বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ৩৯ · ১০০ / ৩,৮৭৯

.
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা -
  1. ৬ ঘণ্টা অগ্রগামী
  2. ৬ ঘণ্টা পশ্চাৎগামী
  3. ৪ ঘণ্টা অগ্রগামী
  4. ৪ ঘণ্টা পশ্চাৎগামী
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা অগ্রগামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা অগ্রগামী
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান:
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

⇒ বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
- অর্থাৎ, ৬ ঘণ্টা অগ্রগামী।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সিএফসি বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের ক্ষতি করছে?
  1. ক) আয়নোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. গ) মেসোস্ফিয়ার
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

- সিএফসি এর পুরো নাম হল ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন। সিএফসি একটি কার্বন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ও ফ্লোরিন এর সমন্বয়ে গঠিত একটি গ্যাস। সিএফসি গ্রিনহাউস গ্যাস যা ওজন স্তরের সঙ্গে বিক্রিয়ায় ওজোন স্তর ফুটো করে দেয়। বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল, এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।

- মেসোস্ফিয়ার স্তরের শেষ সীমা হল মেসোপজ। আর এই মেসোপজের ওপরে প্রায় ৫০০ কিমি. উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমণ্ডলের স্তরকে আয়নোস্ফিয়ার বলে। এই স্তরে গ্যাসীয় কণাগুলি তড়িৎ-আধানযুক্ত বা আয়নিত অবস্থায় থাকে বলে, এই স্তরটিকে আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়।

- ট্রপোপজের ওপরে নিরক্ষীয় অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮০ কিমি. উচ্চতা পর্যন্ত এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৫০ কিমি. উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বলে। এটি বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর।

- মেসোস্ফিয়ার হল পৃথিবীর প্রতিরক্ষামূলক স্তর কারণ এটি বেশিরভাগ উল্কা এবং গ্রহাণুকে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করে। এটি সবার বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তর।

- তাপমণ্ডল (থার্মোস্ফিয়ার নামেও পরিচিত) প্রায় ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল;২৬০.০০০ ফুট) উপরে অবস্থিত।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

.
বিটা রশ্মির বিকিরণ মূলত কোনটি? 
  1. মেসনের প্রবাহ
  2. নিউট্রনের প্রবাহ
  3. ইলেকট্রনের প্রবাহ
  4. প্রোটনের প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের প্রবাহ
ব্যাখ্যা

• বিটা রশ্মি মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। যখন কোনো অস্থির পারমাণবিক নিউক্লিয়াস নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে, তখন এটি অতিরিক্ত শক্তি মুক্তি পায়। এই শক্তি মুক্তির সময় নিউক্লিয়াস ইলেকট্রন নির্গত করে, যাকে আমরা বিটা কণা বা বিটা রশ্মি বলি। বিটা কণা একটি ক্ষুদ্র, নেতিবাচক চার্জযুক্ত কণা, যা দ্রুত গতিতে নির্গত হয়। তাই বিটা রশ্মির সাথে ইলেকট্রনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, এবং এটি পারমাণবিক বিকিরণের এক গুরুত্বপূর্ণ ধরন।

- সঠিক উত্তর: গ) ইলেকট্রনের প্রবাহ।

বিটা রশ্মির ধর্ম:
- এই রশ্মি ঋণাত্মক আধানযুক্ত।
- এই রশ্মি চৌম্বক ও তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়। 
- এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- বিটা কণিকার ভর একটি ইলেকট্রনের ভরের সমান।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বিটা কণা প্রকৃতপক্ষে দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন।
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশি এবং এটি 0.01m পুরু।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ এবং শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপ -
  1. ফাস্ট টেলিস্কোপ
  2. জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ
  3. হাবল স্পেস টেলিস্কোপ
  4. ইউক্লিড টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
ফাস্ট টেলিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাস্ট টেলিস্কোপ
ব্যাখ্যা
FAST টেলিস্কোপ:
- চীনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি পাহাড়ের ওপর অবস্থিত FAST টেলিস্কোপ।
- বিশাল ধাতব শরীর নিয়ে যা আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।
- এটা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ এবং শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপ
- ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ চালু হয়।
- টেলিস্কোপটির আনুষ্ঠানিক নাম হচ্ছে ফাইভ-হান্ড্রেড-মিটার অ্যাপারচার স্ফেরিক্যাল টেলিস্কোপ-যা তার সংক্ষিপ্ত নাম 'ফাস্ট' নামে বেশি পরিচিত।
- চীন এই টেলিস্কোপকে ডাকছে 'স্কাই আই' বা 'আকাশ চোখ' নামে।
- এ টেলিস্কোপের রিফ্লেক্টর ডিস্ক ৩০টি ফুটবল মাঠের সমান। 
- পৃথিবীর বাইরে এলিয়েনদের অস্তিত্ব খুঁজতে এই টেলিস্কোপ ব্যবহার করা হয়।
- ফাস্ট টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বের গভীরতর এবং অন্ধকারতম কোণে কোণে অনুসন্ধান করে জানার চেষ্টা করবে কীভাবে এই বিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে এবং অন্য কোথাও জীবনের অস্তিত্ব আছে কিনা।

উৎস: i) ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) ২০ জানুয়ারি ২০২০, বিবিসি বাংলা।
.
বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন স্তরের শেষ সীমাকে কী বলে?
  1. ট্রপোপজ
  2. এক্সোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোপজ
  4. এট্রোপজ
সঠিক উত্তর:
ট্রপোপজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোপজ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন স্তর ট্রপোমন্ডল। ট্রপোমন্ডলের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

• ট্রপোমন্ডল:
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যম বাহিত রোগ?
  1. পানিবাহিত
  2. পতঙ্গবাহিত
  3. বায়ুবাহিত
  4. রক্তবাহিত
সঠিক উত্তর:
পতঙ্গবাহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পতঙ্গবাহিত
ব্যাখ্যা
চিকনগুনিয়া পতঙ্গবাহিত রোগ।  চিকুনগুনিয়া রোগটির জন্য Aedes aegypti মশাটি দায়ী। 

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সর্বপ্রথম এই রোগ ছড়ানোর কথা জানা যায়। সেখানকার কিমাকোন্ডি ভাষা থেকে চিকুনগুনিয়া নামটি এসেছে। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো ‘মোচড়ানো’। রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় এই রোগের এমন নাম হয়েছে।

লক্ষণ- 
সংক্রামক মশা কামড়ানোর চার থেকে সাত দিনের মধ্যে দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট) শুরু হয়। সেই সাথে শরীরের অস্থি সন্ধিতেও ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ার আর যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে, মাংস পেশি ও মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও চামড়ায় ফুসকুড়ি। অস্থি সন্ধির ব্যথা খুব তীব্র হতে পারে যা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

চিকিৎসা-
চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে এবং প্রয়োজনে জ্বর ও ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ট্যাবলেট এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ওষুধ খেতে হবে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে, তাদের কী বলা হয়?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. নক্ষত্র
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা

নক্ষত্র (Star):
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।
​- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই।
​- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
​- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 

​উল্লেখ্য,
​​- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। 
​- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
​- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
​- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

​​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ডিজেল
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) এইচ এফ ও
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলার হিসাব মতে, বাংলাদেশের উৎপাদিত গ্যাসের মধ্যে ৩৯৮.৬ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া শিল্প কারখানায় ১৬৬.৬, ক্যাপ্টিভে ১৬০.৫ ও সারকারখানায় ৪৩ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহৃত হয়। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
.
'The Grand Design' বইটি রচনা করেন কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. প্লেটো
  3. স্টিফেন হকিং
  4. জর্জ লেমেটার
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
• 'The Grand Design' বইটি রচনা করেন 'স্টিফেন হকিং'।

• স্টিফেন হকিং:

- স্টিফেন হকিং ছিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন।
- সম্মান: রয়্যাল সোসাইটির ফেলো, প্রেসিডেন্টিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, কপলি মেডেল।
- ১৪ মার্চ ২০১৮ স্টিফেন হকিং মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- A Brief History of Time.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০.
বিগ ব্যাং মডেলের জনক কে?
  1. গ্যালিলিও
  2. জর্জ লেমাইটার
  3. এডউইন হাবল
  4. স্টিফেন হকিংস
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমাইটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমাইটার
ব্যাখ্যা
বিগ-ব্যাংগ:
- জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে।
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রাড় তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়।
- কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুর করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব।
- বিগ ব্যাংগ বা মহাবিস্ফোরণ আমাদের পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা।
- সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুরু করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- কিন্তু বিগ ব্যাংগের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে ঘটেছিল।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ‘শুর' বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ‍ বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না।
- বিগ-ব্যাংগ সংঘটিত হয়েছিল সর্বত্র।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- 
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. অডিওমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র।
• পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র। 
• ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র।  
• অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ওডোমিটার মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র। 
• ব্যারােমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। 
• সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১২.
গ্রীষ্মকালের শুরুতে নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত হয়?
  1. শৈলোৎক্ষেপ
  2. পরিচলন
  3. ঘূর্ণিবাত
  4. সংঘর্ষ
সঠিক উত্তর:
পরিচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাত: 
- বৃষ্টিপাত হলো কোনো অঞ্চলের আবহাওয়ার একটি অবস্থা যা নানা ধরনের আবহাওয়ার উপাদানসমূহের উপর নির্ভরশীল। 
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্ব আকাশে ঠান্ডা ও ঘনীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হয়। 
- এই সকল মেঘের মধ্যে থাকে অসংখ্য পানিকণা ও বরফকণা। 
- এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানি ও বরফকণা পরস্পরের সাথে মিলে বড় পানির কণায় পরিণত হয়। 
- স্বাভাবিকভাবে মেঘ যখন আকাশে ভাসতে থাকে তখন তা ঘনীভূত হয়ে ফোঁটা ফোঁটা আকারে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বলা হয় বৃষ্টিপাত (Rainfall)। 

বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ: 
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত। 
- এই ৪টি প্রকারভেদ হলো- 
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত, 
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত, 
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত এবং 
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত। 

পরিচলন বৃষ্টিপাত: 
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে প্রচুর জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়। এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজা নিচে নেমে আসে। এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টি। 
- পরিচলন বৃষ্টিতে বায়ুর তাপ হ্রাস পেয়ে যখন অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয় তখন এই ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটায়। 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এই সব এলাকার উর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। 
- নিরক্ষীয় এলাকায় স্থলভাগের থেকে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হয়। 
- এই অঞ্চলে হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। 
- হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন এই রকম পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়। 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারাবছরই সন্ধ্যা ও বিকালে এইরূপ বৃষ্টি হয়। 
- নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
এক্স-রে মূলত কী ধরনের রশ্মি?
  1. ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক
  2. নিউক্লিয়ার
  3. যান্ত্রিক
  4. কণিকাধর্মী
সঠিক উত্তর:
ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক
ব্যাখ্যা

• এক্স-রে হলো একটি উচ্চ-শক্তির Electromagnetic Radiation, যা দৃশ্যমান আলোর চেয়ে ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য (প্রায় 0.01-10 ন্যানোমিটার) এবং উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সম্পন্ন।

আবিষ্কার:
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্স-রের উপস্থিতি প্রথম শনাক্ত করেন।
- তিনি লক্ষ্য করেন, যখন ক্যাটোড রে টিউবে উচ্চ ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তখন একটি অদৃশ্য রশ্মি তৈরি হয় যা ফ্লুরোসেন্ট পর্দা উজ্জ্বল করে।
- তিনি এই রশ্মি সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা চালান এবং দেখান যে এটি দেহের ভিতরের দৃশ্যমান ছবি তৈরি করতে পারে।

বৈশিষ্ট্য:
- Electromagnetic nature: কোন ভর বা চার্জ নেই।
- Penetrating power: হালকা পদার্থ যেমন ত্বক পার হয়, কিন্তু হাড় বা ধাতু অনেকাংশে আটকে রাখে।
- চিত্রায়ন: রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত।
- তাপ উৎপাদন: অত্যধিক এক্স-রে ত্বক বা কোষ ক্ষতি করতে পারে।

উদাহরণ ও ব্যবহার:
- চিকিৎসা: হাড় ভাঙা, দাঁতের সমস্যা, ফুসফুসের রেন্টজেন।
- শিল্প: ধাতুর ফাটল বা ভেতরের কাঠামো পরীক্ষা।
- বিজ্ঞান: অণু ও ক্রিস্টাল গঠন বিশ্লেষণ।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

১৪.
বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, কুয়াশা বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে হয়ে থাকে?
  1. ক) ট্রপোমণ্ডল
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) তাপমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রপোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
- ট্রপোমন্ডল (Troposphere): বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার।
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়
 - ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।
- ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে থাকে।
- ট্রপোমন্ডলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায় ও নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি বেশি পাওয়া যায়।

সূত্র: ৬১ পৃষ্ঠা, ভূগোল ও পরিবেশ,  এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
হিগের কণা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

- Higgs boson, also called Higgs particle, particle that is the carrier particle, or boson, of the Higgs field, a field that permeates space and endows all elementary subatomic particles with mass through its interactions with them.
- The field and the particle—named after Peter Higgs of the University of Edinburgh, one of the physicists who in 1964 first proposed the mechanism—provided a testable hypothesis for the origin of mass in elementary particles.
- In popular culture the Higgs boson is often called the “God particle,” after the title of Nobel physicist Leon Lederman’s The God Particle: If the Universe Is the Answer, What Is the Question?, which contained the author’s assertion that the discovery of the particle is crucial to a final understanding of the structure of matter
সূত্র: Encyclopedia Britannica

১৬.
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ সবচেয়ে ফলপ্রসূ হবে?
  1. কমিউনিটি পর্যায়ে
  2. জাতীয় পর্যায়ে
  3. উপজেলা পর্যায়ে
  4. আঞ্চলিক পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• জাতীয়, উপজেলা বা আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করার চেয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তা সবচেয়ে বেশি ফলপ্রস্যু হবে।
- ব্যক্তি পর্যায়ে মানুষকে সচেতন করার চেয়ে দলগতভাবে মানুষকে সচেতন করা হলে সেটি অধিক ফলপ্রসূ হয়।

• উপকূলীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- বাংলাদেশের উপকূল (৭১৬ কি.মি.) অঞ্চল সমুদ্র সমতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারা অনবরত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
- অতএব সুষ্ঠু দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপকূলীয় জনগণের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা (দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষমতা) বৃদ্ধি ও পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

• উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার কতিপয় পন্থা:

১. আবহাওয়ার তথ্যভিত্তিক পূর্বাভাস ও সতীকরণ যথা সময়ে প্রচার করা।
২. বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো এর মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণের ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। 
৩. পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র হতে বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা।
৪. ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তি সংকেত দান, সতর্কীকরণ,উদ্ধার ও পূণর্বাসন ইত্যাদি কাজে সরকারি সংস্থা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি)-এর কার্যক্রমের আওতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৫. জরুরি পরিস্থিতিতে আর্তদের চিকিৎসা, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পূণর্বাসন কাজে সামরিক বাহিনীর সদস্যবৃন্দ কর্তৃক বেসামরিক প্রশাসনকে সব রকম সাহায্য ও সহযোগিতা দান করা। 
৬. বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সংস্থা কর্তৃক দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেতসমূহ প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।
৭. সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাসমূহ যেমন- অক্সফাম, ডিজাস্টার, ফোরাম, কেয়ার বাংলাদেশ, কারিতাস, প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি (বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রস্তুতি কেন্দ্র) ইত্যাদি সংস্থার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা।
- এছাড়া রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. ক) জি লেমেটার
  2. খ) স্টিফেন হকিং
  3. গ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. ঘ) জন হুইলার
সঠিক উত্তর:
ঘ) জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জন হুইলার
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহ্বর:

- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- কৃষ্ণগহ্বর শব্দটির অর্থ হলো কালো গহ্বর। কৃষ্ণগহ্বর তৈরি হয় অধিক পরিমাণ ঘনত্ববিশিষ্ট ভরের নক্ষত্র থেকে।
- এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি। ফলে কৃষ্ণগহ্বর থেকে কোনো কিছুই যেমন তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ (আলো) ও বের হতে পারে না।
- ভিক্টর হেস মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে নোবেল পুরষ্কার পান।

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮.
নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে যাওয়ায় যেসব জলাশয় প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) ব-দ্বীপ
  2. খ) হাওর
  3. গ) বাওড়
  4. ঘ) বিল
সঠিক উত্তর:
গ) বাওড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাওড়
ব্যাখ্যা
• নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে যাওয়ায় যেসব জলাশয় প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয় তাকে বাওড় বলে।
- হাওর হচ্ছে বিশাল আকৃতির জলাশয় যা ভূআলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সেখানে অনেক পানি জমে।
- অন্যদিকে বাওর হল পুরাতন নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট জলাশয়।
- বিল পুরাতন নদীর গতিপথের ধার ঘেঁষে সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
On which planet in our solar system is the Great Red Spot visible?
  1. Mercury
  2. Jupiter
  3. Venus
  4. Saturn
  5. Uranus
সঠিক উত্তর:
Jupiter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jupiter
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। 
- বৃহস্পতি গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয়। 
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই। 
- সৌরজগতে বৃহস্পতির দ্বিতীয় সর্বাধিক উপগ্রহ রয়েছে। 
- বৃহস্পতি গ্রহে বৃহৎ লাল বিন্দু (Great Red Spot) দেখা যায়। 
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। 
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
বারিমণ্ডলের জলের কতভাগ হিমবাহ ধারণ করে?
  1. ০.৬৮%
  2. ২.০৫%
  3. ১.২৫%
  4. ০.০১%
সঠিক উত্তর:
২.০৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.০৫%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
Species Plantarum গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. মেন্ডেল
  3. ডারউইন
  4. ক্যারোলাস লিনিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

• লিনিয়াসই Species Plantarum গ্রন্থের রচয়িতা।

• দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির সূচনা:

- ১৭৫৩ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species Plantarum নামক গ্রন্থটি রচনা করেন।
- এই গ্রন্থটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে।

 
• দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির গুরুত্ব:

- এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে লিনিয়াস—

- দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন,
- জীবজগৎকে গণ (Genus) ও প্রজাতি (Species)-তে বিভক্ত করার সুস্পষ্ট ধারণা দেন।
 
• জীবের শ্রেণিবিন্যাসে লিনিয়াসের অবদান:

- লিনিয়াসই সর্বপ্রথম জীবকে শ্রেণিবিন্যাস করার ক্ষেত্রে—

- শ্রেণি (Class),
- বর্গ (Order),
- গণ (Genus) এবং
- প্রজাতি (Species)
- এই ধাপগুলো ব্যবহার করেন।
 
• দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য:

- লিনিয়াসের প্রবর্তিত এই দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি অনুযায়ী—

- প্রতিটি জীবের নাম দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত,
- প্রথম শব্দটি জীবের গণের নাম,
- দ্বিতীয় শব্দটি জীবের প্রজাতির নাম নির্দেশ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২২.
কোনটি মিঠা পানির উৎস?
  1. ক) মহাসাগর
  2. খ) উপসাগর
  3. গ) ভূগর্ভস্থ পানি
  4. ঘ) সাগর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূগর্ভস্থ পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূগর্ভস্থ পানি
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: লবণাক্ত ও মিঠা পানি।
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত‌।
- নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস।
- বারিমন্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন নিম্নরুপ: সমুদ্র (৯৭.২৫%), হিমবাহ (২.০৫%), ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%), হৃদ (০.০১%) মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%), বায়ুমণ্ডল (০.০০১%), নদী(০.০০০১%), জীবমন্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৩.
যখন কোন বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেওয়া হয় তখন তার ওজন-
  1. ক) বাড়ে
  2. খ) কমে
  3. গ) অর্ধেক হয়
  4. ঘ) সমান থাকে
সঠিক উত্তর:
ক) বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাড়ে
ব্যাখ্যা
• যখন কোন বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন বাড়তে থাকে
- বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি।
- কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষীয় ত্বরণের উপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি।
- অভিকর্ষীয় ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম।
- যেহেতু মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি।
- বিষুব অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ কম তাই বিষুব অঞ্চলে বস্তুর ওজনও কম।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষীয় ত্বরণ শূন্য, এজন্য পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর কোনো ওজন নাই। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরষ্কার পান -
  1. ক) বেল বার্ডিন
  2. খ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  3. গ) উইলিয়াম শকলি
  4. ঘ) উপরের সকলে
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য ১৯৫৬ সালে বেল বার্ডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২৫.
ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস মহাজাগতিক রশ্মির প্রমাণ পান কীভাবে?
  1. মাইক্রোস্কোপ দিয়ে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করে
  2. বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য যন্ত্র ব্যবহার করে
  3. শুধুমাত্র অনুমানের মাধ্যমে
  4. সমুদ্রের গভীরতা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য যন্ত্র ব্যবহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য যন্ত্র ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
• মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- কসমিক-রে বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২৬.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. ক) মে
  2. খ) এপ্রিল
  3. গ) জুন
  4. ঘ) জুলাই
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জলবায়ুঃ
বাংলাদেশের জলবায়ু - ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহে দিক পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে এদেশের জলবায়ুকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল এবং শীতকাল।
এখানকার জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো -
- উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল,
- বৃষ্টিবহুল বর্ষাকাল এবং
- শুষ্ক ও আরামদায়ক শীতকাল।
গ্রীষ্মকালে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের প্রায় এক পঞ্চমাংশ হয়ে থাকে। বর্ষাকালে প্রায় পাঁচ ভাগের চারভাগ বৃষ্টিপাত হয়। শীতকাল প্রায় বৃষ্টিহীন হলেও পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকায় সামান্য পরিমাণে বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়। তিন ঋতুর কোনো সময়ই তাপমাত্রা চরমভাবাপন্ন হয় না। এপ্রিল উষ্ণতম এবং জানুয়ারি শীতলতম মাস।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই (উন্মুক্ত)।

২৭.
শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত প্রদাহকে বলা হয় -
  1. ক) নিউমোনিয়া
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) ব্রঙ্কাইটিস
  4. ঘ) যক্ষ্মা
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রঙ্কাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রঙ্কাইটিস
ব্যাখ্যা
শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রঙ্কাইটিস বলে। 

 শ্বসনতন্ত্রের প্রদাহজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে ব্রঙ্কাইটিস অন্যতম। দেখা যায়,শিশু এবং পুরুষদের মধ্যে ব্রঙ্কাইটিস বেশি হয়। শ্বাসনালির ভেতরে আবৃত ঝিল্লিতে এক ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ থেকেই ব্রংকাইটিস হয়। এটি শ্বাসনালির মিউকাস আবরণীর প্রদাহ। তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী— এই দুই ধরনের ব্রংকাইটিস হতে দেখা যায়।

কারণঃ ধূমপান ব্রঙ্কাইটিসের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। অামাদের শ্বাসনালীতে চুলের মতো দেখতে কিছু স্ট্রাকচার থাকে, যার নাম সিলিয়া। ধূলাবালি,বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ যা ফুসফুসে গিয়ে ক্ষতি করতে পারে তাদের ফুসফুসে যেতে বাধা দেয়াই এদের কাজ। ধূমপানের ফলে এসব সিলিয়া তাদের কার্যকারিতা হারায়। যার কারণে খুব সহজেই ব্রঙ্কাইটিস ডেভেলপ করতে পারে। এছাড়া যানবাহনের কালো ধোঁয়া, ধূলাবালি,বায়ু দূষণ এগুলো ব্রঙ্কাইটিসের কারণ হিসেবে বিবেচিত।

লক্ষণসমূহঃ ব্রঙ্কাইটিসের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো কাশি,শ্বাসকষ্ট, হালকা কাঁপুনিসহ জ্বর,সর্দি, নাসাবদ্ধতা, মাথাব্যথা ইত্যাদি।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮.
মঙ্গল গ্রহের ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় -
  1. অর্ধেক
  2. সমান
  3. দ্বিগুণ
  4. তিনগুণ
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৯.
বাংলাদেশে কালবৈশাখীর ঝড় কখন হয়?
  1. শীতকালে
  2. মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
  3. শীত-বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে
  4. প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
সঠিক উত্তর:
প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
ব্যাখ্যা
কালবৈশাখী ঝড়:
- কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশের অতিপরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় বৈশাখ মাসে আরম্ভ হয়ে বর্ষা মৌসুমের পূর্ব পর্যন্ত সংঘটিত হয়।
- ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টিপাতের সাথে কখনও কখনও শিলা বৃষ্টি হয়ে থাকে।
- এরূপ এক ব্যাপক শিলা বৃষ্টির ফলে গত ৬ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে কয়েক হাজার পাখি মারা যায়।
- বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে মে (বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ) মাসে কালবৈশাখী ঝড় দেখা দেয়।
- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০.
নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় -
  1. শিরার ভিতর দিয়ে
  2. স্নায়ুর ভিতর দিয়ে
  3. ধমনীর ভিতর দিয়ে
  4. ল্যাকটিয়ালের ভিতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
ব্যাখ্যা
- নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভেতর দিয়ে। 
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ডে থেকে সারা দেহে বাহিত হয়, তাকে ধমনী বলে। 
- ধমনীর প্রাচীরের মধ্যস্তর পেশিবহুল ও পুরু। 
- এর রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন দিকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১.
ব্লাক হোল সম্পর্কিত ভুল তথ্য কোনটি?
  1. ক) এর ভর অনেক কম
  2. খ) এর মহাকর্ষীয় শক্তি অনেক বেশি
  3. গ) এটির আবিষ্কারক বিজ্ঞানী জন হুইলার
  4. ঘ) এটি মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি ধারণা
সঠিক উত্তর:
ক) এর ভর অনেক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এর ভর অনেক কম
ব্যাখ্যা
ব্লাক হোল বা কৃষ্ণবিবর মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশী হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার ১৯৬৯ সালে ব্লাক হোল আবিষ্কার করেন।
৩২.
কে সর্বপ্রথম ‘Geography’ শব্দটি ব্যবহার করেন?
  1. কার্ল রিটার
  2. এরিস্টটল
  3. ইরাটোসথেনিস 
  4. ডাডলি স্ট্যাম্প
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস 
ব্যাখ্যা

• ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৩৩.
সূর্য, চাঁদ ও তারা এগুলোকে একত্রে কি বলে?
  1. ক) নক্ষত্র
  2. খ) গ্রহ
  3. গ) নীহারিকা
  4. ঘ) জ্যোতিষ্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) জ্যোতিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জ্যোতিষ্ক
ব্যাখ্যা
মহাশূন্যে অবস্থিত বস্তুসমূহকে জ্যোতিষ্ক বলা হয়ে থাকে। যথা-নক্ষত্র, নীহারিকা, গ্রহ, উপগ্রহ, ছায়াপথ, ধূমকেতু এবং উল্কা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪.
রামসার সাইট এর সাথে সম্পর্কিত কোনটি?
  1. বনভূমি
  2. মরুভূমি
  3. জলাভূমি
  4. পাহাড়ি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি
ব্যাখ্যা
• রামসার সাইট এর সাথে সম্পর্কিত হলো জলাভূমি। 

• রামসার সাইট:
- রামসার সাইট হলো এমন সব জলাভূমি (Wetlands), যেগুলো আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে স্বীকৃত।
- এই সাইটগুলোকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার নাম "রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention)"।
- এটি ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালে স্বাক্ষরিত একটি পরিবেশ চুক্তি, যা ইউনেস্কোর পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত হয়েছিল।

• রামসার সাইট চিহ্নিতকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো:
- জলাভূমিগুলোর সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- জলাভূমিগুলোর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা করা।
- জলাভূমিগুলোর উপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষের অধিকার রক্ষা করা। 

• রামসার সাইট চিহ্নিতকরণের বিবেচ্য বিষয়:
- জলাভূমির প্রকারভেদ (যেমন: ম্যানগ্রোভ, হ্রদ, বিল ইত্যাদি)।
- জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য (যেমন: বিভিন্ন ধরনের পাখি, মাছ, উদ্ভিদ ইত্যাদি)।
- জলাভূমি অঞ্চলের জলবায়ু ও পরিবেশগত গুরুত্ব।
- জলাভূমি অঞ্চলের মানুষের উপর প্রভাব।

তথ্যসূত্র:
- Ramsar website [link]
- ব্রিটানিকা।
৩৫.
সেরিকালচার বলতে কী বোঝায়? 
  1. মৎস্য চাষ
  2. পাখিপালন
  3. রেশম চাষ
  4. মৌমাছি পালন
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
ব্যাখ্যা
সেরিকালচার (Sericulture): 
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

এভিকালচার (Aviculture):

- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে।
- যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

এপিকালচার (Apiculture):

- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

পিসিকালচার (Pisciculture):

- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৬.
এক্সোপ্ল্যানেট বলতে কী বোঝায়?
  1. সৌরজগতের গ্রহসমূহ
  2. পৃথিবীর উপগ্রহ (চাঁদ)
  3. মহাকাশে ঘুরে বেড়ানো ছোট পাথুরে বস্তু (গ্রহাণু)
  4. সূর্য ছাড়া অন্য নক্ষত্রের চারপাশে আবর্তনকারী গ্রহ
সঠিক উত্তর:
সূর্য ছাড়া অন্য নক্ষত্রের চারপাশে আবর্তনকারী গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য ছাড়া অন্য নক্ষত্রের চারপাশে আবর্তনকারী গ্রহ
ব্যাখ্যা

◉ যেসব গ্রহ আমাদের সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো তারাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে, তাদের বলা হয় এক্সোপ্ল্যানেট

এক্সোপ্ল্যানেট (Exoplanet):
- Exoplanet হলো যেকোনো গ্রহ যা আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থান করে।
- বেশিরভাগ Exoplanet অন্য কোনো তারাকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
- কিছু Exoplanet তারার সাথে যুক্ত নয়, এগুলোকে বলা হয় Rogue Planet.
- এখন পর্যন্ত প্রায় ৬,০০০টি Exoplanet নিশ্চিতভাবে আবিষ্কৃত হয়েছে। ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বে গ্রহের সংখ্যা তারার সংখ্যার চেয়েও বেশি।
- আবিষ্কৃত Exoplanet গুলোর বেশিরভাগই আমাদের গ্যালাক্সি Milky Way-এর একটি ছোট অঞ্চলে পাওয়া গেছে।
- পৃথিবীর নিকটতম Exoplanet হলো Proxima Centauri b, যা প্রায় ৪ আলোকবর্ষ দূরে।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে এমন এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজছেন যেগুলো “হ্যাবিটেবল জোনে” (তারার চারপাশে এমন অঞ্চলে যেখানে তরল পানি থাকতে পারে), কারণ এগুলোতে জীবনের সম্ভাবনা থাকতে পারে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। 

৩৭.
ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন-
  1. ক) আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ) মাইকেল ফ্যারাডে
  4. ঘ) আলফ্রেড নোবেল
সঠিক উত্তর:
খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে। ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৮.
মানুষের মাথার চুল পড়ে গিয়ে টাক তৈরীর জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
Microsporum - নামক একপ্রকার ছত্রাকের জন্য মানুষের মাথার চুল পড়ে গিয়ে টাক তৈরি করে।
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৩৯.
ডায়োডে কয়টি তড়িৎদ্বার থাকে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
ব্যাখ্যা
ডায়োডে দুইটি তড়িৎদ্বার থাকে।
৪০.
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়-
  1. ক) Thyroxin Hormone
  2. খ) Thymuses Hormone
  3. গ) Hormone
  4. ঘ) Insulin Hormone
সঠিক উত্তর:
ক) Thyroxin Hormone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Thyroxin Hormone
ব্যাখ্যা
থাইরয়েড গ্রন্থি:
- গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত।
- প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়। আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে।
- বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

পিটুইটারী গ্রন্থি:
- এটি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। এ গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা প্রভুগ্রন্থি বলে।
- কারণ এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যা যেমন বেশি তেমন বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোন এর প্রভাবও বেশি।
- এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, শক্তিশালী ও সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি।
- এ গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন, থাইরোট্রপিন, প্রোল্যাকটিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়।

থাইমাস গ্রন্থি:
- এ গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। শিশুকালে এ গ্রন্থি বিকশিত হতে থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোট হয়।
- এ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস:
 এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গুকাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১.
গর্ববতী মায়ের রক্ত স্বল্পতা দেখা দিলে প্রথম মাস থেকে কোন এসিড খেতে বলা হয়? 
  1. ফলিক এসিড
  2. নাইট্রিক এসিড
  3. এসেটিক এসিড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ফলিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফলিক এসিড
ব্যাখ্যা
গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতায় আমাদের দেশে বহু নারীর মৃত্যু হয়। 
- গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাবে মা ও শিশু উভয়ের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। 
- তাই গর্ভকালীন সমস্যা বিষয়ে সচেতনতা ও সঠিক পরিচর্যাই পারে মা ও শিশুর জীবন বাঁচাতে। 

রক্ত স্বল্পতা: 
- অনেক সময় গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। 
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম মাস থেকে ফলিক এসিড এবং ৩ মাসের পর থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেতে হবে। 
- আয়রনযুক্ত খাবার যেমন- কঁচু শাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। 
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস এবং কাঁচা ফলমূল খেতে হবে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
নিচের কোনটি 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' এর নির্দিষ্ট অভীষ্ট নয়?
  1. দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে পদক্ষেপ গ্রহণ
  2. ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার
  3. পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি
  4. জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে পদক্ষেপ গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে পদক্ষেপ গ্রহণ
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০: 

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে প্রাথমিকভাবে একুশ শতকের শেষের দিকে বাংলাদেশ ব-দ্বীপের সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তারিত রূপকল্প প্রণয়নের প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। ফলশ্রুতিতে, একটি সমন্বিত, বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি ব-দ্বীপ রূপকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
• রূপকল্প: “নিরাপদ, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিঘাতসহিষ্ণু সমৃদ্ধশালী ব-দ্বীপ গড়ে তোলা”।

• অভিলক্ষ্য:  “দৃঢ়, সমন্বিত ও সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল কার্যকরী কৌশল অবলম্বন এবং পানিসম্পদ 66 ব্যবস্থাপনায় ন্যায়সঙ্গত সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত এবং অন্যান্য ব-দ্বীপ সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবেলা করে দীর্ঘমেয়াদে পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ”।

এ দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য এটিকে নির্দিষ্ট অভীষ্ট বা লক্ষ্যে রূপান্তর করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ফলাফল হিসেবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচন, পানি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকি কমানো এবং তার সাথে পরিবেশগত সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা যুক্ত করে এটি সর্বোত্তমভাবে সম্পন্ন করা যায়।

• অভীষ্ট: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

• উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট: 
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

• ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০'র নির্দিষ্ট অভীষ্টসমূহ: 
- অভীষ্ট ১: বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ২: পানির নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি করা;
- অভীষ্ট ৩: সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
- অভীষ্ট ৪: জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ৫: অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে তোলা; এবং
- অভীষ্ট ৬: ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ ব দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)। 
৪৩.
হুপিং কাশি রোগের টীকা কোনটি?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) বিসিজি
  3. গ) ডিপিটি
  4. ঘ) এমএমআর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
ব্যাখ্যা
পোলিও রোগের টিকা - ওপিভি (Oral Polio Vaccine) ;
যক্ষার টিকা - বিসিজি ;
ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা - ডিপিটি;
হাম রোগের টিকা - এমএমআর ভ্যাকসিন।
[তথ্য ব্রিটানিকা থেকে যাচাইকৃত]
৪৪.
কোন গ্যাসটি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে? 
  1. মিথেন
  2. ওজোন
  3. হিলিয়াম
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের গঠন উপাদান: 
- জীবন ধারণের জন্য পৃথিবীর জীবকুলের কাছে যেসব জিনিস অপরিহার্য বায়ুমণ্ডল তাদের মধ্যে অন্যতম। 
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বলে বায়ুমণ্ডল। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বায়ুমণ্ডলও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জড়িয়ে থেকে অনবরত আবর্তন করছে। 
- বায়ুমণ্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই, তাই একে খালি চোখে দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের ব্যাপ্তি যত বিশাল হোক না কেন, এর প্রায় ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। 
- তাই মানুষ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর উপর এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। 
- বায়ুমণ্ডল প্রধানত বিভিন্ন প্রকার উপাদান দ্বারা গঠিত। 
যেমন- 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar) ⇒ ০.৮০, 
• কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩, 
• অন্য গ্যাসসমূহ (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, ওজোন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড) ⇒ ০.০২, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১, 
• ধূলিকণা ও কণিকা ⇒ ০.০১ । 

- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে। 
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে। 
ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫.
মানুষের অটোজোম সংখ্যা কত?
  1. ক) ২৩ জোড়া
  2. খ) ২০ জোড়া
  3. গ) ২২ জোড়া
  4. ঘ) ২৪ জোড়া
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
- বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম। যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪৬.
'Plate Tectonic Theory' সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) জেভিয়ার লি-পিনচন
  2. খ) হার্ভে জে অল্টার
  3. গ) চার্লস এম রাইস
  4. ঘ) আলফ্রেড ওয়েগনার
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলফ্রেড ওয়েগনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলফ্রেড ওয়েগনার
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের তলদেশ, মহাদেশ, মালভমি, পর্বত প্রভৃতি গঠন সংক্রান্ত বিভিন্ন মতবাদের মধ্যে সর্বাধুনিক মতবাদ পাত সঞ্চালন মতবাদ (Plate Tectonic Theory)।
এ মতবাদটি ১৯১২ সালে আলফ্রেড ওয়েগনার (Alfred Wegner) সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন যা মহাদেশীয় ভূ-ভাগ সঞ্চালন মতবাদ নামে পরিচিত ছিল।
পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে ফরাসী ভূ-বিজ্ঞানী জেভিয়ার লি-পিনচন (Xebier-le-Pinchon) এ মতবাদ প্রদান করেন। 
উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
৪৭.
নিচের কোন গ্রহকে পৃথিবীর evil twin বলা হয়?
  1. শনি
  2. শুক্র
  3. মঙ্গল
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা

• শুক্রকে পৃথিবীর দুষ্ট যমজ বলার কারণ:

⇒ শুক্র এবং পৃথিবীকে মাঝে মাঝে যমজ বলা হয় কারণ তারা প্রায় একই আকারের। শুক্র গ্রহ প্রায় পৃথিবীর মতোই বড়। তারা সৌরজগতের একই অভ্যন্তরীণ অংশে গঠিত হয়েছিল। শুক্র আসলে পৃথিবীর আমাদের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী। তাই তারা সৌরজগতের একই অংশে গঠিত হয়েছিল, একই উপকরণ দিয়ে তৈরি। তারা প্রায় একই আকারের।

• শুক্র গ্রহ:
- শুক্র সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী গ্রহ।
- এটি সূর্য ও চাঁদের পর আকাশের তৃতীয় উজ্জ্বল বস্তু।
- শুক্র ধীরে এবং অধিকাংশ গ্রহের বিপরীত দিকে ঘূর্ণন করে।
- এর গঠন ও আকার পৃথিবীর অনুরূপ, তাই একে কখনও পৃথিবীর দুষ্ট যমজ (evil twin) বলা হয়।
- শুক্রের ঘন বায়ুমণ্ডল তাপ ধরে রাখে, যা গ্রীনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ, যেখানে তাপমাত্রা সীসা গলানোর মতো বেশি।
- ঘন মেঘের নিচে এর পৃষ্ঠে আগ্নেয়গিরি এবং বিকৃত পর্বত রয়েছে।

উৎস: NASA. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৪৮.
সবুজ বিপ্লব বলতে কী বুঝায়?
  1. হাইব্রিডের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
  2. সবুজ সারের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
  3. পতিত জমির সবুজায়ন
  4. ফলন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিডের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিডের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
ব্যাখ্যা
সবুজ বিপ্লব:

- বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে উচ্চ ফলনশীল বীজ, রাসায়নিক সার, কীটনাশক, জলসেচ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় যার ফলস্বরূপ ফসলের উৎপাদন অত্যাধিক পরিমানে বৃদ্ধি পায়, যাকে সবুজ বিপ্লব বলে।
- সবুজ বিপ্ল­বের সূচনা হয় ১৯৪৪ সালে, মেক্সিকোয়।
- সবুজ বিপ্লবের প্রধান ফসল হল গম ও ধান।
- এর নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৃষি বিজ্ঞানী ড. নরম্যান বোরলগ।
- তাই তাকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ৮ই মার্চ USAID-এর পরিচালক উইলয়াম, এস. গাউড একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় দ্রুত ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশলকে ‘সবুজ বিপ্ল­ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

উৎস: Britannica.
৪৯.
আর্কিমিডিসের নীতি প্রযোজ্য-
  1. ক) কঠিন ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
  2. খ) তরল ও কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে
  3. গ) তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের নীতিঃ
বস্তুকে কোন তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে ডুবালে বস্তুটির ওজন কম মনে হয়। বস্তুটির উপর ক্রিয়াশীল উর্ধ্বচাপজনিত বল বস্তুর ওজনের বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে, একে প্লবতা বলে। তাই, কোন কঠিন পদার্থকে তরল বা বায়বীয় পদার্থে ডুবালে ওজন কম মনে হয় যার মূল কারণ প্লবতা। এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। আর্কিমিডিসের নীতি তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আর্কিমিডিসের নীতির উপর ভিত্তি করে জাহাজ পানিতে ভাসার কারণ, একখণ্ড লোহা পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।।
৫০.
টেলিফোনের উপাংশ নয় কোনটি?
  1. সুইচ
  2. মাইক্রোফোন
  3. ট্রানজিস্টার
  4. রিংগার
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টার
ব্যাখ্যা
টেলিফোন
- টেলিফোন মানুষের মুখের কথা তাত্ক্ষণিক প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- ১৮৭৫ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- টেলিফোনে পাঁচটি উপাংশ পাঁচটি। যথা- সুইচ, রিংগার, কী প্যাড, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার। 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে ডাটা ট্রান্সমিট করে।
-  ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।

- টেলিফোনে সংবাদ আদান দু'পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। 
যথা- এনালগ ও ডিজিটাল। 
 
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে কী বায়ু বলে? 
  1. সাময়িক বায়ু
  2. নিয়ত বায়ু
  3. স্থানীয় বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২.
কেমোথেরাপির ভিত্তি কী?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. চৌম্বকক্ষেত্রে
  3. কোষ বিভাজন
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা
কোমোথেরাপি (Camotherapy): 
- কেমোথেরাপি এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনের কোষ ধ্বংস করা হয়। 
- ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। 
- জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত। 
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। 
- কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। 
- এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে। 
যেমন- প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি। 
- সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়। 

- কেমোথেরাপিতে রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহারের ফলে বিভাজনের কোষ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের সাথে সাথে অন্যান্য কোষ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে রক্ত কণিকাসমূহের উৎপাদন বাধাগ্রস্থ হয়। 
- হজম সমস্যার ফলে ডায়রিয়া, মাথার চুল পড়ে যাওয়া, পানিশুন্যতা, বমি প্রভৃতি সমস্যা দেখা যায়। 
- এছাড়া রাসায়নিক ঔষধের কারণে চুল পড়ে যায় ও চামড়া পুড়ে যায়। 
- কিছু সচেতনামূলক কর্মকান্ড এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সমূহকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। 
যেমন- 
(i) শরীরের তাপমাত্রার দিকে লক্ষ্য রাখা, যাতে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে চামড়া পুড়ে না যায় বা চুল না পড়ে যায়। 
(ii) তরল বা নরম খাবার খাওয়া উচিৎ যা সহজে হজম হয়। 
(iii) শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিৎ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩.
'স্টিল'-এ কত ভাগ লোহা থাকে?
  1. ক) ৯৯
  2. খ) ৯৮
  3. গ) ৯৭
  4. ঘ) ৯৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৯
ব্যাখ্যা
স্টিল একটি সংকর ধাতু। এতে ৯৯ ভাগ লোহা এবং ১ ভাগ কার্বন থাকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫৪.
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, নাসার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. পেনসিলভেনিয়া
  2. কেপ কেনেডি
  3. ফ্লোরিডা
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

৫৫.
নিচের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) স্ট্রেটাস
  2. খ) সিরাস
  3. গ) কিউম্যুলাস
  4. ঘ) নিম্বাস
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
৫৬.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষিত হয়?
  1. থার্মোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. ট্রপোস্ফিয়ার
  4. মেসোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল অঞ্চলসমূহ: 
- বায়ুমণ্ডলকে চাপ ও তাপমাত্রার পরিবর্তন অনুসারে চারটি স্তর বা অঞ্চলে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
(১) ট্রপোস্ফিয়ার, 
(২) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার, 
(৩) মেসোস্ফিয়ার এবং 
(৪) থার্মোস্ফিয়ার। 
 
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার: 
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের পর ওপর দিকে 15km থেকে 50km উচ্চতা পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (stratoshere) 35 km বিস্তৃত। 
- এ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে তাপমাত্রা -55°C (218K) থেকে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে 50km উচ্চতায় 2°C (বা 275K) তাপমাত্রায় পৌঁছে। কিন্তু তাপমাত্রা ট্রপোস্ফিয়ারের মতো ওপর দিকে একইভাবে কমতে থাকে। 
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার নামক স্তরে ওজোন নামক গ্যাসের একটি পাতলা স্তর রয়েছে, একে ওজোন স্তর বলে। 
- ওজোন স্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে সূর্যরশ্মির অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। 
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে সূর্যের আলোর মধ্যস্থ ক্ষতিকারক UV- রশ্মি শোষণকারী ওজোন (O3) স্তর অক্সিজেন (O2) থেকে সৃষ্টি হয়। 
- এ ওজোনস্তর ছাতার মতো পৃথিবীকে আচ্ছাদন করে রাখে, ফলে পৃথিবীর প্রাণিকুল UV- রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ) এবং পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
এক আলোক বর্ষ বলতে কী বোঝায়? 
  1. এক বছরে উৎপন্ন আলোর পরিমাণ
  2. পৃথিবী এক বছরে যত আলো পায়
  3. সূর্য এক বছরে যতটা ঘোরে
  4. আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
সঠিক উত্তর:
আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
ব্যাখ্যা
নক্ষত্র (Star): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। 
- খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়। 
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 

- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে। কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। 
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। 
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। 
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮.
'জে ০৪১০-০১৩৯' কী?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. কৃষ্ণগহ্বর
  4. মহাকাশযান
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণগহ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণগহ্বর
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহ্বর (Black hole):
 - সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণগহ্বর (Black hole)।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- পৃথিবী থেকে ১ হাজার ২৯০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে থাকা এক সুপার ম্যাসিভ বা বড় আকারের কৃষ্ণগহ্বর হচ্ছে জে০৪১০-০১৩৯।
- কৃষ্ণগহ্বরটির ভর প্রায় ৭০ কোটি সূর্যের সমান।

সম্প্রতি,
- এই কৃষ্ণগহ্বর (ব্ল্যাকহোল) থেকে অতি শক্তিশালী রশ্মি সরাসরি আমাদের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
- বিগ ব্যাং বিস্ফোরণের প্রায় ১০ কোটি বছর পর এই রশ্মি নির্গত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বড় আকারের কৃষ্ণগহ্বরটি মহাবিশ্বের প্রথম সময়কার তথ্যাদি জানতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৫৯.
রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থানে থাকে -
  1. ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
  2. খ) কর্ণিয়া
  3. গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
  4. ঘ) অ্যাকুয়া রিজিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
ব্যাখ্যা
অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous humour):
লেন্স ও কর্নিয়ার মধ্যবর্তী স্থান এক প্রকার স্বচ্ছ জলীয় পদার্থে ভর্তি থাকে। একে বলা হয় অ্যাকুয়াস হিউমার।
- অ্যাকুয়াস হিউমার আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে, চোখের সম্মুখ অংশের আকৃতি ঠিক রাখে এবং লেন্স ও কর্নিয়ায় পুষ্টি সরবরাহ করে।

ভিট্রিয়াস হিউমার (Vitreous humour):
লেন্স ও রেটিনার মধ্যবর্তী অংশে এক প্রকার জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। একে বলা হয় ভিট্রিয়াস হিউমার।
- ভিট্রিয়াস হিউমার রেটিনার দিকে আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে ও চক্ষু গােলকের গােলাকার আকৃতি বজায় রাখে।

সুত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, HSC Program, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট:
- বর্তমানে বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে পৃথিবীর অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় গ্রহণের পর সরকার কর্তৃক ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা ২০০৯ (বিসিসিএসএপি, ২০০৯) চুড়ান্ত করা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এই ধরণের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা ও অভিযোজন কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan (BCCSAP), 2009' বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
- এই কর্মপরিকল্পনায় ৬টি থিমেটিক এরিয়ায় ৪৪টি কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার জন্য এবং BCCSAP, ২০০৯ এ উল্লিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয়েছিল ২০১০ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বলবৎ করা হয় জলবায়ু ট্রাস্ট আইন-২০১০।

সূত্র: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৩।
৬১.
সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে ছোট গ্রহটির নাম কী?
  1. ক) শুক্র
  2. খ) বুধ
  3. গ) ইউরেনাস
  4. ঘ) পৃথিবী
সঠিক উত্তর:
খ) বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বুধ
ব্যাখ্যা
বুধ হচ্ছে সৌরজগতের সূর্যের সবচেয়ে ছোট গ্রহ। 

বুধ গ্রহটি সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে। 
এই গ্রহটি আয়তনের শুধুমাত্র পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় বড়। 
এটি পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৮৮ দিন সময় নেয়। 

সূত্র- Space.com Website [লিঙ্ক]
৬২.
উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ব্যক্তিদের সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ সর্বদা -
  1. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের কম
  2. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
  3. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৮০ মিমি পারদচাপের কম
  4. ১৫০ মিমি পারদচাপের কম ও ৯৮ মিমি পারদচাপের বেশি
সঠিক উত্তর:
১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন (Hypertension) বলে। শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে।
রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্নরক্তচাপ বলে। হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে হৃদপিন্ড থেকে ধমনির মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকালে ধমিন গাত্রে কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি হয় সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়।
উত্তেজনা, চিন্তা, বিষন্নতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং এ অবস্থায় কোনো ওষুধরেও প্রয়োজন হয় না।
উচ্চ রক্তচাপ বংশগত (Genetic High blood pressure) হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ ভীতির কোনো কারণ নয় তবে নিয়মিত ঔষধ সেবনে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

সুত্রঃ হৃদযন্ত্রের যত কথা, বিজ্ঞান, এসএসসি।
৬৩.
এইডস রোগের লক্ষণ নয় কোনটি?
  1. ক) শরীরের ওজন দ্রুত কমতে থাকে
  2. খ) শুকনো কাশি
  3. গ) সারাদেহে চুলকানি
  4. ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
অতিরিক্ত কলেস্টোরেলের ফলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। 

এইডস হল Human Immunodeficiency Virus (HIV) অর্থাৎ "মানব প্রতিরক্ষা অভাব সৃষ্টিকারী ভাইরাস"।
এইচ আই ভি ভাইরাস মানুষের শরীরের T-helper cell আক্রমণ করে যেগুলি শরীরের রোগ প্রতিরোধের জন্যে অতীব প্রয়োজনীয়।

AIDS বা Aids এর পূর্ণ অভিব্যক্তি হলো acquired immunodeficiency syndrome  বা acquired immune deficiency syndrome.

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট 

৬৪.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়? 
  1. তাপমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল 
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
ব্যাখ্যা
ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
- বায়ুমণ্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমণ্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার। 
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়। 
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ। 
- ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে থাকে। 
- ট্রপোমণ্ডলের গভীরতা পৃথিবীর চারিদিকে সবসময় সমান থাকে না। ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে ও ঋতুভেদে এই গভীরতার পার্থক্য হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
ফোটনের বেগ-
  1. ক) শূন্য
  2. খ) ৩০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
  3. গ) ৩০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
  4. ঘ) ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়। আলোর বেগ ৩০০০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড অর্থাৎ ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র,
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,
ড. আমির হোসেন,
প্রফেসর মোহাম্মদ ইসহাক
এবং ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
৬৬.
যখন দুটি প্লেট একে অপরকে অতিক্রম করে যায়, তখন তাকে কী বলে?
  1. সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা
  2. অপসারী সীমা
  3. পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
ব্যাখ্যা
প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics) ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।
তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়। যথা: সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা, অপসারী সীমা ও পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।

সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা যখন একে অপরের দিকে অগ্রসরমান দুটি প্লেট কেন্দ্রাভিমুখী হয়ে অবশেষে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন একটি প্লেট অপরটির নিচে চাপা পড়ে। এই ধরনের প্লেট সংঘর্ষের ফলে পর্বতমালার সৃষ্টি হয় এবং প্লেট প্রান্তিকের আশেপাশে আগ্নেয়গিরির কর্মকান্ড সংঘটিত হয়।
অপসারী সীমা এই ক্ষেত্রে দুটি প্লেট একে অপরের থেকে সরে যেতে থাকে। এই ধরনের প্লেট সীমানার ফলে নতুন সমুদ্র তলদেশের এবং সামুদ্রিক আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।
পরিবর্তক চ্যুতি সীমা যখন দুটি প্লেট একে অপরকে অতিক্রম করে যায়, তখন তাকে পরিবর্তক চ্যুতি সীমা বলে। তিন ধরনের প্লেট বিচলনেই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৬৭.
স্পুটনিক-১ মহাকাশযান কোন দেশ তৈরি করেছে?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- স্পুটনিক ছিল একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহের একটি সিরিজ, যার প্রথমটি ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন(রাশিয়া) থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমেই শুরু হয় মহাকাশ যুগ।
- স্পুটনিক ১ ছিল বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ।
- এটি একটি ৮৩.৬ কেজি (১৮৪ পাউন্ড) ওজনের ধাতব ক্যাপসুল ছিল।
- এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকে—যার সর্বোচ্চ দূরত্ব (অ্যাপোজি) ছিল ৯৪০ কিমি এবং সর্বনিম্ন দূরত্ব (পেরিজি) ছিল ২৩০ কিমি।
- প্রতি ৯৬ মিনিটে এটি একবার করে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত।
- স্পুটনিক ১ প্রায় তিন মাস কক্ষপথে ঘুরে ১৯৫৮ সালের ৪ জানুয়ারি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে পুড়ে যায়।
- এই উৎক্ষেপণ আমেরিকানদের মাঝে প্রবল আলোড়ন তোলে—কারণ তারা ভাবত, যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়ে এগিয়ে।
- এই ঘটনার পর শুরু হয় মহাকাশ প্রতিযোগিতা, যা ঠান্ডা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৬৮.
চাঁদে কোন শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?
  1. ক) চাঁদে কোন জীব নেই তাই
  2. খ) চাঁদে কোন পানি নেই তাই
  3. গ) চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
  4. ঘ) চাঁদের মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
ব্যাখ্যা
চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই কোন শব্দ করলে তা শোনা যাবে না।
শব্দ শূণ্য মাধ্যমে প্রবাহিত হতে পারে না।

উৎস : বিবিসি
৬৯.
কোনটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হিসেবে পরিচিত?
  1. FPGA
  2. VLSI
  3. LSI
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হলো একটি ছোট চিপে হাজার হাজার বা মিলিয়ন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদান একত্রিত করা। FPGA হলো প্রোগ্রামেবল লজিক ডিভাইস যা বিভিন্ন ডিজাইন অনুযায়ী কনফিগার করা যায়। LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) হল বড় আকারের ইন্টিগ্রেশন প্রযুক্তি, যেখানে ক্রমশ আরও বেশি ট্রানজিস্টর একটি চিপে সংযুক্ত করা হয়।
- তাই FPGA, LSI এবং VLSI - তিনটিই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের উদাহরণ। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) সবগুলোই।

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সুবিধা সমূহ- 
১. এটি আকারে বেশ ছোট্ট। 
২. অনেক জটিল সার্কিট একটি একক চিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাই এটি একটি জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটের নকশাকে সহজতর করে। এছাড়াও এটি সার্কিটের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. আইসিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
৪. অধিক উৎপাদনের কারণে এগুলো কম খরচে পাওয়া যায়।
৫. আইসিগুলো খুব অল্প শক্তি গ্রহণ করে।
৬. প্যারাসাইটিক ক্যাপাসিট্যান্স প্রভাব না থাকায় এদের অপারেটিং গতি অনেক উচ্চ হয়।
৭. মূল সার্কিট থেকে খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

৭০.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্ব শুরুতে যা ছিল তাকে কী বলা হয়? 
  1. অনন্যতা
  2. হ্যাড্রন
  3. ডার্ক ম্যাটার 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
অনন্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনন্যতা
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory): 
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়। 
- ১৯৩১ সালে তিনি আরো প্রস্তাব করেন যে, প্রসারণশীল বিশ্বকে যদি সময়ের সাথে পিছিয়ে নেয়া হয়, তাহলে একটা বিন্দুতে উপনীত হতে পারা যায়, যেখানে মহাবিশ্বের সমস্ত ভর পুঞ্জীভূত ছিল, যাকে আদিম পরমাণু বলা যেতে পারে এবং এখান থেকেই স্থান-কালের উদ্ভব। 
- তাই জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে। 

- জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু গ্যালাক্সিসমূহ পরষ্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদূর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরষ্পরের খুব কাছাকাছি ছিল। 
অর্থাৎ, কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাং তত্ত্ব। 
- বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুর করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিগ ব্যাংয়ের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে ঘটেছিল। 
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাং বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ, বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে কিছুই ছিল না। 
- বিগ ব্যাং-এর পর 10-43 s পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা কেউ জানতে পারেনি, কিছুটা ধারণা পেয়েছে মাত্র। 
- মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল একটি অপরিমেয় ক্ষুদ্র, অসীম তাপ ও অসীম ঘনত্ববিশিষ্ট শক্তির উৎস থেকে যাকে বলা হয় অনন্যতা বা অদ্বৈত বিন্দু (Singularity)। এতে সব মৌলিক বলগুলো একত্রে একীভূত বল হিসেবে ছিল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
TMV এক ধরণের -
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
TMV (Tobacco Mosaic Virus)
- এ ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে সাদা সবুজ মোজাইকের মত সৃষ্টি করে বলে এদের টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বলা হয়।
- এটি একটি দন্ডাকৃতির RNA ভাইরাস।
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ।
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm (কারও কারও মতে ৩০০ nm) এবং প্রস্থ ১৫ nm (কারও কারও মতে ১৮ nm)।
- RNA এবং প্রোটিন দিয়ে টোবাকো মোজাইক ভাইরাসটি গঠিত।
-  এর বাইরে একটি পুরু প্রোটিনের আবরণ থাকে।
- এতে প্রায় ২২০০ ক্যাপসোমিয়ার থাকে ।
- প্রত্যেকটি ক্যাপসোমিয়ারে ১৫৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে।
- ক্যাপসিডের অভ্যন্তরে এক সূত্রক RNA কোর থাকে।
- RNA সূত্রটি ৬৫০০ নিউক্লিয়োটাইড দ্বারা গঠিত।
- ওজন এর দিক বিবেচনায় এর শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগই প্রোটিন।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭২.
মানুষের রক্তের PH কত?
  1. ক) ৭.১ - ৭.৪
  2. খ) ৭.২ - ৭.৪
  3. গ) ৭.৩ - ৭.৪
  4. ঘ) ৭.৪ - ৭.৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৩ - ৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৩ - ৭.৪
ব্যাখ্যা
রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
এর PH এর মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
মানবদেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
 স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। 
 
উৎস: প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৩.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম কী?
  1. ক) Wuchereria bancrofti
  2. খ) Mycobacterium tuberculosis
  3. গ) Vibrio cholerae
  4. ঘ) Polio Virus
সঠিক উত্তর:
খ) Mycobacterium tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mycobacterium tuberculosis
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম হচ্ছে Mycobacterium tuberculosis. 

যক্ষ্মা  Mycobacterium tuberculosis নামের জীবাণুঘটিত দীর্ঘস্থায়ী এক সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগ TB নামেও পরিচিত। যক্ষ্মা একটি প্রাচীন রোগ। সম্ভবত পঞ্চম শতকের প্রথম দিক থেকেই এটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যক্ষ্মা জীবাণুর বিভিন্ন জাত গৃহপালিত পশু ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটায়। এ রোগ সচরাচর ফুসফুসের ক্ষতি করে, কিন্তু শ্বাসতন্ত্র, অস্থি ও অস্থিসন্ধি, ত্বক, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্রও আক্রমণ করে। শ্বাসগ্রহণের সময় জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলেই সাধারণত সংক্রমণ ঘটে। দূষিত খাদ্যগ্রহণেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। যক্ষ্মাগ্রস্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে নির্গত কফ বা থুথুর কণাগুলি অন্যের শরীরে ও বাতাসে জীবাণু ছড়ায়। এসব জীবাণু বাতাসে, শুষ্ক কফ ও থুথুতে এবং ধূলাবালিতে দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকে। রোগটি অন্যদের তুলনায় একই পরিবারের লোকদের মধ্যে অধিক পরিমাণে সংক্রমিত হয়ে থাকে, কেননা এক পরিবারের সদস্যরা একই বাড়িতে বসবাস করে, একই টেবিলে খাবার খায় ও পরস্পরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসে, তবে যক্ষ্মা বংশানুক্রমিক নয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।


৭৪.
খাদ্যে প্রোটিনের অভাবে কোন রোগ হয়? 
  1. স্কার্ভি
  2. বেরিবেরি
  3. রিকেটস
  4. কোয়াশিওরকর
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিওরকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিওরকর
ব্যাখ্যা

• কোয়াশিওরক হলো একটি প্রোটিন-অভাবজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে দেখা যায় যারা পর্যাপ্ত প্রোটিনযুক্ত খাদ্য খায় না।  

- প্রোটিন হলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।
- এটি কোষ গঠন, অঙ্গপ্রতঙ্গ বৃদ্ধি, অ্যান্টিবডি ও হরমোন উৎপাদন, এনজাইম কার্যক্রম, এবং শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য অপরিহার্য।
- প্রোটিনের অভাব হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ এবং কোষ ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, এবং এর ফলে কিছু বিশেষ রোগ দেখা দেয়।

কোয়াশিওরকের প্রধান কারণ:
- খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের ঘাটতি।
- শিশুদের বৃদ্ধি পর্যায়ে পর্যাপ্ত দুধ বা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য না পাওয়া।

কোয়াশিওরকের লক্ষণসমূহ:
- পেশী কমজোরি হয়ে যায়।
- শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি ও ওজন ঠিকমতো হয় না।
- এডিমা বা শরীরে পানি জমে পেট ফোলা দেখা দেয়।
- চুল সহজে ছিঁড়ে যায়, ত্বক শুষ্ক ও ক্ষীণ হয়ে যায়।
- রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই।  

৭৫.
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান গ্যাস কোনটি? 
  1. আর্গন 
  2. অক্সিজেন 
  3. নাইট্রোজেন 
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন 
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ:
নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬.
অর্ধপরিবাহী পদার্থ কোনটি?
  1. ক) সোডিয়াম
  2. খ) গেলিয়াম
  3. গ) পটাসিয়াম
  4. ঘ) হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) গেলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গেলিয়াম
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী পদার্থ
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের।
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

-  পরম শূন্য তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহী পদার্থগুলো অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।
- অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
- এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
কোন খনিজ উপাদানের অভাবে রিকেটস রোগ হয়? 
  1. আয়রন
  2. পটাসিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম:  
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮.
পালসার কী? 
  1. ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
  2. ব্ল্যাক হোলের প্রকার
  3. গ্যালাক্সির কেন্দ্র
  4. সাদা বামন তারকা
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
ব্যাখ্যা

◉ পালসার (Pulsar) হলো একটি দ্রুত ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার, যা সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর তৈরি হয়। এরা অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র বহন করে এবং ঘূর্ণনের সময় থেকে রেডিও, এক্স-রে, গামা রে তরঙ্গ আকারে বিকিরণ নির্গত করে। এই বিকিরণ ঘূর্ণনের সাথে সাথে পৃথিবীর দিকে নিয়মিত বিরতিতে পৌঁছে, ফলে আমরা একে পালস (pulse) আকারে পাই। তাই নাম হয়েছে Pulsar.

​কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর:
- একটি তারকায় যদি যথেষ্ট ভর ও ঘনত্ব থাকে তাহলে তার মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এত শক্তিশালী হবে যে, আলো সেখান থেকে নির্গত হতে পারবে না। সেই তারকার পৃষ্ঠ হতে নির্গত আলো বেশি দূরে যাওয়ার আগেই তারকাটির মহাকর্ষীয় আকর্ষণ তাকে পেছনে টেনে নিয়ে আসবে। ঐ সব তারকা থেকে আলো আসতে পারে না বলে আমরা এদের দেখতে পাই না। তবে এদের মহাকর্ষ আকর্ষণ আমাদের বোধগম্য হবে, এই সমস্ত বস্তুপিণ্ডকে কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর বলে।

​ডার্ক ম্যাটার বা অদৃশ্য বস্তু:
- গ্যালাক্সিতে বিপুল পরিমাণ ভর রয়েছে যা মহাকর্ষ বল সরবরাহ করে কিন্তু কোনো তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ নিঃসরণ না করায় তা' দৃশ্যমান হয় না, এদেরকেই অদৃশ্য ভর বা ডার্ক ম্যাটার বলে। ধারণা করা হয় গ্যালাক্সিতে অদৃশ্য ভরের পরিমাণ দৃশ্যমান ভরের প্রায় দশগুণ।

​ডার্ক এনার্জি বা অদৃশ্য শক্তি:
- মহাবিশ্বে মহাকর্ষের বিপরীতে একটি বল ক্রিয়াশীল রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যা মহাবিশ্বের প্রসারণকে ত্বরান্বিত করছে। একে অদৃশ্য শক্তি বা ডার্ক এনার্জি বলা হয় ।

​নিউট্রন নক্ষত্র বা পালসার:
- কোনো নক্ষত্র যখন সুপারনোভা হিসেবে বিস্ফোরিত হয়, তখন এর কোর বা মূলবস্তুর চাপ এত বেশি হয় যে, প্রোটন ও ইলেকট্রন একত্রিত হয়ে নিউট্রন গঠন করে। তাই একে নিউট্রন নক্ষত্র বলা হয়। নিউট্রন নক্ষত্রের সাথে জড়িত থাকে অতি উচ্চ চৌম্বক ক্ষেত্র। এটি তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর রেডিওপাল্‌স বা বেতার স্পন্দন নির্গমন করে, তাই একে পালসার বলা হয়।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)

৭৯.
আপেক্ষিকতাবাদের আবিষ্কারক-
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
ক) আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
থিওরি অফ রিলেটিভিটি বা আপেক্ষিকতাবাদের প্রণেতা আলবার্ট আইনস্টাইন। নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় ধ্রুব - গতি নির্ভর নয়। কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় আপেক্ষিক, যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে। আপেক্ষিকতা অর্থ কোন কিছুর সাপেক্ষে। যেমন- আপেক্ষিক ভর বলতে কোন প্রসঙ্গ কাঠামো থেকে কোন স্থির পর্যবেক্ষক কোন বস্তুর ভর পরিমাপ করেন তা বোঝায়। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮০.
নিচের কোনটিতে PVC এর ব্যবহার হয়?
  1. ক) পানির পাইপ
  2. খ) প্লাস্টিক বোতল
  3. গ) দাঁতের ব্রাশ
  4. ঘ) প্লাস্টিক ব্যাগ
সঠিক উত্তর:
ক) পানির পাইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানির পাইপ
ব্যাখ্যা

- পানির পাইপ তৈরিতে PVC ব্যবহার করা হয়।
- প্লাস্টিক বোতল তৈরিতে পলিপ্রোপিন ব্যবহার করা হয়।
- দাঁতের ব্রাশ তৈরিতে নাইলন ৬ : ৬ ব্যবহার করা হয়।
- প্লাস্টিক ব্যাগ তৈরিতে পলিথিন ব্যবহার করা হয়।
[তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২৮৩।]

৮১.
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে-
  1. পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
  2. অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ
  3. ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্ষপাত হতে থাকে
  4. ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
ব্যাখ্যা
- বিষধর সাপের দুইটি বিষ দাঁত থাকে। 
- বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়- 
ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি
• ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা, 
• কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।
৮২.
মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু ও বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে কী বলা হয়? 
  1. গ্রহ মন্ডল 
  2. নীহারিকা
  3. সৌরজগৎ
  4. গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্সি
ব্যাখ্যা

গ্যালাক্সি (Galaxy):
- মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু ও বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে।
- মহাকাশে একশত বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে ।
- এদের বিভিন্ন আকার ও আকৃতি রয়েছে, তবে এদের অধিকাংশই সর্পিলাকার বা উপবৃত্তাকার।
- সর্পিলাকার গ্যালাক্সিগুলো বৃহৎ আকৃতির এবং উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সিগুলো বেশি উজ্জ্বল।
- এরা পরস্পর ব্যাপক ব্যবধানে অবস্থিত।
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮৩.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ধারণ ক্ষমতা কত ডিবি?
  1. ৪৫-৫৫ ডিবি
  2. ৩৫-৪৫ ডিবি
  3. ৫৫-৬৫ ডিবি
  4. ২৫-৩৫ ডিবি
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
- যে কোনো বস্তুতে ঘর্ষণের ফলে এক ধরনের তরঙ্গ ধ্বনির সৃষ্টি হয়। এই তরঙ্গ ধ্বনি মূলত এক প্রকার শক্তি। 
- এই তরঙ্গ শক্তি মানুষের কানে প্রবেশ করে শ্রবণ অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে আমরা শুনতে পাই। একে শব্দ বলে। 
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ধারণ ক্ষমতার ঊর্ধ্বে সৃষ্ট যে শব্দ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাকে শব্দ দূষণ বলে। 
-  National Center for Environmental Health (NCEH) এর তথ্যমতে, মানুষের শব্দ গ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪৫-৫৫ ডেসিবল। 

 
উৎস: National Center for Environmental Health (NCEH) এবং পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে কত গুণ বড়?
  1. ১৩ গুণ
  2. ১৩০ গুণ
  3. ১৩০০ গুণ
  4. ১৩০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি (নাসার তথ্য অনুসারে ৯৫টি)।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮৫.
বিজ্ঞানে ‘ঈশ্বর কণা’ হিসেবে কোন কণাটি পরিচিত?
  1. হিগস বোসন কণা
  2. লেপটন কণা
  3. নিউট্রন কণা
  4. মেসন কণা
সঠিক উত্তর:
হিগস বোসন কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিগস বোসন কণা
ব্যাখ্যা

•  বিজ্ঞানে ‘ঈশ্বর কণা’ হিসেবে পরিচিত হিগস বোসন কণা। কারণ এটি অন্যান্য কণার ভর উৎপন্ন করতে সাহায্য করে।

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। 
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়। 
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৬.
এক্সোমণ্ডলে কোন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়? 
  1. আর্গন ও নাইট্রোজেন 
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেন 
  3. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন 
  4. হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা

এক্সোমণ্ডল (Exosphere): 
- তাপমণ্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত যে বায়ুর স্তর আছে, তাকে এক্সোমণ্ডল বলে। 
- এক্সোমণ্ডলে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়। 

এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এক্সোমণ্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়, এটি ক্রমান্বয়ে ইন্টারপ্লানেটারি স্পেসে প্রবেশ করে। 
- এই স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। 
- এই স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেন না মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলাে সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৭.
বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের উপস্থিতির ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.৮০ শতাংশ
  3. নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
  4. অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.৮০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.৮০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস: ০..০২ শতাংশ
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৮৮.
চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে বলে-
  1. মহাসাগর
  2. উপসাগর
  3. হ্রদ
  4. সাগর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা
• চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে হ্রদ বলে।

- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere.
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমন্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর এবং হ্রদ।
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯০ ভাগ রয়েছে সমুদ্রে।
- পৃথিবীতে মোট ৫টি মহাসাগর রয়েছে।
- আয়তন ও গভীরতার দিক দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর সর্ববৃহৎ।
- তিন দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ধারণ ক্ষমতা কত ডিবি?
  1. ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
  2. খ) ৩৫ - ৪৫ ডিবি
  3. গ) ৫৫ - ৬৫ ডিবি
  4. ঘ) ২৫ - ৩৫ ডিবি
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
• যে কোনো বস্তুতে ঘর্ষণের ফলে এক ধরনের তরঙ্গ ধ্বনির সৃষ্টি হয়। এই তরঙ্গ ধ্বনি মূলত এক প্রকার শক্তি । এই তরঙ্গ শক্তি মানুষের কানে প্রবেশ করে শ্রবণ অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে আমরা শুনতে পাই। একে শব্দ বলে।
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ধারণ ক্ষমতার ঊর্ধ্বে সৃষ্ট যে শব্দ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাকে শব্দ দূষণ বলে।
-  National Center for Environmental Health (NCEH) এর তথ্যমতে, মানুষের শব্দ গ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪৫-৫৫ ডেসিবল। 


উৎস:  National Center for Environmental Health (NCEH) এবং পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
হৃৎপিন্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলা হয়-
  1. ক) সিস্টোল
  2. খ) ডায়াস্টোল
  3. গ) হাইপারটেনশন
  4. ঘ) কেনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়াস্টোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়াস্টোল
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে। হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।
উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
৯১.
দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী?
  1. পাইরোমিটার
  2. ল্যাকটোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. ফ্যাদোমিটার
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোমিটার
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯২.
উচ্চতা বাড়লে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা কী হয়? 
  1. হ্রাস পায়
  2. বৃদ্ধি পায় 
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
জলবায়ু: 
- জলবায়ু হলো কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা। 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ। 
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি। 

উচ্চতা: 
- উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়। 
- সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। 
- উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়। 
যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার ভিন্নতার জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম হয়। দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা অনেক কম। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩.
কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ক্ষুদ্রান্ত্রের কোন অংশে ঘটে?
  1. ডিওডেনামে
  2. ইলিয়ামে
  3. মলাশয়ে
  4. জেজুনামে
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। 
যথা - 
১। ডিওডেনাম, 
২। জেজুনাম ও 
৩। ইলিয়াম। 

- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে। 
- অম্লধর্মী পাকমণ্ড পাকস্থলি থেকে ডিওডেনামে প্রবেশ করলে যকৃত থেকে নিঃসৃত ও পিত্তথলিতে সঞ্চিত পিত্তরস নালিপথে ডিওডেনামে প্রবেশ করে ক্ষারীয় মাধ্যম সৃষ্টি করে। 
- অন্যদিকে অগ্ন্যাশয় থেকে রস নিঃসৃত হয়ে পাকমণ্ডের অম্লত্বের প্রশমন ঘটায়। 
- অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমসমূহ এ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে পরিপাকে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
রক্তের লাল রঙের জন্য কোন পদার্থ দায়ী?
  1. রেনিন
  2. প্লাজমা 
  3. লিউকোসাইট
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা

রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ ৯২% পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের - সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৫.
নিচের কোনটি ধাতব খনিজ নয়?
  1. লোহা
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. নিকেল
  4. গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদের ধাতব খনিজ বলে।
বিভিন্ন প্রকার ধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- লোহা
- ম্যাঙ্গানিজ
- নিকেল
- তামা
- টিন
- সোনা
- রূপা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে।
অধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- গ্রাফাইট
- জিপসাম
- কয়লা
- সালফার
- অভ্র প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল : দ্বিতীয়পত্র)
৯৬.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করতে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. ওডোমিটার
  2. ট্যাকোমিটার
  3. অডিওমিটার
  4. ম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করতে অডিওমিটার ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে, 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৯৭.
একটি সাধারণ বিটা কণাকে থামানো যায় কোনটির দ্বারা?
  1. ক) একটা কাগজের পৃষ্ঠা দ্বারা
  2. খ) কয়েক মিলিমিটার পুরু সিসার পাত দ্বারা
  3. গ) কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সিসার পাত দ্বারা
  4. ঘ) কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা
ব্যাখ্যা
আলফা কণা পদার্থের ভেতর দিয়ে বেশি দূর যেতে পারে না। একটা কাগজ দিয়েই আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায়। বিটা কণা বা ইলেকট্রনের ভেদনক্ষমতা অনেক বেশি। কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা একটি সাধারণ বিটা কণাকে থামানো সম্ভব। আলফা বা বিটা কণার সমান গামা রশ্মিকে থামাতে কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সিসার পাতের দরকার হয়।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৯৮.
নিচের কোনটি প্রকৃতিতে প্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়?
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) সীসা
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
ব্যাখ্যা

প্লাটিনাম এবং সোনা দুইটি প্রায় অসক্রিয় ধাতু। এদের অবস্থান ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজের একেবারে নিচে। তাই পারতপক্ষে অন্য কোনো মৌলের সাথে এরা বিক্রিয়া করতে চায় না।
তাই প্রকৃতিতে এদের প্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৯৯.
'স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন' চাষাবাদ হলো -
  1. জমিতে সার দেওয়া হয়
  2. জমিতে পানি দেওয়া হয়
  3. জল-চাষ মৃত্তিকাবিহীন কৃষি
  4. পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
ব্যাখ্যা
• স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন:
- এটি একটি পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম) পদ্ধতি।

- স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন কৃষি এমন একটি চাষ পদ্ধতি, যেখানে বনভূমিকে প্রথমে কেটে ফেলা হয় এবং পরে পুড়িয়ে ফেলে জমিকে চাষের উপযোগী করা হয়।
- এই পদ্ধতি সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে দেখা যায়, যেখানে মূলত ছোট কৃষকরা এটি ব্যবহার করেন।
- দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় এটি পশু চরানোর জন্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে শুকনো ধান চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পুড়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট ছাই কিছু পরিমাণে সার হিসেবে কাজ করে এবং চাষের জমিকে আগাছামুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
- তবে কয়েক বছর চাষের পর মাটির উর্বরতা কমে আসে এবং জমিতে আগাছার বৃদ্ধি ঘটে, ফলে সেই জমি কিছু সময়ের জন্য পরিত্যক্ত রাখা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, বাংলাপিডিয়া।
১০০.
নিচের কোন গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই?
  1. বুধ
  2. বৃহস্পতি
  3. মঙ্গল
  4. পৃথিবী
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা
গ্রহ: 
- গ্রহসমূহ সাধারণত গোলাকৃতির, গ্রহগুলোতে বিভিন্ন গ্যাসীয় পদার্থ রয়েছে। 
- কিন্তু গ্রহগুলো নিজেরা শক্তি উৎপাদন করে না, তাই কোনো গ্রহ নিজে আলো বা তাপ নিঃসরণ করে না। 
- পৃথিবী থেকে সূর্যের অন্যান্য গ্রহকে উজ্জ্বল দেখালেও এগুলো আসলে সূর্যের আলোতে আলোকিত। 
- সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ। 
যেমন- 
বুধ: 
- বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ। 
- বুধ গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। 

শুরু: 
- পৃথিবী থেকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা এবং ভোরবেলায় শুকতারা রূপে যে তারাটি দেখা যায়, সেটি কোনো নক্ষত্র নয়। এটি আসলে সূর্যের একটি গ্রহ, যার নাম শুক্র। 
- সূর্যের আলো এ গ্রহের উপরে পড়ে, তাই একে আলোকিত দেখা যায়। 

পৃথিবী: 
- কেবল পৃথিবীতেই জীবনের জন্য উপযোগী উপকরণ ও পরিবেশ রয়েছে। 
- পৃথিবী সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে তৃতীয় গ্রহ। 

মঙ্গল: 
- মঙ্গলকে কখনো কখনো লাল গ্রহ বলা হয় কারণ এর পৃষ্ঠ লাল রঙের। এর পৃষ্ঠ ধূলিময় এবং খুবই পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে। 
- মঙ্গলের মাটির নিচে পানি থাকার সম্ভাবনা আছে বলে বিজ্ঞানীরা এখন মনে করেন। 

বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সূর্যের সবচেয়ে বড়ো গ্রহ। 
- এটিতে শুধু গ্যাসই রয়েছে, কোনো কঠিন পৃষ্ঠ নেই। 

শনি: 
- শনি গ্রহটিও কেবল গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটিকে ঘিরে কতগুলো রিং বা আংটা রয়েছে। 

ইউরেনাস: 
- ইউরেনাস গ্যাস ও বরফ দিয়ে গঠিত। 

নেপচুন: 
- নেপচুনও অনেকটা ইউরেনাসের মতো একটি গ্রহ। 
- এছাড়া প্লুটো নামক একটি জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলা হতো। কিন্তু ২০০৬ সালে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত নেন যে, এটি একটি ক্ষুদ্র অসম্পূর্ণ গ্রহাণু। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।