্তর:
ধুরুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুরুং
ব্যাখ্যা

• হালদা নদী:
- হালদা নদী পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎপন্ন হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করে।
- নদীটি হাটহাজারী, রাউজান এবং চট্টগ্রাম শহরের চাঁদগাও থানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীতে মিলিত হয়।
- হালদা কর্ণফুলী নদীর উপনদী।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিমি।
- এই নদীর মাধ্যমে রামগড়ের দক্ষিণাঞ্চল থেকে কাঠ, বাঁশ, ছনসহ বনজ সম্পদ চট্টগ্রাম শহরে আনা হয়।
- নদীর নামকরণ সালদা গ্রামের পাহাড়ি ছড়া থেকে হয়েছে।

- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং।
- এটি ফটিকছড়ি উপজেলা ঘুরে হালদা নদীতে মিলিত হয়।
- নদীর গতিপথ সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে, যার কারণে ধুরুং-এর মূল স্রোতধারা শুকিয়ে আসছে।

- হালদা নদী দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস মাছ এখানে ডিম দেয়।
- স্থানীয় জেলে ও ডিম সংগ্রহকারীরা এই সময় নদীতে অবস্থান করে এবং সংগৃহীত ডিম মাটির কুয়ায় ফোটানো হয়, যা কার্প পোনা উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
------------------- 
অন্যদিকে, 
- পদ্মা নদীর প্রধান উপনদী হলো মহানন্দা। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন [লিঙ্ক]। 

১,৬১৮.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কাগজকল কোনটি?
  1. চন্দ্রঘোনা কাগজ কল
  2. এশিয়া কাগজ কল
  3. কর্ণফুলী কাগজ কল
  4. উত্তরবঙ্গ কাগজ কল
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী কাগজ কল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী কাগজ কল
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিলস:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- অবস্থান- চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে -১৯৫৩ সালে।
- ’বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।

- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এ দেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১,৬১৯.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৬
  2. খ) ১৯৫৮
  3. গ) ১৯৫৯
  4. ঘ) ১৯৫৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
• পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
• বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪) এবং
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
• বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
• গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,৬২০.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. শিল্প
  3. অর্থ
  4. বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB):
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) Export Promotion Bureau Act, 2015 দ্বারা গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান।
- সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার সদস্যবৃন্দের (যুগ্মসচিবের নিন্মে নহে) সমন্বয়ে ব্যুরোর ২২-সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা। 
- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ (XLVII of 1977) বলে ২৫৪ জনবলের ইপিবিকে আধা-স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় রুপান্তর করা হয়।  ১৯৮৪ সালে ইপিবির TO&E পুনর্গঠনপূর্বক ২৩৬ জনবল কাঠামোর সংস্থায় রুপান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সাল হতে ২০০১ সাল পর্যন্ত ইপিবির আওতায় সৃষ্ট বস্ত্রসেলে বৎসর-ভিত্তিক সংরক্ষণ মঞ্জুরির ৪২টি পদ ২০০৯ ও ২০১০ সালে ইপিবির সাংগঠনিক কাঠামোতে স্থায়ী করা হয়।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ:
⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৬২১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ 'ভারত' থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে।

দেশভিত্তিক আমদানি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬ %।

⇒ দেশে আমদানি ক্ষেত্রে ২য় শীর্ষ দেশ: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ দেশে আমদানি ক্ষেত্রে ৩য় শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৬২২.
২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ করের হার-
  1. ক) ১৫ শতাংশ
  2. খ) ২০ শতাংশ
  3. গ) ২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে পুরুষ আয়কর দাতাদের সাধারণ করমুক্ত আয় সীমা ৩ লক্ষ টাকা। মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয় সীমা ৩.৫ লক্ষ টাকা। প্রতিবন্ধীদের করমুক্ত আয়সীমা ৪.৫ লক্ষ টাকা। সর্বনিম্ন করহার ৫% এবং সর্বোচ্চ ২৫%।
[সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট]
১,৬২৩.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [আগস্ট,২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানি:
- মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে: চীন থেকে।
- চীন থেকে আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে: ভারত (১৩.৪২%)।
- তৃতীয় অবস্থানে: যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৬২৪.
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কোনটি?
  1. ICB
  2. DSE
  3. BB
  4. BSEC
সঠিক উত্তর:
BSEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSEC
ব্যাখ্যা

• BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission):
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।
- বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। এগুলো হলোঃ
১) DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং
২) CSE (Chittagong Stock Exchange)।

তথ্যসূত্র: BSEC এর ওয়েবসাইট।

১,৬২৫.
বাফার স্টক কী?
  1. মূল্য গতিশীল রাখার জন্য মজুদ দ্রব্য
  2. মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য মজুদ দ্রব্য
  3. পোশাক ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য মজুদ দ্রব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য মজুদ দ্রব্য
ব্যাখ্যা
বাফার স্টক:
- বাজার স্থিতিশীল করার জন্য পণ্যদ্রব্য বা সংরক্ষণ করে রাখার কৌশলকে বলা হয় বাফার স্টক।
- অর্থনীতিতে যখন রাজস্ব ঘাটতি থাকে না, অর্থাৎ রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকে, তখন পণ্যদ্রব্য কেনা হয়।
- অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে এই পণ্যদ্রব্য বিক্রি করে ফেলা হয়। এটাই হলো বাফার স্টক।

⇒ বাফার স্টক (Buffer Stock) হল একটি অতিরিক্ত বা রিজার্ভ পরিমাণ পণ্য, যা একটি প্রতিষ্ঠানের বা সরকারের কাছে থাকে, যাতে জরুরি বা চাহিদা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে সরবরাহে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়।
- এটি একটি "নিরাপত্তা মজুত" হিসেবে কাজ করে, যা পণ্যের দাম ওঠানামা বা সরবরাহে সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- কৃষি পণ্যের উৎপাদন মৌসুমের বাইরের সময়ে বা বন্যা, খরা ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যদি সরবরাহ কমে যায়, তবে সরকার বাফার স্টক থেকে সেই পণ্যগুলি বাজারে সরবরাহ করতে পারে।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বিদেশী মুদ্রার বাফার স্টক রাখতে পারে।
- এটি মূলত অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Economics Help.
১,৬২৬.
BSFIC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Sugar and Food Institute Corporation
  2. Bangladesh Salt and Food Industry Corporation
  3. Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation
  4. Bangladesh Standard Food and Industry Commission
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation
ব্যাখ্যা

• BSFIC:
- BSFIC বা বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি চিনি উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাদ্যশিল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই এটি বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- BSFIC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
∗ কর্পোরেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে উচ্চ ফলনশীল আখ চাষ এবং চিনিকলে আখ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
- উৎপাদিত পণ্যের বিপণন, বাজার সম্প্রসারণ এবং ব্যয় হ্রাসের মাধ্যমে আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করা।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন। 

১,৬২৭.
বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে অবস্থিত। 
- গন্ধক বা সালফারকে সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও,
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
- এই খনিতে পাওয়া গ্রানাইট দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- আরেকটি উল্লেখযোগ্য খনিজ সম্পদ হলো ইউরেনিয়াম, যার সন্ধান পাওয়া গেছে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে।
- ইউরেনিয়াম মূলত পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্ভাবনাময় একটি উৎস।

উৎস: ভুগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৬২৮.
বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্য -
  1. স্টেপল ফাইবার
  2. ক্লিংকার
  3. সার
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ: 
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৬২৯.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) ধুন্দল
  4. ঘ) কেওড়া
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে এই সুন্দরী গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়।
এ বনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৬৩০.
বাংলাদেশের বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নাম কী?
  1. BSEC
  2. IDRA
  3. IRAD
  4. BECS
সঠিক উত্তর:
IDRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDRA
ব্যাখ্যা

- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA) ২০১০ সালের আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের বীমা খাতের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছে।

IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

১,৬৩১.
বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহরটি অবস্থিত?
  1. হরিনা
  2. করিমগঞ্জ
  3. পেট্রাপোল
  4. ডাউকি
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
ব্যাখ্যা
• তামাবিল স্থলবন্দর:
- গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী শহরটি অবস্থিত।
- তামাবিল থেকে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

সূত্র: গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট।
১,৬৩২.
Where is the only state-owned refinery located in Bangladesh?
  1. Barisal
  2. Patuakhali
  3. Chittagong
  4. Narayanganj
  5. Bagerhat
সঠিক উত্তর:
Chittagong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chittagong
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৬৩৩.
বর্তমানে দেশে পানি দূষণে শীর্ষ খাত কোনটি? [জুন,২০২৫]
  1. পোশাক শিল্প
  2. চামড়া শিল্প
  3. সার শিল্প
  4. চিনি শিল্প
সঠিক উত্তর:
পোশাক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক শিল্প
ব্যাখ্যা
পানি দূষন:
- পানি দূষণের শীর্ষ খাত পোশাক শিল্প।
- এরপরে পানি দূষণে দ্বিতীয় দায় দেখা হচ্ছে চামড়া শিল্পের।
- ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বাংলাদেশে পিফাস (পিএফএএস) দূষণ ও জনস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় উত্থাপিত এক গবেষণাপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
- ওই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ৬৭ ভাগ পানি দূষণের ঘটনা ঘটে পোশাক কারখানাগুলো শিল্পবর্জ্যে।
- দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের সাধাণ মানুষেরা এই দূষিত পানি পান করেন।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১,৬৩৪.
ECNEC এর চেয়ারপার্সন কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) অর্থমন্ত্রী
  3. গ) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. ঘ) অর্থসচিব
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)। এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়। এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী। (সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া)
১,৬৩৫.
বাংলাদেশের সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) তিতাস
  2. খ) বাখরাবাদ
  3. গ) হরিপুর
  4. ঘ) জকিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জকিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জকিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসক্ষেত্র পাওয়া গেছে।
- এটি থেকে প্রতিদিন এক কোটি ঘনফুট গ্যাস তোলা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র এটি।
- এখানে মোট ৬ হাজার ৮০০ কোটি ঘনফুট (৬৮ বিসিএফ) গ্যাস আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ওয়েবিনারে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
- তিনি বলেন, নতুন গ্যাসক্ষেত্রে যে পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যাবে, তার বর্তমান দাম ১ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
১,৬৩৬.
Which is the subsidiary company of Petrobangla?
  1. BAPEX
  2. BGFCL
  3. GTCL
  4. SGCL
  5. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানি:
- বর্তমানে পেট্রোবাংলার অধীনস্ত ১৩টি পৃথক কোম্পনির মাধ্যমে পেট্রোবাংলা তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে।
- কোম্পানিগুলির নাম:
• বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স),
• বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল),
• সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফসিএল),
• গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল),
• তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল),
• জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল),
• বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড (বিজিএসএল),
• পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল),
• কর্নফুলি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল),
• সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিসিএল),
• রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল),
• বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) এবং
• মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)।

তথ্যসূত্র - পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট।
১,৬৩৭.
BEZA কবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEZA) ৯ নভেম্বর ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০-এর অধীনে গঠিত একটি সরকারি সংস্থা, এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন।

BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority.
- বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।
- এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট।

১,৬৩৮.
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন:
- ১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিপিং কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠার পরপরই বাংলার দূত এবং বাংলার সম্পদ নামের দুটো সমুদ্রগামী জাহাজ বিএসসিতে সংযোজিত হয়।
- তারপর থেকে বিএসসি এ যাবত সর্বমোট ৪৪টি জাহাজ সংগ্রহ করে।
- তবে জাহাজের স্বাভাবিক বয়সজনিত কারণে এবং বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক বিবেচিত হওয়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে ৩৬টি জাহাজ বিক্রি বা স্ক্র্যাপ করা হয়।
- বর্তমানে ৮টি জাহাজের মিশ্র বহর নিয়ে বিএসসি সমুদ্রপথে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পতাকা বহন করছে।

⇒ সাত সদস্যের একটি পরিচালনা পরিষদের মাধ্যমে বিএসসি পরিচালিত হয়।
- নৌপরিবহণ মন্ত্রী পদাধিকার বলে সংস্থাটির চেয়ারম্যান।
- বিএসসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এছাড়া ঢাকা ও খুলনায় দুটি সাব অফিস রয়েছে। 
- বহির্বিশ্বে মালামাল আনা-নেয়ার সুবিধার্থে সিঙ্গাপুর ও লন্ডনে দুটি আঞ্চলিক অফিস খোলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৬৩৯.
দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর কোনটি? 
  1. বাংলাবান্ধা বন্দর
  2. বেনাপোল বন্দর
  3. হিলি বন্দর
  4. তামাবিল বন্দর
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা বন্দর
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা বন্দর: 
- দেশে যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর রয়েছে তার মধ্যে আকারে ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা।
 - মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর।
- দুই যুগের বেশি সময় ধরে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলে আসছে দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় এ স্থলবন্দরে।
 - ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন এবং নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাবক হয়ে উঠছে বাংলাবান্ধা।

- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার। 
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার। 
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। 
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার। 
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস।

১,৬৪০.
In which district, the Bhomra Land Port is situated?
  1. Chapainawabganj
  2. Jessore
  3. Satkhira
  4. Lalmonirhat
  5. Sylhet
সঠিক উত্তর:
Satkhira
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Satkhira
ব্যাখ্যা
ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। 
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা  এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার  দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।
 
বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
 
উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৬৪১.
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. হা-মীম গ্রুপ
  2. অনন্ত গ্রুপ
  3. ডিবিএল গ্রুপ
  4. ইয়াংওয়ান
সঠিক উত্তর:
ইয়াংওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংওয়ান
ব্যাখ্যা
তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:
- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইয়াংওয়ান ৮০ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- তৈরি পোশাকের বাইরে ব্যাগ, জুতা ও পোশাকশিল্পের কাঁচামালসহ নানা পণ্য রপ্তানি করে ইয়াংওয়ান।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ৩ হাজার ৬৮৮ কোটি ডলার।
- বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ স্থানটি বিদেশি উদ্যোক্তার দখলেই আছে।

⇒ পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:
- ১ম: ইয়াংওয়ান।
- ২য়: হা-মীম গ্রুপ।
- ৩য়: মণ্ডল গ্রুপ।
- ৪র্থ: অনন্ত গ্রুপ।
- ৫ম: ডিবিএল গ্রুপ।

উৎস: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, প্রথম আলো। [link]
১,৬৪২.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি তুলা আমদানি করে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• বর্তমান বাংলাদেশ ব্রাজিল থেকে সর্বাধিক তুলা আমদানি করে।

• শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।

১,৬৪৩.
দেশের প্রথম উপকূলীয় নদী বন্দর কোনটি?
  1. হাতিয়া
  2. বাঁশবাড়িয়া
  3. সন্দ্বীপ
  4. মাতারবাড়ি
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
সন্দ্বীপ:
- নদীবন্দর ঘোষণা করা হয়েছে সন্দ্বীপকে।
- এটি হচ্ছে দেশের একমাত্র উপকূলীয় নদীবন্দর।
- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপকূলীয় নদীবন্দরের সীমানা
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) সন্দ্বীপ উপকূলীয় নদীবন্দরের সংরক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
- দেশে এ নিয়ে নদীবন্দরের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৪টিতে।
- এর মধ্যে ৪টি বড় নদীবন্দর হচ্ছে,
• ঢাকা (সদরঘাট)।
• নারায়ণগঞ্জ।
• চাঁদপুর।
• বরিশাল।
- এছাড়া দেশের কন্টেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকার পানগাঁও।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪।
১,৬৪৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার, ঢাকা
  2. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
  3. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
  4. মাধবরাম, কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৬৪৫.
বাংলাদেশ প্রথম সরকারিভাবে ওষুধ রপ্তানি করেছে কোন দেশে?
  1. জাপান
  2. শ্রীলংকা
  3. ভুটান
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।
- বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলংকায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ii) বণিক বার্তা।
১,৬৪৬.
দেশে সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  2. বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
  3. হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
  4. সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

• হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৪৭.
BIDA-এর বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. আমিনুল ইসলাম
  2. আশিক চৌধুরী
  3. ফজলে কবির
  4. নূরুল মজিদ
সঠিক উত্তর:
আশিক চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশিক চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। (অক্টোবর, ২০২৫)

বিনিয়োগ বোর্ড:
- BIDA এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- BIDA এর পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল বিনিয়োগ বোর্ড।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৯ সালে।
- ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, যা ২০০০ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন নামে রুপান্তরিত হয় সেটিকে একত্রিত করে সরকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) প্রতিষ্ঠা করে।
- বিনিয়োগ বোর্ডের লক্ষ্য ছিল দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, অর্থনীতিতে বিশেষ করে বেসরকারি খাত এবং বিদেশি বেসরকারি পুঁজির অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপযোগী সরকারি নীতির বাস্তবায়ন ঘটানো।
- এর পরিচালনায় ছিল নির্বাহী সদস্যবৃন্দ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাহী পরিষদ।

তথ্যসূত্র - বিনিয়োগ বোর্ড ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৬৪৮.
অৰ্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুসারে, প্রাথমিক পণ্য হিসাবে কোনটি সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয়?
  1. হিমায়িত খাদ্য
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. শিল্পজাত পণ্য
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮% (নীটওয়্যার- ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক - ৩৮.৫৭%)। 

- এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৮৯% এবং
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
১,৬৪৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে জংশন কোনটি?
  1. ঈশ্বরদী
  2. কমলাপুর
  3. টঙ্গী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন:
- ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত প্রায় একশাে বছরের পুরােনাে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রেলওয়ে জংশন। 
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে জংশন।
- বৃটিশকাল থেকেই ঈশ্বরদী একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন।
- এ ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনটি পাকশী হার্ডিঞ্জ সেতু নির্মিত হওয়ার পূর্বে বর্তমান ঈশ্বরদী এয়ার পোর্ট এর নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- সেই সময় পদ্মানদীর পশ্চিম পাড়ে রেলওয়ে ঘাট এবং পূর্ব পাড়ে রেলওয়ে সাড়া ঘাট লাইন ছিল।
- এপাড় ওপাড় নদী পথে রেলওয়ে ফেরীতে যাত্রী ও মালামাল পারাপার করা হত।
- পরে পাকশী হার্ডিঞ্জ সেতু চালু হওয়ার পর ঈশ্বরদী স্টেশনটি বর্তমান স্থানে অবস্থিত হয়।
- সেই থেকে ভেড়ামারা স্টেশন হতে সোজা পাকশী হার্ডিঞ্জ সেতু পার হয়ে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন হয়ে আজিমনগর ও আব্দুলপুর পর্যন্ত নতুন লাইন চালু হয়।
- ০১/৭/২০০৯ খ্রিঃ সাঁড়া-ঈশ্বরদী হতে ভাঙ্গুড়া স্টেশন পর্যন্ত রেললাইন চালু হয়।
- বর্তমানে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ ঈশ্বরদীর সাথে সংযুক্ত।
- এগুলো হল ঈশ্বরদী-খুলনা, ঈশ্বরদী-রাজশাহী, ঈশ্বরদী-পার্বতীপুর এবং ঈশ্বরদী- ঢাকা।

অন্যদিকে,
⇒ কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
১,৬৫০.
Hili land port is located in which district?
  1. Kurigram
  2. Sylhet
  3. Lalmonirhat
  4. Jessore
  5. Dinajpur
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
ব্যাখ্যা
হিলি স্থলবন্দর:
- পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপেজলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ হিলি শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ অক্টোবর ২০০৫ তারিখ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড মধ্যে Concession Agreement (CA) স্বাক্ষরিত হয়।
- CA অনুযায়ী পোর্ট অপারেটর ০১ জানুয়ারি ২০১০ তারিখ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।
- রাজধানী ঢাকা হতে হিলি স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কি.মি.।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৬৫১.
বাংলাদেশে কোন জেলায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়?
  1. সিলেট
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৫২.
TCB এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Trade Commission of Bangladesh
  2. Trading Corporation of Bangladesh
  3. Transport Corporation of Bangladesh
  4. Textile Corporation of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
Trading Corporation of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Trading Corporation of Bangladesh
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ হলো "Trading Corporation of Bangladesh" (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ)।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭২ সালে, রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও সরবরাহ করে।
- পাশাপাশি, পাট ও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যে ভূমিকা রাখে।  
 
সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
১,৬৫৩.
সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ এর চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব
  2. খ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর
  3. গ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব
  4. ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সনে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ০৪ মার্চ, ১৯৭২ সনে বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা টাকার প্রথম প্রচলন শুরু হয়। 
- কাগজী নোট মুদ্রণের জন্য দেশের নিজস্ব মুদ্রণালয় না থাকায় প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে কারেন্সি নোট ও ব্যাংক নোট আমদানীপূর্বক দেশে নোটের চাহিদা মিটানো হতো। 
- বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়, নিজস্ব সম্পদের ব্যবহার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার একটি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

 ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজী মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়। পরীক্ষামূলক উৎপাদনের প্রায় দেড় বছর পর ০৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সনে (২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৩৯৬) বাংলাদেশের মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
 
পরিচালক পর্ষদ নিম্নরূপঃ
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ এর চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। 
বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড কর্তৃক মনোনীত একজন ডেপুটি গভর্নর হলেন এর পরিচালক। 
 
উৎস: সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ এর ওয়েবসাইট
১,৬৫৪.
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• বিএবি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)।
- দেশে বিদ্যমান বিভিন্ন পরীক্ষাগার, সনদপ্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন আইন, ২০০৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতীয় মান অবকাঠামো উন্নয়নে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএবি দেশে একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাযুজ্য নিরূপণ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড।
১,৬৫৫.
বর্তমানে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ঋণ প্রদান করে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
দাতা দেশ:

- দেশ হিসেবে বর্তমানে জাপান বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ঋণ প্রদান করে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে যথাক্রমে রাশিয়া ও চীন।
- ঋণ প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
১,৬৫৬.
'তেগামুখ স্থলবন্দর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান 
  3. ফেনী
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
তেগামুখ স্থলবন্দর:
- তেগামুখ স্থলবন্দর রাঙামাটি জেলার বরকলে অবস্থিত।

⇒ এটির উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে।
- এটি রাঙ্গামাটি জেলা হতে ১৫০ কিলোমিটার দূরে।
- এই বন্দরের সঙ্গে ভারতের দেমাগ্রী, মিজোরাম শুল্ক বন্দর সংযুক্ত হবে।

এছাড়াও,
- বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমঘুম ইউনিয়নে হবে আরেকটি স্থলবন্দর। বন্দরটির উত্তরে লামা ও আলিকদম উপজেলা, দক্ষিণ ও পূর্বে মিয়ানমার অবস্থিত। 
- খাগড়াছড়িতে নির্মাণ করা হবে রামগড় স্থলবন্দর। এটি ভারতের সাবরুম ও দক্ষিণ ত্রিপুরা অংশে সংযুক্ত হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
ii) সমকাল। 
১,৬৫৭.
রূপালী ব্যাংক পিএলসি এর নতুন মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম কী?
  1. রূপালী পে
  2. রূপালী ক্যাশ
  3. রূপালী ওয়ালেট
  4. রূপালী মানি
সঠিক উত্তর:
রূপালী ক্যাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপালী ক্যাশ
ব্যাখ্যা

রূপালী ব্যাংক পিএলসি: 
- নতুন ফিচার এবং উন্নতমানের সেবা নিয়ে রূপালী ব্যাংক পিএলসি তাদের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'রূপালীক্যাশ' চালু করতে যাচ্ছে।
- রূপালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের আগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'রূপালী ব্যাংক শিওরক্যাশ' ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ করা হয়েছে।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে নতুন সেবা 'রূপালীক্যাশ' চালু হয়েছে।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।[লিঙ্ক]

১,৬৫৮.
দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. পশুর নদীর মোহনায়
  2. মংলা নদীর মোহনায়
  3. নাফ নদীর মোহনায়
  4. কর্ণফুলী নদীর মোহনায়
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদীর মোহনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদীর মোহনায়
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের সংখ্যা ৩টি।

• বন্দরসমূহ:

⇒ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

⇒ মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সাল।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

⇒ পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৫৯.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রাথমিক পণ্য হিসেবে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির হার সর্বাধিক কোন পণ্যের?
  1. ক) কৃষিজাত পণ্য
  2. খ) কাঁচাপাট
  3. গ) চা
  4. ঘ) হিমায়িত খাদ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিমায়িত খাদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
• ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় - হিমায়িত খাদ্য

• রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%। 
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’।
• ‘হিমায়িত খাদ্য’ রপ্তানি আয় ৪০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং রপ্তানির শতকরা হার ১.২০%।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’।
• তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কাঁচাপাট’।
• চতুর্থ সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘চা’।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,৬৬০.
বাংলাদেশ ভুটানের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে-
  1. ক) ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮
  2. খ) ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  3. গ) ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  4. ঘ) ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভুটানের সাথে প্রথমবারের মতো অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে ঢাকায়।
- উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ভুটানের অর্থমন্ত্রী লিওনপো লোকনাথ শর্মা এবং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী।
উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।
১,৬৬১.
কোনটি জিডিপির দ্রুত বর্ধনশীল খাত?
  1. ক) কৃষি খাত
  2. খ) শিল্প খাত
  3. গ) সেবা খাত
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্প খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্প খাত
ব্যাখ্যা
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 

- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার ২.২০%।

- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান। (যদিও সাময়িক
হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে)।


উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,৬৬২.
নিচের কোন খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%.
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪০.৬%.

• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%.
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ২০.৪%.

•অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%.
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৯.০%.

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১,৬৬৩.
বর্তমানে দেশের জিডিপিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের অবদান কত?
  1. ১৮ শতাংশ
  2. ২০ শতাংশ
  3. ২৪ শতাংশ
  4. ২৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
২৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প:
- ২০৩০ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের অবদান ৩৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
- এমন লক্ষ্য ঘোষণা করে সম্প্রতি 'জাতীয় এসএমই নীতি-২০২৫'-এর খসড়া প্রকাশ করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
- খসড়া এসএমই নীতিতে মোটাদাগে রয়েছে ছয়টি উদ্দেশ্য ও ১০টি বাস্তবায়ন কৌশল। 

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে, দেশে কুটিরশিল্পসহ প্রায় ৭৮ লাখ মাইক্রেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) রয়েছে।
- এ খাতে ২ কোটির বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত।
- বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭ শতাংশের বেশি, এর মধ্যে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ২৮ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৬৬৪.
কোনটি বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. ক) ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) জনতা ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. ঘ) রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• বিশেষ খাতের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে বিশেষায়িত ব্যাংক স্থাপিত হয়।
• বাংলাদশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক হলো তিনটি। 
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, 
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
• জনতা ব্যাংক লিমিটেড ও রুপালী ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
• অপরদিকে, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৬৬৫.
'ভেনামী' কী?
  1. ক) ফসলের একটি উন্নত জাত
  2. খ) এক ধরণের ঔষধ
  3. গ) একটি উচ্চফলনশীল চিংড়ি
  4. ঘ) একটি আধুনিক যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ) একটি উচ্চফলনশীল চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একটি উচ্চফলনশীল চিংড়ি
ব্যাখ্যা
• ভেনামি চিংড়ি:
- ভেনামি চিংড়ি একটি উচ্চফলনশীল চিংড়ি।
- এটি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের একটি চিংড়ি প্রজাতি।
- উচ্চ ফলনের পাশাপাশি এর রোগ প্রতিরোধক্ষমতার জন্যও এটি এখন সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে চাষ করা হচ্ছে।
- বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে উৎপাদিত চিংড়ির ৮০ শতাংশই ভেনামি জাতের।
- ভেনামি চিংড়ির ইংরেজি নাম ‘হোয়াইটলেগ শ্রিম্প’ বা সাদা পায়ের চিংড়ি। 
- বাংলাদেশে ভেনামির পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয় ২০১৯ সালে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১,৬৬৬.
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা কোনটি?
  1. BSTI
  2. BITAC
  3. BIM
  4. BCIC
সঠিক উত্তর:
BSTI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSTI
ব্যাখ্যা
BSTI:
- BSTI এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- BSTI বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

তথ্যসূত্র - BSTI ওয়েবসাইট।
১,৬৬৭.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
 চা বোর্ড:
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ১৯৫১ সালে প্রথম পাকিস্তান টি বোর্ড গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৬৮টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
১,৬৬৮.
নিচের কোনটি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক?
  1. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. পূবালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [জুন, ২০২৫]

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCBs):
- মোট: ৬টি
- বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [Link]
১,৬৬৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নয়?
  1. মাছ চাষ
  2. বস্ত্র
  3. পাট
  4. সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ
ব্যাখ্যা
❐ বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নয় - মাছ চাষ।
মাছ চাষ একটি কৃষিভিত্তিক কার্যক্রম।

বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত।
- বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হলেও এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিল্পগুলো হলো: পাট শিল্প, কার্পাস বয়ন শিল্প, পোশাক শিল্প, সার শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, কাগজ শিল্প, চিনি শিল্প, চা শিল্প ইত্যাদি।

⇒ পাট শিল্প: পাট শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্প। এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান, জাতীয আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং অথ্যনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমানে পাটকলগুলো চট, থলে, বস্তা, দড়ি, ত্রিপল, ক্যানভাস, তাঁবু, কাপড় ইত্যাদি দ্রব্য উৎপাদন করছে। এ দ্রব্যসমূহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ; যেমন- ব্রিটেন, রাশিয়া, বুলগেরিয়া, লিবিয়া, ইতালি, ফ্রান্স, জাপান, মিসর, কানাডা প্রভৃতি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮২ কোটি ডলারের পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

⇒ বস্ত্রশিল্প: বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হচ্ছে কার্পাস বয়নশিল্প। মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে দ্বিতীয় প্রধান গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হচ্ছে বস্ত্র। কিন্তু বাংলাদেশ এ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত তুলা ও সুতা দিয়ে বাংলাদেশের সুতা ও বস্ত্রকলগুলো পরিচালিত হয়। জাপান, সিঙ্গাপুর, হংকং, কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ থেকে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ তুলা, সুতিবস্ত্র ও সুতা আমদানি করে। বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পগুলো মূলত ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাজশাহী ও খুলনা জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

⇒ সিমেন্ট শিল্প: বাংলাদেশ সিমেন্ট শিল্পে অনগ্রসর। প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করতে পারেনি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় মাত্র ১টি সিমেন্ট কারখানা বাংলাদেশের অংশে পড়ে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার দেশের অভ্যন্তরের চাহিদা উপলব্ধি করে দেশে সিমেন্ট শিল্প স্থাপনের জন্য যথেষ্ট উদ্যোগী হয়।
সিমেন্ট শিল্পের সহায়ক উপাদানসমূহ: চুনাপাথর, কাদামাটি, জিপসাম প্রভৃতি সিমেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। যেসব দেশে এসব উপাদান বেশি পাওয়া যায় সেসব দেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করেছে। বাংলাদেশে এসব কাঁচামালের অভাব রয়েছে। ফলে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে তেমন উন্নতি লাভ করতে পারেনি।

উৎস: i) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সম্পদ ও শিল্প, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) প্রথম আলো।
১,৬৭০.
বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক-
  1. ক) প্রজাপতি
  2. খ) শাপলা
  3. গ) দোয়েল
  4. ঘ) বলাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বলাকা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিমানের বাণিজ্যিক নাম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
- ৪ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে কার্যক্রম শুরু হয়।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক বলাকা।
- ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- শ্লোগান 'আকাশে শান্তির নীড়'
- বিমান বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ সংখ্যা ২১টি।

উৎস: বাংলাদেশ বিমানের ওয়েবসাইট।

১,৬৭১.
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানিকারক দেশ:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

⇒ পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের ৬৯ শতাংশেরই গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ গন্তব্যগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ইতালি, কানাডা ও জাপান। প্রতিটি বাজারে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম।

উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
১,৬৭২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ?
  1. ৮০.৩৭%
  2. ৮৩.২৬%
  3. ৮৫.৪৫%
  4. ৮৭.৬৩%
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৬৭৩.
তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে বর্তমানে লিড সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানার সংখ্যা কতটি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ২০৯টি
  2. ২১৯টি
  3. ২৩২টি
  4. ২৩৯টি
সঠিক উত্তর:
২৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩২টি
ব্যাখ্যা
লিড সনদ (LEED, or Leadership in Energy and Environmental Design): 
- দেশের আরও দুটি তৈরি পোশাক ও একটি সুতা তৈরির কারখানা পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে। [২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪]
- কারখানাগুলো হলো—নারায়ণগঞ্জের অনন্ত হুয়াজিং লিমিটেড, গাজীপুরের সেপাল গার্মেন্টস লিমিটেড ও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ইউনিটেক্স স্পিনিং লিমিটেড (দ্বিতীয় ইউনিট)।
- কারখানা তিনটি যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) থেকে পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে।
- আরও ২ প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব কারখানার সনদ পেয়েছে। 
- তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ বলেছে, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০০ পরিবেশবান্ধব কারখানার ৬১টি বাংলাদেশে অবস্থিত।
- বিজিএমইএর তথ্য অনুসারে, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে বর্তমানে লিড সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানা বেড়ে হয়েছে ২৩২টি।
- এর মধ্যে ৯১টিই লিড প্লাটিনাম সনদধারী। এ ছাড়া ১২৪টি গোল্ড, ১০টি সিলভার ও ৪টি কারখানা সার্টিফায়েড সনদ পেয়েছে।
- সনদ পাওয়ার সাতটি শর্ত পরিপালনে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে কোনো কারখানা ৮০-এর বেশি পেলে ‘লিড প্লাটিনাম’, ৬০-৭৯ পেলে ‘লিড গোল্ড’, ৫০-৫৯ নম্বর পেলে ‘লিড সিলভার’ এবং ৪০-৪৯ নম্বর পেলে ‘লিড সার্টিফায়েড’ সনদ দেওয়া হয়।
- বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০ পরিবেশবান্ধব কারখানার ৯টিই বাংলাদেশে।
- এর মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি লাভ করেছে গাজীপুরের কোনাবাড়ীর এসএম সোর্সিং।
- পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তা সাজ্জাদুর রহমান মৃধার হাত ধরে ২০১২ সালে দেশে পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয়। 

উৎস: প্রথম আলো (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪)।
RTV online (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)
১,৬৭৪.
দেশে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কোন সংস্থাটি কাজ করে?
  1. BEZA
  2. BIDA
  3. EPB
  4. BEPZA
সঠিক উত্তর:
BIDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIDA
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বেসরকারি খাতকে বেগবান করতে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA-Bangladesh Investment Development Authority) গঠিত হয়।
- বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশনকে একীভূত করে ২০১৬ সালে BIDA গঠিত হয়।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।
অন্যদিকে,
- BEZA দেশের সম্ভাবনাময় অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
- EPB রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে কাজ করে।
- BEPZA রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
(তথ্যসূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)
১,৬৭৫.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
ব্যাখ্যা
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা –
- খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

[উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
১,৬৭৬.
বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে কোন দেশে?
  1. ফিনল্যান্ডে
  2. ডেনমার্কে
  3. নরওয়েতে
  4. সুইডেনে
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কে
ব্যাখ্যা
১৫ মে ২০০৮ সালে বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' ডেনমার্কে রপ্তানি করা হয়।
এ জাহাজটির রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
১,৬৭৭.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোন খাদ্যশস্য আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. চাল
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ডাল
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
খাদ্যশস্য আমদানি:
- বাণিজ্যঘাটতি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে সাত লাখ টন করে গম আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- ২০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের গম রপ্তানিকারক সমিতি বা ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে সরকার।
- সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছর প্রতিবছর সরকারি পর্যায়ে দেশটি থেকে সাত লাখ টন করে গম প্রতিযোগিতামূলক দরে কেনা হবে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের কারণে বাণিজ্যঘাটতি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য,
- প্রধান দুই খাদ্যশস্যের মধ্যে গম মূলত আমদানিনির্ভর। উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৬৩ কোটি ডলার ব্যয়ে ৫৯ লাখ টন গম আমদানি হয়।
- এই গম আমদানি হয়েছে বিশ্বের আটটি দেশ থেকে।
- গত ২২ বছরে অনিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাত্র ২২ লাখ টাকা গম আমদানি হয়েছে।
- এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ১৭ লাখ টনের বেশি আমদানি হয়। সরকারি খাতে তিন লাখ টন আমদানি হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
১,৬৭৮.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করা শুরু করে?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
খ) ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈ‌রি এক‌টি পণ্যবাহী কন্টেইনার জাহাজ প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে রপ্তা‌নি করা হয়েছে। 
- দে‌শীয় প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ডের তৈ‌রি করা ৬ হাজার ১০০ টন ধারণক্ষমতার জাহাজ‌টি কিনেছে যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি টাকায় এ জাহাজটি বিক্রি করেছে আনন্দ শিপইয়ার্ড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ৩৫৬টি জলযান নির্মাণ করে সরবরাহ করেছে। 
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ “স্টেলা মেরিস” রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
 
উৎস: বাংলা ট্রিবিউন, যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৬৭৯.
বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানার নাম কী?
  1. যমুনা সিমেন্ট কারখানা
  2. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  3. শাহজালাল সিমেন্ট কারখানা
  4. ঘোড়াশাল সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কারখানা:
- ছাতক সিমেন্ট কারখানা (সুনামগঞ্জ) বাংলাদেশের প্রথম ও প্রাচীনতম সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি নামে স্থাপিত হয়।
- কারখানাটি সুনামগঞ্জের ছাতকে, সুরমা নদীর তীরে, স্থাপিত হয়।
- ১৯৪১ সালে পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন শুরু হয় এবং একই বছর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কারখানা বাংলাদেশের একমাত্র সমন্বিত, রাষ্ট্রায়ত্ত সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। 
- এটি দেশের সিমেন্ট শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের পর এটি একাধিক সরকারী সংস্থার অধীনে আসে।
- পরে ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC) এর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

- প্রাথমিকভাবে কারখানা ওয়েট প্রসেস ব্যবহার করত। 
- কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের জন্য বর্তমানে ড্রাই প্রসেস লাইন স্থাপনের কাজ চলছে;
- যা দৈনিক প্রায় ১৫০০–২০০০ টন ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য রাখে।
- কারখানার কাঁচামাল হিসেবে চুনাপাথর আসে ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ও নিজস্ব টেকেরঘাট খনি থেকে।
- আধুনিকায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এটি আরও লাভজনক হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৮০.
বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২৩ টি
  2. খ) ২৪ টি
  3. গ) ২৫ টি
  4. ঘ) ২৬ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ টি
ব্যাখ্যা
• স্থলবন্দর:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৫টি
- যার মধ্যে চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি।
- চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে দেশের ২৫তম স্থলবন্দর হিসেবে মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১,৬৮১.
'যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরঃ মোট ১৩টি
১. বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
৫. যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক
৬. আমদানি - রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অফিস
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড
৮. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইসস্টিটিউট
৯. বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল
১০. দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস্ অব বাংলাদেশ
১১. দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ডস্ অব বাংলাদেশ
১২. ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ
১৩. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন
উৎসঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
১,৬৮২.
বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

• রেয়ন মিল:
- বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত।
- পার্বত্য এলাকায় বনজ কাঁচামালের সহজলভ্যতা থাকায় সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল কর্ণফুলী রেয়ন মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বিখ্যাত কর্ণফুলী কাগজ কল এবং কর্ণফুলী রেয়ন এন্ড কেমিক্যালস লিমিটেড।
- কর্ণফুলী পেপার ও রেয়ন মিল স্থাপনের উদ্দেশ্যে চন্দ্রঘোনা এলাকায় সর্বপ্রথম স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ইট তৈরির একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- কাপ্তাই এলাকায় গড়ে উঠা কাঠ ভিত্তিক শিল্প কারখানাগুলোর উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী এবং বাঁশ ও গাছ ভিত্তিক কর্ণফুলী পেপার মিলের কাগজসহ রেয়ন মিলে উৎপাদিত পণ্য দেশে বিদেশে বিগত দিনগুলোতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের মধ্যে থাকায় ঠিকাদাররাও কাঁচামাল সরবরাহে আগ্রহ হারিয়েছেন।

উৎস: জতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৮৩.
বর্তমানে বাংলদেশে রাষ্ট্রয়ত্ত খাতে কাগজকলের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ৩ টি। 

কাগজ শিল্প: 

- স্বাধীনতার আগে বাংলাদেশে সরকার পরিচালিত কাগজ কলের সংখ্যা ছিল দুটি।
- কর্ণফুলী পেপার মিল ও খুলনা মিল।
- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয় এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ৬০ এর দশকের শেষের দিকে নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
- স্বাধীনতার পর সরকারি আরও একটি কাগজ কল প্রতিষ্ঠিত হয় পাবনার পাকশীতে।
- লোকসানের মুখে পরবর্তীতে তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ কলই বন্ধ হয়ে যায়।
- পরে বেসরকারি খাতে কাগজ কল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ শুরু হয় নব্বইয়ের দশকে।
- বর্তমানে রাষ্ট্রয়ত্ত খাতে ৩টি।
- বেসরকারি মালিকানাধীন ছোট-বড় মিলিয়ে ১০৬টি পেপার মিল রয়েছে।


উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
১,৬৮৪.
‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ এর ভাইস চেয়ারম্যান হলেন-
  1. ক) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. খ) অর্থ মন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিকল্পনা মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিকল্পনা মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বন্যা, নদীভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আলোচিত ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এই কাউন্সিলের চেয়ারপারসন। পরিকল্পনামন্ত্রীকে কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
[সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ]
১,৬৮৫.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. রাসায়নিক দ্রব্য
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. চামড়া
  4. তৈরি পোশাক
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি বাণিজ্য:
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১,৬৮৬.
বিজিএমইএ সংগঠন কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিকারক
  2. চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক
  3. পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
  4. পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
১,৬৮৭.
বাংলাদেশে Insurance Development and Regulatory Authority কত সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ২০০১
  2. ২০০৫
  3. ২০০৮
  4. ২০১১
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২০১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- IDRA বিমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,৬৮৮.
দর্শনা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) কুড়িগ্রাম
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) শেরপুর
সঠিক উত্তর:
ক) চুয়াডাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
স্থলবন্দর:

- ঘোষিত স্থলবন্দরের সংখ্যা: ২৫টি।
- চালু স্থলবন্দরের সংখ্যা: ৭টি+বিওটি ভিত্তিতে ৫টি, ১২টি নিজস্ব তত্ত্ববধানে।
- বাস্থবকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১৮টি।
- বিওটির ব্যবস্থাপনাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা : ০৬টি।
- উন্নয়ন কার্যক্রমাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা : ১২টি।
- জেলা প্রশাসক সম্মেলনে নিম্নোক্ত ২টি স্থলবন্দরের ঘোষণার দাবী রয়েছে:
• প্রাগপুর-দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
• মোঘলহাট-লালমনিরহাট, সদর।

কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান,
• বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
• বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
• আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
• নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
• তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
• সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
•বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৬৮৯.
বাংলাদেশের তুলা আমদানির প্রধান উৎস দেশ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ব্রাজিল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের তুলা আমদানির প্রধান উৎস দেশ ব্রাজিল। 

• শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

তথ্যসূত্র: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।

১,৬৯০.
নির্মাণাধীন চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) সীতাকুণ্ড
  2. খ) আনোয়ারা
  3. গ) সোনারগাঁও
  4. ঘ) গজারিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) আনোয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আনোয়ারা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
- জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল : আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)
- চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল : আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
- ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল : মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
- ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল : মংলা (বাগেরহাট)
- ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল : কুষ্টিয়া।
- চট্টগ্রামের আনোয়ারায় জি-টু-জি চুক্তির আওতায় প্রায় ৭৮৩ একর জমির উপর চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
- এই অঞ্চলে ৩৭১টি কারখানা স্থাপিত হবে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট)
১,৬৯১.
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১১.৮ কিমি 
  2. ১৫ কিমি
  3. ১০.৭ কিমি
  4. ৭.৯ কিমি
সঠিক উত্তর:
১১.৮ কিমি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৮ কিমি 
ব্যাখ্যা

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার:
- দেশের দীর্ঘতম ফ্লাইওভার হলো মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার। 
- পূর্বে এটি যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার নামে পরিচিত ছিল।
- এই ফ্লাইওভার সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (PPP) দেশের প্রথম প্রকল্প হিসেবে নির্মিত হয়।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ৪ জুন ২০০৬ সালে। 
- নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২২ জুন ২০১০ সালে।
- ফ্লাইওভারটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় ১১ অক্টোবর ২০১৩ সালে।
- মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ১১.৮ কিমি। 
- এই ফ্লাইওভার রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সংযোগের মাধ্যমে যানজট কমাতে এবং দ্রুত যাত্রা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

উৎস: প্রথম আলো ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা। 

১,৬৯২.
"ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি" কাদের সংগঠন?
  1. ক) চীন
  2. খ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কর্মরত ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট ‘অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ’-এর আদলে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি’ নামে নতুন একটি জোটের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
- এ বিষয়ে দুই বছর মেয়াদি একটি নতুন চুক্তিতে সই করেছে এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রিটেইল ব্র্যান্ডগুলো। 
- কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলোর মধ্যে এই চুক্তির ফলে কারখানার কর্মপরিবেশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের মতো চুক্তিতে থাকা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদেরও আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে।
 
উৎস: মানবজমিন 
১,৬৯৩.
BEPZA কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু- ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড- ঢাকার সাভারে।
- বাংলাদেশে একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড - উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত
 
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৬৯৪.
ভৌগলিক পন্য নিবন্ধনে কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন
  2. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
  3. বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
  4. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা

• ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য/ (Geographical Indication - GI): 
- কোনো দেশের পরিবেশ, আবহাওয়া ও সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখে – একই সঙ্গে ভৌগোলিক ও ঐতিহ্যগতভাবে যে পণ্যগুলোকে ‘নিজস্ব’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়, তাহলে সেটিকে ওই দেশের ‘ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- জিআই সনদ পাওয়া অর্থ সেগুলো ঐ দেশটির নিজস্ব পণ্য হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি লাভ করবে। 
- যেসব পণ্য এই স্বীকৃতি পায়, সেগুলোর মধ্যে ভৌগোলিক গুণ, মান ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য থাকে। 
- একটা পণ্য যখন জিআই স্বীকৃতি পায়, তখন সেটিকে বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ডিং করা সহজ হয়।
- সনদ প্রাপ্তির পর ওই অঞ্চল বাণিজ্যিকভাবে পণ্যটি একাধারে উৎপাদন করার অধিকার এবং আইনি সুরক্ষা পায়। 
- অন্য কোনো দেশ বা অন্য কেউ তখন আর এই পণ্যের মালিকানা বা স্বত্ব দাবি করতে পারে না।

• ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য  নিবন্ধন: 
- ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধনের কাজ বাংলাদেশে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (Department of Patents, Designs and Trademarks - DPDT) দ্বারা পরিচালিত হয়। 
- DPDT-এর মধ্যে একটি বিশেষ ইউনিট এই কাজের জন্য দায়িত্বশীল। 
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন ২০১৩ ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করা হয়।
- আইন অনুযায়ী, ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধনের জন্য কোনো ব্যক্তি, সংঘ, প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে ডিপিডিটিতে পর্যাপ্ত প্রমাণ ও তথ্য-উপাত্তসহ আবেদন করতে হয়। 
- আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর সেগুলোকে নানানভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। 
- কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে আবেদনকারীকে পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। 
- আবেদনপত্রের সঙ্গে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বিবেচনা করার পর সব ঠিক থাকলে সেই জার্নালে প্রকাশ করা হয়। 
- জার্নালে প্রকাশিত হওয়ার পর কেউ যদি সেই পণ্যের বিরোধিতা করতে চায়, তাহলে তার জন্য সর্বোচ্চ দুই মাস সময় ধরা আছে।
- এসবকিছুর সর্বশেষ ধাপ হলো জিআই সনদ বা নিবন্ধন সার্টিফিকেট প্রাপ্তি। 

তথ্যসূত্র: 
i) DPDT ওয়েবসাইট। 
ii) World Intellectual Property Organization
iii) বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়। 

১,৬৯৫.
বাংলাদেশের প্রথম এলএনজি-টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. মংলা
  2. সন্দ্বীপ
  3. মীরসরাই
  4. মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম এলএনজি-টার্মিনাল:
⇒ Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- অবস্থান: কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন: Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
১,৬৯৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশের রপ্তানি আয়ে শিল্পজাত পণ্যসমূহের মধ্যে পাটজাত পণ্যের অবস্থান কত?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি পরিস্থিতি -

⇒ প্রধান শিল্পজাত পণ্য:
১। নিটওয়্যার: ১৮৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২। তৈরি পোশাক (ওভেন): ১৪২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩। পাটজাত পণ্য: ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪। প্রকৌশল দ্রব্য: ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫। জুতা: ৩৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬। রাসায়নিক দ্রব্য: ২২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭। চামড়া: ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮। হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য: ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৬৩% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে ‘কৃষিজাত পণ্য’।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৬৯৭.
'বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে? 
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন: 
- বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত।
- বাংলাদেশে উন্নয়নশীল দেশের অবস্থান থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং ভোক্তার স্বার্থরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিযোগিতা কমিশনের লক্ষ্য।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ: 
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১০টি দপ্তর/সংস্থা রয়েছে। [জানুয়ারি - ২০২৫]
- এ দপ্তর/সংস্থা সমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রশাসন অনুবিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ ছাড়াও বিসিএস (ট্রেড) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সকল কার্যাদি এ অনুবিভাগের মাধ্যমে হয়।

→ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ নিম্নরূপ:
১) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
২) বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন,
৩) যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর,
৪) বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
৫) বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৬) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৭) আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৮) রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো,
৯) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
১০) বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল।

তথ্যসূত্র: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 

১,৬৯৮.
যমুনা সার কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. রংপুর
  3. জামালপুর
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা:
- বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সার উৎপাদন কারখানা হচ্ছে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৬৯৯.
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ কোনটি?
  1. বানৌজা লিলি
  2. বানৌজা পদ্মা
  3. বানৌজা যমুনা
  4. বানৌজা কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
বানৌজা পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানৌজা পদ্মা
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএনএস পদ্মা বা বানৌজা পদ্মা’। 
- বিএনএস পদ্মার গতিবেগ হবে ঘন্টায় ২৩ নটিকাল মাইল (প্রায় ৩৭ মাইল)।
- ২০১১ সালের ৫ মার্চ খুলনা শিপইয়ার্ডে জাহাজটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি জাহাজটি লাঞ্চিং করান।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৭০০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল চিংড়ি চাষের জন্যে বিখ্যাত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চাষ হয়।
দেশের মোট চিংড়ি ঘেরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এ অঞ্চলে অবস্থিত।
চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী লাভ করায় খুলনা অঞ্চলকে ‘বাংলাদেশের কুয়েত সিটি’ বলা হয়।
অন্যদিকে, রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে অভিহিত করা হয়।
(সূত্র: বণিক বার্তা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন)