বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা৬৪প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৯ / ৩৯ · ৩,৮০১৩,৮৬৪ / ৩,৮৭৯

৩,৮০১.
মানুষের রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা-
  1. ক) ০.২-০.৩ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
  2. খ) ০.৩-০.৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
  3. গ) ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
  4. ঘ) ০.৫-০.৯ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
ব্যাখ্যা

যকৃতের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযােগ্য ব্যাধিলক্ষন জন্ডিস বা কামলা বা পান্ডুরােগ।
রক্তে অতিরিক্ত বিলিরুবিন জমা হইয়া জন্ডিস রােগের সৃষ্ট হয়।
রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার।
এ মাত্রা ২ মিলিগ্রামের উপরে উঠলে চোখের সাদা অংশ হলুদ রং হয়। প্রস্রাবের রং হলুদ হয়।

৩,৮০২.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়-
  1. ক) বৈদ্যুতিক মোটর
  2. খ) জেনারেটর
  3. গ) ট্রান্সফর্মার
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
তাড়িতচৌম্বক আবেশঃ একটি তারের কুণ্ডিলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুন্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে। তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮০৩.
ওজোনস্তরের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে কোন গ্যাস?
  1. ক্লোরিন
  2. ফ্লোরিন
  3. ব্রোমিন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
• ক্লোরিন (Cl) ওজোনস্তর ধ্বংসের মূল কারণ।
- ওজোনস্তর (O₃) আমাদের বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত, যা ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে আমাদের রক্ষা করে।
- কিছু নির্দিষ্ট গ্যাস ওজোনস্তর ধ্বংস করতে পারে, যার মধ্যে ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs) অন্যতম।
- CFCs-এর প্রধান উপাদান ক্লোরিন। 
- ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) যৌগগুলোর মধ্যে ক্লোরিন থাকে, যা যখন স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে UV রশ্মির কারণে ভেঙে যায়, তখন ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়।
- মুক্ত Cl (ক্লোরিন পরমাণু) ওজোনের (O₃) সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনস্তর ক্ষয় করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৮০৪.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের কারণ নয়?
  1. হিমাবাহ এর প্রভাব
  2. বৃষ্টিপাত
  3. ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প:
• ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে।
• ভূ-অভ্যন্তরস্থ শিলারাশিতে সঞ্চিত শক্তির আকস্মিক অবমুক্তির কারণে সৃষ্ট এই স্পন্দনের মাত্রা মৃদু কম্পন থেকে প্রচন্ড ঘূর্ণনের মধ্যে হতে পারে। তাই ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

• ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

• ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৩,৮০৫.
ওজোন স্তরের প্রধান কাজ কী? 
  1. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা
  2. বাতাসে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা
  3. বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা
  4. ভূমিকম্প প্রতিরোধ করা
সঠিক উত্তর:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):  
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল। 
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। 
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। 
- এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মণ্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। 
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে। 
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬০ সেলসিয়াস) অনেক বেশি। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮০৬.
পৃথিবীর ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কী বলা হয়?
  1. বিষুবরেখা
  2. মহাবৃত্ত
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি ট্রপিক অব ক্যান্সার নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮০৭.
কোনটির গতিবেগ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) আলো
  2. খ) শব্দ
  3. গ) বুলেটের গতি
  4. ঘ) রকেটের গতি
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
ব্যাখ্যা

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে কোনো বস্তুই আলোর গতির সমান বা অধিক গতিবেগ নিয়ে চলতে পারে না।
আলোর গতি শূন্যমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি এবং তা প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৮০৮.
কৃত্রিম সূর্য হিসেবে পরিচিত 'ইএএসটি’ চুল্লি কোন দেশ তৈরি করেছে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম সূর্য:
- এক্সপেরিমেন্টাল অ্যাডভান্সড সুপারকন্ডাক্টিং টোকামাক (ইএএসটি) নামের চুল্লি তৈরি করেছে চীন, যা কৃত্রিম সূর্য নামে পরিচিত।
- এ ধরনের গবেষণাগারকে কৃত্রিম সূর্য বলার কারণ সেখানে মূল সূর্যের নিউক্লীয় ফিউশনের প্রক্রিয়া অনুকরণ করা হয়।
- অর্থাৎ সূর্যের শক্তি উৎপন্নের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। এমন বিক্রিয়ায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় হাইড্রোজেন ও ডিউটেরিয়াম গ্যাস।
- এই চুল্লিতে সম্প্রতি ১ হাজার ৬৬ সেকেন্ডের জন্য প্লাজমার একটি অবিচ্ছিন্ন লুপ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
- নতুন এই রেকর্ডকে পারমাণবিক ফিউশন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এতে নিউক্লিয়ার ফিউশন বা কেন্দ্রকীয় সংযোজন প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব বিপুল শক্তি উৎপন্ন করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৮০৯.
গর্ভকালীন প্রথম মাস থেকে কোন ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. আয়রন 
  2. ফলিক অ্যাসিড 
  3. পটাসিয়াম 
  4. ক্যালসিয়াম 
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড 
ব্যাখ্যা

- গর্ভধারণের প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড (Folic Acid) ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এটি শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটি, যেমন-স্পাইনা বিফিডা, প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 

- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী:  
- গর্ভকালীন প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
- গর্ভকালীন তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
- আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
- ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮১০.
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতি গ্রহের সময় লাগে -
  1. ৮ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter) গ্রহ:
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১০০০ গুণ বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- এটি নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে মাত্র সময় নেয় ১০ ঘন্টা।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৯৫টি।

⇒ বৃহস্পতির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১১.
কেউ খালি পায়ে দেয়ালে প্রচন্ড জোরে লাথি মারলে নিজের পায়ে ব্যাথা পাবে কেন?
  1. ক) দেয়াল শক্ত বলে
  2. খ) পা নরম বলে
  3. গ) আমি ব্যাথা পাবো না, আমি আয়রনম্যান
  4. ঘ) দেয়ালের সমান এবং বিপরীতমুখ প্রতিক্রিয়ার জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেয়ালের সমান এবং বিপরীতমুখ প্রতিক্রিয়ার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেয়ালের সমান এবং বিপরীতমুখ প্রতিক্রিয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
এটার ব্যাখ্যা দেয় নিউটনের তৃতীয় সূত্র। একটি বস্তু অন্য একটির উপর কোনো ধরনের বল প্রয়োগ করল, সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুর উপর সমান এবং বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,৮১২.
ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি কোথায় সর্বাধিক?
  1. কর্কটক্রান্তি অঞ্চল
  2. নিরক্ষীয় অঞ্চল
  3. মকরক্রান্তি অঞ্চল
  4. মেরু অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে। বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিকটবর্তী স্তর হলো ট্রপোমণ্ডল।
- ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি সবচেয়ে বেশি নিরক্ষীয় অঞ্চলে (১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার)।
- ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি সবচেয়ে কম মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার। মেরু অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৮১৩.
নিচের কোনটি পাললিক শিলার উদাহরণ?
  1. ক) নিস ও গ্রাফাইট
  2. খ) জিপসাম ও চক
  3. গ) গ্রাফাইট ও মার্বেল
  4. ঘ) চক ও নিস
সঠিক উত্তর:
খ) জিপসাম ও চক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিপসাম ও চক
ব্যাখ্যা
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।

• পাললিক শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর,
- কয়লা,
- নুড়িপাথর,
- বেলেপাথর,
- পলিপাথর,
- কর্দমপাথর,
- চক,
- কোকিনা,
- লবণ,
- জিপসাম,
- ডায়াটম,
- ডোলোমাইট ইত্যাদি।

• কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- গ্রাফাইট (কয়লার রূপান্তরিত রূপ),
- মার্বেল (চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ),
- নিস (গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ) ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮১৪.
DENV হলো একটি -
  1. DNA ভাইরাস
  2. RNA ভাইরাস
  3. mRNA ভাইরাস
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
ব্যাখ্যা

- ডেঙ্গু হওয়ার জন্য দায়ী ভাইরাসকে ডেঙ্গু ভাইরাস (DENV) বলা হয়।

- ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস। 

The dengue virus is an RNA virus (of the flavivirus family) with four distinct serotypes that is widespread in tropical climate locales. It causes the clinical disease dengue fever, which is marked by high fevers, joint and bone pain, headache, and rash. 

উৎসঃ sciencedirect.com, WHO website

৩,৮১৫.
ত্বকের স্তর-
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ টি
ব্যাখ্যা
ত্বকের দুইটি স্তর। অন্তঃত্বক এবং বহিঃত্বক।
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,৮১৬.
পোলিওর জন্য কোন টিকা ব্যবহৃত হয়? 
  1. BCG
  2. MMR
  3. OPV
  4. DPT
সঠিক উত্তর:
OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPV
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম: 
- রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার আবিষ্কার এবং এর প্রচলন মানুষের জন্য আশীর্বাদ। 
- টিকার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে চূড়ান্তভাবে নির্মূলের পূর্বে গুটি বসন্ত এককভাবে পৃথিবীর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষের প্রাণ হরণ করেছে। 
- আবিষ্কৃত পোলিও ভ্যাকসিন OPV এবং এর ব্যবহার দ্বারা বাংলাদেশ বর্তমানে পোলিও রোগ মুক্ত। 
- এই টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্যই রুবেলা, হাম, মাম্পস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ, যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্মসূচীতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়- 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১৭.
সাইক্লোন সৃষ্টিতে কোনটি প্রধান ভূমিকা রাখে?
  1. নিম্নচাপ
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. নিম্ন তাপমাত্রা
  4. উচ্চচাপ
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা

• সাইক্লোন সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রাখে নিম্নচাপ। যখন কোনো অঞ্চলে বাতাসের চাপ অন্যান্য এলাকাগুলোর চেয়ে কম থাকে, তখন আশেপাশের উচ্চচাপযুক্ত বাতাস সেই অঞ্চলের দিকে চলে আসে। এই বাতাসের প্রবাহ ঘূর্ণায়মানভাবে আবর্তিত হয়ে শক্তিশালী বাতাস ও মেঘ তৈরি করে, যা সাইক্লোনের রূপ নেয়। সাধারণত উষ্ণ সমুদ্রের উপরে বাতাসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং বাতাসের ঘূর্ণন বৃদ্ধি পায়। তাই, সাইক্লোনের মূল কারণ হলো নিম্নচাপ এবং তার সঙ্গে যুক্ত বাতাসের ঘূর্ণন।
 
 সাইক্লোন: 
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮১৮.
এসিড বৃষ্টির জন্য প্রধানত দায়ী গ্যাস কোনটি?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. কার্বন মনোক্সাইড 
  4. সালফার ডাই-অক্সাইড 
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই-অক্সাইড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই-অক্সাইড 
ব্যাখ্যা

এসিড বৃষ্টি: 
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। 
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া। 
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে। 
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন: NO, NO2) । 

এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব: 
- বর্তমানে রিপোর্টে প্রকাশিত ভারতের 'মথুরা অয়েল রিফাইনারি' থেকে নির্গত SO2 বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিড বৃষ্টি ঘটাচ্ছে। এ এসিড বৃষ্টি থেকে 'তাজমহল'-এর মার্বেল পাথর আক্রান্ত হচ্ছে। এসিড বৃষ্টিতে বিভিন্ন ধাতুর তৈরি ব্রিজ ও অট্টালিকার ক্ষতি হয়। 
- এসিড বৃষ্টির ফলে জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ আক্রান্ত হয়। কম pH এর পানিতে মাছের ডিম হ্যাচিং (hatching) বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। অধিক অম্লত্বের কারণে জলাশয়ে সমগ্র বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে জলাশয় বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে।
- এসিড বৃষ্টির প্রভাবে বৃষ্টি অরণ্য (rain forest)- এর বিশেষ ক্ষতি হতে পারে। বীজের অঙ্কুরোদ্গম এসিড বৃষ্টিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- মাটির উপাদান ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, জিংক ধাতুর ফসফরাস যৌগ এসিড বৃষ্টি ধুয়ে নিয়ে মাটিকে অনুর্বর করে দেয়। 

এসিড বৃষ্টির প্রতিকার: 
- এসিড বৃষ্টি হওয়ার পরে পুকুর ও হ্রদের পানিতে এবং কৃষি জমিতে চুন বা লাইম অথবা চুনাপাথর গুঁড়া ছিটানো দরকার। তখন অতিরিক্ত এসিড ক্যালসিয়াম লবণে পরিণত হয়। এরূপ লাইমিং কাজে অর্থ ব্যয় খুব বেশি। 
- দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো ট্রপোস্ফিয়ারকে SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা। 
- এজন্য শিল্পক্ষেত্রে FGD প্ল্যান্ট ও মোটর-কারে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার ব্যবহার করে NOx গ্যাসকে বিজারিত করে N2 গ্যাসে পরিণত করা। 

অন্যদিকে, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) দূর্বল কার্বনিক এসিড (H2CO3) তৈরি করে যা এসিড বৃষ্টি তৈরি করতে পারে না। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।

৩,৮১৯.
নিচের কোনটি অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড নয়?
  1. ট্রিপেটোফ্যান
  2. লাইসিন
  3. লিউসিন
  4. গ্লুটামিন
সঠিক উত্তর:
গ্লুটামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুটামিন
ব্যাখ্যা
♦ ২০টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়।
- লাইসিন,
- ট্রিপেটোফ্যান,
- মিথিওনিন,
- ভ্যালিন,
- লিউসিন,
- আইসোলিউসিন,
- ফিনাইল অ্যালানিন,
ও থ্রিওনাইন। 

- এই আটটি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীর সংশ্লেষ করতে পারে।
- প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি ।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি। 
৩,৮২০.
ত্বকের রোগ সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. Dermitology
  2. Dermatology
  3. Dermatiology
  4. Darmitology
সঠিক উত্তর:
Dermatology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dermatology
ব্যাখ্যা
• Dermatology:
- ডারমাটোলজি হলো ত্বক, চুল, নখ এবং শরীরের অন্যান্য ত্বক সংক্রান্ত রোগ ও চিকিৎসার বিজ্ঞান।
- এটি ত্বকের নানা ধরনের রোগ যেমন: একজিমা, সোরিয়াসিস, অ্যাকনি, ত্বক ক্যান্সার ইত্যাদির চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- পেডিয়াট্রিক্স(paediatrics):  শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত চিকিৎসার শাখা।
- কার্ডিওলজি(Cardiology): হৃদযন্ত্র ও রক্তনালী সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসা বিজ্ঞান।
- নিউরোলজি (Neurology): মস্তিষ্ক, মজ্জা, স্নায়ু এবং স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং চিকিৎসার বিজ্ঞান।
- গাইনোকোলজি (Gynecology): মহিলাদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অসুখ সম্পর্কিত চিকিৎসার বিজ্ঞান।
- পালমোনোলজি (Pulmonology): ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের রোগের বিজ্ঞান।
- অর্থোপেডিক্স (Orthopedics): হাড়, জয়েন্ট এবং পেশীর রোগ এবং তাদের চিকিৎসার শাখা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৮২১.
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা কে প্রদান করেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. হাইগেনবার্গ
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
- এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
- বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু৷

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮২২.
৬৬.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
  1. সুমেরু বৃত্ত
  2. কুমেরু বৃত্ত
  3. নিরক্ষীয় সমান্তরাল রেখা
  4. কোনটিই নাই
সঠিক উত্তর:
সুমেরু বৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরু বৃত্ত
ব্যাখ্যা
সুমেরু বৃত্ত:
- নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।

⇒ ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮২৩.
মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান কোনটি?
  1. আমিষ
  2. স্নেহ পদার্থ
  3. ভিটামিন
  4. শর্করা
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা - 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 
- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮২৪.
জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটার সৃষ্টি হয়? 
  1. ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
  2. ১২ ঘণ্টা ২০ মিনিট
  3. ৮ ঘণ্টা ১২ মিনিট
  4. ১৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাঁটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়। 
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাঁটা হয়। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাঁটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮২৫.
বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের উপস্থিতির ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. আরগন : ০.৫০ শতাংশ
  2. অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
  3. জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
  4. ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
আরগন : ০.৫০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরগন : ০.৫০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডলে আরগনের পরিমাণ ০.৮০ শতাংশ।

• বায়ুমন্ডল:

- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস: ০.০২ শতাংশ
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৮২৬.
ভারত মহাসাগরের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় কী নামে পরিচিত?
  1. বাগুই
  2. টাইফুন
  3. উইলি উইলি
  4. সাইক্লোন
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত।
- ঘূর্ণিঝড় ভারত মহাসাগরের উপকূলে সাইক্লোন, চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই, অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হারিকেন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশে প্রতিবছর মার্চ ও নভেম্বর মাসে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয়।
- ২৯ শে এপ্রিল ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২৫ কি.মি/ঘণ্টা এবং জলোচ্ছাসের উচ্চতা ছিল ৬.০-৭.৬ মিটার (আবহাওয়া অধিদপ্তর ২০০৯)।
- এছাড়াও ১৯ মে ১৯৯৭, ১৫ নভেম্বর ২০০৭ সালের সিডর এবং ২৫ মে ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলা নামে পরিচিত।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮২৭.
ট্রপোমন্ডলে বায়ুর তাপ হ্রাস হার প্রতি কিলোমিটারে কত?
  1. ৩.৫° সে.
  2. ৪.৫° সে.
  3. ৫.৫° সে.
  4. ৬.৫° সে.
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সে.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সে.
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল (Troposphere):

- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮২৮.
মানবদেহের কোথায় পারকিনসন রোগ হয়?
  1. যকৃতে
  2. হৃদপিন্ডে
  3. মস্তিষ্কে
  4. পাকস্থলীতে
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে
ব্যাখ্যা

- পারকিনসন রোগ মানবদেহের মস্তিষ্কে হয়।
- এই রোগ হলে রোগীর হাতে ও পায়ে কাপুনি হয় এবং আক্রান্ত রোগী নড়াচড়া, হাঁটাহাঁটি করতে অপারগ হয়।
- সাধারণত এ রোগ হয় ৫০ বছর বয়সের পরে।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮২৯.
সিলিকন ডায়োডের ক্ষেত্রে নী ভোল্টেজের মান -
  1. ক) 1.5 V
  2. খ) 1.7 V
  3. গ) 0.5 V
  4. ঘ) 0.7 V
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0.7 V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0.7 V
ব্যাখ্যা
সিলিকন ডায়োডের ক্ষেত্রে নী ভোল্টেজের মান 0.7 V.

- জার্মেনিয়াম ডায়োডের ক্ষেত্রে নী ভোল্টেজের মান 0.3 V.
- একটি p-n জাংশনে বাহ্যিক ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয়।
- এটি নির্ভর করে p-n জাংশনে বিভব পার্থক্য কীভাবে প্রয়োগ করা হয়, তার ওপর।
- একটি p-n জাংশনকে দুই ভাবে বায়াসিং বা ঝোঁক প্রদান করা যায়। এগুলো হলো
১। সম্মুখী ঝোঁক (Forward Bias)
২। বিমুখী ঝোঁক (Reverse Bias)
১। সম্মুখী ঝোঁক- যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যার ফলে এটি বিভব প্রাচীরকে হ্রাস করে বা নিষ্ক্রিয় করে তড়িৎপ্রবাহ চালু করে তখন একে সম্মুখী ঝোঁক বলা হয়। বহিঃস্থ ভোল্টেজ যদি p-n জাংশনে এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যে, কোষের ধনাত্মক প্রাক্ড p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রার্ল্ড n-টাইপ অর্ধপরিবাহী সাথে সংযুক্ত করা হয় তাহলে তাকে সম্মুখী ঝোঁক বলে।  
২। বিমুখী ঝোঁক-  যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে বিভব প্রাচীর-এর উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তখন একে বিমুখী ঝোঁক বলা হয়।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩০.
ধ্নুষ্টংকার রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
  1. Clostridium tetani
  2. Vibrio cholerae
  3. Salmonella typhosa
  4. Bacillus dysenteriae
সঠিক উত্তর:
Clostridium tetani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clostridium tetani
ব্যাখ্যা
• ধ্নুষ্টংকার রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani.

• কয়েকটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- ডিপথেরিয়া,
- গণোরিয়া,
- টাইফয়েড,
- জ্বর,
- কুষ্ঠ,
- টিটেনাস,
- নিউমোনিয়া,
- কলেরা ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae.
- টাইফইয়েড রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Salmonella typhosa.
- আমাশয় রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Bacillus dysenteriae.

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৮৩১.
ভিটামিন B1 কমপ্লেক্স এর অপর নাম কী?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) রাইবোফ্ল্যাভিন
  3. গ) পিরিডক্সিন
  4. ঘ) সায়ানোকোবালামিন
সঠিক উত্তর:
ক) থায়ামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) থায়ামিন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন B কমপ্লেক্স
- থায়ামিন (B1) - দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- রাইবোফ্ল্যাভিন (B2) - এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
- নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) - অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। 
- পিরিডক্সিন (B6) - এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।।
- কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (B12) - এর অভাবে রক্তশূন্যতা রোগ দেখা দেয়।

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৩,৮৩২.
একটি Oscillator- এ কোন ধরনের feedback ব্যবহৃত হয়?
  1. Positive
  2. Negative
  3. Both positive and negative
  4. কোনটিই নায়
সঠিক উত্তর:
Positive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Positive
ব্যাখ্যা
• অসিলেটর (Oscillator) এমন একটি ডিভাইস যা ডিসি এনার্জিকে এসি এনার্জিতে রূপান্তরিত করতে পারে। এর সাহায্যে বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির এবং বিভিন্ন আকৃতির ভোল্টেজ ওয়েব উৎপন্ন করা যায়। অসিলেটর সাধারণত কয়েক হার্টজ হতে বহু মেগাহার্টজ পর্যন্ত ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জের সাইনুসাইডাল এবং নন-সাইনুসাইডাল উভয় ধরনের ওয়েভ উৎপন্ন করতে সক্ষম। অসিলেটর প্রকৃতপক্ষে একটি পজেটিভ ফিডব্যাক সম্পন্ন আনস্ট্যাবল অ্যামপ্লিফায়ার

• অসিলেটর এর বৈশিষ্ট্য:
১. পজেটিভ ফিডব্যাকে কাজ করে।
২. একটি নন-রোটেটিং ইলেকট্রনিক ডিভাইস।
৩. ডিসি এনার্জিকে এসি এনার্জিতে রূপান্তরিত করে।
৪. কম ফ্রিকুয়েন্সি সিগন্যালকে বেশি ফ্রিকুয়েন্সি সিগন্যালে পরিণত করে।
৫. সময়ের সাপেক্ষে আউটপুট ফ্রিকুয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে।

• অসিলেটরের ব্যবহার:
- রেডিও ট্রান্সমিটার ও রেডিও রিসিভারে ব্যবহার করা হয়।
- টিভি ট্রান্সমিটার ও টিভি রিসিভারে ব্যবহার করা হয়।
- অসিলোস্কোপে (Oscilloscope) ব্যবহার করা হয়।

অসিলেটরের সুবিধা:
১. দীর্ঘস্থায়ী;
২. দক্ষতা খুব ভালো;
৩. সহজে বহন করা যায়;
৪. খরচ কম;
৫. কাঙ্ক্ষিত ফ্রিকুয়েন্সি পাওয়ার জন্য অসিলেশন ফ্রিকুয়েন্সি সহজেই পরিবর্তন করা যায়।

উৎস: nagorikvoice.com.
৩,৮৩৩.
রক্তচাপ উচ্চ (High) হিসেবে ধরা হয় -
  1. 120/60 mmHg
  2. 130/80 mmHg
  3. 110/70 mmHg
  4. 105/75 mmHg
সঠিক উত্তর:
130/80 mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
130/80 mmHg
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপ বলা হবে যখন সিস্টোলিক রিডিং 130 থেকে 139 বা ডায়াস্টোলিক রিডিং 80 থেকে 89 এর মধ্যে থাকবে।
 
You have high blood pressure when your blood pressure is 130/80 mmHg on several separate occasions. 
 
Blood pressure can be normal, elevated, or stage 1 or stage 2 high blood pressure:
Normal blood pressure is 120/80. This means a systolic reading of less than 120 and a diastolic reading of less than 80.
Elevated blood pressure is a systolic reading of 120 to 129 and a diastolic reading of less than 80.
Stage 1 high blood pressure is a systolic reading of 130 to 139 or a diastolic reading between 80 and 89.
Stage 2 high blood pressure is a systolic reading of 140 or higher or a diastolic reading of 90 or higher.

Source: urmc.rochester.edu/
৩,৮৩৪.
পিসিকালচার কী?
  1. পাখিপালন বিদ্যা
  2. রেশমচাষ বিদ্যা
  3. মৎস্যচাষ বিদ্যা
  4. সামুদ্রিক মৎস্যপালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মৎস্যচাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্যচাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ পদ্ধতি:
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যা- এভিকালচার।
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা- সেরিকালচার।
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা- পিসিকালচার।
• সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিষয়ক বিদ্যা- মেরিকালচার।
• মৌমাছি চাষ বিষয়ক করা- এপিকালচার বলে।
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা- প্রণকালচার।
• উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা- হর্টিকালচার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩,৮৩৫.
মরা কটাল কখন দেখা যায়?
  1. অমাবস্যা তিথিতে
  2. পূর্ণিমা তিথিতে
  3. প্রতিপাদে
  4. অষ্টমী তিথিতে
সঠিক উত্তর:
অষ্টমী তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টমী তিথিতে
ব্যাখ্যা

- মরা কটালে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- চন্দ্র পৃথিবীর নিকটে থাকায় তার কার্যকর শক্তি সূর্য অপেক্ষা বেশি হয়।
- চন্দ্রের আকর্ষণে যে জোয়ার হয়, সূর্যের আকর্ষণে তা খুব বেশি স্ফীত হতে পারে না। ফলে মরাকটাল হয়।
- অষ্টমী তিথিতে এরকম ঘটনা পরিলক্ষিত করা যায়।

- ভরা কটালে বা তেজ কটালে পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- তাই পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণকে সহায়তা করে সূর্য।
- পূর্ণিমা বা অমাবস্যা তিথিতে এরকম ঘটনা দেখা যায়। এই দুই সময়ে তাই জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে।
- প্রতিমাসে দুইবার ভরা কটাল এবং দুইবার মরা কটাল হয়ে থাকে।

সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৩,৮৩৬.
ফোটনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) ফোটনের শক্তিশালী ভরবেগ আছে
  2. খ) ফোটন ভরহীন
  3. গ) ফোটন কণা ও তরঙ্গ ধর্ম প্রদর্শন করে
  4. ঘ) ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ
সঠিক উত্তর:
ক) ফোটনের শক্তিশালী ভরবেগ আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফোটনের শক্তিশালী ভরবেগ আছে
ব্যাখ্যা
আলোক শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রং এর আলোর জন্য এই শক্তি প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ। এটি কণা এবং তরঙ্গ উভয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৩৭.
​ধূমকেতু কী? 
  1. একটি উপগ্রহ 
  2. এক ধরনের নক্ষত্র 
  3. এক ধরনের জ্যোতিষ্ক
  4. এক ধরনের গ্রহ
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের জ্যোতিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের জ্যোতিষ্ক
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন: মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৩৮.
পেপটিক আলসার রোগ শনাক্ত করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. সিটি স্ক্যান
  2. এন্ডোসকপি
  3. আল্ট্রাসাউন্ড
  4. এমআরআই স্ক্যান
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
ব্যাখ্যা
গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার (Gastric and Peptic ulcer): 
- আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়। 
- পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়, সেটি যদি পাকস্থলীতে হয় তাহলে তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনামে হলে ডিওডেনাল আলসার বলা হয়। 
- দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্য ঘটে এবং অনেক দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে এই অম্ল বা এসিড দিয়ে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে পেপটিক আলসার হতে পারে। 
- তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন ও ব্যারি মার্শালের গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা ২০০৫ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।  
- আগে ভাবা হতো পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনো ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। 
- নিজের ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন (উল্লেখ্য, এই ব্যাকটেরিয়া যে শুধু আলসারের জন্য দায়ী তাই নয়, এ থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সারও হতে পারে। মার্শাল তাঁর নিজের জীবনের উপর মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা অনুসরণীয় নয়)। 

- পেপটিক আলসার রোগে সাধারণত পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে একঘেয়ে ব্যথা অনুভূত হয়। 
- খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেলজাতীয় খাদ্য খেলে ব্যথা বাড়ে। 
- আলসার মারাত্মক হলে বমি হতে পারে, কখনো কখনো বমি এবং মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়। 
- এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- এ রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হবে তা হলো: 
• নিয়মিত সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করা। 
• অধিক তেল এবং মশলাযুক্ত গুরুপাক খাদ্য পরিহার করা। 
• ফুটানো দুধ, পনির এবং কলা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। 
• নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে, কফি, সিগারেট ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে ইত্যাদি। 
- প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৩৯.
কোন উক্তিটি সঠিক নয়?
  1. কুষ্ঠ রোগ সংক্রামক নয়
  2. এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়
  3. চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
  4. নিউমোনিয়া ফুসফুসকে আক্রান্ত করে
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
ব্যাখ্যা
- 'চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস রোগ হয়' এ উক্তিটি সঠিক নয়। 

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪০.
পৃথিবীর মোট পানির মধ্যে সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি?
  1. পুকুর
  2. হিমবাহ 
  3. নদী
  4. সমুদ্র
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭ শতাংশ জলরাশি সমুদ্রে (মহাসাগর) অবস্থিত, যা একে পৃথিবীর বৃহত্তম পানির উৎসে পরিণত করেছে। তবে সমুদ্রের পানি লবণাক্ত হওয়ায় এটি সরাসরি পানযোগ্য নয়। 

পানির উৎস ও গুরুত্ব: 
- পৃথিবীপৃষ্ঠের শতকরা ৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি। 
- মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য, তাই পানির অপর নাম হচ্ছে জীবন। 
- পানির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে সাগর, মহাসাগর বা সমুদ্র। 
- পৃথিবীতে যত পানি আছে, তার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগেরই উৎস হচ্ছে সমুদ্র। 
- সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে এজন্য সমুদ্রের পানিকে লোনা পানিও (Marine water) বলে। 
- লবণের কারণে সমুদ্রের পানি পানের অনুপযোগী, এমনকি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অন্য কাজেও সমুদ্রের পানি ব্যবহার করা যায় না। 
- পানির আরেকটি বড় উৎস হলো হিমবাহ তুষার স্রোত, যেখানে পানি মূলত বরফ আকারে থাকে, এই উৎসে প্রায় শতকরা ২ ভাগের মতো পানি আছে। 
- পৃথিবীতে ব্যবহারের উপযোগী পানি মাত্র শতকরা ১ ভাগ। 
- ব্যবহার উপযোগী মিঠা পানির উৎস হলো নদ-নদী, খাল-বিল, হ্রদ, পুকুর কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৪১.
"Asian Tiger Mosquito" - নামে পরিচিত নিচের কোন প্রজাতিটি?
  1. Aedes Aegypti
  2. Culex tarsalis
  3. Aedes albopictus
  4. Anopheles gambiae
সঠিক উত্তর:
Aedes albopictus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes albopictus
ব্যাখ্যা
• Asian Tiger Mosquito: 
→ "Asian Tiger Mosquito" - নামে পরিচিত Aedes albopictus প্রজাতিটি।

→ সাধারণ নাম: Asian tiger mosquito (এশিয়ান টাইগার মশা)
→ বৈজ্ঞানিক নাম: Aedes albopictus
→ আবাসভূমি ও বিচরণক্ষেত্র: এ মশাটির মূল আবাসস্থল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। কিন্তু পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে বিশ্বের অনেক অংশে ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে গাড়ির টায়ারের মাধ্যমে, যা মশার জন্য আদর্শ প্রজনন স্থল।
→ এটি ডেঙ্গু জ্বর এবং চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের সংক্রমণ ঘটায়।

অপশন আলোচনা:
→ Aedes Aegypti - Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়।
→ Culex tarsalis - Culex প্রজাতির মশা প্রাথমিকভাবে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস এবং নির্দিষ্ট ধরণের এনসেফালাইটিস সংক্রমণের জন্য দায়ী
→ Anopheles gambiae - Anopheles প্রজাতির মশা ম্যালেরিয়া সংক্রমণের জন্য দায়ী।

সূত্র: European Centre for Disease Prevention and Control.
৩,৮৪২.
ইবোলা ভাইরাসের বাহক কোনটি?
  1. ক) বানর 
  2. খ) কুকুর
  3. গ) বিড়াল
  4. ঘ) বাদুড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাদুড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাদুড়
ব্যাখ্যা
ইবোলা ভাইরাসের বাহকের বাহক হচ্ছে বাদুড়।

ইবোলা হল এক প্রকার মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ভাইরাস যা ইবোলা ভাইরাস (ebola virus) জনিত বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে থাকে। ইবোলা ভাইরাস জনিত রোগ একটি মারাত্মক অসুখ যা ভাইরাল হেমোরজিক জ্বর সৃষ্টি করে এবং ৯০% রোগীর ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক হয়। 

ইবোলা একটি একক এবং নেতিবাচক আরএনএ (RNA) ভাইরাস যা ভাইরাস পরিবার ফিলোভিরিডের অন্তর্গত। মারবুর্গ ভাইরাসগুলি ফিলোভিরিডে পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এই ভাইরাস পরিবারটি তাদের রডের মতো শেপ, থ্রেডের মতো কাঠামো, বৈচিত্র্যময় দৈর্ঘ্য এবং এদের ঝিল্লিটি, আবদ্ধ ক্যাপসিড দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। ইবোলা ভাইরাসের সাধারন দৈর্ঘ্য ১৪,০০০ নানোমিটার এবং ব্যাসার্ধ ৮০ নানোমিটারের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কিছুটা বড় । এ ভাইরাসগুলো প্রায়ই একটি ইউ আকার ধারণ করে থাকে।

ইবোলার লক্ষণসমূহ-
জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, মাংশ পেশীর ব্যথা এবং গলা ব্যথার মতো লক্ষণগুলো দ্রুত প্রকাশ পেতে শুরু করে।

ভুক্তভোগীরা প্রায়শই ডায়রিয়া, বমি এবং ফুসকুড়ির মতো সমস্যায় ভোগেন। তারপরে আক্রান্ত ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক রক্তক্ষরন শুরু হয়।

সূত্র: Centers for Disease Control and Prevention Website.
৩,৮৪৩.
নিচের কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাসটি বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান?
  1. ক) আর্গন
  2. খ) ক্রিপ্টন
  3. গ) নিয়ন
  4. ঘ) হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্গন
ব্যাখ্যা
-  বায়ুমণ্ডলে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসাবে আর্গনের পরিমাণ (০.৮০%) সবচেয়ে বেশি।
- বায়ুমণ্ডলের দুটি প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন  (২০.৭১%)।
- এছাড়াও বায়ুতে- 
  কার্বন ডাই-অক্সাইড (০.০৩)
  ওজোন (০.০০০১)
  জলীয়বাষ্প (০.৪১)
  ধূলিকণা ও কনিক্স (০.০১)
  অন্যান্য গ্যাস (যেমন- নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড)- ০.০১৯৯
  প্রভৃতি গ্যাস বিদ্যমান।

উৎস:- ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি।
৩,৮৪৪.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি কোনটি?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  3. গ্রিনিচের সময় দ্বারা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ (Latitude) ও দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয়ের পদ্ধতি:
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়:-(সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা;
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা।
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৫.
মানবদেহে রক্তরস বা প্লাজমার পরিমাণ হচ্ছে -
  1. ৪৫%
  2. ৬০%
  3. ৫৫%
  4. ৩৫%
সঠিক উত্তর:
৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫%
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। 
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। 
- এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস। 
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। 
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 

রক্তের উপাদান: 
- মানব দেহের রক্ত প্রধানত রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। 
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। - প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৬.
যদি কোন রোগ প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়, তখন তাকে কি বলে?
  1. ক) জুনোটিক রোগ
  2. খ) সংক্রামক রোগ
  3. গ) জন্মগত রোগ
  4. ঘ) আইট্রোজেনিক রোগ
সঠিক উত্তর:
ক) জুনোটিক রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জুনোটিক রোগ
ব্যাখ্যা
যখন কোনো সংক্রামক রোগ প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ায়, তখন তাকে জুনোসিস (zoonosis) বা জুনোটিক (zoonotic) রোগ বলা হয়।
সোর্স: www.health.state.mn.us
৩,৮৪৭.
শীতকালে বাংলাদেশে বাতাসের গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা কত?
  1. ক) ৭৩% থেকে ৮৪%
  2. খ) ৮৫% থেকে ৮৯%
  3. গ) ৮৩% থেকে ৮৯%
  4. ঘ) ৭৩% থেকে ৮৯%
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৩% থেকে ৮৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৩% থেকে ৮৪%
ব্যাখ্যা
▪ ঋতুভেদে আর্দ্রতার বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশে শীতকালে বাতাসের গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭৩% থেকে ৮৪% হয়ে থাকে।
▪ অপরদিকে গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালে গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা প্রায় ৮৩% থেকে ৮৯% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
▪ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বছরের বিভিন্ন সময়ে বায়ুপ্রবাহের বৈচিত্র্যতা লক্ষ্য করা যায়। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে অধিকাংশ বায়ু অপেক্ষাকৃত শান্ত থাকে। এ বেগ সাধারণত মার্চ থেকে আগস্ট মাসে বৃদ্ধি পায়।
▪ গ্রীষ্মকালের বৃষ্টির সাথে প্রবাহিত হওয়া ঝড়ো হাওয়া বাতাসের গড় বেগকে প্রভাবিত করে।
▪ বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৮.
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন কোন ধরনের টিকা?
  1. ডিএনএ টিকা
  2. মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
  3. নিষ্ক্রিয় জীবাণুভিত্তিক জীবন্ত টিকা
  4. দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু ভিত্তিক টিকা
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
ব্যাখ্যা

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিকার প্রকারভেদ নিম্নরূপ- 
১। নিষ্ক্রিয় জীবাণুভিত্তিক জীবন্ত টিকা: 
- এতে কালচার করা জীবাণুদের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করা হয়। 
উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি এই টিকা। 
উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু ভিত্তিক টিকা: 
- সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪৯.
ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) জেনারেটর
  2. খ) শুষ্ক কোষ
  3. গ) রেগুলেটর
  4. ঘ) বিদ্যুৎ কোষ
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক কোষ
ব্যাখ্যা
ডিসি:
- আমাদের দৈনন্দিন কাজে ডিসি (DC) সরবরাহের অসংখ্য প্রয়োগ রয়েছে।
- বিশেষ করে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা বর্তনী পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন একমুখী প্রবাহ বা ডিসি প্রবাহ (Direct Current) প্রয়োজন হয়।
- ব্যাটারি বা শুষ্ক কোষ হলো ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস
- কিন্তু এদের ভোল্টেজ বেশ কম এবং এগুলো প্রায়ই পরিবর্তন করতে হয় বলে বেশ ব্যয়বহুল।
- ব্যাটারি দ্বারা আমাদের সব প্রয়োজন মিটানো সম্বব নয়।
- তাই আমাদের প্রয়োজন, বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইনের দিক পরিবর্তী তথা এসি ভোল্টেজকে একমুখী তথা ডিসি ভোল্টেজ রূপান্তরিত করা।  
-  যে প্রক্রিয়ায় এই রূপান্তরের কাজটি সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৮৫০.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব হতে পারে? 
  1. ক) কয়েক সেকেন্ড 
  2. খ) কয়েক মিনিট 
  3. গ) কয়েক ঘণ্টা 
  4. ঘ) কয়েক দিন 
সঠিক উত্তর:
ক) কয়েক সেকেন্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কয়েক সেকেন্ড 
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব সাধারণত কয়েক সেকেন্ড হয়ে থাকে। কিন্তু এই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হয়ে যেতে পারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। ভূমিকম্পের মাত্রা অনুযায়ী ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণয়ের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তার নাম রিখটার স্কেল। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
৩,৮৫১.
নক্ষত্রের ভর কত সৌর ভরের কম হলে নক্ষত্রটি শ্বেত বামনে হবে?
  1. ১.৪
  2. ১.৮
  3. ২.৪
  4. ২.৮
সঠিক উত্তর:
১.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৪
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন:
- শ্বেত বামন (White dwarf) এক ধরনের ছোট তারা।
- কোন ক্ষুদ্রাকার তারকার জ্বালানি ফুরিয়ে অনুজ্জ্বল সাদা রঙের তারকায় পরিণত হলে তাকে শ্বেত বামন (White dwarf) বলা হয়।
- যদি কোনো নক্ষত্রের মোট ভর সূর্যের ১.৪ গুণের সমান বা তার চেয়ে কম হয়, তাহলে ওই নক্ষত্র শ্বেত বামন (white dwarf) তারায় পরিণতি হয়। 

উল্লেখ্য,
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।

উৎস: Britannica.
৩,৮৫২.
নিম্নলিখিত কোন ভ্যাক্সিনটি ''লাইভ ভ্যাক্সিন'' (Live Vaccine)?
  1. হাম (Measles)
  2. হুপিং কপ
  3. ডিফথেরিয়া
  4. রেবিস (Rabies)
সঠিক উত্তর:
হাম (Measles)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাম (Measles)
ব্যাখ্যা
Live-attenuated vaccines:
কোন রোগের 'লাইভ ভ্যাকসিন' বলতে, যে জীবাণুটি উক্ত রোগের কারণ, সেই জীবাণুরটিরই একটি দুর্বল (বা ক্ষুদ্র) ফর্ম ব্যবহার করে।
এই ভ্যাকসিনগুলি প্রাকৃতিক সংক্রমণের মতো এতটাই অনুরূপ যে তারা উল্টো প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং একটি শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
লাইভ ভ্যাকসিনের মাত্র 1 বা 2 ডোজ একটি জীবাণু এবং এটির সৃষ্ট রোগের বিরুদ্ধে আজীবন সুরক্ষা দিতে পারে।

লাইভ ভ্যাকসিনগুলি এই রোগগুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়:
- হাম, গলা, রুবেলা (এমএমআর সম্মিলিত ভ্যাকসিন)
- রোটাভাইরাস
- ক্ষুদ্রপৃষ্ঠের বহিরাগত লিঙ্ক: আপনি ভ্যাকসিনস.gov রেখে একটি অ-ফেডারেল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছেন। সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি দেখুন।
- জল বসন্ত
- হলুদ জ্বর

Source: U.S. Department of Health & Human Services
৩,৮৫৩.
বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি? 
  1. ব্যারােমিটার 
  2. হাইগ্রোমিটার 
  3. ফ্যাদোমিটার 
  4. ম্যানােমিটার 
সঠিক উত্তর:
ব্যারােমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারােমিটার 
ব্যাখ্যা

ব্যারােমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 

অন্যদিকে, 
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩,৮৫৪.
লোহিত রক্তকণিকার উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ক) প্লীহা
  2. খ) অস্থিমজ্জা
  3. গ) যকৃত
  4. ঘ) অগ্ন্যাশয়
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থিমজ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থিমজ্জা
ব্যাখ্যা
মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা (RBC - Red Blood Cell) সাধারণত দ্বি-অবতল এবং চাকতি আকৃতির। এতে হিমোগ্লোবিন নামের রঞ্জক পদার্থ থাকায় রক্ত লাল দেখায়। এ কণিকাগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে। 

লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ করা হয়। এটি অধিক পরিমানে অক্সিজেন পরিবহন করতে পারে। মানুষের লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন। 

সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৩,৮৫৫.
কোন ভাইরাসের কারণে মানুষের জলাতঙ্ক রোগ হয়?
  1. অ্যাডিনো ভাইরাস
  2. র‍্যাবিস ভাইরাস
  3. ইবোলা ভাইরাস
  4. ভেরিওলা ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- র‍্যাবিস ভাইরাসের কারণে মানুষের জলাতঙ্ক রোগ হয়। 

ভাইরাস: 

- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো - 


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৫৬.
গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা আলফা কণার চেয়ে কত গুণ বেশি? 
  1. ১০ গুণ
  2. ১০০ গুণ
  3. ১০০০ গুণ
  4. ১০০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১০০০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০ গুণ
ব্যাখ্যা
- একটি সরু ছিদ্রযুক্ত লেড বা সীসার পাত্রে রেডিয়াম রেখে দিলে তা থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছিদ্র দিয়ে সরলরেখায় বের হয়। 
- এ রশ্মিকে চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত করলে তা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এদেরকে যথাক্রমে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বলা হয়। 
- এদের মধ্যে আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জযুক্ত, বিটা রশ্মি ঋনাত্মক চার্জযুক্ত এবং গামা রশ্মি হচ্ছে চার্জবিহীন বা চার্জনিরপেক্ষ। 

গামা রশ্মি (γ-রশ্মি): 
প্রকৃতি: 
- গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ। 
- α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে। 
- এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়। 

ছেদন ক্ষমতা: 
- গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি। 
- রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে। 
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই। 
- বিটা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 1000 গুণ বেশি। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৩,৮৫৭.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়?
  1. কৌণিকভাবে
  2. লম্বভাবে
  3. আড়াআড়িভাবে
  4. তির্যকভাবে
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা:
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়
- নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে।
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

৩,৮৫৮.
সম্প্রতি আবিষ্কৃত 'সুপার আর্থ' গ্রহটির সন্ধান পেয়েছে কোন মহাকাশ সংস্থা?
  1. ক) European Space Agency
  2. খ) NASA
  3. গ) Italian Space Agency
  4. ঘ) SpaceX
সঠিক উত্তর:
খ) NASA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) NASA
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি আবিষ্কৃত 'সুপার আর্থ' গ্রহটির সন্ধান পেয়েছেন নাসা মহাকাশ সংস্থা। 

- সুপার আর্থ গ্রহ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৪০ ভাগ বড় আয়তনে। 
- ‘সুপার’ আর্থের আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৬.২ আলোকবর্ষ দূরে। 
- নাসা ২০২১ সালে এই গ্রহটির সন্ধান পায়।
- পৃথিবীতে এক বছর যেমন ৩৬৫ দিনে হয়, এই গ্রহটিতে কিন্তু হয় মাত্র আড়াই দিনে।
- GJ-740 গ্রহটি সুপার আর্থ নামে পরিচিত। 

সূত্র- NPR Website [লিঙ্ক]
৩,৮৫৯.
Which planet is often referred to as the "Red Planet"?
  1. Saturn
  2. Mercury
  3. Jupiter
  4. Venus
  5. Mars
সঠিক উত্তর:
Mars
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mars
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ এবং গ্রহসমূহ: 
- মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে। 
- সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। 
- সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে। 
- মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট গতিতে, নির্দিষ্ট দূরত্বে, একই সমতলে একইদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূনর্ণরত সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধুমকেতু ও উল্কাপিন্ডের সমন্বয়ে সৌরজগত গঠিত হয়েছে। 

মঙ্গল গ্রহ: 
- মঙ্গলগ্রহ  হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ। 
- বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ। 
- মঙ্গল গ্রহটিকে ‘লালগ্রহ’ নামে অভিহিত করা হয়। 
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ২২.৮ কিলোমিটার। 
- এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৬৮৭ দিন সময় লাগে। 
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুইটি। 
যথা- ফোবোস ও ডিমোস। 

অন্যদিকে, 
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ, 
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ, 
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৬০.
সমুদ্রবায়ু কোন সময় সবচেয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়? 
  1. মধ্যাহ্নে 
  2. দুপুরে 
  3. অপরাহ্নে 
  4. সকালে 
সঠিক উত্তর:
অপরাহ্নে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাহ্নে 
ব্যাখ্যা

সমুদ্রবায়ু: 
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপ যুক্ত হয়। ফলে এ সময় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়, একে সমুদ্রবায়ু বলে। 
- সমুদ্রবায়ু সকাল ১০টা থেকে প্রবাহিত হতে থাকে। 
- বিকালে অর্থাৎ অপরাহ্নে সমুদ্রবায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়। 
- আবার রাত ৩টায় স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৬১.
বাংলাদেশের কোন কোন জেলায় ’জুম’ চাষ করা হয়? 
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি 
  3. বান্দারবন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

জুমচাষ (Jhum):
- বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- এ ধরনের চাষাবাদে শুষ্ক মৌসুমে বনভূমি কেটে বা পুড়িয়ে স্বল্পসময়ের জন্য (১-৩ বছর) ফসল চাষাবাদের পর প্রাকৃতিক বনভূমির পুনর্জন্ম ও মৃত্তিকার উর্বরতার ক্ষয়পূরণের জন্য দীর্ঘসময় (১০-৪০ বছর) পতিত রাখা হয়।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে 'সুইডেন চাষাবাদ' বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে জুমচাষ হয়।
- বাংলাদেশ শুধু তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে এ -জুমচাষ করা হয়।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

৩,৮৬২.
শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোনটি?
  1. LDL
  2. HDL
  3. FDL
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
LDL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LDL
ব্যাখ্যা
• কোলেস্টেরল (Cholesterol):
- কোলেস্টেরল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন (Cholestane) থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ।
- কোলেস্টেরল লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়।
রক্তে তিন ধরনের লিপোপ্রোটিন দেখা যায়: 
LDL (Low Density Lipoprotein): একে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। সাধারণত আমাদের রক্তে 70% LDL থাকে। ব্যক্তিবিশেষে এই পরিমাপের পার্থক্য দেখা যায়।

• HDL (High Density Lipoprotein): একে সাধারণত ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

• ট্রাইগ্লিসারাইড (Tryglyceride): এই কোলেস্টেরল চর্বি হিসেবে রক্তের প্লাজমায় অবস্থান করে। ট্রাই-গ্লিসারাইড আমাদের খাদ্যের প্রাণিজ চর্বি অথবা কার্বোহাইড্রেট থেকে তৈরি হয়ে থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৬৩.
পারস্পরিক আবেশের নীতি ব্যবহৃত হয় -
  1. ট্রানজিস্টরে
  2. অ্যামপ্লিফায়ারে
  3. ট্রায়্ডে
  4. ট্রান্সফর্মারে
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মারে
ব্যাখ্যা

পারস্পারিক আবেশ: 
- পাশাপাশি স্থাপিত দুটি কুন্ডলীর মধ্যে একটিতে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রার পরিবর্তনের ফলে অপর কুন্ডলীতে যে তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয় তাকে পারস্পারিক আবেশ বলে।
- জেনারেট, মোটর ও ট্রান্সফরমারে পারস্পারিক আবেশ ব্যবহৃত হয়। 

ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার বলে। 
- ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার।

যথা- 
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

- ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার হয়। 
- ট্রান্সফরমারের গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার হয়। 

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৮৬৪.
'বেকরেল' নিচের কোনটির একক?
  1. লেন্সের ক্ষমতা
  2. এক্সরে
  3. দীপন ক্ষমতা
  4. তেজস্ক্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপ করার জন্য যে একক ধরা হয় তাকে বলা হয় বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা হলো যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি, তাদের নিউক্লিয়াস দ্রুত গতির নিউটন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদন সম্পূর্ণ বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনা।
- ফরাসি বিজ্ঞানী অঁতোয়ান অঁরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় এমন একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করে ফেলেন যা সারা বিশ্বের বিজ্ঞান জগতে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- তিনি দেখতে পান যে, ইউরেনিয়াম ধাতুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত বিশেষ ভেদন শক্তি সম্পন্ন রশ্মি বা বিকিরণ নির্গত হয়।
- তার নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকারেল রশ্মি।
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলে।

উৎস: Britannica.com