উত্তর
ব্যাখ্যা
- অপশনের বাকিগুলো অ্যান্টি ভাইরাস।
কিছু এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম:
- এভিজি
- এভিরা
- নরটন
- এভাস্ট
- ক্যাস্পারস্কি
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩১ / ৮২ · ৩,০০১–৩,১০০ / ৮,১৪১
ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
যেমন ৩১ এর ক্ষেত্রে,
৩১ / ২ = ১৫ ভাগশেষ - ১
১৫ / ২ = ৭ ভাগশেষ - ১
৭ / ২ = ৩ ভাগশেষ - ১
৩ / ২ = ১ ভাগশেষ - ১
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১
অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ৩১-এর বাইনারি রূপ = (১১১১১)২
• নোটবুক কম্পিউটার এক ধরনের মাইক্রো কম্পিউটার।
• মাইক্রো কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হলো মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রোর সাধারণ অর্থ হলো ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সব কম্পিউটার তৈরি হয়, সেগুলোকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট-আউটপুট হার্ডওয়্যার নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
-দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হওয়ায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।
• মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
- ১. পামটপ কম্পিউটার,
- ২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
- ৩. নোটবুক কম্পিউটার,
- ৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট, তাই সঠিক উত্তর হলো ক)। ফ্লিপ-ফ্লপ এমন একটি মৌলিক মেমোরি উপাদান যা এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি শুধু বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, বরং আগের অবস্থার (previous state) উপরও নির্ভরশীল। সাধারণত ক্লক সিগনালের সাহায্যে ফ্লিপ-ফ্লপ কাজ করে এবং ডেটা সংরক্ষণ, কাউন্টার, রেজিস্টার ও মেমোরি ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। কম্বিনেশনাল সার্কিটের মতো এটি তাৎক্ষণিক আউটপুট দেয় না এবং এটি পাওয়ার সাপ্লাই বা সাধারণ লজিক গেটও নয়।
ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।
ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে,
- বাকি তিনটি অপশন ফ্লিপ-ফ্লপের বৈশিষ্ট্য নয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হলো একধরনের মাইক্রোচিপ যেখানে একাধিক ইলেকট্রনিক উপাদান (যেমন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর) একসাথে সিলিকন প্লেটে স্থাপন করা হয়।
- এই প্রযুক্তির কারণে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়েছে।
- গতি বৃদ্ধি পেয়েছে ও বিদ্যুৎ খরচ কমেছে,
- নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে।
- ফলে, আধুনিক কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুত, শক্তিশালী এবং কমপ্যাক্ট আকারে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
- এই কারণেই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট কে আধুনিক কম্পিউটার অগ্রগতির প্রধান কারণ বলা হয়।
- ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়েছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে (১৯৫৬–১৯৬৩)।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় উন্নত হলেও, আধুনিক দ্রুত কম্পিউটারের ভিত্তি নয়।
- ট্রানজিস্টর যুগের পরই IC যুগ শুরু হয়, যা অনেক বেশি উন্নত।
- ভ্যাকুয়াম টিউব প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে (১৯৪২–১৯৫৫) ব্যবহৃত হত।
- এগুলো ছিল বড়, ভারী, অতিরিক্ত গরম হতো এবং প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করত।
উৎস: Britannica. [লিংক]
SQL কোয়েরি ল্যাংগুয়েজ হল- Structured Query Language।
এছাড়া
QUEL-QUEery Language
QBE- Query By Example
SQL এর সম্পূর্ন অর্থ হলো Structured Query Language। এটি একটি programming language যার মাধ্যমে আমরা database এর সাথে যোগাযোগ করতে পারি মানে database এ ডাটা আদান-প্রদান করতে পারি। ।
SQL এর মাধ্যমে যে কাজসমূহ করা যায়-
১। database থেকে যে কোন ডাটা নিয়ে আসতে পারবো।
২। database এ নতুন কোন ডাটা আমরা সংরক্ষন করতে পারবো।
৩। আগের কোন ডাটা আমরা update করতে পারবো।
৪। আগের কোন ডাটা আমরা delete করতে পারবো।
৫। নতুন কোন databases তৈরী করতে পারবো।
৬। databases এর মধ্যে নতুন কোন table তৈরী করতে পারবো।
৭। databases এর জন্য নতুন কোন User তৈরী করতে পারবো।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• সুপারকম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার, যা জটিল ও বিশাল ডেটা দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম। এগুলো সাধারণ কাজ যেমন অফিসের উৎপাদনশীলতা, গেম খেলা বা ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এই ধরনের কাজ সাধারণ কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন দিয়েই সহজে সম্পন্ন করা যায়। সুপারকম্পিউটারের মূল ব্যবহার হলো আবহাওয়া পূর্বাভাস, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশন, যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের মডেল তৈরি, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা কিংবা জটিল চিকিৎসা সংক্রান্ত বিশ্লেষণ। এতে বিপুল পরিমাণ তথ্য সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়, যা বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• OMR (Optical Mark Recognition) শিটের ডেটা পড়ার জন্য প্রধান ডিভাইস হলো স্ক্যানার। OMR শিটে শিক্ষার্থীরা উত্তর প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে চিহ্ন বা মার্ক করে। এই চিহ্নগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করতে এবং কম্পিউটারে রূপান্তর করতে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। প্রজেক্টর কেবল ছবি বা তথ্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টার শিট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় এবং ফটোকপি মেশিন কাগজের নকল করার জন্য। কিন্তু OMR শিটের মার্কগুলোকে পড়ে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করার কাজ স্ক্যানারই করতে সক্ষম, যা পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়াকরণে সহায়ক। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্ক্যানার।
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস।
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে।
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে।
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারী অজান্তে একটি সংযুক্তি খুললে ভাইরাসটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং সিস্টেমে ক্ষতি করতে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হার্ডওয়্যার থেকে ছড়ায় না, সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ইনস্টল হয় না এবং সরাসরি কম্পিউটারের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না। সাধারণত ট্রোজান ভাইরাস একটি নির্দিষ্ট ফাইল বা প্রোগ্রামের আকারে আসে, যা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, তাই ব্যবহারকারী সহজেই এটিকে খুলে ফেলে। নিরাপদ ইমেইল ব্যবহার এবং অজানা সংযুক্তি না খোলাই প্রধান প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাইনারি যোগ
0 + 0 = 0
0 +1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে ১, যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।
বাইনারি বিয়োগ
0 - 0 = 0
1 - 0 = 1
1 - 1 = 0
0 - 1 = 1 এবং হাতে থাকে ১
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC একটি হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা নির্দেশ করে। এখানে 0x প্রিফিক্স বোঝায় যে সংখ্যাটি বেস-১৬ পদ্ধতিতে লেখা। হেক্সাডেসিমালে ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যা এবং A-F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A=10, B=11, C=12, D=13, E=14 এবং F=15। সুতরাং 0xC মানে হলো হেক্সাডেসিমালের C, যার দশমিক মান 12। তাই সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC আসলে দশমিক ১২ নির্দেশ করে। এই কারণে সঠিক উত্তর হলো ক) Decimal 12
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- sciencedirect. [link]
• ডাটাবেজ টেবিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি বিশেষ কলাম বা কলামের সেট, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) সনাক্ত করে।
• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা-
১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - খ) 147
অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়।
(507)8 = (147)16
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ২-ইনপুট NOR গেট হল একটি লজিক গেট যা আউটপুট প্রদান করে তখনই যখন উভয় ইনপুটই শূন্য (0) থাকে। অন্যভাবে বলা যায়, NOR গেট হলো OR গেটের নেগেশন। OR গেটের আউটপুট ১ হয় যদি অন্তত একটি ইনপুট ১ হয়, তাই NOR গেটের আউটপুট ঠিক উল্টো হয়। অর্থাৎ, ইনপুট (0,0) হলে আউটপুট ১ হবে, এবং (0,1), (1,0), (1,1) হলে আউটপুট হবে ০.
- দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে কেবল “খ)” সারণিটি এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মিলে যায়: 0 0 → 1, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 0। সুতরাং, সঠিক সত্যতা সারণি হলো খ)।
• NOR গেইট:
- NOR গেইট ব্যবহার করে তিনটি মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) সহ যেকোনো জটিল ডিজিটাল সার্কিট তৈরি করা সম্ভব, তাই একে সার্বজনীন (Universal) গেইট বলা হয়।
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
• ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা মেমোরি ইউনিটের কাজ।
• কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)
• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• BIOS (Basic Input/Output System) কম্পিউটারের বেসিক ফার্মওয়্যার যা মূলত কম্পিউটার চালু হলে প্রথমেই কাজ করে। এটি হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং নিশ্চিত করে যে সব ডিভাইস সঠিকভাবে কাজ করছে। এছাড়াও, BIOS অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সেটিং ও নির্দেশনা প্রদান করে, যার মাধ্যমে কম্পিউটার বুট হতে পারে। ভাইরাস স্ক্যানিং, ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট বা হার্ডওয়্যার মেইনটেন্যান্সের সরাসরি কাজ BIOS-এর মধ্যে নেই, যদিও কিছু উন্নত BIOS নিরাপত্তা ফিচার দিতে পারে। মূলত, BIOS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেমকে লোড করা। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।
• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে, তখন তাকে ১ জিফ্লপস (GFLOPS) ক্ষমতার বলা হয়। “ফ্লপস” শব্দটি এসেছে “Floating Point Operations Per Second” থেকে, যা একটি প্রসেসরের গণনার গতিশীলতা বা পারফরম্যান্স পরিমাপ করে। এখানে “জি” মানে “গিগা”, যা এক বিলিয়নের সমান। তাই, ১ জিফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট গণনা করা। GFLOPS (Giga Floating-Point Operations Per Second)। অন্য অপশনগুলো যেমন মেগাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন), টেরাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক ট্রিলিয়ন), এবং পেটাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন) ভিন্ন স্কেলে আসে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ১ GFLOPS.
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।
উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট।
সঠিক উত্তর - ক) 0.065
দশমিক ভগ্নাংশকে অক্টালে রূপান্তর:
ধাপ-১: ভগ্নাংশকে অক্টাল ভিত্তি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশ এবং ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
ধাপ-২: গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে। এই প্রক্রিয়া যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ চালাতে হবে। যদি কমপক্ষে ৫-৬ বার গুণ করার পরও ভগ্নাংশ ০ না হয়, তবে এই অবস্থায় কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ধাপ-৩: সংরক্ষিত পূর্ণ অংশগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSD থেকে LSD) সাজালে কাঙ্ক্ষিত অক্টাল সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।
সুতরাং (0.105)10 = (0.065)8
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• SATA এর পূর্ণরূপ হলো Serial Advanced Technology Attachment। এটি একটি স্টোরেজ ইন্টারফেস যা মূলত হার্ড ড্রাইভ (HDD), সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) এবং অপটিক্যাল ড্রাইভের সঙ্গে কম্পিউটার সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। SATA পূর্ববর্তী PATA (Parallel ATA) প্রযুক্তির তুলনায় অনেক দ্রুত এবং আরও কার্যকর। এটি ডাটা স্থানান্তরের জন্য সিরিয়াল কেবল ব্যবহার করে, যা সরু এবং নমনীয়, ফলে কম্পিউটার ভেতরের এয়ারফ্লো উন্নত হয়। SATA ড্রাইভের জন্য বিভিন্ন সংস্করণ আছে, যেমন SATA I, SATA II এবং SATA III, যা পর্যায়ক্রমে ডাটা ট্রান্সফারের গতি বাড়িয়েছে। এটি আধুনিক কম্পিউটারে স্টোরেজ সংযোগের একটি মান হয়ে গেছে।
সঠিক উত্তর: ক) Serial Advanced Technology Attachment.
• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।
• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
◉ পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ (PDA) হলো একটি ছোট এবং বহনযোগ্য ডিভাইস, যা মূলত ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কম্পিউটিং কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
পিডিএ-এর পূর্ণরূপ হলো পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Personal Digital Assistant)।
পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বুট সেক্টর ভাইরাসের প্রধান ঝুঁকি হলো অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা। এটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রান্ত করে এবং কম্পিউটার চালু করার সময় নিজের কোডকে কার্যকর করে। ফলে সিস্টেম ঠিকমত শুরু হতে পারে না বা পুরোপুরি অচল হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের ভাইরাস সাধারণত স্টোরেজ ডিভাইসে সরাসরি লুকিয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারী সচেতন না থাকলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অন্য বিকল্প যেমন ইন্টারনেটের গতি কমানো, ব্রাউজারের কুকিজ চুরি বা মজার বার্তা দেখানো বুট সেক্টর ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য নয়। মূল বিপদ হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
-প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা
প্রশ্ন: হেক্সাডেসিমেল A5 কে দশমিক সিস্টেমে কিভাবে প্রকাশ করা যাবে?
সমাধান:
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যা রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অংককে 16 এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হবে।
স্থানীয় মান অনুযায়ী গুণ করা:
- একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে, এবং এভাবে বামে যাওয়ার সাথে সাথে 16 এর ঘাত বাড়বে।
• হেক্সাডেসিমেল অংকের মান:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা A, B, C, D, E, এবং F যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, এবং 15 মানের সমান। এই মানগুলোও গুণফলে ব্যবহার করতে হবে।
এখন,
(A5)16 = 5 × 160 + A × 161
= 5 × 1 + 10 × 16
= 5 + 160
= 165
∴ (A5)16 = (165)10
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর: ক) Input device
ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- মাউস (Mouse),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- ওএমআর (OMR),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।
সোর্স: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• রেজিস্টার একটি মূলত তথ্য সংরক্ষণের উপাদান, যা কম্পিউটারের প্রসেসরে অস্থায়ীভাবে ডেটা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপ একটি দ্বি-স্থিতিশীল সার্কিট যা একটি বিট তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি একক বিট সংরক্ষণ করতে পারে এবং অনেকগুলো ফ্লিপ-ফ্লপ একত্র করে একটি রেজিস্টার তৈরি করা হয়। যদিও সেমিকন্ডাক্টর, ট্রানজিস্টর ও ডায়োড ফ্লিপ-ফ্লপের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি রেজিস্টারের মূল উপকরণ হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ বিবেচিত হয়।
- তাই রেজিস্টারের কার্যকরী এবং মৌলিক উপাদান হলো ফ্লিপ-ফ্লপ।
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।
• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
(1001011)2 = 1×26 + 0×25 + 0×24 + 1×23 + 0×22 + 1×21 + 1×20
= 64 + 0 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1
= 75
BIOS (Basic Input Output System)
- BIOS (Basic Input Output System) হলো কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার, যা সাধারণত মাদারবোর্ডে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার তার সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে নির্দেশ অনুযায়ী সম্পন্ন করে।
- যখন পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়া হয়, তখন প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার অনুসরণ করে, সেগুলো একটি ইলেকট্রনিক চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- BIOS-এর মাধ্যমে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- এটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং বাহ্যিক ডিভাইস যেমন মাউস ও কীবোর্ডের তথ্য ব্যবস্থাপনাও করে।
- BIOS-এর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
• মুদ্রিত টেক্সট অথবা সংখ্যাগত ডেটা সনাক্ত করতে সক্ষম প্রযুক্তি হলো OCR (Optical Character Recognition)। OCR মূলত কাগজে মুদ্রিত লেখা, সংখ্যা বা টাইপ করা তথ্য স্ক্যান করে তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে। এর মাধ্যমে বই, প্রশ্নপত্র, ফর্ম বা ডকুমেন্টের লেখা কম্পিউটারে সম্পাদনযোগ্য করা যায়। অন্যদিকে QR Code ও Barcode মূলত নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করে, কিন্তু সরাসরি মুদ্রিত লেখা পড়তে পারে না। আবার OMR কেবল নির্দিষ্ট চিহ্ন বা বুদবুদ পূরণ শনাক্ত করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) OCR.
OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।
কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।
নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।
ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।
OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
- মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
- অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
- অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।
অন্যদিকে,
- Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
- OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• UNIVAC 1100 মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।
উল্লেখ্য,
CYBER 205 - সুপার কম্পিউটার,
IBM S/34 - মিনি কম্পিউটার,
Apple Macintoch - মাইক্রোকম্পিউটার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
স্প্রেডসিট বলতে লোটাস ১-২-৩ এবং এক্সেল প্রোগ্রামকে বুঝায়। স্প্রেডসিট প্রোগ্রামের মধ্যে অন্যতম এক্সেল প্রোগ্রাম।
এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম হচ্ছে চিত্রভিত্তিক (Graphical User Interface)। পক্ষান্তরে লোটাস হচ্ছে বর্ণভিত্তিক পদ্ধতিতে (Text based)।
অর্থাৎ লোটাসের কমান্ড দিতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে এবং এক্সেল-এর কমান্ড দিতে হয় মাউস পয়েন্টারের সাহায্যে মেনু চালিত পদ্ধতিতে। লোটাস কমান্ড মেনুর সাহায্যে করা যায় তবে সময় বেশি লাগে। এক্সেল ও লোটাস উভয় প্রোগ্রামেই যে কোন তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, সংযোজন করা যায়।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
- বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে বা সংখ্যার বিটগুলোকে উল্টানোকে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক বলে।
- ৩২ এর বাইনারি সংখ্যা ১০০০০০।
- এই সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হবে ০১১১১১।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।