ব্যাখ্যা
যেমন - নিউমােনিয়া রােগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া।
সূত্র: সপ্তম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৭ / ৩৯ · ২,৬০১–২,৭০০ / ৩,৮৭৯
রেশম:
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক।
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়।
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়।
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না।
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু 'ফাইব্রেয়ন' নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি।
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ।
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বায়ুমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল।
ট্রপোমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে ট্রপোমণ্ডল বলে।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে।
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই সৃষ্টি হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
মৌমাছি:
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার।
- মৌমাছির কলোনি তিন প্রকার মৌমাছি নিয়ে গঠিত।
যেমন- একটি রাণী, কিছু হাজার কর্মী এবং কিছু শত পুরুষ।
- মৌমাছিদের মধ্যে শ্রমবণ্টন দেখা যায়, যেখানে প্রতিটি মৌমাছি নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে।
- বহুরূপতা দেখা যায় তাদের দৈহিক গঠনেও, যেখানে রাণী, কর্মী এবং পুরুষ মৌমাছির শারীরিক গঠন ভিন্ন।
- একটি মৌচাকে মাত্র একটি রাণী মৌমাছি থাকে।
- রাণী মৌমাছি আকারে বড় এবং তার উদর প্রশস্ত হয়।
- রাণী মৌমাছির ডানাগুলো ছোট এবং উদরের শেষ প্রান্তে সরু, যেখানে বাঁকানো হুল থাকে যা একটি রূপান্তরিত ওভিপজিটর।
- রাণী মৌমাছির প্রোবোসিস ও রেণুখলি নেই, এবং তাদের ম্যান্ডিবল বা চোয়াল তীক্ষ্ণ হয়।
- রাণী মৌমাছি মোম ও মধু তৈরি করতে পারে না, তার লালাগ্রন্থি নেই।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি:
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার।
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার।
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার।
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
জিআইএস (Geographical Information System):
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে।
- এটি একটি কম্পিউটার হিসাবে সফ্টওয়ারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারস্পরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়।
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।
- বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি গবেষণা, আঞ্চলিক গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, জনসংখ্যা বিশ্লেষণ, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহার হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
সূর্য:
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।
এছাড়া,
- প্রক্সিমা সেন্টারাই: এটি সূর্যের পর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি নক্ষত্র, যা ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- চাঁদ: এটি নক্ষত্র নয়। এটি পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
- আলফা সেন্টারাই, ট্রিপল স্টার সিস্টেম, যার সবচেয়ে ক্ষীণ উপাদান।
- সবচেয়ে উজ্জ্বল উপাদান নক্ষত্র, আলফা সেন্টারাই A,
- দ্বিতীয় উজ্জ্বল উপাদান, আলফা সেন্টারাই B,
- তৃতীয় উপাদান প্রক্সিমা সেন্টারাই।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমুহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি বলে।
- বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস 'কসমিক রে' আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
বায়ুমণ্ডল:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল।
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere। বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ।
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে।
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর।
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।
বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ:
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ:
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২,
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১,
• আর্গন (Ar )⇒ o.৮০,
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)⇒ ০.০৩,
• ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১,
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯,
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এক্সরের ধর্ম:
- এক্সরের ধর্মগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো-
- এক্সরে সরল পথে গমন করে।
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- এক্সরে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 m/s বেগে গমন করে।
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পৃথিবীর আবর্তন:
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে।
- পৃথিবীর এই আবর্তন গতিই দৈনিক গতি বা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন। এটিকে সৌর দিন বলে।
⇒ পৃথিবীর আহ্নিক গতি একেক জায়গায় একেক রকম হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সব স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এ জন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগও সবচেয়ে বেশি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মালনীছড়া চা-বাগান:
- সিলেট শহরতলির বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত মালনীছড়া চা-বাগান।
- ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ইংরেজ ভদ্রলোক লর্ড হার্ডসন বাগানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- চা-বাগানটির মোট আয়তন ২ হাজার ৫০০ একর।
উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে প্রকাশিত আসাম ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারস, সিলেট-এ বলা হয়, সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।
অন্যদিকে -
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।
উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো। [link]
ii) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
শুক্র (Venus):
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়। কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই একে ভুল করে তারা বলা হয়।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা, তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না, এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি।
- শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার।
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর।
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড।
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়।
- ব্যাক্টেরিওলজির জনক হলেন রবার্ট কচ (Robert Koch)।
- রবার্ট কচ (১৮৪৩–১৯১০) ছিলেন একজন জার্মান চিকিৎসক এবং ব্যাক্টেরিওলজির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেন যে নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দায়ী।
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব।
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়।
উৎস:
১। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
মঙ্গল গ্রহ (Mars):
- মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহেঅক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
গ্রীনহাউস গ্যাস:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- আমরা জানি, যে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
- মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ওজোন স্তর সংরক্ষণ:
- বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ স্তরটি হলো ওজোন স্তর।
- ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সিএফসি (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন)।
- বৈশ্বিক সেক্টর থেকে সিএফসি এর ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে।
- ২০১২ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী ঔষধ শিল্প ব্যতীত সকল সেক্টরে সিএফসি ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
- মন্ট্রিল প্রোট্রোকলের শর্তানুযায়ী বাংলাদেশ একটি 'ওজোন সেল' গঠন করেছে যা ওজোন স্তর রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
- বাংলাদেশ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ সংক্রান্ড বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস গুরুত্বের সাথে পালন করছে।
যেমন-৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, ১৪ অক্টোবর বিশ্ব মরুময়তা দিবস, ১৬ সেপ্টেম্বর ওজোন দিবস ইত্যাদি।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য আমাদেরকে মৃত্তিকা, পানি, বায়ু, বনভূমি, জীববৈচিত্র্য প্রভৃতির স্থায়িত্ব এবং পারিবেশিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
- যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের পূর্বে পারিবেশিক প্রভাব মূল্যায়ন (Environmental Impact Assesment) করতে হবে এবং বিভিন্ন আইন ও নীতিমালার সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বুধ–শুক্র–পৃথিবী এই ক্রমে গ্রহগুলো অবস্থিত।
• প্রাকৃতিক গ্রহ ও উপগ্রহ:
- আমরা যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে বাস করি, তার নাম আকাশগঙ্গা (Milky Way)।
- এই ছায়াপথে আমাদের সূর্য ও তার পরিবার অবস্থিত, যাকে সৌরজগৎ বলা হয়।
• সৌরজগৎ:
- সৌরজগতের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সূর্য।
- সূর্যের চারদিকে আবর্তনশীল মোট ৮টি গ্রহ রয়েছে।
- গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে।
- সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে গ্রহগুলো হলো—
- বুধ,
- শুক্র,
- পৃথিবী,
- মঙ্গল,
- বৃহস্পতি,
- শনি,
- ইউরেনাস,
- নেপচুন।
• গ্রহ (Planet):
- যেসব বৃহৎ বস্তু সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে, সেগুলোকে গ্রহ বলা হয়।
- গ্রহগুলো নিজস্ব আলো উৎপন্ন করতে পারে না; তারা সূর্যের আলো প্রতিফলন করে।
• উপগ্রহ (Satellite):
- যে বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে, তাকে সেই গ্রহের উপগ্রহ বলা হয়।
উদাহরণ—
- চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
- সুতরাং, পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
• গ্রহ ও উপগ্রহের গতি:
- গ্রহ সূর্যের চারদিকে এবং উপগ্রহ গ্রহের চারদিকে ঘোরে।
- এই গতির ফলেই দিন-রাত, মাস ও বছর নির্ধারিত হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।
• ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে প্রদান করা হয় পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ারকে, মৌলিক কণার ভর উৎপত্তি ব্যাখ্যাকারী হিগস বোসন তত্ত্বের জন্য, যা ২০১২ সালে CERN–এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।
• হিগস বোসন তত্ত্ব:
- হিগস বোসন তত্ত্ব স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি ব্যাখ্যা করে কীভাবে মৌলিক কণাসমূহ ভর অর্জন করে।
- তত্ত্বটি হিগস ক্ষেত্রের ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- কণাসমূহ হিগস ক্ষেত্রের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ভর লাভ করে।
- হিগস বোসন হলো সেই ক্ষেত্রের কোয়ান্টাম কণা।
• ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ১৯৬৪ সালে পিটার হিগসসহ একাধিক বিজ্ঞানী ভর উৎপত্তি সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।
- ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন (CERN) গবেষণাগারে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের মাধ্যমে হিগস বোসনের অস্তিত্ব পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।
- ২০১৩ সালে পিটার হিগস এবং ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
• বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব:
- হিগস বোসনের আবিষ্কার স্ট্যান্ডার্ড মডেলকে পূর্ণতা প্রদান করে।
- এটি মৌলিক কণাতত্ত্বের দীর্ঘদিনের একটি তাত্ত্বিক সমস্যার সমাধান করে।
- একে কখনও কখনও জনপ্রিয়ভাবে “গড পার্টিকল” বলা হয়, যদিও এটি বৈজ্ঞানিক নাম নয়।
• অন্যান্য অপশন:
- স্টিফেন হকিং → ব্ল্যাক হোল বিকিরণ ও মহাকাশতত্ত্বে অবদানের জন্য পরিচিত।
- মারে গেল-ম্যান → কোয়ার্ক তত্ত্ব প্রবর্তনের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- রিচার্ড ফাইনম্যান → কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডাইনামিক্সে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উৎস: Nobel Prize in Physics 2013 – Official Summary.
• মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝানোর প্রধান তত্ত্ব হলো বিগব্যাং তত্ত্ব। এই তত্ত্ব অনুসারে, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত অবস্থায় সংকুচিত ছিল। এক মুহূর্তে এটি একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে সম্প্রসারিত হতে শুরু করে, যা থেকে সময়, স্থান ও পদার্থের সৃষ্টি হয়। বিগব্যাং তত্ত্বের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন এবং গ্যালাক্সি গঠনের প্রমাণগুলি ব্যাখ্যা করা যায়। তাই মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব।
- সঠিক উত্তর: ক) বিগব্যাং তত্ত্ব।
মহাবিশ্ব:
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব।
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব।
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে।
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি।
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল।
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র।
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে।
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল।
মহাবিশ্বের উৎপত্তি:
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'।
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো।
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়।
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স।
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম।
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
◉ পৃথিবীর একেবারে নিকটতম নক্ষত্র হলো সূর্য। এর গড় দূরত্ব পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (1 Astronomical Unit, AU)।
নক্ষত্র (Star):
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে।
- খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়।
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়।
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে।
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।
উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
• বৃহস্পতি :
- রোমান পুরাণে দেবতাদের রাজা বৃহস্পতির নামে গ্রহের রাজার নামকরণ করা হয়েছিল।
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীনতম গ্রহ।
- এটি সবচেয়ে প্রাচীন গ্রহ, যা ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সূর্যের সৃষ্টির সময় অবশিষ্ট ধুলো এবং গ্যাস থেকে তৈরি হয়েছিল।
- বৃহস্পতির গঠন সূর্যের মতোই - বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম।
- এটি তার অক্ষের উপর একবার ঘুরতে প্রায় ৯.৯ ঘন্টা সময় নেয়।
- ৪৮৪ মিলিয়ন মাইল (৭৭৮ মিলিয়ন কিলোমিটার) গড় দূরত্ব থেকে, বৃহস্পতি গ্রহ সূর্য থেকে ৫.২ জ্যোতির্বিদ্যাগত একক দূরে।
- বৃহস্পতির ৯৫টি উপগ্রহ রয়েছে যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত।
- বৃহস্পতি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ (জোভিয়ান সময়ের এক বছর) প্রায় ১২ পৃথিবী বছরে (৪,৩৩৩ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
উৎস: NASA.
• গ্রীনহাউস প্রভাব হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের তাপ আটকে রাখে। কার্বন ডাই-অক্সাইড হলো সর্বাধিক প্রভাবশালী মানবসৃষ্ট গ্রীনহাউস গ্যাস।
• গ্রীনহাউস প্রভাব কী?
- গ্রীনহাউস প্রভাব হলো বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাসের এমন ক্ষমতা, যা সূর্যের বিকিরিত তাপ পৃথিবীর পৃষ্ঠে ধরে রাখে।
- এই গ্যাসগুলো পৃথিবীকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে, ফলে জীবনধারণ সম্ভব হয়।
- কিন্তু যখন এসব গ্যাসের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তখন পৃথিবীর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে, যা ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ নামে পরিচিত।
• গ্রীনহাউস গ্যাসে CO2 প্রভাব:
- শিল্পায়ন, যানবাহনের জ্বালানি পোড়ানো, বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন উজাড়, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে CO2 এর পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- CO2 বায়ুমণ্ডলের এমন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ শোষণ করে যা পৃথিবী থেকে মহাশূন্যে ফিরে যাওয়ার কথা।
- ফলে তাপ আটকে যায় এবং পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে।
- বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রায় ৭৫% মানুষের তৈরি গ্রীনহাউস প্রভাবের জন্য CO2 একাই দায়ী।
- যদিও মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ও জলীয় বাষ্পও গ্রীনহাউস গ্যাস, তবু প্রধান অবদানকারী গ্যাস হলো CO2।
তথ্যসূত্র:
- NCTB সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।
• ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
- মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট (HGP) ছিল একটি বিশাল আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা, যা জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা তৈরি করেছিল, এবং এই ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এবং সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করার জন্যই বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তির প্রয়োজন বিশেষভাবে অনুভূত হয় এবং এর ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়।
বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শাখা, যা জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত এবং পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত। এটির উদ্দেশ্য হলো বিশাল পরিমাণ জীববৈজ্ঞানিক ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা।
- বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য ছিলো মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং, যা ১৩ বছর পর অনলাইনে প্রকাশিত হয় এবং বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের জন্য সহজলভ্য হয়। এই শাখাটি ক্যান্সার গবেষণা এবং প্রোটিন গঠন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজেও অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে, বায়োইনফরমেটিক্স ব্যক্তিগত চিকিৎসা ও ওষুধের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- সাধারণত নিচের চারটি ভিন্ন ভিন্ন শাখার উপাদান ও কৌশলের সমন্বয়ে বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতি কাজ করে থাকে।
যেমন-
১. আণবিক জীববিদ্যা ও মেডিসিন: ডেটা উৎস বিশ্লেষণের কাজ করে।
২. ডেটাবেজ: নিরাপদ ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা রিট্রিভ (Retrive) করা।
৩. প্রোগ্রাম: উপাত্ত বিশ্লেষণ অ্যালগরিদম যার মাধ্যমে বায়োইনফরমেটিক্স কঠোরভাবে সুনির্দিষ্ট করা হয়।
৪. গণিত ও পরিসংখ্যান: এর সাহায্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়।
বায়োইনফরমেটিক্সের ব্যবহার:
- মূলত জৈবিক পদ্ধতি বিশ্লেষণ সম্পর্কে সম্যক এবং সঠিক ধারণা অর্জন করার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। আর এই জৈবিক তথ্য হিসাব-নিকাশ এবং এ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহারও অপরিহার্য।
- তবে জিনোম সিকোয়েন্স, প্রোটিন সিকোয়েন্স ইত্যাদি গঠন উপাদানের ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ গঠনে কম্পিউটার প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।এছাড়াও মলিকুলার মেডিসিন, জিনথেরাপি, ওষুধ তৈরিতে, বর্জ্য পরিষ্কারকরণে, জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায়, বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধানে, জীবাণু অস্ত্র তৈরিতে, ডিএনএ ম্যাপিং ও অ্যানালাইসিস, জিন ফাইন্ডিং, প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
• পৃথিবী (Earth):
- পৃথিবী আমাদের বাসভূমি।
- এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- পৃথিবী মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি এর ওরিয়ন-সিগনাস বাহুতে অবস্থিত, যা মিল্কিওয়ের চারটি সর্পিল বাহুর মধ্যে একটি , যা গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দূরে অবস্থিত।
- পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী।
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।
উৎস: NASA, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রনজেন বলা হয়। এক রনজেন বলতে আমরা সেই পরিমাণ এক্স-রে বিকিরণ বুঝি যা সাধারণ চাপ এবং তাপমাত্রায় 1x 10-3 m বায়ুতে 3.33 x 10-10C চার্জের সমান চার্জ উৎপন্ন করতে পারে।
জানার বিষয় :
১) কোমল এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি, ভেদনক্ষমতা অত্যন্ত কম।
২) কঠিন এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, ভেদনক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
(উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
• কয়েকটি ভাইরাস জনিত রোগঃ
- জন্ডিস,
- হার্পিস,
- গুটি বসন্ত,
- জল বসন্ত,
- হাম,
- মাম্পস,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- বার্ড ফ্লু,
- সোয়াইন ফ্লু,
- পোলিও,
- এইডস,
- জলাতঙ্ক,
- নিপাহ,
- ডেঙ্গু জ্বর,
- ইবোলা,
- জিকা জ্বর ইত্যাদি।
• কতিপয় ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগঃ
- যক্ষ্মা,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিংকাশি,
- ধনুষ্টংকার,
- নিউমোনিয়া,
- মেনিনজাইটিস,
- কলেরা,
- গনোরিয়া,
- সিফিলিস,
- টাইফয়েড,
- আমাশয়,
- প্লেগ,
- কুষ্ঠ ইত্যাদি।
রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা।
রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়।
এর PH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪।
সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস।
অজৈব লবণের উপস্থিতির জন্য রক্ত লবণাক্ত হয়।
একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
∴ ১৮০ ডিগ্রি = ১৮০ X ৪ = ৭২০ মিনিট = ১২ ঘন্টা।
কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।
কোন স্থানে সময় যখন শনিবার সকাল ৯ টা তখন-
১) ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিমে সময় হবে শুক্রবার রাত্রি ৯ টা।
এবং ২) ১৮০ ডিগ্রি পূর্বে সময় হবে শনিবার রাত্রি ৯ টা।