বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ৩৯ · ৭০১৮০০ / ৩,৮৭৯

৭০১.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি আপেক্ষিক নয়?
  1. আলোর দ্রুতি
  2. সময়
  3. ভর
  4. স্থান
সঠিক উত্তর:
আলোর দ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর দ্রুতি
ব্যাখ্যা
• আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- আইনস্টাইনের তত্ত্ব অনুসারে,
- স্থান,
- ভর ও
- সময় হলো আপেক্ষিক।

- আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে, আলোর দ্রুতি আপেক্ষিক নয় অর্থাৎ এটি ধ্রুব।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়।
- কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।

- উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
- আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০২.
হিগের কণার (Higgs Particle) প্রকৃতির সাথে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
  1. স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. সত্যেন্দ্র নাথ বসু
  3. প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম
  4. ড. কুদরত-ই-খুদা
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্র নাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্র নাথ বসু
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু 1924 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা ব্যবহার করে বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রদান করেন। এজন্য বিজ্ঞানী বসুকে কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্বের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়, এবং তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একশ্রেণির মৌলিক কণাকে বোসন (Boson) নাম দেওয়া হয়। 1900 থেকে 1930 সাল পর্যন্ত এই সময়টিতে হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঙ্গার, ডিরাকসহ অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী মিলে পদার্থের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন।
-----------------------

বোসন (Boson): 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। 
- এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা- 

(i) গেজ বোসন (Gauge Boson): 
- এদের স্পিন হলো 1 । 
- এই কণাগুলো হলো- গণ্ডুওন (g), ফোটন (γ) এবং W ও Z বোসন। 
• গণ্ডুণ্ডন: গণ্ডুওন কণা হলো সবল নিউক্লিয় বলবাহী কণা। এর নিশ্চল ভর শূন্য। 
• ফোটন: এই কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। এর নিশ্চল ভর শূন্য। 
• W ও Z বোসন: W+, W- এবং W0 এই তিনটি বোসন কণা দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। এ কণাগুলোর ভর আছে।

(ii) হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্তানান্তরিত হয়। হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্তানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০৩.
ইলেক্ট্রন -
  1. ক) আধান নিরপেক্ষ
  2. খ) ধণাত্মক আধান যুক্ত
  3. গ) ঋণাত্মক আধান যুক্ত
  4. ঘ) এর কোনো আধান নেই
সঠিক উত্তর:
গ) ঋণাত্মক আধান যুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঋণাত্মক আধান যুক্ত
ব্যাখ্যা
ইলেক্ট্রন পরমাণুর একটি মূল কণিকা যার আধান বা চার্জ ঋণাত্মক বা নেগেটিভ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৭০৪.
পেপটিক আলসার হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) প্রোটোজোয়া
  4. ঘ) খাদ্যে অনিয়ম
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন (1951-বর্তমান) ও ব্যারি মার্শালের (1937-বর্তমান) গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপােড়া খাবার খাওয়া, বিষন্নতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া।
এজন্য তাঁরা 2005 সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নােবেল পুরস্কার লাভ করেন। আগে ভাবা হতাে, পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনাে ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। তাঁর ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল নিজে H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন!

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
৭০৫.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্যাপাসিটর
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. রেজিস্টর
  4. ডায়োড
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭০৬.
একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে জুপ্ল্যাঙ্কটন ভক্ষণকারী ছোট মাছ কোন স্তরের খাদক?
  1. উৎপাদক স্তর
  2. প্রথম স্তরের খাদক
  3. দ্বিতীয় স্তরের খাদক
  4. তৃতীয় স্তরের খাদক
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় স্তরের খাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় স্তরের খাদক
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় স্তরের খাদক হলো সেই সকল জীব, যারা প্রথম স্তরের খাদকের ওপর নির্ভর করে খাদ্য গ্রহণ করে; যেমন পুকুরে ছোট মাছ, ব্যাঙ ও কিছু জলজ পতঙ্গ।

• বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem):
- নির্দিষ্ট পরিবেশে সজীব ও নির্জীব উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার গতিময় ব্যবস্থাকে বাস্তুতন্ত্র বলে।
- এখানে জীব ও পরিবেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

• বাস্তুতন্ত্রের উপাদান:
- বাস্তুতন্ত্র মূলত দুই প্রকার উপাদান নিয়ে গঠিত—অজৈব উপাদান ও জৈব উপাদান।

• অজৈব উপাদান:
- পানি, মাটি, কার্বন ডাইঅক্সাইড, অক্সিজেন, আলো, তাপ, আর্দ্রতা, খনিজ লবণ প্রভৃতি অজৈব উপাদান।
- এগুলো জীবের বেঁচে থাকা ও খাদ্য উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য।

• জৈব উপাদান:
- জৈব উপাদান তিন প্রকার—উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক।

• উৎপাদক (Producer):
- সবুজ উদ্ভিদ ও শৈবাল সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে।
- এরা স্বভোজী (Autotroph)।
- উদাহরণ: শৈবাল, জলজ উদ্ভিদ, প্ল্যাঙ্কটন।

• খাদক (Consumer):
- যারা নিজে খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না এবং উৎপাদক বা অন্যান্য জীবের ওপর নির্ভর করে তাদের খাদক বলে।
- খাদক তিন প্রকার—
- প্রথম স্তরের খাদক: উৎপাদককে সরাসরি খায়।
- উদাহরণ: মশার লার্ভা, ভাসমান ক্ষুদ্র প্রাণী (জুপ্ল্যাঙ্কটন), কিছু জলজ পোকা।
- দ্বিতীয় স্তরের খাদক: প্রথম স্তরের খাদককে খায়।
- উদাহরণ: ছোট মাছ, ব্যাঙ, কিছু জলজ পতঙ্গ।
- তৃতীয় স্তরের খাদক: দ্বিতীয় স্তরের খাদককে খায়।
- উদাহরণ: বড় মাছ (শোল, বোয়াল), বক, পানকৌড়ি।

• বিয়োজক (Decomposer):
- মৃত জীবদেহ ভেঙে সরল পদার্থে পরিণত করে।
- উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক।
- বিয়োজিত পদার্থ পুনরায় উৎপাদক ব্যবহার করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- উৎপাদক → সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদনকারী স্বভোজী জীব।
- প্রথম স্তরের খাদক → সরাসরি উৎপাদক ভক্ষণকারী তৃণভোজী প্রাণী।
- তৃতীয় স্তরের খাদক → দ্বিতীয় স্তরের খাদকের ওপর নির্ভরশীল উচ্চস্তরের মাংসাশী প্রাণী।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০৭.
মানুষের মুখে ছেদন দন্ত কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
ব্যাখ্যা

মানুষের মুখে চার ধরনের দাঁত রয়েছে। এগুলো হলোঃ
১) Incisor( কর্তন)
২) Canine( ছেদন)
৩) Premolar ( অগ্রপেষণ)
৪) Molar ( পেষণ)।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ৩২ টি দাঁতের মধ্যে উপরের পাটিতে থাকে ১৬ টি আর নিচে থাকে ১৬ টি।
প্রতি পাটিতে ১৬ টি দাঁতের মধ্যে সামনের ৪ টি Incisor বা কর্তন দাঁত। তার পরেই যে সুচালো দাঁতটি রয়েছে সেটি হলো Canine বা ছেদন। মাংসাশী প্রানীদের এই দাঁত অনেক লম্বা থাকে। তার পরে দুটি (এক পাশে) অগ্রপেষণ। সবার শেষে আক্কেল দাঁতসহ তিনটি (এক পাশে) দাঁত হলো পেষণ দাঁত যা আমাদের চিবানোর কাজে লাগে।
অর্থাৎ মানুষের মোট ৩২ টি দাঁতের মধ্যে কর্তন দাঁত ৪+৪= ৮ টি। ছেদন ২+২= ৪ টি। অগ্রপেষণ ৪+৪ =৮ টি এবং পেষণ দাঁত ৬+৬ = ১২ টি।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণি, বিজ্ঞান; নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রাণীবিজ্ঞান।

৭০৮.
মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে কী বলে?
  1. ক) উপকূলীয় ঢাল
  2. খ) মহীঢাল
  3. গ) উত্থিত মহীসোপান
  4. ঘ) নিমজ্জিত শৈলশিরা
সঠিক উত্তর:
ক) উপকূলীয় ঢাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উপকূলীয় ঢাল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
মহীসোপানের সমুদ্রের পানির গড় উচ্চতা ১৫০ মিটার। মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে উপকূলীয় ঢাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।
৭০৯.
জলাতঙ্ক রোগের প্রধান কারণ কী?
  1. অ্যামিবা
  2. প্রটোজোয়া
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
৭১০.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও শাকসবজি চাষকে বলে-
  1. হর্টিকালচার
  2. প্রণকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. সেরিকালচার
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা

Horticulture শব্দটি ল্যাটিন hortus (garden/উদ্যান) এবং cultura (চাষাবাদ) থেকে এসেছে। এটি ফুল, ফল, শাকসবজি ও অলঙ্কারিক উদ্ভিদ চাষের বিদ্যা।

আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি:
• মৎস্য চাষ - পিসিকালচার।
• চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রণকালচার।
উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার
• রেশমের (পোকার) চাষ - সেরিকালচার।
• মৌমাছির চাষ - এপিকালচার।
• পাখিপালন বিদ্যা- এভিকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭১১.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার, ঢাকা
  2. ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. নশিপুর, দিনাজপুর
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি:
→ অবস্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।
→ ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
→ ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
→ ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি।
৭১২.
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল কখন ঘটে?
  1. অষ্টমীতে
  2. অমাবস্যায়
  3. পঞ্চমীতে
  4. একাদশীতে
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৩.
শূন্যস্থানে আলোর বেগ কত?
  1. ক) 3×108ms-2
  2. খ) 3×106ms-1
  3. গ) 3×109ms-2
  4. ঘ) 3×108ms-1
সঠিক উত্তর:
ঘ) 3×108ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 3×108ms-1
ব্যাখ্যা
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ ৩০০০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড অর্থাৎ ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড বা 3×108 ms-1.
ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি- ড. আমির হোসেন
৭১৪.
পাথফাইন্ডার-এর মঙ্গলে অবতরণ সাল-
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা

Quick Facts from NASA

Mars Pathfinder

MISSION TYPE
Rover: ''Sojourner''

LAUNCH
December 4, 1996 UTC

LAUNCH VEHICLE
Delta II

LAUNCH LOCATION
Cape Canaveral Air Force Station, Florida

LANDING
July 4, 1997

LANDING SITE
Ares Vallis, Mars

END OF MISSION
September 27, 1997

৭১৫.
ফ্যাক্স মেশিন কে, কোন সালে আবিষ্কার করেন? 
  1. থমাস এডিসন, ১৮৭৯ সালে 
  2. মাইকেল ফ্যারাডে, ১৮৩১ সালে 
  3. আলেকজান্ডার বেইন, ১৮৪২ সালে 
  4. আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, ১৮৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার বেইন, ১৮৪২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার বেইন, ১৮৪২ সালে 
ব্যাখ্যা

ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

ফ্যাক্সের মূলনীতি: 
- ফ্যাক্স মেশিন হলো মূলত টেলিফোন, স্ক্যানার, প্রিন্টার ও মোডেম সম্মিলিত একটি যন্ত্র। প্রেরক কোনো ডকুমেন্ট পাঠাতে চাইলে তিনি প্রথমে টোলফোনে ডায়াল করে প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনের সাথে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করেন। তারপর তার ডকুমেন্টটি ফ্যাক্স মেশিনে রাখলে ডকুমেন্টের যাবতীয় লেখা বা ছবি স্ক্যানারের মাধ্যমে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর হয়। সেই ছবি মোডেমের সাহায্যে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে প্রাপকের মোডেমে পাঠায়। প্রাপকের মোডেম সেই এনালগ সংকেতকে পুনরায় ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে ফ্যাক্স মেশিনের প্রিন্টারে পাঠায় এবং প্রিন্টারে সাহায্যে প্রেরকের পাঠানো ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপক পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১৬.
ভায়াগ্রা কী?
  1. একটি জলপ্রপাত
  2. নতুন একটি ওষুধ
  3. সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম
  4. নতুন জাহাজের নাম
সঠিক উত্তর:
নতুন একটি ওষুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন একটি ওষুধ
ব্যাখ্যা
- ভায়াগ্রা হলো একটি ওষুধ যা পুরুষদের যৌনক্ষমতা বাড়ায়।
- ভায়াগ্রা ১৯৯৮ সালে বিক্রি শুরু হয় এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই একটি সবচেয়ে বেশি বিক্রীত ওষুধে পরিণত হয়।
- প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আমেরিকান ওষুধ কোম্পানি ফাইজার।
- ভায়াগ্রা হলো ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গ শিথিলতার চিকিৎসার জন্য ইতিহাসে প্রথম অনুমোদিত ওষুধ।
- ২০০৮ সালে এর বার্ষিক বিক্রি প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে। যা এক বছরে ওষুধ বিক্রির শীর্ষে ছিল।

উৎস: বিবিসি নিউজ রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
৭১৭.
দেহ বৃদ্ধিকারক হরমোন কোনটি?
  1. থাইরক্সিন
  2. প্রোল্যাকটিন
  3. এড্রিনালিন
  4. সোমাটোট্রফিন
সঠিক উত্তর:
সোমাটোট্রফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমাটোট্রফিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের বৃদ্ধি হরমোন (Human Growth Hormone, HGH) সাধারণভাবে সোমাটোট্রপিন (Somatotrophin) নামে পরিচিত। 
- এটি এক ধরনের পেপটাইড হরমোন যা প্রায় ২০০ টি অ্যামিনো এসিডে গঠিত। 
- মানবদেহের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত এ হরমোন শরীরে স্বাভাবিকভাবেই উৎপন্ন হয়। 
- মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থিতে এটি উৎপন্ন হয়।
-  বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০ বছর বয়সের পরে বৃদ্ধি হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। 
- পরবর্তী প্রতি ১০ বছরে ক্ষরণ প্রায় ১৪% হারে হ্রাস পায়। 
- বৃদ্ধি হরমোন যত কমবে, শরীরে ততই বয়সের ছাপ বাড়বে। 
- এ সময় দেহে বৃদ্ধি হরমোন প্রয়োগ করলে বয়সের ছাপ মিলিয়ে যাবে কিংবা ছাপ পড়ার গতি কমে যাবে।
 
উৎস: প্রাণী বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৮.
নিচের কোন অজৈব পদার্থটি রক্তরসে বিদ্যমান?
  1. বিলিরুবিন
  2. ইউরিক এসিড
  3. লৌহ
  4. ক্রিয়েটিনিন
সঠিক উত্তর:
লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ
ব্যাখ্যা
♦ রক্তরস বা প্লাজমা: 
- রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে। রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ।

অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন এবং O, CO, এবং N, জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ।

জৈব পদার্থগুলো হলো:
• খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি।
• রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি।
• প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথ্রম্বিন ইত্যাদি।
• প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি: অ্যান্টিটক্সিন, অ্যাগ্লুটিনিন ইত্যাদি।
• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন।
• কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৭১৯.
ছায়াপথের অন্য নাম কী? 
  1. অ্যান্ড্রোমেডা
  2. আকাশগঙ্গা
  3. নক্ষত্রপথ
  4. সৌরপথ
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
ব্যাখ্যা

ছায়াপথ (Milky Way):
- আমরা যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করি তার নাম ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা।
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়।
- একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি।
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ।
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মণ্ডল বলে অনুমান করেন।
- সৌরজগৎ ছায়াপথের অন্তর্গত।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৭২০.
কোন্ দেশ কৃত্রিম উপগ্রহ স্ফূটনিক-১ উৎক্ষেপন করেছিল?
  1. ক) আমেরিকা
  2. খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-১ কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে এই যাত্রার সূচনা করে।
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হল- ভ্রমণসঙ্গী
- ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-২ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণি বিজ্ঞান।
৭২১.
ভূত্বকের গভীরতা (প্রায়) -
  1. ক) ১৬ কিমি
  2. খ) ১২ কিমি
  3. গ) ১০ কিমি
  4. ঘ) ২০ কিমি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ কিমি
ব্যাখ্যা
ভূত্বকের গভীরতা ১৬ কিমি (প্রায়)।

- পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরকে বলে মণ্ডল।
- ভূগর্ভের রয়েছে তিনটি স্তর—অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ওপরের স্তরটি হলো অশ্মমণ্ডল। আর অশ্মমণ্ডলের ওপরের অংশই ভূত্বক।
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। ভূতত্ত্ববিদগণের মতে, দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে শিলার সৃষ্টি হয়।
- সাধারণত পাথর, নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালু ইত্যাদি দিয়ে ভূত্বক গঠিত।
- মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরকে সিয়াল স্তর বলে, যা সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে গঠিত।

সূত্র: ভূমিরূপ বিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২২.
কেপলারের প্রথম সূত্র অনুসারে, গ্রহগুলো সূর্যের চারপাশে কীভাবে ঘোরে?
  1. একটি বৃত্তাকার কক্ষপথে
  2. একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে
  3. একটি পরাবৃত্তাকার কক্ষপথে
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে
ব্যাখ্যা
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র (Kepler's Law of Planetary Motion):
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এ সম্পর্কে তিনি কয়েকটি সূত্র উপস্থাপন করেন।
- তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 

• ১ম সূত্র: সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

• ২য় সূত্র: প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

• ৩য় সূত্র: সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের' (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৩.
প্রতিসরণের সূত্র কে প্রণয়ন করেন?
  1. নিউটন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. আইনস্টাইন
  4. স্নেল
সঠিক উত্তর:
স্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেল
ব্যাখ্যা

প্রতিসরণ (Refraction):
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে।
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে।

প্রতিসরণের সূত্র:
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে।
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন, তাই এ সূত্রটিকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়
যেমন-
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে।
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব।
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২৪.
কৃষিতে ’স্বর্ণা সার’ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ড. মাকসুদুল আলম
  2. ড. আব্দুল খালেক
  3. ড. আব্দুল জমির উদ্দিন
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা

স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
-'স্বর্ণা' নামের বহুল পরিচিত এই 'জৈবসার'-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৭২৫.
সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউকে কী বলে?
  1. সুনামি
  2. হারিকেন
  3. টর্নেডো
  4. জলোচ্ছ্বাস
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা

• সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউকে সুনামি বলে।

• সুনামি:
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প।
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার।
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ।
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়।
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে।
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল।

অন্যান্য অপশন:
- হারিকেন হলো মূলত গ্রীষ্মমন্ডলীয় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যা বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পার্থক্যের কারণে সমুদ্রের উপরে তৈরি হয়।
- টর্নেডো হলো স্থলভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক সংকীর্ণ ও ঘূর্ণায়মান বায়ুস্তম্ভ যা মেঘ থেকে মাটির দিকে বিস্তৃত হয়।
- জলোচ্ছ্বাস হলো ঘূর্ণিঝড় বা বায়ুমণ্ডলীয় নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রের পানির অস্বাভাবিক স্ফীতি যা উপকূলে আছড়ে পড়ে কিন্তু এটি ভূমিকম্প সৃষ্ট নয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭২৬.
নিচের কোনটি নক্ষত্রমণ্ডলী?
  1. সপ্তর্ষিমন্ডল
  2. কালপুরুষ
  3. ক্যাসিওপিয়া
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকেকাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করেবিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নামদিয়েছেন।
- এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।
- এদের মধ্যে সপ্তর্ষিমন্ডল (GreatBear), কালপুরুষ (Orion), ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia), লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear), বৃহৎ কুকুরমণ্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৭২৭.
কোনটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ নয়?
  1. টিকা প্রদান
  2. বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ
  3. রক্তপরীক্ষা
  4. কসমেটিক সার্জারি
সঠিক উত্তর:
কসমেটিক সার্জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমেটিক সার্জারি
ব্যাখ্যা
• প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা হলো এমন একটি মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, যা জনগণের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য রক্ষায়, রোগ প্রতিরোধে ও দ্রুত চিকিৎসা প্রদানে সহায়ক।
এটি সাধারণত সরকার বা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয় এবং সবার জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও কার্যকর হয়ে থাকে।

• প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ- 
⇒ টিকা প্রদান (Vaccination):
  - শিশুদের বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে দেওয়া হয় (যেমন: পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া)।
  -  এটি একটি প্রধান প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা।

⇒ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ:
- পানিবাহিত রোগ যেমন কলেরা, টাইফয়েড প্রতিরোধে অপরিহার্য।

⇒ রক্তপরীক্ষা (Blood test):
- বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে সহায়ক যেমন: ডায়াবেটিস, অ্যানিমিয়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
কসমেটিক সার্জারির বৈশিষ্ট্য হলো
- এটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্তর্গত নয়।
- এর উদ্দেশ্য শরীরের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা, যেমন: নাক সোজা করা, ত্বক টানটান করা ইত্যাদি।
- এটি বিশেষায়িত চিকিৎসা (Specialized care) এবং অনেক ক্ষেত্রে ঐচ্ছিক (Elective Procedure) হিসেবে বিবেচিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। 
- World Health Organization (WHO): What is Primary Health Care.
৭২৮.
কোন রোগ প্রতিরোধে নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা দেওয়া হয়? 
  1. টাইফয়েড 
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা 
  3. জলাতঙ্ক 
  4. ধনুষ্টংকার 
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
ব্যাখ্যা

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকার প্রকারভেদ নিম্নরূপ: 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- এতে কালচার করা জীবাণুদের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করা হয়। 
উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি এই টিকা। 
উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২৯.
নিচের কোনটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নির্দেশ করে?
  1. ০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ১২০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩০.
রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে কি নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) Sericulture
  2. খ) Pisciculture
  3. গ) Horticulture
  4. ঘ) Fishiculture
সঠিক উত্তর:
ক) Sericulture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Sericulture
ব্যাখ্যা
মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার;
মৌমাছির চাষ - এপিকালচার;
রেশমের চাষ - সেরিকালচার;
উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার;
পাখি পালন বিদ্যা - এভিকালচার;
সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার
৭৩১.
শুক্রাশয় থেকে কোন হরমোন নি:সৃত হয়?
  1. ক) ইস্ট্রোজেন
  2. খ) প্রোজেস্টেরন
  3. গ) অ্যান্ড্রোজেন
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যান্ড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যান্ড্রোজেন
ব্যাখ্যা
আমাদের শরীরে নিম্নলিখিত গ্রন্থিগুলো প্রজনন-সংক্রান্ত হরমোন নিঃসরণ করে:
• পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland)
• থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland)
• অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (Adrenal gland) (iv) শুক্রাশয়ের অনালগ্রন্থি (Testis)
• ডিম্বাশয়ের অনালগ্রন্থি (Ovary)
• অমরা (Placenta ) 

পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে বিভিন্ন ধরনের বৃদ্ধি উদ্দীপক হরমোন এবং উৎপাদক হরমোন নিঃসৃত হয়। এ হরমোনগুলো জননগ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ এবং কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, মাতৃদেহে স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি এবং দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। 

থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এ হরমোন দৈহিক এবং মানসিক বৃদ্ধি, যৌনলক্ষণ প্রকাশ এবং বিপাকে সহায়তা করে।

অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কিছু হরমোন যৌনাঙ্গ বৃদ্ধি ও যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।

শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত টেস্টোস্টেরন ও অ্যান্ড্রোজেন শুক্রাণু উৎপাদন, দাড়ি-গোঁফ গজানো, গলার স্বর পরিবর্তন ইত্যাদি যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।

ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন মেয়েদের নারীসুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি, ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ, অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি 
৭৩২.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো?
  1. ভিটামিন -এ
  2. ভিটামিন -সি
  3. পটাশিয়াম
  4. লৌহ
সঠিক উত্তর:
লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ
ব্যাখ্যা
- কচুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, যা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। 
- কচুর মূল উপাদান হলো আয়রন (Fe), যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ ঠিক রাখে।
- কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এটি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া চোখসম্পর্কিত জটিলতা কমায়।
- কচুশাকে থাকা স্যাপোনিনস, টেনিনস, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্লাভোনয়েড উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
-  কচুর ডাঁটায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, তাই গরমের সময় কচুর ডাঁটা রান্না করে খেলে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ হয়।
- নিয়মিত কচুশাক খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমে।
- কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, এ কারণে এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে কচুশাক। নিয়মিত শাকটি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।
- এটি হজমশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।
- অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান রয়েছে।

অর্থাৎ কচুতে আয়রন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি সবই থাকে। কিন্তু কচুশাকের প্রধান উপাধান বলা হলে তা হলো লৌহ।

উৎস: 
প্রথম আলো( ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১)।
৭৩৩.
ভূত্বক প্রধানত কয়টি বড় টেকটোনিক্স প্লেট দ্বারা গঠিত?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics): ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত আটটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।

তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়। যথা: সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা, অপসারী সীমা ও পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়,নবম দশম শ্রেনি।

৭৩৪.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট সম্পর্কে প্রথম আলোচনা হয়-
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫২ এর দিকেই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট সম্পর্কে আলোচনা শুরু হলেও সত্যিকার ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি হয় ষাটের দশকে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৩৫.
White Blood Cell নামে পরিচিত কোনটি?
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. অনুচক্রিকা
  3. শ্বেত রক্ত কণিকা
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৬.
মানুষের করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা -
  1. ১২টি
  2. ২৪টি
  3. ৩১টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
যেসব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি হয়ে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বেরিয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় সেগুলোকে করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের মস্তিষ্কে ১২ জোড়া অর্থাৎ ২৪টি করোটিক স্নায়ু আছে।
- সম্মুখ অংশ থেকে পরপর এদের রোমান সংখ্যা দিয়ে সূচিত করা হয়।
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়।

- মানুষের জীবকোষে ক্রোমোজোম আছে ২৩ জোড়া। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৭৩৭.
হার্প (HAARP) বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর নিয়ে গবেষণা করে?
  1. ক) আয়নমণ্ডল
  2. খ) ট্রপোমণ্ডল
  3. গ) স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. ঘ) মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ক) আয়নমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আয়নমণ্ডল
ব্যাখ্যা
হার্প (HAARP)
- HAARP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে High-frequency Active Auroral Research Program.
- হার্প আয়নোস্ফিয়ার বা আয়নমন্ডলের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ নিয়ে গবেষণা করে।
- আয়নোস্ফিয়ার হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ মাইল থেকে ৪০০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমন্ডলীয় এলাকা।
- আয়নোস্ফিয়ারে উচ্চ কম্পাঙ্কের রেডিও তরঙ্গ পাঠানো হয় এবং এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- হার্প এর অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়।
- এটি ইউএস এয়ার ফোর্স, নেভি, ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকস এবং ডিফেন্স এডভান্সড রিসার্চ প্রোজেক্টস এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চলে।
- ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট স্থান পরিবর্তন করে এটিকে ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকসে নিয়ে আসা হয়।

সূত্র: https://haarp.gi.alaska.edu
৭৩৮.
নিম্নের কোন রােগটি DNA ভাইরাসঘটিত?
  1. ডেঙ্গুজ্বর
  2. স্মলপক্স
  3. কোভিড-১৯
  4. পােলিও
সঠিক উত্তর:
স্মলপক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মলপক্স
ব্যাখ্যা
- স্মলপক্স রোগটি DNA ভাইরাসঘটিত।
- ভেরিওলা ভাইরাস মানবদেহে স্মলপক্স বা গুটি বসন্ত সৃষ্টি করে।
- ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে DNA ও RNA থাকে।
- অন্যান্য জীবদেহে DNA ও RNA একই সাথে অবস্থান করলেও ভাইরাসে DNA ও RNA একই সাথে অবস্থান করতে পারেনা।

• DNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- হার্পিস সিমপ্লেক্স (মানব), Tipula irridescent, Rabbitpox, Vaccinia (bovine), ভেরিওলা (মানব), Pustular dermatitis (Sheep), এডেনা গ্রুপ, প্যাপিলোমা (মানব), পলিওমা, ΦX174 কলিফাজ, Cauliflower mosaic ও Adenoassociaed ইত্যাদি।

• RNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ইনফ্লুয়েঞ্জা বি (মানব), পোলিও (মানব), রুবেলা (মানব), পীতজ্বর (মানব), ডেঙ্গু (মানব), Encephalitis (Human), Leukemia (cat), মাম্পস (মানব), Measles (Human), Cold (Human), Newcastle disease (fowl), Rous sarcoma (bird), Rabies (dog), Potato yellow dwarf, Vesicular stomatitis (cattle), Tobacco mosaic, Sugarcane mosaic, fd (Pseudomonas), Cucumber mosaic, f2, fr1, R17কলিফাজ ইত্যাদি।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৯.
কোন ধরনের ট্রান্সফর্মার বিদ্যুৎ পরিবহনে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
  2. তাড়িত চৌম্বক ট্রান্সফরমার
  3. স্টেপ-ডাউন ট্রানফরমার
  4. আধুনিক ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ পরিবহনে প্রধানত স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর তা লম্বা দূরত্বে প্রেরণ করার সময় ভোল্টেজ বাড়ানো প্রয়োজন যাতে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় শক্তি ক্ষয় কম হয়। স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ভোল্টেজ বৃদ্ধি করে কারেন্ট কমিয়ে দেয়, ফলে পরিবহনের সময় তাপ ক্ষয় কমে। গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর আগে ভোল্টেজ কমানোর জন্য পরে স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।
- তাই বিদ্যুৎ পরিবহন ব্যবস্থায় স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমার বা ট্রান্সফর্মার একটি স্থির বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম যার দ্বারা কোনাে পরিবর্তী তড়িৎ ব্যবস্থায় অপরিবর্তীত কম্পাঙ্কতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎশক্তিকে ভােল্টেজের মান অনুযায়ী কমিয়ে বা বাড়িয়ে এক সার্কিট থেকে অন্য সার্কিটে স্থানান্তর করা যায়।
- এ.সি. (Alternating Current) ব্যবস্থায় কম ভােল্টেজকে বেশি ভােল্টেজে বা বেশি ভােল্টেজকে কম ভােল্টেজে রূপান্তর করার জন্য ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।
- কম থেকে বেশি ভােল্টেজে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে ''স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার'' বা ''উচ্চধাপী ট্রান্সফর্মার'' এবং বেশি থেকে কমভােল্টেজে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে''স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার'' বা ''নিম্নধাপী ট্রান্সফর্মার'' বলা হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণী।

৭৪০.
পৃথিবীর মিঠা পানির প্রধান উৎস কোনটি?
  1. সমুদ্র 
  2. মহাসমুদ্র
  3. নদী ও হ্রদ 
  4. বায়ুমণ্ডল 
সঠিক উত্তর:
নদী ও হ্রদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ও হ্রদ 
ব্যাখ্যা

বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 

- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৪১.
বায়ুমণ্ডলে ওজোনের পরিমাণ কত?
  1. ০.০০০২%
  2. ০.০০০৩%
  3. ০.০০০৪%
  4. ০.০০০১%
সঠিক উত্তর:
০.০০০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০০১%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২,
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar )⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)⇒ ০.০৩, 
 ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১, 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪২.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র?
  1. থার্মোমিটার
  2. পাইরোমিটার
  3. রিখটার স্কেল
  4. ব্যারোমিটার
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:

- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৪৩.
পাখিপালন বিদ্যাকে কী বলে?
  1. সেরিকালচার
  2. এভিকালচার
  3. অর্থিনোলজি
  4. হর্টিকালচার
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
ব্যাখ্যা
- পাখিপালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার।

এছাড়াও
- মৎস্যচাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার।
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার।
- চিংড়ি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার।
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার।
- পাখি সম্পর্কিত বিদ্যাকে Ornithology বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৪৪.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. এলএনজি
  3. জিওথার্মাল
  4. খনিজ তেল
সঠিক উত্তর:
জিওথার্মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
- যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা শক্তি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- সৌরতাপ
- বায়ু
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- খনিজ তেল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস/এলএনজি হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি। অর্থাৎ এসব জ্বালানির উৎস অফুরন্ত নয়।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৭৪৫.
ভরা কটাল প্রধানত কোন দুটি দিনে বেশি দেখা যায়? 
  1. অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
  2. প্রতিপদ ও চতুর্দশী
  3. অষ্টমী ও একাদশী
  4. ষষ্ঠী ও নবমী
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৬.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. জারুল
  2. গর্জন
  3. শাল
  4. গরান
সঠিক উত্তর:
গরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরান
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

৭৪৭.
আগ্নেয়গিরিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরিকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা যায় । 
১) সক্রিয় আগ্নেয়গিরিঃ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হলো সেসব আগ্নেয়গিরি যেখান থেকে এখনো অগ্ন্যুৎপাত হয়। উদাহরণঃ ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি
২) সুপ্ত আগ্নেয়গিরিঃ সুপ্ত আগ্নেয়গিরি থেকে বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে। উদাহরণঃ জাপানের ফুজিয়ামা
৩) মৃত আগ্নেয়গিরিঃ মৃত আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা নেই। উদাহরণঃ পোপো আগ্নেয়গিরি

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭৪৮.
Photoelectric Effect ব্যাখ্যার জন্য কোন তত্ত্ব প্রস্তাব করা হয়েছে?
  1. কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  2. কণিকা তত্ত্ব
  3. তরঙ্গ তত্ত্ব
  4. তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• Photoelectric Effect বা আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যার জন্য কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাব করা হয়েছে। এই তত্ত্ব প্রথম দেন আলবার্ট আইনস্টাইন। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী আলো ধারাবাহিক তরঙ্গ নয়, বরং শক্তির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেট বা কণা আকারে নির্গত হয়, যাদের ফোটন বলা হয়। যখন নির্দিষ্ট ন্যূনতম কম্পাঙ্কের আলো কোনো ধাতুর পৃষ্ঠে আপতিত হয়, তখন ফোটন ধাতুর ইলেকট্রনকে শক্তি সরবরাহ করে। পর্যাপ্ত শক্তি পেলে ইলেকট্রন ধাতুর পৃষ্ঠ ত্যাগ করে বেরিয়ে আসে। তরঙ্গ তত্ত্ব দিয়ে এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি, তাই কোয়ান্টাম তত্ত্বই সঠিক উত্তর।
 
কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়। 
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। 
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

কণা তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি বৈশিষ্টের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

তরঙ্গ তত্ত্ব: 
- আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিভিন্নতার জন্য আলোর বর্ণ বিভিন্ন হয়। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হলেও মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষায় ইথারের অস্তিত্ব নাই প্রমাণিত হওয়ায় এই তত্ত্ব বিতর্কিত হয়। 

তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- এর দৃশ্য তরঙ্গই আলো। 
- এর জন্য কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। 
- এই তত্ত্ব ফটো তড়িৎ প্রতিক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ বা ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪৯.
রাসায়নিক বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Hydration
  2. Exfoliation
  3. Hydrolysis
  4. Acid reaction
সঠিক উত্তর:
Exfoliation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Exfoliation
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার উদাহরণ নয়- Exfoliation, কারণ এটি একটি ভৌত বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 

বিচূর্নিভবন (Weathering): 

- প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা শিলার দুর্বল ও ক্ষয় হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিচূর্নিভবন (Weathering) বলে। 
- প্রথমে ভূপৃষ্ঠের শিলা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে এজেন্ট দ্বারা অন্য স্থানে অপসারিত হয়। 
- তিন প্রক্রিয়ায় বিচূর্নিভবন হতে পারে। 
যেমন- 
১। ভৌত বিচুর্নিভবন (Physical Weathering): 
- এই প্রক্রিয়ায় শিলা বিভিন্ন ভৌত শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং খণ্ড বিখণ্ড হয়ে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। 
- এক্ষেত্রে শিলার গঠনকারী খনিজসমূহের রাসায়নিক গঠন অক্ষুণ্ণ থাকে, শুধু শিলার আকার এবং আকৃতির পরিবর্তন হয়। 
যেমন- একটি বড় গ্রানাইট (এক ধরনের আগ্নেয় শিলা) পাথর ভৌত বিচূর্নিভবনের দ্বারা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নুড়ি পাথরে পরিণত হয়ে থাকে। 
- বিভিন্ন ধরনের ভৌত বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
যেমন- 
• হিমজনিত প্রক্রিয়া (Frost action), 
• লবণ স্ফটিক গঠনজনিত (Salt crystal growth), 
• তাপের পরিবর্তন জনিত (Thermal Action) এবং 
এক্সফলিয়েসন (Exfoliation)। 

২। রাসায়নিক বিচূর্নিভবন (Chemical Weathering): 
- রাসায়নিক প্রক্রিয়া দ্বারা শিলা বিচূর্ণ হলে তা রাসায়নিক বিচূর্নিভবন সংঘটিত করে, এক্ষেত্রে শিলা শুধু আকারে নয়, রাসায়নিক গঠনেও পরিবর্তিত হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
যেমন- 
• জারণ (Oxidation), 
পানিযোজন (Hydration)
আর্দ্রবিশ্লেষণ (Hydrolysis) এবং 
অম্লীয় বিক্রিয়াজনিত (Acid reaction)। 

৩। জৈব বিচূর্নিভবন (Biological Weathering): 
- উদ্ভিদ এবং প্রাণীর কার্যক্রমের দ্বারা অনেক ক্ষেত্রে শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হতে পারে। 
যেমন- কিছু কিছু উদ্ভিদ পাথরে জন্মাতে পারে। 
- এসব উদ্ভিদের শিকড় পাথরের গায়ে চাপ সৃষ্টি করে আরও গভীরে প্রবেশ করে এবং এর ফলে পাথরে ফাটলের সৃষ্টি হয়, সময়ের পরিক্রমায় সেই পাথর ক্ষয় হয়ে আরও ছোটো টুকরায় পরিণত হয়। 
- আমরা অনেকেই বিভিন্ন দালানের গায়ে বট বা পাকুর গাছ জন্মাতে দেখেছি, এসব গাছের শিকড়ের কারণে ভবনের দেয়ালে বা ছাদে ফাটল সৃষ্টি হয়। 
- ছোটো ছোটো অণুজীব দ্বারাও শিলা ক্ষয় হতে পারে, এক্ষেত্রে সে সকল অনুজীব থেকে নিঃসৃত রাসায়নিক শিলা ক্ষয়ে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান (অনুসন্ধানী পাঠ), নবম শ্রেণি।
৭৫০.
রুবিওলা ভাইরাসের পোষক-
  1. ক) মানুষ
  2. খ) গরু
  3. গ) বাদুড়
  4. ঘ) পাখী
সঠিক উত্তর:
ক) মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মানুষ
ব্যাখ্যা
রুবিওলা ভাইরাসের পোষক হচ্ছে মানুষ। 

- রুবিওলা ভাইরাস হাম নামক রোগ সৃষ্টি করে। 
- হাম ভাইরাসজনিত একটি রোগ। জার্মান মিজলস নামেও পরিচিত হাম।
- সাধারণত শিশুরা হামে আক্রান্ত হয়।
- হাঁচি-কাশির মাধ্যমে হামের জীবাণু ছড়িয়ে থাকে। 

- লক্ষণসমূহ- 
১. শিশুদের ক্ষেত্রে শুরুতে জ্বর, সর্দিভাব, শুকনো কাশি দেখা দেয়।
২. শিশুর খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসতে পারে।
৩. গালের ভেতরের দিকে লালচে হয়ে যায়।
৪. লালচে ভাবের মধ্যে সাদা দানা জাতীয় ক্ষত দেখা যায়।
৫. শিশুর দেহে হামের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লালচে দাগ বা মর্বিলি ফর্ম র‌্যাশ হয়।
৬. এই দাগ মাথা থেকে শুরু করে শরীরের নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র- ৯৭ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং WHO Website [লিঙ্ক]
৭৫১.
চন্দ্রযান - ৩ এর রোভারের নাম কি?
  1. ইউরো
  2. বিক্রম
  3. ভিরামুথুভেল
  4. প্রজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
প্রজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজ্ঞান
ব্যাখ্যা
- ভারত বিশ্বের ৪র্থ দেশ হিসেবে চাঁদে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
- ১৪ জুলাই ২০২৩ তারিখে চন্দ্রযান - ৩ যাত্রা শুরু করে। 
- ২৩ আগস্ট ২০২৩ তারিখে চন্দ্রযান - ৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে।
- ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ইউরো।
-  চন্দ্রযান - ৩ এর ল্যান্ডারের নাম বিক্রম।
-  চন্দ্রযান - ৩ এর রোভারের নাম প্রজ্ঞান
-  চন্দ্রযান - ৩ মিশনের প্রকল্প পরিচালকের নাম পি ভিরামুথুভেল। 

উৎস: LIVE MCQ Newspeaker
৭৫২.
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে শনি গ্রহের কতদিন সময় লাগে?
  1. ৭ মাস
  2. ১২ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২৯.৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২৯.৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯.৪ বছর
ব্যাখ্যা
শনি গ্রহ:
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- শনি গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ভূ-ত্বক বরফে ঢাকা।
- সূর্যের চারদিকে শনির একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৪ বছর।
- গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯ গুণ বড়।
- এর উপগ্রহ রয়েছে ১৪৬টি।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৩.
ট্রানজিস্টরে কয়টি টার্মিনাল থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে। যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর।
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৪.
রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
  1. ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) কসমিক রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
রঙ্গিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি (X-Ray) বের হয়।
Source: Massachusetts Institute of Technology (MIT)।

Gamma rays are often considered the most dangerous type of radiation to living matter.
Source: energy.chem.libretexts.org

গামা রশ্মি চার্জ নিরপেক্ষ অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। এই রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে এই রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি, স্বল্প আয়নায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন, এই রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে ও ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এর কোন ভর নেই।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৭৫৫.
নিচের কোন কার্যক্রমটি সাড়াদান ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভূক্ত?
  1. তল্লাশি ও উদ্ধার
  2. ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা
  3. নিরাপদ স্থানে অপসারণ
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ’দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।

- সাড়াদানের আওতাভূক্ত কার্যক্রমগুলো হলো:
• নিরাপদ স্থানে অপসারণ,
• তল্লাশি ও উদ্ধার,
• ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং
• ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৫৬.
শ্বেতকণিকা বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতার চিকিৎসায় কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়? 
  1. কোবাল্ট-60 
  2. টেকনেশিয়াম-99m 
  3. ফসফরাস-32
  4. আয়োডিন-131 
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
ব্যাখ্যা

- ফসফরাস-32 লিউকেমিয়া বা শ্বেতকণিকা বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতার (polycethemia vera) চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ। 

চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 

- শরীরের কোনো স্থানে কোনো ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ (60Co) থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা তার অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এই তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করতে সহায়তা করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কী কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- হার্টে পেইসমেকার বসাতে প্লুটোনিয়াম-২৩৮ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিডের গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫৭.
সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা কত হওয়া প্রয়োজন?
  1. ক) ২০° ফারেনহাইটের বেশি
  2. খ) ২৭° সেলসিয়াসের বেশি
  3. গ) ১৫ কেলভিনের বেশি
  4. ঘ) ৩৬° সেলসিয়াসের বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭° সেলসিয়াসের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭° সেলসিয়াসের বেশি
ব্যাখ্যা

নিম্নচাপ ও উচ্চ তাপমাত্রা সাইক্লোন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত সাইক্লোন তৈরিতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রার চেয়ে বেশি থাকে।

সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৭৫৮.
পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে দূরত্ব কোন এককে মাপা হয়?
  1. কিলোমিটার
  2. নটিক্যাল মাইল
  3. আলোক বর্ষ
  4. আলোক মাইল
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭৫৯.
কোন বিজ্ঞান শাখা মহাবিশ্বের সৃষ্টি, গঠন ও বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে? 
  1. Astronomy
  2. Cosmology
  3. Geology
  4. Meteorology
সঠিক উত্তর:
Cosmology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cosmology
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য: 
- মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হলো, কিভাবে সৃষ্টি হলো, কেনইবা এটি টিকে আছে এ সম্পর্কে আমাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে এটি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে এর বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা হয়েছে। 
- রাতের আকাশে অসংখ্য তারা বা নক্ষত্র দেখতে পাওয়া যায়, এমন অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি গ্যালাক্সি। 
- সপ্তদশ শতাব্দীতে টেলিস্কোপের ব্যবহার থেকে জানা যায়, সূর্য ছায়াপথ গ্যালাক্সির (Milky way) অন্যান্য নক্ষত্রের মতোই একটি সাধারণ নক্ষত্র। তখন মনে করা হতো, সূর্য হচ্ছে গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু। 
- বিংশ শতাব্দীতে এসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, সূর্যের অবস্থান গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে অনেক অনেক দূরে। 
- এরূপ কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত হয়েছে এ মহাবিশ্ব। 
- ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় 1011 । মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে। আর প্রত্যেকটি গ্যালাক্সিতে রয়েছে গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র। 

- পৃথিবী মহাবিশ্বের তুলনায় অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবী থেকে মহাকাশে নক্ষত্রদের দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও এদের পরস্পরের মধ্যে রয়েছে অনেক আলোক বর্ষের ব্যবধান। 
- সভ্যতার সেই শুরু হতেই বিজ্ঞানীগণ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা পোষণ করে আসছেন। এসব ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা 'মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত। 
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে। পরীক্ষা দুটি হলো- 
১। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং 
২। মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬০.
সাধারণত কত তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়?
  1. ক) ৩০০-৩৮০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৩৫০-৪০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৪৫০-৫০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষ ভালো হয় আর সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষ ভালো হয় না। একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হারও বেড়ে যায়। কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়। সাধারনত ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার এবং ৬৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৬১.
মানবদেহের দীর্ঘতম মাংসপেশি কোনটি?
  1. ফিমার
  2. বাইসেপস ফিমোরিস
  3. পেকটোরালিস মেজর
  4. সারটোরিয়াস
সঠিক উত্তর:
সারটোরিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারটোরিয়াস
ব্যাখ্যা

- The longest muscle in human body is the sartorius, a long thin muscle that runs down the length of the upper thigh, crossing the leg down to the inside of the knee.
- The primary functions of the Sartorius are knee flexion and hip flexion and adduction.
সূত্র: Encyclopedia Britannica

৭৬২.
নিম্নের কোনটির সাহায্যে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়?
  1. স্ফিগমোমিটার
  2. হাইগ্রোমিটার
  3. সেক্সট্যান্ট
  4. ক্রনোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
- এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
- ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে।
- তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৬৩.
মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. বায়ুর তাপমাত্রা সব সময় সমান থাকে
  2. বায়ুর চাপ সবসময় স্থির থাকে
  3. কোনো ঋতুতে বৃষ্টি হয় না
  4. ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
সঠিক উত্তর:
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ু: 
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “মওসুম” থেকে যার অর্থ ঋতু। 
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়। 
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু। 

মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: 
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।  
- দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুএশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। 
- এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। 
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়, কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৪.
এক্স রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কেমন? 
  1. আলোর চেয়ে অনেক ছোট
  2. আলোর চেয়ে অনেক বড়
  3. আল্ট্রাসনিক তরঙ্গের মতো
  4. আলোর সমান
সঠিক উত্তর:
আলোর চেয়ে অনেক ছোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর চেয়ে অনেক ছোট
ব্যাখ্যা
এক্স-রশ্মির ধর্ম: 
- এক্স রশ্মি সরল পথে গমন করে। 
- এক্স রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্স রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্স রশ্মি জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 
- এক্স রশ্মির তরঙ্গ তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্স রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এক্স রশ্মি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- এক্স রশ্মি আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটায়। 
- এক্স রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্স-রে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্স-রে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এক্স রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্স অদৃশ্য রশ্মি, সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৫.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) নাইট্রোজেন

- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো সেই গ্যাস যারা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রেখে গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।
- প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসগুলো হলো:
⋅ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)
⋅ মিথেন (CH4)
⋅ নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)
⋅ ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)
⋅ ওজোন (O3) ইত্যাদি

অন্যদিকে,
- নাইট্রোজেন (N2) এবং অক্সিজেন (O2) বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকলেও (নাইট্রোজেন ≈ ৭৮% এবং অক্সিজেন ≈ ২১%) এরা গ্রিন হাউস গ্যাস নয়। এদের তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা খুবই কম, তাই এরা গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে না।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭৬৬.
সূর্য কোন ধরনের পদার্থ দ্বারা তৈরী?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) গ্যাসীয়
  4. ঘ) প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
ব্যাখ্যা
আপনার বিবেচনা থেকে মূল পরীক্ষায় উত্তর করতে পারেন। আমরা শুধু তথ্যগুলো দিয়ে দিচ্ছি।

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই সহ নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন রেফারেন্স বই অনুসারে, সূর্য তৈরি হয়েছে হাইড্রোজেন (৯১%), হিলিয়াম (৮.৭%) সহ আরো বেশ কয়েকটি গ্যাসের সমন্বয়ে। কিন্তু বিভিন্ন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যের মধ্যের প্রচুর তাপ সৃষ্টি হওয়াও গ্যাস গুলো প্লাজমাতে রূপান্তরিত হয়।
প্রশ্নকর্তা যেহেতু একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই থেকে প্রশ্নটি করেছেন। তাই উৎস অনুযায়ী সঠিক উত্তর “গ্যাসীয় পদার্থ”।
লক্ষ্য করুন, নাসার ওয়েবসাইটেও প্রায় একই ধরনের কথা বলা হয়েছে। সূর্য গ্যাসীয় পদার্থ দিয়ে তৈরী। তবে গ্যাসীয় পদার্থগুলো মূলত প্লাজমা যা পদার্থের চতুর্থ অবস্থা।
The Sun is our nearest star. It is, as all stars are, a hot ball of gas made up mostly of Hydrogen. The Sun is so hot that most of the gas is actually plasma, the fourth state of matter. Source: https://www.nasa.gov/

৭৬৭.
কোয়াসারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়? 
  1. সৌরজগতের চেয়ে ছোট 
  2. দেখতে নক্ষত্রের মতো 
  3. লোহিত সরণ খুব বেশি 
  4. তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস
সঠিক উত্তর:
সৌরজগতের চেয়ে ছোট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরজগতের চেয়ে ছোট 
ব্যাখ্যা

- কোয়াসারের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়- সৌরজগতের চেয়ে ছোট। 

কোয়াসার (Quasar): 

- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি। অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি আমাদের সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান বঢ্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস বঢ্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু। 
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উলেখযোগ্য হলো- কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬৮.
সৌরজগতের উৎপত্তি আজ থেকে কত বছর পুর্বে সংগঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর
  2. খ) ৮.৫ বিলিয়ন বছর
  3. গ) ৯ বিলিয়ন বছর
  4. ঘ) ১৩.৮ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের উৎপত্তি বিগ ব্যাং এর প্রায় ৮.৫ থেকে ৯ বিলিয়ন বছর পরে এবং আজ থেকে ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে৷ গত ১৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে তারকার জন্মমৃত্যু চক্রাকারে চলে আসছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৭৬৯.
NASA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Aeronautics and Space Agency
  2. North American Space Administration
  3. National Aeronautics and Space Administration
  4. National Aerospace Space Agency
সঠিক উত্তর:
National Aeronautics and Space Administration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Aeronautics and Space Administration
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

৭৭০.
জন্মের সময় বাচ্চার ওজন কত কেজির কম হলে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়?
  1. ২ কেজি
  2. ২.৫ কেজি
  3. ৩ কেজি
  4. ৩.৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
২.৫ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৫ কেজি
ব্যাখ্যা
Low birth weight:

Low birth weight is a term used to describe babies who are born weighing less than 5 pounds, 8 ounces (2,500 grams).
An average newborn usually weighs about 8 pounds. A low-birth-weight baby may be healthy even though they are small.
But a low-birth-weight baby can also have many serious health problems.

Source:urmc.rochester.edu

৭৭১.
ক্যান্সার চিকিৎসায় যে বিকিরণ ব্যবহার করা হয় তা হলো ---
  1. ক) আলফা রে (Alpha rays)
  2. খ) বিটা রে (Beta rays)
  3. গ) গামা রে (Gama rays)
  4. ঘ) এক্স রে (X-rays)
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রে (Gama rays)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রে (Gama rays)
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ( 131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 ( 32P ) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।

৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
৭৭২.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি?
  1. ক) ভূ-তাপ
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) খনিজ তেল
  4. ঘ) জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
গ) খনিজ তেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খনিজ তেল
ব্যাখ্যা
- জীবাশ্ম জ্বালানি হল এক প্রকার জ্বালানি যা বায়ুর অনুপস্থিতিতে অবাত পচন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।
- মৃত গাছের পাতা, মৃতদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে এ জ্বালানি তৈরি হয়।

বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- খনিজ তেল
- কয়লা
- প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি।

- জীবাশ্ম জ্বালানিসমূহ অনবায়নযোগ্য। অর্থাৎ এসব জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না এবং এদের মজুদ সীমিত।

অন্যদিকে,
পারমাণবিক শক্তি, জিও থার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি, জলবিদ্যুৎ হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক)
৭৭৩.
Dengue fever is spread by-
  1. Aedes aegypti mosquito
  2. Common House flies
  3. Anopheles mosquito
  4. Rats and squirrels
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti mosquito
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti mosquito
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু জ্বর: 
- ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ। 
- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। 
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। 
- উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি। 
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। 
- সেখান থেকে জানা যায়, চীনে এই রোগটি ৯৯২ খৃষ্টাব্দে শনাক্ত করা হয়েছিল। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মহামারী আকারে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৫০ সালের দিকে ফিলিপিন্স এবং থাইল্যান্ডে। 
- বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৬০ সালে। 
- প্রথমে এই জ্বরটি ঢাকায় একসঙ্গে অনেকের হয়েছিল বলে এর নাম হয়ে যায় 'ঢাকা ফিভার'। 
- ২০০০ সালে বাংলাদেশে এটি প্রথম মহামারী আকারে দেখা যায়। 
 
উৎস: World Health Organization ওয়েবসাইট।
৭৭৪.
What is the primary greenhouse gas responsible for long-term global warming?
  1. Methane (CH4)
  2. Nitrous oxide (N₂O)
  3. Carbon dioxide (CO2)
  4. Ozone (O3)
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide (CO2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide (CO2)
ব্যাখ্যা

⇒ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নে সর্বাধিক ভূমিকা রাখে।

গ্রিনহাউস গ্যাস:
- যেসব গ্যাস পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থেকে তাপ শোষণ করে এবং তা পুনরায় বিকিরণ করে, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় সেসব গ্যাস কে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।
- গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO) হলো অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। প্রতি বছর জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে ২১.৩ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়।
- এছাড়া এটি বন উজাড়ের কারণে ও শিল্পকারখানা থেকে নির্গত গ্যাসের কারণেও সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি ও ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৭৭৫.
ডায়াস্টোল (Diastole) কী বোঝায়?
  1. হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ
  2. হৃৎপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালন
  3. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন
  4. ধমনীতে রক্তের চাপ বৃদ্ধি 
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ
ব্যাখ্যা

- ডায়াস্টোল বলতে হৃৎপিণ্ডের পেশীগুলোর শিথিলকরণ বা প্রসারণের পর্যায়কে বোঝায়, যে সময়ে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলি রক্তে পূর্ণ হয়। এই পর্যায় চলাকালীন ধমনীতে রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে, যা ডায়াস্টোলিক চাপ নামে পরিচিত। 

হৃৎপিণ্ড (Heart): 
- মানুষের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থার মূল অংশ হলো হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা। 
- হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকোচিত ও প্রসারিত হয়ে রক্তকে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে সারা দেহে প্রেরণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ একটি নির্দিষ্ট ছন্দে ঘটে, যা রক্ত সঞ্চালনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- সিস্টোল (Systole) হলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচন পর্যায়, যখন রক্ত অলিন্দ থেকে ভেন্ট্রিকলে অথবা ভেন্ট্রিকল থেকে ধমনিতে প্রবাহিত হয়। 
- ডায়াস্টোল (Diastole) হলো হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ পর্যায়, যখন হৃৎপিণ্ড রক্ত গ্রহণের জন্য আলগা হয়ে যায়। 
- সিস্টোলের সময় হৃৎপিণ্ডের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে, যা সিস্টোলিক চাপ নামে পরিচিত। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, তখন ভেন্ট্রিকল ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৭৬.
নিচের কোন পদ্ধতিতে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
  3. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতিঃ
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়: (উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে 
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে 

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়: (সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭৭৭.
প্রক্সিমা সেন্টারাই হচ্ছে সূর্যের নিকটতম -
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. ধূমকেতু
  4. কৃষ্ণগহ্বর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭৭৮.
কলেরা ও ইনফ্লুয়েঞ্জার ভ্যাকসিন কোন ধরনের টিকা? 
  1. DNA টিকা
  2. মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা 
  3. নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা 
  4. নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা 
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা 
ব্যাখ্যা

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা: 
- ভ্যাকসিন শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ভ্যাকসিনাস (vaccinus) থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ হলো from cow বা 'গরু থেকে প্রাপ্ত'। 
- ড. এডওয়ার্ড জেনার (Dr. Edward Janner) ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথম গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন। 
- তার অনেক বছর পর লুই পাস্তুর জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন। 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। 
- অ্যান্টিবডি রোগের জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিহত করে এবং স্থায়ী কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে টিকা ভাইরাস থেকে তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত কোনো রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব দিয়েই ওই রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
- আধুনিক জৈবপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে বর্তমানে পোলিও, টিটেনাস, হাম্পস, ডিপথেরিয়া, যক্ষ্মা, হুপিংকাশি, টাইফয়েড, হেপাইটিস ইত্যাদি রোগের টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- কিন্তু মরণব্যাধি এইডস (AIDS) এর ভাইরাস HIV কিংবা হেপাইটিস-সি ভাইরাসের প্রতিষেধক কোনো টিকা আজও আবিষ্কার হয়নি। 

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা (Attenuated live vaccine): 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা (killed vaccine): 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা (Toxoid vaccine): 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত (Surface chemical molecule): 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা (DNA vaccine): 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭৯.
লোহিত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে কোন রোগটি হয়?
  1. পলিসাইথিমিয়া
  2. অ্যানিমিয়া
  3. লিউকেমিয়া
  4. লিউকোসাইটোসিস
সঠিক উত্তর:
অ্যানিমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানিমিয়া
ব্যাখ্যা
পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়া।
অ্যানিমিয়া: লোহিত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যাওয়া।
লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০ ৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।
 
উৎস: ৯ম-১০ম শ্রেণি, বিজ্ঞান। 
৭৮০.
‘H5N2’ কোন ভাইরাসের ধরণ?
  1. বার্ড ফ্লু
  2. করোনা
  3. ডেঙ্গু
  4. চিকুনগুনিয়া
সঠিক উত্তর:
বার্ড ফ্লু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ড ফ্লু
ব্যাখ্যা
বার্ড ফ্লু ভাইরাসের নতুন ধরণ ‘‘H5N2’
- মেক্সিকোতে বার্ড ফ্লু ভাইরাসের এইচ৫এন২ ধরণে আক্রান্ত হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। 
- বিশ্বে কোনো মানুষের এইচ৫এন২ ধরনে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। 
- ডব্লিউএইচও বলেছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উৎস কী, তা অজানা।
- যদিও মেক্সিকোতে খামারগুলোতে এইচ৫এন২-এর সংক্রমণ দেখা গেছে।

সূত্র- WHO ওয়েবসাইট।
৭৮১.
অ্যানিমিয়া রোগ হয়-
  1. লৌহের অভাবে
  2. ক্যালসিয়ামের অভাবে
  3. আয়োডিনের অভাবে
  4. খাদ্য লবণের অভাবে
সঠিক উত্তর:
লৌহের অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহের অভাবে
ব্যাখ্যা
- আয়রন ও জিংক শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় এক খনিজ উপাদান। 
- শারীরবৃত্তীয় অনেক কার্যক্রম পরিচালনায় আয়রন ও জিংকের বিশাল ভূমিকা রয়েছে। 
- এগুলো রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার করে। 
- আয়রন ও জিংক এর অভাবে স্মরণশক্তি হ্রাস পায়। 
- শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতেও রয়েছে জিংকের বিশেষ ভূমিকা। 
- জিংককে বলা হয়ে থাকে শরীরের জন্য অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- শিশুদের ক্ষেত্রে মনোযোগে সমস্যা দেখা দেয়। 
- বয়স্কদের মাঝেই অমনোযোগিতার প্রভাব দেখা দেয়। 

এছাড়াও,
- শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে দুর্বল ও ক্লান্ত লাগার পাশাপাশি মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
- সাধারণত শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের আয়রনের ঘাটতি জনিত অ্যানেমিয়া হয়ে থাকে। 

উৎস: Association of Zinc Deficiency with Iron Deficiency- NCBI, National Institutes of Health (.gov).
৭৮২.
নিচের কোনটি শিশুদের প্রোটিন ঘাটতিজনিত রোগ?
  1. ক) ডায়রিয়া
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) কোয়াশিওরকর
  4. ঘ) রিকেটস
সঠিক উত্তর:
গ) কোয়াশিওরকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোয়াশিওরকর
ব্যাখ্যা
কোয়াশিওরকর হচ্ছে শিশুদের প্রোটিন ঘাটতিজনিত রোগ। 

- বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করার পরে সাধারণত এ রোগ দেখা দেয়।
- এ রোগের উল্লেখযোগ্য লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে অস্পষ্ট ধরনের জড়তা বা নিষ্ক্রিয়তা এবং খিটমিটে ভাব; পরবর্তী পর্যায়ে ডায়রিয়া, রোগ সংক্রমণ প্রবণতা, শরীরে পানি জমা, ত্বকের প্রদাহ এবং যকৃতের স্ফীতি দেখা দেয়।
- চুলের রং ক্রমে লালচে হয়ে যায়।
- রোগ গুরুতর ও দীর্ঘস্থায়ী হলে শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি কখনই সম্পূর্ণ হয় না।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।  
৭৮৩.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এক-চতুর্থাংশ
  2. খ) দুই-চতুর্থাংশ
  3. গ) দুই-্তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

তথ্যসূত্র:-
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ভূগোল প্রথম পত্র , এইচ এস সি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮৪.
বৃহস্পতি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের অস্তিত্ব নেই?
  1. হাইড্রোজেন
  2. মিথেন
  3. হিলিয়াম
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
⇒ বৃহস্পতি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের অস্তিত্ব নেই।

বৃহস্পতি (Jupiter):
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ জন বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৫.
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের অবস্থান থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কত?
  1. ২৬,০০০ আলোকবর্ষ
  2. ৩১,০০০ আলোকবর্ষ
  3. ৩৯,০০০ আলোকবর্ষ
  4. ৪৩,০০০ আলোকবর্ষ
সঠিক উত্তর:
২৬,০০০ আলোকবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬,০০০ আলোকবর্ষ
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।
- এটি মাত্র এক লক্ষ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি একটি স্পাইরাল বা সর্পিল গ্যালাক্সি।
- আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৪০ মিলিয়ন বছর।
- মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রটি আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ২৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- অর্থাৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে পৃথিবীতে আলো এসে পৌঁছাতে সময় লাগে ২৬ হাজার বছর।
- গ্যালাক্সির কেন্দ্রটি অত্যন্ত উজ্জ্বল। এর বেশির ভাগ অংশই ঢাকা পড়ে আছে হাইড্রোজেন গ্যাসে।

তথ্যসূত্র - Space.com & NASA (.gov).
৭৮৬.
গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত দ্রাঘিমারেখাটি কোন সালে মূল মধ্যরেখা হিসেবে চিহ্নিত হয়?
  1. ১৬৮৪
  2. ১৭৮৪
  3. ১৮৮৪
  4. ১৯৮৪
সঠিক উত্তর:
১৮৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮৪
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারণের এই সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত এক আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে ‘আর্ন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়। 
- আর্ন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে বা পশ্চিমে অগ্রসর হলে প্রতিটি দ্রাঘিমার জন্য ৪ মিনিট সময়ের ব্যবধান ঘটে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৭.
'ফ্যাক্স' শব্দটির পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Fascimili
  2. Faximili
  3. Facsimile
  4. Faximile
সঠিক উত্তর:
Facsimile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facsimile
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৮.
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান কোনটি? 
  1. অক্সিজেন 
  2. আর্গন 
  3. নাইট্রোজেন 
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন 
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 
 
বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও এর শতকরা সংযুক্তি: 
১. নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২%, 
২. অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১%
৩. আর্গন (Ar) ⇒ o.৮০%, 
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩%, 
৫. ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১%, 
৬. অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%, 
৭. জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১% এবং 
৮. ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮৯.
শ্বেতসার পরিপাকে কোন এনজাইম সাহায্য করে?
  1. লাইপেজ
  2. অ্যামাইলেজ
  3. ট্রিপসিন
  4. ল্যাকটেজ
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইলেজ
ব্যাখ্যা
• অ্যামাইলেজ শ্বেতসারকে সরল শর্করায় পরিণত করে।

- যকৃৎ থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয়। এটি অম্লীয় অবস্থায় খাদ্যকে ক্ষারীয় করে পরিপাকের উপযোগী করে তোলে। পিত্ত-লবণ স্নেহপদার্থের ক্ষুদ্র কণাগুলোকে পানির সাথে মিশতে সাহায্যে করে। পিত্ত-লবণ পিত্তরসের অন্যতম উপাদান।

- লাইপেজ নামক এনজাইমের কাজ যথাযথ সম্পাদনের জন্য পিত্ত-লবণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ লবণের সংস্পর্শে স্নেহপদার্থ সাবানের ফেনার মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানায় পরিণত হয়। স্নেহবিশ্লেষক লাইপেজ এই দানাগুলোকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারলে পরিণত করে।

- অগ্ন্যাশয় রসে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ ও ট্রিপসিন নামক এনজাইম থাকে। আন্ত্রিক রসে আন্ত্রিক অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, মলটেজ, ল্যাকটেজ ও সুক্রেজ ইত্যাদি এনজাইম থাকে।

- আংশিক পরিপাককৃত আমিষ ক্ষুদ্রান্ত্রে ট্রিপসিনের সাহায্যে ভেঙে অ্যামাইনো এসিড এবং সরল পেপটাইডে পরিণত হয়।

- অ্যামাইলেজ শ্বেতসারকে সরল শর্করায় পরিণত করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৯০.
জোয়ার-ভাটার মরা কটাল কখন হয়?
  1. ক) অমাবস্যায়
  2. খ) একাদশীতে
  3. গ) অষ্টমীতে
  4. ঘ) পঞ্চমীতে
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টমীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টমীতে
ব্যাখ্যা
মরা কটাল (Neap Tide):
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না।
- এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল (Neap Tide) বলে। 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে জোয়ার-ভাটার মরা কটাল হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৯১.
কোনটির অভাবে গলগণ্ড হয়?
  1. ক) ভিটামিন 'এ'
  2. খ) ক্যালসিয়াম
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়।
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।
অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। এসব ফুলের সুগন্ধ নেই। এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে।
যেমন- ধান।
পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই।
যেমন- পাতাশেওলা।
প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে।
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৭৯২.
পোলিও রোগে শরীরের কোন অংশ প্রধানত আক্রান্ত হয়?
  1. হৃৎপিণ্ড
  2. ফুসফুস
  3. স্নায়ুতন্ত্র
  4. ত্বক
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• পোলিও একটি ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা Poliovirus দ্বারা হয়ে থাকে।

- এই ভাইরাস প্রধানত স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে। 
- এটি মস্তিষ্কের এবং মেরুদণ্ডের স্নায়ু কোষগুলোর ওপর আক্রমণ করে, ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পা অবশ হয়ে যেতে পারে বা সম্পূর্ণ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে। এই কারণে পোলিওকে নিউরো-ভাইরাসজনিত রোগ বলা হয়। 
- এটি সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তাই একে "শিশুদের পক্ষাঘাত রোগ" নামেও অভিহিত করা হয়।

প্রধান লক্ষণ: 
- পেশির দুর্বলতা। 
- হাত বা পা অবশ হয়ে যাওয়া। 
- পক্ষাঘাত
-  জ্বর
-  মাথাব্যথা

প্রতিরোধ
- পোলিও প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় হলো পোলিও টিকা গ্রহণ।
- বাংলাদেশে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে নিয়মিতভাবে পোলিও টিকা প্রদান করা হয়।

পোলিও নির্মূলে গৃহীত পদক্ষেপ
 - ১৯৮৮ সালে WHO, UNICEF এবং অন্যান্য সংস্থার উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী Polio Eradication Initiative শুরু হয়।
- বাংলাদেশ এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে এবং পোলিও নির্মূলের দিক থেকে অনেকটাই অগ্রগতি সাধন করেছে।

তথ্যসূত্র: 
- সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।
৭৯৩.
ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
ভূ-পৃষ্ঠের গঠন: 
- ভূ-পৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম। 
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন। 
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%, 
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%, 
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%, 
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%, 
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%, 
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%, 
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং 
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৯৪.
বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা প্রায় কত ডিগ্রি সেলসিয়াস? 
  1. ৩০° সেলসিয়াস
  2. ২৮° সেলসিয়াস
  3. ৩২° সেলসিয়াস
  4. ৩৯° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২৮° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি সমভাবাপন্ন।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এ দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান।
- তবে বিভিন্ন ঋতুর আবির্ভাব থাকায় এদেশের সামগ্রিক জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমিন জলবায়ু বলা হয়।
-  শীতকালে তাপমাত্রা ৭০ সেলসিয়াস পর্যন্ত নামে অপর দিকে গ্রীস্মকালে কখনও কখনও তাপমাত্রা ৪০° সেলসিয়াসের উপরেও উঠে।
- কিন্তু বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কম বেশী ২৪° সেলসিয়াস।
- কিন্তু গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- শীত ও গ্রীষ্মের উত্তাপের পার্থক্য খুবই কম। এ মাসের গড় তাপমাত্রা থাকে ১৭° সেলিসিয়াসের কাছাকাছি।
- মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেট অঞ্চলে।
- উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল এদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

উৎস: ভূগোল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৫.
ওরাল পোলিও প্রতিষেধক আবিষ্কারক-
  1. ক) রস
  2. খ) জেনার
  3. গ) কচ
  4. ঘ) সাবিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জোনাস স্যাক পোলিও রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
- ১৯৬১ সালে আলবার্ট সাবিল মুখে খাওয়ার উপযোগী ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন।
৭৯৬.
একটি মোবাইল ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. Ah
  2. mAh
  3. mVA
  4. mW
সঠিক উত্তর:
mAh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
mAh
ব্যাখ্যা
একটি মোবাইল ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা mAh এককে প্রকাশ করা হয়। 
 
- A common way to measure battery (including cellular) capacity is through mAH.
- It stands for a milliampere hour, and it measure the rate of electron flow through the electrical conductor. In other words, it measures the amount of power your phone battery or power bank can hold.
For example, if a battery has 250 mAH capacity and provides 2 mA average current to a load, in theory, the battery will last 125 hours.
 
উৎস: sciencedirect.com/
৭৯৭.
পোলিও ভাইরাসের প্রকৃতি কোনটি?
  1. DNA ভাইরাস
  2. RNA ভাইরাস
  3. রেট্রোভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিওফাজ
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• পোলিও একটি RNA ভাইরাস।

• RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ- HIV, TMV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস এবং নভেল করোনা ভাইরাস। 

• পোলিও (Poliomyelitis) একটি সংক্রামক রোগ, যা Poliovirus দ্বারা সৃষ্ট।
- এই ভাইরাসটি Enterovirus গণভুক্ত এবং এটি Picornaviridae পরিবারভুক্ত।
- Poliovirus মানুষের অন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায় এবং স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে পঙ্গুত্ব ঘটাতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- ব্রিটানিকা। 
৭৯৮.
অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে রোগী কীভাবে তেজস্ক্রিয় পদার্থ গ্রহণ করে?
  1. বাহ্যিক বীমের মাধ্যমে
  2. পানীয় বা ইনজেকশনের মাধ্যমে
  3. শ্বাসের মাধ্যমে
  4. চুলের মধ্যে প্রয়োগ করে
সঠিক উত্তর:
পানীয় বা ইনজেকশনের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানীয় বা ইনজেকশনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

রেডিওথেরাপি: 
- রেডিওথেরাপি শব্দটি ইংরেজী 'Radiation Therapy' শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। 
- এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগ যেমন- ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যাধির চিকিৎসা করা হয়। 
- সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। 
- এটি টিউমার কোষের অভ্যন্তরস্থ ডিএনএ (DNA)-কে ধ্বংসের মাধ্যমে কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি করার ক্ষমতা বিনষ্ট করে ফেলে।
- রেডিওথেরাপি দুই ধরনের। 
যথা- 
(১) বাহ্যিক রেডিওথেরাপি: 
- বাহ্যিক রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে শরীরের বাহির থেকে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে, কোবাল্ট বিকিরণ, ইলেকট্রন বা প্রোটন বীম ব্যবহার করা হয়। 
- শরীরের যে স্থানে টিউমারটি অবস্থিত, সেই দিকে তাক করে বীমটি প্রয়োগ করা হয়। এর ফলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় অল্প সংখ্যক সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 
- তবুও এর মূল উদ্দেশ্য হলো যত কম সংখ্যক সুস্থ কোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে যত বেশি সংখ্যক ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা। ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ সুস্থ কোষ নিজে থেকে এই ক্ষতি মেরামত করে ফেলে। 

(২) অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপি: 
- অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে রোগীকে শরীরের ভেতর থেকে রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। 
- এই প্রক্রিয়ায় রোগী তেজস্ক্রিয় তরল পদার্থ পানীয় হিসেবে গ্রহণ করে অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর দেহে তেজস্ক্রিয় তরল পদার্থ প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয়। 
- রক্তের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তরল পদার্থে তেজস্ক্রিয় ফসফরাস, হাড়ের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় স্ট্রনশিয়াম এবং থাইরয়েড ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আয়োডিন ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৯.
EPI এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Extended Program of Immunity 
  2. Exclusive Program of Infection 
  3. Expanded Program on Immunization 
  4. Essential Program on Immunization 
সঠিক উত্তর:
Expanded Program on Immunization 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Expanded Program on Immunization 
ব্যাখ্যা

- EPI এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Expanded Program on Immunization.

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি -এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০০.
WBC দ্বারা কোন রক্তকণিকাকে বোঝানো হয়?
  1. লোহিত রক্তকণিকা
  2. শ্বেত রক্তকণিকা
  3. অণুচক্রিকা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

অণুচক্রিকা:
• অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট ইংরেজিতে এদেরকে প্লেইটলেট (Platelet ) বলে।
• এগুলো গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে।
• এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না।
• অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন।
• পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা আরো বেশি হয়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।