উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয়।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২১ / ৩৯ · ২,০০১–২,১০০ / ৩,৮৭৯
- মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রধান উপাদান হলো সিলিকন (Si) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al)। এই কারণে এই স্তরকে 'সিয়াল' (Sial) স্তরও বলা হয়।
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন:
- সৃষ্টির সময় পৃথিবী ছিল একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড, উত্তপ্ত অবস্থা থেকে এটি শীতল ও ঘনীভূত হয়। এই সময় পৃথিবীর বাইরের ভারী উপাদানগুলো এর কেন্দ্রের দিকে জমা হয় আর হালকা উপাদানগুলো ভরের তারতম্য অনুসারে নিচ থেকে উপরে স্তরে স্তরে জমা হয়, পৃথিবীর এই বিভিন্ন স্তরকে মণ্ডল বলে। উপরের স্তরটিকে অশ্মমণ্ডল বলে, অশ্মমণ্ডলের উপরের অংশ ভূত্বক নামে পরিচিত।
ভূত্বক (Earth's Crust):
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার।
- ভূত্বক মহাদেশের 'তলদেশে গড়ে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্র তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু।
- সাধারণভাবে মহাদেশীয় ভূত্বকের এ স্তরকে সিয়াল (Sial) স্তর বলে, যা সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AI) দ্বারা গঠিত।
- এটি সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী এবং এর প্রধান খনিজ উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। অনুমান করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশে বিদ্যমান।
- ভূত্বকের উপরের ভাগেই বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়। যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি।
- ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- নিকোলাস কোপারনিকাস ১৫৪৩ সালে প্রথম আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের মতবাদ প্রদান করেন।
- তিনি পৃথিবী নয় বরং সূর্যকে সৌরজগতের কেন্দ্র হিসাবে উল্লেখ করেন।
- তিনি আঠারো শতকের আগে এমন একটি মডেল প্রনয়ন করেন যখন চারিদিকে টলেমী এবং এরিস্টটলের মতবাদ চলছিল।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
ব্যাখ্যা:
ক্রোমোসোম না থাকায় ব্যাকটেরিয়া কোষে মাইটোসিস ও মিয়োসিস ঘটে না। ব্যাকটেরিয়ার প্রধান জনন পদ্ধতি হলো দ্বি-ভাজন পদ্ধতি। এটি একটি অযৌন পদ্ধতি। কুঁড়ি তথা মুকুলোদগম প্রক্রিয়ায় কোনো কোনো ব্যাকটেরিয়াতে সংখ্যাবৃদ্ধি হতে পারে। কুঁড়ি সৃষ্টির পদ্ধতিকে অঙ্গজ জনন পদ্ধতি বলা যেতে পারে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট তরঙ্গ বা ভূ-অভ্যন্তরের কম্পন শনাক্ত এবং রেকর্ড করার জন্য সিসমোগ্রাফ (Seismograph) যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়। এই যন্ত্রের মাধ্যমে ভূমিকম্পের উৎপত্তি, স্থায়িত্ব এবং তীব্রতা সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়। যদিও ভূমিকম্পের গাণিতিক পরিমাপ বা মাত্রা প্রকাশে রিখটার স্কেল বহুল পরিচিত, তবে মূল তথ্যটি সিসমোগ্রাফ যন্ত্র থেকেই পাওয়া যায়।
বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র:
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ব্যারােমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
• সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
• পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
গুটিবসন্ত মানবজাতির ইতিহাসে একমাত্র রোগ যেটা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে।
- WHO ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়।
- গুটিবসন্ত হয় - ভেরিওলা ভাইরাসের কারনে।
- সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে সোমালিয়াতে দেখা গিয়েছিল।
ভ্যাক্সিনঃ এডয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে তৈরি করেন।
গণস্বাস্থ্যের ইতিহাসে এটাকেই সবচেয়ে বড় সফলতা বলা যায়।
Smallpox is an acute contagious disease caused by the variola virus, a member of the orthopoxvirus family. It was one of the most devastating diseases known to humanity and caused millions of deaths before it was eradicated. It is believed to have existed for at least 3000 years.
The smallpox vaccine, created by Edward Jenner in 1796, was the first successful vaccine to be developed. He observed that milkmaids who previously had caught cowpox did not catch smallpox and showed that a similar inoculation could be used to prevent smallpox in other people.
The World Health Organization launched an intensified plan to eradicate smallpox in 1967. Widespread immunization and surveillance were conducted around the world for several years. The last known natural case was in Somalia in 1977. In 1980 WHO declared smallpox eradicated – the only infectious disease to achieve this distinction. This remains among the most notable and profound public health successes in history.
Source: WHO
- Like most large galaxies, the Milky Way is glued together by a supermassive black hole at its center, buried deep in the constellation Sagittarius.
- Our galaxy's supermassive black hole, called Sagittarius A∗ (or Sgr A∗), constantly pulls stars, dust and other matter inward, forming a stellar megalopolis 1 billion times denser than our corner of the galaxy.
সূত্র: Encyclopedia Britannica
প্রকৃতির রহস্য উদঘাটন:
- প্রাচীনকালে চীন দেশে একটুকরো লোড স্টোনকে সমজাতীয় অন্য একটি লোড স্টোনের টুকরোকে অদৃশ্য একটা শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করতে দেখা গিয়েছিল, বিশেষ ধরনের এই পদার্থের বিশেষ এই ধর্মটির নাম দেওয়া হয়েছিল চৌম্বকত্ব (Magnetism) ।
- একইভাবে প্রাচীন গ্রিসে আম্বর নামের পদার্থকে পশম দিয়ে ঘষা হলে সেটি এই দুটি পদার্থকে একটি অদৃশ্য শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করত, এই বিশেষ ধর্মের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রিসিটি বা বৈদ্যুতিক শক্তি (Electricity)।
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এবং বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন এটি একই বলের দুটি ভিন্ন রূপ এবং এই বলটির নাম দেওয়া হয় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetism)।
- পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কৃত হওয়ার পর বিটা রশ্মি নামে একটা বিশেষ বিকিরণ ব্যাখ্যা করার সময় 'দুর্বল নিউক্লিয় বল' নামে নতুন এক ধরনের বল আবিষ্কৃত হয়।
- পদার্থবিজ্ঞানীরা পরে দেখালেন বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লিয় বল একই বলের ভিন্ন ভিন্ন রূপ, তাদেরকে একত্র করে সেই বলের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রো উইক ফোর্স। পদার্থবিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রকৃতিতে মহাকর্ষ বল এবং নিউক্লিয়ার বল নামে আরও যে দুটি বল রয়েছে ভবিষ্যতে সেগুলোও একই সূত্রের আওতায় আনা যাবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
বীজ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া:
- বীজ উৎপাদন থেকেই বীজ সংরক্ষণের শুরু এবং জমিতে এর বপন বা রোপণের মাধ্যমে বীজ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ।
- বীজ সংরক্ষণ বলতে বীজের উৎপাদন, শুকানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মান নিয়ন্ত্রণ, বিপণন যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাকেই বোঝায়।
- বীজ শস্য উৎপাদনের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার-
১) কেবল বীজের জন্যই ফসলের চাষ করা;
২) নির্বাচিত জমির আশপাশের জমিতে ঐ নির্দিষ্ট বীজ ফসলের অন্য জাতের আবাদ না করা;
৩) বীজ উৎপাদনের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান থেকে বীজ সংগ্রহ করা;
৪) বীজের চারা বৃদ্ধিকালে জমি থেকে ভিন্ন জাতের গাছ তুলে ফেলা;
৫) বীজের ক্ষেত ঘন ঘন পরিদর্শন করা যাতে (ক) আগাছা দমন (খ) ভিন্ন জাতের গাছ তোলা ও (গ) রোগবালাই ও পোকা-মাকড়ের উপদ্রব ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়;
৬) ফসলের পরিপক্বতার দিকে দৃষ্টি রাখা;
৭) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে ফসল কাটা, মাড়াই করা ও ঝাড়া ইত্যাদি।
উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প নিয়ে আসে, যা বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় (Cyclone):
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচণ্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য। স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়।
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
• পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটিকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- ভূ-পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- দক্ষণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রেরক স্টেশনে থাকে পৃথক পৃথক প্রেরক যন্ত্র, যার সাহায্যে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গরূপে শব্দ ও ছবি প্রেরণ করা হয়।
যে ছবি বা দৃশ্য প্রেরণ করতে হবে তা টেলিভিশন ক্যামেরা তাড়িত সংকেতে রূপান্তরিত করে। এ সংকেতকে মডুলেশন প্রক্রিয়ায় উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গের সাথে মিশ্রিত করা হয়। পরে এন্টেনার সাহায্যে তাড়িতচৌম্বক বেতার তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
চিকিৎসা ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার:
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে বর্তমানে বিভিন্ন প্রয়োজনে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হচ্ছে।
যেমন-
• রোগ নির্ণয়ে:
- আইসোটোপ ব্যবহার করে একজন রোগীর রোগাক্রান্ত স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। এ পদ্ধতিতে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 (99Tc) কে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়।
- এই আইসোটোপ যখন শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে জমা হয় তখন ঐ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ গামা রশ্মি বিকিরণ করে, তখন বাইরে থেকে গামা রশ্মি শনাক্তকরণ ক্যামেরা দিয়ে সেই স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। এই তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 এর লাইফটাইম 6 ঘণ্টা। তাই সামান্য সময়েই এর তেজস্ক্রিয়তা শেষ হয়ে যায় বলে এটি অনেক নিরাপদ।
• রোগ নিরাময়ে:
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (131I) সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়। এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায় এবং এই আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে।
- ইরিডিয়াম-১৯২ (192Ir) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কোবাল্ট-৬০ (60Co) ব্যবহার করা হয়। কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষ কলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ফসফরাস-৩২ (32p) এর ফসফেট ব্যবহার করা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
• মূল মধ্যরেখাঃ
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কল্পিত রেখাকে ০০ দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বই হলো সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ।
- প্রতি ১০ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময় ব্যবধান হয়।
গ্রিনিচের সময়:
- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য ডিগ্রি (০০ ) ধরা হয়।
- এখন আমরা যদি গ্রিনিচের সময় এবং অন্য কোনো স্থানের সময় জানতে পারি, তাহলে দুই স্থানের সময়ের পার্থক্য অনুসারে প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১০ দ্রাঘিমার পার্থক্য ধরে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করতে পারি।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকের দেশগুলো সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে এবং গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
- এভাবে দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় এবং সময়ের মাধ্যমে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
এপিকালচার:
- মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়।
- সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়।
এছাড়াও,
ফ্লোরিকালচার - ফুলচাষ সংক্রান্ত বিদ্যা।
সেরিকালচার - রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
মেরিকালচার - সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যা।
উৎস: কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে তীব্র নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, যার কারণে চারপাশের বাতাস দ্রুত কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি করে।
• ঘূর্ণিঝড় (Cyclone):
- ঘূর্ণিঝড় একটি শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এটি সাধারণত সমুদ্রের উষ্ণ অঞ্চলে সৃষ্ট হয় এবং কেন্দ্রের দিকে প্রবল বায়ু প্রবাহ ঘূর্ণায়মান অবস্থায় প্রবেশ করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং চারদিকে উচ্চচাপ থেকে বাতাস দ্রুত বেগে কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সাধারণত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে।
- ঘূর্ণিঝড়ের সাথে প্রবল বৃষ্টি, ঝড়ো বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস ঘটে।
- এর ফলে মানুষের প্রাণহানি, ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।
উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
• আহ্নিক গতির ফল (Results of Rotation):
-পৃথিবীতে দিবারাত্রি সংঘটন।
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্ট।
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি।
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি।
- সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ।
- উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ সৃষ্টি।
•বার্ষিক গতির ফল (The results of Revolution):বার্ষিক গতির ফল হলো-
(১)দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি,
(২) ঋতু পরিবর্তন।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
ব্যারোমিটারের পারদস্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে কমতে থাকলে বোঝা যাবে বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। কারণ জলীয় বাষ্প বায়ুর চেয়ে হালকা। এক্ষেত্রে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।
হঠাৎ যদি পারদস্তম্ভেরউচ্চতা খুব কমে যায় তবে বুঝতে হবে চারদিকে বায়ুমণ্ডলের চাপ সহসা কমে গেছে এবং ঐ স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপের স্থান থেকে প্রবল বেগে বায়ু ঐ নিম্নচাপের অঞ্চলে ছুটে আসবে। সুতরাং ঝড়ের সম্ভাবনা আছে।
ব্যারোমিটারে পারদস্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে বাড়লে বুঝতে হবে বায়ুমণ্ডল থেকে জলীয় বাষ্প অপসারিত হচ্ছে এবং শুষ্ক বাতাস সেই স্থান অধিকার করছে। সুতরাং আবহাওয়া শুষ্ক ও পরিস্কার থাকবে; যা ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত।
সংক্ষেপেঃ
ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতাঃ
ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেলে - ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত।
কমলে - বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
হঠাৎ কমে গেলে - ঝড়ের পূর্বাভাস।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
কোন কোন আইসোটোপ অস্থিতিশীল হয়ে থাকে। অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে থাকে। ফলস্বরূপ, এই আইসোটোপ থেকে কিছু কণা বিচ্ছুরিত হয়, কখনো কখনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে থাকে। এই প্রকার আইসােটোপকে রেডিও আইসোটোপ (radio isotope) বলা হয়।
An exceptionally useful radioactive isotope is iodine-131, which has a half-life of eight days. It is employed in medicine to monitor thyroid gland functioning, to treat goitre and thyroid cancer, and to locate tumours of the brain and of the liver.
সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ও Britannica
দ্রুতগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন কোন ধাতুকে আঘাত করলে তা থেকে অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এবং উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন এক প্রকৃতির বিকিরণ উৎপন্ন হয়।
- এই বিকিরণকে বলা হয় এক্সরে বা এক্স রশ্মি(X-Ray)।
- ১৮৯৫ সালে নভেম্বর মাসের আট তারিখে উইলিয়াম রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয় পদার্থ ভেদ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে রঞ্জন রশ্মি।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান নবম দশম শ্রেণী
There are 2 main types of dysentery:
- bacillary dysentery or shigellosis, which is caused by shigella bacteria; this is the most common type of dysentery in the UK
- amoebic dysentery or amoebiasis, which is caused by an amoeba (single celled parasite) called Entamoeba histolytica
Source: NHS
• আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল।
এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
যেমন: ব্যাসন্ট,রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট, গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ,।
• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
যেমন: - বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার।
• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন:
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য ১৯৪৭ সালে বেল বার্ডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। জ্যাক কেলবি আইসি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই এবং ব্রিটানিকা।
• শনি (Saturn):
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- এটি গ্যাসের তৈরি বিশাল এক গোলক।
- এর ব্যাস ১,২০,০০০ কিলোমিটার।
- শনির ভূত্বক বরফে ঢাকা।
- এর বায়ুমন্ডলে আছে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে শনির সময় লাগে পৃথিবীর প্রায় ২৯.৫ বছরের সমান।
- শনি উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ৮২টি উপগ্রহ আছে (সর্বাধিক)।
- নাসা'র তথ্য অনুযায়ী ১৪৬টি উপগ্রহ আছে।
অন্যদিকে,
- বৃহস্পতির ৭৯টি উপগ্রহ আছে।
- মঙ্গল এর ২টি উপগ্রহ আছে।
- নেপচুন এর ১৪টি উপগ্রহ আছে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
◉ পৃথিবীর ভূত্বক বিভিন্ন টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত। প্রধান টেকটোনিক প্লেট ৭টি।
টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
প্লেটগুলো হলো:
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate) ।
উৎস: ব্রিটানিকা।
রিকেটস (Rikets):
- এটি কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়।
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।
- এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়।
- শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে।
- চোখ এবং জননাঙ্গ ঢেকে রেখে নবজাতককে কিছুক্ষণ রোদে রাখা ভালো, এতে সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়।
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন 'ডি'-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- ঝড় ও বজ্রপাত বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল নামক স্তরে সৃষ্টি হয়।
বায়ুমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল।
ট্রপোমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমণ্ডল।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে। এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- এটি সূর্যথেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম হল এনোমোমিটার ।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র অলটিমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র টেকোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র অডিওমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র অডিওমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র ল্যাকটোমিটার।
উৎস: Britannica.com
• গামা রশ্মি (Gamma rays) হলো উচ্চ-শক্তির তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়।
- এগুলো চিহ্নিত কণার মতো নয়, তাই এগুলোর কোনো ভর বা চার্জ থাকে না।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট এবং ফ্রিকোয়েন্সি খুব বেশি।
• প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চ শক্তি এবং প্রখর বিকিরণ।
- বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়।
- পারমাণবিক বিক্রিয়া, নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিউশন ইত্যাদি থেকে নির্গত।
- মানবদেহে প্রবেশ করলে আণবিক ক্ষতি করতে পারে, তাই সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন।
অপর দিকে,
- ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণাগুলো আলফা বা বিটা কণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- নিউট্রন কণা চার্জহীন কণার উদাহরণ, গামা রশ্মি নয়।
তথ্যসূত্র:
- NCTB পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।
ভূগোলের ধারণা:
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
ভূগোলের বিভিন্ন সংজ্ঞা:
⇒ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp) মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
⇒ জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন 'পৃথিবীর বিজ্ঞান'।
⇒ বৃটিশ ভূগোলবিদ অধ্যাপক ম্যাকনি (Professor E. A. Macnee) মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর আলোচনা বা বর্ণনাকে বলেছেন ভূগোল। তাঁর মতে, ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারা নিয়ে যে বিষয় আলোচনা করে তাই ভূগোল। বৃটিশ
⇒ বিখ্যাত মার্কিন ভূগোলবিদ অধ্যাপক রিচার্ড হার্টশোর্ন (Professor Richard Hartshorne) বলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের যুক্তিসংগত ও সুবিন্যস্ত বিবরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলো ভূগোল।
⇒ আধুনিক ভূগোল শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জার্মান ভূগোলবিদ আলেকজান্ডার ফন হামবোল্টের (Alexander von Humbolt) মতে, ভূগোল হলো প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞান; প্রকৃতিতে যা কিছু আছে তার বর্ণনা ও আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- জেমস ওয়াট।
ফনোগ্রাফ ও বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক- টমাস আলভা এডিসন।
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক- স্যামুয়েল মোর্স।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।
গোদ রোগ বা ফাইলেরিয়াসিস এক প্রকার পরজীবী ঘটিত রোগ।
এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের সংক্রামক রোগ যা সূতার মতো একজাতের (ফাইলেরিওয়ডিয়া Filarioidea পরিবারভুক্ত নিমাটোড) গোলকৃমি দ্বারা সংঘটিত হয়।
উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান