উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৪ / ৮২ · ৩,৩০১–৩,৪০০ / ৮,১৪১
- URL (Uniform Resource Locator) হলো ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজের ঠিকানা।
- যেমন: https://www.educationboard.gov.bd.
- HTTP (Hyper Text Transfer Protocol):
- এটি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ প্রোটোকল।
- http:// দিয়ে শুরু ওয়েবসাইটে ডেটা এনক্রিপশন থাকে না, অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষ সহজেই তথ্য চুরি করতে পারে।
- HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure):
- এটি HTTP-এর নিরাপদ সংস্করণ।
- এখানে “S” মানে Secure, অর্থাৎ ডেটা এনক্রিপশন (Encryption) পদ্ধতিতে প্রেরণ করা হয়।
- এর মাধ্যমে ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে তথ্য SSL/TLS (Secure Sockets Layer / Transport Layer Security) ব্যবহার করে এনক্রিপ্ট করা হয়।
- ftp:// (File Transfer Protocol) ব্যবহার করা হয় ফাইল আদান-প্রদানের জন্য, এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য নয়।
- mail:// ইমেইল সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: Encyclopedia britannica. [লিংক]।
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
- ব্রিটিশ গণিতবিদ Charles Babbage আবিষ্কার করেন Different Engine, সেজন্য তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Analytical Engine আবিষ্কার করেন।
- এটি ছিল সম্পূর্ণ অটোমেটিক পাশাপাশি সকল ধরণের গাণিতিক কাজ করতে সক্ষম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
◉ API (Application Programming Interface) হল একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন বা সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদানের সুবিধা প্রদান করে।
API:
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - ঘ) Database networking
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।
• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
◉ যে ম্যালওয়্যার একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে, তা হলো র্যানসমওয়্যার (Ransomware)। র্যানসমওয়্যার ব্যবহারকারীর ডেটা বা সিস্টেমকে লক করে দেয় এবং সাধারণত মুক্তিপণ (র্যানসম) দাবি করে। মুক্তিপণ দেওয়া না হলে ব্যবহারকারী তার ডেটা বা সিস্টেমে অ্যাক্সেস পায় না।
র্যানসমওয়্যার:
- র্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র্যানসমওয়্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
Keylogger: ব্যবহারকারীর কী-বোর্ড ইনপুট গোপনে রেকর্ড করে (যেমন পাসওয়ার্ড চুরি)।
Adware: অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখায়, তবে সিস্টেম লক করে না।
Rootkit: সিস্টেমে লুকিয়ে থেকে হ্যাকারকে গোপন প্রবেশাধিকার দেয়।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. বাংলাদেশ ব্যাংক পরিক্রমা।
• NOT গেইটকে সাধারণত "ইনভার্টার" হিসেবেও বলা হয়। কারণ এটি একটি মৌলিক লজিক গেইট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি ইনপুট ১ হয়, আউটপুট ০ হয় এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ হয়। এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন লজিক সার্কিটের নির্মাণে অপরিহার্য। NOT গেইটের মাধ্যমে সংকেতকে উল্টানো যায়, যা কম্পিউটার, মাইক্রোকন্ট্রোলার এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, NOT গেইটকে ইনভার্টার বলা হয় কারণ এটি ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে।
উত্তর: খ) NOT.
NOT গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারে ব্যবহৃত এমন প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে
প্রকারভেদ:
- সাধারণ উদ্দেশ্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য ব্যবহারযোগ্য।
উদাহরণ:
⇒ MS Word: ডকুমেন্ট তৈরি।
⇒ Excel: হিসাবরক্ষণ ও ডেটা বিশ্লেষণ।
⇒ PowerPoint: প্রেজেন্টেশন তৈরি।
- বিশেষ উদ্দেশ্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: নির্দিষ্ট কাজ বা প্রতিষ্ঠান বিশেষ প্রয়োজনে তৈরি।
উদাহরণ:
⇒ Payroll System: প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর বেতন হিসাব, ট্যাক্স ও বোনাস নির্ণয়।
⇒ ব্যাংকিং সফটওয়্যার, হাসপাতালের রোগী ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
তথ্যসূত্র:
NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
সঠিক উত্তর - খ) Optical Storage
• স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Hardware):
স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়। স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device):
- RAM (Random-Access Memory),
- ROM (Read-Only Memory).
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device):
- Hard Disk,
- Floppy Disk,
- USB Flash Drive,
- Magnetic Tape,
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs),
- Solid-State Drives (SSDs)
• অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
যেমন- CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।
• সিডি-রম (CD-Rom-Compact Disk Read Only Memory):
বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
• ডিভিডি (DVD):
- ১৯৯৬ সালের দিকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্কের উন্নতমানের সংস্করণ ডিভিডির (DVD- Digital Versatile Disk) উদ্ভব হয়।
- প্রথম দিকে DVD চলচ্চিত্র বা সিনেমার জন্য উন্নয়ন করা হলেও পরবর্তীতে টেক্সট, বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার সফটওয়্যার, তথ্যাবলি, ছবি, শব্দ ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যায়।
- DVD-এর গঠন ও আকার সিডির মতোই। তবে অধিক পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য DVD-তে ট্র্যাকসমূহ আরো ঘন করে সন্নিবেশিত থাকে।
- সাধারণত DVD-এর ধারণক্ষমতা ৪ গিগাবাইট থেকে ১৭ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- DVD পড়ার জন্য DVD ড্রাইভের প্রয়োজন। বর্তমানে DVD-R, DVD-RW এবং DVD RAM -এ লাল লেজার রশ্মির মাধ্যমে DVD-এর ডেটা পড়া ও লেখা হয়।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ব্লকচেইন মূলত নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের ডিজিটাল রেকর্ড বা ডেটাবেস, যেখানে তথ্য ব্লকের আকারে সংরক্ষিত হয় এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে এক ব্লক থেকে অন্য ব্লকে সংযুক্ত করা হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর তথ্য পরিবর্তন বা জালিয়াতি রোধ করে, কারণ একবার তথ্য ব্লকে যুক্ত হলে তা পরিবর্তন করা খুব কঠিন। ব্লকচেইন ব্যাংকিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি, চুক্তি স্বাক্ষর, এবং অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি ক্লাউড স্টোরেজ, ওয়েব ডিজাইন বা সামাজিক মিডিয়ার জন্য নয়, বরং নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
- সঠিক উত্তর: ঘ) নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন।
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।
• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
উৎস: ব্রিটানিকা।
- ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে।
- তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 35 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(16×1) + (8×1) + (4×1) + (2×0) + (1×0)
= 16 + 8 + 4 + 0 + 0
= 28
হিসাব নিকাশের কাজ করার জন্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম সাধারণত কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বছরের শেষের হিসাবের বিবরণ তৈরির জন্য খুবই উপযোগি। এই প্রোগ্রামের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল যদি কোন অংশ ভুল হয় তাহলে সে অংশ পরিবর্তন করে শুদ্ধ করলে তার সাথে সম্পর্কযুক্ত সম্পুর্ণ হিসাবে স্বয়ংসম্পুর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়।
আইবিএম পিসির প্রথম ব্যবহারকারী স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম হল লোটাস ১-২-৩ (Lotus 1-2-3)। এটি ডস ভিত্তক। সরাসরি উইন্ডোজ ভিত্তক স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel)। এক্সেলে অনেক বেশি পরিমাণে কাজ করা যায় এবং কাজের সুবিধাও অনকে বেশি। ম্যাকিনটোশ পার্সোনাল কম্পিউটারেরও প্রধান স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট এক্সেল।
ব্যাংক, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ইত্যাদি জায়গায় প্রধানত OCR ব্যবহৃত হয়।
OCR এর পূর্ণরূপ- "Optical Character Recognition."
কাগজের ওপর কালি বা পেন্সিলের দাগ ও অক্ষর ছাড়াও বিভিন্ন আকৃতি ও গঠনের চিত্র পাঠ করা ওসিআর যন্ত্রের কাজ। হিসাবের যন্ত্র, ক্যাশ রেজিষ্টার, টাইপরাইটার ও প্রিন্টারের লেখা পাঠ করতে এ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। উন্নত রশ্মি দিয়ে ওসিআর যন্ত্রের মাধ্যমে হাতের লেখাও পাঠ করা সম্ভব।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সংযােগের উপর ভিত্তি করে মেমােরির শ্রেণিবিভাগ :
প্রধান বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত মেমােরিকে প্রধান বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রােগ্রাম ও তথ্যকে এ মেমােরিতে অস্থায়ীভাবে জমা রাখা হয়।
যেমন- র্যাম, রম ইত্যাদি।
মাদারবাের্ডে মাইক্রোপ্রসেসরের পাশাপাশি এ মেমােরি অবস্থান করে ।
সহায়ক বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: যে মেমােরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযােগ রক্ষা করে তাকে অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়।
এ মেমােরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়। ব্যবহারকারী ভবিষ্যৎ প্রয়ােজনে উপাত্ত বা প্রােগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমােরি বলা হয়।
সাধারণ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি সহায়ক মেমােরির উদাহরণ।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
• ইলেকট্রনিক সংকেতকে ভিজ্যুয়াল আকারে রূপান্তর করার জন্য যে যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো মনিটর। মনিটর কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস, যা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক সংকেতকে মানুষের চোখের জন্য দৃশ্যমান আকারে প্রদর্শন করে। যখন কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, তখন সেগুলি ইলেকট্রনিক সংকেত আকারে থাকে। মনিটরের স্ক্রিন এই সংকেতগুলোকে পিক্সেল আকারে রূপান্তরিত করে এবং ব্যবহারকারীকে ছবি, লেখা বা ভিডিও আকারে দেখায়। অন্যদিকে, কীবোর্ড তথ্য ইনপুট দেয়, প্রিন্টার তথ্যকে কাগজে মুদ্রণ করে এবং ইউএসবি ড্রাইভ তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং ভিজ্যুয়াল আউটপুটের জন্য সঠিক উত্তর হলো মনিটর।
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:
• ইনপুট ডিভাইস:
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।
• আউটপুট ডিভাইস:
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।
• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস:
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।
তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.
• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।
বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।
8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• মাইক্রোপ্রসেসরই মূলত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের প্রধান অংশ।
• প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (Processing Hardware):
ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কম্পিউটার তার প্রক্রিয়াকরণের ফলাফলের মাধ্যমে পূরণ করে থাকে। প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের কাজের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পর্কযুক্ত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় প্রসেসিং হার্ডওয়্যার। সাধারণত সিপিইউ ইউনিটের (কম্পিউটার কেসিং) ভেতরে এগুলো সংযুক্ত থাকে। তবে কম্পিউটারের প্রসেসিং কাজের সাথে বিভিন্ন ধরনের এক্সটার্নাল হার্ডওয়্যারও যুক্ত থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো হলো—
১। মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor),
২। মেমরি (Memory),
৩। রম চিপ (ROM chips),
৪। ভির্যাম (VRAM),
৫। বাস (BUS),
৬। মাদারবোর্ড (Motherboard),
৭। পোর্ট (Port),
৮। পাওয়ার সাপ্লাই (Power Supply),
৯। এক্সপ্যানশন স্লট (Expansion slot), ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• Database Management System (DBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ব্যবহারকারীদের ডেটা সংরক্ষণ, হালনাগাদ, অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে।
DBMS এর বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা সংরক্ষণ (Data Storage): ডেটা সুষ্ঠুভাবে সঞ্চয় করে।
- ডেটা অ্যাক্সেস (Data Access): দ্রুত অনুসন্ধান এবং নির্বাচন করা যায়।
- ডেটা নিরাপত্তা (Data Security): অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের জন্য সীমাবদ্ধতা আরোপ।
- Consistency & Integrity: ডেটা সঠিক ও নির্ভরযোগ্য থাকে।
Oracle Database এর গুরুত্ব:
- Enterprise Level DBMS: বড় প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকিং, ই-কমার্স, এবং সরকারি সংস্থার জন্য ব্যবহৃত।
- Relational Database: ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করে, এবং SQL ব্যবহার করে পরিচালনা করা যায়।
- Scalability & Reliability: কোটি কোটি রেকর্ড দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব।
• অপশন আলোচনা:
- Notepad++: একটি শক্তিশালী টেক্সট ও সোর্স কোড এডিটর, যা বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষার কোড লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Python: একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা সফটওয়্যার এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- MS Paint: একটি সরল গ্রাফিক্স এডিটর সফটওয়্যার, যা ছবি আঁকা ও সম্পাদনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নবম-দশম শ্রেণি।
- Oracle অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
• Connectivity (সংযোগ ব্যবস্থা) বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান উপাদান, কারণ এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মানুষ তথ্য আদান–প্রদান ও যোগাযোগ করতে পারে।
• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য কিছু মৌলিক উপাদান প্রয়োজন, যেগুলোর সমন্বয়ে বৈশ্বিক যোগাযোগ ও তথ্য আদান–প্রদান সম্ভব হয়।
- প্রধান উপাদানগুলো হলো: Hardware, Software, Connectivity, Data and Information, Capacity.
• Hardware:
- তথ্য আদান–প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের যন্ত্রপাতিকে Hardware বলা হয়।
- এর মধ্যে রয়েছে: Computer, Peripheral devices, Mobile phone, Satellite, Audio-video recorder, Radio, Television ইত্যাদি।
• Software:
- Hardware পরিচালনা ও কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও নির্দেশনাকে Software বলা হয়।
- Software এর মধ্যে রয়েছে: System software, Application software, Browsing software, Communication software, Programming language ইত্যাদি।
• Connectivity:
- বিশ্বগ্রামের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদান করতে পারে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, তার জন্য প্রয়োজন নেটওয়ার্ক বা Connectivity।
- বিশ্বব্যাপী তথ্যভাণ্ডারের সাথে সর্বক্ষণিক বা প্রয়োজন অনুযায়ী যুক্ত থাকার জন্য Connectivity গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• Data and Information:
- উপাত্তকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপান্তর করা হয়।
- বিশ্বগ্রামে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য ও উপাত্ত একে অপরের সাথে বিনিময় বা শেয়ার করা হয়।
• Capacity:
- বিশ্বগ্রামের উপাদানগুলোর মধ্যে মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য মানুষের সচেতনতা, জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতার উপর এর সফল প্রয়োগ নির্ভর করে।
• অন্যান্য অপশন:
- Operating System → কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত System software।
- Compiler → উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষাকে Machine language-এ রূপান্তরকারী অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- Algorithm → কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে সাজানো যৌক্তিক নির্দেশনার সমষ্টি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারঃ
যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়। এ ধরনের প্রিন্টারের রেজ্যুলুশন ও গতি বেশি থাকে। আবার প্রিন্ট করার সময় সাধারণত শব্দ হয় না। তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমনঃ-
১। লেজার প্রিন্টার
২। ইংকজেট প্রিন্টার
৩। থার্মাল প্রিন্টার; ইত্যাদি।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের (OS) বিভিন্ন ফিচারের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশনের সুযোগ দেয় Shell। Shell হলো ব্যবহারকারী ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যবর্তী একটি ইন্টারফেস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কমান্ড প্রদান করে এবং সিস্টেম সেই অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করে। এটি কমান্ড লাইন ভিত্তিক (যেমন Bash) অথবা গ্রাফিক্যাল হতে পারে। Command Prompt আসলে Shell-এর একটি উদাহরণ, API মূলত প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, আর Scheduler কাজের সময়সূচি নিয়ন্ত্রণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Shell.
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
• অপশন আলোচনা:
- Scheduler:
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।
- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।
- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।
- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
COBOL : used in business, finance, and administrative systems for companies and governments.
PASCAL : encourage good programming practices using structured programming and data structuring.
FORTRAN (FORmula Translation): it was designed to allow easy translation of mathematical formulas into code.
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো 0 থেকে 7।
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে মোট ৮টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 8।
- ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.
- - উদাহরণ: (105)8, (765)8.
• অন্যান্য সংখ্যা পদ্ধতি:
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System)–এর Base হলো 10 এবং এতে অঙ্ক ব্যবহৃত হয় 0 থেকে 9.
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System)–এর Base হলো 2 এবং এতে শুধু 0 ও 1 ব্যবহৃত হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)–এর Base হলো 16 এবং এতে 0–9 ও A–F পর্যন্ত চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সাধারণত একটি ওয়ার্কবুকে ১৬টি ওয়ার্কশিট থাকে।
- এক্সেলের ডকুমেন্টকে ওয়ার্কবুক বলে।
- প্রয়োজন অনুসারে, একসাথে একাধিক ওয়ার্কবুক নিয়ে কাজ করা যায় এবং একসাথে একই সময়ে একাধিক শিটে ডাটা স্থানান্তর করা যায়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• যদি আপনার কম্পিউটারের C ড্রাইভ পূর্ণ হয়ে যায়, তাহলে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা আছে যে আপনার কম্পিউটার ধীর গতিতে চলবে। C ড্রাইভ সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামগুলো রাখে। যখন ড্রাইভে পর্যাপ্ত খালি জায়গা থাকে না, তখন সিস্টেমের অস্থায়ী ফাইল (temporary files) সংরক্ষণ করা বা ভিরচুয়াল মেমোরি (virtual memory/page file) ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। এর ফলে প্রোগ্রাম লোড হতে সময় নেবে, ফাইল খোলার সময় বিলম্ব হবে, এবং সামগ্রিকভাবে কম্পিউটারের পারফরম্যান্স ধীর হবে। অন্য অপশন গুলো, যেমন মনিটর বন্ধ হওয়া, ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি বা প্রিন্টার বন্ধ হওয়া, ড্রাইভের স্থান কম হওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- তাই C ড্রাইভ পূর্ণ হলে মূল সমস্যা হলো কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া।
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ Cache Memory হলো একটি অতি দ্রুতগতির মেমোরি, যা সাধারণত CPU এবং প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশনা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রসেসরের গতি বাড়ে এবং সিস্টেম পারফরম্যান্স উন্নত হয়।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
বর্তমানে মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
চুম্বকীয় কোরের তুলনায় অর্ধপরিবাহী স্মৃতি অনেক ছােট ও সস্তা। অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি বলেই একে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি বলে।
বহুল ব্যবহৃত দুই ধরনের অর্ধপরিবাহী স্মৃতির একটি হল অস্থায়ী স্মৃতি বা র্যাম (RAM = Random Access Memory) এবং অপরটি হল স্থায়ী স্মৃতি বা রম (ROM = Read Only Memory)।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমে মেমোরিকে কয়েকটি অংশে ভাগ করাকে পার্টিশন বলা হয়।
• মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এ একই সময়ে এবং একসঙ্গে চার-পাঁচটি প্রোগ্রাম কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে থাকে।
- যার ফলে মেমোরি অনেক বড় হতে হয়। মেমোরিকে কয়েকটি অংশে ভাগ করা হয়। এই ভাগকে পার্টিশন বলে।
- প্রধান মেমোরির এই সব পার্টিশনের ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় নির্দিষ্টভাবে ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রাম থাকে যাতে একই জায়গায় একাধিক প্রোগ্রাম না লেখা হয়।
- এইভাবে মেমোরি প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে অগ্রাধিকার বা প্রাধান্য (Priority) ভিত্তিতে প্রোগ্রাম প্রসেস হয়।
- উচ্চ প্রাইয়রিটির প্রোগ্রামগুলো প্রধান মেমোরির ফোরগ্রাউন্ড (Foreground) পার্টিশনে থাকে এবং এই প্রোগ্রামগুলোকে ফোরগ্রাউন্ড প্রোগ্রাম বলে।
- কম প্রাইয়রিটির প্রোগ্রামগুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ড (Background) প্রোগ্রাম বলে।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
সঠিক উত্তর - ঘ) Alphanumeric codes
আলফানিউমেরিক কোড:
- অক্ষর (a - z, A - Z), অংক (0-9) এবং বিভিন্ন গাণিতিক চিহ্ন (+, -, =, x ইত্যাদি) সহ আরও কতকগুলো বিশেষ চিহ্ন (!, @, #, $, %, *, / ইত্যাদি) জন্য ব্যবহৃত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংকগুলো নির্দিষ্ট করা ছাড়াও কম্পিউটার সহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগানোর প্রয়াসে অক্ষর ও অন্যান্য চিহ্নের প্রয়োজন হয়। এই কারণেই আলফানিউমেরিক কোডের উদ্ভব হয়েছে।
- আলফানিউমেরিক কোড ডেটা কমিউনিকেশন ও ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে শৃংখলাও আনয়ন করেছে।
জনপ্রিয় আলফানিউমেরিক কোডসমূহ:
- অ্যাসকি (ASCII) কোড,
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড,
- ইউনিকোড (Unicode),
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
◉ Many to Many Relation বলতে বোঝায়, একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত।
ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -
One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।
One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
সঠিক উত্তর - খ) A firmware that resides on the motherboard
BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়্যার, অর্থাৎ মাদারবোর্ডে থাকা স্থায়ী সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা দেয়।
- যখন ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালু করেন, তখন BIOS ইনিশিয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করে, এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট (POST) পরিচালনা করে।
- হার্ডওয়্যার ঠিক আছে তা নিশ্চিত হওয়ার পর, BIOS খুঁজে বের করে মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR), যা BIOS-কে নির্দেশ দেয় কিভাবে সিস্টেম “বুট” (শুরু) করতে হবে।
- BIOS কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং সমস্ত বাহ্যিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা পরিচালনা করে।
• BIOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী:
- হার্ডওয়্যারের তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে,
- কম্পিউটার বুট হওয়ার ক্রম পরিবর্তন করতে পারে,
- এবং একটি মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট করতে পারে।
- ২১শ শতকের প্রারম্ভে, BIOS-এর স্থানে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এসেছে, যা বড় ড্রাইভ পরিচালনা করতে পারে এবং BIOS-এর চেয়ে দ্রুত কাজ করতে সক্ষম।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
‘উইন্ডোজ’ Hardware এর উদাহরণ নয়, এটি software এর একটি উদাহরণ।
উইন্ডোজ
-এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার (Operating System Software), যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
হার্ডওয়্যার (Hardware)- যে সকল যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটার তৈরি করা হয় এদেরকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলে।
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, মনিটর, মডেম ইত্যাদি।
সফটওয়্যার (software)- কম্পিউটারের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে।
যেমন: উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড, এক্সেল ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
•এমবেডেড সিস্টেম হলো একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সম্পন্ন কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত বড় কম্পিউটার বা সার্ভারের মতো বহুমুখী নয়, বরং নির্দিষ্ট ফাংশন সম্পাদনে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, একটি ওয়াশিং মেশিন কন্ট্রোলার এমবেডেড সিস্টেমের নিখুঁত উদাহরণ। এটি শুধুমাত্র ওয়াশিং মেশিনের প্রোগ্রামিং এবং নিয়ন্ত্রণের কাজ করে, যেমন জল ভর্তি, ঘূর্ণন, ধোয়া ও পানি নিষ্কাশন। অন্যদিকে, গেমিং ল্যাপটপ, ওয়েব সার্ভার বা ডেস্কটপ কম্পিউটার সাধারণ উদ্দেশ্য সম্পন্ন কম্পিউটার যা বিভিন্ন কাজ করতে সক্ষম, তাই এগুলো এমবেডেড সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত নয়। সুতরাং, গ) ওয়াশিং মেশিন কন্ট্রোলার হলো এমবেডেড সিস্টেমের উদাহরণ।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।
• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।