বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৭২ / ৮২ · ৭,১০১৭,২০০ / ৮,১৪১

৭,১০১.
কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে কী বোঝায়?
  1. র‍্যাম ও রম
  2. রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরি
  3. হার্ড ডিস্ক ও এসএসডি
  4. পেন ড্রাইভ ও মেমরি কার্ড
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরি
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১০২.
কোনটি কম্পিউটারের “ব্রেন” হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. RAM
  2. Hard disk
  3. CPU
  4. GPU
সঠিক উত্তর:
CPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের “ব্রেন” হিসেবে CPU (Central Processing Unit) বিবেচিত হয়। এটি মূলত কম্পিউটারের সকল গণনা ও নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণের কেন্দ্রবিন্দু। CPU কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ যেমন RAM, Hard Disk, GPU থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং নির্দেশ অনুযায়ী সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। এতে Arithmetic Logic Unit (ALU) ও Control Unit (CU) থাকে, যা গাণিতিক ও যৌক্তিক কার্য সম্পাদন এবং নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। RAM হলো সাময়িক তথ্যসংরক্ষণ, Hard Disk হলো স্থায়ী তথ্যসংরক্ষণ, আর GPU বিশেষভাবে গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, কম্পিউটারের সিদ্ধান্ত নেওয়া ও কাজ সম্পাদনের মূল ক্ষমতা CPU-এর মধ্যে কেন্দ্রীভূত।

উত্তর: গ) CPU.


• সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
1. ALU (Arithmetic Logic Unit),
2. Control Unit,
3. Memory/Register.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৭,১০৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস নয় -
  1. ক) Sircam
  2. খ) Stuxnet
  3. গ) Nimda
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Sircam, Stuxnet, Nimda - হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাসের  উদাহরণ। 

- VIRUS এর পূর্ণরূপ হল-Vital Information and Resources Under Siege.  
- ১৯৮৩ সালে ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমন করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস এমন এক ধরনের ফাইল বা প্রোগ্রাম যেগুলো কম্পিউটারের স্বাভাবিক ফাইল বা প্রোগ্রামকে নষ্ট করে দিতে পারে।
- ইহা ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতীত নিজেরা নিজেদের কপি তৈরি করতে পারে।
- সাধারণত সিডি, পেনড্রাইভ ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়ে।

নিম্নে অন্যান্য কম্পিউটার ভাইরাসের নামসমূহ- 
Alive.3400 virus
Apstrojan.qa trojan
Badtrans trojan virus
Blaster worm
Cap virus
CIH virus
E-Morph virus
Excel/Laroux virus
Flor virus
KAK virus
Live Stages virus
Lonely hearts trojan virus
Love letter virus
Melissa virus
Mutation virus engine
Nakedwife virus
Nimda virus
NYB virus
OVER 1644 virusResume worm
Satan Bug Natas virus
Sircam virus
Stoned Empire Monkey virus
Stuxnet
Sulfnbk virus
VBS/Gnutella worm
VBS/SST@MM script virus

সূত্র: Computer Hope Website [লিঙ্ক]



৭,১০৪.
RFID কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. পণ্য বা ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য
  2. তথ্য সুরক্ষার পাসওয়ার্ড তৈরি করার জন্য
  3. ফাইল কম্প্রেস করার জন্য
  4. ভাইরাস স্ক্যান করার জন্য
সঠিক উত্তর:
পণ্য বা ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্য বা ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য
ব্যাখ্যা
পণ্য বা ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য RFID ব্যবহৃত হয়।

• RFID
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification.
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়ে থাকে।
- এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়। সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন, গরু-ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

• এর কিছু ব্যবহার নিম্নরূপ:
- কোনো প্রাণীট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- সুক্ষ আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলেই অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৭,১০৫.
কম্পিউটারের মেমোরি বা স্মৃতিভাণ্ডারের ধারণ ক্ষমতার একক কোনটি?
  1. ক) বিট
  2. খ) বাইট
  3. গ) নিম্বল
  4. ঘ) হার্জ
সঠিক উত্তর:
খ) বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাইট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মেমােরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমােরির ধারণক্ষমতা বলা হয়। মেমােরির ধারণ ক্ষমতার একক হলাে বাইট। আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট। বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট। বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার মেমােরির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের এককগুলাে হলাে- কিলােবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। নিচে এদের মধ্যে সম্পর্ক দেখানাে হলাে।

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট
২০ বা ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট
৩০ বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
৪০ বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৭,১০৬.
ডাটাবেজ থেকে দ্রুত তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি সহায়তা করে?
  1. ফরম্যাটিং
  2. ইনডেক্সিং
  3. কম্প্রেশন
  4. এনক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ইনডেক্স করে রাখতে হয়।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর। সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১০৭.
ডেটাবেজকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ হল কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহ। উপাত্তকে একটি উপাত্ত মডেল অনুসারে সাজিয়ে এই কাঠামোটি অর্জন করা হয়।
ডেটাবেজকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- Relational Database ও NoSQL
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি

৭,১০৮.
ইনপুট ডেটা যদি প্রায় সাজানো (Nearly Sorted) থাকে, তবে নিচের কোন সর্টিং অ্যালগরিদমটি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করবে?
  1. Selection Sort
  2. Merge Sort
  3. Quick Sort
  4. Insertion Sort
সঠিক উত্তর:
Insertion Sort
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insertion Sort
ব্যাখ্যা

Insertion Sort একটি 'অ্যাডাপ্টিভ' অ্যালগরিদম হিসেবে পরিচিত। যখন ডেটাগুলো ইতোমধ্যে প্রায় সাজানো থাকে, তখন এই অ্যালগরিদমটিকে খুব কম সংখ্যক এলিমেন্ট সরাতে বা তুলনা করতে হয়। এই অবস্থায় এর টাইম কমপ্লেক্সিটি দাঁড়ায় O(n), যা অন্য যেকোনো সাধারণ সর্টিং অ্যালগরিদমের চেয়ে দ্রুততর।

• ইনসার্শন সর্টের (Insertion Sort) বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ডেটা সাজানো থাকলে এটি সেরা পারফরম্যান্স, Best Case: O(n) প্রদান করে।
- এটি একটি ইন-প্লেস (In-place) সর্টিং অ্যালগরিদম, অর্থাৎ এটি বাড়তি মেমরি ব্যবহার করে না।
- ছোট ডেটাসেট বা প্রায় সাজানো ডেটার জন্য এটি মার্জ সর্ট বা কুইক সর্টের চেয়েও কার্যকর।
- এটি একটি স্টেবল (Stable) সর্টিং পদ্ধতি, যা সমান মানের ডেটার আসল অবস্থান বজায় রাখে।

• Big-O notation:
- অ্যালগরিদমের দক্ষতা বা জটিলতা প্রকাশের জন্য Big-O notation ব্যবহার করা হয়।
- O(1): কনস্ট্যান্ট টাইম (ইনপুট যাই হোক, সময় একই লাগবে)।
- O(n): লিনিয়ার টাইম (ইনপুট বাড়লে সময়ও সমানুপাতিক হারে বাড়বে)।
- O(n2): কোয়াড্রাটিক টাইম (ইনপুট দ্বিগুণ হলে সময় চারগুণ বাড়বে)।
- এটি মূলত একটি ফাংশনের গ্রোথ রেট (Growth Rate) প্রকাশ করে।

অন্যান্য অপশন: 
- Selection Sort: এটি ডেটা সাজানো থাকলেও প্রতিবার পুরো লিস্ট স্ক্যান করে ক্ষুদ্রতম মান খোঁজে, তাই এটি সবসময় O(n2) সময় নেয়।
- Merge Sort: এটি সব পরিস্থিতিতেই ডেটাকে সমানভাবে ভাগ করে প্রসেস করে, ফলে প্রায় সাজানো ডেটার জন্য বাড়তি সুবিধা দেয় না এবং O(n log n) সময় নেয়।
- Quick Sort: প্রায় সাজানো ডেটার ক্ষেত্রে কুইক সর্ট যদি সঠিক পিভট নির্বাচন করতে না পারে, তবে এর গতি ধীর হয়ে O(n2) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

৭,১০৯.
কোন ডিভাইসের মাধ্যমে অ্যানালগ সংকেত ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. স্যুইচ
  2. মডেম
  3. রাউটার
  4. রিপিটার
সঠিক উত্তর:
মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডেম
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): 
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC-Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC-Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে ।
- প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা ও তথ্য প্রেরণ করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে।
- গ্রাহক কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে তা কম্পিউটারের ব্যবহারোপযোগী করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইন থেকে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন (Demodulation) বলে ।
- কাজেই প্রেরক বা প্রাপক হিসাবে ব্যবহৃত যে ডিভাইস বা যন্ত্র ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্যে উৎস ও গন্তব্যের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে মডেম বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭,১১০.
নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) MICR
  2. খ) OCR
  3. গ) OMR
  4. ঘ) OICR
সঠিক উত্তর:
গ) OMR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) OMR
ব্যাখ্যা
১. অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical mark recognizer) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
২. এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম যারা স্ক্যান করে সমতূল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
৩. বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর–এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্ক্যানিং করে।
৪. নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে OMR ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটা বিপুল পরিমাণ তথ্য অতিদ্রুত পাঠ করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, এসএসসি ও দাখিল(ভোকেশনাল)
৭,১১১.
"111110" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
  1. 58
  2. 59
  3. 61
  4. 62
সঠিক উত্তর:
62
উত্তর
সঠিক উত্তর:
62
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "111110" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
 
সমাধান:
(111110)2
(1 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
= (1 × 32) + (1 × 16) + (1 × 8) + (1 × 4) + (1 × 2) + (0 × 1)
= 32 + 16 + 8 + 4 + 2 + 0
= 62
 
∴ (111110)2 = (62)10
৭,১১২.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) ডিস্ক ফ্রাগমেন্টেটর
  3. গ) ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  4. ঘ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
খ) ডিস্ক ফ্রাগমেন্টেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিস্ক ফ্রাগমেন্টেটর
ব্যাখ্যা
ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor  ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১১৩.
The main memory of a computer system is -
  1. ক) Volatile
  2. খ) Non-volatile
  3. গ) Restricted
  4. ঘ) Unrestricted
সঠিক উত্তর:
ক) Volatile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Volatile
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের প্রধান মেমোরির হচ্ছে র‍্যাম (RAM).

র‍্যাম (RAM)

- RAMএর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়।

র‍্যামের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১ . র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory)।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। 
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় সমান।

সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২। ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১১৪.
নিচের কোনটি একটি শীর্ষস্থানীয় হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) Seagate
  2. খ) Fujitsu
  3. গ) Samsung
  4. ঘ) Lenovo
সঠিক উত্তর:
ক) Seagate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Seagate
ব্যাখ্যা
Seagate, Toshiba বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
৭,১১৫.
Which of these is not an RDBMS software?
  1. Oracle
  2. Microsoft Access
  3. SQL Server
  4. Microsoft Word
সঠিক উত্তর:
Microsoft Word
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Word
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Microsoft Word

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১১৬.
নিচের কোনটি Stack ডেটা স্ট্রাকচারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) FIFO list
  2. খ) LIFO list
  3. গ) Piles
  4. ঘ) Push-down lists
সঠিক উত্তর:
ক) FIFO list
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) FIFO list
ব্যাখ্যা
Stack ডেটা স্ট্রাকচার বলতে এমনভাবে ডেটা সাজানোকে বুঝায়, যেখানে ডেটাগুলোকে স্তুপ আকারে একটার উপর একটা রাখা হয় এবং নেওয়ার সময় প্রথমে উপর থেকে এক এক করে নেওয়া হয়। অর্থাৎ, যে ডেটা পরে রাখা হবে সেটা প্রথমে বের করা হয়, যাকে বলে (LIFO) পদ্ধতি।
৭,১১৭.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফট্ওয়্যার নয়?
  1. ক) DOS
  2. খ) Edge
  3. গ) Apple iOS
  4. ঘ) UNIX
সঠিক উত্তর:
খ) Edge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Edge
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম:
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। 
এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। 
কম্পিউটারের আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। 
 
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো DOS, WINDOWS, UNIX, LINUX, Mac OS,Apple iOS, Android  ইত্যাদি। 
অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে। অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা। 
 
অন্যদিকে Microsoft Edge  হলো ওয়েব ব্রাউজার।  
 
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,১১৮.
ASCII-8 এর মাধ্যমে কয়টি চিহ্ন প্রকাশ করা যায়?
  1. ৫১২টি
  2. ২৫৬টি
  3. ১২৮টি
  4. ১০২৪টি
সঠিক উত্তর:
২৫৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫৬টি
ব্যাখ্যা
অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১১৯.
হার্ডওয়‍্যার পার্ট গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে-
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. এপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. স্প্রেডশীট সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার হার্ডওয়‍্যার পার্ট গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
স্প্রেডশীট সফটওয়্যার,ডাটাবেজ সফটওয়্যার এগুলো হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার।

সফটওয়্যার:
সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে।
সফটওয়‍্যারের উদাহরণগুলো হলো: DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player, ইত্যাদি ।

• সিস্টেম সফটওয়‍্যার:
এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
উদাহরণ:-
- Windows OS (windows 8, 7, 10),
- Mac OS,
- Android,
- Anti virus (Avast, quick heal, Kaspersky),
- Computer language translators,
- Linux OS, UNIX, SUN Solaris DCompiler,
- Disk cleaner,
- Disk compression/File compression,
- Backup utility software,
- Network management software.

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।
২। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১২০.
উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে কোনটি?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
যে প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।

- অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
- অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- অন্যদিকে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামের জন্য কোনো অনুবাদকের প্রয়োজন পড়ে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
৭,১২১.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ফাইল ক্লোজ করার জন্য কী চাপতে হয়?
  1. Ctrl + S
  2. Alt + F4
  3. Ctrl + E
  4. Alt + E
সঠিক উত্তর:
Alt + F4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alt + F4
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম সফটওয়্যার যার সাহায্যে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি, পূর্বে তৈরিকৃত ডকুমেন্টে পরিবর্তন করা যায়।
এতে ফাইল সেভ করার শর্টকাট হিসেবে Ctrl + S চাপতে হয়।
এতে ফাইল ক্লোজ করতে Alt + F4 চাপতে হয়।
ডকুমেন্টে সেন্ট্রাল এলাইনমেন্টের জন্য Ctrl + E চাপতে হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,১২২.
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককে কী বলে?
  1. স্টার্টআপ ডিস্ক
  2. সিডি
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. স্মৃতি
সঠিক উত্তর:
স্টার্টআপ ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার্টআপ ডিস্ক
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককে স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।

• সিস্টেম সফট্ওয়্যারের কাজ:
- কম্পিউটারের সূইচ অন করার পর অপারেটিং সিস্টেম দেখে নেয় কম্পিউটারের র‍্যামে কি পরিমাণ জায়গা আছে।
- এরপর স্টার্টআপ ডিস্ক (Startup Disc) খুঁজে বের করে এবং ডিস্ক থেকে সিস্টেম ফাইলের প্রয়োজনীয় অংশ RAM-এ নিয়ে আসে।
- কী-বোর্ড, ডেস্ক এক্সেসরিজ ইত্যাদির প্রয়োজনীয় নির্দেশমালা অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় চলে আসে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ পরিচালনার জন্য আবারও স্টার্টআপ ডিস্ক থেকে প্রিন্টার ও অন্যান্য যন্ত্রাদির সাথে তথ্য বিনিময়ের জন্য রিসোর্সগুলো নিয়ে আসে।
- সমস্ত প্রস্তুতি শেষ হলে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর নির্দেশের অপেক্ষাতে থাকে।
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১২৩.
কম্পিউটার সিস্টেমে Physical address কোথায় থাকে?
  1. ALU
  2. Memory unit
  3. Control Unit
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
Memory unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Memory unit
ব্যাখ্যা
- The basic difference between Logical and physical address is that Logical address is generated by CPU in perspective of a program whereas the physical address is a location that exists in the memory unit.
- The logical address does not exist physically in the memory whereas physical address is a location in the memory that can be accessed physically.
- The logical address is generated by the CPU while the program is running whereas the physical address is computed by the Memory Management Unit (MMU).
৭,১২৪.
প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা কোথায় সঞ্চিত থাকে?
  1. Clipboard
  2. Hard Disk
  3. Recycle Bin
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
Clipboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clipboard
ব্যাখ্যা
• ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেট ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।

উৎস: Computer Hope Website.
৭,১২৫.
কে সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করেছিলেন?
  1. Ted Hoff
  2. Charles Babbage
  3. Alan Turing
  4. Wilhelm Leibniz
সঠিক উত্তর:
Ted Hoff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ted Hoff
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ক) Ted Hoff।

মাইক্রোপ্রসেসর, যা একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) এক চিপে ধারণ করে, প্রথম উদ্ভাবন করেন টেড হফ (Ted Hoff)। ১৯৭১ সালে ইন্টেলের ৪০০৪ মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা হয়, যা বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে পরিচিত। এটি ছোট আকারের চিপে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করেছিল, যা কম্পিউটারকে আরও সাশ্রয়ী এবং বহনযোগ্য করতে সাহায্য করে। অন্যরা যেমন চার্লস বাবেজ বা আলান টুরিং প্রাথমিক কম্পিউটার ধারণা বা তত্ত্ব তৈরি করেছিলেন, কিন্তু বাস্তব মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন টেড হফের নামের সঙ্গে সংযুক্ত। তাই মাইক্রোপ্রসেসরের ইতিহাসে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
​মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

​এছাড়াও, 
​Charles Babbage: তাঁকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক (Father of Computer), কারণ তিনি ১৯শ শতকে Analytical Engine-এর নকশা করেন।
Alan Turing: তিনি ছিলেন আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রণেতা, এবং টিউরিং মেশিন ধারণা দেন।
Wilhelm Leibniz: তিনি একজন গণিতবিদ ও দার্শনিক, যিনি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (binary system)-এর ভিত্তি তৈরি করেন।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.

৭,১২৬.
ডেটাবেজ প্রোগ্রামের প্রচলন হয় কবে থেকে?
  1. ক) পঞ্চাশের দশকে
  2. খ) ষাটের দশকে
  3. গ) সত্তরের দশকে
  4. ঘ) আশির দশকে
সঠিক উত্তর:
খ) ষাটের দশকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ষাটের দশকে
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ হলো তথ্যভান্ডার যেখানে তথ্য সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহার করা যায়। ষাটের দশকে প্রথম ডেটাবেজ প্রোগ্রামের প্রচলন হয়। ১৯৬০ সালে চার্লস ডব্লিউ বাকম্যান ''ইন্টিগ্রেটেড ডেটাবেজ সিস্টেম'' প্রচলন করেন। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ১৯৬৮ সালে আইবিএম প্রথম ''ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা আইএমএস'' তৈরী করে। (সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম শ্রেণী; ব্রিটানিকা)
৭,১২৭.
যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে তাদের কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. অপারেটিং সফটওয়্যার
  3. ডিভাইস ড্রাইভার
  4. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ডিভাইস ড্রাইভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিভাইস ড্রাইভার
ব্যাখ্যা

ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১২৮.
RAM কোথায় থাকে?
  1. ক) কী-বোর্ডে
  2. খ) মনিটরে
  3. গ) সিপিইউতে
  4. ঘ) প্রিন্টারে
সঠিক উত্তর:
গ) সিপিইউতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিপিইউতে
ব্যাখ্যা
• RAM সিপিইউতে থাকে।
- RAM হচ্ছে প্রধান স্মৃতি অংশ (Main Memory Unit).
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- এ ধরনের মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১২৯.
রোবট সোফিয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. ক) আইবিএম রোবোটিক্স ইউনিট
  2. খ) স্যামসাং রোবোটিক্স
  3. গ) হ্যানসন রোবোটিক্স
  4. ঘ) ফুজিৎসু রোবোটিক্স
সঠিক উত্তর:
গ) হ্যানসন রোবোটিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হ্যানসন রোবোটিক্স
ব্যাখ্যা
হ্যানসন রোবোটিক্স ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সালে সোফিয়া নামের রোবট চালু করে।
৭,১৩০.
"Differential Analyzer" কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. অ্যানালগ কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• "Differential Analyzer" হলো একটি অ্যানালগ কম্পিউটার। এটি গাণিতিক সমীকরণ সমাধানে ব্যবহৃত যন্ত্র যা মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের সমাধান করতে পারে। এই কম্পিউটার ডিজিটাল সংকেত নয়, বরং ধারাবাহিক পরিবর্তনশীল অ্যানালগ সিগন্যাল ব্যবহার করে কাজ করে। Differential Analyzer মূলত ম্যাকানিক্যাল যন্ত্রাংশ এবং ইলেকট্রনিক অংশের সমন্বয়ে গঠিত, যা সমীকরণের পরিবর্তনশীল মানকে ফিজিক্যালি মডেল করে সমাধান বের করে। এটি ডিজিটাল কম্পিউটার যেভাবে বাইনারি কোড ব্যবহার করে কাজ করে না, বরং ধারাবাহিক মানের উপর নির্ভরশীল। অতএব, Differential Analyzer হলো একটি অ্যানালগ কম্পিউটার।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৩১.
অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতিতে 177-এর পরবর্তী সংখ্যা কোনটি?
  1. ক) 100
  2. খ) 170
  3. গ) 200
  4. ঘ) 270
সঠিক উত্তর:
গ) 200
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 200
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতিতে ০-৭ অঙ্ক ব্যবহার করা হয় তাই ৭ এর পরের সংখ্যা হবে ১০ এভাবে ১৭৭ এর পরের সংখ্যা হবে ২০০।
৭,১৩২.
‘বারকোড রিডার’ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কোথায়?
  1. এডমিশন টেস্টে
  2. বিভিন্ন ব্যাংকে
  3. মেডিকেল ল্যাবে
  4. সুপার মার্কেটে
সঠিক উত্তর:
সুপার মার্কেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপার মার্কেটে
ব্যাখ্যা

- বারকোড রিডার একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস।
- বারকোড বলতে কম বেশি চওড়া বিশিষ্ট পর্যায়ক্রমে কতগুলো বার বা রেখার সমাহারকে বোঝায়।
- একে ইউনিভার্সাল প্রোডাক্ট কোডও বলা হয়।
- দোকান থেকে বিক্রিত জিনিসের প্যাকেটের উপর বার কোডের সাহায্যে জিনিসের নাম, নির্মাণকারীর নাম এবং মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।
- তাই বারকোড রিডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় সুপার মার্কেটে।

৭,১৩৩.
কোনটি সিপিইউ-এর অংশ নয়?
  1. ALU
  2. Mouse
  3. Control Unit
  4. Register
সঠিক উত্তর:
Mouse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mouse
ব্যাখ্যা
তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU গঠিত -
- ALU (Arithmetic Logic Unit),
- Control Unit এবং
- Memory/Register.
- ডেটা কোথায় যাবে, কি করবে, কখন যাবে এইসব জিনিস নিয়ন্ত্রণ করে কন্ট্রোল ইউনিট।
- রেজিস্টার অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৩৪.
সি ল্যাঙ্গুয়েজে কোন বন্ধনীর ভিতর প্রোগ্রাম রচনা করা হয়?
  1. [ ]
  2. { }
  3. ()
  4. < >
সঠিক উত্তর:
{ }
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{ }
ব্যাখ্যা
- <stdio.h> হল প্রোগ্রামের হ্যাডার ফাইল। এই ফাইলে ইনপুট আউটপুট এর ফাংশনগুলো থাকে। 
- প্রোগ্রামের সব কার্যাবলি সম্পাদন হয় main() ফাংশন এর মধ্যে।
- { } এর ভিতরেই মূল প্রোগ্রাম রচনা করতে হয়।
- { } এর ভিতরে যা থাকবে কম্পিউটার সেই কাজগুলোই করবে।

উদাহরণ- 
#include <stdio.h>
int main()
{
  printf("Hello World!");
  return 0;
}

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,১৩৫.
কোনটি জনপ্রিয় VR হেডসেট নয়?
  1. Oculus Quest
  2. Kindle Fire
  3. HTC Vive
  4. PlayStation VR
সঠিক উত্তর:
Kindle Fire
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kindle Fire
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: খ) Kindle Fire, এটি  VR হেডসেট নয়। Kindle Fire মূলত একটি ট্যাবলেট, যা আমাজন তৈরি করেছে ই-বুক পড়া, ভিডিও দেখা, ব্রাউজিংসহ সাধারণ মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) সাপোর্ট করে না এবং VR অভিজ্ঞতার জন্য ডিজাইন করা হয়নি।
- অন্যদিকে, Oculus Quest, HTC Vive, এবং PlayStation VR - এই তিনটি ডিভাইসই জনপ্রিয় VR হেডসেট। এগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল জগতে গেম খেলা, ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও দেখা, ও ইন্টারেক্টিভ অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। তাই Kindle Fire কে VR হেডসেট হিসেবে ধরা যায় না।


• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭,১৩৬.
কোনটি কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসেবে কাজ করে?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. ফ্লপি ডিস্ক
  3. সিডি
  4. রম
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে। ফলে হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,১৩৭.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার? 
  1. স্টোন
  2. বুট সেক্টর
  3. এভিরা
  4. ভিবিএস
সঠিক উত্তর:
এভিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভিরা
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি। 

কম্পিউটার ভাইরাস: 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন ভাইরাস, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি। 

উৎস: 
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি। 
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, britannica.
৭,১৩৮.
হাইব্রিড কম্পিউটারে উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাধারণত কোন অংশ ব্যবহৃত হয়?
  1. এমবডেড অংশ
  2. যান্ত্রিক অংশ
  3. অ্যানালগ অংশ
  4. ডিজিটাল অংশ
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ অংশ
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভােযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রােগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৩৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করতে পারে
  2. নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে
  3. এটি নির্ভূলভাবে কাজ করতে পারে
  4. এটি অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার: 
- কম্পিউটার হল একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যা বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধান করতে পারে।
- কম্পিউটারের সাহায্যে অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায় যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ।
- কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই।
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।

• কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল-
- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা,
- নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং
- অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৪০.
কম্পিউটারের মেমরি প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ২
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের মেমরি প্রধানত দুই প্রকার। যথা-

১. প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২. গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

প্রধান মেমরি বলতে RAM ও ROM কে বুঝায়।

প্রধান মেমরি বাদে যে সকল মেমরি বেশি ব্যবহার হয় তাদের সহায়ক মেমরি বলে।
হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, ম্যাগনেটিক ট্যাপ ইত্যাদি হল সহায়ক মেমরি।

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৪১.
কোনটি অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ?
  1. ক) 392
  2. খ) 287
  3. গ) 178
  4. ঘ) 167
সঠিক উত্তর:
ঘ) 167
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 167
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭
৭,১৪২.
কোনটি মাদার বোর্ড (Mother Board)-এর অংশ নয়?
  1. ক) সি পি ইউ
  2. খ) মেমোরি
  3. গ) পাওয়ার সাপ্লাই
  4. ঘ) রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
গ) পাওয়ার সাপ্লাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা

মাদার বোর্ড (Mother Board)-এর অংশ-
1. সি পি ইউ
2. মেমোরি
3. রেজিস্টার
(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)

৭,১৪৩.
নিচের কোনটি সিপিইউ এর অংশ?
  1. ক) Arithmetic Logic Unit
  2. খ) Control Unit
  3. গ) Main Memory Unit
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সিপিইউ (CPU):
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

সিপিইউ-এর গঠন:
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৪৪.
Which of the following is used as 'Input device' for the computer?
  1. ক) Printer
  2. খ) VDU
  3. গ) TV
  4. ঘ) Light pen
সঠিক উত্তর:
ঘ) Light pen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Light pen
ব্যাখ্যা
A light pen, also called a selector pen, is a computer input device in the form of a light-sensitive wand used in conjunction with a computer's CRT display. It allows the user to point to displayed objects or draw on the screen in a similar way to a touchscreen but with greater positional accuracy.
৭,১৪৫.
Memo-ফিল্ডে লেখা যায়-
  1. বর্ণ
  2. সংখ্যা
  3. চিহ্ন
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
Memo:
- Memo হলো Conditional Data টাইপ।
- এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়।
- সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৪৬.
ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনটি মেনে চলা উচিত?
  1. ক) সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা
  2. খ) ব্যবহার শেষে একাউন্ট লগ-আউট করা
  3. গ) নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত সবগুলো ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে  মেনে চলা উচিত। 

- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের বিনামূল্যে প্রাপ্ত সেবাসমূহ বেশি ব্যবহার করে।
- যেমন- ইয়াহু, হটমেইল বা জিমেইলের মতো সাধারণ এবং বিনামূল্যের ই-মেইল সেবা ব্যবহার করে থাকেন।
- এই সাইটগুলো হতে একাউন্ট হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- হ্যাক হলে আমাদের অনেক প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন হারিয়ে যেতে পারে।

নিচের সাধারণ সতর্কতাগুলো মেনে চলা উচিত-

সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা : একাউন্ট হ্যাক হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সহজ পাসওয়ার্ড। ব্যবহারকারীরই পাসওয়ার্ড হিসেবে নিজের নাম, কী বোর্ডের সহজ বিন্যাস (যেমন- abcdef বা  ১২৩৪৫৬৭৮) অথবা নিজের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে। ফলে সহজেই একাউন্ট হ্যাক হয়ে যেতে পারে। কারণ
ই-মেইলের ক্ষেত্রে ই-মেইল একাউন্ট-ই ব্যবহারকারীর নাম, যা প্রায় সবাই জানে। এজন্য পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে
অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (যেমন-!,@,# ইত্যাদি) ব্যবহার করা উচিত।

নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা : কিছুদিন পর পর নির্ধারিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার
করা উচিত।
দ্বিমূখী ভেরিফিকেশন : যেসব ক্ষেত্রে দ্বিমুখী ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করা। যেমন- মোবাইল
ফোনের মাধ্যমে জিমেইল একাউন্টটির নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়। এ জন্য জিমেইলের টু-ওয়ে
ভেরিফিকেশন অপশনটি ব্যবহার করতে হবে।
সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক কম্পিউটারের ব্যবহার: সাইবার ক্যাফে বা অনেকেই ব্যবহার করে এমন কোনো
কম্পিউটার থেকে ই-মেইলসহ অন্যান্য সাইট ব্যবহার করলে, ব্যবহার শেষে অবশ্যই একাউন্ট থেকে লগ-আউট
করে বের হওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে কম্পিউটারটি রিস্টার্ট করে দেয়া যেতে পারে।

সোর্স: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
৭,১৪৭.
বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় -
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। 
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে। 

- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। 
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ। 
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,১৪৮.
ভিবিএস/হেল্পার বলতে কী বোঝায়?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. ফায়ারওয়াল প্রোটেকশন
  3. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা

• ভিবিএস (VBS) বা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্টিং হল একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি অনেক সময় হেল্পার বা স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট হিসেবে কাজ করে যা বিভিন্ন কাজ করতে পারে, যেমন ফাইল ম্যানিপুলেশন, সিস্টেম সেটিং পরিবর্তন বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মাধ্যমে কার্যক্রম চালানো। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ভিবিএস ভাইরাস হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। কৃত্রিমভাবে তৈরি স্ক্রিপ্টগুলো ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতি করতে পারে, ফাইল মুছে দিতে পারে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। তাই ভিবিএস/হেল্পারকে নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে প্রায়শই কম্পিউটার ভাইরাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) কম্পিউটার ভাইরাস।
 
• ভিবিএস/হেল্পার: 
- এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।

• Computer Virus: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।

• কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,১৪৯.
হেক্সাডেসিমেলে 5D এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 82
  2. 83
  3. 92
  4. 93
সঠিক উত্তর:
93
উত্তর
সঠিক উত্তর:
93
ব্যাখ্যা

◉ হেক্সাডেসিমাল 5D এর দশমিক মান হলো 93.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(5D)16
= 13 × 160 + 5 × 161
= 13 × 1 + 5 × 16
= 13 + 80
= 93
সুতরাং, (5D)16 = (93)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৫০.
রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্কের মাধ্যমে অনেক চাইল্ড রেকর্ড একটি প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করতে পারে?
  1. One-to-one
  2. Many-to-many
  3. One-to-many
  4. Self-referencing
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজে অনেক চাইল্ড রেকর্ড এক প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করতে পারে যাকে One-to-many সম্পর্ক বলা হয়। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, কিন্তু প্রতিটি চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। উদাহরণ হিসেবে ধরুন একটি স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্রের সম্পর্ক, যেখানে একজন শিক্ষক অনেক ছাত্রের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে, কিন্তু প্রতিটি ছাত্রের শুধুমাত্র এক শিক্ষক থাকে। এই সম্পর্ক ডাটাবেজ ডিজাইনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ডেটার সংহতি এবং অর্গানাইজেশন সহজ করে। তাই, অনেক চাইল্ড রেকর্ড একটি প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করলে তা One-to-many সম্পর্ক।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৫১.
Which number system uses only the digits 0 and 1?
  1. Decimal Number System
  2. Binary Number System
  3. Octal Number System
  4. Hexadecimal Number System
সঠিক উত্তর:
Binary Number System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Binary Number System
ব্যাখ্যা

• Binary Number System কেবলমাত্র দুটি অঙ্ক—0 এবং 1—ব্যবহার করে; তাই এটি Base-2 সংখ্যা পদ্ধতি এবং কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা লেখার বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকেই সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) বলা হয়।
- বিভিন্ন প্রতীক বা অঙ্ক ব্যবহার করে কোনো পরিমাণ (Quantity) প্রকাশ করার একটি নির্দিষ্ট নিয়মই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- উদাহরণস্বরূপ, 123 সংখ্যাটি 1, 2, 3 এই তিনটি অঙ্কের সমন্বয়ে গঠিত।

• সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মোট মৌলিক অঙ্ক বা প্রতীকের সংখ্যাকে সেই পদ্ধতির ভিত্তি (Base) বলা হয়।
- যেমন Decimal পদ্ধতিতে 0–9 পর্যন্ত মোট 10টি অঙ্ক ব্যবহৃত হয়, তাই এর ভিত্তি 10।
- Binary পদ্ধতিতে 0 এবং 1—এই দুইটি অঙ্ক ব্যবহৃত হয়, তাই এর ভিত্তি 2।

• প্রচলিত সংখ্যা পদ্ধতির ধরন:
- Decimal Number System → ভিত্তি 10; অঙ্ক 0–9।
- Binary Number System → ভিত্তি 2; অঙ্ক 0, 1।
- Octal Number System → ভিত্তি 8; অঙ্ক 0–7।
- Hexadecimal Number System → ভিত্তি 16; অঙ্ক 0–9 এবং A, B, C, D, E, F।

• Binary Number System:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল 0 এবং 1 এই দুটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয় তাকে Binary Number System বলা হয়।
- এর ভিত্তি (Base) হলো 2।
- Binary-এর 0 এবং 1 অঙ্ককে Bit (Binary Digit) বলা হয়।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সব ধরনের ডেটা ও নির্দেশনা Binary আকারে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Decimal Number System → দৈনন্দিন গণনা ও হিসাব-নিকাশে ব্যবহৃত Base-10 সংখ্যা পদ্ধতি।
- Octal Number System → Base-8 সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে 0–7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
- Hexadecimal Number System → Base-16 সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে 0–9 ও A–F অঙ্ক ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,১৫২.
জাভাস্ক্রিপ্ট সাধারণত কোন ধরণের প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্ভার-এইড স্ক্রিপ্টিং
  2. ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং
  3. ডেটাবেজ কুয়েরি ভাষা
  4. সিস্টেম প্রোগ্রামিং
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং
ব্যাখ্যা

JavaScript মূলত একটি ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং ভাষা, যা ওয়েব ব্রাউজারে চলে এবং ওয়েবপেজকে ইন্টারঅ্যাকটিভ করে তোলে। যদিও বর্তমানে Node.js এর মাধ্যমে এটি সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিংয়েও ব্যবহার করা যায়, এর মূল পরিচিতি ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং ভাষা হিসেবেই।

জাভাস্ক্রিপ্ট:
- JavaScript একটি লাইটওয়েট প্রোগ্রামিং ভাষা (স্ক্রিপ্টিং ভাষা) এবং ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি HTML-এ ডাইনামিক টেক্সট সন্নিবেশ করতে পারে।
- জাভাস্ক্রিপ্ট ব্রাউজার ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবেও পরিচিত।
- ১৯৯৫ সালে নেটস্কেপের প্রকৌশলী ব্রেন্ডন আইক জাভাস্ক্রিপ্ট তৈরি করেন।

JavaScript এর ব্যবহার:
- ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং: JavaScript ব্রাউজারে সরাসরি চলে, যা ওয়েব পেজের কন্টেন্টকে ডায়নামিকভাবে পরিবর্তন করতে পারে।
- সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্ট: Node.js এর মাধ্যমে JavaScript সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রন্টএন্ড ফ্রেমওয়ার্ক: React, Angular, এবং Vue.js এর মতো জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্কগুলি JavaScript ভিত্তিক।
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট: Express.js এর মাধ্যমে JavaScript ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারেক্টিভ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন: AJAX এবং API কলের মাধ্যমে ডেটা লোড এবং আপডেট করা যায়।

সূত্র:
১। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা। 

৭,১৫৩.
নিচের কোনটি উচ্চ স্তরের পোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. FORTRAN
  2. Microsoft Access
  3. C++
  4. PROLOG
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
ব্যাখ্যা
• Microsoft Access উচ্চ স্তরের ভাষা নয়।
- Microsoft Access হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- মেশিন বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রধান অসুবিধা হলো, এক ধরনের কম্পিউটারের জন্য প্রোগ্রাম অন্য ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।
- তাছাড়া মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা অনেক কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার।
- এছাড়া মানুষের পক্ষে লো-লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয়।
- এই অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।
• উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG ইত্যাদি।

• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- এ ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন অপেক্ষাকৃত সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় অসংখ্য লাইব্রেরি ফাংশনের সুবিধা আছে।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণার প্রয়োজন নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,১৫৪.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) A+0=A
  2. খ) A. 1=A
  3. গ) A+A'=1
  4. ঘ) A.A'=1
সঠিক উত্তর:
ঘ) A.A'=1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) A.A'=1
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে,
A + 0 = A
A.1 = A
A + A' = 1

৭,১৫৫.
(124)8 = (Q)10  এখানে, Q এর মান কত?
  1. 84
  2. 92
  3. 98
  4. 80
সঠিক উত্তর:
84
উত্তর
সঠিক উত্তর:
84
ব্যাখ্যা

• (124)8 = (Q)10  এখানে, Q এর মান হচ্ছে: 84

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(124)8
= 1 × 82 + 2 × 81 + 4 × 80
= 1 × 64 + 2 × 8 + 4 × 1
= 64 + 16 + 4
= 84

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,১৫৬.
'Encapsulation' কোন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  2. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং
  3. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  4. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
সঠিক উত্তর:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৫৭.
গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম কী?
  1. অ্যালেক্সা
  2. সিরি
  3. জেমিনি
  4. কোরটানা
সঠিক উত্তর:
জেমিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমিনি
ব্যাখ্যা

• গুগল কোম্পানি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে অনেক উদ্ভাবন করেছে, তবে তাদের সর্বশেষ ও সবচেয়ে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম হলো জেমিনি (Gemini)। এটি মূলত ব্যবহারকারীদের জটিল তথ্য বিশ্লেষণ, প্রশ্নোত্তর, লেখালিখি এবং বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। জেমিনি অন্যান্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অ্যালেক্সা, সিরি বা কোরটানার মতো সাধারণ ব্যক্তিগত সহকারী (digital assistant) নয়; এটি আরও উন্নত এবং শিক্ষণীয় মডেল হিসেবে কাজ করে। ব্যবহারকারীরা জেমিনির মাধ্যমে সহজে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সমস্যা সমাধান করতে পারেন এবং দৈনন্দিন কাজগুলিকে আরও দক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পারেন। তাই গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক উত্তর হলো জেমিনি (গ)।

• অপশন আলোচনা:
ক) অ্যালেক্সা - এটি অ্যামাজনের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট।
খ) সিরি - এটি অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট।
গ) জেমিনি -এটি গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম।
ঘ) কোরটানা - এটি মাইক্রোসফটের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট।


• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৫৮.
In which gate output will be 1 if all inputs are 0?
  1. ক) NAND Gate
  2. খ) NOR Gate
  3. গ) XNOR GATE
  4. ঘ) All of Above
সঠিক উত্তর:
ঘ) All of Above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) All of Above
ব্যাখ্যা



সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৫৯.
ব্যবহারকারীর নিজস্ব কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রামকে কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
  3. প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  4. অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

ব্যবহারকারীর নিজস্ব কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রামকে কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম বলে।

অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।
- যেমন- ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার, ইলেকট্রনিস কমার্স, পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৬০.
MS Access Database-এর রেকর্ড বাদ দেয়ার অপশন কোনটি?
  1. Delete Record
  2. Delete Data
  3. Delete Field
  4. Delete Row
সঠিক উত্তর:
Delete Record
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delete Record
ব্যাখ্যা
- Database এর রেকর্ড বাদ দেয়ার জন্য Delete Record ক্লিক করতে হয়।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:

- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম থাকে।
- ডিবিএমএস ডাটাবেজ তৈরি, এ্যাকসেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- ডিবিএমএস ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। যেমন- ওরাকল, মাইএসকিউএল, মাইক্রোসফট এ্যাকসেস ইত্যাদি।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রাথমিক কাজসমূহ:
- প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটাবেজ তৈরি করা।
- নতুন ডাটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা।
- ডাটার বানান ও সংখ্যার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা।
- নির্দিষ্ট রেকর্ড অনুসন্ধান ও সংশোধন করা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা/ রেকর্ড বাদ দেয়া।
- ডাটা কুয়েরি করা।
- রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা।
- প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডাটাবেজকে যে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো।
- প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ডাটাবেজ বা ডাটাবেজের অংশবিশেষ প্রিন্ট করা।
- ডাটাবেজ হালনাগাদ করা ও যথাসম্ভব ডাটা ডুপ্লিকেশন কমানো।
- ডাটা সংরক্ষণ করা; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৬১.
DML-এর পূর্ণ রূপ কীভাবে লেখা হয়?
  1. Database Management Language
  2. Data Maintenance Language
  3. Data Manipulation Language
  4. Data Management Language
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
ব্যাখ্যা

• DML-এর পূর্ণরূপ হলো Data Manipulation Language. এটি একটি ধরনের SQL কমান্ডের সেট যা ডেটাবেসের মধ্যে তথ্য পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। DML-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ডেটাবেসে তথ্য সন্নিবেশ (Insert), আপডেট (Update), মুছে ফেলা (Delete), এবং নির্বাচন (Select) করতে পারে। এটি ডেটা সংরক্ষণ বা ডেটাবেসের কাঠামো পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং বিদ্যমান তথ্য নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। সহজভাবে বলা যায়, DML হলো সেই ভাষা যা ডেটাবেসের তথ্যের উপর কার্যকরী অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে। তাই DML-এর সঠিক উত্তর হলো: গ) Data Manipulation Language.

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৬২.
Y2K-তে K অক্ষর মানে-
  1. শত
  2. হাজার
  3. দশ হাজার
  4. লক্ষ
সঠিক উত্তর:
হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজার
ব্যাখ্যা
- Y2K বাগ, কম্পিউটারাইজড সিস্টেমের কোডিংয়ে একটি সমস্যা যা 2000 সালের শুরুতে সারা বিশ্বে কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। 
- ১ জানুয়ারী ২০০০ সালে সারা বিশ্বে কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং ব্যবহারকারীরা যে ত্রুটির সম্মুখীন হয়েছিল, সেটি "সহস্রাব্দের বাগ" নামেও পরিচিত। 
- K অক্ষর যা কিলো (১০০০ এর একক) এর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
অর্থাৎ, সাধারণত ১০০০ সংখ্যাকে উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়। 
সুতরাং, Y2K এর অর্থ হলো ২০০০ বছর। 
৭,১৬৩.
ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে কী তৈরি করা যায়?
  1. টেবিল
  2. রিপোর্ট
  3. ইনডেক্স
  4. মডিউল
সঠিক উত্তর:
রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিপোর্ট
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

• রিপোর্টের ধারণা:
- রিপোর্ট হলো ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নির্দিষ্ট বিন্যাসে উপস্থাপন করার একটি ব্যবস্থা।
- রিপোর্টের মাধ্যমে তথ্য মুদ্রণ বা তথ্য সরবরাহ করা হয়।
- সাধারণত তথ্য প্রদর্শন ও বিতরণের জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।

• রিপোর্ট তৈরির উৎস:
- রিপোর্ট টেবিলের ডেটা থেকে তৈরি করা যায়।
- টেবিলের ডেটা কলাম ও রো অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়।
- এছাড়া ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করেও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে শর্তযুক্ত বা নির্দিষ্ট তথ্য নির্বাচন করে সেই তথ্য রিপোর্টে উপস্থাপন করা সম্ভব।

• রিপোর্ট ব্যবহারের সুবিধা:
- প্রয়োজনীয় তথ্য নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপন করা যায়।
- তথ্য মুদ্রণ ও বিতরণ সহজ হয়।
- ডাটাবেজের তথ্য ব্যবহারকারীর জন্য বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- টেবিল: ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, উপস্থাপন বা মুদ্রণের জন্য নয়।
- ইনডেক্স: ডাটা দ্রুত অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মডিউল: প্রোগ্রামিং ও স্বয়ংক্রিয় কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৬৪.
ব্লকচেইন কী?
  1. একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার
  2. এক ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি
  3. একটি পিয়ার-টু-পিয়ার মেসেজিং অ্যাপ
  4. একটি ক্লাউড স্টোরেজ সেবা
সঠিক উত্তর:
একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার
ব্যাখ্যা

• ব্লকচেইন হলো একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার, যেখানে তথ্য ব্লকের আকারে সংরক্ষিত হয় এবং প্রতিটি ব্লক ক্রিপ্টোগ্রাফি দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। এই প্রযুক্তিতে কোনো একক কর্তৃপক্ষ বা কেন্দ্রীয় সার্ভার নেই; বরং এটি নেটওয়ার্কের বিভিন্ন কম্পিউটারে সমানভাবে বিতরণ করা হয়। ফলে তথ্য পরিবর্তন বা জালিয়াতি করা অত্যন্ত কঠিন। ব্লকচেইন মূলত আর্থিক লেনদেন যেমন ক্রিপ্টোকারেন্সি পরিচালনায় ব্যবহৃত হলেও এর ব্যবহার এখন ভোটিং সিস্টেম, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা, ও চুক্তি যাচাই প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। এটি স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
 
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে। 
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়। 
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল। 
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়। 
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়। 
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,১৬৫.
The main processing device in a computer is - 
  1.  Hard disk
  2. CPU
  3. Monitor
  4. Motherboard
সঠিক উত্তর:
CPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) CPU

CPU (Central Processing Unit)
- কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের মূল অংশ।
- এটি প্রধান মেমোরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত।
- CPU হলো কম্পিউটারের মূল কেন্দ্র, যা ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিটসহ বিভিন্ন পেরিফেরাল যন্ত্রের সঙ্গে সংযুক্ত।
- আধুনিক কম্পিউটারে CPU একটি মাইক্রোপ্রসেসর চিপে স্থাপিত থাকে।

অন্যদিকে, 
- হার্ড ডিস্ক হলো কম্পিউটারের জন্য একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম।
- Monitor একটি আউটপুট ডিভাইস। 
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করে এবং এতে CPU, র‍্যান্ডম-অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM), এবং এক্সপ্যানশন কার্ড থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,১৬৬.
Windows operating system is a -
  1. GUI OS
  2. Real-time OS
  3. CUI OS
  4. Command-line interface OS
সঠিক উত্তর:
GUI OS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GUI OS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) GUI OS
- উইন্ডোজ (Windows) একটি GUI (Graphical User Interface) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- এর মানে হলো, এটি ব্যবহারকারীকে ইন্টারঅ্যাক্ট করার জন্য গ্রাফিক্যাল উপাদান (যেমন আইকন, উইন্ডো, মেনু এবং বাটন) সরবরাহ করে।
- ব্যবহারকারীরা মাউস বা টাচস্ক্রিনের মাধ্যমে এই উপাদানগুলোতে ক্লিক বা ট্যাপ করে কমান্ড দিতে পারে।

• উইন্ডোজ (Windows) অপারেটিং সিস্টেম:
- পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহারকারী এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ব্যবহারকারীদের প্রথম পছন্দের তালিকাতে আছে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম।
- ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রথম চিত্রভিত্তিক ইন্টাফেস হিসেবে ব্যবহারকারীদের কাছে উইন্ডোজ ১.০ ভার্সন বাজারে ছাড়ে, পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে Windows 95 পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বাজারে আসে।
- দ্রুত এই অপারেটিং সিস্টেম জনপ্রিয়তা পায় যার ভিত্তিতে আজ পর্যন্ত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ভার্সন বাজারে বের হয়েছে।
- সেই রকম কয়েকটি ভার্সন হলো- Windows 2007, 2010, 2013 মুলত ব্যবহারকারীদের চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বিভিন্ন নতুন নতুন ফিচার সংযুক্ত করে।
যেমন-
১। ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা।
২। ইউ.এস.বি. এবং ডিভিডি সার্পেটি।
৩। FAT32 এবং NTFS ফাইল সিস্টেম ব্যবহার।
৪। ইন্ট্যারাকটিভ গেম ও অনলাইন গেম খেলার সুবিধা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭,১৬৭.
ফায়ারওয়াল এর কাজ কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস প্রবেশে সাহায্য করে
  2. অননুমোদিত প্রবেশ থেকে সিস্টেম সুরক্ষা করে
  3. গেম দ্রুত চালায়
  4. ব্যাকআপ তৈরি করে 
সঠিক উত্তর:
অননুমোদিত প্রবেশ থেকে সিস্টেম সুরক্ষা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অননুমোদিত প্রবেশ থেকে সিস্টেম সুরক্ষা করে
ব্যাখ্যা

- ফায়ারওয়াল হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Network Security System), যা ইনকামিং ও আউটগোয়িং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে।

- ফায়ারওয়াল প্রতিটি ডেটা প্যাকেট পরীক্ষা করে দেখে সেটি নিরাপদ কিনা।
- যদি কোনো সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর সংযোগ পাওয়া যায়, ফায়ারওয়াল তা ব্লক করে দেয়।
- এটি “filter” হিসেবে কাজ করে। 

ফায়ারওয়ালের ধরন:
- Hardware Firewall: রাউটার বা নেটওয়ার্ক ডিভাইসে ইনস্টল থাকে, পুরো নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে।
- Software Firewall: অপারেটিং সিস্টেমে (যেমন Windows Defender Firewall) ইনস্টল থাকে, একক কম্পিউটারকে সুরক্ষা দেয়।

ফায়ারওয়ালের মূল কাজের স্তর (Layers of Protection):
- Packet Filtering (প্যাকেট ফিল্টারিং): কেবল আইপি ঠিকানা, প্রটোকল (TCP/UDP), ও পোর্ট নম্বর দেখে প্যাকেট অনুমোদন/ব্লক করে। (সবচেয়ে বেসিক)
- Stateful Inspection: সংযোগের অবস্থা (session) বুঝে— একটি প্যাকেট কনফার্ম্ড কানেকশনের অংশ কিনা দেখে সিদ্ধান্ত নেয়।
- Application-level / Proxy Firewall: অ্যাপ্লিকেশনের লেভেলে (যেমন HTTP, FTP) কন্টেন্ট পর্যবেক্ষণ করে — URL, কুকি, HTTP হেডার ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়।
- Next-Generation Firewall (NGFW): স্টেটফুল + অ্যাপ্লিকেশন চিনতে পারে + ইনট্রুশন প্রিভেনশন (IPS), URL ফিল্টারিং, ইউজার-লোভাল পলিসি ইত্যাদি একসাথে করে।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

৭,১৬৮.
ASCII-8 কোডের মাধ্যমে কতটি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন প্রকাশ করা যায়?
  1. 64
  2. 128
  3. 256
  4. 512
সঠিক উত্তর:
256
উত্তর
সঠিক উত্তর:
256
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৬৯.
রিয়েল-টাইম OS কেন এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে
  2. শক্তি বেশি লাগে
  3. প্রোগ্রামিং সহজ
  4. সস্তা হওয়ায়
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে
ব্যাখ্যা

• রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS) এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহার করা হয় কারণ এটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। এমবেডেড ডিভাইস যেমন রোবট, অটোমোবাইল বা মেডিকেল ডিভাইসে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। RTOS সময়মিতি বজায় রেখে কাজ করে, ফলে সেন্সর ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, ইভেন্ট হ্যান্ডলিং এবং নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়। এটি শক্তি বেশি খরচ করে বা সস্তা হওয়া বা প্রোগ্রামিং সহজ হওয়ার কারণে নয়, বরং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রতিক্রিয়া প্রদানের সক্ষমতার কারণে এমবেডেড সিস্টেমে প্রাধান্য পায়। সুতরাং সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য কাজের জন্য RTOS অপরিহার্য।

সঠিক উত্তর: ক) নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৭০.
কোন লজিক গেইটে সমান সমান ইনপুট দিলে আউটপুট হবে ইনপুট এর বিপরীত?
  1. ক) NOR গেইট
  2. খ) NAND গেইট
  3. গ) OR গেইট
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
NOR গেইট ও NAND গেইট দুটিতে সমান সমান ইনপুট দিলে আউটপুট হবে ইনপুট এর বিপরীত। আর অর গেইট এ সমান সমান ইনপুট দিলে আউটপুট হবে ইনপুট এর সমান।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,১৭১.
ACID প্রপার্টি কোন টেকনোলজির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ওয়েব সার্ভার
  2. নেটওয়ার্ক প্রটোকল
  3. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. ডাটাবেজ ট্রানজেকশন
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ ট্রানজেকশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ ট্রানজেকশন
ব্যাখ্যা

◉ ACID (Atomicity, Consistency, Isolation, Durability) হলো ডাটাবেজ ট্রানজেকশনের চারটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য যা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডেটার নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে।

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৭,১৭২.
কম্পিউটারের কোন ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) F1
  2. খ) F2
  3. গ) F3
  4. ঘ) F7
সঠিক উত্তর:
খ) F2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) F2
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুল স্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,১৭৩.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেম তৈরি করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ফাইবার অপটিক
  2. মাইক্রোকন্ট্রোলার 
  3. কোয়ান্টাম চিপ
  4. ন্যানোপ্রসেসর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার 
ব্যাখ্যা

• আধুনিক এমবেডেড সিস্টেম তৈরি করতে প্রধানত মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। মাইক্রোকন্ট্রোলার হলো একটি ছোট কম্পিউটার যা প্রসেসর, মেমোরি এবং ইনপুট-আউটপুট পোর্ট একত্রে ধারণ করে। এটি স্মার্ট ডিভাইস, রোবট, অটোমেশন সিস্টেম এবং IoT ডিভাইসে সহজে প্রয়োগ করা যায়। অন্যদিকে ফাইবার অপটিক মূলত ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কোয়ান্টাম চিপ উচ্চতর গবেষণা বা সুপারকম্পিউটিং ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, এবং ন্যানোপ্রসেসর এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে। তাই সাধারণভাবে, এমবেডেড সিস্টেমে কার্যকর এবং সাশ্রয়ী প্রযুক্তি হিসেবে মাইক্রোকন্ট্রোলারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

- সঠিক উত্তর: খ) মাইক্রোকন্ট্রোলার।

• এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer):
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
​- সাধারণত এতে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে। 
- ​আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহৃত হয়। 

​ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- এয়ার কন্ডিশন (এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনার,
- ATM,
​- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৭৪.
পিসিতে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ১৯৫১
  2. ১৯৬১
  3. ১৯৭১
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
ব্যাখ্যা
- অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোনো কিছুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেম বা পরিচালনা পদ্ধতি হচ্ছে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের অভ্যন্তরে হার্ডওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে সমগ্র কার্যপ্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য তৈরি প্রোগ্রাম বা সফটওয়‍্যার।
- অপারেটিং সিস্টেমকে সিস্টেম সফটওয়‍্যারও বলা হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম অনেক রকম জটিল সূক্ষ্ম প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত একটি সমন্বিত প্রোগ্রাম।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- এটি তখন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত।
- ১৯৭১ সাল হতে পিসিতে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৭৫.
মাইক্রোসফট কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার এর নাম কি?
  1. ক) ম্যাক
  2. খ) উইন্ডোজ
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) অ্যানড্রয়েড
সঠিক উত্তর:
খ) উইন্ডোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার এর নাম উইন্ডোজ।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৫।

৭,১৭৬.
ASCII-এর তুলনায় Unicode-এর মূল সুবিধা কী?
  1. ফাইল সাইজ কম
  2. একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন
  3. দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
  4. উন্নত ভিজ্যুয়াল
সঠিক উত্তর:
একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন
ব্যাখ্যা

• ASCII-এর তুলনায় Unicode-এর প্রধান সুবিধা হলো এটি একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন করতে পারে। ASCII কেবল ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যাসূচক অঙ্ক এবং কিছু সীমিত নিয়ন্ত্রণ চিহ্নের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তাই এটি অন্যান্য ভাষার অক্ষর বা বিশেষ চিহ্ন রাখতে সক্ষম নয়। Unicode hingegen বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, প্রতীক, ইমোজি এবং বিশেষ চিহ্নের বিস্তৃত সমর্থন দেয়। ফলে, বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যার, ওয়েব পেজ এবং ডকুমেন্টে বহুভাষিক তথ্য বিনিময় সহজ হয়। এটি ফাইল সাইজ বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য মূলভাবে অপ্টিমাইজ করা নয়, বরং বৈচিত্র্যময় অক্ষর সমর্থনের জন্য তৈরি। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন।

ইউনিকোড:
উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,১৭৭.
জন ভন নিউম্যান আর্কিটেকচারে কোন বৈশিষ্ট্যটি যোগ হয়েছিল?
  1. Stored Program Concept
  2. Punch Card Input
  3. Mechanical Gear System
  4. Assembly Language
সঠিক উত্তর:
Stored Program Concept
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stored Program Concept
ব্যাখ্যা

◉ জন ভন নিউম্যান আর্কিটেকচারের (Von Neumann Architecture) মূল অবদান হলো Stored Program Concept. এর আগে কম্পিউটারে নির্দেশনা (instructions) ও ডেটা আলাদাভাবে ব্যবহৃত হতো। ভন নিউম্যান আর্কিটেকচারে নির্দেশনা এবং ডেটা একই মেমোরিতে সংরক্ষণ করা হয়।

​জন ভন নিউম্যান:
- জন ভন নিউম্যান, আসল নাম জ্যানোস নিউম্যান, (জন্ম 28 ডিসেম্বর, 1903, বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি—মৃত্যু 8 ফেব্রুয়ারি, 1957, ওয়াশিংটন, ডিসি, ইউ.এস.), হাঙ্গেরিয়ান-বংশোদ্ভূত আমেরিকান গণিতবিদ।
- ফলিত গণিতের জন্য ভন নিউম্যানের উপহার কোয়ান্টাম তত্ত্ব, স্বয়ংক্রিয় তত্ত্ব, অর্থনীতি এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করে এমন দিকগুলিতে তার কাজ নিয়েছিল।
- ভন নিউম্যান গেম তত্ত্বের পথপ্রদর্শক এবং অ্যালান টুরিং এবং ক্লড শ্যাননের সাথে সঞ্চিত-প্রোগ্রাম ডিজিটাল কম্পিউটারের ধারণাগত উদ্ভাবকদের একজন ছিলেন।
- ভন নিউম্যান মেশিন, আধুনিক, বা ক্লাসিক্যাল, কম্পিউটারের মৌলিক নকশা করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ENIAC-এর নির্মাণে জড়িত তিনজন প্রধান বিজ্ঞানী-আর্থার বার্কস, হারম্যান গোল্ডস্টাইন এবং জন ভন নিউম্যান-"ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটিং ইন্সট্রুমেন্টের লজিক্যাল ডিজাইনের প্রাথমিক আলোচনা" (1946)-এ ধারণাটি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করেছিলেন।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,১৭৮.
সর্বপ্রথম Punched card কোনটিতে ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক) Analytical Engine
  2. খ) Tabulating Machine
  3. গ) MARK-1
  4. ঘ) Different Engine
সঠিক উত্তর:
খ) Tabulating Machine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Tabulating Machine
ব্যাখ্যা

সর্বপ্রথম Tabulating Machine এ Punched card ব্যবহার করা হয়। 

- বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত প্রথম মেশিন হচ্ছে HOLLERITH MACHINE, এর আবিষ্কারক হলেন HERMAM HOLLERITH.
- এই মেশিনের মাধ্যমে একটি মেশিন ডাঁটা রেকর্ডিং করতো এবং অন্য মেশিন রেকর্ড করা ডাঁটা ক্যালকুলেশন করতো।
- HOLLERITH MACHINE মেশিনের অপর নাম Tabulating Machine.

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৭,১৭৯.
কোন ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়?
  1. Assembly Language
  2. High Level Language
  3. Machine Language
  4. Python Language
সঠিক উত্তর:
Machine Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Machine Language
ব্যাখ্যা
• Machine Language-এ বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৮০.
ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকে কী বলা হয়? 
  1. মিনি কম্পিউটার 
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রো কম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রো কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৮১.
(25)10 এর বাইনারি মান কোনটি?
  1. 11001
  2. 10101
  3. 11111
  4. 10001
সঠিক উত্তর:
11001
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11001
ব্যাখ্যা

◉ (25)10 এর বাইনারি মান হচ্ছে - 11001.

দশমিক থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ক্রমাগত ২ দ্বারা ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হয়।
- এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না ভাগশেষ ০ আসে।

25 ÷ 2 = 12, ভাগশেষ = 1
12 ÷ 2 = 6, ভাগশেষ = 0
6 ÷ 2 = 3, ভাগশেষ = 0
3 ÷ 2 = 1, ভাগশেষ = 1
1 ÷ 2 = 0, ভাগশেষ = 1

ভাগশেষসমূহকে নিচ থেকে উপড়ে সাজিয়ে পাই = 11001 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭,১৮২.
১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে কোন কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন?
  1. EDSAC
  2. ABC
  3. ENIAC
  4. UNIVAC
সঠিক উত্তর:
ENIAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ENIAC
ব্যাখ্যা
• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

• ABC:
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- এই ABC কম্পিউটারটি হলো প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
-  এটির গাণিতিক/যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য মেমরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

• ENIAC:
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। 

• UNIVAC:
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৮৩.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটারের নাম কী?
  1. Intel 4004
  2. The Apollo Guidance Computer
  3. Frontier
  4. Summit
সঠিক উত্তর:
The Apollo Guidance Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Apollo Guidance Computer
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস:
১. কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট।
২. [লিঙ্ক]
৭,১৮৪.
এক্সপার্ট সিস্টেম কি?
  1. অ্যাপ্লিকেশন
  2. যন্ত্র
  3. রোবট
  4. নিউরাল নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
অ্যাপ্লিকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপ্লিকেশন
ব্যাখ্যা
কোন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণপূর্বক প্রয়োজনীয় বিশ্লেষণ করে ঐ বিষয়ের উপর কোনো প্রশ্ন করে কম্পিউটার থেকে উহার উত্তর জেনে নেওয়ার ব্যবস্থাকে এক্সপার্ট সিস্টেম বলে। 
- এক্সপার্ট সিস্টেম হলো কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার একটি প্রয়োগ (অ্যাপ্লিকেশন)। 
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা মানুষের চিন্তা ভাবনা করার দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে একত্রে ধারণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,১৮৫.
Which one is text concatenation operator in microsoft excel?
  1. ক) >=
  2. খ) @
  3. গ) #
  4. ঘ) &
সঠিক উত্তর:
ঘ) &
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) &
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এক্সেলে চার ধরণের অপারেটর দেখা যায়। 
1.Arithmetic operator

2.Comparison operator 

3.Text concatenation operator: 


4.Reference operator: 




উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট 
৭,১৮৬.
IBM 360 এ যুগান্তকারী পরিবর্তন কোনটি? 
  1. ভ্যাকিউম টিউব
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  4. মাইক্রোপ্রসেসর
সঠিক উত্তর:
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
ব্যাখ্যা

• IBM 360 হলো তৃতীয় প্রজন্মের (১৯৬৪ - ১৯৭১) কম্পিউটারের ক্লাসিক উদাহরণ। এটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
 
• অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সমূহ:

- ব্যবসায়িক ও বৈজ্ঞানিক হিসাব উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যেত।
- অনেকগুলো ট্রানজিস্টর এক চিপে সংযুক্ত থাকে।
- আকার আরও ছোট, গতি দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
- মাল্টি প্রোগ্রামিং সমর্থন।
- কম বিদ্যুৎ খরচ এবং তাপ উৎপাদন কম।

এছাড়াও,
- ভ্যাকিউম টিউব: ১ম প্রজন্ম (১৯৪০ - ১৯৫৬) কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত। উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC.
- ট্রানজিস্টর: ২য় প্রজম্ন (১৯৫৬ - ১৯৬৩) কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত। উদাহরণ: IBM 7090.
- মাইক্রোপ্রসেসর: ৪র্থ প্রজন্ম (১৯৭১ - বর্তমান) কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ: Intel 4004, Apple.

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
- IBM এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। [লিংক]

৭,১৮৭.
যে প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন নির্দেশ চিত্রের মাধ্যমে দেয়া হয় তাকে বলে-
  1. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  2. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং
  3. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  4. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
সঠিক উত্তর:
ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল:
- প্রোগ্রামের গঠন রীতিনীতিকে প্রোগ্রাম মডেল বলে।
- সঠিকভাবে প্রোগ্রাম লেখা এবং প্রোগ্রামকে সহজভাবে বুঝার জন্য প্রোগ্রাম রচনার ক্ষেত্রে কয়েকটি মডেল অনুসরণ করা হয়।
- জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ডিজাইন মডেলসমূহ হলো:
১. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং,
২. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং,
৩. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং, 
৪. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং ইত্যাদি
- যে প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন নির্দেশ চিত্রের মাধ্যমে দেয়া হয় তাকে ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং বলে।
- অর্থাৎ চিত্রভিত্তিক প্রোগ্রামিংগুলোই হলো ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৮৮.
ATM ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. এমবেডেড কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
এমবেডেড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমবেডেড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
৭,১৮৯.
একটি কম্পিউটারের প্রধান মেমরি তৈরি করে এমন চিপগুলির প্রাথমিক উপাদান কী?
  1. Tin
  2. Ceramic
  3. Silicon
  4. Copper
সঠিক উত্তর:
Silicon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Silicon
ব্যাখ্যা
• সিলিকন:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি সিলিকন নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: sciencedirect [লিংক]
৭,১৯০.
কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্কে কোনটি থাকে?
  1. ক) কাস্টমাইজড সফটওয়্যার
  2. খ) সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. গ) প্যাকেজ সফটওয়্যার
  4. ঘ) এপ্লিকেশন সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককে স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে।
- ফলে হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭,১৯১.
নিচের কোনটি ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. Hard Disk
  2. CD
  3. Pendrive
  4. Trackball
সঠিক উত্তর:
Trackball
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Trackball
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে। 
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৯২.
জাভা প্রোগ্রামিংয়ে মূল প্যারাডাইম কী?
  1. Procedural Programming
  2. Declarative Programming
  3. Imperative Programming
  4. Object-Oriented Programming
সঠিক উত্তর:
Object-Oriented Programming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Object-Oriented Programming
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডেটাও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে বলা হয় অবজেক্ট।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।

যেমন:
- অবজেক্ট (Object),
- ক্লাস (Class),
- মেসেজ (Message),
- পলিমারফিজম (Polymorphism),
- ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
- এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৯৩.
মাল্টিটাস্কিং সক্ষমতা প্রথম কোন OS-এ চালু হয়েছিল?
  1. UNIX
  2. MS-DOS
  3. Windows 3.1
  4. Mac OS Classic
সঠিক উত্তর:
UNIX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIX
ব্যাখ্যা

◉ মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমের ইতিহাসে UNIX ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল সিস্টেম যা প্রকৃত মাল্টিটাস্কিং সক্ষমতা প্রদান করেছিল।
এটি 1969 সালে বেল ল্যাবে বিকশিত হয় এবং 1970-এর দশকের শুরুতে মাল্টিটাস্কিং ফিচার চালু করে। UNIX একই সময়ে একাধিক প্রক্রিয়া (process) চালানোর সুযোগ দিত, যা প্রকৃত মাল্টিটাস্কিংয়ের সংজ্ঞা পূরণ করে।

UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.
- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) MS-DOS (1981): এটি একটি সিঙ্গেল-টাস্কিং OS, মাল্টিটাস্কিং সাপোর্ট করত না।
গ) Windows 3.1 (1992): এটি "কো-অপারেটিভ মাল্টিটাস্কিং" ব্যবহার করত, তবে প্রকৃত প্রি-এম্পটিভ মাল্টিটাস্কিং নয়।
ঘ) Mac OS Classic (1984): প্রাথমিক সংস্করণগুলোতে মাল্টিটাস্কিংয়ের সীমিত ক্ষমতা ছিল, তবে UNIX-এর পরে এসেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,১৯৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের অক্টাল পদ্ধতির ডিজিট নয়?
  1. ৫০
  2. ৬৩
  3. ৪৯
  4. ৭৪
সঠিক উত্তর:
৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯
ব্যাখ্যা

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিজিটগুলো হলোঃ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ এবং ৭।
- ৯ হলো দশমিক বা হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ডিজিট। তাই ৪৯ অক্টাল পদ্ধতির ডিজিট নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,১৯৫.
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষাকে কয়টি প্রজন্মে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা

১৯৪৫ সাল থেকে শুরু করে এ যাবত বহু প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে।
যথা -
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫) : মেশিন ভাষা
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০) : অ্যাসেম্বলি ভাষা
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০) : উচ্চতর ভাষা
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০) : অতি উচ্চতর ভাষা
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৭,১৯৬.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাস?
  1. ক) ডেটা বাস
  2. খ) কন্ট্রোল বাস
  3. গ) অ্যাড্রেস বাস
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা—
১। ডেটা বাস (Data Bus)
২। অ্যাড্রেস বাস ( Address Bus )
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৭,১৯৭.
ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো এক ধরণের-
  1. ক) SRAM
  2. খ) DRAM
  3. গ) PROM
  4. ঘ) EEPROM
সঠিক উত্তর:
ঘ) EEPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) EEPROM
ব্যাখ্যা
• EEPROM:
- EEPROM এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- অবশ্য সংরক্ষিত তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো একটি ডেটা-স্টোরেজ মাধ্যম যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- ফ্ল্যাশ মেমোরি এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory). 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
৭,১৯৮.
নিচের কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. ওয়ার্ম
  3. লজিক বোম
  4. মাল্টিপারটাইট
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস সাধারণত এমন একটি প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার ফাইল বা সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজেকে প্রতিলিপি করতে পারে এবং ক্ষতি করতে পারে। এর মধ্যে ওয়ার্ম এবং লজিক বোম সরাসরি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে। ওয়ার্ম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়ায় এবং সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রবেশ করে। লজিক বোম নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে সক্রিয় হয়। মাল্টিপারটাইট ভাইরাসও এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা একাধিক ফাইল ও সেক্টরে সংক্রমণ ছড়ায়। তবে অ্যাডওয়্যার ভাইরাস নয়; এটি ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন দেখায়, যা বিরক্তিকর কিন্তু সাধারণত ক্ষতিকর প্রোগ্রাম নয়। তাই সঠিক উত্তর ক) অ্যাডওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৯৯.
BIOS/UEFI সক্রিয় হয় কোন ধাপে?
  1. OS Loading
  2. User Login
  3. Power On
  4. Application Running
সঠিক উত্তর:
Power On
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power On
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার চালু (Power On) করার সাথে সাথেই BIOS/UEFI সক্রিয় হয়।
- এটি প্রথমে POST (Power-On Self Test) সম্পন্ন করে, হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং তারপর অপারেটিং সিস্টেম লোড করার প্রক্রিয়া শুরু করে।

• বুটিং (Booting):
-  বুটিং একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা।
- এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে।
- এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।

Booting-এর ধাপগুলো:
1) কম্পিউটার চালু (Power On ) করলে মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার (BIOS/UEFI) সক্রিয় হয়।
2) POST (Power-On Self Test) হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করা হয়। BIOS/UEFI হার্ডওয়্যার চেক করে (RAM, CPU, Keyboard, Monitor, Storage)।
3) Boot Loader Execution অপারেটিং সিস্টেমের boot manager (যেমন Windows Boot Manager বা GRUB) চালু হয়।
4) OS Loading → Bootloader নির্বাচিত Kernel মেমরিতে লোড করে। Kernel hardware initialize করে এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার, সার্ভিস লোড করে। এরপর অপারেটিং সিস্টেম পূর্ণভাবে চালু হয়।
5) User Interface Ready ইউজার login করতে পারে এবং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২০০.
মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি কোন ধরনের মেমোরি?
  1. ক) SRAM
  2. খ) DRAM
  3. গ) MROM
  4. ঘ) PROM
সঠিক উত্তর:
খ) DRAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) DRAM
ব্যাখ্যা
ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি
- সাধারণ SRAM-এর তুলনায় এ ধরনের মেমোরির স্মৃতি কোষ আকারে ছোট এবং দামেও সস্তা।
- DRAM-এর আরো সুবিধা হলো প্রতি আইসিতে বিটের সংখ্যা বেশি, বিট প্রতি খরচও কম এবং বিদ্যুৎ শক্তি কম লাগে।
- মেইনফ্রেম, মিনিফ্রেম এবং মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত DRAM ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। 

এমরম (MROM):
- MROM-এর পূর্ণরূপ হলো Mask Programmable Read Only Memory.
- আইসি আকারের এ ধরনের রম ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী তৈরি। 

পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।