• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কবিতা নয়- “নদীর গান”।
- “নদীর গান” কবিতার রচয়িতা জীবনানন্দ দাশ।
----------------------
• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ:
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ছিলেন একজন প্রতিবাদী ও রোমান্টিক কবি, গীতিকার এবং সাহিত্যিক।
- তিনি ১৬ অক্টোবর ১৯৫৬ সালে বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলায়।
- তার প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- পরে তিনি ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি গ্রহণ করেন।
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ তাঁর ছাত্রজীবনেই দুটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন—
- ‘উপদ্রুত উপকূল’ এবং ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’।
- তাঁর কবিতায় বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
- সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার’ অর্জন করেন।
- মাত্র ৩৫ বছর বয়সে ২১ জুন ১৯৯১ সালে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
- স্বল্পায়ু জীবনে তিনি একাধিক কাব্যগ্রন্থ এবং অসংখ্য গান রচনা করেছেন।
• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো:
বাতাসে লাশের গন্ধ,
চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়,
আমি সেই অভিমান,
অভিমানের খেয়া,
খুব কাছে এসো না,
কথা ছিলো সুবিনয়,
হে আমার বিষণ্ণ সুন্দর,
আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে (গীতি কবিতা),
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প,
পরাজিত নই, পলাতক নই।
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবদ্দশায় প্রকাশিত প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো:
- উপদ্রুত উপকূল,
- ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম,
- মানুষের মানচিত্র,
- ছোবল,
- গল্প, দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ।
- তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে:
- এক গ্লাস অন্ধকার (কাব্যগ্রন্থ),
- বিষ বিরিক্ষের বীজ (কাব্যনাট্য),
- সোনালী শিশির (গল্পগ্রন্থ)।
- এছাড়া, তিনি ‘ভালো আছি ভালো থেকো' গান রচনা করেছেন ও সুর দিয়েছেন।
- এবং এই গানটিসহ তিনি অর্ধশতাধিক গান রচনা করেছেন ও সুর দিয়েছেন।
উৎস:
বাংলা কবিতা [ লিঙ্ক];
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।