PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার
কম্পিউটার
PrepBank · পাতা ৬২ / ৮২ · ৬,১০১–৬,২০০ / ৮,১৪১
উত্তর
ব্যাখ্যা
Mac OS হচ্ছে একটি চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
• অপারেটিং সিস্টেম
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।
২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কীবোর্ডের কীগুলোর সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ ১০৫ টি কী আছে।
- ফাংশন কী: কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহ ফাংশন কী নামে পরিচিত।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওংশন কী ব্যবহৃত হয়।
- টাইপিং কী: বর্ণমালা গাণিতিক অংক এবং অন্যান্য চিহ্নসমূহ লেখার জন্য ব্যবহৃত কীগুলোকে টাইপিং কী বলে।
- নিউমারিক কী: কীবোর্ডের ডান অংশে ক্যালকুলেটরের মতো ০-৯ এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নতি কীগুলোকে নিউমারিক কী বলে।
- মডিফায়ার কী: কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• GitHub মূলত কোডের ভার্সন নিয়ন্ত্রণ এবং সহযোগিতার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে প্রোগ্রামাররা তাদের কোড সংরক্ষণ, ভাগ এবং একত্রে কাজ করতে পারে। GitHub Git নামের একটি ভার্সন নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম ব্যবহার করে, যা প্রোগ্রামারদের বিভিন্ন সংস্করণ ট্র্যাক করতে সাহায্য করে, ফলে কোডের পরিবর্তন সহজে নজরে আসে এবং পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়। এটি দলগত প্রকল্পে অত্যন্ত কার্যকর, কারণ একাধিক ব্যক্তি একসাথে একটি প্রজেক্টে কাজ করতে পারে, পরিবর্তন প্রস্তাব করতে পারে এবং সমস্যার সমাধান করতে পারে। তাই GitHub ওয়েব সার্ভার চালানো, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা প্রবন্ধ লেখার জন্য নয়।
- সঠিক উত্তর: ক) কোডের ভার্সন নিয়ন্ত্রণ ও সহযোগিতার জন্য।
GitHub:
- GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
- GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
- মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
- GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
- Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Tactile Feedback ব্যবহার করে এমন ডিভাইসগুলি এক ধরণের সংবেদনশীলতা কাজে লাগায়। যেমন: একটি কম্পন (vibration) অথবা শ্রবণযোগ্য ক্লিক (Audible click)।
- Tactile feedback, also known as haptic feedback, allows users to feel sensations of touch and texture through physical feedback mechanisms in VR and AR devices, such as vibrations or pressure applied to the user's skin or hands, enhancing the immersive experience.
- Tactile feedback is achieved through the use of haptic devices, which are devices that can generate vibrations or forces. These devices can be worn on the hands, fingers, or other parts of the body.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা। মেশিন ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য পঞ্চাশের দশকে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন শুরু হয়।
- এই ভাষা দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো যা মেশিনের ভাষা থেকে উন্নত, সংক্ষিপ্ত এবং ব্যবহারকারীর জন্য সহজবোধ্য।
- অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তরিত করার জন্য অ্যাসেম্বলার নামক এক ধরনের ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাসেম্বলি ভাষা বিভিন্ন সংকেতের সমন্বয়ে লেখা হয়ে থাকে। এজন্য অ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক ভাষাও (Symbolic Language) বলা হয়।
- কারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার ক্ষেত্রে নির্দেশ ও ডাটার অ্যাড্রেস বাইনারি বা হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যার সাহায্যে না দিয়ে বিভিন্ন সংকেতের সাহায্যে দেয়া হয়।
- যথা: ADD, SUB, MUL, DIV, JMP, INP, OUT ইত্যাদি। এগুলোকে অপকোড বা অপারেশন কোড বলে।
- আবার এই সংকেতগুলোকে সাংকেতিক কোড (Symbolic Code) বা নেমোনিক (mnemonic) বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• রোবট সাধারণত কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যা রোবটকে নির্দিষ্ট নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে সাহায্য করে।
• রোবট (Robot):
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা কম্পিউটার প্রোগ্রামের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করে।
- এটি মানুষের মতো বিভিন্ন কাজ দ্রুত, নির্ভুল ও ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
- রোবট সাধারণত সেন্সর, কন্ট্রোলার এবং প্রোগ্রামিং ব্যবস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত হয়।
- শিল্পকারখানা, চিকিৎসা, মহাকাশ গবেষণা, সামরিক কার্যক্রম এবং বিপজ্জনক পরিবেশে কাজের জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
• রোবট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা:
- রোবটের কার্যক্রম মূলত কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- প্রোগ্রাম অনুযায়ী রোবট নির্দিষ্ট কাজ যেমন চলাচল, বস্তু ধরার কাজ, মাপজোক বা বিশ্লেষণ করতে পারে।
- রোবটের নিয়ন্ত্রণে সেন্সর থেকে প্রাপ্ত তথ্যও ব্যবহৃত হয়।
• রোবটের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- শিল্প উৎপাদন ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি পরিচালনা।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম অস্ত্রোপচার।
- মহাকাশ গবেষণা ও অনুসন্ধান।
- বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ সম্পাদন।
• অন্যান্য অপশন:
- ইন্টারনেট সার্ভার → এটি মূলত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য ও সেবা প্রদানকারী কম্পিউটার ব্যবস্থা।
- ডেটাবেজ সিস্টেম → ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার ব্যবস্থা।
- অপারেটিং সিস্টেম → কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনার মূল সফটওয়্যার।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের
ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- কয়েকটি অ্যান্টি-ভাইরাসের নাম হলো: এভিজি, এভিরা, অ্যাভাস্ট, নরটন ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 763, 642, 537 কিন্তু 780 অকটাল সংখ্যা নয় কারণ 8 অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী'।
- এটি ২০২৩ সালের ৭ মার্চে চালু হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দরাজ কণ্ঠের সাতই মার্চের ভাষণই বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল।
- সেদিন তার তর্জনী আঙ্গুল এর শক্তি দেখেছিলো পাক হানাদার বাহিনী আর উজ্জীবিত করেছিল বাঙালি জাতিকে।
- সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই বাংলা ব্রাউজারের নামকরণ করা হয়েছে ‘তর্জনী’।
- ৩০ লক্ষ শহীদ এর বিনিময়ে অর্জন করতে হয়েছে লাল সবুজ এর স্বাধীন দেশ এর পতাকা; তাই এই ব্রাউজারটি করা হয়েছে লাল সবুজের মিশ্রণে ।
অন্যদিকে -
- প্রথম ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হচ্ছে 'মোজাইক'। ১৯৯৩ সালের ২২ এপ্রিল সহকর্মী এরিক বিনাকে নিয়ে ব্রাউজারটি তৈরি করেন সিলিকন ভ্যালির 'এন্ড্রিসেন হরোভিৎস'- এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক এন্ড্রিসেন।
- ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রয়ারী ভাষার মাসে যাত্রা শুরু করল দেশের প্রথম বাংলা ভাষাভিত্তিক ব্রাউজার ‘দুরন্ত’। দুরন্ত হচ্ছে বাংলা ভাষাভিত্তিক বাংলাদেশি ব্রাউজার, যেখানে বিশ্বের খ্যাতনামা সব ব্রাউজারের সেরা ফিচারগুলো পাওয়া যাবে। 'দুরন্ত' নামের একটি বাংলা ভাষাভিত্তিক ব্রাউজার নিয়ে এসেছে ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি।
- ডলফিন ব্রাউজার হলো অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেম সমর্থিত একধরনের ওয়েব ব্রাউজার। এটি মোবোট্যাপ নামক কোম্পানি কর্তৃক উন্নয়নকৃত।
উৎস: Torjoni browser এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ ও ১৫ F সংখ্যা লিখতে হবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বর্তমানে মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চুম্বকীয় কোরের তুলনায় অর্ধপরিবাহী স্মৃতি অনেক ছোট ও সস্তা। অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি বলেই একে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি বলে।
বহুল ব্যবহৃত দুই ধরনের অর্ধপরিবাহী স্মৃতির একটি হল অস্থায়ী স্মৃতি বা র্যাম (RAM = Random Access Memory) এবং অপরটি হল স্থায়ী স্মৃতি বা রম (ROM = Read Only Memory)।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
উত্তর
ব্যাখ্যা
Digital কম্পিউটারের প্রকারভেদ:
১. মিনি কম্পিউটার:
- মিনি কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার, যার কাজের গতি ও ক্ষমতা তুলনামূলক কম ।
- এগুলো সাধারণত ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ হলো: IBM S/34, IBM S/36, PDP 11, NCR S/9290, ইত্যাদি।
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- সাধারণত সুপার কম্পিউটারের চেয়ে কম শক্তিশালী।
- এ ধরনের কম্পিউটার বড় বড় অফিস, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা ও গবেষণা কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার একসাথে অনেক ব্যবহারকারীর কাজ করতে পারে এবং জটিল ও বিশাল তথ্য সহজে প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
- উদাহরণ: IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170, ইত্যাদি।
৩. সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতির কম্পিউটার।
- এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত গবেষণাগার, আবহাওয়া বিশ্লেষণ, সামরিক গবেষণা, পরমাণু পরীক্ষা ইত্যাদির মতো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের বিসিসি-তে একটি সুপার কম্পিউটার রয়েছে।
- উদাহরণ: CYBER-205 (যুক্তরাষ্ট্র), SuperSXII (জাপান)।
৪. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ ধরণের কম্পিউটার, যা ডিজিটাল এবং অ্যানালগ কম্পিউটারের সংমিশ্রণে তৈরি।
- এটি অ্যানালগ অংশের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ডিজিটাল অংশের মাধ্যমে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত হাসপাতাল, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র্যাম। র্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অন্য সংখ্যাগুলো যেমন ১২৩৯ তে ৯ আছে, ৮৯এ তে ৮ ও A (যে অক্ষর নয়), আর ১৯৮ তে ৮ আছে, তাই তারা অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) 765.
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Cancerous cells
• ক্রায়োসার্জারি:
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে একটি যন্ত্র কেবল সংখ্যাগণনা ছাড়াও জটিল ধাপ অনুসরণ করে নানা কাজ করতে পারে, যা সেই সময়ে এক যুগান্তকারী চিন্তা ছিল।
• অপশন আলোচনা:
- জর্জ বুল: বুলিয়ান অ্যালজেবরার জনক, যার কাজ পরবর্তীকালে কম্পিউটার বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ব্লেজ পাস্কাল: ১৭শ শতাব্দীর একজন গণিতবিদ, যিনি একটি প্রাথমিক যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেছিলেন।
- জন ভন নিউম্যান: ২০শ শতাব্দীর একজন বিজ্ঞানী, যিনি আধুনিক কম্পিউটারের গঠন (architecture) তৈরি করেন।
তাই, যন্ত্রের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লেখার কৃতিত্ব এডা লাভলেসের।
• প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার:
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের পরিকল্পনা:
- ১৭৮৬ সালে, জার্মানির মুলার 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
• চার্লস ব্যাবেজের অবদান:
- ১৮১২ সালে, ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ আরও উন্নত একটি ডিফারেন্স ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
• অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা:
- ১৮৩৩ সালে, ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে একটি নতুন যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন এবং তার নকশা প্রস্তুত করেন।
• অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাবেজ তাঁর মেশিনে আধুনিক কম্পিউটারের মতো নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ এবং নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন।
- এই যন্ত্রে সাধারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার মতো প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হতো।
• অগাস্টা এডা বায়রনের অবদান:
- অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা ও উন্নয়নে ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অগাস্টা এডা বায়রনের (Augusta Ada Byron) অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
• এডা লাভলেস:
- এডা লাভলেস (Ada Lovelace) অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম রচনা করেন এবং তিনি পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত হন।
• এডা লাভলেসের নামানুসারে প্রোগ্রামিং ভাষা:
- আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষা "এডা" তাঁর নামানুসারে রাখা হয়।
উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
Reference: support.microsoft.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।
• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড সিস্টেম হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা কম্পিউটিং সিস্টেম, যা একটি বৃহত্তর সিস্টেমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।
- স্মার্ট ওয়াচ একটি এমবেডেড সিস্টেম, কারণ এটি নির্দিষ্ট কাজ যেমন হেলথ মনিটরিং, নোটিফিকেশন প্রদর্শন এবং যোগাযোগের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সাধারণত একটি ছোট প্রসেসর, মেমরি এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
উৎস: ব্রিটানিকা ও টেক টার্গেট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সমাধান:
5 = 101
A = 1010
∴ (5A)16 = (1011010)2
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Mining হলো Bitcoin নেটওয়ার্কে নতুন ব্লক যাচাই করে ব্লকচেইনে যুক্ত করার প্রক্রিয়া, যেখানে কম্পিউটারের গণনাশক্তি ব্যবহার করা হয়।
• Bitcoin:
- Bitcoin হলো একটি decentralized digital currency বা cryptocurrency, যা কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়।
- এটি peer-to-peer নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সাথে লেনদেন করতে পারে।
- Bitcoin লেনদেনগুলো blockchain নামক একটি distributed ledger-এ সংরক্ষিত থাকে।
- Bitcoin প্রথম প্রস্তাব করা হয় 2008 সালে Satoshi Nakamoto নামের একটি ছদ্মনামের মাধ্যমে প্রকাশিত whitepaper-এ।
- Bitcoin নেটওয়ার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় 2009 সালে।
• Blockchain:
- Blockchain হলো একটি distributed database বা digital ledger যেখানে লেনদেনের তথ্য ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে।
- এই সংযুক্ত কাঠামো একটি চেইনের মতো হওয়ায় একে blockchain বলা হয়।
• Mining:
- Mining হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে শক্তিশালী কম্পিউটার ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা হয়।
- এর মাধ্যমে Bitcoin লেনদেন যাচাই করা হয় এবং নতুন ব্লক blockchain-এ যুক্ত করা হয়।
- Mining সম্পন্ন হলে miner নতুন Bitcoin পুরস্কার হিসেবে পেতে পারে।
• অন্যান্য অপশন:
- Staking → কিছু cryptocurrency নেটওয়ার্কে কয়েন লক করে ব্লক যাচাই করার একটি পদ্ধতি।
- Hashing → ডেটাকে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের একটি hash মানে রূপান্তর করার ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রক্রিয়া।
- Indexing → ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি।
Source: Bitcoin Whitepaper & Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Increased transparency and traceability.
Blockchain:
Blockchain হলো একটি ডাটাবেজ প্রযুক্তি, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক জুড়ে বিতরণকৃত লেজার ব্যবহার করে। এতে রেকর্ডগুলো ব্লকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ব্লকগুলো ক্রমশঃ একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, ফলে একটি ধারাবাহিক চেইন বা ব্লকচেইন তৈরি হয়।
Blockchain-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার:
- Blockchain-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে মধ্যস্থতাকারী ছাড়া লেনদেন সম্পন্ন করার ক্ষমতা এবং সমস্ত রেকর্ডকৃত ডেটার অপরিবর্তনীয়তা।
- এই প্রযুক্তি লেনদেনের সঠিকতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, যার কারণে এটিকে “ট্রাস্টলেস নেটওয়ার্ক” বলা হয়।
- বিভিন্ন শিল্পে Blockchain প্রযুক্তি উদ্ভাবন, যেমন: সরবরাহ শৃঙ্খলার দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্যের ট্রেসযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ এবং আর্থিক সেবার উন্নয়নে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ব্যাংকিংয়ে ব্লকচেইন প্রযুক্তির সুবিধা:
- বর্ধিত স্বচ্ছতা ও ট্রেসযোগ্যতা: বিতরণকৃত লেজারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা একই ডেটাবেস দেখতে পারে; ফলে লেনদেন সহজে ট্রেস করা যায়।
- ডেটা টেম্পার প্রতিরোধ: ব্লকচেইন ডেটা পরিবর্তন বা মুছে ফেলা কঠিন করে, যা সুরক্ষা বৃদ্ধি করে।
- কেন্দ্রীভূত মধ্যস্থতাকারীর অপ্রয়োজনীয়তা: পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেনে মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন পড়ে না; ফলশ্রুতিতে ফি ও প্রক্রিয়াকরণের সময় কমে।
- অপরিবর্তনীয় যাচাই: একবার ব্লকে রেকর্ড হওয়া তথ্য সহজে পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।
- উন্নত নিরাপত্তা: ব্লক পরিবর্তনের জন্য নেটওয়ার্কের সমস্ত কপি একসাথে বদলাতে হয়, যা প্রায় অসম্ভব; ফলে ইতিহাস নিরাপদ থাকে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Open Source Software (OSS) হলো এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড উন্মুক্ত থাকে, ফলে যে কেউ এটি বিনামূল্যে ব্যবহার, পরিবর্তন, এবং পুনঃবিতরণ করতে পারে।
Open Source Software:
- ওপেন সোর্স সফটওয়্যার (OSS) হলো এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে, ফলে যে কেউ এটি দেখতে, পরিবর্তন করতে ও উন্নত করতে পারে।
- এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে বা খুব কম খরচে ব্যবহারের সুযোগ দেয় এবং কাস্টমাইজ ও পুনর্বিতরণের স্বাধীনতা প্রদান করে।
- OSS সাধারণত বিকেন্দ্রীভূত ও সহযোগিতামূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়, যেখানে বিশ্বব্যাপী ডেভেলপাররা একসাথে কাজ করে।
- এই সফটওয়্যার খরচ-সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে।
উদাহরণ:
- Linux,
- Haiku,
- LibreOffice,
- WordPress ইত্যাদি।
উৎস: Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আর যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- আবার এমনও কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
ইনপুট ডিভাইস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রোজেক্টর, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।
ইনপুট-অউটপুট ডিভাইস: সিডি/ডিভিডি-রম ড্রাইভ, ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক ড্রাইভ, নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার, ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার, মডেম, টাচ স্ক্রিন, হ্যান্ডসেট প্রভৃতি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইউনিকোড ২ বাইট বা ১৬ বিটের যা দ্বারা ২১৬ বা ৬৫,৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- অর্থাৎ বিশ্বের ছোট বড় প্রায় সকল ভাষা ইউকোডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করা যায়।
- ইউনিকোড বর্তমানে ইউনিকোড কনসোর্টিয়ামের অধীনে পরিচালিত।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
1's complement এর সাথে 1 যোগ করলে 2's complement হয়।
তাই 111000 এর 1's complement হবে 000111.
এর সাথে 1 যোগ করলে হবে 001000.
সুতরাং 111000 এর 2's complement = 001000
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার (Printer):
- প্রিন্টার হলো কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যকে লিখিত আকারে উপস্থাপন করে।
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি।
• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- এই প্রিন্টার প্রিন্টিং হেডের পিনের মাধ্যমে অক্ষর তৈরি করে, যেখানে একাধিক পিন ব্যবহার করে কালি ফোঁটা আকারে অক্ষর ফুটিয়ে তোলে।
- সাধারণত ৯, ২৪, বা ৪৮ পিন বিশিষ্ট প্রিন্টিং হেড থাকে, যা পিনের সংখ্যা অনুযায়ী প্রিন্টের গুণগত মান নির্ধারণ করে।
• লেজার প্রিন্টার:
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে উন্নত।
- এটি দ্রুত এবং উচ্চ মানের প্রিন্টিং করতে সক্ষম।
- লেজার প্রিন্টার "লেজার" (Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির মাধ্যমে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
- এর প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট, এবং টোনার কার্টিজ।
• ইংকজেট প্রিন্টার:
- ইংকজেট প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে প্রিন্ট তৈরি করে।
- এর প্রধান অংশগুলো হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানোর মেকানিজম এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল।
• থার্মাল প্রিন্টার:
- থার্মাল প্রিন্টারে কালি বা রিবন ব্যবহার করা হয় না; এর পরিবর্তে রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া বিশেষ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়।
- এতে প্রিন্ট হেডে বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু থাকে, যা তাপের মাধ্যমে কাগজে প্রিন্ট তৈরি করে।
- ছাপার কাগজে রাসায়নিক প্রলেপ থাকায় তাপের প্রভাবে প্রিন্ট তৈরি হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
- RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
- সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কম্পোনেন্টকে কার্নেল (Kernel) নামে পরিচিত। কার্নেল হলো সিস্টেমের মূল অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, ফাইল সিস্টেম এবং ডিভাইস ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। ব্যবহারকারী সরাসরি কার্নেলের সঙ্গে যোগাযোগ না করলেও, এটি অন্যান্য কম্পোনেন্ট যেমন শেলকে সমর্থন দেয়, যা ব্যবহারকারীকে কমান্ড দেয়ার সুযোগ করে। অন্য অপশনগুলো-শেল হলো ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস, BIOS হলো বুটিং প্রোগ্রাম এবং চিপ হলো হার্ডওয়্যারের অংশ। তাই অপারেটিং সিস্টেমের মূল ও প্রধান অংশ হলো কার্নেল।
• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।
• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ শিডিউলিংয়ের দায়িত্ব পালন করা হয়।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ এবং টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইস ম্যানেজমেন্টের কাজ পরিচালনা করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সংযোগ স্থাপন করা হয়।
উৎস:
- sciencedirect.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ব্রাউন আউট (Brown Out): পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়। সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।
- ট্রানসিয়েন্ট (Transient): বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়। অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।
- নয়েজ (Noise): সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়। এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
- AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।
উল্লেখ্য:
- Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
উত্তর
ব্যাখ্যা
A program written in Machine Language is called object program.
মেশিন ভাষা (Machine Language)
- ভাষার সর্বনিম্ন স্তর হল মেশিনভাষা যা কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা।
- মেশিনভাষায় 0 ও 1 এই দুই বাইনারি অঙ্ক অথবা হেক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে সব কিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষাই বুঝতে পারে; অন্য ভাষায় প্রোগ্রাম করলে কম্পিউটার আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনভাষায় পরিণত করে নেয়।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সব প্রোগ্রাম একমাত্র মেশিনভাষাতেই করতে হতো।
- মেশিনভাষায় প্রোগ্রাম তৈরি অত্যন্ত জটিল এবং পরিশ্রম ও সময় সাপেক্ষ, তাই বর্তমানে সব প্রোগ্রামই হাই লেভেল ভাষাতে করা হয়।
- প্রত্যেক কোম্পানীর কম্পিউটারের মেশিনভাষা আলাদা, তাই এক কোম্পানীর কম্পিউটারের জন্য মেশিনভাষায় করা প্রোগ্রাম অন্য কোম্পানীর কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।
মেশিনভাষায় নির্দেশের ধরন
1. গাণিতিক (Arithmetic) – অর্থাৎ যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ।
2. নিয়ন্ত্রণ (Control) – অর্থাৎ লোড (Load), স্টোর (Store) ও জাম্প (Jump)।
3. ইনপুট-আউটপুট – অর্থাৎ পড় (Read) ও লেখ (Write)।
4. প্রত্যক্ষ ব্যবহার (Direct use) – অর্থাৎ আরম্ভ কর (Start), থাম (Halt) ও শেষ কর (End)।
- মেশিনভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় অবজেক্ট প্রোগ্রাম (Object program)।
- অন্য যে কোন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় উৎস প্রোগ্রাম (Source program)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ডে এক সাথে উইন্ডোজ ও এল (Windows +L) চেপে কম্পিউটার লক করা হয়।
আরো কিছু উইন্ডোজ শর্টকাট কী -
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• 'নরটন (Norton)' কম্পিউটার ভাইরাস নয়, এটি একটি কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)
- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- যেসব অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে এই ডেটা পড়ার কী রয়েছে, কেবল তারাই এটি পড়তে পারবেন।
- এটি হলো কোনো তথ্যে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা পাবার জন্য এনকোডিং-এর প্রক্রিয়া।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিন্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plane leti) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Ciphor text)। এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন পূর্বের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।
• SPSS হলো Statistical software, অপশনের বাকিগুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেসিং এর জন্য হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বেস-16 সংখ্যা পদ্ধতি, যা বাইনারি এর চেয়ে বেশি কমপ্যাক্ট এবং মানুষের পড়ার জন্য সহজ।
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি মেমোরি অ্যাড্রেস, রেজিস্টার মান, এবং অন্যান্য লো-লেভেল ডেটা রিপ্রেজেন্টেশনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ:
একটি 32-বিট মেমোরি অ্যাড্রেস বাইনারিতে 11010101101011101101101010101101 হিসেবে লেখা যায়, কিন্তু হেক্সাডেসিমালে এটি D5AED6AD হিসেবে লেখা হয়, যা পড়া এবং বুঝতে অনেক সহজ।
সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।
• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- নিম্নে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সাধারণ উপপাদ্যগুলো দেয়া হলো
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 3 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্টাল মান বসালে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্টাল মান পাওয়া যায়।
সুতরাং, (A1D.FC)₁₆=(5035.770)₈
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ১০-এর হেক্সাডেসিমাল মান হলো A। হেক্সাডেসিমাল বা ষোড়শভাজক সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গুলো ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত থাকে। এখানে A, B, C, D, E, F দ্বারা ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, ১০ ডেসিমালে হলে হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে এটি A হবে।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) A.
দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
যেমন- র্যাম।
• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
- এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
- অ্যাকসেস সময় কম।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের জন্য একাধিক উপাদান ব্যবহৃত হয়। যখন একাধিক ফিল্ড একত্রিত হয়ে একটি একক একক তথ্যের বিস্তারিত রূপ ধারণ করে, তখন তাকে রেকর্ড বলা হয়। অর্থাৎ, একটি রেকর্ড হলো ডাটাবেজের সেই ইউনিট যেখানে বিভিন্ন ফিল্ডের মান একসাথে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার এবং ইমেইল প্রতিটি একটি ফিল্ড, এবং সবগুলো ফিল্ড মিলিত হয়ে ঐ ব্যক্তির রেকর্ড তৈরি করে। সুতরাং, একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে যে গঠন তৈরি হয়, তা হলো রেকর্ড। এটি ডাটাবেজের মৌলিক একক এবং ডাটাবেজের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সঠিক উত্তর: ক) রেকর্ড।
উপাত্ত:
- সুনির্দিষ্ট আউটপুট বা ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামালসমূহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে।
ফিল্ড:
- ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে স্টোর করার জন্য ব্যবহার করে।
রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।
টেবিল:
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল গঠিত।
অর্থাৎ,
- একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।
- একাধিক রেকর্ডের সমন্বয়ে টেবিল গঠিত।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম নিম্নে দেওয়া হলো -
• ভিবিএস/হেল্পার,
• ওয়ার্ম,
• ভিবিএস/আকুই,
• ট্রোজান হর্স,
• এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
• মাইক্রো ভাইরাস,
• বুট সেক্টর ভাইরাস,
• জেরুজালেম,
• স্টোন,
• ঢাকা ভাইরাস,
• ভিয়েনা,
• সিআইএইচ ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা 10101 এর দশমিক মান 21.
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
এখানে,
10101
= (1 ×24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 16+0+4+0+1
=21
= ১ + ৪ + ১৬
= ২১
(প্রদত্ত ছকে যে সংখ্যাগুলোর নিচে শূন্য আছে সে সংখ্যাগুলো বাদে বাকি সংখ্যাগুলো যোগ করলে দশমিক মান পাওয়া যাবে)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।
বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)
কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
Input Devices:
- Graphics Tablets
- Video Capture Hardware
- Trackballs
- Barcode reader
- Digital camera
- MIDI keyboard
- Gamepad
- Joystick
- Keyboard/keypad
- Cameras
- Microphone
- Mouse (pointing device)
- Scanner
- Webcam
- Touchpad/Touch screen
- Microphone
- Electronic Whiteboard
- OMR
- OCR
- Pen Input
- Punch card reader
- MICR (Magnetic Ink character reader)
- Magnetic Tape Drive
(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি গণনাও করতে পারে।
- কম্পিউটারের এ দ্রুতগতি সম্পন্ন গণনার কাজকে মিলিসেকেন্ড, মাইক্রোসেকেন্ড, ন্যানোসেকেন্ড, পিকোসেকেন্ড ইত্যাদি সময়ের একক হিসেবে ভাগ করা হয়।
- উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যে, সাধারণ একটি যোগ করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ৫০ ন্যানোসেকেন্ড তাহলে কম্পিউটার একসেকেন্ডে এরকম দু'কোটি যোগ করতে পারবে।
- একজন মানুষের ১০০ বৎসরের কাজ একটি সাধারণ কম্পিউটার ১ ঘন্টায় করতে সক্ষম।
উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের কার্যাবলী - মেমরি ডিভাইস, কাউন্টার এবং রেজিস্টার, ডেটা ট্রান্সফার হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিটা ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে তৈরি হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।
• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Windows অপারেটিং সিস্টেমে, 'Ctrl + Alt + Delete' দ্বারা যে কাজ গুলো করা যায়:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- মাইক্রোসফট এখন পর্যন্ত Windows 7, Windows Vista, Windows XP, Windows 8, Windows 10, Windows 11 প্রভৃতি অপারেটিং সিস্টেম বাজারে এনেছে।
- Windows 11 হচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ।
- উইন্ডোজ একটি স্বতন্ত্র অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখার প্রয়োজন হয় না।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Techtarget website.
উত্তর
ব্যাখ্যা
A এর সমতুল্য ডেসিমেল হলো 10 এবং B এর 11
= ( 10 × 161) + ( 11 × 160)
= 160 + 11
= 171
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।
• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।
• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।
• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।
• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগতো।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• PDA-এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant। পামটপ (Palmtop) কম্পিউটারকে মূলত পিডিএ (PDA) বলা হয়। কারণ এটি হাতের তালুতে রেখে ব্যবহার করা যায় এবং এটি একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ক্যালেন্ডার, নোটবুক, এবং ডায়েরির মতো কাজগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করে। বর্তমানে আধুনিক স্মার্টফোনগুলো পিডিএ-র জায়গা দখল করে নিয়েছে।
• পামটপ কম্পিউটার বা PDA:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(111101)2
= (1 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 16 + 8 + 4 + 0 + 1
= 61
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Cache memory হলো একটি volatile memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে ডেটা ধরে রাখতে পারে না।
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- Cache মেমরিকে (সাধারণত L1, L2, L3) SRAM (Static RAM) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
- SRAM হলো এক ধরনের উদ্বায়ী (Volatile) মেমরি, যার অর্থ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে এতে সংরক্ষিত সমস্ত ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে মুছে যায়।
অন্যান্য অপশন:
- ROM (Read-Only Memory): Non-Volatile মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না
- SSD (Solid State Drive): Non-Volatile মেমোরি। এটি ডেটা সংরক্ষণের জন্য ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে।
- USB Flash Drives: Non-Volatile মেমোরি ডিভাইস যা পোর্টেবল ডেটা স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:
♦ One to One রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
♦ One to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
♦ Many to One রিলেশন:
যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
♦ Many to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
A microcomputer is a small, relatively inexpensive computer with a microprocessor as its central processing unit (CPU).
It includes a microprocessor, memory, and input/output (I/O) facilities. Microcomputers became popular in the 1970s and 80s with the advent of increasingly powerful microprocessors.
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
প্লটার সাধারণত ২ প্রকার।
যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flat bed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার
- প্লটার নিঃসন্দেহে সবচেয়ে ভালো গ্রাফিক্যাল আউটপুট দেয়।
- তবে একই প্রশ্নে যদি প্লটার অপশনে না থাকে তবে, উত্তর হিসাবে "লেজার প্রিন্টার" নেওয়া যাবে।
- প্রিন্টারগুলোর মধ্যে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে ভালো গ্রাফিক্যাল আউটপুট দেয়।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সঠিক উত্তর: ক) Oracle.
• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ওবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের সুবিধা দেয়।
- জাভা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ (platform-independent) হওয়ায় “Write Once, Run Anywhere” নীতি অনুসরণ করে, অর্থাৎ একবার কোড লেখা হলে তা যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়।
- এটি ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, মোবাইল অ্যাপ, এবং বড় সফটওয়্যার সিস্টেম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- জাভার স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, এবং বড় কমিউনিটি সমর্থনের কারণে এটি আজও সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে একটি।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• Microsoft:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
• Intel:
- এটি পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইন্সট্রাকশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে অবজেক্ট বলে।
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো C++, Simula, Java ইত্যাদি।
- ৬টি প্রথামিক ধারণা দ্ধারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।যথা-
১.অবজেক্ট
২. ক্লাস (একই ধরনের অনেকগুলো বস্তু কিংবা ঘটনার logical representation)
৩.মেসেজ
৪.পলিমরফিজম (পলিফরমিক অবজেক্ট তৈরি করে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া যায়)
৫.ইনহেরিটেন্স (একটি ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস তৈরি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে)
৬.এনক্যাপসুলেশন (অবজেক্ট এর attributes এবং behaviours কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করে)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- একটি ফিল্ডে একই ধরণের ডেটা থাকে।
- ফিল্ডে ভেলিডেশন অপশন সেট করে ডেটা এন্ট্রি রোধ করা যায়।
অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচন:
- ডেটা টেবিলের বভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা ইনপুট করি তাই ডেটা।
- সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রাম ডিবাগিং (Programme Debugging)
- Bug অর্থ পোকা।
- Debugging অর্থ পোকা দূর করা।
- কম্পিউটারের প্রোগ্রামে যে ভুল-ত্রুটি থাকে তা দূর করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারে একটি মথ পোকা ঢুকে যাওয়ায় তা অচল হয়ে পড়ে। তখন থেকে Debugging শব্দটির উৎপত্তি।
- প্রোগ্রাম ডিবাগিংয়ের জন্য প্রথমে প্রোগ্রামে কী ধরনের ভুল হয়েছে তা নির্ণয় করে সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় সংশোধন করলেই চলে।
- Syntax Error হলে তা নির্ণয় করা এবং সংশোধন করা সহজ।
- Logical Error শনাক্ত করা কঠিন।
- এক্ষেত্রে কিছু নমুনা ডাটা নিয়ে যার ফলাফল জানা আছে, প্রোগ্রাম পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল ভিন্ন হলে প্রোগ্রামকে কয়েকটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের ফলাফল দেখে কোথায় ভুল আছে তা নির্ণয় করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফাইল সেভ করতে F12 ব্যবহৃত হয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপলে চলমান ওয়েবপেজটি রিফ্রেশ বা রিলোড হয়। অর্থাৎ, ব্রাউজার আবার সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্ভার থেকে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে এবং পেজটি নতুন করে প্রদর্শন করে। অনেক সময় ওয়েবসাইটে নতুন কনটেন্ট যোগ হলে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে ব্যবহারকারীরা F5 চাপ দিয়ে পেজ আপডেট করে সর্বশেষ তথ্য দেখতে পান। এটি বুকমার্ক করা, ডেভেলপার টুলস খোলা বা ব্রাউজার বন্ধ করার কাজ করে না। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- ক) চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়।
কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উইকিপিডিয়া একটি ওয়েব ব্রাউজার নয়; এটি একটি অনলাইন বিশ্বকোষ বা ওয়েবসাইট, যা ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে অ্যাক্সেস করা হয়।
ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser)
- ইন্টারনেটকে তথ্যের বিশাল সাগর বলা হয়, কারণ এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত কম্পিউটারগুলোতে থাকা তথ্য ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।
- যে সফটওয়্যারটি ওয়েব পেজ বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) প্রদর্শন করে, তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলা হয়।
- বিভিন্ন দেশের সার্ভারে থাকা সংযোগযোগ্য ওয়েব পেজ পরিদর্শনকে ওয়েব ব্রাউজিং (Web Browsing) বলা হয়।
- ওয়েব ব্রাউজিং-এর মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য সহজে পাওয়া যায়।
- ওয়েব ব্রাউজার ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সার্ভার কম্পিউটার থেকে ওয়েব পেজ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে।
জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর (Netscape Communicator)
- সাফারি (Safari)
- ওপেরা (Opera)
- গুগল ক্রোম (Google Chrome)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'B' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 11.
এখন 11 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1011
- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
• বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে F এর সমুতল্য বাইনারি মান 1111(ক)।
- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010 (খ)।
- হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান 1100 (ঘ)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।
• চতুর্থ প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM 3033, IBM 4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।
সিলিকন দ্বারা জার্মেনিয়ামের প্রতিস্থাপন:
- সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে সিলিকন দ্বারা জার্মেনিয়ামের প্রতিস্থাপন শুরু হয়েছিল 1960 এর দশকে।
- এই প্রতিস্থাপনটি সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে এবং কম্পিউটিং প্রযুক্তির অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্যে সিলিকনের প্রাচুর্যতা, সিলিকনের উন্নত তাপীয় বৈশিষ্ট্য এবং এর উচ্চতর অপারেটিং ক্ষমতা সহ বিভিন্ন কারণে গবেষকরা জার্মেনিয়ামকে সিলিকন দ্বারা প্রতিস্থাপন করেছিল।
উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) IEEE.
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1101)2 + (1011)2 = ?
ক) (10010)2
খ) (10100)2
গ) (11000)2
ঘ) (11001)2
সমাধান:
বাইনারি যোগের নিয়ম অনুযায়ী, দুটি সংখ্যা যোগ করার সময় ডানদিক থেকে শুরু করতে হয়।
যোগফল নির্ণয়ের ধাপগুলো নিচে দেখানো হলো:
1 1 0 1
+ 1 0 1 1
1 1 0 0 0
ধাপ ১: সর্বডানের কলাম যোগ করি: 1 + 1 = 10। এখানে 0 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ২: দ্বিতীয় কলাম যোগ করি: হাতে থাকা 1 + 0 + 1 = 10। এখানে 0 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ৩: তৃতীয় কলাম যোগ করি: হাতে থাকা 1 + 1 + 0 = 10। এখানে 0 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ৪: চতুর্থ কলাম যোগ করি: হাতে থাকা 1 + 1 + 1 = 11। এখানে 1 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ৫: সবশেষে, হাতে থাকা 1 বাম দিকে লিখি।
অতএব, (1101)2 + (1011)2 = (11000)2।
বিকল্প পদ্ধতি:
(1101)2 = 13 (দশমিক)
(1011)2 = 11 (দশমিক)
∴ 13 + 11 = 24 (দশমিক)
এখন 24 এর বাইনারি মান নির্ণয় করতে হবে, যা হলো (11000)2।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।
সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।
• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমোরি হলো এক ধরনের উচ্চগতির মেমোরি যা সাধারণত প্রসেসরের ভেতরে বা খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। এটি মূলত ব্যবহৃত হয় বারবার প্রয়োজনীয় ডেটা বা নির্দেশ দ্রুত প্রসেসরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। ক্যাশ মেমোরি র্যামের তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে, কারণ এর অ্যাক্সেস টাইম কম এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে। যদিও র্যামের ক্ষমতা বেশি, কিন্তু এর গতি তুলনামূলকভাবে ধীর। তাই প্রসেসরের পারফরম্যান্স বাড়াতে ক্যাশ মেমোরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: ঘ) র্যামের চেয়ে দ্রুত।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
মাইক্রোকম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ: বিভিন্ন কম্পিউটারের নাম -
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA)
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer)
৩। নােটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer)
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।
এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Binary Digit শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপকে বিট (Bit) বলে।
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুইটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হল সরলতম গণনা পদ্ধতি।
এই পদ্ধতিতে ডিজিটগুলো হল ০ এবং ১।
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM -3033, IBM -4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেলের প্রধান কাজ হল হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা।
কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।
কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।
উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।
• নেভিগেশন কী:
- কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrows Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।
- নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।
• কন্ট্রোল কী:
- Ctrl, Alt, Windows logo key.
• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।
• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft website.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা সমন্বিত বর্তনী।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী Transistor, Resistor এবং Capacitor সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা Integrated Circuit বা IC নামে পরিচিতি লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
URL দ্বারা একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা বোঝানো হয়।
• URL
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator।
- ওয়েবসাইট বা পেইজের ঠিকানাকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
উদাহরণ: https://www.abcd.com/home
- https = প্রোটোকল
- www.abcd.com = ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home = ডিরেক্টরি নাম (পাথ)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি।
• অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- The primary function of a microprocessor is to fetch and execute instructions from memory.
- It is also known as a "brain" of the computer that runs the computer's operating system and applications.
Reference: Carnegie Mellon University website
উত্তর
ব্যাখ্যা
• যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, এটি একটি Many-to-One সম্পর্ককে নির্দেশ করে। অর্থাৎ অনেক কর্মী (Many) একজন ম্যানেজার (One)-এর অধীনে কাজ করে। এখানে প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকে, কিন্তু একজন ম্যানেজারের অধীনে একাধিক কর্মী থাকতে পারে। এটি তথ্যব্যবস্থাপনা বা ডাটাবেস ডিজাইনে সাধারণভাবে ব্যবহৃত সম্পর্কের উদাহরণ। One-to-One সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন কর্মী এবং একজন ম্যানেজারের মধ্যে কেবল একক সম্পর্ক থাকে। One-to-Many হলে একজন কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে থাকতে পারে, আর Many-to-Many হলে একাধিক কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে পারে। তাই এখানে সঠিক উত্তর গ) Many-to-One.
ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।
রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।
One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি মাপা হয় হার্টজ (Hz) এককে, যা প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন হচ্ছে তা নির্দেশ করে। আধুনিক প্রসেসরের গতি সাধারণত গিগাহার্টজ (GHz) এ প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১ GHz = ১ বিলিয়ন সাইকেল/সেকেন্ড।
সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন পূর্বের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
-পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডেসিম্যাল (Decimal) বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
- বাইনারি (Binary) সংখ্যা পদ্ধতি
- অক্টাল (Octal) সংখ্যা পদ্ধতি
- হেক্সাডেসিম্যাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি
- বাইনারি কোডেড ডেসিমাল (বিসিডি) হল এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে বাইনারি কোড কে ৪ বিট করে 0 - 9 অক্ষরের দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- এই কোডের মান দেখতে দশমিক সংখ্যার মতো তাই একে Binary Coded Decimal ও বলা হয়;
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• NOMAD একটি চতুর্থ প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।
• প্রথম প্রজন্মের ভাষা:
- মেশিন ভাষা (Machine Language)।
- শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখা হয়।
- ভাষার সর্বনিম্ন স্তর মেশিন ভাষা যা কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা।
- অনেক সময় ব্যয় হয় ও ভুল দূর করা কষ্টসাধ্য।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা:
- অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
- সংকেত বা নেমোনিক ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখা হয়। যেমন: SUB, MUL, ADD, DIV.
- সাংকেতিক ভাষাও বলা হয়।
• তৃতীয় প্রজন্মের(উচ্চস্তর - High Level) ভাষা:
- যে প্রোগ্রামিং ভাষায় প্রতীক এবং শব্দসমূহ সাধারণত গাণিতিক ও ইংরেজি ভাষার মত এবং যা মানুষের জন্য সহজে বোধগম্য, সে প্রোগ্রামিং ভাষাকে উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা বলা হয়।
- উদাহরণ হলো- C, C++, Basic, Java, ALGOL, Fortran.
• চতুর্থ প্রজন্মের (অতি উচ্চতর - Very high level) ভাষা:
- কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়।
- পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয়।
- উদাহরণ হলো- SQL, NOMAD, RPG III, FOCUS, Intellect BРМ.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।