উত্তর
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত সকল অপারেটিং সিস্টেমে কোড লিখে পরিচালনা করা লাগে।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫৫ / ৮২ · ৫,৪০১–৫,৫০০ / ৮,১৪১
সরকারি কর্মকর্তাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও ফাইল আদান-প্রদানের জন্য চালু হয়েছে মেসেজিং অ্যাপ 'আলাপন'। এটির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কিছুটা ভাইবারের মতো এই অ্যাপের মাধ্যমে সরকারের কোনো কর্মকর্তা যে কোনো জায়গা থেকে চ্যাটিং, ভয়েস ও ভিডিও কল, গ্রুপ কনফারেন্স ছাড়াও নথি আদান-প্রদান করতে পারবেন।
কর্মকর্তারা নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর ও পে-স্কেলে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়ে বিনামূল্যে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে আলাপন অ্যাপের অ্যাডভান্সড সার্চ অপশনে গিয়ে যে কোনো মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন যে কোনো কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরও সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া আলাপন অ্যাপ ব্যবহারে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া অন্য কোনো খরচ হবে না, ফলে এটি অর্থ সাশ্রয়ী হবে বলে জানানো হয়েছে।
সুত্রঃ বিবিসি
◉ UNIVAC-এর প্রধান পরিচয় হলো এটি ইতিহাসের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ও বিক্রিত কম্পিউটার যা আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Norton একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস শনাক্ত ও অপসারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি নিজে কোনো ক্ষতিকারক ভাইরাস নয়।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ILOVEYOU,
- WannaCry,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
• কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৪। নরটন (Norton) এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Ubuntu, Linux Mint, Debian, Puppy ইত্যাদি।
অ্যাপল ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- OS X 10.8, OS X 10.9, OS X 10.10 ইত্যাদি।
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Windows XP, Windows 7, Windows 10 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
- প্রিন্টার একটি অফলাইন আউটপুট ডিভাইস।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপানো হয়ে থাকে প্রিন্টার বলা হয়।
- প্রিন্টারের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপক একক ডিপিআই (ডটস পার ইঞ্চ)।
• যে সকল অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়। যেমন:
- Linux,
- Haiku,
- Darwin,
- Oberon,
- NetBSD,
- OpenBSD ইত্যাদি।
• Solaris অপারেটিং সিস্টেমের স্বত্বাধিকারী Sun Microsystem।
• MAC OS একটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার পরিচালনাকারী অপারেটিং সিস্টেম। এজন্য সংক্ষেপে একে ম্যাক ওএস বলা হয়। এটি কেবল অ্যাপল কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
• Ctrl + Z হলো কম্পিউটারে সর্বশেষ সম্পাদিত কাজ বাতিল করার বা পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাওয়ার (Undo) শর্টকাট কমান্ড।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
Ctrl + O: Open a document.
Ctrl + N: Create a new document.
Ctrl + S: Save the document.
Ctrl + W: Close the document.
Ctrl + C: Copy the selected content to the Clipboard.
Ctrl + V: Paste the contents of the Clipboard.
Ctrl + B: Apply bold formatting to text.
Ctrl + I: Apply italic formatting to text.
Ctrl + U: Apply underline formatting to text.
Ctrl + E: Center the text.
Ctrl + L: Align the text to the left.
Ctrl + R: Align the text to the right.
Esc: Cancel a command.
Ctrl + Z: Undo the previous action.
Ctrl + Y: Redo the previous action, if possible.
Alt + W: Adjust the zoom magnification.
Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
◉ ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমটি ১৯৬৯ সালে বেল ল্যাব্স (Bell Labs)-এ কেন থমসন (Ken Thompson) এবং ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। এটি সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা হয়েছিল এবং আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলির (যেমন Linux, macOS) ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.
- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যান্য অপশন আলোচনা:
স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনিয়াক → এরা অ্যাপল কোম্পানি এবং Apple I/II কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা।
বিল গেটস এবং পল অ্যালেন → এরা মাইক্রোসফট এবং Windows OS-এর প্রতিষ্ঠাতা, ইউনিক্সের বিকল্প হিসেবে DOS/Windows তৈরি করেছিলেন।
লিনাস টরভাল্ডস → লিনাক্স (Linux) কার্নেলের নির্মাতা।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
• ক্রিপার ভাইরাসকে সাধারণত কম্পিউটার ওয়ার্ম (ঘ) হিসেবে ধরা হয়। এটি ১৯৭১ সালে রবার্ট থমাস দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি নিজেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম। ক্রিপারের মূল কাজ ছিল নিজেকে কপি করে অন্য কম্পিউটারে পৌঁছে দেওয়া এবং একটি বার্তা প্রদর্শন করা, যা বলছিল “I’m the creeper, catch me if you can!”। এটি ব্যবহারকারীর ফাইল ক্ষতি বা অর্থনৈতিক ক্ষতির জন্য তৈরি হয়নি, বরং এটি কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের ধারণা প্রদর্শনের একটি পরীক্ষামূলক প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করেছিল। সুতরাং, ক্রিপারকে কম্পিউটার ওয়ার্মের প্রথম উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
- সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।
উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
• HTML-এর সংক্ষিপ্ত রূপের পুরো অর্থ “Hyper Text Markup Language”। এটি একটি মানক মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজ তৈরি ও প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। HTML-এর মাধ্যমে ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে কোন অংশে শিরোনাম, প্যারাগ্রাফ, তালিকা, ছবি বা লিঙ্ক স্থাপন করতে হবে। “Hyper Text” বলতে বোঝায় এমন টেক্সট যা অন্য ওয়েব পেজের সঙ্গে সংযুক্ত (লিঙ্ক) হতে পারে। “Markup” নির্দেশ করে যে এটি মূল কনটেন্টকে চিহ্নিত ও বিন্যাস করার জন্য ট্যাগ ব্যবহার করে। HTML ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং CSS ও JavaScript-এর সঙ্গে মিলিত হয়ে সম্পূর্ণ ইন্টারেক্টিভ ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) Hyper Text Markup Language.
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Markup Language.
- HTML হলো ওয়েব পেজ তৈরি করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা।
- টিম বার্নার্স-লি ১৯৯১ সালে HTML উদ্ভাবন করেন।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: W3C অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।
• কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে প্রথম যে প্রোগ্রামটি Run হয়, সেটি হলো BIOS.
• BIOS:
- BIOS (Basic Input/Output System) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার প্রোগ্রাম।
- এটি মাদারবোর্ডে থাকা ROM বা ফার্মওয়্যার চিপে সংরক্ষিত থাকে।
• কম্পিউটার চালু হলে BIOS–এর ভূমিকা:
- পাওয়ার অন করার সাথে সাথেই BIOS স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।
- BIOS প্রথমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে।
- এই প্রাথমিক পরীক্ষা প্রক্রিয়াকে POST (Power On Self Test) বলা হয়।
• BIOS ও অপারেটিং সিস্টেমের সম্পর্ক:
- হার্ডওয়্যার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর BIOS অপারেটিং সিস্টেম লোড করার কাজ শুরু করে।
- অপারেটিং সিস্টেম সম্পূর্ণভাবে লোড না হওয়া পর্যন্ত BIOS সক্রিয় থাকে।
• কেন BIOS প্রথম Run হয়:
- অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার আগেই হার্ডওয়্যার প্রস্তুত করা প্রয়োজন।
- এই কাজটি শুধুমাত্র BIOS–ই করতে পারে।
• অন্যান্য অপশন:
- Operating System BIOS–এর মাধ্যমে লোড হওয়ার পরে চালু হয়।
- Application software অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার পর ব্যবহার করা যায়।
- Device driver অপারেটিং সিস্টেমের অংশ হিসেবে কাজ করে।
উৎস: মাইক্রোসফট এবং ব্রিটানিকা [Link].
সঠিক উত্তর - ক) Volatile
Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো তথ্য মুছে দিয়ে সেই জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায়, তাকে RAM বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ হলে RAM-এর তথ্য মুছে যায়।
- RAM কে প্রাইমারি স্টোরেজ বলা হয়, কারণ এটি সরাসরি ডেটা এবং কম্পিউটারের নির্দেশ (instruction) সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয়।
- RAM এর প্রতিটি লোকেশন আলাদা এবং অন্য যেকোনো লোকেশনের মতো সহজে অ্যাক্সেস করা যায়।
- RAM হলো রিড/রাইট মেমোরি, অর্থাৎ এতে তথ্য লেখা এবং পড়া দুটোই সম্ভব।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• ALU (Arithmetic Logic Unit) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক (Arithmetic) এবং যৌক্তিক (Logical) ক্রিয়া সম্পন্ন করে।
• Data storage (তথ্য সংরক্ষণ):
- এটি মেমরি বা রেজিস্টারের কাজ, ALU তথ্য সংরক্ষণ করে না।
- ALU শুধুমাত্র প্রক্রিয়াকরণ করে, সংরক্ষণ নয়।
• ALU এর প্রধান কাজ:
- Addition (যোগ): দুই বা ততোধিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করে।
- Subtraction (বিয়োগ): দুই সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য বের করে।
- Logical operation (যৌক্তিক ক্রিয়া): AND, OR, XOR, NOT ইত্যাদি যৌক্তিক অপারেশন সম্পন্ন করে।
- Comparison (তুলনা): সংখ্যা একের থেকে বড়, ছোট বা সমান কিনা যাচাই করে।
তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কম্পিউটারে ইনপুট সরঞ্জাম হলো এমন যন্ত্র যা ব্যবহারকারী থেকে ডেটা বা তথ্য গ্রহণ করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। যেমন, মাউস ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সর নিয়ন্ত্রণ করি এবং বিভিন্ন কমান্ড প্রদান করি। ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ছবি বা ভিডিও ক্যাপচার করে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে পাঠানো যায়। অন্যদিকে, প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটার থেকে তথ্য গ্রহণ করে কাগজে প্রিন্ট আকারে প্রদান করে। তাই প্রিন্টার কোনো ইনপুট সরঞ্জাম নয়। সঠিক উত্তর হবে: ক) প্রিন্টার।
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- তার মধ্যে কমন ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো-
১. কি-বোর্ড
২. মাউস
৩. ট্যাকবল
৪. জয়স্টিক
৫. বার কোড রিডার
৬. পয়েন্ট অফ সেল
৭. ওএমআর
৮. স্ক্যানার
৯. ডিজিটাইজার
১০. লাইটপেন ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়্যার সমূহ হলো:
১. মনিটর
২. প্রিন্টার
৩. প্লটার
৪. স্পিকার
৫. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
৬. ইমেজ সেটার
৭. ফিল্ম রেকর্ডার
৮. হেড ফোন ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad):
গ্রাফিক্স প্যাডকে স্লেটের সাথে তুলনা করা হয়। স্লেটে যেমন পেন্সিল দিয়ে লেখা হয় তেমনি গ্রফিক্স প্যাডে বিশেষ ধরনের পেন্সিল দিয়ে লেখা বা আঁকা যায় এবং কম্পিউটার এই লেখা বা আঁকা বুঝতে পারে।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• Data Bus বা ডেটা বাস হচ্ছে সিস্টেম বাসের অংশ। এটি এক্সপানশন বাসের অন্তর্ভুক্ত নয়।
• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA - Industry Standards Architecture),
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus):
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture),
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect),
৪. ইউএসবি (USB - Universal Serial Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ডেটা বাস (Data Bus),
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus) ও
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল জগদীশ চন্দ্র বসু। অ্যাডা লাভলেস algotithm programming এর ধারনা দেন। জেমস ক্লার্ক ম্যাক্স অয়েল electo-magnetic force এর ধারনা দেন। গুগ্লিয়েলমো মার্কনি বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৩ ও ৪।
• ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো তাদের বহনযোগ্যতা এবং ব্যবহার সুবিধা। ল্যাপটপ একটি কম্প্যাক্ট, হালকা ও ব্যাটারি-চালিত ডিভাইস, যা সহজে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া যায়। এর মধ্যে মনিটর, কীবোর্ড, মাউস ও সিপিইউ একত্রে থাকে, তাই অতিরিক্ত যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে ডেস্কটপ স্থিরভাবে ব্যবহারের জন্য তৈরি এবং সাধারণত বেশি শক্তিশালী ও কনফিগারযোগ্য, তবে এটি সহজে বহনযোগ্য নয়। ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ উভয়ই ইন্টারনেটে সংযোগ করতে সক্ষম এবং উভয়েই সিপিইউ থাকে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো – ক) ল্যাপটপ সহজে বহনযোগ্য।
ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ কম্পিউটারের ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতির হলো সুপারকম্পিউটার। এরা Floating Point Operations Per Second (FLOPS) এককে তাদের কর্মক্ষমতা মাপা হয়। আধুনিক সুপারকম্পিউটারগুলো পেটাফ্লপস (1015 FLOPS) থেকে শুরু করে এক্সাফ্লপস (1018 FLOPS) পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন।
সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোড ভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ২১৬ বা ৬৫৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• হেক্সাডেসিমেলে A=10 থেকে F=15 পর্যন্ত মান নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.
• সংখ্যা লেখার বা প্রকাশ করার যে নিয়ম অনুসরণ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ লক্ষ করা যায় নিচের মতো—
• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System),
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System).
• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):
- মানুষ সাধারণত হিসাব–নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 10.
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9.
- উদাহরণ: (13)10, (95)10 .
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অঙ্ক— 0 ও 1 ব্যবহার করা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 2।
- কম্পিউটার যেহেতু বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে কাজ করে, তাই এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: (101)2, (1000111)2 .
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System):
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 8টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 8.
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.
- উদাহরণ: (105)8, (765)8 .
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 16.
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত চিহ্নগুলো হলো—
- সংখ্যা: 0–9.
- বর্ণ: A, B, C, D, E, F.
এখানে—
A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.
উদাহরণ: (15)16, (ABC)16 .
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
অকটাল নাম্বার সিস্টেম বলতে ৮ ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি বা গণনা পদ্ধতি। অর্থাৎ প্রতিটি সংখ্যার জন্য শুধুমাত্র ৮টি সম্ভাব্য অঙ্ক নিয়ে অষ্টক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়।
অঙ্কগুলি হল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ পর্যন্ত।
১৭৯ এখানে ৯ অক্টাল নাম্বার নয়। তাই এটি দশমিক সংখ্যা ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)
সঠিক উত্তর - ঘ) F3
• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
◉ Amazon DynamoDB হলো একটি ফুলি ম্যানেজড NoSQL ডাটাবেজ সেবা, যা উচ্চ পারফরম্যান্স এবং স্কেলেবিলিটি প্রদান করে।
ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।
NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।
• সঠিক উত্তর হলো ঘ) এরা HDD-এর তুলনায় কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
- SSD বা সলিড-স্টেট ড্রাইভে কোনো চলমান চৌম্বকীয় অংশ নেই, বরং ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়। এর ফলে এগুলো চুপচাপ কাজ করে এবং HDD-এর মতো নিয়মিত ডিফ্র্যাগমেন্টেশন প্রয়োজন হয় না। SSD-এর ডেটা অ্যাক্সেস দ্রুত এবং কার্যকর হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচও তুলনামূলকভাবে কম হয়। অন্যদিকে HDD-তে চুম্বকীয় প্ল্যাটার এবং স্পিনিং হেড থাকে, যা শব্দ সৃষ্টি করে এবং বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।
• SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।
• এছাড়াও,
- HDD: মেকানিক্যাল ঘূর্ণন ভিত্তিক, তুলনামূলক ধীর।
- Floppy Disk: খুব ধীর, প্রায় পুরনো প্রযুক্তি।
- SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক, অত্যন্ত দ্রুত।
- SSHD: হাইব্রিড, HDD-এর চেয়ে দ্রুত কিন্তু SSD-এর তুলনায় ধীর।
- সবচেয়ে দ্রুত: SSD.
উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• প্রজেক্টর কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
• কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসঃ
- পাঞ্চকার্ড,
- বারকোড রিডার,
- ওয়েবক্যাম,
- মাউস,
- ওএমআর,
- ওসিআর,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ট্র্যাকবল,
- লাইটপেন,
- ডিজিটাইজার ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর - গ) 257
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর প্রক্রিয়া:
ধাপ-১: দশমিক সংখ্যাটিকে অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮ দিয়ে ভাগ করুন এবং ভাগশেষটি সংরক্ষণ করুন।
ধাপ-২: প্রাপ্ত ভাগফলকে আবার ৮ দিয়ে ভাগ করুন এবং নতুন ভাগশেষটিও সংরক্ষণ করুন।
ধাপ-৩: এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
ধাপ-৪: সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে উল্টো ক্রমে (শেষ ভাগশেষ থেকে প্রথম ভাগশেষ পর্যন্ত) লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ অক্টাল মান পাওয়া যাবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
• NOR গেট ব্যবহার করে মৌলিক তিনটি গেট (NOT, OR, AND) তৈরি করা যায়, তাই এটি Universal Gate বা সার্বজনীন গেইট হিসেবে পরিচিত।
• সার্বজনীন গেইট (Universal Gate):
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
অন্যদিকে,
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.
বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ Linux হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং যেকেউ এটি পরিবর্তন, উন্নয়ন ও বিতরণ করতে পারে।
লিনাক্স (LINUX) অপারেটিং সিস্টেম:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
১। লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
২। লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
৩। ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
৪। নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
৫। এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
৬। লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ব্যবহারকারী CUI (Command-Line User Interface)-এর সাথে টেক্সট কমান্ড টাইপ করে ইন্টার্যাক্ট করে। এখানে গ্রাফিক্যাল উপাদান যেমন আইকন, বোতাম বা মেনু থাকে না। ব্যবহারকারী কীবোর্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কমান্ড লিখে সিস্টেমকে নির্দেশ দেয়, এবং সিস্টেম সেই কমান্ড অনুযায়ী কাজ করে। CUI-তে প্রতিটি ক্রিয়া স্পষ্টভাবে কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যা কার্যকর এবং দ্রুত হতে পারে, বিশেষ করে অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর জন্য। ভয়েস কমান্ড, টাচ বা আইকন ক্লিক সাধারণত GUI (Graphical User Interface)-তে ব্যবহৃত হয়, তাই CUI-এর ক্ষেত্রে এগুলো প্রযোজ্য নয়। এটি প্রায়শই প্রশাসক বা প্রোগ্রামারদের মধ্যে জনপ্রিয়।
সঠিক উত্তর: ক) টেক্সট কমান্ড টাইপ করে।
• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
• উত্তর: গ) 7-Zip.
7-Zip একটি জনপ্রিয় ওপেন-সোর্স ফাইল কম্প্রেশন টুল যা .7z, .zip, .tar, .gzip, .bzip2 এবং আরও অনেক ফরম্যাট সাপোর্ট করে। এটি উচ্চ কম্প্রেশন রেট এবং শক্তিশালী AES-256 এনক্রিপশন প্রদান করে। ব্যবহারকারীরা 7-Zip ব্যবহার করে বড় ফাইল ছোট আকারে রূপান্তর করতে পারে এবং ডেটা সংরক্ষণ ও স্থান সাশ্রয় করতে পারে। এছাড়া, এটি উইন্ডোজ সহ বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উপলব্ধ এবং সহজ ইন্টারফেসের কারণে নতুন ব্যবহারকারীরাও দ্রুত ফাইল কম্প্রেশন ও এক্সট্র্যাকশন করতে সক্ষম। ওপেন-সোর্স হওয়ায় এটি বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য এবং সম্প্রদায় দ্বারা নিয়মিত আপডেট হয়।
• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা এবং টুল ব্যবহৃত হয়। Java, Python এবং Ruby হলো প্রোগ্রামিং ভাষা, যা সফটওয়্যার তৈরি, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ডেটা প্রসেসিং এবং অটোমেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Excel মূলত একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা ডেটা বিশ্লেষণ, হিসাবনিকাশ, চার্ট তৈরি এবং রিপোর্টিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণভাবে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোডিং বা প্রোগ্রামিং এর জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে Excel ব্যবহৃত হয় না, যদিও এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং বিশ্লেষণের জন্য সহায়ক।
- উত্তর: ক) Excel.
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• Linux হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows, macOS ও Solaris হলো ক্লোজড সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।