PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস
কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস
PrepBank · পাতা ১৫ / ২১ · ১,৪০১–১,৫০০ / ২,০১৭
উত্তর
ব্যাখ্যা
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের সাংগঠনিক কাঠামোর যে সকল যন্ত্রপাতি আমরা দেখতে পারি, স্পর্শ করতে পারি, যার বস্তুগত আয়তন আছে, তার সমষ্টিকেই হার্ডওয়্যার বলে।
হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার অচল, এর কোন মূল্য নেই।
কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
১. ইনপুট ইউনিট,
২. কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং
৩. আউটপুট ইউনিট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• OCR-এর প্রধান কাজ মুদ্রিত বা লিখিত ছবিকে সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে রূপান্তর করা।
• OCR (Optical Character Reader/Recognition):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা এবং বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
উৎস:
1. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মেকানিক্যাল মাউসে একটি বলের ঘূর্ণনের মাধ্যমে কার্সরের গতি পরিবর্তন করে।
• মাউস:
- মাউস হলো একটি হাতে-নিয়ন্ত্রিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল ডিভাইস যা গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) যুক্ত কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মার্কিন উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট ১৯৬৩-৬৪ সালে মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউসকে সমতল পৃষ্ঠের উপর সরালে কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সরের (cursor) অবস্থান ও নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
• মাউসের ধরন:
- মেকানিক্যাল মাউস: একটি বলের ঘূর্ণনের মাধ্যমে কার্সরের গতি পরিবর্তন করে।
- অপটিক্যাল মাউস: আলো বা লেজারের রশ্মি ব্যবহার করে কার্সরের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মেমােরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমােরির ধারণক্ষমতা বলা হয়। মেমােরির ধারণ ক্ষমতার একক হলাে বাইট। আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট। বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট। বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়।
কম্পিউটার মেমােরির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের এককগুলাে হলাে- কিলােবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। নিচে এদের মধ্যে সম্পর্ক দেখানাে হলাে।
৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
২১০ বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট
২২০ বা ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট
২৩০ বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
২৪০ বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিল, কোন মেমোরি স্থিতিশীল এবং মাত্র একবার লেখা যায়? এটি জব সল্যুশনের প্রশ্ন এখানে প্রশ্নকর্তা হয়ত ভুল করে 'স্থিতিশীল' এর স্থলে 'অস্থিতিশীল' দিয়ে দিয়েছেন। যেহেতু প্রশ্নের শেষে 'একবার মাত্র লেখা যায়' উল্লেখ আছে, সেহেতু প্রশ্নের প্রথমাংশে 'স্থিতিশীল' হওয়াই যুক্তিযুক্ত ছিল।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- BCD কোডের পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal।
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২^৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সেকেন্ডারি মেমরির উদাহরণ হলো-
- ফ্লপি ডিস্ক,
- হার্ডডিস্ক,
- অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম,
- সিডি-রম,
- বাবল মেমরি,
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
• যখন CPU ক্যাশে থাকা ডেটার জন্য অনুরোধ করে এবং সেই ডেটা ক্যাশে নেই, তখন এটি ক্যাশ মিস হয়। এই পরিস্থিতিতে CPU ক্যাশ থেকে ডেটা পাওয়া যায় না, তাই সিস্টেমকে ডেটা মেইন মেমরি থেকে আনতে হয়। CPU অপেক্ষা করতে থাকে যতক্ষণ না মেমরি থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা নিয়ে ক্যাশে লোড করা হয়। এটি অস্থায়ীভাবে CPU-এর কার্যক্ষমতাকে কিছুটা ধীর করে, কারণ মেইন মেমরির অ্যাক্সেস ক্যাশের তুলনায় অনেক ধীর। সুতরাং, ক্যাশ মিসের সময় সিস্টেম CPU বন্ধ বা অনুরোধ উপেক্ষা করে না; বরং ডেটা মেইন মেমরি থেকে আনানো হয় এবং তারপর CPU-কে সরবরাহ করা হয়। সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ডেটা মেইন মেমরি থেকে নেওয়া হয়।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
র্যাম সহায়ক স্মৃতির অংশ নয়। এটি প্রধান স্মৃতির অংশ।
• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- এই স্মৃতি থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যগুলো স্থায়ীভাবে সহায়ক স্মৃতিতে সংরক্ষণ করা হয়।
• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc)
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc)
- সিডি (CD- Compact Disc)
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc)
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum)
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশান বাস আবিষ্কৃত হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে:
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস (Local Bus) –
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM।
• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।
• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।
• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অক্ষর টাইপ Upper case বা Lower Case এ পরিবর্তন করতে Caps Lock বাটনটি ব্যবহৃত হয়।
• সাময়িকভাবে কম্পিউটারের কার্যকলাপ স্থগিত করার কাজে Pause বাটনটি ব্যবহৃত হয়।
• Esc (Escape) কী কম্পিউটার কীবোর্ডের একটি বিশেষ কী যা কোনো অপারেশনকে বাধা দিতে বা বাতিল করতে, পূর্ণ-স্ক্রীন মোড পরিবর্তন করতে এবং কমান্ড লাইন ইন্টারফেস অ্যাক্সেস করতে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: Microsoft
উত্তর
ব্যাখ্যা
এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়। এটি এক ধরণের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ধরণের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে।
কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাশ মেমরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ
১। অভ্যন্তরীণ ক্যাশ বা লেভেল-১ ক্যাশ (L1 / Internal Cache) ও
২। বহিঃস্থ ক্যাশ বা লেভেল-২ ক্যাশ (L2/ External Cache)
মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে যে ক্যাশ স্মৃতি কাজ করে সেটিকে অভ্যন্তরীণ ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়। অপরদিকে যে স্মৃতি কম্পিউটারের প্রধান বোর্ড বা মাদারবোর্ডের ওপর অবস্থান করে তাকে বহিঃস্থ ক্যাশ স্মৃতি বলে। প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় তাকে ক্যাশ হিট বলে। আর প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় না তাকে ক্যাশ মিস বলে।
সুত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
এটি এমন একটি স্টোরেজ ডিভাইস যেখানে কম্পিউটার প্রসেসর কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় ডেটা ও প্রোগ্রাম সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory): বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব ডেটা মুছে যায়।
- প্রাথমিক মেমোরি: এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি, যা প্রসেসিংয়ের সময় সক্রিয় থাকে।
- রানিং প্রোগ্রাম ও প্রসেস: বর্তমানে চালু থাকা সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের অংশবিশেষ RAM-এ লোড থাকে।
- দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস: CPU, RAM থেকে খুব দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে।
- কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে RAM-এর আকার ও গতির উপর।
অন্যদিকে,
স্থায়ী মেমোরি (Permanent Memory): এটি ROM বা হার্ড ডিস্ক-এর বৈশিষ্ট্য।
শুধুমাত্র রিড করা যায়: এটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য, RAM থেকে ডেটা রিড এবং রাইট উভয়ই করা যায়।
শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে: BIOS সাধারণত ROM বা Flash Memory-তে সংরক্ষিত থাকে, RAM-এ নয়।
তথ্যসূত্র:
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণী কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল)।
- "Computer Organization and Design" by David A. Patterson & John L. Hennessy.
- Intel - What is RAM?
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- কীবোর্ড এর একেবারে উপরের অর্থাৎ F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট 12 টি কী-কে একত্রে ফাংশন কী বলা হয়।
• কম্পিউটার কীবোর্ড এর ফাংশন-কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 এর সাহায্যে last action performed repeat করা যায়। Alt + F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 এর সাহায্যে পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 এর সাহায্যে মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরএ ২০০১ সালের ১৭ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তি গ্যালারী চালু হয়।
- এই গ্যালারী চালুর মাধ্যমে কম্পিউটারের বিবর্তন তুলে ধরা ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে।
- এটি মূলত বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংগ্রহশালা।
- এই গ্যালারীতে আ্যানালগ কম্পিউটার, আইবিএম ১৬২০, আইবিএম ১৪০১, আইবিএম ৩৭০, আইবিএম ৪৩৩১, হানিওয়েল ডি পি এস ৬, আইবিএম পিসি সহ কম্পিউটার সম্পর্কিত বিভিন্ন চার্ট প্রদর্শীত হচ্ছে।।
তথ্যসূত্র: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• CPU-এর জন্য দ্রুততম তথ্য পড়ার সক্ষমতা প্রদান করে Registers। Registers হল ছোট, খুব দ্রুতগতির স্টোরেজ ইউনিট যা সরাসরি CPU-এর ভেতরে থাকে। যখন CPU কোনো গণনা বা প্রসেসিং করে, তখন এটি প্রথমে Registers থেকে তথ্য পড়ে, কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। RAM একটি অপেক্ষাকৃত বড়, কিন্তু ধীরগতি স্টোরেজ যা CPU-এর সাথে মধ্যবর্তী স্তরে কাজ করে। Hard Drive বা SSD অনেক বড় কিন্তু অনেক ধীর এবং প্রাথমিকভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM সাধারণত স্থায়ী তথ্য রাখে এবং এটি শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই দ্রুততম অ্যাক্সেসের জন্য Registers অপরিহার্য।
- উত্তর: খ) Registers.
• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।
• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।
• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।
• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি। ক্যাশ মেমোরি হল একটি উচ্চগতির অস্থায়ী মেমোরি যা প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- সঠিক উত্তর: CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কোন ফাইল কপি করতে Ctrl + C,
পেস্ট করতে Ctrl + V,
কোন ফাইল কর্তনে Ctrl + X,
কোনো ফাইল Undo করতে Ctrl + Z,
Undo-কৃত ফাইলকে Redo করতে Ctrl + Y ব্যবহৃত হয়,
কোনো কিছু খুজে বের করতে Ctrl + F।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাদারবোর্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা একটি কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান এবং পেরিফেরালগুলিকে সংযুক্ত এবং আন্তঃসংযোগ করার জন্য কেন্দ্রীয় হাব হিসাবে কাজ করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Input device
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারে নির্দেশ দিই বা তথ্য প্রদান করি, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
- এই ডিভাইসগুলো কম্পিউটারের জন্য ডেটা গ্রহণের কাজ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।
• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং রেজিস্টার স্মৃতি।
- মেমোরি ও এএলইউ এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সকল অংশ নিয়ন্ত্রিত হয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• GUI বা Graphical User Interface হলো একটি ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস যা কম্পিউটার বা সফটওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করে। এটি ব্যবহারকারীদের কমান্ড লাইন টাইপ না করে সরাসরি চিত্র, আইকন এবং মেনুর মাধ্যমে সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই সফটওয়্যার চালানো, সেটিংস পরিবর্তন করা এবং বিভিন্ন ফাংশন ব্যবহার করতে পারে। তাই GUI মূলত ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কমান্ড বা কোডের জটিলতা কমায় এবং ব্যবহারকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করে।
সঠিক উত্তর: গ) ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া।
• GUI:
- GUI এর পূর্ণরূপ হলো Graphical User Interface.
- GUI হলো অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রদানের একটি ধরন বা পদ্ধতি যেখানে কমান্ড প্রদানের জন্যে চিত্র ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটারের সাথে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ইন্টারফেস বলে।
- GUI-এর ক্ষেত্রে, ইন্টারফেস বলতে ব্যবহারকারী ও সিস্টেমের মধ্যকার সংযোগকেই বোঝানো হয়।
- MacOS ও Windows হলো চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস।
- যেমন কম্পিউটার এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা পোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
[সূত্রঃ ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কর্ম এরিয়া হিসেবে প্রধান মেমরি পরিচিত।
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমরির সরাসরি সংযোগ থাকে।
- এ ধরনের মেমরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমরিও বলা হয়।
- এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে।
- মূলত প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমরি সংগ্রহ করে রাখে।
- প্রধান মেমরিতে সর্বদা প্রয়োজন হয় এমন তথ্য ও নির্দেশ জমা থাকে।
- সাধারণত প্রধান মেমরি ধারণক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজের গতি বৃদ্ধি পায়।
- র্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমরি উদাহরণ।
এ ধরনের মেমরি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. কম্পিউটার চালু করার পর অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ সহায়ক মেমরি হতে প্রধান মেমরিতে সংরক্ষিত হয়ে কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে।
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে ।
৩. এটি চলমান প্রোগ্রাম, ডেটা, হিসাব-নিকাশের ফলাফল ইত্যাদি সংরক্ষণ করে।
8. কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে প্রধান মেমরিতে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ সাধারণত মুছে যায় ।
৫. এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে।
৬. এটি এক ধরনের পঠন ও লিখন স্মৃতি।
৭. প্রধান মেমরি অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মেমরি সেল নিয়ে গঠিত।
সূত্র: ১২২ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
♦ অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।
♦ পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।
♦ লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।
♦ সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।
ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
• সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• 1 kilobyte (KB) = 1024 bytes
• 1 megabyte (MB) = 1024 kilobytes
• 1 gigabyte (GB) = 1024 megabytes
• 1 terabyte (TB) = 1024 gigabytes
• 1 petabyte (PB) = 1024 terabytes
• 1 exabyte (EB) = 1024 petabytes
• 1 zettabyte (ZB) = 1024 exabytes
• 1 yottabyte (YB) = 1024 zettabytes
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Hard Disk হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU-এর বাইরের অংশ।
• CPU (Central Processing Unit):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেনস্টর্ম হিসেবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর উপর নির্ভরশীল।
• সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit),
৩। রেজিস্টার বা মেমোরি ইউনিট।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়।
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।
ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব পেরিফেরালস বা যন্ত্রপাতিসমূহ ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ডেটা প্রদান ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য কাজের নির্দেশ প্রদান করা হয়, তাদেরকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
- কয়েকটি ইনপুট ডিভাইস হলো- কীবোর্ড (Keyboard), মাউস (Mouse), মাইক্রোফোন (Micropkone), স্ক্যানার (Scanner), মডেম (Modem), গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics Tablet), ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), লাইটপেন (Light Pen), টাচস্ক্রিন (Touch Screen), ট্র্যাকবল (Trackball) এবং ট্র্যাকপ্যাড (Trackpad) ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর হলো আউটপুট ডিভাইস যা দিয়ে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত তথ্য কম্পিউটার ব্যবহারির কাছে প্রদর্শন করা যায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সিপিইউ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ
৩. স্মৃতি অংশ
নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি
করা।
- যেমন: গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে তথ্যের প্রয়োজনীয়তা, সহায়ক মেমরি হতে প্রধান মেমরিতে তথ্য নেয়া, ইনপুট হতে উপাত্ত নেয়া, ফলাফল প্রদর্শন এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: Rudiments of Computer Science
উত্তর
ব্যাখ্যা
১) CISC Processor: Complex Instruction Set Computing. তুলনামূলক কঠিন ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়। এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Intel Pentium, AMD ইত্যাদি।
২) RISC Processor: Reduced Instruction Set Computing. সরল ও ছোট প্রোগ্রাম এর জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Motorola Power PC- 601, DEC Alpha- 21064 ইত্যাদি।
৩) Special Purpose Processor: বিশেষ কোনো কাজের উদ্ধেশ্যে বা মূল কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোকেই Special Purpose Processor.
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।
• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিস্টেমের ক্যাশ মেমোরি SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহার করে কাজ করে, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো গ) SRAM। ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে। এই উচ্চগতির জন্য SRAM ব্যবহার করা হয়, কারণ এতে রিফ্রেশ করার প্রয়োজন নেই এবং DRAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। যদিও SRAM ব্যয়বহুল ও ধারণক্ষমতা কম, তবুও প্রসেসরের কর্মদক্ষতা বাড়াতে এটি সবচেয়ে উপযোগী। PROM, DRAM বা SDRAM ক্যাশ মেমোরির মতো দ্রুত ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম নয়।
ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে SRAM-এ।
• স্ট্যাটিক র্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
→ এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা।
→ মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
→ কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
→ এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পন্ন ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
→ এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট করে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
→ এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়।
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ
৩। স্মৃতি
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের একটি অভ্যন্তরীণ (Internal) হার্ডওয়্যার হলো Motherboard।
• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।
• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card
• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive
উৎস:
১। Computer Hope Website [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Window - A rectangular section of the computer's display in a GUI that shows the program currently being used.
• For example, the browser window that you are using to view this web page is a window. Windows allows a user to work with multiple programs or view multiple programs at once.
Source: www.britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
Function key F6 selects the address bar in a browser.
ফাংশন কী (Function Keys):
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডের বিশেষ কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- একটি কিবোর্ডে মোট ১২টি ফাংশন কী এবং ১০৫টি কী থাকে।
F1 থেকে F12 এর কাজ:
- F1: সাধারণত Help মেনু খোলে।
- F2: নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে সাহায্য করে।
- F3: দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4: Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5: ব্রাউজার বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহার হয়।
- F6: ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7: Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8: Windows চালুর সময় Safe Mode চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F9: QuarkXPress-এর Measurement Toolbar চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10: মেনু বার চালু করে।
- F11: Fullscreen মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12: ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি কনভার্সন করতে ব্যবহার করা হয়।
সোর্স:
1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ROM (Read-Only Memory) হলো একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। এটি এমন ধরনের মেমোরি যেখানে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য হারায় না। ROM মূলত সিস্টেমের বেসিক নির্দেশাবলী, যেমন বুটিং প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারকারী সাধারণত এটি পরিবর্তন করতে পারে না বা খুব সীমিতভাবে পরিবর্তন করতে পারে। অন্যদিকে, র্যাম বা ভোলাটাইল মেমোরি শক্তি চলে গেলে তথ্য হারায়, কিন্তু ROM-এ এমন কিছু ঘটে না। তাই, ROM কম্পিউটার ও ডিভাইসের গুরুত্বপূর্ণ সফ্টওয়্যার স্থায়ীভাবে রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
- সঠিক উত্তর: ঘ) নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
ROM (Read-Only Memory):
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
যথা-
১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device)ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device)।
এছাড়া আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। যেমন- হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, এসএসসি ও দাখিল(ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
১। বাইপোলার মেমরি ও
২। ইউনিপোলার মেমরি
♦ বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।
♦ ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS-এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এর মধ্যে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ, কম্পিউটার চালনা, প্রোগ্রাম লেখা, সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি কাজগুলোর সাথে যুক্ত সমস্ত মানুষকে একসাথে হিউম্যানওয়্যার বলে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।
• BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।
উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়।
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
উত্তর
ব্যাখ্যা
CRT এর পূর্ণরূপ হলো Cathode Ray Tube ধরনের মনিটরের পিছন দিকের ইলেক্ট্রন গান থেকে নির্গত ইলেক্ট্রন সরালের উপর আঘাত আনতে থাকে।
সাদা কালো মনিটরের ক্ষেত্রে একশটি মাত্র ইলেক্ট্রন গান থাকে।
রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ প্রদর্শনের জন্য তিন ধরনের ইলেক্ট্রন গান থাকে। রং তিনটি হলো সবুজ, নীল, লাল।
সিআরটি মনিটরগুলো কম উজ্জ্বল ডিসপ্লের হয়ে থাকে। সিআরটি মনিটরের ওজন বেশি সহজে বহন করা যায় না।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি–২ (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) DROM
ROM (Read-Only Memory)
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার হলো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা চারটি মৌলিক কাজ করে।
- এই ফাংশনগুলি আইপিওএস চক্র বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ চক্র তৈরি করে। চারটি ফাংশন নিম্নরূপ:
• Input - কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশ করার প্রক্রিয়া।
• Processing - ডেটা ইনপুট নির্দেশের একটি ক্রম। এটি ডাটাকে তথ্যে রূপান্তর করে।
• Output - তথ্য প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
• Storage - পরবর্তী ব্যবহারের জন্য তথ্য সংরক্ষণের প্রক্রিয়া।
উৎস:
১. Fundamentals of Computer Book
২. Computerhope website
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বর্তমান সময়ের পিসিগুলোতে প্রচলিত BIOS-এর বদলে সাধারণত UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহৃত হয়। BIOS ছিল পুরনো প্রযুক্তি, যার সীমাবদ্ধতা ছিল ধীরগতির বুটিং, সীমিত স্টোরেজ সাপোর্ট এবং আধুনিক হার্ডওয়্যারের সাথে কম সামঞ্জস্য। UEFI এই সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করেছে। এটি দ্রুত বুটিং সুবিধা দেয়, বড় আকারের হার্ডডিস্ক (২ টেরাবাইটের বেশি) সাপোর্ট করে এবং উন্নত গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস প্রদান করে। এছাড়া UEFI-তে Secure Boot-এর মতো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা অননুমোদিত সফটওয়্যার চালু হওয়া প্রতিরোধ করে। তাই আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহৃত হয়।
BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।
BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Cache Memory সাধারণত SRAM (Static Random Access Memory) দিয়ে তৈরি হয়। এটি দ্রুতগতির মেমরি, যেখানে প্রতিটি বিট সংরক্ষণের জন্য flip-flop circuit ব্যবহৃত হয়। এর গতি বেশি হলেও খরচ বেশি হওয়ায় এটি সাধারণত ছোট আকারে ব্যবহৃত হয় (যেমন L1, L2, L3 cache)।
ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
Dynamic Memory (DRAM): এটি মূলত RAM (Random Access Memory)-এ ব্যবহৃত হয়, যেখানে চার্জ ক্যাপাসিটরে সংরক্ষিত হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর রিফ্রেশ করতে হয়।
Magnetic Memory: যেমন হার্ডডিস্ক বা ম্যাগনেটিক টেপ, যা দীর্ঘমেয়াদি স্টোরেজে ব্যবহৃত হয়।
Optical Memory: যেমন CD, DVD, Blu-ray Disc, যা লেজার প্রযুক্তি দিয়ে ডেটা পড়া/লেখা করে।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pen Drive, Modem ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
-মাউস,
-কীবোর্ড,
-স্ক্যানার,
-মাইক্রোফোন,
-ডিজিটাল ক্যামেরা,
-জয়স্টিক, ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর,
- প্লটার, ইত্যাদি।
• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- পেনড্রাইভ,
- টাচস্ক্রিন,
- মডেম,
- প্রিন্টার স্ক্যানার,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।
র্যামের শ্রেণিবিভাগ
অপারেটিং মোড অনুসারে র্যামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- স্ট্যাটিক র্যাম (Static RAM) ও
- ডাইনামিক র্যাম (Dynamic RAM)
স্ট্যাটিক র্যাম (Static RAM)
- স্ট্যাটিক র্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত যা বাইনারি বিট ০ ও ১ ধারণ করে।
- এ ধারণকৃত ডাটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে মেমোরিতে রক্ষিত ডাটা মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় বলে এটা ভিডিও র্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
ডাইনামিক র্যাম (Dynamic RAM)
- ডাইনামিক র্যাম-এ বাইনারি বিট ০ ও ১ বৈদ্যুতিক চার্জ আকারে ক্যাপাসিটরে জমা থাকে।
- ক্যাপাসিটর চার্জ থাকলে ১ অবস্থা, না থাকলে ০ অবস্থা বোঝায়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায়ও ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- তাই কয়েক মিলিসেকেন্ড পর পর র্যাম কন্ট্রোলারের সাহায্যে প্রত্যেক মেমোরি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।
- ক্যাপাসিটরের পরিভাষায় একে মেমোরি রিফ্রেশিং বলা হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত ডাইনামিক র্যাম ব্যবহার করা হয়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ডাইরেক্ট মেমরি অ্যাক্সেস (ডিএমএ) প্রসেসরের অংশগ্রহণ ছাড়াই সিস্টেমের মেমরি এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ব্লক স্থানান্তর করে।
যে ইউনিট সরাসরি মেমরি অ্যাক্সেস করার কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে তাকে ডিএমএ কন্ট্রোলার বলা হয়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
• ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
ডিজিটাল ক্যামেরা, কী-বোর্ড, মাউস, ওয়েবক্যাম, ট্যাকবল, জয়স্টিক, বার কোড রিডার, পয়েন্ট অফ সেল, ওএমআর, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, মাউস, মাইক্রোফোন, ওসিআর ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
• আউটপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেড ফোন ইত্যাদি।
• ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত ডিভাইস:
টাচস্ক্রিন, মডেম, অডিও কার্ড ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করা হয় মূলত সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণের জন্য। যখন কোনো প্রোগ্রাম চলাকালীন র্যাম (RAM) পূর্ণ হয়ে যায়, তখন ভার্চুয়াল মেমরি হার্ড ডিস্কের একটি অংশকে অতিরিক্ত মেমরির মতো ব্যবহার করে। এতে একসাথে অনেক প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব হয়, যদিও হার্ড ডিস্ক RAM-এর চেয়ে ধীরে কাজ করে। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করার ফলে ব্যবহারকারী বড় প্রোগ্রাম বা একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালাতে পারে, সিস্টেম ক্র্যাশ হওয়ার ঝুঁকি কমে। এটি CPU বা গ্রাফিক্সের গতি বাড়ায় না, বরং মেমরির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দেয় এবং প্রোগ্রামগুলোকে কার্যকরভাবে চালাতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণ করা।
• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।
সূত্র:
- geeksforgeeks.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM.
• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে। যেমন- ROM.
• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।
• স্ট্যাটিক র্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
• ডাইনামিক র্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হলো একটি কম্পিউটারের প্রধান অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে থাকে এবং এটি কম্পিউটারের সব উপাদানের সংযোগ স্থান।
- একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- প্রসেসর বা CPU, যা কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত, মাদারবোর্ডের মধ্যে স্থাপন করা থাকে।
- মাদারবোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করা হয়।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাই এটিকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বলা হয়।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, এবং MSI-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড পাওয়া যায়।
• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সাধারণত কম্পিউটারে যখন হার্ডওয়্যার সমস্যা দেখা দেয়, তখন বিপ সিগন্যালের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করা হয়। এর মধ্যে RAM বা Random Access Memory ভাঙলে সবচেয়ে সাধারণভাবে বিপ দেয়। কারণ RAM হলো কম্পিউটারের কাজের মূল মেমরি, যেখানে প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে রাখা হয়। যদি RAM ঠিকমতো কাজ না করে, সিপিইউ তথ্য ঠিকভাবে পড়তে বা লিখতে পারে না, ফলে সিস্টেম বুট হওয়ার সময় BIOS একটি বা একাধিক বীপ আকারে সমস্যা জানান দেয়। অন্যদিকে ROM, Hard Drive বা Power Supply সমস্যায় সাধারণত কম্পিউটার বিপের মাধ্যমে নয়, বরং অন্যান্য উপায়ে সতর্কতা দেয়। তাই RAM ভাঙলে বিপ সিগন্যাল পাওয়া সবচেয়ে স্বাভাবিক।
• RAM এবং বীপ সাউন্ড:
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ (Beep sound) শোনা যায়।
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উৎপাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে।
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে।
- বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলোর জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ।
- এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে।
যেমন:
ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM:
- কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র্যাম মডিউলগুলো পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।
অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM:
- যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলো মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ব্যর্থ RAM মডিউল:
- যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে।
- বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
CPU:
- CPU এর পূর্বরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক।
- CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা-
1. ALU (Arithmetic Logic Unit),
2. Control Unit,
3. Memory/Register.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বারকোড রিডার হচ্ছে একটি ইনপুট ডিভাইস
ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে “ATX” শব্দটির অর্থ হলো মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর। এটি একটি মানক আকার ও ডিজাইনের নির্ধারিত নিয়ম যা মাদারবোর্ডের আকার, পাওয়ার সংযোগের স্থান, I/O পোর্টের অবস্থান এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করে। ATX ফর্ম ফ্যাক্টর মাদারবোর্ড এবং কেসের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করে, যাতে ব্যবহারকারী সহজে বিভিন্ন উপাদান যেমন RAM, CPU, গ্রাফিক্স কার্ড এবং স্টোরেজ ডিভাইস সংযোগ করতে পারে। এটি মূলত Intel দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে এবং বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ফর্ম ফ্যাক্টর। তাই ATX কোনো CPU ব্র্যান্ড, পাওয়ার সাপ্লাইয়ের ধরন বা BIOS ভার্সন নির্দেশ করে না।
- উত্তর: গ) মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর।
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা, মেইনবোর্ড বা, "The main circuit board of a computer" হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Lenovo. [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ Non-Volatile Memory Express.
- এটি SSD- র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: techtarget.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
• কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
• ডেটা বাস (Data Bus).
• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus).
• কন্ট্রোল বাস (Control Bus).
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- Expansion Bus যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন প্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• টাচ স্ক্রিন (Touch Screen) এমন একটি ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে পারে; এতে ব্যবহারকারী সরাসরি স্ক্রিন স্পর্শ করে নির্দেশ দিতে পারে এবং স্ক্রিনে ফলাফলও দেখতে পারে।
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
- উদাহরণ: কি-বোর্ড (Keyboard), ওএমআর (OMR), মাউস (Mouse), ওসিআর (OCR), ট্যাকবল (Trackball), স্ক্যানার (Scanner), জয়স্টিক (Joystick), ডিজিটাইজার (Digitizer), টাচ স্ক্রিন (Touch Screen), লাইটপেন (Lightpen), বার কোড রিডার (Bar Code Reader), গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad), পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale), ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
- আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারী সেই ফলাফল দেখতে, শুনতে বা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: মনিটর (Monitor), প্রিন্টার (Printer), প্লটার (Plotter), স্পিকার (Speaker), মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector), ইমেজ সেটার (Image Setter), ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder), হেডফোন (Headphone)।
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারে এমন কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে পারে।
- এই ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে ডেটা কম্পিউটারে দেওয়া এবং কম্পিউটার থেকে গ্রহণ—দুটিই সম্ভব।
- উদাহরণ: হার্ডডিস্ক (Hard Disk), সিডি বা ডিভিডি (CD/DVD), পেনড্রাইভ (Pen Drive), টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)।
• অন্যান্য অপশন:
- কীবোর্ড → একটি সাধারণ ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে টাইপ করে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ দেওয়া হয়।
- স্ক্যানার → একটি ইনপুট ডিভাইস, যা কাগজের লেখা বা ছবি ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
- জয়স্টিক → একটি ইনপুট ডিভাইস, যা সাধারণত কম্পিউটার গেম বা গ্রাফিক্স নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি–১ (SSC ও দাখিল ভোকেশনাল); মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmatic Logic Unit
২. Control Unit
৩. Register
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের 'ক্যাশ মেমোরি'তে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বর্তমান কম্পিউটারে প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে সাধারণত UEFI সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) হলো একটি আধুনিক ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস যা BIOS-এর সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে। এটি দ্রুত বুট সময়, বড় হার্ড ড্রাইভ সমর্থন, এবং উন্নত সিকিউরিটি ফিচার যেমন Secure Boot প্রদান করে। UEFI গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস সমর্থন করে, যা ব্যবহারকারীর জন্য আরও সহজ এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ। এছাড়াও এটি হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি স্থিতিশীল এবং উন্নত সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম। তাই নতুন কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহার করা হচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: ঘ) UEFI.
BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।
BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা RAM কম থাকলে সাময়িকভাবে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসরকে, মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
- ১৯৭১ সালে আমেরিকার ইন্টেল নামক কোম্পানি সর্বপ্রথম ইন্টেল ৪০৪০ নামের মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) তৈরি করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকেই আধুনিক মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) হল একক ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিলিকন চিপ।
সূত্র: ৯১ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
CISC এর পূর্ণরূপ - Complex Instruction Set Computer.
RISC এর পূর্ণরূপ - Reduced Instruction Set Computer.
CISC জটিল মেশিন ভাষার নির্দেশাবলীর একটি বিশাল সেট ব্যবহার করে, যেখানে RISC সহজ নির্দেশাবলীর একটি রিডিউসড সেট ব্যবহার করে।
উৎস : সায়েন্স ডাইরেক্ট ওয়েবসাইট
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে দ্রুত এক্সেসযোগ্য মেমোরি হলো Register। Register হলো প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা ছোট, অতি-দ্রুত মেমোরি যা সরাসরি CPU দ্বারা ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত অল্প সংখ্যক ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন সংরক্ষণ করে এবং Nano-সেকেন্ডেরও কম সময়ে অ্যাক্সেস করা যায়। Cache Memory কিছুটা ধীরে, কিন্তু RAM-এর তুলনায় দ্রুত। Main Memory বা RAM মূলত প্রোগ্রাম এবং ডেটা সংরক্ষণ করে, কিন্তু এটি প্রসেসরের তুলনায় অনেক ধীর। Virtual Memory আসলে হার্ড ড্রাইভের অংশ ব্যবহার করে RAM সম্প্রসারণ করে, তাই সবচেয়ে ধীর। তাই গতি অনুযায়ী ক্রম হলো: Register > Cache Memory > RAM > Virtual Memory.
• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Visual display unit (VDU) or video display terminal (VDT): any device used with computers to display images.
It typically consists of a computer monitor or similar display device and a keyboard, and could also include a mouse.
For example, a flat panel display and a projector are both examples of VDUs.
So, it is a peripheral device.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
32 bits = (4x8) bits.
8 bits equals a byte.
Therefore 32 bits = 4 multiples of byte.= 4bytes.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Shift: একই ওয়ার্ডের মধ্যে বা শুরুতে বড় অক্ষর টাইপ করতে এই কী ব্যবহার করা হয়।
উৎস: Computerhope Website.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশকে পারস্পরিক সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত করা অবস্থাকেই কম্পিউটার সংগঠন বলা হয়।
- কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ পাঁচটি। যথা-
১। ইনপুট অংশ (Input Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
৩। গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
৪। স্মৃতি অংশ (Memory Unit) ও
৫। আউটপুট অংশ (Output Unit)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit.
- সিপিউ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) এবং
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।
অন্যদিকে,
- পাওয়ার ব্যাক আপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে।
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা(বিবিএ প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করার কাজটি যে কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে করা হয়, সেটি হলো অ্যাডার। অ্যাডার সার্কিট বাইনারি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ইনপুট বিটগুলোর ওপর ভিত্তি করে আউটপুট হিসেবে সম ও ক্যারি প্রদান করে। হাফ অ্যাডার ও ফুল অ্যাডার হলো অ্যাডারের দুটি প্রধান ধরন, যা ছোট ও বড় সংখ্যার যোগে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে রেজিস্টার ডেটা সংরক্ষণে, এনকোডার তথ্য রূপান্তরে এবং ডিকোডার সংকেত বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অ্যাডার।
• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।
• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল মেমোরি RAM এবং ডিস্ক স্টোরেজ উভয়ই ব্যবহার করে মেমোরি পরিচালনা করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোগ্রামের অংশগুলো RAM-এ লোড করে।
• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো একটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।
- এর মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে এমনভাবে দেখানো হয় যেন তারা একটি বড় ও ধারাবাহিক মেমোরি ব্লক ব্যবহার করছে, যদিও বাস্তবে শারীরিক মেমোরি (RAM) সীমিত এবং সবসময় ধারাবাহিকভাবে বরাদ্দ করা থাকে না।
- এর মূল ধারণা হলো—একটি প্রোগ্রামকে ছোট ছোট অংশে (যাকে পেজ বা Page বলা হয়) ভাগ করা।
- যখন প্রধান মেমোরি (RAM)-তে জায়গা প্রয়োজন হয়, তখন কিছু পেজ ডিস্কে সরিয়ে রাখা হয় এবং প্রয়োজন হলে সেগুলো আবার RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়।
• ভার্চুয়াল মেমোরির উদ্দেশ্য:
১. একটি প্রোগ্রাম চালানোর জন্য পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমোরিতে লোড করার প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অংশগুলো লোড করা হয়।
২. প্রোগ্রামের আকার সিস্টেমে থাকা শারীরিক মেমোরির চেয়ে বড় হতে পারে।
৩. ভার্চুয়াল মেমোরি এমন একটি বড় মেমোরির ধারণা তৈরি করে, যদিও প্রকৃত RAM ছোট হতে পারে।
৪. এটি RAM এবং ডিস্ক স্টোরেজ উভয়ই ব্যবহার করে মেমোরি পরিচালনা করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোগ্রামের অংশগুলো RAM-এ লোড করে।
৫. এর ফলে সিস্টেম একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালাতে পারে এবং মেমোরি আরও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়।
উৎস: geeksforgeeks.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম
সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আইডিই হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের পুরো অর্থ হলো 'ইন্টিগ্রেটেড ড্রাইভ ইলেকট্রনিক্স।
- একে পাটা বা প্যারালাল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট (PATA- Parallel Advanced Technology Attachment) নামেও ডাকা হয়।
• এর বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- IDE/PATA ড্রাইভগুলোর সাধারণত ৪০টি পিন থাকে।
- IDE/PATA ড্রাইভগুলো 133 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- এই ড্রাইভ একই সময়ে ৮ বিট ডেটা প্রেরণ করতে পারে।
- PATA হার্ড ডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য PATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। একটি একক PATA ক্যাবলে দুইটি ড্রাইভকে যুক্ত করা যায়। ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলীম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম