বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১০ / ৩৯ · ৯০১১,০০০ / ৩,৮৭৯

৯০১.
লিথাল জিনের কারণে কোন রোগ হয়?
  1. হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া
  2. থ্যালাসেমিয়া ও বর্ণান্ধতা
  3. বর্ণান্ধতা ও রাতকানা
  4. রাতকানা ও হিমোফিলিয়া
সঠিক উত্তর:
হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া
ব্যাখ্যা

লিথাল জিন (Lethal gene):
- লিথাল জিন হলো এমন জিন, যার প্রভাবে জীবের মৃত্যু ঘটে বা স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব হয় না।
- সাধারণত এই জিন হোমোজাইগাস অবস্থায় মারাত্মক প্রভাব সৃষ্টি করে।
- এর ফলে ভ্রূণ অবস্থাতেই বা অল্প বয়সে জীবের মৃত্যু হতে পারে।
- তাই লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর প্রকৃতির হয়।

থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia):
- থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তজনিত রোগ।
- হোমোজাইগাস অবস্থায় (থ্যালাসেমিয়া মেজর) এটি লিথাল হিসেবে বিবেচিত।
- রোগীর শরীরে স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না।
- চিকিৎসা না হলে অল্প বয়সেই রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
- তাই থ্যালাসেমিয়া লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট রোগ।

হিমোফিলিয়া (Hemophilia):
- হিমোফিলিয়া একটি এক্স-লিঙ্কড বংশগত রোগ।
- এতে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায়।
- এটি গুরুতর হলেও সাধারণভাবে লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট নয়।
- যথাযথ চিকিৎসায় রোগী দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে।

বর্ণান্ধতা ও রাতকানা:
- বর্ণান্ধতা এবং রাতকানা উভয়ই দৃষ্টিজনিত বংশগত সমস্যা।
- এ রোগগুলোতে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে না।
- তাই এগুলো লিথাল জিনের উদাহরণ নয়।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে লিথাল জিনের কারণে সৃষ্ট রোগ হিসেবে পাঠ্যবই অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো —
সঠিক উত্তর: ক) হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৯০২.
সংক্রামক ব্যাধি কালাজ্বরের বাহক কোনটি?
  1. ক) লিশম্যানিয়া নামক বিশেষ ধরনের পরজীবী
  2. খ) এডিস মশকী
  3. গ) এক ধরনের উকুন
  4. ঘ) বেলেমাছি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেলেমাছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেলেমাছি
ব্যাখ্যা

কালাজ্বর বাংলাদেশের একটি এন্ডেমিক সংক্রামক রোগ। Leishmania donovani নামক এক বিশেষ পরজীবীর সংক্রমণের কারণে কালাজ্বর হয়ে থাকে। অর্থাৎ কালাজ্বরের কারণ হলো এই বিশেষ ধরনের পরজীবী।
Leishmania donovani নামক এই বিশেষ পরজীবী Phlebotomas নামক বিশেষ ধরনের বেলেমাছি বা Sand fly এর মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই কালাজ্বরের বাহক হলো বেলেমাছি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি 

৯০৩.
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কী?
  1. নেনী
  2. টমি
  3. শেলী
  4. ডলি
সঠিক উত্তর:
ডলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডলি
ব্যাখ্যা
ক্লোনিং:
- প্রাকৃতিক ক্লোন হলো একটি জীব অথবা একদল জীব যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ জননের দ্বারা।
- এদের ধরন হয় মাতৃ জীবের ন্যায়।
- একটি কোষ বা কোষগুচ্ছ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং তাদের প্রকৃতি মাতৃকোষের ন্যায় হয়, তাকেও ক্লোন বলে।
- প্রাকৃতিকভাবে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশিরভাগ প্রোটোজোয়া এবং ঈস্ট, ছত্রাক ক্লোনিং এর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে প্রয়োজনবোধে কোনো বিশেষ জিনের সংখ্যাবৃদ্ধি করে তার প্রতিলিপি তৈরি করা হয়।
- কোনো কোনো কোষকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আবাদ মাধ্যমে রেখে বিভাজন ঘটিয়ে এতে উৎপন্ন করা হয় একগুচ্ছ একই ধরনের কোষ।
- আবার কোনো অণুজীব উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর অনুরূপ অনেক জীব উৎপাদন করাকে ক্লোনিং বলে।
- ক্লোনিং তিন ধরনের। যথা- 

১। জিন ক্লোনিং:
- একই জিনের অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে।
- জিন ক্লোনিং রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে করা হয়।

২। সেল ক্লোনিং:
- একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই ধরনের কোষ তৈরি করাকে সেল ক্লোনিং বলে।

৩। জীব ক্লোনিং:
- একটি মাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে উদ্ভিদের ক্ষেত্রে অঙ্গজ জননের ফলে উৎপন্ন উদ্ভিদ একটি ক্লোন।
- মনোজাইগোটিক যমজ একে অপরের ক্লোন।

- সম্প্রতি জিন প্রযুক্তির দ্বারা সম্ভব হয়েছে একই প্রাণীর দেহকোষ থেকে সম্পূর্ণ নিউক্লিয়াসকে বের করে সে প্রাণীর নিষেককৃত ডিম্বাণুতে ইনজেকট করে নিউক্লিয়াস স্থাপন করা।
- ডিম্বাণুতে দেহকোষের নিউক্লিয়াস স্থাপন করার পূর্বে নিষেককৃত ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসকে অপসারণ করা হয়। এ ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয় তা হুবহু তার মাতার ন্যায় হয়।
- ডলি নামক ভেড়া হলো পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে।
- এ ক্লোনিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শূকর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে।
- ইঁদুর, ডলি নামক ভেড়া, বানর, প্রভৃতি ক্লোনিংয়ের পর বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি এখন মানুষের উপর।
- এ প্রক্রিয়াটি কিন্তু মোটেই দূরূহ নয়, তাই ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নত দেশে মানুষের ক্লোন করার প্রক্রিয়া আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৪.
'A Brief History of Time' গ্রন্থটির লেখক -
  1. Jamal Nazrul Islam
  2. George Lemaitre
  3. Kepler
  4. Stephen Hawking
সঠিক উত্তর:
Stephen Hawking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stephen Hawking
ব্যাখ্যা
• 'A Brief History of Time' গ্রন্থটির লেখক হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী Stephen Hawking. এই বইটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মহাবিশ্বের গঠন, সময়ের প্রকৃতি, কৃষ্ণগহ্বর (black holes), বিগ ব্যাং (Big Bang), আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম মেকানিক্সের মতো জটিল ধারণাগুলো সাধারণ পাঠকের জন্য সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে। স্টিফেন হকিং বইটিতে মূলত মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এটি বিজ্ঞানের জনপ্রিয়ীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি কপি বিক্রি হয়েছে। এই গ্রন্থই তাকে সাধারণ মানুষের মাঝে বিজ্ঞানী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।

তাঁর রচিত বইসমূহ-
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design, ইত্যাদি।

- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
- পৃথিবীর মানুষের কাছে “The Scientist on a Wheelchair” হিসেবে পরিচিত।
- স্টিফেন হকিং এর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র- ‘Theory of Everything.’

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯০৫.
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক কত লিটার পানি পান করা প্রয়োজন?
  1. ক) ১-২ লিটার
  2. খ) ৪-৫ লিটার
  3. গ) ২-৩ লিটার
  4. ঘ) ৫-৬ লিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ২-৩ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২-৩ লিটার
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। 
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি। 
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 

- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- পানি দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯০৬.
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে বলে -
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) অবলোহিত রশ্মি
  3. গ) মহাজাগতিক রশ্মি
  4. ঘ) অতি বেগুনী রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বলে।
বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯০৭.
মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ কত?
  1. ৩-৪ লিটার
  2. ১-২ লিটার
  3. ৪-৫ লিটার
  4. ৫-৬ লিটার
সঠিক উত্তর:
১-২ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-২ লিটার
ব্যাখ্যা
লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- লসিকায় লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

লসিকার কাজ: 
প্রোটিন পরিবহন: কলার ফাঁকা স্থান থেকে প্রোটিন লসিকার মাধ্যমে রক্তে ফিরে আসে। 
স্নেহ পরিবহন: যে সব স্নেহ কলা কৈশিক নালির বাধা অতিক্রমে অক্ষম সেগুলো লসিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। 
পুষ্টি সরবরাহ: দেহের যে সব কলা কোষে রক্ত পৌঁছাতে পারে না সেখানে লসিকা অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে। 
শোষণ: স্নেহ পদার্থ অন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে লসিকার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। 
প্রতিরক্ষা: লসিকায় অবস্থিত প্রচুর শ্বেত কণিকা দেহের প্রতিরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে। 
প্রতিরোধ: B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 
দেহ রসের সংবহন: রক্ত সংবহনের এক অংশ থেকে অন্য অংশে তরল পদার্থের পরিবহনে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৮.
অণুবীক্ষণ যন্ত্র কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) গ্যালিলিও
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) রবার্ট হুক
  4. ঘ) মাইকেল ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা

১৬৮৩ সালে ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং এই যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন ।
গ্যালিলিও টেলিস্কোপ ও থার্মোমিটার আবিষ্কার করেন।
রবার্ট হুক প্রথম কোষপ্রাচীর আবিষ্কার করেন।
মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো ও তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্র আবিস্কার করেন।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ এবং ব্রিটানিকা।

৯০৯.
ডাউন সিন্ড্রোম রোগের ফলে কী হয়?
  1. ক) বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম হয়।
  2. খ) শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
  3. গ) চলাচলের ক্ষমতা হারিয়ে যায়।
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ডাউন সিন্ড্রোম- ট্রাইসোমি ২১ নামেও পরিচিত।
এটি একটি জেনেটিক রোগ যেখানে ২১ নং ক্রোমোজোমে আরেকটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম বিদ্যমান।
এই রোগে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকে।
৯১০.
নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে বলা হয়-
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) ফিশন
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে ফিউশন বলে।
- নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলে।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯১১.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম প্রমাণ করেন কে? 
  1. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
  2. নিকোলাস কোপার্নিকাস
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. জোহান কেল্লার
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে। 
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 
- কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন, তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের মূল কথা ছিল 'পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে'। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাসই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১২.
নিচের কোন বিবৃতি সত্য?
  1. ক) বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন কমবে
  2. খ) সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে
  3. গ) বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

এক খন্ড বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন কমবে এবং একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়।
সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি যার ফলে বরফ পানিতে ভাসে।
Source: britannica.com

৯১৩.
নিচের কোন বিশেষ ইলেকট্রনিকস ডিভাইসে ব্যাটারির এক ধরণের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় উল্টো সংযোগে হয় না?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) আইসি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
ব্যাখ্যা

ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরণের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode।
ডায়োডের আরো একটি ব্যবহার হচ্ছে AC থেকে DC তৈরি করা অর্থাৎ ডায়োড রেক্টিফায়ার হিসাবে কাজ করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৯১৪.
শামুক পালন বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলা হয়?
  1. Heliciculture
  2. Oenology
  3. Pomology
  4. Vermiculture
সঠিক উত্তর:
Heliciculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Heliciculture
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ: 
• শামুক পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- Heliciculture. 

অন্যদিকে, 
- Oenology - মদ উৎপাদন বিষয়ক বিদ্যা।
- Pomology - ফল চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- Vermiculture - কেঁচো চাষ বিষয়ক বিদ্যা।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯১৫.
ব্যাকটেরিয়ার নামকরণ করেন কে?
  1. লিউয়েন হুক
  2. রবার্ট হুক
  3. লুই পাস্তুর
  4. এহরেনবার্গ
সঠিক উত্তর:
এহরেনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এহরেনবার্গ
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। 
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। 
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। 
- তিনি এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। তাই তাকে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। 
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। 
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন। 
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব। 
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৬.
নিচের কোনটি গ্রীনহাউস গ্যাস?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা

• গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প,
• কার্বন ডাই অক্সাইড,
• নাইট্রাস অক্সাইড,
• মিথেন,
• ওজোন,
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.

৯১৭.
জেরপথ্যালমিয়া রোগের কারণ কোনটি?
  1. ক) ভিটামিন A এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
  2. খ) ভিটামিন C এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
  3. গ) ভিটামিন E এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
  4. ঘ) ভিটামিন D এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন A এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন A এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
ব্যাখ্যা
ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্নিয়ায় আলসার হতে পারে - এ অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া রোগ বলে।
এ রোগ হলে একজন মানুষ পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভিটামিন এ এর অভাবে দেহের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হয়। অনেক সময় সর্দি, ঘা, কাশি, গলাব্যাথা হয়। 

[সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই]
৯১৮.
কোয়াসি মুন কী?
  1. চাঁদের চারপাশে ঘূর্ণায়মান ছোট উপগ্রহ
  2. পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
  3. সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণায়মান গ্রহ
  4. পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রাকৃতিক উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
ব্যাখ্যা

• কোয়াসি-মুন।
- কোয়াসি-মুন এমন একটি বস্তু, যা পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে, কিন্তু স্থায়ীভাবে পৃথিবীর উপগ্রহ নয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি একটি অজানা 'কোয়াসি-মুন' বা আধা-চাঁদ সদৃশ বস্তু আবিষ্কার করেছেন।
- নতুন এই মহাজাগতিক বস্তুটির নাম '২০২৫ পিএন৭'।
- এটি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তবে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি অবস্থান করে।
- হাওয়াইয়ের হেলেয়াকালা আগ্নেয়গিরিতে অবস্থিত 'প্যান-স্টারস'- মানমন্দির গত ২৯ আগস্ট '২০২৫ পিএন৭'-কে প্রথমবারের মতো পর্যবেক্ষণ করে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৯১৯.
মুখ্য জোয়ারের অপর নাম কী?
  1. পরোক্ষ জোয়ার
  2. প্রত্যক্ষ জোয়ার
  3. মরা কটাল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ জোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ জোয়ার
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২০.
সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব-
  1. ক) ৯৩ লক্ষ কিলোমিটার
  2. খ) ৯৩ মিলিয়ন কিলোমিটার
  3. গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
  4. ঘ) ১৫০ মিলিয়ন মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
ব্যাখ্যা
Earth orbits our Sun, a star. Earth is the third planet from the Sun at a distance of about 93 million miles (150 million km).
Source: NASA
৯২১.
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) ফিনলে
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) উইলিয়াম হার্ভে
  4. ঘ) জোনাস সাল্ক
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্ভে। 

১৬২৮ সালে ৫০ বছর বয়সে হার্ভে প্রকাশ করলেন তাঁর অবিস্মরণীয় গ্রন্থ ‘Exercitatio Anatomica de Moto Cordis er Sanguinis in Animalibus’। বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘প্রাণীজগতের রক্ত এবং হৃৎপিন্ডের গতি সম্বন্ধীয় পর্যবেক্ষণ’, যা সূচনা করলো এক বৈপ্লবিক চেতনার। হার্ভেই প্রথম সঠিক এবং বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করলেন যে রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে ফুসফুসে যায় এবং পরে ফুসফুস থেকে হৃৎপিন্ডে ফিরে এসে তা আবার সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে। এটি একটি চক্রাকার প্রক্রিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
৯২২.
গ্যালাক্সি প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
গ্যালাক্সি:

- প্রধানত গ্যালাক্সি ২ প্রকার।
- স্বাভাবিক গ্যালাক্সিঃ আমরা জানি যে, গ্যালাক্সি হল মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদান। আমাদের ছায়াপথ ছাড়াও মহাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ গ্যালাক্সি রয়েছে। এদের বলা হয় স্বাভাবিক গ্যালাক্সি।
- রেডিও গ্যালাক্সিঃ যেসব গ্যালাক্সি রেডিও কম্পাঙ্কের তড়িৎ চৌম্বক বিকিরিণ নিঃসরণ করে তাদের রেডিও গ্যালাক্সি বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯২৩.
কোন স্কেলের সাহায্যে ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয়?
  1. হাইড্রোমিটার
  2. ফ্যাদোমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. রিখটার স্কেল
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
ব্যাখ্যা
রিখটার স্কেল:

- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- 1935 সালে আমেরিকার ভূকম্প বিশারদ চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ভূমিকম্পের যে মাত্রামাপক স্কেল প্রণয়ন করেন সেই স্কেলকে রিখটার স্কেল বলে।
- রিখটার পরিমাপক স্কেল হলো কোন ভূমিকম্পের প্রাবল্যকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা, এটি একটি 10 মাত্রা ভিত্তিক লগারিদম পরিমাপ।
অর্থাৎ এই পরিমাপে যে কোন সংখ্যার ভূমিকম্প- পূর্ববর্তী সংখ্যার চাইতে 10 গুণ বেশি শক্তিশালী।যেমন তিন মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে চার মাত্রার ভূমিকম্প দশগুণ বেশি শক্তিশালী।

ভূমিকম্প:
 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- বড় ধরনের ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে। যেমন - ভূমিকম্পের ফলে আমাদের অন্যতম প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে গিয়েছিল। 
- পৃথিবীর মাঝে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। 
- ২০১০ সালে হাইতিতে, ২০১১ সালে জাপানে এবং ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। 
- জাপানের ভূমিকম্পের পর সেখানে সৃষ্ট সুনামি নিউক্লিয়ার শক্তি কেন্দ্রে আঘাত করে একটি নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিল। 
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। 
- এই স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। 
- ১৯৮৪ সালে মানিকগঞ্জ এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার বড় একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। 

অন্যদিকে, 
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র হাইড্রোমিটার। 
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার। 
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৯২৪.
তাপ গতিবিদ্যার জনক কে?
  1. ক) লর্ড বেন্টিংক
  2. খ) লর্ড উইলিয়াম
  3. গ) লর্ড কেলভিন
  4. ঘ) জন ডালটন
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কেলভিন
ব্যাখ্যা
লর্ড কেলভিন ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিদ্যার দুইটি সূত্র দিয়েছিলেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯২৫.
কোয়াশিয়রকর রোগ কেন হয়?
  1. ক) শর্করার স্বল্পতার জন্য
  2. খ) ভিটামিন ই এর অভাবে
  3. গ) খনিজ পুষ্টির অভাব
  4. ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
ব্যাখ্যা
কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষের অভাবে ২-৪ বছরের শিশুদের। এ রোগের লক্ষণগুলো হলো- শিশুর বৃদ্ধি হ্রাস পায়, পেটের পীড়া দেখা দেয়, পেশি ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়। ‌
৯২৬.
মেরুজ্যোতি বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে দেখা যায় ?
  1. এক্সোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই স্তরের বাতাস অত্যন্ত হালকা ও ক্ষীণ।
- তাপমণ্ডল নিচের দিক থেকে আয়নোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার নামক তিনটি স্তরে বিভক্ত।
- তাপমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে মেরুজ্যোতি(Aurora) তৈরি হয়।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে মেরুজ্যোতি দেখা যায়।
- আয়নোস্ফিয়ারে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।

উল্লেখ্য,
বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।
৯২৭.
নিচের কোনটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রচণ্ড শক্তি হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) সুপ্ত তাপ
  2. খ) আপেক্ষিক তাপ
  3. গ) লীন তাপ
  4. ঘ) বিকীর্ণ তাপ
সঠিক উত্তর:
ক) সুপ্ত তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুপ্ত তাপ
ব্যাখ্যা
- পানির বাষ্পায়নের সময় পানি যে রকম তার বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপটুকু নিয়ে নেয়, এর উল্টোটাও সত্যি। 
- যদি কোনো প্রক্রিয়ায় বাষ্প পানিতে রূপান্তরিত হয় তখন সেটি তাপ সরবরাহ করে। 
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের জলীয় বাষ্পে ভরা বাতাস উপরে উঠে যখন জলকণায় রূপান্তরিত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপটা শক্তি হিসেবে বের হয়ে আসে। 
- এই শক্তিটা ঘূর্ণিঝড়ের প্রচণ্ড শক্তি হিসেবে কাজ করে।
 
 উৎস: নবম-দশম শ্রেণি; পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই। 
৯২৮.
নেপচুনের কয়টি উপগ্রহ রয়েছে?
  1. ১৩টি 
  2. ১৬টি
  3. ১৪টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা

• নেপচুনের তথ্য:
- নেপচুন আমাদের সৌরজগতের অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ।
- নেপচুনই আমাদের সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যা খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৬১২ এবং ১৬১৩ সালে গ্যালিলিও তার ছোট টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণের সময় নেপচুনকে একটি স্থির নক্ষত্র হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন। 
- নিরক্ষীয় ব্যাস ৩০,৭৭৫ মাইল (৪৯,৫২৮ কিলোমিটার) হওয়ায়, নেপচুন পৃথিবীর চেয়ে প্রায় চারগুণ প্রশস্ত।
- সূর্য থেকে নেপচুনের গড় দূরত্ব ৪.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার।
- নেপচুনের এক দিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা সময় লাগে (নেপচুনের একবার আবর্তন বা ঘূর্ণন করতে যে সময় লাগে)।
- নেপচুন সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করে (নেপচুনিয়ান সময়ে এক বছর) প্রায় ১৬৫ পৃথিবী বছরে (৬০,১৯০ পৃথিবী দিন)।
- নেপচুনের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান সমুদ্র দেবতার নামে।
- নেপচুনের ১৬টি উপগ্রহ আছে।
- নেপচুনের বৃহত্তম উপগ্রহ ট্রাইটন আবিষ্কার করেন ১০ অক্টোবর, ১৮৪৬ সালে, জোহান গটফ্রাইড গ্যাল গ্রহটি আবিষ্কার করার মাত্র ১৭ দিন পরে।

উৎস: NASA.

৯২৯.
কোন গ্যাসটি বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে?
  1. ক) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. খ) জলীয় বাষ্প
  3. গ) সিএফসি
  4. ঘ) নাইট্রিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর অবক্ষয়ের জন্য সিএফসি গ্যাসের ভূমিকা সর্বোচ্চ। 

CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন। মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি (CFC) এর ব্যবহার- 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।
৫। CFC এর ফুটনাংক কম হওয়ায় বিভিন্ন ধরণের রেফ্রিজারেশন এবং শীতাতাপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
৬। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে CFC যৌগের ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: United States Environmental Protection Agency
৯৩০.
কিসের প্রভাবে শুক্র সৌরজগৎ এর উষ্ণতম গ্রহ?
  1. শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্ত যায় বলে
  2. শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই বলে
  3. এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
  4. এসিড বৃষ্টি হয় বলে
সঠিক উত্তর:
এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
ব্যাখ্যা
শুক্র গ্রহ: 
• সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহের মধ্যে শুক্র সূর্যের দ্বিতীয় নিকটতম ও পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। 
• শুক্র গ্রহকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়।
• শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্ত যায়।

• শুক্র সৌরজগৎ এর উষ্ণতম গ্রহ।
• এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল থাকায় এটি তাপ ধরে রাখে।
• বুধ সূর্যের নিকটতম গ্রহ। কিন্তু বুধে কোন বায়ুমণ্ডল নেই বলে তাপ ধরে রাখতে পারে না। 

• শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের আধিক্যের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।
• বুধ গ্রহের ন্যায় শুক্রেরও কোন উপগ্রহ নেই।

- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হল:
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস।
• শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৪০°C
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস।
• বামন গ্রহ প্লুটো: -২২৫° সেলসিয়াস।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
৯৩১.
Transformer এর শর্ট সার্কিট টেষ্ট করা হয় ____ জানার জন্য
  1. কোন নির্দিষ্ট লোডে Cu loss
  2. নো লোডে iron loss
  3. নো লোডে Cu loss
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট লোডে Cu loss
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট লোডে Cu loss
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন প্যারামিটার যেমন কোর লস, কপার লস, সমতুল্য রেজিস্ট্যান্স, সমতুল্য রিয়্যাকট্যান্স, নো লোড কারেন্ট প্রভৃতি নির্ণয়ের জন্য ওপেন সার্কিট টেস্ট ও শর্ট সার্কিট টেস্ট করা হয়।

• ট্রান্সফরমারের লো-টেনশন সাইড শর্ট সার্কিট রেখে হাই টেনশন সাইডে বিভিন্ন টেস্টিং ইনস্ট্রুমেন্ট সংযুক্ত করে যে টেস্ট বা পরীক্ষা করা হয় তাই ক্লোজ সার্কিট টেস্ট বা শর্ট সার্কিট টেস্ট হিসেবে পরিচিত।

- ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি রেজিস্ট্যান্স ও রিয়্যাকট্যান্স এবং কপার লস নির্ণয়ের জন্য শর্ট সার্কিট টেস্ট করা হয়।

• শর্ট সার্কিট টেস্ট করার জন্য ট্রান্সফরমারের সাথে পরিমাপ করার যন্ত্রপাতি গুলো হাই-টেনশন সাইডে সংযুক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারকে নিচের চিত্রের মতো করে প্রস্তুত করা হয়।
১. ট্রান্সফরমারের হাই টেনশন সাইড শর্ট সার্কিট অবস্থায় রাখা হয়
২. পাওয়ার পরিমাপের জন্য নো টেনশন কয়েলে একটি ওয়াটমিটার সংযুক্ত করা হয়।
৩. সিরিজে একটি অ্যাম্পিয়ার মিটার এবং
৪. ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য একটি ভোল্টমিটার সংযোগ হয়
৫. এরপর পরীক্ষনীয় ইনপুটে অটো ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে ভোল্টেজ ধীরে ধীরে বাড়িয়ে এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যাতে সার্কিটে রেটেড কারেন্ট প্রবাহিত হয়।

• ট্রান্সফরমারের শর্ট সার্কিট টেস্ট করার সময় যে কারেন্ট প্রবাহিত হয় তা ফুল লোডে প্রবাহিত কারেন্টের সমান হয়ে থাকে। ফলে এই কারেন্ট যে কপার লস ঘটাবে তা ফুল লোড কপার লসের সমান হবে। ক্লোজ সার্কিট অবস্থায় রেটেড কারেন্ট প্রবাহ করতে হলে প্রয়োগকৃত ভোল্টেজ রেটেড ভোল্টেজের চেয়ে অনেক কম হতে হবে। ফলে ভোল্টেজের ফাংশন হওয়ায় নো-লোড কারেন্টের মান খুবই কম হবে যা নগন্য ধরা যায়। ফলে ওয়াট মিটারে যে পাঠ পাওয়া যাবে তা ট্রান্সফরমারের কপার লস নির্দেশ করবে।

- ট্রান্সফরমারের কপার লস লোডের উপর নির্ভরশীল।

উৎস: voltagefacts.blogspot.com.
৯৩২.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব প্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. জর্জ লেমিটার
  2. আলবার্ট আইন্সটাইন
  3. স্টিফেন হকিং
  4. ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমিটার
ব্যাখ্যা

• জর্জ লেমিটার: বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনক
- ১৯৩১ সালে বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও ক্যাথলিক পাদ্রী জর্জ লেমিটার প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বিগ ব্যাং তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- এই তত্ত্ব ১৯৩০-এর দশকে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে একটি বিপ্লবাত্মক বিচ্যুতি ছিল, যা আজ প্রায় সব জ্যোতির্বিজ্ঞানীর দ্বারা গৃহীত,।
- সেই সময়ে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী এখনও মহাবিশ্বের প্রসারণশীল ধারণা মেনে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।
- সমগ্র দৃশ্যমান মহাবিশ্ব গ্যালাক্সি সমূহের বিস্ফোরণ দিয়ে শুরু হয়েছিল, তা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।
- এই তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) তাঁর 'A Brief History of Time' বইয়ে।

উৎস: American Museum of Natural History.

৯৩৩.
ভাইরাসের দেহে কয়টি কোষ থাকে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) একটিও নাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটিও নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটিও নাই
ব্যাখ্যা
ভাইরাস হল এক প্রকার অতিক্ষুদ্র অনুজীব যারা শুধুমাত্র জীবিত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
ভাইরাস অকোষীয়। অর্থাৎ দেহে কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, মাইট্রোকন্ডিয়া এবং রাইবোজোম অনুপস্থিত।
কেবল প্রোটন এবং নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA or RNA) দিয়ে ভাইরাসের দেহ গঠিত।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৩৪.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. ক) জন্ডিস
  2. খ) অ্যাজমা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা

ভাইরাসজনিত রোগগুলো হলো - এইডস,ডেঙ্গু জ্বর, পোলিও, হাম, জন্ডিস, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, মাম্পস, সারস, ইবোলা, সোয়াইন ফ্লু, বার্ড ফ্লু ইত্যাদি।
অ্যাজমা বা হাঁপানি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রোগও নয়।

৯৩৫.
বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. কিউরিসিটি রোভার
  2. স্পুটনিক - ১
  3. স্পুটনিক - ২ 
  4. ব্র্যাক অন্বেষা
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক - ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক - ১
ব্যাখ্যা

স্পুটনিক:
- স্পুটনিক ছিল একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহের একটি সিরিজ।
- স্পুটনিক ১ ছিল বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ।
- এর প্রথমটি ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমেই শুরু হয় মহাকাশ যুগ।
- এটি একটি ৮৩.৬ কেজি (১৮৪ পাউন্ড) ওজনের ধাতব ক্যাপসুল ছিল।
- এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকে—যার সর্বোচ্চ দূরত্ব (অ্যাপোজি) ছিল ৯৪০ কিমি এবং সর্বনিম্ন দূরত্ব (পেরিজি) ছিল ২৩০ কিমি।
- প্রতি ৯৬ মিনিটে এটি একবার করে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত।
- স্পুটনিক ১ প্রায় তিন মাস কক্ষপথে ঘুরে ১৯৫৮ সালের ৪ জানুয়ারি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে পুড়ে যায়।
- এই উৎক্ষেপণ আমেরিকানদের মাঝে প্রবল আলোড়ন তোলে—কারণ তারা ভাবত, যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়ে এগিয়ে।
- এই ঘটনার পর শুরু হয় মহাকাশ প্রতিযোগিতা, যা ঠান্ডা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৩৬.
কোনটি এক্সরের ধর্ম প্রকাশ করে?
  1. প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে না
  2. তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
  3. বক্র পথে গমন করে
  4. ভেদন ক্ষমতা কম
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• এক্সরের ধর্ম বোঝায় তার বৈশিষ্ট্য ও আচরণ। প্রদত্ত অপশনের মধ্যে “তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ” সঠিক, কারণ এক্সর তড়িৎ ও চুম্বকীয় প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি আড়ভাবে ছড়িয়ে বা বিকশিত হতে পারে। অন্য অপশন গুলো- যেমন প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে না পারা, বক্র পথে গমন করা বা ভেদন ক্ষমতা কম- এক্সরের মূল বৈশিষ্ট্যের সাথে প্রাসঙ্গিক নয়। তাই এক্সরের প্রধান ধর্ম হলো এটি তাড়িতচুম্বকীয় এবং আড়ভাবে প্রবাহিত হতে পারে।

এক্সরের বৈশিষ্ট্য:

- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এক্সরে সরল পথে গমন করে।
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3 × 108 ms-1 বেগে গমন করে।
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।

এক্সরের প্রকারভেদ:
- এক্সরে দুই প্রকার।
- কোমল এক্সরে ও কঠিন এক্সরে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩৭.
শনি গ্রহ প্রধানত কোন উপাদান দিয়ে গঠিত?
  1. রডিয়াম ও কার্বন
  2. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  3. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  4. লোহা ও সিলিকন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

• শনি:
- শনি গ্রহ সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি গ্রহটি বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। ।
-এই গ্রহের নামকরণ করা হয়েছে কৃষি ও সম্পদের রোমান দেবতার নামে, যিনি বৃহস্পতিরও পিতা ছিলেন।
- নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ৭৪,৮৯৭ মাইল (১২০,৫০০ কিলোমিটার) হওয়ায়, শনি গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ৯ গুণ প্রশস্ত। 
-  শনির একদিন মাত্র ১০.৭ ঘন্টা সময় নেয় (শনির একবার ঘুরতে বা ঘুরতে যে সময় লাগে),
- শনি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে (শনির সময়ে এক বছর) প্রায় ২৯.৪ পৃথিবী বছরে (১০,৭৫৬ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
- ৮ জুন, ২০২৩ পর্যন্ত, শনির কক্ষপথে ১৪৬টি উপগ্রহ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) কর্তৃক তাদের আবিষ্কার

উৎস: NASA.

৯৩৮.
ডোপামিনের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. এপিলেপ্সি
  2. স্ট্রোক
  3. পারকিনসন
  4. মেনিনজাইটিস
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন
ব্যাখ্যা
স্নায়ুকোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে।
মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হরমোন ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে।
পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়। এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক যুবতীদেরও হতে পারে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯৩৯.
একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 40°C হলে ফারেনহাইট স্কেলে তা কত হবে?
  1. ক) 40°F
  2. খ) 104°F
  3. গ) 102°F
  4. ঘ) 72°F
সঠিক উত্তর:
খ) 104°F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 104°F
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 
C/5 = (F-32)/9
বা, 40/5 = (F-32)/9
বা, (F-32)/9 = 8
বা, (F-32) = 72
বা, F = 72+32
∴ F = 104
৯৪০.
পরাগরেণু বিশ্লেষণ বিদ্যাকে বলা হয়-
  1. ক) অস্টিওলজি
  2. খ) সাইটোলজি
  3. গ) এমব্রায়োলজি
  4. ঘ) প্যালিনলজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যালিনলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যালিনলজি
ব্যাখ্যা
পরাগরেণু বিশ্লেষণ বিদ্যাকে বলা হয় প্যালিনলজি।
৯৪১.
প্লেগরোগের ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
  1. ক) Plagie vincenna
  2. খ) Yarsenia indinna
  3. গ) Yersenia pestis
  4. ঘ) Plagia tropica
সঠিক উত্তর:
গ) Yersenia pestis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Yersenia pestis
ব্যাখ্যা

- প্লেগ একটি জীবনঘাতী রোগ যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট।
- এই ব্যাকটেরিয়াটি ফ্রান্স-সুইস ব্যাকটেরিওলজিস্ট আলেকজেন্ডার ইরসিন কর্তৃক আবিস্কৃত।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

৯৪২.
গ্রিনহাউজ কি?
  1. কাঁচের তৈরি ঘর
  2. সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
  3. সবুজ ভবনের নাম
  4. সবুজ গাছপালা
সঠিক উত্তর:
কাঁচের তৈরি ঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁচের তৈরি ঘর
ব্যাখ্যা
- গ্রিনহাউস অত্যধিক ঠান্ডা বা তাপের বিরুদ্ধে কোমল বা ঋতু-বহির্ভূত উদ্ভিদের সুরক্ষার জন্য ডিজাইন করা ভবন। 
- গ্রিনহাউসটি একটি ন্যূনতম কাঠের বা ধাতব কঙ্কাল সহ কাঁচের তৈরি একটি ছাদযুক্ত এবং প্রাচীরযুক্ত কাঠামোতে বিকশিত হয়। 
- আধুনিক গ্রিনহাউস সাধারণত একটি গ্লাস বা প্লাস্টিক-ঘেরা ফ্রেমযুক্ত কাঠামো যা ফল, শাকসবজি, ফুল এবং অন্য যেকোনো উদ্ভিদের উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং যার জন্য তাপমাত্রার বিশেষ প্রয়োজন হয়। 


উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৪৩.
বিএমআই এর মান কত হলে ওজন বেশি বিবেচনা করা হয়?
  1. ক) 15.00-18.40
  2. খ) 18.50-24.90
  3. গ) 25.00-29.90
  4. ঘ) 30.00-35.00
সঠিক উত্তর:
গ) 25.00-29.90
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 25.00-29.90
ব্যাখ্যা
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সঠিক বিএমআই হওয়া উচিত ১৮.৫০ থেকে ২৪.৯০ এর মধ্যে। ১৮.৫ এর কম হলে ওজন কম এবং ২৫-২৯.৯ হলে ওজন বেশি ধরা হয়। বিএমআই এর মান ৩০ এর বেশি হলে স্থুলাকায় বলা হবে সেই ব্যক্তিকে।
উৎসঃ বিজ্ঞা্‌ন নবম-দশম শ্রেণী
৯৪৪.
হ্যালির ধূমকেতু আবার কত সালে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. ক) ২০৬০
  2. খ) ২০৬১
  3. গ) ২০৬২
  4. ঘ) ২০৬৩
সঠিক উত্তর:
খ) ২০৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০৬১
ব্যাখ্যা

- ধূমকেতু হলো ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। এই বস্তু মূলত সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ, যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে।
- ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৫ বছর পর পর দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল এবং ২০৬১ সালে আবার দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: Spcae.com এবং somoynews.tv

৯৪৫.
নদী ভরাট বা দখল পরিবেশে কী প্রভাব ফেলে?
  1. নদীর গভীরতা বাড়ে।
  2. মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
  3. বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
  4. পানির প্রবাহ দ্রুত হয়।
সঠিক উত্তর:
বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
ব্যাখ্যা
• নদী ভরাট বা দখল করার ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। যার ফলে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। 

এতে যা ঘটে থাকে —
-  নদীর ধারণক্ষমতা কমে যায়।
-  বর্ষার সময় অতিরিক্ত পানি নদীতে জায়গা না পেয়ে প্লাবিত হয়।
ফলে বন্যার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।

এছাড়াও,
• নদী ভরাট বা দখলের কারণে— 
- জলজ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
-  মৎস্য সম্পদ হ্রাস পায়।
- জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয়।

তথ্যসূত্র: 
-  সপ্তম শ্রেণি, বিজ্ঞান ও পরিবেশ ; জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)। 
-  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB): নদী ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ বিষয়ে প্রতিবেদন।
৯৪৬.
শ্বেত বামন কী?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. ব্লাকহোল
  4. গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডোয়ার্ফ তারকা: 
- শ্বেত বামন হলো এক ধরনের ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা, যা মাঝারি ও নিম্ন ভরের তারকাদের জীবনচক্রের শেষ পর্যায়ে গঠিত হয়।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- প্রথম আবিষ্কৃত তারকাগুলোর সাদা রঙের কারণে এদের হোয়াইট ডোয়ার্ফ বলা হয়।
- কম উজ্জ্বলতা সম্পন্ন হয়।
- ভর প্রায় সূর্যের সমান, কিন্তু ব্যাস পৃথিবীর সমান।
- অত্যন্ত ঘন এবং সংক্ষিপ্ত আকৃতির হয়।
- গড় ঘনত্ব পানি থেকে প্রায় ১০ লক্ষ গুণ বেশি।
- এই তারকারা মহাকাশে নিভে যাওয়া সূর্যের মতো ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে এবং একসময় সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় কালো ডোয়ার্ফে পরিণত হয়।

উৎস: Britannica.
৯৪৭.
পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল—
  1. ক) অপরিবর্তিত থাকে
  2. খ) কমে যায়
  3. গ) বেশি হয়
  4. ঘ) প্রথমে কমে, পরে বাড়ে
সঠিক উত্তর:
খ) কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমে যায়
ব্যাখ্যা
মাধ্যাকর্ষণ বল:

- পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল কমে যায়
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষন তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বল
- পৃথিবীর কেন্দ্রে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি শূন্য মানের হয়
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারনে পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না।
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্র আবিষ্কার করেন নিউটন

তথ্যসূত্র - Britannica.com এবং নাসা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৪৮.
ফোটন কণা -
  1. ক) ভর সম্পন্ন
  2. খ) গতিশীল
  3. গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
  4. ঘ) প্রতিটি ফোটন কণা শব্দের বেগে চলে
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

আলাে যে ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট রুপে নির্গত হয় তাকে ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন, তড়িৎ নিরপেক্ষ স্থিতিশীল/সুস্থিত। ফোটন এর দুইটি সম্ভাব্য সমবর্তন দশা রয়েছে।
ফোটন এর কোনো চার্জ না থাকার কারনে তড়িৎ বা চুম্বক ক্ষেত্র প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা।
কোয়ান্টাম তত্ত্বের অপর নাম ফোটন তত্ত্ব।

৯৪৯.
বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে ব্যবহৃত প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. স্পুটনিক-২
  2. ইনটেলসেট-১
  3. ল্যান্ডসেট-১
  4. এক্সপ্লোরার-১
সঠিক উত্তর:
ইনটেলসেট-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনটেলসেট-১
ব্যাখ্যা

- ইনটেলসেট-১, যা 'আর্লি বার্ড (Early Bird)' নামেও পরিচিত, ১৯৬৫ সালের ৬ এপ্রিল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এবং এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ।

কৃত্রিম উপগ্রহ ও এর ইতিহাস: 

- মানুষের পাঠানো যেসব বস্তু বা মহাকাশযান পৃথিবীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে তাদের বলা হয় কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- রকেটের সাহায্যে এদের উৎক্ষেপণ করা হয়। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলের প্রভাবে চাঁদের মতো এরা এদের নিজস্ব কক্ষপথে ঘুরে। 
- কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় অনেক ছোট এবং চাঁদের তুলনায় অনেক নিচু দিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। 
- নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরার জন্য এদের প্রয়োজনীয় দ্রুতি থাকতে হয়। পৃথিবী থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা যত বেশি হবে তার দ্রুতি হবে তত কম। ফলে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে এরা বেশি সময় নেবে। 
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় এর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরে। সুতরাং, কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ যদি ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে, তাহলে একে পৃথিবী থেকে স্থির বলে মনে হবে। 

- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। তারা স্পুটনিক-১ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে, স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী। একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান। 
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১, এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়। 
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েত কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। যে মানুষটি প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন, তিনি হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন। তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। 
- ভস্টক-৬ নামক কৃত্রিম উপগ্রহে (মহাকাশযান) চড়ে প্রথম সোভিয়েত নারী মহাকাশচারি ভেলেনটিনা তেরেসকোভা মহাকাশে ঘুরে আসেন ১৯৬৩ সালে। 

- বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে ইনটেলসেট-১ কৃত্রিম উপগ্রহকে পাঠানো হয়। 
- রিমোটসেনসিং বা দূর অনুধাবনের জন্য পাঠানো প্রথম উপগ্রহ হলো ল্যান্ডসেট-১, একে পাঠানো হয় ১৯৭২ সালে। 
- আন্তর্জাতিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য অ্যাপোলো-সয়োজ টেস্ট প্রজেক্ট নামে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রথম পাঠানো হয় ১৯৭৫ সালে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এপর্যন্ত হাজার হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে। কয়েক হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হাজার হাজার অব্যবহৃত কৃত্রিম উপগ্রহ বা তাদের অংশবিশেষ মহাকাশে ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৯৫০.
বার্ড ফ্লু রোগটি প্রথম কোন দেশে শনাক্ত করা হয়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) চায়না
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চায়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চায়না
ব্যাখ্যা
বার্ড ফ্লু রোগটির অস্তিত্ব প্রথম চায়নায় পাওয়া যায়।  

- বার্ড ফ্লু একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় রোগ এটি।
- এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে বার্ড ফ্লু মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে।
- ভাইরাসটি সাধারণত পাখির শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত পাখিরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজেই চলে যায় বলে রোগটিও দ্রুত ছড়ায়।
- বার্ড ফ্লু বায়ুবাহিত রোগ হিসেবে বিবেচিত।

লক্ষণসমূহ-
১. এ ভাইরাস সংক্রমণের পর রোগীর দেহে প্রাথমিকভাবে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
২. জ্বরের পাশাপাশি শরীর ব্যথা, ঠান্ডা লাগা, হাঁচি, কাশি, মাথা ব্যথা, মাংসপেশী ব্যথা, বমি, পেট খারাপ- এ ধরনের উপসর্গ থাকে।
৩. অনেক সময় ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে মারাত্মক নিউমোনিয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রচণ্ড কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং এআরডিএস অর্থাৎ অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেসের ঝুঁকি থাকে।
৪. এনসেফেলাইটিস, হৃদপিণ্ডের সংক্রমণ, মায়োসাইটিস হয়। 

সূত্র: Centers for Disease Control & Prevention [লিঙ্ক]
৯৫১.
বাংলাদেশে বছরের দীর্ঘতম দিন-
  1. ক) ২২ জুলাই
  2. খ) ২০ জুন
  3. গ) ২২ জুন
  4. ঘ) ২১ জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জুন
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম দিন:

- পৃথিবীর দীর্ঘতম দিন ২১ জুন
- পৃথিবীর ক্ষুদ্রতন দিন ২৩ ডিসেম্বর
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ,নবম - দশম শ্রেণি।
৯৫২.
'Big Bang Theory'র ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন-
  1. বার্নার
  2. স্টিফেন হকিং
  3. ডারউইন
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা

• 'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।

- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল, হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটি বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

• স্টিফেন হকিং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।
- তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design.

উৎস: ব্রিটানিকা

৯৫৩.
যাদের বুদ্ধ্যঙ্ক '৭০ থেকে ৭৯' এর মধ্যে তাদের বলা হয় -
  1. প্রতিভাশালী
  2. সীমান্তবর্তী
  3. সাধারণ
  4. মানসিক প্রতিবন্ধী
সঠিক উত্তর:
সীমান্তবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমান্তবর্তী
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করার পদ্ধতি হলো বুদ্ধাঙ্ক।
- ইংরেজিতে একে বলা হয় - Intelligence quotient বা IQ.
- কারো IQ নির্ণয় করা বেশ কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল. এম. টারম্যান সর্বপ্রথম ১৯১৬ সালে বুদ্ধাংক পরিমাপের গাণিতিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। যাকে তিনি নাম দেন IQ বা Intelligence Quotient.

• তার আবিস্কৃত গানিতিক সূত্রটি হলো - 
- বুদ্ধাংক (IQ) = (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স ) × ১০০। 

⇒ যাদের বুদ্ধ্যঙ্ক '৭০ থেকে ৭৯' এর মধ্যে তাদের বলা হয় - সীমান্তবর্তী। 



উৎস: শিক্ষা মনোবিজ্ঞান- ২, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৪.
মানব দেহের রক্তে রক্তকণিকা ও রক্তরসের অনুপাত -
  1. ক) ৯ : ১১
  2. খ) ৫ : ৪
  3. গ) ৪ : ৩
  4. ঘ) ৯ : ৭
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ : ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ : ১১
ব্যাখ্যা
- মানব দেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। 
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং 
- নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে। 
- লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়। 
 
 উৎস: প্রাণী বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৫৫.
কোন পদ্ধতিতে এইডস রোগ ছড়ায় না?
  1. অনিরাপদ রক্তসঞ্চালনের মাধ্যমে
  2. অনিরাপদ যৌনসংসর্গের মাধ্যমে
  3. শিরাপথে মাদক গ্রহণের মাধ্যমে
  4. দূষিত বাতাসের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
দূষিত বাতাসের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূষিত বাতাসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
HIV বহনকারী কোনো ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে HIV প্রবেশ করালেই কেবল এইডস ছড়াতে পারে। HIV বহনকারী ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য স্বাভাবিক কোনো ব্যক্তির শরীরে HIV প্রবেশের কয়েকটি মাধ্যম রয়েছে-
১। HIV বহণকারী ব্যক্তির সঙ্গে অরক্ষিত অবস্থায় অনিরাপদ যৌনসংসর্গের মাধ্যমে।
২। HIV বহনকারী ব্যক্তির শরীরের রক্ত অন্য কোনো শরীরে প্রবেশ করালে।
৩। HIV বহনকারী ব্যক্তির ইনজেকশনের সিরিঞ্জ যা এইচআইভি বহণ করছে তা ব্যবহার করলে।
৪। HIV বহনকারী মা যখন সন্তান সম্ভবা হন অথবা সন্তান জন্মদানের সময়ে অথবা সন্তানকে দুধ পান করানোর মাধ্যমে শিশুর শরীরে HIV অনুপ্রবেশ করতে পারে।
৫। HIV বহনকারী কোনো ব্যক্তির ব্যবহৃত কোনো জিনিসপত্রে যদি সংক্রামক রক্ত লেগে থাকে এবং তা ব্যবহারের ফলে যদি শরীরের উন্মুক্ত বা কাটাছেড়া ত্বকের সংস্পর্শে আসে।
সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
৯৫৬.
কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়?
  1. জেমস ওয়েব
  2. পাথ ফাইন্ডার
  3. স্পিটজার
  4. জন কেপলার
সঠিক উত্তর:
জেমস ওয়েব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস ওয়েব
ব্যাখ্যা

- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়। 

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ: 
- মহাকাশে পাঠানো এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ হচ্ছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (জেডব্লিউএসটি)। 
- মহাজাগতিক রহস্য অনুসন্ধানের পাশাপাশি মহাবিশ্বের প্রান্তে কী আছে, তা নিয়েও আশ্চর্যজনক ছবি প্রকাশ করছে টেলিস্কোপটি। 
- ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাকাশে পাঠানোর পর থেকে টানা তিন বছর টেলিস্কোপটির মাধ্যমে দূরবর্তী বিভিন্ন গ্রহের বায়ুমণ্ডলের তথ্য বিশ্লেষণসহ মহাজাগতিক রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। 
- তিন বছর আগে এই দিনে দক্ষিণ আমেরিকার ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। 
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপকে বিখ্যাত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে
- প্রায় ৩০ বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে টেলিস্কোপটি, খরচ হয়েছে প্রায় এক হাজার কোটি মার্কিন ডলার। 
- বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হলেও মাত্র তিন বছরের মধ্যেই টেলিস্কোপটি মহাজাগতিক তথ্য সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। 

- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এমন গ্যালাক্সির খোঁজ পেয়েছে যেটি পৃথিবী থেকে ১৩.৪ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- ২০২৩ সালে টেলিস্কোপটি প্রথম এক্সোপ্ল্যানেট বা বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহ আবিষ্কার করে।
- এলএইচএস ৪৭৫বি নামের গ্রহটি পৃথিবীর মতোই দেখতে।
- জেমস ওয়েব বেশ কয়েকটি ব্ল্যাকহোলও আবিষ্কার করেছে। আর তাই টেলিস্কোপটির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও অনেক চমকের খোঁজ পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক] এবং ব্রিটানিকা।

৯৫৭.
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. অটোহ্যান
  3. রোজেনবার্গ
  4. ওপেন হেইমার
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
ব্যাখ্যা
পারমানবিক বোমা: 
- পারমানবিক বোমা ওপেন হেইমার আবিষ্কার করেন। 
- তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। 
- তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জন করেন। 
- ম্যানহাটন প্রকল্প মার্কিন সরকারের গবেষণা প্রকল্প যা প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল। 
- ম্যানহাটন প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ নিউ মেক্সিকোতে আলামোগোর্ডোর কাছে একটি পরীক্ষায় প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। 

উৎস: Britannica.com
৯৫৮.
কিসের সাহায্যে সমুদের গভীরতা নির্ণয় করা হয়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিধ্বনি
  3. গ) প্রতিসরণ
  4. ঘ) প্রতিসরাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা
প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। 

- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকেই শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূলধ্বনি ও প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড হওয়া প্রয়োজন।
শব্দের প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
হাইড্রোফোন নামে এক রকমের যন্ত্রের সাহায্যে মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিখুঁতভাবে পাওয়া যায়।

প্রতিধ্বনির ব্যবহারসমূহ- 
১. হিমশৈল জাহাজের অস্তিত্ব নির্ণয়ে
২. বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ নির্ণয়ে
৩. পাতলা পাতের পুরুত্ব নির্ণয়ে
৪. ক্ষতিকারক অণুজীব ধ্বংস করতে প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়
৫. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করবার ক্ষেত্রে। 

সূত্র: National Ocean Service
৯৫৯.
অ্যান্টিবায়োটিক কেন ভাইরাসজনিত রোগ নিরাময়ে কার্যকর নয়?
  1. অ্যান্টিবায়োটিক যথেষ্ট শক্তিশালী নয়
  2. ভাইরাসের নিজস্ব কোষীয় গঠন নেই
  3. ভাইরাস আকারে খুব ছোট বলে
  4. ভাইরাস দ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি করে
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসের নিজস্ব কোষীয় গঠন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসের নিজস্ব কোষীয় গঠন নেই
ব্যাখ্যা

অ্যান্টিবায়োটিক মূলত ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর, প্রোটিন উৎপাদন বা বিপাক প্রক্রিয়া ধ্বংস করে। ভাইরাসের কোনো কোষপ্রাচীর বা নিজস্ব বিপাক প্রক্রিয়া নেই। বরং তারা জীবিত প্রাণীর কোষে প্রবেশ করে সেই কোষের উপাদান ব্যবহার করে নিজেদের সংখ্যা বাড়ায়। ফলে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো কার্যকারিতা ভাইরাসে দেখা যায় না, কারণ টার্গেট করার মতো কোনো গঠন ভাইরাসের নেই।

ভাইরাস:
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে।
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে।
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে।
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।
- ভাইরাস হলো অকোষীয়।
- ভাইরাস সাধারণত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত।
- যেমন- প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ কিংবা আরএনএ)।

উৎস:
১। World Health Organization (WHO) ওয়েবসাইট। 
২। উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৬০.
যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয়তা বেশি, তার অর্ধায়ু-
  1. বেশি হয়
  2. কম হয়
  3. অসীম হয়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম হয়
ব্যাখ্যা
অর্ধায়ু (Half Life): 
- একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে সেটি বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। 
- সে কারণে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য 'অর্ধায়ু' (Half Life)-এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। 
- যে পরিমাণ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে অর্ধায়ু। 
- কাজেই যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিতা যত বেশি তার অর্ধায়ু তত কম। 
- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস, যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ুকে 'অসীম' বলে বিবেচনা করতে পারি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিউক্লিয়াসের ঘটনা, তাই তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে একটি নিউক্লিয়াস অন্য নিউক্লিয়াসে পরিবর্তিত হয়। 
- ভিন্ন নিউক্লিয়াস চার্জহীন পরমাণু হওয়ার জন্য খুব সহজেই এক দুইটি বাড়তি ইলেকট্রন তার কাছাকাছি পরিবেশ থেকে নিতে পারে কিংবা ছেড়ে দিতে পারে। তার কারণ নিউক্লিয়াসের ভেতরকার নিউক্লিয়ার শক্তি অনেক বেশি হলেও পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তি সে তুলনায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৬১.
বাংলাদেশে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীতে নিচের কোন রোগটির বিরুদ্ধে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়?
  1. এনথ্রাক্স
  2. কলেরা
  3. জলবসন্ত
  4. হাম
সঠিক উত্তর:
হাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাম
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (Expanded Program on Immunization সংক্ষেপে EPI) হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি যার লক্ষ্য সারা পৃথিবীর সকল শিশুকে এ কর্মসূচির অধীন নিয়ে আসা।
- এটি জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলিতে শিশুদের সংক্রামক রোগগুলির বিরুদ্ধে টিকাদানের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার কমানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিচালিত একটি চলমান কর্মসূচি।
- ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের বহুল পরিচালিত সংক্রামক রোগ- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, হাম, পোলিও এবং মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার বিষয়ে কাজ শুরুকরে।
- পরবর্তীকালে এর অধীনে ২০০৩ সাল থেকে হেপাটাইটিস রোগের টিকা, ২০০৯ সাল থেকে হিমোফাইলাস রোগের টিকা এবং ২০১৫ সাল থেকে নিউমোনিয়ার (ফুসফুস প্রদাহ) টিকা দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র: জাতীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।
৯৬২.
ভূত্বকের আকস্মিক কম্পনকে কী বলা হয়? 
  1. টর্নেডো
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake): 
- পৃথিবীর কঠিন ভূত্বকের কোনো কোনো অংশ প্রাকৃতিক কোনো কারণে কখনো কখনো অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ কেঁপে ওঠে, ভূত্বকের এরূপ আকস্মিক কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। 
- ভূকম্পন সাধারণত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় আবার কখনো কিছু সময় পর পর অনুভূত হয়। 
- এ কম্পন কখনো অত্যন্ত মৃদু আবার কখনো অত্যন্ত প্রচন্ড হয়। 

ভূমিকম্পের প্রধান কারণ: 
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতকগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত, এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে। 
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকম্পন সৃষ্টি হয়। 

ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ: 
১। শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি ঘটলে বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়। ১৯৩৫ সালে বিহারে এবং ১৯৫০ সালে আসামে এ কারণেই ভূমিকম্প হয়। 
২। তাপ বিকিরণ: ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়। 
৩। ভূগর্ভস্থ বাষ্প: পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচন্ড ভূকম্পন অনুভূত হয়। 
৪। ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয়। 
৫। হিমবাহের প্রভাব: হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৬৩.
নিচের কোন অবস্থাকে জোয়ার-ভাটা বলা হয় না? 
  1. সমুদ্রের পানি উপকূলে ফুলে ওঠা
  2. সমুদ্রের পানি উপকূলে নেমে যাওয়া
  3. সমুদ্রের মধ্যভাগে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়া
  4. দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার-ভাটা বলে না। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৪.
মানবদেহে পানির পরিমাণ-
  1. ক) ৫০%
  2. খ) ৭০%
  3. গ) ৩০%
  4. ঘ) ২৬%
সঠিক উত্তর:
খ) ৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭০%
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২০ঃ ৫০ - ৬৫%
সাধারণ বিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২০ঃ ৬০ - ৭৫%
মূল পরীক্ষায় নিজের বিবেচনা থেকে উত্তর করুন।
জীববিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২০ঃ ৫০ - ৬৫% এটাকে বেস্ট অপশন ধরা যায় মনে হচ্ছে।
৯৬৫.
রেডিয়েশন ডোজের একক কোনটি?
  1. বেকেরেল
  2. ওয়াট
  3. জুল
  4. সিভার্ট
সঠিক উত্তর:
সিভার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিভার্ট
ব্যাখ্যা

• SI একক সিস্টেমে রেডিয়েশন ডোজের একক হলো সিভার্ট (Sv)।

- রেডিয়েশন ডোজ হলো দেহে বিকিরণ দ্বারা শোষিত শক্তির পরিমাণ, যা মানুষের শরীরের কোষ বা টিস্যুতে প্রভাব ফেলে।
- এটি রেডিওঅ্যাকটিভ বিকিরণের ঝুঁকি নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
- ১ সিভার্ট = শরীরের টিস্যু প্রতি কিলোগ্রামে ১ জুল শক্তি শোষণ + রেডিয়েশন টাইপ অনুযায়ী ক্ষতি মান্য।
- সাধারণভাবে ব্যবহার হয় মিলিসিভার্ট (mSv) বা মাইক্রোসিভার্ট (μSv) হিসেবে, কারণ পূর্ণ Sv অনেক বেশি শক্তিশালী।

রেডিয়েশন ডোজের ধরন:
- Absorbed Dose (Gy, Gray): শোষিত শক্তির পরিমাণ।
- Equivalent Dose (Sv): রেডিয়েশন টাইপ অনুযায়ী মানবদেহের ক্ষতির মান।
- Effective Dose (Sv): বিভিন্ন টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি গণনায় ব্যবহৃত।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৯৬৬.
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে বলা হয়-
  1. ক) হার্ট অ্যাটাক
  2. খ) হার্ট ফেলিওর
  3. গ) হার্ট ব্লক
  4. ঘ) হার্ট এরর
সঠিক উত্তর:
গ) হার্ট ব্লক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হার্ট ব্লক
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃত অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৯৬৭.
জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতি লিটার পানিতে কতটুকু অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন?
  1. ১.০ মিলিগ্রাম
  2. ৫.০ মিলিগ্রাম
  3. ০.৫ মিলিগ্রাম
  4. ০.০৫ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
৫.০ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.০ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেনের দরকার হয়। আর তারা এই অক্সিজেন পায় পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকা অক্সিজেন থেকে। 
- জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১.০ লিটার বা প্রতি লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫.০ মিলিগ্রাম অক্সিজেন থাকা দরকার। 
- এই অক্সিজেন নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে গেলে জলজ প্রাণীগুলোর সমস্যা হতে থাকে। 
- যদি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন না থাকে, তাহলে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাচঁতেই পারবে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯৬৮.
পোলিও ভাইরাস দেহে কীভাবে প্রবেশ করে?
  1. ক) দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা
  2. খ) লালা গ্রন্থির দ্বারা
  3. গ) মশা কামড়ালে
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা
ব্যাখ্যা
• পোলিও ভাইরাস দেহে দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা প্রবেশ করে।
- পোলিও একটি সংক্রামক রোগ।
- পোলিও ভাইরাস একটি আরএনএ এন্টারো ভাইরাস।
- অন্যান্য ভাইরাসের মত এরও কোনো বিপাকীয় এনজাইম নেই।
- বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত হয় ২০০৬ সালে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৬৯.
হাইপোগ্লাইসেমিয়া কিসের অভাবে হয়? 
  1. ভিটামিন-ই
  2. ক্যালসিয়াম
  3. রক্তের গ্লুকোজ
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
রক্তের গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগ: 
- ডায়াবেটিস আক্রান্তদের কাছে হাইপো (হাইপোগ্লাসেমিয়া) একটি প্রচলিত শব্দ, বিশেষ করে টাইপ-১ বা ইনসুলিন-নির্ভরশীল রোগীদের ক্ষেত্রে। 
- মূলত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ করে ইনসুলিন নিতে হয় এমন রোগীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া দেখা দেয়। 
- রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে নেমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। 
- স্বাভাবিক মাত্রা হলো খালি পেটে ৬.১ মিলিমোল প্রতি লিটারে এবং খাবারের ২ ঘণ্টা পর ৭.৮ মিলিমোল প্রতি লিটারে থাকা উচিত। 
- রক্তের শর্করা ঘন ঘন কমে গেলে বা বেশি হলে দেহ ও মনের ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি হয়। 
- খুব বেশি হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। 
- গ্লুকোজ  হচ্ছে আমাদের জীবনীশক্তি বা ফুয়েল, যা প্রতিটি কোষে শক্তি সরবরাহ করে। 
- এই গ্লুকোজ বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে গেলে এক এক করে বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম কমে যেতে থাকে। বিশেষ করে মস্তিষ্কের একমাত্র জ্বালানি হচ্ছে গ্লুকোজ। 
- সে কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়া দীর্ঘ সময় চলতে থাকলে রোগী অচেতন হয়ে পড়েন, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। 

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগের কারণ: 
- ইনসুলিন গ্রহণের মাত্রা বা ওষুধের মাত্রা বেশি এবং খাবার কম হলে, অর্থাৎ খাবার ও ওষুধের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে। 
- সময় না মেনে দেরিতে খাবার খেলে। 
- দীর্ঘক্ষণ কঠোর ব্যায়াম করলে। 
- অসুস্থতার পর খাবার খেতে না পারলে বা খাবার কম খেলে। 
- অত্যধিক মদ্যপান করলে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো, সমকাল ও যুগান্তর পত্রিকা।
৯৭০.
CT Scan- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Computed Treatment Scan
  2. Computed Tomography Scan
  3. Computer Therapy Scan
  4. Computed Tomology Scan
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান (CT scan):
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan).
 - যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে ৷
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনি, ফুসফুস, ব্রেন ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিউরোলজি বা স্নায়ুবিজ্ঞান শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে যায়।
- যকৃৎ, ফুসফুস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কিনা তাও জানা যায়৷
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না।

Hounsfield unit:
- ‘Hounsfield unit’ বা ‘হাউনস ফিল্ড ইউনিট’ CT scan-এ Radiodensity বা তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের একটি পরিমাপ যা বিভিন্ন টিস্যুতে তাদের এক্স-রে তীব্রতা হ্রাসের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সংখ্যায় মান প্রকাশ করা যায়।
- Hounsfield unit বিভিন্ন টিস্যুর তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের পরিমাপ এবং পার্থক্য করতে CT scan এ ব্যবহৃত হয়।
- Hounsfield unit কোন টিস্যুর বিস্তারিত Cross-sectional চিত্র তৈরিতে কাজ করে।
- CT scan এর আবিষ্কারক Sir Godfrey Hounsfield এর নামানুসারেই ‘Hounsfield unit’ রাখা হয়েছে।

উৎস: 
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
৯৭১.
রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় কোন রোগে?
  1. ক) লিউকোমিয়া
  2. খ) এনিমিয়া
  3. গ) সিরোসিস
  4. ঘ) ব্লাড ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
খ) এনিমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এনিমিয়া
ব্যাখ্যা
যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। কিন্তু এ অবস্থাকে রক্তশূন্যতা বলে না।
এনিমিয়া হলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় বলে রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণও কমে যায়।
থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের বংশগত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলেও রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতার সৃষ্টি হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯৭২.
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) জারক
  2. খ) বিকারক
  3. গ) সংযোজক
  4. ঘ) বিজারক
সঠিক উত্তর:
ক) জারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জারক
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৯৭৩.
ইউরাসিল কোথায় পাওয়া যায়?
  1. ক) ডি এন এ
  2. খ) জিন
  3. গ) লোকাস
  4. ঘ) আর এন এ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর এন এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর এন এ
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA):
• RNA হলো রাইবোনিউক্লিক এসিড (Ribonucleic Acid)।
• অধিকাংশ RNA-তে একটি পলিউক্লিওটাইডের সূত্র থাকে। এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেন  বেস (এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং ইউরাসিল) থাকে।
• RNA ভাইরাসের ক্রোমোজোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA পাওয়া যায়।
• কিন্তু কিছুসংখ্যক ভাইরাসের ক্ষেত্রে (যেমন— TMV, Tobacco Mosaic Virus) DNA অনুপস্থিত। অর্থাৎ যে সমস্ত ভাইরাস DNA দিয়ে গঠিত নয় তাদের নিউক্লিক এসিড হিসেবে থাকে RNA । এসব ক্ষেত্রে RNA-ই বংশগতির বস্তু হিসেবে কাজ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯৭৪.
Constellation বলতে নিচের কোনটিকে বোঝানো হয়?
  1. আকাশগঙ্গা
  2. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  3. নক্ষত্রমণ্ডলী
  4. উল্কা
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। - এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: 
- সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear),
- কালপুরুষ (Orion),
- ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia),
- লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear),
- বৃহৎ কুকুরমন্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯৭৫.
তেজস্ক্রিয়তা ঘটনাটির প্রকৃতি কেমন?
  1. চাপ নিয়ন্ত্রিত
  2. চৌম্বক ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়
  3. স্বতঃস্ফূর্ত
  4. বিদ্যুৎ প্রভাবিত
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- তেজস্ক্রিয় মৌল হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা এবং রশ্মি নির্গত হওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলা হয়। 

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ সাধারণত আলফা ও বিটা-এ দুই প্রকারের তেজস্ক্রিয় কণা এবং গামা রশ্মি নিঃসরণ করে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি সম্পূর্ণ নিউক্লিয়ার ঘটনা এবং এর মাধ্যমে নিউক্লিয়াসের ভাঙনের ফলে একটি মৌল আর একটি নতুন মৌলে রূপান্তরিত হয়।
- তেজস্ক্রিয়া একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রকৃতি নিয়ন্ত্রিত ঘটনা।
- এটি চাপ, তাপ, বিদ্যুৎ বা চৌম্বকক্ষেত্রের ন্যায় বাইরের কোনো প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৯৭৬.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অরোরা সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ট্রপোমণ্ডল
  2. খ) স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  3. গ) মেসােমন্ডল
  4. ঘ) আয়নমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়নমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে অরোরা সৃষ্টি হয়।
সূর্য থেকে আসা আয়ন  বায়ুমন্ডলের অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন অণুর সাথে সংঘর্ষের ফলে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা আলোকরূপে নির্গত হয়। অক্সিজেন কণা সবুজ ও লাল আলো এবং নাইট্রোজেন কণা নীল ও পার্পল আলোর সৃষ্টি করে।
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে অরোরা দেখা যায়, বাংলায় যাকে বলে মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা। 


ছবিতে অরোরা।

সূত্র: National Geographic ও Nasa
৯৭৭.
সবচেয়ে শক্তিশালী তেজষ্ক্রিয় রশ্মি কোনটি?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. এক্স-রে রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে শক্তিশালি তেজষ্ক্রিয় রশ্মি গামা রশ্মি

• তেজষ্ক্রিয় রশ্মি: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”। পরবর্তিতে মাদাম কুরী  এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:

১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (a), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (y) নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

অপশন আলোচনা:

আলফা রশ্মি:
- ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।

বিটা রশ্মি:
- ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশী।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।

গামা রশ্মি:
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
- ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
- শক্তি ও ফ্রিকোয়েন্সি সর্বাধিক।
- চার্জ ও ভর নেই।

এক্স-রে রশ্মি:
- এক্স-রে শক্তিশালী হলেও এটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি নয়, বরং কৃত্রিমভাবে উৎপন্ন হয়।

এ কারণে গামা রশ্মি সবচেয়ে শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭৮.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম প্রধান কারণ নিচের কোনটি?  
  1. ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  2. খ) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালন
  3. গ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
  4. ঘ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণসমূহ হলো -নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আহ্নিক গতি প্রভৃতি। স্বল্পতম সময়ে ও সংক্ষিপ্ত পথে জাহাজ চালাতে নাবিকেরা সমুদ্রস্রোত অনুসরণ করেন। স্রোতের অনুকূলে জাহাজ চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে গন্তব্য বন্দরে পৌঁছানো যায়।
সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- উষ্ণ স্রোত এবং স্রোত। নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
৯৭৯.
বাংলাদেশে প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত করা হয়-
  1. ক) ১৯৮১ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
৫ জুন ১৯৮১ সালে বিশ্বের প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে এবং বাংলাদেশে প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত করা হয় ১৯৮৯ সালে।
৯৮০.
রেশমের মূল গাঠনিক পদার্থ-
  1. ক) এপিসিন
  2. খ) ব্রাসিসিন
  3. গ) সেরিসিন
  4. ঘ) এরিসিন
সঠিক উত্তর:
গ) সেরিসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেরিসিন
ব্যাখ্যা
রেশম সুতা উৎপাদনের লক্ষ্যে রেশমপোকা প্রতিপালনকে রেশম চাষ বলে। এটি ফলিত প্রাণিবিজ্ঞান এর অন্যতম একটি শাখা। রেশম চাষের ইংরেজি শব্দ Sericulture - এর আভিধানিক অর্থ Culture of Sericine বা সেরিসিন নামক এক ধরনের প্রোটিন এর লালন। এই সেরিসিন হলো রেশমের ‍মূল গাঠনিক পদার্থ।
৯৮১.
কোন বস্তুর ত্বরণ বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) সময়ের সাথে দ্রুতি পরিবর্তনের হার
  2. খ) সময়ের সাথে দ্রুতির বৃদ্ধির হার
  3. গ) সময়ের সাথে অবস্থান পরিবর্তনের হার
  4. ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
ব্যাখ্যা
সময়ের সাথে বস্তুর অসম বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলে। ত্বরণ ২ প্রকার হতে পারে, যথা-সুষম ত্বরণ ও অসম ত্বরণ। উৎসঃ ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান
৯৮২.
বাংলাদেশে কয় ধরনের পাট চাষাবাদ করা হয়?
  1. তিন প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
ব্যাখ্যা

• পাট চাষ ব্যবস্থাপনা:
• মৌসুম: পাট উৎপাদন মৌসুম (বপন থেকে পাট কাটা) হচ্ছে ফাল্গুনের শেষ থেকে আষাঢ়ের শেষ পর্যন্ত।
• জাত : আঁশ ফসলের জন্য চার ধরনের পাট রয়েছে। দেশী পাট, তোষা পাট, কেনাফ ও মেস্তা পাট। 

• জমি তৈরিকরণঃ
- উঁচু ও মধ্যম উঁচু জমি যেখানে বৃষ্টির পানি বেশি সময় দাঁড়ায় না এবং দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য বেশি উপযোগী।
- বৃষ্টিপাতের পরপরই আড়াআড়ি ৫-৭ টি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে।
- ঢেলা গুড়ো করতে হবে এবং জমি আগাছামুক্ত করতে হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৮৩.
আপেক্ষিক ভর শূন্য কার?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) নিউট্রন
  3. গ) ইলেকট্রন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনের আপেক্ষিক ভর শূন্য, নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান শূন্য।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৯৮৪.
রিখটার স্কেলে পরিমাপ করা হয়-
  1. ভূমিকম্পের তীব্রতা
  2. শব্দের তীব্রতা
  3. সমুদ্রস্রোত 
  4. আবহাওয়া পরিবর্তন 
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের তীব্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের তীব্রতা
ব্যাখ্যা

◉ ভূমিকম্পের আপেক্ষিক শক্তি/মাত্রা (Magnitude) রিখটার স্কেলে পরিমাপ করা হয়।

রিখটার স্কেল:
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে।
- 1935 সালে আমেরিকার ভূকম্প বিশারদ চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ভূমিকম্পের যে মাত্রামাপক স্কেল প্রণয়ন করেন সেই স্কেলকে রিখটার স্কেল বলে।
- রিখটার পরিমাপক স্কেল হলো কোন ভূমিকম্পের প্রাবল্যকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা, এটি একটি 10 মাত্রা ভিত্তিক লগারিদম পরিমাপ।
অর্থাৎ এই পরিমাপে যে কোন সংখ্যার ভূমিকম্প- পূর্ববর্তী সংখ্যার চাইতে 10 গুণ বেশি শক্তিশালী।যেমন তিন মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে চার মাত্রার ভূমিকম্প দশগুণ বেশি শক্তিশালী।

ভূমিকম্প:
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে।
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

৯৮৫.
কোন সমীকরণ মহাজাগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম?
  1. ভর-বেগের সমীকরণ
  2. কৃষ্ণ বস্তুর সমীকরণ
  3. ভর-শক্তির সমীকরণ
  4. মাইকেলসন-মোরলে সমীকরণ
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ
ব্যাখ্যা

ভর-শক্তি সম্পর্ক (Mass Energy Relation): 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ অবদান হলো ভর-শক্তি সম্পর্ক। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় কোনো বস্তুর ভর ধ্রুব রাশি এবং শক্তি সর্বদাই নিত্য। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় আরো ধরা হয় যে, ভর এবং শক্তি দুটি ভিন্ন সত্তা। 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বে চিরায়ত বলবিদ্যায় পুরাতন ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে। 
- এই তত্ত্বানুসারে ভর এবং শক্তি দুটি অভিন্ন সত্তা। 
- ভরকে সম্পূর্ণরূপে ধংস করা যায় এবং তা থেকে শক্তির উৎপন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ভর সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তর হয় এবং একই ভাবে শক্তিও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ভরে রূপান্তর হয়।

ভর-শক্তি সমীকরণ: 
- E = mc2 এটিই আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ। 
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশান ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তির সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজাগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮৬.
‘The Origin of Species by means of Natural Selection’ বইটি কার লেখা?
  1. Stephen jay gould
  2. Albrecht Von Haller
  3. Charles Darwin
  4. William Wallace
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
ব্যাখ্যা
- বিবর্তন একটি জৈবিক পদ্বতি। এর প্রকৃত অর্থ ক্রমবিকাশ।
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টেফেন জে. গোল্ড এর মতে, Evolution পরিপদটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ Albrecht Von Haller, ১৯৭৪ সালে।
- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তাঁর মতামত ১৮৫৯ সালে ২৮ নভেম্বর ‘The Origin of species by means of natural selection’ নামক বইটিতে প্রকাশ করেন। 
- ডারউইনের মতামতটি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত নামে পরিচিত।
- ডারউইনের মতবাদের মূলতত্ত্বগুলো সম্পূর্ণ পৃথকভাবে, সংক্ষেপে ও তুলনামূলকভাবে কম নমুনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ওয়ালেস আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন বলে বিবর্তনের মতবাদকে যৌথভাবে “Darwin - Wallace’s Theory” বলা হয়।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৯৮৭.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? 
  1. পুকুরে
  2. বিলে
  3. নদীতে
  4. সাগরে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
- নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে প্লবতা বেশি হওয়ায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ। 
- প্লবতা প্রবাহীর ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে (সমানুপাতিক)। 
- নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানির ঘনত্ব কিছু বেশি। 
- তাই সাঁতার কাটার সময় নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে বেশি উর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায়। 
- এ কারণে নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও কালের কণ্ঠ।
৯৮৮.
উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ৩৫° সেলসিয়াস) মাছের ক্ষেত্রে কী ঘটায়?
  1. মাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয়
  2. রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি পায়
  3. মাছের খাদ্য বাড়ে
  4. পানির লবণাক্ততা কমে
সঠিক উত্তর:
রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

• উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ৩৫° সেলসিয়াস) মাছের ক্ষেত্রে রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি ঘটায়।

• মৎস্যসম্পদ ও পানির তাপমাত্রার সম্পর্ক:
- মাছ শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী হওয়ায় পানির তাপমাত্রা তাদের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে।
- পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিক সীমা ছাড়িয়ে গেলে মাছের শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

• উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাব:
- প্রায় ৩৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রোগজীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
- রোগজীবাণু বৃদ্ধির ফলে মাছের রোগ সংক্রমণ বেড়ে যায়।
- রোগ সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুহার বাড়ে।

• মৎস্যসম্পদ হ্রাসে ভূমিকা:
- উচ্চ তাপমাত্রাজনিত রোগ সংক্রমণ মৎস্যসম্পদ হ্রাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তাপমাত্রা বজায় থাকলে ব্যাপক হারে মাছ মারা যেতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- মাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয় → ৩৫° সেলসিয়াসে বৃদ্ধি দ্রুত হয় না; বরং অক্সিজেন কমে যাওয়ায় খাদ্য গ্রহণ ও বৃদ্ধি কমে যায়। আদর্শ তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হলে বৃদ্ধি মন্থর হয়।
- মাছের খাদ্য বাড়ে → উচ্চ তাপমাত্রায় মাছের খাদ্য গ্রহণ কমে যায় (অ্যাপেটাইট কমে), কারণ মেটাবলিজম বেড়ে যায় কিন্তু অক্সিজেন কম থাকে।
- পানির লবণাক্ততা কমে → লবণাক্ততা বাষ্পীভবন বা পানি যোগ/বিয়োগের উপর নির্ভর করে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৯৮৯.
কোন গ্রিক বিজ্ঞানী পৃথিবীর ব্যাসার্ধ নির্ণয় করেছিলেন?
  1. পিথাগোরাস
  2. অ্যারিস্টটল 
  3. ইরাতোস্থিনিস
  4. আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
ইরাতোস্থিনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাতোস্থিনিস
ব্যাখ্যা

গ্রিক, ভারতবর্ষ, চীন এবং মুসলিম সভ্যতার অবদান: 
- বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞান বলতে যে বিষয়টিকে বোঝানো হয়, প্রাচীনকালে সেটি শুরু হয়েছিল জ্যোতির্বিদ্যা, আলোকবিজ্ঞান, গতিবিদ্যা এবং গণিতের গুরুত্বপূর্ণ শাখা জ্যামিতির সমন্বয়ে।
- গ্রিক বিজ্ঞানী থেলিসের (BC 624-586) নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে, কারণ তিনিই প্রথম কার্যকারণ এবং যুক্তি ছাড়া শুধু ধর্ম, অতীন্দ্রিয় এবং পৌরাণিক কাহিনিভিত্তিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিলেন। থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন। 
- সেই সময়ের গণিতবিদ ও বিজ্ঞানীদের মাঝে পিথাগোরাস (527 BC) একটি স্মরণীয় নাম। জ্যামিতি এবং কম্পমান তারের ওপর তার মৌলিক কাজ ছিল। 
- গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস (460 BC) প্রথম ধারণা দেন যে পদার্থের অবিভাজ্য একক আছে, যার নাম দেওয়া হয়েছিল অ্যাটম (এই নামটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ব্যবহার করে থাকে)। তবে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় তার ধারণাটি প্রমাণের কোনো সুযোগ ছিল না বলে সেটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। 
- সেই সময়কার সবচেয়ে বড় দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটলের মাটি, পানি, বাতাস ও আগুন দিয়ে সবকিছু তৈরি হওয়ার মতবাদটিই অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য ছিল। 
- আরিস্তারাকস (310 BC) প্রথমে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দিয়েছিলেন এবং তার অনুসারী সেলেউকাস যুক্তিতর্ক দিয়ে সেটি প্রমাণ করেছিলেন, যদিও সেই যুক্তিগুলো এখন কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। 
- গ্রিক বিজ্ঞান এবং গণিত তার সর্বোচ্চ শিখরে উঠেছিল সর্বকালের একজন শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের (287 BC) সময়। তরল পদার্থে ঊর্ধ্বমুখী বলের বিষয়টি এখনো বিজ্ঞান বইয়ের পঠনসূচিতে থাকে। গোলীয় আয়নায় সূর্যরশ্মিকে কেন্দ্রীভূত করে দূর থেকে শত্রুর যুদ্ধজাহাজে আগুন ধরিয়ে তিনি যুদ্ধে সহায়তা করেছিলেন। 
- গ্রিক আমলের আরেকজন বিজ্ঞানী ছিলেন ইরাতোস্থিনিস (276 BC), যিনি সেই সময়ে সঠিকভাবে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বের করেছিলেন। 

- এরপর প্রায় দেড় হাজার বছর জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা প্রায় বন্ধ হয়েছিল। শুধু ভারতীয়, মুসলিম এবং চীনা ধারার সভ্যতা গ্রিক ধারার এই জ্ঞানচর্চাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। 
- ভারতবর্ষে আর্যভট্ট (476), ব্রহ্মগুপ্ত এবং ভাস্কর গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যার অনেক মূল্যবান কাজ করেছেন। 
- শূন্যকে সত্যিকার অর্থে ব্যবহার করার কাজটিও ভারতবর্ষে (আর্যভট্ট) করা হয়েছিল। 
- মুসলিম গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানীদের ভেতর আল খোয়ারিজমির (783) নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয়। তার লেখা আল জাবির বই থেকে বর্তমান অ্যালজেবরা নামটি এসেছে। 
- ইবনে আল হাইয়াম (965) কে আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- আল মাসুদি (896) প্রকৃতির ইতিহাস নিয়ে 30 খণ্ডে একটি এনসাইক্লোপিডিয়া লিখেছিলেন। 
- ওমর খৈয়ামের নাম সবাই কবি হিসেবে জানে; কিন্তু তিনি ছিলেন উঁচুমাপের একজন গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ এবং দার্শনিক। 
- চীনা গণিতবিদ ও বিজ্ঞানীরাও পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। তাদের মাঝে শেন কুয়োর নামটি উল্লেখ করা যায় (1031), যিনি চুম্বক নিয়ে কাজ করেছেন এবং ভ্রমণের সময় কম্পাস ব্যবহার করে দিক নির্ধারণ করার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৯০.
খাদ্য শৃঙ্খলের উদাহরণ হিসেবে কোনটি সঠিক? 
  1. পাখি → পশু → সাপ → ঘাস
  2. পতঙ্গ → মাটির নিচে প্রাণী → ঈগল
  3. মাছ → পাখি → উদ্ভিদ → ব্যাঙ → সাপ
  4. ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল
সঠিক উত্তর:
ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল
ব্যাখ্যা
খাদ্য শৃঙ্খল: 
- এ পৃথিবীতে সকল শক্তির উৎস সূর্যের আলো। 
- বাস্তুতন্ত্রের উৎপাদক হচ্ছে সবুজ উদ্ভিদ। 
- প্রাথমিক স্তরের খাদক খাদ্যের জন্য উৎপাদকের উপর নির্ভরশীল। আবার দ্বিতীয় স্তরের খাদক নির্ভরশীল প্রাথমিক স্তরের খাদকের উপর। তৃতীয় স্তরের খাদক খায় দ্বিতীয় স্তরের খাদকদেরকে। এভাবে একটি বাস্তুতন্ত্রে সকল জীব (উদ্ভিদ ও প্রাণী) পুষ্টি চাহিদার দিক থেকে ধারাবাহিকভাবে সংযুক্ত থাকে আর এভাবে গড়ে উঠে খাদ্যশৃঙ্খল। 
অর্থাৎ, উদ্ভিদ উৎস থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে একে অন্যকে খাওয়ার মাধ্যমে শক্তির যে স্থানান্তর ঘটে, তাই খাদ্যশৃঙ্খল। 
যেমন: ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল। 

খাদ্যজাল: 
- বাস্তুতন্ত্রে অসংখ্য খাদ্যশৃঙ্খল থাকে। 
- এসব খাদ্যশৃঙ্খল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বিভিন্ন খাদ্যশৃঙ্খল পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। খাদ্যশৃঙ্খলের এ ধরনের সংযুক্তিকে খাদ্যজাল বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
ক) অপশনের শৃঙ্খলটি সঠিক নয় কারণ এখানে পাখি, পশু, সাপ এবং ঘাসের মধ্যে খাদ্য শৃঙ্খল সঠিকভাবে অনুসৃত হয়নি। ঘাস একটি উৎপাদক হিসেবে শুরু হওয়া উচিত ছিল, এবং পশু ও পাখি সাধারণত শিকারি বা ভোক্তা প্রাণী হিসেবে কাজ করে। 
খ) অপশনের শৃঙ্খলেও একটি সঠিক খাদ্য শৃঙ্খল নেই, কারণ মাটির নিচে প্রাণী (যেমন শুঁটকি বা মাটির প্রাণী) পাখির খাদ্য হতে পারে, তবে এখানে উৎপাদক এবং অন্য স্তরের ভোক্তাদের সম্পর্ক সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি। 
গ) অপশনের শৃঙ্খলটি সঠিক নয়, কারণ এখানে মাছ, পাখি, উদ্ভিদ, ব্যাঙ, এবং সাপের মধ্যে খাবারের চেইন ঠিকভাবে সাজানো হয়নি। উদ্ভিদ (যেমন ঘাস) সাধারণত খাদ্য শৃঙ্খলের প্রথম স্তরে থাকবে, তারপর ভোক্তা প্রাণীরা আসবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯৯১.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান মহাকাশ নিয়ে গবেষণা করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর
  2. বিসিএসআইআর
  3. স্পার্সো
  4. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
সঠিক উত্তর:
স্পার্সো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পার্সো
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁও- এ অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদানে এ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সংস্থাটি LANDSAT ও NOA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপের কাজে নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের স্যটেলাইট ইমেজারিগুলো স্পারসোর তত্ত্বাবধানে থাকে।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান(স্পারসো), sparrso.gov.bd.
৯৯২.
পরিবেশ দূষণের প্রাকৃতিক কারণ নয় কোনটি?
  1. বন্যা
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. গাছপালা নিধন
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
গাছপালা নিধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছপালা নিধন
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution):

- পরিবেশে জীবের স্বাভাবিক অবস্থা বা জীবনযাত্রায় বিঘ্ন সৃষ্টিতে সক্ষম ক্ষতিকর অবস্থার নাম দূষণ।
- অন্যদিকে পানি, বাতাস, মৃত্তিকা বা পরিবেশের কোনো উপাদানের ভৌত, রাসায়নিক বা জৈবিক যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিবর্তনই প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণ।
- মানুষের বহুমুখী কর্মকাণ্ডই পরিবেশ দূষণের সবচেয়ে বড় কারণ।

প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণ:
- প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে। যথা:

১/ প্রাকৃতিক কারণ: 
বন্যা ও খরা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

২/ মানবসৃষ্ট কারণ: 
গাছপালা নিধন, পাহাড় কর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ন, কীটনাশক ব্যবহার, ভূ-গর্ভস্থ পানি আহরণ, শিল্প র্বজ্য, জ্বালানি দহনের নির্গত ধোঁয়া।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৩.
কোন বিজ্ঞানী পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের বদলে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন? 
  1. টলেমী
  2. গ্যালিলিও 
  3. অ্যারিস্টটল 
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস 
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস 
ব্যাখ্যা

সূর্যের চারদিকে পৃথিবী ঘোরে: 
- সূর্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে না, বরং পৃথিবীই সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। 
- সূর্যই পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে-এটা মনে হয়, কারণ বাস, লঞ্চ বা রেলগাড়ি যখন খুব দ্রুত যায়, তখন পাশের গাছপালাগুলো পেছনের দিকে ছুটছে বলে মনে হয়। আসলে রেলগাড়ি, লঞ্চ বা বাস সামনের দিকে চলছে কিন্তু মনে হয় এটি দাঁড়িয়ে আছে। আর পাশের গাছপালা আসলে স্থির কিন্তু মনে হয় এগুলো পেছনের দিকে ছুটছে। 
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে কিন্তু পৃথিবী থেকে মনে হয় সূর্য পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে। 

- অ্যারিস্টটল দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের বিজ্ঞানী ও দার্শনিক ছিলেন। তিনিও মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘোরে। 
- এখন থেকে প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোর্তিবিজ্ঞানী টলেমী জোরালোভাবে বলেন যে, পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। তার এই মতবাদ দীর্ঘদিন মানুষ বিশ্বাস করেছে। কিছু কিছু জ্যোর্তিবিদ টলেমীর মতবাদে বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু তার এই মতবাদকে কেউ ভুল প্রমাণিত করতে পারেননি। 
- এরপর নিকোলাস কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ নিয়ে আসেন। তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের বদলে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার মডেলের মূল কথা হলো পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। তিনি আরও বলেন পৃথিবী তার নিজের অক্ষের উপর আবর্তন করছে। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ও কেপলার, নিকোলাস কোপার্নিকাস এই মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 
- বর্তমানে সূর্যকেন্দ্রিক এই মডেল প্রমাণিত এবং বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করেছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৯৯৪.
জোয়ার ও ভাটার সময়ের পার্থক্য-
  1. ক) ৮ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
  2. খ) ৬ ঘণ্টা ৫০ মিনিট
  3. গ) ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
  4. ঘ) ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে বিভিন্ন অংশে প্রতিদিন দু'বার করে জোয়ার ও দু'বার করে ভাঁটা হয়ে থাকে ।
- পশ্চিম থেকে পূর্বে পৃথিবী ২৪ ঘন্টায় একবার নিজ অক্ষের ওপর ঘোরে।
- চন্দ্রও নিজ কক্ষপথে অবস্থান করে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে এবং পৃথিবীর চারদিকে পরিক্রমণ করে।
- পৃথিবীর একবার আবর্তন সময়ে অর্থাৎ ২৪ ঘন্টায় চন্দ্র নিজ কক্ষের প্রায় ১৩° পথ অগ্রসর হয়। 
- এক মুখ্য জোয়ার চলে যাবার ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সাড়ে বার ঘন্টা পরে সেই জায়গায় গৌণ জোয়ার এবং ঐ স্থানের প্রত্যেক জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সোয়া ছয় ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়।

সূত্র: ২১৫ পৃষ্ঠা, ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৯৫.
'আলট্রাসনোগ্রাফি' হচ্ছে-
  1. শক্তিশালী শব্দ নিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
  2. শরীরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
  3. শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
  4. নতুন ধরনের এক্সরে
সঠিক উত্তর:
শরীরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
ব্যাখ্যা
আল্ট্রাসনোগ্রাফি:

- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

তথ্যসূত্র- বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৬.
সম্প্রতি আবিষ্কৃত হওয়া ধূমকেতুটির নাম কী?
  1. ক) Comet Hale-Bopp
  2. খ) Comet Ikeya-Seki
  3. গ) Comet Morehouse
  4. ঘ) Pan-STARRS
সঠিক উত্তর:
ঘ) Pan-STARRS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Pan-STARRS
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি আবিষ্কৃত হওয়া ধূমকেতুটির নাম হচ্ছে - Pan-STARRS. 

নতুন ধূমকেতু প্যান-স্টারস, যা আনুষ্ঠানিকভাবে C/2021 O3 (Pan-STARRS) নামে পরিচিত, যা প্যানোরামিক সার্ভে টেলিস্কোপ এবং র‍্যাপিড রেসপন্স সিস্টেম, বা 'প্যান-স্টারস' টেলিস্কোপ ব্যবহার করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ২৬শে জুলাই, ২০২১-এ আবিষ্কার করেছিলেন। 

ধূমকেতুগুলি সূর্যের চারপাশে যাওয়ার সময় উচ্চ ঘনকেন্দ্রিক কক্ষপথ গঠন করে, অনেকে শত শত বা এমনকি হাজার হাজার বছর পরে ফিরে আসে। এর সাধারণ চিত্রটি হল একটি উজ্জ্বল ডিম্বাকৃতির দেহ যা ভাস্বর গ্যাসের লেজ বা কোমা ছেড়ে যায়।

সূত্র: স্পেস.কম [লিঙ্ক]
৯৯৭.
সূর্য তার নিজ কক্ষপথে কত দিনে একবার আবর্তন করে?
  1. প্রায় ২১
  2. প্রায় ২৫
  3. প্রায় ৩৮
  4. প্রায় ৬৫
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৫
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun):
- সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত মাঝারি আয়তনের নক্ষত্র সূর্য।
- পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার এবং সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪,০০০০০ কিলোমিটার।
- সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
- পৃথিবীর থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার।
- সূর্য তার নিজস্ব গ্যালাক্সির চর্তুদিকে বৃত্তাকার পথে ২০ কোটি বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং নিজ কক্ষপথে প্রায় ২৫ দিনে একবার আবর্তন করে।
- সূর্যের কেন্দ্রভাগে তাপমাত্রা ৮ মিলিয়ন থেকে ৪০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। যার দরুন ভূ-পৃষ্ঠে উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৮.
সরাসরি হৃৎপিণ্ডের ভেতর দিয়ে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ গেলে মানুষ মারা যেতে পারে?
  1. ক) 10 mA
  2. খ) 10 A
  3. গ) 20 mA
  4. ঘ) 20 A
সঠিক উত্তর:
ক) 10 mA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 10 mA
ব্যাখ্যা
আমাদের দেশে সাধারণত বিদ্যুৎ 220 V (AC) হিসেবে সরবরাহ করা হয়, এই বিদ্যুতের ভােল্টেজের পরিমাণ মানুষকে ইলেকট্রিক শক দিতে পারে এমনকি সেই শকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এমনভাবে তৈরি করা হয় যেন ভুলেও কখনাে কেউ সরাসরি এর সংস্পর্শে চলে না আসে। সরাসরি হৃৎপিণ্ডের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ চলে গেলে মাত্র 10 mA বিদ্যুতেই মানুষ মারা যেতে পারে। ব্যবহার করার জন্য আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি সেটি AC এবং AC বিদ্যুৎ DC বিদ্যুৎ থেকে প্রায় ৫ গুণ বেশি ক্ষতিকর। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৯৯৯.
সৌরজগতে কয়টি গ্রহ সূর্যকে ঘিরে আবর্তনশীল রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্রহ ও উপগ্রহ: 
- যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে আমরা বাস করি তার নাম আকাশ গঙ্গা (Milky Way)।
- এই ছায়াপথে রয়েছে আমাদের সূর্য ও এর পরিবার যাকে সৌরজগৎ বলা হয়।
- সৌরজগতে রয়েছে সূর্য ও একে ঘিরে আবর্তনশীল ৮টি গ্রহ।
- যেসব বৃহৎ বস্তু সূর্যের চারদিকে ঘুরে তাদের বলা হয় গ্রহ।
- সূর্যকে ঘিরে আবর্তনশীল আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,০০০.
২১শে জুনের পূর্বের ও পরের দেড় মাস করে সময় উত্তর গোলার্ধে কী কাল বিরাজ করে?
  1. ক) গ্রীষ্মকাল
  2. খ) শীতকাল
  3. গ) বসন্তকাল
  4. ঘ) শরৎকাল
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রীষ্মকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রীষ্মকাল
ব্যাখ্যা
- সূর্যের উত্তরায়ণের ফলে ২১শে জুনের পূর্বের ও পরের দেড় মাস করে মোট তিন মাস উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। একই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল : ২৩ সেপ্টেম্বরের পূর্বে ও পরের দেড় মাস করে সময়।
- উত্তর গোলার্ধে শীতকাল : ২২শে ডিসেম্বরের পূর্বের ও পরের দেড় মাস করে সময়।
- উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল : ২১শে মার্চের পূর্বের ও পরের দেড় মাস করে সময়।
- উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল বিরাজ করে।
- উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)