বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ১০০ / ১,৭৮৪

.
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র কয়টি? ( মে - ২০২৫)
  1. ২৯ টি
  2. ২৫ টি
  3. ২৭ টি
  4. ৩২ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র - ২৯ টি।
- দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্রের নাম, ইলিশা-১ ।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাসের পরিমাণ- ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- মোট স্থাপিত বিদ্যুত উৎপাদন ক্ষমতা : ২৬,৮৪৪ মেগাওয়াট ( ৩০ এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত)।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ এবং The Daily Star Bangla.
.
নিচের কোনটি খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য-দ্রব্য বিক্রি করে থাকে?
  1. ক) বিএডিসি
  2. খ) টিসিবি
  3. গ) বিএসটিআই
  4. ঘ) বিসিক
ব্যাখ্যা
Trading Corporation of Bangladesh (TCB) খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে বিভিন্ন পণ্য-দ্রব্যাদি বিক্রি করে থাকে। এছাড়াও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ করা, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আপদকালীন সময়ের জন্য বিভিন্ন পণ্য মজুদ করা, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা ইত্যাদি কার্যাদিও টিসিবি করে থাকে।

টিসিবি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: টিসিবি ওয়েবসাইট)
.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে কর্মসংস্থান সবচেয়ে কম?
  1. ক) শিল্প খাত
  2. খ) সেবা খাত
  3. গ) কৃষি খাত
  4. ঘ) অভিবাসী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৪৭ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৯৯ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৫৩ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

.
বাংলাদেশের কোন জেলা চায়ের জন্য বিখ্যাত?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. ভোলা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
⇒ সিলেট জেলাটি চায়ের জন্য প্রসিদ্ধ।

সিলেট:
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮৭৪ সাল পর্যন্ত এ জেলা ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল
- সিলেট জেলার উত্তরে ভারতের খাসিয়া, জৈন্তিয়া পাহাড় (ভারতের মেঘালয় রাজ্য), দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা, পূর্বে ভারতের কাছাড় ও করিমগঞ্জ জেলা (ভারতের আসাম রাজ্য) ও পশ্চিমে সুনামগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ জেলা।
- আয়তন: ৩.৪৫২.০৭ বর্গ কি.মি বা ১৩৩২.০০ বর্গমাইল।
- ১৯৮৩ ৮৪ সালে বৃহত্তর সিলেট জেলাকে ৪টি নতুন জেলায় বিভক্ত করা হয় এবং ১৯৯৫ সালের ১ আগস্ট সিলেট বিভাগের সৃষ্টি হয়।
- সুরমা-কুশিয়ারা নদীবেষ্টিত এ জেলায় রয়েছে অনেক হাওর-বিল, ছোট বড় টিলা কানন। রয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকির অংশ বিশেষ।
- সিলেট জেলা প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, বালুসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদে অনন্য একটি জেলা।
- বাণিজ্যিক ভাবে চা উৎপাদনের জন্যে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - সিলেট জেলা ওয়েবসাইট।
.
বর্তমানে দেশে কতটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ৪টি 
  2. ৫টি 
  3. ৩টি 
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে বাংলাদেশে ৩টি সমুদ্র বন্দর রয়েছে: চট্টগ্রাম, মংলা এবং পায়রা। 

• পায়রা বন্দর: 
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে কয়লা ও অন্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ এই বন্দরে আগমন করছে।
- নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েল হাসকনিংডিএইচভি এর মাধ্যমে বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত হয়েছে।
- রাবনাবাদ চ্যানেলে মূল খনন (ক্যাপিটাল ড্রেজিং) চলছে।
- চ্যানেলটি -১০.৫ মিটার চার্ট ডাটাম (CD) পর্যন্ত গভীর করা হবে,
- যাতে প্যানামাক্স (PANAMAX) আকারের জাহাজ ভিড়তে পারে।

• চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়।

• মোংলা বন্দর ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন মোংলা বন্দর নামকরন করা হয়।
- ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- এটি দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর।

- উল্লেখ্য মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণাধীন রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. তুলা
  2. গম
  3. তৈলবীজ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে কোন খাত থেকে?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. কৃষিপণ্য
  4. পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৮.৭৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানি আয়ে বিভিন্ন পণ্যের অবদান:
- প্রথম : তৈরি পোশাক (৩১.৪৫ বিলিয়ন ডলার)
- দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য (১১৬১.৪৮ মিলিয়ন ডলার)
- তৃতীয় : কৃষিপণ্য (১০২৮.১৪ মিলিয়ন ডলার)
- চতুর্থ : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৯৪১.৬৭ মিলিয়ন ডলার)।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
.
সম্প্রতি, এনবিআর শুল্ক ও কর জমা দিতে অনলাইনে কী সেবা চালু করেছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ই-চালান সেবা
  2. এ-চালান সেবা
  3. সি-চালান সেবা
  4. ভি-চালান সেবা
ব্যাখ্যা
এ-চালান সেবা:
- শুল্ক ও কর অনলাইনে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে ‘এ-চালান’ সিস্টেম চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
- এ পদ্ধতিতে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড; এমএফএস যেমন রকেট, বিকাশ, নগদ, উপায়, এমক্যাশ, ট্রাস্টপে ইত্যাদি দিয়ে শুল্ক-কর পরিশোধ করা যাবে। 
- এ উদ্যোগটি এনবিআর ও অর্থ বিভাগের একটি যৌথ কার্যক্রম।
- এ ব্যবস্থায় আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও তাদের মনোনীত এজেন্টরা ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে যে কোনো সময় শুল্ক-কর পরিশোধ করতে পারবেন। 
- আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি  ইন্টারনেট মাধ্যমে শুল্ক-কর জমা দিয়ে সিস্টেম জেনারেটেড রসিদ নম্বর দেখিয়ে বন্দর থেকে পণ্য খালাস করতে পারবেন।
- পাশাপাশি যেকোনো ব্যাংক থেকেও শুল্ক-কর পরিশোধ করে আমদানি পণ্য দ্রুততম সময়ে খালাস করতে পারবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
.
নিচের কোনটি সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র? 
  1. তিতাস
  2. কুতুবদিয়া
  3. সিলেট 
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে দুটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে: সাঙ্গু এবং কুতুবদিয়া।

∗ কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র:
• অবস্থান: কক্সবাজারের উপকূলে, বঙ্গোপসাগরে।
• আনুমানিক মজুদ: প্রায় ৭৮০ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)।
• বর্তমান অবস্থা: এটি একটি ক্ষুদ্রাকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং বাপেক্স (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
∗ সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
• অবস্থান: ১৬ নং ব্লকে, চট্টগ্রামের সলিমপুরের কাছে।
• আবিষ্কার: ১৯৯৬ সালে।
• বর্তমান অবস্থা: গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় পরিত্যক্ত।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. Britannica.

১০.
'কর্ণফুলি পেপার মিলস' এর প্রধান কাঁচামাল কোনটি?
  1. আখের ছোবরা
  2. বাশঁ
  3. ধানের খড়
  4. পাটের খড়ি
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলি পেপার মিলস্: 
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।

১১.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার -
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯.১০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩.৭৯ শতাংশ এবং কানাডায় ১২.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।

১২.
মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ চালু করেছে কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. ক) ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) সরকারের ডাক বিভাগ
  3. গ) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) লংকা বাংলা ফাইন্যান্স
ব্যাখ্যা
মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ চালু করেছে সরকারের ডাক বিভাগ। ২০১৯ সালের ২৬শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নগদ’ সেবা উদ্বোধন করেন।
অন্যদিকে, ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা হলো ‘রকেট’ এবং ব্র্যাক ব্যাংক প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা ‘বিকাশ’।
(সূত্র: নগদ ও প্রথম আলো)
১৩.
কোন বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ সম্পন্ন হয়?
  1. ক) মংলা সমুদ্রবন্দর
  2. খ) বেনাপোল স্থলবন্দর
  3. গ) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
  4. ঘ) আখাউড়া স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা

- কর্ণফুলী নদীরতীরে অবস্থিত চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর।
- দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ৮০ ভাগের অধিক এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- খ্রিস্টীয় নবম শতক থেকেই এ বন্দর দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য হয়ে আসলেও ১৮৮৭ সালে এটি বন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎসঃ চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৪.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. ফার্মগেইট, ঢাকা
  3. সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
  4. রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট:
- বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে  বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ তার্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

১৫.
বিশ্বের বৃহত্তম জাহাজ ভাঙা শিল্পাঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) সীতাকুণ্ড
  2. খ) মংলা
  3. গ) জলদিয়া
  4. ঘ) বাঁশখালী
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রামের সমুদ্র উপকূলবর্তী সীতাকুণ্ড জাহাজ ভাঙা শিল্পের বিশ্বের বৃহত্তম কেন্দ্র।
সীতাকুণ্ডে বিশ্বের মোট জাহাজ ভাঙার প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ ভাঙা হয়। ১৯৬০ এর দশকে এখানে প্রথম জাহাজ ভাঙা শিল্পের যাত্রা শুরু হয়।
জাহাজ ভাঙা শিল্পে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম৷ ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ২৩৬টি জাহাজ ভাঙা হয়।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং দৈনিক ইনকিলাব)
১৬.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চীন থেকে আমদানির পরিমাণ কত?
  1. ২৬.৮৯%
  2. ২৭.১৩%
  3. ২৮.৪৬%
  4. ২৯.৭২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশভিত্তিক আমদানি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭.
দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয় -
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

শুল্ক নীতি:
- ২০১৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.

১৮.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু সার কারখানা আছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু কারখানা আছে- এর মধ্যে সার কারখানা ৭টি, কাগজ কারখানা ১টি, সিমেন্ট কারখানা ১টি, গ্লাসশীট কারখানা ১টি, স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা ১টি।

- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার।
- তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনের মত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি’র উপর ন্যাস্ত হয়।
- বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথে এই গুরু দয়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

⇒ চালু সার কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা।
• ১টি ডিএপি সার কারখানা।
• ১টি টিএসপি সার কারখানা।
• ১টি কাগজ কারখানা।
• ১টি সিমেন্ট কারখানা।
• ১টি গ্লাসশীট কারখানা।
• ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
১৯.
পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে দেশের ন্যূনতম কত শতাংশ বনাঞ্চল থাকা উচিত?
  1. ৩৫%
  2. ৩০%
  3. ২৫%
  4. ১৫%
ব্যাখ্যা

• বনজ সম্পদ:
- বনভূমি ও বনজ সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।
- প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত অবস্থা ভালো রাখার জন্য যেকোনো দেশের কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট বনভূমি মোট ভূখণ্ডের প্রায় শতকরা ১৭.৬২ ভাগ যা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।
- যেমন, আমেরিকায় শতকরা ৩৩.৮৪ ভাগ, জাপানে শতকরা ৬৭ ভাগ, বার্মায় শতকরা ৬৩ ভাগ এবং ভারতে শতকরা ২৩.৭০ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২০.
বর্তমানে কয়টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৯টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ এর অধ্যায় ৭: কৃষি; পৃষ্ঠা ৯১ তে বলা হয়েছে -
সরকার কর্তৃক ২০১০ সালে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০' প্রবর্তন করা হয়েছে এবং উক্ত আইনবলে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা ২০১৩' প্রবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে ১৭টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

কিন্তু পাট অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইটে ১৯টি পণ্যের কথা বলা হয়েছে।
পণ্যগুলোর তালিকা - 
১. ধান
২. চাল
৩. গম
৪. ভুট্টা
৫. সার
৬. চিনি
৭. মরিচ
৮. হলুদ
৯. পিঁয়াজ
১০. আদা
১১. রসুন
১২. ডাল
১৩. ধনিয়া
১৪. আলু
১৫. আটা
১৬. ময়দা
১৭. তুষ-খুদ-কুড়া 
১৮. পোল্ট্রি ফিড
১৯. ফিস ফিড

যেহেতু পাট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য পাট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট অধিক গ্রহণযোগ্য তাই সঠিক উত্তর হিসবে ১৯টি গ্রহণযোগ্য।
২১.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোন দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়?
  1. ফ্রান্সে
  2. জার্মানিতে 
  3. নেদারল্যান্ডসে 
  4. ডেনমার্কে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়। 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান। 
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

২২.
দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড "চট্টগ্রাম ইপিজেড" কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৮১
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সরকারি ইপিজেড ৮টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড।
- এটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত।

- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড।
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- ২০০১ সালে ২১৩.৬৬ একর জমিতে যাত্রা শুরু করে।

- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান চট্টগ্রামের পতেঙ্গা।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
২৩.
পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ-এর সংখ্যা/ধাপ কয়টি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ - এর সংখ্যা/ধাপ - ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।

উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) ।
২৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী হলো -
  1. ক) ৩৯.০ শতাংশ
  2. খ) ৩৪.৯৯ শতাংশ
  3. গ) ২০.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৪৭ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৯৯ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৫৩ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
২৫.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Standards and Testing Institution
  2. Bangladesh Standards and Technical Institution
  3. Bangladesh Standards and Technical Institute
  4. Bangladesh Standards and Testing Institute
ব্যাখ্যা

বিএসটিআই:
- BSTI এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭ এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) কে একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও (Department of Agricultural Grading and Marking) বিএসটিআই'র সঙ্গে একীভূত হয়।

⇒ বিএসটিআই-এর কাজ:
- পণ্য, সেবা ও প্রক্রিয়ার জাতীয় মান প্রণয়ন, তদানুযায়ী পণ্য পরীক্ষণ ও পণ্যের গুণগত মান সনদ (সার্টিফিকেশন) প্রদান এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।
- এছাড়া দেশব্যাপী ওজন ও পরিমাপের সকল ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং পরিমাপ যন্ত্রসমূহ ভেরিফিকেশন ও ক্যালিব্রেশনের দায়িত্বেও নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - বিএসটিআই ওয়েবসাইট।

২৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হাত কত?
  1. ৩.০৪%
  2. ৩.৫১%
  3. ৪.২৫%
  4. ৪.৬৩%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
২৭.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর -
  1. এম নূরুল ইসলাম
  2. খোরশেদ আলম
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. কাজী হাবিবুল আউয়াল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২ তম)। 

অন্যদিকে -
- এম নূরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৃতীয় গভর্নর। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় গভর্নর ছিলেন তিনি।
- একেএন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় গভর্নর।
- খোরশেদ আলম বাংলাদেশ ব্যাংকের পঞ্চম গভর্নর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৮.
"বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড" কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ২০১১
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
- রেশম শিল্প বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প। 
- রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন একীভূত হয়ে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয়েছে। 
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে রেশম চাষকে "আমার বাড়ি আমার খামার" প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
 
২৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা-
  1. ক) ২১,৫৬০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২১,৯৪০ মেগাওয়াট
  3. গ) ২২,০৬৬ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২২,৫৬০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২২,০৬৬ মেগাওয়াট।
- তবে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ ২৫,২৮৪ মেগাওয়াট।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২]
৩০.
বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. শ্রীলংকা
  3. মিয়ানমার
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ২০১০ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলঙ্কায়।

উৎস: কালের কণ্ঠ এবং প্রথম আলো।
৩১.
রপ্তানির ক্ষেত্রে নিচের কোনটি White Gold হিসাবে বিবেচিত?
  1. ক) পাট
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) চীনামাটি
  4. ঘ) ইলিশ মাছ
ব্যাখ্যা
'White gold':
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে এবং এগুলির মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশের White Gold হিসেবে পরিচিত চিংড়ি মাছ।

- এছাড়া পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩২.
বাংলাদেশে সবুজ কারখানার সংখ্যা কয়টি? (জুন - ২৫)
  1. ২৪৩টি
  2. ২২৭ টি
  3. ২৩২ টি
  4. ২২৬টি
ব্যাখ্যা
• গ্রীন ফ্যাক্টরি বা সবুজ কারখানা:
- সবুজ কারখানা এমন একটি পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান, যা টেকসই ও পরিবেশ সুরক্ষিত উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। এ সব ফ্যাক্টরিতে কার্বন নিঃসরণ কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সৌরশক্তি, রেইনওয়াটার হারভেস্টিং এবং দক্ষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার এদের বৈশিষ্ট্য। গ্রীন ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে। 
- দেশে পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার সংখ্যা ২৪৩ ( জুন-২০২৫)।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) সবুজ কারখানার  সনদ দিয়ে থাকে। 

উৎস: কালের কন্ঠ {লিংক
৩৩.
আয়কর বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থাকে বলা হয়-
  1. ক) NRB
  2. খ) ECNEC
  3. গ) NBR
  4. ঘ) BSEC
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের আয়কর বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থাকে বলা হয় এনবিআর।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৭২ সালে গঠিত হয়।
- প্রদাধিকার বলে এনবিআরের চেয়ারম্যান হন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব।
- প্রতিষ্ঠানটির স্লোগান: 'উন্নয়নের অক্সিজেন রাজস্ব'
- অনলাইন ভ্যাট হেল্পলাইন ১৬৫৫৫।

উৎস:  এনবিআর ওয়েবসাইট।
৩৪.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি-
  1. ক) ১৯০৯ মার্কিন ডলার
  2. খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২০২৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার। স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ। শিল্পখাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ এবং সেবাখাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট]
৩৫.
বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে -
  1. জার্মানি
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি:
-বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে ‘এমভি স্টেলা মরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে এ যাবৎকালে নির্মিত জাহাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও উচ্চ গতিসম্পন্ন জাহাজ ‘এনজিয়ান’ জার্মান ক্রেতা প্রতিষ্ঠান জার্মান কমরোসকি মারিটিম জিএমবিএইচ-এর প্রতিনিধির কাছে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৬.
'এফবিসিসিআই' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
FBCCI:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry.
- বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন FBCCI (এফবিসিসিআই)।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং কোম্পানি আইন, ১৯১৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই'র বর্তমান মহাসচিব মো. আলমগীর। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - FBCCI ওয়েবসাইট।
৩৭.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সবচেয়ে বড় কারখানা কোথায়?
  1. সৈয়দপুর
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নাট-বল্টু থেকে শুরু করে রেলওয়ের ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লাইনের বগি মেরামতসহ সব কাজ করা হয়। 
- ১১০ দশমিক ২৯ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কারখানাটিতে রয়েছে ২৮টি শপ (উপকারখানা)।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২১ আগস্ট ২০২৩, ইত্তেফাক।
৩৮.
বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে -
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -

→ যুক্তরাষ্ট্র - (প্রথম)।
→ জার্মানি - (দ্বিতীয়)।   
→ যুক্তরাজ্য - (তৃতীয়)।
→ ফ্রান্স - (চতুর্থ)।   
→ নেদারল্যান্ডস - (পঞ্চম)।      

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৩৯.
২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি জনবল প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয় কোন দেশে?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) কাতার
  3. গ) মালোশিয়া
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


উৎস: (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) ।
৪০.
কোন গাছের কাঠ হতে দিয়াশলাই-এর কাঠি তৈরি হয়?
  1. গরান
  2. ধুন্দল
  3. গেওয়া
  4. চাপালিশ
ব্যাখ্যা
• দিয়াশলাই শিল্প:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
• কাগজ শিল্প:- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
• রেয়ন শিল্প:- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১.
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের স্থল বন্দর-
  1. ক) পেট্রাপোল
  2. খ) কৃষ্ণনগড়
  3. গ) ডাউকি
  4. ঘ) মোহাদিপুর
ব্যাখ্যা
স্থলবন্দর:
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বাস্থবক) নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- ২০০১ সালের ২০ নং আইনের দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৫টি।
- যার মধ্যে চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি। চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

- সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে দেশের ২৫তম স্থলবন্দর হিসেবে মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর

এছাড়াও--
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দর।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৪২.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশী পণ্য আমদানী করে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৩.
আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড প্রধানত কোন ধরনের সার উৎপাদন করে?  
  1. MOP সার
  2. DAP সার
  3. SSP সার
  4. ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা

• আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড:
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড(AFCLL) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত।
- এই কারখানাটি বিসিআইসি-এর অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- আশুগঞ্জ সার কারখানাটি ১৯৮১ সালে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করে এবং
- ১৯৮৩ সালের ১ জুলাই বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রমে প্রবেশ করে।
- কারখানাটি মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন ও সরবরাহ করে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৪৪.
শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে-
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) বিএসসি
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) বিএসইসি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ জুন, ১৯৯৩ সালে।
- শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা এর প্রধান উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশের প্রথম শেয়ারবাজার ও বৃহত্তম শেয়ার বাজার- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড।
- এটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

৪৫.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি কোন কাঠের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. চাপালিশ কাঠ
  2. গরান কাঠ
  3. সুন্দরী কাঠ
  4. গেওয়া কাঠ
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
দেশে মুক্তবাণিজ্য এলাকা স্থাপনে জাতীয় কমিটি গঠন করেছে কোন সংস্থা? [মে, ২০২৫]
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
  3. বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)
  4. বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)
ব্যাখ্যা
মুক্তবাণিজ্য এলাকা স্থাপনে জাতীয় কমিটি:
- মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল (এফটিজেড) এমন ধরনের নির্দিষ্ট এলাকা, যেখানে শুল্ক কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই পণ্য আমদানি, উৎপাদন ও পুনঃ রপ্তানি করা যেতে পারে।
- বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি, বাণিজ্য বৃদ্ধি ও শিল্পায়ন বৃদ্ধিতে এফটিজেড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সম্প্রতি, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে দেশে মুক্তবাণিজ্য এলাকা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- মুক্ত বাণিজ্য এলাকা বা ফ্রি ট্রেড জোন (এফটিজেড) স্থাপনের জন্য গত ২১ এপ্রিল আট সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- এই কমিটি ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইন, প্রণোদনা ও মডেল পর্যালোচনা করবে।
- কমিটি আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে এফটিজেড ঘোষণা করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য,
- কমিটির সভাপতি বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন); সদস্যসচিব বেজার পরিচালক (ওএসএস ও সমন্বয়)।
- এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) থেকে একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন এই কমিটিতে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৪৭.
'সোনাহাট স্থলবন্দর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. লালমনিরহাট
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

সোনাহাট স্থলবন্দর:
- সোনাহাট স্থলবন্দরটি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপেজলা সীমান্তে অবস্থিত।  
- এ স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ এলসিএস রয়েছে।
- ২৫ অক্টোবর ২০১২ তারিখে সোনাহাট শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ৯ জুন ২০১৮ তারিখে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়। 
- আমদানিযোগ্য পণ্য: পাথর, কয়লা, তাজাফল, ভূট্টা, গম, চাল, ডাল, পিঁয়াজ, রসুন, আদা।
- রপ্তানিযোগ্য পণ্য: সকলপণ্য।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৪৮.
দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয় কবে?
  1. আগস্ট ২০২২
  2. ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  3. ডিসেম্বর ২০২২
  4. আগস্ট ২০২৩
ব্যাখ্যা

• শুল্ক নীতি:
- ২০১৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৪৯.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিএমটিএফ) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।
৫০.
ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে কোন সালে? 
  1. ২০০৬
  2. ২০১২
  3. ২০০৮
  4. ২০০২
ব্যাখ্যা

• ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (DAPFCL):
- DAPFCL বাংলাদেশে চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।
- এর প্রধান কাজ হলো:
• ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (DAP) সার উৎপাদন ও সরবরাহ করা;
- যা ফসলের শিকড় গঠন, বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক।
DAPFCL আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৬ সালে দুটি কারখানায় বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।
- ডিএপি-১ কারখানা ২০০৬ এর আগস্ট এ উৎপাদন শুরু করে।
- ডিএপি-২ কারখানা ২০০৬ এর সেপ্টেম্বরে উৎপাদন শুরু করে।

উৎস: ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫১.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
  2. সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  3. জৈন্তাপুর সিমেন্ট কারখানা
  4. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
⇒ দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ।

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
৫২.
নিচের কোন দেশে বাংলাদেশ সর্বাধিক তৈরি পোশাক রপ্তানি করে?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
তৈরি পোশাক বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য। গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৩১.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে। তবে দেশ হিসেবে সর্বাধিক রপ্তানি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : যুক্তরাষ্ট্র
- দ্বিতীয় : জার্মানি
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য।

(তথ্যসূত্র: বিজিএমইএ ওয়েবসাইট)
৫৩.
Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশের কোন শিল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে?
  1. তৈরি পোশাক শিল্প
  2. ওষুধ শিল্প
  3. সিমেন্ট শিল্প
  4. পর্যটন শিল্প
ব্যাখ্যা
Mapped in Bangladesh (MiB): 
- বাংলাদেশে ম্যাপড ইন বাংলাদেশ (MiB) হল বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী আরএমজি শিল্পের সর্বপ্রথম ব্যাপক প্রাথমিক তথ্য ভান্ডার।
- MiB একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী করতে তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে।
- এটি উদ্যোগ যা স্বচ্ছতা এবং ট্রেসেবিলিটির মাধ্যমে শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন এবং কাজের পরিবেশের উন্নতি সাধনে বিশ্বাস করে।
- MiB একটি বহুপক্ষীয় Project Advisory Committee (PAC) দ্বারা পরিচালিত, যেখানে ব্র্যান্ড, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, শিল্প সমিতি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত।
- MiB বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
- MiB নিয়মিতভাবে তথ্য হালনাগাদ করার জন্য ক্রাউডসোর্সিং পদ্ধতি ব্যবহার করে।

উৎস: Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইট।
৫৪.
জনতা ব্যাংক পিএলসি কোন কোন ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  2. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. পিপলস ব্যাংক লিমিটেড ও অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক লিমিটেড
  4. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড ও এগ্রো ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা

জনতা ব্যাংক পিএলসি:  
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- ১৯৭২ সালের ব্যাংক জাতীয়করণ অধ্যাদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ-২৬) অনুযায়ী তৎকালীন ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড-এর সমন্বয়ে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়।
- ২০০৪-০৫ সালে গৃহীত Enterprise Growth and Bank Modernization Project (EGBMP) শীর্ষক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সংস্কার কর্মসূচির ভিত্তিতে এবং বিদ্যমান কোম্পানি আইন মোতাবেক ‘জনতা ব্যাংক লিমিটেড’ গঠন করা হয়।
- ১৫ নভেম্বর ২০০৭ তারিখ থেকে জনতা ব্যাংক লিমিটেড-এর কার্যক্রম শুরু হয়।
-  ঢাকায় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে ২৭টি বিভাগ রয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জনতা ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট। 

৫৫.
বেপজার উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. চাকরির সুযোগ তৈরি করা
  2. রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  3. বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। (জুলাই, ২০২৫)
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বেপজার উদ্দেশ্য:
• বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
• রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
• চাকরির সুযোগ তৈরি করা।
• দারিদ্র্য বিমোচন।
• প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।
৫৬.
সম্প্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

আমদানিতে বিধিনিষেধ:
- ১১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। 
​- সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। 
​- নতুন এই বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে।
​- বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়।

​উল্লেখ্য,
​- ভারতীয় ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার বাংলাদেশ।
​- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, ভারতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
​- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। 
​- অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য।

​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৫৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর?
  1. ক) সোনা মসজিদ
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) বেনাপোল
  4. ঘ) হিলি
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - বেনাপোল।

• স্থলবন্দর:
-  বাংলাদেশের  বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল ।
- এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- ২য় বৃহত্তম স্থলবন্দর হলো দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৫টি।
- যার মধ্যে চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি।
- সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে দেশের ২৫তম স্থলবন্দর হিসেবে মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৮.
দেশের সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত। এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

(সূত্র: খুলনা ও ময়মনসিংহ জেলা ওয়েবসাইট এবং বিডিনিউজ)
৫৯.
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের আওতাধীন কতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৭টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়।
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

৬০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলদেশের মোট রপ্তানি আয় কত ছিল? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়: 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলদেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল ৪৪.৪৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- প্রাথমিক পণ্যের রপ্তানি আয় ১.৩৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ম্যানুফ্যাকচারড পণ্যের রপ্তানি আয় ৪৩.১১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট RMG পণ্যের রপ্তানি আয় ৩৬.১৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- নিটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় ১৯.২৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উইভেন (wooven) পণ্যের রপ্তানি আয় ১৯.২৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট।
৬১.
BEPZA-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Economic Promotion Zone Association
  2. Bangladesh Enterprise Processing Zone Agency
  3. Bangladesh Export Production Zone Administration
  4. Bangladesh Export Processing Zone Authority
ব্যাখ্যা

বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বেপজার উদ্দেশ্য:
• বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
• রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
• চাকরির সুযোগ তৈরি করা।
• দারিদ্র্য বিমোচন।
• প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।

৬২.
কোন নদীর উপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হবে?
  1. সাঙ্গু
  2. মাতামুহুরী
  3. হালদা
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কালুরঘাট সেতু:
- চট্টগ্রামের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হবে।

⇒ কর্ণফুলী নদীর ওপর বিদ্যমান রেল সেতুর ৭০ মিটার উজানে নতুন সেতু নির্মিত হবে। দুই পাশে দুই লেন করে চার লেনের সেতু তৈরি হবে। এক পাশে চলবে ট্রেন, অপর পাশে বাস-ট্রাকসহ সাধারণ যানবাহন চলবে। দুই প্রান্তে নির্মাণ করা হবে ৬.২ কিলোমিটার রেলপথ (ভায়াডাক্ট)। রেলপথের জন্য নির্মাণ হবে ৪.৫৪ কিলোমিটার বাঁধ। সড়ক পথ নির্মাণ করা হবে ২.৪ কিলোমিটার। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৭০০ মিটার। পানি থেকে সেতুর উচ্চতা ১২ দশমিক ২ মিটার। ভায়াডাক্টসহ সেতুর দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৬ কিলোমিটার।

⇒ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৪ মে, ২০২৫ তারিখে কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।
- কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর ‘রেল কাম রোড সেতু’র দৈর্ঘ্য হবে ৭০০ মিটার।
- এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।
- ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর রেল কাম রোড সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- ২০২৬ সালের শুরুর দিকে নতুন সেতুর কাজ শুরু হয়ে ২০৩০ সালে সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরুর কথা আছে।
- প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকৌশলী আবুল কালাম চৌধুরীকে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 
- সেতু নির্মাণের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সহজ শর্তে ৮১ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) থেকে ৭২ কোটি ৪৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটি (ইডিপিএস) তহবিল থেকে নয় কোটি এক লাখ ৮০ হাজার ডলার দেওয়া হবে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
ii) বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
৬৩.
নিচের কোনটি প্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. রাসায়নিক সার
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. কসমেটিক্স
  4. হোম টেক্সটাইল
ব্যাখ্যা
- যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস থেকে অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৬৪.
Which is the busiest port in Bangladesh and the third in South Asia, serving as a key hub for the country's imports and exports?
  1. Mongla Seaport
  2. Tamabil Land Port
  3. Benapole Land Port
  4. Chittagong Seaport
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম বন্দর:

- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- দেশের অধিকাংশ পণ্য আমদানি ও রপ্তানি এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর পূর্বে পর্বত শ্রেণি থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।

তথ্যসুত্র - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট।
৬৫.
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি 
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।
বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি

১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
৬৬.
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID)-এর সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. বানিজ্যমন্ত্রী
  3. শিল্পমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID):
- দেশব্যাপী ব্যাপক ভিত্তিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) গ্রহণ করে থাকে।
- - এই পরিষদ দেশে বিভিন্ন ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে।
- এ পরিষদের সভাপতি হলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- এবং সহ সভাপতি হলেন মাননীয় শিল্পমন্ত্রী।
 
উৎস: শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
৬৭.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম কী?
  1. মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. নারায়ণঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল 
  3. মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুণ্ড এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় প্রায় ৩৩,৮০৫ একরের বেশি জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

• 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই এবং ফেনীর সোনাগাজী এলাকায় দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল এনএসইজেড নির্মাণের কাজ করছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- প্রথম পর্যায়ে আগামী পাঁচ বছরে ১৭ হাজার ৩১৩.৫৮ একর জমির ওপর বিস্তৃত এনএসইজেডের মিরসরাই অঞ্চলের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে দশম বছরের মধ্যে সোনাগাজীর ১১ হাজার ২০.৫ একর এলাকার কাজ করা হবে।
- তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়ে এগারোতম থেকে বিশতম বছরে সম্পন্ন হবে সীতাকুণ্ড অঞ্চলের কাজ।

উৎস: i) বেজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬৮.
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন বাংলাদেশের কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. কৃষি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন:
- ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন বা NPO হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি সরকারি সংস্থা।
- NPO এর পূর্ণরূপ: National Productivity Organization.
- এই সংস্থাটি দেশের কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো:
• উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, 
• সচেতনতা সৃষ্টি, 
• অবকাঠামো উন্নয়ন এবং
• উৎপাদনশীলতা-বিষয়ক সরকারি নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করা।

উৎস: ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬৯.
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. বাগেরহাট
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বেপজা:
- BEPZA এর পুর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রামে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের শিল্প জোন।
- এটির অবস্থান চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়।
- এটির আয়তন প্রায় ১,১৫০ একর।
- মোট শিল্প প্লটের সংখ্যা ৫৩৯টি।
- সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আনুমানিক ৫ লক্ষ মানুষের ।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৭০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. চীন
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭১.
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শক্তির প্রধান উৎস কী?
  1. ক) খনিজ তৈল
  2. খ) খরস্রোতা নদী
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৫২ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল।
- আর জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট গ্যাসের ব্যবহারের ৭০ ভাগই বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে ৫৭টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে।
৭২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, কোন প্রাথমিক পণ্যটি সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. সার
  2. তৈলবীজ
  3. গম
  4. তুলা
ব্যাখ্যা
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৩.
মসলিনের সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধারে কাজ করছে নিম্নের কোন সংস্থা?
  1. ক) বিটিএমসি
  2. খ) বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড
  3. গ) বিকেএমইএ
  4. ঘ) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড
ব্যাখ্যা
তাঁত সেক্টরের উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প/কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। 
ঐতিহ্যবাহী মসলিনের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১২.১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিনের সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার' শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 
- প্রকল্পের আওতায় মসলিন প্রযুক্তি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে গবেষণা কার্যক্রম চলমান আছে। মসলিনের সুতা তৈরির তুলা অর্থাৎ ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। 
- গবেষণা কার্যক্রমের অন্যান্য বিষয়ের ইতিবাচক ফলাফল শীঘ্রই পাওয়া যাবে। 
- ইতোমধ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের অনুকূলে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর কর্তৃক ‘ঢাকাই মসলিন'কে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে নভেম্বর ২০২০ এর জার্নাল নং-০৯ এ প্রকাশ করা হয়েছে। 
- সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ প্রকল্পটিকে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ (প্রাতিষ্ঠানিক) ক্যটাগরিতে জনপ্রশাসন পদক-২০২১ প্রদান করা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ওয়েবসাইট
৭৪.
FBCCI কী?
  1. উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট
  2. বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়জিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট
  3. বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট
  4. বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
ব্যাখ্যা
এফবিসিসিআই:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে
• এলায়েন্স (Alliance) হলো উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট।
• বিডিএফ (BDF) হলো বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়োজিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট।
• এফআইসিসিআই (FICCI) হলো বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট।

উৎস: প্রথম আলো।
৭৫.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৬.
কত সালে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

শিশুশ্রম মুক্ত শিল্প খাত:
- ২০০৫ সালে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক এবং চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হয়। 

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, ১৪ বছরের নিচে কোনো শিশুকে কাজ করানো নিষিদ্ধ এবং ১৮ বছরের নিচে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ নিষিদ্ধ। তবে এ আইন সব খাতে প্রযোজ্য নয়; যেমন, কৃষি খামার, গৃহকর্ম এবং ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো এ আইনের আওতার বাইরে। 
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) শিশু শ্রমিকদের নিয়োগ ও ব্যবহার, শোষণ, পাচার এবং সব ধরনের সহিংসতা, নির্যাতন ও শিশুশ্রমের অবসান ঘটানোর কথা বলা হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালে দেশে ৬টি শিল্পখাতকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হয়। খাতগুলো হচ্ছে- ট্যানারি শিল্প, গ্লাস, সিরামিক, জাহাজ পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানিমুখী চামড়া শিল্প ও পাদুকা এবং রেশম শিল্প।

উৎস: i) সমকাল।
ii) প্রথম আলো।

৭৭.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর কোনটি?
  1. বুড়িমারী স্থলবন্দর
  2. ভোমরা স্থলবন্দর
  3. বেনাপোল স্থলবন্দর
  4. সোনাহাট স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

⇒ কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৭৮.
বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ:
- বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে চীন থেকে।
- এ পর্যন্ত বেপজার ইপিজেডগুলোতে ৩৮টি দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে।
- সবচেয়ে বেশি এসেছে চীন থেকে। চীনের মোট ১০৮টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে ইপিজেডে।
- এরপর বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ৬১টি, জাপানের ২৯টি, ভারতের ১৯টি, যুক্তরাজ্যের ১৯টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি ও শ্রীলঙ্কার ৭টি প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- বেপজার অধীনে বর্তমানে ৮টি ইপিজেড ও বেপজার অর্থনৈতিক অঞ্চলে মোট ৪৪৯ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে।
- এর বাইরে পটুয়াখালী ও যশোরে দুটি ইপিজেড স্থাপনের কাজ চলছে। আর গাইবান্ধায় একটি ইপিজেড স্থাপনের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ২৯ শতাংশই এসেছে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) থেকে।
- গত অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ১৪৬ কোটি ৮২ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, যার মধ্যে ৪২ কোটি ৪৩ লাখ ডলার ইপিজেডগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
- বেপজা রপ্তানি করেছে ৭০৭ কোটি ডলারের পণ্য, এবং ২০২৪ সালে ২৮টি নতুন বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো
৭৯.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের একক বড় বাজার- [আগস্ট, ২০২৫]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. রাশিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা
রপ্তানী বাজার: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের একক বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
- মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- উল্লেখ্য, এই বাজারে রপ্তানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যের ৮৭শতাংশই তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
৮০.
বাংলাদেশ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় করে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানী 
  3. ফ্রান্স 
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রাপ্ত রপ্তানি আয়।

দেশের নাম  - রপ্তানি আয়  
১. যুক্তরাষ্ট্র= ৮৬৯২.৩৫।
২. জার্মানী = ৫২৯২.৯০।
৩. যুক্তরাজ্য= ৪৬২২.৭০।
8. স্পেন = ৩৫৫৪.৭৪।
৫. ফ্রান্স = ২৪১৬.৮৪।
৬. নেদারল্যান্ড = ২৩৫৪.২১।
৭. পোল্যান্ড = ১৮২৪.৮০।
৮. ইতালী = ১৭৬৪.২৩।
৯. ভারত = ১৬৬৪.৫১।
১০. কানাডা = ১৪৬৩.৭৪।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৮১.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর কিছু গবেষণা কেন্দ্র এবং তাদের অবস্থান:
- মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র — ময়মনসিংহ।
- আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট — রংপুর।
- তাঁত গবেষণা বোর্ড — নরসিংদী।
- পাট গবেষণা কেন্দ্র — ঢাকা।
- তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট — যশোর।
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র — বগুড়া।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র — ফরিদপুর।
- রাবার গবেষণা বোর্ড — কক্সবাজার।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র — ঈশ্বরদী, পাবনা।
- রেশম গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী।
- ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট — সিলেট।
- হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট — নারায়ণগঞ্জ।
- কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট — রামপাল, বাগেরহাট।
- চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট — হাজারীবাগ, ঢাকা।
- বন গবেষণা কেন্দ্র — চট্টগ্রাম।
- ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র — চাঁদপুর।
- ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট — জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- চা গবেষণা কেন্দ্র — শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
- তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট — রংপুর।
- গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর।
- আম গবেষণা কেন্দ্র — চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি?
  1. BADC
  2. BIDA
  3. ΒΕΡΖΑ
  4. BEZA
ব্যাখ্যা

BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority.
- বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।
- এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উৎপাদন এবং রপ্তানী বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে পশ্চাৎপদ ও  অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভাবনাময় সকল এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করাই হলো বেজার মূল লক্ষ্য।
- দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তিন জন নির্বাহী সদস্য সমন্বয়ে বেজার নির্বাহী বোর্ড গঠিত।

অন্যদিকে,
- বিডা হলো, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)। 
- BADC-এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন।
- ΒΕΡΖΑ  হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।

৮৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ ‘এমভি আনসু’ কোন দেশে রপ্তানি করা হয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. পোল্যান্ড
  3. অস্ট্রিয়া
  4. জার্মানী
ব্যাখ্যা
জাহাজ শিল্প:
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ ‘এমভি আনসু’ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি হলো।
- ‘এমভি আনসু’ জাহাজটি কিনেছেন জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।নারায়নগঞ্জের মেঘনাঘাটে আনন্দ শিপইয়ার্ডে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনসুর ক্যাপ্টেন পিয়োট বুজনাস্কিকে জাহাজটি বুঝিয়ে দেন আনন্দ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা বারী।
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইী।
- গত ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ৩৬৫টি জলযান নির্মাণ করেছে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
৮৪.
বাংলাদেশের প্রথম 'ইপিজেড' কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. সাভারে
  2. চট্টগ্রামে
  3. মংলায়
  4. ঈশ্বরদীতে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপিত হয় - চট্রগ্রামে।

• ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।

এছাড়াও,
- 'প্রস্তাবিত নবম ইপিজেড স্থাপিত হবে পটুয়াখালীতে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিজেড স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- তবে এখনো কাজ শুরু হয় নি প্রস্তাবিত ইপিজেডের।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৮৫.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে — চীন থেকে।
অর্থ্যাৎ,
উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে চীন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে,

দেশভিত্তিক আমদানির চিত্র:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।
চীন- ১২,৫৫৩ (মিলিয়ন ডলার)- ২৮.৪৬%, 
ভারত- ৫,৯১৮ (মিলিয়ন ডলার)- ১৩.৪২%, 
যুক্তরাষ্ট্র- ১,৯৯০ (মিলিয়ন ডলার)- ৪.৫১%। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

তথ্যসূত্র:- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪।
৮৬.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
  3. গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ
  4. ছাতক, সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ):
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মোট ১১১০ একর জমিতে নির্মাণ হচ্ছে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- জাপানের সুমিতমো করপোরেশন ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
৮৭.
’বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ’ কোন মন্ত্রণালয়ের আয়ত্বধীন?
  1.  বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।

⇒ বাংলাদেশের স্থল সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪,২৪৬ কি.মি.।
- বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- শুল্ক আইন, ১৯৬৯ এর আওতায় ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশনের অধীনে স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের অক্টোবর: ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন বিলুপ্ত, এরপর বেনাপোল শুল্ক স্টেশনের দায়িত্ব বাংলাদেশ পাট কর্পোরেশন এর ওপর ন্যস্ত।
- ১৯৮৪ সালে বেনাপোল শুল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনা মংলাবন্দর কর্তৃপক্ষ এর অধীনে স্থানান্তরিত হয়।
- প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি উন্নত করার জন্য বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (২০০১ সালের আইন নং-২০) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কর্তৃপক্ষ ২০০২ সালে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।
- সরকারের ঘোষণায় বর্তমানে ২৪টি শুল্ক স্টেশন স্থলবন্দর হিসেবে কার্যক্রম করছে।

উল্লেখ্য,
⇒ নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দপ্তর/সংস্থা:
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন,
- চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন,
- সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর,
- মেরিন একাডেমী,
- ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট,
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন,
- পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- গভীর সমুদ্র বন্দর সেল।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৮৮.
বাংলাদেশে কয়টি রাবার জোন রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩টি 
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৮৯.
একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৯০.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বেনাপোল, যশোর
  2. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  3. ভালুকা, ময়মনসিংহ
  4. করমজল, খুলনা
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিডিনিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৯১.
দেশের জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান-
  1. ক) ক্রমহ্রাসমান
  2. খ) অপরিবর্তিত
  3. গ) নিম্নমুখী
  4. ঘ) ক্রমবর্ধমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান:
- ২০১৭-১৮ অর্থবছর : ৩৩.৩৬ শতাংশ
- ২০১৮-১৯ অর্থবছর : ৩৫.০০ শতাংশ
- ২০১৯-২০ অর্থবছর : ৩৫.৩৬ শতাংশ।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাত ও সেবাখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৯২.
পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২৫
  2. ২৯
  3. ৩০
  4. ৩২
ব্যাখ্যা

• গ্যাসক্ষেত্র:
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
 - এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র: ভোলা জেলার ইলিশা-১ কে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- উত্তোলন শুরু হয়নি ৪টি। সেগুলো হলো: ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাস শেষ ৫টি। খনিগুলো হলো: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সিলেটের ছাতক, গাজীপুরের কামতা, ফেনী ও সাংগু (চট্টগ্রাম)।

উল্লেখ্য,
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে।
- সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা।
- বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
- এরপর আর কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
- সর্বশেষ ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। যদিও সেখানে মজুত মাত্র ৫২ বিসিএফ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

৯৩.
কাফকো সার কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যৌথ প্রকল্প।
এটি চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলার রাঙাদিয়ায় অবস্থিত যা ১৯৯৪ সালে উৎপাদন শুরু করে।
বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি সেক্টর, জাপান, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডের যৌথ সহায়তায় এটি স্থাপিত হয়।
এটি একটি রপ্তানিমুখী সার কারখানা যেখানে অ্যামোনিয়া সার ও দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
(সূত্র: কাফকো ওয়েবসাইট)
৯৪.
বাংলাদেশের সরকারি EPZ মোট কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সরকারি EPZ মোট ৮টি।
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
- এছাড়া মংলা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, কর্ণফুলী ও আদমজী আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।

সূত্র: Banglapedia. 
৯৫.
স্বর্ণা সার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ড. সৈয়দ আবদুল খালেক
  2. খ) ড. সৈয়দ আবদুল মালেক
  3. গ) ড. মাকসুদুল আলম
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার। ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আবদুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
• মাকসুদুল আলম (১৪ ডিসেম্বর ১৯৫৪ - ২০ ডিসেম্বর ২০১৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশি জিনতত্ত্ববিদ।
•  তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা ।

সূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
৯৬.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস কোনটি?
  1. তানিয়া গার্মেন্টস
  2. নাহার গার্মেন্টস
  3. রিয়াজ গার্মেন্টস
  4. সুভা গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।

- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।

৯৭.
ক্লিংকার কোনটির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) প্লাস্টিক উৎপাদন
  2. খ) সার উৎপাদন
  3. গ) সিমেন্ট উৎপাদন
  4. ঘ) কাঁচ তৈরি
ব্যাখ্যা
ক্লিংকার সিমেন্ট তৈরির প্রধান সেকেন্ডারি কাঁচামাল। এটি এক প্রকার ছোট দানাদার জাতীয় বস্তু যা চুনাপাথর ও মাটিকে অত্যধিক তাপ দিয়ে তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ক্লিংকারের সাথে জিপসাম মিশিয়ে সিমেন্ট তৈরি করা হয়।

বাংলাদেশে লাফার্জ সুরমা কারখানা নিজেরা ক্লিংকার তৈরি করে। অন্যসব সিমেন্ট কারখানা বিদেশ থেকে ক্লিংকার আমদানি করে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ ব্যাংক)
৯৮.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- অবস্থান - খুলনার রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে।
- ইস্ট পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (ইপিআইডিসি) এর তত্ত্বাবধানে ১৯৫৪ সালে কেএসওয়াই-এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের লক্ষ্যে ২৭ নভেম্বর ১৯৫৭ সালে চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র: KSY ওয়েবসাইট।
৯৯.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য থেকে অর্জিত?
  1. ৮৫.৪৫%
  2. ৮১.১৯%
  3. ৮৪.৫৮%
  4. ৮১.২৫%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

অন্যদিকে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮% (নীটওয়্যার- ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক - ৩৮.৫৭%)।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৮,৫৬১.৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৮.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.১৯%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০০.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪.২৮ কিলোমিটার
  2. ৪.৬ কিলোমিটার
  3. ৪.৮ কিলোমিটার
  4. ৫.২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা রেলসেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। 
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর সড়কসেতু চালু হয়। তারপর চালু হয় রেলসেতু।
- তবে ২০০৬ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। তখন থেকে সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করত।
- এ সমস্যার সমাধানে নতুন রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।