বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

মোট প্রশ্ন২,০১৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

PrepBank · পাতা ১৯ / ২১ · ১,৮০১১,৯০০ / ২,০১৭

১,৮০১.
কোন ডিভাইসটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. মাউস
  2. স্ক্যানার
  3. প্রজেক্টর
  4. কীবোর্ড
সঠিক উত্তর:
প্রজেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮০২.
Which function key is used to open the Help menu in most software applications?
  1. F1
  2. F3
  3. F7
  4. F10
সঠিক উত্তর:
F1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F1
ব্যাখ্যা

• অধিকাংশ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনে Help মেনু দ্রুত চালু করার জন্য কিবোর্ডের F1 Function Key ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী (Function Key):
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত কিবোর্ডের উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২টি Function Key থাকে।
- প্রতিটি ফাংশন কী নির্দিষ্ট শর্টকাট কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

• F1–F12 ফাংশন কী-এর ব্যবহার:
- F1 → সাধারণত Help মেনু চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F2 → নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F3 → দ্রুত Search বা খোঁজার অপশন চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F4 → Alt + F4 চাপলে বর্তমান সক্রিয় উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 → ব্রাউজার বা ডেস্কটপ Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 → ব্রাউজারের Address Bar সিলেক্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- F7 → Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 → Windows চালুর সময় Safe Mode চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 → QuarkXPress-এর Measurement Toolbar চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 → Menu Bar চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F11 → Full Screen Mode চালু বা বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
- F12 → ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি টাইপিং পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- F3 → দ্রুত Search বা খোঁজার অপশন চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F7 → Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F10 → অধিকাংশ সফটওয়্যারে Menu Bar সক্রিয় করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট এবং ব্রিটানিকা।

১,৮০৩.
নিচের কোনটি বাংলা লেখার ফন্ট?
  1. ক) Corsiva
  2. খ) Sutonny
  3. গ) Tahoma
  4. ঘ) Cosmic
সঠিক উত্তর:
খ) Sutonny
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Sutonny
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ড প্রসেসরে লেখালেখি করার জন্য বিভিন্ন স্টাইলের অক্ষর আছে, এদেরকে ফন্ট বলে।
- ইংরেজিতে লেখার কিছু ফন্ট -Times New Roman, Arial, Monotype, Corsiva, Optima, Cosmic, Tahoma ইত্যাদি।
- আবার বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ফন্টগুলাের মধ্যে রয়েছে আদর্শলিপি, সুলেখা, সারদা, আনন্দ, সুশ্রী, মেঘনা, চন্দ্রবর্তী, সুতন্নী, যমুনা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৮০৪.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ? 
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. জয়স্টিক
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
জয়স্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো - 
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৫.
কমপিউটারের কী বোর্ড F5  কী কাজে ব্যবহত হয়?
  1. প্রোগ্রাম বন্ধ করা
  2. পেইজ রিফ্রেশ
  3. ভুল বের করা
  4. ফুলস্ক্রিন দেখা
সঠিক উত্তর:
পেইজ রিফ্রেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেইজ রিফ্রেশ
ব্যাখ্যা
→ কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১,৮০৬.
বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে কোন মেমোরি থেকে তথ্য চলে যায়?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) SSD
  4. ঘ) Flash memory
সঠিক উত্তর:
ক) RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) RAM
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• র‍্যাম (RAM) এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৭.
কী- বোর্ডে Esc কী কাজ করে?
  1. কমান্ড বাতিল করা
  2. Undo করা
  3. Redo করা
  4. Document save করা
সঠিক উত্তর:
কমান্ড বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমান্ড বাতিল করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) কমান্ড বাতিল করা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Esc : Cancel a command.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

১,৮০৮.
ভোলাটাইল মেমরির উদাহরণ কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. চৌম্বক কোর মেমরি
  4. চৌম্বক টেপ
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৯.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. হেডফোন
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোফোন
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোন এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: কী-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- উদাহরণ: পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮১০.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি সম্ভব হয়েছিল?
  1. BIOS প্রযুক্তি
  2. LSI প্রযুক্তি
  3. VLST প্রযুক্তি
  4. CMOS প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
LSI প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LSI প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি সম্ভব হয়েছিল। 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
১,৮১১.
নিম্নলিখিত কোনটি পেরিফেরাল ডিভাইস হিসেবে গণ্য করা হয় না?
  1. মাদারবোর্ড
  2. প্রিন্টার
  3. মনিটর
  4. মাউস
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

• পেরিফেরাল ডিভাইস হলো সেই সমস্ত হার্ডওয়্যার যেগুলো কম্পিউটারের মূল অংশ বা সিপিইউ-এর বাইরে থাকে এবং তথ্য ইনপুট বা আউটপুটের কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, মাউস, কিবোর্ড, মনিটর এবং প্রিন্টার পেরিফেরাল ডিভাইস হিসেবে গণ্য হয় কারণ এগুলো ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের মূল সার্কিট বোর্ড যা সিপিইউ, র‍্যাম, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্টকে সংযুক্ত রাখে। এটি কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অংশ, এবং পেরিফেরাল হিসেবে বিবেচিত হয় না। তাই, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে মাদারবোর্ড পেরিফেরাল ডিভাইস নয়।

- উত্তর: ক) মাদারবোর্ড।
 
• কম্পিউটার  পেরিফেরাল:
- যে সকল হার্ডওয়ার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের কার্যাবলীকে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করতে সাহায্য করে ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাকে কম্পিউটার পেরিফেরাল বলে।

• কম্পিউটার পেরিফেরাল কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়-
-  ইনপুট পেরিফেরাল: কীবোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি।
-  অউটপুট পেরিফেরালl: মনিটর, প্রিন্টার।
- স্টোরেজ পেরিফেরাল: CD ROM, DVD drives।

•  কিন্তু মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরের একটি মূল (core) কম্পোনেন্ট, যেটি CPU, RAM, হার্ডডিস্কসহ সব কম্পোনেন্টকে সংযুক্ত করে রাখে। এটি কোনও ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস নয় এবং এটি পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে পড়ে না।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.

১,৮১২.
সাধারণভাবে SSD গুলো HDD এর চেয়ে ______।
  1. দ্রুত 
  2. ধীর 
  3. বড়
  4. শব্দ বেশি করে
সঠিক উত্তর:
দ্রুত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত 
ব্যাখ্যা

• সাধারণভাবে, SSD (Solid State Drive) গুলো HDD (Hard Disk Drive) এর চেয়ে অনেক দ্রুত। কারণ SSD-এ কোনো চলমান অংশ নেই, বরং এটি NAND ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। HDD-তে ঘূর্ণায়মান ডিস্ক এবং রিড/রাইট হেড থাকে, যা ডেটা অ্যাক্সেসকে ধীর করে। SSD ডেটা পড়া ও লেখা উভয় ক্ষেত্রেই অনেক দ্রুত, তাই সিস্টেম বুট, অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ এবং ফাইল ট্রান্সফার প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত হয়। এছাড়া SSD কম শব্দ করে এবং কম শক্তি ব্যবহার করে, যা ল্যাপটপ এবং মোবাইল ডিভাইসের জন্য সুবিধাজনক। তাই, দ্রুততা এবং স্থায়িত্বের কারণে SSD আজকাল বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

সঠিক উত্তর: ক) দ্রুত।

• SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

• এছাড়াও, 
- HDD: মেকানিক্যাল ঘূর্ণন ভিত্তিক, তুলনামূলক ধীর।
- Floppy Disk: খুব ধীর, প্রায় পুরনো প্রযুক্তি।
- SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক, অত্যন্ত দ্রুত।
- SSHD: হাইব্রিড, HDD-এর চেয়ে দ্রুত কিন্তু SSD-এর তুলনায় ধীর।
- সবচেয়ে দ্রুত: SSD.

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮১৩.
SIM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে-
  1. ক) Superior Intelligent Machine
  2. খ) Subscriber Identity Module
  3. গ) Subscriber Intelligent Machine
  4. ঘ) Super Identity Machine
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) Subscriber Identity Module
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Subscriber Identity Module
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১,৮১৪.
মাদারবোর্ডে কোন গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার থাকে?
  1. HDD
  2. SSD
  3. GPU
  4. BIOS
সঠিক উত্তর:
BIOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIOS
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ডে BIOS নামে গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার থাকে।

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে। 
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। ব্রিটানিকা
১,৮১৫.
মনিটর সাধারণত কয় ধরনের হয়ে থাকে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• মনিটর:
- মনিটর হলো কম্পিউটারের একটি প্রধান আউটপুট ডিভাইস, যা দেখতে অনেকটা টেলিভিশনের মতো।
- টিটিভি কার্ড ব্যবহার করে মনিটরে টেলিভিশন স্টেশনের সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান দেখা সম্ভব।

মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor),
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor),
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor) এবং
৪. এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮১৬.
কোন কী কমান্ড দিয়ে লেখা পেস্ট করা হয়?
  1. Shift + S
  2. Shift + V
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + V
সঠিক উত্তর:
Ctrl + V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + V
ব্যাখ্যা
Ctrl + V কী কমান্ড দিয়ে লেখা পেস্ট করা হয়।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + O Open a document.
- Ctrl + N Create a new document.
- Ctrl + S Save the document.
- Ctrl + W Close the document.
- Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.
- Ctrl + E Center the text.
- Ctrl + L Align the text to the left.
- Ctrl + R Align the text to the right.
- Esc Cancel a command.
- Ctrl + Z Undo the previous action.
- Ctrl + Y Redo the previous action, if possible.
- Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
১,৮১৭.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. OMR
  2. Plotter
  3. Image Setter
  4. Printer
সঠিক উত্তর:
OMR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OMR
ব্যাখ্যা

OMR (Optical Mark Recognition) হলো একটি ইনপুট ডিভাইস। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
- উদাহরণ:
-কি-বোর্ড (Keyboard), 
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball), 
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- লাইটপেন (Light pen), 
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
- আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer), 
- প্লটার (Plotter), 
- স্পিকার (Speaker), 
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector), 
- ইমেজ সেটার (Image Setter), 
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- হার্ডডিস্ক, 
- সিডি বা ডিভিডি, 
- পেনড্রাইভ, 
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮১৮.
GIGO বলতে বোঝায়-
  1. কম্পিউটারের মেমরি।
  2. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ভুল সিনট্যাক্স।
  3. কম্পিউটারে ভুল তথ্য দেয়ায় ভুল ফলাফল প্রকাশ করা।
  4. কম্পিউটারে সাইবার আক্রমণ।
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারে ভুল তথ্য দেয়ায় ভুল ফলাফল প্রকাশ করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারে ভুল তথ্য দেয়ায় ভুল ফলাফল প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে যদি ভুল তথ্য দেয়া হয়, তাহলে কম্পিউটার ভুল ফলাফল প্রকাশ করে।
- কম্পিউটারের ভুলের এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Garbage In, Garbage Out (GIGO)।
- কম্পিউটারে ভুল তথ্য প্রদান করা হলে কম্পিউটার ভুল ফলাফল প্রকাশ করে থাকে।
- কম্পিউটারকে যা করতে বলা হবে, কম্পিউটার তাই করে দেখাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
১,৮১৯.
Which of the following is not a term of information technology?
  1. ক) Cyber space
  2. খ) Modem
  3. গ) Light storage
  4. ঘ) Upload
সঠিক উত্তর:
গ) Light storage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Light storage
ব্যাখ্যা
• Cyber space ( সাইবার জগৎ), Upload ( তথ্য সংযুক্ত করা) , Modem ( একটি নেটওয়ার্ক কানেক্টর) , তথ্য প্রযুক্তির বা Information Technology সংশ্লিষ্ট Term।
• Light storage বলতে কোনো storage হয় না।
• এখানে Optical storage হলে CD ROM বা DVD ROM - কে বোঝানো যেতো অথবা Light Pen হলে একটি ইনপুট ডিভাইসকে বুঝাতো।
১,৮২০.
RAM সম্পর্কিত সঠিক বিবৃতি কোনটি?
  1. পাওয়ার বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়
  2. এটি ডেটা চিরস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  3. হার্ড ডিস্কের তুলনায় এটি ধীর
  4. রম হিসেবে কাজ করে
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়
ব্যাখ্যা

• RAM সম্পর্কিত সঠিক বিবৃতিটি হলো ক) পাওয়ার বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়। RAM বা র‍্যান্ডম অ্যাকসেস মেমোরি একটি অস্থায়ী স্মৃতি মাধ্যম, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা সংরক্ষণ করে। কম্পিউটারের পাওয়ার বন্ধ হলে বা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে RAM-এ থাকা সব তথ্য মুছে যায়। এটি ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে না, তাই খ- অপশনটি ভুল। RAM হার্ড ডিস্কের তুলনায় অনেক দ্রুত, তাই গ- ভুল। এছাড়া RAM কখনোই ROM হিসেবে কাজ করে না, তাই ঘ- অপশনটিও সঠিক নয়।
 
• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮২১.
ওসিআর-এর প্রধান কাজ কী?
  1. ভিডিওতে ছবি শনাক্ত করা
  2. বারকোড স্ক্যান করা
  3. মুদ্রিত বা হাতে লেখা টেক্সট পড়া
  4. অডিও থেকে টেক্সট কনভার্ট করা
সঠিক উত্তর:
মুদ্রিত বা হাতে লেখা টেক্সট পড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রিত বা হাতে লেখা টেক্সট পড়া
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition.
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২২.
কম্পিউটার চালু করার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. Electronic Chip
  4. Hard Disk
সঠিক উত্তর:
Electronic Chip
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Chip
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার চালু করার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো একটি Electronic Chip-এ সংরক্ষিত থাকে, যেখানে BIOS ফার্মওয়্যার রাখা হয়।

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM → Random Access Memory, কম্পিউটারের প্রধান অস্থায়ী মেমোরি যেখানে চলমান প্রোগ্রামের ডেটা সংরক্ষণ হয়।
- Cache Memory → CPU-এর নিকটবর্তী উচ্চগতির ছোট মেমোরি, যা বারবার ব্যবহৃত ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Hard Disk → একটি magnetic secondary storage device, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; Encyclopaedia Britannica.

১,৮২৩.
মাইক্রোপ্রসেসর এবং প্রধান স্মৃতি (RAM/ROM) এর মধ্যে ব্যবহৃত মেমরিকে কী বলা হয়?
  1. রম (ROM)
  2. র‍্যাম (RAM)
  3. ক্যাশ মেমরি (Cache Memory)
  4. হার্ড ডিস্ক (Hard Disk)
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমরি (Cache Memory)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমরি (Cache Memory)
ব্যাখ্যা

◉ মাইক্রোপ্রসেসর (CPU) এবং প্রধান স্মৃতি (RAM/ROM) এর মধ্যবর্তী অস্থায়ী ডেটা স্টোরেজ হিসেবে ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়। 

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। - এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে।
- ক্যাশ মেমরি SRAM (Static RAM) দিয়ে তৈরি, যা DRAM (RAM-এ ব্যবহৃত) এর চেয়ে দ্রুত কিন্তু ব্যয়বহুল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮২৪.
ফ্লপি ডিস্ককে আজকাল অচল বা পুরনো প্রযুক্তি হিসেবে কেন ধরা হয়?
  1. এগুলো অনেক দামি
  2. এগুলো অনেক বড় এবং বহন করতে অসুবিধা হয়
  3. আধুনিক স্টোরেজের চেয়ে এগুলোর ক্যাপাসিটি কম
  4. এগুলোতে নতুন তথ্য রাইট করা যায় না
সঠিক উত্তর:
আধুনিক স্টোরেজের চেয়ে এগুলোর ক্যাপাসিটি কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধুনিক স্টোরেজের চেয়ে এগুলোর ক্যাপাসিটি কম
ব্যাখ্যা
• আজকের দিনে ফ্লপি ডিস্কের স্টোরেজ খুবই সীমিত, তাই আধুনিক ডিভাইস ও স্টোরেজ মিডিয়ার পরিবর্তে এগুলো ব্যবহৃত হয় না।
বর্তমান যুগে:
- একটি পেনড্রাইভে ১৬ জিবি, ৩২ জিবি বা তার চেয়েও বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- একটি মেমোরি কার্ড বা হার্ডড্রাইভ হাজার হাজার গুণ বেশি তথ্য রাখতে পারে।
- এমনকি একটি HD ছবি-ও ফ্লপি ডিস্কে রাখা যায় না, কারণ ছবির সাইজ ২-৫ মেগাবাইট হতে পারে।
- তুলনামূলকভাবে, ফ্লপি ডিস্কে আপনি মাত্র কিছু টেক্সট ডকুমেন্ট রাখতে পারবেন।

• ফ্লপি ডিস্ক:
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- আকৃতি ও ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

- ৮ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মিনি কম্পিউটারে এবং ৫.২৫ ইঞ্চি ও ৩.৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- ৫.২৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৩৬০ কিলোবাইট হতে ১.২ মেগাবাইট এবং ৩.৫ ইঞ্চি মাপের পর ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৭২০ কিলোবাইট থেকে ১.৪৪ মেগাবাইট পর্যন্ত।
- ফ্লপি ডিস্ক চালু অবস্থায় অনবরত ঘুরতে থাকে এবং ঘূর্ণনের গতি সাধারণত মিনিটে ৩০০ থেকে ৪৫০ বার।
- ফ্লপি ডিস্কের  প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২৫.
মাইক্রোপ্রসেসর মূলত কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  3. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  4. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
সঠিক উত্তর:
নির্দেশাবলী কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশাবলী কার্যকর করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসর হল কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা মূলত কম্পিউটারের বিভিন্ন নির্দেশাবলী কার্যকর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে এবং প্রয়োজনীয় আউটপুট তৈরি করে। মাইক্রোপ্রসেসর নিজে কোনো ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না এবং এটি RAM-এর ক্ষমতা বাড়ায় না। এছাড়া এটি সরাসরি সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কাজও করে না। মূলত, এটি সফটওয়্যার দ্বারা দেওয়া কম্পিউটারের সব ধরণের নির্দেশনা পড়ে এবং সেগুলো কার্যকর করে, যেমন গণনা করা, তথ্য প্রক্রিয়া করা, এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। তাই মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১,৮২৬.
একটি প্রিন্টারের আউটপুট এর মান পরিমাপ করা হয়-
  1. Dot per inch
  2. Dots per square inch
  3. Dots printed per unit
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Dot per inch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dot per inch
ব্যাখ্যা
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপানো যায় তাকে প্রিন্টার বলা হয়।
- অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা।
- প্রিন্টারের আউটপুটের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপক একক - ডিপিআই (DPI)।
- DPI এর পূর্ণরূপ হল- Dots Per Inch.
- PPM - Pages Per Minute এর মাধ্যমে প্রিন্টারের গতি পরিমাপ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,৮২৭.
কোনটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. ইয়াহু 
  2. বিং 
  3. ওপেরা
  4. গুগল 
সঠিক উত্তর:
ওপেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেরা
ব্যাখ্যা

- ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়- ওপেরা।
- ওপেরা একটি ওয়েব ব্রাউজার ।

- আজকাল কোনাে কিছু সার্চ করতে গেলেই সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হয়।
- যে সার্চ ইঞ্জিন যত দ্রুত ও যত ধরনে ব্যবহারকারীদের কাছে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাজির করতে পারে সে সার্চ ইঞ্জিনটি তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এ দিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিযােগিতায় এগিয়ে রয়েছে গুগল। নিচে উল্লেখযােগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেওয়া হলাে :

১. গুগল (https://www.google.com/)
২. বিং (https://www.bing.com/)
৩. ইয়াহু (https://www.yahoo.com/)
৪. আসক ডট কম (http://www.ask.com/)
৫. এওএল ডট কম (www.aol.com)
৬. ব্লেকো ডট কম (http://blekko.com/)
৭. উলফ্রাম আলফা(http://www.wolframalpha.com/)
৮. ডাকডাকগো (https://duckduckgo.com/)
৯. ওয়েব্যাক মেশিন (www.waybackmachine.org) [archive.org]
১০. চাচা ডট কম (http://www.chacha.com/)
১১. পিপীলিকা ডট কম [বাংলা সার্চ ইঞ্জিন] (www.pipilika.com/)

⇒ জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলোঃ
- Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome ইত্যাদি৷


উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১,৮২৮.
কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো প্রিন্টার কী হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) অ্যাডাপ্টার
  2. খ) হাব
  3. গ) রিসোর্স
  4. ঘ) সার্ভার
সঠিক উত্তর:
গ) রিসোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রিসোর্স
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো প্রিন্টার রিসোর্স হিসেবে কাজ করে। 
A resource is any hardware or software that's accessible by a computer, network, or another object connected to a computer. 
For example, a printer connected to a network is an example of a shared resource. 
Another example of a resource may be a network server farm or cluster that allows users to have access to multiple computers to perform complicated tasks.
 
উৎস: Computerhope.com
১,৮২৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা?
  1. গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা
  2. নির্ভুলভাবে কাজ করার ক্ষমতা
  3. অতি দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা
  4. বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। 
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। 
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়। 
- তাছাড়াও গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভরতার সাথে কম্পিউটার সম্পন্ন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই, মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। 
- কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৩০.
Workgroup Application নামক সার্ভিসটি কোন সার্ভারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. File Server
  2. Print Server
  3. Application Server
  4. Message Server
সঠিক উত্তর:
Message Server
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Message Server
ব্যাখ্যা
Workgroup Application নামক সার্ভিসটি Message Server এর অন্তর্ভুক্ত।
File Server এ ধরনের সার্ভার ফাইল ট্রান্সফার করার সুজগ দেয়।
Print Server এই সার্ভার একটি বা একাধিক প্রিন্টারকে নিয়ন্ত্রণ করে।
১,৮৩১.
DRAM-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Data Random Access Memory
  2. খ) Double Random Access Memory
  3. গ) Dynamic Random Access Memory
  4. ঘ) Decimal Random Access Memory
সঠিক উত্তর:
গ) Dynamic Random Access Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Dynamic Random Access Memory
ব্যাখ্যা
ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা:
১. SDRAM (Synchronous DRAM) ও
২. ASDRAM (Asynchronous DRAM).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৩২.
ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার এর গতি পরিমাপক একক কি?
  1. DPI (Dots per inch)
  2. CPS (Character per second)
  3. PPI (Pixel per inch)
  4. IPM
সঠিক উত্তর:
CPS (Character per second)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPS (Character per second)
ব্যাখ্যা

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।

আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে। এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।

এর গতি পরিমাপক একক CPS - Character per second.

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা থেকে-

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer)

এটি একটি সংস্পর্শ বা ধাক্কা প্রিন্টার। এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়। তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে। পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়।

প্রিন্টারে কাগজ ও প্রিন্টার হেডের মাঝে এক ধরনের কালিযুক্ত রিবন থাকে। যখন যে বর্ণ ছাপাতে হয় তখন সেই বর্ণের বিন্দুগুলোর অনুরূপ পিনগুলো প্রিন্ট হেড থেকে বেরিয়ে এসে কালি মাখানো রিবনকে কাগজের ওপর চেপে ধরে। ফলে সেই বর্ণের ডটগুলো, অর্থাৎ সেই বর্ণটি ছাপানো হয়ে যায়। একটি পুরো লাইন হয়ে গেলে কাগজ একটু সরে গিয়ে পরের লাইনে চলে আসে আর প্রিন্ট হেডও সেই সাথে বাঁ দিকে শেষ প্রান্তে সরে গিয়ে আবার ছাপাতে শুরু করে। তবে কিছু ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার উভয়মুখী, অর্থাৎ তারা বাম থেকে ডান এবং ডান থেকে বাম উভয় দিকেই ছাপাতে পারে। এতে ছাপানো অপেক্ষাকৃত দ্রুত হয়। 

বিভিন্ন ধরনের ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার পাওয়া যায়। যেমন ৭ × ৫, ৯ × ৭ ইত্যাদি। একটি ৭ × ৫ ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ৭টি সারি ও ৫টি স্তম্ভে মোট ৩৫টি পিন আটকানো থাকে। একটি বর্ণ প্রিন্ট করতে ৭টি ডট দিয়ে মোট ৫ বার ধাক্কা লাগে। এটাই হলো ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের মুলনীতি।

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৫০০টি বর্ণ ছাপানো যায় এবং লেখা ছাড়াও ছবি এবং গ্রাফ ছাপানো যায়।

১,৮৩৩.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. প্রিন্টার
  2. কীবোর্ড
  3. স্পিকার
  4. মনিটর
সঠিক উত্তর:
কীবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কীবোর্ড
ব্যাখ্যা

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৩৪.
কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়:
  1. নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. নির্দেশাবলী ডিকোড করা
  4. অ্যারিথমেটিক কাজ করা
সঠিক উত্তর:
অ্যারিথমেটিক কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিথমেটিক কাজ করা
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit) হলো সিপিইউ-এর (CPU) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার কাজ হলো নির্দেশনা ডিকোড করা, প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা এবং তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করা। এটি মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস এবং সিপিইউ-এর অন্যান্য অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। তবে কন্ট্রোল ইউনিট সরাসরি কোনো গণিত বা লজিক্যাল কাজ সম্পন্ন করে না। এসব কাজ করার দায়িত্ব অ্যারিথমেটিক অ্যান্ড লজিক ইউনিটের (ALU) ওপর। অর্থাৎ, কন্ট্রোল ইউনিট অ্যারিথমেটিক কাজ করে না, বরং ALU-কে সেই কাজের নির্দেশনা দেয়। তাই "অ্যারিথমেটিক কাজ করা" কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়।
 
• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৩৫.
৫টি আউটপুট লাইন বিশিষ্ট একটি এনকোডারে ইনপুট লাইন কয়টি?
  1. ৮ টি
  2. ১৬ টি
  3. ৩২ টি
  4. ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
৩২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ টি
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার হলো এক ধরনের সমবায় সার্কিট যা কোন ডেটা, সিগন্যাল বা সংকেতকে ডিজিটাল সিস্টেমে বোধগম্য কাঙ্ক্ষিত কোন কোডে পরিবর্তন করে।
- এনকোডারে কোন মুহুর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ ও বাকি সব ইনপুট ০ থাকে।
- একই সময়ে সকল ইনপুট ০ হয় না।
- সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট পাওয়া যায়।
- এখানে, ইনপুট 32 = 25 টি তাহলে, আউটপুট 5 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৮৩৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) ক্যামেরা
  2. খ) কার্ড রিডার
  3. গ) কীবোর্ড
  4. ঘ) হেডফোন
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেডফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেডফোন
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস: যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা

১,৮৩৭.
র‍্যাম কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা

র‌্যাম দুই ধরনের।
- DRAM (Dynamic RAM) ও
- SRAM (Static RAM)।
প্রথম দিকে পিসিতে DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় প্রকার RAM-ই ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৮৩৮.
কোন কোম্পানি ১৯৭২ সালে প্রথম ফিল্মলেস ইলেকট্রনিক ক্যামেরা উদ্ভাবন করে?
  1. Eastman Kodak Company
  2. Sony Corporation
  3. Texas Instruments Incorporated
  4. Apple Incorporated
সঠিক উত্তর:
Texas Instruments Incorporated
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Texas Instruments Incorporated
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ক্যামেরা:
- সনাতনী ফিল্ম এর পরিবর্তে মেমরী চিপের মধ্যে ছবি ধারণ করে রাখার ব্যবস্থা।
- ডিজিটাল ক্যামেরার মান হিসাব করা হয় মেগা পিক্সেল দিয়ে।
- টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টস ইনকর্পোরেটেড (Texas Instruments Incorporated) 1972 সালে প্রথম ফিল্মলেস ইলেকট্রনিক ক্যামেরা প্রকাশ্যে আনে।
- 1981 সালে সনি কর্পোরেশন একটি বাণিজ্যিক ইলেকট্রনিক মডেল বের করে, যা একটি ভিডিও ক্যামেরা থেকে ধারণ করা তথ্য সংরক্ষণ করতে একটি "মিনি" কম্পিউটার ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করে।
- ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানি (Eastman Kodak Company) 1991 সালে পেশাদার ডিজিটাল ক্যামেরা বিক্রি শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮৩৯.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Film Recorder
  2. Graphics pad
  3. Speaker
  4. Image setter
সঠিক উত্তর:
Graphics pad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Graphics pad
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৪০.
কোন প্রোগ্রাম ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় করে কম্পিউটারকে সক্রিয় রাখে?
  1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. খ) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. গ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  4. ঘ) কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারকে সক্রিয় রেখে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম পরিচালনা করে থাকে।
১,৮৪১.
নিচের কোনটি নন-ভোলাটাইল মেমরি?
  1. র‍্যাম
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. বাবল মেমরি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
বাবল মেমরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবল মেমরি
ব্যাখ্যা
-  Bubble Memory হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- Cache Memory এবং RAM হলো ভোলাটাইল মেমোরি। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৮৪২.
এক মেগাবাইটে কত বাইট?
  1. 210
  2. 220
  3. 230
  4. 215
সঠিক উত্তর:
220
উত্তর
সঠিক উত্তর:
220
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) : বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট। মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
 ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপঃ

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৮৪৩.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস? 
  1. হার্ডডিস্ক
  2. জয়স্টিক
  3. পেনড্রাইভ
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
সঠিক উত্তর:
জয়স্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়স্টিক
ব্যাখ্যা

পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৪৪.
কোন ধরনের প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. লেজার প্রিন্টার
  2. ইংকজেট প্রিন্টার
  3. থার্মাল প্রিন্টার
  4. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
সঠিক উত্তর:
লেজার প্রিন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেজার প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।

• লেজার প্রিন্টার:

- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM।
-  এ ধরনের প্রিন্টারের গতি সাধারণত 10,000 lpm (Line per Minute) ।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার ধীর গতি সম্পূর্ণ।
- ইংকজেট প্রিন্টারের ছাপানোর গতি ধীর গতি সম্পূর্ণ হয়ে থাকে।
- থার্মাল প্রিন্টারের ছাপানোর গতি সাধারণত 5,000 lpm হয়ে থাকে।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৪৫.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে ডেটা কোথায় মূলত সংরক্ষিত হয়?
  1. Platters
  2. Read/Write Head
  3. Cache Buffer
  4. BIOS
সঠিক উত্তর:
Platters
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Platters
ব্যাখ্যা
• Hard Disk Drive (HDD) হলো একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা কম্পিউটারে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। এতে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর সব ফাইল সংরক্ষিত থাকে।
হার্ডডিস্কে ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে রাইট ও রিড করা হয়।

• একটি হার্ডডিস্কের অভ্যন্তরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে,
যেমন: 
-  Platters (প্লাটার): মেটাল বা গ্লাসের চাকতি যেগুলোর ওপর ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে লেখা ও পড়া হয়।
-  Read/Write Head: প্রতিটি প্লাটারের জন্য একটি হেড থাকে, যা ডেটা রিড ও রাইট করে।
-  Spindle: প্লাটারগুলোকে ধরে রাখে এবং উচ্চ গতিতে ঘোরায়।
-  Actuator Arm: হেডগুলোকে সঠিক অবস্থানে চালিত করে।
-  Controller Board: হার্ডডিস্কের সার্কিট বোর্ড, যা ডেটা পরিচালনা করে।
-  Platters: Platter হলো একটি গোলাকার ডিস্ক, যা হার্ডডিস্কের প্রধান অংশ। এই প্লাটারে ডেটা সংরক্ষন করা হয়। প্রতিটি প্লাটার দুটি পৃষ্ঠে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

Platters-এর বৈশিষ্ট্য:
-  প্রতিটি প্লাটারকে ট্র্যাক, সেক্টর, ও সারফেস-এ ভাগ করা হয়।
- একাধিক প্লাটার হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত হয় স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়াতে।
- প্লাটার গ্লাস বা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি এবং উপরে মেগনেটিক লেয়ারে আবৃত থাকে।

অন্যদিকে,
Read/Write Head: এটি প্ল্যাটারের উপর ঘুরে ঘুরে ডেটা পড়ে ও লেখে, কিন্তু নিজে ডেটা সংরক্ষণ করে না।

Cache Buffer: এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যেটি দ্রুত ডেটা অ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে এটি মূল সংরক্ষণ স্থান নয়।

BIOS: BIOS মূলত মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার, এটি হার্ড ডিস্কের অংশ নয় এবং ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ৯ম-১০ম শ্রেণি
-  School of computer science, Carleton University.
-  “Computer Architecture: A Quantitative Approach” by Hennessy & Patterson.
১,৮৪৬.
ভার্চুয়াল মেমরি একটি কম্পিউটারকে সক্ষম করে:
  1. ফিজিক্যাল RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালাতে
  2. CPU-এর গতি বাড়াতে
  3. মনিটরের রেজোলিউশন বাড়াতে
  4. ইন্টারনেটের গতি উন্নত করতে
সঠিক উত্তর:
ফিজিক্যাল RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিজিক্যাল RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালাতে
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরি হলো একটি কম্পিউটার প্রযুক্তি যা ফিজিক্যাল RAM-এর সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে সাহায্য করে। যখন কোনো প্রোগ্রাম বা ডেটা RAM-এ পুরোপুরি রাখতে পারা যায় না, তখন অপারেটিং সিস্টেম হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অতিরিক্ত স্মৃতির মতো ব্যবহার করে। ফলে, কম্পিউটার RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রামও কার্যকরভাবে চালাতে পারে। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করলে প্রোগ্রামগুলো ধাপে ধাপে RAM এবং হার্ড ড্রাইভের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়, যা সিস্টেমকে স্থিতিশীল রাখে এবং প্রোগ্রাম ক্র্যাশ কমায়। এটি CPU-এর গতি বা ইন্টারনেটের গতি বাড়ায় না, এবং মনিটরের রেজোলিউশন উন্নত করে না। তাই ভার্চুয়াল মেমরির মূল সুবিধা হলো বড় প্রোগ্রাম চালানোর সক্ষমতা।

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- IEEE.

১,৮৪৭.
নিচের কোনটি প্রিন্টিং এর গুণগত মানের পরিমাপক?
  1. PPM
  2. DPI
  3. CPI
  4. CPS
সঠিক উত্তর:
DPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DPI
ব্যাখ্যা
Printing quality বলতে একটি প্রিন্টার দ্বারা উৎপাদিত হার্ড কপি বা প্রিন্ট আউটের গুণগতমানকে বোঝায়। Printing quality অনেকভাবে নির্ণয় করা যায়।

DPI (dots per inch) হল একটি প্রিন্টারের মুদ্রণের মানের একটি পরিমাপ। এক ইঞ্চি আনুভূমিক রেখা পরিমাণ জায়গায় প্রিন্টার মোট কতটি বিন্দু প্রিন্ট আউট করতে পারে তাকে DPI (dots per inch) বলে।

অন্যদিকে,
PPM (pages per minute) প্রিন্টারের প্রিন্টিং স্পীডকে বুঝায়।
CPI (characters per inch) হলো প্রিন্টেড ডকুমেন্টের ফন্ট সাইজের পরিমাপ।
CPS (characters per second) কী-বোর্ডের টাইপিং স্পীডের পরিমাপ।

উৎস: www.techopedia.com.
১,৮৪৮.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. Digitizer
  2. Lightpen
  3. Trackball
  4. Headphone
সঠিক উত্তর:
Headphone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Headphone
ব্যাখ্যা

◉ হেডফোন (Headphone) আউটপুট ডিভাইস (কম্পিউটার থেকে শব্দ শোনার জন্য)। এটি কোনো ডেটা ইনপুট করে না, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৪৯.
মডুলেটরের কাজ কী?
  1. ক) ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
  2. খ) অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করা।
  3. গ) ডিজিটাল সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করা।
  4. ঘ) অ্যানালগ সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
ব্যাখ্যা
মডুলেটরের কাজ হচ্ছে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা। 

- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
মডেমের দুটি অংশ। যথা- 
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)

- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন ।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

সূত্র: ৭০ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৮৫০.
কম্পিউটারের Heart বলা হয় কোনটিকে?
  1. Memory
  2. Monitor
  3. CPU
  4. Disks
সঠিক উত্তর:
CPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU
ব্যাখ্যা
- CPU এর পূর্ণরুপ Central Processing Unit
- কম্পিউটার ব্রেইন বা হার্ট বলতে CPU কে বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে বুঝায়।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- এটিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। 
 তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU গঠিত -
- ALU (Arithmetic Logic Unit),
- Control Unit এবং
- Memory/Register

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮৫১.
"Unipolar Memory" - এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. SRAM
  2. DRAM
  3. EPROM
  4. সবগুলোই Unipolar Memory
সঠিক উত্তর:
SRAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SRAM
ব্যাখ্যা
• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়। যথা-
১। বাইপোলার মেমরি ও
২। ইউনিপোলার মেমরি

• বাইপোলার মেমরি (Bipolar Memory):
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

• ইউনিপোলার মেমরি (Unipolar Memory):
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর (Complementary Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫২.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ইলেকট্রনিক্স বর্তনী হলো একটি-
  1. ক) অতি সাধারণ বর্তনী
  2. খ) অতি সস্তা দামের বর্তনী
  3. গ) অতি সহজ বর্তনী
  4. ঘ) অতি ছোট টুকরা সিলিকনের টুকরার উপর তৈরি অতি ক্ষুদ্র বর্তনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতি ছোট টুকরা সিলিকনের টুকরার উপর তৈরি অতি ক্ষুদ্র বর্তনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতি ছোট টুকরা সিলিকনের টুকরার উপর তৈরি অতি ক্ষুদ্র বর্তনী
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হলো সে বর্তনী যাতে বর্তনীর উপাংশগুলো একটি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গঠন করা হয় যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ চিপের অংশ। সাধারণভাবে মাইক্রো সার্কিট হলো ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের ক্ষুদ্রতম সমাবেশ। আইসি হলো এক ধরনের মাইক্রো সার্কিট। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে সাধারণত থাকে- রোধক, ধারক, ডায়োড, ট্রানজিস্টর ইত্যাদি।
১,৮৫৩.
কপিউটারের বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে কোনটি?
  1. GPU
  2. Memory
  3. Control Unit
  4. ALU
সঠিক উত্তর:
ALU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ALU
ব্যাখ্যা
ALU (গাণিতিক যুক্তি অংশ):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫৪.
টাচ স্ক্রিন কী রূপে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ইনপুট ডিভাইস
  2. খ) আউটপুট ডিভাইস
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
টাচ স্ক্রীনে টাচ করা মাত্রই ইনপুট হিসাবে প্রসেসরকে নির্দেশনা দেয় এবং টাচ করার পর ডিসপ্লেতে যেটা প্রদর্শিত হয় সেটা আউটপুট ডিভাইস। তাই টাচ স্ক্রিন ইনপুট আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কতিপয় কিছু ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হলো মডেম, পাঞ্চকার্ড, প্রিন্টার-স্ক্যানার ইত্যাদি।
১,৮৫৫.
ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি কোন মেমোরির?
  1. ক) কোর মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) প্রধান মেমোরি
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক মেমোরি
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধান মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধান মেমোরি
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো –
০১.  এ ধরণের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
০২.  প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম     প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
০৩. অ্যাকসেস সময় কম।
০৪. ধারণ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকে।
০৫. ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
০৬.  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরণের স্টোরেজ মিডিয়ায় সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।
১,৮৫৬.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. ফিল্ম রেকর্ডার
  2. ট্যাকবল
  3. লাইটপেন
  4. পয়েন্ট অফ সেল
সঠিক উত্তর:
ফিল্ম রেকর্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ম রেকর্ডার
ব্যাখ্যা
• ফিল্ম রেকর্ডার একটি আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:

- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- ইনপুট ডিভাইসসমূহ:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- ট্যাকবল,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্লটার,
- স্পিকার,
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর,
- ইমেজ সেটার,
- হেড ফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হলো:
- টাচস্ক্রিন,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫৭.
CPU-র রেজিস্টারের সংজ্ঞা কী?
  1. মেমোরি কার্ডের একটি ধরন
  2. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
  3. CPU-এর বাইরে একটি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা
  4. CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
সঠিক উত্তর:
CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

• উত্তর: CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ।

CPU-এর রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোট আকারের ডেটা স্টোরেজ ইউনিট। এগুলো প্রধানত তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে CPU দ্রুত গণনা ও প্রসেসিং করতে পারে। রেজিস্টার মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত, কারণ এগুলো সরাসরি প্রসেসরের অংশ। বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে, যেমন সাধারণ উদ্দেশ্যের রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর, স্ট্যাক পয়েন্টার, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ইত্যাদি। রেজিস্টার ডেটা লোড, সংরক্ষণ এবং অংক কষার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার CPU-কে কার্যকর ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সহায়তা করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৫৮.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ডিভিডি
  2. পেনড্রাইভ
  3. হার্ডডিস্ক
  4. বারকোড রিডার
সঠিক উত্তর:
বারকোড রিডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারকোড রিডার
ব্যাখ্যা
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বারকোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫৯.
Beep sound দেয় সাধারণত কোনটি নষ্ট হলে?
  1. COMS
  2. CUP
  3. ROM
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ শোনা যায়।
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উত্পাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে।
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে।

বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলির জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ। এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে, যেমন:

ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM:
কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলি বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র‌্যাম মডিউলগুলি পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।

অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM: যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলি মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ব্যর্থ RAM মডিউল: যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে।


 বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়,  নিম্নলিখিত সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপগুলি নেয়া যেতে পারে:

RAM মডিউলগুলি পুনরায় বসানো:
কম্পিউটারটি বন্ধ করুন, এটিকে পাওয়ার উত্স থেকে আনপ্লাগ করুন এবং সাবধানে তাদের স্লটে RAM মডিউলগুলি পুনরায় বসান৷

পৃথক মডিউল দিয়ে পরীক্ষা করা:
আপনার যদি একাধিক র‌্যাম মডিউল থাকে, তবে একটি নির্দিষ্ট মডিউল সমস্যা সৃষ্টি করছে কিনা তা শনাক্ত করতে পৃথকভাবে প্রতিটি পরীক্ষা করে দেখুন।

সামঞ্জস্যের জন্য পরীক্ষা করুন:
নিশ্চিত করুন যে RAM মডিউলগুলি আপনার মাদারবোর্ডের সাথে টাইপ , গতি এবং ক্ষমতার ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পরিচিত ভালো র‍্যাম দিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব হলে, মাদারবোর্ড বা অন্যান্য উপাদানের কোনো সমস্যা এড়াতে পরিচিত ভালো র‌্যাম মডিউল দিয়ে  কম্পিউটার পরীক্ষা করা যেতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮৬০.
80486 কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. 64 বিট
  2. 32 বিট
  3. 16 বিট
  4. 8 বিট
সঠিক উত্তর:
32 বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32 বিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।

• 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর:  4004, 4040.
• 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080.
•16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
• 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486.
• 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৬১.
Intel 486 কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. Mouse
  2. Hard Disk
  3. Microprocessor
  4. DVD
সঠিক উত্তর:
Microprocessor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microprocessor
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ। 
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে। 
- উদাহরণ: Intel 386, Intel 486, Pentium, Pentium Pro, Pentium II ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬২.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে কী বলে?
  1. মাদারবোর্ড
  2. মেইনবোর্ড
  3. সিস্টেম বোর্ড
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৩.
Which device is used as an input device?
  1. Monitor
  2. Speaker
  3. Joystick
  4. Projector
সঠিক উত্তর:
Joystick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joystick
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৪.
মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে কতটি পিন থাকে?
  1. ৯টি
  2. ১৪টি
  3. ১৮টি
  4. কোনটি সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে ৯টি পিন থাকে।
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার- এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৫.
MICR প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হয়:
  1. মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার
  2. ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ
  3. ইন্টারনেট ব্যবহার
  4. চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
সঠিক উত্তর:
চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা

• MICR প্রযুক্তি (Magnetic Ink Character Recognition) মূলত চেক প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। চেকের নীচে থাকা বিশেষ ধরনের চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষরগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া যায়। এটি ব্যাংকগুলিকে চেক দ্রুত এবং সঠিকভাবে যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণে সাহায্য করে। MICR ব্যবহার করে চেকের সংখ্যা, শাখার কোড এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা যায়, ফলে মানু‌ষিক ত্রুটি কমে এবং সময় সাশ্রয় হয়। এই প্রযুক্তি মোবাইল ব্যাংক, ক্লাউড স্টোরেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই MICR-এর মূল কাজ হলো চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

উত্তর: ঘ) চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৮৬৬.
'অভ্র' কী-বোর্ডের মূল উদ্ভাবক কে?
  1. জাফর ইকবাল
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. মেহেদি হাসান খান
  4. মোস্তাফা জব্বার
সঠিক উত্তর:
মেহেদি হাসান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেদি হাসান খান
ব্যাখ্যা
• অভ্র: 
- উচ্চারণভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অভ্র।
- অভ্র এর আভিধানিক অর্থ ‘আকাশ’।
- ২৬ মার্চ ২০০৩ সালে প্রাথমিক সংস্করণের উদ্ভাবন করেন অভ্র-এর মূল উদ্ভাবক মেহেদি হাসান খান।
- এটি ২০০৭ সালে বাজারে আসে এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- অভ্র ইউনিকোডভিত্তিক সফটওয়্যার।
- বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধুরী তৈরি করেন। 
- পরবর্তী সময়ে আসে বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত বিজয় সফটওয়্যার। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
২. [omicronlab]
১,৮৬৭.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. সিপিইউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৮.
ফ্ল্যাশ মেমোরি মূলত কোন ধরনের রমের (ROM) উদাহরণ?
  1. EEPROM
  2. PROM
  3. SRAM
  4. Mask ROM
সঠিক উত্তর:
EEPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
EEPROM
ব্যাখ্যা

• ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory)-এর একটি বিশেষ ধরণ।
- সাধারণ EEPROM-এ ডেটা বাইট অনুযায়ী মুছতে হয়, কিন্তু ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটার বড় বড় ব্লক একসাথে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে মোছা এবং পুনরায় লেখা যায়। এই দ্রুতগতির কারণেই একে "ফ্ল্যাশ" মেমোরি বলা হয়। 

• ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) হলো একটি নন ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বন্ধ থাকলেও এটি ডেটা ধরে রাখতে পারে। যেহেতু এর মাধ্যমে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, তাই এটি সাধারণত সেকেন্ডারি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

ফ্ল্যাশ মেমোরির ব্যাবহার:
- পেন ড্রাইভ (Pen Drive) -
- SSD (Solid State Drive)
- মেমোরি কার্ড (Memory Card)
- USB ডিভাইস ইত্যাদিতে।ট

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

১,৮৬৯.
নিচের কোনটি স্থায়ী মেমোরি?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) Cache memory
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ROM
ব্যাখ্যা
র‍্যাম (RAM) : আইসিটি পণ্য তথা কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাদারবোর্ডের সাথে র‍্যাম সংযুক্ত থাকে। প্রসেসর প্রাথমিকভাবে র‍্যামে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা করে। প্রসেসর RAM থেকে তথ্য নিয়ে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে। প্রসেসর র‍্যামের যে কোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে Random Access Memory বা সংক্ষেপে RAM বলা হয়। র‍্যামে তথ্য থাকা না থাকা বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিলে এর সমস্ত তথ্য মুছে যায়। অর্থাৎ কম্পিউটার চালু করলেই র‍্যাম প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে থাকে। আবার কম্পিউটার বন্ধ করলে র‍্যাম তথ্য-শূণ্য হয়ে যায়। তাই এটি অস্থায়ী মেমোরি।

রম (ROM): ROM বা Read Only Memory মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে। আইসিটি যন্ত্রপাতি বা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সচল রাখার জন্য কিছু নির্দেশনা প্রয়োজন হয়। এ নির্দেশনাগুলো ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। তাই রম এ নির্দেশনাগুলো স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ থাকা না থাকার উপর এই মেমোরি নির্ভর করে না। ব্যবহারকারীও বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এটি মুছে ফেলতে পারে না। এ মেমোরি শুধু পাঠ করা যায় বলে একে ROM বা Read only Memory বলে। যেহেতু বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এর তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন করা যায় না তাই একে স্থায়ী মেমোরি বলে।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
১,৮৭০.
হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত রেকর্ড যখন মনিটরে দেখানো হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. ক) হার্ডকপি
  2. খ) ফটোকপি
  3. গ) সফটকপি
  4. ঘ) ফিজিক্যালকপি
সঠিক উত্তর:
গ) সফটকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সফটকপি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে সম্পাদিত বিভিন্ন আউটপুটের রেকর্ড বিভিন্ন ধরণের মেমরি; যেমন-হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ ইত্যাদিতে সংরক্ষণ করে যখন মনিটরে দেখানো হয় তাকে সফটকপি বলে। আর আউটপুট কাগজে ছাপানো হলে তাকে বলা হয় হার্ডকপি বা ফিজিক্যালকপি।
১,৮৭১.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় -
  1. মনিটর
  2. র‍্যাম
  3. প্রসেসর
  4. মাদারবোর্ড
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইন বোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৭২.
কম্পিউটার প্রসেসরে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) দিয়ে প্রসেসর তৈরি হয়। আইসিগুলো তৈরি হয় ট্রানজিস্টার দিয়ে। এগুলো সব একটি ক্ষুদ্র চিপ (Chip) এর মধ্যে থাকে। প্রসেসরে আইসির সংখ্যা পূর্বের তুলনায় অনেক বাড়লেও চিপ-এর আকার ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে আসছে। আকার ছোট হলেও এর কাজ করার ক্ষমতা বেড়েই চলেছে। কম্পিউটারের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকরণের কাজ সিপিইউ-এর মাধ্যমেই হয়ে থাকে। সফটওয়্যারের নির্দেশ বোঝা এবং সে অনুযায়ী তথ্য প্রক্রিয়া করা এর কাজ। অর্থাৎ ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের কাজটি সিপিইউ বা প্রসেসর নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এক কথায় কম্পিউটার-সংশ্লিষ্ট সকল যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যারের নির্দেশনার মধ্যে সমন্বয় করে কাজ সমাধা করে প্রসেসর।
তিনটি অংশের সমন্বয়ে প্রসেসর গঠিত হয়।
১. গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic and Logic Unit) : এ অংশে গাণিতিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তমূলক কাজ সংগঠিত হয়।
২. নিয়ন্ত্রক অংশ (Control Unit) : এ অংশের মাধ্যমে সকল কাজ নিয়ন্ত্রিত হয়। অর্থাৎ কোন নির্দেশের পর কোন নির্দেশ পালিত হবে তা নির্ধারিত হয় এ অংশে। 
৩. রেজিস্টার স্মৃতি (Register Memory ) : এটি ছোট আকারের অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমোরি বা স্মৃতি। এ স্মৃতি থেকে তথ্য নিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয় ৷

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
১,৮৭৩.
নিম্নোক্ত কোন ট্রান্সমিশনে স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. আইসোক্রোনাস
  3. সিনক্রোনাস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে।

• সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission).

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৭৪.
Shift কোন ধরণের 'কী'?
  1. নিউম্যারিক কী
  2. মডিফায়ার কী
  3. নেভিগেশন কী
  4. ফাংশন কী
সঠিক উত্তর:
মডিফায়ার কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডিফায়ার কী
ব্যাখ্যা
• Shift হলো একটি মডিফায়ার কী।

• নিউম্যারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
১,৮৭৫.
মাদারবোর্ডকে শক্তি সরবরাহ করে:
  1. SSD
  2. RAM
  3. PSU
  4. HDD
সঠিক উত্তর:
PSU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PSU
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডকে সরাসরি শক্তি সরবরাহ করে PSU (Power Supply Unit)। PSU হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা বৈদ্যুতিক সাপ্লাই থেকে পাওয়া AC ভোল্টেজকে মাদারবোর্ড এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের জন্য উপযুক্ত DC ভোল্টেজে রূপান্তর করে। SSD, RAM, এবং HDD হলো স্টোরেজ এবং মেমোরি উপাদান, যা কাজ করার জন্য মাদারবোর্ডের মাধ্যমে PSU থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণ করে। অর্থাৎ, মাদারবোর্ড নিজে কখনও শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না; এটি শুধুমাত্র PSU থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ বিতরণ করে বিভিন্ন কম্পিউটার উপাদানের মধ্যে। তাই মাদারবোর্ডের কার্যক্রম নির্ভর করে মূলত PSU-এর শক্তির উপর।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

১,৮৭৬.
হার্ড ডিস্ক কোন শ্রেণির মেমরির অন্তর্গত?
  1. প্রাইমারি মেমরি
  2. সেকেন্ডারি মেমরি
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি মেমরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি মেমরি
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক (Hard Disk Drive – HDD) হলো সেকেন্ডারি মেমরি, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।

সহায়ক মেমরি:
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- RAM ও ROM হচ্ছে প্রাইমারি মেমরি। 
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে ইন্টারনাল মেমরি বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৭৭.
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের গতি পরিমাপের একক কোনটি?
  1. DPI
  2. CPS
  3. BPS
  4. DPS
সঠিক উত্তর:
CPS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPS
ব্যাখ্যা
• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।
- আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে।
- এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে রিবন কার্টিজ ব্যবহৃত হয়।
- এর গতি পরিমাপক একক CPS (Character per second).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
১,৮৭৮.
মাদারবোর্ডের CPU সকেটে সরাসরি ইনস্টল করা হয় কোন কম্পোনেন্টটি?
  1. র‍্যাম
  2. প্রসেসর
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের CPU সকেটে সরাসরি ইনস্টল করা হয় প্রসেসর। প্রসেসর বা সিপিইউ (Central Processing Unit) হলো কম্পিউটারের মূল মস্তিষ্ক, যা সব ধরনের গাণিতিক ও লজিক্যাল কাজ সম্পন্ন করে। এটি মাদারবোর্ডের একটি নির্দিষ্ট সকেটে বসানো হয়, যা সঠিকভাবে সিগন্যাল এবং পাওয়ার সরবরাহ নিশ্চিত করে। অন্য উপাদান যেমন র‍্যাম, হার্ড ড্রাইভ বা পাওয়ার সাপ্লাই মাদারবোর্ডের অন্যান্য অংশে সংযুক্ত হয়, কিন্তু সরাসরি CPU সকেটে বসানো হয় না। প্রসেসর সঠিকভাবে বসানো না হলে কম্পিউটার চালু হয় না এবং সিস্টেমের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। তাই CPU ইনস্টলেশন সবচেয়ে সংবেদনশীল ধাপগুলির মধ্যে একটি।

- সঠিক উত্তর: খ) প্রসেসর।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।

- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

১,৮৭৯.
OCR মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ​ভয়েস কমান্ডকে টেক্সটে রূপান্তর করতে
  2. ​হাতের লেখা বা প্রিন্টেড টেক্সটকে ইমেজ আকারে সংরক্ষণ করতে
  3. স্ক্যান করা ডকুমেন্টকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুদ্রণ করতে
  4. প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে

• OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনা প্রযুক্তি, যা প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার ডেটা সনাক্ত করতে ব্যবহার হয়।
- এটি ডেটা এন্ট্রির জন্য প্রিন্টেড ম্যাটেরিয়াল পুনঃলিখনের প্রয়োজন কমায়।
- OCR সফটওয়্যার চরিত্রগুলোকে তাদের আকারের সাথে সফটওয়্যারের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে সনাক্ত করে।
- শব্দ শনাক্ত করার সময় এটি চরিত্রের proximity ব্যবহার করে এবং মূল পৃষ্ঠার লেআউট পুনর্গঠন করে।
- OCR ব্যবহার করে মেল সরাসরি সর্ট করা বা মেশিন-রিডেবল কোড মার্ক করা সম্ভব, যাতে পরে high-speed automatic machines দিয়ে দ্রুত সর্ট করা যায়।
- OCR দৈনন্দিনভাবে ব্যবহৃত হয় ডেটা এন্ট্রির জন্য পুনঃলিখনের প্রয়োজন এড়াতে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৮৮০.
নিচের কোনটি MICR অক্ষর মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. থার্মাল কালি
  2. চুম্বকীয় কালি
  3. UV কালি
  4. স্ট্যান্ডার্ড কালি
সঠিক উত্তর:
চুম্বকীয় কালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বকীয় কালি
ব্যাখ্যা
⚪ MICR (Magnetic Ink Character Recognition) অক্ষরগুলি বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয় যাতে তারা ম্যাগনেটিক স্ক্যানারের মাধ্যমে পড়া যায়। এই ধরনের অক্ষরগুলি মুদ্রণ করার জন্য ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ স্ট্যান্ডার্ড ইঙ্কের চেয়ে ভিন্ন। ম্যাগনেটিক ইঙ্কের সাহায্যে পণ্যের বা চেকের তথ্য স্ক্যান করা এবং সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৮৮১.
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. সব কম্পোনেন্ট সংযুক্ত করা
  2. কাগজে তথ্য প্রিন্ট করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ করা 
  4. শব্দ আউটপুট দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সব কম্পোনেন্ট সংযুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব কম্পোনেন্ট সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

মাদারবোর্ড (Motherboard) হলো কম্পিউটারের মূল সার্কিট বোর্ড, যা প্রসেসর, মেমরি, স্টোরেজ, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসসহ সব কম্পোনেন্টকে সংযুক্ত ও সমন্বয় করে।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস:
- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৮২.
Dot matrix printer can also be called-
  1. ক) Line printer
  2. খ) Spray printer
  3. গ) Page printer
  4. ঘ) Impact printer
সঠিক উত্তর:
ঘ) Impact printer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Impact printer
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার (Printer):
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। 
- উদাহরণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি। 

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer): 
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়।
- তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়। 
- একে Impact printer ও বলা হয়। 

• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুত ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। লেজার প্রিন্টারের প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট ও টোনার কার্টিজ। 

• ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer):
- যে প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে কম্পিউটারের ফলাফলকে প্রিন্ট করে তাকে ইংকজেট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রধান অংশ হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানো এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল।

• থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer):
- থার্মাল প্রিন্টারে কোনো কালি ও রিবন ব্যবহৃত হয় না, শুধু রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া কাগজ ব্যবহৃত হয়।
- এ ধরনের প্রিন্ট হেড পিনের বদলে থাকে কতকগুলো বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু।
- ছাপার কাগজে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ লাগানো থাকে, যার সাহায্যে প্রিন্ট করা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৮৩.
মাদারবোর্ড নিচের কোনটি হিসেবে পরিচিত? 
  1. ডিসপ্লে বোর্ড
  2. কন্ট্রোল বোর্ড
  3. সিস্টেম বোর্ড
  4. পাওয়ার বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বোর্ড
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডকে System Board বা Mainboard বলা হয়।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থলকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন—কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন, প্রতিটি অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৮৪.
প্রিন্ট করা লেখাকে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে কোনটি?
  1. ওএমআর
  2. বার কোড রিডার
  3. ওসিআর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ওসিআর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওসিআর
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- ওসিআর (OCR) এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
- ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে।

• ওসিআর (OCR) এর বৈশিষ্ট্য:
- অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার বিশেষ ধরনের বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে অনুধাবন করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে। এ বৈদ্যুতিক পালস থেকে কম্পিউটার উপযোগী ডাটা তৈরি করে।
- ওসিআর সফটওয়্যার ব্যবহার করে স্ক্যানার হতে প্রাপ্ত ইমেজকে টেক্সট ফরমেটে রূপান্তর করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যায়।
- টাইপ রাইটার বা হাতের লেখা বর্ণসমূহকে রিড করার জন্য প্রতিটি বর্ণের আকার আকৃতি নির্দিষ্ট অবিকলের হওয়া প্রয়োজন।
- এ সিস্টেমে কাগজের উপস্থিতি কারেক্টারগুলোকে ওসিআর দ্বারা স্ক্যান করার পর একে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্টের সাথে তুলনা করা হয়। যদি স্ক্যান করা কাগজের কারেক্টার এবং কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্ট মিলে যায় তবে কম্পিউটার স্ক্যান করা কারেক্টরকে সংরক্ষণ করে অন্যথায় উক্ত কাগজের তথ্য ভুল হিসেবে গণ্য করে।
- ওসিআর দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২৪০০ কারেক্টার পড়া যায়।
- ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
১,৮৮৫.
নিচের কোন মেমোরিটি Volatile?
  1. ক) SSD
  2. খ) RAM
  3. গ) ROM
  4. ঘ) Flash memory
সঠিক উত্তর:
খ) RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) RAM
ব্যাখ্যা
• RAM হচ্ছে Volatile Memory.
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৮৬.
একবার একটি PROM প্রোগ্রাম করা হলে, এটি:
  1. পরিবর্তন করা যায় না
  2. UV আলো দিয়ে মুছে ফেলা যায়
  3. বৈদ্যুতিকভাবে পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন করা যায় না
ব্যাখ্যা

• একবার একটি PROM (Programmable Read-Only Memory) প্রোগ্রাম করা হলে, এটি পরবর্তীতে পরিবর্তন করা যায় না। PROM একটি ধরনের রিড-ওনলি মেমোরি যা ব্যবহারকারীর দ্বারা একবার প্রোগ্রাম করা যায়। একবার ডেটা লেখা হয়ে গেলে, সেটি স্থায়ীভাবে সঞ্চিত থাকে এবং সাধারণভাবে পুনঃলিখন সম্ভব নয়। PROM কে সরাসরি বৈদ্যুতিকভাবে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা যায় না। তবে, এর বিশেষ ধরনের সংস্করণ, যেমন EPROM (Erasable Programmable ROM), UV আলো দিয়ে মুছে ফেলা যায়, কিন্তু সাধারণ PROM-এর ক্ষেত্রে এই সুবিধা নেই। তাই PROM-এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো একবার প্রোগ্রাম করলে তা স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করা যায় না।

উত্তর: ক) পরিবর্তন করা যায় না।

• ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৮৭.
'মডিফায়ার কী'-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Insert
  2. Alt
  3. F12
  4. Caps Lock
সঠিক উত্তর:
Alt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alt
ব্যাখ্যা

• কী-বোর্ডে মূলত তিনটি কী-কে মডিফায়ার কী হিসেবে গণ্য করা হয়। এগুলো হলো Ctrl (Control), Alt (Alternate) এবং Shift। যেহেতু এগুলো অন্য কী-এর সাথে মিলে বিশেষ ফাংশন তৈরি করে, তাই এগুলোকে মডিফায়ার কী বলা হয়।

• কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, Shift, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

১,৮৮৮.
তথ্য-পরিবেশনের প্রকৃতি অনুসারে মাল্টিমিডিয়াকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) এক
  2. খ) দুই
  3. গ) তিন
  4. ঘ) চার
সঠিক উত্তর:
খ) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুই
ব্যাখ্যা
তথ্য-পরিবেশনের প্রকৃতি অনুসারে মাল্টিমিডিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া (Interactive Multimedia) ও
- নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া (Non-Interactive Multimedia)।
১,৮৮৯.
কম্পিউটার কিভাবে বন্ধ করা উত্তম -
  1. ক) সিপিইউ এর সুইচ বন্ধ করে
  2. খ) পাওয়ার সাপ্লাই এর সুইচ বন্ধ করে
  3. গ) শাট ডাউন কমান্ডের মাধ্যমে
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) শাট ডাউন কমান্ডের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাট ডাউন কমান্ডের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সঠিকভাবে কম্পিউটার বন্ধ করাঃ
কাজ শেষ হওয়ার পর সঠিকভাবে কম্পিউটার বন্ধ করা উচিত। যেনতেনভাবে কম্পিউটার বন্ধ করলে কম্পিউটারের ক্ষতি হতে পারে। সেটা হার্ডওয়্যার, সফট্ওয়্যার, সিস্টেম যে কোনটারই হতে পারে। ফলে কম্পিউটারে কাজ শেষ হলে সাট ডাউন কমান্ড দিয়ে কম্পিউটার বন্ধ করতে হবে।

১,৮৯০.
MICR-এর 'R' দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়?
  1. Recognition
  2. Routing
  3. Render
  4. Recording
সঠিক উত্তর:
Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Recognition
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition/Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

[সকল রিলায়েবল সোর্সেই MICR এর পূর্ণরূপ হিসাবে Magnetic Ink Character Recognition এর কথা বলা হয়েছে। তবে অপশনে Recognition না থেকে শুধুমাত্র Reader দেওয়া থাকলে উত্তর হিসাবে Magnetic Ink Character Reader সঠিক উত্তর বলে বিবেচিত হবে]।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৮৯১.
কোনটি নির্ভুল নয়?
  1. ক) কম্পিউটারে স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে বলে ROM
  2. খ) .mpg হলো ভিডিও ফাইল ফরম্যাটের এক্সটেনশন
  3. গ) ‘কম্পিউটার বাগ' হলো সফটওয়্যারের অন্তর্নিহিত ভুল
  4. ঘ) RAM চিপ আবিষ্কার করে মাইক্রোসফট কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) RAM চিপ আবিষ্কার করে মাইক্রোসফট কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) RAM চিপ আবিষ্কার করে মাইক্রোসফট কোম্পানি
ব্যাখ্যা
RAM চিপ: 
- RAM চিপ হলো একটি ডিভাইস যাতে ট্রানজিস্টর থাকে এবং হার্ডওয়্যারে RAM বাস্তবায়নের অনুমতি দেয়। 
- র‌্যাম চিপ প্রথম বাজারে আসে 1960 সালের শেষের দিকে এবং বানিজ্যিকভাবে Intel 1103 ছিলো প্রথম DRAM চিপ, যা 1970 সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কোম্পানি আবিষ্কার করে। 

রম (ROM):
- ROM-এর পূর্ণ অর্থ হলো Read Only Memory.
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-Volatile Memory)। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 

ভিডিও:
- একই সাথে সাউন্ড ও চলমান চিত্র সমৃদ্ধ কন্টেন্টই ভিডিও। ভিডিওর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে চলমান চিত্র ফুটে ওঠে। 
- যেকোনো মুভি, অ্যানিমেশন, কার্টুন ভিডিও কন্টেন্টের অন্তর্ভুক্ত।
- ভিডিও কন্টেন্টের ফরম্যাটগুলো হলো: .mp4, .mpg, .avi, .mov ইত্যাদি। 

কম্পিউটার বাগ:
- পরিকল্পনা অনুযায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের পর সফটওয়্যার বাস্তবায়ন করা হয়।
- এ ধাপে প্রোগ্রাম কোডিং করার পর প্রোগ্রামটি রান করতে হয়ে। রান করার ফলে প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা ধরা পড়ে। অর্থাৎ এ অংশে প্রোগ্রামকে টেস্টিং বা পরীক্ষা করা হয় কোনো ভুল আছে কি না এবং থাকলে তা সংশোধন করা হয়।
- প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) এবং প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটিসমূহ খুঁজে বের করে তা সংশোধন করার পদ্ধতিকে ডিবাগিং (Debugging) বলে। তাই প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে দুটি ধাপ গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Techopedia.
১,৮৯২.
Which of the following is a volatile memory?
  1. ROM
  2. Cache
  3. Optical Disk
  4. USB Flash Drive
সঠিক উত্তর:
Cache
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cache
ব্যাখ্যা

• Cache memory হলো একটি volatile memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে ডেটা ধরে রাখতে পারে না।

• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- Cache মেমরিকে (সাধারণত L1, L2, L3) SRAM (Static RAM) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
- SRAM হলো এক ধরনের উদ্বায়ী (Volatile) মেমরি, যার অর্থ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে এতে সংরক্ষিত সমস্ত ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে মুছে যায়।

অন্যান্য অপশন:
- ROM (Read-Only Memory): Non-Volatile মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না
- Optical Disk (CD/DVD): Non-volatile মেমোরি। ডেটা স্থায়ীভাবে থাকে।
- USB Flash Drives: Non-Volatile মেমোরি ডিভাইস যা পোর্টেবল ডেটা স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৮৯৩.
কোনটি সবচেয়ে আধুনিক?
  1. ক) CRT
  2. খ) LCD
  3. গ) LED
  4. ঘ) AMOLED
সঠিক উত্তর:
ঘ) AMOLED
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) AMOLED
ব্যাখ্যা
AMOLED Monitor
AMOLED- Active Matrix Organic Light Emitting Diode. মােবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি। বর্তমানে এটি প্রথম শ্রেণির এন্ডোয়েড স্মার্ট ফোন যেমন- LG Flex, Nexus এবং Samsung Galaxy s সিরিজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেক গুণ বেশি। এর ইমেজ মান খুবই ভালাে। এটি অনেক পাতলা ও হালকা। এ প্রযুক্তিতে আগের LCD এর চেয়ে ৩০-৫০% কম পাওয়ার লাগে। এর রেসপন্স টাইম এলসিডি এর চেয়ে হাজার গুণ বেশি। AMOLED ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে। একটি হলাে OLED (organic light-emitting diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়। অপর লেয়ারটি হলাে TFT (thin-film transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
১,৮৯৪.
কোন মেমোরি সর্বোচ্চ গতিতে কাজ করে?
  1. RAM
  2. Hard Disk
  3. Cache
  4. CD-ROM
সঠিক উত্তর:
Cache
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cache
ব্যাখ্যা
Cache Memory: 
- Cache Memory হলো একটি অতি-দ্রুত, ছোট এবং অস্থায়ী মেমোরি, যা CPU-র সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে এবং RAM থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশনা (instructions) সরবরাহে সহায়তা করে।
- এর মাধ্যমে CPU দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারে।

Cache Memory যেভাবে কাজ করে -
- যখন CPU কোনো তথ্য চায়, প্রথমে তা Cache Memory তে খোঁজে।
- যদি Cache-এ তথ্য পাওয়া যায় তাকে বলে Cache Hit এর ফলে CPU সঙ্গে সঙ্গে তথ্য পেয়ে যায়। 
- Cache Memory তে তথ্য না  পেলে সেটি হলো Cache Miss। এর ফলে CPU তখন RAM থেকে তথ্য আনে, যা Cache Memory থেকে আনার তুলনায় ধীর প্রক্রিয়া।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ।
১,৮৯৫.
নিচের কোনটি Optical Disk?
  1. ক) CD-ROM
  2. খ) Hard Disk
  3. গ) Floppy Disk
  4. ঘ) Magnetic Tape
সঠিক উত্তর:
ক) CD-ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) CD-ROM
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
- যেমন: CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory):
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

• Hard Disk, Floppy Disk, Magnetic Tape হলো ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৯৬.
Which function key is commonly used to rename a selected file or folder in Windows?
  1. F1
  2. F2
  3. F5
  4. F10
সঠিক উত্তর:
F2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F2
ব্যাখ্যা

• নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম দ্রুত পরিবর্তন (Rename) করার জন্য কিবোর্ডের F2 Function Key ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী (Function Key):
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত কিবোর্ডের উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২টি Function Key থাকে।
- প্রতিটি ফাংশন কী নির্দিষ্ট শর্টকাট কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

• F1–F12 ফাংশন কী-এর ব্যবহার:
- F1 → সাধারণত Help মেনু চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F2 → নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F3 → দ্রুত Search বা খোঁজার অপশন চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F4 → Alt + F4 চাপলে বর্তমান সক্রিয় উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 → ব্রাউজার বা ডেস্কটপ Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 → ব্রাউজারের Address Bar সিলেক্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- F7 → Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 → Windows চালুর সময় Safe Mode চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 → QuarkXPress-এর Measurement Toolbar চালু করার জন্য ব্যবহৃত হত।
- F10 → Menu Bar চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F11 → Full Screen Mode চালু বা বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
- F12 → ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি টাইপিং পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- F1 → সাধারণত সফটওয়্যারের Help মেনু চালু করার শর্টকাট কী।
- F5 → ওয়েব ব্রাউজার বা ডেস্কটপ Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F10 → অধিকাংশ সফটওয়্যারে Menu Bar সক্রিয় করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং মাইক্রোসফট।

১,৮৯৭.
Mobile Phone-এর কোনটি input device নয়?
  1. Keypad
  2. Touch Screen
  3. Camera
  4. Power Supply
সঠিক উত্তর:
Power Supply
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power Supply
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

• Power Supply ইনপুট ডিভাইস নয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৯৮.
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে কোন ধরনের ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সাটা (SATA)
  2. খ) স্ক্যাজি (SCSI)
  3. গ) সাস (SAS)
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়।
এজন্য আইডিই (IDE- Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়ােজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং
সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
১,৮৯৯.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল ডিস্ক?
  1. ক) মেমোরি ডিস্ক
  2. খ) ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  3. গ) বহুমুখী ডিজিটাল ডিস্ক
  4. ঘ) হার্ড ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
গ) বহুমুখী ডিজিটাল ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বহুমুখী ডিজিটাল ডিস্ক
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ডিস্ক - সিডি, ডিভিডি।
১,৯০০.
মাদারবোর্ডের CPU সকেটের সাথে কোন কম্পোনেন্টের মিল থাকতে হবে?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. হার্ডড্রাইভ
  3. প্রসেসর
  4. র‍্যাম
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের CPU সকেটের সাথে প্রসেসর-এর মিল থাকতে হয়। কারণ CPU সকেট এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যে নির্দিষ্ট ধরনের ও নির্দিষ্ট পিন কনফিগারেশনের প্রসেসরই সেখানে বসানো যায়। যদি সকেট ও প্রসেসরের ধরন এক না হয়, তাহলে প্রসেসর বসানো সম্ভব হবে না এবং সিস্টেম কাজ করবে না। পাওয়ার সাপ্লাই, হার্ডড্রাইভ বা র‍্যাম মাদারবোর্ডের অন্যান্য পোর্ট বা স্লটের সাথে সংযুক্ত হয়, CPU সকেটের সাথে নয়। তাই সঠিক কম্পিউটার তৈরির জন্য মাদারবোর্ডের CPU সকেট ও প্রসেসরের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা অত্যন্ত জরুরি।
 
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।