বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক যুগের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লেখক

মোট প্রশ্ন৭,৬৪৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক যুগের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লেখক

PrepBank · পাতা ১১ / ৭৭ · ১,০০১১,১০০ / ৭,৬৪৬

১,০০১.
'ঘর মন জানালা' উপন্যাসটির রচয়িতা-
  1. দিলারা হাসেম
  2. সেলিনা হোসেন
  3. রাবেয়া খাতুন
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
দিলারা হাসেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিলারা হাসেম
ব্যাখ্যা
• 'ঘর মন জানালা' উপন্যাসটির রচয়িতা- 'দিলারা হাসেম'
• তাঁর প্রথম উপন্যাস 'ঘর মন জানালা' ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।

• দিলারা হাসেম:
- দিলারা হাসেম একজন প্রসিদ্ধ বাংলাদেশী লেখক এবং বিখ্যাত ঔপন্যাসিক।
- ১৯৩৬ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ঘর মন জানালা,
- একদা এবং অনন্ত,
- স্তব্ধতার কানে কানে,
- আমলকির মৌ,
- বাদামী বিকেলের গল্প,
- কাকতালীয়,
- মুরাল,
- শঙ্খ করাত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০০২.
"সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস:
বাতাসের ওপারে বাতাস–
আকাশের ওপারে আকাশ।" পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সমর সেন
  2. খ) জীবনানন্দ দাশ
  3. গ) মহাদেব সাহা
  4. ঘ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
আলোচ্য পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশ রচিত 'আকাশলীনা' কবিতাটির অংশ।
- কবিতাটি 'সাতটি তারার তিমির' (১৯৪৮) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

কবিতাটি নিম্নরূপ- 

সুরঞ্জনা, অইখানে যেয়ো নাকে তুমি,
বোলো নাকো কথা অই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনা:
নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে;

ফিরে এসো এই মাঠে ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূরে–আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়ো নাকে আর।

কী কথা তাহার সাথে?–তার সাথে!
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মতো তুমি আজ:
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে।

সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস:
বাতাসের ওপারে বাতাস–
আকাশের ওপারে আকাশ।
-------------
জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ -
- ঝরাপালক (১৯২৮)
- ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬)
- বনলতা সেন (১৯৪২)
- সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)
- রূপসী বাংলা (১৯৫৭)

উৎস: আকাশলীনা, জীবনানন্দ দাশ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০০৩.
''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।'' কোন প্রেক্ষাপটে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ উক্তিটি করেছেন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. দেশভাগ
  3. বঙ্গভঙ্গ
  4. বঙ্গভঙ্গ রদ
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন।  তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।

• ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন।
• ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক  হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।
• তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।
• ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

 তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- দীওয়ান-ই-হাফিজ,
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম,
- Essays on Islam,
- আমাদের সমস্যা,
- পদ্মাবতী,
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
- বিদ্যাপতি শতক,
- বাংলা আদব কী তারিখ,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- কুরআন শরীফ,
- অমরকাব্য,
- সেকালের রূপকথা ইত্যাদি।

⇒ তাঁর সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান এক বিশেষ কীর্তি। মুহম্মদ আবদুল হাই -এর সঙ্গে তাঁর যুগ্ম-সম্পাদনায় রচিত Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১) একখানা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০০৪.
হাসান আজিজুল হক রচিত ‘নামহীন গোত্রহীন’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. প্রবন্ধগ্রন্থ
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. গল্পগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• ‘নামহীন গোত্রহীন’ গল্পগ্রন্থ:
- হাসান আজিজুল হক রচিত ‘নামহীন গোত্রহীন’ গল্পগ্রন্থটির প্রথম প্রকাশ ঘটে ১৯৭৫ সালে।
- সাতটি গল্পে সমন্বিত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত গ্রন্থটির গল্পগুলিতে মানুষের বিপর্যয়ের চরম দুর্দশার চিত্রটি অঙ্কন করা হয়েছে, দেখানো হয়েছে পশ্চিম পাকিস্থানী সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত আচরণকে।

------------------------
• হাসান আজিজুল হক:
- হাসান আজিজুল হক মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি, যবগ্রাম, বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৬০ সাল থেকে লেখক হিসেবে নিজেকে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সক্রিয় সাহিত্যচর্চার আরম্ভ।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনশাস্ত্র বিভাগে অধ্যাপনা শেষে তিনি অবসর নিয়েছেন।
- তিনি আদমজি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল পুরস্কার, অগ্রণী পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর গল্প ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, রুশ ও চেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- সমুদ্রের স্বপ্ন,
- শীতের অরণ্য,
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- জীবন ঘষে আগুন,
- নামহীন গোত্রহীন,
- পাতালে হাসপাতালে,
- আমরা অপেক্ষা করছি,
- রোদে যাবো,
- মা-মেয়ের সংসার,
- নির্বাচিত গল্প,
- রাঢ়বঙ্গের গল্প।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বৃত্তায়ন,
- শিউলি,
- আগুনপাখি,
- সাবিত্রী উপাখ্যান।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কথাসাহিত্যের কথকতা,
- অপ্রকাশের ভার,
- অতলের আঁধি,
- ছড়ানো ছিটানো,
- কথা লেখা কথা।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ:
- একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা।

• তাঁর রচিত সম্পাদনা:
- অসীমান্তিক।
১,০০৫.
'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম কী?
  1. ক) আশরাফ আলী
  2. খ) সুবির নন্দী
  3. গ) আলতাফ আলী
  4. ঘ) সুরজিত নন্দী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুরজিত নন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুরজিত নন্দী
ব্যাখ্যা
- 'নেমেসিস' নাটকটির রচয়িতা - নুরুল মোমেন।
- এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক নেমেসিস।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পঞ্চাশের মন্বন্তরের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
- এ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী।
- এ নাটকে নুরুল মোমেন দেখিয়েছেন যে, অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে সুরজিত নন্দী সাধারণ মানুষের জীবনে যে দুঃখ-দুর্দশার বয়ে এনেছে তার প্রতিশোধ হিসেবে দেবী নেমেসিস (প্রতিহিংসার দেবী) তাঁর জীবন কেড়ে নিয়েছে।

নুরুল মোমেনের অন্যান্য নাটক হলো :
- রূপান্তর
- যদি এমন হতো
- নয়া খান্দান
- আলোছায়া
- শতকরা আশি
- আইনের অন্তরালে
- যেমন ইচ্ছা তেমন

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,০০৬.
অমিয় চক্রবর্তীর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ-
  1. ক) হারানো অর্কিড
  2. খ) কবিতাবলী
  3. গ) অভিজ্ঞান বসন্ত
  4. ঘ) পারাপার
সঠিক উত্তর:
খ) কবিতাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কবিতাবলী
ব্যাখ্যা

• অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
- কবিতাবলী (প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ),
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- পারাপার,
- পালাবদল,
- ঘরে ফেরার দিন,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী,
- অনিঃশেষ,
- নতুন কবিতা ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলাপিডিয়া।

১,০০৭.
‘সারদামঙ্গল’ কাব্যের পরিশিষ্ট বলা হয় কোন কাব্যগ্রন্থকে?
  1. সাধের আসন
  2. নিসর্গ সন্দর্শন
  3. সঙ্গীত শতক
  4. বঙ্গসুন্দরী
সঠিক উত্তর:
সাধের আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধের আসন
ব্যাখ্যা
'সাধের আসন' কাব্যগ্রন্থ:
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর শেষ কাব্যগ্রন্থ ‘সাধের আসন’ (১৮৮৯)।
- ‘সাধের আসন’কে ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যের পরিশিষ্ট বলা যায়।
- কোনো এক সম্ভ্রান্ত বিবাহিত নারী কবির ‘সারদামঙ্গল’ কাব্য পাঠ করে নিজ হাতে একটি আসন বুনে কবিকে প্রশ্ন করেছিলেন , “তুমি কাকে ধ্যান কর?”। এর উত্তর স্বরূপ বিহারীলাল ‘সাধের আসন’ লিখেছিলেন।
- কবি শুরুই করেছেন এভাবে: ‘ধেয়াই কাহারে দেবী নিজে আমি জানিনে/ কবিগুরু বাল্মীকির ধ্যান-ধনে চিনিনে।

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল,
- প্রেম প্রবাহিণী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
১,০০৮.
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) অভিযান
  2. খ) ছাড়পত্র
  3. গ) হরতাল
  4. ঘ) পূর্বাভাস
সঠিক উত্তর:
খ) ছাড়পত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছাড়পত্র
ব্যাখ্যা
সুকান্ত ভট্টাচার্য,মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়।
পিতা নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য কলকাতায় পুস্তক ব্যবসা করতেন।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য:
- ছাড়পত্র (১৯৪৭),
- পূর্বাভাস (১৯৫০),
- মিঠেকড়া (১৯৫১),
- অভিযান (১৯৫৩),
- ঘুম নেই (১৯৫৪),
- হরতাল (১৯৬২),
- গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি।

[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।]
১,০০৯.
সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্য কোনটি?
  1. পঞ্চতন্ত্র
  2. হরতাল
  3. পূর্বাশা
  4. বন্দী শিবির থেকে
সঠিক উত্তর:
হরতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরতাল
ব্যাখ্যা
• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্য - 'হরতাল'। 

• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়। 
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাহিত্য-সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু।
- তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে।
- ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি' - সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত উক্তি।
- তিনি ২৯শে বৈশাখ, ১৩৫৪; ১৩ই মে, ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- মিঠে কড়া,
- অভিযান,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ।
-----------------------
অন্যদিকে,
'পঞ্চতন্ত্র' সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত রম্যরচনা।
'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
'বন্দি শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা: 'শামসুর রাহমান'।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,০১০.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন নিয়ে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কবিতা কোনটি?
  1. কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
  2. স্মৃতিস্তম্ভ
  3. মাগো ওরা বলে
  4. সাত নরীর হার
সঠিক উত্তর:
মাগো ওরা বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাগো ওরা বলে
ব্যাখ্যা
• বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন নিয়ে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত বিখ্যাত কবিতাটি হলো  'মাগো ওরা বলে'।

• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কবি, সরকারি কর্মকর্তা।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ২০০১ সালের ১৯ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো :
- সাত নরীর হার,
- কখনো রং কখনো সুর,
- কমলের চোখ,
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি,
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,
- প্রেমের কবিতা,
- নির্বাচিত কবিতা,
- আমার সকল কথা,
- মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটির রচিয়তা মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী।
- 'স্মৃতিস্তম্ভ' আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
১,০১১.
ইবলিশ ও গিনিপিগ নাটকের নাট্যকার কে?
  1. নুরুল মোমেন
  2. মামুনুর রশীদ
  3. বিজন ভট্টাচার্য
  4. আব্দুল্লাহ আল মুতী
সঠিক উত্তর:
মামুনুর রশীদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যা
• মামুনুর রশীদ:
- মামুনুর রশীদ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। তিনি মূলত নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারিতে মামুনুর রশীদ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার পান।

তাঁর রচিত নাটকগুলো হলো:
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস,
- ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগ,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০১২.
নিচের কোনটি ফররুখ আহমদ রচিত কাহিনিকাব্য?
  1. হাতেমতায়ী
  2. সাত সাগরের মাঝি
  3. পাখির বাসা
  4. নৌফেল ও হাতেম
সঠিক উত্তর:
হাতেমতায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতেমতায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন। 
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তাঁর কাব্যের মৌলিক প্রবণতা মুসলিম সংস্কৃতির গৌরবকীর্তন ও জাতীয় চেতনার পুনর্জাগরণ। পাকিস্তানবাদ, ইসলামিক আদর্শ ও আরব-ইরানের ঐতিহ্য তাঁর কবিতায় উজ্জ্বলভাবে ফুটে উঠেছে।
- ‘হাতেমতায়‘ ফররুখ আহমদ রচিত একটি কাহিনিকাব্য।
- নৌফেল ও হাতেম ফররুখ আহমদ রচিত একটি কাব্যনাট্য। 
- সাত সাগরের মাঝি ফররুখ আহমদ এর প্রথম প্রকাশিত কাব্য। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি 
- সিরাজাম মুনিরা
- নৌফেল ও হাতেম 
- মুহূর্তের কবিতা
- হাতেমতায়ী 
- হাবেদা মরুর কাহিনী  ইত্যাদি।

• তাঁর শিশুতোষ রচনা:
- পাখির বাসা 
- হরফের ছড়া 
- ছড়ার আসর  ইত্যাদি। 

• ফররুখ আহমদ ‘পাখির বাসা’ শিশুতোষ গ্রন্থের জন্য ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০১৩.
কোনটি আবুল হাসান রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. প্রেম ও ফুল
  2. রাজা যায় রাজা আসে
  3. চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া
  4. উদাত্ত পৃথিবী
সঠিক উত্তর:
রাজা যায় রাজা আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা যায় রাজা আসে
ব্যাখ্যা

'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থ:
- 'রাজা যায় রাজা আসে' আবুল হাসান রচিত কাব্যগ্রন্থ। প্রথম প্রকাশ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- উৎসর্গ পত্রে লেখক লিখেন- উৎসর্গ আমার মা, আমার মাতৃভূমির মতোই অসহায়।
- কাব্যগ্রন্থটিতে রয়েছে সমকালীন রাজনৈতিক চেতনা, মানবিক যন্ত্রণা ও আত্মবীক্ষণের দারুণ প্রকাশ।

এই কাব্যগ্রন্থের কয়েকটি উল্লেখ্যযোগ্য কবিতা:
- বনভূমির ছায়া;
- প্রত্যাবর্তনের সময়;
- স্বীকৃতি চাই;
- পাখি হয়ে যায় প্রাণ।

অন্যদিকে,
রফিক আজাদর রচিত কাব্যগ্রন্থ - চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া।
গােবিন্দচন্দ্র দাস রচিত কাব্যগ্রন্থ - প্রেম ও ফুল।
সুফিয়া কামাল রচিত কাব্যগ্রন্থ - উদাত্ত পৃথিবী।

আবুল হাসান:
- আবুল হাসান ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ার বর্ণি গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- আবুল হাসানের প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া। তাঁর সাহিত্যিক নাম আবুল হাসান। তিনি পেশায় সাংবাদিক ছিলেন।
- ১৯৭৫ সালের ২৬ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,০১৪.
নিচের কোনটি শামসুদ্দীন আবুল কালামের উপন্যাস?
  1. ক) পথ জানা নেই
  2. খ) পুঁই ডালিমের কাব্য
  3. গ) দুই হৃদয়ের তীর
  4. ঘ) আলমনগরের উপকথা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলমনগরের উপকথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলমনগরের উপকথা
ব্যাখ্যা
পুঁই ডালিমের কাব্য, অনেক দিনের আশা, ঢেউ, পথ জানা নেই, দুই হৃদয়ের তীর, শাহের বানু ইত্যাদি শামসুদ্দীন আবুল কালামের গল্পগ্রন্থ। কাঞ্চনমালা, সমুদ্রবাসর, কাশবনের কন্যা, জায়জঙ্গল, দুই মহল, আলমনগরের উপকথা ইত্যাদি তাঁর রচিত উপন্যাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০১৫.
কোনটি নির্মলেন্দু গুণ রচিত উপন্যাস?
  1. শিয়রে বাংলাদেশ
  2. প্রেমাংশুর রক্ত চাই
  3. কালোমেঘের ভেলা
  4. ইসক্রা
সঠিক উত্তর:
কালোমেঘের ভেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালোমেঘের ভেলা
ব্যাখ্যা

• নির্মলেন্দু গুণ রচিত উপন্যাস - কালোমেঘের ভেলা

নির্মলেন্দু গুণ: 
- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নির্মলেন্দু গুণ এর সম্পূর্ণ নাম ‘নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী’।
- বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয় নির্মলেন্দু গুণ কে। 
- তাঁকে  ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এছাড়া ১৯৮২ সালেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়। 

নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবী,
- দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
- ও বন্ধু আমার,
- চাষাভূষার কাব্য,
- পৃথিবীজোড়া গান,
- দূর হ দুঃশাসন,
- ইসক্রা,
- নেই কেন সেই পাখি,
- মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা,
- শিয়রে বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- ভলগার তীরে, 
- গীনসাবার্গের সঙ্গে,
- আমেরিকায় জুয়ালেখার স্মৃতি,
- ভ্রমি দেশে দেশে।

তাঁর রচিত কিশোর উপন্যাস:
- কালো মেলা,
- বাবা যখন ছোট্ট ছিলেন।

উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,০১৬.
'বেণের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) শামসুল হক
  2. খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  3. গ) ওয়ালীউল্লাহ
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
'বেণের মেয়ে' ও 'কাঞ্চনমালা' উপন্যাসের রচয়িতা- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা, প্রাচীন বাংলার গৌরব, মেঘদূত ব্যাখ্যা, ভারত মহিলা, বাঙ্গালা ব্যাকরণ ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
১,০১৭.
'আগমনী' মৌলিক নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  2. গিরিশচন্দ্র সেন
  3. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
গিরিশচন্দ্র ঘোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিরিশচন্দ্র ঘোষ
ব্যাখ্যা
• গিরিশচন্দ্র ঘোষ:
- ১৮৪৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বাগবাজারে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, মঞ্চাভিনেতা।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের প্রভাবে তিনি প্রথমে গান ও কবিতা লিখতে শুরু করেন এবং পরে নাট্যমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হলে নাটকও লিখতে থাকেন।
- ১৮৬৭ সালে বাগবাজার সখের যাত্রাদল-প্রযোজিত মধুসূদনের শর্মিষ্ঠা নাটকের গীতিকার হিসেবে গিরিশচন্দ্র নাট্যজগতে প্রবেশ করেন।
- দীনবন্ধু মিত্রের সধবার একাদশী নাটকে তিনি নিমচাঁদ চরিত্রে অভিনয় করেন।
- প্রেমভক্তি, স্বদেশপ্রেম ও সমকালীন সামাজিক সমস্যা গিরিশচন্দ্রের নাটকের বিষয়বস্ত্ত।
-  মধুসূদনের চৌদ্দ মাত্রার অমিত্রাক্ষর ছন্দকে ভেঙ্গে তিনি অভিনয়ের উপযোগী ছোট ছোট ছত্রে বিন্যস্ত করেন।
- তাঁর নামানুসারে এ ছন্দের নাম হয় ‘গৈরিশ ছন্দ’। 
- তাঁর রচিত প্রথম মৌলিক নাটক 'আগমনী' (১৮৭৭)।
- পৌরাণিক, ঐতিহাসিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে রচিত তাঁর নাটকের সংখ্যা মোট ৮০।

- সেগুলির মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো:
- অভিমন্যুবধ,  
- সীতার বনবাস,  
- সীতাহরণ,  
- পান্ডবের অজ্ঞাতবাস,  
- প্রফুল্ল,  
- আবু হোসেন,  
- সিরাজদ্দৌলা,  
- মীরকাশিম,  
- শঙ্করাচার্য,  
- বিল্বমঙ্গল ঠাকুর ইত্যাদি।

- প্রেমভক্তি, স্বদেশপ্রেম ও সমকালীন সামাজিক সমস্যা গিরিশচন্দ্রের নাটকের বিষয়বস্তু।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০১৮.
'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতাটির লেখক কে?
  1. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. আহসান হাবীব
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা
'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতা:
- 'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতাটি আহসান হাবীব রচনা করেন।
- কবিতাটি 'দু'হাতে দুই আদিম পাথর' (১৯৮০) কাব্যগ্রন্থের শেষ কবিতা।
- কবিতাতে শহুরে মানুষের গ্রামে ফেরার কথা আছে। গ্রামীণ অনুষঙ্গসমূহ এই শহুরে মানুষকে সন্দেহ না করলেও সেই মানুষ সাক্ষী মানছে গ্রামীণ নানা কিছু।
- 'আমি কোন অভ্যাগত নই' একথা বোঝাতে শহুরে মানুষ তাই বলছে: 'আসমানের তারা সাক্ষী, সাক্ষী এই জমিনের ফুল .....' ইত্যাদি।

আহসান হাবীব:
- তিনি ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলার শঙ্করপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি ও সাংবাদিক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'রাত্রিশেষ' (১৯৪৭)।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- ছায়া হরিণ,
- সারা দুপুর,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০১৯.
'তিন পুরুষ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) সমর সেন
  2. খ) শামসুর রাহমান
  3. গ) সোমেন চন্দ
  4. ঘ) শহীদ কাদরী
সঠিক উত্তর:
ক) সমর সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমর সেন
ব্যাখ্যা
সমর সেন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের নাগরিক কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর পাঁচটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এগুলো হচ্ছে কয়েকটি কবিতা, গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা, নানাকথা, খোলাচিঠি, তিন পুরুষ এবং সমর সেনের কবিতা। তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ (আত্মজীবনী)- বাবু বৃত্তান্ত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০২০.
'বাংলাদেশ' নামক কবিতাটি কে লিখেছেন?
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• 'বাংলাদেশ' কবিতা:
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বাংলাদেশ কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বিখ্যাত কবিতা ‘বাংলাদেশ’ অনিঃশেষ (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা।
- কবিতাটি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।

অমিয় চক্রবর্তী:
- পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
 
তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০২১.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) সংশপ্তক
  2. খ) চিলেকোঠার সেপাই
  3. গ) আরেক ফাল্গুন
  4. ঘ) জাহান্নাম হইতে বিদায়
সঠিক উত্তর:
খ) চিলেকোঠার সেপাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা
'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি 'উনসত্তরের গগণঅভ্যুত্থান' প্রেক্ষাপটে রচিত। 

'চিলেকোঠার সেপাই' 
• ‘চিলেকোঠার সেপাই’ বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর লেখা।
• এটি তার একটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস।
• ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই।
• উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র ওসমান।
• কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান।
• এখানে ইতিবাচক রাজনীতির উপস্থাপনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অব্যবহিত পূর্বরূপটি ওঠে এসেছে। 

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
- ১৯৪৩ সালে গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহন করেন। 
- তিনি চিলেকোঠার সেপাই, খােয়াবনামা নামে দুটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস রচনা করেছেন। 

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই 
- খােয়াবনামা 

তাঁর রচিত ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর 
- খোয়ারি 
- দুধভাতে উৎপাত
- দোজখের ওম 

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর, এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০২২.
'পথে প্রবাসে' ভ্রমণ কাহিনীর রচয়িতা কে?
  1. ক) সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
  2. খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. গ) অমিয় চক্রবর্তী
  4. ঘ) এস ওয়াজেদ আলী
সঠিক উত্তর:
খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা
পথে প্রবাসে' ভ্রমণ কাহিনীর রচয়িতা অন্নদাশঙ্কর রায়‌। অসমাপিকা, আগুন নিয়ে খেলা, পুতুল নিয়ে খেলা, সত্যাসত্য এগুলো তার উপন্যাস। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০২৩.
বিজ্ঞান বিষয়ক রচনা 'এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে' এর রচয়িতা-
  1. ড. আবদুল্লাহ্‌ আল- মুতী
  2. মুহম্মদ এনামুল হক
  3. ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  4. ড. মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা
সঠিক উত্তর:
ড. আবদুল্লাহ্‌ আল- মুতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আবদুল্লাহ্‌ আল- মুতী
ব্যাখ্যা
• 'আবদুল্লাহ আল-মুতী' প্রকাশিত প্রথম বইয়ের নাম- ‘এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে'। 

• 'আবদুল্লাহ আল-মুতী':  

- আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন একজন জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক।
- আবদুল্লাহ আল-মুতী ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আল-মুতী শরফুদ্দিন বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বিজ্ঞান বিশ্বকোষ-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন।
- ‘মুকুল’ নামে ছোটদের ম্যাগাজিনের সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ।

• ‘এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে' গ্রন্থ: 
- আবদুল্লাহ আল-মুতী প্রকাশিত প্রথম বইয়ের নাম ‘এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে'।
- প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে। 

• তার রচিত উল্লেখযোগ্য বইগুলো মধ্যে রয়েছে: 
- আবিষ্কারের নেশায়,
- বিজ্ঞান ও মানুষ,
- সাগরের রহস্যপুরী,
- তারার দেশের হাতছানি, 
- বিজ্ঞানে বিস্ময়,
- এ যুগের বিজ্ঞান,
- মহাকাশে কী ঘটছে। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০২৪.
নিচের কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়?
  1. দেবদাস
  2. বিজয়া
  3. গৃহদাহ
  4. দত্তা
সঠিক উত্তর:
বিজয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়া
ব্যাখ্যা
• 'বিজয়া' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নাটক। 

⇒ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত নাটক: 
- ষোড়শী,
- রমা, 
- বিজয়া ইত্যাদি। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস গুলো হলো:
- বড়দিদি,
- পরিণীতা,
- বৈকুণ্ঠের উইল, 
- পল্লীসমাজ, 
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন, 
- নিষ্কৃতি,
- শ্রীকান্ত, 
- দত্তা, 
- গৃহদাহ, 
- দেনা-পাওনা,  
- পথের দাবী, 
- শেষ প্রশ্ন ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০২৫.
বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক কোনটি?
  1. এখনও ক্রীতদাস
  2. সুবচন নির্বাসনে
  3. নবান্ন
  4. কোকিলারা
সঠিক উত্তর:
নবান্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবান্ন
ব্যাখ্যা
'নবান্ন' নাটক:
- এটি বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক।
- ‘নবান্ন' (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তাই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্য আন্দোলনের ইতিহাসে যুগান্তকারী বলা চলে।
- অনেকে দীনবন্ধুর 'নীল-দর্পণে'র সঙ্গে এর তুলনা করেছেন। এ নাটকটি ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ ১৯৪৪ সালে প্রথম অভিনয় করেন।

অন্যদিকে,
আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত নাটক - কোকিলারা, সুবচন নির্বাসনে, এখনও ক্রীতদাস। 

বিজন ভট্টাচার্য:
-তিনি ছিলেন নাট্যকার, অভিনেতা।
- ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ক্ষীরোদবিহারী ভট্টাচার্য ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক।
- বিজন ভট্টাচার্য অসহযোগ আন্দোলনে (১৯২০-২২) যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- নবান্ন,
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১,০২৬.
'Men and Rivers' নামে নিচের কোন উপন্যাসের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে?
  1. পদ্মানদীর মাঝি
  2. তিতাস একটি নদীর নাম
  3. নদী ও নারী
  4. কাঁদো নদী কাঁদো
সঠিক উত্তর:
নদী ও নারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ও নারী
ব্যাখ্যা

• 'নদী ও নারী' উপন্যাস:
- 'নদী ও নারী' উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ুন কবির। ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে চরের মানুষের জীবনালেখ্য।
- নজু মিয়া আর আসগর মিয়া দুই বন্ধু। তাদের জীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে 'নদী ও নারী উপন্যাসের কাহিনি।
- এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
- ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।

অন্যদিকে, 
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পদ্মানদীর মাঝি' একটি উপন্যাস। পদ্মা তীরবর্তী ধীবর- জীবন এর মূল কাহিনি ।পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো- কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিঞা ইত্যাদি।

• 'কাঁদো নদী কাঁদো” ১৯৬৮ সালে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত চেতনাপ্রবাহরীতির একটি উপন্যাস। এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে: মুস্তফা, বদর শেখ, খেদমতুল্লা, কালু মিয়া ইত্যাদি। এইসকল চরিত্রের মাধ্যমে লেখক তুলে ধরেছেন গ্রামীণ ও
কুমুরডাঙার শাহরিক পরিবেশ এর বর্ণনা।

• 'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনো মানুষ নয় একটি নদী, নাম 'তিতাস'। উপন্যাসে কিশোর, সুবল, অনন্ত, তিলক, বাসন্তী ও মনমালী চরিত্রের মাধ্যমে লেখক কাহিনী রূপ দিয়েছেন।

----------------
• হুমায়ুন কবির রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নসাধ,
- সাথী,
- অষ্টাদশী।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নদী ও নারী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০২৭.
"লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালা/ স্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো?" পঙক্তিদ্বয়ের রচয়িতা কে?
  1. ক) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. খ) অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  3. গ) অমিয় চক্রবর্তী
  4. ঘ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
"লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালা
স্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো?" পঙক্তিদ্বয় আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'হাড়' কবিতার অংশ।  
- 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ,
- মানচিত্র ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র 
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন
- কর্ণফুলী 
- ক্ষুধা ও আশা
- খসড়া কাগজ
- স্বপ্নশিলা 
- বিশৃঙ্খলা

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০২৮.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কোন কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন?
  1. ক) ক্রন্দসী
  2. খ) উত্তরফাল্গুনী
  3. গ) স্বগত
  4. ঘ) তন্বী
সঠিক উত্তর:
ঘ) তন্বী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তন্বী
ব্যাখ্যা
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তাঁর রচিত ‘তম্বী’ (১৯৩০) কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছেন।
• ‘তম্বী’ উৎসর্গপত্রে লিখেছেন: ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রীচরণে অর্ঘ্য। ঋণশোধের জন্য নয়, ঋণস্বীকারের জন্য।’

⇒ সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০) ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
• ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল।
• সুধীন্দ্রনাথ কর্মজীবনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও করেছেন। আধুনিক মনন ও বৈশ্বিক চেতনার কারণে তিনি বাংলা কাব্যে স্বতন্ত্র স্থান লাভ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
⇒ কাব্য:  
• তন্বী,
• অর্কেস্ট্রা,
• ক্রন্দসী,
• উত্তরফাল্গুনী,
• সংবর্ত,
• দশমী।

⇒ গদ্যগ্রন্থ:
• স্বগত ,
• কুলায় ও কালপুরুষ।
এছাড়া প্রতিধ্বনি (১৯৫৪) নামে তাঁর একটি অনুবাদগ্রন্থও আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা সৌমিত্র শেখর।
১,০২৯.
'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' আহমদ ছফা রচিত কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা
'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাস:
• আহমদ ছফার দুই খণ্ডে সমাপ্ত আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী'।
• আহমদ ছফা 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাসের প্রথম খণ্ডটিতে প্রেমজ অঙ্গীকার নিয়েই প্রেমের কথা বলেছেন।
• লেখক একেকটি নারী চরিত্রকে এমন জীবন্তভাবে উপস্থাপন করেছেন, নারীদের মনো-জগতের এমন উন্মোচন ঘটিয়েছেন; গ্রন্থটি পাঠ করলে মনে হবে জীবনের করুণতম অভিজ্ঞতার উৎস থেকেই জন্মলাভ করেছে এই সমস্ত চরিত্র।

--------------
আহমদ ছফার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• আহমদ ছফার উপন্যাস:
- সূর্য তুমি সাথী,
- উদ্ধার,
- একজন আলী কেনানের উত্থান পতন,
- অলাতচক্র,
- ওঙ্কার,
- গাভীবৃত্তান্ত,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- পুষ্পবৃক্ষ ও বিহঙ্গপুরাণ।

• গল্পগ্রন্থ: নিহত নক্ষত্র।

• আহমদ ছফার কাব্যগ্রন্থ:
- জল্লাদ সময়,
- একটি প্রবীণ বটের কাছে প্রার্থনা,
- লেনিন ঘুমোবে এবার ইত্যাদি একাধিক কাব্যগ্রন্থের প্রণেতা তিনি।

উৎস: 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৩০.
নিচের কোনটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ভ্রমণ কাহিনি?
  1. ক) রাশিয়ার চিঠি
  2. খ) দেশে-বিদেশে
  3. গ) পথে প্রবাসে
  4. ঘ) পশ্চিমের যাত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) দেশে-বিদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দেশে-বিদেশে
ব্যাখ্যা
•  সৈয়দ মুজতবা আলী, (১৯০৪-১৯৭৪)  শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।

• গ্রন্থাকারে তাঁর মোট ত্রিশটি  উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো:

ভ্রমণকাহিনী:
- দেশে-বিদেশে,
- জলে-ডাঙায় ;

• উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম ,
- শহ্র-ইয়ার;

• রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী এবং

ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম ।

• মুজতবা আলীর ডি.ফিল অভিসন্দর্ভ The Origin of Khojahs and Their Religious Life Today (১৯৩৬) বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। তাঁর আরেকটি অনবদ্য গ্রন্থ পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।

• সৈয়দ মুজতবা আলী ‘দেশে-বিদেশে’ গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। গ্রন্থখানি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পাঠকচিত্ত জয় করতে সক্ষম হন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও  অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি। 

অন্যদিকে,
রাশিয়ার চিঠি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ভ্রমণ কাহিনি
পথে প্রবাসে - অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ভ্রমণ কাহিনি। 
'পশ্চিমের যাত্রী'- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ভ্রমণ কাহিনি। 

উৎস:  বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৩১.
আহমদ ছফা রচিত ‘তানিয়া’ কী ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. গল্পগ্রন্থ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. অনুবাদ
  4. শিশুতোষ
সঠিক উত্তর:
অনুবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুবাদ
ব্যাখ্যা

১৯৪৩ সালে, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আহমদ ছফা
তিনি ছিলেন চিন্তাবিধ ও সাহিত্যিক।
'তানিয়া' ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত আহমদ ছফা রচিত অনুবাদ গ্রন্থ।

-জল্লাদ সময়
-দুঃখের দিনের দোহা তাঁর, কাব্য।

-দোলা আমার কনক চাপা,
-গো হাকিম আহমদ ছফার শিশুতোষ গ্রন্থ।

'নিহিত নক্ষত্র' তাঁর গল্পগ্রন্থ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর। 

১,০৩২.
আত্মজা ও একটি করবী গাছ - গল্পের রচয়িতা?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) হাসান আজিজুল হক
  3. গ) হুমায়ূন আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) হাসান আজিজুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাসান আজিজুল হক
ব্যাখ্যা
আত্মজা ও একটি করবী গাছ গল্পটি রচনা করেন হাসান আজিজুল হক। এটি দেশভাগের পর সাম্প্রদায়িকতাকে কেন্দ্র করে রচিত। তার অন্যান্য গল্পের মধ্যে রয়েছে নামহীন গোত্রহীন, রোদে যাবো, পাতালে হাসপাতালে, জীবন ঘষে আগুন ইত্যাদি। (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১,০৩৩.
'পারস্য প্রতিভা' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. মুহম্মদ আবদুল হাই
  2. মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
  3. এস ওয়াজেদ আলী
  4. আবুল মনসুর আহমদ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• 'পারস্য প্রতিভা' গ্রন্থের রচয়িতা - 'মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ'।

• মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ: 
- ১৮৯৮ সালের ২ মার্চ পাবনা জেলার শাহজাদপুরের ঘোড়াশালে তাঁর জন্ম। ১৯৭৪ সালের ২ নভেম্বর ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
- আধুনিক বাঙালি মুসলমান লেখকদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম দার্শনিক ভাবনাসমৃদ্ধ প্রবন্ধ রচনায় আত্মনিয়োগ করেন।
- দর্শনের বিভিন্ন দুরূহ বিষয় সাবলীল বাংলা গদ্যে প্রকাশ করে তিনি প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
- তিনি প্রবন্ধ সাহিত্যে বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬০), নয়া জাতির স্রষ্টা হযরত মুহম্মদ গ্রন্থের জন্য দাউদ পুরস্কার (১৯৬৩) লাভ করেন

তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- পারস্য প্রতিভা (২ খণ্ড ১৯২৪, ১৯৩২),
- মানুষের ধর্ম্ম,
- কারবালা ও ইমামবংশের ইতিবৃত্ত,
- নয়া জাতির স্রষ্টা হযরত মুহম্মদ,
- বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ধারা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৩৪.
কোন কবি ফ্যাসিবাদ সমর্থকদের হাতে ছুরিকাহত হয়ে মারা যান?
  1. ক) সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. খ) সমর সেন
  3. গ) সোমেন চন্দ
  4. ঘ) সতিনাথ ভাদুড়ী
সঠিক উত্তর:
গ) সোমেন চন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোমেন চন্দ
ব্যাখ্যা
- 'সোমেন চন্দ' ফ্যাসিবাদ সমর্থকদের হাতে ছুরিকাহত হয়ে মারা যান।

• সোমেন চন্দ:
- তিনি ছিলেন রাজনৈতিক কর্মী ও সাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণ নাম সোমেন্দ্র কুমার চন্দ।
- ফ্যাসিবাদ সমর্থকদের হাতে ছুরিকাহত হয়ে তিনি নিহত হন।
- তাঁর বিখ্যাত গল্প ‘ইঁদুর’ পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- তিনি রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বিভিন্ন গল্পে গণচেতনা ও অস্তিত্বের সংগ্রামের কথা বলেছেন।

• তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ:
- সংকেত ও অন্যান্য গল্প।
- কলকাতা থেকে বনস্পতি ও অন্যান্য গল্প।
- সোমেন চন্দের গল্পগুচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৩৫.
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি কে?
  1. ক) শাহ মুহাম্মদ সগীর
  2. খ) মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  3. গ) কায়কোবাদ
  4. ঘ) আব্দউল হাকিম
সঠিক উত্তর:
গ) কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ। 
- তার প্রকৃত নাম- কাজেম আল কোরেশী।
- কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- তিনি মুসলমান কবিদের মধ্যে সর্বপ্রথম সনেট এবং মহাকাব্য রচনা করেন।
- 'মহাশ্মশান' কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি একটি মহাকাব্য।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 
- অশ্রুমালা
- কুসুমকানন
- অমিয়ধারা 
- শিবমন্দির 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৩৬.
'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকে জোহরা বেগমের স্বামীর নাম কী?
  1. দনুবাবু
  2. ইব্রাহিম কার্দি
  3. নজিবউদ্দৌলা
  4. কার ফরমার
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম কার্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম কার্দি
ব্যাখ্যা
রক্তাক্ত প্রান্তর:
- এটি মুনীর চৌধুরী রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটক।
- ইতিহাস থেকে তিনি কাহিনি গ্রহণ করেননি, গ্রহণ করেছেন কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থ থেকে।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- এর চরিত্রগুলোর মধ্যে বিখ্যাত চরিত্র গুলো হচ্ছে ইব্রাহীম কার্দি, জোহরা, সুজাউদ্দৌলা, নজীবউদ্দৌলা, আবদালি প্রমুখ।
- নাটকে ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রী জোহরা বেগম। 
- নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।’।  

মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মুনীর চৌধুরীর অন্যান্য নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- দণ্ডকারণ্য,
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
১,০৩৭.
‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।‘- কোন আন্দোলনের স্লোগান?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) গণনাট্য আন্দোলন
  4. ঘ) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- আবুল ফজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ঢাকার  মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে তিনি এর সম্পাদক হন।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক কুসংস্কার ও অন্ধ শাস্ত্রানুগত্য থেকে মানুষকে মুক্ত করা।
- এ উদ্দেশে তাঁরা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- তাঁদের সে আন্দোলনের বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১৯২৬ সালে তাঁরা প্রকাশ করেন সমাজের মুখপত্র শিখা। মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও শিখার সঙ্গে যাঁরা জড়িত ছিলেন তাঁরা ‘শিখাগোষ্ঠী’ নামে পরিচিত ছিলেন।
- এ গোষ্ঠী তখন ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন শুরু করে।
- তাঁদের আন্দোলনের মূলকথা ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।


তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৩৮.
আবদুল মান্নান সৈয়দ রচিত 'মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা' একটি-
  1. উপন্যাস
  2. প্রবন্ধ
  3. অনুবাদ কবিতা
  4. ছোটগল্প
সঠিক উত্তর:
ছোটগল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোটগল্প
ব্যাখ্যা
আবদুল মান্নান সৈয়দ একজন কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
তিনি ১৯৪৩ সালের ৩ আগস্ট পশ্চিম বঙ্গের চবিবশ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন। 

আবদুল মান্নান সৈয়দ রচিত উপন্যাস-
- পরিপ্রেক্ষিতের দাস-দাসী,
- অ-তে অজগর,
- কলকাতা, কলকাতা,
- পোড়ামাটির কাজ,
- হে সংসার হে লতা।

তাঁর রচিত ছোটগল্প-
- সত্যের মতো বদমাশ,
- চলো যাই পরোক্ষে,
- মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা,
- নেকড়ে হায়েনা ইত্যাদি।

প্রবন্ধ-
- বিবেচনা-পুনর্বিবেচনা,
- দশ দিগন্তের দ্রষ্টা,
- নির্বাচিত প্রবন্ধ,
- করতলে মহাদেশ,
- আমার বিশ্বাস।

অনুবাদ কবিতা:
- মাতাল মানচিত্র 
- বিদেশী প্রেমের কবিতা 

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর,বাংলাপিডিয়া।]
১,০৩৯.
‘দেখ মা এবার দুয়ার খুলে/ গলে গলে এল মা/ তোর হিন্দু-মুসলমান দু ছেলে’ গানটি রচনা করেন কে?
  1. ক) লালন শাহ
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) অতুলপ্রসাদ সেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতুলপ্রসাদ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
অতুলপ্রসাদ সেন ছিলেন মূলত কবি, গীতিকার ও গায়ক।
- তিনি বাংলা গানের সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন।
- 'মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা' তাঁর রচিত বিখ্যাত গান। তিনি সুরকার হিসেবে প্রসিদ্ধি অর্জন করেন। 'কয়েকটি গান ও গীতিগুচ্ছ' তাঁর গানের সংকলন।
- অতুলপ্রসাদ প্রেম, ভক্তি, ভাষাপ্রীতি, দেশপ্রেম প্রভৃতি বিষয়ভিত্তিক বহু গান রচনা করেছেন।
- ‘দেখ মা এবার দুয়ার খুলে/ গলে গলে এল মা/ তোর হিন্দু-মুসলমান দু ছেলে' দেশাত্মবোধক গানটি রচনা করেন- অতুলপ্রসাদ সেন ।
- গানটিতে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যের সুর আছে। 

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]
১,০৪০.
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত সর্বশেষ উপন্যাস কোনটি?
  1. একটি কালো মেয়ের কথা
  2. কালিন্দী
  3. জলসাঘর
  4. পঞ্চপুণ্ডলী
সঠিক উত্তর:
একটি কালো মেয়ের কথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি কালো মেয়ের কথা
ব্যাখ্যা
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস- 'একটি কালো মেয়ের কথা'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- জলসাঘর,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য,
- নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৪১.
'তরঙ্গভঙ্গ' নাটকটি কার সৃষ্টিকর্ম? 
  1. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  2. শেখ ওয়াজেদ আলী 
  3. শওকত ওসমান 
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা

'তরঙ্গভঙ্গ' নাটকটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত। 
-------------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ  ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তিনি ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন।
- তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ফেনী হাইস্কুলে।
- তাঁর প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে।
- লেখায় তিনি গ্রামীণ সমাজ, লোকায়ত সংস্কার, ধর্মীয় ভণ্ডামি এবং চারিত্রিক পতন চিত্রায়ন করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশের ‘একুশে পদক’ (মরণোত্তর, ১৯৮৩) লাভ করেন।
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১০ অক্টোবর ১৯৭১, প্যারিসে।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত ছোট গল্প:
- নয়নচারা;
- একটি তুলসি গাছের কাহিনী।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা;
- কাঁদো নদী কাঁদো;
- লালসালু।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক:
- বহিপীর;
- তরঙ্গভঙ্গ;
- সুরঙ্গ;
- উজানে মৃত্যু।
--------------------------
'তরঙ্গভঙ্গ' নাটক সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘তরঙ্গভঙ্গ’ একটি অভিব্যক্তিবাদী নাটক।
- নাটকটি গ্রামীণ পটভূমিতে দারিদ্র্য ও যন্ত্রণার কারণে আমেনা নামের এক নারীর স্বামী হত্যার ঘটনা এবং এর পেছনের সামাজিক দায় ও বিচার প্রক্রিয়ার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ তুলে ধরে। নাটকটি খুনের কারণ অনুসন্ধানের চেয়ে চরিত্রের মানসিক টানাপড়েন, বিচারকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দোষ-নির্দোষের প্রশ্নকে গুরুত্ব দিয়েছে, যা গ্রামীণ জীবনের অসহায়ত্ব ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রতিফলন।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১,০৪২.
‘তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ’ কাব্যগ্রন্থ কে রচনা করেন ?
  1. ক) বুদ্ধদেব বসু
  2. খ) অমিয় চক্রবর্তী
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) বিষ্ণু দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষ্ণু দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা

বিষ্ণু দে, একজন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
বিষ্ণু দে রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস (১৯৩৩),
- চোরাবালি (১৯৩৭),
- সাত ভাই চম্পা (১৯৪৪),
- রুচি ও প্রগতি (১৯৪৬),
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ (১৯৫২),
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার (১৯৫৩),
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ (১৯৫৮),
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত (১৯৬৩),
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্পসাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা (১৯৬৬),
- মাইকেল রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য জিজ্ঞাসা (১৯৬৭)
- In the Sun and the Rain (১৯৭২),
- উত্তরে থাকো মৌন (১৯৭৭),
- সেকাল থেকে একাল (১৯৮০),
- আমার হূদয়ে বাঁচো (১৯৮১) ইত্যাদি।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১,০৪৩.
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে ‘ভাষাচার্য’ উপাধি দেন কে?
  1. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
-  ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম। 
- ভাষা বিষয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘অরিজিন এণ্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ’।
- শেষের কবিতা উপন্যাসে সুনীতিকুমারের স্বীকৃতি আছে।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে 'ভাষাচার্য' উপাধি দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- ১৯৭৭ সালের ২৯ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার্স,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- ল্যাঙ্গুয়েজ এণ্ড লিটারেচর অফ মডার্ন ইন্ডিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,০৪৪.
“মেঘদূত” কার রচিত গ্রন্থ?
  1. ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  2. খ) সোমেন চন্দ
  3. গ) সত্যেন সেন
  4. ঘ) শহীদুল্লাহ কায়সার
সঠিক উত্তর:
ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৮৫৩-১৯৩১):
- প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ এবং সংস্কৃতের পন্ডিত।
- ১৮৯৮ সালে সরকারের দেওয়া সম্মান ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি পান।

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থঃ
- বাল্মীকির জয়,
- মেঘদূত,
- কাঞ্চন মালা,
- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা,
- বেণের মেয়ে (উপন্যাস),
- প্রাচিন বাংলার গৌরব,
- বৌদ্ধধর্ম।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১,০৪৫.
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের কোন গ্রন্থটি সংস্কৃত 'পঞ্চতন্ত্র' থেকে অনূদিত?
  1. ক) বত্রিশ সিংহাসন
  2. খ) হিতোপদেশ
  3. গ) রাজাবলী
  4. ঘ) প্রবোধচন্দ্রিকা
সঠিক উত্তর:
খ) হিতোপদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হিতোপদেশ
ব্যাখ্যা
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের 'হিতোপদেশ' গ্রন্থটি সংস্কৃত 'পঞ্চতন্ত্র' থেকে অনূদিত

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন উইলিয়াম কেরির অধিনস্থ বাংলা বিভাগের প্রধান-পন্ডিত।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে থাকার সময়ে তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেন, সেগুলো হলো: 
- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), 
- হিতোপদেশ (১৮০৮), 
- রাজাবলী (১৮০৮) এবং 
- প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮১৩ সালে লিখিত, কিন্তু ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত)। 
- এছাড়া পরে ১৮১৭ সালে তিনি লেখেন বেদান্তচন্দ্রিকা।


উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
১,০৪৬.
নিচের কোন উত্তরটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
  1. চরিত্রহীন
  2. দেনাপাওনা
  3. পল্লীসমাজ
  4. নৌকাডুবি
সঠিক উত্তর:
নৌকাডুবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকাডুবি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন উত্তরটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়? 

• 'নৌকাডুবি' অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। 
- নৌকাডুবি ছাড়া বাকিগুলো (চরিত্রহীন, দেনাপাওনা, পল্লীসমাজ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
- নৌকাডুবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য কিছু উপন্যাস:
- চোখের বালি,
- গোরা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি, 
- চতুরঙ্গ,
- ঘরে-বাইরে,
- চার অধ্যায়,
- মালঞ্চ।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য কিছু উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- দেবদাস,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৪৭.
'অনীল বাগচীর একদিন' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সৈয়দ শামসুল হক
  2. খ) হুমায়ূন আহমেদ
  3. গ) সেলিনা হোসেন
  4. ঘ) হুমায়ুন আজাদ
সঠিক উত্তর:
খ) হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
'অনীল বাগচীর একদিন' উপন্যাসটির রচয়িতা- 'হুমায়ূন আহমেদ' 

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া।
১,০৪৮.
কাজী আবদুল ওদুদ রচিত ‘শাশ্বতবঙ্গ’ কোন ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ সংকলন
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. ছোটগল্প
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ সংকলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ সংকলন
ব্যাখ্যা
‘শাশ্বতবঙ্গ’ প্রবন্ধ সংকলন:
- কাজী আবদুল ওদুদ রচিত প্রবন্ধের সংকলন ‘শাশ্বতবঙ্গ’।
- এটি একটি সমাজ ও সাহিত্যবিষয়ক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- এটি ১৯৫১ সালে সংকলন করা হয়। 'শাশ্বতবঙ্গ’ এর প্রবন্ধগুলো ৬টি ভাগে বিভক্ত করা যায়।

কাজী আবদুল ওদুদ:

- তিনি একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৪ সালের ২৬ এপ্রিল ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

 তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নদীবক্ষে (১৯১৮)।

তাঁর রচিত সমাজ ও সাহিত্যবিষয়ক প্রবন্ধ:
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ,
- নজরুল প্রতিভা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৪৯.
'একগ্লাস অন্ধকার' - কার রচনা?
  1. ক) রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  2. খ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. গ) শামসুর রাহমান
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
ক) রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৯৫৬-১৯৯১) একজন কবি। তাঁর জন্ম বরিশালে, ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন। 
- সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার’ লাভ করেন।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কাব্যগ্রন্থঃ

- মানুষের মানচিত্র (১৯৮৪) 
- ছোবল (১৯৮৬),
- গল্প (১৯৮৭),
- দিয়েছিলে সকল আকাশ (১৯৮৮),
- মৌলিক মুখোশ (১৯৯০) ও
- একগ্লাস অন্ধকার (১৯৯২)

[উৎস: বাংলাপিডিয়া]
১,০৫০.
নিচের কোনটি আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর শিশুতোষ গ্রন্থ?
  1. ক) হাসু
  2. খ) ডানপিটে শওকত 
  3. গ) পাগলা দাশু
  4. ঘ) ডালিমকুমার
সঠিক উত্তর:
খ) ডানপিটে শওকত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডানপিটে শওকত 
ব্যাখ্যা
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর বরিশালে জন্ম গ্রহণ করেন। 
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি--গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী 

আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত উপন্যাসঃ
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (প্রথম),
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা ও
- শেষ রাত্রির চাঁদ।

গল্পগ্রন্থঃ
- কৃষ্ণপক্ষ,
- সুন্দর হে সুন্দর।

তাঁর  সম্পাদনা গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়
অন্যদিকে,
কবি জসীমউদদীনের শিশুতোষ গ্রন্থ গুলো হলো- হাসু, এক পয়সার বাঁশি, ডালিমকুমার
সুকুমার রায়ের শিশুতোষ সাহিত্য গুলো হলো- আবোলতাবোল, হ-য-ব-র-ল, পাগলা দাশু, বহুরূপী, ব্যাঙের সমুদ্র দেখা, খাইখাই, ইত্যাদি ।

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]  
১,০৫১.
'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনিতে কোন দেশের শহর এর কথা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ক) মিশর
  2. খ) নেপাল
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ মুজতবা আলী একজন বাঙালি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ভ্রমণ কাহিনীর জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
- 'দেশে বিদেশে' ও 'জলে ডাঙ্গায়' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী।
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনিটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

তাঁর রচিত রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী,
- বড়বাবু,
- কত না অশ্রুজল।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৫২.
'বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ' আল মাহমুদ রচিত কী জাতীয় গ্রন্থ?
  1. আত্মজীবনী
  2. উপন্যাস
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. গল্পগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
আত্মজীবনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা
আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- দ্বিতীয় ভাঙন,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- আগুনের মেয়ে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- গন্ধবণিক,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- যেভাবে বেড়ে উঠি,
- বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৫৩.
'বেণের মেয়ে’ ও ‘কাঞ্চনমালা’ উপন্যাসদ্বয়ের রচয়িতা কে?
  1. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 
  2. বিদ্যাপতি 
  3. চন্দ্রাবতী 
  4. বিহারীলাল 
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 
ব্যাখ্যা

'বেণের মেয়ে’ ও ‘কাঞ্চনমালা’ উপন্যাসদ্বয়ের রচয়িতা- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
--------------------------------------------
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৮৫৩-১৯৩১) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত পণ্ডিত, সংরক্ষণবিদ এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।
- তিনি ৬ ডিসেম্বর ১৮৫৩ সালে খুলনার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কারের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
- সাহিত্যচর্চায় অবদানের জন্য তাঁকে মহামহোপাধ্যায় উপাধি প্রদান করা হয়।
- এছাড়াও তিনি বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্যের বহু লুপ্তপ্রায় পুঁথি উদ্ধার, পাঠোদ্ধার ও সম্পাদনার মাধ্যমে ভাষা ও সাহিত্যে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন।

তাঁর প্রধান অবদান:
- ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন লিখিত নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। 
- ১৯১৬ সালে এটি 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে প্রকাশিত হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: 
- বেণের মেয়ে,
- কাঞ্চনমালা।

• তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- রামচরিতম্, 
- ভারত মহিলা,
- তৈল।

• তাঁর গবেষণামূলক গ্রন্থ:
 বৌদ্ধধর্ম,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব,
- বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ,
- আমাদের ইতিহাস।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১,০৫৪.
'অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প' গ্রন্থটি কে লিখেছেন?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি গল্পগ্রন্থ। 

• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:

- মানিক বন্দ্যোপাধ্যা ১৯০৮ সালে বিহারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস পদ্মা নদীর মাঝি।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
-'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের রচয়িতা- 'মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়'। 
- ভিঁখু ও পাচি তাঁর 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের পাত্র-পাত্রী। 

• তাঁর রচিত অন্যান্য গল্পগ্রন্থ:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প, 
- মিহি ও মোটা কাহিনী, 
- বৌ,
- সরীসৃপ, 
- সমুদ্রের স্বাদ,
- আজ কাল পরশুর গল্প, 
- ছোট বকুলপুরের যাত্রী, 
- আত্মহত্যার অধিকার ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- পুতুল নাচের ইতিকথা,
- জননী,
- চিহ্ন,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- সোনার চেয়ে দামি,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- ইতিকথার পরের কথা,
- আরোগ্য ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৫৫.
'বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন' ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা?
  1. সৈয়দ আলী আহসান 
  2. মুহম্মদ আবদুল হাই
  3. আবু ইসহাক
  4. নীলিমা ইব্রাহিম 
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আবদুল হাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আবদুল হাই
ব্যাখ্যা

• 'বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন':
- 'বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন' গত শতকের মাঝামাঝিতে রচিত- মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত এ বইটি অর্ধশতাব্দী পূর্বে ভ্রমণ কাহিনি হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। 
- ১৯৫০ সালের দিকে বহির্বিশ্বের ছবি বা কাহিনি বাংলাভাষায় খুব কমই বই হিসেবে মানুষের হাতে এসেছে। মিলেনিয়াম যুগের সাথে সে যুগের আকাশ পাতাল পার্থক্য।

-------------------
• মুহম্মদ আবদুল হাই:
- মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা ভাষার প্রধানতম ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- বাংলা ভাষার ধ্বনির গঠন, উচ্চারণ ও ব্যবহারবিধি সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশেষণ দিয়ে রচিত তাঁর 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব 'গ্রন্থটি মুহম্মদ আবদুল হাইকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি দান করে।
- ১৯৬৯ সালের ৩ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো:
- ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব,
- সাহিত্য ও সংস্কৃতি,
- বিলাতে সাড়ে সাত শ' দিন (ভ্রমণ কাহিনি),
- তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- মুহম্মদ আবদুল হাই সৈয়দ আলী আহসানের সঙ্গে যৌথভাবে রচনা করেন 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (আধুনিক যুগ, ১৯৬৮)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন' এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০৫৬.
'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা-
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. ফররুখ আহমদ
  3. কায়কোবাদ
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

• মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমেদ।
• তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি।
• মুহূর্তের কবিতা তাঁর সনেট সংকলন।
• নৌফেল ও হাতেম তাঁর রচিত কাব্যনাট্য।
• হাতেম তায়ী তাঁর কাহিনীকাব্য।
• এছাড়াও তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ
- নতুন লেখা,
- সিন্দাবাদ,
- হাবেদা মরুর কাহিনী,
-সিরাজাম মুনীরা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১,০৫৭.
নিচের কোনটি আহসান হাবিবের লেখা কাবগ্রন্থ নয়?
  1. ক) আশায় বসতি
  2. খ) অরণ্যে নীলিমা
  3. গ) মেঘ বলে চৈত্রে যাব
  4. ঘ) সারা দুপুর
সঠিক উত্তর:
খ) অরণ্যে নীলিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অরণ্যে নীলিমা
ব্যাখ্যা
আহসান হাবীবের ‘অরণ্যে নীলিমা’ – উপন্যাস। কাব্যগ্রন্থঃ আশায় বসতি, মেঘ বলে চৈত্রে যাব, সারা দুপুর, ছায়াহরিণ, দু'হাতে দুই আদিম পাথর, বিদীর্ণ দর্পর্ণে মুখ, প্রেমের কবিতা। রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
১,০৫৮.
'নবান্ন' নাটকের প্রেক্ষাপট কী?
  1. পঞ্চাশের মন্বন্তর
  2. দেশভাগ
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশের মন্বন্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশের মন্বন্তর
ব্যাখ্যা

'নবান্ন' নাটক: 
- এটি বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক।
- ‘নবান্ন' (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তাই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্য আন্দোলনের ইতিহাসে যুগান্তকারী বলা চলে।
- অনেকে দীনবন্ধুর 'নীল-দর্পণে'র সঙ্গে এর তুলনা করেছেন।
- এ নাটকটি ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ ১৯৪৪ সালে প্রথম অভিনয় করেন।

বিজন ভট্টাচার্য:
-তিনি ছিলেন নাট্যকার, অভিনেতা।  
- ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ক্ষীরোদবিহারী ভট্টাচার্য ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক। 
- বিজন ভট্টাচার্য অসহযোগ আন্দোলনে (১৯২০-২২) যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন।
 
তাঁর রচিত নাটক: 
- নবান্ন, 
- জনপদ, 
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,০৫৯.
‘ময়নামতির চর‘ কি ধরনের গ্রন্থ?
  1. ক) নাটক
  2. খ) কাব্য
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) গল্প
সঠিক উত্তর:
খ) কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাব্য
ব্যাখ্যা

বন্দে আলী মিয়া একজন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর।
তার সাহিত্যকর্ম-
- ময়নামতীর চর (১৯৩০),
- অনুরাগ (১৯৩২),
- পদ্মানদীর চর (১৯৫৩),
- মধুমতীর চর (১৯৫৩),
- ধরিত্রী (১৯৭৫)
- ময়নামতীর চর তাঁর প্রথম ও শ্রেষ্ঠকাব্য।

তাঁর রচিত শিশুসাহিত্য গুলো হলো:
- চোর জামাই (১৯২৭),
- মেঘকুমারী (১৯৩২),
- বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা (১৯৩২),
- সোনার হরিণ (১৯৩৯),
- শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালা (১৯৫৬),
- কুঁচবরণ কন্যা (১৯৬১),
- সাত রাজ্যের গল্প (১৯৭৭

- শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৬২ সালে লাভ করেন।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১,০৬০.
বাংলা গদ্যের আদিপর্বের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাজসিংহ
  2. বত্রিশ সিংহাসন
  3. যুগলাঙ্গুরীয়
  4. চন্দ্রশেখর
সঠিক উত্তর:
বত্রিশ সিংহাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বত্রিশ সিংহাসন
ব্যাখ্যা
• বত্রিশ সিংহাসন:
- ‘বত্রিশ সিংহাসন' (১৮০২) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার অনূদিত কাহিনি সংকলন।
- বাংলা গদ্যের আদিপর্বের ইতিহাসে এই রচনাটি উল্লেখযোগ্য।

• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:

- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, ভাষাবিদ ও লেখক।
- উইলিয়াম কেরির সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এর বাংলা বিভাগের হেড-পণ্ডিত নিযুক্ত হন।
- তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- এছাড়াও তিনি কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পণ্ডিত হিসেবে।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- বত্রিশ সিংহাসন,
- হিতোপদেশ,
- রাজাবলি,
- প্রবোধচন্দ্রিকা,
- বেদান্তচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস হচ্ছে-
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাজসিংহ।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১,০৬১.
‘যাত্রা’ উপন্যাসে ‘যাত্রা’ শব্দটি প্রধানত কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. আনন্দভ্রমণ
  2. যুদ্ধযাত্রা
  3. অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে পলায়ন
  4. বিজয় অভিযাত্রা
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে পলায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে পলায়ন
ব্যাখ্যা

'যাত্রা' উপন্যাসে ‘যাত্রা’ বলতে বোঝানো হয়েছে প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে দিশাহীনভাবে শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার করুণ বাস্তবতা।
-----------------------------------------------
• শওকত আলী:
- শওকত আলী (১৯৩৬-২০১৮) একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিক্ষক।
- তিনি মূলত মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি এবং মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট নিয়ে লিখেছেন।
- শওকত আলী বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ছিলেন।

- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস:
• 'যাত্রা';
• ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’;
• ‘অপেক্ষা’।
-------------------------------------------
‘যাত্রা’ উপন্যাস নিয়ে কিছু কথা:
- শওকত আলীর ‘যাত্রা’ একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ভয়াল কালরাতের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রাণরক্ষার তাগিদে অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ছুটে চলার করুণ ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতা উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে।
- উপন্যাসটিতে মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কালের ঘটনাপ্রবাহ ডায়েরি বা দৈনন্দিন দিনপঞ্জির আদলে বর্ণিত হয়েছে। 
- উপন্যাসে নগরবাসীর আত্মরক্ষার্থে পলায়ন, আশ্রয়ের সন্ধান, উদ্বাস্তু জীবনের অসহায়ত্ব এবং সেই যাত্রাপথেই ধীরে ধীরে প্রতিরোধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠার চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
- যুদ্ধের ধ্বংসলীলা, মানুষের ভয়–হতাশা–আশা এবং টিকে থাকার আপ্রাণ সংগ্রামের মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো মিলিয়ে ‘যাত্রা’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে এক গভীরভাবে মর্মস্পর্শী ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

উৎস: যাত্রা উপন্যাস ও বাংলাপিডিয়া।

১,০৬২.
নুরুল মোমেন রচিত 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি?
  1. প্রদীপ সরকার
  2. সুরজিত নন্দী
  3. আবদুল্লাহ
  4. সুরেন্দ্রনাথ
সঠিক উত্তর:
সুরজিত নন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরজিত নন্দী
ব্যাখ্যা
• 'নেমেসিস' নাটক:
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলায় সংঘটিত মন্বন্তরের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক।
- এক চরিত্র বিশিষ্ট এমন নাটক বাংলা সাহিত্যে কম বলে 'নেমেসিস' উল্লেখযোগ্য।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম- সুরজিত নন্দী।

• নুরুল মোমেন:
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক 'রূপান্তর' ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়।
- তিনি নিজে নাটকটি পরিচালনা করেন।
- ১৯৪৭সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।

• নুরুল মোমেন রচিত রম্যগ্রন্থ:
- নরসুন্দর,
- হিংটিং ছট (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)।

• নুরুল মোমেন রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটকসমূহ:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে,
- শতকরা আশি,
- রূপলেখা,
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৬৩.
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ছদ্মনাম কী ?
  1. ভ্রমণকারী বন্ধু
  2. নন্দন কবি
  3. স্বভাব কবি
  4. বাঙ্গাল বাউল
সঠিক উত্তর:
ভ্রমণকারী বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্রমণকারী বন্ধু
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়।
- ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৬৪.
চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী লেখক কে?
  1. ক) বৃন্দাবন দাস
  2. খ) লোচন দাস
  3. গ) মুরারি গুপ্ত
  4. ঘ) কৃষ্ণদাস কবিরাজ
সঠিক উত্তর:
গ) মুরারি গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুরারি গুপ্ত
ব্যাখ্যা
চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী লেখক হিসেবে মুরারি গুপ্ত কৃতিত্বের অধিকারী।
- 'মুরারি গুপ্তের কড়চা' নামে পরিচিত তাঁর কাব্যের প্রকৃত নাম, 'শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম।'
- মুরারি গুপ্ত সিলেটের অধিবাসী ছিলেন পরে নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যের সহাধ্যায়ী ছিলেন। 
- মুরারি গুপ্তের গৃহে চৈতন্যের প্রথম ভাবাবেশ ঘটেছিলো বলে জনশ্রুতি বিদ্যমান। 

- বাংলা ভাষায় রচিত শ্রী চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থ হলো বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্য-ভাগবত'।
- বাংলায় ভাষায় লোচন দাস রচিত শ্রী চৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ 'চৈতন্য-মঙ্গল' ।
- বাংলা ভাষায় রচিত শ্রেষ্ঠ চৈতন্য জীবনীগ্রন্থ 'চৈতন্য-চরিতামৃত'। গ্রন্থটি রচনা করেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১,০৬৫.
কোনটি ত্রয়ী উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা
  2. ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
  3. পরিত্যক্ত স্বামী
  4. দেয়াল
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
ব্যাখ্যা

ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান, পদ্মা মেঘনা যমুনা, সংকর সংকীর্তন এই তিনটি উপন্যাস একত্রে ত্রয়ী উপন্যাস নামে পরিচিত ।
- আবু জাফর শামসুদ্দীন কর্তৃক উপন্যাসগুলো রচিত ।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস পরিত্যক্ত স্বামী প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হলো-
উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান (১৯৬৩)
- পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৭৪)
- সংকর সংকীর্তন (১৯৮০)
- দেয়াল (১৯৮৫)।
গল্পগ্রন্থ:
- জীবন (১৯৪৮)
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা (১৯৭৮)
- ল্যাংড়ী (১৯৮৪);
প্রবন্ধ:
- চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানী সাহিত্য (১৯৬৪),
- Sociology of Bengal Politics (১৯৭৩)
- সোচ্চার উচ্চারণ (১৯৭৭)
- লোকায়ত সমাজ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি (১৯৮৮) ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (সৌমিত্র শেখর)

১,০৬৬.
‘জাগো, বাহে, কোনঠে সবায়' - বলে ডাক দিয়েছিলো কে?
  1. ক) আলাউদ্দীন
  2. খ) নুরুলদীন
  3. গ) সূর্যসেন
  4. ঘ) রূপাই
সঠিক উত্তর:
খ) নুরুলদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নুরুলদীন
ব্যাখ্যা

সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্যঃ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরলদীনের সারাজীবন, এখন এখানে।
‘নূরলদীনের কথা মনে পড়ে’ নুরুলদীনের সারাজীবন কাব্যনাট্যের অংশ বিশেষ।
‘জাগো, বাহে, কোনঠে সবায়’ বলে ডাক দিয়েছিলো ‘নূরলদীন’।
তার গল্পঃ তাস, শীত বিকেল, আনন্দের মৃত্যু, প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান ইত্যাদি।
তার উপন্যাসঃ সীমানা ছাড়িয়ে, অনুপম দিন, এক মহিলার ছবি, নীল দংশন, খেলারাম খেলে যা, বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

১,০৬৭.
নিচের কোনটি দীনবন্ধু মিত্রের নাটক?
  1. ক) মায়াকানন 
  2. খ) পদ্মাবতী
  3. গ) কৃষ্ণকুমারী 
  4. ঘ) লীলাবতী
সঠিক উত্তর:
ঘ) লীলাবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লীলাবতী
ব্যাখ্যা
দীনবন্ধু মিত্র ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।  

- তাঁর জনপ্রিয় কাব্যগুলো:
- সুরধুনী কাব্য 
- দ্বাদশ কবিতা

তাঁর রচিত প্রহসন:
- বিয়ে পাগলা বুড়ো 
- সধবার একাদশী 

তাঁর রচিত নাটকগুলো:
- নবীন তপস্বিনী
- লীলাবতী 
- জামাই বারিক
- কমলে কামিনী

মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত নাটক 
- শর্মিষ্ঠা 
- পদ্মাবতী 
- কৃষ্ণকুমারী 
- মায়াকানন 

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া
১,০৬৮.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ছোটগল্প নয় কোনটি?
  1. খোয়ারি
  2. দোজখের ওম
  3. খােয়াবনামা
  4. অন্য ঘরে অন্য স্বর
সঠিক উত্তর:
খােয়াবনামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খােয়াবনামা
ব্যাখ্যা
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ছোটগল্প নয়- ‘খোয়াবনামা’।

• ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাস:

- ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটিতে ঐতিহাসিক নানা উপাদান নিপুনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- গ্রাম বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবনালেখ্যসহ ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, আসামের ভূমিকম্প, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩-এর মন্বন্তর, পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এ উপন্যাসে নিপুণভাবে উপস্থিত করা হয়েছে।
- এই উপাদানসমূহ অবলম্বন করে বাঙালির তথা মানবজীবনের সংগ্রাম ও এগিয়ে যাওয়াই উপন্যাসটির বিষয়।

---------------------------------
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:

- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ হলো:
• উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।
(এই দুটি হলো তার মহাকাব্যোচিত উপন্যাস)

• ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
১,০৬৯.
'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. নীলিমা ইব্রাহীম
  2. জাহানারা ইমাম
  3. সেলিনা হোসেন
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহীম
ব্যাখ্যা
'আমি বীরাঙ্গনা বলছি':
- প্রবন্ধটি নীলিমা ইব্রাহীমের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রচনা। 
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। (১৯৯৪ সালের বই মেলাতে প্রথম প্রকাশিত হয় বলে ধরে নেওয়া হয়)
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলার যেসব নারী কোনো না কোনোভাবে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে দিনের পর দিন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, সেসব যুদ্ধাহত কয়েকজনের সত্যকাহিনীনির্ভর জীবন ইতিহাস 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি'। 
- যাদের দুঃখ কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে তাঁরা হলেন - তারা ব্যানার্জি, মেহেরজান, রীনা, শেফা, ময়না, ফাতেমা, মীনা। 
- তবে লেখকের বর্ণনাতে এই কাহিনী কেবল সাতজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে নি তা হয়ে উঠেছে দু লক্ষ মা-বোনের প্রতিনিধি।
- বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মহিমাময় ভূমিকা, হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের অপকীর্তি।

নীলিমা ইব্রাহীম:
- তিনি একজন শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- ১১ জানুয়ারি ১৯২১ সালে খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর অন্যান্য প্রবন্ধ:
- শরৎ প্রতিভা,
- বাংলার কবি মধুসূদন।

উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাক,
- কেয়াবন সঞ্চারিনী,
- বহ্নিবলয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৭০.
’একটি তুলসী গাছের কাহিনি’ গল্পের রচয়িতা কে?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ 
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ 
ব্যাখ্যা

'একটি তুলসী গাছের কাহিনি' 
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত 'একটি তুলসী গাছের কাহিনি' গল্পটি ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত
- গল্পটি তাঁর 'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প' নামক গল্পগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
- গল্পের সীমিত পরিসরে জীবনের গভীর কোনো তাৎপর্যকে ইঙ্গিতময় ও ব্যঞ্জনাসমৃদ্ধ করে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মুন্সিয়ানা রয়েছে। 
-  ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর কলকাতা থেকে আসা কিছু উদ্বাস্তু ঢাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
- খোলামেলা বাড়ি পেয়ে তারা স্বস্তি পেলেও উঠানে পাওয়া একটি তুলসী গাছ নিয়ে দ্বিধা তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত গাছটি রেখে দেওয়া হয়।
- অজান্তেই কেউ একজন গাছটির যত্ন নিতে থাকে। পরে সরকারি নির্দেশে উদ্বাস্তুরা উচ্ছেদ হলে বাড়িটি আবার শূন্য হয়ে যায়।
- যত্নের অভাবে তুলসী গাছটিও অবহেলিত হয়ে পড়ে।
- মানুষের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মতোই তুলসী গাছটিও সেই অস্থিরতার নীরব শিকার হয়ে থাকে।
 
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম সৈয়দ আহমদউল্লাহ্। তাঁদের পৈতৃক নিবাস ছিল নোয়াখালী।
- কলকাতা ও ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে তাঁর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত হয়।
- সাংবাদিকতা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু। দেশে-বিদেশে সরকারের বিভিন্ন উচ্চতর পদে তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক (মরণোত্তর) পেয়েছেন।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১-এর ১০ই অক্টোবর তিনি প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।

 ⇒ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: 'লালসালু', 'চাঁদের অমাবস্যা' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো'।

• তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে- 
 ⇒ গল্পগ্রন্থ: 'নয়নচারা' এবং 'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প';

 ⇒ নাটক : 'বহিপীর', 'তরঙ্গভঙ্গ' ও 'সুড়ঙ্গ'।

উৎস: সাহিত্যপাঠ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০৭১.
'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র' সম্পাদনা করেন-
  1. ক) হাসান আজিজুল হক
  2. খ) হুমায়ুন আজাদ
  3. গ) হাসান হাফিজুর রহমান
  4. ঘ) হুমায়ুন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
হাসান হাফিজুর রহমানের সবচেয়ে বেশি পরিচিত তাঁর ১৬ খণ্ডে রচিত 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র' সম্পাদনা করার জন্য। এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮২-৮৩ সালে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০৭২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র?
  1. ক) বাহানা
  2. খ) কখনো আসেনি
  3. গ) সংগম
  4. ঘ) জীবন থেকে নেয়া
সঠিক উত্তর:
গ) সংগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংগম
ব্যাখ্যা
জহির রায়হানের উর্দু ছবি 'সঙ্গম' ছিল সমগ্র পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নির্মিত প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র‌‌। উর্দু ছবি বাহানা ছিল সমগ্র পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নির্মিত প্রথম সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০৭৩.
ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাহিত্য সাময়িকী ‘প্রগতি’র অন্যতম সম্পাদক ছিলেন-
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. নরেশ সেনগুপ্ত
  3. আশুতোশ ভট্টাচার্য
  4. মনীশ ঘটক
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
• ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাহিত্য সাময়িকী ‘প্রগতি’র অন্যতম সম্পাদক ছিলেন- 'বুদ্ধদেব বসু'। 

⇒ 'প্রগতি' পত্রিকা:
- প্রগতি ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় মাসিকপত্র 'প্রগতি'।
-সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত। বাংলা
- সাহিত্যে আধুনিকতার বাতাস প্রবাহিত হলে ঢাকা যে তাতে পিছিয়ে ছিল না, 'প্রগতি'র প্রকাশ তার প্রমাণ।
- কল্লোল- কালিকলম-প্রগতি একই সঙ্গে উচ্চারিত হওয়ার যোগ্য তিনটি নাম।
- বাংলাদেশে আধুনিক সাহিত্যের বিকাশে এ পত্রিকার অবদান কম নয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১,০৭৪.
'পৃথক পালঙ্ক' কাব্যগ্রন্থের কবি -
  1. আল মাহমুদ
  2. রফিক আজাদ
  3. আবুল হাসান
  4. আবুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসান
ব্যাখ্যা
• ‘পৃথক পালঙ্ক’ আবুল হাসান রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়।

-------------------
◉ আবুল হাসান:
- আবুল হাসানের প্রকৃত নাম ⎯ আবুল হোসেন মিয়া। তিনি পেশায় সাংবাদিক ছিলেন।
- ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ার বর্ণি গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাজা যায় রাজা আসে,
- যে তুমি হরণ করো,
- পৃথক পালঙ্ক।

• তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যনাট্য 'ওরা কয়েকজন'।
• তাঁর প্রকাশিত গল্প সংকলন  আবুল হাসান গল্প সংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৭৫.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
  1. ক) গাইবান্ধায়
  2. খ) বগুড়ায়
  3. গ) ঢাকায়
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জে 
সঠিক উত্তর:
ক) গাইবান্ধায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাইবান্ধায়
ব্যাখ্যা
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। 
- ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া শহরের নিকটবর্তী চেলোপাড়ায়।

• তিনি কথাসাহিত্যিক হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। 
- বিশেষত, তাঁর রচনাশৈলীর ক্ষেত্রে যে স্বকীয় বর্ণনারীতি ও সংলাপে কথ্যভাষার ব্যবহার লক্ষণীয় তা সমগ্র বাংলা কথাশিল্পে অনন্যসাধারণ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো: 
- অন্যঘরে অন্যস্বর 
- দোজখের ওম 
-  খোয়াবনামা 
- সংস্কৃতির ভাঙা সেতু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৭৬.
ইংরেজ অনুকরণের প্রতি ব্যঙ্গ করে রচিত প্রহসন কোনটি?
  1. ক) এর উপায় কি?
  2. খ) সধবার একাদশী
  3. গ) একেই কি বলে সভ্যতা
  4. ঘ) বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ
সঠিক উত্তর:
গ) একেই কি বলে সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একেই কি বলে সভ্যতা
ব্যাখ্যা

দেশীয় নব্যশিক্ষিতদের ইংরেজদের অনুকরণ ও সুরাপানে আসক্তের প্রতি ব্যঙ্গ করে মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'একেই কি বলে সভ্যতা' প্রহসন রচনা করেন।
তার অপর প্রহসন 'বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ' নিরীহ প্রজাদের দ্বারা অত্যাচারী জমিদারের উচিত শিক্ষা প্রদান বিষয়ে রচিত।
এর উপায় কি? এবং সধবার একাদশী রচনা করেছেন যথাক্রমে মীর মশাররফ হোসেন এবং দীনবন্ধু মিত্র। দুটো প্রসহনই বেশ্যাবৃত্তি ও সুরাপানের আসক্তদের প্রতি ব্যঙ্গ করে রচনা করা হয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর)

১,০৭৭.
মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফেনী হাইস্কুলে ছাত্র থাকাকালেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র সাহিত্যচর্চার সূত্রপাত হয়। 
- এ সময় তিনি হাতে লেখা পত্রিকা 'ভোরের আলো' সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’ ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। 
- তিনি ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে আদমজি পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর) লাভ করেন।
- তিনি ১৯৭১ সালের ১০ই অক্টোবর, প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা, 
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৭৮.
'সারদামঙ্গল' কাব্যগ্রন্থটির লেখক কে? 
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. বুদ্ধদেব বসু 
  4. রাজশেখর বসু 
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

'সারদামঙ্গল' গ্রন্থটির লেখক- বিহারীলাল চক্রবর্তী। 
----------------------------------
• 'সারদামঙ্গল' গ্রন্থটির
মূলকথা:
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর সারদামঙ্গল বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক গীতিকাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি। এখানে সারদা বা সরস্বতী দেবীকে কল্পনার মাধ্যমে বন্দনা করা হয়েছে এবং বঙ্গনারীর রূপ-গুণ ও মানসিক অনুভূতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কাব্যটি দশটি সর্গে বিভক্ত। এতে প্রকৃতির সৌন্দর্য, প্রেমের আনন্দ ও বিচ্ছেদের বিষাদ মিলিয়ে রোমান্টিক ভাবধারা প্রকাশ পেয়েছে। 
---------------------------------------
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের একজন কবি এবং গীতিকার ছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে ও পরিচিত।
- বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি হিসেবে পরিচিত।
- ১৮৩৫ সালের ২১ মে কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল ফরাসডাঙ্গায় এবং তাঁদের আদি পারিবারিক পদবি ছিল ‘চট্টোপাধ্যায়’।
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিহারীলাল গীতি কবিতা শুনিয়েছে বলে তাকে বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধি দিয়েছেন। 
- বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয় কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করতেন যে তাঁর গীতিকবিতা বাংলা কবিতার নবজাগরণের সূচনা করেছিল, ঠিক যেমন ভোরের প্রথম পাখির ডাক নতুন দিনের আগমনী বার্তা বহন করে।
- এছাড়াও তাঁর কাব্যধারা ছিল বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। 

বিহারীলালের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ- সারদামঙ্গল

• বিহারীলালের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে:
- সঙ্গীতশতক;
- বন্ধুবিয়োগ;
 - প্রেমপ্রবাহিণী;
- নিসর্গসন্দর্শন;
- বঙ্গসুন্দরী;
- সারদামঙ্গল;
- নিসর্গসঙ্গীত;
- সাধের আসন এবং
- ধূমকেতু।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১,০৭৯.
'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' কে সম্পাদনা করেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. বদরুদ্দীন উমর
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান':
- আঞ্চলিক ভাষার অভিধান বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষার একটি সংকলন গ্রন্থ।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদনায় ১৯৬৫ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষাসমূহের সংকলন-জাতীয় গ্রন্থ এটিই প্রথম।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ ছিলেন।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে এম.এ (১৯১২) পাস করেন। দুবছর পর তিনি বি.এল (১৯১৪) ডিগ্রিও অর্জন করেন।
- ১৯২৬ সালে শহীদুল্লাহ্ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ইউরোপ যান।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বহুভাষাবিদ এবং ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন।
- তিনি ১৮টি ভাষা জানতেন; ফলে বিভিন্ন ভাষায় সংরক্ষিত জ্ঞানভান্ডারে তিনি সহজেই প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।

তার উল্লেখযোগ্য রচনা কর্ম হলো:
- বাংলা সাহিত্যের কথা,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১,০৮০.
“ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা”- গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) শেখ ফজলুল করিম
  2. খ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) অতুলপ্রসাদ সেন
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।

- “ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা”- দেশাত্মক গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত বাংলা সাহিত্যের ঐতিহাসিক নাটক “সাজাহান” এ এই গানটি রয়েছে। 
- উল্লেখ্য উপরের সকলেই আধুনিক বাংলা গানের জনপ্রিয় পথিকৃৎ। তাদের মাধ্যমেই বাংলা আধুনিক গানের সূত্রপাত হয়।
 
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।
১,০৮১.
রফিক আজাদের ডাকনাম ছিল-
  1. জীবন
  2. মানিক
  3. আজাদ
  4. রতন
সঠিক উত্তর:
জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন
ব্যাখ্যা
• রফিক আজাদ:
- রফিক আজাদ ছিলেন একজন বাংলাদেশী আধুনিক কবি। আজাদ টাঙ্গাইল জেলার জাহিদগঞ্জের গুণীগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- রফিক আজাদের ডাক নাম ছিল 'জীবন'।
- কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন।
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা 'উত্তরাধিকার' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'ভাত দে হারামজাদা'। এটি 'সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত।
- তিনি ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

-----------
• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া,
- অসম্ভবের পায়ে,
- কোনো খেদ নেই,
- হৃদয়ের কী বা দোষ,
- সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে,
- প্রিয় শাড়িগুলো,
- অপর অরণ্যে,
- পরিকীর্ণ পানশালা আমার স্বদেশ,
- করো অশ্রুপাত,
- পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৮২.
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
বিহারীলাল চক্রবর্তী
- বিহারীলাল চক্রবর্তী রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত তিনি।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম কবি।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
-বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা - বঙ্গসুন্দরী।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদামঙ্গল।

- বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৮৩.
কোনটি ফররুখ আহমদের কাব্য?
  1. সিরাজাম মুনিরা
  2. অনল প্রবাহ
  3. প্রেমের সমাধি
  4. শান্তিধারা
সঠিক উত্তর:
সিরাজাম মুনিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজাম মুনিরা
ব্যাখ্যা
সিরাজাম মুনিরা:
- সিরাজাম মুনিরা ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত কাব্য।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে।
- এই কাব্যে মোট কবিতা হচ্ছে ১৯ টি।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে সিরাজাম মুনিরা।

ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি, 
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম, 
- মুহূর্তের কবিতা, 
- ধোলাই কাব্য, 

অন্যদিকে:
• অনল প্রবাহ = সৈয়দ ইসমাইল হোসেন শিরাজী।
• প্রেমের সমাধি = মোহাম্মদ নজিবর রহমান।
• শান্তিধারা = মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
৩) সিরাজাম মুনিরা কাব্যগ্রন্থ। 
১,০৮৪.
'সংস্কৃতির সংকট' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. বদরুদ্দীন উমর
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা
• 'সংস্কৃতির সংকট' গ্রন্থের রচয়িতা বদরুদ্দীন উমর।

• বদরুদ্দীন উমর:

- তিনি ২০শে ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি 'সংস্কৃতি' সাময়িকী সম্পাদনা করেন।

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ:
- সাম্প্রদায়িকতা,
- সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা,
- পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি,
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ,
- যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ,
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ,
- ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ,
- বঙ্গভঙ্গ ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি,
- সংস্কৃতির সংকট ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৮৫.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রধানত-
  1. ক) ভাষাতত্ত্ববিদ
  2. খ) সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা
  3. গ) ইসলাম প্রচারক
  4. ঘ) সমাজ সংস্কারক
সঠিক উত্তর:
ক) ভাষাতত্ত্ববিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাষাতত্ত্ববিদ
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ।
১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
১৯৫৯ সালে প্রকাশিত 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
তাঁর ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ,
-ভাষা ও সাহিত্য
-বাঙ্গালা ব্যাকরণ
-বাংলা সাহিত্যের কথা
-বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ইত্যাদি।
এছাড়া তিনি 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনা করেন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১,০৮৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কে “চেনাকন্ঠ” ছদ্মনামে শব্দসৈনিক হিসাবে পরিচিত ছিলেন?
  1. ক) শামসুর রাহমান
  2. খ) সৈয়দ আলী আহসান
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজী অনুবাদ করেন। তার প্রবন্ধগ্রন্থ সমূহঃ গল্পসঞ্চয়ন ( ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর সহযোগে), বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (মুহম্মদ আবদুল হাই - এর সাথে যৌথভাবে), নজরুল ইসলাম, কবি মধুসূদন, কবিতার কথা, সাহিত্যের কথা, সতত স্বাগত ইত্যাদি। উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
১,০৮৭.
বাংলা সাহিত্যের 'অবক্ষয় যুগ' এর সময়কাল কোনটি?
  1. ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রি.
  2. ১৭৩০ থেকে ১৮০০ খ্রি.
  3. ১৭৬০ থেকে ১৮৫০ খ্রি.
  4. ১৭০০ থেকে ১৮৬০ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রি.
ব্যাখ্যা
যুগসন্ধির কাল:
- ১২০১-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়টাকে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ হিসেবে ধরা হয়।
- আর ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ - বর্তমান হচ্ছে আধুনিক যুগ।
- এর মধ্যে ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাংলা সাহিত্যের 'যুগসন্ধির কাল' বলা হয়। মধ্যযুগের শেষ ও আধুনিকযুগের সূচনালগ্নের এই শত বছরে চলেছে একটি নীরব প্রস্তুতি। এই প্রস্তুরি প্রধান পুরোহিত ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে 'যুগসন্ধির কাল' বা 'যুগসন্ধিক্ষণ' বা 'অবক্ষয় যুগ' বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০৮৮.
'আমাদের সংস্কৃতি' প্রবন্ধের রচয়িতা কে? 
  1. আবু জাফর শামসুদ্দিন 
  2. আনিসুজ্জামান
  3. আবুল হাসান 
  4. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সঠিক উত্তর:
আনিসুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা

• 'আমাদের সংস্কৃতি':
​ - আনিসুজ্জামান রচিত  'আমাদের সংস্কৃতি'  বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশের উৎসব (২০০৮) গ্রন্থ থেকে সংকলিত। 
​ ​- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহু প্রাচীন। 
​ ​- আদিকাল হতে বর্তমান কাল পর্যন্ত বাংলার সংস্কৃতিতে যোগ হয়েছে বিশ্বের নানা জাতির সংস্কৃতি। 
​ ​- এতে আমাদের সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হয়েছে, বহুমাত্রিকতা লাভ করেছে। 
 ​- ​তা সত্ত্বেও বাংলার প্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের সংস্কৃতিকে দান করেছে স্বাতন্ত্র্য। 
 ​- ​আর তা হলো আমাদের লোকসংস্কৃতি। 
​ ​- আমাদের সাহিত্য, সংগীত, চিত্রকলা, মাটির ভাস্কর্য, কারুশিল্প, বয়ন শিল্পের রয়েছে সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। 
​ ​- মূলত 'আমাদের সংস্কৃতি' প্রবন্ধে উপস্থাপিত হয়েছে বাঙালি ও বাংলা অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য। 
​ ​- এ প্রবন্ধ আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি, মানবিকতাবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বিদ্রোহী ভাবনা সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।

​​• আনিসুজ্জামান: 
- ​আনিসুজ্জামান ১৯৩৭ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- ​তাঁর ঢাকার প্রিয়নাথ হাইস্কুল থেকে তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। 
- ​জগন্নাথ কলেজ থেকে আই.এ. এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
-​ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 
-​অধ্যাপক আনিসুজ্জামান গবেষক ও প্রাবন্ধিক।
​- ​সাহিত্য ও গবেষণায় কৃতিত্বের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদকসহ প্রচুর সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ২০২০ সালের ১৪ই মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন

-​ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো: 
- ​মুসলিম বাংলার সাময়িক পত্র, 
​- স্বরূপের সন্ধানে, 
​- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি, 
​- পুরোনো বাংলা গদ্য ইত্যাদি। 

​উৎস: সাহিত্যপাঠ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২৫ সংস্করণ।

১,০৮৯.
কবি শামসুর রাহমানের 'আদিগন্ত নগ্ন প্রতিধ্বনি' প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৯০
  4. ঘ) ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
কবি শামসুর রাহমান রচিত 'আদিগন্ত নগ্ন প্রতিধ্বনি' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৪ সালে। 

- কবি, সাংবাদিক শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- আঠারো বছর বয়সে শামসুর রাহমান প্রথম কবিতা লেখা আরম্ভ করেন।
- ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘উনিশ শ’উনপঞ্চাশ’ প্রকাশিত হয় নলিনীকিশোরগুহ সম্পাদিত সোনার বাংলা পত্রিকায়। 

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০)
- রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩)
- বিধ্বস্ত নিলীমা (১৯৬৭)
- নিরালোকে দিব্যরথ (১৯৬৮)
- নিজ বাসভূমে (১৯৭০)
- বন্দী শিবির থেকে(১৯৭২)
- আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি (১৯৭৪)
- এক ধরনের অহংকার (১৯৭৫
- আমি অনাহারী (১৯৭৬)
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে (১৯৭৭) 
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে (১৯৭৮)
- প্রেমের কবিতা (১৯৮১)
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে (১৯৮৩) 
- অস্ত্রে আমার বিশ্বাস নেই (১৯৮৫)
- হোমারের স্বপ্নময় হাত (১৯৮৫) ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৯০.
'ফুড কনফারেন্স' গল্পগ্রন্থটি কার রচনা?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. কাজী ইমদাদুল হক
  4. কাজী আবদুল ওদুদ
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
• 'ফুড কনফারেন্স' গল্পগ্রন্থ:
আবুল মনসুর আহমদ রচিত ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪) একটি গল্পগ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৩৫০ সালের (পঞ্চাশের মন্বন্তর) দুর্ভিক্ষের বাস্তব করুণ চিত্র বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আকার চেষ্টা করেছেন।
- এই গ্রন্থে মোট ৯টি গল্প রয়েছে।

-----------------
• আবুল মনসুর আহমেদ:
- আবুল মনসুর আহমদ একজন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- তিনি ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি খিলাফত, অসহযোগ, স্বরাজ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

• গল্পগ্রন্থ:
- আয়না,
- ফুড কনফারেন্স,  
- আসমানী পর্দা।

• স্মৃতিকথা:
- আত্মকথা (১৯৭৮, আত্মজীবনী),
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর,
- শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সত্যমিথ্যা,
- জীবন ক্ষুধা,
- আবে-হায়াৎ
- অন্যান্য রচনা
- বাংলাদেশের কালচার। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৯১.
নিচের কোনটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন?
  1. একেই কি বলে সভ্যতা 
  2. বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রো
  3. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  4. কুলীনকুলসর্বস্ব
সঠিক উত্তর:
বিয়ে পাগলা বুড়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়ে পাগলা বুড়ো
ব্যাখ্যা
- দীনবন্ধু মিত্র রচিত উল্লেখযোগ্য প্রহসনগুলি হচ্ছে:
বিয়ে পাগলা বুড়ো (১৮৬৬),
সধবার একাদশী (১৮৬৬) 

- মাইকেল মুধুসূধন দত্ত রচিত প্রহসনগুলোর নাম 
- একেই কি বলে সভ্যতা 
- বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রো

- রামনারায়ণ তর্করত্ন বাংলা প্রহসন রচনার পথিকৃৎ। তাঁর শ্রেষ্ঠ প্রহসন হচ্ছে কুলীনকুলসর্বস্ব। 

[উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
১,০৯২.
উপজাতীযর জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত উপন্যাস -
  1. সংশপ্তক
  2. দুই সৈনিক
  3. কর্ণফুলী
  4. খোয়াবনামা
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
'কর্ণফুলী' উপন্যাস:
- সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস কর্ণফুলী।
- তাঁর 'কর্ণফুলী' উপন্যাস পাহাড় সমুদ্র ঘেরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- উপন্যাসে চাকমা উপজাতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- আদিবাসী রাঙ্গামিলা, প্রেমিক দেওয়ানপুত্র (চাকমা), বাঙালি ইসমাইল, জলি, রমজান প্রমুখের জীবন যাপন ও প্রণয় এ উপন্যাসে বর্ণিত।
- উপজাতীযর জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত চাকমাদের জীবন সংগ্রামের চিত্র এ উপন্যাসের উপজীব্য।
- এতে চাকমা ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।

আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক ছিলেন।
- জন্ম ৬ মে ১৯৩২ সালে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ স্নাতক (১৯৫৩) ও স্নাতকোত্তর (১৯৫৪)।
-তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটির বিষয়বস্ত্ত অবলম্বনে বসুন্ধরা নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগন্থ: 
- জেগে আছি,
- ধানকন্যা,
- জীবন জমিন প্রভৃতি।

তাঁর উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র,
- কর্ণফুলী,
- শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন,
- ক্ষুধা ও আশা,
- শ্যামল ছায়ার সংবাদ।

নাটক:
- ধন্যবাদ,
- নিঃশব্দ যাত্রা,
- নরকে লাল গোলাপ।

কাব্যগ্রন্থগুলো মধ্যে:
- মানচিত্র,
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ,
- লেলিহান পান্ডুলিপি,
- নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ, 
- সাজঘর,
- শ্রেষ্ঠ কবিতা।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৯৩.
'কৃষ্ণপক্ষ' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কাজী ইমদাদুল হক
  2. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. এস ওয়াজেদ আলি
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী:
- তিনি ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর বরিশালের উলানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম 'ডানপিটে শওকত' (১৯৫৩)। এটি একটি শিশুতোষ গ্রন্থ।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম 'কৃষ্ণপক্ষ' (১৯৫৯)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম 'চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান' (১৯৬০)।
- তিনি ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো / একুশে ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি।' গানটি রচনা করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক 'পলাশী থেকে ধানমন্ডি' চলচ্চিত্রের কাহিনি রচনা করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা ও
- শেষ রাত্রির চাঁদ।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- সম্রাটের ছবি,
- সুন্দর হে সুন্দর।

তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৯৪.
"সাবাস বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়ঃ জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।" উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. রফিক আজাদ
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. অমিয় চক্রবর্তী 
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

- তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- মিঠেকড়া,
- অভিযান,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ ইত্যাদি।

- তাঁর বিখ্যাত কিছু উক্তি:
• 'হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলাদেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে।',
• 'অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুদ্র স্বদেশ ভূমি।',
• 'ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।',
• 'সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়, জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।',
• 'এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার অঙ্গীকার।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১,০৯৫.
ইয়ং বেঙ্গল কত সালে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ১৮৩১ সালে
  2. ১৮৪২ সালে
  3. ১৯২৬ সালে
  4. ১৮৩২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালে
ব্যাখ্যা
• 'ইয়ং বেঙ্গল' ১৮৩১  সালে আত্মপ্রকাশ করে।

'ইয়ং বেঙ্গল':
- যুক্তি ও মানবাধিকারের শপথ নিয়ে ইংরেজি ভাবধারা পুষ্ট বাঙালি যুবকদের 'ইয়ং বেঙ্গল' ছাত্রগোষ্ঠী বলা হত।
- 'ইয়ং বেঙ্গল' এর  প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন 'হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও'।
- নব্য উচ্ছৃঙ্খল ইয়ং বেঙ্গলদের কটাক্ষ করে মাইকেল মধুসূদন তার বিখ্যাত প্রহসন 'একেই কি বলে সভ্যতা' রচনা করেছেন।
- 'ইয়ং বেঙ্গল' এর মুখপত্র ছিল 'জ্ঞানাণ্বেষণ'।এর সম্পাদক ছিলেন দক্ষিণারঞ্জন মজুমদার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
১,০৯৬.
'রাইফেল রোটি আওরাত' কার রচনা?
  1. ক) আবু জাফর সামসুদ্দিন
  2. খ) আনোয়ার পাশা
  3. গ) মাযহারুল ইসলাম
  4. ঘ) সরদার জয়েনউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
খ) আনোয়ার পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে রচিত ও তার অব্যবহিত পরেই প্রকাশিত অন্যতম উপন্যাস - 'রাইফেল রোটি আওরাত'।
উপন্যাসটি ১৯৭১ সালে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে রচিত এবং এটিই মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রথম রচিত উপন্যাস। কিন্তু এটি প্রকাশিত হয় - ১৯৭৩ সালে।
উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র - অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন।
অন্যান্য চরিত্র - আওয়ামী লীগ নেতা জামাল সাহেব, কমিউনিস্ট কর্মী বুলা, কট্টর পাকিস্তানপন্থী - ড. খালেক, সুবিধাভোগী ড. মালেক প্রমুখ।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

১,০৯৭.
'আধ্যাত্মিকা' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. প্যারীচাঁদ মিত্র
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. দামোদর বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
প্যারীচাঁদ মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা
• ‘আধ্যাত্মিকা’ প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত একটি উপন্যাস।
- গ্রন্থটি ১৮৮০ সালে প্রকাশিত হয়।

----------------------
• প্যারীচাঁদ মিত্র:

- প্যারীচাঁদ মিত্র ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী। তিনি ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর ছদ্মনাম 'টেকচাঁদ ঠাকুর'।
- ১৮২৭ সালে তিনি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন এবং খ্যাতিমান শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর তত্ত্বাবধানে থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন।
- কলকাতা পাবলিক লাইব্রেরির ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান হিসেবে ১৮৩৬ সালে প্যারীচাঁদ মিত্রের কর্মজীবন শুরু হয়।
- বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ প্যারীচাঁদ মিত্র।
- সাহিত্যক্ষেত্রে প্যারীচাঁদ মিত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব 'আলালের ঘরের দুলাল', যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে খ্যাত।
- বাংলা- সাহিত্যেও তিনি একটি বিশেষ স্থান জুড়ে আছেন। তাঁরই চেষ্টায় অল্পশিক্ষিতা মহিলাদের উপযোগী একটি মাসিক-পত্রিকা বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। নাম- 'মাসিক পত্রিকা'। প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল- ১৬ আগস্ট ১৮৫৪।

প্যারীচাঁদের রচিত বাংলা গ্রন্থের সংখ্যা নিতান্ত অল্প নয়। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- আলালের ঘরের দুলাল,
- মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়,
- রামারঞ্জিকা,
- কৃষি পাঠ,
- গীতাঙ্কু,
- যৎকিঞ্চিৎ,
- অভেদী,
- ডেভিড হেয়ারের জীবন চরিত,
- এতদ্দেশীয় স্ত্রীলোকদিগের পূর্ব্বাবস্থা,
- বামাতোষিণী।

উৎস: 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের লেখক জীবনী এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৯৮.
রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত ছিলেন-
  1. বিষ্ণু দে
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. বুদ্ধদেব বসু
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা ‘বঙ্গসুন্দরী’।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদা মঙ্গল।

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল,
- প্রেমপ্রবাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৯৯.
‘নিতাই’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের প্রধান চরিত্র?
  1. পঞ্চপুণ্ডলী
  2. কবি
  3. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
  4. ধাত্রীদেবতা
সঠিক উত্তর:
কবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবি
ব্যাখ্যা
'কবি' উপন্যাস:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'।
- ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হচ্ছে নিতাই।
- উপন্যাসের ক্লাসিক সংলাপ- 'এই খেদ আমার মনে, ভালবেসে মিটলোনা সাধ, কুলালোনা এই জীবনে। হায়! জীবন এতো ছোট ক্যানে? এই ভুবনে। '

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

তাঁর প্রসিদ্ধ ছোটগল্প:
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া; 'কবি' উপন্যাস।
১,১০০.
নিচের কোনটি সুফিয়া কামালের লেখা গল্প?
  1. ক) কেয়ার কাঁটা
  2. খ) সাঁঝের মায়া
  3. গ) মন ও জীবন
  4. ঘ) অভিযাত্রিক
সঠিক উত্তর:
ক) কেয়ার কাঁটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কেয়ার কাঁটা
ব্যাখ্যা
বেগম সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে। 
- তাঁর পৈত্রিক নিবাস কুমিল্লায়।

তাঁর প্রকাশিত কবিতা:
- সাঁঝের মায়া
- মায়া কাজল 
- মন ও জীবন
- উদাত্ত পৃথিবী
- অভিযাত্রিক 
- মোর যাদুদের সমাধি পরে ইত্যাদি।

তাঁর প্রকাশিত গল্প: 
- কেয়ার কাঁটা 

তাঁর শিশুতোষ গ্রন্থ:
- ইতল বিতল
- নওল কিশোরের দরবারে 

তাঁর আত্মজীবনী:
- একালে আমাদের কাল

তাঁর ডায়েরি:
- একাত্তরের ডায়রী

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া